Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Mst. Eshita Khatun

Pages: [1] 2 3 ... 10
1
Interesting

2
Wow great Content

3
বিজ্ঞাপনে ‘সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য’ ফাইভ–জি নেটওয়ার্ক সেবাদাতা হিসেবে দাবি করেছিল টি-মোবাইল
বিজ্ঞাপনে ‘সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য’ ফাইভ–জি নেটওয়ার্ক সেবাদাতা হিসেবে দাবি করেছিল টি-মোবাইলপিক্সাবে
বিজ্ঞাপনে নিজেদের ‘সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য’ ফাইভ–জি নেটওয়ার্ক সেবাদাতা হিসেবে দাবি করেছিল মার্কিন মুঠোফোন অপারেটর টি-মোবাইল। এরপর অভিযোগ দিয়ে বসে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান এটিঅ্যান্ডটি। সে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের বেটার বিজনেস ব্যুরোর ন্যাশনাল অ্যাডভারটাইজিং ডিভিশন (এনএডি) রায় দিয়েছে, তৃতীয় পক্ষের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করে ‘সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য’ ফাইভ–জি নেটওয়ার্ক সেবাদাতা হিসেবে প্রচারণা চালানো যাবে না।

টেকরাডারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিভি এবং অনলাইনে টি-মোবাইলের দুটি বিজ্ঞাপন প্রচারের পর অভিযোগ জানায় এটিঅ্যান্ডটি। এরপর এল এনএডির রায়। এদিকে টি-মোবাইল বলেছে, তারা এনএডির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন করবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী টি-মোবাইলের ৭০ হাজারের বেশি ফাইভ–জি গ্রাহকের ৪ কোটি ৩০ লাখ তথ্যের নমুনা ঘেঁটে প্রতিবেদনটি পেশ করে উমলাউট নামের অ্যাকসেঞ্চার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। সে প্রতিবেদন প্রকাশের পর টি-মোবাইলের প্রযুক্তিবিষয়ক প্রেসিডেন্ট নেভিল রে গত জুলাইয়ে এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, ‘অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে দেশের সর্বাধিক এলাকায় দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ফাইভ–জি সংযোগের জন্য টি-মোবাইলের ওপর নির্ভর করতে পারেন ব্যক্তি এবং প্রাতিষ্ঠানিক গ্রাহকেরা। উমলাউটের প্রতিবেদন তারই সর্বশেষ প্রমাণ। অন্যান্য নেটওয়ার্কও এগিয়ে যাচ্ছে, তবে দেশজুড়ে গ্রাহকদের চমৎকার অভিজ্ঞতা দিতে আমরা ফাইভ–জি কভারেজ ও সক্ষমতা বাড়িয়েই চলেছি।’

ফাইভ–জি নেটওয়ার্কের নির্ভরযোগ্যতা পরিমাপের জন্য টি-মোবাইলের নেটওয়ার্কের তিনটি দিক পরীক্ষা করে দেখে উমলাউট-ফাইভ–জি কভারেজ, গ্রাহকসংখ্যা এবং ডাউনলোডের গতি।

টি-মোবাইলের লোগো
টি-মোবাইলের লোগোরয়টার্স
বিজ্ঞাপন

টি-মোবাইলের যুক্তি দেখিয়েছিল, অনেক গ্রাহক ফোর–জি থেকে ফাইভ–জি, আবার ফাইভ–জি থেকে ফোর–জি নেটওয়ার্কে পরিবর্তন করে থাকে এবং উমলাউটের পরীক্ষায় কত গ্রাহক ফোর–জি থেকে ফাইভ–জি ব্যবহার শুরু করেছেন, তা দেখা হয়েছে। তবে এনএডি বলছে, ফাইভ–জি সম্পর্কে কোনো দাবি করতে হলে তা অবশ্যই কেবল ফাইভ–জি গ্রাহকের তথ্য নিয়ে করতে হবে। তা ছাড়া কেবল গতি আর কভারেজের ওপর নির্ভর করে নির্ভরযোগ্যতার দাবি করা যায় না।

এনএডির সিদ্ধান্তে হতাশ হয়েছে বলে জানিয়েছে টি-মোবাইল। সে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন করবে বলেও জানিয়েছে। উমলাউটের স্বাধীন পর্যবেক্ষণে ফলাফলের ওপর নির্ভর করে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারা উচিত বলেও যুক্তি দেখিয়েছে তারা।

4
আমরা এমন এক বিস্ময়–জাগানিয়া জমানায় বাস করছি, যখন বিশ্বের অর্ধেকের বেশি অংশে একটি প্রযুক্তি পৌঁছে গেছে। সেই প্রযুক্তির নাম ইন্টারনেট। এটি এমন এক প্রযুক্তি, যা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা থেকে শুরু করে জীবনের প্রায় প্রতিটি খাতে এখন নিয়ামক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে; যা মহাদুর্যোগ থেকে মহামারির সময় মানুষের প্রাণ সঞ্জীবনী হিসেবে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ইন্টারনেট আবিষ্কারের পর এমনভাবে এর ডিজাইন করা হয়েছিল, যাতে প্রতিটি মানুষের জন্য তা অবারিত থাকবে কিন্তু কেউ তার মালিক হতে পারবে না।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ার পর আমরা ইন্টারনেটের উপযোগিতা সম্পর্কে আন্দাজ করতে পেরেছি। শারীরিকভাবে একজন আরেকজনের সঙ্গে দেখা করা ছাড়াই দূর থেকে এই সময়টাতে আমরা আমাদের হাজারো দাপ্তরিক কাজ সেরে ফেলতে পেরেছি। খুব দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, আমরা এমন এক জমানাতেও বাস করি যেখানে ভয়, আতঙ্ক ও সন্দেহের ধোঁয়া আমাদের সর্বক্ষণ আচ্ছন্ন করে রেখেছে। ইতিপূর্বে সংঘটিত যেকোনো যুদ্ধ বা মহামারির চেয়েও নিকৃষ্ট জিনিস হলো ইন্টারনেট—এমন দাবির সন্ধান পেতে আপনাকে গুগলে আঁতিপাঁতি করে খুঁজতে হবে না। সাধারণ অনুসন্ধানেই এ ধরনের দাবির কথা খুব সহজেই পাওয়া যাবে। সন্ত্রাসবাদ, শিশু পীড়ন এবং এমনকি গণতন্ত্রের অপব্যবহারসহ বহু সমস্যার বলির পাঁঠা হয়ে থাকে ইন্টারনেট।

আসুন একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখি। যদি আমরা ফেক নিউজ বা ভুয়া খবরকে ইন্টারনেটের ত্রুটি বলে বিশ্বাস করি, তাহলে তা বিংশ শতকের রাষ্ট্রীয় প্রোপাগান্ডা যন্ত্রের ক্রমাগত মিথ্যা প্রচারের কথা ভুলে যাওয়ারই নামান্তর হবে। অনেকে সামাজিক মূল্যবোধর অবনমনের জন্য ইন্টারনেটকে দায়ী করে থাকেন। ভাবটা এমন যেন টুইটার আসার আগে মিথ্যুক রাজনীতিকেরা মিথ্যা ও ঘৃণা ছড়ানো কথা বলতেন না। সমাজ ও ব্যক্তির ওপর নিয়ত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে। আমরা ক্ষিপ্রগতিতে বিবর্তিত হচ্ছে এমন একটি সমাজবাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এই বিবর্তনে প্রশ্নাতীতভাবে ইন্টারনেটের উত্থান একটি বড় ভূমিকা রাখছে। কারণ, ইন্টারনেট দ্রুত নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

যদি আমরা ফেক নিউজ বা ভুয়া খবরকে ইন্টারনেটের ত্রুটি বলে বিশ্বাস করি, তাহলে তা বিংশ শতকের রাষ্ট্রীয় প্রোপাগান্ডা যন্ত্রের ক্রমাগত মিথ্যা প্রচারের কথা ভুলে যাওয়ারই নামান্তর হবে। অনেকে সামাজিক মূল্যবোধর অবনমনের জন্য ইন্টারনেটকে দায়ী করে থাকেন। ভাবটা এমন যেন টুইটার আসার আগে মিথ্যুক রাজনীতিকেরা মিথ্যা ও ঘৃণা ছড়ানো কথা বলতেন না।
এই সব সুযোগকে ভালো এবং মন্দ—উভয়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মানুষ এই প্রযুক্তির কারণে এখন আগের চেয়ে অনেক সহজে এবং অনেক কম খরচে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে। আবার প্রতারক চক্র এই ইন্টারনেটকে ব্যবহার করে অসাধু উপায়ে মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেয়। প্রথাগত কর্তৃপক্ষ ও নীতিনির্ধারকেরা ইন্টারনেটের কারণে তঁাদের এত দিনকার তথ্য
নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছেন। কারণ, জনসাধারণ ইন্টারনেটের সুযোগে নানা ধরনের বিকল্প পথে তথ্য পেয়ে যাচ্ছে।

তবে এমন অনেক ক্ষতির বিষয় আছে, যার জন্য ইন্টারনেটকে দায়ী করা হলেও আদতে তার জন্য ইন্টারনেট মোটেও দায়ী নয়। ইন্টারনেটকে দোষারোপ করার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ইন্টারনেটকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের দিক থেকে ইন্টারনেটের ওপর দোষ চাপানো হয়। কিন্তু কোনো কিছু বন্ধ করা বা নিয়ন্ত্রণ করার আগে আমাদের ভালো করে বুঝে নিতে হবে, আমরা ঠিক যন্ত্রটি বন্ধ করছি কি না। আজকের দিনের বৃহৎ প্রযুক্তি করপোরেশনগুলোর সমস্যা এবং বাণিজ্য ও জনপরিসরের আলোচনায় তাদের প্রভাবের বিষয় চিন্তা করে দেখুন। যখন এসব কোম্পানি কোনো নির্দিষ্ট বাজার দখল করে ফেলে বা কোনো নির্দিষ্ট মাত্রার মুনাফা অর্জন করে, তখন কেউ কেউ সেসব কোম্পানির ওপর বিশেষ বিধি আরোপ করা উচিত বলে মত দেন। কিন্তু করপোরেট পুঁজির একচ্ছত্র বিস্তৃতি যে শুধু এখনই হচ্ছে তা নয়।

উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্য অনেক দেশের পেট্রোলিয়াম শিল্পে স্ট্যান্ডার্ড ওয়েল প্রাধান্য বিস্তার করার পর অনেক দেশ এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির আধিপত্যকে আতঙ্কের চোখে দেখা শুরু করেছিল। তখন তারা বলেছিল, স্ট্যান্ডার্ড ওয়েল ‘তেল নীতি’ চর্চা করে না, তারা ‘অবিশ্বস্ততার নীতি’ চর্চা করে। অনেকে ইন্টারনেটনির্ভর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে থাকেন। কিন্তু ঐতিহাসিকভাবেই এই উদ্বেগ প্রকাশ ভুল। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং চীন প্রত্যেকেই ইন্টারনেট-পূর্ব জমানায় সহিংস আন্দোলনের মুখে পড়েছে। ইন্টারনেট আসার আগে থেকেই এক দেশ অন্য দেশের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে, বিভিন্ন ধরনের গোয়েন্দাবৃত্তি করেছে। শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক আচরণ আমাদের সে কথা মনে করিয়ে দেয়।

রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বিশেষ করে গণতন্ত্র নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের বৈধতা ও কার্যকর থাকার ক্ষমতার ওপর। কোনো সরকারের ওপর জনগণ ক্ষুব্ধ হলে সেই ক্ষোভ দমন করে বা দেশের তথ্য বিদেশের মানুষকে জানতে না দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এটি সত্য যে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। যেমন ইন্টারনেট প্রযুক্তির কারণে আগের চেয়ে অনেক বেশি গতিতে তথ্য আদান–প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যে আইডি থেকে কোনো তথ্য ছড়াচ্ছে, সেই আইডির মালিক যে সত্যিই আইডিতে উল্লেখিত পরিচয়ের আসল ব্যক্তি, তা নিশ্চিত হওয়া অনেক সময়সাপেক্ষ।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু ইন্টারনেটের বৃহৎ জগতের কাছে এগুলো খুবই সংকীর্ণ ইস্যু। আদতে ইন্টারনেট হলো একটি বাস্তুসংস্থান (ইকোসিস্টেম) ব্যবস্থা, যার সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। ইন্টারনেটকে কোনোভাবেই বলির পাঁঠা বানানো যাবে না। অর্থাৎ, এই প্রযুক্তি আমাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ, এটি আমাদের সবার সম্পদ। এটিকে ঠিকমতো সুরক্ষা দেওয়ার মানে হলো আমাদের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষা দেওয়া।

ইংরেজি থেকে অনূদিত, স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট

6
প্রাথমিক স্তরে সহায়ক পাঠের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং সাপ্তাহিক সম্পূরক পঠন সামগ্রী (এসআরএম) পরিচালনার জন্য শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে মুক্তপাঠে (http://muktopaath.gov.bd/) কিছু ফিচার চালু করা হয়েছে। নতুন এই অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সটি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার এটুআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুক্তপাঠ প্লাটর্ফমে তৈরি নতুন ফিচারের মাধ্যমে শিক্ষকরা খুব সহজে পাঠাগার কার্যক্রম পরিচালনা কৌশল ও দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন

অনলাইন কোর্সে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, ই-লার্নিং পদ্ধতির রূপান্তর ও বাস্তবায়নে এটুআই ও রুম-টু-রিড বাংলাদেশ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করছে। অনুষ্ঠানের রুম-টু-রিড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাখী সরকার এ অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সটির প্রবর্তন করতে গিয়ে সরকারি সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এই কোর্সটির নাম হবে ‘পাঠাগার ব্যবস্থাপনা এবং পড়ার ঘণ্টা কার্যক্রম পরিচালনা’। এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরের পাঠাগার ব্যবস্থাপনায়, নির্ধারিত রুটিনে পড়ার ঘণ্টা কার্যক্রম পরিচালনায়, শিক্ষার্থীদের পঠনদক্ষতা নির্ণয়ের মাধ্যমে যোগ্যতা উপযোগী পঠনসামগ্রী ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি পাঠাগার পরিচালনায় পরিবার ও সমাজের সম্পৃক্ততা নিশ্চিতকরণে শিক্ষকের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন করে তোলা সম্ভব হবে। এ ছাড়া এই কোর্সের মাধ্যমে শুধু শিক্ষকরাই নন, বিদ্যালয়ের ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরাও পাঠাগার পরিচালনায় অংশ গ্রহণ করতে পারবে।
Source: prothom Alo, Date: 3rd December,2021

9
আগামীকাল বুধবার মহাকাশে রকেট পাঠাবে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সে তো প্রায়ই পাঠায়। তবে কালকের অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীর নিকটবর্তী এক গ্রহাণুতে গিয়ে আছড়ে পড়া। এতে সেটার কক্ষপথে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হবে।

অভিযানটির মাধ্যমে এই প্রথম মহাজাগতিক ছন্দে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করবে মানুষ। ঘটনাটি সম্পর্কে যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান বলছে, মহাকাশের সঙ্গে এই এক দিনে বদলে যাবে আমাদের সম্পর্ক।

বহুকাল আগে পৃথিবী থেকে ডাইনোসর বিলুপ্তির মূল কারণ গ্রহাণুর আঘাত বলে মনে করা হয়। বিশাল কোনো মহাজাগতিক বস্তু পৃথিবীতে আছড়ে পড়ায় মারা যায় সব ডাইনোসর। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে মানুষের কপালেও একই ভাগ্য যে জুটবে না, তা নিশ্চিত করে বলার সুযোগ কই? সে কারণেই আগে থেকে প্রস্তুত থাকতে চায় নাসা। পৃথিবীর দিকে কোনো গ্রহাণু ধেয়ে এলে, সমাধান হিসেবে সেটার পথ বদলে দিতে চায় তারা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

মহাজাগতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে আগামীকাল পরীক্ষামূলকভাবে পাঠানো হবে। তা ছাড়া নভোযান পাঠিয়ে গ্রহাণুর কক্ষপথ বদলে দেওয়া আদৌ সম্ভব কি না, তা-ও সে অভিযানের ফলাফল থেকে প্রথম জানা যাবে।

দিমরফস গ্রহাণুতে যেভাবে আঘাত হানবে ডার্ট নভোযান
দিমরফস গ্রহাণুতে যেভাবে আঘাত হানবে ডার্ট নভোযানমূল ছবি: নাসা
মহাকাশ থেকে প্রতিনিয়ত পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে নানা আকারের মহাজাগতিক বস্তু। তবে এর বেশির ভাগই খুদে কণা যা মাটিতে পৌঁছানোর বহু আগে পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়, নয়তো চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। তবে বড় কিছু ছুটে এলে ক্ষতির পরিমাণও বড় হবে। প্রায় ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে হয়তো এমনই বড় কোনো সংঘর্ষে ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়েছে। সেই সংঘর্ষে বিপুল পরিমাণে ধুলা-আবর্জনা বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে ঢেকে দেয় সূর্য। এতে ভেঙে পড়ে খাদ্যজাল। তেমন বিপর্যয়ের পুনরাবৃত্তি এড়ানোর সম্ভাব্য সমাধান এখন থেকেই না খুঁজলে তা হয়তো একদিন মানবসভ্যতা বিলুপ্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

বিজ্ঞাপন

নভোযান পাঠিয়ে গ্রহাণুর পথ বদলানো আদৌ সম্ভব কি না, তা-ই পরীক্ষা করা হবে নাসার ডবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট (ডার্ট) শীর্ষক অভিযানে। এ সংঘর্ষে গ্রহাণুর কক্ষপথে কতখানি পরিবর্তন আসবে, সেটা দেখাও এখানে জরুরি।

যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের ন্যাশনাল নেয়ার আর্থ অবজেক্টস ইনফরমেশন সেন্টারের পরিচালক জে টেট দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘পৃথিবীর নিকটবর্তী বস্তুর আঘাত এড়ানোর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের এটাই প্রথম চেষ্টা। ঠিকঠাক কাজ করলে সেটা অনেক বড় ব্যাপার হবে কারণ, এতে প্রমাণ হবে নিজেদের রক্ষা করার মতো কারিগরি সক্ষমতা আমাদের আছে।’

ডার্ট অভিযানের নভোযানটির ওজন ৬১০ কেজি। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেজ থেকে সেটি স্পেসএক্সের ফ্যালকন নাইন রকেটে করে পাঠানো হবে। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ২১ মিনিটে সেটি উড্ডয়নের কথা রয়েছে। নভোযানটির লক্ষ্য ‘দিদিমস সিস্টেম’। এতে আপাত নিরীহ দুটি গ্রহাণু রয়েছে। ‘দিমরফস’ নামের ১৬৩ মিটার দীর্ঘ একটি গ্রহাণু ‘দিদিমস’ নামের ৭৮০ মিটার দীর্ঘ আরেকটি গ্রহাণুকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে।

গ্রহাণু দুটি সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় মাঝেমধ্যে পৃথিবীর তুলনামূলক কাছে এসে থাকে। দিমরফস পৃথিবীর ৬ দশমিক ৮ মাইলের মধ্যে এলে তাতে নভোযান সংঘর্ষের পরিকল্পনা করছে নাসা। সেটা ২০২২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবরের মধ্যে কোনো এক সময়ে হতে পারে।

অভিযানটির নভোযান এবং গ্রহাণুর আকার সম্পর্কে একটা ধারণা মিলতে পারে এই ছবি থেকে
অভিযানটির নভোযান এবং গ্রহাণুর আকার সম্পর্কে একটা ধারণা মিলতে পারে এই ছবি থেকেনাসা
সংঘর্ষের দিন দশেক আগে মূল নভোযান থেকে ‘লাইট ইতালিয়ান কিউবস্যাট ফর ইমেজিং অব অ্যাস্টেরয়েডস’ নামের খুদে একটি স্যাটেলাইট আলাদা হয়ে যাবে। সেটি মূল নভোযানের সংঘর্ষের ছবি পাঠাবে পৃথিবীতে। এর সঙ্গে পৃথিবী থেকে টেলিস্কোপেও পর্যবেক্ষণ করা হবে। তা ছাড়া মূল নভোযানের সঙ্গে যুক্ত ক্যামেরা থেকেও শেষ মুহূর্তের ছবি পাওয়া যাবে। সব মিলিয়ে বিজ্ঞানীরা হিসাব কষে বোঝার চেষ্টা করবেন সে সংঘর্ষে দিমরফস কক্ষপথ থেকে কতটা বিচ্যুত হলো।

আশা করা হচ্ছে এই সংঘর্ষে ছোট গ্রহাণুটির গতিতে প্রায় ১ শতাংশ পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে এবং বড় গ্রহাণুটিকে ঘিরে আবর্তিত হওয়ার সময়েও খানিকটা পরিবর্তন আসবে।

এরপর আবার ২০২৪ সালের নভেম্বরে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির ‘হেরা’ নভোযান দিসিমস সিস্টেম পর্যবেক্ষণে গিয়ে বোঝার চেষ্টা করবে কক্ষপথে কতটা পরিবর্তন এল। একই সঙ্গে দিমরফস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি ডার্ট অভিযান গ্রহাণুতে কতটা ক্ষত তৈরি করেছে, তা-ও বোঝার চেষ্টা করবে।

সব তথ্য পাওয়ার পরও শেষমেশ এই এক কৌশলেই যে ধেয়ে আসা গ্রহাণুর পথ বদলানো যাবে, তা অনিশ্চিত। তা না হোক, মহাজাগতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অন্তত এক ধাপ এগোনো তো হলো।
Sourch: prothom Alo Date: 24th November,2021

11
In the quest to shrink data storage down into tinier and tinier forms, scientists have scored a very, very small triumph.

They did it by creating what’s essentially an incredibly diminutive magnet: It’s just one atom in size, and while it’s not going to be holding birthday cards up on your refrigerator anytime soon, it can do something else: store a data point.

Described in the journal Nature, the experiment involved atoms of a rare earth element called holmium. Physicists working at an IBM research facility in California found that when the holmium atoms were placed on a special surface made of magnesium oxide, they naturally oriented themselves with a magnetic north and south pole—just like regular magnets have—pointing either straight up or down, and remained that way in a stable condition. What's more, they could make the atoms flip by giving them a zap with a scanning tunneling microscope that has a needle with a tip just one atom wide.

The experiment mimics the way the magnetic disk of a hard drive works. Tiny magnets on those disks point either up or down, and that orientation conveys binary information—either a one or a zero. The bits of information on hard drives are physically much bigger though: they’re made up of about 100,000 to a million atoms. The bits in the IBM experiment are miniscule.


Fabian Natterer, a scientist at the Swiss Federal Institute of Technology in Lausanne and the first author of the study, says the experiment shows that they could store one bit of information in just one atom.

You can picture an atom as looking like a tiny butterfly. The atom itself is the insect's body, while its magnetic field forms a pair of wings. The atom’s position—with the north pole of its magnetic field either up or down—represents the information, either a zero or one.

Source: https://www.popsci.com/heres-how-scientists-managed-to-store-information-in-single-atom/][url]https://www.popsci.com/heres-how-scientists-managed-to-store-information-in-single-atom/[/url]

12
Stratospheric aerosol geoengineering is the idea that adding a layer of aerosol particles to the upper atmosphere can reduce climate changes caused by greenhouse gases such as carbon dioxide.

Previous research shows that solar geoengineering could be achieved using commercially available aircraft technologies to deliver the particles at a cost of a few billion dollars per year and would reduce global average temperatures. However, the question remains whether this approach could reduce important climate hazards at a regional level. That is, could it reduce region-by-region changes in water availability or extreme temperatures?

Results from a new study by UCL and Harvard researchers suggest that even a crude method like injecting sulfur dioxide in the stratosphere could reduce many important climate hazards without making any region obviously worse off.

The findings, published today in Environmental Research Letters, used results from a sophisticated simulation of stratospheric aerosol geoengineering to evaluate whether the approach could offset or worsen the effects of climate change around the world. How these effects differed under different temperature scenarios was also tested.

The team found that halving warming by adding aerosols to the stratosphere could moderate important climate hazards in almost all regions. They saw an exacerbation of the effects of climate change in only a very small fraction of land areas.

Lead author, Professor Peter Irvine (UCL Earth Sciences), said: “Most studies focus on a scenario where solar geoengineering offsets all future warming. While this reduces overall climate change substantially, we show that in these simulations, it goes too far in some respects leading to about 9% of the land area experiencing greater climate change, i.e. seeing the effects of climate change exacerbated.

“However, if instead only half the warming is offset, then we find that stratospheric aerosol geoengineering could still reduce climate change overall but would only exacerbate change over 1.3% of the land area.”

The team emphasise that solar geoengineering only treats the symptoms of climate change and not the underlying cause, which is the build-up of CO2 and other greenhouse gases in the atmosphere. It should therefore be considered as a complementary approach to emissions cuts as a way to address climate change.

The study is a follow-up to a paper published last year in Nature Climate Change* showed similar results when solar geoengineering was approximated by simply turning down the sun. That prior study begged the question: would the results hold up with a more realistic simulation using injection of sulfur dioxide, the simplest known method of solar geoengineering.

“Our results suggest that when used at the right dose and alongside reductions in greenhouse gas emissions, stratospheric aerosol geoengineering could be useful for managing the impacts of climate change. However, there are still many uncertainties about the potential effects of stratospheric aerosol geoengineering and more research is needed to know if this idea is truly viable,” added Dr. Irvine.

The team used data from the Geoengineering Large Ensemble Study, which used a sophisticated climate-chemistry model to simulate the climate response to a hypothetical deployment of stratospheric aerosol geoengineering. In this model study, sulfur dioxide was released at different latitudes in the Tropics to produce a layer of aerosols tuned to keep temperatures steady under an extreme global warming scenario.

The researchers focused on changes in mean and extreme temperature, changes in water availability and changes in extreme precipitation, i.e. climate variables that determine key climate risks.

Previous work suggested that stratospheric aerosol geoengineering could lead to a substantial weakening of monsoons and an intensification of drought. However, the authors found that in those regions where halving warming with stratospheric aerosol geoengineering exacerbated change, it increased water availability rather than reduced it. This suggests that concerns that stratospheric aerosol geoengineering could lead to aridification and drought could be misplaced.

Co-author, Professor David Keith (Harvard’s Engineering and Applied Sciences and Kennedy school), said: “Early research with climate models consistently shows that spatially uniform solar radiation modification could significantly reduce climate risks when combined with emissions cuts. But, should we trust the models? Uncertainties are deep and no single result is trustworthy, but this paper is a step towards more realistic modeling from injection to regional impacts.”

The team are now researching the projected effects of stratospheric aerosol geoengineering on the water cycle in more depth to try to understand the potential benefits and risks to society and ecosystems.

Source: https://scitechdaily.com/reducing-climate-change-risks-with-the-right-dose-of-geoengineering/

13
That future may not be now, but it's one step closer, thanks to a Texas A&M University-led team of scientists and engineers and their recent discovery of a materials-based mimic for the neural signals responsible for transmitting information within the human brain.

The multidisciplinary team, led by Texas A&M chemist Sarbajit Banerjee in collaboration with Texas A&M electrical and computer engineer R. Stanley Williams and additional colleagues across North America and abroad, has discovered a neuron-like electrical switching mechanism in the solid-state material β'-CuxV2O5 -- specifically, how it reversibly morphs between conducting and insulating behavior on command.

The team was able to clarify the underlying mechanism driving this behavior by taking a new look at β'-CuxV2O5, a remarkable chameleon-like material that changes with temperature or an applied electrical stimulus. In the process, they zeroed in on how copper ions move around inside the material and how this subtle dance in turn sloshes electrons around to transform it. Their research revealed that the movement of copper ions is the linchpin of an electrical conductivity change which can be leveraged to create electrical spikes in the same way that neurons function in the cerebral nervous system -- a major step toward developing circuitry that functions like the human brain.

Their resulting paper, which features Texas A&M chemistry graduate students Abhishek Parija (now at Intel Corporation), Justin Andrews and Joseph Handy as first authors, is published Feb. 27 in the Cell Press journal Matter.

In their quest to develop new modes of energy efficient computing, the broad-based group of collaborators is capitalizing on materials with tunable electronic instabilities to achieve what's known as neuromorphic computing, or computing designed to replicate the brain's unique capabilities and unmatched efficiencies.

"Nature has given us materials with the appropriate types of behavior to mimic the information processing that occurs in a brain, but the ones characterized to date have had various limitations," Williams said. "The importance of this work is to show that chemists can rationally design and create electrically active materials with significantly improved neuromorphic properties. As we understand more, our materials will improve significantly, thus providing a new path to the continual technological advancement of our computing abilities."

While smart phones and laptops seemingly get sleeker and faster with each iteration, Parija notes that new materials and computing paradigms freed from conventional restrictions are required to meet continuing speed and energy-efficiency demands that are straining the capabilities of silicon computer chips, which are reaching their fundamental limits in terms of energy efficiency. Neuromorphic computing is one such approach, and manipulation of switching behavior in new materials is one way to achieve it.

"The central premise -- and by extension the central promise -- of neuromorphic computing is that we still have not found a way to perform computations in a way that is as efficient as the way that neurons and synapses function in the human brain," said Andrews, a NASA Space Technology Research Fellow. "Most materials are insulating (not conductive), metallic (conductive) or somewhere in the middle. Some materials, however, can transform between the two states: insulating (off) and conductive (on) almost on command."

By using an extensive combination of computational and experimental techniques, Handy said the team was able to demonstrate not only that this material undergoes a transition driven by changes in temperature, voltage and electric field strength that can be used to create neuron-like circuitry but also comprehensively explain how this transition happens. Unlike other materials that have a metal-insulator transition (MIT), this material relies on the movement of copper ions within a rigid lattice of vanadium and oxygen.

"We essentially show that a very small movement of copper ions within the structure brings about a massive change in conductance in the whole material," Handy added. "Because of this movement of copper ions, the material transforms from insulating to conducting in response to external changes in temperature, applied voltage or applied current. In other words, applying a small electrical pulse allows us to transform the material and save information inside it as it works in a circuit, much like how neurons function in the brain."

Andrews likens the relationship between the copper-ion movement and electrons on the vanadium structure to a dance.

"When the copper ions move, electrons on the vanadium lattice move in concert, mirroring the movement of the copper ions," Andrews said. "In this way, incredibly small movements of the copper ions induce large electronic changes in the vanadium lattice without any observable changes in vanadium-vanadium bonding. It's like the vanadium atoms 'see' what the copper is doing and respond."

Transmitting, storing and processing data currently accounts for about 10 percent of global energy use, but Banerjee says extrapolations indicate the demand for computation will be many times higher than the projected global energy supply can deliver by 2040. Exponential increases in computing capabilities therefore are required for transformative visions, including the Internet of Things, autonomous transportation, disaster-resilient infrastructure, personalized medicine and other societal grand challenges that otherwise will be throttled by the inability of current computing technologies to handle the magnitude and complexity of human- and machine-generated data. He says one way to break out of the limitations of conventional computing technology is to take a cue from nature -- specifically, the neural circuitry of the human brain, which vastly surpasses conventional computer architectures in terms of energy efficiency and also offers new approaches for machine learning and advanced neural networks.

"To emulate the essential elements of neuronal function in artificial circuitry, we need solid-state materials that exhibit electronic instabilities, which, like neurons, can store information in their internal state and in the timing of electronic events," Banerjee said. "Our new work explores the fundamental mechanisms and electronic behavior of a material that exhibits such instabilities. By thoroughly characterizing this material, we have also provided information that will instruct the future design of neuromorphic materials, which may offer a way to change the nature of machine computation from simple arithmetic to brain-like intelligence while dramatically increasing both the throughput and energy efficiency of processors."

Because the various components that handle logic operations, store memory and transfer data are all separate from each other in conventional computer architecture, Banerjee says they are plagued by inherent inefficiencies regarding both the time it takes for information to be processed and how physically close together device elements can be before thermal waste and electrons "accidentally" tunneling between components become major problems. By contrast, in the human brain, logic, memory storage and data transfer are simultaneously integrated into the timed firing of neurons that are densely interconnected in 3-D fanned-out networks. As a result, the brain's neurons process information at 10 times lower voltage and an almost 5,000 times lower synaptic operation energy in comparison to silicon computing architectures. To come close to achieving this kind of energetic and computational efficiency, he says new materials are needed that can undergo rapid internal electronic switching in circuits in a way that mimics how neurons fire in timed sequences.

Handy notes that the team still needs to optimize many parameters, such as transition temperature and switching speed along with the magnitude of the change in electrical resistance. By determining the underlying principles of the MIT in β'-CuxV2O5 as a prototype material within an expansive field of candidates, however, the team has identified certain design motifs and tunable chemical parameters that ultimately prove useful in the design of future neuromorphic computing materials, a major endeavor that has been seeded by the Texas A&M X-Grant Program.

"This discovery is very exciting because it provides fertile ground for the development of new design principles for tuning materials properties and also suggests exciting new approaches to researchers in the field for thinking about energy efficient electronic instabilities," Parija said. "Devices that incorporate neuromorphic computing promise improved energy efficiency that silicon-based computing has yet to deliver, as well as performance improvements in computing challenges like pattern recognition -- tasks that the human brain is especially well-equipped to tackle. The materials and mechanisms we describe in this work bring us one step closer to realizing neuromorphic computing and in turn actualizing all of the societal benefits and overall promise that comes with it."

The multi-year project incorporates team members from four disciplines (chemistry, physics, materials science and engineering, and electrical and computer engineering) and researchers from Texas A&M, Lawrence Berkeley National Laboratory, the University at Buffalo, Binghamton University and Texas A&M University at Qatar while also relying on work performed at Berkeley Lab's The Molecular Foundry and the Advanced Light Source (ALS), the Advanced Photon Source (APS) at Argonne National Laboratory and the Canadian Light Source. The research was funded primarily by the National Science Foundation (Grant No. DMR 1809866) with additional support from a Texas A&M X-Grant and the Qatar National Research Fund.

Source: https://www.sciencedaily.com/releases/2020/03/200303155700.htm][url]https://www.sciencedaily.com/releases/2020/03/200303155700.htm[/url]

15
ICT / Re: Some Smartphone Hacks
« on: March 20, 2020, 10:38:08 AM »
Helpful  :)

Pages: [1] 2 3 ... 10