Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Sultan Mahmud Sujon

Pages: [1] 2 3 ... 171
1
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে এমন আশঙ্কা হলে অনলাইনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ফ্লু কর্ণারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে কিংবা ব্র্যাক ও জেকেজি পরিচালিত কিয়স্কে গিয়ে নমুনা দিয়ে আসতে পারেন।

এর বাইরে ব্যয়বহুল বেসরকারি ১৩ টি প্রতিষ্ঠানকে কোভিড-১৯ পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে সরকার। হাসপাতালে গিয়ে নমুনা পরীক্ষা করালে সাড়ে ৩ হাজার টাকা ও হাসপাতাল প্রতিনিধি বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করলে সাড়ে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ বেঁধে দিয়েছে সরকার। তবে, বেশিরভাগ হাসপাতালই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি আদায় করেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা প্রথম আলোকে বলেছেন, ৪৯ টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রধানত, বিএসএমএমইউ, ব্র্যাক ও জেকেজির কিয়স্কগুলোতে গিয়ে নমুনা দিতে হবে। কিছু কিছু সরকারি হাসপাতালও নমুনা নিয়ে থাকে।


করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে এমন আশঙ্কা হলে অনলাইনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ফ্লু কর্ণারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে কিংবা ব্র্যাক ও জেকেজি পরিচালিত কিয়স্কে গিয়ে নমুনা দিয়ে আসতে পারেন।

এর বাইরে ব্যয়বহুল বেসরকারি ১৩ টি প্রতিষ্ঠানকে কোভিড-১৯ পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে সরকার। হাসপাতালে গিয়ে নমুনা পরীক্ষা করালে সাড়ে ৩ হাজার টাকা ও হাসপাতাল প্রতিনিধি বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করলে সাড়ে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ বেঁধে দিয়েছে সরকার। তবে, বেশিরভাগ হাসপাতালই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি আদায় করেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা প্রথম আলোকে বলেছেন, ৪৯ টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রধানত, বিএসএমএমইউ, ব্র্যাক ও জেকেজির কিয়স্কগুলোতে গিয়ে নমুনা দিতে হবে। কিছু কিছু সরকারি হাসপাতালও নমুনা নিয়ে থাকে।

Lifebuoy Soap
পাঠকদের জন্য কোভিড-১৯ পরীক্ষায় নমুনা সংগ্রহের কেন্দ্রগুলোর নাম দেওয়া হলো:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নমুনা দিতে হলে আগে থেকেই অনলাইনে সাক্ষাৎকার ফরম পূরণ করতে হবে। বিএসএমএমইউএর ওয়েবসাইটের ডানদিকে ফিভার ক্লিনিকের অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ক্লিক করুন লেখা বাটনে চাপলেই পাওয়া যাবে সাক্ষাৎকার ফরমটি। যাঁরা এই ফরম পূরণ করবেন তাঁদের মুঠোফোন নম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট নম্বর ০১৫৫২১৪৬২০২ থেকে খুদে বার্তা পাঠানো হবে। এই খুদে বার্তা দেখালে পরীক্ষা করা যাবে।

বিএসএমএমইউএর ফিভার ক্লিনিক সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন থাকলে ফোন করা যাবে ০১৪০৬৪২৬৪৪৩ এই নম্বরে।

ব্র্যাকের কিয়স্ক:

ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির সহযোগী পরিচালক মোরশেদা চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঢাকার ৩৪ টি জায়গায় তাঁরা কিয়স্ক স্থাপন করেছেন। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করে তাঁরা সরকার নির্ধারিত গবেষণাগারে পৌঁছে দেন।
দৈনিক এক একটি বুথ থেকে তাঁরা ত্রিশটি নমুনা সংগ্রহ করে থাকেন। সক্ষমতা বেশি হলেও, গবেষণাগারের সক্ষমতার ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আপাতত এই সীমা ঠিক করে দিয়েছে। তবে কিয়স্কের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।

ব্র্যাকের কেন্দ্রগুলো রয়েছে

সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল - মিরপুর ১৩
৪ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টার - মিপুর ১৩
আনোয়ারা মুসলিম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ - বাউনিয়া
উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ - উত্তরা
উত্তরা হাই স্কুল (ডিএনসিসি) - সেক্টর-৬, উত্তরা
১০ নং কমিউনিটি সেন্টার (ডিএনসিসি) - সেক্টর ৬, উত্তরা
উত্তরখান জেনারেল হাসপাতাল - উত্তরখান, ওয়ার্ড ৪৫
নবজাগরণ ক্লাব, জামতলা - ইসমাঈলদেওয়ান মহল্লা, আজিমপুর, দক্ষিণখান
পল্টন কমিউনটি সেন্টার - নয়াপল্টন, পল্টন থানার উল্টোদিকে
কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল - ১ ও ২ (শুধুমাত্র পুলিশ সদস্যদেও জন্য)
প্রেস ক্লাব - (তোপখানা)
৫০ নম্বর ওয়ার্ড যাত্রাবাড়ি কমিউনিটি সেন্টার - শহীদ ফারুক সড়ক, জলাপাড়া, যাত্রাবাড়ি
সুইপার কলোনী, দয়াগঞ্জ বস্তি - যাত্রাবাড়ি
হাজী জুম্মন কমিউনিটি সেন্টার - নয়াবাজার মোড়, হাজী রশিদ লেন
বাসাবো কমিউনিটি সেন্টার - বাসাবো
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি - সেগুনবাগিচা
আমলিগোলা পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার - ধানমন্ডি
সূচনা কমিউনিটি সেন্টার - মোহাম্মদপুর
আসাদুজ্জামান খান কামাল কমিউনিটি সেন্টার (ডিএনসিসি) - মধুবাগ, মগবাজার
মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম চৌধুরী কমিউনিটি সেন্টার – কামরাঙ্গীরচর
শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল - টঙ্গি
উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স - সাভার
জেকেজি হেলথ কেয়ার:

পল্লীবন্ধু এরশাদ বিদ্যালয় - করাইল, বনানী
রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্কুল (শুধুমাত্র পুলিশ সদস্যদের জন্য)
সবুজবাগ সরকারি মহাবিদ্যালয়, বাসাবো , খিলগাঁও
খিলগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ , খিলগাঁও
তিতুমীর কলেজ
নারায়ণগঞ্জ

১. নারায়ণগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ
২. এম ডব্লিউ উচ্চ বিদ্যালয় , সিদ্ধিরগঞ্জ

মিটফোর্ড হাসপাতালে নমুনা দেওয়া যায়, বাকিগুলোয় সীমিত পরিসরে:
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে ফ্লু কর্নার থেকে রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। হাসপাতালের পরিচালক রাশিদুন নবী প্রথম আলোকে বলেন, গড়ে ১৪০ টি নমুনা তাঁরা পরীক্ষা করছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে বা উপসর্গ নিয়ে যারা আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি আছেন কিংবা অন্যকোনো রোগে ভর্তি রোগীরা পরীক্ষা করাতে পারবেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

এ তথ্য দিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিরউদ্দীন। এর আগে বহির্বিভাগে আসা রোগীরা নমুনা দিয়ে যেতে পারতেন। এখন রোগীর চাপ বাড়ায় এ প্রক্রিয়া থেকে হাসপাতালকে পিছিয়ে আসতে হয়েছে।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
ও চাইল্ড হেলথ কেয়ার রিসার্চ ফউন্ডেশন ও ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ঢাকার যেখানে নমুনা পরীক্ষা করা যাবে:

এভারকেয়ার হসপিটাল, ঢাকা
স্কয়ার হসপিটাল, ঢাকা
প্রাভা হেলথ বাংলাদেশ লিমিটেড, ঢাকা
ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, ঢাকা
আনওয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হসপিটার, ঢাকা
এনাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল, ঢাকা
ইউনাইটেড হসপিটাল লিমিটেড, ঢাকা
বায়োমেড ডায়াগনস্টিক, ঢাকা
ডিএমএফআর মলিকিউলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক, ঢাকা
ল্যাব এইড হসপিটাল, ঢাকা
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ হেলথ সায়েন্সেস জেনারেল হসপিটাল, ঢাকা
কেয়ার মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

ঢাকার বাইরে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা যাবে:

টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড রাফাতউল্লাহ কমিউনিটি হসপিটাল, বগুড়া
শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি (প্রাইভেট) লিমিটেড, চট্টগ্রাম
ঢাকার বাইরে যেসব জায়গায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা:

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, এখন সব হাসপাতালে ফ্লু কর্ণার করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। কোভিড-১৯ এর উপসর্গ আছে এমন রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিগুলোতে পাঠানো যাবে।

অধিদপ্তরের তালিকা অনুযায়ী পরীক্ষা হচ্ছে:

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিকাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি), চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ
আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ , নোয়াখালি
নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ
শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ, জামালপুর
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ
রংপুর মেডিকেল কলেজ
এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ, দিনাজপুর
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
খুলনা মেডিকেল কলেজ
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ
শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ
নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল
কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল

*এসব মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অন্তঃবিভাগে ভর্তি রোগী বা বহির্বিভাগে আসা রোগীর নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর বাইরে, নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষা করা হচ্ছে কয়েকটি গবেষণাগারে। যেমন:

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সাইন্সেস ইউনিভার্সিটি
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
গাজী কাভিড-১৯ পিসিআর ল্যাব, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ

গবেষণাগারগুলো যেখানে:

মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলোর ল্যাবে পরীক্ষা হতে পারে। এর বাইরেও
নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হচ্ছে নিচের গবেষণাগারগুলোয়।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার
আইইডিসিআর
জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান
আন্তর্জাতিক উদারাময় গবেষণা প্রতিষ্ঠান
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়
চাইল্ড হেলথ কেয়ার রিসার্চ ফউন্ডেশন ও ঢাকা শিশু হাসপাতাল
আর্মর্ড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি ও সিএমএইচ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ
আইদেশি (বেসরকারি)
বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট
জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান
মুগদা মেডিকেল কলেজ
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

2
A global digital health framework is only at a nascent stage. Understandably, policymakers in all countries are first dealing with the considerable challenge of adapting technology to their own domestic health frameworks. And international organizations are only just starting to develop the common principles, best practices, and tools to help late adaptors and developing countries catch up with leading countries. The risk is domestic frameworks will fragment away from international standards, thereby preventing health companies and research organizations from leveraging health data and digital technologies in order to provide new and better services across different countries. COVID-19 has underlined the importance of international cooperation and collaboration to global health.

LMIC policymakers and their international health and development partners must focus on foundational issues—namely, a national digital health strategy, digital skills, ICT infrastructure, and data governance—to build effective domestic and global digital health frameworks. This report aims to support these policymakers in doing this. The first section outlines the promise of digital health (the appendix includes case studies from several regions that illustrate how this is working in practice). The paper then gives an overview of core enablers for digital health, including an analysis of the importance of ICT infrastructure and digital skills, and domestic and international data governance. The paper then reviews the growing focus on digital health by multilateral organizations and other nongovernmental organizations (NGOs).

The paper concludes with general findings and recommendations, summarized below:

Countries should develop holistic national digital health strategies. There is wide disparity in progress in this area among LMICs, with several important countries having no formal national plans. Digital technologies will not achieve anywhere near their full potential absent a plan that provides the necessary resources, coordination, cooperation, and leadership. These plans need to be holistic, in part, as each country’s situation will be somewhat different, including the considerable complexity that comes from integrating digital technologies with legacy health systems.
Several multilateral organizations and private-sector initiatives have elevated the focus on digital health at the international level, such as the WHO-backed global digital health strategy. LMICs should work with WHO and other actors to mobilize the resources and expertise to help develop and implement—or improve—their own digital health strategies.1
Training and education to use digital technologies is critical, but few LMICs have integrated digital skills into their health-workforce training. Regional and multilateral health organizations, donors, and other stakeholders should prioritize efforts to help LMICs address the most pressing skills gaps.
There are particularly acute gaps in ICT infrastructure in LMICs, which are home to most of the people that remain disconnected from the Internet. Poor ICT infrastructure severely limits the potential of digital health. Regional and multilateral development agencies, and other donors, should fill these gaps to cover private-sector shortfalls—for example, with regard to wireless mobile coverage in rural areas.
LMICs need to enact a data governance framework that balances data privacy and protection with innovation. The generation, protection, use, sharing, and international transfer of high-quality data is fundamental to an effective and innovative digital health program. An overly restrictive data governance framework will limit the potential of digital health technologies.
Policymakers need to build interoperability into their frameworks from the start, as many of the benefits of digital health technologies require cross-border transfers of data. This is critical, as many firms and research organizations involved in digital health rely on the Internet, the free flow of data, and centralized IT facilities to easily, cheaply, and reliably access data, patients, and health-care providers around the world. The emergence of a meaningful, integrated global digital health framework will depend on national governments enabling cross-border flows of data.
THE PROMISE OF DIGITAL HEALTH
Simply put, “digital health” refers to the use of digital technologies for health. It is an umbrella term that includes electronic health (eHealth), mobile health (mHealth) and emerging areas such as the use of artificial intelligence (AI), big data, and genomics.2 As populations age and noncommunicable disease burdens rise, there will be even greater pressure on health-care systems, underscoring the need to deploy current and new technological solutions.3 WHO has stated that “universal health coverage cannot be achieved without the support of eHealth.”4

Digital health holds considerable promise.5 It can make health information, care, and diagnosis more accessible, such as through telemedicine.6 This is especially true for people in hard-to-reach places, given the proliferation of low-cost smart phones and medical devices. Digital health can enable health-care providers and services to become more efficient and of higher quality. In particular, the enhanced use of health data offers the prospect of more personalized and coordinated care, and better, faster treatment at a lower cost.7 AI has advanced to the stage where it can mitigate shortages of specialists, providing reliable diagnosis and lower-cost services in fields ranging from tuberculosis to diabetic retinopathy. Similarly, AI can use the greater availability of health data to identify and prevent emerging health issues, such as epidemics. When combined with software, better, richer datasets allow health system managers to identify, plan, and allocate resources more efficiently. Digital health can also accelerate the drug development process.8 For example, AI can integrate and analyze a broader range of “real-world” data from mobile and wearable technologies and social media, and combine it with traditional lab and clinical data.9

Many of these benefits are already evident, and hold particular promise for LMICs given they can be deployed at significantly lower cost than traditional brick-and-mortar health services. Indicative of this, digital health technologies are currently undergoing a surge in uptake. Globally, 44 percent of mobile users have seen a medical professional for diagnosis or treatment via their mobile device.10 According to IQVIA (a U.S. health technology firm), the number of mHealth products and services has doubled in the past 5 years in LMICs, and there are now over 165,000 mobile applications for health services.11 In fact, mobile health services are more popular in LMICs, with 59 percent of patients in LMICs using mHealth applications and services, compared with 35 percent in high-income countries.12

As populations age and noncommunicable disease burdens rise, there will be even greater pressure on health-care systems, underscoring the need to deploy current and new technological solutions.

There is potential for digital health to benefit the wider economy, not only through significant cost savings but also via increases in productivity as patients receive faster, more accurate diagnoses and treatment.13 For example, Canada measured the cost savings generated by its digital health investments and reported an aggregate saving of US$11.2 billion since 2007.14 Many studies anticipate considerable cost savings from digital health, such as a 2013 GSMA study that estimated mHealth technology could result in $400 billion worth of cost savings over a 5-year period in high-income countries.15 A review of 14 evaluations of digital health interventions across a range of high-income countries found them all to be cost effective and an improvement over existing interventions.16

THE BUILDING BLOCKS FOR DIGITAL HEALTH
Despite the potential benefits of digital health, few nations have put in place the policies, programs, or strategies needed to take full advantage of it. The 2019 Global Digital Health Index assesses the state of preparedness and adoption of digital health in 22 countries of varying stages of economic development (see figure 1).17 It also measures the readiness of the wider health system to successfully adopt and deploy digital health interventions. The Index is benchmarked according to components of the WHO and International Telecommunications Union (ITU) eHealth Strategy Framework, which uses 19 indicators in 7 policy areas: leadership and governance; strategy and investment; services and applications; standards and interoperability; infrastructure; legislation, policy and compliance; and workforce.

Source: https://itif.org/publications/2020/05/26/building-global-framework-digital-health-services-era-covid-19?mc_cid=c25ccac50d&mc_eid=b61832c89d

3
নবী রাসূল গন সম্পর্কিত কিছু তথ্য, ধৈর্যের সঙ্গে পড়তে অনুরোধ  রইলঃ
———————————————

0. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম নবী কে?
উত্তরঃ আদম (আঃ)।           

1. প্রশ্নঃ কোন নবীর পিতা-মাতা কেউ ছিল না?
উত্তরঃ আদম (আঃ)।

2. প্রশ্নঃ আদম (আঃ)এর শারিরীক দৈর্ঘ কত ছিল?
উত্তরঃ ৬০ হাত।

3. প্রশ্নঃ কোন নবী পিতা ছাড়াই মায়ের গর্ভে এসেছিলেন?
উত্তরঃ ঈসা (আঃ)।

4. প্রশ্নঃ কোন নবী নিজ জাতিকে ৯৫০ (সাড়ে নয়শত) বছর দাওয়াত দেন?
উত্তরঃ নূহ (আঃ)।               

5. প্রশ্নঃ কোন নবীর মোজেযা চিরন্তন, যা কখনো বিলীন হবে না। উহা কি?
উত্তরঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। উহা হচ্ছে আল কুরআন।

6. প্রশ্নঃ কোন নবীকে আল্লাহ দীর্ঘকাল কঠিন অসুখ দিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন? কিন্তু তিনি ধৈর্য ধারণ করেছিলেন?
উত্তরঃ আইয়্যুব (আঃ)।

7. প্রশ্নঃ কোন নবী পশু-পাখী, বাতাসের সাথে কথা বলতেন? উত্তরঃ সুলাইমান (আঃ)।

8. প্রশ্নঃ পিতা-পুত্র উভয়েই নবী। কিন্তু উভয়কেই ইহুদীরা হত্যা করেছিল?
উত্তরঃ যাকারিয়া ও ইয়াহইয়া (আঃ)।

9. প্রশ্নঃ কোন নবীকে আল্লাহ আসমানী কিতাব যাবুর দিয়েছিলেন এবং লোহা তাঁর হাতে নরম হয়ে যেত?
উত্তরঃ দাউদ (আঃ)।

10. প্রশ্নঃ “উলুল আযমে মিনার্‌ রুসুল” বা দৃঢ়পদ সম্পন্ন নবী কাদেরকে বলা হয়?
উত্তরঃ তাঁরা হচ্ছেন পাঁচ জন: নূহ, ইবরাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিম ওয়া সাল্লাম)।                     
                                     
11. প্রশ্নঃ কোন চারজন নবী সকলেই আরব বংশদ্ভূত?
উত্তরঃ হুদ, ছালেহ, শুআইব ও মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহিম ওয়া সাল্লাম)।                 
                         
12. প্রশ্নঃ কোন দুজন সহোদর ভাই দুজনই নবী?
উত্তরঃ ইসমাঈল ও ইসহাক এবং মূসা ও হারূন (আঃ)

13. প্রশ্নঃ কোন নবীকে মাছে গিলে ফেলেছিল? দুআ করার পর আল্লাহ তাকে মুক্তি দিয়েছেন? উত্তরঃ ইউনুস (আঃ)

14. প্রশ্নঃ কোন দুজন নবীর স্ত্রীরা কাফের ছিল?
উত্তরঃ নূহ ও লূত (আঃ)

15. প্রশ্নঃ কোন নবীকে আল্লাহ আদ জাতির নিকট প্রেরণ করেছিলেন?
উত্তরঃ হুদ (আঃ)।                   
               
16. প্রশ্নঃ কোন দুজন নবীকে বৃদ্ধ বয়সে আল্লাহ সন্তান দিয়েছিলেন? অথচ তাদের স্ত্রীগণ বন্ধ্যা ছিলেন? উত্তরঃ ইবরাহীম ও যাকারিয়া (আঃ)                                 
     
17. প্রশ্নঃ কোন নবীর ছেলেকে কুফরীর কারণে আল্লাহ ডুবিয়ে মেরেছিলেন?
উত্তরঃ নূহ (আঃ) এর ছেলে কেনানকে।

18. প্রশ্নঃ কোন নবীর সমপ্রদায়ের লোকেরা ওযনে কম দেয়ায় খ্যাতি অর্জন করেছিল?
উত্তরঃ শুআইব (আঃ)এর সমপ্রদায়ের লোকেরা।         
                                   
389. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কয়জন নবীর নাম উল্লেখ আছে? উত্তরঃ ২৫ জন।                   
                       
390. প্রশ্নঃ কুরআনে উল্লেখিত পঁচিশ জন নবীর নাম উল্লেখ কর। উত্তরঃ আদম (আঃ), ইদরীস (আঃ), নূহ (আঃ), হূদ (আঃ), ছালেহ (আঃ), ইবরাহীম আঃ), লূত (আঃ), ইসমাঈল (আঃ), ইসহাক্ব (আঃ), ইয়াকূব (আঃ), ইউসূফ (আঃ), শুআইব (আঃ), আইয়্যুব (আঃ), যুলকিফল (আঃ), মূসা (আঃ) হারূন (আঃ), দাউদ (আঃ), সুলাইমান (আঃ), ইল্‌য়াস আঃ), আলইয়াসা (আঃ), ইউনুস (আঃ), যাকারিয়া (আঃ), ইয়াহইয়া (আঃ), ঈসা (আঃ) ও মুহাম্মাদ (স.)।                                   

391. প্রশ্নঃ মারইয়াম বিনতে ইমরান কোন নবীর দায়িত্বে প্রতিপালিত হন?
উত্তরঃ যাকারিয়া (আঃ)।         
       
392. প্রশ্নঃ কোন নবী কাঠুরে ছিলেন?
উত্তরঃ যাকারিয়া (আঃ)।         
                                                        393. প্রশ্নঃ কোন নবী বৃদ্ধাবস্থায় আল্লাহর কাছে সন্তান চেয়েছিলেন? আর আল্লাহ তাঁর প্রার্থনাও মঞ্জুর করেছিলেন। উত্তরঃ যাকারিয়া (আঃ)।         
             
394. প্রশ্নঃ কোন্‌ নারী বন্ধ্যা ও বৃদ্ধা হওয়ার পরও সন্তান লাভ করেছিলেন?
উত্তরঃ যাকারিয়া (আঃ) এর স্ত্রী।   
 
395. প্রশ্নঃ কোন নবীকে বলা হয় আল্লাহর কালেমা ও তাঁর রূহ? উত্তরঃ ঈসা (আঃ)।             
                           
396. প্রশ্নঃ জনৈক মহিয়সী রমণী ও তাঁর সন্তানকে পবিত্র কুরআনে “জগতবাসীর জন্য নিদর্শন হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে”? তাঁরা কে কে?
উত্তরঃ মারিয়াম বিনতে ঈমরান ও তাঁর সন্তান ঈসা (আঃ)।             
                             
397. প্রশ্নঃ ইউসূফ (আঃ) এর সহদোর ভাইয়ের নাম কি ছিল? উত্তরঃ বেনিয়ামীন।       
                               
398. প্রশ্নঃ কোন নবী নিজের হাতে রোজগার করে সংসার চালাতেন?
উত্তরঃ দাউদ (আঃ) ।       
                     
399. প্রশ্নঃ কোন নবী সারাবছর একদিন রোযা রাখতেন, আরেকদিন রাখতেন না?
উত্তরঃ দাউদ (আঃ)।           

400. প্রশ্নঃ দাউদ (আঃ)কে কোন গ্রন্থ দেয়া হয়েছে?
উত্তরঃ যাবুর।                 
                                                 401. প্রশ্নঃ ইউনূস (আঃ)কে কোন জাতির নিকট নবী হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছিল?
উত্তরঃ নিনুওয়া এলাকার লোকদের নিকট।       
                                           
402. প্রশ্নঃ কোন্‌ নবী জেল খেটেছেন?
উত্তরঃ ইউসুফ (আঃ)।           
                                                      403. প্রশ্নঃ ইউসুফ নবীর জেল খাটার কারণ কি?
উত্তরঃ মিসরের রাণীর অন্যায় আবদার প্রত্যাখ্যান করার কারণে।

404. প্রশ্নঃ ইউসুফ (আঃ) কতদিন জেল খেটেছেন?
উত্তরঃ ৭ বছর।                                                               

405. প্রশ্নঃ কোন মহান ব্যক্তি নিজে নবী ছিলেন, তাঁর পিতা, তাঁর দাদা এবং পরদাদাও নবী ছিলেন?
উত্তরঃ ইউসুফ (আঃ)। তাঁর পিতা ইয়াকূব (আঃ), দাদা ইসহাক (আঃ) ও পরদাদা ইবরাহীম (আঃ)।                           

406. প্রশ্নঃ কোন নবী মিসরের খাদ্য মন্ত্রী হয়েছিলেন?
উত্তরঃ ইউসুফ (আঃ)           
                                   
407. প্রশ্নঃ যে রমণী ইউসুফ (আঃ)কে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছিলেন তার নাম কি?
উত্তরঃ জুলাইখা।             

408. প্রশ্নঃ কোন নবীকে ছামূদ জাতীর নিকট প্রেরণ করা হয়? উত্তরঃ ছালেহ (আঃ)কে।       
                         
409. প্রশ্নঃ ছালেহ (আঃ) এর মোজেযা কি ছিল?
উত্তরঃ উটনী।                 
                                                 410. প্রশ্নঃ নূহের সমপ্রদায়কে তুফান দ্বারা ধ্বংস করার পর সর্বপ্রথম কোন নবীর সমপ্রদায়ের লোকেরা মূর্তি পুজায় লিপ্ত হয় এবং আল্লাহ তাদেরকে প্রচন্ড ঝড় দ্বারা ধ্বংস করে দেন?
উত্তরঃ হূদ (আঃ)।               
                           
411. প্রশ্নঃ কোন নবীকে আবুল আম্বিয়া বা নবীদের পিতা বলা হয়?
উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ)।           
                 
412. প্রশ্নঃ কোন নবীর জীবনের বিনিময়ে আল্লাহ বিরাট একটি প্রাণী প্রেরণ করেছিলেন?
উত্তরঃ ইসমাঈল (আঃ)

413. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ) যখন ইসমাঈলকে যবেহ করার জন্য নিজের সিদ্ধান্তের কথা বললেন, তখন ইসমাঈল (আঃ) জবাবে কি বলেছিলেন?
উত্তরঃ “পিতা! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করুন। আল্লাহ চাহেতো আপনি আমাকে ধৈর্য ধারণকারী পাবেন।” (সূরা সাফাতঃ ১০২) 
                                                      414. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ)এর পিতার নাম কি ছিল? তার কাজ কি ছিল?
উত্তরঃ আযর। সে মুর্তি বানাত ও বিক্রি করত।             
                                                       415. প্রশ্নঃ কোন নবীকে তাঁর সমপ্রদায়ের লোকেরা আগুনে নিক্ষেপ করেছিল?
উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ)।     
         
416. প্রশ্নঃ কোন নবীকে খালিলুল্লাহ বলা হয়?
উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ)কে।     
                                             417. প্রশ্নঃ কোন্‌ নবী সর্বপ্রথম মানুষকে বায়তুল্লাহর হজ্জ করার জন্য আহবান করেন?
উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ)।

418. প্রশ্নঃ কোন্‌ বাদশা ইবরাহীম (আঃ)কে অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করে?
উত্তরঃ নমরূদ।             
                   
419. প্রশ্নঃ কি অপরাধে ইবরাহীম (আঃ)কে আগুনে নিক্ষপ করা হয়েছিল?
উত্তরঃ তিনি মূর্তী ভেঙ্গেছিলেন।
 
420. প্রশ্নঃ কোন নবী তাঁর ছেলেকে সাথে নিয়ে কাবা ঘর নির্মাণ করেন?
উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ) তাঁর ছেলে ইসমাঈল (আঃ)কে নিয়ে কাবা ঘর নির্মাণ করেন।       

421. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ)এর স্ত্রী এবং ইসহাক (আঃ)এর মাতা তাঁর নাম কি?
উত্তরঃ সারা।               

422. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ)এর কোন ছেলেকে আল্লাহ যবেহ করার আদেশ করেছিলেন? উত্তরঃ ইসমাঈল (আঃ)কে।         
                                                     423. প্রশ্নঃ ইসমাঈল (আঃ)এর মাতার নাম কি?
উত্তরঃ হাজেরা।               
                                               424. প্রশ্নঃ ইসমাঈল (আঃ) মক্কায় যেখানে থাকতেন সে জায়গাটার নাম কি?
উত্তরঃ কাবা ঘরের হাতীমে তিনি থাকতেন। জায়গাটির আরেক নাম হিজরে ইসমাঈল।

425. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ) পুত্র ইসমাঈলকে যবেহ করার জন্য কোথায় নিয়ে গিয়েছিলেন? উত্তরঃ মিনায়।       

426. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ) কোথায় জন্ম গ্রহণ করেন?
উত্তরঃ ইরাকে।         
                                               427. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ) কোথায় বসতি স্থাপন করেন? উত্তরঃ ফিলিস্তিনে।         
                                         
428. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ) নিজ স্ত্রী ও শিশু সন্তান ইসমাঈল কোথায় রেখে আসেন? তখন সে জায়গার অবস্থা কেমন ছিল? উত্তরঃ মক্কায়। তখন মক্কা জনমানবহীন স্থান ছিল।     
                                 
429. প্রশ্নঃ কোন নবী জন্ম লাভের পর, তার মাতা তাকে বাক্সে ভরে নীল নদে ভাসিয়ে দেন এবং কেন? উত্তরঃ মূসা (আঃ)। এ জন্যে যে, জালেম বাদশা ফেরাউন বানী ইসরাঈলের সকল শিশুপুত্রকে হত্যা করার নির্দেশে দিয়েছিল।   
                                                          430. প্রশ্নঃ কোন নবী নিজ শত্রুর বাড়ীতে লালিত-পালিত হন? উত্তরঃ মূসা (আঃ)।         
                     
431. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ)কে কোন কাফের বাদশার নিকট ইসলামের দাওয়াত দিয়ে প্রেরণ করা হয়েছিল? উত্তরঃ ফেরাউনের নিকট।                             
                     
432. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ) লাঠি দ্বারা পাথরে আঘাত করলে কতটি ঝর্ণা নির্গত হয়েছিল?
উত্তরঃ ১২টি।                 

433. প্রশ্নঃ কোন নবী আল্লাহকে দেখতে চেয়েছিলেন?
উত্তরঃ মূসা (আঃ)।           
                                     
434. প্রশ্নঃ ফেরাউন তার দলবল নিয়ে কোন্‌ সময় মূসা (আঃ) ও তাঁর সাথীদেরকে ধাওয়া করে? উত্তরঃ সূর্য উঠার সময়। (সূরা শুআরাঃ ৬০ নং আয়াত)           
         
435. প্রশ্নঃ ফেরাউন তার দলবল নিয়ে মূসা (আঃ) ও তাঁর সাথীদের ধাওয়া করে আসলে, লোকেরা বলেছিল “আমরা তো ধরা পড়ে গেলাম” তখন মূসা (আঃ) জবাবে কি বলেছিলেন?
উত্তরঃ “তিনি বললেন, কখনই নয়; নিশ্চয় আমার পালনকর্তা আমার সাথে আছেন। তিনি আমাকে পথ দেখাবেন।” (সূরা শুআরাঃ ৬২)                         

436. প্রশ্নঃ কোন নবী সর্বপ্রথম জ্ঞান শিক্ষার জন্য সফর করেন এবং কার কাছে?
উত্তরঃ মূসা (আঃ)। খিজির (আঃ)এর কাছে। (সূরা কাহাফঃ ৬০-৮২)                 
437. প্রশ্নঃ ফেরাউন মূসা (আঃ) ও তার দলবলকে ধাওয়া করে আসলে তারা কিভাবে মুক্তি পান? উত্তরঃ মূসা (আঃ) হাতের লাঠি দ্বারা সমুদ্রে আঘাত করলে সেখানে ১২টি শুকনো রাস্তা হয়ে যায়। সেই রাস্তা দিয়ে তারা নির্বিঘ্নে পার হয়ে যান।                 
                                               438. প্রশ্নঃ আল্লাহ তাআলা কিভাবে ফেরাউনকে ধ্বংস করেন?
উত্তরঃ মূসাকে ধাওয়া করতে গিয়ে তাঁর পিছনে পিছনে সমুদ্রের শুকনো রাস্তায় নামলে আল্লাহ তাকে ডুবিয়ে মারেন।     
                                                  439. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ)কে আল্লাহ কি কি মোজেযা দিয়েছিলেন? উত্তরঃ লাঠি, শুভ্র হাত, উকুন, ব্যাঙ, রক্ত, দুর্ভিক্ষ, সমুদ্র, তুফান, ফড়িং।                           
       
440. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ)এর হাতের লাঠিতে কি ধরণের মোজেযা ছিল?
উত্তরঃ লাঠিটা মাটিতে রেখে দিলে তা বিশাল বড় সাপে পরিণত হত।
                               
441. প্রশ্নঃ কোন নবী মূসা (আঃ)এর উযীর ছিলেন?
উত্তরঃ হারূন (আঃ)।         
                                     
442. প্রশ্নঃ কোন নবীকে কালীমুল্লাহ (আল্লাহর সাথে বাক্যালাপকারী) বলা হয়?
উত্তরঃ মূসা (আঃ)কে।     

443. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ) কোথায় আল্লাহর সাথে বাক্যালাপ করেন? উত্তরঃ তূর পাহাড়ে।           
                         
444. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ) একজন কিবতীকে হত্যা করেছিলেন। কখন তিনি এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিলেন?
উত্তরঃ নবুওতের পূর্বে। (সূরা শুআরাঃ ১৯ ও ২০)       

445. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ)কে আল্লাহ কোন কিতাব প্রদান করেছেন? উত্তরঃ তাওরাত।                 
                     
446. প্রশ্নঃ আল্লাহ তাআলা মূসা (আঃ)কে তাওরাত কিতাব কোথায় প্রদান করেছিলেন? উত্তরঃ তূর পাহাড়ে।

447. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ)এর সমপ্রদায় বানী ইসরাঈলের মাথার উপর আল্লাহ কোন্‌ পাহাড় উঠিয়েছিলেন?
উত্তরঃ তূর পাহাড়।     
                                                      448. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ) যখন তূর পাহাড়ে গমণ করেন, তখন তাঁর অনুসারীরা একটি শির্কে লিপ্ত হয়েছিল। সেটা কি?
উত্তরঃ তারা বাছুর পুজায় লিপ্ত হয়েছিল।           

449. প্রশ্নঃ কে তাদেরকে বাছুর পুজায় উদ্বুদ্ধ করেছিল?
উত্তরঃ সামেরী নামক একজন লোক।                       

450. প্রশ্নঃ কোন নবীর নাম পবিত্র কুরআনে সবচেয়ে বেশী সংখ্যায় উল্লেখ হয়েছে?
উত্তরঃ মূসা (আঃ)         

451. প্রশ্নঃ মূসা নবীর নাম পবিত্র কুরআনে কতবার উল্লেখ হয়েছে? উত্তরঃ ১৩১ বার।         
                   
452. প্রশ্নঃ বনী ইসরাঈলের প্রথম ও শেষ নবীর নাম কি?
উত্তরঃ তাদের প্রথম নবী মূসা ও শেষ নবী ঈসা (আঃ)।

453. প্রশ্নঃ কোন্‌ নবী সর্বপ্রথম কাপড় সিলাই করে পরিধান করেন?
উত্তরঃ ইদরীস (আঃ)।                     

454. প্রশ্নঃ কোন্‌ নবীর উপাধী ছিল ইসরাঈল?
উত্তরঃ ইয়াকূব (আঃ)।
                                                      455. প্রশ্নঃ কোন নবীর উম্মাত বলেছিল “আপনি যদি সত্যবাদী হন, তবে আমাদের উপর আসমান থেকে শাস্তি নাযিল করুন”? উত্তরঃ শুআইব (আঃ) এর উম্মাত। (সূরা শুআরাঃ ১৮৭)                                                       

456. প্রশ্নঃ কোন্‌ নবী নিজ উম্মাতের উপর বদদুআ করেছিলেন, ফলে তাদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে?
উত্তরঃ নূহ (আঃ)। (সূরা নূহঃ ২৬)                                       

457. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ) কেন মিসর ছেড়ে মাদায়েন শহরে চলে গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ এ জন্যে যে তিনি একজন কিবতীকে হত্যা করেছিলেন। (সূরা কাসাসঃ ১৫)         

458. প্রশ্নঃ দুজন নবী তাঁদের সন্তানদের উদ্দেশ্যে যে নসীহত করেছেন তা উল্লেখ করে আল্লাহ বলেন, “হে আমার সন্তানগণ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য দ্বীন ইসলামকে মনোনিত করেছেন। অতএব তোমরা মুসলমান না হয়ে মৃত্যু বরণ করো না”। নবী দুজন কে কে?
উত্তরঃ ইবরাহীম ও ইয়াকূব (আঃ)। (সূরা বাকারাঃ ১৩২)         

459. প্রশ্নঃ পূর্ববর্তী জাতীর মধ্যে কোন জাতী সবচেয়ে বেশী শক্তিশালী ছিল?
উত্তরঃ আদ জাতী। (সূরা ফুস্‌সিলাতঃ ১৫)                                                   

460. প্রশ্নঃ একজন নবী আরেক নবীর কাছে তাঁর কন্যাকে বিবাহ করার জন্য প্রস্তাব করেন। সেই নবী দুজনের নাম কি?
উত্তরঃ শুআইব (আঃ) মূসা (আঃ)এর নিকট প্রস্তাব পেশ করেন।                                                           

461. প্রশ্নঃ আল্লাহর একজন নবী কাফেরদের হেদায়াতের পথে আনতে না পেরে নিজের দুর্বলতার বিষয় উল্লেখ করে আল্লাহর কাছে দুআ করেছিলেন, “আমি পরাজিত, আপনি আমাকে সাহায্য করুন”? কে ছিলেন সেই নবী? উত্তরঃ নূহ (আঃ)। (সূরা কামারঃ ১০)   
                   
462. প্রশ্নঃ কোন নবীর সমপ্রদায় আল্লাহকে দেখার আবেদন করেছিল?
উত্তরঃ মূসা (আঃ) এর সমপ্রদায়।

463. প্রশ্নঃ কোন দুজন নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর আগমণের ব্যাপারে সুসংবাদ প্রদান করেছিলেন? উত্তরঃ ইবরাহীম ও ঈসা (আঃ)।   

464. প্রশ্নঃ ইয়াকূব (আঃ)এর আরেক নাম কি? উত্তরঃ ইসরাইল।                                                             

465. প্রশ্নঃ ইউনূস (আঃ)এর আরেক নাম কি ?
উত্তরঃ যুন্‌ নূন।                                                               

466. প্রশ্নঃ ঈসা (আঃ)এর আরেক নাম কি?
উত্তরঃ মাসীহ।                                                                 

467. প্রশ্নঃ কোন্‌ কোন্‌ নবীর নাম জন্মের পূর্বেই রাখা হয়েছে? উত্তরঃ যেসব নবীর নাম জন্মের পূর্বেই রাখা হয়েছে তাদের নাম নিচে দেয়া হলোঃ (ক) মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্মের পূর্বেই তাঁর নাম রাখা হয়েছে আহমাদ (সূরা সফঃ ৬)। (খ) ইয়াহইয়া (আঃ) (সূরা মারইয়ামঃ ৭) (গ) ঈসা (আঃ) (সূরা আল ঈমরানঃ ৪৫) (ঘ) ইসহাক (আঃ) ও ইয়াকূব (আঃ) (সূরা হূদঃ ৭১) 

468. প্রশ্নঃ আদম ও শীছ (আঃ)এর পর যিনি নবী হিসেবে এসেছেন তিনি সর্বপ্রথম কলম দ্বারা লিখেন। আল্লাহ তাঁকে সিদ্দীক হিসেবে কুরআনে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর নাম কি?
উত্তরঃ ইদরীস (আঃ)।                               

469. প্রশ্নঃ পূর্ববর্তী সমস্ত নবীর অধিকাংশ উম্মত তাঁদের সাথে কুফরী করেছে, তাঁরা যে মিশন নিয়ে এসেছিলেন তা প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু একজন নবীর উম্মত সবাই ঈমান এনেছিলেন। সেই নবীর নাম কি?
উত্তরঃ ইউনুস (আঃ)। (সূরা ইউনুসঃ ৯৮)                                                 

470. প্রশ্নঃ একজন নবীকে কিশোর অবস্থাতেই আল্লাহ জ্ঞানী করেছিলেন এবং তাকে তাওরাতের শিক্ষা দিয়েছিলেন। তিনি কে?
উত্তরঃ ইয়াহইয়া (আঃ)। (সূরা মারইয়ামঃ ১২)                                                       

471. প্রশ্নঃ কোন নবী সম্পর্কে তাঁর জন্মের পূর্বেই বিজ্ঞ বলে সুসংবাদ দেয়া হয়েছিল?
উত্তরঃ ইসমাঈল (আঃ)। (সূরা হিজরঃ ৫৩)

Collected

4
A look at monetary and fiscal policies in light of the current pandemic



The prevalence of the corona pandemic for a prolonged period of time, with a subsequent complete lockdown, may push the global economy towards depression. Even though the talk of economic depression might seem far-fetched, it is still a likely scenario.

It is evident that the global economy is in recession. Such is the severity of the situation that the IMF chief has already declared that the global economy is in recession, and it is worse than the global financial crisis of 2008.

As a part of the global community and one of the countries to be affected by the coronavirus, Bangladesh is facing adverse economic consequences. To mitigate the negative effects of the outbreak, the government and Bangladesh Bank (BB) are proactively using fiscal policy and monetary policy.

In that light, this article will try to evaluate the different measures taken by the government and try to understand whether those actions are sufficient to bring stability in the banking sector and rejuvenate growth in the short-run.

A prospect for Bangladeshi banks to face a liquidity crisis
Banks in Bangladesh are in a dire situation as a result of the outbreak of Covid-19. Recent literature highlights the liquidity shortage of banks. Given that, the question arises on how the banks will cope with the increased demand for money.

Even after the end of the pandemic, the question arises whether the banks will have sufficient funds to cope with investment demands, given their liquidity crisis? There is a high possibility government will try to maintain a low-interest rate. That will hurt their savings option.

Furthermore, because of autonomous consumption, households (HH) will continue to withdraw deposits from the bank. This will pile extra pressure on the bank’s liquidity. Banks can continue to use monetary tools to push money into the economy.

However, it increases the debt of the government and the possibility of inflation. Combined recession and inflation would result in stagflation, and this is a very unwanted scenario.

Is Covid-19 putting a strain on the banks’ liquidity?
According to the executives of the private banks, there has been indeed a spike in the demand for money. In  March, cash withdrawal had increased when compared to the previous months.

Furthermore, the sum of money disbursed from CC loans has also picked up, indicating the rise in demand for money. Panic buying and uncertainty regarding the future has led the HHs to liquidate their savings account and salary accounts.

Firms were also forced to utilize their existing CC loan accounts to pay off fixed costs such as salaries, rents because of the downturn in economic activity.

On another note, according to private bank executives, the pandemic has hurt their revenue streams. Interest payment forms a substantial part of revenue generation for the commercial banks.

As a result of the pandemic, many loan-takers would not be able to repay their dues because of delayed salaries, losses, or concern for their health. Moreover, because of the cancelled orders or downturn in global trades, banks are losing potential income opportunities from letter of credit services and foreign exchange transactions.

The bank management further noted that there had been a decrease in demand deposits and time deposits in their respective banks, thereby, limiting the funds for banks. As for public banks, they reported a decrease in the number of customers paying utility bills, tax payments, VAT, and other payables.

Amid coronavirus fears, several migrant workers have returned to Bangladesh or being laid off. Consequently, the remittance inflow took a slight hit, which again affected the banks’ income generation adversely. According to the central bank, remittance inflow decreased by Tk17.74 billion from January 2020 to February 2020.

Central bank reacting to Covid-19
It is apparent that there has been increased demand for money and a decrease in the money supply for commercial banks from the open market, creating a scope for a potential liquidity crisis.

To inject liquidity in the scheduled banks, BB has decided to reduce the Cash Reserve Requirement (CRR) by 0.5%, which would increase liquidity for banks by further Tk6.50bn.

This effectively means that commercial banks now have more money available for transactions because the volume of money required to keep as a reserve with the central bank has now decreased.

The Repo Interest Rate was also reduced by 25 basis points by BB, making it cheaper for the commercial banks to borrow from the central bank.

According to one of the respondents, the decrease in CRR is not sufficient as many banks have already crossed the allowed lending limit and the CRR should be decreased by 2%. This will be necessary if the pandemic and quarantine continue in the foreseeable future.

Is the on-going expansionary monetary policy enough to combat Covid-19?
Traditionally, monetary expansion was used to boost economic activities during recessions. The low-interest-rate was used to incentivize more consumption and investment. However, because of the pandemic, the role of monetary expansion to economic growth remains in question.

Even if there is an interest among the households to spend and businesses to invest, they cannot do it merely because of the lockdown and health concerns.

What fiscal measures are being taken?
The government has taken a proactive action to support the export-oriented industries through Tk50bn stimulus package.

The government has also taken the initiative to support Covid-19 affected industries by providing an additional stimulus package of Tk677.5bn. Out of which, Tk200bn will be used as working capital to support SMEs.

The commercial banks will provide the loan from their own pool of funds. The interest for this loan is capped at 9%, the loan-taking industry will provide 4%, while, the rest will be subsidized by the government.

The BB also decided to expand the Export Development Fund (EDF) to $5.0bn from $3.5bn. As a result, Tk127.5bn funds from the stimulus will be allocated in EDF. Furthermore, the interest rate for EDF will be reduced to 2% of the existing 2.73%.

“Pre-shipment Credit Refinance Scheme” is another initiative taken by BB to aid the economy. Tk50bn will be allocated for this loan scheme and it will provide interest up to 7%.

The rest of the Tk300bn will be utilized to support other sectors impacted by the virus. That fund will be used to subsidize the loans provided by commercial banks. Banks will provide loans from its own funds to business institutions.

The interest rate for this loan will be 9%, where the loan-takers will pay an interest of 4.5%, and the rest will be borne by the government. A portion of this money will also be used to widen the social safety net for daily labourers and informal workers.

Fiscal measures and financial schemes for business and industries will undoubtedly help to promote a business environment and ease the credit pressure. However, this will be true in the medium run when the businesses will go back to its full capacity.

When the normal economic activities resume, there will be another spike of money demand, especially on-credit as consumers will rush to make payments, spend on commodities. Whereas, businesses will also borrow to make payments, invest in raw materials and machinery to increase production.

On that note, the fiscal package and financial scheme will reduce the bottleneck and smoothen the economic recovery process in the medium run.

Is this fiscal stimulus and loan subsidy enough to support all sectors in the short-run?
In the short run, firms will be unlikely to avail funds because of the lack of businesses and consumer demands. Global trade is yet to pick up, and uncertainty among both enterprises and consumers prevail.

More has to be done to ensure the survivability of vulnerable working-class and firms. The social security package will indisputably help the extreme-poor or poor (PEP) population depending on daily wages or engaged in the non-formal economy.

As for the lower/middle households, whose income depends on their small businesses or salary from SMEs, they will be in a grim situation. Many trading and service sector SMEs cannot earn due to the disruption in the economy and are unable to generate incomes currently.

The benefits of loan facilities for them will not be feasible in the short-run because of the economic uncertainty. If the shutdown continues, it is highly plausible that these types of enterprises will be in a difficult situation as their fixed costs are not being addressed.

The interest from their outstanding loans, venue rents, and worker salaries are accumulating. Taking loans now would be futile for them as they would not get any return, and they still have to pay interest.

Ultimately, they have to resort to cost reduction through job cuts or vacating their business premises (if rented). This will create a chain reaction and increase the vulnerability of the households affected. Lack of unemployment benefits will hurt these households too. They are unlikely to take donations because of their moral views and ego.

Several sectors depend on seasonal festivals to generate profits that will ensure their operations for the next year. However, given the current scenario, the situation looks bleak for them. At this point in time, the government should try to focus on providing grants for SMEs.

Many MSMEs are not engaged with the banking sector, so it is not feasible for them to avail funds from banks right away. Our experience with the MSMEs shows that it takes over 40 days on average for a new applicant to get access to finance. This brings back to our previous concern about how will they keep afloat in the next few months.

Disbursement of working capital using the bank’s own pool of cash will put the risk of the defaulters on the banks. As a result, the banks will lend on a selective basis based on the bank-client relations, even with the interest subsidy from the government.

Governance is another grey matter on this decision because of the selective bias of loan takers by the banks. Subsequently, there is a possibility that most affected MSMEs will be excluded from the financial package and will be severely affected, even in the long run.

How should the fiscal package be designed?
While designing the financial schemes, the government should be mindful of not making it a blanket bailout. On a different note, the government should engage the services of the development institutions such as PKSF and other organizations to identify and disburse financial benefits to the poor and extremely poor population.

Because of their intensive work in the development sector, they have already mapped out the most vulnerable. Due to internal governance, they can do better tasks in reaching out to the most vulnerable in delivering social safety nets.

What should be the monetary policy in the post-pandemic scenario?
Coming back to the special loan packages, the government instructed that the banks should utilize their existing pool of funds for loan disbursements. As stated before, few of the bank management has already expressed concern regarding their liquidity.

Presently, they have enough cash to meet the demand, but they would need more when the loan request starts to pile up after the conclusion of the pandemic. The central bank should keep this into consideration to avoid bottlenecks situations and to keep the consumers’ confidence in the banking system.

Apart from reducing CRR, the central bank still has other instruments such as buying T-bills. Reduction in CRR will deplete the reserve funds for the banks; therefore, repurchasing government bonds from commercial banks could be another option for them to explore.

Other measurements that could be taken to inject liquidity: Lowering statutory liquidity ratio (SLR) and purchasing dollars from the banks. However, the latter policy can cause an appreciation of the currency, creating a negative effect in the exporting sector.

How should the government fund the fiscal stimulus?
For the fiscal year 19-20, Bangladesh’s external debt stands at Tk3,211bn, which is 12.5% of the GDP. According to Md Ruhul Amin, joint secretary of the Economic Relation Division (ERD), when the external debt of the GDP exceeds 40%, it becomes a concern for the economy.

Furthermore, for the FY18-19, Bangladesh’s debt-GDP ratio stands at 33.11%. It is comparatively lower than other developed economies. The statistics show that the government has the flexibility to borrow externally without causing much harm to the economy.

Considering the liquidity situation of banks and the possibility of increased money demand in the medium run, the government should opt for external financing to fund their fiscal stimulus.

Borrowing will be crucial as the revenue target of the government will be hurt because of the Covid-19. On that note, the pandemic is causing global recession and developed governments are launching their own fiscal measures to recover their economies.

There is a possibility that external funding will have no grace period. Hence, the Bangladesh government should consider deferring its status as a middle income to maintain its competitive edge in the global trade platform.

According to several economists, it will take quite a few years to recover from the pandemic’s impact. Graduating from the developing status means that Bangladesh will have to borrow at a higher interest rate from international organizations and will lose their preferential trade treatment.

Will the pandemic cause a policy revolution in Bangladesh?
Historically, there was never a crisis so severe that it caused both the collapse of the demand and supply side. Because of the quarantine state, economic recovery would not occur until the pandemic subsides; until then no monetary and fiscal stimulus can regenerate growth.

Consequently, it could also catalyze several much-needed reforms in the economy. Starting with the universal income. At the current rate, many might be forced to depend on social safety nets for their livelihood because of the low economic activities.

As a result, a universal basic income system might be required and developed if the pandemic continues for a prolonged period of time. Also, the majority of the SME formal financing depends on the banking institutions. As a result, the entire risk falls on the borrowing firm and the bank.

Furthermore, this causes the firms to incur additional fixed costs through interest payments. The post-pandemic period will be a high time to spread the risk through the promotion of venture capital.

Venture capital will not only provide equity for the MSMEs but also offer financial literacy and business management expertise. Retailer and supplier financing is another growing area in Bangladesh.

This sector should be scaled up with careful design and monitoring so that micro-merchants/entrepreneurs are included in the formal financial schemes. There has been quite a number of cases of epidemic and pandemic cases in recent times; it could also be a high time to initiate insurance policy against contagious diseases.           

FMS Abdal is a Research Associate, Innovision Consulting Private Limited.

Source: https://www.dhakatribune.com/opinion/op-ed/2020/04/29/will-covid-19-cause-an-economic-depression

5
Bullet points

* Special internet package can help students maintain online classes properly

* Students urged to pay tuition fees as per their capacity

* Open-book exams, assignment based evaluations can be options to avoid session jam

* Private universities facing massive economic loss, need incentive from the government

Probable ways to adapt

There is no other option than to maintain online classes and examinations to help private universities recover from the risks and to keep the education system moving, said the APUB president.

Considering the current reality, it is not possible for all the students, now scattered across Bangladesh, to continue classes online, he said demanding a special student-friendly internet package so that students can continue their academic activities.

The APUB president called upon the government and telecom companies to open up a small portion of unused bandwidth to help implement the package.

Many private universities have already started researching how they can maintain online education using feature phones and 2G connections, he said adding that it will help the students who are now living in areas where internet connection is relatively slow.

Despite the fact that all private universities suspended online examinations considering the UGC regulations, the commission can reconsider its decision regarding exams.

"This will help educational institutions to continue without the risk of session jams," he added.

Citing open-book exams and assignment based evaluations as options, he said Bangladesh will have to move forward by adopting the policies followed across the globe.

“We do not know how long the coronavirus situation will continue for. The whole nation will be affected if the educational activities get shut down completely,” he feared.

Keeping this in mind, he called upon authorities to allow classes, exams, and other academic activities online utilizing maximum benefits of the concept of Digital Bangladesh.

Financial situation of universities

The APUB  chairman said only a handful universities may have the financial solvency to pay salaries to its teachers and staff, but many universities do not.

In this situation, the private universities will face massive economic loss, like any other institution, he said.

During the Covid-19 crisis period, he requested students to pay the university tuition fees as per their capacities, but there will be no pressure, he said.

The financial situation of every student is being considered from a humanitarian ground and it will be continued in the future, he assured.

To combat the crisis, government support is required, he said adding that the sector has already requested the government for an incentive package for private universities.

He urged everyone to be humane amid this global crisis and requested everyone to work together to continue the digital education system so that the higher education system is not hampered.

Source: https://www.dhakatribune.com/bangladesh/2020/04/28/apub-urges-for-special-internet-package-for-students

6
More than 770 million students have been disrupted by COVID19 and the consequent lockdowns globally. The United Nations has warned of the unparalleled scale and speed of the educational disruption being caused by Coronavirus. Every house a school, every parent a teacher as Covid-19 impacts education of 250mn school students in India.

While much harm has been done by epidemic, institutions could use crisis to sharpen strategies and practices in areas such as internationalisation and e-learning. India has over 37 million students enrolled in higher education. An interruption in the delivery of education could cause long term disruption. The pandemic requires universities to rapidly offer online learning to their students. Fortunately, technology and content are available to help universities transition online quickly and with high quality, specially on the digital plank.

Learning or academics or education broadly has three functions:
(A) creation of learning content through research, writing, packaging with visuals; (B) dissemination of learning through classes, lectures, notes, self-study, discussions; & (C) assessment and evaluation of the education of the learner by various methods.

All these three have been majorly impacted by the self-isolation rightly imposed to ensure social distancing so that the learners and the mentors may first be protected from the spread of the infection of COVID19. The lockdown across the world is a boon and a bane for the teaching-learning community today.

Digital Haves and Have Nots Dichotomy

COVID-19 is, in fact, amplifying the struggles that children are already facing globally to receive a quality education. Even before the outbreak of the virus, there were 258 million out-of-school children across the globe — principally due to poverty, poor governance, or living in or having fled an emergency or conflict. While there are programs dedicated to ending the existing crisis in global education, the dramatic escalation that the COVID19 has introduced newer challenges for around 550 million children who were so far studying but do not have access to digital learning systems.

The digitally deprived large chunk of masses- being bereft of access to digital resources like a good internet connectivity, laptop or ipad for use, electric power and smart phone- across the globe are forced to waste productive learning time. The digital divide in every developing and under-developed society was never so glaring as it is now. Though more than 70% of Indian population has been covered now with mobile telephony, the resources needed for digital learning from distance or at home are not there with more than 1 out of 4 people in the country. Same is the case with youths in the formal learning age. This is the bane today.

On the other hand, if there was no enforced social distancing and students home-locked across the nation (and the globe), the transition of those with partial or full resources to complete digital learning pedagogy would not have been quickened. What demonetization did to fin-tech, lockdown has done to edu-tech.

Digital Learning Tools Today:

Digital learning on the go or from distance calls for tech-led holistic solutions. It requires several content pieces to be transmitted digitally. These content pieces can be in the form of pdfs, ppts, URLs, YouTube links, podcast links, case-studies, etc. There can also be e-books, audio-books, kindle based content, magzter sourced magazines, etc. Then this can involve learning without being face to face through boxes, as in Google Class, or learning face to face as in Zoom live audio-visual discussions. People may also use GoToMeetings or MicrosoftMeet sessions also. Attendance can be taken on Google Spreadsheet and through Whatsapp Group chat of a batch of students too.

There are other tools that can take digital learning on the go or from distance go miles ahead. Flipped classroom method with an active learning classroom can have all study resources given a day or two in advance, and the actual session starting with a quick quiz, then doubts clearance, and thereafter a few issues of the future or counter points to what were given earlier, like possible different scenarios or new research findings not shared earlier. This is quite an effective way of learning, which is internalized, collaborative, experiential, bottom-up, as distinctly different from teaching, which is instructional, hierarchic and top-down.

Then there are MOOCs, collaborative distance learning, wikis, blogs etc. Individual resource-rich institutes develop their customized secured and IPR protected Learning Management Systems, through the use of BlackBoard or TCSion LMS. Other LMS options like Kaltura or Impartus allowing video recording of talks also ar in use in many places. There are CourseEra courses, Swayam online lessons from UGC and similar other avenues to learn online.

Learning digitally can be further assisted with Virtual Reality (VR), Augmented Reality (AR) and Mixed Reality (MR) which can take the viewer to an enhanced experience even integrating scenarios which are yet to happen creatively bringing them within the learning experience. These are immersive and contextual experiences, and artificial intelligence driven chatbots can further enhance the digital interface of the learner and the mentor.

Digital Learning Add-ons & Social Media Value-adds:

Incorporating big data analytics and content management, educators develop an individualized curriculum that enhances how each student learns (e.g. Playlist of content in WiseWire changing for each student). Many in the West have started the use of the millennials' language and style: Khan Academy video lessons, YouTube use, distinct style and language for young learners. Twitter, Tumblr, Snapchat, Imessage, Instagram, Facebook & Whatsapp are being creatively integrated with school education. There is a case of a management school in India, where the professor sends a 3 minutes interesting video on the subject he is taking up next through group whatsapp to increase interest in the batch towards the topic being taught.

In the US, the smart-phone applications like Socrative and Plickers are helping teachers interact and assess students’ progress, collaborate via cloud-based applications to work and solve a common goal. Teachers can publish real-time quizzes and polls for students via mobile devices to keep them engaged.

Further, using anything from iMovie to WeVideo, learners can create video as a learning resource. YouTube (with privacy settings) and SeeSaw or Flipgrid are also alternatives learners can make use of. The benefits of SeeSaw and Flipgrid are that students can add voice recordings or text sharing feedback with peers. Students became the co-creators of content and as a result, more engaged, including their parents. Useful apps like Book Creator, Explain Everything and EduCreations can be utilised towards this end.

There are various software used to create digital content, like Camtasia, Raptivity, Captivate, Articulate Online, etc.

Yes alongside, social media use extensively will support learning online. Facebook Page can broadcast updates and alerts. Facebook Group or Google Hangout with advanced features in G-suite can stream live lectures and host discussions. Twitter can act as a class message board. The 256 characters help to keep messages succinct. Instagram can be used for photo essays. One can create a class blog for discussions. There are many different platforms available, such as WordPress, SquareSpace, Wix, Blogger for that. And, one can create a class-specific Pinterest board as well.

Digital Assessment & Evaluation:

Online quiz, open book examination with time-managed and proctored question paper delivered online, applied questions not based on memory but comprehension, telephonic interview etc have been the usual ways of digital assessment and evaluation of learning.

Assessment refers to learner performance; it helps us decide if students are learning and where improvement in that learning is needed. Evaluation refers to a systematic process of determining the merit value or worth of the instruction or programme; it helps us determine if a course is effective (course goals) and informs our design efforts. Assessment and evaluation can be both formative (carried out during the course) and summative (carried out following the course). There can be many ways for the same. Mentors can make learners aware of expectations in advance (e.g. one week for feedback from deadline) and keep them posted (announcement: all projects have been marked). Mentors can consider auto-grading options offered by learning management systems (LMSs)/virtual learning environments (VLEs). For example, one can create tests that are multiple choice, true/false, or short answer essays and onne can set the assessments to automatically provide feedback.
Mentors can also incorporate a peer feedback process into their courses through student assignments. They get an initial level of feedback before submitting the assignment, prompt feedback, and you get a better assignment in the end.

One particular popular assessment option for online and blended learning is rubrics. In part, their popularity is based on the level of detail included. 'Rubrics help to define the characteristics of a high-quality assignment and help the student understand assignment and assessment expectations. Rubrics also provide a range of performance by establishing categories that span the range of possible outcomes, from basic to exceptional performance on task' (Palloff & Pratt, 2009, p.33).

If we are using an LMS/VLE, there are additional opportunities to micro-evaluate. This type of evaluation can occur through polls, reflections on your analysis of online transcripts, and student activity logs and reports. Notably, we can plan for such forms of evaluation during the course design process and embed them in the learning architecture.

Possibilities in Post COVID Education:

Hamish Coates, a professor at Tsinghua University’s Institute of Education, told Times Higher Education that “the first priority is for institutions to care for the people involved – students, faculty, staff and the communities we serve. This is a human situation.” Post this comes access to digital learning and the rest.

nline learning is the big winner from this – across all education levels; so proving quality now is at centre stage. However, going ahead, in the post COVID times, blended learning will be the way to go. The biggest future benefits of virtual instruction will come after our professors and students return to their physical classrooms. The necessity of teaching and learning with asynchronous (Canvas, Blackboard, D2L) and synchronous (Zoom) platforms will yield significant benefits when these methods are layered into face-to-face instruction. We will come back from COVID-19 with a much more widely shared understanding that digital tools are complements, not substitutes, for the intimacy and immediacy of face-to-face learning. Since professors are now moving content online, precious classroom time will be more productively utilized for discussion, debate and guided practice.

Online education will also be a strategic priority in every institute of higher education going ahead. Education managers will understand that online education is not only a potential source for new revenues, but also the core to every school's plan for institutional resilience and academic continuity. This post-pandemic understanding will change how HEIs plan for, manage and fund online education. Previously decentralized and distributed online course development and student support functions will be centralized, subject to institutional planning and cross-campus governance. Management of online learning will be integrated into existing academic leadership structures and processes. This is the other major impact going ahead.

Prof Ujjwal K Chowdhury
Pro Vice Chancellor, Adamas University, Kolkata

Source: https://en.somoynews.tv/7522/news/Learning-in-COVID-Times-&-Beyond-Turning-a-Crisis-into-an-Opportunity

7
দেশে দিনে দিনে করোনাভাইরাসের সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কাজেই সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সতর্ক হওয়ার সময় এখনই। কিন্তু এর মধ্যেই যদি বাড়িতে কারও জ্বর আসে কিংবা গলাব্যথা, কাশি দেখা দেয় তাহলে করণীয় কী, তা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় রয়েছেন। বাড়িতে কেউ অসুস্থ হলে, করোনার সংক্রমণের পরীক্ষা হোক বা না-হোক এখন প্রথম ও প্রধান কাজ হচ্ছে অসুস্থ ব্যক্তিকে সবার থেকে আলাদা করে ফেলা। কিন্তু সেটা কীভাবে করবেন? আসুন এ সম্পর্কে নিয়মকানুনগুলো জেনে নিই।

১. অসুস্থ ব্যক্তিকে এমন একটি ঘরে রাখতে হবে, যা অন্য কেউ ব্যবহার করবেন না। ওই ঘরের সঙ্গে আলাদা টয়লেট থাকলে খুবই ভালো। খাওয়া এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সরবরাহ করা ছাড়া বাকি সময় কক্ষটি বন্ধই থাকবে। প্রয়োজনীয় খাবার ও জিনিস দরজার কাছে রেখে দূরে সরে যেতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তি দরজা খুলে তা সংগ্রহ করবেন।


প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি
দেশে দিনে দিনে করোনাভাইরাসের সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কাজেই সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সতর্ক হওয়ার সময় এখনই। কিন্তু এর মধ্যেই যদি বাড়িতে কারও জ্বর আসে কিংবা গলাব্যথা, কাশি দেখা দেয় তাহলে করণীয় কী, তা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় রয়েছেন। বাড়িতে কেউ অসুস্থ হলে, করোনার সংক্রমণের পরীক্ষা হোক বা না-হোক এখন প্রথম ও প্রধান কাজ হচ্ছে অসুস্থ ব্যক্তিকে সবার থেকে আলাদা করে ফেলা। কিন্তু সেটা কীভাবে করবেন? আসুন এ সম্পর্কে নিয়মকানুনগুলো জেনে নিই।

১. অসুস্থ ব্যক্তিকে এমন একটি ঘরে রাখতে হবে, যা অন্য কেউ ব্যবহার করবেন না। ওই ঘরের সঙ্গে আলাদা টয়লেট থাকলে খুবই ভালো। খাওয়া এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সরবরাহ করা ছাড়া বাকি সময় কক্ষটি বন্ধই থাকবে। প্রয়োজনীয় খাবার ও জিনিস দরজার কাছে রেখে দূরে সরে যেতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তি দরজা খুলে তা সংগ্রহ করবেন।


২. অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের দেশে আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করা সম্ভব না–ও হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি বা দুটি ঘরে অনেক মানুষ বসবাস করে। এমন পরিস্থিতিতে সবাইকে এমনভাবে থাকতে হবে, যেন অসুস্থ ব্যক্তির সঙ্গে কমপক্ষে ৩ ফুট বা ১ মিটার দূরত্ব বজায় থাকে। সেবাদানকারী ব্যক্তি একটানা ১৫ মিনিটের বেশি অসুস্থ ব্যক্তির কাছাকাছি অবস্থান করবেন না।

৩. রোগীর ব্যবহার্য জিনিসপত্র, জামাকাপড়, তোয়ালে-গামছা সব আলাদা করে ফেলতে হবে। এগুলো আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেই পরিষ্কার করবেন এবং পরিষ্কার করার সময় কমপক্ষে ৩০ মিনিট ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুতে হবে। পরিষ্কার করার সময় গ্লাভস ব্যবহার করতে পারলে ভালো হয়।

৪. রোগী এবং ঘরে অবস্থানকারী প্রত্যেকেই মাস্ক ব্যবহার করবেন।

৫. যদি আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা করা না যায়, তাহলে ব্যবহারের পর রোগী নিজেই টয়লেট জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন, কমোডের ঢাকনা বন্ধ করে ফ্ল্যাশ করবেন এবং টয়লেটের একজস্ট ফ্যান চালিয়ে রাখবেন। রোগীর ব্যবহারের কমপক্ষে ৩০ মিনিট পর অন্যরা টয়লেট ব্যবহার করবেন।

৬. আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় অবশ্যই টিস্যু দিয়ে নাক-মুখ ঢাকবেন এবং নিজের সব বর্জ্য একটা পলিথিনের ব্যাগে মুড়ে ঢাকনা দেওয়া বিনে ফেলবেন। পলিথিনের ব্যাগটি রোজ মুখ বন্ধ করে নিজেই ঘরের বাইরে রেখে দেবেন। অন্যরা সেই ব্যাগটি বাইরে ময়লার বালতিতে ফেলার সময় গ্লাভস ব্যবহার করবেন ও স্পর্শ করার পর হাত ধুয়ে ফেলবেন।

৭. আক্রান্ত ব্যক্তিকে পরিচর্যা করার আগে-পরে হাত সাবান-পানি দিয়ে ধুতে হবে। যতটা সম্ভব কাছে না গিয়ে পরিচর্যা করতে হবে।

বাড়িতে পর্যাপ্ত ঘর না থাকলে অথবা পরিবারের সদস্যসংখ্যা বেশি হলে কিংবা পরিবারে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি থাকলে জ্বরের রোগীকে সরকার নির্ধারিত আইসোলেশন সেন্টারে নিয়ে রাখা যেতে পারে। রোগী বাড়িতে থাকলে চিকিৎসকের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করে লক্ষণ অনুযায়ী ব্যবস্থাপত্র নিন।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ


Source: https://www.prothomalo.com/life-style/article/1651309/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8

8
করোনাভাইরাসের সংক্রমণের এই সময়ে নানা ধরনের ভিটামিন-মিনারেল বড়ি খাওয়ার হিড়িক পড়েছে। কিন্তু গবেষকেরা বলছেন, এমন কোনো জাদুকরি খাবার বা বড়ি নেই, যা খেলে করোনার সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। সামাজিক দূরত্ব, বারবার হাত ধোয়া আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই এ ক্ষেত্রে মূলমন্ত্র। তবে এটাও ঠিক যে, সঠিক সুষম ও পুষ্টিকর খাবার যেকোনো রোগ, বিশেষ করে সংক্রামক রোগের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগায়।

• বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই নানা ধরনের ফ্লু আর নিউমোনিয়ার সঙ্গে লড়ার জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছেন। ভিটামিন সি, ডি, ই এবং খনিজের মধ্যে জিংক, সেলেনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে কাজে লাগে। তার মানে এই নয় যে এগুলোর সাপ্লিমেন্ট খেলে আপনি নিরাপদ থাকবেন।

• যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসন বলছে, রোগ প্রতিরোধ করতে বাজারের সাপ্লিমেন্ট কাজে আসবে—এমন দাবির কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ভিটামিন সি নিয়ে ইতিমধ্যে চীনে দুটি গবেষণা হয়েছে আর জিংক নিয়ে গবেষণা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ইনস্টিটিউটে (এনআইএইচ)। এসব গবেষণায় কিছুটা উপকার দেখা গেলেও এগুলো রোগীর শারীরিক অবস্থার উন্নতিতে কতটা কার্যকর, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

• তবে গবেষকেরা এ-ও বলছেন, সাপ্লিমেন্ট বা বড়ির বদলে এই মুহূর্তে বাড়িতে স্বাস্থ্যকর ভিটামিন, খনিজসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত সবার। তাই বলে কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া চলবে না। 

• বয়োবৃদ্ধ, রোগী, হজমের গোলমাল রয়েছে কিংবা কিডনি জটিলতা আছে, এমন ব্যক্তিরা ভিটামিন বা মিনারেল সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। যারা এ মুহূর্তে ঘরবন্দী এবং ঘরে রোদ পান না, তাঁরা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন।

এবার জেনে নেওয়া যাক, কোন খাবারে কোন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান পাওয়া যায়।

ভিটামিন এ এবং বিটা ক্যারোটিন: মিষ্টিকুমড়া, স্কোয়াশ, গাজর, মিষ্টি আলু, পাতাওলা শাক এবং আম।

ভিটামিন সি: সাইট্রাস ফল (লেবু বা টকজাতীয় ফল), স্ট্রবেরি, ক্যাপসিকাম, কাঁচা মরিচ, টমেটো।

ভিটামিন ই: উদ্ভিজ্জ তেল, বাদাম, শস্যজাতীয় খাবার।

সেলেনিয়াম: ডিম, মাশরুম, পালংশাক, মুরগির মাংস।

ভিটামিন ডি: কলিজা, ডিমের কুসুম, দুধ ও দুগ্ধজাতীয় খাবার, যেমন দই। এ ছাড়া সামুদ্রিক মাছ, যেমন স্যামন, টুনা, সার্ডিন মাছেও ভিটামিন ডি রয়েছে। সূর্যরশ্মিতে শরীরে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। তাই ঘরবন্দী থাকলেও বারান্দায় বা উঠোনে গিয়ে ত্বকে রোদ লাগানোর চেষ্টা করুন।

লেখক: পুষ্টিবিদ পিপলস হাসপাতাল, খিলগাঁও, ঢাকা

http://www.prothomalo.com/life-style/article/1651541/%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A7%87

9
চীন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ রোগটি কম মারাত্মক। এমনকি প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে শিশুদের মধ্যে এর উপসর্গও কিছুটা আলাদা। কোভিড-১৯ আক্রান্ত শিশুদের জ্বর, কাশি না–ও হতে পারে।

গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এ বিষয়ে এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই গবেষণায় চীন থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শিশুদের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ বৈশিষ্ট্য কেমন, তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়নি। অল্প কিছু উপাত্ত নিয়ে প্রাথমিকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ থেকে এপ্রিলের ২ তারিখ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৬০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৫৭২ জনের বয়স ১৮ বছরের নিচে। ১৮ বছরের ওপরে রয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ১৮৮ জন।

গবেষণায় দেখা গেছে, শিশু রোগীদের (১৮ বছরের নিচে) ৭৩ শতাংশের জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টের লক্ষণ ছিল। অন্যদিকে প্রাপ্তবয়স্ক (১৮ থেকে ৬৪ বছর) রোগীদের ৯৩ শতাংশের এ লক্ষণ ছিল। আক্রান্ত রোগীর ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বা ১৪৭টি শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হয়, যা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় কম। এই গবেষণার অন্তর্ভুক্ত শিশু রোগীর তিনটি মারা যায়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৪৭টি শিশুর মধ্যে ১৫টি শিশুকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়ার প্রয়োজন হয়।

এই গবেষণা আগের পাওয়া গবেষণাকেই সমর্থন করে যে কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত শিশুদের ঘন ঘন জ্বর বা কাশি না–ও থাকতে পারে। শিশুদের মধ্যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ গুরুতর নয়। এখনো প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার হার বেশি। তবে সামাজিক দূরত্ব ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সব বয়সের জন্য জরুরি। কারণ, কম গুরুতর অসুস্থ রোগী বা লক্ষণবিহীন আক্রান্তও রোগের সংক্রমণ বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিশ্লেষণ করা ২ হাজার ৫৭২টি শিশুর গড় বয়স ১১ বছর। এর মধ্যে ৩২ শতাংশের বয়স ১৫ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। ২৭ শতাংশ শিশুর বয়স ১০ থেকে ১৪ বছর। ১৫ শতাংশ শিশুর বয়স ১ বছরের নিচে। ১১ শতাংশের বয়স ১ থেকে ৪ বছরের মধ্যে এবং ৫ থেকে ৯ বছর বয়সী ১৫ শতাংশ শিশু রয়েছে। ২ হাজার ৫৭২টি শিশুর মধ্যে ২ হাজার ৪৯০টি শিশুর লিঙ্গ পরিচয় জানা যায়। এদের মধ্যে ৫৭ শতাংশই ছেলেশিশু। অন্যদিকে ১৮ বছরের ওপরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৫৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কই পুরুষ।

চীন থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করেও প্রায় একই ধরনের ফলাফল পাওয়া গেছে। চীনে ১৬ বছরের নিচে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের ৪১ দশমিক ৫ শতাংশের ক্ষেত্রে জ্বর হয়েছে, ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশের কাশি ছিল এবং ১ দশমিক ৮ শতাংশকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য নিয়ে করা গবেষণায় দেখা গেছে, ১৮ বছরের নিচে শিশুদের মধ্যে কোভিড-১৯–এর প্রকোপ কম। তবে এই বয়সের মধ্যে অপেক্ষাকৃত বেশি ঝুঁকিতে একদম ছোট শিশুরা। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৪৭টি শিশুর মধ্যে ৫৯টি এবং আইসিইউতে থাকা ১৫টি শিশুর মধ্যে ৫টি একদম ছোট শিশু।

গবেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে অল্প কিছুসংখ্যক মানুষের ওপর এই বিশ্লেষণ করা হয়েছে। চূড়ান্ত উপসংহারে যেতে আরও গবেষণার প্রয়োজন।


Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1649709/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE

10
সর্দি-কাশি ও জ্বরে চিকিৎসকের পরামর্শ

জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর)
নম্বর: ১০৬৫৫ ও ০১৯৪৪৩৩৩২২২
ই–মেইল: iedcrcovid19@gmail.com

করোনাবিষয়ক তথ্য পেতে এবং সম্ভাব্য আক্রান্ত ব্যক্তি সম্পর্কে তথ্য দিতে ওয়েবসাইট: corona.gov.bd


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর ১৬২৬৩
স্বাস্থ্য বাতায়নের হটলাইন নম্বর ৩৩৩
সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের নম্বর: ০১৭৬৯০৪৫৭৩৯
মিথ্যা বা গুজব প্রচারের বিষয়টি নজরে এলে ৯৯৯  অথবা ৯৫১২২৬৪, ৯৫১৪৯৮৮

দাফন কার্যক্রমে সহায়তা পেতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই যুগ্ম সচিবের মুঠোফোন নম্বর: ০১৭১২০৮০৯৮৩ ও ০১৫৫২২০৪২০৮

করোনা পরিস্থিতিতে সহায়তার জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টারে ফোন বা এসএমএস করা যাবে, প্রতি দিন এবং যেকোনো সময়। টোল ফ্রি নম্বর: ১০৯

মনঃসামাজিক সহায়তা সেল

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মনঃসামাজিক সহায়তা সেল চালু করেছে। রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে ফোনকলের মাধ্যমে সেবা মিলবে।

ফোন:  ০১৮১১৪৫৮৫৪১ও০১৮১১৪৫৮৫৪২

মুঠোফোনে দন্ত রোগের চিকিৎসা

মুখ ও দাঁতের চিকিৎসা পেতে বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির সদস্যদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে চিকিৎসা নেওয়া যাবে।

 নম্বর: ০১৭১১১৩৬৩৬২, ০১৭৪১৪৯০১৩৪, ০১৭১১৫৪০০৪৫, ০১৭১১৯৩৭৫৯০, ০১৭১১৮০০০৪৯, ০১৭১২৪৮৬৫৪৮ ০১৭১৫০৭৫৭৪০, ০১৭১৭২১১১০৫, ০১৮১৭৫৪১০০৫ ও ০১৮১৭০৯৪৩৩১

জরুরি ত্রাণ পেতে

ঢাকা জেলা প্রশাসনের হটলাইন: ০২৪৭১১০৮৯১, ০১৯৮৭৮৫২০০৮

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন: ০১৭০৯৯০০৭০৩, ০১৭০৯৯০০৭০৪

 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরামর্শ সেবা

পাঁচটি অঞ্চলে করোনাভাইরাস–সংক্রান্ত চিকিৎসা তথ্য ও পরামর্শ সেবা চালু।

মগবাজার: ৯৩৫৫২৭৭, মোহাম্মদপুর: ০১৩১১-৯৪৬৪৩২, মাজার রোড, মিরপুর: ০১৩০১-৫৯৬৮৩৯,
বর্ধিত পল্লবী, মিরপুর: ০১৭৭০-৭২২১৯৪ এবং উত্তরা: ০১৩১৪-৭৬৬৫৪৫

11
করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে সবাই বাড়িতে থাকছেন। সন্তানদের সঙ্গে গল্প করুন, মজা করুন, গান করুন। তাদের ব্যস্ত রাখুন নানা কাজে, পরিচ্ছন্নতা শেখান। শিশুদের কিছু ছোটখাটো সমস্যা হরহামেশাই হয়। এ ধরনের সমস্যা ও অসুস্থতায় বাড়িতে থাকাই ভালো। ঘরোয়া চিকিৎসায় কাজ না হলে টেলিফোন বা টেলিমেডিসিনে পরামর্শ নিন। খুব জরুরি না হলে হাসপাতালে বা ক্লিনিকে যাবেন না।



নাক বন্ধ, নাক দিয়ে পানি পড়া: স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে বা নরমাল স্যালাইনে এক টুকরো তুলা ভিজিয়ে দৈনিক কয়েকবার নাক দুটো পরিষ্কার করে দিন। এতে সমাধান না হলে জাইলোমেটাজলিন/রাইনেক্স (০.০২৫%) নাকের ড্রপ ১ ফোঁটা করে প্রতি নাকে দিলে দ্রুত নাক খুলে যাবে। তবে এটা বারবার ব্যবহার না করাই ভালো। নাক দিয়ে পানি পড়লে পরিষ্কার করে দিন বারবার।



পাতলা পায়খানা: বাড়িতে খাওয়ার স্যালাইন রাখুন। পাতলা পায়খানা হলে প্রতিবার পায়খানার পর স্যালাইন খাওয়াবেন। ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে প্রতিবার স্যালাইনের পরিমাণ হবে ৮ থেকে ১০ চামচ, ১ বছরের বেশি শিশুদের দিতে হবে ১০ থেকে ২০ চামচ। বুকের দুধ এবং বাড়িতে তৈরি খাবার আগের মতোই দেবেন। কেনা খাবার, টিনের খাবার, বাসি খাবার, বোতলে করে কোনো খাবার দেবেন না। খেয়াল রাখবেন, শিশুর ঠিকমতো প্রস্রাব হচ্ছে কি না এবং প্রাণচাঞ্চল্য কেমন। যদি প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়, শিশু দুর্বল ও অচঞ্চল হয়ে পড়ে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।



বমি: কোনো কারণে বারবার বমি হলে ডমপেরিডোন সাপোজিটরি (১৫ মি.গ্রা.) অর্ধেক বা একটা পায়ুপথে দিন। যদি বমি বন্ধ না হয়, প্রস্রাব বা চাঞ্চল্য কমে যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। শিশুকে জোর করে খাওয়ানোর দরকার নেই।



অবিরাম কান্না: অনেক ছোট শিশু এমন অবিরাম কান্না করতে থাকে যে ভয় পাইয়ে দেয়। তার মাথার দিকটা খাড়া করে কোলে নিয়ে হাঁটুন, ঘরের ভেতরে বদ্ধ পরিবেশে থাকলে বারান্দায় নিয়ে আসুন। পায়খানা করেছে কি না, পেট ফাঁপা খেয়াল করুন। কান দেখুন পুঁজ কিংবা সংক্রমণ আছে কি না। কান্না না থামলে সাইমেথিকন/ফ্লাকল ড্রপ ১০ থেকে ১৫ ফোঁটা খাইয়ে অপেক্ষা করুন। বারবার লক্ষ করুন। সমস্যা বেগতিক মনে হলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।



পায়খানা না হওয়া: কোষ্ঠকাঠিন্য হলে শিশুরা পেটব্যথায় কষ্ট পায়। দু-তিন দিন ধরে মলত্যাগ না করলে গ্লিসারিন সাপোজিটরি (ছোটদের সাইজ) একটা পায়ুপথে ঢুকিয়ে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণ পরপর ১ থেকে ২ চামচ পানি বা শরবত খাওয়ান। মাংস, ভাজাপোড়া খাবার কমিয়ে সবজি-ফলমূল দিতে চেষ্টা করুন।



শরীরে র‍্যাশ, চুলকানি: গরমে অনেক শিশুর ত্বকে র‍্যাশ ও চুলকানি হয়। হালকা গরম পানিতে গামছা ভিজিয়ে পুরো শরীর মুছে দিন। এতে না কমলে সিরাপ হাইড্রক্সিজিন/ আরটিকা আধা চামচ দৈনিক দুবার খাবে। ২ থেকে ৩ দিন এভাবে খাওয়ান।



কাশি: হালকা গরম পানির সঙ্গে লেবুর রস, অল্প চিনি আর কয়েকটা চায়ের পাতা মিশিয়ে ১ থেকে ২ চামচ করে শিশুকে খাওয়ান। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন কমলালেবুর রস দিলে ভালো।



জ্বর: এ সময় শিশুদের সাধারণ জ্বরও হচ্ছে। জ্বর হলে হালকা গরম পানিতে গামছা ভিজিয়ে মাথাসহ পুরো শরীর মুছে দিন। সিরাপ প্যারাসিটামল ড্রপ (৪ থেকে ৮ মাস বা তার কম বয়সী হলে ১ মিলি, ৯ থেকে ১২ মাস হলে ১.৫ মিলি, ১ থেকে ৩ বছর বয়সীদের দেড় চামচ) খাইয়ে দিন। বেশি বেশি পানি, শরবত, ডাবের পানি, খাওয়ার স্যালাইন ইত্যাদি দিন। জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি হলে ট্যাবলেট ডায়াজিপাম (৫ মিলিগ্রাম) অর্ধেক বড়ি দৈনিক ২ থেকে ৩ বার প্যারাসিটামলের সঙ্গে দেবেন।

 

শিশু বিশেষজ্ঞ, বারডেম হাসপাতাল

http://www.prothomalo.com/life-style/article/1650349/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%9F-%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6

12
What is a coronavirus?
According to the World Health Organization (WHO), coronaviruses are a family of viruses that cause illnesses ranging from the common cold to more severe diseases such as severe acute respiratory syndrome (SARS) and the Middle East respiratory syndrome (MERS).

These viruses were originally transmitted from animals to people. SARS, for instance, was transmitted from civet cats to humans while MERS moved to humans from a type of camel.

Several known coronaviruses are circulating in animals that have not yet infected humans.

The name coronavirus comes from the Latin word corona, meaning crown or halo. Under an electron microscope, the virus looks like it is surrounded by a solar corona.

The novel coronavirus, identified by Chinese authorities on January 7 and since named SARS-CoV-2, is a new strain that had not been previously identified in humans. Little is known about it, although human-to-human transmission has been confirmed.

COVID-19 what's in a name
What are the symptoms?
According to the WHO, signs of infection include fever, cough, shortness of breath and breathing difficulties.

In more severe cases, it can lead to pneumonia, multiple organ failure and even death.

Current estimates of the incubation period - the time between infection and the onset of symptoms - range from one to 14 days. Most infected people show symptoms within five to six days.

However, infected patients can also be asymptomatic, meaning they do not display any symptoms despite having the virus in their systems.

Read more on what the coronavirus does to your body if you catch it here.

INTERACTIVE: Coronavirus COVID-19 symptoms explainer
How deadly is it?
The number of fatalities from the new coronavirus has overwhelmingly surpassed the toll of the 2002-2003 SARS outbreak, which also originated in China.

SARS killed about 9 percent of those it infected - nearly 800 people worldwide and more than 300 in China alone. MERS, which did not spread as widely, was more deadly, killing one-third of those infected.

While the new coronavirus is more widespread than SARS in terms of case numbers, the mortality rate remains considerably lower at approximately 3.4 percent, according to the WHO.

According to the Centers for Disease Control and Prevention (CDC), older people are at higher risk for severe illness from COVID-19 which may result in increased stress during a crisis.

People who have severe underlying medical conditions like heart or lung disease or diabetes also seem to be at high risk for developing more serious complications from COVID-19 illness.

https://www.aljazeera.com/news/2020/01/coronavirus-symptoms-vaccines-risks-200122194509687.html?utm_source=website&utm_medium=article_page&utm_campaign=read_more_links

13
Examine the readiness and choose the most relevant tools.
Decide on the use high-technology and low-technology solutions based on the reliability of local power supplies, internet connectivity, and digital skills of teachers and students. This could range through integrated digital learning platforms, video lessons, MOOCs, to broadcasting through radios and TVs.

Ensure inclusion of the distance learning programmes.
Implement measures to ensure that students including those with disabilities or from low-income backgrounds have access to distance learning programmes, if only a limited number of them have access to digital devices. Consider temporarily decentralizing such devices from computer labs to families and support them with internet connectivity.

Protect data privacy and data security.
Assess data security when uploading data or educational resources to web spaces, as well as when sharing them with other organizations or individuals. Ensure that the use of applications and platforms does not violate students’ data privacy.

Prioritize solutions to address psychosocial challenges before teaching.
Mobilize available tools to connect schools, parents, teachers and students with each other. Create communities to ensure regular human interactions, enable social caring measures, and address possible psychosocial challenges that students may face when they are isolated.

Plan the study schedule of the distance learning programmes.
Organize discussions with stakeholders to examine the possible duration of school closures and decide whether the distance learning programme should focus on teaching new knowledge or enhance students’ knowledge of prior lessons. Plan the schedule depending on the situation of the affected zones, level of studies, needs of students needs, and availability of parents. Choose the appropriate learning methodologies based on the status of school closures and home-based quarantines. Avoid learning methodologies that require face-to-face communication.

Provide support to teachers and parents on the use of digital tools.
Organize brief training or orientation sessions for teachers and parents as well, if monitoring and facilitation are needed. Help teachers to prepare the basic settings such as solutions to the use of internet data if they are required to provide live streaming of lessons.

Blend appropriate approaches and limit the number of applications and platforms.
Blend tools or media that are available for most students, both for synchronous communication and lessons, and for asynchronous learning. Avoid overloading students and parents by asking them to download and test too many applications or platforms.

Develop distance learning rules and monitor students’ learning process.
Define the rules with parents and students on distance learning. Design formative questions, tests, or exercises to monitor closely students’ learning process. Try to use tools to support submission of students’ feedback and avoid overloading parents by requesting them to scan and send students’ feedback.

Define the duration of distance learning units based on students’ self-regulation skills.
Keep a coherent timing according to the level of the students’ self-regulation and metacognitive abilities especially for livestreaming classes. Preferably, the unit for primary school students should not be more than 20 minutes, and no longer than 40 minutes for secondary school students.

Create communities and enhance connection.
Create communities of teachers, parents and school managers to address sense of loneliness or helplessness, facilitate sharing of experience and discussion on coping strategies when facing learning difficulties.

 https://en.unesco.org/news/covid-19-10-recommendations-plan-distance-learning-solutions

14
The Abbott ID NOW™ COVID-19 test brings rapid testing to the front lines
- Test to run on Abbott's point-of-care ID NOW platform - a portable instrument that can be deployed where testing is needed most
- ID NOW has the largest molecular point-of-care installed base in the U.S. and is available in a wide range of healthcare settings
- Abbott will be making ID NOW COVID-19 tests available next week and expects to ramp up manufacturing to deliver 50,000 tests per day
- This is the company's second test to receive Emergency Use Authorization by the FDA for COVID-19 detection; combined, Abbott expects to produce about 5 million tests per month
 
 
 
ABBOTT PARK, Ill., March 31, 2020 — Abbott announced today that the U.S. Food and Drug Administration (FDA) has issued Emergency Use Authorization (EUA) for the fastest available molecular point-of-care test for the detection of novel coronavirus (COVID-19), delivering positive results in as little as five minutes and negative results in 13 minutes. The test will run on the company's ID NOW™ platform, providing rapid results in a wide range of healthcare settings such as physicians' offices, urgent care clinics and hospital emergency departments.

The ID NOW platform is small, lightweight (6.6 pounds) and portable (the size of a small toaster), and uses molecular technology, which is valued by clinicians and the scientific community for its high degree of accuracy. ID NOW is already the most widely available molecular point-of-care testing platform in the U.S. today.

"The COVID-19 pandemic will be fought on multiple fronts, and a portable molecular test that offers results in minutes adds to the broad range of diagnostic solutions needed to combat this virus," said Robert B. Ford, president and chief operating officer, Abbott. "With rapid testing on ID NOW, healthcare providers can perform molecular point-of-care testing outside the traditional four walls of a hospital in outbreak hotspots."

Abbott will be making ID NOW COVID-19 tests available next week to healthcare providers in urgent care settings in the U.S., where the majority of ID NOW instruments are in use today. The company is working with the Administration to deploy tests to areas where they can have the greatest impact.

The arrival of the Abbott ID NOW COVID-19 test comes a week after the company launched its Abbott m2000™ RealTime SARS-CoV-2 EUA test, which runs on the m2000™ RealTime System located in hospital and reference labs around the world. Between the two platforms, Abbott expects to produce about 5 million tests per month.

About the ID NOW™ Molecular Platform
As the world leader in point-of-care diagnostics, Abbott is adding its expertise and scale to help fight the COVID-19 global pandemic. First introduced in 2014, ID NOW is the leading molecular point-of-care platform for Influenza A & B, Strep A and RSV testing in the U.S.

ID NOW is a rapid, instrument-based, isothermal system for the qualitative detection of infectious diseases. Its unique isothermal nucleic acid amplification technology provides molecular results in just minutes, allowing clinicians to make evidence-based clinical decisions during a patient visit.

About Abbott
Abbott is a global healthcare leader that helps people live more fully at all stages of life. Our portfolio of life-changing technologies spans the spectrum of healthcare, with leading businesses and products in diagnostics, medical devices, nutritionals and branded generic medicines. Our 107,000 colleagues serve people in more than 160 countries.
https://www.cathlabdigest.com/content/abbott-launches-molecular-point-care-test-detect-novel-coronavirus-little-five-minutes
Source:

15
The world is not like before. Now the changes don't come every 100 or 50 years, but almost every ten years or less. It took the West almost 500 years to move from the concept of representative democracies to the concept of participatory democracies, and this concept is being embraced by many other countries. At the same time, in Western European countries, the view has been laid that there are not only two sides to the coin, but that there are options and that options can be considered not only in the short term but also in the long term. In developing countries and in emerging economies, the view of the confrontation between left and right has already given way to the views of the radical center; between liberals and conservatives, which has led to the role of the specialist, technician, intelligent and educated man in many countries, because the debate between liberalism neo-liberalism had badly distorted the role of the specialist and intelligence nationally and internationally.
These developments make both the public and private sectors experience a huge leap forward in the minds of employers and employees regarding the hierarchy and the coordination and interconnection between managerial levels. Along with these political changes, the industrial society has already gradually given way to the information society and this in parallel with the change of technology from industrialization technology to information technology, which has greatly influenced the lifestyle not only in developed countries, but also in underdeveloped and developing countries.


Already, we are moving beyond the views of the traditional economy, which to date has been represented by two perspectives, business cycle theory, which looks at the solution in the balance of unemployment, and fiscal system management theory, which looks at the solution in relationships between production, consumption, savings and investment. Already, the (mostly conservative) view of economic development has looked to alternative economies, which are local solutions for global access. The economies of particular countries are already more intertwined and with an even greater impact on the global economy, an economy which has experienced real development. Besides  the United States, the United Kingdom and the European Union are the economies of Japan, South Korea, Hong Kong, Singapore, Taiwan and Malaysia, which have grown significantly in the last 30 years, in parallel with the economies of the BRICS’ countries (Brazil, Russia, India, China and South Africa). From these countries, China is a very powerful political, economic, social, cultural, sports, etc. engine that is playing and will play an important role in today's and future developments.
It is precisely these economies in which decentralization and privatization have competed worthily with the concept of centralization and hegemony of state activity. Already, there is a worldwide tendency for government-provided services to be replaced by services that can be provided by the private sector, due to rising global incomes and because smart governments have already given up on institutional aid to citizens, guided by the opportunity to be given to citizens and communities to be self-developed. Also, significantly in the above-mentioned countries, a gradual transition has been made from the concept of development only of large inhabited centers, to regional and sector’s development of the whole territory, with priority to suburban and rural areas.
The world is experiencing another renaissance, after the medieval European one and beyond. This is a rebirth in every aspect of life, but, again, encouragement comes from the role that art, culture, and religion have. We are moving from the apparent confrontation between global lifestyle and cultural nationalism. This is due to the free movement of people in a large part of the globe, a movement that has brought about confrontation in almost all aspects of life, overturning the concept of stereotype, a concept from which the citizens of underdeveloped countries have suffered the most and in progress. To this movement, in social and economic terms, is added the global increase in the role of women, who are already competing worthily with men in the profession and leadership.


The changes we face every day are of a variety of natures, but can generally be summarized in the tendency of systems to be sustainable, complete and perfected, and the tendency for systems that cannot be improved to be completed and perfected, dismantled, and no longer usable, systems that rely largely on the strong hand of the leader and the old-fashioned leadership, which does not smell the change. This is directly related to the fundamental global trend for emancipation of human thought, taking care that this emancipation does not exceed the limits of the impossible, goals that were previously unrespected by violating ethics, morality, law and religious belief, considering that in the period of 1965 - 2005 seems to have been deficient and / or absent in many countries and societies and cultures.


Due to the weakening of clear lines at the hierarchical levels, there is a tendency for a balance of the command chain from top to bottom with that of getting thoughts and views and ideas even from the bottom up. It seems that we are moving towards a trend where everyone will have the opportunity to develop intellectually and economically, but there will always be individuals among the crowd who will be more successful, who will not be prevented from moving forward, and not only because the system such people are needed, but also for the fact that the system cannot control its entirety. That is why it is so important that to go to ocean everyone needs to have their feet burned by the hot sand, which means that society and the system are already so intelligent that they make every effort to prevent overcoming of individuals from one level to another, without having value and without bringing innovation to their activity. As above, it is moving in parallel with the worldwide expectation that creative and developmental leaven will be promoted at all levels of education, which is exactly what post-medieval Europe called freedom, equality and justice.


Galloping developments in the chemical industry of the 1950s and 1980s, biotechnologies, the invention of various artificial substances, the rapid development of the pharmaceutical industry, etc., have already given way to the care of these technologies both in terms of protecting the human being and in environmental protection.
The economic and financial crisis of 2008 and the medical crisis caused by the rapid spread of the Covid 19 virus worldwide have shown that the old political, economic, social, medical, health, climate, environmental, cultural, anthropological, etc. approaches have been unable to predict and therefore, societies, countries, states, nations and regions have not been able to construct instruments, institutions and mechanisms to prevent catastrophic situations.


The approach required is related to the mentality at the societal level. If society really wants change, then liberal approach seems redundant. Time demands that for a long time the conservative approach predominate in national, regional and wider developments. It is clear that the global trend is breaking old chains that, although stable until recently, are no longer as strong and capable of withstanding the pressure of change required by much of human society, including society, where the Albanian society has its shares.
By: Dr. Enriko Ceko, Senator,  WBAF

Pages: [1] 2 3 ... 171