Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - ariful892

Pages: [1] 2 3 ... 44
1
Life Style / ত্বক চর্চায় লেবু
« on: August 25, 2020, 11:01:33 PM »
‘পুকুরধারে লেবুর তলে

থোকায় থোকায় জোনাক জ্বলে

ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না একলা জেগে রই...।’

যতীন্দ্রমোহন বাগচীর ‘কাজলা দিদি’, মোহাম্মদ নাসির আলীর ‘লেবুমামার সপ্তকাণ্ড’, নিজের পাতে দুপুরের খিচুড়ির সঙ্গে টাটকা লেবু—লিখতে বসে সবই এল। লেবুর মোহনীয় ঘ্রাণে আকুল হওয়ার দৃশ্যটা বোধ করি বাঙালি পরিবারের খাবার টেবিলে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। লেবুর ব্যবহার আছে রূপচর্চায়ও। জেনে নেওয়া যাক বিশেষজ্ঞ মতামত।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল বলেন, সৌন্দর্যচর্চায় লেবুর সর্বোৎকৃষ্ট উপকার পেতে হলে লেবু খেতে হবে। অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে লেবুর অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। ফলে কোষের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া–বিক্রিয়ায় (কোষের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত) স্বাভাবিক নিয়মে যে ক্ষতি হওয়ার, তা অনেকটাই কম হয়। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতেও সহায়তা করে। তবে লেবুর রসমিশ্রিত প্যাক ত্বকে ব্যবহারের পর কারও কারও ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে দেখা যায়, কারও কারও অ্যালার্জিজনিত সমস্যা ও প্রদাহ হতে পারে। তাই এ ধরনের প্যাক ব্যবহার করতে চাইলেও কিছু বিষয়ে সতর্কতা আবশ্যক।
ত্বক ও চুলের যত্নে লেবু উপকারী, জানালেন হার্বস আয়ুর্বেদিক স্কিন কেয়ার ক্লিনিকের আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ আফরিন মৌসুমী। তিনি বললেন, মনে রাখতে হবে, লেবুর রস সাইট্রিক অ্যাসিড। তাই এর ব্যবহার না জেনে যেকোনো ধরনের ত্বকে সরাসরি প্রয়োগ করা উচিত নয়। হিতে বিপরীত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ত্বক লাল হয়ে যেতে পারে। বলিরেখাও পড়তে পারে। ত্বকের ধরন বুঝে নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে ত্বক হয়ে উঠবে সুন্দর।
প্যাক হিসেবে পাতিলেবু ব্যবহার করাই ভালো। তবে এ লেবু সারা বছর পাওয়া যায় না। তাই অন্য লেবুও কাজে লাগাতে পারেন। আফরিন মৌসুমী জানালেন রূপচর্চায় লেবুর সঠিক ব্যবহার।
মুখের ত্বকে
তৈলাক্ত ত্বক অনেক সময় কালচে ও মলিন দেখায়। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও থাকে। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের জন্য এই প্যাক।

গ্রেডারের সাহায্যে লেবুর খোসার সবুজ অংশটা কুচি করে নিতে পারেন। কুচি করা খোসা বেটে নিন (পেস্ট করুন)। ১ টেবিল চামচ লেবুর খোসার পেস্ট, ৩-৪ টি পুদিনাপাতা, ৬-৭টি তুলসীপাতা ও ২ চা-চামচ মুলতানি মাটি পেস্ট করুন (পানি ছাড়া)। পুরোটা মুখে মেখে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করলে ত্বকে উজ্জ্বলতা আসবে।
স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বকের জন্য ১ চা-চামচ লেবুর রস, ১টি ডিমের কুসুম, ১ চা-চামচ মধু, ৬-৭ ফোঁটা জলপাই তেল ও ২ চা-চামচ গমের ময়দা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। ১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই-তিন দিন ব্যবহার করুন। এই প্যাক ত্বক উজ্জ্বল করে এবং বলিরেখা দূর করে।
অতিসংবেদনশীল ত্বকে লেবুর রস ব্যবহার করলে চুলকানি হতে পারে। অন্যান্য সমস্যাও দেখা যায়। তাই এই ত্বকে লেবুর রস ব্যবহার না করে লেবু ব্যবহার করতে হবে একটু ভিন্নভাবে। লেবুর খোসার ভেতরের সাদা অংশ (সবুজ অংশ এবং লেবুর ভেতরের সাদা পর্দার মতো অংশ বাদ দিয়ে) পেস্ট করুন। ১টি লেবু থেকে কমবেশি ১ চা-চামচ পরিমাণ পেস্ট পাওয়া যায়। ১ চা-চামচ পরিমাণের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মুগডালের বেসন, কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল (ক্যাপসুলের ভেতরে থাকা তরল ওষুধ) মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন।

Source: shorturl.at/vyPR4

2
নির্দেশনাঃ

১। আপনার সন্তানকে শুষ্টভাবে গড়ে তুলা অভিভাবক হিসেবে আপনার দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য। আপনার সন্তানের কিছু নিশ্চিত বিষয়ের উপর আপনার অটল থাকতে হবে। তাদের সাথে রাগী বা চিৎকার করে কথা বলবেন না।

২। আপনার তাদের সাথে অভিবাভকের পাশাপাশি বন্ধু হয়ে থাকবেন।যখন আপনার বাচ্চা ছোট থাকবে তখন তার বন্ধু থাকবেনা। আপনাকে তখন তার বন্ধু হতে হবে।এতে আপনার সাথে তার বন্ধনটাও দৃঢ় হবে।

৩। আপনার সন্তানের প্রতি দ্বায়িত্বগুলো যথাযথভাবে পালন করুন।একদম ছোটবেলা থেকে তার দেখাশুনা করুন।তার সামর্থকে সমর্থন করুন।তাকে আদরের সাথে,গল্প বলে খাওয়ান।তার বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তাকে সামাজিক কাজে মনোযোগী করুন।

৪। তারা যখন ভুল করে তবে তাদের জানিয়ে দিন সেটা ভুল এবং তাদের শান্তভাবে কাজটা না করার উপদেশ দিন।যখন তারা ভাল কিছু করে তখন তাদের তারিফ করবেন।মাঝে মাঝে তাদের ভাল কিছু করার জন্য গিফট দিন।

৫। তার কথা শুনবেন।তাকে বিরক্তির সাথে দেখবেন না।তার শিশুসুলভ আচরণ নিয়ে উপহাস করবেন না।  এতে করে সে অসহায় হয়ে পড়তে পারে।

৬। তার বয়স বাড়ার সাথে সাথে তাকে আপনার ধর্ম সম্পর্কে তথ্য জানান।নিজ ধর্মের আচার–আচরণ,নিয়ম–কানুন শিখান।বড়দের প্রতি তার কিরুপ আচরণ করতে হবে তা শিখান।

৭। আপনার সন্তানকে কখনো অন্যের সামনে লজ্জা দিবেন না।সকলের সামনে লজ্জা দেয়ার ফলে আপনার সন্তানের আত্মঃনির্ভরশীলতা কমে যাবে।তবে প্রয়োজনে তাকে লজ্জা দিবেন; কিন্তু সকলের সামনে না।

৮। তাকে সদা আপনার ভালোবাসা দেখাবেন।সে যখন আপনার কাছে আসবে তাকে ভালোবেসে বুকে টেনে নিবেন।আপনার কাছ থেকে সে যতটুকু ভালোবাসা চায় আপনি তাকে এর চেয়ে বেশী ভা্লোবাসা দেখাবেন।যাতে সে মনে করে তাকে আপনি সবকিছুর চেয়ে বেশী ভালোবাসেন।

৯।তাকে আপনার বাল্যকালের বিভিন্ন ঘটনা বলেন।আপনি বাল্যকালে বিদ্যালয়ে এবং বাসায় কি করতেন তা আদরের সাথে তাকে জানান।

১০। তার সাথে সময় ব্যয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।তার সাথে কথা বলবেন, খেলবেন।তার কথা শুনবেন।তাকে নিয়ে পার্কে ঘুরতে যাবেন।আপনার পছন্দ–অপছন্দ গুলো তাকে জানান।তার পছন্দ–অপছন্দ সম্পর্কে তার কাছে প্রশ্ন করেন।


Source: shorturl.at/aeBIJ

3
আজকাল ঘরে বসেই প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের প্রয়োজনীয় কাজ ফ্রিল্যান্সার দিয়ে করিয়ে নিতে আগ্রহী হয়ে উঠছে। আবার কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের অফিসের প্রয়োজনীয় কাজ বাড়িতে সম্পন্ন করার অনুমতি দিয়ে থাকে। এতে করে প্রতিষ্ঠানটির অর্থ ও সময় এবং অফিসের স্পেস সবই সাশ্রয় হচ্ছে। সেই সাথে বাড়ছে বেকারদের কাজের সুযোগ। যোগাযোগ ব্যবস্থার নমনীয়তা ও অবাধ স্বাধীনতার কারণেই তৈরি হচ্ছে কিছু প্রশ্ন। যে প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। যেমন: আমরা যেসব মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করছি সেগুলো কি নিরাপদ?
তাই অফিসের কাজের জন্য ব্যবহৃত প্রতিটি ডিভাইসে (কম্পিউটার, মোবাইল, ইন্টারনেট) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী হিসেবে প্রতিটি তথ্যের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। আবার এই সকল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণে প্রতিষ্ঠানেরও রয়েছে কিছু করনীয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার জন্য কিছু মৌলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ। আজ এই সকল মৌলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোকপাত করবো।

কাজের ডিভাইস পরিবারের জন্য নয়
যারা ঘরে বসে অফিসের কাজ করেন, তাদের কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। আপনি যে ডিভাইস কাজের জন্য ব্যবহার করেন এগুলো অন্যদের ব্যবহার করতে দিবেন না। হতে পারে সে পরিবারের সদস্য। মনে রাখবেন, এই ডিভাইস শুধুই অফিসের কাজের জন্য। পরিবারের সবার জন্য নয়। ধরুন, আপনি যে ডিভাইসে প্রতিষ্ঠানের কাজ করেন সেই ডিভাইসে আপনার সন্তান গেমস খেলে। এতে করে ডিভাইসটি ক্রাশ করতে পারে। ফলে সকল ফাইল নষ্ট হতে পারে। এজন্য অন্যদের ডিভাইসটি ব্যবহার করতে দিবেন না। তাহলে পরিশ্রমের কাজ কারও একটা ক্লিকে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। আবার কোনো তথ্য চুরির সম্ভাবনাও থাকবে না।

নিরাপদ রাখুন কাজের স্থান
স্টার্ক বলেন “ভার্চুয়াল নিরাপত্তা গ্রহণ করা ঠিক যেমন জরুরী, তেমনি কাজের স্থানের নিরাপত্তা গ্রহণ করাও খুব জরুরী”। নিশ্চয়ই আপনি বাড়িতে একটি নির্দিষ্ট স্থানে অফিসের কাজ করেন। সেখানে দামি ডিভাইসের পাশে থাকে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট। তাই বাড়ীর এই কাজের জায়গাটি নিরাপদ রাখা খুব জরুরী। যদিও সর্বক্ষণ পূর্ণ নিরাপত্তা গ্রহণ সম্ভব হয়ে ওঠে না। তবুও যতটা সম্ভব নিরাপত্তা গ্রহণ করা উচিৎ।

প্রতিষ্ঠানের নীতি অনুসরণ করুন
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের মতো আপনার প্রতিষ্ঠানেরও কিছু নীতি রয়েছে। মনে রাখবেন, যেখানে অফিসের কাজ সম্পন্ন হবে সেখানেই এই নীতিগুলো প্রযোজ্য হওয়া উচিৎ। তাই সব জায়গায় প্রতিষ্ঠানের নীতির বাস্তবায়নের চেষ্টা করুন। হোক প্রতিষ্ঠানের ভিতরে অথবা বাহিরে। যেখানে অফিসের কাজ হবে সেখানেই নীতির বাস্তবায়ন করতে হবে।

এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন

নিরাপত্তা ব্যবস্থার মৌলিক বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এন্টিভাইরাসের ব্যবহার। আপনি যে ডিভাইসে অফিসের কাজ করেন, সেই ডিভাইসে অবশ্যই এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। ফলে প্রতিটি ফাইলের কিছুটা হলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এন্টিভাইরাস ব্যবহার প্রসঙ্গে মাই বিজনেস জেনি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ভ্যান গোটি বলেন ‘এখন অনেক ফ্রি এন্টিভাইরাস প্রোভাইডার রয়েছে। আমরা আমাদের দূরবর্তী কর্মচারীদের ঐসকল এন্টিভাইরাস ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকি। এতে করে কিছুটা হলেও আমাদের তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়ে থাকে।

প্রতিষ্ঠানের করণীয়
যদি আপনিও দূরবর্তী কর্মকর্তা কর্মচারীর মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাহায্যে কাজ করে থাকেন। হোক পার্ট টাইম অথবা ফুল টাইম। ঝুঁকি এড়ানোর জন্য অবশ্যই কিছু মৌলিক টেকনিক্যাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এগুলো নিচে আলোচনা করা হলো।

০১. আপনার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংরক্ষণ যোগ্য এমন পাসওয়ার্ড সরবরাহ করবেন না কখনই। যখন ভিপিএন ব্যবহারের অনুমতি দিবেন তখন অবশ্যই নন-স্টোরেজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে দেবেন।

০২. যদি দূরবর্তী কর্মচারীর মাধ্যমে সেনসিটিভ কোনো কাজ করিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হয়। তাহলে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিন। কাজ শেষে নিশ্চিত করুন আবার যেন লগ ইন করতে না পারে।

০৩. শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামে প্রবেশ করার অনুমতি দিন। অর্থাৎ, কাজের জন্য যে সকল ফাইল বা প্রোগ্রামে প্রবেশ করা প্রয়োজন, এগুলো ছাড়া আর কোথাও এক্সেস দেবেন না।

০৪. প্রত্যেক চাকুরীজীবীকে টার্মিনেট করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করুন। যেকোনো সময় চাকুরীজীবীর পদবী তথা কাজের পরিধি পরিবর্তন করার ক্ষমতাও সংরক্ষণ করুন।

৫. প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব স্টোরেজে ফাইল সংরক্ষণ করার অনুমতি দিন। এতে করে তারা পরবর্তীতে ডকুমেন্টগুলো নিজস্ব কাজে ব্যবহার করতে পারবে না।

যেহেতু প্রত্যেক দূরবর্তী কর্মকর্তা কর্মচারী আপনার প্রতিষ্ঠানের খুব গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ব্যবহার করবে, তাই প্রতিটি কাজের একটি নির্দিষ্ট কর্মপন্থা ও গাইড লাইন তৈরি করুন। যা অনুসরণ করে পরিচালিত হবে প্রতিটি কাজ। আবার প্রতিনিয়ত টেকনোলজি আপডেট হচ্ছে। সেই সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমগুলোও সহজ হচ্ছে।



Source: http://youthcarnival.org/bn/5-tech-security-tips-for-creating-secured-home-office/

4
Science and Information / What are the benefits of using SaaS
« on: April 16, 2020, 05:20:45 PM »
| 𝑾𝒉𝒂𝒕 𝒊𝒔 𝑺𝒐𝒇𝒕𝒘𝒂𝒓𝒆 𝒂𝒔 𝒂 𝑺𝒆𝒓𝒗𝒊𝒄𝒆 (𝑺𝒂𝒂𝑺) 𝒂𝒏𝒅 𝑾𝒉𝒂𝒕 𝒂𝒓𝒆 𝒕𝒉𝒆 𝒃𝒆𝒏𝒆𝒇𝒊𝒕𝒔 𝒐𝒇 𝒖𝒔𝒊𝒏𝒈 𝑺𝒂𝒂𝑺 |

Software as a Service (SaaS) সাস একটি ওয়েব-ভিত্তিক সফ্টওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। এই সফ্টওয়্যার পরিচালনা করার জন্য ব্যবহারকারীর কোন সার্ভার বা উচ্চ কনফিগারেশনের কম্পিউটার এর প্রয়োজন হয় না। শুধু মাত্র ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে কোন জায়গা থেকে এবং যে কোন স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার করে এই সফ্টওয়্যার পরিচালনা করা যায়।

Software as a Service (SaaS) সাস ব্যবহারের সুবিধাঃ

১। দ্রুত বাস্তবায়নঃ যেহেতু এই সফ্টওয়্যার পরিচালনা করার জন্য কোন সার্ভার বা উচ্চ কনফিগারেশনের কম্পিউটার এর প্রয়োজন হয় না তাই খুব দ্রুত এটার বাস্তবায়ন ও ব্যবহার শুরু করা যায়।

২। অধিক নিরাপদঃ ২৪ ঘন্টা এবং সপ্তাহে ৭ দিনই সচল থাকে এই সফটওয়্যারের অনলাইন সার্ভার এবং ডেটা ব্যাক আপ সুবিধা। তাই ব্যবহারকারী চাইলে যখন খুশি তখন এই সফটওয়্যারে তার নিজের কাজ করতে পারবে। এজন্য ব্যবহারকারী থাকে সর্বদাই নিশ্চিন্ত।

৩। আপডেট সংস্করণঃ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে যদি সফটওয়্যারের কোন নতুন ভার্সন আসে তাহলে ব্যবহারকারী সর্বদা সর্বাধিক যুগোপযোগী নতুন ভার্সনটি চালাবেন এবং এতে কোনও অতিরিক্ত ব্যয় হবে না।

৪। ডেটা ব্যাকআপ সুবিধাঃ আপনি যদি মনে করেন যে আপনার ডেটা ব্যাক করার প্রক্রিয়াটি ঝুঁকিপূর্ণ এবং জটিল তাহলে সাস আপনার জন্যই কারন সাস সফটওয়্যার অত্যন্ত সুরক্ষিত ডেটা সেন্টারের পরিবেশে রিমোট ডেটা ব্যাকআপ বা ডেটা মিররিং সরবরাহ করে স্থানীয় ব্যাকআপের প্রয়োজনীয়তা দূর করে।
 
৫। স্বল্প বাজেটের প্যাকেজঃ সাধারণত এই সাস সফটওয়্যার সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিতে সরবরাহ করা হয় যার মধ্যে রয়েছে সাস অ্যাপ্লিকেশন, একটি উচ্চ-পারফরম্যান্সের কম্পিউটিং অবকাঠামো, চলমান রক্ষণাবেক্ষণ, সফ্টওয়্যার আপগ্রেড ইত্যাদি। এজন্য আপনার নতুন বিনিয়োগ হবে না কারণ আপনাকে ব্যয়বহুল সফ্টওয়্যার বা হার্ডওয়্যার কিনতে হবে না।

৬। যে কোনও জায়গায়, যে কোনও সময় অ্যাক্সেসঃ সাস সফটওয়্যার আপনাকে বিশ্বের যে কোনও জায়গা থেকে আপনার সিস্টেমে অ্যাক্সেস করার ক্ষমতা দেয়। আপনার কর্মকর্তাবৃন্দ যে কোনও জায়গায় থেকে অ্যাক্সেস করতে সক্ষম হবে এবং তাদের কাজ করবে। এই পদ্ধতি আপনার প্রতিষ্ঠানকে আরও উত্পাদনশীল করে তুলবে।

ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স নিয়ে এল ক্লাউড সার্ভার ভিত্তিক সাস সফটওয়্যার সল্যুশন। এই সেবা টি পেতে যোগাযোগ করুন ০১৭১৩-৪৯৩০২৬ অথবা ০১৮১১-৪৫৮৮২৫ নম্বরে।

5
Science and Information / What is Software as a Service (SaaS)
« on: April 16, 2020, 05:19:00 PM »
| 𝑾𝒉𝒂𝒕 𝒊𝒔 𝑺𝒐𝒇𝒕𝒘𝒂𝒓𝒆 𝒂𝒔 𝒂 𝑺𝒆𝒓𝒗𝒊𝒄𝒆 (𝑺𝒂𝒂𝑺) 𝒂𝒏𝒅 𝑾𝒉𝒂𝒕 𝒂𝒓𝒆 𝒕𝒉𝒆 𝒃𝒆𝒏𝒆𝒇𝒊𝒕𝒔 𝒐𝒇 𝒖𝒔𝒊𝒏𝒈 𝑺𝒂𝒂𝑺 |

Software as a Service (SaaS) সাস একটি ওয়েব-ভিত্তিক সফ্টওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। এই সফ্টওয়্যার পরিচালনা করার জন্য ব্যবহারকারীর কোন সার্ভার বা উচ্চ কনফিগারেশনের কম্পিউটার এর প্রয়োজন হয় না। শুধু মাত্র ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে কোন জায়গা থেকে এবং যে কোন স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার করে এই সফ্টওয়্যার পরিচালনা করা যায়।

Software as a Service (SaaS) সাস ব্যবহারের সুবিধাঃ

১। দ্রুত বাস্তবায়নঃ যেহেতু এই সফ্টওয়্যার পরিচালনা করার জন্য কোন সার্ভার বা উচ্চ কনফিগারেশনের কম্পিউটার এর প্রয়োজন হয় না তাই খুব দ্রুত এটার বাস্তবায়ন ও ব্যবহার শুরু করা যায়।

২। অধিক নিরাপদঃ ২৪ ঘন্টা এবং সপ্তাহে ৭ দিনই সচল থাকে এই সফটওয়্যারের অনলাইন সার্ভার এবং ডেটা ব্যাক আপ সুবিধা। তাই ব্যবহারকারী চাইলে যখন খুশি তখন এই সফটওয়্যারে তার নিজের কাজ করতে পারবে। এজন্য ব্যবহারকারী থাকে সর্বদাই নিশ্চিন্ত।

৩। আপডেট সংস্করণঃ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে যদি সফটওয়্যারের কোন নতুন ভার্সন আসে তাহলে ব্যবহারকারী সর্বদা সর্বাধিক যুগোপযোগী নতুন ভার্সনটি চালাবেন এবং এতে কোনও অতিরিক্ত ব্যয় হবে না।

৪। ডেটা ব্যাকআপ সুবিধাঃ আপনি যদি মনে করেন যে আপনার ডেটা ব্যাক করার প্রক্রিয়াটি ঝুঁকিপূর্ণ এবং জটিল তাহলে সাস আপনার জন্যই কারন সাস সফটওয়্যার অত্যন্ত সুরক্ষিত ডেটা সেন্টারের পরিবেশে রিমোট ডেটা ব্যাকআপ বা ডেটা মিররিং সরবরাহ করে স্থানীয় ব্যাকআপের প্রয়োজনীয়তা দূর করে।
 
৫। স্বল্প বাজেটের প্যাকেজঃ সাধারণত এই সাস সফটওয়্যার সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিতে সরবরাহ করা হয় যার মধ্যে রয়েছে সাস অ্যাপ্লিকেশন, একটি উচ্চ-পারফরম্যান্সের কম্পিউটিং অবকাঠামো, চলমান রক্ষণাবেক্ষণ, সফ্টওয়্যার আপগ্রেড ইত্যাদি। এজন্য আপনার নতুন বিনিয়োগ হবে না কারণ আপনাকে ব্যয়বহুল সফ্টওয়্যার বা হার্ডওয়্যার কিনতে হবে না।

৬। যে কোনও জায়গায়, যে কোনও সময় অ্যাক্সেসঃ সাস সফটওয়্যার আপনাকে বিশ্বের যে কোনও জায়গা থেকে আপনার সিস্টেমে অ্যাক্সেস করার ক্ষমতা দেয়। আপনার কর্মকর্তাবৃন্দ যে কোনও জায়গায় থেকে অ্যাক্সেস করতে সক্ষম হবে এবং তাদের কাজ করবে। এই পদ্ধতি আপনার প্রতিষ্ঠানকে আরও উত্পাদনশীল করে তুলবে।

ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স নিয়ে এল ক্লাউড সার্ভার ভিত্তিক সাস সফটওয়্যার সল্যুশন। এই সেবা টি পেতে যোগাযোগ করুন ০১৭১৩-৪৯৩০২৬ অথবা ০১৮১১-৪৫৮৮২৫ নম্বরে। 

7
You need to know / শীতে পা ফাটার সমস্যা
« on: December 07, 2019, 02:45:04 PM »
শীত এলেই অনেকেরই পা ফাটা শুরু হয়। শীতকালে আবহাওয়া শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে ওঠে, বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়। এ কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়। কখনো পা এত বেশি ফেটে যায় যে ব্যথা বা জ্বালা করে, ক্ষত হয়, ফাটা ত্বক দিয়ে রক্তপাত হয়। ফাটা ত্বকে জীবাণুর সংক্রমণও হতে পারে।

কারও কারও ক্ষেত্রে শীতে পা ফাটার সুনির্দিষ্ট কারণ থাকে। যেমন সোরিয়াসিসের রোগীদের পা ফাটা শীতকালে বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস, বিশেষ করে ডায়াবেটিসজনিত স্নায়ু–জটিলতায় পায়ে রক্ত চলাচল কমে যায়। নিউরোপ্যাথি বা স্নায়ুরোগেও ত্বক বেশি শুষ্ক হয়। থাইরয়েডের রোগীদেরও এমনটা বেশি হয়।

শীত এলেই অনেকেরই পা ফাটা শুরু হয়। শীতকালে আবহাওয়া শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে ওঠে, বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়। এ কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়। কখনো পা এত বেশি ফেটে যায় যে ব্যথা বা জ্বালা করে, ক্ষত হয়, ফাটা ত্বক দিয়ে রক্তপাত হয়। ফাটা ত্বকে জীবাণুর সংক্রমণও হতে পারে।

কারও কারও ক্ষেত্রে শীতে পা ফাটার সুনির্দিষ্ট কারণ থাকে। যেমন সোরিয়াসিসের রোগীদের পা ফাটা শীতকালে বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস, বিশেষ করে ডায়াবেটিসজনিত স্নায়ু–জটিলতায় পায়ে রক্ত চলাচল কমে যায়। নিউরোপ্যাথি বা স্নায়ুরোগেও ত্বক বেশি শুষ্ক হয়। থাইরয়েডের রোগীদেরও এমনটা বেশি হয়।


এসব কোনো কারণ না থাকলে সাধারণ কিছু যত্নেই পা ফাটা রোধ করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে প্রধান কাজ হলো পায়ের ত্বক শুষ্ক হতে না দেওয়া। তাই ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। কুসুম গরম পানি ও হালকা সাবান দিয়ে পা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। তারপর তোয়ালের সাহায্যে চাপ দিয়ে শুকিয়ে ভালো করে ময়েশ্চারাইজার লাগান। প্রয়োজনে দিনে দু–তিনবার এটা করা লাগতে পারে। গোসল করার পর একবার পায়ে ভালো করে ময়েশ্চারাইজার লাগান। সাদা পেট্রোলিয়াম জেলি, ল্যাকটিক অ্যাসিড, লিকুইড প্যারাফিনযুক্ত ময়েশ্চারাইজার এ ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। পা পরিষ্কার করতে হালকা স্ক্রাবার ব্যবহার করা যায়। এতে মরা ত্বক ও টিস্যু উঠে আসবে। তবে খুব জোরে বা শক্ত কিছু, যেমন পাথর দিয়ে ঘষা যাবে না। এতে ত্বক ক্ষত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

শীতে এ ছাড়া পায়ের আরেকটি সমস্যা বাড়ে। তা হলো কেরাটোডারমা বা পায়ের ত্বক পুরু হয়ে যাওয়া। কেরাটোডারমা হলে চিকিৎসকের পরামর্শে কিছু ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। এ ছাড়া পায়ে ক্ষত হলে বা রক্তপাত হলে কিংবা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

অধ্যাপক মো. আসিফুজ্জামান, বিভাগীয় প্রধান, চর্ম বিভাগ, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ

আগামীকাল পড়ুন: দীর্ঘ সময় কম্পিউটার ব্যবহার

প্রশ্ন-উত্তর
প্রশ্ন: আমার বয়স ৩০ বছর। সকাল হলেই হাঁচি-কাশি শুরু হয়। সব সময় গলায় কফ থাকে, আর কাশি হয়।। মাঝেমধ্যে রাতে শ্বাসকষ্টও হয়। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে কী করতে পারি?
উত্তর: আপনার কোল্ড অ্যালার্জি আছে। সাইনোসাইটিস বা অ্যাজমাও থাকতে পারে। এই রোগগুলো একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। দীর্ঘমেয়াদি বা প্রায় সারা জীবনই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হতে পারে। আপনি একজন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিন।
ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ


Source: https://www.prothomalo.com/life-style/article/1626497/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE

8
আপনার একটা চাকরি খুব প্রয়োজন। তাই বারংবার বিভিন্ন চাকরির জন্য আবেদন করছেন, সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন, কিন্তু নিয়োগকর্তার পক্ষ থেকে খুশির বার্তা নিয়ে কোনো ফোন কল পাচ্ছেন না। ক্রমাগত এমন পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সত্যিই খুব কঠিন। কেননা বেকার মানুষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি খোঁজার মতো পীড়াদায়ক কাজ আর কিছু হতে পারে না।

চাকরি না পাওয়ার এই অবস্থা ‘অ্যাপ্লিকেশন ব্ল্যাক হোল’ নামে পরিচিত, অর্থাৎ বারংবার অ্যাপ্লিকেশন করেও ফল হয় না। চাকরি প্রার্থী হিসেবে এমন অভিজ্ঞতা আপনার হতেই পারে। কিন্তু এই পরিস্থিতি অনেক আত্মবিশ্বাসী ও আশাবাদী আবেদনকারীদেরও হতাশ করে দেয়।

আপনিও যদি এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে থাকেন তবে নিরবতার এই দিনগুলোতে নিজের আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে নিজেকে অনুপ্রাণিত রাখুন। আপনাকে সহযোগিতা করতে এখানে কিছু পরামর্শ আলোচনা করা হলো।

গতি ধরে রাখুন
চাকরি পান আর না পান, নিয়মিত অনুসন্ধান করা এবং আবেদন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনাকে ক্রমাগত চাকরির আবেদন করে যেতে হবে। কখনো আবেদনের সংখ্যা গণনা করে হাঁপিয়ে উঠবেন না। কত সংখ্যক বার আবেদন করবেন সেটা নির্ধারণ করার দরকার নেই, বরং দৃঢ় প্রত্যয় রাখুন আপনাকে চাকরি পেতেই হবে। তার জন্য যত হাজারবার প্রয়োজন হয় আবেদন করবেন।

চাকরি খোঁজা আপনার প্রতিদিনকার প্রধান কাজ হিসেবে বিবেচনা করুন। তার জন্য দৈনিক, সাপ্তাহিক, এবং মাসিক রুটিন তৈরি করুন। প্রতিদিন কত সময় নতুন চাকরি অনুসন্ধানে ব্যয় করবেন, এবং সপ্তাহে কতগুলো আবেদন করবেন তার সংখ্যা নির্ধারণ করুন। নিয়ম করে প্রতি সপ্তাহে পর্যাপ্ত সংখ্যক আবেদন পত্র জমা দিন। প্রয়োজনে আবেদনের সাপ্তাহিক তালিকা প্রস্তুত করুন। তালিকা অনুযায়ী সাক্ষাৎকার এবং অন্যান্য বিষয়ের খোঁজ খবর রাখুন।

আপনি যদি পুরোপুরি বেকার হয়ে থাকেন তবে স্থানীয় কোনো কাজের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে আপনি কোনো বেতন পাবেন কিনা সেটা মুখ্য বিষয় নয়, বরং নিজের দুশ্চিন্তাগ্রস্ত অবসর সময় অতিবাহিত করার উপায় হিসেবে স্থানীয় কাজে যুক্ত হোন। প্রয়োজনে চাকরির আবেদন এবং সাক্ষাৎকার পরবর্তী অবসর সময় নিজেকে প্রফুল্ল রাখতে স্থানীয় ছেলে মেয়েদের সাথে নিয়ে সাংস্কৃতিক বা খেলাধুলার ক্লাব গড়ে তুলুন।

আপনার প্রচেষ্টা হালনাগাদ করুন
কাঙ্ক্ষিত চাকরি প্রাপ্তির জন্য আপনার প্রচেষ্টা হালনাগাদ করুন। নতুন নতুন চাকরির সন্ধান দিয়ে থাকে এমন ওয়েবসাইট এবং অ্যাপসগুলো সব সময় পর্যবেক্ষণ করুন। প্রয়োজনে সেইসব সাইটের নোটিফিকেশন অন করে রাখুন। যেসব চাকরি অনুসন্ধান সাইট রেজিস্ট্রেশন করার সুযোগ দেয়,

সেসব সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে নিজের প্রোফাইল তৈরি করুন। এবং সাইটগুলোকে ইমেইলে চাকরির বিজ্ঞাপন করার সুযোগ দিন। প্রতিদিন এসব নোটিফিকেশন মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করুন এবং সবার আগে নতুন চাকরির আবেদন করার চেষ্টা করুন।

নিয়ম নীতি জানুন
অনেক সময় যোগ্য আবেদনকারী হওয়া সত্ত্বেও সঠিকভাবে নিয়ম নীতি না জেনে আবেদন করার কারণে আপনার আবেদন বাতিল হতে পারে। নতুন কোনো চাকরির আবেদন করার পূর্বে ভালোভাবে নিয়ম নীতিগুলো পড়ুন এবং সব চাকরির আবেদনে একই বায়োডাটা এবং কভার লেটার পাঠানো বন্ধ করুন।

ভিন্ন ভিন্ন চাকরির জন্য ভিন্ন ভিন্ন আবেদন পত্র এবং কভার লেটার প্রস্তুত করুন। চাকরির বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা নিয়মনীতি অনুসরণ করে সুনির্দিষ্ট চাকরির জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু কিওয়ার্ড এবং বক্তব্য আপনার আবেদন পত্র, বায়োডাটা এবং কভার লেটারে যুক্ত করুন।

বর্তমানে অধিকাংশ কোম্পানি নতুন কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে অ্যাপ্লিকেশন ট্রাকিং সিস্টেম ব্যবহার করে। এই সিস্টেমের আওতায় তারা একটি বিশেষ অ্যাপ্লিকেশন ফরমেট আবেদনকারীদের জন্য সরবরাহ করেন। যেখানে আবেদনকারীর দক্ষতা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ইত্যাদি তথ্য ইনপুট করার সুযোগ থাকে।

যত দ্রুত সম্ভব আপনার আবেদনপত্রটি অ্যাপ্লিকেশন ট্রাকিং সিস্টেমের আওতায় সাবমিট করুন। আপনার আবেদনটি কাজের বিবরণে উল্লেখিত কীওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে দ্রুত মূল্যায়ন করা হবে এবং আপনাকে ফলাফল জানানো হবে। সুতরাং কীওয়ার্ড দেখে সঠিক চাকরির জন্য আবেদন করুন।

কোম্পানি গবেষণা
আপনি যদি সুনির্দিষ্ট কোনো ক্ষেত্রে চাকরি পেতে চান তাহলে কাঙ্ক্ষিত কোম্পানি নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করুন। সেই কোম্পানি সম্বন্ধে যাবতীয় তথ্য জানার চেষ্টা করুন। কোম্পানির ব্লগ, প্রেস রিলিজ এবং ওয়েবসাইট ভালভাবে পড়ুন। পত্রিকায় প্রকাশিত তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করুন। তাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সম্বন্ধে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করুন। কোম্পানির বার্ষিক আয় ব্যয়ের হিসাব, কর্মীসংখ্যা, কাজের পরিধি এবং সাফল্য ব্যর্থতা সম্বন্ধে বিস্তারিত গবেষণা করুন।

গুগল সার্চ করে উক্ত কোম্পানি নিয়ে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন এবং সংবাদ পড়ুন। কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুসরণ করুন।

তাদের নতুন চাকরির বিজ্ঞাপন দেখামাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করুন এবং বিভিন্ন বিষয়ে তার সাথে কথোপকথন শুরু করুন। কোম্পানির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আপনার আগ্রহের কথা প্রকাশ করুন। সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলুন এবং নিয়ম মেনে চাকরির আবেদন করুন।

নেটওয়ার্কিং এবং মনোযোগ
কাঙ্ক্ষিত চাকরি পেতে নেটওয়ার্কিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। তবে নেটওয়ার্কিং নিয়ে আমাদের মধ্যে কিছু ভুল ধারণা আছে। আমরা সাধারণত নেটওয়ার্কিং মানে কর্পোরেট জগতে সমমনা কর্মী এবং ব্যক্তির সাথে যোগাযোগকে বুঝি। কিন্তু আসলে নেটওয়ার্কিং মানে শুধু সমমনা ব্যক্তি এবং কর্মীর সাথে যোগাযোগ নয়।


আপনি যেহেতু চাকরি খুঁজছেন, তাই আপনাকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে। আপনি হয়তো যাকে অগুরুত্বপূর্ণ ভাবছেন তার হাত ধরেই পেয়ে যেতে পারেন কাঙ্ক্ষিত চাকরি। তাই নেটওয়ার্কিংয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন। ক্যারিয়ার এবং ব্যবসা সম্পর্কিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিন এবং নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করুন। এভাবে নিজের পরিচিতি বাড়াতে থাকলে আপনি নিশ্চয়ই উপযুক্ত ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাবেন, যারা আপনার স্বপ্নের চাকরি নিশ্চিত করবে।

বেকার অবস্থায় চাকরি খোঁজা সত্যিই খুব কঠিন কাজ। কিন্তু আপনাকে ধৈর্য ধরে ক্রমাগত এ কাজ করতে হবে। মনে রাখবেন ধৈর্য্যের ফল মিঠা হয়।


Source: https://youthcarnival.org/bn/what-to-do-if-you-arent-hearing-back-from-employers/

9
Informative post.

Sir, It will be better for forum management if you kindly maintain a related category for a related topic.

10
ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে কাজের একটি বিশাল বাজার তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ খাতের উদ্যোক্তারা ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে কাজ করতে শুরু করেছেন। এ খাত থেকেও অর্থ আয়ের নতুন নতুন উপায় নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা।

এন্টারপ্রেনার ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান দুনিয়ায় ফ্রিল্যান্সিংকেও পুরোপুরি পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন অনেকেই। এখানে প্রকল্প ভিত্তিতে একের পর এক কাজের সুযোগ থাকে। যেকোনো জায়গায় বসে বিশ্বের যেকোনো কাজ করা যায়। এ ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সারের কাজের ওপর ছড়ি ঘোরানোর কেউ থাকে না বলে প্রতি বছর এখাতে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এডেলম্যান ইনটেলিজেন্স নামের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালে শুধু যুক্তরাষ্ট্রে ৫ কোটি ৭৩ লাখ মানুষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করেছেন। এ হিসাব ধরলে দেশটির ৩৬ শতাংশ মানুষ ফ্রিল্যান্সিং কাজের সঙ্গে যুক্ত। এই প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছ, তাদের হিসাব অনুযায়ী ২০২৭ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ কর্মী ফ্রিল্যান্সিং কাজের সঙ্গে যুক্ত হবেন। বাংলাদেশেও ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে অনেকেই কাজ করছেন।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার আগ্রহ বাড়তে থাকায় অনেক উদ্যোক্তা এই কমিউনিটি নিজে কাজে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। যাঁরা ফ্রিল্যান্সারদের বাজার লক্ষ্য করে সেবা বাড়াতে চান তারা এখাত থেকেও অর্থ আয় করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিংয়ের বাজার থেকে অর্থ আয়ের ৫টি উপায়:

ফ্রিল্যান্সারদের কাজ খোঁজার সুবিধা: অনেক সময় ফ্রিল্যান্সাররা কাজ খুঁজে পান না। তাঁদের কাজ পেতে চেষ্টা করতে করতে হতাশ হতে পারেন। তাদের লক্ষ্য করে যদি সেবা আনা যায় তবে সেখান থেকে অর্থ আয় হতে পারে। যেমন তারকাদের অনেক সময় এজেন্টের প্রয়োজন পড়ে তেমনি ফ্রিল্যান্সারদের কাজ খুঁজে দেওয়ার জন্যও সেবার প্রয়োজন পড়ে। অনেক সময় ফ্রিল্যান্সারদের হাতে এত কাজ থাকে যে তারা আর সেবা বাড়াতে পারেন না। তখন তাকে উদ্যোক্তা হিসেবে সেবা বাড়ানোর প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু এখাতে যারা নতুন তাদের জন্য কাজ খুঁজে পাওয়া কঠিন। উদ্যোক্তারা চাইলে নতুন ফ্রিল্যান্সারদের কাজ দিয়ে নিজে তা থেকে অর্থ আয় করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সারদের সঙ্গে কাজদাতার যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া বা নিজস্ব ব্যবসা এভাবে বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।

ফ্রিল্যান্সার ব্যবস্থাপনা: ফ্রিল্যান্সারদের এজেন্ট হওয়ার বিষয়টি ব্যবস্থাপনার কাজের একটি অংশ হতে। ফ্রিল্যান্সারদের কাজের খোঁজ দিয়ে বা বিভিন্ন কাজের সঙ্গে তাদের যুক্ত করার পর সেগুলো ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়ে অর্থ আয় করতে পারেন। যাঁদের স্থায়ী ক্লায়েন্ট বা ক্রেতা তৈরি হয় তাঁদের বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে ব্যবসা বাড়াতে হয়। এ ক্ষেত্রে নিজে কাজের পাশাপাশি ব্যবস্থাপক হিসেবেও বড় হওয়ার সুযোগ থাকে। কারও হাতে যদি কোনো শিল্পী ফ্রিল্যান্সার থাকে তবে তাদের কাজগুলো বিক্রি করে দেওয়া, তাদের অর্থ দেখাশোনা করা, তাদের জন্য নেটওয়ার্ক তৈরি করে দেওয়ার মতো ব্যবস্থাপনার কাজ করেও আপনি অর্থ আয় করতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপক হিসেবে ক্লায়েন্টের আস্থা অর্জন করাটা জরুরি।

ফ্রিল্যান্সারদের জীবনবৃত্তান্ত ও কভার লেটারে সাহায্য করা: অনেক সময় কাজের জন্য তৈরি কভার লেটার ও সঠিক জীবনবৃত্তান্তের কারণে কাজ পান না নতুন কোনো ফ্রিল্যান্সার। যাঁদের লেখার দক্ষতা ভালো এবং দুর্দান্ত সিভি লিখতে পারেন তখন ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটিতে আপনি উদ্যোক্তা হিসেবে ভালো করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সারদের ভালো জীবনবৃত্তান্তের ওপর অনেক কাজ নির্ভর করে। এ কাজে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে ফ্রিল্যান্সারদের কাছে আপনি ফ্রিল্যান্সার উদ্যোক্তা হিসেবে অর্থ আয় করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতা উন্নয়ন: অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন যাঁরা এখাতে নতুন এবং খুব বেশি দক্ষতা নিয়ে মাঠে নামেননি। তাঁদের জন্য প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকা শক্ত। তাই তাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। আপনি এ সুযোগ নিতে পারেন। নিজের দক্ষতা থাকলে আপনি তা অন্যদের শেখাতে পারেন। গ্রাফিকস ডিজাইন, সফটওয়্যার প্রকৌশল, লেখালেখির মতো নানা বিষয়ে আপনি প্রশিক্ষণ দিতে পারেন। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিল্যান্সিং খাতে কাজ করছেন তাঁরা দক্ষতা উন্নয়নের জন্য অন্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।

পেশাগত পরামর্শ: ফ্রিল্যান্সিং খাতে সঠিক দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। যাঁরা এখাতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তাদের পরামর্শ নতুনদের জন্য কাজে লাগবে। আপনি চাইলে আপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে যেতে পারেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক গ্রুপ বা ব্লগ তৈরি করে আপনি পেশাগত পরামর্শ বিনিময় করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে অনেকেই সফল হয়েছেন। যেহেতু এ খাতটি বড় হচ্ছে আপনিও এখাতে উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন।


Source: https://goo.gl/YFkMwJ

11
বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল-এর কয়েকটি মৌলিক দক্ষতা

একজন বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল-এর গুরুত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্র গুলোর মাঝে রয়েছে ব্যবসায় কৌশলের উন্নয়ন, বিক্রয় ক্ষেত্রের উন্নয়ন এবং ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন। ব্যবসায়ের এসব মৌলিক বিষয়গুলোর উন্নতিতে অবদান রেখে ব্যবসায়ের সার্বিক সফলতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন একজন বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল। আর তাই একজন দক্ষ ব্যবসায় উন্নয়ন পেশাদারকে কিছু মৌলিক দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত প্রয়োজন আর আজকে আপনাদের সাথে সেই মৌলিক দক্ষতা গুলো সম্পর্কে আলোচনা করব।

মার্কেট-প্লেস সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা

একজন বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল হিসেবে প্রথমত যে গুনটি থাকা অপরিহার্য সেটি হল মার্কেট-প্লেস সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা। মার্কেট-প্লেস বলতে বোঝায় উৎপাদিত পণ্যের বাজার বা চাহিদা।
আমরা জানি ভৌগলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে মানুষের আচার-আচরণ ও চাহিদার ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। একেক অঞ্চলের মানুষের চাহিদা একেক রকমের হয়ে থাকে। আর চাহিদার ওপর নির্ভর করে পণ্যের বাজার তথা সার্বিকভাবে ব্যবসায়ের সফলতা। আবার মানুষের চাহিদা যেমন দিন বদলের সাথে পাল্টাতে থাকে সেই সাথে পাল্টাতে থাকে পণ্যের বাজার। চলমান পৃথিবীতে মানুষের চাহিদা এতটাই পরিবর্তনশীল যে, আজকে যে পণ্যের চাহিদা ব্যাপক আগামীকালকেই সেটি মূল্যহীন হয়ে পড়ার আশংকা থেকে যায়। এমতাবস্থায় শুধুমাত্র বাজারের প্রতি তীক্ষ্ণ নজর রেখে ব্যবসায় পরিচালনা করলে সফলতা অর্জন করা সম্ভব। নতুবা ব্যর্থতা অনিবার্য। তাই একজন দক্ষ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল বাজারের চাহিদা এবং পণ্য সরবারহের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে পরিকল্পনা করে থাকেন এবং দিন শেষে সফলতা ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হন।

সঠিক পরিকল্পনার দক্ষতা

প্রতিটি কাজের সফলতা নির্ভর করে সঠিক কর্ম-পরিকল্পনার ওপর। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে অনেক জটিল বিষয়ও সহজে সমাধান করা সম্ভব হয়ে থাকে। তাই ব্যবসায় সফলতা অর্জন করতে হলে অবশ্যই সঠিক পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
এজন্য একজন প্রফেশনালকে সঠিক পরিকল্পনায় দক্ষ হতে হয়। তিনি জানেন আজকের সঠিক পরিকল্পনাই আগামী দিনের বাস্তবতা । আজকের সঠিক পরিকল্পনা ব্যতীত আগামী দিন সফল বাস্তবতা উপভোগ করা সম্ভব নয়। তাই একজন বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল তার জীবনের পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ব্যবসায় উন্নয়নের পরিকল্পনা করে থাকেন।

ব্যবসায়ের খুঁটিনাটি সকল বিষয়ে নিখুঁত ধারনা

একজন খেলোয়াড়ের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে একজন দক্ষ কোচের ওপর। আর যে বিষয়ে তিনি প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন সে বিষয়ের ওপর থাকতে হয় নিখুঁত ধারনা। এই নিখুঁত ধারনার সাহায্যে  ছাত্রকে সঠিক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন এবং ছাত্র সেগুলো বাস্তবায়ন করে সফলতা অর্জন করে থাকে। তেমনি একজন বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল ব্যবসায়ের সকল বিষয়ে সঠিক ধারনা পোষণ করে থাকেন।
তিনি ব্যবসায়ের খুঁটিনাটি সকল বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন এবং এসব সমস্যা বিবেচনা করে যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। অন্যথায় সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা প্রায় অসম্ভব। তাই একজন বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল-এর  ব্যবসায়ের ভিতর ও বাহিরের সকল বিষয়ে নিখুঁত ধারনা থাকা খুবই জরুরী।

লক্ষ নির্ধারণ ও লক্ষ অর্জনের পথে এগিয়ে যাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা

একজন দক্ষ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট  প্রফেশনাল সব সময় চেষ্টা করেন একটি সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট লক্ষ নির্ধারণ করতে এবং সেই লক্ষ অনুযায়ী কর্ম-পরিকল্পনা তৈরি করে লক্ষ অর্জন করে থাকেন।
তিনি খুব ভালো করে জানেন যে, লক্ষ নির্ধারণ ছাড়া কখনই সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। আবার সেই লক্ষ অর্জনের জন্য প্রয়োজন অসীম ধৈর্য ও পরিশ্রম। তাই এই গুন রপ্ত করা ব্যতীত কখনই একজন দক্ষ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল হওয়া সম্ভব নয়।

সব কিছু থেকে শিক্ষাগ্রহণে আগ্রহী

একজন দক্ষ বিজনেস প্রফেশনাল সব কিছু সম্পর্কে জানতে মরিয়া হয়ে থাকেন। তিনি প্রতিটি সমস্যার গভীরে প্রবেশ করে সমস্যা চিহ্নিত করার চেষ্টা করে থাকেন এবং সমস্যা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে সমাধান বের করার মাধ্যমে তিনি প্রচুর বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকেন যা ভবিষ্যতে পুনরায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা প্রদান করে থাকে।
আর এভাবে হয়ে ওঠেন একজন দক্ষ থেকে সুদক্ষ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট  প্রফেশনাল। তাই একজন দক্ষ প্রফেশনাল প্রতিটি বিষয় থেকে শিক্ষা গ্রহণের গুনটি অর্জন করে থাকেন।

দৃঢ় প্রত্যয়ী

একজন বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনালের কাজের ধরন-গত কারণে, খুব চাপের মধ্য দিয়ে দৃঢ়প্রত্যয়ী হয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যেতে হয়। কারণ তার কাজের ওপর নির্ভর করে ব্যবসায়ের সফলতা। যদি তিনি তার পরিকল্পনা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে না পারেন তাহলে ব্যর্থতা অনিবার্য।
তাই তিনি খুব দৃঢ়প্রত্যয়ী হয়ে কাজ করে থাকেন। আর তিনি এই দক্ষতা অর্জন করে থাকেন নিজের ওপর অসীম বিশ্বাসের মাধ্যমে। তিনি জানেন, তিনি যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন সেটা অনেক বিষয়ে সূক্ষ্ম পর্যালোচনার মাধ্যমেই নিয়েছেন এবং সঠিক পরিকল্পনাই অংকন করেছেন। যা কখনই বিফলে যেতে পারে না। আর এভাবেই তিনি প্রচণ্ড চাপের মাঝেও অবিরত কাজ করে যাওয়ার উৎসাহ পেয়ে থাকেন।

সুশৃঙ্খল এবং নিয়মানুবর্তী

প্রতিটি সফল দক্ষ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট  প্রফেশনাল তথা সমস্ত সফল মানুষের মাঝেই এই গুন দুটি পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। কারণ নিয়মানুবর্তিতা ছাড়া কোন কাজই সঠিক সময়ে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। সেই সাথে একটি সুন্দর গঠন মূলক কাজ করতে প্রয়োজন শৃঙ্খলতা। এই গুনগুলো ব্যতীত কখনই সফল হওয়া সম্ভব নয়। তাই ব্যবসায় সফলতা অর্জন করতে হলে অবশ্যই সময়ের মূল্য দিয়ে পরিশ্রম করে যেতে হবে। তবেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব হবে। তাই একজন দক্ষ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল হতে হলে অবশ্যই এই গুন দুটি অর্জন করা আবশ্যিক।

আকর্ষণীয় আচার-আচরণ

একজন বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল বা ব্যবসায় উন্নয়ন পেশাদার হিসেবে এই গুনটি থাকা অত্যন্ত জরুরী। কারণ মানুষ তার আকর্ষণীয় ব্যবহারের মাধ্যমে অন্যদের সাথে সু-সম্পর্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হন। প্রত্যেক ব্যবসায়ী প্রফেশনালকে প্রতিনিয়ত কাজ করে যেতে হয় অসংখ্য মানুষের সাথে।
শুধু তাই নয়, তাকে একজন নেতার ভূমিকায় কাজ করে যেতে হয়। আর একজন নেতা তার সুন্দর আচরণের মাধ্যমেই সকলের মন জয় করে থাকেন এবং সূক্ষ্ম কৌশলে কাজ হাসিল করে নেন। তাই প্রত্যেক বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল খুব যত্নের সাথে এই গুনটি অর্জন করে থাকেন।


Source: https://goo.gl/uot4Bj

12
রুটি খেলে যেসব উপকার পাওয়া যায়ঃ একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে ফ্রিজে রেখে বাসি খাবার খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়। শুধু তাই নয়, একাধিক জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও সেক্ষেত্রে বৃদ্ধি পায়। এ কারনে টাটকা খাবার খাওয়ার জোর দিয়ে থাকেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু সব সময় তা সম্ভব হয় না। কারন হাতে সময় নেই। এমন পরিস্থিতিতে রোজ রোজ রান্না করার সময় কোথায়। তাই এক দিন রান্না করে খাওয়া চলছে সাত দিন। কিন্তু আজব বিষয় হচ্ছে যে কোনও খাবার বাসি অবস্থায় খেলে শরীরের ক্ষতি হয় ঠিকই। কিন্তু বাসি রুটি খেলে কিন্তু কোনও ক্ষতি হয়ই না, উল্টে নানা উপকার মেলে।

গবেষণায় দেখা গেছে বাসি রুটি নিয়মিত খেলে বেশ কিছু মারণ রোগ একেবারে সেরে যায়। যেমন সুগারের কথাই ধরুন না। গবেষণা বলছে বাসি রুটির অন্দরে এমন কিছু উপাদান তৈরি হয়ে যায়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে এখানেই শেষ নয়, বাসি রুটির আরও অনেক গুণ রয়েছে। যেমন…

১. অ্যাজমার প্রকোপ কমে:

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বাসি রুটির অন্দরে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন ই দেহের অন্দরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে অ্যাজমার মতো রোগের প্রকোপ কমাতে সময় লাগে না। বিশেষত, বাচ্চাদের অ্যাজমা কমাতে এই ঘরোয়া উপায়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

২. এনার্জির ঘাটতি দূর করে:

সকাল সকাল মিটিং আছে? হাতে সময় নেই ব্রেকফাস্ট করার? ফিকার নট! আগের দিনের রুটি আর এক গ্লাস ঝটপট খেয়ে বেরিয়ে পরুন। এমনটা করলে পেটটাও খালি থাকবে না। উল্টে এনার্জির ঘাটতিও দূর হবে। ফলে কাজে মন তো বসবেই, সেই সঙ্গে শরীরও চনমনে হয়ে উঠবে

৩. হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা হ্রাস পায়:

শুনতে অবাক লাগলেও একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে নিয়মিত বাসি রুটি খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসার কারণে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি নানাবিধ কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৪. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়:

একাধিক কেস স্টাডি অনুসারে রুটির মধ্যে থাকা ফাইবার, সময় যত এগতে থাকে, তত শক্তিশালী হয়ে উঠতে শুরু করে। তাই তো বাসি রুটি দুধ দিয়ে খেলে হজম ক্ষমতার মারাত্মক উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বলের সমস্যাও কমে যায়। তাই এবার থেকে রাতের বেলা রুটি থেকে গেলে আর ফেলে দেবেন না। বরং ব্রেকফাস্টে দুধ দিয়ে খেয়ে নেবেন। দেখবেন দারুন উপকার মিলবে।

৫. ওজন কমে:

চটজলদি অতিরিক্ত ওজন কমাতে চাইলে বাসি রুটি খাওয়া শুরু করতে পারেন। কারণ এতে উপস্থিত ফাইবার অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়ার পরিমাণ কমে যেতে শুরু করে। আর যেমনটা সবারই জানা আছে যে কম খেলে, ওজন বাড়ার আশঙ্কাও কমে। সেই সঙ্গে দেহে পুষ্টির ঘাটতিও দূর হয়। তাই যারা বাড়ির বাইরে তাকেন, তারা সকাল সকাল রুটি এবং দুধ খেতে পারেন কিন্তু!

৬. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:

ঠান্ডা দুধ দিয়ে বাসি রুটি খেলে শরীরের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হয়, যার প্রভাবে দেহে সোডিয়াম বা নুনের পরিমাণ কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, গরমের সময় শরীরকে ঠান্ডা রাখতেও দুধ-রুটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে!

৭. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:

অল্প সময়েই ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে চান, তাহলে নিয়মিত বাসি রুটি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন। কারণ এমনটা করলে দেহের অন্দরে জিঙ্ক এবং আরও বেশ কিছু খনিজের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ত্বকের অন্দরে জমে থাকা টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়তে থাকে। ফলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো।

৮. ডায়াবেটিস রোগ দূরে থাকে:

এক্ষেত্রে বাসি রুটি এবং ঠান্ডা দুধ কিভাবে নিজের খেল দেখায়, তা এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত ভাবে জানা না গেলেও এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে ব্লাড সুগারকে কন্ট্রোলে রাখলে বাসি রুটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই আপনার পরিবারে যদি এই মারণ রোগের ইতিহাস থাকে, তাহলে বাসি রুটি খেতে আর নাক শিঁটকোবেন না যেন!

Source: https://goo.gl/nu83qo

13
বর্তমান সময়ে বেশ সাধারণ একটি রোগ হলো ডায়াবেটিস। বয়স্কদের পাশাপাশি ছোট শিশুদেরও আজকাল ডায়াবেটিস রোগ হতে দেখা যায়। ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে ওষুধ খাওয়ার চেয়ে ডায়েট বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কী খাবেন আর কী খাবেন না এই নিয়ে দ্বন্দ্বে থাকেন ডায়াবেটিস রোগীরা।

প্রত্যেক বাড়িতে খুঁজলেই ২/১ জন ডায়াবেটিস রোগী মিলবে। শুনতে আহামরি মনে না হলেও কেবল ভুক্তভোগীরাই জানেন যে কি মারাত্মক এক রোগ এই ডায়াবেটিস।
জীবনটাকে যেন একেবারে আগাগোড়া বদলে দেয়, পাল্টে দেয় খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে জীবনযাপনের ধারা পর্যন্ত সব কিছুই। আসুন, জেনে নেয়া যাক ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী কয়েকটি ফল সম্পর্কে।

১। আপেলঃ
ডায়াবেটিস রোগীরা নিশ্চিন্তে খেতে পারে আপেল। উচ্চ ফাইবার যুক্ত এই ফলটিতে রয়েছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। যা শরীর ডিটক্সিফাই করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পর্দাথ বের করে দেয়। এর জিআই ইনডেক্স ৩০ থেকে ৫০। দিনে একটি ছোট আপেল খাওয়া যেতে পারে।

২। কামরাঙ্গাঃ
দেশী টক ফল কামরাঙ্গা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। কামরাঙ্গায় আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

৩। পেয়ারাঃ
ডায়াবেটিস রোগীদের খাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হল পেয়ারা। পেয়ারার মধ্যে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন ‘এ’ আছে, যা সুগার রোগীদের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। বিনা সংকোচে খেতে পারেন এই ফল।

৪। স্ট্রবেরিঃ
অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ এই ফলটি রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণ করে। যা হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। এছাড়া স্ট্রবেরিতে কার্বোহাইড্রেইড পরিমাণ খুব কম। যা ব্লাড সুগার স্থিতিশীল রাখে। এর জিআই ৪০।

৫। কমলা এবং লেবু জাতীয় ফলঃ
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে লেবু জাতীয় ফল ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। কিন্তু এই জাতীয় ফলের রস আবার ডায়াবেটিস বৃদ্ধি করে থাকে। কমলার গ্লুকোজ ইনডেক্স (GI) ৪০ কিন্তু চিনি ছাড়া কমলার রসের গ্লুকোজ ইনডেক্স (GI) ৫০। তাই এই সকল ফলের রস পান করার চেয়ে ফল খাওয়া বেশি স্বাস্থ্যকর।

৬। পেপেঃ
কাঁচা ও পাকা পেঁপে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। এই ফলটিতেও বেশ ভাল পরিমানে ভিটামিন ‘সি’ থাকে। খিদে পেলে পেট ভরাতেও অনন্য এই খাবার। তবে খাবেন পরিমিত পরিমাণে।

৭। তরমুজঃ
যত ইচ্ছা তত পরিমাণে যে ফলটি খেতে পারেন ডায়াবেটিস রোগীরা, সেটা হচ্ছে তরমুজ। খিদে মেটানো, শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগানো ছাড়া পানি শূন্যতাও রোধ করে এই ফলটি।

Source: https://www.bd24live.com/bangla/article/125630/index.html

14
আমরা সাধারনত বাসায় রান্না করার পরে সময় বাঁচানোর জন্য সেই খাবার আবার পরের দিনের জন্য রেখে দিই, আবার সেই খাবার পুনরায় গরম করেই খাই। কিন্তু সেই খাবার পুনরায় গরম করে খাওয়া অনেক ক্ষতিকর, এতে আমাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি অনেক গুন বেড়ে যায়। আর আমরা এমন কিছু খাবার আছে যা প্রতিদিন পুনরায় গরম করে খাচ্ছি। এরকম ৮টি খাবারের সম্পর্কে আজ জেনে রাখুন যেগুলো ভুলেও পুনরায় গরম করবেননা
১। মাশরুম
সাধারনত মাশরুমের ফাইবার ও এনজাইম হজমে সহায়তা করে। এটি অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কাজ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং কোলন-এর পুষ্টি উপাদান শোষণকেও বাড়াতে সাহায্য করে। আর তাই মাশরুম একবার রান্নার পরে দ্বিতীয়বার গরম করে খেলে তা আমাদের পেটের জন্য অনেক ক্ষতিকর।
২। মুরগির মাংস
অনেকেই সময় বাঁচানোর জন্য একবারেই অনেক মুরগির মাংস রান্না করে রাখি কিন্তু মুরগির মাংস বার বার গরম করে খাওয়া উচিত নয়। কারণ মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। রান্নার পরে ফের তা গরম করলে প্রোটিনের কম্পোজিশন বদলে গিয়ে তা থেকে বদহজম হতে পারে।
৩। চা
এটা আমরা অনেকেরই জানা যে একবার চা বানানোর পর তা ঠান্ডা হয়ে গেলে পুনরায় গরম করা উচিত নয়। কারণ চায়ের মধ্যে ট্যানিক অ্যাসিড থাকে। তৈরি করা চা ফের গরম করে পান করলে লিভারের ক্ষতি হতে পারে।
৪। ভাত
ভাত রান্না করার সময় তাতে বেসিলস সিরিয়াস ব্যাক্টেরিয়া তৈরি হয়। রান্না করা ভাত ফের গরম করলে এই ব্যাক্টেরিয়া সংখ্যায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়ে ডায়েরিয়া পর্যন্ত হতে পারে।
৫। আলু
আলু রান্না বা সেদ্ধ করার পরে ঠাণ্ডা হওয়ার সময় তাতে বটুলিজম নামে একটি ব্যাক্টেরিয়া তৈরি হয়। ফের তা গরম করলে এই ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যাগুলি বেড়ে গিয়ে ফুড পয়জনিং পর্যন্ত হতে পারে।
৬। ডিম
ডিমের মধ্যেও বেশি পরিমাণে প্রোটিন এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্টস থাকে। রান্নার পরে আবার তা গরম করলে ডিম থেকে টক্সিন তৈরি হবে যা থেকে বদহজমের আশঙ্কা তৈরি হয়।
৭। পোড়া বা খাবার তেল
আমরা অনেকেই খাবার রান্নার পর অবশিষ্ট তেল রেখে দেই পরবর্তী কোন খাবার রান্নার জন্য কিন্তু একবার ও কি খেয়াল করেছি এটা আমাদের শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর । পোড়া তেল ফের গরম করে রান্নায় ব্যবহার করলে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।
৮। পালং শাক
এছাড়াও পালং শাকও রান্নার পর পুনরায় গরম করা উচিত নয়। পালং শাকে অতিরিক্ত পরিমাণে নাইট্রেটস থাকে। রান্না করা পালং শাক ফের গরম করে খেলে শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন বেশি মাত্রায় ঢুকতে পারে।

Source: https://goo.gl/y6j2gc

15
যেসব খাবার শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখবে

সুস্থ ও রোগমুক্ত থাকতে হলে শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখাটা খুব দরকার। এতে করে শরীরে ভেতরের সব ময়লা আবর্জনা ও বিষাক্ত দ্রব্য বেরিয়ে যায় এবং শরীর সুস্থ থাকে। আপনি কি খাচ্ছেন নিচের উল্লেখ করা এ খাবারগুলো?

বিট
শেকড় জাতীয় বহু গুণাগুণসম্পন্ন এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও বিটাইন নামের এক প্রকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা বিশেষ ধরনের উদ্ভিজ্জ রঞ্জক পদার্থ। আর এই রঞ্জক পদার্থের কারণেই মূলত সবজিটি স্বতন্ত্র লাল রঙ ধারণ করে। বিটাইন কোষের গঠন উন্নত ও ক্ষতিপূরণ করে এবং যকৃতের কোষগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে। আপনার শরীর থেকে যত ধরনের বিষক্রিয়াজনিত পদার্থ বেরিয়ে আসে, যকৃত সেগুলো থেকে আপনার শরীরকে রক্ষা করে। তাই এর উপকারিতা পেতে আপনার খাবারের তালিকায় প্রাকৃতিক পরিষ্কারক এই সবজিটি রাখতে ভুলবেন না।

পরামর্শ
রান্নার ক্ষেত্রে, বিটের মধ্যে থাকা পুষ্টির সর্বোচ্চ গুণাগুণ পেতে খোসাসহ সিদ্ধ করুন বা ভাপিয়ে নিন। মূল খাবারের সহযোগী আইটেম হিসেবে বিটকে ঝলসিয়ে বা সেঁকে খেলেও দারুণ স্বাদ পাওয়া যায়। এছাড়াও কাঁচা বিট দিয়ে বানানো স্বাস্থ্যসম্মত স্মুদি (জুসের মতো করে বানানো পানীয়) বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সালাদের সাথে কুচি করে কেটেও বিট (কাঁচা) খাওয়া যায়।

পিঁয়াজ ও রসুন
পিঁয়াজ ও রসুন, এই দুটোর মধ্যেই আছে ফ্ল্যাভোনয়েড, যা গ্লুটাথোন উৎপাদনে সাহায্য করে। গ্লুটাথোন হলো যকৃতের সবচাইতে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলোর মধ্যে একটি। এগুলো যকৃতকে উদ্দীপ্ত করে পরিষ্কারক এনজাইম তৈরি করার জন্য, যা হজম প্রক্রিয়ার পর শরীর থেকে বিষাক্ত সব অবশিষ্টাংশ বের করে দেয়। তাছাড়া এটি যকৃতের মতো কার্যকরী অঙ্গের কাজ কিছুটা কমিয়ে দেয় এবং এর রয়েছে জীবাণুনাশক, পরজীবী জীবাণু প্রতিরোধক ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর মতো বৈশিষ্ট্য।

পরামর্শ
যেকোনো ধরনের ডিটক্স ডায়েটে এই দুটি উপাদান অবশ্যই থাকা চাই। কাঁচা অথবা ভাজা রসুন সালাদে আনে ভিন্ন মাত্রা ও স্বাদ।

সবুজ শাকসবজি
গাঢ় সবুজ রঙের শাকসবজি আপনার হজম প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল ডিটক্স করার শক্তি বৃদ্ধি করে। এই উদ্ভিদ রঞ্জক পদার্থটি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলো ব্যবহার করে শক্তি উৎপন্ন করে। এছাড়াও এটি আমাদের শরীরে জমে থাকা গুরুপাক জাতীয় জিনিস বের করে দিয়ে পরিষ্কার রাখে। ক্লোরোফিলে আরও রয়েছে জ্বালাপোড়া কম করার মতো গুণাগুণ। এটি শরীরের ক্ষারীয় তরল পদার্থ বের করে দেয়ার ক্ষেত্রে শরীরকে সাহায্য করে। আর গাঢ় শাকসবজিতে থাকে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, ফাইবার, আয়রন, ফলিক এসিড, ক্লোরোফিল, ফসফরাস, ভিটামিন এ, সি, ই এবং কে।

পরামর্শ
এখনকার বেশিরভাগ খাবরেই প্রচুর পরিমাণে এসিড থাকে। তাই নিয়মিত পালং শাক, ব্রকলি ও গাঢ় রঙের শাকসবজি অবশ্যই খাওয়ার চেষ্টা করুন। করল্লার জুস বা পালং শাকের স্যুপ বানিয়েও খেতে পারেন।

লেবু পানি
টক জাতীয় ফলগুলো আপনার হজমশক্তির ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। কারণ এগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই শক্তিশালী যৌগগুলো যকৃতের এনজাইমগুলোকে সক্রিয় করে শরীরের জীবাণুগুলোকে দ্রাব্য পদার্থে রূপান্তর করে পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। আর এ কারণেই আপনার শরীর থেকে সকল প্রকার দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায়।

পরামর্শ
প্রতিদিন সকালে কুসুম গরম পানির সাথে এক চিমটি লবণ ও মধু মিশিয়ে পান করে নিন। এই পানীয়টি অবশ্যই সকালবেলায় এবং খালি পেটে খেতে হবে। এটি কর্মব্যস্ত দিনে শক্তি যোগাবে, পেট পরিষ্কার রাখবে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করবে এবং ত্বক সুন্দর রাখবে।

বিভিন্ন ধরনের বিচি ও বাদাম
স্ন্যাক্স হিসেবে আপনি কী খান? নিশ্চয়ই ভাজাপোড়া! এগুলো যে স্বাস্থ্যসম্মত নয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সেক্ষেত্রে বাদাম ও বিচি স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স, যা সবসময় সাথেও রাখতে পারবেন; যেমন কাজু, আখরোট, পেস্তা, চীনা ও কাঠ বাদাম, তিসি ইত্যাদি।

পরামর্শ
নিয়মিত কাজুবাদাম খেলে যকৃতের চারপাশে জমে থাকা চর্বি থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আখরোটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আরজিনাইন নামক এসিড, যা আপনার যকৃত থেকে অ্যামোনিয়া ডিটক্স করাতে সহায়ক। এছাড়াও এটি আপনার মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখে। তিসি আপনার মন-মেজাজ ভালো রাখবে। গুঁড়ো করা তিসিতে রয়েছে ফাইবার, যা অন্ত্রনালী থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের হয়ে যেতে সাহায্য করে। এছাড়াও তিসি ক্ষুধা এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।

টক দই
টক দই প্রোবায়োটিকস্‌-এ ভরপুর! এছাড়া এটি স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া সরবারহ করে, যা শরীরে শক্তির যোগান দেয় এবং হজমশক্তি কার্যকর করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। টক দই আপনার পাকস্থলীতে ভালো ব্যাকটেরিয়া নিয়ে আসে, যা শুধুমাত্র হজমশক্তিই বাড়ায় না, বরং ক্ষতিকর সব পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়।

পরামর্শ
লো-ফ্যাট বা একদমই ফ্যাট ছাড়া টক দই খাওয়া এড়িয়ে চলুন। কারণ এসব টক দইতে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই টক দই কেনার সময় অবশ্যই প্যাকেট বা কৌটার গায়ে উপাদানগুলো বিবেচনা করে কিনুন।

গ্রিন টি
আমরা সাধারণত যে চা পান করে থাকি তার চাইতে গ্রিন টি-তে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি থাকে। গ্রিন টি-তে যে ধরনের ক্যাফেইন থাকে তা এই শক্তি যোগানোর পানীয়কে দেয় একটি মূত্রবর্ধক প্রভাব, যা জল ধরে রাখার প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে ফুসকুড়ি উপশম করতে সাহায্য করে।

পরামর্শ
যদিও গ্রিন টি সুস্থ হজমশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং এটি একটি শক্তিশালী পরিষ্কারক-সহায়ক, তবুও দিনে ২-৩ কাপের বেশি গ্রিন টি পান করা ঠিক না।

আদা
আদা কোলনকে যথাযথভাবে কাজ করতে সাহায্য করে এবং শরীর থেকে সব আবর্জনা ও বিষাক্ত অবশিষ্টাংশ বের করে দেয়। এটি পেটের গ্যাস ও বমি বমি ভাবের জন্য দায়ী পরজীবীগুলোকে মেরে ফেলে। এটি যকৃতের সেই এসিড বা ক্ষার তৈরিতে সাহায্য করে, যা আপনার শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখের হাত থেকে রক্ষা করে। এটি হজম প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় রস প্রবাহ নিশ্চিত করে, যা আপনার হজমশক্তিকে অপেক্ষাকৃত বেশি কার্যকরী করতে সক্ষম। স্বাস্থ্যগুণ সম্পন্ন জাদুকরী এই শেকড়টি আপনার বিপাক প্রক্রিয়ার শক্তি এবং যকৃতের কার্যকরিতা বাড়ায়।

পরামর্শ
অনেক উপায়েই আপনি আদা খেতে পারেন। আদা চা পান করতে পারেন, যাতে আরও দিতে পারেন মধু, লেবুর রস। এছাড়াও স্মুদি, সালাদ, স্যুপ এবং রান্না করার সময় বিভিন্ন রেসিপিতে আদা ব্যবহার করতে পারেন।

গাজর
গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে গ্লুটাথায়ন। এটি শক্তিশালী পরিষ্কারক সবজিগুলোর মধ্যে একটি। এতে আরও রয়েছে বেটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ। গাজর সামগ্রিক বা পরিপূর্ণভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কার্যকরী করতে সাহায্য করে।

পরামর্শ
প্রতিদিন গাজর বা অন্য যেকোনো সবজি কাঁচা খেলে (যেগুলো কাঁচা খাওয়া যায়) বা ফ্রেশ সবজির জুস খেলে আপনার শরীরে জমা ক্ষতিকর পদার্থগুলো প্রচুর পরিমাণে বেরিয়ে যাবে। দিনে কয়েকবার খেলে ভালো ফল পাবেন।

শক্তিশালী পরিষ্কারক সবজিগুলোর মধ্যে গাজর একটি; Image Source: rhs.org.uk

শশা
শশার রয়েছে অনেক উপকারিতা। শশা যে শুধুমাত্র আপনাকে হাইড্রেটেড রাখবে, তা-ই নয়; বরং আপনার শরীরকে পরিষ্কার করবে, হজমে সহায়তা করবে এবং যকৃত পরিষ্কার রাখবে। এছাড়াও এটি একটি প্রাকৃতিক ডায়াবেটিক খাবার, যা অপেক্ষাকৃত বেশি মূত্রবর্ধনে সাহায্য করে। এতে করে রক্ত ও পেটে থাকা সব বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায়।

পরামর্শ
সালাদে দেয়া ছাড়াও অফিসে বা বাড়িতে যেকোনো সময় লবণ মাখিয়ে শশা খেয়ে নিতে পারেন। কচি শশা ছোলাসহ খেতে পারেন।


Source: http://somoy24.news/19393/

Pages: [1] 2 3 ... 44