Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - shyful

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 15
31


১৯৭৩ সাল থেকে অনুষ্ঠিত দশটি সংসদ নির্বাচনের ভোটার তালিকার পাশাপাশি আদমশুমারির তথ্য বিশ্লেষণ করেছে প্রথম আলো। তাতে নির্বাচনে ভোটের ধারা, সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা ও প্রকৃতি এবং নারী ভোটারদের গত ৪৫ বছরের চিত্র উঠে এসেছে। আজ থাকছে ভোটে জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অবস্থা

সংখ্যালঘু জনসংখ্যার হার

Eprothom Aloহিসাব শতাংশে

১৯৬১         ১৯.৬

১৯৭৪         ১৪.৬

১৯৮১         ১৩.৩

১৯৯১         ১১.৭

২০০১         ১০.৪

২০১১         ৯.৬

সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো

বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি—পার্বত্য এই তিন জেলায় জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা সেখানকার মোট জনসংখ্যার অর্ধেক। সে হিসাবে অনুমান করা হয়, এই তিনটি আসনে সংখ্যালঘু ভোটারও মোট ভোটারের অর্ধেক। দেশের বাকি ২৯৩টি আসনে সংখ্যালঘু ভোটারদের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। তবে আদমশুমারির পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, সংখ্যালঘু ভোটারদের অনুমিত সংখ্যা এক কোটির কিছু কম।

ভোটার তালিকায় সংখ্যালঘুদের পৃথকভাবে দেখানো হয় না। তবে নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘুদের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়। কারণ অনেক আসনে সংখ্যালঘু ভোটাররা জয়-পরাজয়ে ভূমিকা রাখেন বলে ধারণা আছে।

অতীতে বিভিন্ন সময় ভোটার তালিকা থেকে সংখ্যালঘুদের বাদ দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছিল। নির্বাচনের দিন তাঁরা যেন ভোটকেন্দ্রে না যান, সে জন্য নানাভাবে চাপ দেওয়া হয়। নির্বাচনের পর অনেক আসনে সহিংসতার মুখে পড়েন সংখ্যালঘু ভোটার ও তাঁদের পরিবার। ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ। দেশের বেশ কিছু এলাকায় বেছে বেছে সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছিল, আগুন দেওয়া হয়েছিল। ধর্ষণেরও অনেক অভিযোগ উঠেছিল তখন।

২০০৯ সালে সরকার ‘২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংস ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন’ গঠন করে। কমিশনের কাছে খুন, ধর্ষণসহ ৩ হাজার ৬২৫টি অভিযোগ জমা পড়ে।

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত দাবি করেছেন, প্রায় ১০০টি আসনে সংখ্যালঘু ভোটাররা প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রভাব রাখতে পারেন। এসব আসনে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সংখ্যালঘু ভোটার আছেন। কোনো আসনে ২০ শতাংশ, কোনোটিতে ৫০ শতাংশ ভোটার সংখ্যালঘু।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সারা দেশে গণনা করে মোট জনসংখ্যার সঙ্গে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের একটি পরিসংখ্যান দেয় প্রতি ১০ বছর পর। তা থেকে মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ সংখ্যালঘু মানুষ, তা জানা যায়। ধারণা করা হয়, ভোটার তালিকায় সেই অনুপাতে সংখ্যালঘু ভোটার আছেন।

দেশে প্রথম আদমশুমারি হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। তখন জনসংখ্যার ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ ছিল সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর। এরপর আরও চারটি আদমশুমারি হয়। প্রতিবার সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর হার কমতে দেখা গেছে। ১৯৮১ সালের আদমশুমারিতে সংখ্যালঘু ছিল ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ। ১৯৯১ ও ২০০১ সালের শুমারিতে ছিল যথাক্রমে ১১ দশমিক ৭ ও ১০ দশমিক ৪ শতাংশ। সর্বশেষ ২০১১ সালের আদমশুমারিতে সংখ্যালঘু ছিল ৯ দশমিক ৬ শতাংশ।

সংখ্যালঘু কমে যাওয়ার এই প্রবণতা এখনো অব্যাহত আছে। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা ৯ শতাংশ হতে পারে। ভোটারের হারও তা-ই হওয়ার কথা। দেশে মোট ভোটার ১০ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০। সেই হিসাবে দেশে সংখ্যালঘু ভোটারের অনুমিত সংখ্যা প্রায় ৯৪ লাখ।

রানা দাশগুপ্ত মনে করেন, দেশে সংখ্যালঘু মানুষ কমছে, ভোটারও কমছে। কিন্তু সংখ্যালঘুর প্রকৃত পরিসংখ্যান ভোটার তালিকায় বা আদমশুমারির প্রতিবেদন, কোনোটিতেই পাওয়া যায় না।
source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1570072/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%98%E0%A7%81-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF

32
সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি হয়েছে। ১৫৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এ বছর ১২৫ তম। গত বছর ছিল ১১৫ তম।

গতকাল বুধবার বিশ্বের সুখী দেশের এই তালিকা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউসন্স নেটওয়ার্ক। গতকাল ছিল বিশ্ব সুখ দিবস। ২০১৩ সাল থেকে জাতিসংঘ দিবসটি পালন করে আসছে।
মাথাপিছু আয়, সামাজিক সহযোগিতা, গড় আয়, সামাজিক স্বাধীনতা, উদারতা এবং সমাজে দুর্নীতির হার কত কম, তার ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

Eprothom Aloতালিকা অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড। এ নিয়ে টানা দুই বছর দেশটি সুখী দেশের তালিকার শীর্ষে থাকল। তাদের পরে আছে যথাক্রমে ডেনমার্ক, নরওয়ে, আইসল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, নিউজিল্যান্ড, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া।

আর সবচেয়ে কম সুখের দেশ দক্ষিণ সুদান (১৫৬ তম)। তাদের আগে আছে যথাক্রমে দক্ষিণ আফ্রিকা রিপাবলিক (১৫৫), আফগানিস্তান (১৫৪), তানজানিয়া (১৫৩) ও রুয়ান্ডা (১৫২)।

দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিবেশীদের মধ্যে বাংলাদেশের চেয়ে সুখ কম শ্রীলঙ্কা (১৩০) ও ভারতের (১৪০)। আর বাংলাদেশিদের চেয়ে সুখী পাকিস্তান (৬৩), ভুটান (৯৫) এবং নেপালের (১০০) মানুষ।
for details:
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1584525/%E0%A7%A7%E0%A7%AB%E0%A7%AC-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%A8%E0%A7%AB-%E0%A6%A4%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6

33
জেনারেল ইকোনমিক ডিভিশনের সদস্য সিনিয়র সচিব শামসুল আলম অন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি এই ছোট্ট বিষয় নিয়েও মন্তব্য করেন। এগুলো বন্ধ করার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

Eprothom Aloএটা ঠিক যে আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বেশ কয়েকটি অভীষ্ট লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি। কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশ্বে, বিশেষভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে আছি। ২০৩০ সালের মধ্যে বেশ কিছু অভীষ্ট লক্ষ্য পূরণে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিচ্ছি। কিন্তু আরও অনেক কিছু না করলে যে পিছিয়ে পড়ব, সেদিকেও আমাদের লক্ষ রাখতে হবে।

যেমন, আমরা দেশের প্রতিটি গ্রামে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারের ব্যবস্থা করেছি। কিছু দুর্গম এলাকায় হয়তো অগ্রগতি কম। সেখানে চেষ্টা চলছে। আমরা এ ক্ষেত্রে এমনকি ভারতের চেয়েও এগিয়ে। নিরাপদ পানির ব্যবস্থাও গ্রামে গ্রামে রয়েছে। কিন্তু যেখানে পানিতে আর্সেনিক, সেখানে নিরাপদ খাওয়ার পানি সহজে পাওয়ার সমস্যা রয়েছে।

আগে গ্রামে খোলা স্থানে মানুষ বর্জ্য ত্যাগ করত। এখন গ্রামের প্রায় সব বাড়িতেই পাকা টয়লেটের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু টয়লেট–সংলগ্ন যে কুয়ায় বর্জ্য সংরক্ষণ করা হয়, নির্দিষ্ট সময় পর তা স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে অপসারণের সুব্যবস্থা এখন করতে হবে। না হলে পরিবেশদূষণ বন্ধ করা যাবে না।

এখন বলা হচ্ছে, শুধু পাকা টয়লেট থাকাই যথেষ্ট নয়। সেই টয়লেট গড়ে কতজন ব্যবহার করছে, সে হিসাবও করতে হবে। সবাই স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার করার সুযোগ গ্রহণ করছে কি না, সেটাও আমাদের হিসাবে আনতে হবে। আসলে এটা ঠিক যে সংখ্যা নয়, বাস্তব ব্যবহার আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। এটা লাইফ স্টাইল বা জীবনাচারের প্রশ্ন। জীবনাচারে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে না উঠলে সমস্যা থেকে যাবে। কিন্তু এখন আমরা বলতে পারি, সেটা এসে গেছে। পাকা টয়লেট ব্যবহারের বিষয়ে মানুষ বেশ সচেতন হয়েছে।

নিরাপদ পানির ক্ষেত্রে দেশে একটা বড় ধরনের বিপ্লব ঘটে গেছে। এমনকি অনেক গ্রামে মানুষ পরিশোধিত পানি পানের সুযোগ পাচ্ছে। পানির ফিল্টারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। গ্রামের মানুষও এখন নিরাপদ পানি কিনে পান করে। এ বিষয়ে মানুষ এখন অনেক সচেতন।

কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কথা আমাদের মনে রাখা দরকার। সে জন্য শামসুল আলম সাহেব চমৎকার একটি সুপারিশ করেছেন। প্রতিটি গ্রামে একটি করে পুকুর সংরক্ষণ করতে হবে। সেই পুকুরে কেউ মাছ চাষ করবে না, কেউ ময়লা ফেলবে না। সেটা হবে শুধু খাওয়ার পানির জন্য। বৃষ্টির পানি সেখানে জমা হবে। এর গুরুত্ব খুব বেশি। কারণ, উপকূলীয় অঞ্চলে পানির লবণাক্ততা বাড়ছে। তাই সংরক্ষিত পুকুরের পানি বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে ফিল্টার করে আমরা নিরাপদে পান করতে পারি।

এ ধরনের উদ্যোগ কিন্তু আমাদের দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বেশ আগে থেকেই প্রচলিত। মনে পড়ে, ১০-১২ বছর আগে উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হানলে আমরা প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সাতক্ষীরার একেবারে উপকূলীয় অঞ্চলে ত্রাণ বিতরণের কাজে যাই। তখন গ্রামবাসী অনুরোধ করে, খাওয়ার পানির জন্য একটি সংরক্ষিত পুকুর সংস্কারে যেন আমরা সহায়তা দিই। সেখানে একটি সংরক্ষিত পুকুর আগে থেকেই ছিল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রের লবণাক্ত পানি সেই পুকুর ভাসিয়ে দেয়। তাই মানুষ নিরাপদ পানি পাচ্ছিল না।

আমরা সেই পুকুর সংস্কারে সহায়তা সেদিন দিই। পুকুরের সব পানি সেচে ফেলে দিয়ে আবার সুপেয় পানিতে ভরে তোলার ব্যবস্থা করা হয়। এখনো সেই পুকুরের পানি এলাকার মানুষ নিয়মিত ব্যবহার করে।

তাই সব গ্রামে একটি করে পুকুর সংরক্ষণের উদ্যোগ নিলে আমরা নিরাপদ পানির সুব্যবস্থা সহজে করতে পারব। এ রকম উদ্যোগ সফল হোক।

আব্দুল কাইয়ুম: প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক
quayum@gmail.com
https://www.prothomalo.com/opinion/article/1586814/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B0

34
Practicum / মঙ্গলে যেতে আর ১৪ বছর!
« on: April 04, 2019, 12:47:03 PM »
২০৩৩ সাল, অর্থাৎ আগামী ১৪ বছরের মধ্যে মঙ্গলে মানুষ পাঠাতে চাইছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। এর আগে ২০২৪ সালের মধ্যে চাঁদে আরেকবার মার্কিন নভোচারী পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে তারা।

মার্কিন কংগ্রেসে গত মঙ্গলবার এক শুনানিতে এসব পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন নাসার প্রশাসক জিম ব্রাইডেনস্টাইন। ব্রাইডেনস্টাইন বলেন, ‘চাঁদে আরেকবার নভোচারী পাঠানোর মাধ্যমে মঙ্গলে নভোচারী পাঠানোর পথে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। আর দুই অভিযানের সময়ই এগিয়ে আনতে চাই আমরা। মঙ্গলে ২০৩৩ সালেই আমরা প্রথম মানুষের পদার্পণ ঘটাতে পারব বলে আশা করছি। এ জন্য চাঁদে নভোচারী পাঠানোর সময়সীমা চার বছর এগিয়ে এনে ২০২৪ সাল করা হয়েছে।’

মঙ্গলে যেকোনো অভিযান শুরু করে শেষ করতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে। দুই গ্রহের বিশাল দূরত্ব একবার পাড়ি দিতেই লাগবে শুধু ছয় মাস। যেখানে চাঁদে যেতে লাগে মাত্র তিন দিন। তাও যখন-তখন মঙ্গলের উদ্দেশে যাত্রা করতে পারবে না নাসা। পৃথিবী ও মঙ্গল যখন সূর্যের একই পাশে চলে আসে, তখন দূরত্ব কমে যায়। আর দুই গ্রহ সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে আসে ২৬ মাস পরপর। এ রকম একটা সময় মঙ্গল অভিযানের জন্য আদর্শ। সেটা মাথায় রেখেই এগোচ্ছে নাসা। সে অনুযায়ী নাসার পরিকল্পনা ২০৩৩ সাল ঘিরে।
Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1586943/%E0%A6%AE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AA-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0

35
My mobile phone is critically affected by the storm yesterday...

36
প্রচলিত আইন গত প্রতিকার চাডাও যে কেউ চাইলেই  কমপ্লইন করতে পারেন ,পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ‘আইজিপি’স কমপ্লেইন সেল’ এখন থেকে সার্বক্ষণিক অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকবে।
জনসাধারণ এখন থেকে পুলিশ সদস্যের যেকোনো অপেশাদার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সরাসরি, কুরিয়ার সার্ভিস ও ডাকযোগে অথবা ০১৭৬৯৬৯৩৫৩৫, ০১৭৬৯৬৯৩৫৩৬ মোবাইল নম্বরে এবং complain@police.gov.bd ই-মেইলে এ সেলে অভিযোগ করতে পারবেন।

37
   
At least 1,00,000 of the displaced Rohingya people, now living in Bangladesh, will be shifted to Bhasanchar Island in Noakhali soon for giving them shelter there until their repatriation. The Bangladesh Premier said this when UN Under-Secretary-General and Executive Director of the United Nations Population Fund (UNFPA) Dr Natalia Kanem met her at her office. On the other hand, the newly appointed UN Secretary-General's special envoy to Myanmar Christine Schraner Burgener thanked the Bangladesh government as well as the people of the country for giving shelter to a huge number of Rohingyas. In a related development, a major canal dredging and renovation project worth $20,000 is underway to protect local residents and Rohingyas in Cox's Bazar from impending monsoon floods.
Source: The Bangladesh Insight.

38
A Dhaka declaration containing a nine-point action plan was announced at the second International Conference on Disability and Disaster Risk Management with a view to improving the life of people with disabilities as well as enhancing disaster risk management around the globe. The Dhaka declaration focuses on international collaboration, research, survey, disabled-friendly private and public investment. Around 100 representatives from 35 countries took part in the international conference to share knowledge and insights on disability and disaster risk management.

source: The Bangladesh Insight

39
Law / Bangabandhu-1 satellite reaches its orbital slot
« on: May 28, 2018, 09:26:00 AM »

Bangladesh’s first commercial satellite has reached its orbital slot 11 days after launch. The communication satellite completed the first phase of launch - Launch and Early Orbit Phase – on Monday while the second phase of the launch, Satellite in Orbit – will take 20 days to complete. A SpaceX rocket blasted off carrying the satellite into orbit early on May 12 from the US. Built by Thales Alenia Space Facilities in France, the satellite will provide Ku-band and C-band television and data services across Bangladesh in a mission valued at some $280 million, including the cost of the Falcon 9 rocket.

40
Law / Human rights and access to justice
« on: May 24, 2018, 05:12:44 AM »

Access to justice is also framed in the language of human rights. As stated in a UNDP report on the subject, "access to justice is a fundamental right, as well as a key means to defend other rights." Indeed, if citizens can access justice institutions (formal and informal), they are in a better position to get their human, political, legal, and socio-economic rights recognized and protected. On the contrary, the deprivation of that access means the denial of human rights, socioeconomic vulnerability, legal uncertainty, and political discrimination. International human rights principles and standards also constitute the normative framework by which the efficiency, fairness, and legitimacy of justice systems are assessed. Indeed, the notion of access to justice also involves the guarantee of the quality of the justice process

41
Law / Human rights and transitional justice
« on: May 24, 2018, 05:11:26 AM »

Transitional justice refers to a field of activity focused on how societies address legacies of past human rights abuses through a combination of complementary judicial and extra-judicial mechanisms, as well as different forms of exploring the violent past. This means that human rights law constitutes the overarching frame of reference for transitional justice. More specifically, "transitional justice relies on international law to make the case that states undergoing transitions are faced with certain legal obligations, including halting ongoing human rights abuses, investigating past crimes, identifying those responsible for human rights violations, imposing sanctions on those responsible, providing reparations to victims, preventing future abuses, preserving and enhancing peace, and fostering individual and national reconciliation."
Here, the retrospective and prospective dimensions of justice are closely inter-related. The traumatic events of the past create heavy legacies for future generations...if not addressed, [they] risk undermining efforts to establish sustainable human rights protection systems...The lack of justice and accountability perpetuates climates of impunity, which undermine the rule of law as well as exacerbating a sense of injustice and discrimination within targeted communities. Transitional justice programs also have secondary effects on the capacity of a society and a state to protect human rights in a sustainable manner. Through public information campaigns organized for the transitional justice process, these programs contribute to raising public awareness about human rights protection; generally mobilize extensive civil society networks as well members of the national judicial system, potentially contributing to the building of a sustainable community engaged in the protection of human rights.  The Special Court for Sierra Leone, for example, initiated a public outreach campaign that aims to inform and explain the work of the Court, the broader issues of justice and the citizens role. The principle that effective transitional justice is integral to the ability of a state to build a sustainable human rights protection system is expressly acknowledged by the UN, as exemplified by frequent statements of the High Commissioner for Human Rights.

42
Law / Human Rights and Traditional/Informal Justice Systems
« on: May 24, 2018, 05:09:58 AM »
Human Rights and Traditional/Informal Justice Systems
Informal dispute resolution systems often help alleviate the deep state of lawlessness and injustice created by the absence of a functioning formal justice system. In that perspective, traditional and informal justice systems may help limit the occurrence of human rights abuses.44 However, they are often seen, in some cases with good reason, as incompatible or at least not respectful of individual rights and other standards established in international law. In addition to discriminatory practices, recourse to inhuman and degrading punishments are the most common issues encountered with respect to traditional or informal justice systems, in particular those systems that are based on the application of a fundamentalist interpretation of religious principles. As a consequence, human rights activities are concerned with ensuring that adequate monitoring mechanisms are put in place to make sure that these systems comply with human rights standards. Human rights trainings are also organized to help improve the rules and practices of traditional/informal systems so that they comply with international human rights standards.

43
Law / Human rights and (re)construction
« on: May 24, 2018, 05:08:42 AM »

Human rights promotion and protection depend on the existence of a well-functioning justice system and of laws that comply with international human rights standards and norms. The reforms in both sectors are therefore intimately linked. Most post-conflict states lack a functioning and legitimate judicial system. Reforms and efforts to (re)build that system are crucial elements in the process of promoting and protecting human rights.

More specifically, the following activities explicitly refer to human rights:
•   Law reform: reforming/redrafting laws in accordance with international human rights standards; promulgation of legal codes and statutes including fair trial norms (civil and criminal) in line with the protection of basic human rights;
•   Standards for the independence of the judiciary and other justice officials;
•   Human rights training and education for judges, prosecutors, and public defenders;
•   Guarantee of freedom of lawyers to practice their profession without fear of retribution;
•   Protection of human rights defenders who attempt to use the judicial system to redress human rights abuses;
•   Removing discriminatory provisions from existing statutes and ensuring that transitional regulations adopted under the authority of the United Nations are compatible with human rights norms.
•   Oversight and accountability mechanisms:  judges and lawyers must be accountable, if they engage in criminal or unethical conduct, especially corruption.  Fair and transparent processes must be established to handle such disciplinary actions and to show the public that things have changed and that no one is above the law.  Some law practitioners working in post-conflict settings argue that oversight and accountability may be the single most important factors in the wide range of human rights and justice and rule of law activities, but are also often missed. These are important not only in the immediate aftermath of a violent conflict, but also to ensure a sustainable peace.

44
Law / Addressing the structural causes of violent conflict
« on: May 24, 2018, 05:05:42 AM »

A human-rights based approach to peacebuilding is closely related to issues of justice and rule of law. Yet it also goes beyond that. The scope and definition of human rights include such norms as the rights associated with political participation, economic and social rights, freedom of expression, and nondiscrimination.
The activities and programs stemming from this broader understanding of human rights will include not only the pursuit of justice and reconciliation, establishing the parameters to balance the demands of victims with concerns regarding socio-political stability,37 but will also aim to:
•   incorporate international human rights standards into all sectors;
•   ensure the personal freedom and security of individuals and groups; guarantees for the freedom of media, trade unions and all civil society groups, and against all kind of discrimination (ethnic, religious, gender, etc.);
•   prevent the outbreak of future hostilities (including constitutional reforms, restructuring of the government, security forces, and judicial system);
•   foster broader social, political, and economic reform (targeting social and economic inequities, redistribution, discrimination, and ensuring legitimacy, accountability, transparency and participation, etc.).
In post-conflict situations, there might be a tendency to focus attention and activities on civil and political rights as they may be perceived as the most urgent and fundamental to be respected if peace is to be achieved. "Nonetheless, ignoring economic, social, and cultural rights, even in the immediate post-settlement phase, risks failing to respond to the immediate needs and expectations of those directly affected."39 The protection of all these rights forms a safeguard against domination and discrimination for all communities. In other words, "the human rights dimension signals a fundamental change in the nature of the state." In the socio-economic realm, a rights-based based approach to development focuses not only on the amelioration of peoples economic conditions, but also on their social and political well-being, as well as on the states obligation to guarantee the enjoyment of these rights on an equal basis and without discrimination. As Amartya Sen stated in his pioneering work, "development can be seen...as a process of expanding the real freedoms that people enjoy." Therefore, actors of socio-economic development play an important role in the human rights agenda.

45
Law / Positive Peace Vs Negative Peace Approach
« on: May 24, 2018, 05:02:04 AM »
Positive and Negative Peace

In the first case (human rights violations are treated as a symptom of conflict), the desired outcome will be what some have called "negative peace" (the absence of direct violence and armed conflict); in the second case (human rights violations as a cause of conflict), the goal will be to achieve "positive peace" (a structural transformation towards a socio-political and economic system capable of fostering justice and ensuring a self-sustained peace). Even though these approaches are not necessarily mutually exclusive, and may sometimes be undertaken in a sequential manner, they have very concrete operational implications in terms of the extent of the reforms to engage, the type and duration of the programs to support them, and the criteria which will serve to monitor their implementation. 

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 15