Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Tamanna Sharmin Chowdhury

Pages: 1 ... 4 5 [6]
76
Road accidents in Bangladesh have reached epidemic levels, with newspaper headlines reporting casualties on a daily basis.
The road safety movement did win a concession from the government in the shape of the drafting of Road Transport Act 2018, which is currently awaiting approval by the parliament.

However, road safety campaigners say the new act will serve the interest of transport workers and labourers – and not the general public – as it was approved without consulting any passenger representative.

Reckless driving, a tendency to overtake, a lack of use of foot over bridges, and an overall disregard for traffic responsibility shown by pedestrians are the main reasons behind the frequent road accidents.

In light of this situation, Democracy International and Dhaka Tribune organized a roundtable titled “Road Safety in Bangladesh: Causes and Remedies,” at the conference hall of the Dhaka Tribune on September 30, under the Strengthening Political Landscape (SPL) project – a project implemented by Democracy International under “Narir Joye Shobar Joy” (When Women Win We All Win) Campaign, jointly funded by USAID and UKAID.

Lipika Biswas, Senior Program Manager at Democracy International in Bangladesh, moderated the discussion. The participants – which included politicians, heads of government and non-governmental organizations, transport owners, civil society members, and media personalities – highlighted the problems with the current traffic system, and recommended solutions to overcome the situation.

Speakers said that administrative intent, building awareness, and strict enforcement of laws are vital to bringing discipline to the country’s abysmal traffic system.

They called upon the government to take cautionary, effective, and prompt action to reduce this problem.

It was also pointed out that the number of illegal vehicles, and unskilled drivers that lack even the basic training, are major reasons for the failing system.

According to a recent survey conducted by the organization Nirapad Sarak Chai (NiSCha - We Demand Safe Roads), the number of road accidents in 2016 was 2,316, which grew to 3,349 in 2017 and, until September this year, stands at 2,672.

The speakers at the round-table also marked the fact that motorcycles and three-wheelers, including auto and electric rickshaws, were most commonly responsible for highway accidents alongside the reckless driving, unfit vehicles, and unlicensed drivers.

On average, 3,000 road accidents occur in Bangladesh each year, causing around 2,700 deaths, 2,400 injuries, and incurring an estimated loss of around Tk40,000 crore annually, which is 2-3% of Bangladesh’s GDP, according to data collected by stakeholders.

77
Business & Entrepreneurship / salesperson-attitude-and-skills
« on: March 28, 2019, 04:43:55 PM »
salesperson-attitude-and-skills

78
বিশ্বের কয়েকটি দেশের চেয়ে সড়ক নির্মাণে বাংলাদেশে খরচ বেশি পড়ে। প্রতি কিলোমিটার সড়কে এ দেশে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা খরচ হয়। যা ভারত ও চীনের চেয়ে অনেক বেশি।

আজ সোমবার দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রকৌশল খাতের প্রতিষ্ঠান বিএসআরএম ও দি ডেইলি স্টারের যৌথ উদ্যোগে ওই আলোচনার আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে পাকা রাস্তা নির্মাণে বাংলাদেশের প্রতি কিলোমিটারে খরচ বিশ্বের বেশির ভাগ দেশের থেকে তুলনামুলক বেশি মন্তব্য করে তা কমিয়ে আনতে সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন, ‘প্রতি কিলোমিটার রাস্তায় এ দেশে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা খরচ হয় যা ভারত, চীনের চেয়ে অনেক বেশি।’ বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশ নদীমাতৃক হওয়া সত্ত্বেও টেকসই নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে না পারায় কাঙ্ক্ষিত জিডিপি অর্জিত হয় না।’

অনুষ্ঠানে দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, বিএসআরএমের হেড অব মার্কেটিং মোহাম্মদ ফিরোজসহ বুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপকরা অংশ নেন।

79
দেশের জনসম্পদকে মানবসম্পদে পরিণত করার অন্যতম হাতিয়ার শিক্ষা। তাই বাজেট প্রণয়নের সময় শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়াটা জরুরি। কিন্তু বাজেটে শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোর বদলে কমছে। ফলে ছাত্রছাত্রীর হার কয়েকগুণ বাড়লেও কমেছে শিক্ষার মান। তাই শিক্ষার মান বাড়াতে এই খাতে বাজেট বাড়ানোর দাবি জানালেন শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদরা।

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, ‘সরকারের যে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষানীতি, যেটা এখন চালু আছে। সেখানে বলা আছে, ২ শতাংশ থেকে এটাকে ৬-৮ শতাংশে নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩ শতাংশে আমরা আর যেতে পারছি না। ২০০২ থেকে ২০১৮—১৬ বছর ধরে! অর্থ ব্যয় করতে হবে প্রধানত শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে। উন্নত, মেধাবী লোকেরা যাতে শিক্ষকতায় আসে। সে জন্য তাদের উপযুক্ত বেতনের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকার যদি অর্থ ব্যয় করে, ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে, ভালো শিক্ষক নিয়োগ দেয়। তাহলে প্রচুর অর্থ দিতে পারে এবং আস্তে আস্তে বেসরকারি পণ্যভিত্তিক যেসব শিক্ষা আছে, সেই শিক্ষাগুলো থেকে মানুষ তখন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেতে পারে। আর সর্বোপরি সেটা না করলে পরে, আমাদের মানবসম্পদ তৈরি হবে না। মানবসম্পদ তৈরি না হলে পরে আমরা নিম্ন মধ্যম আয়েই ঠুকঠুক করতে থাকব। মধ্যম আয়ে আর আমাদের যাওয়া সম্ভব হবে না।’

শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ‘২০০০ সালে যেখানে মোট বাজেটের ১৪ শতাংশের ওপরে ছিল শিক্ষার জন্য বরাদ্দ, ২০১৭-১৮-এর দিকে গিয়ে সেটা ১০/১১ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০০০ সালের শিক্ষার্থীর সংখ্যা আর বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি। কিন্তু আমরা সেই কয়েকগুণ বিনিয়োগ করিনি। যথাসময়ে যথাযথ বিনিয়োগ দরকার। এখন আমরা যদি শুধু শিক্ষক প্রশিক্ষণে ব্যয় করি। একজন প্রশিক্ষিত শিক্ষক তার প্রশিক্ষণকে নিয়মিত তার শ্রেণিকক্ষে কাজে লাগাচ্ছেন কি না। সেটার জন্য যে রকম তদারকি-দেখভাল দরকার আছে, একই সঙ্গে দরকার আছে, সেই শিক্ষককে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া।’

গত অর্থবছরে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য বাজেটে বরাদ্দ ছিল ৪৫ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১১ শতাংশের কিছু বেশি। অথচ ২০০০ সালে এই বরাদ্দের হার ছিল ১৪ শতাংশ। জিডিপির হিসাবে এই বরাদ্দ ২ শতাংশের কাছাকাছি। অর্থাৎ বাজেট বরাদ্দ কয়েকগুণ বাড়ার বদলে কয়েক গুণ কমেছে।

অথচ শিক্ষা খাতে ৬ শতাংশ বা মোট বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দ দিতে সরকারের অঙ্গীকার রয়েছে। তাই শিক্ষা ও অর্থনীতিবিদদের মতে, অর্থ বরাদ্দই এখন শিক্ষার উন্নয়নে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শিক্ষাক্ষেত্রে গ্রাম-শহর, সরকারি-বেসরকারিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেসব বৈষম্য আছে, তা বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগ কৌশল ঠিক করতে হবে বলেও পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞেরা।

80
আলঝাইমার মস্তিষ্কের রোগ। এই রোগে স্মৃতিভ্রংশের ঘটনা ঘটে। মস্তিষ্কের যেসব স্থানে স্মৃতি রক্ষিত থাকে সেগুলো আক্রান্ত হয় এই রোগে।

কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো আলঝাইমার রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। আলঝাইমার প্রতিরোধে কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

১. গ্রিন টি

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার মস্তিষ্কের শক্তি বাড়ায়। গ্রিন টির মধ্যে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। মস্তিষ্কের রক্তনালিকে সঠিকভাবে কাজ করাতে কাজ করে। গ্রিন টি পারকিনসনস ও আলঝাইমার রোগ প্রতিরোধে উপকারী।

২. হলুদ

হলুদের মধ্যে রয়েছে কারকিউমিন নামক উপাদান। এর মধ্যে প্রদাহরোধী ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এর মধ্যে থাকা প্রদাহরোধী উপাদান মস্তিষ্কের প্রদাহ কমাতে কাজ করে; আলঝাইমার রোগ প্রতিরোধ করে।

৩. নারকেল তেল

নারকেল তেল আলঝাইমার রোগের ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন এক টেবিল চামচ এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেল স্মৃতি শক্তি ভালো রাখতে কার্যকর। তাই খাদ্যতালিকায় এই খাবারটি রাখতে পারেন।

81
অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরের জন্য খুব জরুরি। এটি অকাল বার্ধক্য, বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগ, ক্যানসার, কার্ডিওভাসকুলার রোগ ইত্যাদি প্রতিরোধে সাহায্য করে। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

কালো চকোলেট
যারা কালো চকোলেট খেতে ভালোবাসেন তাদের জন্য সুখবর রয়েছে। কালো চকোলেট তৈরি হয় কোকোয়া গাছের বীজ থেকে। এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্টের চমৎকার উৎস। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট প্রদাহ কমায় এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করে।

পালং শাক
পালং শাক অ্যান্টি অক্সিডেন্টের আরেকটি চমৎকার উৎস। এমনকি এটা বেটা কেরোটিনের একটি ভালো উৎস। তাই খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখতে পারেন এই খাবারটি।

ব্রকলি
ব্রকলি অ্যান্টি অক্সিডেন্টের আরেকটি ভালো উৎস। এ ছাড়া ব্রকলির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন। যেমন, ভিটামিস সি, কে ও এ। এ ছাড়া এর মধ্যে রয়েছে আঁশ, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, ফলেট, প্রোটিন ইত্যাদি। তাই খাদ্য তালিকায় এই খাবারটিও রাখুন।

স্ট্রবেরি
অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাদ্যতালিকার মধ্যে স্ট্রবেরি বেশ ওপরের দিকে। স্ট্রবেরির মধ্যে অ্যানথোসায়ানিন রয়েছে, এই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট কার্ডিওভাসকুলার রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।     

82
শিক্ষা-স্বাস্থ্যে সবচেয়ে কম ব্যয় করে বাংলাদেশ
 
•বাজেট বরাদ্দ
•জিডিপির অনুপাতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের ব্যয় প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপের চেয়েও কম।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে কম ব্যয় করে বাংলাদেশ। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে এ দুটি খাতে বাংলাদেশের ব্যয় এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন। এমনকি প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানও বাংলাদেশের চেয়ে বেশি ব্যয় করে।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় সংসদে সম্প্রতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের যে বাজেট ঘোষণা করেছেন, তাতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ টাকার অঙ্কে বেড়েছে বটে। তবে মোট বাজেটে এ দুটি খাতের হিস্যা কমেছে। ফলে জিডিপির অনুপাতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ আগের মতোই নিম্নস্তরে রয়ে গেছে।
এদিকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির অনুপাতে রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের একটি চিত্র উঠে এসেছে জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিকের (এসকাপ) অর্থনৈতিক ও সামাজিক জরিপে। ২০১৮ সালের প্রতিবেদনটি গত ৮ মে প্রকাশ করা হয়। এতে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৫২টি দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা এবং গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে ব্যয়ের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
এসকাপের প্রতিবেদনটিতে ৩৬টি দেশের শিক্ষা খাতের ব্যয় উল্লেখ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ জিডিপির প্রায় ২ শতাংশ ব্যয় করে, যা ওই দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। বাংলাদেশের চেয়ে কম ব্যয় করে শুধু কম্বোডিয়া। পাকিস্তানে শিক্ষা খাতে ব্যয় জিডিপির ২ দশমিক ৬ শতাংশ। ভারতে তা ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। এই খাতে নিউজিল্যান্ড ব্যয় করে জিডিপির প্রায় সাড়ে ৬ শতাংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ১ দশমিক ১ শতাংশ ব্যয় করত। সেটা সর্বশেষ বাজেটে কমে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশে এসেছে। এর মানে হলো, দেশের জিডিপির আকার বেড়েছে। সে অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়েনি। ফলে জিডিপির অনুপাতে স্বাস্থ্যে ব্যয় কমেছে। প্রতিবেদনে ৪৮টি দেশের স্বাস্থ্য খাতের ব্যয়ের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তাতে দেখা যায়, স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের মতো আর কোনো দেশই এত কম হারে ব্যয় করে না। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে নিউজিল্যান্ড স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৯ শতাংশের বেশি ব্যয় করে।
সার্বিকভাবে জানতে চাইলে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান সম্প্রতি প্রথম আলোকে বলেন, উন্নয়ন যদি টেকসই করতে হয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি জোর দিতে হয় শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলো বাংলাদেশের অবস্থানে থাকার সময় সবচেয়ে বেশি ব্যয় করত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে। তার সুফল এখন তারা পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা মুখে বলছি, বাস্তবে করছি না। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে না।’
নতুন বাজেটে শিক্ষা খাত
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত নতুন বাজেটে শিক্ষা খাতে ব্যয়ের একটি বিশ্লেষণ করেছে। তাদের হিসাবে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে মোট বরাদ্দের ১১ দশমিক ৪ শতাংশ দেওয়া হয়েছে। এটি চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের বরাদ্দের চেয়ে কম। সংশোধিত বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ। নতুন বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ জিডিপির অনুপাতে ২ দশমিক ০৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছরের সমান। তবে গত চার বাজেটের মধ্যে এই হার সর্বনিম্ন। সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় শিক্ষা খাতে জিডিপির অনুপাতে বরাদ্দ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২ দশমিক ৮৪ শতাংশে উন্নীতকরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, নতুন বাজেটে শিক্ষা খাতে ব্যয় ৫৩ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করেছে সিপিডি।

দেশের শিশুরা এখন বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। কিন্তু শিক্ষার মান নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন আছে। এ দেশে দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরি হচ্ছে না। ফলে বিদেশিরা বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে কাজ করছেন। এ ছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়াশোনা করতে গিয়ে আর দেশে ফিরছেন না।
বাজেট ঘোষণার পরদিন সিপিডির বিশ্লেষণে সংস্থাটির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য শিক্ষা খাতের বরাদ্দ নিয়ে বলেন, শিক্ষায় এত কম বরাদ্দ দিয়ে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ হওয়া, দক্ষ শ্রমশক্তি নিশ্চিত করার আশা বাতুলতা।

স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ
নতুন বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের হিস্যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে কমেছে। সিপিডির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নতুন বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ২৩ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা। চলতি বছরের সংশোধিত বাজেটে এই খাতের জন্য ২০ হাজার ১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন বাজেটে মোট ব্যয়ের ৫ দশমিক ০৩ শতাংশ বরাদ্দ পেয়েছে স্বাস্থ্য খাত, যা সংশোধিত বাজেটে ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
জিডিপির অনুপাতে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় চলতি অর্থবছরে এই হার ১ দশমিক ০৪ শতাংশে উন্নীত করার কথা ছিল। নতুন বাজেটে স্বাস্থ্য খাত পরিবহন ও যোগাযোগ, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং কৃষির চেয়ে কম বরাদ্দ পেয়েছে।
সেলিম রায়হান বলেন, স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের সাফল্য আছে। মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার কমাতে পেরেছে। তবে সেটা সম্ভব হয়েছে সস্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে। স্বাস্থ্য খাতে নতুন যেসব সমস্যা আসছে, তাতে বরাদ্দ ব্যাপক হারে বাড়াতে হবে। এ দেশের মানুষের বড় একটা অংশের চিকিৎসার জন্য ভারত, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটারও স্বাস্থ্য খাতে অগ্রাধিকারের সঙ্গে যোগ আছে।

83
Business & Entrepreneurship / social media marketing mistakes to avoid
« on: September 26, 2018, 06:03:52 PM »
Most businesses that have a social media presence know what to do on social media. But a lot of them don’t know what NOT to do on social media! As a social media marketer or business owner, have you ever wondered what the most common social media marketing mistakes are?

With every business being different, it is essential that you understand which social media marketing channels are important for your business. With trends changing on a daily basis, it’s good to keep yourself updated.

Tip to remember: A marketing campaign that works well for business A may not give the same results for business B. Test and try different campaigns to get the best that works well for your business.

Here are some of the social media marketing mistakes to avoid:

Over Automation
More and more businesses are using scheduling and automation tools like Hootsuite to broadcast information and content. Although the scheduling tools help marketers reach out to the audience at a regular interval, this also acts as a barrier between marketer and potential customer in the audience.

Having meaningful interaction with the users is the key to success, which is not possible if you schedule everything. Using scheduling tools for every single task may also make your business come across as artificial and fake.

Using automation tools can be helpful, but it is also important for businesses to engage with their audience and focus on building a relationship.

Social Media Marketing Myths
Although many businesses have a social media presence, they still find it difficult to achieve their goals. A majority of the credit for their failure goes to the social media marketing myths that they fall prey to. If you’re going to be on social media, you also need to be familiar with all the myths associated with it.

Businesses often think that social media is essential and go overboard with it. However, the rule for an excellent social media marketing campaign is to put the right message in front of the right audience at the right time. So that majority of your followers see your content and take action accordingly.



Overuse Hashtags
Adding hashtags to your content is a way to increase the visibility of the content and your business. The key is to use appropriate hashtags that are in line with the nature of your content.

You will see the visibility of your content increasing as your content becomes visible to the relevant audience. You may use online tools like Hashtagify, that show the popularity and relevance of hashtag used. However, don’t overuse hashtags. Adding too many hashtags will make your content look spammy and may also show your content to a completely irrelevant audience.

No Drafted Strategy
Every time you plan your social media marketing campaign for the next month, do you follow a well-drafted strategy?

In social media marketing, you have to have a strategy for the upcoming months. When you have a well-drafted strategy, it keeps you on track and aligned with the goals you are trying to achieve. So, once you draft your SMM strategy, everything gets on track. From choosing the right social media platforms to getting metrics from these platforms.

Negative Reviews
Do you respond to negative customer reviews and comments on your business social media pages?

As a marketer, it is your responsibility to respond timely to comments and reviews, irrespective of whether they are positive or negative. Never ever ignore negative comments. Instead of removing or deleting them, a written apology and a way to rectify the wrong done will make your brand come across as reliable.

84
Business Administration / Digital marketing
« on: September 26, 2018, 05:30:13 PM »
There are a number of ways brands can use digital marketing to benefit their marketing efforts. The use of digital marketing in the digital era not only allows for brands to market their products and services, but also allows for online customer support through 24/7 services to make customers feel supported and valued. The use of social media interaction allows brands to receive both positive and negative feedback from their customers as well as determining what media platforms work well for them. As such, digital marketing has become an increased advantage for brands and businesses. It is now common for consumers to post feedback online through social media sources, blogs and websites on their experience with a product or brand. It has become increasingly popular for businesses to use and encourage these conversations through their social media channels to have direct contact with the customers and manage the feedback they receive appropriately.

Word of mouth communications and peer-to-peer dialogue often have a greater effect on customers, since they are not sent directly from the company and are therefore not planned. Customers are more likely to trust other customers’ experiences. Examples can be that social media users share food products and meal experiences highlighting certain brands and franchises. This was noted in a study on Instagram, where researchers observed that adolescent Instagram users' posted images of food-related experiences within their social networks, providing free advertising for the products.

It is increasingly advantageous for companies to use social media platforms to connect with their customers and create these dialogues and discussions. The potential reach of social media is indicated by the fact that in 2015, each month the Facebook app had more than 126 million average unique users and YouTube had over 97 million average unique users.

A key objective is engaging digital marketing customers and allowing them to interact with the brand through servicing and delivery of digital media. Information is easy to access at a fast rate through the use of digital communications. Users with access to the Internet can use many digital mediums, such as Facebook, YouTube, Forums, and Email etc. Through Digital communications it creates a Multi-communication channel where information can be quickly exchanged around the world by anyone without any regard to whom they are. Social segregation plays no part through social mediums due to lack of face to face communication and information being wide spread instead to a selective audience. This interactive nature allows consumers create conversation in which the targeted audience is able to ask questions about the brand and get familiar with it which traditional forms of Marketing may not offer.

85
Business Administration / Augmented Reality
« on: September 26, 2018, 05:04:13 PM »
How Marketers Can Use Augmented Reality


AR’s value extends far beyond entertainment. It creates new and innovative ways for brands to connect with consumers. AR offers a particularly engaging ad format; gestures like swipe, tap, and rotate are natural in a mobile environment and allow consumers to explore products showcased within the ad.

With 70% of the global population expected to become mobile users by 2020, the demand for creative mobile content will only rise. By incorporating AR into their always-on media strategies, marketers and advertisers can reach consumers on devices they already own and build emotional connections through more engaging mobile experiences.

Here’s a closer look at precisely how marketers can start benefiting from augmented reality now.

Home Visualization
A major benefit of augmented reality is its ability to enhance the existing environment, rather than fabricating an entirely new one. AR allows consumers to envision a different rendering of their current space. For marketers, this is especially important when consumers are considering expensive purchases or working with empty space, like during periods of interior decoration, renovation, or design.

According to a study from market research firm DigitalBridge, one-third of consumers would be more likely to make an immediate purchase of an expensive item – i.e. furniture -- if they could access an AR visualization of it first. Marketers can use this method to reduce the conversion time for that type of sale by up to six months.

Companies like IKEA, Pottery Barn, Zillow, and Wayfair have already developed and launched proprietary mobile apps where consumers hold their phones over their living rooms and kitchens to see an overlaid visualization of a piece of furniture in that room.

Pottery Barn recently launched an AR ad campaign where consumers can see various configurations, colors, and sizes of desk lamps, media consoles, sofas, and more in their own homes. The experience lets them envision how these furnishings complement their environment before moving on to browsing the Pottery Barn site or visiting in-store. The AR campaign resonated with consumers, driving an average time spent of 2.4 minutes.

Apparel and Cosmetics Inspiration
Interior design and home improvement aren’t the only retail categories benefitting from AR. Retailers in apparel and cosmetics have also been early movers in the format, realizing its marketing and customer support potential. Companies like Macy’s have integrated AR into the store experience to maximize basket size. Others have seen consumers interacting with their new AR ads for an average of two-plus minutes. Compare this number to the standard engagement time of 13.14 seconds.

AR has proven particularly effective for retail sectors where consumers are either hesitant to shift their brand loyalties, or to pull the trigger on an expensive or unfamiliar experience. A study from Interactions surveying Americans aged 18 to 64 found that 25% would want to shop for makeup by augmented reality; 35% would shop for shoes with AR; and fully 55% would like AR to help them shop for clothing. Many consumers still rely on word-of-mouth recommendations from trusted networks or sampling to try something new in these categories.

AR could be the future of trying on clothes, a new hairstyle or a fresh makeup palette. Converse’s Sampler mobile app already lets people see what the shoes would look like on their feet, while Uniqlo’s virtual dressing enables the same capabilities in a store setting.

AR is quickly becoming the dominant tool for companies like Sephora and L’Oréal, enabling users to sample various products both at home or in-store. And as AR becomes more sophisticated, it’ll lower barriers to purchase certain goods--cosmetics, clothing, and more--online. It will also reduce returns, which are a consistent logistical and financial drain for retailers.

Ultimately, AR provides an enhanced experience that deepens the brand connection, and provides a level of utility that mobile users now come to expect. In fact, nearly three-quarters of consumers already expect retailers to offer a mobile AR experience.

Break Through the Clutter
As audiences demand more engagement and greater connection with brands, marketers need new ways to break through the clutter of traditional advertising. AR is a powerful tool for doing that. AR campaigns have probably higher engagement rates than traditional digital formats, with some brands, like Home Depot, seeing a dwell time of two-plus minutes. While enhanced storytelling is an easy win for many brands, finding fresh utility for consumers will crack the code on increasing campaign engagement. We believe that progress will take place in incremental steps.

First, further experimentation by content and technology players will spur development of new experiences and content distribution methods. On the brand side, more consumer companies will invest in pilots, and the results will build confidence and reduce the risk for future projects. These developers and brands will find varying degrees of success until a few standardized platform infrastructures and monetization models emerge. Once these platforms are commonplace, brands will compete to build the most contextually relevant and memorable experiences for users.

Second, the seamless consumer experience needed for AR-enabled experiences will require a significant increase in data bandwidth. XR ad formats like AR and VR are already pushing the boundaries of connectivity and 5G technology could offer the solution. It will be a boon for AR, driving speed and reducing latency. This is critical to achieving advertiser goals and a better consumer experience. Widespread rollout of 5G can increase connection speeds by up to 10X, while cutting latency by a factor of 5X. AR experiences will look crisper on smartphones, making dynamic creative that requires additional data more of a reality.

It’s only a matter of time before AR applications become ubiquitous. And the companies best positioned to ride the approaching AR wave are those who are willing to experiment with it now.

Source: http://www.econtentmag.com/Articles/Editorial/Industry-Insights/How-Marketers-Can-Use-Augmented-Reality-127338.htm

Pages: 1 ... 4 5 [6]