Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - protima.ns

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 27
31
Thanks for your sharing.

32
বয়স বাড়লেও যেভাবে ধরে রাখবেন তারুণ্য|:
বয়স বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হারিয়ে যেতে থাকে ত্বকের তারুণ্য। সাধারণত ৩০ পেরোলেই শরীরের নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে থাকে। তবে একটু যত্ন নিলেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।


তবে আপনি জানেন কী ৩০, ৪০ বা ৬০ বছর বয়সেও ধরে রাখতে পারবেন পঁচিশের যৌবন। আসুন জেনে নিই বয়স বাড়লেও যেভাবে ধরে রাখবেন তারুণ্য–

১. ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে প্রথমেই প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম বা বিশ্রামের। পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। কারণ ঘুম শরীর সুস্থ রাখে। যৌবনকে ধরে রাখতে ও সুস্থ থাকতে রোজ রাতে ১০টা থেকে ১০টা ৩০-এর মধ্যে ঘুমাতে যান এবং সকালে তাড়াতাড়ি উঠে শরীরচর্চা করুন।

২. সকালে ঘুম থেকে উঠে ও বিকালে সময় পেলে ব্যায়াম ও যোগাসন করুন। শারীরিক ব্যায়াম ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে ও পেশির কাজ সহজ করে।

৩. যৌবনকে ধরে রাখতে জাঙ্কফুড বা তেলে ভাজা জাতীয় খাবার, বাইরের ফাস্টফুড ও বেশি মসলাযুক্ত খাবার খাবেন না। অল্প মসলা ও তেল দিয়ে রান্না করা খাবার খান। এ ছাড়া টাটকা সবজি, টিফিন হিসেবে খান সবজির স্যুপ ও সামুদ্রিক মাছ।

৪. সপ্তাহে ৩-৪ দিন খান মাছের তেল। কারণ মাছের তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহে বয়সের ছাপ রুখতে সাহায্য করে।

৫. তারুণ্য বা যৌবনকে ধরে রাখতে মানসিক চাপ নেয়া কমাতে হবে। এই রোগ যা অল্প বয়সেই মানুষকে বার্ধক্যের কবলে ঠেলে দেয়। মানসিক চাপ কমাতে ধ্যান, যোগব্যায়াম ও ভ্রমণ করতে পারেন।

৬. অলস জীবন ত্যাগ করে শারীরিক পরিশ্রম করুন। শারীরিক পরিশ্রম দেহের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি হয় এবং দেহে সঠিক মাত্রায় অক্সিজেনের সরবরাহ করে, যা কোষগুলোকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। সুস্থ থাকতে ও তারুণ্য ধরে রাখতে পরিশ্রম করুন।

৭. পর্যাপ্ত পানি পান করুন। পানি শরীরকে আর্দ্র রাখতে ও ত্বককে ঠিক রাখে। দেহের ওজন অনুযায়ী সারা দিনে কত লিটার পানি পান করবেন তা চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিন।

৮. বেশি বয়সেও তারুণ্যতা বজায় রাখতে অবশ্যই ত্বক ও চুলের যত্ন নিতে হবে। কারণ কোঁচকানো ত্বক ও পেকে যাওয়া চুল বার্ধক্যের চিহ্ন।

33
বিষণ্ণতা থেকে মুক্তি দেবে ৪ খাবার:
প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ১০ জন মানুষ বিষণ্ণতায় ভোগেন? এসব মানুষের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।


আনন্দ হ্রাস করা, অস্থিরতা বোধ, শক্তি হ্রাস হওয়া, বিরক্তি, ঘুমাতে অসুবিধা হওয়া, খিদে কমে যাওয়া, আত্মহত্যার প্রবণতা থাকা এবঙ নিজেকে অযোগ্য মনে হওয়া এসব বিষণ্ণতার লক্ষণ।

কিছু নির্দিষ্ট খাবার, ভেষজ ও খনিজ রয়েছে, যা প্রাকৃতিক প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে আর বিষণ্ণতা দূর করে। মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যায় যারা ভুগছেন, তারা এই প্রাকৃতিক উপায়গুলো থেকেও মুক্তি পেতে পারেন।

আসুন জেনে নিই চারটি প্রাকৃতিক প্রতিষেধক সম্পর্কে-

১. ফলিক অ্যাসিড মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে। প্রতিদিন ফোলেট সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। ফোলেট সমৃদ্ধ খাবারের কয়েকটি উদাহরণ হলো– বিনস্, মসুর, বেশি পাতাযুক্ত সতেজ শাকসবজি, সূর্যমুখী বীজ, অ্যাভোকাডো ইত্যাদি।

২. জিঙ্ক পুষ্টি সমৃদ্ধ, যা জ্ঞান ও আচরণের মতো মানসিক কার্যগুলোর সঙ্গে যুক্ত। ১২ সপ্তাহে প্রতিদিন ২৫ মিলিগ্রাম জিঙ্ক গ্রহণ হতাশা হ্রাস করে।

৩. বিশেষজ্ঞের মতে, জাফরান মানসিক অসুস্থতার চিকিৎসা করে ও জাতীয় ব্যাধিগুলোর ঝুঁকি হ্রাস করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় জাফরান রাখতে পারেন।

৪. ল্যাভেন্ডার অ্যাসেনশিয়াল অয়েল স্ট্রেস ও উদ্বেগ হ্রাস করে। ল্যাভেন্ডার তেলের ব্যবহার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

34
ওষুধ ছাড়াই নিয়ন্ত্রণে রাখুন থাইরয়েডের ব্যথা:
থাইরয়েডের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। থাইরয়েড মানবদেহের গলায় অবস্থান করে, যা দেখতে প্রজাপতির মতো। যার মধ্যে বেশ কয়েকটি হরমোন তৈরি হয়। আর যখন থাইরয়েডে হরমোনগুলো অস্বাভাবিক উত্পাদন হয়, তখনই সমস্যার সৃষ্টি হয়।


থাইরয়েড সাধারণত দুই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। একটি হলো– হাইপারথাইরয়েডিজম ও হাইপোথাইরয়েডিজম।

থাইরয়েড গ্রন্থিতে অতিরিক্ত হরমোন তৈরি হলে তাকে হাইপারথাইরয়েডিজম বলে। আর পর্যাপ্ত হরমোন তৈরি হলে তাকে হাইপোথাইরয়েডিজম বলে। থাইরয়েড সমস্যা প্রধানত দেখা যায় স্ট্রেস, ডায়েটের সমস্যা।

তবে আপনি চাইলে ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

আসুন জেনে নিই থাইরয়েড সমস্যা থেকে বাঁচার ঘরোয়া উপায়-

১. অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট যুক্ত ফল ও শাকসবজি খেতে পারেন। এসব ফল ও সবজি থাইরয়েডের সমস্যা প্রতিরোধে করে। এ ছাড়া ভিটামিন-বি ১২ যুক্ত খাবার থাইরয়েড গ্রন্থিকে সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে।

২. থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে চিনি খাবেন না। অতিরিক্ত চিনি খাওয়া খেবে বিরত থাকুন।

৩. শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়োডিন যখন থাকে না, তখন থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে পারে না, যা হাইপোথাইরয়েডিজম-এর দিকে পরিচালিত হয়। তাই আয়োডিনযুক্ত খাবার খেতে হবে।

৪. মানসিক চাপ থাকলে শরীরচর্চা করুন। শরীরচর্চা করলে থাইরয়েডের সমস্যা কম থাকে।

৫. খাবারে আয়রন কম পরিমাণে থাকলেও থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

৬. যোগ-ব্যায়াম ও ধ্যান থাইরয়েড গ্রন্থিতে রক্ত প্রবাহকে সঠিক রাখে।

36
বই থাকলে টিকিট ছাড়াই ভ্রমণ:
ট্রেনের চড়ে যে কোনো জায়গায় যেতে টিকিট লাগবে না। ২৮ মার্চ থেকে পুরো এক সপ্তাহ এ সুবিধা পেলেন নেদারল্যান্ডসের ট্রেনযাত্রীরা। বই পড়ায় উৎসাহ দিতে ১৯৩২ সাল থেকে নেদারল্যান্ডসে শুরু হয় সপ্তাহব্যাপী উৎসব ‘বোকেনউইক’।


ডাচ শব্দ ‘বোকেন’-এর অর্থ বই। প্রতিবছর এ উৎসবের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে চলে নানা ধরনের সাহিত্য উৎসব। এমনকি প্রিয় বইয়ের পাতায় লেখকের স্বাক্ষরও পেয়ে যান সাহিত্যপ্রেমীরা।

‘বোকেনউইক’-এ নানা সুযোগ-সুবিধাও পাওয়া যায়। কেউ কোনো লাইব্রেরির সদস্য হলে, বিনা মূল্যে একটা বই দেয়া হয়। ‘বোকেনউইক’-এর কথা মাথায় রেখেই বিখ্যাত কোনো লেখক একটা বিশেষ উপন্যাস লেখেন। সেই বইটাই এ সময় নানাভাবে বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয় নেদারল্যান্ডসের বাসিন্দাদের।

এ বছর নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত লেখক ইয়ান সিবেলিঙ্কের উপন্যাস ‘ইয়াস ভ্যান বেলফত’ দেশের প্রতিটি ট্রেনেই বিতরণ করা হয়েছে। কোনো যাত্রী যদি ওই বইটা চেকারকে দেখান, তবে তার আর ট্রেনের টিকিট লাগেনি। অর্থাৎ একেবারে বিনা ভাড়ায় ট্রেনের ভ্রমণ।

এই বার্ষিক উৎসবের স্পন্সর হিসেবে এগিয়ে এসেছিল ডাচ রেলওয়ে কোম্পানি। শুধু কি বই বিতরণ, ট্রেনের মধ্যেই ইয়ান সিবেলিঙ্কের বুক রিডি-এর ব্যবস্থাও করেছিল রেল কর্তৃপক্ষ।

শুধু ট্রেনেই নয়, নেদারল্যান্ডসের যে কোনো বইয়ের দোকান থেকে সাড়ে ১২ ইউরোতে বই কিনলেই ‘ইয়াস ভ্যান বেলফত’ বিনা মূল্যে পাওয়া গেছে। গোটা বিষয়ে উচ্ছ্বসিত লেখক ইয়ান সিবেলিঙ্ক।

ট্রেনে চড়া বুক রিডিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যাত্রীদের হাশিখুশি অবাক করা চেহারাগুলো দেখে কী যে ভালো লাগে। গত ১৮ বছর ধরেই এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে চলেছে ডাচ রেল সংস্থাটি।

37
ব্রেইন ডেড’ রোগীর থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন হবে:

ক্লিনিক্যালি ডেড বা ব্রেইন ডেড রোগীদের থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য থেকে শুরু করে পাশের দেশ ভারত ও শ্রীলংকায় ‘ব্রেইন ডেড’ রোগীদের থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হলেও বাংলাদেশে এমনটা আগে কখনো হয়নি। নতুন এই প্রক্রিয়া বাংলাদেশে এলে অনেক কিডনি রোগীর জীবন বঁাচানো সম্ভব বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। সাধারণত দুইভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন করা যায়। জীবিত মানুষের থেকে এবং ব্রেইন ডেড রোগীর থেকে। তবে যে পরিমাণ কিডনির চাহিদা রয়েছে সেটা জীবিত দাতা বা লিভিং ট্রান্সপ্ল্যান্ট থেকে পূরণ করা সম্ভব নয়। এ কারণে ব্রেইন ডেড রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপনের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। গত বছরের জানুয়ারিতে মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন-২০১৭ গেজেট আকারে প্রণয়ন করা হয়। সেই আইনানুযায়ী যদি চিকিৎসকরা কোনো রোগীকে ক্লিনিক্যালি ডেড ঘোষণা করেন এবং ওই রোগীর নিকটাত্মীয়রা যদি রোগীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অন্যকে দেয়ার লিখিত অনুমোদন দেন তাহলে ট্রান্সপ্লান্ট টিম ওই রোগীর শরীর থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন করতে পারবে। ব্রেইন ডেথ ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোনো দাবিদার না থাকলে ঘোষণাকারী হাসপাতালের প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রদানের অনুমতি দিতে পারবেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্লান্ট নামে এই প্রক্রিয়াটিকে বাংলাদেশে পরিচিত করাতে কিডনি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে পঁাচ সদস্যের একটি কিডনি বিশেষজ্ঞ দল ঢাকায় এসেছেন। তারা প্রাথমিক অবস্থায় ঢাকার পঁাচটি হাসপাতাল পরিদশর্ন করবেন। সেখানে কোনো ‘ব্রেইন ডেড’ রোগী পাওয়া গেলে ওই দলটি দেশের কিডনি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তার কিডনি প্রতিস্থাপন করবেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ), বারডেম, কিডনি ফাউন্ডেশন ও সিএমএইচÑ এই পঁাচ হাসপাতালের যেখানেই দাতা পাওয়া যাবে, সেখানে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের অস্ত্রোপচার করা হবে। যদি ‘ব্রেইন ডেড’ রোগী পাওয়া না যায়, তাহলে কিডনি বিশেষজ্ঞদের বিশেষ কমর্শালার আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশে কোরিয়া-কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট টিমের কো-অডিের্নটর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. এএসএম তানিম আনোয়ার বলেন, ‘দেশে বছরে ৫০০০ কিডনির চাহিদা থাকলেও কিডনি মেলে মাত্র ১২০টি। এই নগণ্য সংখ্যক কিডনি প্রতিস্থাপন করা হতো জীবিত মানুষের শরীর থেকে। যাদের বেশিরভাগই রোগীর নিকট আত্মীয়।’ আর যারা কোনো দাতা পান না তাদের ধঁুকে ধুঁকে মরতে হয়। না হলে দেশের বাইরে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করে চিকিৎসা করাতে হয়। ১৯৮২ সাল থেকে বাংলাদেশে এই লিভিং ট্রান্সপ্লান্ট শুরু হয়। ব্রেইন ডেড রোগী কারা? ব্রেইন ডেড বলতে বোঝায় যখন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক কমিটি লাইফ সাপোটের্ থাকা কোনো রোগীকে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ক্লিনিক্যালি ডেড ঘোষণা করেন। মেডিসিন বা ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন, নিউরোলজি ও অ্যানেস্থেশিওলজির কমপক্ষে তিনজন চিকিৎসক নিয়ে গঠিত কমিটি ব্রেইন ডেথ হিসেবে ঘোষণা করতে পারেন। হাসপাতালের নিবিড় পযের্বক্ষণ কেন্দ্রে লাইফ সাপোটের্ থাকলেই যে রোগী ব্রেইন ডেড হবেন সেটা ভুল ধারণা। চিকিৎসকদের মতে, ব্রেইন ডেড রোগীর মস্তিষ্ক পুরোপুরি অকেজো হয়ে যায়। শুধু হৃদপিÐটি যন্ত্র দিয়ে সচল রাখা হয়। এমন অবস্থায় রোগীর বেঁচে ফেরার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। তবে অঙ্গ দান করা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এখন যে ভ্রান্ত ও নেতিবাচক ধারণা রয়েছে, সেখান থেকে মানুষকে বের করে আনতে সবর্স্তরে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন ডা. আনোয়ার। তিনি বলেন, ‘এখন রক্ত দানের মতো কিডনি বা লিভার দানের বিষয়েও মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে

38
শিশুকে কতক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করতে দেয়া উচিত?
প্রযুক্তির এই যুগে শিশুরা মোবাইল ফোন হাতে দিয়ে কান্না থামান অনেকে বাবা-মা। তবে শিশুদের হাতে মোবাইল ফোন দিয়ে তা একসময় তার অভ্যাসে পরিণত নয়। মোবাইল না দিলে সে কান্না করে। অনেক শিশু মোবাইলে কার্টুন দেখা, গেমস খেলা ও গান শুনে থাকে। এছাড়া শিশু সন্তানের খাওয়ানোর কাজটা আমরা অনেকে মোবাইল হাতে দিয়ে করে থাকি।


তবে শিশুদের সামলানোর জন্যে তার হাতে শুধু মোবাইল না স্মার্ট ফোন, ট্যাব বা ল্যাপটপ দেই আমরা। তবে কখনো ভেবে দেখেছেন কী? এই মোবাইল ফোন কী শিশুর জন্য ক্ষতিকর। বা শিশু কতক্ষণ পর্যন্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করবে বা এই মোবাইল ব্যবহারের পরিণতি শিশুর জন্য কী হতে পারে। জেনে রাখা ভালো শিশুদের এই মোবাইল ব্যবহার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।

দুই বছর বয়সী প্রায় আড়াই হাজার শিশুর ওপর নজর রেখে শিশুদের স্মার্ট ফোন, ট্যাব বা ল্যাপটপ ব্যবহারের বিষয়ে কানাডায় বড় একটি গবেষণা চালানো হয়। গবেষণায় দেখা যায়, স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে শিশুদের দক্ষতার বিকাশ, কথা বলতে শেখা এবং অন্যান্যদের সঙ্গে মেলামেশায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর বয়স দেড় বছর না হলে তাকে স্ক্রিন ব্যবহার করতে দেয়া যাবে না।


বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, টেলিভিশন, কম্পিউটার, ফোন এবং ট্যাবলেটের মতো ডিভাইসে ভিডিও দেখা ও গেম খেলা।

শুধু শিশু নয়, পাঁচ বছর ধরে মায়েদের ওপরেও জরিপ চালানো হয়েছে। এত দেখা যায়, শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহারের কথা জানতে চাইলে মায়েরা জানায়, মায়েদের কাছে জনতে চাওয়া হয় কোন বয়সে শিশুদের আচরণ ও দক্ষতা কেমন ছিল। দেখা গেছে, দুই বছর বয়সী শিশুরা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ১৭ ঘণ্টা, দিন বছর বয়সে সময় বেড়ে দাঁড়ায় সপ্তাহে ২৫ ঘণ্টা। বয়স যখন ৫ বছর তখন কমে হয় ১১ ঘণ্টা। কারণ এই সময় শিশুরা স্কুলে যেতে শুরু করে।

গবেষণার ফলাফল থেকে জানা যায়, স্ক্রিন ব্যবহারে সময় বেড়ে যাওয়ায় শিশুদের বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়।

গবেষকরা বলছেন, শিশুরা যে সময় স্কিনে তাকিয়ে থাকে ওই সময় যদি তারা কথা বলা ও শোনার দক্ষতা, দৌড়ানো, কোনো কিছু বেয়ে উপরে ওঠার মতো শারীরিক দক্ষতাও সে অর্জন করতে পারত।

গবেষক ড. শেরি মেডিগ্যান বলছেন, শিশুরা যেন বেশি সময় স্কিনে ব্যয় না করে সেদিকে নজর দিতে হবে। বিশেষ করে এক বছরের শিশুরা বেশি সময় ধরে স্ক্রিন ব্যবহার করতে শুরু করে।

শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শিশু বিশেষজ্ঞদের কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। নিচে পরামর্শগুলো তুলে ধরা হলো।

১. দেড় বছরের কম বয়সী শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহার করতে দেবেন না। এছাড়া তাদের সঙ্গে ভিডিও চ্যাট করবেন না।

২. শিশুদের টিভি বা অন্য কোনো স্ক্রিনে মানসম্মত অনুষ্ঠান দেখতে দিন।

৩. স্ক্রিন যাতে ঘুমানোর কিম্বা খেলার সময় কেড়ে না নেয়। দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের দিনে এক ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন দেখতে দেবেন না।

40
Thanks .

41
টুথপেস্টের এই ১০ ব্যবহার যা আগে কখনোই জানতেন না:
টুথপেস্টের এই ১০ – শুধুমাত্র দাঁত পরিষ্কার জন্যই টুথপেস্ট ব্যবহার্য নয়। দৈনন্দিন অনেক খুঁটিনাটি কাজে টুথপেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। আসুন একনজরে জেনে নেই টুথপেস্টের কিছু অবাক করা ব্যবহার।

১। গাড়ির কাঁচ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করুন টুথপেস্ট৷ নতুন গাড়ি কেনার সময় যেমন কাঁচ চকচক করত, টুথপেস্ট দিয়ে পরিষ্কার করলেও তেমনই করবে৷

২। অনেকসময় লিপস্টিকের দাগ লেগে যেতে পারে, সসও পড়ে যেতে পারে জামায়। টুথপেস্ট দিয়ে ঘষে নিন৷ দেখবেন দাগ চলে গেছে৷

৩। রুপার গয়না একটু পুরানো হয়ে গেলই কালচে হয়ে যায়৷ রূপার গয়না ব্রাশে টুথপেস্ট লাগিয়ে ঘষা দিলেই চকচকে হয়ে যাবে।

৪। কাঠের ফার্নিচার বা অ্যালুমিনিয়ামের ফার্নিচার হোক না কেন অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ সরাতে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন।

৫। নেলপালিশ বা নখের দাগ উঠাতে ব্যবহার করুন টুথপেস্ট।

৬। হারমোনিয়াম বা সিন্থেসাইজারের রিডে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতেও টুথপেস্ট কার্যকরী৷

৭। যেকোন আঁশটে গন্ধ যেমন (মাছ, রসুন) দূর করতে এটি কার্যকরী।

৮। ফোনে স্ক্রিনগার্ড লাগালেও স্ক্র্যাচ পড়ে যায়। নতুন স্ক্রিনগার্ড না কিনে তুলোয়ে টুথপেস্ট নিয়ে ঘষে নিন৷ দেখবেন আগের মতো হয়ে গেছে ফোনের স্ক্রিন।

৯। আয়রনের দাগ তুলতেও টুথপেস্ট উপকারী৷ এবং বেসিন বা বাথরুমের স্টিলের কলে ময়লা জমলেও টুথপেস্ট দিয়ে তা পরিস্কার করা সম্ভব।

১০। ব্রন হলে টুথপেস্ট লাগান ব্রনের উপর, এরপর সকালে উঠে দেখবেন অনেকখানিই কমে গেছে ব্রনের দাগ।

43
Thanks for sharing.

45
Thanks for sharing.

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 27