Daffodil International University

Science & Information Technology => Science Discussion Forum => Topic started by: Faysal230 on November 22, 2012, 01:07:34 PM

Title: নাক ডাকা থেকে রেহাই পেতে সহজ ৯ উপায় .
Post by: Faysal230 on November 22, 2012, 01:07:34 PM
মানবজমিন ডেস্ক: ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন অনেকেই। কেউ একটু অল্প শব্দ করেন, কেউবা বেশি। কখনও কখনও তা পাশের মানুষটির ঘুম ভাঙানোর জন্য যথেষ্ট। বিরক্তির উদ্রেক হওয়াও তাই স্বাভাবিক। তবে কেউ তো আর ইচ্ছে করে নাক ডাকেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নাক ডাকা কয়েকটি সমস্যার কারণে হতে পারে। কেউ যদি মুখ বন্ধ করে নাক ডাকেন, তার জিহ্বায় কোন সমস্যা আছে কিনা তা পরীক্ষা করাতে হবে। মুখ খোলা রেখে নাক ডাকার কারণ হতে পারে গলায় নরম টিস্যুর উপস্থিতি। সাধারণভাবে পিঠের ওপর ভর দিয়ে শোবার অভ্যাসে কেউ যদি নাক ডাকেন, তবে শব্দটা হবে কম। এক্ষেত্রে শোবার ধরন পাল্টে ফেললেই অর্থাৎ যে কোন দিকে কাত হয়ে শোবার অভ্যাস করলেই নাক ডাকা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যেতে পারে। যদি শোবার অভ্যাস বারবার পাল্টেও লাভ না হয়, সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াটাই একমাত্র সমাধান। নাক ডাকা থেকে রেহাই পেতে নিচের ৯টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা:
১)    ওজন কমানো,
২)    প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম বা শরীরচর্চা,
৩)    ধূমপান ত্যাগ করা,
৪)    অ্যালকোহল, মাদক বা ঘুমের বড়ি সেবনের অভ্যাস থাকলে তা পরিত্যাগ করা,
৫)    রাতে সুনির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোতে যাওয়া,
৬)    নাক সবসময় পরিস্কার রাখা,
৭)    এসি থাকলে শোবার ঘরের পরিবেশ প্রয়োজনমত আর্দ্র রাখা,
৮)    রাতে অতিরিক্ত না খাওয়া,
৯)    পিঠের ওপর ভর দিয়ে শোবার অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করা।


(http://www.mzamin.com/news_image/31488_snose.jpg)

Ref: http://www.mzamin.com/details.php?nid=MzE0ODg=&ty=MA==&s=MjE=&c=MQ==
Title: হাঁটা হলো শ্রেষ্ঠ ব্যায়াম চাপ নেই, নিখরচা
Post by: Muntachir Razzaque on November 22, 2012, 04:05:02 PM
এটা তো সবাই জানেন, একটি সুখী, সুস্থ শরীর ও মনের জন্য কোনো না-কোনো ধরনের শরীরচর্চা প্রয়োজন। ব্যায়াম এবং সেই সঙ্গে সুমিত পানাহার হলো দীর্ঘজীবনের রহস্য, শরীর-মন তরতাজা রাখার রহস্য। আদর্শ ওজন বজায় রাখা সবচেয়ে বড় কাজ।
এ ছাড়া আলসে কালক্ষেপণের একটি ভালো উপায় হলো ব্যায়াম করা।
সহজ-সরল একটি ব্যায়াম আছে—তা হলো, হাঁটা। এটি কম পরিশ্রমে উপযুক্ত একটি ব্যায়াম সব বয়সের মানুষের জন্য। নিখরচায় শরীরচর্চা।
যেখানে-সেখানে করা যায় এই শরীরচর্চা। লেকের পাড় ধরে যে পায়ে চলা পথ, সেই পথ ধরে হাঁটার মধ্যে কত আনন্দ! ঝিরিঝিরি বাতাসে বন্ধুর সঙ্গে হাঁটতে বড় আনন্দ! এমনকি বাসার চার ধারে যে ফুটপাত, সেখানে ১০ মিনিট হাঁটলেও কম কী?
ইদানীং গবেষকেরা বলছেন, হূদযন্ত্র ও রক্তনালির সুস্বাস্থ্যের জন্য হাঁটা, জগিং ও দৌড়ানো সমান সুফল আনে। বস্তুত কারও কারও জন্য হাঁটা এর চেয়েও ভালো ব্যায়াম। কারণ, হাঁটলে শরীরের ওপর চাপ পড়ে না।
দৌড়ালে অনেক সময় হাড়ের গিঁটে ব্যথা হয়, আহত হয় পেশি। এটা বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু হাঁটাহাঁটি করে আহত হওয়ার কথা শোনা যায় না।
বড় সহজ এই হাঁটা। বিশেষ কোনো পোশাক পরার দরকার নেই। ঘেমে-নেয়ে ওঠার প্রয়োজন নেই। আরাম-আয়েশেও হাঁটা যায় যত্রতত্র। সপ্তাহে ছয় দিন ৩০ মিনিট জোরে হাঁটাই যথেষ্ট।
জগিং ও অ্যারোবিকসের মতো কঠোর ব্যায়াম হার্টকে ঘোড়ার মতো দৌড়াতে বাধ্য করে—রক্ত জোরে পাম্প করতে থাকে। একপর্যায়ে এটি হিতকরী। তবে পেশি যেহেতু এত কঠোর পরিশ্রম করে, সে জন্য এর প্রয়োজন হয় প্রচুর অক্সিজেন। ব্যায়ামে তৈরি হয় ল্যাকটিক এসিড। অম্লতা রোধের জন্য চাই প্রচেষ্টা। ল্যাকটিক এসিড জমা হওয়ায় পেশি হয় শক্ত ও বেদনার্ত।
হাঁটলে তেমন হয় না। হূৎপিণ্ড জোরে পাম্প করে, বাড়ায় রক্তপ্রবাহ। তবে পেশির ওপর এত কঠোর প্রভাব ফেলে না। শরীরে তৈরি হয় না ল্যাকটিক এসিড।
তাই শরীরের ওপর কম চাপ প্রয়োগ করেও রক্ত সংবহনতন্ত্রের উজ্জীবনে সাহায্য করে। দেহের সঞ্চিত মেদ অবমুক্ত হয়ে বিপাক হয়।
শরীরের ওপর যেহেতু এর চাপ কম, সে জন্য যে কেউ পুরো সপ্তাহ হাঁটলেও খারাপ লাগে না। অনেক অসুস্থ মানুষও এই হাঁটাকে ব্যায়াম হিসেবে নিতে পারেন। শুরু হোক ধীরে ধীরে। প্রথম দিন ১০-১৫ মিনিট। এরপর গতি বাড়ান, সময় বাড়ান। ২০-৩০ মিনিট। এরপর শীতল হন ১০ মিনিট। পাঁচ-১০ মিনিট ধীরে হেঁটে শীতল হন। ভিড়-ভাট্টা ও ব্যয়বহুল জিম থেকে নিখরচায় হাঁটা অনেক ভালো।

অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম হাসপাতাল
সাম্মানিক অধ্যাপক, ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জানুয়ারী ১৯, ২০১০
Title: Preparation of Solutions
Post by: Asif.Hossain on November 24, 2012, 09:28:44 AM
Preparation of Solutions

A. Calculation of Molar, % and "X" Solutions .

1. A molar solution is one in which 1 liter of solution contains the number of grams equal to its molecular weight. Ex. To make up 100 ml of a 5M NaCl solution = 58.456 (mw of NaCl) g/mol x 5 moles/liter x 0.1 liter = 29.29 g in 100 ml of solution

2. Percent solutions.Percentage (w/v) = weight (g) in 100 ml of solution; Percentage (v/v) = volume (ml) in 100 ml of solution. Ex. To make a 0.7% solution of agarose in TBE buffer, weight 0.7 of agarose and bring up volume to 100 ml with TBE buffer.

3. "X" Solutions. Many enzyme buffers are prepared as concentrated solutions, e.g. 5X or 10X (five or ten times the concentration of the working solution) and are then diluted such that the final concentration of the buffer in the reaction is 1X. Ex. To set up a restriction digestion in 25 μ l, one would add 2.5 μ l of a 10X buffer, the other reaction components, and water to a final volume of 25 μ l.

B. Preparation of Working Solutions from Concentrated Stock Solutions

Many buffers in molecular biology require the same components but often in varying concentrations. To avoid having to make every buffer from scratch, it is useful to prepare several concentrated stock solutions and dilute as needed. Ex. To make 100 ml of TE buffer (10 mM Tris, 1 mM EDTA), combine 1 ml of a 1 M Tris solution and 0.2 ml of 0.5 M EDTA and 98.8 ml sterile water. The following is useful for calculating amounts of stock solution needed: C i x V i = C f x V f , where C i = initial concentration, or conc of stock solution; V i = initial vol, or amount of stock solution needed C f = final concentration, or conc of desired solution; V f = final vol, or volume of desired solution

C. Steps in Solution Preparation:

Refer to a laboratory reference manual for any specific instructions on preparation of the particular solution and the bottle label for any specific precautions in handling the chemical. Weigh out the desired amount of chemical(s). Use an analytical balance if the amount is less than 0.1 g. Place chemical(s) into appropriate size beaker with a stir bar. Add less than the required amount of water. Prepare all solutions with double distilled water When the chemical is dissolved, transfer to a graduated cylinder and add the required amount of distilled water to achieve the final volume. An exception is in preparing solutions containing agar or agarose. Weigh the agar or agarose directly into the final vessel. If the solution needs to be at a specific pH, check the pH meter with fresh buffer solutions and follow instructions for using a pH meter. Autoclave, if possible, at 121 deg C for 20 min. Some solutions cannot be autoclaved, for example, SDS. These should be filter sterilized through a 0.22 μ m or 0.45 μ m filter. Media for bacterial cultures must be autoclaved the same day it is prepared, preferably within an hour or two. Store at room temperature and check for contamination prior to use by holding the bottle at eye level and gently swirling it Solid media for bacterial plates can be prepared in advance, autoclaved, and stored in a bottle. When needed, the agar can be melted in a microwave, any additional components, e.g. antibiotics, can be added and the plates can then be poured.

Concentrated solutions, e.g. 1M Tris-HCl pH=8.0, 5M NaCl, can be used to make working stocks by adding autoclaved double-distilled water in a sterile vessel to the appropriate amount of the concentrated solution.

D. Glassware and Plastic Ware

Glass and plastic ware used for molecular biology must be scrupulously clean. Dirty test tubes, bacterial contamination and traces of detergent can inhibit reactions or degrade nucleic acid.

Glassware should be rinsed with distilled water and autoclaved or baked at 150 degrees C for 1 hour. For experiments with RNA, glassware and solutions are treated with diethyl-pyrocarbonate to inhibit RNases which can be resistant to autoclaving. Plastic ware such as pipets and culture tubes are often supplied sterile. Tubes made of polypropylene are turbid and are resistant to many chemicals, like phenol and chloroform; polycarbonate or polystyrene tubes are clear and not resistant to many chemicals. Make sure that the tubes you are using are resistant to the chemicals used in your experiment. Micro pipet tips and microfuge tubes should be autoclaved before use.
Title: Rafa looks comfortable on first day at Chelsea
Post by: tamim_saif on November 24, 2012, 06:32:16 PM
Nov 24, 2012

(http://a.espncdn.com//design05/images/2012/1123/benitezsmileclose-up_576x324.jpg)
In many ways, it was as if Rafa Benitez had never been out of the game. For a good 10-minute stretch during his first Friday press conference at Cobham, the new Chelsea manager once again had the bottles and glasses arranged on the table as he attempted to explain the intricacies of zonal marking.
It wasn't the only Benitez hallmark. There was also a barb in response to Alex Ferguson, as he spoke of how he saw Arsene Wenger as the best manager in England when he first arrived in the country. If it was a throwaway line, it was definitely in a deliberate direction.

In truth, though, the talk about mindgames was the only moment when the press conference got any way tetchy, if even that. For the most part, Benitez was in as good a mood as he can be. It was also then, though, that you realised just how happy he was to be back in the game.

"It's something I've been waiting for. I've been working, writing books, websites, analysing games, but I like to be on the pitch. When I came here from Valencia, I said I liked to be on the pitch, communicating with players, giving them my ideas. The problem is I don't have much time. I'm really pleased to be on the pitch talking about football."
Benitez also admitted he had a good chat with the senior players, but didn't need to build any bridges.
[source: espn]
Title: 4th International Conference on Education & Educational Psychology
Post by: TOFAZZAL on November 26, 2012, 05:31:48 PM
Md.Tofazzal Alam
Blog:tofazzal25.blogspot.com (http://tofazzal25.blogspot.com)
Email:tofa_alam@yahoo.com

4th International Conference on Education & Educational Psychology

2-5 October 2013

Antalya, Turkey


website :http://www.iceepsy.org/ (http://www.iceepsy.org/)
 

I'm deeply honoured to chair the 4th International Conference on Education and Educational Psychology and I am delighted to invite you to attend. Students, researchers, practitioners, educators, teachers, psychologists, educationalists, we all have this great opportunity to come together at the beautiful Antalya by the Mediterranean coast of Turkey to share cutting-edge thinking and together find effective solutions to the key challenges that we are facing.

Important challenges come into local or larger guises. There are many local challenges that can be overcome through international collaboration. We live in a world of increased international mobility; not only we as professionals are more mobile, but also the people to whom we provide services come from a range of countries and cultural backgrounds. We need to be responsive to such diversity, whilst utilising it as a source of strength and as an opportunity for innovation and improvement.

ICEEPSY 2013 has every potential to build on the successes of its three predecessors. ICEEPSY 2011 has attracted over 370 presentations from 45 countries, and ICEEPSY 2012 has advanced even that with over 450 registered participants from 57 countries. The ICEEPSY 2013 Scientific Committee and Board of Reviewers are working hard to ensure that the quality of this event exceeds any precedent.

In the established tradition of the previous three Conferences, ICEEPSY 2013 will publish all accepted full-text papers in Procedia - Social and Behavioral Journal (ISSN: 1877-0428 - ELSEVIER) and indexed in ScienceDirect, Scopus & Thomson Reuters Conference Proceedings Citation Index (ISI, Web of Science). Moreover, accepted abstracts will be published in the Abstract Book ICEEPSY (ISSN: 1986-3020), a serial publication that has been registered with the International Centre for the Registration of Serial publications in Paris.

ICEEPSY 2013 especially welcomes papers from the following and related topics: Assessment and Evaluation, Teacher Education, Basic Education, Basic Skills; Counselling Psychology; Adolescent Growth and Development, Educational Psychology; Continuing Education, Higher Education, Quality Assurance / Institutional Effectiveness; Learning Theories, Effective Teaching Practices, Second Language Teaching; New approaches in Psychology; Special Education, Education and Technology, ICT, Distance Learning.

The quality of ICEEPSY 2013 is further accentuated by its internationally renowned keynote speakers. ICEEPSY 2013 will, in addition, feature a range of interesting workshops as well as a Special International Roundtable for participants to engage in additional discussions related to the key topics addressed at the Conference and further cross-fertilisation across thematic sections.

I am also delighted that the organisers of the Conference are working hard to ensure that the scientific quality of the Conference is mirrored by the practical aspects of our stay. I am looking forward to discovering Antalya’s Mediterranean Gulf, its surrounding mountains and forests, and the ancient ruins, as well as enjoying the renowned local cuisine.


I look forward to seeing you in Antalya in October 2013.


Chair ICEEPSY 2013

Pavlo Kanellakis, C.Psychol. AFBPsS - HCPC Registered Practitioner Psychologist (Clinical, Counselling, Health, Exercise)

BPS Registered Psychologist Specialising in Psychotherapy (with Senior Practitioner Status)
BABCP Accredited Behavioural and Cognitive Psychotherapist, Supervisor and Trainer - IPT UK Accredited Therapist and Supervisor
KCA Director of Psychology & Consultant Psychological Therapist - Caldicott Guardian
Title: AXA Achievement Scholarship:USA
Post by: International Desk, DIU on November 27, 2012, 04:36:28 PM
AXA Achievement Scholarship in Association with U.S. News and World Report

Deadline: December 1, 2012, or when 10,000 applications have been received (whichever occurs first)

The AXA Achievement Scholarship, sponsored by the AXA Foundation in association with U.S. News & World Report, provides scholarship awards of $25,000 and $10,000, with winners in every state nationwide. The program is open to high school seniors who plan to enroll in a full-time undergraduate course of study at an accredited two- or four-year college or university. Applicants must be United States citizens or legal residents and must have demonstrated ambition and self-drive as evidenced by an outstanding achievement in a school, community, or workplace activity. More information is available at the AXA Foundation website.



http://www.axa-equitable.com/axa-foundation/AXA-achievement-scholarship.html

Title: Some highest International Bridge............
Post by: nature on November 27, 2012, 10:59:57 PM
1. Siduhe River Bridge. Yesanguanzhen, Hubei, China.

Description: 1,627 feet high / 496 meters high
2,952 foot span / 900 meter span.

(http://highestbridges.com/wiki/images/thumb/e/eb/SiduheMr.Mao.jpg/750px-SiduheMr.Mao.jpg)

With a roadway 1,627 feet (496 mtrs) above the water, the Siduhe River bridge is the latest Chinese champ to take the record as the highest bridge in the world. Opened on November 15th, 2009, it is the 3rd Chinese bridge in less than a decade to claim the title of “World’s Highest Bridge” and is a symbol of just how fast and how far China’s highway infrastructure has come in such a short period of time.

Located about 50 miles (80 km) south of the famous 3 Gorges region of the Yangtze River in China’s mountainous Hubei Province, the Siduhe suspension bridge is just one of several amazing structures on the last 300 mile (483 km) link of the 1,350 mile (2,175 km) long West Hurong highway that now connects Shanghai on the Pacific coast with the cities of Chongqing and Chengdu in the west.

The 8 highest of China’s many high bridges were all built after 2000 and are located primarily in the 3 western Provinces of Guizhou, Hubei and Chongqing. All 8 of these bridges exceed 900 feet (274 meters) in height and rank among the world’s 12 highest while four have held the world record for highest road or rail bridge. Even more amazing, 6 of these bridges are higher than Colorado’s Royal Gorge, the former world’s highest bridge from 1929 to 2001.

2. Baluarte Bridge. El Palmito, Sinaloa, Mexico
Description: 1,321 feet high / 403 meters high
1,706 foot span / 520 meter span

(http://highestbridges.com/wiki/images/thumb/b/b4/Baluarte_Web_de_la_Presidencia_de_la_Rep%C3%BAblica.jpg/750px-Baluarte_Web_de_la_Presidencia_de_la_Rep%C3%BAblica.jpg)

The Baluarte River Bridge is not only the highest bridge in North America but the highest cable stayed bridge in the world surpassing the Millau Viaduct in France. It is the crown jewel of the greatest bridge and tunnel highway project ever undertaken in North America. Known as the Durango-Mazatlán highway, it will be the only crossing for more than 500 miles (800 km) between the pacific coast and the interior of Mexico. The path of this new highway roughly parallels the famous “Devil’s Backbone”, a narrow road that earned its nickname from the way it follows the precarious ridge crest of the jagged peaks of the Sierra Madre Occidental mountains. The dangerous road is a seemingly endless onslaught of twisting, terrifying turns that are so tight there are times the road nearly spirals back into itself.

Sources: Internet.
Title: Re: Some highest International Bridge............
Post by: nature on November 27, 2012, 11:06:29 PM
3. New River Gorge Bridge.. Fayetteville, West Virginia, United States

Description: 876 feet high / 267 meters high
1,700 foot span / 518 meter span, 1977

(http://highestbridges.com/wiki/images/thumb/4/42/NewRiverBridge7_copy.jpg/750px-NewRiverBridge7_copy.jpg)

A monumental steel arch built on a grand scale not often seen in bridge construction, the New River Gorge bridge in the U.S. state of West Virginia opened in 1977 as the highest and longest arch bridge in the world with a height of 876 feet (267 mtrs) and a main span of 1,700 feet (518 mtrs). Several Chinese bridges eroded these records away, first in 2001 when the Beipanjiang railway arch bridge opened with a greater height of 902 feet (275 mtrs) and then in 2003 when the Lupu arch bridge opened in Shanghai with a longer main span of 1,804 feet (550 mtrs). Then in 2009, China finally opened an even higher 4-lane road arch in the form of the Zhijinghe bridge with a deck 965 feet (294 mtrs) above the water - 90 feet (27 mtrs) higher then the West Virginia span.

Built at a cost of 37 million dollars, the bridge was designed by the large engineering firm of Michael Baker, Jr. and constructed by the legendary American Bridge Company. The massive span itself was built by using a highline with two 330 foot (101 mtr) tall towers some 3,500 feet (1,067 mtrs) apart.

4. Italia Viaduct.. Laino Borgo, Calabria, Italy
Description: 850 feet high / 259 meters high
575 foot span / 175 meter span,1974

(http://highestbridges.com/wiki/images/thumb/8/84/ItaliaMartinMergili.jpg/750px-ItaliaMartinMergili.jpg)

The highest bridge in Italy, the Italia viaduct was the second highest bridge in the world upon its opening in 1974. It is still the highest steel beam bridge in the world and was the highest bridge in Europe for 30 years until France’s Millau Viaduct surpassed it in 2004. Only China’s concrete Liuguanghe is higher among all beam bridges. The viaduct is the highest among several impressive bridges along Italy’s spectacular Autostrada Napoli-Reggio Calabria or A3 motorway including the biggest and highest frame bridge in the world over Sfalassa gorge.

Soaring 850 feet (259 mtrs) above a deep cut over the Lao river, the Italia Viaduct lives up to its name with a very Italian-style steel box beam design. The central portion of the bridge consists of a continuous single beam of 1,394 feet (425 mtrs) spread over 3 spans including a central river span of 575 feet (175 mtrs). The 472 foot (144 meter) tall pier is Italy’s fourth highest. The Gorsexio and Sente bridges have higher piers of 541 feet (165 meters) as well as the Rago Viaduct at 482 feet (147 meters).
Title: Re: Some highest International Bridge............
Post by: nature on November 27, 2012, 11:12:23 PM
5. Phil G McDonald Bridge,Glade Creek Bridge.. Beckley, West Virginia, United States

Description: 700 feet high / 213 meters high
784 foot span / 239 meter span,1988.

(http://highestbridges.com/wiki/images/thumb/5/56/15GladeCreekPostcard.jpg/750px-15GladeCreekPostcard.jpg).

Of North America’s 10 highest bridges, the Phil G McDonald or Glade Creek bridge is probably the least known. Located several miles east of Beckley, West Virginia, U.S.A., this huge deck truss has one of the tallest piers ever built on an American bridge, rising 341 feet (104 mtrs) from the foundation to the underside of the truss. The shorter pier measures 293 feet (89 mtrs) tall.

Coincidentally, Glade Creek is a near twin of California’s Auburn-Foresthill bridge. From an engineering standpoint, the only major difference between the two is the West Virginia span is a continuous truss instead of a cantilever. The California span is only about 10 percent bigger in size and height. Much of Glade Creek’s status as a “hidden” high bridge is probably due to its being in the shadow of the world famous New River Gorge bridge located just 20 miles (32 km) to the north. Even so, at 700 feet (213 mtrs), Glade Creek is exactly 80 percent as high as the New River span. And although it does not have the same prestige as “The World’s Highest Arch Bridge”, Glade Creek still holds a record of its own as the “World’s Highest Truss Bridge”.

The thick foliage surrounding the structure make it a difficult bridge to photograph. A graded dirt road on the west side of the bridge leads down into the ravine where you can hike along the creek and look up at the deck, 70 stories above.

6. Kochertal Viaduct.. Braunsbach, Baden-Württemberg, Germany.
Description: 607 feet high / 185 meters high
453 foot span / 138 meter span,1979

(http://highestbridges.com/wiki/images/thumb/f/fb/Kochertalbr%C3%BCckeKlausFoehl2011View2.jpg/750px-Kochertalbr%C3%BCckeKlausFoehl2011View2.jpg)

he highest bridge ever built in Germany, the massive Kochertal Viaduct was the tallest viaduct in the world for 25 years until 2004 when France’s Millau Viaduct finally surpassed it. China also opened two taller viaducts in 2008 and 2009 in the form of the Mashuihe and Longtanhe bridges on the last section of the West Hurong highway between Shanghai and Chengdu. Although there is no absolute definition of what constitutes a viaduct, such bridges usually cross wide valleys with several spans of equal length instead of one large central span. Kochertal’s tallest pier is tied with Longtanhe as the 5th highest in the world measuring 584 feet (178 mtrs). Only the Millau Viaduct and Mexico’s El Carrizo and San Marcos bridges and China's Labajin have taller piers.

Opened in 1979, the Kochertal carries Germany’s A6 motorway 607 feet (185 meters) above the broad Kocher River valley. Constructed outward from both sides of the valley using formworks, the massive 21 foot (6.5 meter) deep single cell box girder was launched first before inclined struts were placed at 25 foot (7.66 meter) intervals from the bottom edge, allowing the wider wings of the road deck to cantilever out to the side from the central box beam. The total width of the massive deck is 102 feet (31 meters). The clean lines of the bridge come from architect Hans Kammerer as well as the engineers at Leonhardt, Andrä und Partner and Dycherhoff & Widmann.


Title: Men & Alphabet
Post by: Md. Khairul Bashar on November 28, 2012, 10:19:40 AM
Men were arranged to make alphabet.
Title: Country-level situation analysis of nutrition security in African countries
Post by: tamim_saif on November 28, 2012, 12:45:40 PM
Malawi:
Sustained economic growth proving elusive. High proportion of population unable to
meet basic needs. High levels of child malnutrition. Very low purchasing power results in a poor,
unreliable market system. Potentially productive agricultural sector, but subject to floods and
drought, so aggregate food availability not assured. Landlocked country, so costs of imports,
including agricultural inputs, are high, and exports may be uncompetitive globally owing to high
transport costs. Difficult to make profitable use of high-yielding agricultural technologies, resulting
in unsustainable mining of natural resources. Emergency food management system proved deficient in last emergency (2002–03). HIV infection relatively high.

Mozambique:
Encouraging signs for sustained economic growth, but high proportion of population unable to meet basic needs. Potentially productive agricultural sector but subject to cyclones, floods, and drought. Considered relatively food insecure. Poor marketing and transport systems. Sparse health infrastructure in rural areas, with high levels of child mortality. HIV infection relatively high. Low female literacy, but girls increasingly are going to school. Limited numbers of trained professionals in agriculture and nutrition sectors, particularly outside the capital. Reliant on international NGOs to deliver many social services in rural areas. Potentially good access to global trade. Food security and nutrition relatively important policy issues.

Nigeria:

Major global oil producer. Economic diversification away from oil not yet successful. Oil benefits not equitably distributed across population. Sustainable, broad-based economic development proving difficult to achieve. Diverse and potentially productive agricultural sector. High proportion of population reliant on agriculture. Food secure in terms of aggregate food availability. However, many unable to meet basic needs, including in food. High levels of malnutrition in spite of availability of food. Dynamic but crumbling market system. Good linkages to global market systems. Policy processes are disordered, unpredictable, and not transparent, with little effective master development planning. However, recently passed a national policy on food and nutrition. Large numbers of trained professionals in agriculture and nutrition, but ineffectively utilized. Health and educational systems in place, but quality of performance is quite varied. Sharp contrasts in educational attainment levels across the country for both men and women. In contrast to the other countries, level of donor support quite low on a per capita basis.

Uganda:

Encouraging economic growth and poverty reduction over the past decade. Relatively effective and transparent policy processes. Strong emphasis on decentralized, democratic decisionmaking,
although central government remains dominant in policymaking and resource allocations.
Nevertheless, armed conflict in the north and northeast is causing significant food insecurity.
Agriculture is focus of economic growth strategies. Relatively productive agriculture, with
sufficient food available in aggregate. Landlocked nation, so comparative economic advantage
within global markets is problematic. Education and health systems are in place, if somewhat
overstretched. Limited numbers of professionals, but used relatively effectively.

Sources: Benson et al. 2003; Devereux 2002.
Title: Re: Some highest International Bridge............
Post by: goodboy on November 28, 2012, 02:10:14 PM
good to see these information!
Title: চাকরি নয়, নিজেই হও উদ্যোক্তা
Post by: Narayan on November 28, 2012, 03:55:00 PM
ব্যবসাভিত্তিক অনলাইন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ‘লিঙ্কড ইন’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা রিড হফম্যানের জন্ম ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে। তিনি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত লিঙ্কড ইনের ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন সারাবিশ্বে এক কোটি ৭৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

আজ আমি বক্তৃতা শুরু করব ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি উদ্ধৃতি দিয়ে। তিনি বলেছেন, ‘সব মানুষই আসলে উদ্যোক্তা হয়ে জন্ম নেয়। মানুষ যখন গুহায় বাস করত, তখন তারা সবাই ছিল এক অর্থে উদ্যোক্তা। তারা নিজেরাই খাবার সংগ্রহ করত, নিজেদের কাজের সংস্থানও করত। এভাবে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমেই মানব ইতিহাসের সূচনা হয়েছে। সভ্যতার সূচনালগ্নে বেকার বলে কোনো শব্দ ছিল না। কিন্তু সময় যত পেরিয়েছে, আমরা আমাদের সহজাত উদ্যোক্তাসুলভ মনোভাবকে তত দমিয়ে ফেলেছি। আমরা উদ্যোক্তা থেকে পরিণত হয়েছি শ্রমিকে। আমাদের মগজে পাকাপাকিভাবে এই ধারণা ঢুকে গিয়েছে যে আমাদের চাকরি করতে হবে।’
আমি এই উক্তিটি বিশেষভাবে উল্লেখ করলাম, কারণ উদ্যোক্তারা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। আজ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণের অধিকাংশই অভিবাসী কিংবা অভিবাসীদের বংশধর। তাদের পূর্বপ্রজন্ম মহাসাগরের ওপার থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একদিন এই নতুন ভূখণ্ডে এসেছিল। আজকে অনেক বড় বড় কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা একদিন অভিবাসী হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পা ফেলেছিলেন, তাঁদের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্ন বলতে আজ এটিই বোঝায়, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় আর মেধার সমন্বয়ে নিজের ভাগ্য ও ভবিষ্যৎকে নিজের হাতে গড়ে তোলা। উদ্যোক্তারা হলো সেসব হাতেগোনা মানুষ যারা সমাজের প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে নিজেদের পথ নিজেরাই সৃষ্টি করে নেয়। তাঁরা নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন এবং অন্যদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করেন। এর সবকিছুই সমাজকে এগিয়ে নিতে অপরিহার্য। এখন বেকারত্বের হার কত একটু ভেবে দেখো। আজ যদি আমাদের মধ্যে আরও অনেক উদ্যোক্তা থাকতেন, আরও নতুন নতুন ব্যবসা গড়ে উঠত! তা হলে বেকারত্ব দূর করা কোনো ব্যাপারই ছিল না। এই আধুনিক সমাজে ব্যবসায় উদ্যোগ শুধু প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা আর মানুষের কর্মসংস্থানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। উদ্যোগী মনোভাব ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আজ প্রায় সব পেশাতেই দরকার। নিঃসন্দেহে এটি একটি নতুন ব্যাপার। পৃথিবী এখন বিশ্বায়ন আর প্রযুক্তির কল্যাণে যত দ্রুত বদলে যাচ্ছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। গত দশকে একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করে ধাপে ধাপে তার ক্যারিয়ার গড়ে তুলত। কর্মক্ষেত্রে তার কাজের একটি নির্দিষ্ট বিভাগ থাকত, ক্যারিয়ারের পথ ছিল সুনির্দিষ্ট ছকে বাঁধা। যে কোম্পানিতেই কাজ করুক না কেন, সে সেই ছকের ভেতরে থেকেই একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে সামনের দিকে এগিয়ে যেত। পরিশ্রম এবং কিছুটা ভাগ্যের সহায়তা পেলে ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ ছিল না। কিন্তু বিশ্বায়ন যেখানে প্রতিমুহূর্তে পৃথিবীকে বদলে দিচ্ছে, সেখানে তোমাদের মতো তরুণদের ক্যারিয়ার-ভাবনাও বদলে ফেলতে হবে। আগে ক্যারিয়ার ছিল একটি সোজা ওপরে উঠে যাওয়া সিঁড়ি, এখন তা পরিণত হয়েছে গোলকধাঁধার মতো এক পাহাড়ি এলাকায়। এখানে ওপরে উঠে যেতে হলে তোমাকে কখনো নিচেও নামতে হতে পারে, অনেক চড়াই-উতরাই পাশ কাটিয়ে যেতে হতে পারে বুদ্ধি করে, কখনো কখনো ঝুঁকি নিয়ে লাফ দিতেও হতে পারে। আবার সময়ের প্রয়োজনে হয়তো তোমাকে পাহাড়ের পাদদেশে নেমেও আসতে হতে পারে। হয়তো দেখা যাবে পাহাড়ের গা ঘেঁষে তুমি সুন্দর একটা খেলার জায়গা বানিয়ে ফেলেছ! কিছুই আসলে একরকম থাকবে না, কখনো থাকে না। যা আছে তা বদলায়, কখনো বদলে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কিছু তৈরি হয়, কখনো আগে যা ছিল তা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যায়। আধুনিক ক্যারিয়ার, যা তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে, তার এভাবেই প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পরিবর্তনকেই তোমাদের একমাত্র স্থায়ী ব্যাপার বলে ধরে নিতে হবে। আশপাশের সবকিছুই বদলে যাবে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তোমার দক্ষতা ও সামর্থ্যকেও দ্রুত বদলে ফেলতে হবে। বর্তমান সময়ে টিকে থাকতে হলে প্রয়োজন কৌশল। আর সেই কৌশলটি হলো, উদ্যোক্তাদের মতো চিন্তা করা। বসে বসে দীর্ঘ পরিকল্পনা করে জীবন পার করে দিলে চলবে না, কাজে নেমে পড়তে হবে। নিজের কাজ, নিজের ক্যারিয়ার নিজেকেই সৃষ্টি করে নিতে হবে। তোমাদের মধ্যে খুব কমই নিজের ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান শুরু করবে, কিন্তু তার পরও প্রত্যেকেরই উদ্যোক্তাদের মতো চিন্তা করা উচিত। কীভাবে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলবে বা নিজের ভেতরে উদ্যোগী-ভাবনা জাগিয়ে তুলবে, তা নিয়ে নানা জনের নানা মত আছে। কিন্তু আমার কাছে যদি একটিমাত্র পরামর্শ চাওয়া হয় এ ব্যাপারে তা হলে আমি বলব, নিজের ‘নেটওয়ার্ক’ তৈরি করো। তোমার পরিচিতজনেরাই তোমাকে পথ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। তোমার নেটওয়ার্ক যত শক্তিশালী হবে, তুমি তত বেশি তথ্য পাবে, ব্যবহারিক জ্ঞান পাবে। তোমার বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাই তোমাকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে এমনভাবে সাহায্য করবে, যা তুমি হয়তো চিন্তাও করতে পারবে না। মানুষের সঙ্গে তোমার সম্পর্ক কেমন, সেটা তোমার সফল হওয়ার পেছনে অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তোমার নেটওয়ার্ক থেকে তুমি যেমন মূল্যবান তথ্য আর প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারো, তেমনি আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব কঠিন চ্যালেঞ্জ, যা তোমার একার পক্ষে কখনোই মোকাবিলা করা সম্ভব ছিল না, তাও তুমি সামাল দিতে পারো। অনেক অবশ্যম্ভাবী ব্যর্থতা আর দুর্যোগকে তুমি এড়িয়ে যেতে পারো, অনেক নতুন সম্ভাবনাও খুঁজে বের করতে পারো, শুধু তোমাকে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে। আজ যেখানে তোমরা সমাবর্তনের জন্য হাজির হয়েছ, এখানেও তোমাদের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার অসীম সম্ভাবনা রয়েছে। আমাকে প্রথম চাকরি দিয়েছিল আমার এক বন্ধুর রুমমেট, আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আমি ‘পেপাল’-এর প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড মেম্বার, সেটিও হয়েছিল আমার এক কাছের বন্ধুর মাধ্যমে যে কোম্পানিটির সহপ্রতিষ্ঠাতা। আসলে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক শুধু যারা তোমার পরিচিত তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, একটা মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে পড়ে। যাদের সঙ্গে তোমার সুসম্পর্ক তারা, তাদের পরিচিত মানুষেরা, এমনকি সেই মানুষদেরও পরিচিত মানুষেরা—সবাই এক অদৃশ্য সুতায় জড়িয়ে আছে। জীবন একটি দলগত খেলা, যেখানে একাকী তোমার কোনো অস্তিত্ব নেই। তোমার আশপাশের সবকিছু, তোমার দলের সবাইকে নিয়েই ‘তুমি’। উদ্যোক্তাদের অদম্য মনোভাব থেকে যেকোনো পেশার মানুষই তাদের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার দিকনির্দেশনা নিতে পারে। আজকের পৃথিবী খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, তাই পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলা আর নতুন কিছু আবিষ্কার করার তাগিদও দিন দিন বাড়ছে। এই পৃথিবীর নেতৃত্ব দিতে হলে উদ্যোক্তাদের মতো ভাবতে হবে, তারাই নেতৃত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আমাদের প্রতিটি ক্ষেত্রে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন, আমাদের উদ্যোক্তা প্রয়োজন।
২০১২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা, ভুলে যেয়ো না তোমরাই আমাদের নেতা, তোমরাই জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। তোমাদের মধ্যে থেকেই নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে, তোমরাই সমাজকে বদলে দেবে। তোমরা শুধু নিজেরা উদ্যোক্তা হয়েই থেমে যেয়ো না। তোমাদের মতো আরও অসংখ্য উদ্যোক্তা যাতে সৃষ্টি হতে পারে, বিকাশ লাভ করতে পারে, এ সমাজে তার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে এগিয়ে এসো। জেনে রেখো, একজন মানুষ পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে ঠিকই, কিন্তু সেই পরিবর্তন ফলপ্রসূ হয় তখনই যখন আরও অসংখ্য মানুষ এর সঙ্গে যুক্ত হয়। আজ থেকে তোমরা এক নতুন পথে পা বাড়ালে, এখনই সময় নতুন কিছু করে দেখানোর। তোমাদের জন্য শুভকামনা।

সূত্র: ওয়েবসাইট
Title: মেধাস্বত্বের বিপক্ষে গুগল!
Post by: Faysal230 on November 29, 2012, 09:44:55 AM
কপিরাইট বা মেধাস্বত্ব আইনের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে জার্মানিতে প্রচারণা শুরু করেছে সার্চ জায়ান্ট গুগল। 'ডিফেন্ড ইওর ওয়েব' নামের এই ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে গত মঙ্গলবার। জার্মানির সংসদ কপিরাইট আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ায় এ প্রচারণা শুরু করেছে গুগল। এর আওতায় গুগলকে বিভিন্ন ছবি, লেখা, গান বা অ্যাপ্লিকেশনের তথ্য প্রদর্শনের জন্য মালিককে নির্ধারিত পরিমাণে অর্থ দিতে হবে। এমনকি সংবাদপত্রে প্রকাশিত কোনো তথ্য বা ছবি প্রদর্শন করলেও প্রকাশকদের নির্ধারিত হারে অর্থ দিতে হবে। ব্যবহারকারীরা সার্চ করার সময় যতবার কপিরাইটযুক্ত কনটেন্টে ক্লিক করবেন, ততবারই অর্থ গুনতে হবে গুগলকে। ফলে তথ্য সার্চ সেবায় সীমাবদ্ধতা তৈরি হবে বলে ধারণা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
এক ভিডিও বার্তায় গুগল জানিয়েছে, প্রায় ১০ বছর ধরে ব্যবহারকারীরা তাঁদের প্রয়োজনীয় সব তথ্য গুগলে খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছেন। নতুন এ আইনের ফলে সুযোগটি সীমিত হয়ে যাবে। নিজেদের পক্ষে জনমত তৈরির জন্য লিখিত ও অনলাইনে মতামত নেওয়ার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমেও বিজ্ঞাপন প্রচারের পরিকল্পনা করেছে গুগল।



Ref: http://www.kalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Antivirus&pub_no=1076&cat_id=1&menu_id=61&news_type_id=1&index=2
Title: Mix masters: NIST scientists image the molecular structure of polymer blends
Post by: tamim_saif on November 29, 2012, 12:07:01 PM
Published: Wednesday, November 28, 2012 - 23:01 in Physics & Chemistry
(http://esciencenews.com/files/imagecache/image_medium/images/201211287140120.jpg)

Typical BCARS composite image of a polyethylene blend taken at NIST showing circular polarization response. LLD polyethylene shows red in this mode, while the HD polyethylene with deuterium substituted for hydrogen is green.
NIST

Using an enhanced form of "chemical microscopy" developed at the National Institute of Standards and Technology (NIST), researchers there have shown that they can peer into the structure of blended polymers, resolving details of the molecular arrangement at sub-micrometer levels. The capability has important implications for the design of industrially important polymers like the polyethylene blends used to repair aging waterlines. Polyethylene is one of the most widely produced and used polymers in the world. It's used in many familiar applications -- milk bottles, for instance -- but the NIST research is motivated by a more critical application: water pipes. Aging water infrastructure is a significant national issue. The Environmental Protection Agency has reported that in the United States there are over 240,000 water main breaks per year, leaks wasting 1.7 trillion gallons of water per year, and costs to taxpayers of $2.6 billion per year.
Title: New study shows how climate change could affect entire forest ecosystems
Post by: tamim_saif on November 29, 2012, 12:29:23 PM
(http://esciencenews.com/files/imagecache/image_medium/images/201211287140640.jpg)
Published: November 2012 - in Earth & Climate

Droplets caused by fog collect on the needles of this Bishop pine tree on Santa Cruz Island.
Fog rolls in through a valley on Santa Cruz Island, reaching a forest of Bishop pine trees.
Mariah Carbone works on equipment used in the study of the microclimate where a Bishop pine forest is located on Santa Cruz Island. The large containers are automated soil respiration chambers, and the four small white pipes are soil carbon dioxide sensors. They allow the researchers to determine how much carbon dioxide is being produced in the soil -- by plants and microbes -- and put into the atmosphere.
The fog comes in, and a drop of water forms on a pine needle, rolls down the needle, and falls to the forest floor. The process is repeated over and over, on each pine needle of every tree in a forest of Bishop pines on Santa Cruz Island, off the coast of Santa Barbara. That fog drip helps the entire forest ecosystem stay alive. Thousands of years ago, in cooler and wetter times, Bishop pine trees are thought to have proliferated along the West Coast of the U.S. and Mexico. Now, stratus clouds -- the low-altitude clouds known locally as "June gloom" -- help keep the trees growing on Santa Cruz Island, Santa Rosa Island, and on one island off Baja California. Other than these locations, Bishop pine trees grow only farther north in California where it is cooler and wetter.
Title: Scientists Design a Revolutionary Data Storage Device
Post by: tamim_saif on November 29, 2012, 12:53:48 PM
(http://images.sciencedaily.com/2012/11/121122095315.jpg)
The University of Granada researchers Noel Rodriguez (left) and Francisco Gamiz (right), with a CEA-LETI-based memory composed of A2RAM memory cells. (Credit: Image courtesy of University of Granada)



ScienceDaily (Nov. 2012) — University of Granada researchers have developed a revolutionary data storage device in collaboration with the CEA-LETI lab at Grenoble (France), an institution of the Campus of International Excellence CEI BioTic.

The researchers at the University of Granada Nanoelectronics Lab Noel Rodríguez and Francisco Gámiz have designed an Advanced Random Access Memory (A-RAM). The researchers developed the theoretical model of this new technology in 2009.

The results of experimental validation have been published in the journal IEEE Electron Device Letters and were recently presented in the International Silicon on Insulator Technology Conference in San Francisco, USA.

In the wake of the new devices and microprocessors developed by Intel (Ivy Bridge), UGR scientists are investigating alternative 3D A2RAM-based memories such as FinFET-ARAM and Trigate-ARAM patented in France and presented in the International Memory Workshop in May 2012 in Milan, Italy.



Title: How to build facebook like on your page
Post by: mahbub-web on November 29, 2012, 05:59:01 PM
ফেসবুক ফেন পেজের লাইক বাড়িয়ে নিন তাও আবার ফ্রি !!


ফেসবুকে ঢুকলেই শুধু পেজের বিজ্ঞাপন আর বিজ্ঞাপন ! বিজ্ঞাপন দেখতে দেখতে মাথা গরম হয়ে যাবার দশা তাই বসে পরলাম এতো বিজ্ঞাপন না দিয়ে কিভাবে আপনি আপনার পেজের মেম্বার বা লাইক বারাবেন সে সম্পর্কে লিখতে । ফেসবুকে আপনার পেজের মেম্বার যত বেশি, আপনি প্রতিদিন ততো বেশী লাইক পেতে থাকবেন । অর্থাৎ সকলের আকর্শন হল বড় বড় পেজ গুলোর প্রতি । সবাই ই কোন পেজে জয়েন করার আগে দেখে নেয় পেজের মেম্বার কত ? যদি বেশী না হয় তাহলে ওই পেজে কেও লাইক করতে আগ্রহী নয় । কারন যত মেম্বার বেশী ততো ফান ততো এক্টিভ পেজ ।
তাই পেজের মেম্বার বা লাইক এর পরিমান বারাতে হলে আপনাকে অন্তত ১,০০০ এর কোঠা ছারাতে হবে । ১,০০০ মেম্বার হয়ে গেলে দেখবেন অন্যান্য পেজের এডমিন রাও আপনার সাথে প্রমোট এক্সচেঞ্জ করতে আগ্রহী হচ্ছে । এবং মেম্বার রাও নির্দিধায় লাইক দিচ্ছে আপনার পেজে। তাই আপনার ছোট বা বড় পেজটিতে প্রতিদিন ২০-১০০ টি বা এর ও বেশী লাইক পেতে সাহায্য করবে "ফেনস্লেভ" নামক একটি সাইট। এরা আপনার পেজের বিজ্ঞাপন দিবে এবং আপনাকে কিছু পেজ লাইক করতে বলবে । আপনি ওদের পেজ গুলো লাইক করলেই পয়েন্ট পাবেন এবং ক্রেডিটও পাবেন । ওই পয়েন্ট বা ক্রেডিট গুলোর বিনিময়ে সকলে আপনার পেজ লাইক করবে । অর্থাৎ গিভ এন্ড টেক বা এক্সচেঞ্জ । আপনি কিছুখন পর পর ওদের পেজ লাইক করে পয়েন্ট বারাবেন আবার ওই পয়েন্টের বিনিময়েন অন্যরা আপনার পেজে লাইক দিতে থাকবে ।
আর হা আপনি ইচ্ছা করলে আপনার এই ক্রেডিট পেজের লাইক এর বিনিময়ে খরচ না করে পে-পাল বা মানি বুকারস এর মাদ্ধমে কেশ আওট করতে পারবেন । যাই হোক এখন কাজের কথায় আসি, চলুন শুরু করা যাক । প্রথমে এখানে ক্লিক করে প্রবেশ করুন। তারপর নিচের ছবিটির মতো "Join Now!" ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করুন ।

(http://i1054.photobucket.com/albums/s486/alam5131/1.jpg)

রেজিস্ট্রেশন করা হলে আপনার ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন । লগিন করার পর নিচের ছবিটির মতো Connect ক্লিক করুন ।
তাহলে এটি আপনার ফেসবুক একাওন্টের সাথে যুক্ত হবে ।
 
(http://i1054.photobucket.com/albums/s486/alam5131/2.jpg)

কানেক্ট ক্লিক করার পর যদি আপনার ফেসবুক একাউন্টে সিকিউর ব্রাউজ়িং চালু থাকে তাহলে সিকিউর ব্রাউজিং বন্ধ করার কথা জিজ্ঞেস করবে ওটাতে Continue ক্লিক করে প্রবেশ করুন । তারপর ওদের এপ্লিকেশনটি এলাউ করুন । তারপর কানেক্ট হয়ে গেলে উইন্ডো ক্লোজ করতে বলবে তখন ক্লোজ ক্লিক করে ক্লোজ করে দিবেন ।
এখন হল আসল কাজ । নিচের ছবিটি দেখুন এখানে যেভাবে ১,২,৩ ক্রমানুসারে দেখানো হয়েছে ওইভাবেই আপনি কাজ করুন । আর Add New Fanpage এর উপরে এডিট অপশন পাবেন ওখান থেকে আপনি আপনার পেজের মেম্বার কোন দেশের হতে হবে, সর্বনিম্ন কতজন ফ্রেন্ড সম্বলিত প্রফাইল হতে হবে, বয়স, বা প্রতিদিন কতজন মেম্বের জয়েন করতে পারবে ইত্যাদি এডিট করতে পার

(http://i1054.photobucket.com/albums/s486/alam5131/2.jpg)

আশা করি আপনারা উপক্রিত হবেন । আপনাদের সামান্য পরিমান উপকারে আসলেই টিউন টি করা সার্থক হবে । কেও যদি না বুঝে থাকেন তাহলে কমেন্টে জানাবেন । আর টিউনে কোথাও কোন ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকলে ক্ষমার চোখে দেখবেন । ধন্যবাদ সবাইকে ।
Title: Application form for the Digital World 2012
Post by: TOFAZZAL on November 29, 2012, 07:16:45 PM
বর্তমানে দেশে মুক্তপেশাজীবীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিনিয়ত। oDesk, Freelancer.com, Elance ইত্যাদি মার্কেট প্লেসে বাংলাদেশের রেজিস্ট্রার্ড ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। এদের সম্পর্ক নানান বিষয় নিয়ে একটি অনলাইন জরিপের উদ্যোগ নিয়েছে
Digital World ২০১২। 

আপনি যদি ফ্রীল্যান্সার হয়ে থাকেন তবে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে এই জরিপে অংশগ্রহন করতে পারেন।

Conference Application form :http://www.digitalworld.org.bd/application-for-digital-entrepreneur-conference/ (http://www.digitalworld.org.bd/application-for-digital-entrepreneur-conference/)
Title: Re: Some highest International Bridge............
Post by: nature on November 29, 2012, 10:18:42 PM
7.Balinghe River Bridge. Guanling, Guizhou, China.
Description: 1,214 feet high / 370 meters high
3,570 foot span / 1,088 meter span.2009

(http://highestbridges.com/wiki/images/thumb/0/07/Balinghe2011View2.jpg/750px-Balinghe2011View2.jpg)

With a height of 1,214 feet (370 mtrs) from deck to water, the Balinghe River bridge is the second highest bridge in China and the 3rd highest road bridge in the world. Located near the town of Guanling about a third of the way along the 300 mile (483 km) Guiyang to Kunming Highway in China’s mountainous Guizhou Province, Balinghe is one of two super high suspension bridges along the 4-lane route.

Of the world’s 300 or so highest bridges, Balinghe is unique for having the 2nd longest span length with a distance between towers of 3,570 feet (1088 mtrs) - nearly as long as the Golden Gate bridge! The gap is so great the bridge appears to be floating among the clouds as it connects two mountain ranges. Balinghe is one of 4 high Chinese suspension bridges with extremely long spans. The other three being the Siduhe, Aizhai and Beipanjiang 2009 highway bridges. Prior to these spans, the longest bridge of any notable height was the New River Gorge bridge in West Virginia with an arch span of 1,700 feet (518 mtrs). In 2012 the world's longest span high level bridge record will go to China's Aizhai Bridge with a span of 3,858 feet (1,176 mtrs).

8.Millau Viaduct, Millau, Midi-Pyrénées, France
Description: 909 feet high / 277 meters high
1,122 foot span / 342 meter span,2004

(http://highestbridges.com/wiki/images/thumb/2/24/800pxviaducdemillau.jpg/750px-800pxviaducdemillau.jpg)

No other high bridge in history caught the eye of the media more than the opening of the Millau Viaduct in 2004. Comprised of 8 consecutive cable stayed spans totaling 8,100 feet (2460 mtrs), the viaduct is the tallest bridge structure in the world with a pier and mast rising a lofty 1,100 feet (335 mtrs) above the ground. With a roadway 909 feet (277 mtrs) above the Tarn River, it is also the highest cable stayed bridge in the world, a record it will retain until 2012 when Mexico’s Baluarte bridge opens. Despite being the highest bridge in Europe, the massive structure ranks only 13th among all high bridges of the world. The bridge has rightfully been described as beautiful, breathtaking, spectacular and awe-inspiring.

Located near the southern end of France, the bridge was the last major connection on the A75 motorway, a 4-lane highway that has been under construction in one form or another since 1975. Several routes were proposed that would have put the Tarn River crossing either east or west of the small town of Millau.
Title: দ্বীপটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না
Post by: Md. Khairul Bashar on December 01, 2012, 10:26:37 AM
পৃথিবীর মানচিত্রে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে স্যান্ডি নামের ছোট্ট একটি দ্বীপ আছে। গুগল আর্থ বা গুগল মানচিত্রেও দ্বীপটির উপস্থিতি পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে ওই দ্বীপটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার একদল বিজ্ঞানী।

অস্ট্রেলিয়ার হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভিস বলেছে, কিছু কিছু বৈজ্ঞানিক মানচিত্রে ও গুগল আর্থে ভুল করে দ্বীপটিকে দেখানো হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে এই ভুলের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এই রকম কোনো দ্বীপ নেই।

তবে গুগলের এক মুখপাত্র বলেছেন, পৃথিবীর উপরিভাগ প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। এর ফলেই হয়তো দ্বীপটি অদৃশ্য হয়ে গেছে।গুগল মানচিত্রে দেখা যায়, স্যান্ডি দ্বীপটির অবস্থান অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সশাসিত নিউ কেলেদোনিয়ার মাঝামাঝি।স্যান্ডি দ্বীপের খোঁজে সম্প্রতি সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা অভিযান চালায়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা ওই এলাকায় গিয়ে দেখতে পান প্রবাল সাগরের নীল জলরাশি। সেখানে দ্বীপের টিকিটিও নেই। বিজ্ঞানী মারিয়া সেতন বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা ২৫ দিন ধরে দ্বীপটির তালাশ করি। ভেবেছিলাম মাটির দেখা পাব। কিন্তু সেখানে পাওয়া গেল চার হাজার ৬২০ ফুট গভীর সাগর।’

সেতন আরও বলেন, ‘গুগল আর্থ ও অন্যান্য মানচিত্রে দ্বীপটির অস্তিত্ব আছে। আমরা সরেজমিনে দ্বীপটি দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাশ হই। তবে আমরা হাল ছেড়ে দিইনি। দ্বীপটির খোঁজে আমরা আরও অনুসন্ধান চালাব। মানচিত্রে দ্বীপটির অস্তিত্ব থাকার রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা অব্যাহত রাখা হবে।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে গুগলের একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘আমরা মানচিত্র তৈরির সময় সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি।’
ওই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, পৃথিবীর উপরিভাগ প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। এর ফলেই হয়তো দ্বীপটি অদৃশ্য হয়ে গেছে।’


সূত্রঃ বিবিসি
Title: Jam causes Autism
Post by: Md. Khairul Bashar on December 02, 2012, 12:41:28 PM
যানজটের সঙ্গে অটিজমের সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনা খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গর্ভাবস্থা থেকে শিশুর এক বছর বয়স পর্যন্ত সময়ে বাস, ট্রাকের ধোঁয়ার দূষণ থেকে অটিজমের ঝুঁকি বাড়ায়।অটিজমের সঙ্গে দূষণের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণাটি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একদল গবেষক। এ-সংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধটি গত সোমবার প্রকাশিত হয়েছে আর্কাইভস অব জেনারেল সাইকিয়েট্রি জার্নালে।

পাঁচ শতাধিক শিশুর ওপর পরীক্ষা চালিয়ে গবেষকেরা বলছেন, উচ্চ দূষণের এলাকায় বাড়ন্ত শিশুদের অটিজমের ঝুঁকি দূষণমুক্ত এলাকার চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষাবিষয়ক সংস্থা ইউএস এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সির তথ্য ব্যবহার করে গবেষণাটি করা হয়। অটিজমের ঝুঁকি পরিমাপের জন্য গবেষকেরা শিশুদের দুটি দলে ভাগ করেন। এতে দেখা গেছে, অতিরিক্ত দূষণের কারণে অটিজমের হার প্রায় তিন গুণ বেশি। এই দূষণের কারণে স্নায়ুর ওপর ক্ষতিকর প্রভাবের ফলেই এমনটি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অটিজমের এই বাড়তি ঝুঁকির কারণ হিসেবে বাস ও ট্রাকের ইঞ্জিন-নির্গত ক্ষতিকর ধোঁয়াকে দায়ী করা হয়েছে। কিন্তু আক্রান্ত শিশুদের বসতবাড়িতে দূষণের বিষয়ে গবেষণা চালানো হয়নি। এমনকি পরোক্ষ ধূমপানের প্রভাবকেও বিবেচনা করেননি গবেষকেরা। ২০০৬ সালের তুলনায় ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অটিজমের হার বেড়েছে প্রায় ২৩%। তবে অনেক গবেষকই এই গবেষণা ফলাফলের সঙ্গে একমত হতে নারাজ বিবিসি, ব্লুমবার্গ।


সূত্রঃ http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-11-28/news/308908
Title: Telitalk receiever number is 660 cror in world
Post by: arefin on December 02, 2012, 07:37:05 PM
(http://www.banglanews24.com/images/imgAll/2012November/SM/m-phEdit-M.jpg)

বিশ্বপ্রযুক্তির চেহারা যেমন দ্রুতই পরিবর্তন হচ্ছে। ঠিক এর বিপরীতে বাড়ছে বাণিজ্যিক অস্থিরতা। এতে ২০১২ সালের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা পৌঁছবে ৬৬০ কোটিতে। তাই টেলিকম শিল্পের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার শিল্পে সুস্থ মানোন্নয়নের ধারা অব্যাহত না থাকলে এ শিল্প ক্রমেই ঝুঁকির দিকে এগিয়ে যাবে। টেলিকম বিশেষজ্ঞেরা এমনই ধারণা দিয়েছেন।

এ ধারায় স্যামসাং আবারও নতুন করে পেটেন্ট মামলায় অভিযুক্ত হয়েছে। দাবি তুলেছে আরেক খ্যাতনামা সুইডিশ মোবাইল ফোন নির্মাতা এরিকসন। সংবাদমাধ্যম সূত্র এ দিয়েছে।

গত দুবছর ধরে চলে আসা বিতর্কের নিস্পতিত্ত না হওয়ায় অবশেষে এরিকসন মামলায় স্যামসাংকে অভিযুক্ত করেছে। এ নিয়ে স্যামসাং আবারও পেটেন্ট ঝামেলায় জরিয়ে পড়ল।

প্রসঙ্গত, বাণিজ্যিক সুসম্পর্ক এবং ব্যবসা প্রসারে এ দু শীর্ষ নির্মাতা ২০০১ সালে পেটেন্ট নিয়ে সমঝোতা চুক্তি সই করে। এ চুক্তি ২০০৭ সাল পর্যন্ত টেকসই হয়। কিন্তু এরপরই ফ্রেন্ডস শর্তে পেটেন্ট মামলা নিয়ে দু প্রতিষ্ঠানের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়।   

এদিকে ফ্রান্ড (ফেয়ার, রিজনেবল অ্যান্ড নন-ডিসক্রিমিরটরি) শর্তের অধীনে শিল্প রক্ষার কোনো ধরনের বৈধ সমঝোতা না হওয়ার অবশেসে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সম্পর্কে ফাটল ধরে। এরই মধ্যে মামলা গড়িয়েছে আদালতে। বাণিজ্যিক সুসস্পর্ক এবং ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় এ দুটি প্রতিষ্ঠান যে সমঝোতা অব্যাহত রেখেছিল তা শেষ পর্যন্ত ভেস্তেই গেল।

স্যামসাংয়ের সঙ্গে পেটেন্ট মামলায় কোনো সমঝোতায় না পৌঁছতে পেরে আইনের দারস্থ হয় এরিকসন। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস জেলা আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।

অবয়ব এবং টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের কারিগরি মানোন্নয়নে আন্তঃচুক্তি থেকে এখন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে স্যামসাং আর এরিকসন। প্রসঙ্গত, এ মুহূর্তে অভিযোগকারী সুইডিশ নির্মাতা এরিকসনের ১০০টি বৈধ বাণিজ্যিক চুক্তির নিয়মে কাজ করছে। এ ছাড়াও আছে ৩০ হাজার পেটেন্টের মালিকানা।
Title: 21 years of SMS Text message system
Post by: fernaz on December 03, 2012, 08:55:57 AM
(http://img.priyo.com/files/201212/sms-300.jpg)

আজ ৩ ডিসেম্বর ২১ বছরে পা দিল সারা বিশ্বে দ্রুত বর্ধনশীল প্রযুক্তি শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস)। বিশ্ব জুড়েই চিঠি-পত্রের বিকল্প হিসেবে ব্যাপক কদর রয়েছে এসএমএস-এর। প্রথম জিএসএম প্রযুক্তির মোবাইল ফোন বিক্রির জন্য অনুমোদিত হয় ১৯৯২ সালের ৩ ডিসেম্বর। জিএসএম প্রযুক্তি তৈরির সময়ই এসএমএস-এর ধারণার উদ্ভব এবং টেলিফোন সিগনালের মধ্য দিয়ে বার্তা পাঠানোর জন্য প্রযুক্তিটি তৈরি হয়।
পিসি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, প্রতি বছর সারা পৃথিবীতে ৭ ট্রিলিয়ন টেক্স মেসেজ আদান-প্রদান করা হয়। তার মানে প্রতি সেকেন্ডে ২ লাখ এসএমএস আদান-প্রদান করছে সারা পৃথিবীর মানুষ।

এই মুহূর্তে বিশ্ব জুড়ে ৬ শত কোটি মানুষ সেল ফোন ব্যবহার করে এবং এর অধিকাংশই এসএমএস ব্যবহার করে।

এদিকে গার্ডিয়ান দাবি করেছে, প্রযুক্তির স্বর্গরাজ্য সিলিকন ভ্যালিতে এ পর্যন্ত যতো প্রযুক্তির উদ্ভব হয়েছে, এসএমএস-এর কাছে সেগুলো কিছুই না। তার চেয়ে মজার বিষয় হলো, এসএমএস-এর উদ্ভাবনও সিলিকন ভ্যালিতে নয়।

১৯৮২ সালে ইউরোপিয়ান টেলিফোনি কনফারেন্সে জিএসএম প্রযুক্তি চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ জন্য প্যারিসে কিছু ইঞ্জিনিয়ারকেও নিয়োগ দেয়া হয় সে সময়।

এর পাঁচ বছর পর ১৩টি ইউরোপীয় দেশ, মোবাইল ফোন যোগাযোগের জন্য জিএসএম প্রযুক্তিকে সাধারণ মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম হিসেবে চালু করতে এক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করে।

প্রথম জিএসএম প্রযুক্তির নেটওয়ার্কে ফোন কলটি করেন ১৯৯১ সালে তৎকালীন ফিনিশ প্রধানমন্ত্রী। পরবর্তীতে প্রথম জিএসএম প্রযুক্তির মোবাইল ফোন বিক্রির জন্য অনুমোদিত হয় ১৯৯২ সালে।

ধীরে ধীরে এটি বিশ্বব্যাপী মোবাইল ফোন যোগাযোগের সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্ক হিসেবে গড়ে ওঠে। জিএসএম প্রযুক্তি তৈরির সময়ই এসএমএস-এর ধারণার উদ্ভব এবং টেলিফোন সিগনালের মধ্য দিয়ে বার্তা পাঠানোর জন্য প্রযুক্তিটি তৈরি হয়।
Title: Risk of Stroke
Post by: nmoon on December 03, 2012, 01:07:29 PM
আগের তুলনায় কম বয়সীদের মধ্যে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার হার বাড়ছে বলে এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে।
Title: অপব্যবহার রোধ করতে হবে
Post by: Md. Khairul Bashar on December 03, 2012, 01:37:02 PM
আইন-শৃংখলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার চাহিদা মেটাতে সরকারের নির্দেশে দেশের প্রায় সব টেলিফোন গ্রাহকের কথোপকথন, ভয়েস ও ডাটা রেকর্ড করা হচ্ছে। ৬টি মোবাইল অপারেটর, বিটিসিএল ও ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জগুলো বাধ্যতামূলকভাবে করে চলেছে এ কাজ। সরকারের প্রয়োজনে রেকর্ডকৃত ডকুমেন্ট থেকে সংশ্লিষ্টদের তথ্য প্রতিনিয়ত হচ্ছে যাচাই-বাছাই। আর এভাবেই সরকারবিরোধী কোন কর্মকান্ড, জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক পাচারকারী কিংবা চোরাকারবারিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষনে রাখা হচ্ছে। টেলিফোন অপারেটররা ছাড়াও সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরাও কিছু কিছু চিহ্নিত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর টেলিফোনে আড়িপাতছে। তবে টেলিফোনে আড়িপাতা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি পৃথক দফতর করা হলেও তা চালু হয়নি। ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) নামে নতুন এ সংস্থাটি গত সেপ্টেম্বর মাস থেকেই চালু হওয়ার কথা থাকলেও তা এখনও হয়নি।

টেলিফোনে আড়িপাতার বিষয়টি এমনকি উন্নত দেশগুলোতেও দেখা যায়। মূলত রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য ও অপরাধ দমনে এটা করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও এ দুই লক্ষ্যে টেলিফোনে আড়িপাতা হয়ে থাকলে আপত্তির কিছু নেই। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনের লক্ষ্যে পরিচালিত আড়িপাতার প্রক্রিয়াটি যদি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ভঙ্গের কারন হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তা গনবিরোধী কার্যক্রম হিসেবেই চিহ্নিত হবে। কারন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা মানুষের মৌলিক অধিকার। সংবিধানেও এ অধিকার উল্লেখ আছে। আমাদের আশংকা, টেলিফোনে আড়িপাতার যথেচ্ছ ব্যবহার হতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে নাগরিকের অধিকার ক্ষুন্ন হবে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও আইন-শৃংখলা রক্ষার্থে প্রনীত বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন আইন ২০০১-এ বলা হয়েছে, “ এই আইন বা অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যা কিছুই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা জনশৃংখলা রক্ষার্থে যে কোন টেলিযোগাযোগ সেবা ব্যবহারকারীর পাঠানো বার্তা ও কথোপকথন প্রতিহত, রেকর্ড ধারন বা তৎসম্পর্কিত তথ্যাদি সংরক্ষনের জন্য সরকার সময়ে সময়ে নির্ধারিত সময়ের জন্য গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা, তদন্তকারী সংস্থা বা আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনের কাজে নিয়োজিত সংস্থার কোন কর্মকর্তাকে ক্ষমতা দিতে পারবে এবং পরিচালনাকারী ওই নির্দেশ পালন করতে বাধ্য থাকবে”।

এ তো গেল টেলিকমিউনিকেশন আইন; অন্যদিকে জনগনের অধিকার সুরক্ষার জন্যও আইন রয়েছে। এই দুই আইন পরস্পর সাংঘর্ষিক যাতে হয়ে না ওঠে, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। উন্নত দেশে টেলিফোনে আড়িপাতা বিষয়ে নিয়ন্ত্রনমূলক কাঠামো রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে একটি বিশেষ আদালতের অনুমতি ছাড়া আড়িপাতা সম্পূর্ন নিষিদ্ধ। বাংলাদেশে এ ধরনের নিয়ন্ত্রনমূলক কোন কাঠামো নেই। তাছাড়া টেলিকমিউনিকেশন আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী কারও টেলিফোনে আড়িপাতা হলে সরকার তথা স্‌বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে অনুমতি নিতে হবে। এ সংক্রান্ত অনুমতি কাকে, কি কারনে এবং কতক্ষনের জন্য আড়িপাতার আওতায় রাখা হবে তা উল্লেখ নেই। আমাদের বক্তব্য, টেলিকমিউনিকেশন আইন সংশোধনের মাধ্যমে তা এমন সুবিন্যস্তভাবে প্রনয়ন করতে হবে যাতে সাপও মরে আবার লাঠিও না ভাঙে।

টেলিফোনে আড়িপাতা কার্যক্রমকে সাধারন মানুষের অধিকার সংরক্ষন করে পরিচালনার জন্য এনটিএমসি নামের পৃথক সংস্থাটির সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলতে কেন এত দেরি হচ্ছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। বর্তমানে যেভাবে আড়িপাতা হচ্ছে, তা বিজ্ঞানভিত্তিক শৃংখলার সঙ্গে হচ্ছে না। উপযুক্ত অভিভাবকের অভাবে বর্তমান ধারার কার্যক্রমে সাধারন মানুষের প্রাইভেসি ক্ষুন্ন হওয়ার যথেষ্ট আশংকা রয়েছে। আমরা চাইব, এনটিএমসি অচিরেই আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম চালু করে টেলিফোনে আড়িপাতার বিষয়টি একটি সার্বিক শৃংখলার মধ্যে নিয়ে আসায় সচেষ্ট হবে।



সূত্রঃ http://www.jugantor.us/2012/12/03/news0303.htm
Title: Passive smoking
Post by: Shamsuddin on December 03, 2012, 02:34:53 PM
পরোক্ষ ধূমপান স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়






চীন, জুন ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- পরোক্ষ ধূপমানের শিকার হওয়ার মানুষদের হৃদরোগ ও ফুসফুস ক্যান্সারসহ স্ট্রোক ও এ্যাজমায় মৃত্যুঝুঁকি বেশি। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।

দুই দশক ধরে পর্যবেক্ষণ করে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছন একদল চীনা গবেষক।

এছাড়া, গবেষকরা আরো বেশ কয়েকটি গবেষণা পর্যালোচনা করে দেখেছেন, যারা ধূমপান করেন না, কিন্তু ধূমপায়ীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়তই


তামাকের ধোঁয়া আক্রান্ত হন তাদের হৃদরোগ ও নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তবে এক্ষেত্রে স্ট্রোক ও এ্যাজমার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত ‘চেস্ট’ নামক একটি মেডিক্যাল জার্নালে গবেষণা ফলাফলটি প্রকাশিত হয়েছে।

তবে ওই স্বাস্থ্য ঝুঁকির জন্য কেবল পরোক্ষ ধূমপানই দায়ী এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি গবেষকরা। তারা আরো কিছু মূল কারণকে দায়ী করেছেন; যেমন- ব্যক্তির বয়স, শিক্ষা, পেশা এবং রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা ইত্যাদি।

১৭ বছর ধরে ৯১০ জনের ওপর গবেষণা চালিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

ইন্সস্টিটিউট অব গ্লোবাল টোবাকো কন্ট্রোলের পরিচালক জোয়ান্না কোহেন বলেছেন, “সবচেয়ে বেশি ধূমপান করে চীনারা। চীনের এ গবেষণাটি অন্যান্য দেশগুলোকেও ধূমপানবিরোধী শিক্ষা প্রচলন ও তামাক নিয়ন্ত্রণে সচেষ্ট করবে।”




Source: Internet
Title: OpenCart Tutorial
Post by: Muhammad Siddiqur Rahman on December 03, 2012, 03:35:39 PM
[youtube]http://www.youtube.com/watch?v=DwMIIdXiKUI[/youtube]
Title: Scientists at Scripps Research Institute discover how 2 proteins help keep cells
Post by: tamim_saif on December 03, 2012, 04:43:12 PM
Published: Sunday, December 2, 2012 - 19:01 in Biology & Nature

Scientists at The Scripps Research Institute (TSRI) have determined how two proteins help create organelles, or specialized subunits within a cell, that play a vital role in maintaining cell health. This discovery opens the door for research on substances that could interfere with the formation of these organelles and lead to new therapies for cancer. The study, published online ahead of print on December 2, 2012, by the journal Nature Structural & Molecular Biology, focuses on the structure and function of the two proteins, ATG12 and ATG5. These proteins need to bond correctly to form an organelle called the autophagosome, which acts like a trash bag that removes toxic materials and provides the cell with nutrition through recycling.

"Our study focuses on one of the big mysteries in our field," said Takanori Otomo, the TSRI scientist who led the effort. "These proteins are linked, but no one has explained why clearly. We're very excited to have determined the structure of these linked proteins so that the information is available to do the next level of research."

At the beginning of the study, Otomo and colleagues knew that many proteins work together to form autophagosomes as part of the process known as autophagy, which breaks down large proteins, invasive pathogens, cell waste, and toxic materials. As part of this process, one key protein, LC3, attaches to a lipid, or fat molecule, on the autophagosome membrane. Yet LC3 cannot attach to a lipid without the help of ATG12 and ATG5, and a cell will only form an autophagosome if the linkage, or conjugate, between these two molecules has been established.

Otomo and colleagues set out to determine the shape of the ATG12-ATG5 conjugate, and to find out why it was needed for LC3 lipidation.

Using a method called X-ray crystallography, the scientists were able to unveil the details of this conjugate. When ATG12 and ATG5 come together, they form a rigid architecture and create a surface area that is made up of evolutionarily conserved amino acids and facilitates LC3 lipidation. The researchers confirmed this finding by mutating those conserved amino acids , which prevented an autophagosome from forming.

Otomo and colleagues also identified a surface on the ATG12-ATG5 conjugate that binds to ATG3, another enzyme required to attach LC3 to the lipid.

With this new knowledge, the researchers hope to design molecules that inhibit autophagosome formation, a direction of research that has implications for cancer treatment. A drug that directly inhibits ATG3 binding, for example, could be used in coordination with current therapies to make cancer treatments more effective, preventing a cancer cell from recycling nutrients and prolonging its survival.

"Ultimately, we'd like to understand the molecular mechanisms of each step of autophagy," he said, "As we make progress toward this goal, we will have a better idea of how to manipulate the pathway for therapeutic purposes. This field is still young and there are a lot of unknowns. This work is just the beginning."

This research was supported by National Institutes of Health (NIH) grant GM092740 and by funds from Japan Science and Technology Agency through the Keio Kanrinmaru Project.

Source: The Scripps Research Institute
Title: Re: অপব্যবহার রোধ করতে হবে
Post by: shyful on December 03, 2012, 05:21:52 PM
Dear, Md. Khairul Bashar

Thanks for the informative post.

You are right it’s clearly has a trends to violate 'Right to privacy' which is a constitutional mandated right for all  Bangladeshi  citizens,

and except certain exceptions our constitution safeguards  this right . But due to changing the ways , trends and techniques of

committing  crime especially like as giving treat, committing offence against state or arranging unlawful assembly or like to destroy

public or private properties(which recently has been doing by some political parties). The state has no way then to keep hearing voices

and identifying through checking call information. Most vibrant success we can identify through evaluating on the prevention mechanism

of JMB activities in Bangladesh. They (Law enforcing agencies) succeeded to show their abilities .In addition to that to trace illegal drug

dealing business and preventing cyber related offences, this one is necessary. At the same time if that provision has been using or

seems to be, using by them or the concerned for suppressing oppositions or interfering in un-expected privacy matters then that

should be prevented. That’s why the end will justify whether their interference in violating privacy is a justified one or not.


Thanks again
Title: Re: অপব্যবহার রোধ করতে হবে
Post by: Md. Khairul Bashar on December 04, 2012, 01:21:15 PM
Dear Sir

Thank you very much. I agree that law enforcing agencies have already completed many successful operations through this technique. We should not stand against this technique. But Govt. should ensure the proper use of this technology.
Title: Re: স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ছে কম বয়সীদের
Post by: saratasneem on December 06, 2012, 04:17:43 PM
Alarming trend.
Title: Re: পরোক্ষ ধূমপান স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়
Post by: saratasneem on December 08, 2012, 02:59:03 PM
No doubt.
Title: Re: যানযট অটিজমের কারন!
Post by: Farhana Israt Jahan on December 31, 2012, 01:45:01 PM
The fact is more serious for Dhaka city, but unfortunately nobody take steps to reduce the problem...
Title: Re: 21 years of SMS Text message system
Post by: nmoon on January 15, 2013, 04:39:34 PM
Good news. SMS is very helpful for us. We really need it in our daily life.
Title: Re: 21 years of SMS Text message system
Post by: nayeemfaruqui on February 20, 2013, 12:20:19 PM
Thanks for sharing...
Title: Re: Passive smoking
Post by: nayeemfaruqui on February 20, 2013, 12:31:36 PM
Agreed...
Title: Re: Passive smoking
Post by: nmoon on February 20, 2013, 12:52:52 PM
In our country, it is very tough to control because of free smoking in everywhere. Long long days ago our Govt. try to control but failed to do that. So we are in risk.
Title: Re: 21 years of SMS Text message system
Post by: tany on February 20, 2013, 03:07:59 PM
Very informative post..thanks..
Title: Re: A manual is needed
Post by: Mustafizur rRhman on March 13, 2013, 01:17:40 PM
The team is passionately working on it. Hope to get it soon.