উত্তপ্ত অবস্থায় ধাতুর পরমাণুর ইলেক্ট্রনগুলো excited state এ থাকে এবং উচ্চতর শক্তিস্তরে গমন করে। এই ইলেক্ট্রনগুলো পুণরায় যখন শক্তি বিকিরণ করে আগের নিন্মতর স্তরে ফিরে আসে তখন সেই বিকিরিত রশ্মিই আলো হিসেবে দেখা যায়। বিভিন্ন ধাতুর ইলেক্ট্রনগুলোর শক্তিস্তরে পার্থক্য থাকায় বিকিরিত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যও ভিন্ন হয়। একটি পরমাণুতে ইলেক্ট্রনের বিভিন্ন শক্তিস্তর থাকে তাই একই পরমাণু বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে শক্তি শোষন ও বিকিরণ করে, তবে আমরা শুধু দৃশ্যমান সীমা অর্থাৎ লাল থেকে বেগুনী পর্যন্ত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো চোখে অনুভব করি।
বাম থেকে: লিথিয়াম, স্ট্রনশিয়াম, সোডিয়াম, কপার এবং পটাশিয়াম।
Informative post......