Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Topics - Narayan

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 10
Be a Leader / Seven steps to success
« on: November 24, 2013, 10:06:18 AM »
To know the details click the following link

Thank you.

Science and Information / New Programming Language
« on: November 15, 2013, 10:17:11 PM »
‘ডার্ট’ নামের একটি প্রোগ্রামিংয়ের নতুন ভাষা উন্মুক্ত করল গুগল।

বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্ক এ ক্লিক করুন


Science and Information / About 3G
« on: September 16, 2013, 02:23:36 PM »
Click the following link to know about 3G

Thank you.

"Everyone wants to loose weight. There are very few people in this world who wants to gain weight. Very thin body is not acceptable to anyone. Everyone wants to be healthy. To gain weight quickly and naturally, you have to go through a special diet chart. Here is an example of a weight gaining diet chart:

1. Have some pea-nuts and raisins in your early morning breakfast. Sink some pea-nuts and raisins before going to sleep at night. Eat those when you get up at the morning.

2. Increase your dietary amount. If you eat less and thus very thin and underweight, eat some extra amount of food during each meal. One-fourth increase in your food is possible and it will cause you gain some weight.

3. Some people think that eating frequently will cause weight gain. But it is totally opposite of that. Eat full stomach 3 times a day, it will cause decreased metabolism and increased weight gain.

4. Eat fatty foods. Foods rich in oil can increase your body fat and will take part in the weight gain mechanism.

5. Go to gymnasium. You may think, people go to gym for losing weight. Yes, you are right. Eating excess amount of foods will increase your body weight and you will be bulky. You need to build up a healthy body. So, regular physical exercise is a must in this case.

6. Do not strain off the water from the rice. This water contains starch which will cause increased weight. And it is tasty too!

7. Eat some honey mixed in a glass of milk before sleep. This nutritious food will guard your energy need during sleep. It will increase your body weight.

8. Give your body rest for at least 1 hour after eating. Sleeping for long time will also cause increased weight gain.

9. Eat high calorie foods in your diet chart. It may include butter, egg, cheese, soft drinks, beef, sweetmeats, potato, chocolate etc.

10. Have some high calorie fruits and vegetables like mango, litchi, jackfruit, banana, guava, papaya etc."

Original Source:

"Statistic show that, a person can utilize only 5-7 percent of his/her memory. World’s greatest scientists can use 15-18 percent. So, we do not utilize what we have. Reading for a long time can also result a poor result in the exam, unless you read it in a right way. Here are 13 easy tips about the process of reading less but memorizing more!

1. Confidence: It is the main inner force you need to be succeed in any work. If you read your lessons confidently, you can memorize them better. Think that you can read and remember. Studying is very easy for you. If you are afraid of reading, you can not remember anything you read even for all day long.

2. Time: Reading requires exact timings. It is not a good idea to read late at night. Reading early in the morning will make more impression on your mind and you will easily memorize what you read.

3. Concept Tree: You have to summarize the chapter into some parts and sentences. After reading the whole chapter, look at the summery and you can memorize everything you learnt. This is one of the best ways to read attentively.

4. Keywords: You have to make a poem with the main keywords of anything, specially those portions with many points. You can remember all of the points if you do it.

5. Chart: Read the whole chapter, then make an organized chart of the main information. Fill up the chart with the information. Now take a look at it. You do not have to read the chapter again.

6. Read Loudly: You have to use all the available senses you have. You have to read loudly, so that you can hear it also. It will create extra impression on your mind and you can memorize it for a longer time.

7. Make Own Notes: Collect information from lecture notes, textbooks and make your own note. It will be easier for you to remember as you have created it yourself. It will also carry good marks.

8. Interlinking: Interlink your study. When you read a topic, try to memorize the nearby topics you read a month ago. It will make your memorizing power stronger.

9. Ask Why: It is needed specially for science students. Always ask yourself, why is the reason of the line you read. It will give you answers automatically and will provide you extra information.

10. Write What You Read: Writing after reading will help you to remember it quickly. It will also make your handwriting beautiful and faster.

11. Group Discussion: Discuss what you read with your friends. It will be helpful if you have to face viva exams.

12. Reading Room: A reading room is essential for reading attentively. Exclusive use of that room can make your study more enjoyable and more easier.

13. Recreation: Do not read all the day. You need some break after reading for a hour. Human brain can not concentrate on a single thing for more than 40 minutes. Keep it in mind and make facilities for recreation by listening to music, games etc."

Original Source:

Science and Information / First LTE Advanced Network in Korea
« on: June 28, 2013, 07:55:42 PM »
দক্ষিণ কোরিয়াতে এবার ‘ট্রু ৪জি’ মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি লঞ্চ করা হচ্ছে। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বুধবার সে দেশের এসকে টেলিকম ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বের প্রথম অ্যাডভান্সড এলটিই নেটওয়ার্কের, যা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থার এলটিই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ট্রু ৪জি নেটওয়ার্ক।
এসকে টেলিকম বলছে, এলটিই-অ্যাডভান্সড প্রযুক্তিতে ডেটা ট্রান্সফার রেট ১৫০ এমবিপিএস, যা আমেরিকান ৪জি এলটিইর প্রায় দ্বিগুণ গতির এবং থ্রিজির তুলনায় ১০ গুণ গতিসম্পন্ন। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, মোবাইল অপারেটর রাজি থাকলে এই দ্রুততর গতি অর্জন করা সহজ হবে এবং দ্বিগুণ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে ব্যান্ডউইথ বাড়ানো যাবে। মোবাইল অপারেটরদের সহায়তায় ২০১৫ সাল নাগাদ এলটিই-অ্যাডভান্সড ৫০০ এমবিপিএস পর্যন্ত গতি বাড়াতে সক্ষম হবে।

এই দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক সুবিধা নেওয়ার জন্য ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট স্যামসাং ইতিমধ্যে গ্যালাক্সি ‘এস৪ এইটিই-এ’ স্মার্টফোনটি নিয়ে এসেছে। এর মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কোনো পণ্য এলটিই-অ্যাডভান্সড নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারবে।

Courtesy: Prothom Alo

Business & Entrepreneurship / 6 reason of why employee leave job
« on: June 26, 2013, 09:04:55 PM »
বলা হয়ে থাকে কর্মীদের চাকরি ছেড়ে দেবার পেছনে প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতার নয়, বরং ম্যানেজমেন্টের ব্যর্থতাই মূল কারণ। একটি সমসাময়িক জরিপে দেখা গেছে, আমেরিকান একই প্রতিষ্ঠানে গড়ে দেড় বছরের বেশি কাজ করে না সেখানকার কর্মচারীরা। অনেক ভাল ভাল প্রতিষ্ঠানের অনেক ভাল বেতনের চাকরীও ছেড়ে চলে যাচ্ছেন সেখানকার বেশিরভাগ কর্মচারী। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় ম্যানেজমেন্টের ব্যর্থতা। দূর্বল কর্মী-ব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে সেরা কর্মীটি হারিয়ে ফেলছে তার কাজের আগ্রহ। এই কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মী-ব্যবস্থাপনার উপর অনেক বেশি দিচ্ছে। ব্যবস্থাপনার যে সকল ভুলের কারণে সাধারণত কর্মচারীরা চাকরী ছেড়ে দিতে অথবা চাকরী পরিবর্তন করে থাকেঃ

১. দূরদর্শী কর্ম-পরিকল্পনার অভাব
অধিকাংশ কর্মচারীই তাদের কাজ সম্পর্কে আগে থেকে অবগত থাকতে চায়। তারা চায় প্রতিষ্ঠানে তাদেরকে কি ধরণের কাজ করতে হতে পারে সে সম্পর্কে একটি নিশ্চিত ধারণা। তারা নিশ্চিত থাকতে চায় এই কাজের জন্য তারা ঠিক কতো পারিশ্রমিক পেতে যাচ্ছে। সেই সাথে প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত থাকতে চায়। ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের দূরদর্শী পরিকল্পনা কর্মচারীদের কাছে তুলে ধরতে ব্যর্থ হলে সাধারণত কর্মচারীরা সে প্রতিষ্ঠানে কাজ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

২. প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যের সাথে বিচ্ছিন্নতা
প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানই তাদের কর্ম পরিচালনার সুবিধার্থে একটি নির্দিষ্ট মিশন বা উদ্দেশ্য ধার্য করে থাকে। এই উদ্দেশ্যটি যথা সম্ভব সহজ উপায়ে কর্মীদের সামনে তুলে ধরতে হয়। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সম্পর্কে জনমনে একটি স্বচ্ছ ধারণা থাকলে তা কর্মচারীদের কাজে উৎসাহ জোগায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে গুগল (Google) এর কথা। গুসলের সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে বেশিরভাগ মানুষেরই কোন ধারণা নেই। কিন্তু এই সংস্থাটির উদ্দেশ্য, "বিশ্বের সকল প্রকার তথ্য সংগঠিত করা এবং তা বিশ্ব জুড়ে সহজলভ্য ও ব্যবহার উপযোগী করে তোলা" যা আমাদের সবার কাছেই খুব সহজবোধ্য ও সুস্পষ্ট।

৩. সহানুভুতির অভাব
বর্তমান যুগে একই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন কাজ করার বাসনা নিয়ে কেউ কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে না। এযুগের কর্মীরা সবসময় ভাল সুযোগের সন্ধান করতে থাকে এবং সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পছন্দ করে। এরপরেও কর্মীদেরকে প্রতিষ্ঠানে আটকে রাখার একটি সহজ এবং কার্যকরি পদ্ধতি হচ্ছে, কর্মীদের মন্তব্য প্রকাশ করার জায়গা তৈরী করে দেয়া। কর্মীদের বিশ্বাস করাতে হবে যে, তাদের সকল প্রকার মন্তব্য প্রতিষ্ঠানটির জন্য খুবই মূল্যবান। তাছাড়া সহামুভূতিশীল আচরণের ফলে কর্মীটি নিজেকে প্রতিষ্ঠানটির জন্যে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করবে এবং কর্মক্ষেত্রে তার দয়িত্বশীলতা বৃদ্ধি পাবে।

৪. মোটিভেশনে ব্যর্থতা
অনেক সময় কাজের ধরণ অনেক সহজ হয়ে থাকলেও, কার্যকরি উৎসাহের অভাবে কর্মীরা কাজ ছেড়ে চলে যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় পর্যাপ্ত উৎসাহ প্রদানের কারণে অনেক কঠিন কঠিন কাজও কর্মীদের দিয়ে করিয়ে নেয়া সম্ভব। কাজের প্রতি কর্মীদের উৎসাহ জোগানো সম্পূর্ণটাই ব্যবস্থাপনার উপর নির্ভর করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় কেউ কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা কাজের প্রতি আগ্রহী হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে কর্মীরা আর্থিক পুরুষ্কারের বদলে কাজের সাফল্যটাই মুখ্য করে দেখে থাকে। সাধারণত এক্সট্রিনসিক (extrinsic) ও ইনট্রিনসিক (intrinsic) এই দুইটি উপায়ে কর্মীদের কাজের উৎসাহ জোগানো যেতে পারে। এক্সট্রিনসিক মোটিভেশন বলতে সাধারণ বেতন, বোনাস ইত্যাদি প্রদানের মাধ্যমে উৎসাহ প্রদান করাকে বোঝায়। এবং ইনট্রিনসিক মোটিভেশন বলতে কর্মীর কাজের সাফ্যলের জন্যে তাকে বিশেষ প্রশংসা প্রদান করাকে বোঝানো হয়ে থাকে।

৫. অনিশ্চিত ভবিষ্যত
প্রত্যেক কর্মচারীই পদোন্নতির আশা নিয়ে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে থাকে। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের পর থেকে কর্মীদের অভিজ্ঞতা এবং কাজের মান বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। তখন যে চায় একই প্রতিষ্ঠানে তার পদোন্নতি ঘটুক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানে একজন কর্মচারীর ভবিষ্যত অবস্থান যদি অনিশ্চিত হয় দাঁড়ায়, তবে সে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের চেষ্টা করে থাকে।

৬. একঘেয়েমিতা
কর্মীদের কাজের পরিমাণ নির্ভর করে কর্ম পরিবেশের উপর। একটি নির্দিষ্ট ডেস্কে বসে একনাগাড়ে কাজ করে যেতে হলে, কর্মীদের কাজের গতি ধীর হয়ে যায়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে কর্মীরা অলস। একই জায়গায় বসে গতানুগতিক বিষয় নিয়ে অনেক সময় ধরে কাজ করার ফলে এমনটা হয়ে থাকে। কাজের পরিবেশ যদি চিত্তাকর্ষক ও সহায়ক হয়, তবে এই সমস্যাটা সহজেই দূর করা সম্ভব। গতানুগতিক নয়টা-পাঁচটা সময়সূচী পরিবর্তনের মাধ্যমে কর্ম পরিবেশে একটু ভিন্নতা আনা সম্ভব।

মূলঃ ফর্বস
Courtesy: Tech Priyo
Original Source:

Be a Leader / 10 ways to be happy
« on: June 23, 2013, 10:02:46 AM »
১) অন্যের কাজে নাক গলাবেন নাঃ আমরা জীবনের বেশিরভাগ সমস্যাই সৃষ্টি করি অন্যের কাজে অহেতুক হস্তক্ষেপ করে। অন্যের চলার পথকে আপনি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবেন না। কেননা, আল্লাহ প্রত্যেকটি মানুষকে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে, ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন ।

২) ক্ষমা করে মনে রাখবেন নাঃ ক্ষমা মহৎ লক্ষন কিন্তু সেটা মহৎ থাকে না যদি আপনি সেটা সবার মাঝে বলে বেড়ান। এমন কাজে নষ্ট করার মতো যথেষ্ট সময় জীবনে নেই। ক্ষমা করে, ভুলে গিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে জান। মনে রাখবেন, ভালোবাসাটা দেওয়ার পড় ভুলে যেতে পারলেন কিনা তার মধ্যেই প্রস্ফুটিত হয়।

৩) স্বীকৃতির জন্য কামনা করবেন নাঃ এই পৃথিবী স্বার্থপর মানুষের পরিপূর্ণ। আজ আপনার প্রশংসা করে আপনার ক্ষমতা আছে বলে, কাল যখন ক্ষমতা থাকবে না তখন ছুড়ে ফেলতেও দ্বিধা করবে না। আপনার সকল অর্জন-ত্যাগ ভুলে যাবে। কিন্তু শুধু স্বীকৃতির জন্য আপনার ভিতরের মানুষটাকে ধ্বংস করবেন কেন? আপনার কাজ আপনি যথাযথ ভাবেই করে জান।

৪) হিংসা কে মাটি চাপা দিনঃ কারো অর্জনে কখনো হিংসা করবেন না। হিংসা মানুষের অর্জনগুলো মাটি চাপা দিয়ে দেয়। এটা আমাদের মানসিক প্রশান্তির নষ্টেরও বড় ধরণের একটা কারন।

৫) নিজেকে বদলানঃ আপনি যদি আপনার চারপাশ পরিবর্তন করে দিতে চান, তাহলে সেটা বেশ কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার হয়ে দাড়াতে পারে এবং বেশিরভাগ সময় ই আপনি এতে বিফল হবেন। তাই চারপাশের পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিন। তারপর সবাইকে নিয়েই পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যান।

৬) যা থেকে পরিত্রান পাবেন না, তা সহ্য করে নিনঃ প্রতিদিন আমরা এমন সব সমস্যার সম্মুখীন হই যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাহিরে। এ সমস্যাগুলো নিইয়ে অহেতুক ভেবে আমরা কোন সমাধানে পৌঁছতে পারি না, কিন্তু মাঝে দিয়ে অনেক গুলো সময় নষ্ট হয়। আমাদের এ ছোট ছোট সমস্যাগুলোকে নিজেদের মানসিক প্রশান্তির জন্যই সহ্য করে নিতে হবে।

৭) সাধ্যাতীত কাজ এড়িয়ে চলুনঃ আমরা অনেকেই আমাদের সাধ্যের বাহিরেও কাজের দায়িত্ব নিয়ে থাকি। অনেক সময় আত্মমর্যাদা থেকে অহেতুক কাজের ভার বাড়িয়ে নেই।

৮) সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করুনঃ সব সময় সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ রাখুন । তার অনুগ্রহ চান। এটা আপনার কাজের গতি বাড়িয়ে দিবে এবং কম সময়ে বেশি কাজ করতে সহায়তা করবে।"সৃষ্টিকর্তার সহায়তা পাচ্ছেন" - এমন ভেবে কাজ করলে মনের সতেজতা অনেক গুন বৃদ্ধি পায়।

৯) মনকে শুন্য রাখবেন নাঃ কথায় আছে- "অলস মস্তিস্ক শতানের কারখানা"। তাই মন কে কখনো ফাকা রাখবেন না। যখনি সুযোগ পাবেন নিজেকে কোন না কোন কাজে ব্যাস্ত রাখবেন।

১০) অতীত নিয়ে ভাববেন নাঃ অতীত ভুলে সামনে আগান। পিছনে জয়-পরাজয় যাই থাকুক না কেন, তা থেকে হয়তো শিক্ষা নিয়ে নয়তো অনুপ্রেরনা নিয়ে সামনে আগাতে পারেন। কিন্তু অতীত আঁকড়ে ধরে থাকলে কখনোই সামনে এগুবার পথ টুকু ও খুঁজে পাবেন না।

Original Source:

Be a Leader / Need to make harmony with people: Che Guevara
« on: June 18, 2013, 08:58:00 AM »
বিপ্লবী এর্নেস্তো চে গুয়েভারার জন্ম ১৪ জুন ১৯২৮ আর্জেন্টিনায়। ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর বলিভিয়ায় তাঁকে আহত অবস্থায় আটক করে হত্যা করা হয়। কিউবা বিপ্লবের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১৯৫৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব লাস ভিয়াসের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে চে এই ভাষণ দেন।

‘আজ আমাকে এখানে যে মর্যাদায় ভূষিত করা হলো, তা শুধু আমি বিনম্রভাবে এ দেশের জনগণের পক্ষ থেকে গ্রহণ করতে পারি, ব্যক্তি হিসেবে নয়। ব্যক্তি এর্নেস্তো গুয়েভারা কীভাবে স্কুল অব এডুকেশনের পক্ষ থেকে সম্মানসূচক ডক্টর উপাধি লাভ করতে পারে যেখানে তাঁর শিক্ষার পুরোটাই এসেছে গেরিলা ক্যাম্প, তিক্ত বাদানুবাদ আর সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে? আমি বিশ্বাস করি, আমার শিক্ষাকে ক্যাপ আর গাউনে রূপান্তর করা যায় না। তাই আমি আজকেও তোমাদের সামনে আমাদের সেনাবাহিনীর সম্মানে সামরিক পোশাকে এসেছি। এই উপাধি গ্রহণের শুভক্ষণে আমি আমাদের সেনাবাহিনীকেও পূর্ণ গৌরবে উপস্থাপন করতে চাই। আমি একবার এই ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে আমার ভাবনাকে তাদের সামনে তুলে ধরব। হাজারো ঘটনা আর কাজের চাপে এত দিন আমি সে কথা রাখতে পারিনি। আজ, আমি সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করব।
এই নতুন কিউবায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ভূমিকা কী হওয়া উচিত? আমি বলব, বিশ্ববিদ্যালয়কে ভেঙেচুরে ভিন্ন ধাঁচে গড়ে তোলার সময় এসেছে। কালোদের, মিশ্র বর্ণের, শ্রমিকদের, চাষিদের জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুয়ার খুলে দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় হবে গণমানুষের। মনে রাখতে হবে, এই বিশ্ববিদ্যালয় কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়, এটি কিউবার জনগণের সম্পত্তি। বিজয় হলে কেবল জনগণেরই হবে। জনগণ এখন জানে যে তারা অপ্রতিরোধ্য। আজ তারা আশায় বুক বেঁধে এদিকে তাকিয়ে আছে, বিশ্ববিদ্যালয়কেই আভিজাত্যের মুখোশ খুলে তাদের হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানাতে হবে। হয় আপামর জনসাধারণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দুয়ার খুলে দাও, নয়তো শুধু দুয়ার খোলো; জনগণই বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের মতো করে গড়ে নেবে।
আমাকে যদি জনগণ ও বিপ্লবী সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে এবং অবশ্যই তোমাদের অধ্যাপক হয়ে কিছু উপদেশ দিতে হয়, তবে আমি বলব, মানুষের কাছে পৌঁছাতে হলে মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। তোমাদের জানতে হবে জনগণ কী চায়, তাদের কী প্রয়োজন, তারা কেমন আছে, কী ভাবছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখো, কতজন শ্রমিক, কৃষক, দিনে আট ঘণ্টা মাথার ঘাম পায়ে ফেলা মানুষেরা এখানে পা ফেলতে পেরেছে। তারপর নিজেকে প্রশ্ন করো, কিউবার শাসনব্যবস্থায় জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে কি না। এবার একটু চিন্তা করো, যে সরকার জনগণের ইচ্ছাকে তার কাজে পরিণত করছে, সেই সরকার এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কী করছে? দুর্ভাগ্যজনকভাবে গোটা কিউবার জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সরকারেরও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তেমন কোনো সংযোগ নেই। দেশের সাধারণ মানুষের ইচ্ছা, আশা, আকাঙ্ক্ষা মুক্তভাবে এখানে পৌঁছাতে পারে না।
আমি মাটির সন্তান, দেশের মানুষেরাই আমাকে গড়ে তুলেছে। আমি বিশ্বাস করি, এই মানুষদের শিক্ষার সুফল ভোগ করার অধিকার আছে। শিক্ষাব্যবস্থাকে ঘিরে গড়ে তোলা প্রাচীর ভেঙে ফেলতে হবে। শিক্ষা কোনো বিলাসদ্রব্য নয় যে শুধু যাদের বাবার পকেটে টাকা আছে, তারাই শিক্ষিত হবে। কিউবার ঘরে ঘরে প্রতিদিন রুটির সঙ্গে শিক্ষাকেও পৌঁছে দিতে হবে। আমি এখনো গর্ব করে বলতে পারছি না যে এখানকার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা হাজার হাজার শ্রমিক ও কৃষকের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা খুলে দিয়েছে। আমাদের এখনো অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। একজন বিপ্লবী হিসেবে আমি তোমাদের সবাইকে বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই যে শিক্ষার ওপর আর কারও একচ্ছত্র অধিকার নেই, এই ক্যাম্পাসও কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়। কিউবার প্রতিটি নাগরিকের এখানে সমান অধিকার আছে। হয় তাদের অধিকার তাদের ফিরিয়ে দিতে হবে, অথবা তারা নিজেরাই তা আদায় করে নেবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আমার জীবনের মোড় ঘুরে গিয়েছিল; মধ্যবিত্ত শ্রেণীর বাসিন্দা, সেদিনের সেই যুবক ডাক্তার এর্নেস্তো একসময় তোমাদের মতোই স্বপ্ন দেখত। সংগ্রাম আমাকে বদলে দিয়েছে, আমি বিপ্লবের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছি, জনগণের কাতারে এসে দাঁড়িয়েছি। আমি আশা করি, তোমরা যারা আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চালিকাশক্তি, তারা একে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেবে। এটি কিন্তু তোমাদের জন্য কোনো হুমকি বা দুঃশ্চিন্তার কারণ নয়। আমি শুধু বলতে চাই যে ইউনিভার্সিটি অব লাস ভিয়াসের শিক্ষার্থীরা যদি জনগণের ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী বিপ্লবী সরকারের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যায়, তবে সেটি হবে কিউবার সাফল্যের টুপিতে আরেকটি পালক যোগ করবে।
আমার বর্তমান সহকর্মী, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের উদ্দেশে আমি বলতে চাই, পুরোনোকে ঝেড়ে ফেলুন। সমাজের কালো, মিশ্রবর্ণ, শ্রমিক ও কৃষকের কাতারে নিজেদের শামিল করুন। দেশের মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। তাদের সঙ্গেই আপনাদের বাঁচতে হবে, একই বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে হবে। এক ও অভিন্ন কিউবাকে অনুভব করার চেষ্টা করুন। আমরা সবাই মিলে যখন এই কাজগুলো করব, তাতে কারও অসম্মান হবে না। কেউ ছোট হব না, হেরে যাব না। দেশ হিসেবে কিউবা দৃঢ় পদক্ষেপে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। সেদিন এই প্রফেসর অব এডুকেশন, ডাক্তার, ব্যাংক, প্রেসিডেন্ট, কমান্ডার—যে কিনা আপনাদের এখন বিদায় জানাচ্ছে, তাকে ভুলে গেলেও আমার দুঃখ থাকবে না।

Courtesy: Prothom Alo

Genetic & Biotechnology / জ্বর কেন হয়?
« on: May 29, 2013, 08:28:22 PM »
বেশ তো আছেন! খেলাধুলা, লাফ-ঝাঁপ সব চলছে!

কিন্তু, হঠাৎ একদিন দেখা গেল, গা গরম, মাথাটাও একটু ব্যাথা ব্যাথা করছে। সবাই বলল, আপনার জ্বর হয়েছে! অর্থাৎ, আপনার দেহের তাপমাত্রা যেখানে থাকা উচিত ৯৭ থেকে ৯৮.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট, তার থেকে বেড়ে গেছে। থার্মোমিটার ও একই কথা জানালো।

বুঝলাম, আপনার দেহের তাপমাত্রা বেড়ে গেছে, আপনার জ্বর হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, এই জ্বর কেন হয়???
জ্বর মানে হল, দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেরে যাওয়া। আর দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি মানে হল, দেহে পাইরোজেন(Pyrogens) উৎপন্ন হয়েছে।

আবার প্রশ্ন, পাইরোজেন কি?

পাইরোজেনকে বলা হয় Thermostavle Bacterial Toxin, মানে তাপজীবাণুঘটিত বিষ। এই বিষ শরীরের যেসব কলকব্জাগুলো তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখে তাদের বিকল করে দেয়, আর অমনি আমাদের পাইরেকশিয়া দেখা দেয়। রোগ নিরুপিত হবার আগ পর্যন্ত জ্বরকে ডাক্তারী ভাষায় বলা হয় Pyrexia বা পাইরেকশিয়া।

পাইরোজেনের প্রধান কাজ হল বাইরে থেকে বড় যে আক্রমণ অন্য জীবাণুরা করেছে, তাদের প্রতিরোধ করার চেষ্টা করা। পাইরোজেন যখন এই চেষ্টা করে তখন শরীরের হরমোন, এনজাইম ও রক্তকণিকাদের (মূলত শ্বেত কণিকা বা থ্রম্বোসাইটদের) খুব দ্রুত সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটে যাতে করে বাইরের শত্রুদের ঠেকানো সম্ভব হয়।
শত্রুরা আমাদের দেহে আক্রমণ করলে আমাদের দেহ থেকে প্রচুর পাইরোজেন নিসৃত হতে থাকে। পাইরোজেন আমাদের দেহের সব জায়গা থেকে খুঁজে খুঁজে জীবাণুদের মারতে শুরু করে। এখন দেহের সব জায়গায় যদি পাইরোজেন গিয়ে গিয়ে জীবাণুদের মেরে ফেলতে চায়, সে কিভাবে সব জায়গায় যাবে?? যাবার পথ একটাই হতে পারে, রক্ত। পাইরোজেন রক্তের মাধ্যমে সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। এই রক্তের মাধ্যমে কিছু কিছু পাইরোজেন আবার পৌছে যায়, আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অঞ্চলে। হাইপোথ্যালামাস পাইরোজেনের সংস্পর্শে এলেই মস্তিষ্কের ভেতরের দিকের আর একটা অঞ্চল, ভেসোমোটরে সংকেত পাঠায় যে, দেহে শত্রুরা আক্রমণ করেছে। ভেসোমোটর করে কি, দেহের সব রোমকূপ দেয় বন্ধ করে, যেন আর বাড়তি কোন জীবানূ ঢুকতে না পারে। সেইসাথে আমাদের রক্তনালীগুলোকেও সংকুচিত করে দেয়, যেন পাইরোজেন সহজেই জীবাণুদের ধরে ধরে মারতে পারে। রক্তনালী সংকুচিত হলে রক্ত প্রবাহের গতি যায় বেড়ে, তাপ উৎপন্ন হয়। সাথে আমাদের দেহে ক্রমাগত কিছু তাপ তো উৎপন্ন হচ্ছেই।

রোমকূপ বন্ধ থাকার ফলে আমাদের দেহের ভেতরে যে তাপ উৎপন্ন হচ্ছে, তা আর বের হতে পারে না। আমাদের দেহের তাপমাত্রা যায় বেড়ে।

এটা খুব গুরুত্বপুর্ণ যে, শুধু জ্বর বলে কিছু হয় না। এটা যে কোন রোগের বাইরের চেহারা। স্বর্দি-কাশি হলে জ্বর হতে পারে, ম্যালেরিয়া হলেও হতে পারে। আবার পড়ে গিয়ে হাত-পা কেটে গেলেও হতে জ্বর হতে পারে। টাইফয়েড, টি.বি সবার সাথেই জ্বর আছে!

জ্বর হলে শরীরের জলের ভাগ কমে যায়, তাই খলি তেষ্টা পায়। রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয় বলেই এমনটা ঘটে। শরীরে যে প্রোটিন মজুত থাকে তাতেও ঘাটতি দেখা দেয়।

এইজন্যে, জ্বর হলে সেটাকে অগ্রাহ্য না করে ডাক্তার দেখানোটাই বুদ্ধিমানের কাজ। জ্বরটা যে কেন হল, সেটা দেখে ডাক্তার বাবুই বলেবেন কি করতে হবে। জ্বর সবসময় যে সহজ ব্যাপার, তা কিন্তু নয়!

Original Source:

ঘুমাতে কে না ভালবাসে? ঘুমের কথা শুনলেই তো অনেকের ঘুম চলে আসে। তবে যাই বলুন না কেন, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবার জন্য ঘুমের অবদান অনস্বীকার্য। এজন্য ডাক্তাররা নিয়মিত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিত ঘুমানো অত্যন্ত আবশ্যক। স্বল্প নিদ্রার কারণে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং পরবর্তীতে নানান জটিল রোগের কারন হয়ে দাঁড়াতে পারে।
পরিমিত ঘুম আমাদের মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সহায়তা করে। ঘুমানোর সময় আমাদের দেহে নিউরনের মধ্যে শক্তির সঞ্চার হয় আর ঘুম অল্প হলে আমাদের স্নায়ুতন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এর ফলে আমরা কাজে ঠিকমতো মনোনিবেশ করতে পারি না।
স্বল্প নিদ্রার কারণে আমাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়। এতে যেকোনো কাজে ত্রুটির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং আমরা খারাপ চিন্তা ভাবনা করি। আমাদের দেহে ক্ষুধার মাত্রা নিয়ন্ত্রন করে “ল্যাপটিন” নামক প্রোটিন, আমরা যখন স্বল্প নিদ্রায় ভুগি তখন আমাদের দেহে ল্যাপটিনের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ক্ষুধা বেশি লাগে। এজন্যই, আমরা যখন রাত জাগি,তখন আমাদের ক্ষুধা পায়। স্বল্প নিদ্রার কারণে উচ্চ রক্তচাপের সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও স্বল্প নিদ্রা ডায়বেটিসের কারণ হয়েও দাঁড়াতে পারে। তাছাড়াও ঘুমের মাধ্যমে আমরা ত্বকের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞরা তাই সবসময়েই পরিমিত ঘুমের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাদের মতে নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আমদের ঘুমাতে যাওয়া উচিত। ঘুমানোর আগে মাথা থেকে দুশ্চিন্তা যথাসম্ভব দূরে রাখা দরকার। একটি ভালো ঘুমের জন্য ঘুমাতে যাওয়ার আগে ধূমপান হতে বিরত থাকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ঘুমানোর জন্য সবসময় একটি নীরব এবং শান্তিপূর্ণ স্থান বেছে নিতে হবে। স্বল্প নিদ্রা দূর করার জন্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দুধের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে হবে এবং ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার (যেমন- বাদাম) খেতে হবে। এছাড়াও, কলা এবং দধি স্বল্প নিদ্রা দূরীকরণে সহায়ক। তবে খেয়াল রাখবেন,  পরিমিত ঘুমের কথাই কিন্তু আমি বলেছি। ঘুমের এত উপকারিতা জেনে সারাদিন ঘুমাতে থাকলে সেটাও কিন্তু বিপত্তি নিয়ে আসবে। স্বল্পনিদ্রা যেমন শরীরের জন্য ক্ষতিকর, ঠিক তেমনি অধিক নিদ্রাও শরীরের জন্য উপকার করেনা,বরং অপকারটাই করে। অধিক নিদ্রার ফলে আপনার অলসতা বৃদ্ধি পাবে, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে মেজমেজ অনুভব করবেন এবং শারীরিক দুর্বলতা বৃদ্ধি পাবে। এমনকি আপনার  যদি নিয়মিত অধিক নিদ্রা হয়, তবে সেটি আপনার কোন শারীরিক সমস্যর লক্ষণ হিসেবেও দেখা দিতে পারে। তাই অধিক ঘুম হলে সেটিও আপনার জন্য চিন্তার কারণই বটে!

Original Source:


১. একজন পুরুষ দৈনিক ৪০ টা চুল হারায় আর নারী হারায় ৭০ টা চুল।
২. আপনি প্রতিদিন সকালে তুলনামূলকলম্বা হয়ে যান রাতের সময়ের চেয়ে।
৩. হৃৎপিণ্ড পুরো শরীরে সারাদিন গড়ে এক হাজার বার রক্ত সঞ্চালন করে থাকে।
৪. চোখের পাপড়ি আয়ুকাল ১৫০ দিন।
৫. চোখের ভ্রু তে প্রায় পাঁচশো টি চুল আছে।
৬. মানুষের শরীরের গড়ে প্রায় একশো বিলিয়ন নার্ভ সেল রয়েছে।
৭. মানুষ কখনই চোখ খোলা রেখে হাঁচি দিতে পারেনা।
৮. মানুষের শরীরে হাড় জমাট বাধা কংক্রিট এর চেয়ে ও বেশি শক্ত।
৯. জিহ্বা স্বাদমূল প্রতি ১০ দিন পর পর নষ্ট হয়ে যায়।
১০. বাচ্চারা বসন্তকালীন সময়ে সবচেয়ে বেশি বেড়ে উঠে।
১১. চোখ সারা জীবন একই আকারে থাকলেও নাক এবং কান বেড়ে উঠে।
১২. আমরা জন্মের সময় ৩০০ টা হাড় নিয়ে জন্মাই কিন্তু আমরা যখন পূর্ণবয়স্ক হই তখন আমাদের হাড় হয়ে যায় ২০৬ টা।
১৩. মানুষের মাথার খুলি ভিন্ন রকমের ২২ টি হাড় ইয়ে তৈরি।
১৪. হাতের নখের মত পদার্থ দিয়েই তৈরি হয়েছে চুল।
১৫. যখন আমরা হাঁচি দেই তখন শরীরের ভিতরের সমস্ত যন্ত্রাংশকার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি আমাদের হৃৎপিন্ডেরও।
১৬. জিহ্বা মানুষের শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী একটি পেশী।
১৭. একজন আদর্শ মানুষ দৈনিক অন্তত চার বার মল ত্যাগ করে।
১৮. মুখ থেকে পেটে খাবার যেতে সময় লাগে ৭ সেকেন্ড।
১৯. হাঁচির সময় মানুষের নাক দিয়ে বাতাস বের হয় ১০০ কিঃমিঃ বেগে।
২০. সবচেয়ে ছোট হাড় হচ্ছে কানের হাড়।

Original Source:

আসক্তি মাত্রই ক্ষতিকর। আর মুঠোফোন আসক্তি যে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে, তা গবেষক ও চিকিৎসকেরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন। আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠা মুঠোফোনে অতি আসক্তি ও অতি নির্ভরতা স্বাস্থ্যর ওপর কু-প্রভাব ফেলে। মুঠোফোনের অতি ব্যবহারের কুফল নিয়ে ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

কমে যায় শুক্রাণু
ভারতের মুম্বাইভিত্তিক প্রসূতি ও ধাত্রীবিদ্যাবিষয়ক গবেষক নন্দিতা পালসহেটকার জানিয়েছেন, মুঠোফোন থেকে হাই ফ্রিকোয়েন্সির ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন নির্গত হয়। এই ক্ষতিকর তরঙ্গের সঙ্গে মস্তিষ্কে ক্যানসারের যোগসূত্র থাকতে পারে। এ ছাড়া শরীরের অন্য কোষকলা এই ক্ষতিকর তরঙ্গের প্রভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে পুরুষের প্রজননতন্ত্রেরও।
অধিকাংশ পুরুষই তাঁর মুঠোফোন প্যান্টের পকেটে রাখেন। এ সময় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন পুরুষের প্রজননতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, এ ধরনের ক্ষতিকর তরঙ্গ শুক্রাণুর ওপর প্রভাব ফেলে এবং শুক্রাণুর ঘনত্ব কমিয়ে দিতে পারে। গবেষকেরা জানিয়েছেন, ফোন ব্যবহার করা না হলেও তরঙ্গসংকেত পাওয়ার জন্য ফোন যে সংকেত ছাড়ে, তাও ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।
মুঠোফোন তরঙ্গে শুক্রাণুর ক্ষতিবিষয়ক সাম্প্রতিক এক গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা এ তথ্য পেয়েছেন। তবে এ তরঙ্গ ডিএনএর ওপর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে কি না, সে বিষয়ে ভবিষ্যতে আরও গবেষণার প্রয়োজন আছে বলেই তাঁরা জানিয়েছেন।
গবেষকেরা আরও জানান, মুঠোফোনে কথা বলার সময় যে পরিমাণ ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক তরঙ্গ নির্গত হয়, মুঠোফোনের সাইলেন্ট মোডে তার চেয়ে কম তরঙ্গ নির্গত হয়। তবে যেকোনো অবস্থায় তা প্রজননতন্ত্রের কাছে এলে ক্ষতির কারণ হতে পারে বলেই সতর্ক করেছেন গবেষকেরা।

ঝুঁকিতে শরীরে পেসমেকার প্রতিস্থাপনকারীরা
আন্তর্জাতিক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ সুরেশ বিজন জানিয়েছেন, মুঠোফোন ও সহজে স্থানান্তরযোগ্য মিডিয়া প্লেয়ারগুলো একটি নির্দিষ্ট পরিমাপের বৈদ্যুতিক ও চুম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ হৃৎপিণ্ডের গতির ক্ষেত্রে এ ধরনের ক্ষেত্রগুলোর শক্তি কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে পেসমেকার বসানো হৃৎপিণ্ডে বা হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের পর সেখানে এ ধরনের কোনো যন্ত্র ব্যবহারের পর মুঠোফোনের তরঙ্গে কোনো প্রভাব ফেলে কি না, তা নিয়ে চালানো গবেষণায় উল্টো ফল দেখেছেন গবেষকেরা। হৃৎপিণ্ডে বসানো যন্ত্র মুঠোফোনের তরঙ্গে প্রভাবিত হতে পারে। তাই এ ধরনের সমস্যায় মুঠোফোন থেকে দূরে থাকাটাই শ্রেয়। পেসমেকারযন্ত্র থেকে মুঠোফোনের দূরত্ব রাখতেই পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।

শরীরের জয়েন্ট বা সন্ধিগুলোর ক্ষতি
জয়েন্ট প্রতিস্থাপন চিকিৎসক নীরদ ভেং সরকার জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সময় ধরে মেসেজ বা বার্তা টাইপ করা হলে আঙুলের জয়েন্টগুলোতে ব্যথা হতে পারে এবং অবস্থা বেশি খারাপ হলে আর্থ্রাইটিসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
চিকিৎসক নীরদ আরও জানিয়েছেন, আঙুলের ব্যথাজনিত সমস্যার রোগী বাড়ছে। অনেকে ঘাড় ব্যথার সমস্যায়ও পড়ছেন। কারণ, অনেকেই কাজের সময় মুঠোফোন ব্যবহার করতে গিয়ে কাঁধ ও কানের মাঝে ফোন রেখে কথা বলেন। অনেকেই অতিরিক্ত ঝুঁকে বসে দীর্ঘ সময় ধরে বার্তা পাঠাতে থাকেন। বসার ভঙ্গির কারণেও শরীরে নানা অসুবিধা দেখা দিতে পারে।
চিকিৎসকের পরামর্শ হচ্ছে অতিরিক্ত সময় ধরে মুঠোফোনে বার্তা লিখবেন না, এতে করে শরীরের জয়েন্ট বা সন্ধির সমস্যা থেকে সুস্থ থাকতে পারবেন।

Courtesy: Prothom-Alo

BCS Cadre / General_Knowledge Series
« on: May 26, 2013, 09:36:37 PM »
বিশ্বের গভীরতম হ্রদ বৈকাল হ্রদ। এর সর্বাধিক গভীরতা ১৬৩৭ মিটার। ৩০০ এর বেশী নদীর পানি এসে এই হ্রদে পড়েছে। বৈকাল হ্রদ এলাকায় ১৭০০ এরও বেশী প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রানী আছে যার দুই তৃতীয়াংশ পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। এটি বিশ্বের বৃহত্তম মিষ্টি (মিঠা) পানির হ্রদ। এটি প্রায় ২ কোটি ৫০ লক্ষ বছর পুরানো। এটি বিশ্বের প্রাচীনতম হ্রদ।

► ২১শে ফেব্রুয়ারী ১৯৫২, ২৫শে মার্চ ১৯৭১ এবং ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ প্রত্যেকটি দিন ছিল বৃহস্পতিবার।

► প্রতি বছর ৪/৪, ৬/৬, ৮/৮, ১০/১০, ১২/১২ তারিখগুলো সপ্তাহের একই দিনে হয়। ২০১২ সালে এ দিনগুলো হলো বুধবার।

► ভিটামিন ‘এ’ এর অপর নাম রেটিনল।

► জোয়ার ভাটার তেজকটাল হয় – অমাবস্যায়।

► জোয়ারের কত সময় পর ভাটার সৃষ্টি হয়? – ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট।


Hinduism / কিছু প্রনাম মন্ত্র
« on: May 26, 2013, 09:25:21 PM »
কিছু প্রনাম মন্ত্রঃ

পিতা প্রনামঃ
পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতাহি পরমং তপ।
পিতোরি প্রিতিমা পন্নে প্রিয়ন্তে সর্ব দেবতাঃ।। ১

মাতা প্রনামঃ
মাতা জননী ধরিত্রী, দয়াদ্র হৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোশা সর্ব দুঃখ হারা।।

দেহ শুচীর মন্ত্র
ওঁ অপবিত্র পবিত্রোবা সর্বাবস্থান গতহ্বপিবা।
যৎ সরেত পুন্ডরিকাক্ষং স বাহ্য অভ্যান্তরে শুচি।। ১
পাপোহং পাপ কর্মাহং পাপাত্মা পাপ সম্ভাবান্ ।
ত্রাহি মাং পুন্ডরীকাক্ষং সর্ব পাপো হরো হরি।। ২

গুরু প্রণাম
অখন্ড মন্ডলা কারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম।
তদপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ ।। ১
অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মিলিত যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ ।। ২
গুরু ব্রহ্মা গুরু বিষ্ণু গুরুদেব মহেশ্বর।
গুরু রেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ ।। ৩

শ্রী পঞ্চতত্ত্ব প্রণাম
পঞ্চতত্ত্ব আত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপ স্বরূপকম্ ।
ভক্ত অবতারং ভক্তাখ্যাং নমামি ভক্ত শক্তিকম্ ।। ১

শ্রী কৃষ্ণ প্রনামঃ
হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে।
গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধা কান্ত নমহস্তুতে ।। ১
ওঁ ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রহ্মণ্য হিতায় চ।
জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় বাসুদেবায় নমো নমঃ ।। ২

শ্রী রাধারানী প্রণামঃ
তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী।
বৃষভানু সূতে দেবী তাং প্রণমামি হরি প্রিয়ে।।

তুলসী প্রণামঃ
বৃন্দায়ৈ তুলসী দৈব্যে প্রিয়ায়ৈ কেশবস্য চ ।
কৃষ্ণ ভক্তি প্রদে দেবী সত্যবত্যৈঃ নমঃ নমঃ ।। ১

সূর্য প্রণামঃ
ওঁ জবাকুসুম সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিং।
ধ্বান্তারিং সর্ব পাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্।। ১

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 10