Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Narayan

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 29
31
কম্পিউটারে কোনো গোলমাল হলেই নাকি রিস্টার্ট করতে হবে! স্রেফ মজা করে বলা হলেও কখনো কখনো এই পরামর্শ কাজেও লাগে বটে! তবে শুধু এটুকুর ওপর নির্ভর করে তো এসব প্রযুক্তিপণ্য ব্যবহার করা যাবে না। বিশেষজ্ঞের কাছ থেকেই তাই জেনে নিন এসবের যত্ন-আত্তি। পরামর্শ দিয়েছেন রায়ানস আইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক এস এম আরিফুজ্জামান।

িস্তারিত নিচের লিঙ্ক এ।


http://goo.gl/JExOLp


Courtesy: Prothom-alo

32
Science and Information / Re: Security mistakes programmersrs make
« on: September 24, 2014, 03:16:59 PM »
I did my M.Sc thesis regarding this issues.

33
Faculty Sections / Technology entrepreneurs hobby
« on: September 23, 2014, 11:54:52 PM »
Following link will give you the details


http://goo.gl/5W5x48



Thank you.

34
Science and Information / Hacker's give seven tips to be safe from Hacking
« on: September 23, 2014, 11:48:30 PM »
হ্যাকিং থেকে বাঁচার সাত উপায় দিলেন হ্যাকাররাই...... Details in following link.

http://goo.gl/2aDPbd



Thank you.

35
Science and Information / Re: It should be done more before
« on: September 23, 2014, 11:45:17 PM »
uffffffffffffff. Relax Now.

36
Go Programming Go

37
Science and Information / Best Sites to Learn Programming
« on: August 04, 2014, 10:14:40 PM »
প্রোগ্রামিং শেখার টোটাল সমাধান নিচের লিঙ্ক এ।

লিঙ্কঃ http://goo.gl/py55ut


ধন্যবাদ ।

38
Faculty Sections / মুদ্রাদোষ‍ !
« on: June 14, 2014, 12:09:41 PM »
মুদ্রাদোষ আর বাজে অভ্যাস কিন্তু এক জিনিস নয়। হাতের নখ কামড়ানো, বারবার পা নাড়ানো, আনমনা থাকতে থাকতে মাথা চুলকানো, নাকের ভেতর আঙুল ঢুকিয়ে চুলকানো, হাতের কাছে লম্বা কিছু পেলেই কানে ঢুকিয়ে দেওয়া, আঙুল ফোটানো, কথা বলার সময় জোরে জোরে হাত নেড়ে বা আঙুল তুলে কথা বলা ইত্যাদি হলো মুদ্রাদোষ। মানুষ নিজের অজান্তেই এগুলোর চর্চা করতে থাকে। আসুন জেনে নেই মুদ্রাদোষগুলো থেকে নিজেরাই নিজেদের কিভাবে মুক্তি দিতে পারি।

১. প্রথমে মুদ্রাদোষটি শনাক্ত করুন।
২. সব সময় সচেতন থাকুন, যাতে মনের ভুলে এমন অভ্যাসের চর্চা না হয়। ৩. যিনি আনমনে বারবার পা নাড়েন, তিনি বসার ধরন বদলে ফেলুন।
৪. যিনি কথা বলতে বলতে হাত নাড়েন, তিনি হাত পেছনে রেখে মনে জোর নিয়ে এসে কথা বলতে পারেন।
৫. নিজের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ রাখুন।
৬. যেকোনো কাজে গভীর মনোনিবেশ করুন।
৭. আলস জীবনযাপন বা অতিরিক্ত ঘুমের অভ্যাস বাদ দিন।
৮. নিয়মিত ব্যায়াম এবং ধ্যান করে মুদ্রাদোষ পরিহার করার ক্ষমতা তৈরি করুন।
৯. কাছের মানুষদের জানিয়ে রাখুন, যাতে তাঁরা থামিয়ে দেন বা মনে করিয়ে দেন।
১০. মুদ্রাদোষ থেকে মুক্তি পেতে আরেকটি ব্যায়াম করা যেতে পারে। তা হলো যিনি পা নাড়ান কিংবা হাত দিয়ে নাক, কান বা মাথা চুলকাতে থাকেন, তিনি দিনের একটা সময় ধরে একটানা পা বা হাতের দিকে স্থিরভাবে তাকিয়ে থাকুন। মনোযোগ নিয়ে দেখুন আর ভাবতে থাকুন অভ্যাসগুলোর কথা। কিংবা হঠাৎ বেখেয়াল হতেই পা নাড়াচ্ছিলেন, মনে হওয়ার পর বন্ধ করে তাকিয়ে ভাবতে থাকুন পাঁচ মিনিট। ভাবার সময় আবার বেখেয়াল হয়ে যাবেন না।
১১. মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গেলে অবশ্যই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


Courtesy: Facebook Page

39

১. প্রথমে বসতে হবে। দাঁড়িয়ে পানি খাওয়া যাবে না। নিয়মিত খাবারের সময় যেমন বসতে হয়। পানি খাওয়ার সময়ও সেরকম বসতে হবে।
২. স্বাভাবিকভাবে চুমুক দিয়ে পানি খেতে হবে। ঢক ঢক করে বা বড় বড় ঢোক দিয়ে খুব দ্রুত পানি খাওয়া যাবে না। একবারে ঢক ঢক করে বেশি পানি খেয়ে ফেললে শরীর তা গ্রহণ করতে পারে না। এর বেশিরভাগই শরীর থেকে তখনই বের হয়ে যায়।
৩. সারাদিন বার বার অল্প পানি খেতে হবে।
৪. অন্তত ঘরে সাধারণত যে তাপমাত্রা থাকে সেই তাপমাত্রার পানি পান করতে হবে। মানে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি। তবে এর চেয়ে সামান্য একটু গরম হলে ভালো। ঠাণ্ডা পানি হজম শক্তি কমিয়ে দেয়।
৫. খাবার খাওয়ার সময় খুব অল্প পরিমাণ পানি পান করতে হবে। খাওয়ার সময় বেশি পানি খেলে পেটে খাবার পরিপাক বা হজম হওয়ার জন্য যথেষ্ট জায়গা থাকে না। খাবার খাওয়ার সময় এই নিয়ম মনে রাখতে হবে–পাকস্থলীর ৫০ ভাগ পূর্ণ করতে হবে খাবার দিয়ে, পানি দিয়ে পূর্ণ করতে হবে ২৫ ভাগ। আর বাকি ২৫ ভাগ খালি রাখতে হবে পরিপাক রস এবং পরিপাক ক্রিয়া বা হজমের জন্য।
৬. উপরোক্ত একই কারণে খাওয়ার একদম আগে বা পরে বেশি পানি পান করা যাবে না। ৫০ ভাগ ভরতে হবে খাবার দিয়ে, ২৫ ভাগ পানি দিয়ে এবং বাকি ২৫ ভাগ খালি রাখতে হবে।
৭. যখনই তৃষ্ণা পাবে তখনই পানি খেতে হবে। পানি পিপাসা পাওয়া একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। এর মানে শরীর পানির অভাববোধ করছে। তাই তৃষ্ণা পেলেই পানি খেতে হবে।
৮. প্রত্যেকের শরীরের সাইজ, খাবারের পরিমাণ এবং লাইফস্টাইল আলাদা আলাদা। একজনের জন্য দিনে আট গ্লাস পানি প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু সবার জন্য তা নাও হতে পারে। প্রাকৃতিকভাবে মানুষের শরীরের প্রয়োজনীয় পানি পরিমাপ করার একটি পদ্ধতি রয়েছে। সে পদ্ধতিটি হল তৃষ্ণা। তৃষ্ণা পেলে পানি খেতে হবে। সারাদিন ধরে তৃষ্ণা পেলেই পানি খাওয়ার মাধ্যমে সঠিক পরিমাণে পানি খাওয়া হয়ে যাবে।


Courtesy: Facebook Page.

40
BBA Discussion Forum / Internship Opportunities @ HSBC Bank
« on: April 10, 2014, 12:28:36 AM »
Click http://goo.gl/1pGBCV to see the opportunity.

42
Faculty Sections / Re: Green Tea
« on: February 16, 2014, 09:59:50 PM »
Though it is good for health, i hate it.

44
চমৎকার জিনিষ জানা হল... শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

45
I love vegetables.....

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 29