Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Topics - mukul Hossain

Pages: 1 2 3 [4]
ICT / Fiber-Optic Telecommunication & Better ICT in Bangladesh
« on: June 19, 2013, 08:36:58 AM »

It is said that the transistor has done
for man’s brain in this Information
Age what the steam engine did for his
brawn in the Industrial Age. Hence, it
comes as little surprise that we are
faced with the technological ability to
communicate conveniently with
anyone, anywhere and at any time in
many different ways - voice, data,
facsimile, e-mail, image and video -
and all this at an affordable cost
judging by the mushrooming number
of “internet cafes” at every corner.
Thus modern society has effectively
been reduced to a global village and
information exchange has experienced
an enormous explosion. However, it is
also said that the biggest hurdle to the
full deployment of this technology is
posed by the world’s fragmented telecommunications
networks – especially
in developing countries.
In Bangladesh the bulk of
international telecommunication
traffic still relies on the geo-stationary
satellite and terrestrial microwave link
system operated by the Bangladesh
Telegraph and Telephone Board
(BTTB). Unfortunately, Bangladesh
is well known for its monsoon rains
and the annual floods. As shown in
Figure 1, the flatness combined with
the large number of rivers in
Bangladesh makes it particularly
prone to becoming water logged
during the rainy seasons.
Despite system allowances for a large
rain fade margin in this region, the
handling capacity of the satellite links
is reduced – especially under adverse
conditions. Also, floods (or any other
water surface) can cause signal
interference due to multi-path
propagation as it travels through the
microwave radio links. However,
these are only the minor problems for
the country’s telecommunication
system. The major natural disasters
such as cyclones, high winds and tidal
waves originating from the Bay of
Bengal that cause substantial physical
damage to the towers and other
equipment are by far the most
significant problems. The 1991
cyclones knocked over the microwave
tower in Chittagong thereby
effectively severing the country’s
international link.
Thus, while appraising the country’s
telecommunications system requirements,
optical fiber technology makes
a compelling case as a solution to
Bangladesh’s pressing needs. Short
distance optical fiber links to handle
dense traffic in intra-city
communication started being used in
the mid 80’s in the digital telephone
networks. With a view to establishing
a fully optical ISDN system to link the
capital with other major cities, the
government has implemented several
major inter-city fiber links.
Since the introduction of modulated
microwaves in the 1920’s for
communication between two distant
points, this technology has gone
through a tremendous amount of
development. However, these links
were limited to distances within the
‘line of sight’ (roughly 30 kilometers).
Thus, the need for orbiting satellites to
relay information over long distances
was realized; pilot concepts evolved in
the early 1950’s and were followed by
the successful deployment of
communication satellites a decade
Today satellites of all shapes and
capabilities have been launched to
serve almost all the countries of the
World. Most communication satellites
are in geo-stationary orbits (some
35,800 km above the Earth’s surface)
and are able to ‘see’ nearly one half of
the Earth from this vantage point. To
provide continuous coverage to any
point on Earth, only three satellites in
such an orbit are sufficient.
However, signals are weakened about
a hundred times after traveling these
large distances. A more pertinent
problem, is the delay and echo often
experienced in long distance phone
calls that use these satellites. The
accommodation of ever increasing
traffic requires the usage of higher
frequency bands for satellite
communications. Some of the
fundamental limitations on the
performance of satellite
communication systems at frequencies
greater than 10 GHz result from a
strong interaction of radio waves with
rain and ice in the lower atmosphere.
Thus, system reliability demands
detailed knowledge of these
interactions. Rain attenuation
dominates the power margin for
systems operating above 10 GHz;
hence multiple sites are required to
meet high availability objectives.
Also, in satellite communication
systems the capacity per beam is
strongly affected by rain. For
example, to provide the same quality
of transmission during a rainy period,
the capacity may have to be halved.
Finally, a substantial number of
terrestrial relays (microwave radio
links that operate only within ‘line of
sight’ distances) are required to
transmit the information to the
telecommunication network exchange
that may be up to a few hundred
kilometers away from the satellite
ground station.
Faced with the aforementioned
fundamental shortfalls of a satellitebased
system, real interest in optical
communication was aroused with the
invention of the laser in early 1960's.
Proposals for using optical fibers to
avoid degradation of the optical signal
while propagating through the
atmosphere were made almost
simultaneously in 1966 [2]. Early
systems exhibited high attenuation
(1000 dB/km). Today, less than 40
years on, attenuation of less than 0.2
dB/km is easily achieved for a carrier
wavelength of 1.55µm. Unlike some
of its predecessors, fiber optics
technology has many unrivaled
advantages, some of which are listed
1. Enormous potential bandwidth: the
optical carrier frequency in the range
1013 to 1014Hz offers the potential for
a fiber information carrying capacity
that is many orders of magnitude in
excess of that obtained using copper
cable or wideband radio systems. This
enables fibers to simultaneously carry
voice, data, image and video signals.
2. Small size and weight: an optical
fiber is often no wider than the
diameter of a human hair; thus even
after applying protective layers, they
are far smaller and much lighter than
corresponding copper cables. This is a
tremendous boon to alleviating duct
congestion in cities.
3. Immunity to interference and cross
talk: they form a dielectric and are
therefore free from electromagnetic
4. Signal security: as light from a fiber
does not radiate significantly, a
transmitted optical signal cannot be
obtained non-invasively, thus ensuring
a high degree of signal security.
5. Low transmission loss: this enables
extremely wide repeater spacings (70
to 100km) in long-haul communication
6. System reliability and ease of
maintenance: due to the low loss
property, system reliability is
generally enhanced in comparison to
conventional electrical conductor
systems. Furthermore, reliability of
optical components have predicted

রমজান আসে, আবার চলে যায়, রেখে যায় কিছু স্মৃতি, ইবাদতের কিছু আনন্দঘন মুহূর্তের স্মরণ। মাহে রমজান থেকে কে কতটুকু শিক্ষা অর্জন করতে পারল, কে কতটুকু কোরবানি করতে পারল—এ নিয়ে হিসেব-নিকেশ হয়। রমজান সব শ্রেণীর মানুষের মধ্যেই কমবেশি প্রভাব বিস্তার করে। আমার কাছে মনে হয়, রমজান সবচেয়ে বেশি প্রভাব সৃষ্টি করে আমাদের যুব সমাজের মধ্যে। রমজানের প্রথম দিনের তারাবির নামাজে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি মুসুল্লি দেখেছি মসজিদগুলোতে। এর মধ্যে ৭৫ ভাগ হলো যুব সমাজের অংশ। আমাদের দেশে অসংখ্য শিশু-কিশোরও রোজা রাখে। মসজিদে ফরজ নামাজের পাশাপাশি তারাবির নামাজেও এসব শিশু-কিশোরের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। আমাদের দেশে মসজিদে এসব শিশু-কিশোরের উপস্থিতিকে অনেক মুসুল্লি বিরক্তিকর দৃষ্টিতে দেখেন। এতে আমার মধ্যে এক ধরনের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আমি মসজিদে বাচ্চাদের উপস্থিতিকে খুবই ইতিবাচকভাবে দেখি। তাদের কিছু শিশুসুলভ আচরণ আমার মধ্যে বিরক্তি নয়, বরং আনন্দই প্রকাশ করে। এরাই এক সময় মসজিদকে ভরে তুলবে। তাদের মসজিদমুখী করতে না পারলে আমরা আল্লাহর কাছে দায়ী থাকব। আজকাল প্রযুক্তির যুগে যেভাবে ছোট বাচ্চাদের নিয়ে অনুষ্ঠান হয়, সেসব অনুষ্ঠান ফেলে তারা যে মসজিদে আসে সেটা তো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। আজকে তাদের দ্বীন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার কত চেষ্টা হচ্ছে, সেখানে যেসব বাচ্চা মসজিদে আসে তাদের বরং অনেক আদর করা উচিত। তাদের স্নেহ-প্রীতি দিয়ে মসজিদে ব্যস্ত রাখা প্রয়োজন। ছোটকালের এ অভ্যাসের কারণেই যুব বয়সেও তারা ইবাদতের মৌসুম রমজানে মসজিদে ভিড় করে। তাদের এই ভিড় করা ইসলামে অনেক দামি বিষয়।

আমাদের মহানবী (সা.) এক হাদিসে বলেছেন, সাত শ্রেণীর মাুনষ কেয়ামতের দিন আরশের নিচে ছায়া পাবে। তার মধ্যে অন্যতম একটি দল হলো সেসব যুবক যারা তাদের যৌবনকাল আল্লাহর ইবাদতে কাটিয়েছে। রমজানকে কেন্দ্র করে যুবকদের মসজিদে উপস্থিতিকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। তাদের মধ্যে দ্বীনের দাওয়াত দিতে হবে। দ্বীনি প্রেরণা সৃষ্টি করতে হবে। যুবকরাই হলো নতুন কিছু সৃষ্টির কারিগর। তাদের অদম্য সাহস, উদ্দীপনা সুন্দর কিছু গড়তে ভূমিকা রাখে। এদেশের ইমাম-খতিবরা রমজানকে কেন্দ্র করে যুবকদের মধ্যে কোরআন শিক্ষার প্রসার করতে পারে। সমাজের সব ধরনের অনৈতিক কাজ বন্ধ করার জন্য উত্সাহ দিতে পারে। রমজানের প্রতিটি রোজা, তারাবি, ইফতারসহ সব আমলে যুবকদের মধ্যে যে একনিষ্ঠতা লক্ষ্য করা যায়, তা এক কথায় অতুলনীয়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমজানের পরিপূর্ণ সুফল অর্জন করার তৌফিক দিন।

আমাদের সুস্থতার জন্য কলেস্টেরলের মাত্রা একটি কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে রাখা অপরিহার্য।কেননা শরীরের কলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপসহ বিভিন্ন সমস্যার কারণ হয়ে দাড়ায়।

আজকাল প্রাপ্তবয়স্কদের অনেকেই আমরা উচ্চ কোলেস্টরল সমস্যায় ভুগছি। বিভিন্ন কারণে উচ্চ কলেস্টেরল সমস্যা হতে পারে। তবে সবচেয়ে বেশি দায়ী ১০ কারণ হচ্ছে:

অস্বাস্থ্যকর খাদ্য
প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অসতর্কভাবে অতিরিক্ত কলেস্টেরল এবং চর্বিযুক্ত খাবার খাচ্ছি। লাল মাংস, মাখন, পনির, ঘি ইত্যাদি খাবার যত কম খাওয়া যায় ততোই ভালো।

বংশগত কারণ
যাদের উচ্চ কলেস্টেরলের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে, তাদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এদের উচ্চ কলেস্টেরলের মাত্রার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বেশি থাকে।

অতিরিক্ত ওজন
স্থূলতা বা মাত্রাতিরিক্ত ওজন উচ্চ কলেস্টেরলের অন্যতম কারণ।এছাড়া, স্থুলতার ফলে  আমাদের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।তাই, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন আর উচ্চ কলেস্টেরলের ঝুঁকি তাড়ান।

পুরোদিনে শারীরিক শ্রম বলতে কিছুই করা হয় না। শুয়ে বসে কেটে যায় জীবনের বেশিরভাগ দিন। এভাবে চললে শরীরের ওজন বাড়ে আর উচ্চ কলেস্টেরলের ঝুঁকিও থাকে অনেক বেশি।

ধুমপান কলেস্টেরল স্তর বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। এটা কলেস্টেলের মাত্রা বাড়ায় তবে জীবনের আয়ুর মাত্রা কমায়। অতএব, ধূমপান ত্যাগ করুন।আপনার কলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রেখে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হোন।

২০ বছরের পর থেকে অামাদের শরীরের কলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই বাড়তে শুরু করে। সাধারণত ৬০ বছর পর্যন্ত নারী পুরুষ উভয়েরই কলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে। তবে মেনোপজের আগে নারীদের কলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। কিন্তু মেনোপজের পরে, পুরুষদের তুলনায় নারীদের কলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই এসময়ে নারীদের শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তনের ফলে আচরনেরও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

কিছু কিছু ওষুধ সেবনে কলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। এজন্য কোনো ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

নিয়মিত মদ্যপান যকৃত এবং হৃদযন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। এতে শরীরে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয় এবং কলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়।

মানসিক চাপ
দীর্ঘদিন ধূমপান, মদ্যপান বা চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে কলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েছে এটা নিয়ে অতিরিক্ত মানসিক চাপ কলেস্টেরলের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়।

ডায়াবেটিস এবং থাইরয়েডের মত কয়েকটি রোগ শরীরে কলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে।

জেনে নিলাম আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর কলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণগুলো। এখন থেকে আসুন সঠিক রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে কলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থ থাকি।

ডাঃ শারমীনা ইসলাম

মাথা থাকবে আর মাথায় ব্যথা হবে না তা হতে পারে না। মাথা থাকলে মাথাব্যথাও থাকবে। মাথাব্যথায় পড়েননি এমন কেউ নেই। দিনের শুরুতে, কাজের সময় এমনকি রাতে ঘুমের সময় মাথা ধরে দিনটাই মাটি করে দিতে পারে। আজ মাথাব্যথা থেকে দূরে থাকার কিছু পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবো আমরা।

দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা, টেনশন এসব মনের ওপরে চাপ ফেলে। সারাক্ষণ মানসিক অস্থিরতার মাঝে থাকলে মাথা ব্যথা হবেই, এটা স্বাভাবিক। দুশ্চিন্তা কমাতে হবে, পেশাগত মানসিক চাপ ঘরে বয়ে আনা যাবে না। মনকে বিশ্রাম দিন, ঘরে ফিরে মাথা থেকে কাজের কথা বাদ দিয়ে একান্ত কিছু সময় কাটান।

বিশ্রাম নিন পর্যাপ্ত। গবেষকেরা দেখেছেন ঠিকমতো ঘুম না হলে অনেকেরই মাথায় ব্যথা হতে পারে। কমপক্ষে ছয় ঘণ্টা ঘুম দরকার পূর্ণবয়স্ক মানুষের। কম ঘুমানো, ঘুমের মাঝে বাধা, সাউন্ড স্লিপ না হওয়া থেকে বাঁচতে কিছু ব্যবস্থা নিন। ঘুমের আগে ভারি কাজ করবেন না, ঠাণ্ডা পানিতে শরীর ধুয়ে ফেলুন, স্নিগ্ধ মনে বিছানায় যান। অন্ধকার শব্দহীন ঘরে একটা আরামের ঘুম দিন, পরের দিন মাথা ধরা থাকবে না।

কিছু খাবারের বদনাম রয়েছে মাথাব্যথার প্রভাবক হিসেবে। এসব খাবারের মাঝে চা, কফি, অ্যালকোহল উল্লেখযোগ্য। চা কফিতে অভ্যস্ত থাকলেও মাত্রাতিরিক্ত পান করবেন না। দিনে এক বা দুই কাপই যথেষ্ট।

মাথা মালিশে আরাম পান সকলেই। দেখা গিয়েছে মাথাব্যথায় কোমল হাতে কপালে, মাথায়, ঘাড়ে হাল্কা মালিশ দারুন কাজ করে। আপনার সঙ্গীকে বলুন মাথা টিপে দিতে। দেখবেন অনেকটা ভালো লাগবে।

অনেকের উচ্চ শব্দ, যানবাহনের তীব্র হর্ন, ভিড়বাট্টা, উজ্জ্বল আলো, দীর্ঘ ভ্রমণে মাথায় ব্যথা হয় । সাধারনত মাইগ্রেনের সমস্যায় এমন হয়। একটু সাবধান থাকলেই এসব সমস্যা এড়িয়ে চলতে পারেন। জোরে গান শোনা বাদ দিন। চেস্টা করুন কষ্টকর ভ্রমণ থেকে দূরে থাকতে তবে ঢাকা শহরের মতো কোলাহল মুখর শহরে চাইলেও শব্দ, ট্রাফিক জ্যামের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া কস্টকর।

সিগারেটের ব্যাপক ভূমিকা পেয়েছেন গবেষকেরা মাইগ্রেনের ব্যাথার পেছনে। যারা নিয়মিত ধুমপানে আসক্ত ও তাদের আশে পাশে যারা থাকেন তাদের মাথাব্যাথা বেশি হয়। তাই ধূমপান ও ধূমপায়ী থেকে দূরে থাকুন।

কেউ কেউ মাথা ব্যথা আরম্ভ হলে ঘাড়ের পেছনে ঠাণ্ডা পানি বা বরফের টুকরা লাগান। এটা অনেক সময় কাজ করে। অজু করুন। অজু করলে মাথা ও ঘাড় ঠাণ্ডা পানির স্পর্শে ব্যথা উপশমে সাহায্য করবে।

পছন্দের গান শুনতে পারেন যা মনকে শান্ত করবে। ক্লাসিকাল মিউজিক যেমন রাগপ্রধান গান বা যন্ত্রসঙ্গীত শুনতে পারেন। তবে চোখকে বিশ্রাম দিন। চোখ বন্ধ করে উপভোগ করুন বিটোভেন, মোজার্টের মতো কম্পোসারের সৃষ্টিগুলো।

যোগব্যায়াম অনেক ভালো কাজে দেয় এ ব্যাপারে। যারা নিয়মিত যোগ ব্যায়ামের মাঝে থাকেন তারা ব্যথায় আক্রান্ত হন কম। লম্বা করে গভীর শ্বাস নিন,  আস্তে করে ছেড়ে দিন। পেট ফুলিয়ে শ্বাস নিন, ছেড়ে দিন। ধীরে ধীরে এমন শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে সাথে মন শান্ত হয়ে আসে, সাথে মাথাব্যথাও কমতে থাকে। চাইনিজ পদ্ধতি আকুপ্রেশার বা আকুপাংচার করেন কেউ কেউ, এটা অনেকের ক্ষেত্রে সাহায্য করে।

যারা সবসময় কম্পিউটারের মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকেন বা অনেক সময় ধরে টিভি দেখেন তাদের মাথাব্যাথা হতেই পারে বার বার। চশমা ব্যবহার করে থাকেন যদি তাহলে এন্টিগ্লার গ্লাস বা রিফ্লেক্টিভ গ্লাস নিন। এটা সাধারণ চশমা থেকে অধিক পরিমাণে আলো চোখে পড়তে বাধা দেয়, ফলে চোখ আরামে থাকে, আপনিও আরামে থাকেন। টানা একনাগাড়ে মনিটর, টিভির দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। মাঝ মাঝে বিরতি নিন, উঠে পড়ুন, চোখে পানির ঝাপটা দিয়ে আসুন। যারা টানা বই পড়ে তাদের জন্যও একই কথা প্রযোজ্য।

খাবার খেতে যারা অনিয়ম করে তাদের মাইগ্রেনের সমস্যা বেশি হয়। প্রধান তিনবেলার আহার বাদ দেয়া ঠিক হবে না। পেটে ক্ষুধা নিয়ে কাজ করলে সহজেই মাথাব্যথা হয়। খাবারে পাবেন কাজ করার শক্তি। শক্তি না পেলে মস্তিস্ক দুর্বল হয়ে ব্যথার উদ্রেক করে। তাই খাবারে অবহেলা চলবে না।

প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ নিতে পারেন তবে কিছু সাধারণ নিয়ম মানলেই যেখানে অনেকটা দূরে থাকা যায় মাথাব্যথা থেকে সেখানে ওষুধের তেমন প্রয়োজন পড়ে না। যখন তখন মাথার ব্যথায় ইচ্ছেমতো ব্যথানাশক থেকে দূরে রাখার প্রয়াসেই আজকের কলামটি লেখা হয়েছে।

ডাঃ রায়হান কবীর খান


At the suburban Chicago laboratory, a group of scientists has seemingly defied the laws of physics and found a way to apply pressure to make a material expand instead of compress/contract.

"It's like squeezing a stone and forming a giant sponge," said Karena Chapman, a chemist at the U.S. Department of Energy laboratory. "Materials are supposed to become denser and more compact under pressure. We are seeing the exact opposite. The pressure-treated material has half the density of the original state. This is counterintuitive to the laws of physics."

Because this behavior seems impossible, Chapman and her colleagues spent several years testing and retesting the material until they believed the unbelievable and understood how the impossible could be possible. For every experiment, they got the same mind-bending results.

"The bonds in the material completely rearrange," Chapman said. "This just blows my mind."

This discovery will do more than rewrite the science text books; it could double the variety of porous framework materials available for manufacturing, health care and environmental sustainability.

Scientists use these framework materials, which have sponge-like holes in their structure, to trap, store and filter materials. The shape of the sponge-like holes makes them selectable for specific molecules, allowing their use as water filters, chemical sensors and compressible storage for carbon dioxide sequestration of hydrogen fuel cells. By tailoring release rates, scientists can adapt these frameworks to deliver drugs and initiate chemical reactions for the production of everything from plastics to foods.

"This could not only open up new materials to being porous, but it could also give us access to new structures for selectability and new release rates," said Peter Chupas, an Argonne chemist who helped discover the new materials.

The team published the details of their work in the May 22 issue of the Journal of the American Chemical Society in an article titled "Exploiting High Pressures to Generate Porosity, Polymorphism, And Lattice Expansion in the Nonporous Molecular Framework Zn(CN)2 ."

The scientists put zinc cyanide, a material used in electroplating, in a diamond-anvil cell at the Advanced Photon Source (APS) at Argonne and applied high pressures of 0.9 to 1.8 gigapascals, or about 9,000 to 18,000 times the pressure of the atmosphere at sea level. This high pressure is within the range affordably reproducible by industry for bulk storage systems. By using different fluids around the material as it was squeezed, the scientists were able to create five new phases of material, two of which retained their new porous ability at normal pressure. The type of fluid used determined the shape of the sponge-like pores. This is the first time that hydrostatic pressure has been able to make dense materials with interpenetrated atomic frameworks into novel porous materials. Several series of in situ high-pressure X-ray powder diffraction experiments were performed at the 1-BM, 11-ID-B, and 17-BM beamlines of the APS to study the material transitions.

"By applying pressure, we were able to transform a normally dense, nonporous material into a range of new porous materials that can hold twice as much stuff," Chapman said. "This counterintuitive discovery will likely double the amount of available porous framework materials, which will greatly expand their use in pharmaceutical delivery, sequestration, material separation and catalysis."

The scientists will continue to test the new technique on other materials.

The research is funded by the U.S. Department of Energy's Office of Science.


DOE/Argonne National Laboratory

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল বাজারে আনতে যাচ্ছে তাদের নতুন অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৭। সোমবার স্যান ফ্রান্সিস্কোতে অ্যাপলের বার্ষিক ডেভেলপার কনফারেন্সে এর ঘোষণা দেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী টিম কুক।

বর্তমানে আইফোন, আইপ্যাড ও আইপডের জন্য আইওএস ৬ অপারেটিং সিস্টেম চালু রয়েছে।

আইওএস ৭ এর উন্মোচনী অনুষ্ঠানে একটি ভিডিওর মাধ্যমে এর নানা নতুন ফিচার ও সংযোজন উপস্থাপন করা হয়। এটি আইফোন বের হওয়ার পর থেকে অপারেটিং সিস্টেমের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন বলে জানান টিম কুক।

এ নতুন সফটওয়্যারের ফলে আইফোন দেখতে আরো বড় হবে, এর পুরো স্ক্রিনজুড়ে থাকবে বিভিন্ন ফিচার। ‘কন্ট্রোল সেন্টার’ নামে একটি ফিচারের মাধ্যমে এক স্পর্শেই সেটিংস পরিবর্তন করা যাবে। ফোনের লেখাগুলো আরও স্পষ্ট ও উজ্জ্বল দেখাবে।

অন্যান্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে প্রথমবারের মতো অটোমেটিক আপডেট সুবিধা, ফোন চুরি প্রতিরোধ করার জন্য বিশেষ অ্যাপ, নতুন মিউজিক প্লেয়ার, সম্পূর্ণ নতুনভাবে ডিজাইন করা অ্যাপলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অ্যাপ সিরি প্রভৃতি।

আইওএস ৭-এর উন্মোচনী অনুষ্ঠানে বলা হয়, অ্যাপলের নতুন অপারেটিং সিস্টেম কেবল একটি আপগ্রেড বা উন্নত সংস্করণ নয়, বরং সম্পূর্ণই নতুন কিছু, যার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো প্রতিযোগী এ মুহূর্তে নেই।

স্যামসাং কিংবা গুগলের মতো সবরকম ফিচার অ্যাপল তৈরি করে না উল্লেখ করে জানানো হয়, অ্যাপল সবসময় চেষ্টা করে সহজে ব্যবহারোপোযোগী ও আক্ষরিক অর্থেই নতুন কিছুর সমন্বয় করার। বলা হয়, অ্যাপল তার নিজস্ব পরিধির মধ্যে থেকেই  দিনে দিনে অবস্থান আরো সুসংহত করছে।

অ্যাপলের ডিজাইন বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিডিও প্রদর্শনীতে বলেন, “আমি মনে করি এর স্বচ্ছতা, সহজ-সরল ও প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্যের মধ্যেই সব সৌন্দর্য রয়েছে।”

বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, অ্যাপল তার ভক্তদের চাহিদার সবটুকু পূরণ করতে পারবে আইওএস ৭ এর মাধ্যমে।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ আইওএস ৭ গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

Women / মূত্রথলি পাথর
« on: June 12, 2013, 11:09:30 AM »
বিভিন্ন কারণে মূত্রথলিতে পাথর হতে পারে। কিডনি থেকে মূত্রথলি পর্যন্ত যেকোনো স্থানে জীবাণু দ্বারা সংক্রমণ হলে পাথর হতে পারে। দেখা গেছে অনেক কারণের সমন্বয়ে পাথর সৃষ্টি হয়। তবে মূল কথা হলো, শরীরের বিভিন্ন অসুখে এবং খাবারের উপাদানের তারতম্যে রক্তের গঠনের মাঝে পরিবর্তন আসে। এর ফলে প্রস্রাবের নিষ্কাশিত বা বেরিয়ে যাওয়া পদার্থেরও তারতম্য হয়। পরিবর্তনের ফলে ধীরে ধীরে প্রস্রাবের বেরিয়ে যাওয়া অতিরিক্ত উপাদানের দানা তৈরি হয়, আর সেই দানা এক সময় পাথরে রূপান্তরিত হয়।

মূত্রথলির পাথরকে দুইভাগে ভাগ করা হয়­ ১. প্রাইমারি, ২.সেকেন্ডারি।

মূত্রথলির প্রাইমারি পাথর বলতে সেই পাথরকে বোঝায় যা জীবাণুমুক্ত প্রস্রাবে তৈরি হয়। এটা সচরাচর কিডনিতে উৎপন্ন হয় এবং বৃক্কনালি পথে মূত্রথলিতে চলে এসে সেখানেই আকারে বৃদ্ধি পায়।

মূত্রথলির সেকেন্ডারি পাথর বিভিন্ন কারণে ঘটে। যেমন­ সংক্রমণ, মূত্রথলিতে প্রতিবন্ধকতা, মূত্রথলি খালি হতে বাধা অথবা মূত্রথলিতে বাইরের কোনো বস্তুর উপস্থিতি, যেমন­ গলে যায় না এমন সুতা, ধাতব তার অথবা ক্যাথেটারের টুকরা।
পাথরের উপাদান

বিভিন্ন ধরনের পদার্থ দিয়ে পাথর উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে রয়েছে অক্সালেট, ইউরিক এসিড ও ইউরেট, সিসটিন, অ্যামোনিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম ফসফেট ইত্যাদি।

মহিলাদের চেয়ে পুরুষরা আট গুণ বেশি আক্রান্ত হন। এটা উপসর্গবিহীন থাকতে পারে। অন্য কোনো কারণে সিস্টোসকপি বা তলপেটের এক্স-রে অথবা আল্ট্রাসনোগ্রাম করানোর সময় হঠাৎ করে ধরা পড়তে পারে। তবে মূত্রথলির পাথরে বেশ কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যেমন­ দিনের বেলা ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া। মূত্রথলি সম্পূর্ণ খালি না হওয়ার অনুভূতি হওয়া।

সাধারণত প্রস্রাবের শেষে ব্যথা অনুভূত হওয়া। নড়াচড়া করলে ব্যথা বেড়ে যাওয়া।
প্রস্রাবের সাথে অথবা প্রস্রাবের শেষে ফোঁটা ফোঁটা তাজা রক্ত পড়া।

প্রস্রাব করার সময় প্রস্রাবের ধারা মাঝে মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া।

হঠাৎ করে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া।
পরীক্ষা নিরীক্ষা
প্রস্রাব পরীক্ষা।
এক্স-রে কেইউবি।

অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে পাথর হওয়ার প্রকৃত কারণ বের করে তারপর চিকিৎসা প্রদান করতে হবে। রোগীর মূত্রথলিতে প্রতিবন্ধকতা এবং সেই সাথে সংক্রমণ আছে কি না তা দেখতে হবে। রোগীর মূত্রথলিতে স্নায়ুজনিত অস্বাভাবিকতা রয়েছে কি না তাও দেখতে হবে।

মূত্রথলির পাথর অপারেশনের মাধ্যমে বের করে আনা হয় এবং যে কারণে পাথর হয়েছিল তার চিকিৎসা দেয়া হয়। এই অপারেশনকে সিস্টোলিথোটমি বলে। বর্তমানে বেশিরভাগ রোগীকে এনডোস্কপির মাধ্যমে পাথর বের করে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। এ ছাড়াও যন্ত্রের সাহায্যে পাথর ভেঙে বের করার পদ্ধতিও রয়েছে যেমন লিথোলাপ্যাক্সি।

ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল
চেম্বারঃ কমপ্যাথ লিমিটেড, ১৩৬ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা (সোম, মঙ্গল, বুধবার)।
যুবক মেডিকেল সার্ভিসেস , বাড়িঃ ১৬, রোডঃ ২৮ (পুরান), ১৫ (নতুন), ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা (শনি, রবি, বৃহস্পতি)। মোবাইলঃ ০১৫৫২৩৪৫৭৫৪, ০১৭১৬২৮৮৮৫৫

Body Fitness / How to avoid allergy to medication
« on: June 12, 2013, 11:04:39 AM »
If you are allergic to a medication, you can take steps to reduce your risk of a reaction, which could be life-threatening. The University of Michigan Health System offers these suggestions:
• Make sure you write down the names of any medications to which you are allergic.
• Talk to your doctor or pharmacist about any newly prescribed medication to be sure it is not similar to another drug to which you are allergic.
• Never share your medication with someone else or take someone else’s medication yourself

Food Habit / Improve food safety and reduce foodborne illnesses.
« on: June 11, 2013, 09:05:16 PM »


Foodborne illnesses are a burden on public health and contribute significantly to the cost of health care. A foodborne outbreak occurs when 2 or more cases of a similar illness result from eating the same food.1 In 2006, the Centers for Disease Control and Prevention (CDC) received reports of a total of 1,270 foodborne disease outbreaks, which resulted in 27,634 cases of illness and 11 deaths.2

Understanding Food Safety:

Many factors determine the safety of the Nation’s food supply. Improper handling, preparation, and storage practices may result in cases of foodborne illness. This can happen in processing and retail establishments and in the home.
Social Determinants of Food Safety

Fewer consumers grow and prepare their own food, preferring instead either to use convenience foods purchased in supermarkets that can quickly be prepared or assembled, or to eat in restaurants. This gives them less control over the foods they eat.

The processing and retail food industries continue to be challenged by:

    Large employee populations that have high rates of turnover
    Nonuniform systems for training and certifying workers
    Ability to rapidly traceback/traceforward food items of interest

In addition, changes in production practices and new sources of food, such as imports, introduce new risks.
Physical Determinants of Food Safety

Food hazards can enter the food supply at any point from farm to table. Many foodborne hazards cannot be detected in food when it is purchased or consumed. These hazards include microbial pathogens and chemical contaminants. In addition, a food itself can cause severe adverse reactions. In the United States, food allergy is an important problem, especially among children under age 18

A foodborne outbreak indicates that something in the food safety system needs to be improved. The food safety system includes food:


Public health scientists investigate outbreaks to control them and to learn how to prevent similar outbreaks in the future. Success is measured in part through the reduction in outbreaks of foodborne illnesses.
Why Is Food Safety Important?

Foodborne illness is a preventable and underreported public health problem. It presents a major challenge to both general and at-risk populations. Each year, millions of illnesses in the United States can be attributed to contaminated foods. Children younger than age 4 have the highest incidence of laboratory-confirmed infections from:

    Campylobacter species
    Cryptosporidium species
    Salmonella species
    Shiga toxin-producing Escherichia coli O157
    Shigella species
    Yersinia species


1Centers for Disease Control and Prevention. Surveillance for foodborne-disease outbreaks: United States, 1988–92. MMWR CDC Surveill Summ. 1996 Oct 25;45(SS-5):1-55.

Islam / পবিত্র শবে বরাত
« on: June 10, 2013, 09:27:35 AM »
আগামী ২৪ জুন সোমবার দিনগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।

রোববার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ধর্ম বিষয়ক সচিব কাজী হাবিবুল আওয়াল বাংলানিউজকে জানান,  দেশের কোথাও পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় ২৪ জুন পবিত্র শবে বরাত পালনের সিদ্ধান্ত  নেওয়া হয়েছে।

আমরা অনেকে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে কতগুলো সাধারণ ভুল করে থাকি। অনেক আগে থেকে দেখে আসছি এই সাধারণ ভুলগুলো।

দীর্ঘদিন ধরে যারা নামাজ পড়েন তাদেরও অনেকে অবলীলায় এ ভুল করে থাকেন। ভুল করতে করতে এমন অবস্থা হয়েছে যে এখন এ ভুলগুলোই তাদের কাছে নিয়মে পরিণত হয়েছে।

যদিও এগুলো শোধরানো সংশ্লিষ্ট ঈমামের দায়িত্ব। এই ভুলগুলো প্রতিটি সরাসরি আল্লাহর রাসুল (সা.) এর সুন্নতের খেলাফ।



ছেলে বুড়ো যে কেউই নামাজের জন্য মসজিদে যাচ্ছেন। ঘড়ি দেখলেন সময় হয়ে গেছে, তা ছাড়া দূর থেকেও দেখা যাচ্ছে জামাত দাঁড়িয়ে গেছে। জামাতে নামাজ পড়তে হবে তাই দ্রুত হাঁটা শুরু, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দ্রুত হাঁটা দৌড়ের কাছাকাছি বা দৌড় দিয়েও অনেকে নামাজে পৌঁছেই হাঁপাতে হাঁপাতে কাতারে দাঁড়িয়ে যান। এই হাঁপানো অবস্থাতেই এক রাকাতের মতো চলে যায়। এটা আল্লাহর রাসুল (সা.) পছন্দ করেননি। তিনি নিষেধ করেছেন। আপনি হয় সময় নিয়ে নামাজ পড়তে যাবেন অথবা ধিরস্থির ও শান্তভাবে হেঁটে গিয়ে যতটুকু জামাতে শরীক হতে পারেন হবেন এবং বাকি নামাজ নিজে শেষ করবেন। হযরত আবু কাতাদা (র.) বর্ণনা করেছেন,একবার আমরা নবী (সা.) এর সঙ্গে নামাজ পড়ছিলাম, নামাজরত অবস্থায় তিনি লোকের ছুটাছুটির শব্দ অনুভব করলেন।

নামাজা শেষে জিজ্ঞেস করলেন তোমরা কি করছিলে? তারা আরজ করলেন, ‘‘আমরা নামাজের জন্য তাড়াতাড়ি আসছিলাম। আল্লাহর রাসুল (সা.) বললেন, এরূপ কখনো করোনা। শান্তিশৃঙ্খলা ও ধীর স্থিরভাবে নামাজের জন্য আসবে,তাতে যে কয় রাকাত ইমামের সঙ্গে পাবে পড়ে নেবে, আর যা ছুটে যায় তা ইমামের নামাজের পর পুরা করে নেবে। (বোখারি শরীফ,খণ্ড-১,হাদিস নম্বর- ৩৮৭)

এই হাদিসে রাসুল (সা.) নামাজে আসার এবং নামাজে শামিল হওয়ার সুনির্দিষ্ট নিয়ম বলে দিয়েছেন যে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে ধিরস্থিরভাবে হেঁটে মসজিদে আসতে হবে, কোনো তাড়াহুড়া করা যাবে না। মহান আল্লাহ্‌ আমাদের কৃত পূর্বের অজ্ঞতার জন্য ক্ষমা করুণ। আমীন।


ফজরের নামাজের সময় হয়ে গেছে। একামত হয়ে গেছে, ইমাম দাঁড়িয়ে নামাজ শুরু করে দিয়েছেন। দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যথারীতি নামাজের জন্য দ্রুত হাঁটা অথবা ভিড়ের মধ্যে হুড়োহুড়ি করে হাঁটা অথবা দৌড় দিয়ে মসজিদে পৌঁছা। কিন্তু এবার সরাসরি জামাতে শামিল নয়। কারণ ফজরের ফরজের আগে সুন্নত রয়েছে। হড়বড় করে রুকু সেজদা সংক্ষিপ্ত করে সুন্নত শেষ করে তারপর ফরজ জামাতে ইমামের সঙ্গে দাঁড়াতে হবে। ততোক্ষণে দেখা যায়, কেউ জামাতের হয় এক রাকাত পান বা শেষ রাকাতে বৈঠকে জামাতে শামিল হন। ফজরের জামাতের আগে এমন চিত্র হরহামেশাই দেখা যায়। কিন্তু আল্লাহর রাসুলের (সা.) হাদিসে এর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে এবং এটাই মান্য।

যদি কেউ ফজরের জামাতের আগে মসজিদে যেতে পারেন তাহলে প্রথমে সুন্নত দুই রাকাত পড়ে জামাতের জন্য অপেক্ষা করবেন। আর যদি দেরি হয়েই যায় এবং জামাত শুরু হয়ে যায় তাহলে প্রথমে মসজিদে গিয়ে ইমামের সঙ্গে জামাতে শামিল হতে হবে এবং জামাতের পর বাকি নামাজ (যদি থাকে) শেষ করতে হবে।
মোনাজাত করে অপেক্ষা করবেন সূর্য উদয়ের জন্য এবং সূর্য উদয়ের পর নামাজের নিষিদ্ধ সময় (সাধারণত সূর্য উদয়ের পর ২০ মিনিট) পার হওয়ার পর আপনি ফজরের সুন্নত নামাজ আদায় করবেন। মধ্যবর্তী যে সময় সে সময় আপনি হয় মসজিদে বসে অপেক্ষা করতে পারেন অথবা ঘরেও ফিরে আসতে পারেন এবং সময় হওয়ার পরই আপনি ফজরের সুন্নত আদায় করে নেবেন। এটাই আল্লাহর রাসুল (সা.) নির্দেশিত নিয়ম। কিন্তু আমরা কয়জন সেটা করি? হযরত আবু হোরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাত সুন্নত ফরজের পূর্বে পড়তে পারেনি সে সূর্য ওঠার পর তা পড়বে। তিরমিজি ১ম খণ্ড,হাদিস নম্বর-৩৯৮।

আব্দুল্লাহ ইবনে বোহায়না (রা.) বর্ণনা করেছেন, ‘‘একদিন আল্লাহর রাসুল (সা.) ফজরের নামাজের একামত হলে এক ব্যক্তিকে ভিন্ন নামাজ পড়তে দেখলেন। (ওই ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাত সুন্নত পড়ছিলেন)। নামাজ শেষে যখন সবাই রাসুল (সা.) এর নিকটবর্তী হয়ে ঘিরে বসলো,তখন নবী (সা.) ওই ব্যক্তিকে বললেন, ‘‘ফজরের ফরজ নামাজ কি চার রাকাত হয়? অর্থাৎ একামতের পর ফরজ নামাজ ভিন্ন অন্য নামাজ পড়া যায় না, তুমি ভিন্নভাবে দুই রাকাত ও জামাতে দুই রাকাত পড়েছ, তুমি কি ফরজ চার রাকাত পড়লে? (বোখারি শরীফ,খণ্ড-১, হাদিস নম্বর-৪০২)।

আশা করি উপরোক্ত হাদিসগুলো না জানার কারণে এতোদিন যা যা ভুল করেছি তা শুধরে নিতে পারবো। (চলবে)

Stroke / Natural Solution of Stroke
« on: June 05, 2013, 11:05:04 AM »
স্থূলতা, হাইপারটেনশন, হাইপার কোলেস্টেরলেমিয়া, ডায়াবেটিস, জন্মগত বা বংশগত ত্রুটি, ইত্যাদির কারণে হৃদরোগ হয়ে থাকে। হৃদরোগের উপসর্গগুলো হলো, বুকে ব্যথা (মনে হবে কেউ সূচালো সুই দিয়ে হৃদপিন্ডে খোঁচা দিচ্ছে), নাড়ির গতি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, শ্বাস-প্রশ্বাসে অস্বাভাবিকতা শরীরের রং ধূসর বা নীলাভ হয়ে যাওয়া, চোখের চারপাশ ফুলে যাওয়া, অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

এ ধরণের উপসর্গ দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিতে হবে। রসুন, পেঁয়াজ, মাছ, জলজ উদ্ভিদ, বাদাম, কালোজিরার তেল, জয়তুন তেল, সূর্যমুখীর তেল, অর্জুন ছাল, ডালিম, সয়া প্রোটিন, স্ট্রবেরি, গোলাপ ইত্যাদি হৃদরোগ প্রতিরোধে উপকারী। গুরুপাকজাতীয় খাবার (বিরিয়ানি, টিকিয়া, কাবাব, ফাস্টফুড) লাল মাংস, কলিজা, চিংড়ি, ইলিশ মাছ ইত্যাদি খাদ্য শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিধায় এগুলো পরিত্যাজ্য।

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে সঠিক রোগ নির্ণয় কেন্দ্রের যথেষ্ট অভাব রয়েছে এবং একই সাথে রোগ নিরাময় কেন্দ্রের খরচও অনেক।

দেশের বেশির ভাগ মানুষই যেখানে গরিব এবং তিনবেলা খাবার জোটানোই তাদের জন্য কষ্টকর, সেক্ষেত্রে তাদের রোগ নির্ণয়ের খরচ জোগানো অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। তাই প্রাকৃতিক উপায়ে উপসর্গ দেখে রোগের প্রাথমিক অবস্থা নির্ণয় একটি কার্যকর পদ্ধতি। এ সম্পর্কে আমাদের সবার সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন।

Diabetics / Natural Solution of Diabetics
« on: June 05, 2013, 11:02:03 AM »
অতি প্রাচীনকাল থেকে আজ অবধি মানুষ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। মূলত রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া হচ্ছে ডায়াবেটিস । ইনসুলিন নামক হরমোনের উৎপাদনের সমস্যা অথবা ইনসুলিন সঠিকভাবে কাজ করতে না পারার কারণে এটি হতে পারে।

ডায়াবেটিস নির্ণয় করা হয় বেশ কিছু উপসর্গ ও লক্ষণের ভিত্তিতে। বারবার পানির পিপাসা ও মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, শরীর দুর্বল লাগা, ওজন কমে যাওয়া, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া এবং  সকালের প্রথম প্রস্রাব একটি স্বচ্ছ পাত্রে রেখে রোদে দিলে যদি ৪ ঘণ্টার মধ্যে তলানি (প্রায় ৭০ ভাগ) জমে, তবে বুঝতে হবে এটি ডায়াবেটিস ইনসিপিডাসের লক্ষণ।

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করলে পোকামাকড়ের প্রস্রাবের কাছে আনাগোনা। বিশেষ করে পিপীলিকা জাতীয় প্রাণীর আসা, ডায়াবেটিস মেলিটাস নির্দেশ করে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেÑ তেলাকুচা, তুলসী, করলা, জারুল, মেথি, মেহগনি, নয়নতারা, ডুমুর, জামবীজ ইত্যাদি অত্যন্ত উপকারী এবং কার্যকরভাবে ফলপ্রদ।

ICT / Cost of Internet
« on: June 05, 2013, 10:54:50 AM »
 বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি)প্রস্তাবের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ইন্টারনেটের মূল্যহার নির্ধারণে সবার কাছে প্রস্তাব আহ্বান করেছে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন।

সম্প্রতি প্রতি মেগাবাইট ০.১০ পয়সা এবং প্রতি গিগাবাইট ১০.০০ টাকা দাবি করে আন্দোলন শুরু হলে বিভিন্ন মহলে সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ প্রেক্ষিতে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন বিটিআরসিতে প্রস্তাবের জন্য সবার কাছে মতামত চাওয়া হয়।

এরই মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলনের ফেসবুক পেইজ ( এবং ইভেন্টের মাধ্যমে সবার কাছ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে। এ ছাড়া ‘উন্মুক্ত মূল্যহার নির্ধারণী সভা’ ৫ জুন বুধবার বিকেল ৩টায় শাহবাগ চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় উপস্থিত হয়ে যে কেউ ভোক্তা পর্যায়ে ইন্টারনেটের মূল্যহার প্রস্তাব কর‍ার সুযোগ পাবেন। ভোক্তারা ১ মেগাবাইট কত পয়সায় আর ১ গিগাবাইট কত টাকায় পেতে আগ্রহী তা জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলনের সমন্বয়ক জুলীয়াস চৌধুরী জানান, প্রাপ্ত সবার মতামত বিশ্লেষন করে নির্ধারিত মূল্যহার ঘোষণার জন্য ৬ জুন বৃহস্পতিবার বিটিআ‍রসিতে লিখিতভাবে প্রস্তাব করা হবে।

এ মুহূর্তে গ্রামীণফোনের পিথ্রি প্যাকেজে ১ গিগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ ৫০.০০ টাকার কম। টেলিটক থ্রিজি এফথ্রি প্যাকেজে গ্রাহকের ১ গিগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ ৩৫.০০ টাকার কম। বর্তমানে আইএসপির জন্য প্রতি ১ সেকেন্ডে ১ এমবিপিএস হারে মাসের ব্যান্ডউইথের মূল্য ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে এখন ৪ হাজার ৮০০ টাকা করা হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলনের সমন্বয়ক বলেন, বিটিআরসি থেকে ঘোষিত ভোক্তা পর্যায়ের নতুন মূল্যহারে অবশ্যই ওই অনুপাতে কমাতে হবে। এ ছাড়াও অভিন্ন লক্ষ্যে সোমবার ঢাকা ইউনিভার্সিটি আইটি সোসাইটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলনের কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে।

Offshore Outsourcing / Outsourcing and online future career
« on: April 22, 2013, 04:41:16 PM »
সময় এখন অনলাইনের। তাই ভবিষ্যতে আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের জন্য অনলাইন জগতে বা আইটি সেক্টরের ক্যারিয়ার-ই সেরা।

বাংলাদেশের অনলাইনপ্রেমী তরুণদের কাছে বহুল আলোচিত সম্ভাবনার একটি হচ্ছে অনলাইন আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং। আউটসোর্সিংয়ের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতি ও ব্যক্তি অবস্থার মানোন্নয়ন করা সম্ভব।

বাংলানিউজকে কথাগুলো বলেন দেশের আইটি সেক্টরের একজন তরুণ উদ্যোক্তা। সহিদুল ইসলাম। তিনি ইটেক কর্ণার লিমিটেডের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক। 

বাংলানিউজকে সহিদুল ইসলাম বলেন, ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে পুরোপুরি বদলে নিতে সক্ষম হয়েছেন অনেকেই। একটি লক্ষণীয় দিক হলো আমাদের দেশে গত কবছরে প্রায় ৩ গুণেরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে। এ উন্নতিকে সাধুবাদ জানাতেই হবে।

ধীর গতি ও উচ্চ মূল্যের ইন্টারনেট এবং ইলেকট্রিসিটি সমস্যার মধ্যে থেকেই আমাদের দেশের তরুণেরা নিজ চেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছে। এ মুহূর্তে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং আমাদের জন্য বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থানের জন্য উজ্জ্বল ও অবারিত দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছে।

ফ্রিল্যান্সের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন করে আমাদের দেশের অর্থনীতির চাকা স্থিতিশীল করার সুযোগ আছে। পড়ালেখার সঙ্গে বা পড়ালেখা শেষে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং করে যে কেউ গড়ে নিতে পারেন নিজের ক্যারিয়ার।

নিজের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গে সহিদুল ইসলাম বলেন, ই টেক কর্ণার লিমিটেড এমপাওয়ারিং দ্য নেক্সট জেনারেশন স্লোগানে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে যাত্রা শুরু করে। দেশে আউটসোসিং খাতে দক্ষ জনবল ও একটি আউটসোর্সিং সেক্টরে বিশ্বমানের একটি প্রতিষ্ঠান তৈরিতে এগিয়ে আসেন প্যারাগন সিরামিকসের সিইও ও ফরিদপুর গ্রুপের এমডি ফারিয়ান ইউসুফ, পিআরআই’র জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ড. আশিকুর রহমান ও তারেক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান। এ চারজন মিলেই প্রতিষ্ঠানটির শুরু।

প্রথম অফিস নেওয়া হয় পান্থপথের ফিরোজ টাওয়ারে। এখানেই চলছে সব কাজ। এ মাসেই মিরপুরে আরেকটি শাখা অফিস শুরু হচ্ছে। শুরুতে ১০ জন স্টাফ দিয়ে শুরু। এরপর ক্রমান্বয়ে ১৮ জন হয়েছে। আর সংখ্যা এখন বাড়ছেই।

ভবিষ্যতে লক্ষ্য হচ্ছে এ সেক্টরে একটি ওয়ার্কিং জোন তৈরি করা। সারাদেশে একটি দল আউটসোর্সিং করবে। ঢাকায় একটি বড় ভবনের পুরোটাই আউটসোর্সিং ওয়াকিং জোন তৈরিতে কাজ করছে। প্রথম অবস্থায় দেড় হাজার লোক কাজ করবে বলে আশা করি। আমাদের চুড়ান্ত লক্ষ্য আউটসোর্সিং খাতে দেশে নেতৃত্ব দেওয়া। এ খাতে কেউ কারো প্রতিযোগী না বলে আমরা বিশ্বাস করি।
অন্য খাতে ব্যবসা করার চেয়ে অনলাইননির্ভর ব্যবসা শুরু করার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এখন সময়ের নেতৃত্বে দিচ্ছে অনলাইন। এখন অনলাইনে-ই সব কাজ সম্ভব। গত কবছরে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিষয় হচ্ছে মোবাইল ফোন।

এখন স্মার্টফোন হচ্ছে প্রধান আকর্ষণ। মোবাইলের পর আউটসোর্সিং বিষয়টি জনপ্রিয় ও আলোচিত। এখন আইটি খাতে ও অনলাইনে বিনিয়োগকারীরা আগামীর ব্যবসায় নেতৃত্ব দিবে। কারণ অনলাইন সামাজিক যোগাযোগের এ যুগে প্রথাগত ধারণা একেবারেই অচল।

সহিদুল বলেন, বিশ্ব প্রেক্ষাপট ও দেশের সবদিক বিবেচনা করলে আউটসোর্সিং হচ্ছে সবচেয়ে যুগোপযোগি বিষয়। অনেকে বিনিয়োগের অভাবে ভালো ক্যারিয়ার করতে পারছে না। কিন্ত এ খাতে বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ নয়। এখানে একটি কম্পউটার আর পরিশ্রমের মাধ্যমে সফল হওয়া সম্ভব।

আমাদের প্রধান বিষয় আউটসোর্সিং খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা। বেশিরভাগ আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য প্রশিক্ষণ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া। কিন্তু আমরা এখানেই তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করি। প্রশিক্ষণের পর তারা এখানে আবার বাইরেও কাজ করতে পারেন। আমরা সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে থাকি। আমাদের প্রতিটি শিক্ষার্থীকেই রিসোর্সে পার্সন হিসেবে তৈরি করতে চাই।

এখন ৭টি ব্যাচে প্রশিক্ষণ চলছে। প্রতিটি ব্যাচে ১২ জন করে শিক্ষার্থী। এখন ৮৪ জন প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। নতুন ভর্তি হয়েছেন আরও ২৩ জন। লক্ষ্য এ বছর ৫০০ স্টুডেন্ট তৈরি করা।

আমাদের কোর্সি ফি সবার নাগালে রেখে সর্বোচ্চ সেবা দেবার চেষ্টা করছি। প্রশিক্ষণের জন্য অনলাইন আউটসোসিং ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। অ্যাডভান্স এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) ১৫ হাজার, গ্রাফিকস ডিজাইন ১৫ হাজার, গুগল অ্যাডসেন্স ১০ হাজার, এফিলিয়েট মার্কেটিং ১০ হাজার এবং ওয়েবপেজ ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট ২০ হাজার টাকা। মোট ৬টি কোর্স। বেসিক কম্পিউটার, আইএলটিএম। ইংরেজিতে দক্ষ বানানো হচ্ছে। 

আমাদের অফিসে আছে কেন্দ্রীয় ওয়াইফাই জোন, মাল্টিমিডিয়া শ্রেণীকক্ষ, উচ্চগতির ইন্টারনেট, সর্বাধুনিক পিসি ছাড়াও সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রতিদিন ক্লাস শেষে ক্লাস সিট ও কোর্স শেষে সব মিলিয়ে একটি পূর্ণ ই-বুক দেওয়া হয়। দেশের দক্ষ জনবল নিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

Pages: 1 2 3 [4]