Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - zonaydorrahman

Pages: [1] 2 3
1
সত্যি খুব দরকার প্রবীণ জনগোষ্ঠী

2
Common Forum/Request/Suggestions / গল্প । চোর ।
« on: August 08, 2020, 04:44:04 PM »
নামঃ "চোর"
তারিখঃ ৭৮২০২০
স্থানঃ ঢাকা

দুপুরের খাবার শেষ করে টিভি দেখছিলো আজহালের বাবা মনির, হঠাৎ করেই টিভিটা বন্ধ হয়ে গেলো আর চলছেনা। মনে মনে ভাবছে আর বিড়বিড় করছে, টিভি খানা মনে হয় গেলো আর সমস্যা দেখা দেবেইনা কেনো বছর চারেক তো হলো এখন একটু রিপেয়ার দরকার। এই ভাবনা শেষ হতে না হতেই আবার বিড়বিড় করতে লাগলো চার বছর তাতে কি মানুষের জিনিস তোহ যুগ ধরে চলে, আমার সাথেই কেনো এমন হবে টিভি ফ্রিজ সবকিছু দিন না গড়াতেই সমস্যা দেখা দেয়, উপরওয়ালা মনে হয় রেগে আছেন।

ভাবতে ভাবতে মোবাইল রিমোট দিয়ে চেক করতেই অন হয়েগেলো টিভি। তখন বোঝা গলো বাসার টিভির রিমোট খানা নষ্ট হয়ে গেছে। আর হবেইনা কেনো সারাদিন আজহাল এটাকে বল হিসাবে খেলা করে, বেচারা এতোদিন যে কিভাবে ঠিক ছিলো কে জানে। যাক অন যখন হলো তখন একটু টিভি দেখি এই মনে করে বসে দেখতে দেখতে আসরের আজান দিয়ে দিলো আবার একটু  টয়লেট চেপেছে। টিভিটা বন্ধ করে মনির সাহেব নিজের বেডরুমের বাথরুমের দিকে গেলেন। রুমে গিয়ে দেখলেন তার সহধর্মিণী কম্পিউটারে কাজ করছেন, মনির সাহেব পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে খানিকটা শুকনো খুনসুটি করে বাথরুমে গেলেন এবং সব সেরে একবারে অজু করে বের হলেন। তারপর আসরের নামাজ পড়ে আজহালকে ডাকলেন, কোথায়রে বাবা? আজহাল মনির সাহেবের একমাত্র ছেলে তিন বছরে পড়লো কথা এখনো স্পষ্ট নয় দু'চারটে শব্দ বাদে এই যেমন বাবা দাদু মা। বাবার ডাকে দৌড়ে এলো আজহাল। চলো বাবা আমরা বাইরে যাবো টিভির রিমোট কিনতে। আজহালকে তার বাইকের সামনে বসিয়ে রওনা দিলো বাজারের দিকে।

ধীরে ধীরে বাবা আর ছেলে পৌঁছে গেলো বাজারে। বাজারের রহিম ইলেক্ট্রনিক্স এর সামনে গিয়ে বাইকটা রাখলেন রাস্তার পাশেই। আজহালকে বাইকে বসিয়ে মনির সাহেব বললেন বাবা তুমি বসো আমি রিমোট টা নিয়ে আসি। এই বলে আজহালকে বসিয়ে বাইকের চাবি
না নিয়েই দোকানের দিকে গেলেন মনির সাহেব। দোকানে না পৌঁছাতে ছেলের কান্নার আওয়াজ শুনতে পেলো, পেছনে ফিরে দেখে আজহাল
রাস্তায় পড়ে আছে আর বাইক খানা নিয়ে ছুটছেন চোর মহাশয়। মনির সাহেব দৌড়ে গিয়ে ছেলেকে রাস্তা থেকে সরিয়ে রেখে চোরের পেছনে ছুটতে লাগলো। আজহাল বাবাকে ছুটতে দেখে সেও বাবার পেছনে ছুটতে লাগলো আর বাবা বাবা করে ডাকতে লাগলো। আর এ সময় একটা সিএনজি যাচ্ছিলো রাস্তা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে ছোট্ট আজহালকে ধাক্কা দিয়ে চলে গেলো। ছিটকে পড়েগেলো আজহাল, বন্ধ হয়ে গেলো বাবা বাবা ডাক। মুহূর্তেই মানুষের ভীড় জমে গেলো। চোরকে না পেয়ে ছেলেকে নিতে দৌড়ে ফিরে আসে মনির সাহেব, এসে ছেলেকে খোঁজে এদিক ওদিক। হঠাৎ চোখ যায় ভীড়ের দিকে, বুকের ভেতরে মনে হয় একটা বেথা শুরু হয়, শরীরে ঘাম ঝরতে শুরু করে। ছুটে যায় ভীড়ের দিকে, মানুষ ঠেলে ভেতরে তাকাতেই বাবা বলে চিৎকার আসে ভেতর থেকে। সবার দৃষ্টি এখন মনির সাহেবের দিকে। ছেলেকে কোলে তুলে কিছু না ভেবে শুধু দৌড়াতে থাকে হাসপাতালের দিকে। শরীরের ঘাম চোখের জল সব মিশে সিক্ত হয়েছে শরীর। ঠান্ডা হয়ে গেছ হাত পা তবুও ছুটে চলেছে হাসপাতালের দিকে।

ইমার্জেন্সিতে ঢুকে কান্নার জন্য কিছু বলতে পারছে না, মনির সাহেব না বলতে পারলেও ডাক্তার বুঝেছেন তার অভিবেক্তি। ডাক্তার তাদের কাজ শুরু করেছেন মনির
সাহেবকে সামনে বসতে বলে। ডাক্তারের গতিবিধি দেখে ভালো মনে হচ্ছে না, মনির সাহেবকে বল্লেন আপনি ভর্তির ব্যাবস্থা করেন। এই বলে ডাক্তার ওটিতে গেছেন আর মনির সাহেব ভর্তির কাউন্টারে। মনির সাহেবের চোখের পানি যেনো বৃষ্টির মতো ঝরছে, ছেলের নামটাও বলতে পারছেনা ভর্তি কাউন্টারে। সময় যেনো আর কাটেনা এমন করে করে আধা ঘন্ট পর ডাক্তার এসে বললো আল্লাহর রহমতে আপনার ছেলের প্রানের ঝুঁকি কেটেগেছে।


গল্পটি দর্পণ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় 8/8/2020 তারিখে লিংক: https://www.darpanpatrika.com/2020/08/blog-post_13.html

3
আমেরিকার বোস্টনে ১৯৮৬ সালে একটি অদ্ভুত পরীক্ষা করা হয় ৷ এক ফাঁসির আসামীকে ফাঁসির সাজা শোনানো হলো ৷ কতিপয় বিজ্ঞানী সে আসামীর উপর একটি পরীক্ষা করার প্রস্তাব করলেন । কয়েদীকে শোনানো হলো ফাঁসির বদলে তোমাকে বিষাক্ত কোবরা সাপ দংশন করিয়ে হত্যা করা হবে।

কয়েদীকে চেয়ারে বসিয়ে তার হাত-পা বেঁধে দেয়া হলো, তারপর তার চোখে পট্টি বেঁধে বিষাক্ত কোবরা সাপ না এনে তার বদলে দুটি সেফ্টি পিন ফুটানো হলো। ফলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কয়েদির মৃত্যু হলো ৷ পোস্টমর্টেম রিপোর্টে দেখা গেল সাপের বিষ রয়েছে তার শরীরের মধ্যে। প্রশ্ন হলো এই বিষ কোথা থেকে এলো, যা ঐ কয়েদীর প্রাণ কেড়ে নিল ৷

বলা হয় সেই বিষ তার নিজের শরীর থেকেই উৎপত্তি হয়েছিল।আমাদের সংকল্প থেকে positive এবং negative এনার্জির সৃষ্টি হয়। আর সে এনার্জি আমাদের শরীরে হরমোনের উৎপত্তি করে ৷ ৭৫% রোগের মূল কারণ হলো আমাদের negative চিন্তাধারা। মানুষ নিজের চিন্তাধারা থেকে ভস্মাসূর হয়ে নিজ প্রজাতিকে বিনাশ করছে।

আপনার চিন্তাধারা সর্বদা positive রাখুন এবং খুশী থাকুন। ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত আমরা ভাবি যে ‘মানুষ কি মনে করবে ! ৫০ বছর আমরা ভয় পাই ‘মানুষ কি ভাববেন!‘ ৫০ বছর পরে আমরা বুঝতে পারি ‘কেউ আমার কথা চিন্তাই করেনি৷‘ কিন্তু তখন তেমন কিছু করার থাকে না!

(collected)

4
অনলাইনে অর্থ আয়ের মাধ্যমে মানুষের উৎপাদনশীলতা (Productivity) দিনে দিনে কমে যাচ্ছে।

গতকাল এক ছাত্রের সাথে কথা হলো, সে আর তার কিছু বন্ধু মিলে বর্তমান বাংলাদেশের একটা স্বনামধন্য অনলাইন শপে কাজ করতো একেবারে প্রথম দিক থেকে।
২০১৪ সালের ছাত্র এতোদিনে পড়াশোনা শেষ হবার কথা, কিন্তু সে এক সেমিস্টার পড়ে আর পড়াশোনা করেনি কারন সে অনলাইনে কাজ করছে আর মাসে হাজার বিশের একটা এমাউন্ট সে আয় করছে তাও আবার ঘরে বসে। কাজের গতির সাথে দিনে দিনে এই অংক ফুলে ফেঁফে  বট গাছ হবে এই আসায় বাস্তবতাকে ভুলে কাজ করে গেলো, পড়াশোনা গেলো গোল্লায়। একটা সময় দেখাগেলো সে তারা প্রতিষ্ঠানের জন্য অযোগ্য,
কারন.. . .
বয়স এবং পজিশন কাজের পরিধিকে বড় করে ঠিকি, তবে তা হলো বুদ্ধিবৃত্তিক পরিধি। আর বুদ্ধির বিকাশ কেবল পড়াশোনা ধারাই সম্ভব। প্রতিষ্ঠানের এই চাহিদাতে এসে সে বাদ পড়ে যায়।

এখন না তার কাছে কোন পড়ার সুযোগ আছে, না আছে বাস্তব কর্মজীবনের কোন ধারনা, সে তা হলে কিসে পরিণত হলো?

সে এখন পরিনত হলো হাত পা যুক্ত একজন পঙ্গু মানব।

6
Common Forum/Request/Suggestions / বিজয়
« on: January 23, 2019, 06:46:11 PM »



বিজয়
(16/12/2012)

আজ বেজে উঠেছে বিজয়ের ঘণ্টা
কিন্তু সত্যিই কি আমরা বিজয়ী ?
আসলে আমরা বিজয়ে নয় দ্বিধার মাঝে আছি
সত্যি হয়তো জানিনা সত্তিকারের বিজয় কি।
বিজয় কি শুধুই কাগজের পাতায় আর ভূখণ্ডের সিমানায়,
এর নামই কি বিজয়?
সালাম বরকত রফিক জব্বারের ভাষা আন্দলন
শুধু কি ইতিহাসের কাগজে সাজানোর তরে?
একাত্তরের সে প্রান নাশী রক্ত ক্ষয়ী যুদ্ধ
শুধু কি ভূখণ্ডের সীমানা দখলে?
বিজয়ের অর্থ সীমাবদ্ধতা কিংবা ইতিহাসের পাতায় নয়
বিজয়ের অর্থ নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে,
সে বিজয় কাঙ্ক্ষিত, সে বিজয় প্রত্যাশিত। 


8
 8) 8) 8)

9
Thank you for your response

10
Good Step for dropped citizens. One at a time this is a moral religious and humanitarian act.

11
A standard work means the most Efficient Method to perform a service at a balanced flow to achieve a desired output. An experienced person can make a standard work. Here i just explain about "efficient method"

Efficient Method: Efficient method means perfection in every part of work by its available resource. an experienced person can go with the efficient method. May you think freshers or new graduate why not?
Let's explain;
We know that any business graduate can prepare an Annual Accounts of any organization but he/she can't furnished it according to the practical perfection work. Because new graduate don't know the depth of transaction and don't know the future practical effect of transaction. so he only can prepare an annual accounts but he can't go with the efficient method. if we explain it more details
Suppose: Computer purchase; Generally it can  present as Office equipment Expenses/IT Development Expenses/Networking system Expenses.
Here new graduate present it according to general accounting law as Office equipment Expenses, but an experienced person treat it as IT Development Expenses.
Because under the head of "IT Development Expenses" organization benefited by two way; 1st Get 15% vat rebate, 2nd Expense will be modified by this.

We need freshers/new graduates for formulated job but for perfection we need well experienced person.

12
Time Management / Re: 21 Time Management Tips to become Successful
« on: May 06, 2018, 01:08:03 PM »
Get an early start
it is the most important point i think

13
Time Management / Re: Time management to be successful
« on: May 06, 2018, 01:05:34 PM »
Good Post

14
আমার মনে হয় কাজে সময় বাড়ালে সব ঠিক হয়ে যাবে।

Pages: [1] 2 3