Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Arif

Pages: 1 [2] 3 4
16
A book on “PROPER USES OF MEDICINE’’ written by Muhamamd Arifur Rahman, Assistant Professor, Department of Pharmacy, Daffodil International University is published in ‘EKUSAY BOOK FAIR 2014’ that is available in TUMPA PROKASHONI (Stall No. 308). This book not only discuss about the rational uses of medicine on different views such as pharmacological, therapeutic, Islamic etc. but also the future prospects of pharmacist in pharmaceutical sectors of Bangladesh.

ওষুধ জীবনধারনের অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। মানুষ স্বভাবতই ওষুধের উপর নির্ভরশীল। একদিকে বাড়ছে রোগ, অন্যদিকে আসছে নতুন নতুন ওষুধ। জীবন রক্ষার প্রয়োজনীয় উপাদান ওষুধ সঠিকভাবে ব্যবহার না হলে হয়ে যেতে পারে বিষ। ওষুধ ওষুধ হবে, নাকি বিষ তা ওষুধের সঠিক মাত্রায় ব্যবহারের উপর নিভর করে। ওষুধ নিয়ে মানুষের অসচেতনতার কারনে একটা প্রশ্ন সামনে চলে এসেছে তা হল, মানুষের জন্য ওষুধ নাকি ওষুধ এর জন্য মানুষ? গুনগত মানের ওষুধ এর সঠিক প্রয়োগ এবং অপব্যবহার সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার লক্ষে প্রকাশিত হল গুরুত্বপূর্ণ এই বইটি।
এ বইটিতে ওষুধের বিভিন্ন দিকগুলো  আলোচনা করা হয়েছে, যা জানা থাকলে আপনি নিরাপদ ভাবে ওষুধ ব্যবহার করতে পারবেন, (টুম্পা প্রকাশনী,৩৮/২ক বাংলাবাজার, অমর একুশে বই মেলা ২০১৪, স্টল-৩০৮)

17
A book on “PROPER USES OF MEDICINE’’ written by Muhamamd Arifur Rahman, Assistant Professor, Department of Pharmacy, Daffodil International University is published in ‘EKUSAY BOOK FAIR 2014’ that is available in TUMPA PROKASHONI (Stall No. 308). This book not only discuss about the rational uses of medicine on different views such as pharmacological, therapeutic, Islamic etc. but also the future prospects of pharmacist in pharmaceutical sectors of Bangladesh.

ওষুধ জীবনধারনের অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। মানুষ স্বভাবতই ওষুধের উপর নির্ভরশীল। একদিকে বাড়ছে রোগ, অন্যদিকে আসছে নতুন নতুন ওষুধ। জীবন রক্ষার প্রয়োজনীয় উপাদান ওষুধ সঠিকভাবে ব্যবহার না হলে হয়ে যেতে পারে বিষ। ওষুধ ওষুধ হবে, নাকি বিষ তা ওষুধের সঠিক মাত্রায় ব্যবহারের উপর নিভর করে। ওষুধ নিয়ে মানুষের অসচেতনতার কারনে একটা প্রশ্ন সামনে চলে এসেছে তা হল, মানুষের জন্য ওষুধ নাকি ওষুধ এর জন্য মানুষ? গুনগত মানের ওষুধ এর সঠিক প্রয়োগ এবং অপব্যবহার সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার লক্ষে প্রকাশিত হল গুরুত্বপূর্ণ এই বইটি। এ বইটিতে ওষুধের বিভিন্ন দিকগুলো  আলোচনা করা হয়েছে, যা জানা থাকলে আপনি নিরাপদ ভাবে ওষুধ ব্যবহার করতে পারবেন, (টুম্পা প্রকাশনী,৩৮/২ক বাংলাবাজার, অমর একুশে বই মেলা ২০১৪, স্টল-৩০৮)


18
এক সময় এক দেশে এক শক্তিশালী লোক বাস করত। একটি ভালো শিকারি কুকুর ছিল লোকটির। কুকুরটির গায়ে ছিল অসীম বল। আর ওই কুকুরটি ছিল শিকারে দারুণ ওস্তাদ। সেই শক্তিশালী লোকটি যখনই শিকারে বেরোতো, তখন সে অবশ্যই সঙ্গে করে শিকারি কুকুরটাকে নিয়ে যেত। বনে গিয়ে কোনো জন্তুকে দেখিয়ে একবার ইঙ্গিত করলেই কুকুরটি তীরের মতো ছুটে গিয়ে তার ঘাড় কামড়ে ধরে নিয়ে আসত তার মনিবের কাছে। যত দিন কুকুরটির গায়ে বল ছিল ততদিন এমনি করে অনেক জন্তু শিকার করে এনে খুশি করেছে তার মনিবকে।

কুকুরটি একদিন বুড়ো হলো। বুড়ো হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে বেশ দুর্বল হয়ে পড়ল। তার মনিব একদিন তাকে নিয়ে শিকারে বেরিয়েছিল। মনিবটি জঙ্গলে গিয়ে সেদিন একটা শূকর দেখতে পেল। মনিব ইঙ্গিতে কুকুরটিকে ওই শূকরটাকে ধরতে পাঠাল। কুকুরটি প্রাণপণ দৌড়ে গিয়ে শূকরটার ঘাড় কামড়ে ধরল কিন্তু গায়ে তার আগের মতো শক্তি না থাকায় বেশিক্ষণ ঘাড় কামড়ে ধরে রাখতে পারল না। ফলে শূকরটা অনায়াসে কুকুরটির কামড় থেকে নিজেকে মুক্ত করে পালিয়ে গেল।

লোকটা এতে ভীষণ রেগে গিয়ে কুকুরটাকে গালাগালি দিতে দিতে আচ্ছা করে পেটাল। কুকুরটা তখন কাঁদতে কাঁদতে বললÑ মালিক, বিনাদোষে আমাকে এমন করে মারা কি আপনার উচিত হচ্ছে? ভেবে দেখুন, যতদিন আমার গায়ে জোর ছিল, ততদিন কত জন্তু ধরে এনে দিয়েছি আপনাকে। এখন আমি বুড়ো হয়ে গেছি, শরীরে আর আগেকার মতো বল নেই, তাই এখন আর পারি না। এই না পারার জন্য আমায় এমন করে মারা কি আপনার উচিত?

উপদেশ : কোনো জীব বা জন্তুর চিরকাল কর্মক্ষমতা একই রকম থাকে না।



19
একদা এক বনে তিনটি ষাড় বাস করত। তিনজনেরই পরস্পরের মধ্যে ছিল খুব ভাব। তারা সব সময় একসঙ্গে থাকত, একসঙ্গে মাঠে চরে বেড়াত, গল্প করত, সুখে-দুঃখে সমব্যথিও হতো। সেই বনে এক সিংহও বাস করত। সিংহটির ইচ্ছে হলো ওদের মেরে মাংস খায় কিন্তু সে সুযোগ পাচ্ছিল না। তাই তার ইচ্ছেও পূরণ হচ্ছিল না। কারণ ওই তিনটি ষাঁড় ছিল এতোই বলবান যে, এক সঙ্গে থাকলে সিংহ ওদের সঙ্গে পেরে উঠবে না।

সিংহ তখন মনে মনে ভাবল, যদি ওদের আলাদা আলাদা মাঠে চরার ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে আমি একবার সুযোগ নিতে পারি। এই ভেবে সিংহটি বেশ কায়দা করে ওদের মধ্যে এমন ঝগড়া বাঁধিয়ে দিল যে, তাদের পরস্পরের মুখ দেখাদেখি পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেল। ফলে তারা দূরে আলাদা আলাদা মাঠে চরতে শুরু করল।

এতদিন অপেক্ষা করার পর এবার সিংহের সুযোগ এসে গেল। সে তখন ওদের একে একে মেরে সাধ মিটিয়ে মাংস খেল।

উপদেশ : বন্ধুদের পরস্পর বিরোধে শত্রুরা সুযোগের সদ্ব্যবহার করে।


20
এক সময় এক বনে এক ভালুক আর এক শেয়াল পাশাপাশি বাস করত। দু’জনের এমন বন্ধুত্ব ছিল যে, বনের অনেকেই তাদের হিংসে করত। দুই বন্ধু এক সঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে একদিন এক নদীর তীরে এক শ্মশানে এসে হাজির হলো। আগের দিন কাছেরই কোনো গ্রামের লোক  তাদের এক আত্মীয়ের মৃতদেহ সৎকার (দাহ) করতে এসেছিল। এমন সময় প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টি আসায় মৃতদেহটি আধাপোড়া অবস্থায় ফেলে রেখেই তারা পালিয়ে যায়। শেয়াল এ মৃত দেহটা দেখে খুশি হয়ে ভালুককে বললÑ আহা! আজ কার মুখ দেখে যে উঠেছিলাম! ওই দেখেছ কি হৃষ্টপুষ্ট মানুষের দেহ, চলো চলো আমরা গিয়ে এক্ষুনি ওটা খাই। বলতে বলতে শেয়ালের মুখ দিয়ে লালা পড়তে লাগল।

ভালুক শেয়ালের কথা শুনে হেসে বলল তুমি খাবে খাও, আমি তোমার মতো নীচ নই, আমি মরা মানুষ খাওয়া তো দূরের কথা, স্পর্শও পর্যন্ত করি না।

ভালুকের এরকম কথা শুনে শেয়াল কিছুমাত্র লজ্জিত না হয়ে তৎক্ষণাৎ বলে উঠল বন্ধু, তুমি যা বললে সবই ঠিক। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে, তুমি যদি জ্যান্ত মানুষ দেখলেই তাকে মেরে না ফেলতে তাহলে আমিই জোর গলায় বলতাম তুমি আমার চেয়েও উচ্চ শ্রেণীর প্রাণী এবং মহৎ।

উপদেশ : মৃত্যুর পর সম্মান দেখানোর চেয়ে জীবিতকালে সম্মান দেখানো অনেক বেশি প্রশংসনীয়।

21
Story, Article & Poetry / বেহুলার বাসর ঘর
« on: December 03, 2013, 01:17:37 PM »
বগুড়া শহর থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তরে এবং মহাস্থানগড় থেকে দুই কিলোমিটার দক্ষিণে গোকুল গ্রামের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে গোকুল মেদ অবস্থিত। স্মৃতিস্তূপটি যুগযুগ ধরে অতীতের অসংখ্য ঘটনাবলির নিদর্শন। এটি বেহুলার বাসর ঘর নামে ব্যাপক পরিচিত। এ বাসর ঘর মেড় থেকে মেদ এবং বর্তমানে পুরার্কীতি নামে পরিচিত। তবে প্রতœতত্ত্ব বিভাগের মতে, আনুমানিক খ্রিস্টাব্দ সপ্তম শতাব্দী থেকে ১ হাজার ২০০ শতাব্দীর মধ্যে এটা নির্মিত। এ স্তূপটি পূর্ব-পশ্চিমে অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ এবং ত্রিকোণবিশিষ্ট ১৭২টি কক্ষ। অকল্পনীয় এ কক্ষগুলোর অসমতা এবং এলোমেলো বুনিয়াদ এর বোধগম্যতাকে আরও দুর্বোধ্য করে তুলেছে। বেহুলার কাহিনী সেনযুগের অনেক আগের ঘটনা। বেহুলার বাসর ঘর একটি অকল্পনীয় মনুমেন্ট। বর্তমান গবেষকদের মতে, এ মনুমেন্ট ৮০৯ থেকে ৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে দেবপাল নির্মিত একটি বৈদ্যমঠ। এ স্তূপটিই বাসর ঘর নয়, এ স্তূপটির পশ্চিমাংশে আছে বাসর ঘরের প্রবাদ স্মৃতিচিহ্ন। পূর্বাংশে রয়েছে ২৪ কোণবিশিষ্ট চৌবাচ্চাসদৃশ একটি বাথরুম। ওই বাথরুমের মধ্যে ছিল আট ফুট গভীর একটি কূপ।

- See more at: http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2013/12/03/37702

22
একদল চতুর নেকড়ে এক বনে বাস করত। ওই বনে অনেকগুলো কুকুরও থাকত। চতুর নেকড়েরা একদিন কুকুরদের ডেকে বলল, কুকুর ভাইসব, তোমাদের একটা কথা বলি। কথাটা বলতে অনেক দিন ধরে ইচ্ছে করছে, বলি বলি করেও বলতে পারিনি। একটু মন দিয়ে শোন। ভাইসব, মানে বলেছিলাম কী, তোমাদের আর আমাদের চেহারা তো অবিকল এক, তাহলে এসো না, আমরা সব একসঙ্গে মিলেমিশে ভাই-ভাইয়ের মতো থাকি। তোমাদের আর আমাদের মাঝে ফারাক তো নেইÑ যে ফারাকাটুকু আছে তা হলো শুধু জীবনযাত্রার। আমরা স্বাধীন জীবনযাপন করি, আর তোমরা ক্রীতদাসের মতো মানুষের সঙ্গে ঘুরে বেড়াও, তাদের পায়ে পড়ে থাক। মানুষ তোমাদের গলায় শেকল পরিয়ে দিয়ে তোমাদের দিয়ে তাদের ভেড়ার পাল পাহারা দেয়ায়। তাদের খাওয়ার শেষে মাংসের যে হাড়গোড়গুলো পড়ে তাকে সেগুলো তাচ্ছিল্য ভরে তোমাদের দিকে ছুড়ে দেয়। আর তোমরা তা চেটেপুটে মনের আনন্দে খাও। এই তো তোমাদের জীবন।

ভাইসব, মন দিয়ে শোনÑ আমরা তোমাদের ভালো পরামর্শ দিচ্ছি। তোমাদের পাহারায় যে ভেড়াগুলো আছে সেগুলো আমাদের হাতে ছেড়ে দাও, তারপর এসো দু’দলে ওগুলো খুব মজা করে খাই।

নেকড়েদের উপদেশে কুকুরগুলো গলে গেল। তাদের উপদেশ কুকুরদের বেশ মনে ধরল। অতএব নেকড়েরা ভেড়ার খোঁয়াড়ের মধ্যে ঢুকেই প্রথমে শেষ করল কুকুরগুলোকে। তারপর নিশ্চিন্ত মনে একে একে ভেড়াগুলোকে সাবাড় করল।

উপদেশ : যেমন কর্ম তেমন ফল।


23
যারা শরীরের ওজন কমিয়ে নিজেকে ফিট রাখতে চান তাদের জন্য সুখবর। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, শরীরে মেদ কমাতে আসলে জিমে যাওয়ার দরকার নেই। নিয়মিত ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠা শরীরের মেদ  কমাতে টনিকের মতো কাজ করে। মানুষকে করে তোলে আকর্ষণীয়। সম্প্রতি মার্কিন গবেষকরা ৩০০ নারীর ওপর কয়েক সপ্তাহ ধরে পরীক্ষা চালিয়ে চমৎকার এ ফল পেয়েছেন। অংশ নেয়া ওই নারীদের বয়স ১৭ থেকে ২৬ বছরের মধ্যে। গবেষকরা দেখতে পান, যেসব নারী নিয়মিত ঘুমাতে গিয়েছেন তাদের শরীরের ফ্যাট অনেক কমে গেছে। রাতে অন্তত সাড়ে ৬ ঘণ্টা অথবা সাড়ে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুম শরীরের ফ্যাট কমানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এই গবেষণা প্রতিবেদনটি আমেরিকান জার্নাল অব হেলথ প্রমোশনে প্রকাশিত হয়েছে। শরীরচর্চা বিজ্ঞান বিষয়ক অধ্যাপক ব্রুস বেইলি বলেছেন, কম ঘুম শরীরের হরমোনকে বাড়িয়ে তোলে এবং তারা বেশি পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করে। এতে তাদের স্থূলতা বেড়ে যায়। সূত্র : ওয়েবসাইট
- See more at: http://www.alokitobangladesh.com/last-page/2013/12/03/37728#sthash.lzSNJiNJ.dpuf

24
Pharmacy / Drug Abuse
« on: November 06, 2013, 01:48:08 PM »
ঘড়িতে এখন ৫টা বাজতে ৬ মিনিট বাকি। ডায়রি লেখার অভ্যাস আমার নেই, তবুও আজ আমি কিছু লেখব বলে ডাইরি-কলম নিয়ে বসেছি। আজ বাসায় কেউ নেই আমি ছাড়া। এই দিনটার জন্য আমি এতোদিন অপেক্ষা করেছি। একটি একটি করে ৮০ টা উচ্চমাত্রার ঘুমের ট্যাবলেট যোগার করেছি। যে ট্যাবলেট তাতে ৪-৫টা কেউ একসাথে খেলে বাঁচার সম্ভবনা নেই। তবুও আজ আমি ৮০টা ট্যাবলেটই খাব। একটা একটা করে খেলে হয়তো শেষ করতে পারব না। তাই আমি মুড়ির মত করে সব ট্যাবলেট একসাথে পানি দিয়ে খাব, যাতে একটা ট্যাবলেটও বাদ না যায়। ৮০ সংখ্যাটা আমার খুব প্রিয়। তাই ৮০টা ট্যাবলেট একসাথে নিয়েছি। আমি জানালার পাশে বসে হয়তো জীবনে শেষ লেখটা লিখছি। আর অপেক্ষা করছি সেই সময়টির জন্য যা আমাকে মুক্তি দিবে।-- একটি ডায়রি অথবা ৮০ টি ঘুমের ঔষুধ শিরোনামে একটি লেখা বিভিন্ন ব্লগে ভিন্ন ভিন্ন মানুষ কে শেয়ার করতে দেখা যায় । সেখান থেকে প্রথম কয়েকটি লাইন  নিয়ে লেখাটা শুরু করলাম। কয়েকটি লাইন পড়েই উপলদ্ধি করতে পারছেন কোন এক বার্থ প্রেমিক এর লেখা এটি ।  মরিতে চাহি না আমি এই সুন্দর ভুবনে মানবের মাঝে আমি বাচিবার চাহি’। কবিগুরুর এই বাক্য উপেক্ষা করে অনেকে আত্মহত্যার দিকে ধাবিত হয়।
বাংলাদেশের আনাচেকানাচে প্রতিনিয়ত ঘটে যাচ্ছে আত্মহত্যা। কেউ বিষ খেয়ে, কেউ ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে, কেউ গলায় ফাঁস দিয়ে আবার কেউ নীরবে সূক্ষ্মভাবে জীবন শেষ করে দিচ্ছে।
পত্রিকার পাতা খুললেই চোখে পড়ে মেয়েকে গলা কেটে হত্যার পর মায়ের আত্মহনন, নেশার টাকা না পেয়ে আত্মহত্যা, অভিমান করে আত্মহত্যা, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে প্রেমিকের আত্মহত্যার চেষ্টা, ছেলের হাতে থাপ্পড় খেয়ে পিতার ট্রেনে ঝাঁপ। এভাবে আত্মহত্যা বেড়েই চলছে। so, raise your voice about drug abuse.....I shared one of my published article about abuse of medicine that was published in Bangladesh Pratidin

25
Pharmacy / Australia for Higher Education in Pharmacy
« on: November 06, 2013, 01:39:15 PM »
ফার্মেসি বিষয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্যে অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে বেশ ভাল গন্তব্য। অস্ট্রেলিয়ার যে সকল ইউনিভারসিটি ফার্মেসিতে মাস্টার্স অফার করে নিচে তার একটা তালিকা দেয়া হল,

Universities offering Pharmacy courses:

Griffith University
Murdoch University
University of Canberra
University of Newcastle
University of Sydney
University of Western Australia
Curtin University of Technology
Monash University
University of Queensland
Charles Darwin University (no M.pharm courses, only B.Pharm)
Charles Sturt University (M.pharm course is being phased out)
James Cook University (no M.pharm courses, only B.Pharm)
La Trobe University (no M.pharm courses, only B.Pharm)
Queensland University of Technology (no M.pharm courses, only B.Pharm)
University of South Australia (only M.Pharm by research for Internationals)
University of Tasmania

26
Study Tour Local / Study Tour: Square Hospital
« on: November 04, 2013, 03:45:59 PM »
The Students of the Department of Pharmacy (5th Batch-B) of Daffodil International University were visited the hospital pharmacy section at Square Hospital, Dhaka on 2nd November 2013 under the supervision of Md. Arifur Rahman, Assistant Professor and Md. Al-Faruk, Lecturer of Department of Pharmacy. Its inspire students to work as Hospital pharmacist in Hospital.

27
Pharmacy / wrong Medicine
« on: October 10, 2013, 12:28:36 PM »
It was published in Alokito Bangladeh at 09.10.2013

28
Pharmacy / তুমি চলে এসো (Come)
« on: October 10, 2013, 12:23:29 PM »
কোথাও তুমি নেই, বাদশাহ নামদার!
চারিদিকে শুধু শূন্যতা আর হাহাকার!
কিন্তু তুমি ছিলে, কয়েকদিন আগেও ছিলে, ভীষণরকম ছিলে,
মহাপুরুষ, এখন কোথায় আছ তুমি?
সারাক্ষণ মনে পড়ে তোমাকে, মনে পড়ে সারাক্ষন!
চলে এসো এক মুঠো রং পেন্সিল হাতে নিয়ে।

আজও মাথার উপর চাঁদ উঠে, আসমান ভাইঙ্গা জোছনা পড়ে
এই সেই জোছনা! মনে আছে? যা দেখে স্বামী গাঢ় স্বরে স্ত্রীকে বলে-
’দেখো দেখো চাঁদটা তোমার মুখের মতই সুন্দর’
কিন্তু প্রান্তরে গৃহত্যাগী তোমাকে হাঁটতে দেখিনা!
এমন জোছনায় তোমার কি হাঁটতে ইচ্ছে করে না?

চেয়ে দেখ, আজও কালো মেঘে আকাশ ঢাকে
অঝোর শ্রাবণ ঢোলের মতো আজও ঝরে বৃষ্টি।
তেমনি আজো বর্ষা আসে, আমি এবং আমরা একাই ভিজি,
অপেক্ষা! তুমি আসবে বলে, বৃষ্টি বিলাস করবে বলে
কিন্তু তুমি আসনা! তোমার কি বৃষ্টি বিলাস করতে ইচ্ছে করে না?

আচ্ছা, তোমার কি সমুদ্রবিলাস করতে ইচ্ছা করে?
তবে সাগর পাড়ে এসো, কেয়া ও ঝাউবীথির মাঝে দারুচিনি দ্বীপে,
এসে দেখ, মৃন্ময়ীর মন সত্যি ভালো নেই আজ!
তোমার কি প্রিয় গানগুলো আবার শুনতে ইচ্ছে করে?
প্লিজ তবে এসো, তোমার ‘টেপরেকর্ডার’ এর কাছে
এসে আবার বল-‘তোমার গান আমার কত পছন্দ!’

চলে এসো, তোমার প্রিয় জায়গাগুলোতে
১৩ নভেম্বর, ধানমন্ডির দখিনা হাওয়ায় এসো!
ময়ুরাক্ষীর পাড়ে এসো, একাকী হলুদ পাঞ্জাবি পড়ে!
নুহাশ পল্লীতে এসো, তেতুল বনে জোছনা ছড়াতে!
শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠে এসো, সৌরভ হয়ে! অথবা-
শহীদ ফয়জুর রহমান পাঠাগারে এসো, নিশীথিনী হয়ে!

অমর একুশে বইমেলায় এসো, মধ্যবিত্ত জীবনের কথকতা নিয়ে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে এসো, অধ্যাপক মিসির আলি হয়ে।
শহীদুল্লাহ হলের পুকুর পাড়ে হাঁটতে এসো, হলের হাউজ টিউটর হয়ে।
‘বৃদ্ধ বোকা সংঘের’ আড্ডায় এসো, জোছনা ও জননীর গল্প শুনাতে।
অন্যদিন এর ঈদ সংখ্যায় এসো, তোমার সৃষ্টিশীল কর্মকান্ড নিয়ে।
‘যদি মন কাঁদে, তুমি চলে এসো, তুমি চলে এসো, এক বরষায়’।
- See more at: http://www.golpokobita.com/golpokobita/article/9272/7056

29
Pharmacy / 9 foods filled with Vitamin E
« on: June 28, 2013, 05:26:43 PM »
ভিটামিন হলো এমন একটি পুষ্টি উপাদান যা মানবশরীরের জন্য অপরিহার্য। শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ এবং সুরক্ষায় ভিটামিনেয ভূমিকা অপরিসীম। ভিটামিনসমূহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো ভিটামিন ই। লিভার, যকৃত, অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ই সহায়তা করে। স্নায়ু ও মাংসপেশীর কার্যক্ষমতা বজায় রাখতেও ভিটামিন ই সাহায্য করে। ভিটামিন ই অত্যন্ত উন্নত মানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধেও ভিটামিন ই সহায়তা করে। ত্বকের নানা ধরনের সমস্যা ও চুল পড়া রোধে ভিটামিন ই-এর ভূমিকা অপরিসীম। ভিটামিন ই অনেক খাবারেই পাওয়া যায়। জেনে নিন সর্বোচ্চ ভিটামিন ই সমৃদ্ধ কয়েকটি খাবার সম্পর্কে -

১) সূর্যমুখীর বীজ :সূর্যমুখীর বীজে রয়েছে সর্বোচ্চ পরিমাণে ভিটামিন ই। প্রতি ১০০ গ্রাম সূর্যমুখীর বীজে রয়েছে ৩৬.৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই। এই বীজ থেকে যে তেল তৈরি করা হয় তা সাধারণত সালাদ, স্যুপ বা গার্নিশে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া অন্যান্য রান্নাতেও সূর্যমুখীর তেল ব্যবহার করা যায়। এতে কোনো কোলেস্টেরল নেই, রক্তচাপ ও হৃদরোগীরা অনায়াসে তা খেতে পারেন।

২) লাল মরিচের গুঁড়া :জেনে একটু অবাকই হতে পারেন, সর্বোচ্চ ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান দখল করে আছে লাল মরিচের গুঁড়া! প্রতি ১০০ গ্রাম লাল মরিচের গুঁড়ায় রয়েছে ২৯.৮৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই। আমাদের রোজকার খাবারে আমরা মরিচের গুঁড়া ব্যবহার করে থাকি। তাই আমাদের শরীরে ভিটামিন ই-এর অভাব সচরাচর ঘটে না।

৩) কাঠবাদাম :আমন্ড বা কাঠবাদাম ভিটামিন ই-এর জন্য বেশি জনপ্রিয়। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঠবাদামে রয়েছে ২৬.২২ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই। দাম বেশি বলে কাঠবাদাম খাবার হিসেবে খুব বেশি প্রচলিত নয়। সাধারণত ক্ষীর, পায়েস, মিষ্টি, সন্দেশ, হালুয়াসহ অন্যান্য খাবার তৈরিতে অনুষঙ্গিক উপকরণ হিসেবে কাঠবাদাম ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কাঠবাদামের দুধ ও মাখনও ভিটামিন ই-এর ভালো উত্‍স।

৪) পেস্তা বাদাম :কাঠবাদামের পরেই রয়েছে পাইন নাট বা পেস্তা বাদাম। প্রতি ১০০ গ্রাম পেস্তা বাদামে রয়েছে ৯.৩৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই। কাঠবাদামের মতোই পেস্তা বাদামও আমাদের দেশে বিভিন্ন খাবার তৈরির উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

৫) চীনা বাদাম :চীনা বাদাম খেতে পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুব কমই আছেন! বাদাম ভাজা বেশ মুখরোচক একটি খাবার। প্রতি ১০০ গ্রাম চীনা বাদামে রয়েছে ৬.৯৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই। চীনাবাদাম নানা খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। চীনাবাদামের মাখনও বেশ উপকারী।

৬) ভেষজ:ভেষজের মধ্য বেসিল ও অরিগানোতে রয়েছে সর্বোচ্চ ভিটামিন ই। প্রতি ১০০ গ্রাম বেসিল ও অরিগানোতে রয়েছে ৭.৪৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই। পাস্তা, পিজা, সালাদ ও স্যান্ডউইচ তৈরির উপকরণ হিসেবে বেসিল এবং অরিগানো ব্যবহার করা হয়।৬) শুকনো এপ্রিকট :এপ্রিকটকে বলা হয় খাদ্যআঁশ ও নানা ভিটামিনের উত্‍কৃষ্ট উত্‍স। প্রতি ১০০ গ্রাম শুকনো এপ্রিকটে রয়েছে ৪.৩৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই।

৭) জলপাইয়ের আচার :ভিটামিন ই-এর একটি উত্‍কৃষ্ট উত্‍স হিসেবে গণ্য করা হয় কাঁচা জলপাইকে। তবে কাঁচা জলপাইয়ের আচার হলো ভিটামিন ই-এর একটি ভালো উত্‍স। প্রতি ১০০ গ্রাম জলপাইয়ের আচারে রয়েছে ৩.৮১ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই।

8) পালং শাক :রান্না করা পালং শাক আয়রন, ক্যালসিয়াম ও খনিজ পদার্থের আধার হিসেবে পরিগণিত হয়। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ই-ও। প্রতি ১০০ গ্রাম রান্না করা পালং শাকে রয়েছে ৩.৫৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই।

৯) কচুর মূল :আয়রন ও ক্যালসিয়ামের সর্বোত্‍কৃষ্ট উত্‍স হলো কচুর মূল। এটি আমাদের দেশে অতি সহজলভ্য একটি খাবার। আলুর বিকল্প হিসেবেও কচুর মূল খাওয়া যায়। সর্বোচ্চ ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাদ্য তালিকার দশ নম্বরে রয়েছে কচুর মূল। প্রতি ১০০ গ্রাম কচুর মূলে রয়েছে ২.৯৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই।
(See more at: http://www.bd-pratidin.com/2013/06/28/2890)

30
Pharmacy / ইসলামে চিকিৎসা ও ওষুধ
« on: June 14, 2013, 03:52:11 PM »
This article is written by me, published in banglanews24.com today.....................................................................................
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=3597692158d60a57f6699c8229651077&nttl=14062013203731

Pages: 1 [2] 3 4