Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - khairulsagir

Pages: 1 [2] 3 4 ... 10
16



সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় উদ্ভাবিত হয়েছে যে পেপে পাতা ডেঙ্গুর জন্য বেশ কার্যকরী প্রতিষেধক। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে পেপে পাতার রসে থ্রম্বোসাইটিস (প্লাটিলেট) উৎপাদনে সাহায্যকারী উপাদান রয়েছে।

গবেষণাটির প্রধান গবেষক ছিলেন AIMST ভার্সিটির প্রফেসর ডক্টর এস. কাঠিরেসান। ডক্টর এস. কাঠিরেসান এর মতে ডেঙ্গুর ভাইরাস মূলত আমাদের রক্তের প্লেটলেট কমিয়ে দেয়। সাধারণত প্লেটলেটের জীবনকাল ৫ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত। এরপরে আবার প্রয়োজন অনুসারে নতুন প্লেটলেট উৎপাদন হয়।

ডেঙ্গুর ভাইরাস শরীরে যতদিন কার্যকর থাকে ততদিন পর্যন্ত নতুন শরীরে নতুন প্লেটলেট উৎপাদনের ক্ষমতা নষ্ট করে দিতে ভূমিকা রাখে। সাধারণত একজন সুস্থ মানুষের রক্তের স্বাভাবিক প্লেটলেটের পরিমাণ হলো প্রতি মাইক্রো লিটারে ১৫০,০০০ থেকে ২৫০,০০০ পর্যন্ত। ডেঙ্গু হলে এই প্লেটলেটের সংখ্যা খুব দ্রুত কমে যেতে থাকে।
তার মতে, ১০০,০০০ এর নিচে প্লেটলেট লেভেল চলে আসলে তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারেন। প্লেটলেট লেভেল যদি ৫০০০০ এ নেমে আসে তাহলে থ্রমবোসাইটোপেনিয়া হয়ে যায়। ফলে অনেক সময় রোগীর মৃত্যু হতে পারে। তাই ডেঙ্গু হলে প্লেটলেট পরীক্ষা করে দেখা হয়। প্লেটলেট খুব কমে গেলে জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করানো উচিত।
প্লেটলেটের পরিমাণ যখন অস্বাভাবিক কমে যায় তখন রক্ত জমাট বাধতে শুরু করে এবং হ্যামোরেজিং হতে পারে। এর ফলে শরীরের অভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণ হয় এবং রোগীর মৃত্যু ঘটে।

পেঁপে পাতার রস ডেঙ্গুর প্রতিষেধক এটা নিয়ে অনেক মানুষ দ্বিমত পোষন করেছে। কিন্তু ইউনিভার্সিটি অফ ফ্লোরিডা রিসার্চ সেন্টারের গবেষক নাম ড্যাং এর মতে পেঁপে পাতার রস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং তা ডেঙ্গু জ্বর খুব দ্রুত সারিয়ে তোলে। এমনকি পেঁপে পাতার রস ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়তা করে। শ্রীলঙ্কার ফিজিশিয়ান ডাক্তার সানাথ হেট্টিগ এর মতে পেপে গাছের কচি পাতার রস ডেঙ্গুর ওষুধ হিসেবে খুবই উপকারী। তার এই গবেষণাটি ২০০৮ সালে শ্রীলংকান জার্নাল অফ ফ্যামিলি ফিজিশিয়ানস এ প্রকাশিত হয়েছিলো।

যেভাবে কাজ করে
ডাক্তার সানাথ হেট্টিগ এর মতে পেঁপে পাতায় কিমোপাপিন ও পাপেইন নামে দুটি এনজাইম আছে। এই উপাদান দুটি প্লেটলেট উৎপাদন বাড়ায় এবং রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে। এছাড়াও এগুলো ডেঙ্গুর কারণে লিভারের কোনো ক্ষতি হয়ে থাকলে সেটা ঠিক হতে সহায়তা করে। এছাড়াও পেঁপে পাতায় আছে প্রচুর পরিমাণে কমপ্লেক্স ভিটামিন যা বোন ম্যারোকে প্রচুর পরিমাণে প্লেটলেট উৎপাদন করতে সহায়তা করে।

যেভাবে খেতে পারেন
ডাক্তার সানাথ হেট্টিগের মতে পেপে পাতার রস খেতে হলে মোটামুটি কচি পাতা বেছে নেয়া উচিত। এরপর এই পাতা খুব ভালো করে ধুয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে অথবা বেটে রস বের করে ছেঁকে নিতে হবে। এর সঙ্গে কোনো চিনি কিংবা লবণ দেয়া যাবে না। প্রাপ্ত বয়স্কদের দিনে দুবার ৮ ঘন্টার বিরতি দিয়ে ১০ মিলি লিটার পরিমাণ পেপের রস খাওয়া উচিত। ৫ থেকে ১২ বছর বয়সিদের ৫ মিলি লিটার ও ৫ বছরের ছোটদের ২.৫ মিলি লিটার পেঁপে পাতার রস খাওয়া উচিত।

কখন খেতে হবে
ডাক্তার সানাথের মতে ডেঙ্গু জ্বর হলেই পেঁপে পাতার রস খাওয়া উচিত। রক্তের প্লেটলেট লেভেল ১৫০,০০০ এর নিচে নামতে শুরু করলেই পেপে পাতার রস দুই বেলা করে খাওয়া শুরু করতে হবে। তবে সেই সঙ্গে ডাক্তারের পরামর্শে অন্যান্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবাও নিতে হবে।







Source: https://www.facebook.com/healthinessbd/

17


বিশ্বের সবচেয়ে ছোট শামুকের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার একদল গবেষক। মালয়েশিয়ার বোর্নিও দ্বীপে দশমিক পাঁচ থেকে দশমিক ছয় মিলিমিটার (০.০২ ইঞ্চি) দৈর্ঘ্যের এই খুদে শামুকের সন্ধান পান গবেষকেরা। মানুষের পাঁচটি চুল পাশাপাশি রাখলে যতটা পুরু হয়, এই শামুকগুলোর আকার বড় জোর ততটা হতে পারে। গবেষকেরা এটাকে বলছেন ডোয়ার্ফ বা ‘অ্যাকমেলা নানা’।
এর আগে আবিষ্কৃত সবচেয়ে ছোট শামুকের দৈর্ঘ্য ছিল দশমিক ৮৮ মিলিমিটার (০.০৩ ইঞ্চি)। গত সেপ্টেম্বর মাসে চীনে এই খুদে শামুক পাওয়া যায়।
গতকাল সোমবার প্রকাশিত ‘জুটাক্সা’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণা সংক্রান্ত নিবন্ধ। গবেষকদের দাবি, খুদে এই শামুকের পাশাপাশি আরও ৪৭ প্রজাতির ভূচর শামুকের সন্ধান পেয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যে অদ্ভুতভাবে বেঁকে থাকা কিছু শামুকও রয়েছে।
ন্যাচারালিস বায়োডাইভারসিটি সেন্টার ও নেদারল্যান্ডসের লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও গবেষণা নিবন্ধের প্রধান লেখক মেননো সিলথুইজেন বলেন, গবেষকেরা এখনো বুঝতে পারেননি এই শামুকের অদ্ভুত খোলস কী কাজে লাগে। ভূচর শামুকের জন্য এটা অস্বাভাবিক। দীর্ঘ আকৃতির অর্থ এগুলো ভঙ্গুর।




গবেষকেরা শুধু শামুকগুলোর খোলস পেয়েছেন। এগুলো কোথাকার, সে তথ্য তাঁরা বের করতে পারেননি। তবে এই খোলসগুলো শামুকের শ্রেণীকরণে কাজে লাগবে বলে মনে করেন তাঁরা। সুইজারল্যান্ডের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের গবেষক আইকে নিউবার্ট বলেন, খুদে শামুক খুঁজে পাওয়ার চেয়ে এ গবেষণার গুরুত্ব হচ্ছে ৪৮টি প্রজাতির সন্ধান লাভ। এ গবেষণা প্রমাণ করে, জীববৈচিত্র বোঝার ক্ষেত্রে আমরা কত পিছিয়ে আছি। এ ধরনের জরিপ তাই আরও প্রয়োজন।







Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/673288/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95

18
১. ক্যালসিয়ামের অভাব
কিডনির পাথরে মধ্যে ক্যালসিয়াম থাকে। তাই একসময় খাদ্যে ক্যালসিয়াম কমানোর পরামর্শ দিতেন গবেষকরা। তবে এটা ছিল পুরোনো ধারণা। এখন বিশেষজ্ঞরা বলেন, যারা কম ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খায়, তাদেরও এই সমস্যা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আসলে পুরো বিষয়টিই হলো ভারসাম্যের। বেশিও নয়, কমও নয়, পরিমাণ মতো খেতে হবে।

২. সবজি
অক্সালেট পাওয়া যায় পাতাযুক্ত শাকসবজিতে। যেমন : পুঁইশাক, বিট পালং ইত্যাদি। এই অক্সালেট ক্যালসিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অন্ত্রে ইউরিনারি ট্যাক্ট দিয়ে বের হয়ে যায়। তবে এই অক্সালেট যদি বেশি পরিমাণে হয়, এটি পাথর গঠন করতে পারে। এর মানে এই নয় যে আপনি সবজি খাবেন না। তবে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে কম অক্সালেট-সমৃদ্ধ সবজি খান।

৩. লবণ
বেশি লবণ খাওয়া কিডনির জন্য ক্ষতিকর। যদি আপনার সোডিয়াম গ্রহণ বেড়ে যায়, তবে কিডনি থেকে ক্যালসিয়াম নিঃসৃত হয়। প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম বেড়ে গেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন সুস্থ মানুষ প্রতিদিন দুই হাজার ৩০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম গ্রহণ করতে পারবেন। তবে যারা উচ্চ রক্তচাপের রোগী, তারা এক হাজার ৫০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম প্রতিদিন গ্রহণ করতে পারবেন।

৪. বেশি মাংস খাওয়া
অন্যদিকে বেশি লাল মাংস (গরু, খাসি) এবং পোলট্রির মাংস খাওয়া কিডনির পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সবজি এবং মাছ বেশি খায় তাদের ৩০ থেকে ৫০ ভাগ কিডনির পাথর হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

৫. ভৌগোলিক কারণে
দক্ষিণ-পূর্ব ইউনাইটেড স্টেটকে সাধারণত বাইবেল বেল্ট বলা হয়। তবে ইউরোলজিস্টরা একে কিডনি স্টোন বেল্ট হিসেবে বলে থাকেন। আমেরিকান জার্নাল অব এপিডেমোলজি ১৯৯৬ সালে জানিয়েছে, যারা এই এলাকায় থাকেন, তারা কিডনিতে পাথর হওয়ার দ্বিগুণ ঝুঁকিতে থাকেন। কারণ এসব অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি থাকে। এর ফলে এরা প্রচুর ঘামে এবং পানিশূন্যতায় ভোগেন। যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না পান করেন, তবে কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৬. বংশগত কারণে
যদি আপনার বাবা-মা কারো এই সমস্যা হওয়ার ঘটনা থাকে, তবে আপনারও কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। জিনগত কারণ এখানে কাজ করে। ওজনাধিক্য এবং ডায়াবেটিস হওয়ার ক্ষেত্রেও জিনগত কিছু কারণ কাজ করে

৭. আইবিডি
যেসব লোকের ইনফ্লামেটরি বাউয়েল রোগ থাকে, তারা কিডনির রোগ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। ২০১৩ সালের ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব নিউরোপ্যাথির একটি গবেষণায় এই তথ্য পাওয়া যায়।

৮. ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন
ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন আরেকটি কারণ কিডনিতে পাথর হওয়ার। কেবল কিডনিতেই পাথর হয় না, ইউরিনারি ট্রাক্টেও পাথর তৈরি হতে পারে।

৯. মাইগ্রেনের ওষুধ
টপিরামেট জাতীয় (এটা টোপাম্যাক্স হিসেবে পাওয়া যায়) ওষুধ কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। এগুলো সাধারণত মাইগ্রেনের রোগে ব্যবহার করা হয়। ২০০৬ সালের আমেরিকান জার্নাল অব কিডনি ডিজিজের প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, টপিরামেট ইউরিনারি ট্র্যাক্টে পিএইচের পরিমাণ বাড়ায় যেটা কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার জন্য দায়ী। তাই এ ধরনের ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

১০. ওজন
২০১১ সালের জার্নাল অব ইউরোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়, পাতলা লোকদের থেকে ওজনাধিক্য নারীরা ৩৫ শতাংশ বেশি কিডনির পাথর হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। বেশি ওজন ইউরিনারি ট্র্যাক্ট পরিবেশকে পরিবর্তন করে, যা কিডনির পাথর হওয়ার প্রক্রিয়া বাড়ায়। প্রস্রাবের পিএইচের মাত্রাকে পরিবর্তন করে, যা ইউরিক এসিড তৈরি করে এবং কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি বাড়ায়।







Source: http://www.latestbdnews.com/the-10-are-reason-kidney-stones/

19
দেখতে দেখতেই মেঘগুলো খরগোশ হয়ে গেল! আহ! আর একটা ভালুক এসে খেয়ে ফেলল সেই খরগোশটাকে! শিশুদের কল্পনাশক্তি কিন্তু এমনই প্রবল। আবার যেন অনেকটা এভাবেই নিজের ভেতর আলাদা এক জগৎ গড়ে নিতে নিতে একদিন ওরা গল্পের গরু গাছে ওঠাতে শুরু করে। এমন কিছু বলে বসে যা আদতে ঘটেইনি। কিংবা যা ঘটেছে তা না বলে অন্য কিছু একটা বলে দেয়। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, একটা বয়সে প্রায় সব শিশুই কখনো না কখনো এমন মিথ্যা বলেই। শিশুদের এমন মিথ্যা কথার নেপথ্যের নানা কারণ আর তার প্রতিকার এখানে তুলে ধরা হলো।

* ছোট্ট শিশুরা হয়তো সত্য বলা আর মিথ্যা বলার তফাত জানে না। এ ধরনের মিথ্যা হয়তো ক্ষতিকর নয়, কিন্তু স্কুলে যাওয়ার বয়স হয়ে গেলে এ বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে।
* স্কুলের নতুন পরিবেশে অনেক নতুন মুখের সঙ্গে পরিচিতি শিশুদের মধ্যে অনেক সময় ভীতি তৈরি করতে পারে। ওরা হয়তো নিজেদের ভুল-ত্রুটি আড়াল করতে মিথ্যা বলতে পারে। নিজের ভুলটুকু অন্যের চোখে পড়লে বাকিদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে চিন্তিত হয়েও ওরা এটা করতে পারে।
* অনেক সময় সবার মনোযোগ আকর্ষণের জন্যও শিশুরা মিথ্যা বলে। বিশেষত অবহেলিত শিশুদের মধ্যে এই প্রবণতা দেখা যায়। ভালোবাসা আর আদর যত্ন দিয়েই ওদের এই সমস্যা সারিয়ে তোলা সম্ভব।
* অনিশ্চয়তা আর আত্ম-মর্যাদার অভাব থেকে অনেক সময় শিশুদের মধ্যে বাড়িয়ে বলার অভ্যাস দেখা যায়। এটাও এক ধরনের মিথ্যা কথা বলা। খেলার সাথিদের সঙ্গে পাল্লা দিতে, সবাইকে নিজের বাহাদুরি দেখাতে শিশুরা এমন মিথ্যা বলতে পারে।
* অনেক সময় বাবা-মাকে পরিবার ও পেশাগত জীবনে মিথ্যা বলতে দেখেও শিশুরা মিথ্যা বলা শুরু করতে পারে। ওরা ভাবতে পারে যে, এটা দোষের কিছু নয়, বাবা-মা তো বলেই।
* ছোটবেলা থেকেই শিশুদের কল্পনা আর মিথ্যার মধ্যে তফাতটা ধরিয়ে দিতে শুরু করুন। ওদের গল্পগুলো শুনুন, কিন্তু একটা বয়সের পর গল্পটা ব্যাখ্যা করে করে ওদের বাস্তব আর কল্প-কাহিনির তফাত বুঝিয়ে দিন।
* রূপকথা, উপকথার এমন গল্পগুলো শিশুদের শোনান যেখান থেকে ওরা ভালো কিছু শিখতে পারে। যাতে ভালো কাজ আর মন্দ কাজ সম্পর্কে ওরা বুঝতে পারে। মিথ্যা কথা মানুষের জন্য কতটা ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে সে বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন।
* অনেক সময় অভিভাবকেরা শিশুদের এই সব ছোট্ট ছোট্ট মিথ্যাগুলো শুনে কেবল প্রশ্রয়ের হাসি হাসেন। কিন্তু ধীরে ধীরে ওদের মিথ্যা কথার পরিণতিটা বুঝিয়ে না দিলে এই অভ্যাস থেকে বের হওয়াটা শিশুর জন্য কঠিন হতে পারে।
* শিশুকে নিয়ে বসুন, শিশুর কাছে জানতে চান কী কারণে সে এই মিথ্যা কথাটা বলল/সত্য কথা বললে ওর কী সমস্যা হতো, ইত্যাদি। কথা বলে ওর মানসিক অবস্থাটা বুঝে নিন এবং সমস্যা থাকলে সেটা সমাধান করুন।
* সব সময় শিশুর ইতিবাচক আচরণের প্রশংসা করুন এবং সত্য বলা ও ভালো কাজের জন্য শিশুকে পুরস্কৃত করুন। এটা শিশুদের ইতিবাচক কাজে ও সত্য কথায় উৎসাহিত করে।
* যদি অভিভাবকদের নিজেদের আচরণগত ত্রুটির কারণে শিশুরা মিথ্যা বলা শেখে সেটা খুবই বিপজ্জনক। ফলে নিজেদের শুধরে নিন আর মনে রাখুন যে, মা-বাবার কাছ থেকেই শিশুরা সবচেয়ে বেশি শেখে।








Source: http://www.prothom-alo.com/life-style/article/587842/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87

20
পরিমাণ মতো চকলেট খেলে তা হৃদ্‌যন্ত্রের উপকারে আসতে পারে। নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্যপ্রমাণ মিলেছে বলে যুক্তরাজ্যের গবেষকদের দাবি। সম্প্রতি গবেষকদের এ তথ্যের বরাত দিয়ে এএফপির এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়।

যুক্তরাজ্যের চিকিৎসা সাময়িকী ‘হার্টে’ এ বিষয়ে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন স্কটল্যান্ডের অ্যাবারডিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিয়ো মাইন্ট। তাঁর ভাষ্য, গবেষণাটিতে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
গবেষণাটি ছিল পর্যবেক্ষণমূলক। এতে কারণ ও কার্যকারিতা উঠে আসেনি। গবেষণায় স্রেফ অবস্থাটা জানা গেছে।
জরিপের মাধ্যমে গবেষকেরা প্রায় ২১ হাজার মানুষের জীবনযাপনের তথ্য এবং ১১ বছরের বেশি স্বাস্থ্যগত তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা গড়ে প্রতিদিন সাত গ্রাম করে চকলেট খেয়েছেন।
এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন গবেষণার ফলাফলও পর্যালোচনা করেছেন গবেষকেরা। এতেও নিয়মিত পরিমিত চকলেট খাওয়ার উপকারিতার দিকটি উঠে এসেছে।






http://www.prothom-alo.com/technology/article/569518/%E0%A6%9A%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%B9%E0%A7%83%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B

21
এই নগর জীবনে সারাক্ষণ ছুটতে থাকাটাই যেন নিয়তি। কাজের বাইরে যতটুকু সময়, সেটুকুও চলে যায় এটা-সেটা করতে করতেই। আর আছে রাজ্যের ক্লান্তি। যানবাহনে বসে-দাঁড়িয়ে অফিস ফেরত মানুষদের ঝিমানোর দৃশ্য তো নিত্যদিনের। অফিসে বসেই ক্লান্তিতে শরীর ভেঙে পড়তে চায় কখনো কখনো। প্রতিদিনকার ক্লান্তির কিছু সাধারণ কারণ আর তা থেকে পরিত্রাণের উপায় নিয়ে তুলে ধরা হলো এখানে।

অ্যানিমিয়া ও আয়রনের ঘাটতি
সব সময় ক্লান্তি লাগার কথা বললে চিকিৎসকেরা হয়তো প্রথমেই বুঝতে চাইবেন আপনার শরীরে আয়রন বা লৌহের ঘটাতি আছে কি না। রক্তশূন্যতা সহ নানা কারণেই এই ঘাটতি হতে পারে। খাবারদাবারে যথাযথ পরিমাণে লৌহ না থাকলে এমন দুর্বলতা বেড়ে যেতে পারে। আমাদের দেশে মেয়েদের মধ্যেই রক্তশূন্যতা বেশি দেখা গেলেও ছেলেরাও এতে ভুগতে পারে। ঋতুমতী নারীদের অনেকে, বিশেষত কম বয়সী মেয়েরা এমন রক্তশূন্যতায় বেশি ভোগে। প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি খাওয়া এবং লৌহের ঘাটতি মেটানো এই সাধারণ ক্লান্তি থেকে মুক্তির ভালো উপায়।

ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোম
ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোম বা ‘সিএফএস’ আরেকটি সাধারণ অসুস্থতা যা থেকে ক্লান্তি লাগতে পারে, দুর্বলতা ভর করতে পারে। এমন সমস্যায় আক্রান্তরা সারা রাত ঘুমালেও পরদিনও তাদের ক্লান্তি দূর হয় না। ঠিক কোন সমস্যা থেকে সিএফএস তৈরি হয় তা বলা মুশকিল। তবে, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, ভাইরাসের সংক্রমণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এমনকি প্রচণ্ড মানসিক চাপ বা উদ্বেগ থেকেও এটা হতে পারে। এই ক্ষেত্রে প্রত্যেক রোগীর অবস্থাভেদে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। পাশাপাশি এই অবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্য অনেক থেরাপিও আছে।

ব্লাড সুগারের ওঠানামা
ব্লাড সুগার বা রক্তে শর্করার পরিমাণ ওঠানামার কারণেও এমন শারীরিক ক্লান্তি তৈরি হতে পারে। ডায়াবেটিসের অনেক উপসর্গের মধ্যে প্রায়ই শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া, ক্লান্তিতে নেতিয়ে পড়া অবস্থাও একটি। আর বার বার প্রস্রাব পাওয়া আর তৃষ্ণার্ত হয়ে যাওয়া তো ডায়াবেটিসের একটি সাধারণ লক্ষণ। এমন হয়ে থাকলে সাধারণ রক্ত পরীক্ষা থেকেই আপনি ডায়াবেটিস শনাক্ত করতে পারবেন। ডায়াবেটিস ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে শুরু করুন। নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে সহজেই এটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

হতাশা ও বিষণ্নতায় ভোগা
কোনো কিছু নিয়ে গভীর হতাশায় ডুবে আছেন? অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে লাগাতার বিষণ্নতায় ভুগছেন? তাহলেও কিন্তু এমন দুর্বলতা আর ক্লান্তি ভর করতে পারে। এমন হলে আপনি একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান। নিজের সমস্যার কথা খুলে বলে তাঁর পরামর্শ নিন। অল্প দিনেই আপনি হয়তো আবার নিজেকে ফিরে পেতে শুরু করবেন।
(টিএনএন অবলম্বনে)

22
হাতের কাছের মোবাইল ফোনটিই আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্য স্মরণ করিয়ে দিতে পারে। বাংলাদেশের অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার জিপি বিডি লিমিটেড তৈরি করেছে ‘জিও অ্যালার্ট’ নামের নতুন রিমাইন্ডার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন।

অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির দাবি, প্রচলিত রিমাইন্ডার অ্যাপ্লিকেশনের সঙ্গে এই অ্যাপটির অনেক পার্থক্য। যেকোনো সময়ে যেকোনো কিছু মনে করিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিশ্চিন্তে দিয়ে দেওয়া যাবে অ্যাপটিকে। অ্যাপ্লিকেশনটি নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছালে মনে করিয়ে দেবে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে কিংবা ফেরার পথে কোনো নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকাকালীন আপনাকে মনে করিয়ে দেবে যা মনে রাখতে চেয়েছিলেন। রিমাইন্ডার সেট করার সময়েই শুধুমাত্র ইন্টারনেট কানেকশন লাগবে আর জিপিএস থাকতে হবে অন। এতে করে আপনার অবস্থান সম্পর্কে জেনে যাবে এই অ্যাপ্লিকেশন এবং মনে করিয়ে দেবে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য। যদি জিপিএস বন্ধও থাকে তবুও আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্য মনে করিয়ে দিতে সক্ষম এ অ্যাপ্লিকেশনের জিওফেন্স নামেন একটি ফিচার।
অ্যাপ নির্মাতারা জানান, অ্যাপ ব্যবহারকারীরা লোকেশন সেট করতে পারেন গুগল ম্যাপ অথবা কারেন্ট লোকেশন এমনকি এলাকার নাম টাইপ করেও। আপনার সেট করা সমস্ত জায়গা গুগল ম্যাপ এ দেখতে পারবেন। নির্দিষ্ট বার, অথবা প্রতিদিনের যেকোনো রিমাইন্ডার আপনি সেট করতে পারেন, নির্দিষ্ট দূরত্ব দিয়েও রিমাইন্ডার সেট করে নিতে পারেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই অ্যাপ্লিকেশন এ আছে ভয়েস রিমাইন্ডার সার্ভিস, যার সাহায্যে আপনার চাওয়া অনুসারে মানুষের কণ্ঠে কথা বলে সেবা অব্যাহত রাখবে।
অ্যাপ ডাউনলোড করার লিংক https://play.google.com/store/apps/details?id=com.powergroupbd.geopoweralert







Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/530218/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA

23
Public Health / শুধু লবণ দায়ী নয়
« on: April 30, 2015, 12:59:17 PM »
উচ্চ রক্তচাপের জন্য কেবল লবণকে দায়ী করবেন না। এ রোগের জন্য বরং পটাশিয়ামের ঘাটতি অনেকাংশে দায়ী। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের গবেষক লিন মুর এ কথা জানিয়েছেন। এ গবেষণা প্রতিবেদন জেএএমএ পেডিয়াট্রিকস সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মানুষকে দিনে দুই হাজার মিলিগ্রামের চেয়ে বেশি লবণ (সোডিয়াম ক্লোরাইড) খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেয়। আর মার্কিনদের জন্য খাদ্যাভ্যাস বিষয়ক বর্তমান নির্দেশনায় ২ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের প্রতিদিন লবণ খাওয়ার পরিমাণ ২ হাজার ৩০০ মিলিগ্রামে সীমিত রাখতে বলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, উচ্চ রক্তচাপ থেকে সুরক্ষার জন্য পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার (যেমন: আলু, কলা, টমেটো, সবুজ শাকসবজি, লেবুজাতীয় ফল, মাছ, দই ও চর্বিমুক্ত দুধ) খেতে হবে। আইএএনএস।





Source: www.prothom-alo.com

24


রোদে পোড়া আর ধুলাবালু। এই সময়ে বাইরে যাওয়া মানেই ত্বকে এসবের প্রভাব পড়া। তবে একটু যত্ন নিলে ত্বক থাকবে সতেজ। ফেসওয়াশ তো নিয়মিত ব্যবহার করেন। পাশাপাশি মুখের ত্বকের তেলতেলে ভাব কাটিয়ে সতেজ থাকতে মাঝেমধ্যে স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। স্ক্রাব ত্বকের গভীরের ময়লা সহজেই তুলে আনে। হেয়ারোবিক্সের রূপ পরামর্শক শাদীন মাহবুব বলেন, ‘স্ক্রাবের ভেতরের দানাদার উপাদান সহজেই মুখের ত্বকে থাকা মৃত কোষ সরিয়ে ত্বকে লাবণ্য ফিরিয়ে আনে। এ ছাড়া স্ক্রাবে থাকা তেল বা ক্রিম ত্বককে সতেজ করে তোলে। আমাদের ত্বকে প্রতিনিয়ত একধরনের তৈলাক্ততা তৈরি হয়, যা লোমকূপ দিয়ে বেরিয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে যায়। কোনো কারণে লোমকূপ বন্ধ হয়ে গেলে সেখানে ব্ল্যাক হেডস তৈরি হয়। স্ক্রাব ব্যবহারে ব্ল্যাক হেডস হওয়ার আশঙ্কা কমে।’
স্ক্রাব ব্যবহার করবেন, তবে দৈনিক না। এমনটাই জানালেন রূপ পরামর্শকেরা। শাদীন মাহবুবের মতে, সপ্তাহে দুই দিন মুখে স্ক্রাব করালেই ত্বক ভালো থাকবে। এ ছাড়া ভালোমতো স্ক্রাব করে নিলে শেভ করতেও বাড়তি সুবিধা মিলবে। এর ফলে ব্ল্যাক হেডস ও ত্বকের নিচে থাকা লোমের গোড়া একই সঙ্গে পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে রেজর চালাতেও সুবিধা হয়। বাইরে যাওয়ার পর কড়া রোদে মুখে যে কালচে ভাব আসে সেটাও দূর হয়ে যায় স্ক্রাবে। যাদের ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যাচ্ছে তারা স্ক্রাব মাসাজের ফলে বয়সের ছাপ দূর করে ফেলতে পারেন।
বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্ক্রাব ক্রিম কিনতে পাবেন। তা ছাড়া চাইলে ঘরেও তৈরি করে নিতে পারেন। ঘরে বসে স্ক্রাব প্যাক তৈরির তিনটি পদ্ধতি জেনে নিন শাদীন মাহবুবের কাছে।

আধা চা-চামচ গমের ভুসির সঙ্গে এক টেবিল চামচ জলপাই তেল ও আধা চা-চামচ দানা গুড় মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এবার মুখে বৃত্তাকারে ঘষে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

এক টেবিল চামচ ওট নিয়ে তার সঙ্গে এক টেবিল চামচ জলপাই তেল ও এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে পেস্ট বানান। এবার সেটা মুখে ঘষে মিনিট দুই পর ধুয়ে ফেলুন।

পরিমাণমতো ক্লেনজিং মিল্ক নিয়ে তার সঙ্গে গমের ভুসি মিলিয়ে মুখে মাখুন। স্ক্রাব করে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে হবে।






Source: www.prothom-alo.com

25



জাপানের তৈরি পোশাক খাতের সুপরিচিত একটি ব্র্যান্ড ইউনিক্লো। এই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের সালোয়ার-কামিজের ডিজাইন অনুসরণ করে তৈরি নারীদের গ্রীষ্মকালীন কয়েকটি পোশাক আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইউনিক্লোর জাপান, চীন, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের দোকানে এপ্রিল মাসের ২০ তারিখে এ পোশাক বিক্রি শুরু হবে। ২৭ এপ্রিল থেকে এসব পণ্য অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিক্লোর দোকানে পাওয়া যাবে।

ইউনিক্লো হচ্ছে জাপানভিত্তিক বিশ্বের নেতৃস্থানীয় তৈরি পোশাক বিক্রির কোম্পানি ফাস্ট রিটেইলিংয়ের বিক্রি করা পোশাকের ব্র্যান্ড নাম। কোম্পানি বাংলাদেশের কয়েকটি তৈরি পোশাক কারখানার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। তবে এবারই প্রথম বাংলাদেশের মেয়েদের প্রচলিত পোশাকের নকশা অনুসরণ করে নিজেদের ডিজাইনে তৈরি পোশাক বাজারে বিক্রির উদ্যোগ নিল। জাপানসহ এশিয়ার অন্যান্য কয়েকটি দেশ ও পশ্চিমা বিশ্বের বাজারের জন্য উপযোগী এসব পোশাকের ডিজাইন করেছেন ইউনিক্লোর বিশ্ব ডিজাইন বিভাগের চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার লিয়ান নিলজ।

বাংলাদেশের সালোয়ার-কামিজের মতো করে বিশ্ববাজারের জন্য তৈরি ইউনিক্লো ব্র্যান্ডের পোশাকটোকিওতে গতকাল শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ফাস্ট রিটেইলিং কোম্পানি তাদের এই নতুন উদ্যোগ সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমকে জানায় এবং নতুন ডিজাইনের যেসব পোশাকের বিক্রি আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হচ্ছে। সাংবাদিকদের জন্য সেগুলো দেখার সুযোগ করে দেয়। সবগুলো পোশাকই উচ্চ মানসম্পন্ন সুতি ও স্বচ্ছ রেশমি কাপড়ের তৈরি এবং বাংলাদেশের পোশাক তৈরির কারখানাতে সেগুলো তৈরি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ফাস্ট রিটেইলিংয়ের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি বিভাগের প্রধান ইয়ুকিহিরো নিত্তা আরও ঘোষণা করেছেন যে এসব পোশাক বিক্রির আয়ের একটি অংশ কোম্পানি বাংলাদেশের নারী গার্মেন্টস শ্রমিকদের সমর্থনে নেওয়া নতুন এক উদ্যোগে খরচ করবে। নতুন এই উদ্যোগের আওতায় নারী শ্রমিকদের জীবনযাত্রা সহজ করে তোলার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মৌলিক পুষ্টি ও স্বাস্থ্যবিধি, গর্ভধারণসম্পর্কিত স্বাস্থ্যসেবা ও পরিচ্ছন্নতা, শিক্ষার সুযোগ ইত্যাদি। হংকংভিত্তিক আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা বিজনেস ফর সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষাসম্পর্কিত এই কর্মসূচির ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফাস্ট রিটেইলের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি বিভাগের কর্মকর্তা আই আওনুমা। নতুন এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ২০ হাজার নারীশ্রমিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ইউনিক্লো ব্র্যান্ড জাপানসহ পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ২০১০ সালে কোম্পানি বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে গ্রামীণ ইউনিক্লো লিমিটেড গড়ে তুলে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি দোকান ইতিমধ্যে চালু করেছে। ইউনিক্লো এবারই প্রথম কোনো একটি দেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের নকশা অনুসরণ করে তৈরি নতুন ধরনের পোশাক বাজারে ছাড়ার উদ্যোগ নিল।









Source: www.prothom-alo.com

26
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত যত রোগ আছে, সেগুলোর মধ্যে হিমোফিলিয়া বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এটি জিনের মাধ্যমে বংশপরম্পরায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে লক্ষণীয় বিষয়, কেবল পুরুষেরাই এ রোগে আক্রান্ত হলে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যায় ভোগে। আর নারীরা রোগটির জিন বৈশিষ্ট্য ধারণ করলেও রক্তক্ষরণজনিত সমস্যায় ভোগে না।
আমাদের রক্ত জমাট বাঁধা ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ হওয়ার জন্য রক্তে বেশ কিছু উপাদান বা ফ্যাক্টর কাজ করে। হিমোফিলিয়ায় জিনগত কারণেই এই উপাদানের অভাব থাকে। হিমোফিলিয়া দুই ধরনের। অষ্টম ফ্যাক্টরের অভাব ঘটলে হিমোফিলিয়া এ এবং নবম ফ্যাক্টরের অভাবে হিমোফিলিয়া বি রোগ হয়ে থাকে। বিশ্ব হিমোফিলিয়া ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি লাখে ২০ জন মানুষ হিমোফিলিয়া রোগে আক্রান্ত।

জিনগত রোগ হলেও জন্মের পরপরই সাধারণত এ রোগের তেমন কোনো উপসর্গ বোঝা যায় না। যখন শিশু হামাগুড়ি দিতে শুরু করে, তখন হাঁটুতে চাপ পড়ার কারণে রক্তক্ষরণ হয়ে হাঁটু ফুলে যেতে পারে। অনেক সময় প্রথম রোগটি ধরা পড়ে দাঁত পড়া বা খতনা করাতে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের সময়। সাধারণত হাঁটু, কনুই বা কোমরের সন্ধি বা মাংসপেশিতে রক্তক্ষরণ হয় বেশি। তবে ত্বকের নিচে, খাদ্যনালিতে এমনকি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণও বিরল নয়। রক্তক্ষরণের মাত্রা নির্ভর করে আঘাতের পরিমাণ এবং রক্ত জমাট বাঁধার উপাদানের পরিমাণের ওপর। যদি এই উপাদানের পরিমাণ ১ শতাংশের কম হয়ে থাকে, তবে মারাত্মক ধরনের হিমোফিলিয়া হয়, যাতে খুব সামান্য আঘাত বা বিনা আঘাতেও প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আর উপাদানের পরিমাণ ৫ শতাংশের বেশি থাকলে তাকে সাধারণ মাত্রার হিমোফিলিয়া বলা হয় এবং ১ থেকে ৫ শতাংশের মাঝামাঝি থাকলে মধ্যম মাত্রার হিমোফিলিয়া বলা হয়।

হিমোফিলিয়া রোগটি আপাতত নিরাময়যোগ্য নয়। রক্ত জমাট বাঁধার যে উপাদানের অভাব থাকে, সেটি ইনজেকশনের মাধ্যমে গ্রহণ করা ছাড়া আপাতত কোনো সমাধান নেই। নিয়মিত চিকিৎসা নিলে এবং সতর্কতার সঙ্গে জীবনযাপন করলে রোগী প্রায় স্বাভাবিক জীবন কাটাতে সক্ষম হয়, যদিও তাদের গড় আয়ু অন্যদের তুলনায় প্রায় ১০ বছর কম হয়ে থাকে। বর্তমানে এই রোগের আধুনিক চিকিৎসা ও ওষুধ বাংলাদেশেই পাওয়া যায়।
রক্তরোগ বিভাগ, অ্যাপোলো হাসপাতাল






Source: www.prothom-alo.com

27
Science and Information / স্টিক কম্পিউটার?
« on: April 04, 2015, 09:26:18 AM »




সার্চ ইঞ্জিন গুগল এবার বিশেষ মূল্যে ক্রোমবিটস ও ক্রোমবুকস বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। গুগলের অপারেটিং ক্রোম-চালিত এ কম্পিউটারটি মূলত একটি স্টিক! এটি যেকোনো মনিটর কিংবা টিভিতে যুক্ত করে সেই যন্ত্র কম্পিউটার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
ক্রোম অপারেটিং সিস্টেমভিত্তিক ওয়েবভিত্তিক এ স্টিক দিয়ে যেমন কম্পিউটার চলবে, তেমনি ব্যবহার করা যাবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ। পুরো পদ্ধতিতে ফাইল রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে ক্লাউডে।
এর আগে বাজারে আসার পরই বেশ জনপ্রিয়তা পায় ক্রোমবুকস। বিশ্বখ্যাত গবেষণাপ্রতিষ্ঠান গার্টনারের তথ্য অনুযায়ী গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ক্রোমভিত্তিক ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং ক্রোমবুকস বিক্রি হয়েছে প্রায় ৫০ লাখ। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছর এর বিক্রি হবে ৮০ লাখ এবং ২০১৮ সালের মধ্যে তা ১ কোটি ৬০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।
ক্রোমবিটস স্টিকটি গুগল তাইওয়ানের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা আসুসের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি বছরের শেষ দিকে যাতে এ স্টিক ১০০ ডলারের কমে পাওয়া যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে গুগল। গত জানুয়ারি মাসে ইন্টেলও একই ধরনের কম্পিউটার স্টিক বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেয়।
ডেভিস মারফি গ্রুপের প্রযুক্তি বিশ্লেষক ক্রিস গ্রিন বলেন, মানুষ বর্তমানে বড় কম্পিউটারের চেয়ে ছোট অনেকটা ইন্টারনেট মডেমের মতো কম্পিউটারকেই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রাখছে, যা বহনযোগ্য এবং চাইলে যেকোনো যন্ত্রে লাগিয়ে ওয়েবসাইট দেখাসহ নানা কাজ করতে পারে। আর সে বিষয়টি মাথায় রেখেই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন উদ্যোগ।
এ স্টিকের পাশাপাশি ১৪৯ ডলারের বিশেষ ক্রোমবুক ল্যাপটপও বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে গুগল। এর আগে মাইক্রোসফট সারফেস থ্রি ল্যাপটপ ৪৯৯ ডলারে বাজারে বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের কথা মাথায় রেখেই গুগল এবং মাইক্রোসফট কম দামের ল্যাপটপ তৈরির উদ্যোগ নেয়। এরই অংশ হিসেবে নতুন এ ল্যাপটপগুলো বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। বিবিসি







Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/493897

28
Fashion / অভিনব সুগন্ধি
« on: April 04, 2015, 09:23:10 AM »
শরীরে মাখানো সুগন্ধি যদি ঘামের সঙ্গে ভেসে না যায়, আর ঘামের দুর্গন্ধ যদি সেই সুগন্ধিকে আড়াল না করে বরং আরও কার্যকর করতে পারে—তাহলে কেমন হবে? অবাস্তব নয়, যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের একদল বিজ্ঞানী এমনই একটি বিশেষ সুগন্ধি তৈরি করেছেন। এটি ব্যবহারকারী যত ঘামবেন, সুগন্ধের মাত্রা তত বাড়বে। কারণ, এটি তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে বেশি সুবাস ছড়াতে থাকবে। আর তাই ঘামের গন্ধকে ছাপিয়ে তীব্র হতে থাকবে সৌরভ। বেলফাস্টের কুইন্স ইউনিভার্সিটির আয়নিক লিকুইড ল্যাবরেটরিজের (কিউইউআইএলএল) ওই গবেষণায় নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞানী নিমাল গুণারত্নে। সুগন্ধি তৈরির নতুন পদ্ধতিটি বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। কেমিক্যাল কমিউনিকেশনস সাময়িকীতে এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এএফপি।





Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/493909

29


এটা খেলে অ্যাসিড হয়, ওটা খেলে আবার কোষ্ঠ পরিষ্কার হয় না। যাঁদের হজমে সমস্যা, তাঁরা নানা রকম বাছবিচার করতেই থাকেন। কেউ দুধ খান না, কেউ বাদ দেন সব রকমের শাকসবজি, কেউ আবার মসলা বাদ দিয়ে আলাদা রান্না করেন। কিন্তু পেটের সমস্যা সমাধানের এসব চেষ্টা কি বিজ্ঞানসম্মত? আসুন জেনে নিই:

মসলা বেশি খেলে আলসার হয়?
চিকিৎসকেরা বলছেন, মসলা বা মসলাদার খাবার খাওয়ার সঙ্গে পাকস্থলীতে আলসার হওয়ার তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। কেননা, পাকস্থলীর আলসারের জন্য দায়ী হ্যালিকোব্যাকটার পাইলোরি নামের জীবাণু—এ কথা বেশ কিছুদিন হলো প্রমাণিত হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যথানাশক বা অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধও আলসারের কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার গ্যাস্ট্রিক-আলসারের রোগীর উপসর্গ হয়তো কিছুটা বাড়ায়, কিন্তু রোগটির মূল কারণ নয় মোটেও।

ধূমপান করলে পেট পরিষ্কার হয়?

ধূমপায়ীরা প্রায়ই বলেন, ধূমপান না করলে তাঁদের পেট পরিষ্কার হয় না, সিগারেটে এক টানেই নাকি গ্যাস কমে যায়। কিন্তু সত্যিটা একেবারেই উল্টো। সিগারেটের নিকোটিন মানুষের খাদ্যনালির স্ফিংটার বা দরজাকে অকার্যকর করে দেয়। ফলে অ্যাসিডিটি আরও বাড়ে। তার ওপর ধূমপান খাদ্যনালির প্রদাহ তৈরি করে। তাই পরিপাকতন্ত্রের ওপর ধূমপানের প্রভাব কোনোভাবেই ভালো নয়।

 

দৈনিক কোষ্ঠ পরিষ্কার না হওয়া খারাপ?

প্রতিদিন কোষ্ঠ পরিষ্কার হতেই হবে—এমন কোনো কথা নেই। মানুষের মলত্যাগের হার একেক সময় একক রকম হতে পারে। নির্দিষ্ট কোনো বিষয় নেই এতে। কারও দিনে তিনবার, কারও পুরো সপ্তাহে তিনবার মলত্যাগ করতে হয়—দুটোই স্বাভাবিক ব্যাপার। তাই একদিন কোষ্ঠ পরিষ্কার না হলেই চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

 

খাবার সময় বেশি করে পানি পান?

খাবার সময় বা আগে পরে বেশি করে পানি পান করলে হজম ভালো হবে—এই ধারণাও ভুল। সারা দিনে আপনাকে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে ঠিক, তার মানে এই নয় যে খাওয়ার সময় বারবার পানি খেতেই থাকবেন। বরং যাঁদের অ্যাসিড রিফ্লাক্স হয়, তাঁদের খাওয়ার মাঝে বেশি পানি না খাওয়াই ভালো।

 

টেনশনে আলসার হয়?

অনেকেই বলেন, উদ্বেগ আর টেনশনের কারণেই পেটে আলসার হয়েছে। এখানেও সেই কথা—পাকস্থলীর আলসারের সুনির্দিষ্ট কারণ পাওয়া গেছে; আর তা মূলত জীবাণুঘটিত। তবে উদ্বেগ বা টেনশনের সঙ্গে বদহজম, আইবিএস ইত্যাদি রোগের সম্পর্ক থাকতে পারে।

মেডিসিন বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ






Source: www.prothom-alo.com

30
Food / সুপারিতে ক্যানসার!
« on: March 24, 2015, 12:26:52 PM »
বিয়েতে পান-চিনি কিংবা রসিক আত্মীয়দের পান-সুপারির দাওয়াত দিয়ে আপ্যায়নের রীতি আমাদের সমাজে অনেক পুরোনো। তা ছাড়া উদ্দীপক উপাদানের কারণে অনেকেই নিয়মিত সুপারি চিবিয়ে থাকেন। শরীর চাঙা করার ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা ছয় কাপ কফির সমান। বিপত্তির খবর হলো, এই সুপারিই মুখে ক্যানসার আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। প্রথমবার সুপারি খাওয়ার কয়েক দশক পরও মুখে ক্যানসার হতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে। চুনও সংস্থাটির ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানের তালিকাভুক্ত। তাই এমন খবরে পান-সুপারিরসিকদের কপালে এখন থেকে ভাঁজ পড়ারই কথা। বিবিসি



Source: www.prothom-alo.com

Pages: 1 [2] 3 4 ... 10