Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. Zakaria Khan

Pages: [1] 2 3 ... 24
1
History / Re: History of Muslim'S
« on: January 09, 2023, 01:35:01 AM »
হাসিমুখে কথা বলা: সুন্নাহ
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কোনো ভালো কাজকে তুচ্ছ ভেবো না, যদিও তা তোমার ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করার বিষয় হয়। (মুসলিম শরীফ, হাদিস: ২৬২৬)
অন্যত্র এক হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, প্রতিটি ভালো কাজ সদকা স্বরূপ। তোমার ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করা নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত। (তিরমিজী শরীফ)

2
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ঈমান :
যার যত বেশী সৎ আমল রয়েছে, সে ব্যক্তি ঈমানের দিক থেকে তত বেশী শক্তিশালী এবং এর ফলশ্রুতিতে জান্নাতেও তার মর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে। মহান আল্লাহ বলেন, أُوْلَـئِكَ هُمُ الْمُؤْمِنُونَ حَقًّا لَّهُمْ دَرَجَاتٌ عِندَ رَبِّهِمْ وَمَغْفِرَةٌ وَرِزْقٌ كَرِيمٌ ‘তারাই সত্যিকারের ঈমানদার। এদের জন্যেই রয়েছে তাদের প্রতিপালকের নিকট উচ্চমর্যাদা। আরও রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা’ (আনফাল ৮/৪)।
পাপের কারণে মানুষের অন্তর থেকে ঈমান আস্তে আস্তে চলে যেতে থাকে। এমনকি তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেয়া হয়। মহান আল্লাহ বলেন,كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِم مَّا كَانُوا يَكْسِبُونَ ‘না এটা কখনও নয়; বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরের উপর মরিচারূপে জমে গেছে’ (মুতাফফিফীন ৮৩/১৪)।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘অবশ্যই কোন মুমিন ব্যক্তি যখন পাপ কাজে পতিত হয় তখন তার অন্তরে কালো দাগ পড়ে যায়। অতঃপর সে পাপ থেকে তওবা-ইস্তেগফার করলে অন্তর থেকে দাগটি উঠিয়ে নেওয়া হয়। ফলে তার অন্তর মসৃণ উজ্জ্বল হয়ে যায়। কালো দাগ বাড়তে থাকলে (পাপ বাড়লে) তার সম্পূর্ণ অন্তর ঘিরে ফেলে। এ মরীচিকা সম্পর্কেই আল্লাহ বলেন, ‘না এটা কখনও নয়; বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরে মরিচারূপে জমে গেছে’ (মুতাফফিফীন ৮৩/১৪)।[21]

3
‘মা-শা আল্লাহ’ কখন ও কেন বলবেন?
বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- ‘মা শা আল্লাহ’। আরবি- مَا شَاءَ الله ‘মা শা আল্লাহ’- শব্দটির অর্থ হলো- ‘আল্লাহ তাআলা যেমন চেয়েছেন’। কিন্তু ব্যাপক প্রচলিত এ কথাটি কখন এবং কেন বলতে হয়। এটি বলার উপকারিতাই বা কী?
প্রশংসার বহিঃপ্রকাশ কিংবা ভালো যে কোনো কিছু দেখলে বলা- مَا شَاءَ الله
উচ্চারণ : ‘মা শা আল্লাহ’
অর্থ : ‘আল্লাহ তাআলা যেমনটি চেয়েছেন’ (মুসলিম)

‘মা শা আল্লাহ’ কখন বলবেন?
সুন্দর কিছু দেখলে- ‘মা শা আল্লাহ’ বলতে হয়।
তবে ইসলামিক স্কলাররা মা শা আল্লাহ বলার তিনটি অবস্থা নির্ধারণ করেছেন। তাহলো-
১. যখন কারও সফলতা দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
২. যখন কাউকে ভালো কিছু করতে দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
৩. যখন কারো কোনো সুন্দর জিনিস দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।

‘মা শা আল্লাহ’ কেন বলবেন?
কারো সফলতা, ভালো কাজ ও সুন্দর জিনিস দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলায় কোন বদ নজর লাগে না। বরং মাশা আল্লাহ বলায় রয়েছে বিশেষ উপকার। যে নিজিস বা যে কাজ দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলা হয়; সে জিনিস বা কাজ থেকে শয়তানের প্রভাব চলে যায়। শয়তান তাতে আর প্রভাব ফেলতে পারে না।

4
আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না
‘অবশ্যই বিশ্বাসীরা সফল হয়েছে’ (সূরা মুমিনুন-০১)। মুমিন কখনোই হতাশ হতে পারে না। হতাশা মুমিনের কাজ নয়। সব সময় আল্লাহর অনুগ্রহ, করুণা এবং দয়ার যে আলোকধারা মুমিনের ওপর বর্ষিত হচ্ছে তা থেকে আপনি (মুমিন) কীভাবে নিরাশ হবেন? ইহকালীন ব্যর্থতা, পরাজয়ে আপনার কি আসে যায়! আল্লাহর ওপর নির্ভর করে মুমিন কখনো হতাশ হন না। দুনিয়ার অপূর্ণতা তাদের আঘাত দেয় না। বরং তারা প্রতীক্ষার প্রহর গুনে মহাসফলতার। সেই সফলতা, যার ওয়াদা দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ বলেন, ‘বলে দাও, হে আমার বান্দারা যারা নিজের আত্মার ওপর জুলুম করেছ আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চিতভাবেই আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করে দেন। তিনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু। (সূরা জুমার-৫৩)।

দুনিয়া একটি পরীক্ষাগার। আল্লাহ বলেন, আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব ভয়, ক্ষুধা এবং তোমাদের জানমাল ও ফসলাদির ক্ষয়ক্ষতির মাধ্যমে। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দিন (সূরা বাকারা-১৫৫)। মুমিনদের জন্য পরীক্ষা আসবেই। পরীক্ষা দিয়েছেন নবি-রাসূলরাও।

আমরা যদি প্রিয় নবি (সা.)-এর পবিত্র জীবনের দিকে তাকাই তাহলে দেখব-তার তিন তিনটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করেছিলেন- সবাই শিশু অবস্থায়ই ইন্তেকাল করেন। তিনি তো হতাশ হননি। যে মক্কাবাসী তাকে আল-আমিন উপাধি দিয়েছিল তারাই তো তাকে শিয়াবে আবু তালেবে বন্দি রেখেছিল তিন তিনটি বছর। তাদের জুলুম নির্যাতন এতটাই তীব্র ছিল যে, শেষ পর্যন্ত সহ্য করতে না পেরে আল্লাহর হুকুমে জন্মভূমি থেকে হিজরত করতে হয়েছিল তাকে। তারপরও তো তিনি হতাশ হননি।

আমরা যদি মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাই, তিনি আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন-‘হে আমার প্রভু! আমাকে এক সৎ ছেলেসন্তান দান করুন।’ (সূরা সাফফাত-১০০)। তখন আল্লাহ তাকে সুসংবাদ দিলেন, ‘সুতরাং আমি তাকে এক সহনশীল পুত্রের সুসংবাদ দান করলাম।’ (সূরা সাফফাত-১০১)।

যার নাম ইসমাইল (আ.)। প্রাণাধিক প্রিয় পুত্রসন্তান যখন তার সঙ্গে চলাফেরার বয়সে উপনীত হলেন, তখন তাকে কুরবানি করার নির্দেশ করা হলো। তিনি হতাশ হননি বরং তিনি রবের ওপর ভরসা করে পুত্র ইসমাইলকে স্বপ্নের কথা বললেন। ইসমাইল (আ.) বললেন, আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে তা পালন করুন।

হজরত জাকারিয়া (আ.)-এর ঘটনা আমাদের সবারই জানা, তিনি মারইয়াম (আ.)-এর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি যখনই মারইয়ামের কক্ষে প্রবেশ করতেন তখনই তার কাছে আনসিজনে বিরল খাদ্যদ্রব্য দেখতে পেতেন। তিনি জিজ্ঞেস করতেন, হে মারইয়াম! এসব তুমি কোথায় পেলে? তিনি বলতেন, ‘এসব আল্লাহর কাছ থেকে। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অপরিমিত জীবনোপকরণ দান করেন’ (সূরা ইমরান-৩৭)।

তখন পর্যন্ত জাকারিয়া (আ.)-এর কোনো সন্তানসন্ততি ছিল না। তিনি মনে মনে ভাবলেন আর বললেন, যে আল্লাহ আনসিজনে ফল দিতে পারেন, সে আল্লাহ বৃদ্ধ বয়সে আমাকে সন্তানও দিতে পারবেন। তখন তিনি হতাশ না হয়ে দোয়া করলেন, ‘হে আমার পালনকর্তা!

তোমার কাছ থেকে আমাকে পূত-পবিত্র সন্তান দান কর। নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শ্রবণকারী।’ (সূরা ইমরান-৩৮)। আল্লাহর ওপর ভরসা করে তার কাছে চাইলে তিনি কাউকে কখনো হতাশ করেন না। অতএব, যারা প্রকৃত মুমিন বান্দা তাদের উচিত দুনিয়াতে দুঃখ-কষ্টে কখনো হতাশ হবে না।
( সংগৃহীত )

5
History / Re: History of Muslim'S
« on: November 17, 2022, 03:16:01 PM »
লুমাযাহ কারা? (সুরা হুমাযাহ)
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, "আমি উচিৎ  কথা বলতে কাউকে ছাড়ি না!
আমি উচিৎ  কথা মুখের উপর বলে দেই"!
আপনি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড!
যা মনে আসে তাই বলেন!
গালাগাল সহ সরাসরি মুখের উপর সব বলে দেন!
সব মহলে ঠোটকাটা স্বভাবের হিসেবে আপনি পরিচিত!
সবাইকে একদম সামনেই ধুয়ে দেন এবং এটা নিয়ে আপনি বেশ গর্বও করেন!

 ইসলাম ধর্মে এটাকেই "লুমাযাহ" বলা হয় ।
◾যে ব্যক্তি:-
★ সরাসরি কাউকে লাঞ্চিত ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে।
★ কাউকে তাচ্ছিল্য ভরে কোনকিছু নির্দেশ করে (আঙুল,চোখ, মাথা বা ভ্রু দ্বারা) ।
★ কারও অবস্থান বা পদবি নিয়ে তাকে ব্যাঙ্গ করে।
★ কারো বংশের নিন্দা করে বা বংশ নিয়ে কথা বলে।
★ কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করে কথা বলে, অপমান করে।
★ কারও মুখের উপর তার সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করে।
★ সরাসরি বাজে কথা দিয়ে কাউকে আঘাত করে।
★ কাউকে এমন কোনো কথা বললো যাতে আরেকজন কষ্ট পাবে।
★ অসন্মান করে কথা বললো।

উপরোক্ত ব্যক্তিরাই মূলতঃ "লুমাযাহ" এর অন্তর্ভুক্ত।

আল্লহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এই মানুষদেরকে পরিবর্তন হতে বলেছেন। নয়তো তাদের জন্য অনিবার্য ধ্বংসের সতর্ক বাণী দিয়েছেন।
আল্লাহ তাদের প্রতি কঠোর লানত করেছেন।

নবী (সাঃ) বলেছেন, "যার ভিতরে নম্রতা নেই, সে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত"।

আসুন, আমরা একটু নরম হই, একটু সহনশীল হই, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করি।
মনে রাখবেন- আল্লাহ যাকে নম্রতা দিয়েছেন, তিনি দুনিয়ার সেরা নিয়ামাহ পেয়ে গেছেন।

আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন।
আমীন।

6
History / Re: History of Muslim'S
« on: November 16, 2022, 02:56:59 PM »
মুমিন কখনো হতাশ হয় না :-
আল্লাহ তাআ’লা তাঁর সৃষ্টি এ মহাবিশ্বকে বানিয়েছেন একটা বিশাল পরিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে, আল্লাহ তাআ’লা কুরআনে বলেন- আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব ভয়, ক্ষুধা এবং তােমাদের) জানমাল ও ফসলাদির ক্ষয়ক্ষতির মাধ্যমে। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দিন। (সুরা বাকারা : আয়াত ১৫৫)।
 মুমিনদের জন্য পরিক্ষা আসবেই যে পরিক্ষা থেকে বাদ পরেননি কোনো নবী ও রাসূলগন ।আমরা যদি শিশু নবী মূসা (আ.) জীবনী দেখি জন্মের পর তার মাকে নির্দেশ করা হল তাকে যেন একটি বাক্সে ভরে ভাসিয়ে দেয়া হয়, পবিত্র কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী - আর আমি মুসার মায়ের নিকট এই মর্মে নির্দেশ পাঠালাম যে, তুমি তাকে দুধ পান করাও । অত:পর যখন তুমি তার ব্যাপারে আশঙ্কা করবে তখন তাকে নদীতে নিক্ষেপ করবে। (সুরা কাসাস : আয়াত ০৭)
একদিকে ফিরাউন বাহিনী অন্য দিকে সন্তানকে নদীতে ভাসিয়ে দেয়া এ যেন স্থলের সিংহের ভয়ে জলের কুমিরের মুখে সন্তানকে ঠেলে দেওয়ার মত কিছু। আমার/আপনার মনে যে ভয় তা কি মুসা আ. এর মায়ের মনে উদয় হয়নি? হয়েছে তবে তাকে হতাশা কিংবা ভয় গ্রাস করতে পারেনি তিনি আল্লাহ তাআলা’র উপর পরিপূর্ণ ভরসা করেছেন,তখন আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করলেন- আর একদম ভয় করবে না এবং চিন্তাও করবে না। নিশ্চয়ই আমি তােমার। সন্তানকে তােমার নিকট ফিরিয়ে দেবো এবং তাকে রাসুলদের অন্তর্ভুক্ত করব। (সুরা কাসাস : আয়াত ০৭)।।
দুনিয়া হলো মুমিনের জন্য কারাগার (সহীহ মুসলিম : ২৯৫৬)। দুঃখ কষ্ট বেদনা যন্ত্রণার জায়গা। থাকা খাওয়ার কষ্ট, ভাল না লাগা প্রিয় মানুষ হারানোর যন্ত্রণা, নিজের স্বপ্ন গুলোকে বাস্তবায়ন করতে না পারার অসীম বেদনা, মনের গহিনে লুকাইত সুপ্ত যন্ত্রণা যা হয়তবা এ পৃথিবীর কেউ জানেনা।
অতএব যারা মুমিন আল্লাহর প্রকৃত মুমিন বান্দা তাদের জন্য তো দুনিয়া কারাগার। আর কারাগার মানেই তো দুঃখ আর কষ্টের জায়গা। মুমিনের জন্য দুনিয়াতে দুঃখ কষ্ট থাকবে এটাই স্বাভাবিক তবুও মুমিনে কখনো হতাশ হবে না। মুমিন এই সমস্যা গুলোকে সাথে নিয়েই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা’র উপর ভরসা করে হতাশ না হয়ে আমৃত্যু জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাবে, আর এটাই হল একজন প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য।

7
জিবরাঈল (আঃ)কে আল্লাহ তায়ালা তৈরী করলেন।
জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালাকে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আপনি কিসে খুশি হন??
আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হই আমার বান্দা যখন আমাকে সিজদা করে। অত:পর জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে সিজদা করলেন ৩০ হাজার বছর ধরে।
জিবরাঈল (আঃ) মনে মনে খেয়াল করলেন আমার থেকে এত বড় দামি, এত বড় লম্বা সিজদা দুনিয়ার আর কেউ করতে পারবে না।
আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয় আমার প্রতি খুশি হবেন।
জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালার দিকে মুতাহজ্জির হয়ে রইলেন কিন্তু আল্লা তায়ালার পক্ষ থেকে কোন খুশির বাণী জনান হল না, জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আমি যে এত লম্বা সিজদা করলাম আপনি কি আমার সিজদার প্রতি কোন খুশি হন নাই? আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন - জিবরাঈল তোমার জবাব আমি দেব তার আগে তুমি একটু আরশে আজিমের দিকে তাকাও, জিবরাঈল (আঃ) তাকিয়ে দেখলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরশে আল্লাহর কুদরতী নূর দ্বারা লিখা রয়েছে- ''লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ''
জিবরাইল (আঃ) জিজ্ঞাসা করলেন- হে আল্লাহ্!! আমার সিজদার সংগে এই কালিমার কি মিল?? আল্লাহ তায়ালা বললেন, ও জিবরাইল শোন আমি আল্লাহ এ দুনিয়া তৈরী করব ওই দুনিয়ার মানব জাতি ও জিন জাতির হিদায়াতের জন্য লক্ষাধিক নবি-রাসূলগনকে পাঠাব সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ কে পাঠাব
এই নবীর উম্মতের উপরে আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরয করব আর প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে সতেরটা করে রাকাত আমার জন্য ফরয করব প্রত্যেকটা রাকাতের মধ্যে দুটি করে সিজদা হবে আর প্রত্যেকটা সিজদার মধ্যে ওই নবির উম্মত তিনবার করে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" পাঠ করবে। জিবরাইল তুমি জেনে রাখ আমার ওই মাহবুব নবীর উম্মত যখন সিজদায় গিয়ে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" বলে আমাকে ডাক দিবে, জিবরাইল তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে নেকি পেয়েছ, আমি আল্লাহ্ আমার বান্দার আমল নামায় এর থেকেও ৪০ হাজার গুন বেশি নেকি লিখে দিব, সুবহানাল্লাহ...!!
এই জন্য মুসা (আঃ) কাঁদছেন, আল্লাহ!! আমাকে ওই নবীর উম্মত বানাইয়া দাও, যে নবীর উম্মত এক সিজদায় জিবরাঈল (আঃ) এর সারা জীবনের ৩০ হাজার বছরের সিজদার নেকি নিয়ে গেল।।
আমরা সেই নবীর উম্মত আমাদের কি করা উচিত আর আমরা কি করছি...?
আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দিন।
আমিন.

8
History / Re: History of Muslim'S
« on: October 17, 2022, 05:12:28 PM »
‘আল্লাহু আকবার’ অর্থ কী?
মহান আল্লাহর তাসবিহ বা প্রশংসা বাক্যের মধ্য সবচেয়ে মর্যাদাবান তাসবিহ হলো- (اللَّهُ أَكْبَرُ) আল্লাহু আকবার। মর্যাদাসম্পন্ন জিকির ও তাকবিরের মধ্যেও এটি সবচেয়ে বড়। এ তাকবিরের মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর একান্ত কাছাকাছি হয়।
‘আল্লাহু আকবার’ (اللَّهُ أَكْبَرُ) অর্থ হচ্ছে- হাকিকত এবং আক্ষরিক অর্থে আল্লাহ তাআলা সব কিছুর চেয়ে বড় এবং মহান। তিনি ইলম (জ্ঞান), কুদরাত (ক্ষমতা), সামি (শোনা), বাসির (দেখা) এবং কর্তৃত্বে সব কিছুর চেয়ে বড়। এমনকি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সত্ত্বাগত দিক থেকেও সবচেয়ে বড়। কিন্তু তিনি কত বড়? সাত আসমান এবং সাত জমিন পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলার হাতের তালুতে কীসের মতো?
মহান আল্লাহর কাছে এসব (এতোই ছোট); যেন আমাদের কারো হাতের তালুতে একটা সরিষার দানার মতো! কেননা আল্লাহ তাআলা নিজেই বলেন-
১. وَ مَا قَدَرُوا اللّٰهَ حَقَّ قَدۡرِهٖ وَ الۡاَرۡضُ جَمِیۡعًا قَبۡضَتُهٗ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ وَ السَّمٰوٰتُ مَطۡوِیّٰتٌۢ بِیَمِیۡنِهٖ ؕسُبۡحٰنَهٗ وَ تَعٰلٰی عَمَّا یُشۡرِکُوۡنَ
‘ওরা আল্লাহর যথোচিত কদর করেনি। তেয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী তাঁর হাতের মুঠোয় থাকবে এবং আকাশমন্ডলী থাকবে তাঁর ডান হাতে গুটানো। পবিত্র ও মহান তিনি, ওরা যাকে অংশী করে, তিনি তার উর্ধ্বে।’ (সুরা যুমার : আয়াত ৬৭)
২. یَوۡمَ نَطۡوِی السَّمَآءَ کَطَیِّ السِّجِلِّ لِلۡکُتُبِ ؕ کَمَا بَدَاۡنَاۤ اَوَّلَ خَلۡقٍ نُّعِیۡدُهٗ ؕ وَعۡدًا عَلَیۡنَا ؕ اِنَّا کُنَّا فٰعِلِیۡنَ
‘সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে ফেলব, যেভাবে গুটানো হয় লিখিত দপ্তর; যেভাবে আমি সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব। প্রতিশ্রুতি পালন আমার কর্তব্য; আমি এটা পালন করবই।’ (সুরা আম্বিয়া : আয়াত ১০৪)
আল্লাহ সবকিছুর চেয়ে বড়, যেমন- তাঁর আসমা (সুন্দরতম নামসমূহ) ও সিফাত (সুমহান গুণাবলীতে); একইভাবে তিনি নিজেও সবকিছুর চেয়ে বড়। আল্লাহর বড়ত্ব ও মহত্ত্বের প্রকৃত বাস্তবতা অনুধাবন করা কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব না।
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা আরশ সম্পর্কে মন্তব্য করেন যে, আরশ কত বড় সেটা মানুষের পক্ষে বুঝা সম্ভব নয়। তাহলে চিন্তা করে দেখুন, আরশের সৃষ্টিকর্তা (আল্লাহ) কত বড় সেটা বুঝা মানুষের জন্য কতটা সম্ভব! ত্বইয়্যিব!
সুতরাং তুমি যখন বলো- ‘আল্লাহু আকবার’ (اللَّهُ أَكْبَرُ) তখন তুমি এটা অনুভব করবে যে, আল্লাহ সবকিছুর চেয়ে বড়। তিনি ইলম, ক্বুদরত, হিকমত, সমস্ত কাজ পরিচালনার দিক থেকে সবচেয়ে মহান, অনুরূপভাবে তিনি নিজে সমস্ত কিছুর চেয়ে বড়।
যারাই মহান আল্লাহর প্রশংসায় অন্তর থেকে আল্লাহর জন্য এ তাকবির দেবেন; আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও পরকালে তাদের মর্যাদা বাড়িয়ে দেবেন। কেননা ‘আল্লাহু আকবার’ তাকবির, তাকবিরে তাশরিক ও জিকিরের ফজিলত থেকেই তা প্রমাণিত।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সব সময় উচ্চকণ্ঠে ‘আল্লাহু আকবার’ তাকবিরের ঘোষণা দেওয়ার তাওফিক দান করুন। আল্লাহু আকবারের অর্থ ও মহত্ব বুঝার তাওফিক দান করুন। আল্লাহর প্রশংসা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

9
History / Re: History of Muslim'S
« on: October 08, 2022, 02:58:09 PM »
আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব, কখনও ভয়ভীতি, কখনও অনাহার দিয়ে, কখনও তোমাদের জানমাল ও ফসলাদির ক্ষতির মাধ্যমে। (এমন পরিস্থিতিতে ধৈর্যধারণ করতে হবে) তুমি ধৈর্যশীলদের (জান্নাতের) সুসংবাদ দান করো।’ –সূরা বাকারা: ১৫৫

নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘হে মানুষ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। ধনসম্পদ সংগ্রহে উত্তম পন্থা অবলম্বন করো। কেননা কেউ তার রিজিক পরিপূর্ণ না করে মৃত্যুবরণ করবে না। যদিও তা অর্জনে বিলম্ব হোক না কেন।’ –সুনানে ইবনে মাজাহ

10
History / Re: History of Muslim'S
« on: October 02, 2022, 03:03:22 PM »
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, "তোমাদের ভালোবাসা যেন নির্বুদ্ধিতায় পরিণত না হয়, তোমাদের ঘৃণা যেন ধ্বংসে পরিণত না হয়।"
তাকে প্রশ্ন করা হলো, "সেটা কীভাবে হয়?"
তিনি উত্তর দিলেন, "যখন তোমরা ভালোবাসো, তোমরা শিশুদের মতন নির্বোধ হয়ে যাও। আর যখন ঘৃণা করো, তখন তোমরা তোমাদের সঙ্গীদের ধ্বংস কামনা করতে ভালোবাসো।"
[আল-বুখারী, আল-আদাব আল-মুফরাদ -১৩২২]

11
আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন ‘প্রতি ফরজ নামাজের পর যে ব্যক্তি আয়াতুল কুরসি পড়বে তার জান্নাতে যাওয়ার পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।’ (আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, নাসায়ি, হাদিস : ১০০)।
উবাই বিন কাব থেকে বর্ণিত, মুহাম্মদ (সা.) উবাই বিন কাবকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তোমার কাছে কুরআন মজীদের কোন আয়াতটি সর্বমহান? তিনি বলেছিলেন, (আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুআল হাইয়্যুল কাইয়্যুম) তারপর রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজ হাত দ্বারা তার বক্ষে (হালকা) আঘাত করে বলেন: আবুল মুনযির! তোমার জ্ঞান আনন্দদায়ক হোক।(সুনানে আবু দাউদ ১৪৬০)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে সে সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তান থেকে রক্ষা পাবে এবং যে সন্ধ্যায় পাঠ করবে সে সকাল পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে।
আয়াতুল কুরসি পড়ে বাড়ি থেকে বের হলে ৭০০০০ ফেরেস্তা চর্তুদিক থেকে তাকে রক্ষা করে।
মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, হুমায়দী (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা আসমান ও যমীনে আয়তুল কুরসী অপেক্ষা মহান (আজম) আর কিছু সৃষ্টি (খ্বলাক) করেননি। এর তাফসীরে সুফইয়ান (রহঃ) বলেনঃ আয়াতুল কুরসী হল আল্লাহর কালাম। আর আসমান ও যমীনে আল্লাহর সকল সৃষ্টি থেকে তাঁর কালাম তো মহান হবেই। (সুনান তিরমিজী,

12
মহান আল্লাহ তা'য়ালা বলেছেন-
•হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ কর এবং ধৈর্য ধারণে প্রতিযোগিতা কর। সূরা আলে ইমরান ২০০।

•কেবল ধৈর্যশীলদেরকেই তাদের প্রতিদান পূর্ণরূপে দেয়া হবে কোন হিসাব ছাড়াই। সূরা যূমার ১০।

•নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে কিছু ভয় ও ক্ষুধা দ্বারা এবং কিছু ধনপ্রাণ এবং ফলের (ফসলের) লোকসান দ্বারা পরীক্ষা করব; আর তুমি ধৈর্যশীলদেরকে সুসংবাদ দাও। সূরা বাকারাহ ১৫৫।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন-
•মুসলিম ব্যক্তির ওপর যে কষ্ট-ক্লেশ, রোগ-ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানি আসে, এমনকি যে কাঁটা তার দেহে ফোটে, এসবের মাধ্যমে আল্লাহ তার গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেন। বুখারি ৫৬৪১।

•যে ব্যক্তি ধৈর্য ধরতে চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে ধৈর্য ধরতে সাহায্য করবেন। আর ধৈর্যের চেয়ে অধিক উত্তম ও ব্যাপক দান কাউকে দেওয়া হয়নি। হাদিস সম্ভার ১০

13
ফজিলত ও করণীয়ঃ

জিল হজ্জ্ব- আরবি বার মাসের শেষ মাস। বছরের বার মাসের মধ্যে “নিষিদ্ধ মাস” মুহাররম, রজব, জিলকদ ও জিলহজ্জ (অর্থাৎ এ মাসগুলোতে কোন প্রকার যুদ্ধ বিগ্রহ করা যাবে না)। আল্লাহ তায়ালার অনুগ্রহ যে, তিনি তার পাপিষ্ট বান্দাদেরকে এমন কিছু মৌসুম দিয়েছেন যেগুলোতে তারা বেশি বেশি নেকীর কাজ করে সওয়াব অর্জন করতে পারে। এই মৌসুমগুলোর মধ্যে অন্যতম মাস হলো, যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন।
আল্লাহ তা‌’আলা কোরআনে বলেনঃ
"কসম ভোরবেলার। কসম দশ রাতের।" (সূরা ফাজর : ১-২)।
ইবনে কাসীর রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন : এর দ্বারা উদ্দেশ্য জিলহজ মাসের দশ দিন। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
“যিলহজ্জের প্রথম দশকের চেয়ে উত্তম এমন কোন দিন নেই, যে দিনগুলোর সৎ আমল আল্লাহ্‌র নিকট অধিক পছন্দনীয়।” সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন: আল্লাহ্‌র পথে জিহাদও নয় হে রাসূলুল্লাহ্‌? তিনি বললেন: “আল্লাহ্‌র পথে জিহাদও নয়। অবশ্য সেই মুজাহিদের কথা ভিন্ন, যে জান-মাল নিয়ে জিহাদে বেরিয়ে পড়ে, কিন্তু আর কোন কিছুই নিয়ে ফিরে আসে না (অর্থাৎ আল্লাহর পথে শহীদ হয়ে যায়)।” (বুখারী)

[উলামায়ে কেরাম বলেছেন : জিলহজ মাসের দশদিন সর্বোত্তম দিন, আর রমযান মাসের দশ রাত, সব চেয়ে উত্তম রাত]

আক্ষেপের বিষয় হলো--কোরআন-হাদিসে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া এই ইবাদতের সময় সম্পর্কে সমাজের খুব স্বল্পসংখ্যক মানুষই ধারণা রাখেন। জিলহজ মাসের প্রথম দশকের উল্লেখযোগ্য ১০টি আমল হলো-

১. সামর্থ্যবান হলে হজ্ব পালন করা। -সূরা আল ইমরান: ৯৭‍

২. কোরবানি করা। -সূরা কাউসার ও তিরমিজি

৩. অধিক পরিমাণে আল্লাহতায়ালার নামের জিকির করা। -সূরা হজ্ব : ২৮
বর্ণিত আয়াতে অবশ্য নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর নামের জিকির করার কথা বর্ণিত হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ তাফসিরবিদ উলামায়ে কেরামের অভিমত হলো- ‘নির্দিষ্ট দিনসমূহ’ বলতে জিলহজের প্রথম দশ দিনকে বুঝানো হয়েছে।

৪. অধিক পরিমাণে নেক আমল করা। -সহিহ বোখারি ও মুসলিম
৫. পাপের পথ না মাড়ানো। -সহিহ বোখারি ও মুসলিম
৬. কোরবানি করতে ইচ্ছুক ব্যক্তির এই দশদিন- নখ, চুলসহ শরীর থেকে কোনো কিছু কর্তন না করা। -সহিহ মুসলিম

৭. বেশি বেশি তাকবির, তাহমিদ ও তাহলিল পাঠ করা। যেমন- আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ। – আবু দাউদ

৮. আরাফার দিন ফজর হতে আইয়ামে তাশরিকে (ঈদের দিন ও তার পরে আরো তিন দিন) প্রতি নামাজের পর উল্লেখিত তাকবিরটি পাঠ করা। -আবু দাউদ

৯. আরাফার দিনে রোজা রাখা। সহিহ মুসলিমের এক বর্ণনায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি মনে করি, তার বিনিময়ে আল্লাহতায়ালা এক বছর পূর্বের ও এক বছর পরের গুনাহ মাফ করে দিবেন। আরাফার দিন ছাড়াও ঈদের দিন ছাড়া প্রথম দশকের বাকি দিনগুলোতেও রোজা রাখাকে মোস্তাহাব বলেছেন ইমাম নববি (রহ.)। কেননা নফল রোজাও নেক আমলের শামিল। হাদিসে এই দশকে সাধারণভাবে নেক আমলের প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। অবশ্য হাদিসে স্বতন্ত্র নির্দেশ থাকায় আরাফার দিনের রোজা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

১০. ঈদের দিনের যাবতীয় সুন্নতসমূহ পালনে সচেষ্ট হওয়া।

Collected

14
আযানের মধ্যে লুকিয়ে আছে অলৌকিক গনিতের খেলা।। আল্লাহর কসম এই আযানের এই তথ্যগুলো পড়ার পর আপনি বাকরুদ্ধ হবেন আর আল্লাহর উপর আপনার ঈমান বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।।

১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ এবং শেষ শব্দ ও হল আল্লাহ।। এর মানে আল্লাহই শুরু এবং আল্লাহই শেষ।।

২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআনে সর্বমোট রয়েছে ৫ বার।। আর আমরা প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি।।

৩। আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ রয়েছে ৫০টি। আর আল্লাহ মিরাজের সময় হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) কে সর্বপ্রথম ৫০ওয়াক্ত ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন।। পরে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়।। আর সহীহ হাদিস বলে একজন ব্যাক্তি ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে আল্লাহ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সাওয়াব দিবেন।।

৪। আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে।। আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ হল ১৭ রাকাত।। ফজর ২ + জোহর ৪ + আসর ৪ + মাগরিব ৩ + এশা ৪ = মোট ১৭ রাকাত।।

৫। আযানের মধ্যে সবচেয়ে ব্যবহৃত শব্দ হল (আল্লাহ) আল্লাহ শব্দের আলিফ অক্ষরটি সম্পূর্ণ আযানে আছে মোট ৪৭ বার, লাম অক্ষরটি ৪৫ বার এবং হা অক্ষরটি ২০ বার।। সুতরাং ৪৭+ ৪৫ + ২০ = ১১২।। আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা হল সূরা ইখলাস।। যে সূরায় আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন।।"

15
সরাসরি সাগর থেকে অজু করলেও অজুতে বেশি পানি খরচ করার অনুমতি ইসলাম দেয়নি।🚫🚫
মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আহার করো ও পান করো; কিন্তু অপচয় কোরো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীকে পছন্দ করেন না।’
(সূরা : আরাফ : আয়াত : ৩১)👈
👉 যারা অপব্যয় করে, তারা তো শয়তানের ভাই। আর শয়তান তার রবের প্রতি অতি অকৃতজ্ঞ।
(সূরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ২৭)
🚫 পানি ব্যবহারে রয়েছে বিশেষ নির্দেশনা।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,
 ‘তোমরা স্থির পানিতে পেশাব কোরো না, নাপাক বস্তু ফেলো না, কেননা তা তোমরা ব্যবহার করবে।’
(আবু দাউদ, হাদিস : ৬৯, ৭০)
অপ্রয়োজনে পানি নষ্ট করা যেমন পানির অপচয়, তেমনি প্রয়োজন পূরণের সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি খরচ করাও পানির অপচয়। এমনকি সরাসরি সাগর থেকে অজু করলেও অজুতে বেশি পানি খরচ করার অনুমতি ইসলাম দেয়নি।
👉👉আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) সূত্রে বর্ণিত, একবার রাসুল (সা.) সাদ (রা.)-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় সাদ (রা.) অজু করছিলেন। তাঁর অজুতে পানি বেশি খরচ হচ্ছিল। রাসুল (সা.) তা দেখে বলেন, কেন এই অপচয়? সাদ (রা.) জিজ্ঞেস করেন, অজুতেও কি অপচয় হয়? রাসুল (সা.) বলেন, হ্যাঁ, এমনকি প্রবহমান নদীতে অজু করলেও।’
(ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪২৫)

Pages: [1] 2 3 ... 24