Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Narayan

Pages: 1 ... 8 9 [10]
136
উইলিয়াম জেফারসন বিল ক্লিনটন। জন্ম ১৯ আগস্ট ১৯৪৬। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ১৯৯৩ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত। বর্তমানে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত। ২০১১ সালের ১৯ মে নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এই বক্তব্য দেন

অভিনন্দন স্নাতক ডিগ্রি অর্জনকারী সব শিক্ষার্থী, তাদের পরিবার, বন্ধু ও অভিভাবকদের। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেও, যারা এ সফলতা অর্জনে সহায়তা করেছে। আজ তোমরা জীবনের আরেকটি অসাধারণ অংশে প্রবেশ করতে যাচ্ছ, যা তোমাদের জন্য অনেক আনন্দের। আমার মনে হয়, ৪১ বছর আগে আমিও ঠিক তোমাদের জায়গাতেই দাঁড়িয়ে ছিলাম আমার গ্র্যাজুয়েশন শেষে। আমার এখনো সবকিছু মনে আছে, যা সেদিন আমাদের সমাবর্তন বক্তা যা বলেছিলেন। তাঁঁর বক্তব্য শুরু হওয়ার ৯০ সেকেন্ডের মধ্যে জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আঘাত হানল প্রচণ্ড এক ঝড় এবং বক্তা বললেন, ‘যদি তোমরা আমার বক্তব্যের কপি পেতে চাও, আমি অবশ্য তোমাদের পাঠিয়ে দিতে পারি। আমার তাড়াতাড়ি চলে যাওয়া দরকার, নয়তো ঝড় আমাদের ধ্বংস করে দেবে।’ আজ অবশ্য ঈশ্বর পরিষ্কার রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ দিয়ে আশীর্বাদ করেছেন। তোমাদের জন্য এটা সুখকর নয় কি?
আজ আমি নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি বেশ কিছু কারণে। প্রথমত, তাঁদের জন্য, যাঁরা ‘স্টার্ন স্কুল অব বিজনেস’-এ কাজ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবকাঠামো নিয়ে বা যাঁরা সারা দেশে ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠিন প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়েও শুধু চলা নয়, উন্নত করার সুযোগ করে দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, এখানকার শিক্ষার্থী, কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের প্রচেষ্টা, বিশ্বকে বদলে দেওয়ার প্রচেষ্টা, নারীর ক্ষমতায়ন, নারী ও শিশুপাচার রোধের চেষ্টা, যা টেকসই ভবিষ্যৎকে নিশ্চিত করবে।
তোমরা বাস করছ ইতিহাসের এক পারস্পরিক নির্ভরতার যুগে। পারস্পরিক এ অধীনতা মানে হলো চারপাশে কী ঘটছে, সে সম্পর্কে তোমরা জানো, যা আগের প্রজন্মের পক্ষে সম্ভব ছিল না। তোমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কীভাবে তোমরা নিজেদের গল্পগুলো বাঁচিয়ে রাখবে। নিজের লক্ষ্যে কীভাবে পৌঁছাবে, নিজের আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্নকে ধরে রাখবে এমন একটি পৃথিবীতে, যা উত্তম; মন্দ নয় এবং যেখানে নেতিবাচক শক্তিগুলোর পতন ঘটিয়ে সত্যের জয় হবে। সেই লক্ষ্য অর্জনে আমি দুটি পরামর্শ দিতে চাই। প্রথমটি হলো জীবনের প্রতিটি দিনে সুখের সন্ধান করতে হবে; সবকিছু শেষ হয়ে গেলে নয়, জীবনের এই যাত্রার শেষেও নয়। সেই শক্তি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মধ্য দিয়ে তোমরা পেয়েছ। দ্বিতীয়টি হলো কখনো থেমে গেলে চলবে না, জীবনের কঠিন সময়গুলোতে হেরে গেলে চলবে না এবং পরিস্থিতি থেকে সবকিছুর ইতি টেনে চলে যাওয়াও চলবে না। স্বপ্নপূরণের এ যাত্রায় যতটা এগিয়ে গেছ, সেখান থেকে তোমরা বেরিয়ে আসতে পারবে না, তালগোলও পাকিয়ে ফেলবে না, এমনকি জীবনের সবকিছু হারিয়ে গেলেও না। যখন তুমি স্বপ্নপূরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তখন এটা তোমার মন, প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে জয় করবেই।
এখন আমি বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে বলতে চাই। কীভাবে তুমি একে দেখতে চাও? তোমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এ বিশ্বকে কীভাবে রেখে যেতে চাও? আমি জানতাম, আমি এ পৃথিবীকে কীভাবে দেখতে চাই। আমি চেয়েছিলাম, সুযোগ ও দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেওয়ার জায়গা হিসেবে পৃথিবীকে দেখতে, যেখানে সব বিভেদ দূর করে আমরা জাতি গঠন করতে সক্ষম হব।
এমন একটি পৃথিবী আমরা পেয়েছিলাম, যা আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যেতে পারি। সেখানে আমরা আমাদের বিভিন্নতা ও বৈচিত্র্য উদ্যাপন করব। কিন্তু আমাদের মানবতাবোধের মূল্য থাকবে সবচেয়ে বেশি। সে রকম একটি পৃথিবী যদি আমরা পেতে চাই, তবে প্রশ্ন হলো কীভাবে সেই পৃথিবী আমরা অর্জন করতে পারি? আমাদের প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করে ইতিবাচক গুণাবলির স্ফুরণ ঘটাতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নেতিবাচক দিকগুলো প্রতিহত করা। আমরা যে পৃথিবীতে বাস করি, তা মোটেও স্থিতিশীল নয়। শুধু যে সংঘাত, রক্তপাত, যুদ্ধ-বিবাদ দুটি দেশের সীমানা অতিক্রম করছে তা নয়, মহামারির মতো সীমানাও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক মন্দা একটি জায়গা থেকে শুরু হয়ে তা ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত হয়ে পড়ে। আমাদের এমন একটি উপায় বের করতে হবে, যা অস্থিতিশীলতা প্রতিহত করে বিশ্বের শান্তি সুপ্রতিষ্ঠিত করবে।
আমাদের এ পৃথিবী যেখানে আমরা বাস করি, যা পরিবর্তনশীল। কিছু মানুষ বৈশ্বিক উষ্ণতা সম্পর্কে আগ্রহী, কারণ এই আগ্রহ তাদের তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের পথ সহজতর করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, গ্রিনল্যান্ডের বরফখণ্ড গলতে শুরু করেছে। যদি পুরোটা গলে যায়, তবে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর হয়ে তা গালফ হ্রদকে আটকে দেবে এবং উত্তর ইউরোপ, কানাডাসহ বিশ্বের উত্তরাংশ ৭০০ বছর আগের সেই ‘মিনি আইস-এজ’-এর মতোই শীতল হয়ে উঠবে। আমাদের এমন একটি পথ খুঁজে বের করতে হবে, যাতে কার্বনসহ ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাসের বৃদ্ধি আমরা হ্রাস করতে পারি।
আবারও প্রশ্ন হলো, তোমরা কীভাবে সেটা সম্ভব করবে? আজ আমি শুধু এ কথাই বলতে চাই যে দরিদ্র দেশগুলোতে যে ধরনের প্রতিকূলতা সৃষ্টি হয়, তার সঙ্গে ধনী দেশগুলোর প্রতিবন্ধকতার মৌলিক কিছু পার্থক্য আছে। দরিদ্র দেশগুলোতে যা প্রয়োজন তা হলো ‘সিস্টেম’। আমরা হয়তো সত্যিই মর্মাহত হব, যদি হঠাৎ মাইক্রোফোনটি বন্ধ হয়ে যায় কিংবা লাইটগুলো নিভে যায়। কিন্তু আমি আমার জীবনের বেশকিছু সময় এমন জায়গায় কাটিয়েছি, যেখানে মানুষ এসব মেনে নেয়। তাদের প্রয়োজন ‘সিস্টেম’। তাদেরও তোমাদের মতো বুদ্ধিদীপ্ত প্রজন্ম আছে, যারা বিচক্ষণ ও পরিশ্রমী। কিন্তু সুযোগের অভাবে তারা সামনে এগিয়ে যেতে পারে না। আমাদের এখানে সিস্টেম আছে, যা আমাদের জীবন সহজ করে দিয়েছে। একে বিস্তৃত করতে হবে। অনেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছু অর্জনের চেয়ে শুধু বর্তমানের লাভের কথাই ভাবে।
পৃথিবীকে সবার জন্য নির্মাণ করতে হলে একে ভাগ করে নিতে হবে সবার মধ্যে। আর এ পৃথিবীকে ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেওয়ার মতো পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে। আমাদের মধ্যে বিভেদ রয়েছে। কিন্তু আজ আমরা এখানে সবাই আছি, আমাদের মধ্যে হয়তো এই মিলটি আছে, যা মানবতাকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। একটি মানব জিনম প্রজেক্ট প্রকাশ করেছে যে মানুষের বর্ণ, জাতিগত বিভেদের পার্থক্য শতকরা আধা ভাগ। তাই আশা, রইল, এ বিভেদ দূর হবে। পৃথিবীতে উন্নয়ন আসবে, যদি সত্যিকারের সাধারণ একটি সমাজব্যবস্থা এবং পারস্পরিক অংশগ্রহণমূলক প্রচেষ্টার সৃষ্টি হয়।
গুড লাক। ঈশ্বর সহায় হোন।

সূত্র: ইন্টারনেট

137
টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট তাদের উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেম-এর জন্য নতুন প্রযুক্তি আনছে। সুইডেনের টেকনোলজি কোম্পানি টোবি সম্প্রতি উইন্ডোজ ৮-এর জন্য চোখের ইশারায় যাতে কম্পিউটার চালানো যায় সে পদ্ধতির একটি ডিভাইস তৈরি করছে। খবর হাফিংটন পোস্ট-এর।

টোবি উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে কার্সর নড়ানোর জন্য মাউসের বদলে চোখের ইশারায় যথেষ্ট। কোনো লিংক বা স্ক্রিনের কোথায় ক্লিক করতে হবে কার্সরের ওপর চোখ রেখে সেদিকে চোখের ইশারা করলেই হবে।

‘উইন্ডোজ ৮ গেজ ইন্টারফেস’ নামের এ প্রযুক্তি ৯ জানুয়ারি থেকে লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিতব্য সিইএস মেলায় দেখানো হবে।

টোবি জানিয়েছে, গেজ ইন্টারফেস পদ্ধতিটি উইন্ডোজ ৮নির্ভর ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোনের জন্য তৈরি করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, টোবি এর আগে চোখের ইশারায় নিয়ন্ত্রণ করা যায় এমন গেইম তৈরি করেছিলো।

মাইক্রোসফট-এর পরবর্তী অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে চোখের ইশারায় নিয়ন্ত্রণ করার এমন প্রযুক্তি ছাড়াও ছবি পাসওয়ার্ড এবং অঙ্গভঙ্গির সাহায্যে উইন্ডোজ চালানো যাবে এমন খবরও চাউর হয়েছে।

Original Source: http://goo.gl/0NPbw

138
ভেবে দেখুনতো একটি শিশু যদি হাত কিংবা পা ছাড়া জন্ম গ্রহন তাহলে ব্যপারটা কেমন দাড়ায়। কোন হাত নেই কাউকে জড়িয়ে ধরার, কারো হাতের একটু স্পর্শ পাবার অথবা কারো হাত ধরে সামনের দিকে এগিয়ে যাবার। বলুনতো সেই মানুষটির যদি কোন পা না থাকে তাহলে কী হতে পারে। চিন্তা করে দেখুন সেই মানুষটির কথা যে জীবনে কোন দিন আনন্দে নাচতে পারবে না, হাটতে পারবে না, দৌড়াতে পারবে না এবং দু’পায়ে ভর দিয়ে দাড়াতে পারবে না। পুরো ব্যপারটি যদি একজন মানুষের ক্ষেত্রে হয় তাহলে কেমন হয় - যার দু’হাত নেই, দু’পা নেই। তাহলে সে মানুষটির কাছে জীবনের মানে কী দাড়াতে পারে। জীবনকে নিয়ে সে মানুষটির স্বপ্ন দেখা কী উচিত ? সে কী সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে এতো সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে ? প্রিয় পাঠক, চলুন যেনে নেই এমন একজন মানুষ সম্পর্কে যিনি আমাদের কাছে অনুকরনীয় ব্যক্তিত্ত হতে পারেন কারন আমাদের হাত আছে, পা আছে । তাছাড়া আমাদের ১৬ কোটি জনসংখ্যার ছোট এই দেশটিতে অসংখ্য মানুষ রয়েছে যারা বিকলাঙ্গতায় ভুগছেন অর্থাৎ যাদের দু’হাত, দু’পা নেই। যারা স্বপ্ন দেখতে পারে না, সামনের দিকে এগিয়ে যা্ওয়ার জন্য কারো উৎসাহ পায় না, জীবনটাই যাদের কাছে অভিশাপ । সে ধরনের মানুষদের জন্য নিকোলাস হতে পারেন স্বপ্ন পুরুষ, অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।১৯৮২ সালে অষ্টেলিয়ার মেলবোর্নের একটি হাসপাতালে এক আজব শিশুর জন্ম হয়েছিল যার নাম নিকোলাস। পুরো নাম নিক বোয়েসিস (Nick Vujicic) । নিকের জন্মের পুর্ব মুহুর্ত্তে তার বাবা-মা স্বপ্ন দেখেছিল, তাদের আদরের সন্তান জন্ম হবে আরও দশটি শিশুর মতোই স্বাভাবিক। কিন্তু নিকের জন্মের পর নিকের মা যখন তার আদরের সন্তানকে প্রথম স্পর্শ করেছিল তখন নিকের বাবা-মায়ের স্বপ্ন ভেঙ্গে গিয়েছিল। কারন এরকম অস্বাভাবিক সন্তান কারো কাম্য নয়। নিকের অস্বাভাবিক জন্মের কারন চিকিৎসকগন কিছুতেই খুজে বের করতে পারলেন না। নিকের মায়ের গর্ভবর্তী অবস্থায় শারীরিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিরিক্ষার রির্পোট দেখা হলো, নিকের বাবা-মায়ের বংশের ইতিহাস বৃত্তান্ত খুজে দেখা হলো কিন্তু কোন কারন পাওয়া গেলো না। সূতরাং নিকের বাবা-মাকে মেনে নিতে হলো নিক অস্বাভাবিক এবং বিকলাঙ্গ । নিকের পরিচয় হলো বিকলাঙ্গ শিশু। নিকের পিতা পোস্টার বরিস বোয়েসিস এবং মা ডুসকা বোয়েসিস কখনোই আশা করেননি তাদের সন্তান এভাবে বিকলাঙ্গ শিশু হয়ে জন্মাবে। নিকের বাবা-মায়ের একটাই চিন্তা তাদের সন্তান নিক কিভাবে স্বাভাবিক জীবন যাপন করবে ?নিকের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে চরম হতাশার মধ্যে পড়ে যায় নিকের বাবা-মা। এভাবেই নিক এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে বড় হতে থাকে। যেহেতু নিক ছোট বেলা থেকেই চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে বেড়ে উঠেছিল, সূতরাং কেউ কোন দিন কল্পনা করতে পারেনি বিকলাঙ্গ এই সুন্দর শিশুটি একদিন পৃথিবীর সব মানুষকে যারা বিকলাঙ্গ নয় কিংবা বিকলাঙ্গ সবাইকে অন্যভাবে বাঁচার পজেটিভ স্বপ্ন দেখাবে, পৃথিবীকে বদলে দেওয়ার আহবান জানাবে।

ব্যাপারটা সত্যিই অতুলনীয় মনে হয় প্রাপ্ত বয়স্ক নিক যখন জীবনের এই পর্যায়ে এসে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন সংস্থায় হাজার হাজার মানুষের সামনে বক্তব্য রেখে পজেটিভ স্বপ্ন দেখার পথ দেখায় তখন আমাদের মতো স্বাভাবিক মানুষদের বিবেকে নাড়া দেয়। জীবন জয়ে যারা চরম হতাশায় পতিত, যারা জীবনে বিভিন্নভাবে ব্যর্থ হয়ে জীবনকে অর্থহীন মনে করছেন তাদের জন্য একজন বিকলাঙ্গ শিশুর আহবান সত্যিই উল্লেখযোগ্য। নিক বর্তমানে আমাদের পৃথিবীতে সব বয়সের মানুষকে প্রেরনা ও উৎসাহ দেওয়া এক কিংবদন্তি নায়কের নাম।শৈশব থেকে কৈশর পার হয়ে জীবনের এই পর্যায়ে আসতে নিককে কঠিন সংগ্রাম করে সকল ধকল সহ্য করে আজকের অবস্থানে আসতে হয়েছে । নিক কখনো কখনো চরম হতাশায় পড়েছেন যখন নিক শৈশবে স্কুলে বন্ধুদের সাখে খেলতে পারতেন না, কেউ যখন নিকের সাথে বন্ধুত্ব করতে আসতো না । কৈশরে এসেও নিক সম্পূর্ন একাকী হয়ে পড়েন কারন এই বিকলাঙ্গ শিশুটিকে প্রতিমূহুত্বে বিভিন্ন্ প্রশ্নের মুখোমুকি হতে হতো। সেই দিন গুলোতে নিক প্রায়ই তার জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রায়ই ভাবতেন। নিকের বয়স যখন সাত বছর স্কুলের সেই দিনগুলোতে নিক তখন চরম হতাশ হয়ে কৃত্রিম অঙ্গ-পতঙ্গের কথাও একবার ভেবেছিলেন। কারন কিশোর নিক তখন অন্য দশটি শিশুর মতো চলাফেরা করার নেশায় মত্ত ছিলেন। নিকের দেহে ইলেকট্রনিকস অঙ্গ-পতঙ্গের ট্রায়াল করা হয়েছিল কিন্তু সেখানেও বাধলো বিপত্তি কারন নিক সেসব ভারি অঙ্গ-পতঙ্গ নিয়ে স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারতেন না। অসহায় নিক কৃত্রিম অঙ্গ-পতঙ্গ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। নিক পৃথিবীকে বেঁচে থাকার আশায় তার বিকলাঙ্গতাকে পুঁজি করে স্বপ্ন দেখতে লাগলো বড় হতে হবে, কিছু করতে হবে এবং স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।

এভাবেই নিক যখন বড় হতে লাগলো তখন সে তার বিকলাঙ্গতাকে জয় করতে শিখলো। নিক নিজেই তার সব প্রতিবন্ধকতাকে জয় করার জন্য নিজেই নিজের সমস্যা সমাধানের জন্য পথ বের করতে লাগলো। দু’হাত এবং দু’পা না থাকলেও নিক নিজে নিজেই বের করলো কিভাবে দাঁত ব্রাশ করতে হবে, চুল সুন্দর করে আচড়াতে হবে, কম্পিউটারে ব্রাউজ করতে হবে, সাতার কাটতে হবে। নিক এখন নিজের মতো করে অনেক কিছুই করতে পারে। নিকের জীবনে এভাবেই সফলতা আসতে লাগলো যখন সে সব অনাকাঙ্কিত পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে শিখলো। স্কুলে নিক যখন ক্লাস সেভেন এ উঠলো নিক তখন ক্লাস ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হলো। একই সাথে নিক স্টুডেন্ট কাউন্সিলর হিসেবে বিভিন্ন ধরনের কাজ শুরু করে জনকল্যানমুলক কাজ করতে লাগলো এবং বিকলাঙ্গ শিশুদের সমস্যা সমাধানে উৎসাহ ও প্রেরনাদায়ক বিভিন্ন কর্মসূচী পরিচালনা করতে শুরু করলো।স্কুলের আঙ্গিনা শেষ করে নিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করলো ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জনের জন্য। নিক অর্থনীতি ও একাউন্টিং বিষয়ে ডিগ্রি গ্রহন করলো মাত্র উনিশ বছর বয়সে। এরপর নিক তার স্বপ্ন সফল করার জন্য এবং বিভিন্নস্তরের মানুষকে উৎসাহ ও উদ্দিপনা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেমিনার, সভায় মটিভেশনাল বক্তব্য এবং নিজের জীবনের ঘটে যাওয়া বাস্তব ঘটনাগুলো গল্প আকারে উপস্থাপন করতে শুরু করলো। নিক বলতো আমি আমার বেঁচে থাকার স্বার্থকতা খুজে পেয়েছি, আমার স্বপ্নের মধ্যে। আমি ভাবতাম পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করে কিভাবে সফল হতে হবে। নিক বিশ্বাস করতো - জীবনে সফল হওয়ার জন্য একটি জিনিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ আর তা হচ্ছে - Attitude. আমাদের জীবন সংগ্রামে সফল হতে হলে Attitude সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।নিকের জীবন জয়ের পেছনে যাদের অবদান, যাদের সাহার্য্য নিয়ে নিক আজ জীবনের সকল সীমাবদ্ধতা জয় করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের মধ্যে নিক তার পরিবারের সকল সদস্য, কাছের কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব, এবং সর্বোপরী নিকের শিক্ষকদের কথা বার বার করে স্বীকার করেন। নিকের বলতে যা কিছু ছিল তা হচ্ছে জীবনকে চরম অবস্থায় বেঁচে থাকার খুব বেশী পজেটিভ চিন্তা এবং জীবন জয়ের স্বপ্ন। জীবন জয়ের স্বপ্নকে পুঁজি করে আরও সৃষ্টিশীল কিছু করাই নিকের জীবনের লক্ষ্য।

২০০৫ সালে নিক অষ্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ সম্মানের ‘Young Australian of The Year’’ এওয়ার্ড পান। সামাজিক এবং জাতীয় পর্যায়ে অবদানের জন্য অষ্ট্রেলিয়ান সরকার সর্বোচ্চ সামাজিক এবং রাষ্ট্রিয় পুরুস্কার হিসেবে নিককে এ ধরনের একটি এওয়ার্ড দিয়ে সম্মানিত করেন। মূলত সামাজিক এবং রাষ্ট্রিয়ভাবে দেশের মানুষকে বিভিন্ন কাজে উৎসাহিত করার জন্য অষ্ট্রেলিয়ায় সর্বোচ্চ সম্মানের এ পুরুস্কারটি নিকের জীবনের বড় একটি অর্জন।

নিকের বয়স এখন ২৭ বছর। স্বপ্ন ও উৎসাহের সাথে নিক পার করেছেন জীবনের ২৭ বসন্ত। ২৭ বছর পার হতে নিককে কতো কঠিন সময় পার হতে হয়েছে তা সহযেই ধারনা করা যায়। কারন এ ২৭ বছরে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পূর্ণ করতে নিক কখনো উৎসাহিত হয়েছেন আবার কখনো হৃদয়ে নেমে এসছে হতাসা, গ্লানি এবং বিষন্নতা। সমাজপতিদের ধারনা ছিল - এ বিকলাঙ্গ শিশুটি আর কী করতে পারবে ? সুতরাং বোঝাই যায় তাদের কাছ থেকে নিক কতোটুকু সাহার্য পেয়েছেন। তবুও নিক দমে যাননি। দেখতে চেয়েছেন জীবনকে খুব কাছ থেকে। চলার পথে বহু সাধনা, কাজের সমন্বয়, নিকটজনের উৎসাহ এবং মনের ভিতর জেগে থাকা স্বপ্ন নিয়ে শুধু সামনের দিকে ছুটে চলার স্বপ্ন দেখেছেন নিক। নিক যখন তীব্র উৎসাহের সাথে কোন ভাল কাজ সম্পর্ণ করেছেন তখন নিকের মনে হয়নি তার দু’পা নেই, দু’হাত নেই। ২৭ বছর বয়স কী দূর্দান্ত, কতো উৎসাহের বয়স স্বপ্নবাজ এ চিরতরুনের চোখে কারন মাত্র ২৭ বছর বয়সে নিক যে কাজ গুলো সম্পূর্ণ করেছেন একজন সুস্থ, সবল লোক যাদের দু’হাত, পা রয়েছে তারা ৫২ বছর বয়সেও এতো কাজ করতে পারেননি। তবুও নিক তৃপ্ত নন। নিক শুধু ছুটে চলছেন কারন তাকে সামনের দিকে যেতে হবে বহুদুর কারন এখনো অনেক কাজ বাকী। সম্প্রতি নিক ব্রিজবেন থেকে ছুটে গেছেন অষ্ট্রেলিয়ায়, ক্যালিফোর্নিয়ায় এবং সেখান থেকে আমেরিকায়। কারন নিক এখন একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও নিকের নিজের একটি কোম্পানী রয়েছে যার মাধ্যমে নিক বিভিন্ন স্কুলে, কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়ে, বিভিন্ন সংস্থায় মানুষকে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের উৎসাহ, উদ্দিপনামুলক বক্তব্য রাখেন। নিকের কোম্পানীর নাম - Attitude is Altitude. নিক মটিভেশনাল বক্তব্য রাখতে শুরু করেন যখন নিকের বয়স মাত্র ১৯ বছর। নিক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেছেন, পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ শুনেছে নিকের কথা, নিক অকপটে বলেছেন তার জীবনের বয়ে চলা সংগ্রামের কথা। নিক বিভিন্ন বয়সের মানুষকে বিশেষ করে স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, যুবক, ব্যবসায়ী নারী পুরুষসহ সবাইকে উদ্দিপিত করেছেন, উৎসাহিত করেছেন, স্বপ্ন দেখাতে পেরেছেন। নিককে নিয়ে প্রতিবেদন প্রচার করেছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক, টেলিভিশন চ্যানেল। নিককে নিয়ে তৈরী হয়েছে বিভিন্ন ধরনের তথ্য চিত্র। নিক তার কর্মকান্ড পরিচালনা করতে যেয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতা নেত্রীদের সাথে দেখা করা এবং আলাপ করার সুযোগ পেয়েছেন। ২০১০ সালের মধ্যে নিক পৃথিবীর প্রায় ২০টি দেশে তার কর্মকান্ড নিয়ে মটিভেশনাল বক্তব্য রাখবেন।নিক তার বিভিন্ন দেশে যাত্রা পথে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হন। কতোগুলো প্রশ্ন শুনে নিক উৎসাহিত বোধ করেন আবার অনেকগুলো প্রশ্ন শুনে নিক কষ্টও পান। তবুও নিককে এগিয়ে যেতে হবে কারন সেতো পৃথিবীর অন্যরকম এক স্বপ্নবাজ যুবক। নিককে প্রায়ই একটি প্রশ্ন করা হয় - কিভাবে আপনি হাসতে পারেন ? নিক বলেন - স্বাভাবিক যাদের দু;হাত পা আছে তারা জীবনে অনেক কিছুর স্বাদ পেয়েছে এবং তারা যখন দেখে দু;হাত পা ছাড়া একজন মানুষ কতো স্বাচ্ছন্দভাবে জীবন অতিবাহিত করছেন তা অনুভব করলে আমার মুখে হাসি আসতেই পারে। জীবনকে দেখতে হবে পজিটিভ ভাবনা থেকে, চিন্তা দিয়ে । তাহলে জীবনের সব কষ্ট, না পাওয়ার ব্যথা বলতে কিছু থাকবেনা। নিক যখন পৃথিবীর কোন এক প্রান্তে তার মটিভেশনাল বক্তব্য নিয়ে উপস্থিত হন তখন উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশ্য করে বলেন স্বপ্ন কতো বড় হওয়া প্রয়োজন এবং স্বপ্ন দেখার গুরুত্ব কতো বেশী। নিক সবাইকে চ্যালেন্জ দিয়ে বলেন যেকোন সমস্যা যতো বড়ই হোক না কেনো তা সমস্যা হিসেবে না দেখে সুযোগ হিসেবে দেখলে সকল দূর্ভেদ্য সমস্যাও অতিক্রম করা সম্ভব। নিক তার নিজের জীবনকে সমস্যা হিসেবে না দেখে দেখেছেন সুযোগ হিসেবে। নিক বলেন যদি তার হাত পা থাকতো তাহলে হয়তো তার এ ধরনের কাজ করার সুযোগ হতো না। নিকের এ জীবনে যতোটুকু সফলতা অর্জিত হয়েছে মূলত তার স্বপ্ন ও পজিটিভ চিন্তা থাকার কারনেই সম্ভব হয়েছে। নিক আরও যোগ করে বলেন মানুষের সফলতার পিছনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফেক্টর হচ্ছে Attitude । Attitude বা মনোভাব অথবা বলতে পারেন মানসিকতা হচ্ছে জীবনকে পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী ফেক্টর। পজিটিভ মনোভাব বা মানসিকতা থাকলে জীবনের যে কোন সমস্যা অতিক্রম করে সাফল্যের চূড়ায় ওঠা সম্ভব। জীবন নিয়ে ভয় ভীতি, শংকা, সন্দেহ, অবিশ্বাস ইত্যাদি থাকলে জীবন আমাদের ধীরে ধীরে পঙ্গু হয়ে যেতে পারে। ব্যাপারটা হচ্ছে এরকম দু’হাত আছে, দু’পা আছে, সবকিছু আছে তবু কেনো যেনো আমরা পঙ্গুত্ববরন করে আছি।যাইহোক আপাতদৃষ্টিতে দেখলেতো মনে হবে নিক একজন পঙ্গু মানুষ। প্রশ্ন হচ্ছে - নিক কী ভাবে তার এ জীবন নিয়ে ? নিক বলেন - আমি আমার এ জীবনকে স্বাভাবিক ভাবে গ্রহন করেছি। সে তার বুদ্ধিমত্তা, স্বপ্ন, মেধা, কল্পনাশক্তি ইত্যাদি দিয়েই তার পঙ্গুত্বকে জয় করেছে। নিক মনে করেন তার সবকিছু আছে। জীবনের এ অবস্থায় বিকলাঙ্গ বলে কোন কিছু টের পান না নিক। নিক শুধু জানেন স্বপ্ন দেখতে হবে শেষদিন পর্যন্ত, করে যেতে হবে সবকিছু যা কিছু আছে মননে। তবেই জীবনের স্বার্থকতা। সত্যিকার অর্থে বলতে গেলে নিক আমাদের জন্য উৎসাহ উদ্দিপনার জীবন্ত এক কিংবদন্তি নায়ক। জয় হোক নিকের। জয় হোক পৃথিবীর সকল স্বপ্নবাজ মানুষের।

Original Source: http://goo.gl/TjKhi
(Collected)

139
keyboard shortcut for word 2010।

try করে দেখুন কাজে লাগবে।

ALT+CTRL+1    -    Apply Heading 1 to the selected text
ALT+CTRL+2    -    Apply Heading 2 to the selected text
ALT+CTRL+S    -    Splits the Document
ALT+F7        -    Moves to the Next Misspelling
ALT+F8        -    Inserts Macros
ALT+R        -    Displays the Review tab
ALT+SHIFT+BACKSPACE    -    Redo
ALT+SHIFT+F7    -    Dictionary
ALT+SHIFT+K    -    Mail Merge Check
ALT+SHIFT+R    -    Header Footer Link
ALT+SHIFT+T    -    Time Field
ALT+T+A        -    Autocurrect
CTRL +  V    -    Paste copied text
CTRL + B    -    Bold Text
CTRL + C    -    Copy text selection
CTRL + I    -    Italic Text
CTRL + L    -    Align selected text to the left
CTRL + U    -    Underline Text
CTRL + X    -    Cut the selected text
CTRL + Z    -    Undo
CTRL+]        -    Grow Font one point
CTRL+E        -    Align selected text to the centre
CTRL+END    -    Navigate to end of the Document
CTRL+H        -    Find and Replace word or sentence
CTRL+J        -    Justifies Paragraph
CTRL+K        -    Add hyperlink to the selected text
CTRL+M        -    Indentation of  the selected text
CTRL+P        -    Print the document
CTRL+PAGE DOWN    -    Browse Next
CTRL+SHIFT+,    -    Reduce Font size for selected text
CTRL+SHIFT+.    -    Increase Fontsise for selected text
CTRL+SHIFT+A    -    converts the selected text to capital letters or vice versa
CTRL+SHIFT+C    -    Copy Format
CTRL+SHIFT+D    -    Double Underline
CTRL+SHIFT+ENTER-        Column Break
CTRL+SHIFT+F    -    Displays the Font dialog box.
CTRL+SHIFT+F12    -    Also launches Print
CTRL+SHIFT+F5    -    Bookmark
CTRL+SHIFT+G    -    Displays the Word Count dialog box.
CTRL+SHIFT+K    -    Small Caps
CTRL+SHIFT+L    -    Applies Bullets
CTRL+SHIFT+M    -    Unindent the selection
CTRL+SHIFT+P    -    Font size select
CTRL+SHIFT+S    -    Displays the Apply Styles task pane.
CTRL+SHIFT+S    -    Style
END        -    End of line
F1        -    Help window
F10        -    Menu Mode
F12        -    Save As
F5        -    Goto page number
F7         -    Spelling and grammar check
SHIFT+F5    -    Go Back to previous state
ALT+CTRL+Z    -    Go Back to previous state
SHIFT+F7    -    Thesaurus


(collected)

140
IT Forum / Job For DIU Graduates....
« on: December 17, 2011, 08:15:09 PM »
Job For DIU Graduates....

Need some people who knows Php, MySql, oracle and have some practical experience on Web Development.

Salary: >= 15000/=

Job Location: Basundhara Residential Area.

Interested graduates send CV to ranjan@daffodilvarsity.edu.bd before 20th December 2011.


141
Communication System's most needed Short Meaning

SIM         = Subscriber Identity Module
RIM        = Removable Identity Module
GSM        = Global System For Mobile
LAN        = Local Area Network
WAN       = Wide Area Network
FDM        = Frequency Division Multiplexing
SDR         = Software Defined Radio
ATM       = Asynchronous Transfer Mode
DCA        = Dynamic Channel Allocation
FCA        = Fixed Channel Allocation
WWW     = World Wide Web
AMPS     = Advance Mobile Phone System
IMTS      = Improved Mobile Telephone System
CDMA    = Code Division Multiple Access
MTSO     = Mobile Telephone Switching Office
HTML    = Hypertext Markup Language
HTTP      = Hypertext Transfer Protocol
FIDI        = Fiber Distributed Data Interface
ISDN       = Integrated Services Digital  Network
PSTN      = Public Switched Telephone Network
CSMA      = Carrier Sense Multiple Access
RADAR   = Radio Detection And Ranging
SONET     = Synchronous Optical Fiber Network
DAMPS    = Digital Advanced Mobile Phone System
TCP/IP    = Transmission  Control Protocol/Internet Protocol
DECNET   = Digital Equipment Corporation Network
ARPANET  = Advanced Research Project Agency Network
INTERNET = International Network

142
English / Online Dictionary
« on: December 12, 2011, 09:39:29 PM »
Online Dictionary for students.....It supports both Bangla to English and English to Bangla searching.

http://bdword.com/

143
যারা Technical সেক্টরে কাজ করি তাদের জন্য টেকনিক্যা্ল Abbreviation গুলো জানা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। এছাড়া যারা electronic  নিয়ে চর্চা করেন তাদের ও এই Abbreviation গুলো সমান ভাবে দরকার।নিচে Abbreviation  দেয়া হল-

বিঃদ্রঃ এই গুলো Abbreviation বাংলাতে দেয়া সম্ভব নয় ।

Abbreviations are frequently used in electronic & electrical circuits. The following list identifies commonly used abbreviations.

AC                     Alternating Current

MTR                   Motor

ALM                    Alarm

MN                     Manual

AM                     Ammeter

NEG                    Negative

ARM                    Armature

NEUT                  Neutral

AU                      Automatic

NC             Normally Closed

BAT          Battery

NO            Normally Open

BR              Brake Relay

OHM         Ohmmeter

CAP           Capacitor

OL              Overload

CB              Circuit Breaker

PB              Pushbutton

CKT           Circuit

PH              Phase

CONT        Control

POS           Positive

CR              Control Relay

PRI            Primary

CT              Current Transformer

PS              Pressure Switch

D               Down

R                Reverse

DC              Direct Current

REC           Rectifier

DISC          Disconnect Switch

RES           Resistor

DP              Double-Pole

RH              Rheosta

DPDT         Double-Pole, Double-Throw Switch

DPST         Double-Pole, Single-Throw

SEC           Secondary

DT              Double Throw


SOL           Solenoid

F                 Forward

SP              Single-Pole

FREQ        Frequency

SPDT         Single-Pole, Double Throw

FTS         Foot Switch

SPST       Single-Pole, Single Throw

FU          Fuse

SS          Selector Switch

GEN               Generator

SSW               Safety Switch

GRD               Ground

T            Transformer

HOA               Hand/Off/Auto Selector Switch

TB          Terminal Board

IC           Integrated Circuit

TD          Time Delay

INTLK     Interlock

THS        Thermostat Switch

IOL         Instantaneous Overload

T            Time Delay Relay

JB          Junction Box

U            Up

LS          Limit Switch

R            Reverse

UV          Under Voltage

LT           Lamp

VFD        Variable Frequency Drive

M            Motor Starter

XFR        Transformer

MSP         Motor Starter Protector

এতক্ষন ধরে  কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ

144
সংগীতশিল্পী জন বন জোভির জন্ম ২ মার্চ ১৯৬২ যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে। বন জোভি ২০০১ সালে ১৬ মে মনমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই ভাষণ দেন।

সব গ্র্যাজুয়েটকে অভিনন্দন। এখন পর্যন্ত তোমাদের সবচেয়ে বিশেষ দিনটিতে কিছু বলতে পেরে নিজেকে আসলেই অনেক গর্বিত মনে হচ্ছে। এখানে আসার আগে গত কয়েক সপ্তাহ শুধু এটা নিয়েই ভেবেছি যে আজ কী বললে তোমাদের জীবনের সামনের দিনগুলোর জন্য তা সহায়ক হবে।
এখন আমার মনের মধ্যে অনেক ধরনের আবেগের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক আনন্দ ও প্রতীক্ষা যেমন ভয় ও উদ্বেগে রূপ নেয়— প্রথম দিন কিন্ডারগার্টেনে যাওয়া অথবা স্কুল থেকে কলেজে যাওয়ার দিন, ঠিক তেমন। এখন তোমরা সবাই হয়তো উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করবে অথবা পেশাগত জীবন শুরু করবে। কিন্তু তোমাদের শিক্ষাগ্রহণ এখানেই শেষ নয়। মনে করো, তোমার কর্মক্ষেত্রে আরেকটি স্কুল। তাই এ স্কুল থেকে যত পারো শিক্ষা গ্রহণ করো। কোনো পেশাই ছোট নয়, যদি তুমি সেখান থেকে কিছু শিখতে পারো।
হয়তো সংগীতশিল্পে আমি অনেক সার্থক, কিন্তু যখন আমি অভিনয় শুরু করি, তখন অন্য সবার মতো আমারও কাজ খুঁজতে হতো। সংগীতশিল্পী হয়েও আমাকে অনেক দিন অভিনয়ের জন্য অডিশন দিতে হয়েছিল। সত্যি বলতে, অনেক সময় মনে হয়েছিল সব ছেড়ে দিয়ে চলে যাই। কিন্তু এ ভয় থেকে অতিক্রম করে কিছু করার ইচ্ছাটা ছিল বেশ। তিন বছর অভিনয় শিখেছিলাম। আর এসবের জন্যই তখন পেয়েছিলাম এক নতুন জীবন। তোমরা অনেকেই হয়তো ঠিক করে ফেলেছ তোমরা কী করবে, কোন কোম্পানিতে কাজ করবে। কিন্তু তোমাদের মধ্যে অনেকেই আছে, যারা তা করেনি। লজ্জার কিছু নেই, তাদের জন্যই বলছি, মনে রেখো, জীবনটা হলো একটি ম্যারাথন; জীবনের এই পথ তোমাকে যেখানেই নিয়ে যাক না কেন, তুমি যেকোনো সময়ই তোমার সে পথ পরিবর্তন করতে পারবে। তাই জীবনের মানচিত্র তৈরি করবে, কিন্তু তা করবে পেনসিল দিয়ে।
আর হ্যাঁ, ব্যর্থতা নিয়ে বলতে গেলে বলা যায়, ব্যর্থতা হলো একজন মানুষের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ। কিন্তু তাই বলে কারও উচিত নয় এটাকে ভয় পাওয়া। বরং এটাই তোমাকে শিক্ষা দেবে, শেখাবে নিজের ও অন্যের অনেক কিছু। আমরা সবাই জীবনের অনেক কাজে বিকল হই। কিন্তু তা হতে পরিত্রাণ নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমানে প্রতিবছরই অনেক প্রতিভাবান শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন করে, কিন্তু তাদের মধ্যে সবাই ভালো জায়গা থেকে আসে না। এর মধ্যেও তাদের সফল হওয়ার কারণ হলো সাফল্যের প্রতি তীব্র উদ্দীপনা, প্যাশন। আর তা না হলে আমি আজ সফল হতাম না। আমি নিউইয়র্ক বা লস অ্যাঞ্জেলেসের অধিবাসী ছিলাম না, ছিলাম না কোনো ‘রক এন রোল’ বংশের অধিকারী। তবু হয়েছি সফল। হয়তো ছিলাম অনেক প্যাশনেট। অবশ্য তার সম্ভাবনাই বেশি। কোনো কিছু করার প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা, উত্তেজনা কাজের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এর একটি সমীকরণ আছে তিনটি ‘পি’-এর: ‘প্যাশন + পারসিসটেনস = পসিবিলিটিস’ অর্থা ৎ কোনো সাফল্যের সম্ভাবনা হলো সে কাজ করার আকাঙ্ক্ষা, উদ্দীপনার যোগসূত্রের সমন্বয়। মনে হতেই পারে, কীভাবে বিটলসের মতো এত সুন্দর গানের কথা লিখব, অথবা বিল গেটসের মতো এত মেধাবী অথবা আব্রাহাম লিংকনের মতো এত সাহসী হব? কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন হলো বিশ্বাস। আর বিশ্বাস করতে হবে যে সবই সম্ভব। বিশ্বাস করতে হবে ভালোবাসায়, ম্যাজিকে, ধর্মে। বিশ্বাস করতে হবে অন্যের ওপর এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নিজের ওপর। কারণ, তোমাদের মধ্যে অনেকের কাছেই এমন কিছু আছে, যা অন্যের কাছে নেই। তাই গড়ে তোলো নিজকে স্বতন্ত্র, অনন্য করে। জেগে ওঠো, আওয়াজ দাও, অন্যদের তা বোঝাও। আর এটাকেই তোমার শক্তি হিসেবে গড়ে তোলো। সময় নষ্ট কোরো না। সময় নাও, সময়কে কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ করো। মন দিয়ে সব লক্ষ করো, সব নিয়ে চিন্তা করো। আর এরপর যা করতে ইচ্ছা করবে, তা-ই হবে। কারণ, এখন তোমার মন তাতেই সাড়া দেবে, যা তোমার জন্য ভালো। আর কয়েকটা কথা সংক্ষেপে একসঙ্গে বললে যা হয়:
বড় হও, কিন্তু বৃদ্ধ হোয়ো না।
অলৌকিক ঘটনা প্রতিদিন অনেক হয়। এর সংজ্ঞা পরিবর্তন করো। দেখবে অলৌকিকতা এরপর তোমার আশপাশেই থাকবে।
যতক্ষণ তুমি জীবিত ততক্ষণ জীবনকে উপভোগ করো।
এবং
তোমার মা-বাবাকে ধন্যবাদ জানিয়ো।
সবার সামনে আমি আজ তাঁদের ধন্যবাদ জানাব। তাঁদের সাহায্য ও আরও অনেক কিছুর জন্য আজ আমি এখানে দাঁড়িয়ে। তোমরা চেষ্টা কোরো এবং পৃথিবীকে জানিয়ে দাও তোমার মূল্য। আজ এটা তোমাদের স্বাধীনতার ঘোষণা, তোমরা আজ স্বাধীন। বিজয়ের এ দিন শুভ হোক। এটাই তোমাদের প্রাপ্য আর তাই এটাই তোমরা অর্জন করেছ। ভালো থেকো, গুড লাক।

সূত্র: ওয়েবসাইট

Pages: 1 ... 8 9 [10]