Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - Shabrina Akter

Pages: 1 ... 10 11 [12]
Be a Leader / 22 Qualities That Make a Great Leader
« on: June 05, 2017, 12:26:57 AM »
22 Qualities That Make a Great Leader

1. Focus
2. Confidence
3. Transparency
4. Integrity
5. Inspiration
6. Passion
7. Innovation
8. Patience
9. Stoicism
10. Wonkiness
11. Authenticity
12. Open-mindedness
13. Decisiveness
14. Personableness
15. Empowerment
16. Positivity
17. Generosity
18. Persistence
19. Insightfulness
20. Communication
21. Accountability
22. Restlessness


Be a Leader / 50 Rules for Being a Great Leader
« on: June 05, 2017, 12:21:24 AM »
50 Rules for Being a Great Leader

If becoming a great leader in your own business or organization is your goal, these 50 rules are a good place to start:

1. Listen to your team. Rule one. Always listen to what your team has to say, even if you don’t like it.

2. Communicate as efficiently as possible. Make your expectations and feelings clear, in the appropriate medium as often as possible.

3. Talk less. Sometimes saying nothing is better than saying just anything.

4. Be an example. Be the type of person you want your team members to be.

5. Be passionate. If you aren’t passionate about your business, you’re in the wrong business.

6. Be consistent. Be consistent in your behaviors so your team knows what to expect from you.

7. Make firm decisions. Don’t leave things undecided for long, and don’t waver about a decision once you’ve made it.

8. Identify mentors and role models. Find people you can look up to and learn from, and follow them closely.

9. Interfere only when necessary. If you trust your team to do good work, don’t interfere unless absolutely necessary.

10. Know your limits. Don’t extend yourself beyond your means.

11. Know your strengths. If you’re good at resolving disputes, step in and resolve them as often as possible.

12. Know your weaknesses. If there’s something you’re not good at, admit it, and work on it.

13. Don’t make excuses. If you make a mistake, take ownership of it and don’t pass the blame to someone or something else.

14. Accept the unforeseen. You can’t control or predict everything.

15. Choose your partners carefully. Work only with people you can count on and trust.

16. Do good. Commit yourself to being a good person and giving back to the community when possible.

17. Meet new people all the time. Take every opportunity to expand your network and expose yourself to new experiences and perspectives.

18. Stay in touch with your emotions. Don’t be a robot -- let yourself feel.

19. Temper your reactions. Hold back your reactions until you have a moment to clarify your internal thoughts and feelings.

20. Have fun. Take the time to have fun with your team.

21. Research everything. Before making a decision, know the pros and cons -- do your homework.

22. Think everything through. Never exclusively trust your instincts or first reactions.

23. Choose your team carefully. Hire only those you can trust to get the job done (and to get along with others, as well).

24. Prioritize your team. Your team is everything. Give them whatever they need to succeed.

25. Be humble. Don’t get big-headed about your wealth, influence or position as a leader.

Related: 10 Habits of Ultra-Likable Leaders

26. Forgive mistakes. Everyone makes them.

27. Forgive yourself. Don’t beat yourself up too much over anything. Move on.

28. Be rational. Make decisions logically.

29. Be reasonable. Listen to dissenting opinions, and be fair.

30. Make time for what’s important. There’s no such thing as “not having time” for what’s really important in your life. Make the time.

31. Constantly learn. Read as much as you can, and take classes whenever you have the opportunity.

32. Improve everything. Work on improving your approaches, your skills and your processes constantly.

33. Never give up. Don’t throw in the towel when a little extra persistence could put you over the edge.

34. Transform your methods when necessary. If something isn’t working, change your approach.

35. Cut your losses when necessary. If you’re fighting a losing battle, retreat and start again somewhere else (or in a new way).

36. Learn from your mistakes. Try not to make the same mistakes twice.

37. Ground everything with data. Back up all your decisions, opinions and thoughts with hard, objective facts and evidence.

38. Don’t ignore signs of stress. Stress is real and can interfere with your ability to lead. If it starts setting in at abnormal levels, take action to reduce or relieve it.

39. Give feedback. Let your team know what they’re doing well and what needs further improvement.

40. Trust, but verify. Trust your team to get things done, but always follow up to make sure the work is completed.

41. Be approachable. Let people know they can trust you, and open your door to anybody who needs it.

42. Treat everyone equally. Don’t play favorites; it breeds resentment and makes you appear immature as a leader.

43. Don’t pursue close personal relationships with the team. Be on friendly terms, but don’t try to be best friends with everybody. You’re a leader, first and foremost.

44. Get the team together. Use team-building exercises or other excuses to get your team members talking with one other and having fun together.

45. Return favors. If someone helps you, make it your responsibility to pay back the favor -- even if it’s years later.

46. Don’t burn bridges. Never cut a contact completely out of your life.

47. Stay in touch. If team members leave or change roles, stay in contact with them.

48. Don’t sacrifice your personal life. Your personal life is necessary to retain your own mental health. Never sacrifice it for the sake of leadership or professional responsibilities.

49. Enjoy leadership. Try not to stress too much about being a leader. Instead, enjoy all the benefits it offers.

50. Take advice with a grain of salt. Even with these 50 rules! Because nobody knows everything, and no one piece of advice applies to all situations


Life Style / শিশুদের চিকুনগুনিয়া
« on: June 03, 2017, 11:28:57 PM »
চিকুনগুনিয়া নামটির সঙ্গে সম্প্রতি ঢাকাবাসীর পরিচয় হয়েছে। চলতি মৌসুমে নতুন এই ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। বড়দের পাশাপাশি শিশুদের এই অসুখ হতে পারে, এমনকি শিশুর জন্মের আগে এক সপ্তাহের মধ্যে যদি অন্তঃসত্ত্বা আক্রান্ত হন, তাহলে নবজাতকেরও এটা হতে পারে।

রোগের লক্ষণ
চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ হলো জ্বর, মাথাব্যথা, হাড়ে ব্যথা, হাড়ের স্ফীতি, চোখের কোটরে ব্যথা ইত্যাদি। চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত শিশুর হঠাৎ করে তীব্র জ্বর আসতে পারে। তিন থেকে পাঁচ দিনে যখন জ্বর কমতে শুরু করে, তখন শরীরে চুলকানি এবং ফুসকুড়ি বা র্যা শ দেখা দেয়। কারও কারও র্যা শের পরিবর্তে কালচে বাদামি বা ধূসর রঙের দানা দেখা দেয়। বড়দের মতো হাড়ে ব্যথাও অনেক শিশুর হয় না। আরেকটি ব্যতিক্রম হলো স্নায়বিক জটিলতা (যেমন খিঁচুনি বা এনকেফালাইটিস) শিশুদের বেশি হতে পারে।
ডেঙ্গুর সঙ্গে চিকুনগুনিয়ার কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেমন অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেট কমে গিয়ে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি চিকুনগুনিয়ায় নেই। ডেঙ্গুতে হাড় ব্যথা হলেও ফুলে যায় না, কিন্তু চিকুনগুনিয়ায় রোগীর হাড়ের জোড়া বা সন্ধিতে প্রদাহ হয়, সন্ধি ফুলে যায় এবং ব্যথার মাত্রাও তীব্র থাকে। অনেক রোগী ব্যথার কারণে হাঁটতেই পারে না, তাই একে ‘ল্যাংড়া জ্বর’ বলে।

পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবারের পাশাপাশি বয়স অনুযায়ী প্যারাসিটামলই এ রোগের একমাত্র চিকিৎসা। ভাইরাসজনিত জ্বর বলে এটা সপ্তাহখানেকের মধ্যে সেরে যায়। ব্যথা কমাতে বরফ লাগাতে পারেন। ব্যথা একটু কমে এলে ফিজিওথেরাপি দেওয়া যাবে। চিকুনগুনিয়া রোগে ব্যথা অনেক দিন থাকতে পারে। ডেঙ্গুতে যেমন ব্যথানাশক একেবারে নিষেধ, এ ক্ষেত্রে কিন্তু তা নয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনোই ব্যথানাশক নেবেন না। চিকুনগুনিয়া রোগে বেশির ভাগ শিশু ৭ থেকে ১০ দিনে সেরে ওঠে এবং বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা সম্ভব। তবে শিশুর বয়স এক বছরের কম হলে কিংবা অন্যান্য জটিলতা থাকলে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।
শিশু বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ.


CV writing Skills / Ten ways to search the job
« on: June 03, 2017, 11:21:04 PM »
১০ উপায়ে গুরুত্বের সঙ্গে চাকরি খুঁজুন

চাকরি খোঁজা কোনো সহজ কাজ নয়। অনেকেই চাকরি খুঁজতে গিয়ে সবকিছু তালগোল পাকিয়ে ফেলেন এবং নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে চাকরি খোঁজার চেয়ে বিভিন্ন বিষয়ে খুঁজতে থাকেন। ফলে কোনো চাকরি পাওয়াই হয় না। এ লেখায় রয়েছে ভালোভাবে চাকরি খোঁজার ১০ উপায়।
১. আপনার কোন ধরনের চাকরি মানানসই তা সবার আগে নির্ধারণ করুন। এক্ষেত্রে যে বিষয়টিতে আপনার সবচেয়ে আগ্রহ কিংবা ভবিষ্যতে উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে, তা নির্ধারণ করুন।

২. আপনার নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরি করুন। অর্থাৎ আপনি যে ক্ষেত্রে সফল সে ক্ষেত্রে নিজেকে একজন দক্ষ ও চৌকষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করুন।

৩. ধরুন আপনি একটি প্রতিষ্ঠানের সিইও। এ পর্যায়ে একটি প্রশ্নের উত্তর দিন- ‘আপনি ব্যবসা সফল করার জন্য কোন ধরনের ব্যবসা পরিকল্পনা করবেন?’ এ প্রশ্নের উত্তরটি আপনি যেভাবে দেবেন ঠিক সেভাবেই চাকরি সন্ধানে মনোযোগী হোন।

৪. টার্গেট চাকরিদাতা নির্ধারণ করুন। আপনার প্রিয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান, যেগুলেতে আপনি কাজ করতে চান সেগুলোর একটি তালিকা নির্ধারণ করুন।

৫. আপনার পছন্দের নির্দিষ্ট কয়েকটি চাকরিদাতার সার্কুলারগুলো অনুসরণ করুন এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন।

৬. ছোট বড় সব প্রতিষ্ঠানেই চাকরির চেষ্টা করুন। বহু প্রতিষ্ঠানই আপনাকে নিতে আগ্রহী না হতে পারে আবার কেউ ভালো সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আপনাকে নিয়োগ করতে পারে।

৭. প্রত্যেক নিয়োগদাতার জন্যই আপনার চাকরির আবেদনপত্র আলাদা করে তৈরি করুন। এক্ষেত্রে তাদের চাহিদাগুলো গুরুত্ব দিয়ে অন্য বিষয়গুলো বাদ দিন বা কমিয়ে ফেলুন।

৮. আপনার সিভি পাঠানোর তালিকাগুলো সুসংবদ্ধভাবে সংরক্ষণ করুন। এতে সেগুলোর ফলোআপ করা সহজ হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকলে তাদের কাছে কোন সিভি পাঠিয়েছেন এবং সেখানে আপনার কোন কোন যোগ্যতার বর্ণনা রয়েছে, তা মনে রাখুন এবং ইন্টারভিউতে ব্যাখ্যা করুন।

৯. আপনি যদি কোনো চাকরিতে পূর্ণকালীন কাজ করেন এবং নিরবে নতুন চাকরির সন্ধান করেন তাহলে প্রতি সপ্তাহে তিনটি করে আবেদনপত্র পাঠান। আর যদি বেকার হন তাহলে প্রতিদিন অন্তত তিনটি করে আবেদনপত্র পাঠান।

১০. চাকরির আবেদনপত্র তৈরির সময় মাথা ঠাণ্ডা রাখুন। কোন প্রতিষ্ঠানে ঠিক কোন পদের জন্য চাকরির আবেদন করছেন তা মাথায় রাখুন। রাত জেগে অপ্রয়োজনীয় আবেদনপত্র পাঠানোর মানে হয় না। তার বদলে শরীর ও মাথা ঠাণ্ডা রেখে সঠিক স্থানে আবেদন করুন।

CV writing Skills / Do not use 10 words in CV
« on: June 03, 2017, 11:08:44 PM »
Do not use 10 words in CV

ক্যারিয়ার নির্ভর সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট লিংকডইনের মতে, ক্রিয়েটিভ বা সৃষ্টিশীল শব্দটি সিভি বা জীবনবৃত্তান্তে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শব্দ। এরপরেই আছে এফেক্টিভ বা কার্যকর, মোটিভেটেড বা উদ্বুদ্ধ এবং এক্সটেনসিভ এক্সপেরিয়েন্স বা বিস্তৃত অভিজ্ঞতা।
ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞ ডেভিড সোয়ার্জের মতে, বহুল ব্যবহৃত বিরক্তিকর শব্দ আপনার সিভিকে শুধু গতানুগতিক করে দেয় না, এসব শব্দের কারণে চাকরিদাতার ধারণা হতে পারে যে, এ শব্দগুলো ব্যবহার করে আপনি তাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। এই শব্দগুলো বিভ্রান্তিকর কেননা এগুলো একধরনের প্রলেপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সোয়ার্জের মতে, সিভিতে যাই লেখা হোক তার প্রমাণ থাকতে হবে। আপনি যদি একটি গুণের উল্লেখ করার পর এর পক্ষে কোনো যুক্তি বা তথ্য দিতে না পারেন তবে সে শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়।
চাকরিপ্রার্থীদের প্রতি তার পরামর্শ হলো- কখনোই উচ্চাকাঙ্ক্ষী বর্ণণা দেওয়া ঠিক নয়। 'আমি হতে চাই', 'আমার লক্ষ্য হলো', 'ভবিষ্যতে আমি চাই'- এসব বাক্য ভুল সংকেত দেয়। এগুলো বলে দেয়- আপনি এখন যে কাজটি করছেন সে কাজ করার যোগ্যতা আপনার নেই।

এবার জেনে নিন সিভিতে ব্যবহৃত বহুল ব্যবহৃত ও বিরক্তিকর শীর্ষ ১০শব্দ:
1. Creative : সৃজনশীল
2. Effective : কার্যকর
3. Motivated : উদ্বুদ্ধ
4. Extensive experience : বিস্তৃত অভিজ্ঞতা
5. Track record : অতীত কর্মকাণ্ডের বিবরণ
6. Innovative : উদ্ভাবনী
7. Responsible : দায়িত্বশীল
8. Analytical : বিশ্লেষণী
9. Communication skills : যোগাযোগ কুশলতা
10. Positive : ইতিবাচক


CV writing Skills / 10 tips to create a CV
« on: June 03, 2017, 11:04:29 PM »
10 tips to create a CV

সিভি চাকরির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ামক। একটি আদর্শ সিভি তৈরিতে ব্যাপক সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। সিভি নিয়ে বহু গবেষণার কারণে নানা ধরনের আদর্শমানের সিভির ফরম্যাট ইন্টারনেটে সহজেই পাওয়া যায়। তবুও সিভি ফরম্যাটের বৈচিত্র্যের শেষ নেই। সিভিটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ১০টি টিপস তুলে ধরা হলো এই লেখায়।

১. একজন সফল উদ্যোক্ত হিসেবে আপনি কেমন তা বুঝাতে আপনার উদ্যোগে করা একদিনের একটি ইভেন্ট বা চ্যারিটি অনুষ্ঠানের বিস্তারিত বর্ণনা সংযোজন করুন।

২. যে ক্ষেত্রে কাজ করতে সিভি জমা দিচ্ছেন সে ক্ষেত্রে পারলে কিছুদিন ঘোরাফেরা করে অভিজ্ঞতা থেকে সিভিতে পয়েন্ট লিখার চেষ্টা করুন।

৩. এক্সেল এবং পাওয়ার পয়েন্টে দক্ষতা আবার একটু ঝালাই করে নিন। এতে কর্তৃপক্ষকে বুঝাতে পারবেন আপনি প্রেজেন্টেশনে কতটা ভালো।

৪. যেসব ক্ষেত্রে কাজ করতে আগ্রহী, তার সাথে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে ফ্রি নিউজলেটার সাইন-আপ করুন। এতে সংশ্লিষ্ট খাতের হালনাগাদ সব তথ্য জানতে পারবেন।

৫. প্রতিদিন পত্রিকা পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং টেলিভিশনে খবর দেখুন।

৬. যে ক্ষেত্রে সিভি জমা দিবেন, তার সাথে জড়িত বড় বড় ব্যবসায়ী বা ব্যক্তিত্বের সম্পর্কে ধারণা রাখুন। প্রয়োজনে মেইলে যোগাযোগের চেষ্টা করুন।

৭. ভিডিও সিভি কীভাবে বানাতে হয় তা শিখুন। পাশাপাশি ভিডিও ইন্টারভিউ কীভাবে দিতে হয় তা ইন্টারনেটে দেখুন এবং নিজেও তা চর্চা করুন।

৮. দ্রুত পড়া চর্চা করুন।

৯. কথা বলার জড়তা কাটানো জরুরি। মাতৃভাষাসহ ইংরেজি সুন্দর ও সহজে বলার চর্চা করতে হবে।

১০. ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবসার ভবিষ্যত। কাজেই এ বিষয়ে যারা দক্ষ তাদের খুঁজে বের করুন এবং পরামর্শ নিন।

এসব অভিজ্ঞতার আলোকেই প্রাঞ্জল ভাষায় তৈরি করুন আপনার সিভি।


CV writing Skills / How to give educational information in CV
« on: June 03, 2017, 11:00:07 PM »
How to give educational information in CV

জীবনবৃত্তান্তে কীভাবে দেবেন শিক্ষা-তথ্য

স্কট থম্পসনের কথা মনে আছে? জীবনবৃত্তান্তে শিক্ষা বিষয়ে ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে ২০১২ সালে চাকরি ছেড়ে দিতে হয়েছিল ইয়াহুর এই প্রধান নির্বাহীকে। চাকরিতে ঢোকার সময় নিজের রেজ্যুম বা কারিকুলাম ভিটায় (জীবনবৃত্তান্তে) থম্পসন লিখেছিলেন তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সের ডিগ্রি নিয়েছেন। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়, তাঁর শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ওই বিশ্ববিদ্যালয় এই বিষয়ে কোনো ডিগ্রি দেওয়া শুরুই করেনি। বিষয়টা ধরা পড়ায় চার মাসের মাথাতেই চাকরি ছেড়ে দিতে হয় থম্পসনকে।

আপনি শুরু করেছিলেন কিন্তু শেষ করতে পারেননি, এমন তথ্য জীবনবৃত্তান্তে উপস্থাপন করার ক্ষেত্রে সাবধান। তার মানে এই নয় যে, আপনি তা বাদ দিয়ে যাবেন; বরং শিক্ষাগত যোগ্যতার অংশে একটু সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ সময় অনুক্রমে তা উল্লেখ করুন। কোর্সের নাম লিখুন, কোর্সের কতটা পর্যন্ত আপনি শেষ করেছেন তা উল্লেখসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করুন। মনোবিজ্ঞানী কার্ল পারসিংয়ের পরামর্শসহ এ বিষয়ে জানিয়েছে বিবিসি।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেট্রাস গ্রুপের শিল্প ও প্রতিষ্ঠানবিষয়ক মনোবিজ্ঞানী কার্ল পারসিং বলেন, ?নিজেকে ভুলভাবে উপস্থাপন করার চেয়ে আপনি যে চাকরির জন্য আবেদন করেছেন, সেই পদের জন্য আপনার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান কীভাবে কাজে লাগবে, সেটা যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে পারাই আপনাকে অনেকটা এগিয়ে দিতে পারে।?

এই মনোবিজ্ঞানী বলেন, চাকরির আবেদনে কিংবা জীবনবৃত্তান্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখুন। শিক্ষা এবং দক্ষতায় আপনি কীভাবে কতটা অগ্রসর হয়েছেন, তার বর্ণনা তুলে ধরুন। একটা উদাহরণ দিয়ে পারসিং বলেন, প্রয়োজনে আপনি লিখতে পারেন??ক? বিশ্ববিদ্যালয়ে ?খ? কোর্স সম্পন্ন করেছি। ওই কোর্সে ?গ, ঘ, ঙ? বিষয়ে পড়েছি এবং তা আমাকে ?জ? এবং ?ঝ? বিষয়ে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করেছে। সঙ্গে যুক্ত করুন ছাত্রজীবন শেষে আপনি পেশাগত ক্ষেত্রে কোথায় কোথায় কী কাজ করেছেন সেই বর্ণনা। এভাবে প্রাসঙ্গিকভাবে শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা মিলিয়ে নির্দিষ্ট পেশাগত ক্ষেত্রে আপনার অর্জনকে উপস্থাপন করতে পারেন।

আপনি চাইলে ?কভার লেটার? বা চাকরির আবেদনপত্রটি কাজে লাগাতে পারেন আপনার জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ করা শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করার জন্য। আর এখানেই আপনি সংক্ষিপ্তভাবে জানিয়ে দিতে পারেন কেন একটা কোর্স শুরু করেও আপনি তা শেষ করেননি। আর শুধু কভার লেটারেই নয়, চাকরির সাক্ষাৎকারেও এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন। এ প্রসঙ্গে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, এখানে খুব ব্যক্তিগত বিষয়াদি নিয়ে বেশি কিছু লিখবেন বা বলবেন না। কেননা ভুলে গেলে চলবে না এটা চাকরির আবেদন, চাকরির সাক্ষাৎকার, মনোবিজ্ঞানীর কাছে ব্যক্তিগত কাউন্সেলিং সেশন নয়। বরং ব্যক্তিজীবনের সমস্যা কাটিয়ে আপনি কীভাবে উদ্যমের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন, করছেন তা সামনে নিয়ে আসুন।

আপনি হয়তো একটা গবেষণার বৃত্তি নিয়ে ফেলোশিপ শুরু করেছেন কিন্তু তার ডিগ্রি অংশ শেষ করেননি। হয়তো একটা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছেন কিন্তু পরে ওই বিষয়ে আর অগ্রসর হননি। এমনকি হয়তো একটা বৃত্তির জন্য মনোনীত হয়েও সুযোগের অভাবে তাতে অংশ নিতে পারেননি। এগুলোর কোনোটিই ফেলনা নয় চাকরিদাতার কাছে। তবে, অবশ্যই সব বিষয়েরই প্রয়োজনীয় নথিপত্র বা সনদ জুড়ে দিতে হবে আপনার জীবনবৃত্তান্তের সঙ্গে।


Mistake in Bio-Data (Please try to avoid these mistake)

বায়োডেটায় যে ভুলগুলো প্রায় সবাই করে থাকে

একের পর এক চাকরির পরীক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কিছুতেই ভাগ্যের শিকে ছিঁড়ছে না। আসলে ভেবে দেখেছেন কি গলদ থাকতে পারে গোড়াতেই? নিয়োগকর্তাদের কাছে আপনার পরিচয় বলতে আপনার পাঠানো বায়োডেটা। আর সেটাই যদি পছন্দ না হয়!! আপনি পেশাদার কিনা, তা বলে দেবে আপনার বায়োডেটা। কারণ আপনার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা সবই বায়োডেটার মধ্যে দিয়েই প্রকাশ পায়। আর এই বায়োডেটা পছন্দ হলেই আপনার সামনে খুলে যায় ভালো কম্পানিতে চাকরির সুযোগ।

এখন বায়োডেটা বা সিভি বা রেজিউমে তৈরি করতে গিয়ে বেশকিছু ভুল প্রায় সবাই করেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক, সেসব ভুল এড়িয়ে কীভাবে তৈরি করবেন স্মার্ট বায়োডেটা?

১) একাধিক ই-মেইল ID থাকতে পারে, কিন্তু বায়োডেটায় কখনওই একাধিক ই-মেইল  ID দেবেন না।

২) কোনও বানান যেন ভুল না লেখা হয়।

৩) অভিজ্ঞতাকে হাইলাইট করতে গিয়ে অত্যঅধিক পরিমাণে বুলেট ব্যবহার করবেন না।

৪) কম শব্দে কম কথায় গুছিয়ে সিভি লিখুন।

৫) ETC, SAME AS ABOVE ভুলেও এসব লিখবেন না।

৬) ক্যাপিটাল লেটার রেজিউমে বানাবেন না।

৭) বায়োডেটায় দেওয়া সব তথ্য নিজে একবার যাচাই করে নেবেন।

৮) আপনি কম্পানির সেই নির্দিষ্ট পদের জন্য কী কারণে নিজেকে উপযুক্ত মনে করছেন, অল্পকথায় সেটা গুছিয়ে লিখুন।


Pages: 1 ... 10 11 [12]