Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Farhana Israt Jahan

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 17
31
Cancer / Green Tea For Cancer
« on: August 27, 2015, 01:36:08 PM »
Green Tea For Cancer..

Green tea and its extracts have purportedly been used to successfully treat many different types of cancer. Drinking green tea regularly is believed to greatly reduce the chances of developing cancer. Green tea contains polyphenol compounds (antioxidants) that have chemoprotective properties. They have demonstrated the ability to inhibit the growth of cancer cells and induce cancer cell death. Consumption of green tea has been associated with a reduced risk of stomach and colorectal cancer as well as prostate, breast, liver, gallbladder, pancreatic, lung and esophageal cancers. Here’s why you should drink green tea for cancer:

Anti-Cancer Properties of Green Tea
Lab studies have found that the active compounds found in green tea can trigger apoptosis in leukemia and other types of cancer cells. They act as antioxidants, protecting cell membranes and DNA from free radical damage, which is known to contribute to the development of many different forms of cancer. Green tea is also believed to have antibacterial and anti-inflammatory properties as well as the ability to boost the immune system, each of which plays a key role in cancer treatment and prevention.

Green Tea & Prostate Cancer

Studies have found that men who drink the most green tea have less inflammation in the prostate tissue. The same studies have found that green tea polyphenols have antioxidant effects inside the prostate, which is believed to help protect the cells from damage and lower the risk of developing prostate cancer. Similar studies have found that drinking green tea has the ability to slow prostate cancer growth.

Green Tea & Breast Cancer
More and more studies are linking green tea with a reduced risk of breast cancer. A study at Columbia University Medical School found a correlation between green tea extract and stopping the growth of tumors in women with breast cancer. In another study, one extract from green tea was found to inhibit growth factors that can contribute to breast cancer development.

Use
While there is not a consensus on exactly how much green tea (or green tea extract) is needed to help prevent cancer, it is clear that daily consumption of green tea may help reduce the risk of cancer as well as a variety of other health problems. It is safe to say that drinking at least 2 to 3 cups of green tea per day can be a healthy addition to one’s diet and may even greatly reduce the risk of cancer. Consult a doctor before using green tea extract for cancer treatment or alongside other cancer drugs and treatments.

32
You need to know / Some common "Dreams" & their meanings..
« on: August 26, 2015, 01:09:47 PM »
৬টি অতি সাধারণ স্বপ্ন এবং সেগুলোর বিশেষ অর্থ...

স্বপ্ন ১- উঁচু জায়গা থেকে হঠাৎ পড়ে যাওয়া
উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়ার স্বপ্নটা অতি সাধারণ স্বপ্নের প্রথমেই আছে। কুসংস্কার প্রচলিত আছে যে আপনি যদি স্বপ্নে দেখেন আপনি উঁচু জায়গা থেকে পড়ে যাচ্ছেন তবে আপনি খুব তাড়াতাড়ি মারা যেতে পারেন বা আপনার জীবনে খুব বড় বিপদ আসতে চলেছে। কুসংস্কারে কান দেয়ার দরকার নেই। স্বপ্ন বিশেষজ্ঞদের মতে উঁচু জায়াগ থেকে পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা মানে হচ্ছে আপনার ব্যক্তিগত জীবনে কিছু একটা ঠিক চলছেনা। আপনার জীবনের কোন এক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপনার আরেকবার ভাবা উচিত এমনটাই ইঙ্গিত দেয় এমন স্বপ্ন।

“পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন বেশ স্বাভাবিক। এটি আপনার ব্যক্তিজীবনের ভয় এবং ব্যর্থতা প্রকাশ করে। কিংবা আপনার প্রেম বা দাম্পত্য জীবন ঠিক চলছে না বুঝায়”- বলেছেন ইলুস্ট্রাটেড ড্রীম ডিকশনারির লেখক রাসেল গ্র্যান্ট।

স্বপ্ন ২- জনসম্মুখে উলঙ্গ হওয়া

মানুষের দেখা সাধারণ স্বপ্নগুলোর মাঝে সবচেয়ে বিব্রতকর স্বপ্ন হচ্ছে এটি। যে স্বপ্নে মানুষ দেখে, স্কুল কিংবা অফিসে সবার সামনে উলঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

ড্রীম ডিকশনারি ফর ডামিসের লেখক পেনি পার্স বলেন, “ উলঙ্গ হবার স্বপ্ন এই সংকেত দেয় যে আপনার জীবনে কোন অসম্পূর্ণতা রয়েছে এবং আপনি ভীত যে সেই অসম্পূর্ণতা মানুষের সামনে প্রকাশ পেয়ে যেতে পারে”

স্বপ্ন ৩- ভয়ানক তাড়া খাওয়া

মাঝে মাঝেই অনেকে স্বপ্ন দেখেন কোন কুকুর বা মানুষ তাকে তাড়া করছে এবং তিনি বাঁচার জন্য প্রাণপণ ছুটছেন। এই ধরনের স্বপ্নগুলো এতটাই বাস্তবধর্মী হয় যে স্বপ্ন দেখতে দেখতেই মানুষ হাঁপিয়ে উঠে, ঘেমে যায় বা চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে।

ড্রীম ডিকশনারির লেখক টনি ক্রিস্প এর মতে, “কোন কিছুর তাড়া খাওয়ার স্বপ্ন দেখা মানে হচ্ছে আপনি আপনার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌছাতে পারেননি এবং আপনার মনে সন্দেহ ও ভয় রয়েছে যে আপনি সেখানে পৌছতে পারবেন না।"

যদি আপনি স্বপ্নে দেখেন কোন প্রানী বা অচেনা কোন মানুষ আপনাকে তাড়া করছে তবে সেটা আপনার ভয় বা ছোটবেলার কোন স্মৃতিকে স্মরণ করা। আর যদি স্বপ্নে দেখেন বিপরীত লিঙ্গের কেউ তাড়া করছে তবে এটি ইঙ্গিত দেয় আপনি আপনার বর্তমান ভালোবাসার সম্পর্ক নিয়ে সন্দীহান বা অতীত ভালোবাসার সম্পর্ক নিয়ে ভীত”

স্বপ্ন ৪- দাঁত পড়ে যাওয়া

মানুষের দেখা সাধারণ স্বপ্নগুলোর মাঝে দাঁত পড়ে যাবার স্বপ্ন একটি। ড্রীম ডিকশনারি ফর ডামিসের লেখক পেনি পার্স ব্যাখ্যা করেন, “দাঁত পড়ার স্বপ্ন দেখা মানে হল আপনি আপনার অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট নন। এটি ইঙ্গিত দেয় আপনি আপনার ক্ষমতা সম্পর্কে উদগ্রীব হয়ে আছেন।"

এই স্বপ্ন ভবিষ্যৎ ইঙ্গিত দেয় যে আপনি আপনার নিজস্ব ক্ষমতা হারাতে পারেন বা নিজের সম্মান হারাতে পারেন।

স্বপ্ন ৫- পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষা দেয়া

এই স্বপ্ন নিশ্চয়ই আপনি জীবনে বেশ কয়েকবার দেখেছেন। হয়তো দেখেছেন, পরীক্ষার প্রশ্ন কিছুই আপনার জানা নয়, কিংবা সময় শেষ হয়ে যাবার পর ও লেখা শেষ করতে পারছেন অথবা স্বপ্ন দেখলেন সময় মত পরীক্ষার কেন্দ্রেই পৌঁছাতে পারলেন না।

ক্রেগ হ্যামিলটন-পার্কার, হিডেন মিনিং অফ ড্রীমস এর লেখক বলেন, “পরীক্ষায় অংশগ্রহনের স্বপ্ন, আপনার ব্যর্থতা এবং অন্তর্নিহিত ভয়ের প্রকাশ করে। পরীক্ষায় না পারা, সময়মত লিখতে না পারা বা ফেইল করার স্বপ্ন বোঝায় আপনি বাস্তব জীবনে চ্যালেঞ্জ নিয়ে ভয়ে আছেন।"

স্বপ্ন ৬- উড়ার স্বপ্ন দেখা
যদি আপনি স্বপ্ন দেখেন যে আপনি পাখির মত উড়ছেন কেমন লাগবে? এর অর্থ ই বা কী?

ড্রীম ডিকশনারির লেখক টনি ক্রিস্প ব্যাখ্যা করেন, “উড়তে পারার স্বপ্ন সাধারনত দুই ধরনের অর্থ বহন করে। প্রথমত, এটি আপনার স্বাধীনতার ভাব প্রকাশ করে, অপরদিকে এটি বুঝায় আপনি বাস্তব জীবনের চাপে হাঁপিয়ে উঠেছেন।”

যদি আপনি স্বপ্ন দেখেন যে আপনি একা একা উড়ছেন এর মানে হল আপনার সামাজিক জীবন বা ভালোবাসা নিয়ে আপনি বিরক্ত এবং আপনি এর থেকে মুক্ত হতে চাইছেন।

উপরের কোন স্বপ্নের সাথেই আপনার স্বপ্নের মিল খুঁজে পাচ্ছেন না? চিন্তিত হবার কিছু নেই। এর মানে হল আপনার স্বপ্নগুলো অন্যদের চেয়ে আলাদা। মূলত মানুষের ব্যাক্তি জীবনের প্রাপ্তি, ব্যার্থতা, আশা, চাওয়া, ভয় ইত্যাদির রূপই হল স্বপ্ন।


Source: Kendra Cherry, Psychology Expert

33
Fruit / Ten Health benefits of Apple
« on: August 11, 2015, 02:15:05 PM »
আপেলর দশটি গুন

প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে নাকি ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না, এ কথাটি অনেকেই হয়তো শুনেছেন। আপেল একটি সুস্বাদু ফল। আপেল খেলে পেটও ভরে বলে হালকা নাস্তা হিসেবে আপেলের জুড়ি নেই। প্রতিদিন আপেল খাওয়ার ১০টি স্বাস্থ্য উপকারীতা --
১/ক্যান্সার প্রতিরোধঃ
আপেল ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে । আপেলের মধ্যে পেকটিন জাতীয় একটি উপাদান থাকে যা শরীরকে কোলন ক্যান্সার থেকে দূরে রাখে। ফুসফুসের ক্যান্সার ও লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধেও আপেলের ভূমিকা আছে।

২/হার্ট ভালো রাখেঃ
আপেলে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট উপাদানসমূহ, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

৩/ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকেঃ
প্রতিদিন গড়ে ৩টি আপেল খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা বেশ সহজ হয়।

৪/দাঁত ভালো রাখেঃ
আপেলের রস দাঁতের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। ফলে দাঁত ভালো থাকে।

৫/ত্বক ভালো থাকেঃ
গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রতিদিন আপেল খেলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হয়।

৬/হজম ক্ষমতা বাড়েঃ
প্রতিদিন আপেল খেলে হজমের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরী হয় পেটে| ফলে হজম শক্তি বাড়ে।

৭/হাড় শক্ত করেঃ
আপেলে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে বোরন যা হাড়কে শক্ত রাখতে সাহায্য করে।

৮/অ্যালঝেইমার্স প্রতিরোধঃ
প্রতিদিন আপেল খেলে বয়সজনিত জটিল অ্যালঝেইমার্স রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

৯/পানিশুন্যতা দূর করেঃ
আপেলে আছে প্রচুর পরিমানে পানি যা তৃষ্ণা ও পানিশুন্যতা দূর করে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে।

১০/ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেঃ
আপেলে পেকটিন নামের একটি উপাদান থাকে। পেকটিন ইনসুলিনের পরিমাণ ঠিক রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

34
Speech / Famous speeches of Dr. APJ Abdul Kalam
« on: August 01, 2015, 12:10:46 PM »
আবদুল কালামের ১০টি উক্তি, যা আপনার জীবনধারা পালটে দেবে

'স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে দেখো। স্বপ্ন সেটা যেটা তোমায় ঘুমোতে দেয় না।'

'সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে প্রথমে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।'

'যদি তুমি তোমার কাজকে স্যালুট কর, দেখো তোমায় আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না। কিন্তু তুমি যদি তোমার কাজকে অসম্মান কর, অমর্যাদা কর, ফাঁকি দাও, তাহলে তোমায় সবাইকে স্যালুট করতে হবে।'

'যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না; তাদের অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।'

'প্রতিদিন সকালে এই পাঁচটা লাইন বলো :
১) আমি সেরা।
২) আমি করতে পারি
৩) সৃষ্টিকর্তা সব সময় আমার সঙ্গে আছে
৪) আমি জয়ী
৫) আজ দিনটা আমার'

'ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও উদ্ভাবনের সাহস থাকতে হবে, অপরিচিত পথে চলার ও অসম্ভব জিনিস আবিষ্কারের সাহস থাকতে হবে এবং সমস্যাকে জয় করে সফল হতে হবে। এ সকল মহানগুণের দ্বারা তরুণদের চালিত হতে হবে। তরুণ প্রজন্মের প্রতি এই আমার বার্তা।'
'জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।'

'আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই। পুরো মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধুত্বসুলভ। যারা স্বপ্ন দেখে এবং কাজ করে শুধুমাত্র তাদেরকেই শ্রেষ্ঠটা দেওয়ার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত এই বিশ্ব।'

'উৎকর্ষতা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।'

'যদি একটি দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর মনের মানুষের জাতি হতে হয়, তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এ ক্ষেত্রে তিনজন সামাজিক সদস্য পার্থক্য এনে দিতে পারে। তারা হলেন বাবা, মা এবং শিক্ষক।'


collected

35
ডিমের ১২টি উপকারিতা....

 ১) ছোট্টো একটা ডিম হাজারো ভিটামিনে ভরা। এর ভিটামিন বি ১২ আপনি যা খাচ্ছেন সেই খাবারকে এনার্জি বা শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে।

২) এর মধ্যে আছে ভিটামিন এ। যা দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে। ডিমের কেরোটিনয়েড, ল্যুটেন ও জিয়েক্সেনথিন বয়সকালের চোখের অসুখ ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। এই একই উপাদান চোখের ছানি কমাতেও সাহায্য করে।

৩) কেবলমাত্র ডিমেই রয়েছে ভিটামিন ডি। যা পেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৪) আছে ভিটামিন ই। এটি কোষ এবং ত্বকে উত্পন্ন ফ্রি র‌্যাডিক্যাল নষ্ট করে দেয়। এবং স্কিন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

৫) ডিমের সবচেয়ে বড়ো গুণ এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। ব্রেকফাস্টে রোজ একটি ডিম মানে সারাদিন আপনার ক্ষুধা কম হবে, খাওয়া হবে কম। গবেষণায় দেখা যায়, শরীর থেকে দিনে প্রায় ৪০০ ক্যালোরি কমাতে পারে সকালে একটি ডিম খাওয়া। তার মানে মাসে ওজন কমার পরিমাণ প্রায় তিন পাউন্ড। সমীক্ষা বলছে, ৬৫% বডি ওয়েট, ১৬% বডি ফ্যাট, ৩৪% কোমরে জমে থাকা মেদের পরিমাণ কমাতে পারে ডিম!

৬) ডিমে আছে আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাস। মেনস্ট্রুয়েশনের জন্য অনেক সময় অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। শরীর তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ডিমের মধ্যে থাকা আয়রন এই ঘাটতি মেটাতে পারে সহজেই। জিঙ্ক শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আর ফসফরাস হাড় ও দাঁত মজবুত করে।

৭) প্রত্যেক নারীর শরীরে রোজ কমপক্ষে ৫০ গ্রাম প্রোটিনের দরকার। একটি ডিমে থাকে ৭০-৮৫ ক্যালোরি বা ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন। সুতরাং চাঙা থাকতে রোজ ডিম খেতেই পারেন।

৮) ২০০৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় একটি সমীক্ষায় দেখিয়েছে, অ্যাডোলেশন পিরিয়ডে বা পরবর্তী কালে সপ্তাহে ৬টি করে ডিম নিয়মিত খেলে প্রায় ৪৪% ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব৷ সঙ্গে এটাও জানিয়েছে, ডিম হৃৎপিন্ডে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। ফলে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকটাই কম থাকে।

৯) শরীর সুস্থ রাখার আরও একটি জরুরি উপাদান কোলাইন। কোলাইনের ঘাটতি ঘটলে অনেক সময় কার্ডিওভাসকুলার, লিভারের অসুখ বা নিউরোলজিক্যাল ডিজ-অর্ডার দেখা দিতে পারে। একটি ডিমে প্রায় ৩০০ মাইক্রোগ্রাম কোলাইন থাকে। যা কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম, স্নায়ু, যকৃত্ ও মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

১০) নতুন সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ডিম কোলেস্টেরল বাড়ায় না। দিনে দুটো ডিম শরীরের লিপিড প্রোফাইলে কোনও প্রভাব ফেলে না। বরং ডিম রক্তে লোহিতকণিকা তৈরি করে।

১১) প্রোটিন শরীর গঠন করে। আর প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে অ্যামিনো অ্যাসিড। একুশ ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড এই কাজে প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু আমাদের শরীর অতি প্রয়োজনীয় নয়টি অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি করতে পারে না। তার জন্য আমাদের প্রোটিন সাপি­মেন্ট নিতে হয়। খাবারের মধ্যে এই প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট হল ডিম। যা ঝটপট শরীরে প্রোটিন উৎপাদন করতে পারে।

১২) নখ ভেঙে যাচ্ছে চটপট? নাকি চুলের স্বাস্থ্য একেবারেই বেহাল? চোখ বন্ধ করে রোজ ডিম খেয়ে যান। ডিমের মধ্যে থাকা সালফার ম্যাজিকের মতো নখ আর চুলের মান উন্নত করবে।

Source: Rtv

36
বুদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করবে সহজলভ্য এই সাধারণ খাবারগুলো!

ক্লিনিক্যাল রিসার্চার এবং ‘পাওয়ার ফুডস ফর ব্রেইন’ এর লেখক নীল বারনার্ড বলেন, ‘আমাদের মস্তিষ্কের সার্কিটগুলো খুবই নমনীয় যা খুব সহজেই ক্ষতিগ্রস্থ হয় ঘুমের সমস্যা, ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং পরিমিত পুষ্টিকর খাদ্যের অভাবে’। স্মৃতিশক্তি কম হওয়ার জন্য দায়ী সকল অস্বাস্থ্যকর কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সঠিক খাবার না খাওয়া। তাই নিজের বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে চাইলে খাদ্যতালিকায় যোগ করুন পুষ্টিকর কিছু খাবার। খুবই সহজলভ্য সাধারণ কিছু খাবার যোগ করতে পারলেই মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারবেন। আর সেই সাথে বাড়িয়ে নিতে পারবেন বুদ্ধিও।

১) বাদাম
অনেকেই সকালের নাস্তার পর কিংবা বিকালের নাস্তার সময় ক্ষুধা পেলে অস্বাস্থ্যকর খাবারের দিকেই হাত বাড়ান। কিন্তু ক্ষতিকর অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস না খেয়ে তার পরিবর্তে ১ মুঠো বাদাম খেয়ে নিন। বাদামের ভিটামিন ই ও ফ্যাট মস্তিষ্কের সুরক্ষা করে এবং চিন্তা করার ক্ষমতা, বিচার বিশ্লেষণের ক্ষমতা বাড়ায়।

২) কফি
অনেকেই ভাবেন কফি পান করার অভ্যাস স্বাস্থ্য হানিকারক। হ্যাঁ, যদি আপনি দিনে ৩/৪ কাপ কফি এবং দুধ চিনিতে ভরপুর পান করেন তাহলে তা অবশ্যই ক্ষতিকর। কিন্তু দিনে ১ কাপ ব্ল্যাক কফি পান করার অভ্যাস আপনার মস্তিষ্কের জন্য অনেক ভালো একটি খাবার।

৩) চকলেট
কফি সম্পর্কে যেরূপ ধারণা চকলেট সম্পর্কেও অনেকে একই ধরণের চিন্তা করে থাকেন। কিন্তু চকলেটে রয়েছে ব্রেইন বুস্টিং কম্পাউন্ডস এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস যা মস্তিষ্কের জন্য অনেক ভালো। তবে আপনাকে এক্ষেত্রে অবশ্যই বেঁছে নিতে হবে ৬০-৭০% ডার্ক চকলেট।

৪) রসুন
অবাক হলেও এটি সত্যি যে রসুন আপনার বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে বিশেষভাবে সহায়ক। তাজা কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস দেহের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা প্রতিরোধ করে এবং এর প্রটেক্টিভ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্কের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

৫) ডিম
ডিমের প্রোটিন দীর্ঘসময় দহরে মস্তিষ্কে এনার্জি সরবরাহ করে। ডিমের সেলেনিয়াম মানসিক উৎফুল্লতা নিশ্চিত করে মানসিক চাপ থেকে মুক্ত রাখতে সহায়তা করে। এতে সঠিক চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে এবং অযথা দুশ্চিন্তা দূর হয়।

৬) সবুজ শাকসবজি
পালং শাক, বাঁধাকপি, পাতাকপি, ব্রকলি ইত্যাদি সবুজ শাকসবজি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত করতে বিশেষভাবে কার্যকর। এতে মস্তিষ্ক থাকে সচল। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এই খাবার রাখলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পায়।

37
হতাশায় ক্ষতিগ্রস্থ হয় মস্তিষ্ক...

হতাশাগ্রস্থ থাকলে তা মস্তিষ্কের উপর বিরুপ প্রভাব ফেলে এবং মস্তিষ্কের নতুন স্মৃতিধারণে সহায়তা করা হিপোক্যাম্পাস নামক অঙ্গের ক্ষতিসাধন করে। সম্প্রতি মলিকিউলার সাইকিয়াট্রিতে প্রকাশিত একটি গবেষণা রিপোর্টে এ তথ্য জানা যায়।

অনেকদিন ধরেই হতাশার বিরুপ প্রভাব নিয়ে গবেষণা চলে আসছিলেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু কখনোই এ ব্যাপারে খুব একটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এবার প্রায় ৯ হাজারা মানুষের উপর এই গবেষণা চালানো হয়। ব্রেন এন্ড মাইন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটেরে ইয়ান হিকি একে ‘সফলতার নতুন মাত্রা’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এখন আমরা সম্পূর্ণ নিশ্চিত যে ক্রমাগত হতাশ থাকার ব্যাপারটি মানুষের মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে।’

২১ বছর বয়সের আগে থেকে যারা হতাশ মূলত তাদেরই হিপোক্যাম্পাল বেশি সংকুচিত হয়ে যায়। তবে হতাশায় যে তা ক্ষতিগ্রস্থ হয় তা নিশ্চিত।কিন্তু অল্প সময়ের হতাশায় এটি কোনো প্রভাব ফেলে না। দীর্ঘ সময়ের হতাশাই হিপোক্যাম্পাল সংকুচিত হওয়ার মূল কারণ।

ই্উরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৭২৮ জন মানুষের মস্তিষ্কের ছবি নিয়ে গবেষণা করেন। তারা ৭ হাজার ১৯৯ জন সুস্থ মানুষদের মস্তিষ্কের সঙ্গে তাদের তুলনা করেন। এক্ষেত্রে তারা মানসিক ভারসাম্য নিয়ে গবেষণা করা এনিগমা গ্রুপের তথ্য সংগ্রহ করেন। সাইন্টিয়া’র অধ্যাপক ফিলিপ মিশেল বলেন, সুস্থ মানুষের মস্তিষ্ক এর সঙ্গে হতাশাগ্রস্থ মানুষের পার্থক্য খুব স্পষ্টভাবেই এর পরিবর্তন বলে দেয়।

গবেষণায় দেখা যায় মস্তিষ্কের অন্য কোনো অংশ হতাশায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় না শুধুমাত্র হিপোক্যাম্পালই হতাশার মাধ্যমে সংকুচিত হয়ে যায়। আর এটি মানুষের আবেগের অংশ। এছাড়া স্মৃতিধারণ করাও এই অংশের কাজ। আর স্মৃতিধারণ শুধু পাসওয়ার্ড মনে রাখাই নয় মন্তব্য করে অধ্যাপক হিকি বলেন, স্মৃতি বলতে আপনার প্রত্যেকটি মুহূর্তকে বোঝায়। পৃথিবীতে আপনার অস্তিত্বকেই বোঝায়।

অন্যান্য প্রাণীর উপর হিপোক্যাম্পাসের সংকোচন নিয়ে গবেষণা করে দেখা যায়, তাদের শুধু স্মৃতিভ্রমই ঘটে না। তাদের আচার-আচরণেই আসে আমূল পরিবর্তন।

মোনাস বিশ্ববিদ্যালয়ের পল ফিতজার্যাংল্ড মনে করেন এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি আবিস্কার। এর মাধ্যমে মানসিক চিকিৎসা ভবিষ্যতে আরো উন্নত হবে। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়না আমরা খুব তাড়াতাড়ি এর সুফল পেতে শুরু করবো। কিন্তু মানসিক চিকিৎসায় এটি আমাদের অনেক সাহায্য করবে।’

38
রাতজাগা মানুষের বাড়ে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি

রাতজাগা মানুষের আই কিউ এবং সৃজনশীলতা যতই বেশি হোক না কেন, এই অভ্যাসের কারণে বাড়ছে তাদের ডায়াবেটিস হবার ঝুঁকি- বলছে নতুন এক গবেষণা।

রাতজাগা মানুষ(night owl) এবং খুব সকাল সকাল ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠা (early bird) মানুষের ক্রনোটাইপ অর্থাৎ দেহঘড়ির বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে কাজ করেন কোরিয়ার একদল গবেষক। দেখা যায় অন্যদের তুলনায় রাতজাগা মানুষের মাঝে ডায়াবেটিস, মেটাবলিক সিনড্রোম এবং সারকোপেনিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। এই দুই ধরণের মানুষ একই পরিমাণ ঘুমালেও রাতজাগা মানুষের এই ঝুঁকি বেশি হয়। কারণ রাত জেগে থাকার ফলে ঘুম কমে যায়, ঘুমের মান কমে এবং খাওয়ার সময়ও ওলট পালট হয়ে যায়। এসব কারণে দীর্ঘদিন রাতজাগার অভ্যাসের ফলে মেটাবলিজমে আসে পরিবর্তন।

এই গবেষণায় ৪৭ থেকে ৫৯ বছরের মাঝে ১,৬২০ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। তাদের প্রত্যেকে নিজেদের ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার সময়, জীবনচর্চা এবং অভ্যাসের ব্যাপারে তথ্য সরবরাহ করেন। এরপর DEXA এবং CT স্ক্যানের মাধ্যমে তাদের টোটাল বডি ফ্যাট, লিন বডি মাস এবং অ্যাবডমিনাল ফ্যাট পরিমাপ করা হয়। এর পর দেখা যায়, সবার মাঝে ৪৮০ জন সকাল সকাল ওঠেন এবং মাত্র ৯৫ জন রাতজাগা অভ্যাসের মানুষ। বাকিরা এই দুইয়ের মাঝামাঝি ধরণের ক্রনোটাইপের মানুষ।

দেখা যায় রাতজাগা অভ্যাসের মানুষদের বডি ফ্যাট এবং ট্রাইগ্লিসারাইড লেভেল হয়ে থাকে অন্যদের চাইতে বেশি। শুধু তাই নয় তাদের সারকোপেনিয়া হবার প্রবণতাও বেশি দেখা যায়। সারকোপেনিয়া হলো এমন এক জটিলতা যাতে রোগি ধীরে ধীরে পেশী হারাতে থাকেন। দেখা যায়, পুরুষদের মাঝে ডায়াবেটিস এবং সারকোপেনিয়ার ঝুঁকি বেশি হয় এবং নারীদের মাঝে মেদবহুল পেট এবং মেটাবলিক সিনড্রোম হতে দেখা যায় বেশি।
[/size]

39
Study Tour Local / Industrial tour to Beacon Pharmaceutical Ltd.
« on: July 09, 2015, 02:15:54 PM »
The students of 6th batch of the Department of Pharmacy visited the Manufacturing Plant of Beacon Pharmaceutical ltd. located at Bhaluka of Mymensingh district on 8th July, 2015 under the guidance of Farhana Israt Jaha, Sr Lecturer & Dr. Ferdous Khan, Assistant Professor of Department of pharmacy.

40
Pain / Arthritis in winter..
« on: December 04, 2014, 12:02:18 PM »
শীতে বাতের চিকিৎসা ও করণীয়:

গরমের চেয়ে শীতে রোগীর ব্যথা বেড়ে যায়। শীতপ্রধান দেশগুলোতেও এই জাতীয় সমস্যা বেশি দেখা যায়। আমাদের দেশে শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই বাতের কষ্ট বাড়তে শুরু করে। তাই শীতে কীভাবে সুস্থ থাকা যায়, সে ব্যাপারে আমাদের থাকতে হবে অত্যন্ত সচেতন। স্বাস্থ্য সচেতনতা, চিকিৎসা সুবিধা, খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি পরিবর্তনের ফলে দিনে দিনে মানুষের বয়স বৃদ্ধি পাচ্ছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শারীরিক, মানসিক শক্তি ও দেহ কোষের কর্মক্ষমতা বা সামর্থ্য ধীরে ধীরে কমতে থাকে। টিস্যুর এই সামর্থ্যরে ক্রমাবনতির হার বিভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনুপাতে ঘটে। একজন ৮০ বছরের বৃদ্ধ যেমন কর্মক্ষম থাকতে পারেন, তেমনি আবার ৫০/৬০ বছর বয়সের ব্যক্তি ভুগতে পারেন বিভিন্ন ধরনের বার্ধক্যজনিত সমস্যা ও জয়েন্ট বা মাংসপেশির ব্যথায় কাতর।

সাধারণত মহিলারা ৪০ বছর আর পুরুষরা ৫০ বছরের পর বয়সজনিত জয়েন্টের সমস্যায় ভুগে থাকেন। আমাদের দেশের ৫০ ঊর্ধ্ব জনসংখ্যার শতকরা ৬৫ ভাগ লোক ব্যথাজনিত সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে যেসব জয়েন্ট শরীরের ওজন বহন করে এবং অতিরিক্ত ব্যবহৃত হয়; যেমন- ঘাড়, কোমর, স্কন্ধ বা সোল্ডার জয়েন্ট। হাঁটু ব্যথার রোগী সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। বাতের ব্যথার অনেক কারণ রয়েছে- তার মধ্যে ৯০ ভাগ হচ্ছে ‘মেকানিকেল সমস্যা’। মেকানিকেল সমস্যা বলতে মেরুদণ্ডের মাংসপেশি, লিগামেন্ট মচকানো বা আংশিক ছিঁড়ে যাওয়া, দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিক্স সমস্যা, কশেরুকার অবস্থানের পরিবর্তনকে বোঝায়। অন্যান্য কারণের মধ্যে বয়সজনিত হাঁড় ও জোড়ার ক্ষয় বা বৃদ্ধি, রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস বা গেঁটেবাত, অস্টিওআথ্রাইটিস, অস্টিওপোরোসিস, এনকাইলজিং স্পন্ডাইলোসিস, বার্সাইটিস, টেন্ডিনাইটিস, স্নায়ুয়ুবিক রোগ, টিউমার, ক্যান্সার, মাংসপেশির রোগ, শরীরে ইউরিক এসিড বৃদ্ধি, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, শরীরের অতিরিক্ত ওজন ইত্যাদি। শীতে এসব সমস্যার ব্যথা আরও বেড়ে যায় এবং রোগী অসুস্থ ও কর্মহীন হয়ে পড়ে।

তাই শীতে বাতের ব্যথা নিয়ে কষ্ট না পেয়ে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা নিতে হবে এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যারা বাতের ব্যথায় ভুগছেন তারা একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের চিকিৎসা ও পরামর্শে ভালো থাকতে পারেন। ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াবিহীন অত্যন্ত আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি। চিকিৎসক আপনার রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা ও পরামর্শ দিলে আপনি অবশ্যই বাতের কষ্ট থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন, পাশাপাশি থাকবেন কর্মক্ষম। নিুলিখিত পরামর্শ মাফিক চললেও বাতের ব্যথা থেকে অনেক অংশে সুস্থ থাকা যায়।

* ব্যথা বেশি হলে ৭ দিন সম্পূর্ণ বিশ্রাম নেবেন।

* নিয়মিত ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নেবেন।

* ব্যথার জায়গায় গরম/ঠাণ্ডা স্যাক দেবেন ১০-১৫ মিনিট।

* বিছানায় শোয়া ও ওঠার সময় যে কোনো একদিকে কাত হয়ে হাতের ওপর ভর দিয়ে শোবেন ও উঠবেন।

* মেরুদণ্ড ও ঘাড় নিচু করে কোনো কাজ করবেন না।

* নিচু জিনিস যেমন- পিঁড়ি, মোড়া বা ফ্লোরে না বসে চেয়ারে পিঠ সাপোর্ট দিয়ে মেরুদণ্ড সোজা করে বসবেন।

* ফোম ও জাজিমে না শুয়ে উঁচু শক্ত সমান বিছানায় শোবেন।

* মাথায় বা হাতে ভারী ওজন/ বোঝা বহন নিষেধ।

* দাঁড়িয়ে বা চেয়ারে বসে রান্না করবেন।

* ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের নির্দেশমতো দেখানো ব্যায়াম নিয়মিত করবেন, ব্যথা বেড়ে গেলে ব্যায়াম বন্ধ রাখবেন।

* শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, পেট ভরে খাওয়া নিষেধ, অল্প অল্প করে বার বার খাবেন।

* সিঁড়িতে ওঠার সময় ধীরে ধীরে হাতল ধরে উঠবেন।

* ঝরনায় বা চেয়ারে বসে গোসল করবেন।

* কোনো প্রকার মালিশ করা নিষেধ।

* দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না, ১ ঘণ্টা পর পর অবস্থান বদলাবেন।

* শোওয়ার সময় একটি পাতলা নরম বালিশ ব্যবহার করবেন।

* বাইরে চলাফেরা করার সময় কোমরের বেল্ট ব্যবহার করবেন, শোওয়ার সময় ও ব্যায়াম করার সময় অবশ্যই বেল্ট খুলে রাখবেন।

* হাই হিলযুক্ত জুতা ব্যবহার করবেন না, নরম জুতা ব্যবহার করবেন।

* ব্যথা তীব্র হলে উঁচু কমোডে বসে টয়লেট করবেন।

* চলাফেরায় ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন ও রাস্তা এড়িয়ে চলবেন ও সামনের বা মাঝামাঝি আসনে বসবেন।


collected

41
Stroke / 8 warning signs of brain stroke
« on: March 23, 2014, 01:58:09 PM »
8 warning signs of brain stroke

Stroke is the rapid loss of brain function due to disturbance in the blood supply to the brain.

This could be either due to ischemia (lack of blood flow) due to blockage or due to hemorrhage. However, an ordinary person is not aware of what stroke is, what it’s manifestations are, what the immediate course of action should be and how stroke patients should be rehabilitated, reports TOI.

Diabetes & Hypertension, smoking, obesity, high cholesterol level, and heart diseases are the important risk factors of stroke.
 

Warning signs of brain stroke-

Face drooping: If the face of the patient droops to one side or one experiences numbness on one side of the face , call for help immediately. Meanwhile you can ask the person to smile, if he cannot, than rush him to the hospital immediately.

Weakness in the arm: A stroke patient will experience numbness or weakness in one of both of his/her arms. You can ask him/her to raise her hand, in a stroke patient the hand will fall downwards.

Difficulty in speaking:
During a stroke patients have slurred speech. Ask them to simple questions, generally they won’t be able to reply it correctly, ask them repeatedly to check if they are having a stroke.

Loss of balance: A stroke patients finds it difficult to balance his body, he may suffer from difficulty in moving and lack of co-ordination.

Throbbing headache: One can suffer a throbbing headache suddenly without a reason, this generally signals towards hemorrhagic stroke.

 
Other symptoms include:

- Loss of short-term memory

- Episodes of black-out or visual impairment

- Giddiness/ imbalance

42
Fruit / Enjoy grapes for good health
« on: March 23, 2014, 01:27:45 PM »
Enjoy grapes for good health

Grapes contain nutrients, antioxidants, minerals and vitamins. Here are some of their health benefits…

Studies say that grapes help relieve migraine. Either eat them naturally or as ripe grape juice as soon as you begin your day.

Grapes are also great for brain health and delay the onset of neurodegenerative diseases.

Applying grape seed extract on your skin protects it from ultraviolet radiation by acting as a sunscreen. It also helps heal sunburned skin, reports the TNN.

Grapes are also good for your eyes because they are rich in Lutein and Zeaxanthin – known for maintaining good eye sight.

A compound called Pterostilbene, present in grapes, helps lower cholesterol levels.

Asthmatics should consume grapes often because of the high assimilation power of the fruit, which helps to increase the level of moisture present in your lungs.

Grapes help in treating constipation since they are rich in sugar, organic acid and polyose.

43
Food / Health benefits of barley
« on: March 23, 2014, 01:24:09 PM »
Health benefits of barley

Barley is a simple grain readily available but very few of us know its many health and beauty benefits. Relatively low in calories, high in bran and fiber, the humble grain is packed with vitamins and nutrients. Here go some benefits of the wonder grain:

Helps you lose weight:

Barley which is low in calories as compared to other grains, helps to reduce weight because of several kinds of essential amino acids and also because of its fiber content. Barley modulates your blood sugar levels, thus avoiding the sugar peaks and drops usually associated with the fat storage process.

Helps stabilize blood pressure:
A study that compared different grain combinations; showed that adults who increased their intake of barley experienced a reduction in blood pressure.

Reduces symptoms of arthritis:
Barley has copper, which may be helpful in reducing the symptoms of arthritis. It is said that copper disarms free radicals, thus helping cell regeneration.

Helps to prevent Osteoporosis:
Barley contains manganese, phosphorus and copper, which are good for healthy bones. Barley juice is very high in calcium, making your bones stronger.

Healthy teeth:
Barley is rich in phosphorus, calcium, and Vitamin C which are great for healthy bones and teeth.

44
তারুণ্য ধরে রাখে বাঁধাকপি

বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে বাঁধাকপি। এটি যেমন সহজলভ্য, দামেও সস্তা। শীতে বাজার সয়লাব হয় বাঁধাকপিতে। আর এই বাঁধাকপির গুণ সম্পর্কে বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদের বলেন, ‘অনেক পুষ্টিগুণের সমাহার হলো বাঁধাকপি। সবজিটি নানা ধরনের ভিটামিনে সমৃদ্ধ। আছে প্রচুর পরিমাণ আঁশ। ক্যালশিয়াম, আয়রন, সালফার, ফসফরাসসহ আছে প্রয়োজনীয় সব খাদ্য উপাদান।’

ওজন কমায়
এতে আছে টারটারিক অ্যাসিড। চিনি ও শর্করা রূপান্তর হয়ে শরীরে যে চর্বি জমে, টারটারিক অ্যাসিড এই চর্বি জমতে বাধা দেয়। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বাঁধাকপি রাখুন।

মাথাব্যথা দূর করতে
যাঁদের মাঝেমধ্যেই বিনা নোটিশে মাথা ধরে, তাঁরা প্রতিদিন অন্তত একবেলা বাঁধাকপি খান। মাথাব্যথা দূর হবে।

হাড়ের ব্যথা দূর করতে
বাঁধাকপির আছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি গুণ। হাড় ও হাড়ের সংযোগস্থলের ব্যথা প্রশমনেও তাই বাঁধাকপি অনন্য।

রক্তস্বল্পতা দূর করে
এই সবজিতে আছে প্রচুর আয়রন। তাই যাঁদের রক্তস্বল্পতা আছে, বাঁধাকপি তাঁর জন্য অবশ্য খাদ্য।

ত্বকের সুরক্ষায়
সব ধরনের ত্বকের সুরক্ষা দেয় বাঁধাকপি। একদিকে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়, তেমনি ত্বকের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।

তারুণ্য ধরে রাখে
বাঁধাকপিতে থাকা ভিটামিনগুলো শরীরের রক্তনালিগুলোকে সবল ও শক্তিশালী রাখে। এ জন্য মুখে বয়সের ছাপ পড়ে খুব ধীরে।

45
Pharmacy / Some Easy Ways To Lower Cholesterol
« on: February 23, 2014, 01:02:42 PM »
Some Easy Ways To Lower Cholesterol:

By eating healthy food and regular exercises  lower your level of cholesterol in blood.If there is high cholesterol in our blood it may causes  heart diseases such as coronary heart disease,arteries,strokes.Fats are two types saturated and unsaturated fat.Saturated fat increases cholesterol levels in blood.Eat unsaturated fat instead of saturated fat which can helps to reduce cholesterol levels.

Add Fish To Your Diet:
Eating fatty fish can keep our heart healthy and avoid heart diseases because of omega -3 fatty acids.It can reduce your blood pressure and also control the risk of blood clots by lowering LDL cholesterol.People who are already attacked by heart strokes,heart diseases fish oil or omega -3 fatty acids may prevent the sudden death.High levels of omega-3 fatty acids are present in salmon,tuna,mackerel,sardines,halibut etc....It is preferable to take fish twice in a week.You should bake or grill the fish to avoid unhealthy fats.


Dietary Fiber:
Dietary fiber(complex carbohydrates & fiber) found in so many foods such as beans,fruits,vegetables,oatmeal,brown rice,wheat bread etc...These contain rich source of dietary fiber which helps to reduce cholesterol  levels by (LDL) about 5% in our body.


Physical Activity:
Do 150 minutes of physical  activity every week.To follow this you should contribute 30 every day.Where ever you should be must follow some exercises that are very helpful to maintain your health and low down the low density lipoprotein.(LDL).


Avoid Palm & Coconut Oil:
Both oils are rich source saturated fat,better to avoid because it will increase bad cholesterol that is not good for heart health.Instead of these oils,choose  peanut oil, sunflower,olive,corn,soybean.


Green Tea: Tea has rich in antioxidants which helps to reduce the LDL cholesterol it causes plaque on artery walls.It also relax the blood vessels and prevent blood clot.Tea also helps in lowering the blood pressure.You can serve it as iced/hot.


Go For Nuts: Walnuts,almonds and other nuts can reduce the cholesterol in blood stream.Walnuts are rich in polyunsaturated which helps to keep the blood vessels clean and healthy.Eating about handful of any nuts such as peanuts,hazelnuts,almonds,pistachios etc..may reduce your risk from heart attacks.Make sure nuts are not coated with salt.All nuts are high in cholesterol so be ware of increasing weight and replace nuts (almond, pistachios, walnuts) instead of saturated fat like cheese,meat in salads.


Avoid Trans Fat:
According to nutrition board trans fatty foods will increase the LDL and lower down the HDL(high density lipoprotein which is good for heart health.).Health research centers are strictly warned that avoid Hydrogenated oil foods that products contain high amount of trans fat.


Reduce Salt Intake: Hypertension(high blood pressure) is a major cause of cardiovascular diseases such as strokes,heart attacks,blood clots etc...watch out high salt levels in processed foods.Eating more than 2500 mg of salt makes you fat and retain water.


Read Labels Carefully:
When you go for super market to buy prepared food,you must see the ingredients.Avoid first ingredients with meat fat,palm or coconut oil,cream,solids,whole milk,hydrogenated fat etc.


Watch Snacks:
Choose home made low fat snacks such as popcorn,carrot,dried fruits and fresh vegetable salad, fruits etc..)Instead of high fat snacks potato chips,french fries,candy bar bakery items etc..   

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 17