Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - imran986

Pages: [1] 2 3 ... 25
1

গাজর কেবল সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিকরও বটে। শীতকালিন সবজি হলেও প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়।

পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে গাজর সংরক্ষণের পদ্ধতি সম্পর্কে ভারতীয় রন্ধনশিল্পী কুনাল কাপুরের দেওয়া পরামর্শগুলো এখানে দেওয়া হল।

গাজর পরিষ্কারের সঠিক উপায়

গাজর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরে তা ‘কিচেন তোয়ালে’ দিয়ে মুছে নিন। একটা ছুরির সাহায্যে গাজরের ওপরের পাতলা আবরণ তুলে নিতে হবে।

কুনাল জানান, গাজর কখনই উপরের পাতলা আবরণ না তুলে খাওয়া ঠিক না। এতে অনেক ক্ষুদ্র জীবাণু আটকে থাকতে পারে যা পাকস্থলীতে সংক্রমণের সৃষ্টি করে। এছাড়াও, এতে গাজরে ব্যবহৃত সারও থেকে যেতে পারে।

দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করার উপায়

গাজর অনেকদিন সংরক্ষণ করতে চাইলে প্রথমে এর পাতা ছাড়িয়ে ভালো মতো দুএকবার ধুয়ে নিন। এরপর তা একটা প্লাস্টিকের পাত্রে পানিতে ডুবিয়ে রাখুন, খেয়াল রাখতে হবে যেন গাজর পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় থাকে।

বাক্সের ঢাকনা আটকে তা রেফ্রিজারেইটরে সংরক্ষণ করুন।

কুনাল দুইদিন পর পর এই পানি পরিবর্তন করার পরামর্শ দেন। এভাবে গাজর আট থেকে ১০ দিন ভালো রাখা যায়।

কাটা গাজর সংরক্ষণের উপায়
প্লাস্টিক বা কাচের পাত্রে টিস্যু রেখে তাতে কাটা গাজর রাখতে পারেন। পাত্রের মুখ বন্ধ করে রেফ্রিজারেইটরে সংরক্ষণ করুন। তিন-চার দিন পর পর টিস্যু বদলে নিন।

রন্ধন শিল্পী কুনাল বলেন, “গাজর কখনই জিপ লক করে অথবা প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখা ঠিক নয়। কারণ এতে রয়েছে রাসায়নিক উপাদান যা খাবারের সঙ্গে বিক্রিয়া করে আর্দ্রভাব আনে এবং গাজর দ্রুত নষ্ট করে ফেলে।”

ছবি: রয়টার্স।

Source: https://bangla.bdnews24.com/lifestyle/article1793744.bdnews


2


দেশে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মেলার পর আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

কারও মধ্যে জ্বর, গলাব্যাথা, শুকনো কাশি বা শ্বাসকষ্টের মত উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কারও করোনাভাইরাস আক্রান্তের সন্দেহ হলে বা প্রশ্ন থাকলে যোগাযোগের জন্য হটলাইন চালু করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর।


নম্বরগুলো হলো: ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১।

নভেল করোনাভাইরাস এর কোনো টিকা বা ভ্যাকসিন এখনো তৈরি হয়নি। ফলে এমন কোনো চিকিৎসা এখনও মানুষের জানা নেই, যা এ রোগ ঠেকাতে পারে। আপাতত একমাত্র উপায় হল, যারা ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন বা এ ভাইরাস বহন করছেন- তাদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা।

এ ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকতে নিয়মিত সাবান পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া; অপরিষ্কার হাতে নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ না করা; হাঁচি–কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা, মাছ-মাংস ভালোভাবে রান্না করে খাওয়া এবং জনবহুল স্থানে চলাফেরা এড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছে আইইডিসিআর।

4
Human Nutrition / Re: আতা ফলের ১০ গুণ
« on: April 04, 2019, 11:06:01 AM »
Custard Apple is one of my favorite fruit.. :-*

5
Human Nutrition / Re: 12 Foods to Help Fatty Liver Reversal
« on: April 04, 2019, 11:03:16 AM »
Very Informative  :D

7
Nice information...

8

মানুষের জীনবিন্যাস লিপিবদ্ধ করার মধ্যে দিয়ে ক্যান্সারসহ অন্যান্য বংশগত রোগের কারণ-ধরন নির্ণয়ে বাংলাদেশেই প্রতিষ্ঠা হলো ‘জিনোম সিকোয়েন্সিং ল্যাব’।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদে (বিসিএসআইআর) ‘হিউম্যান হোল জিনোম সিকোয়েন্সিং’ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। 

এই ল্যাবের বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে মাত্র ৩ দিনে ৪৮ জন মানুষের জিনের গঠন বৈশিষ্ট্য জানা যাবে বলে বিসিএসআইআর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইয়াফেস ওসমান বলেন, “এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল, বাংলাদেশের মানুষের জিনোমে নতুন ক্যান্সার মার্কারসহ অন্যান্য জেনেটিক রোগের মার্কার খুঁজে বের করা। অজানা রোগ নির্ণয়ও এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে একটি।”

জিনবিন্যাস নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেশ থেকে বহু নমুনা বিদেশে পাঠাতে হওয়ায় বাংলাদেশের রাজস্ব হারানোর কথা বলেন তিনি।

“এই ল্যাব প্রতিষ্ঠার ফলে এখন আর কোটি টাকা খরচ করে যেতে হবে না বিদেশ,” বলেন মন্ত্রী।

এর আগে পাট ও ইলিশের জিআই স্বীকৃতি পেতে বাংলাদেশ থেকে জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়েছিল বিদেশের ল্যাবে।

ইয়াফেস ওসমান বলেন,  “জিনোম সিকোয়েন্স ল্যাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এখন বাংলাদেশেই সে প্রযুক্তি নিয়ে আসা সম্ভব।”

এই ল্যাবের বিশেষজ্ঞরা জানান,  বাংলাদেশের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলো জিনোম সিকোয়েন্সিং থেকে রোগ অনুযায়ী চিকিৎসাধীন ব্যক্তিকে তার উপযোগী ওষুধ প্রয়োগ করতে পারবেন।  অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োগও করা যাবে নিখুঁতভাবে।

বিসিএসআইআরের বিজ্ঞানীরা বলছেন,  “এ প্রযুক্তি শুরু হওয়ার পর চিকিৎসা খাতে সময় ও অর্থ দুইই যেমন বেঁচে যাবে, তেমনিভাবে রোধ করা যাবে জেনেটিক তথ্য পাচারও।“

 জিনোম সিকোয়েন্স ল্যাবের প্রধান মো. সেলিম খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,  “বিসিএসআইআরে সাম্প্রতিক বিশ্বের সবচেয়ে অত্যাধুনিক নোভাসেক-৬০০০ মেশিন দিয়ে প্রাথমিকভাবে মানুষের ক্যান্সার ও বংশগত রোগ সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স করা হবে। এতে খুব সহজে, নির্ভুলভাবে এবং অল্প খরচে যে কোনো জেনেটিক রোগ শনাক্ত করা যাবে।” 
যুক্তরাষ্ট্রের ইলুমিনা প্রতিষ্ঠানের নোভাসেক-৬০০০ মেশিন কিনতে বিসিএসআইআরের খরচ হয়েছে ১৪ কোটি টাকা।

সহজে রোগ শনাক্ত করতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের জেনেটিক রোগের মার্কার বা ধরন ও লক্ষণের সঙ্গে দেশের রোগীদের জেনেটিক রোগের মার্কারগুলো মিলিয়ে একটি মাইক্রো চিপে তথ্যাগার করা হবে। 

সেলিম খান বলেন, “প্রতি জন মানুষের সাড়ে ৩ টেরাবাইট ডেটা প্রডিউস হয়। সেক্ষেত্রে এই মেশিনে ১৬৮ টেরাবাইট ধারণ করা যাবে।”

এ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম রিসার্চ ল্যাবের প্রধান মাকসুদ হোসেন।

নোভাসেকের মাধ্যমে জিনোম সিকোয়েন্সের মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসাতেও পরিবর্তন আসবে বলে মনে করেন তিনি।

মাকসুদ  বলেন, “ হিউম্যান জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের পাশাপাশি আমরা ব্যাকটেরিয়ারও সিকোয়েন্সিং করতে পারব। তখন অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা আরো স্পেসিফিক হবে।”

এখন  রোগীর শরীরে গড়পড়তা অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, ”আলাদাভাবে  জিনোম সিকোয়েন্স পেলে তার জন্য অ্যাপ্রোপ্রিয়েট অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা সম্ভব হবে, পার্সোনালাইজ মেডিসিন প্রয়োগ করাও সহজতর হবে।”

প্রাথমিক ধাপে সেলিম খান ও তার ছয় সহযোগী ক্যান্সার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ৪০ জন ব্রেস্ট ক্যান্সারের প্রাথমিক রোগী নিয়ে তারা কাজ শুরু করেছেন।

মঙ্গলবার তাদের রিসার্চ ল্যাবে ২০ জন রোগীর জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের কাজও তারা শুরু করেছেন।

এই রোগীদের রক্ত সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্স বার করার কাজ শুরু করেছেন তারা।

সেলিম খান বলেন,  “তাদের মধ্যে  আমরা যদি ক্যান্সারের কোনো ইউনিক মার্কার পেয়ে যাই, তাহলে অন্যান্য ক্যান্সার নির্ণয়ও আমাদের জন্য সহজতর হবে।”

এই রিসার্চ ল্যাবে যে কেউ জিনোম সিকোয়েন্স করাতে চাইলে খরচ হবে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা।  তবে ৪৮ জন রোগীর জিনোম সিকোয়েন্স এক সঙ্গে করলে ব্যক্তিগত খরচ হবে প্রায় দুই লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ল্যাব কর্তৃপক্ষ।

বিসিএসআইআরের ল্যাবে আনা এই নোভাসেক মেশিনের মাধ্যমে মানুষের জিনোম সিকোয়েন্স করা গেলেও উদ্ভিদ ও অন্যান্য জীবজন্তুর জিনোম সিকোয়েন্স বের করতে প্রয়োজন হবে আলাদা প্রযুক্তির।

ল্যাব প্রধান সেলিম খান বলেন, বিসিএসআইআরে জিনোম রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে সেখানে আলাদা ইউনিটে উদ্ভিদ ও অন্যান্য জীবজন্তু নিয়ে কাজ করবেন তারা।

https://bangla.bdnews24.com/science/article1582674.bdnews

9

সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য দিনে যে পরিমাণ শারীরিক কর্মকাণ্ড করতে হয়, তা বাংলাদেশের প্রতি পাঁচটি শিশুর মধ্যে তিনটিই করছে না বলে একটি সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি অ্যান্ড হেলথ সাময়িকীতে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাত দিনের এই সমীক্ষা চলাকালে ১৩ থেকে ১৭ বছরের শিক্ষার্থীদের মাত্র ৪১ দশমিক ৪ শতাংশকে প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে। 

শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের জন্য প্রতি দিন এই পরিমাণ শারীরিক কর্মকাণ্ড করা উচিত বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থারও পরামর্শ রয়েছে।

গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ায় ‘২০১৮ বাংলাদেশ রিপোর্ট কার্ড অন ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি ফর চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়ুথ’ শিরোনামে সমীক্ষা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এই প্রথম শিশুদের জীবনাচরণ নিয়ে বৈশ্বিক গবেষণায়  বাংলাদেশের শিশু ও তরুণদের বিষয়টিও উঠে এসেছে।

সমীক্ষা প্রতিবেদনের লেখকরা বলছেন, শিশু-তরুণদের এই জীবনাচরণ জনগণের স্বাস্থ্য সমস্যায় ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলছে এবং বাংলাদেশে বিষয়টিকে অগ্রাধিকারের তালিকায় নেওয়া জরুরি। 

এই প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে এ বিষয়ে সচেনতনতা, সোচ্চার হওয়া, সহায়ক পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন গবেষকরা। এগুলো করা হলে অভ্যাসের পরিবর্তনের মাধ্যমে শিশু-তরুণদের শারীরিক কর্মকাণ্ড তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠবে বলে মনে করেন তারা। 

যাতায়াতে শারীরিক পরিশ্রম, স্কুলে স্কুলে খেলাধুলার আয়োজন, এলাকায় খেলাধুলার ব্যবস্থা, জাতীয়ভাবে শারীরিক কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

গবেষক দলের প্রধান আসাদ খান বলেন, এগুলোর পাশাপাশি অ্যাক্টিভ লাইফস্টাইল নিয়ে একটি জাতীয় নীতি প্রণয়ন এবং তার যথাযথ বাস্তবায়নের উদ্যোগ ও তদারকিও গুরুত্বপূর্ণ।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক আসাদ খান ‘অ্যাক্টিভ হেলদি কিডস বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান। এই সংগঠনই অ্যাক্টিভ হেলদি কিডস গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের সঙ্গে মিলে বাংলাদেশের শিশুদের নিয়ে ওই প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

তাদের প্রতিবেদনের সারাংশই ‘ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি অ্যান্ড হেলথ’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

শারীরিকভাবে সক্রিয় হওয়া শুধু ইচ্ছার বিষয় নয়, তা জীবনের জন্যই প্রয়োজন।

অ্যাক্টিভ হেলদি কিডস গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের সভাপতি মার্ক ট্রেম্বলে এক বিবৃতিতে বলেছেন, শারীরিকভাবে সক্রিয় না থাকা শিশুরা শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে সমস্যায় পড়ার ঝুঁকিতে থাকে। সে কারণে সবাইকে এ বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত।

“এই প্রজন্মকে বহু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্বায়ন এবং দ্রুত প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে তাদের খাপ খাইয়ে নিতে হবে। তাই তাদের স্বাস্থ্যবান ও ভিন্ন পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে সক্ষম হওয়ার জন্য শারীরিকভাবে সক্রিয় হতে হবে, যাতে তারা পরিবর্তনশীল বিশ্বে টিকে থাকতে ও সফল হতে পারে।”

https://bangla.bdnews24.com/health/article1566756.bdnews

10


বিশ্বজুড়ে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। বর্তমানে বিশ্বে ৪০ কোটি ৬০ লাখ মানুষ টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।

২০৩০ সাল নাগাদ এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৫১ কোটি ১০ লাখে। যার অর্ধেকের বেশিই ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা হবেন বলে ধারণা প্রকাশ করেছেন গবেষকরা।

‘দ্য লানসেট ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ডোক্রাইনোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সাল নাগাদ চীনে ১৩ কোটি, ভারতে নয় কোটি ৮০ লাখ এবং যুক্তরাষ্ট্রে তিন কোটি ২০ লাখ মানুষ টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবেন।

ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের তথ্য এবং আরও ১৪টি গবেষণার ফল বিশ্লেষণ করে গবেষকরা এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছেন।

গবেষকদের একজন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সঞ্জয় বসু বলেন, “আগামী ১২ বছরে বয়স, নগরায়ন এবং খাদ্যাভাস ও কায়িক শ্রমের অভ্যাসে পরিবর্তনের কারণে প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়া আশেঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাবে।”

https://bangla.bdnews24.com/world/article1563506.bdnews

11
Informative post.

12
Clinical Nutrition / Re: Fast Facts About Malnutrition
« on: February 26, 2019, 01:36:31 PM »
Informative post.

13
I always try to follow...

15
Such an informative post.

Pages: [1] 2 3 ... 25