Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Topics - Esrat

Pages: [1] 2 3 4
EEE / Did We Go to the Moon?
« on: April 07, 2015, 06:01:25 PM »
Forty five years ago, two Americans touched down on the moon and walked upon its surface. Now, NASA is trying to do it again with Constellation, an ambitious project to return humans to the moon by 2020.

But if NASA could do it in the eight years between President John F. Kennedy's 1961 speech that led to the historic first lunar landing of Apollo 11 on July 20, 1969, some wonder why it is so difficult to go back? By 2020, 16 years will have passed since NASA launched its new moon-bound vision in 2004.
For one thing, the goal this time around is significantly expanded from last time.

10 reasons for the Apollo landings were 'faked'

1) When the astronauts are putting up the American flag it waves. There is no wind on the Moon.
2) No stars are visible in the pictures taken by the Apollo astronauts from the surface of the Moon.
3) No blast crater is visible in the pictures taken of the lunar landing module.
4) The landing module weighs 17 tons and yet sits on top of the sand making no impression. Next to it astronauts’ footprints can be seen in the sand.
5) The footprints in the fine lunar dust, with no moisture or atmosphere or strong gravity, are unexpectedly well preserved, as if made in wet sand.
6)When the landing module takes off from the Moon’s surface there is no visible flame from the rocket.
7) If you speed up the film of the astronauts walking on the Moon’s surface they look like they were filmed on Earth and slowed down.
8) The astronauts could not have survived the trip because of exposure to radiation from the Van Allen radiation belt.
9) The rocks brought back from the Moon are identical to rocks collected by scientific expeditions to Antarctica.
10) All six Moon landings happened during the Nixon administration. No other national leader has claimed to have landed astronauts on the Moon, despite 40 years of rapid technological development.

Departments / Flexible work hours improve overall health
« on: January 29, 2015, 02:29:11 PM »

Giving employees flexible work hours help curb sleep deficiency and improve overall health, researchers report.

"In the absence of sufficient sleep, we are not as attentive or alert, process information more slowly, miss or misinterpret social and emotional cues and decision making is impaired," said Orfeu M. Buxton, associate professor of biobehavioral health at Pennsylvania State University.

For example, we may misjudge risks by undervaluing negative consequences and overvaluing potential rewards, he added.

Buxton and colleagues looked to see if a workplace intervention, designed to increase family-supportive supervision and give employees more control over their work time, improved sleep quantity and quality.

The researchers followed 474 employees, with nearly half of the employees serving as the control while the other half experienced the study intervention.

The intervention was designed to reduce conflicts between work and personal life and focused on two main cultural shifts: allowing employees to decide on when and where they worked and training supervisors to support their employees' personal lives.

Those who were assigned to the intervention were encouraged to be completely flexible about when and where they would work - at the office, from home or elsewhere - while still working the same number of hours as the control group.

Six months after the program began, the researchers observed work-related variables that they hoped to change with the intervention.

A year after the intervention, Buxton and colleagues followed up to observe outcomes, including changes in the amount and quality of sleep employees were getting.

"We showed that an intervention focused on changing the workplace culture could increase the measured amount of sleep employees obtain, as well as their perception that their sleep was more sufficient," Buxton added.

At 12 months, the researchers found that employees who participated in the intervention experienced an average of eight minutes more sleep per night, which is nearly an hour more sleep per week.

"Work can be a calling and inspirational but it should not be detrimental to health," Buxton noted.

The results were published in the journal Sleep Health.

EEE / Zebra's stripes function like air coolers
« on: January 29, 2015, 02:27:11 PM »
The distinctive monochrome fur pattern in zebras keep the animals cool under the hot African sun, shows a recent study.

The differences in the way the dark and light fur absorb and give off heat create refreshing currents of air that regulate the animals' temperature, the Daily Mail reported.

Scientists from the University of California in the US compared the stripes of zebras from 16 different sites with their living conditions.

A clear link was revealed between temperature and coat pattern, with zebras from the hottest areas having bodies with most stripes.

Earlier, it was thought the stripes' main function is to create an optical illusion that dazzles lions.

"It was argued that the stripes act as camouflage by making the animals harder to spot in woodland light," the scientists said.

EEE / Scientists find protein in coffee with effect like morphine
« on: January 29, 2015, 02:24:36 PM »
Researchers at the University of Brasilia (UnB) and Brazil's state-owned agriculture and livestock research company Embrapa have discovered a protein in coffee with effects similar to morphine.

Embrapa's genetics and biotechnology resources division and the UnB successfully "identified previously unknown fragments of protein -- peptides -- in coffee that have an effect similar to morphine, in other words they have an analgesic and sedative activity," a statement from Embrapa said Saturday.

Those peptides, it said, "have a positive differential: their effects last longer in experiments with laboratory mice".

The two institutions applied for patents to Brazilian regulators for the seven "opioid peptides" identified in the study.

The discovery of the molecules came about through the doctorate research work of Felipe Vinecky of the molecular biology department at UnB, who with the consultation of Embrapa was looking to combine coffee genes to improve the quality of the grain.

The study was also supported by France's Centre for International Cooperation on Agricultural Research and Development, or CIRAD.

সূর্যের আলোর শক্তির ওপর ভিত্তি করে মহাকাশে পাল তোলা যান চলবে— রকেটবিজ্ঞানীরা বহুদিন ধরেই এমন স্বপ্ন দেখছেন। এবার তাকে বাস্তব রূপ দেওয়ার চেষ্টা করবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান দ্য প্ল্যানেটারি সোসাইটি। তারা আগামী মে মাসে প্রথমবারের মতো সৌরশক্তিনির্ভর পাল তোলা ছোট্ট একটি যান পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠাবে। গত সোমবার এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
পরীক্ষামূলক ওই যাত্রায় সৌরচালিত যানগুলোর সঙ্গে থাকবে অ্যাটলাস ফাইভ রকেটে যুক্ত ছোট আকারের একাধিক স্যাটেলাইট। প্ল্যানেটারি সোসাইটির প্রধান নির্বাহী উইলিয়াম স্যানফোর্ড নি এবং তাঁর সহযোগী গবেষকেরা জোরালোভাবে বিশ্বাস করেন, তাঁদের এবারের প্রচেষ্টা এক গ্রহ থেকে আরেক গ্রহে বিভিন্ন অভিযান চালানোর ব্যাপারে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।
আলোর কণা ফোটন যখন কোনো চকচকে পৃষ্ঠতলে ঠিকরে ফিরে আসে, সেগুলো ওই পৃষ্ঠতলে বাড়তি গতিবেগের জোগান দেয়। পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল ১৮৬০-এর দশকে আলোর ওই প্রতিক্রিয়া একটি সমীকরণের মাধ্যমে দেখিয়েছিলেন। এটি তড়িৎ-চুম্বকতত্ত্বের সমীকরণ নামে পরিচিত। সুপরিচিত বিজ্ঞান কল্পকাহিনি রচয়িতা জুল ভার্ন সম্ভবত সবার আগে বুঝতে পেরেছিলেন, আলোর ওই শক্তিকে মহাকাশ অভিযানে কাজে লাগানো যেতে পারে। বড় একটি ক্ষেত্রের ওপর অনবরত সূর্যালোক পড়তে থাকলে সেই শক্তির সাহায্যে ধাপে ধাপে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে একটি মহাকাশযান চালানো সম্ভব।
প্ল্যানেটারি সোসাইটির ছোট্ট যানটির নাম লাইটসেইল। এটি আকারে প্রায় একটা পাউরুটির সমান। পৃথিবীর কক্ষপথে এটি এক মাস ধরে পরীক্ষাধীন থাকবে। তারপর এটি ১৩ ফুট লম্বা চারটি দণ্ড এবং অত্যন্ত পাতলা চারটি ত্রিকোণ প্লাস্টিক পাত (মাইলার) মেলে ধরবে। এভাবেই ছোট্ট যানটি তৈরি করবে প্রায় ৩৪৫ বর্গফুটের একটি বর্গাকার পাল।
লাইটসেইলের পাল গঠন এবং অন্যান্য সামর্থ্য ঠিক আছে কি না—মে মাসে আসন্ন অভিযানটির সময় যাচাই করা হবে। কিন্তু এটি ঠিক কতটা উচ্চতায় উড়বে, প্ল্যানেটারি সোসাইটির বিজ্ঞানীরা জানাতে পারেননি। কারণ, অ্যাটলাস ফাইভ রকেট মূলত যাত্রা করবে একটি স্যাটেলাইট পরিবহনের উদ্দেশ্য নিয়ে। লাইটসেইলের পালে যে পরিমাণ বাতাস বাধা পাবে, তার মোট পরিমাণ হবে আলোর চাপের চেয়ে বেশি। তারপর একপর্যায়ে সৌরশক্তিনির্ভর যানটি কক্ষপথের বাইরে ছিটকে পড়বে এবং কয়েক দিনের মধ্যেই ধ্বংস হবে।
পরের বছর ফ্যালকন হেভি রকেটে করে আরেকটি (দ্বিতীয়) লাইটসেইল পাঠানো হবে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪৫০ মাইল উচ্চতায়। আর সেটিই হবে পৃথিবীর কক্ষপথে কোনো সুনিয়ন্ত্রিত সৌরযানের চলাচলের প্রথম প্রদর্শনী। স্যানফোর্ড নি বলেন, প্রতিটি কক্ষপথে পাল তোলা নৌকার মতো সৌরচালিত যান স্থাপন করাই তাঁদের চূড়ান্ত লক্ষ্য। প্রতিটি লাইটসেইল তৈরিতে খরচ পড়েছে ৪০ লাখ মার্কিন ডলারেরও কম।
মহাকাশে বড় বড় পাল তোলা যান চালানোর ক্ষেত্রে নানামুখী সমস্যা রয়েছে। তাই প্ল্যানেটারি সোসাইটির গবেষকেরা কিউবস্যাট নামের নতুন প্রজন্মের ছোট ও সাশ্রয়ী স্যাটেলাইটের আদলে ছোট আকারের লাইটসেইল তৈরি করেছেন।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থাও (নাসা) সৌরচালিত পাল তোলা যানের ব্যাপারে আগ্রহী। আর জাপান ইতিমধ্যে আন্তঃগ্রহ অভিযাত্রায় একটি সৌর পাল পাঠিয়েছে। তাদের ইকারোস নামের মহাকাশযানটি ২০১০ সালের মে মাসে যাত্রা করে শুক্র গ্রহের কাছাকাছি পৌঁছায়।
নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী রবার্ট এল স্টায়েহ্ল বলেন, সৌরশক্তিচালিত যানগুলো ব্যবহার করলে জ্বালানি খরচ কমবে। এতে ১০ কোটি ডলারেরও কম খরচে সূর্য পর্যবেক্ষণ অভিযান চালানো সম্ভব, যা কিনা প্রচলিত পদ্ধতির ৫ ভাগের ১ ভাগ।
বিভিন্ন গ্রহ ছাড়াও দূর নক্ষত্রগুলোতে এ ধরনের সৌরযান পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সূর্যালোক অপর্যাপ্ত হলে শক্তিশালী লেজার রশ্মি ব্যবহার করে পাল তোলা যান চালানোর সম্ভাব্যতাও খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা।

মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক। জীবনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক সব ধরনের ঘটনাই ফেসবুকের মাধ্যমে উন্মুক্ত করে দিচ্ছেন ১৩৫ কোটি ব্যবহারকারী। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা এক গবেষণা করে দেখেছেন, জীবনের ইতিবাচক ঘটনাগুলো ফেসবুকে পরোক্ষ ও নেতিবাচক ঘটনাগুলো প্রত্যক্ষভাবেই বিনিময় করছেন অধিকাংশ ফেসবুক ব্যবহারকারী। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে আইএএনএস।
জীবনের ইতিবাচক ঘটনাগুলোর ছবি, চাকরি পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো পরোক্ষভাবে ফেসবুকে জানাচ্ছেন আর নেতিবাচক অভিজ্ঞতাগুলো বিস্তারিত হালনাগাদ স্ট্যাটাস বা ওয়াল পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরছেন।
ক্যালিফোর্নিয়ার চ্যাপম্যান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জীবনের প্রেম, বিরহ, স্বাস্থ্য, কাজ ও শিক্ষার বিষয়গুলো কীভাবে ফেসবুকে আসে তা জানতে এই গবেষণা চালান। তাঁরা দেখেছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয় ফেসবুকে দেওয়ার সময় সেটি ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক, সে বিবেচনা থেকে পোস্ট করেন।
‘সাইবারসাইকোলজি, বিহেভিয়র অ্যান্ড সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা সংক্রান্ত নিবন্ধ। গবেষক জেনিফার বেভান ও তাঁর সহকর্মীরা ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জীবনের নির্দিষ্ট ঘটনার ওপর আলোকপাত করে এই গবেষণা চালিয়েছেন।

ফেসবুকে তথ্য বিনিময় প্রসঙ্গে সাইবার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, ‘ফেসবুকে কী শেয়ার করা হচ্ছে, সে বিষয়টি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা উচিত। এ ছাড়া তথ্য বিনিময় করার আগে প্রাইভেসি বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টিও নিশ্চিত করে রাখা ভালো। ’

ধূমকেতুতে বিস্ময়করভাবে কিছু সাধারণ জৈব অণুর প্রলেপ এবং গ্যাসের পরিবর্তনশীল স্তর খুঁজে পেয়েছে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার (ইএসএ) মহাকাশযান রোসেটা। ধূমকেতু প্রদক্ষিণকারী মহাকাশযানের এই আবিষ্কারের ফলে প্রাচীন মহাজাগতিক কাঠামোটির গঠন ও উৎস নিয়ে নতুন প্রশ্নের উদে৶ক হয়েছে।
রোসেটার বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, সিক্সটিসেভেনপি নামের ধূমকেতুটির বরফপূর্ণ উপাদানগুলো কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, সেই রহস্য তাঁরা সম্ভবত ভেদ করতে পেরেছেন। ধূমকেতুটির পৃষ্ঠতলের নতুন নতুন ছবি দেখে মনে হচ্ছে, সেখানকার পিণ্ড আকৃতির জিনিসগুলোই কাঠামোটির মূল গাঠনিক উপাদান।
এই ব্যাখ্যা সত্যি হলে তা নিঃসন্দেহে এক বড় আবিষ্কার বলে গণ্য হবে। এই গবেষণার প্রতিবেদন সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। ১০ বছরব্যাপী যাত্রা শেষে রোসেটা গত আগস্টে সিক্সটিসেভেনপি/চুরিয়ুমভ-গেরাসিমেঙ্কো নামের ধূমকেতুতে পৌঁছায়। দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার লক্ষ্যে রোসেটা থেকে ফিলে নামের একটি ছোট নভোযান গত নভেম্বরে ওই ধূমকেতুর পৃষ্ঠে অবতরণ করে।
প্রায় ৪৬ লাখ বছর আগে সৌরজগতের গ্রহগুলো সৃষ্টির পর ধূমকেতুগুলো উচ্ছিষ্ট হিসেবে রয়ে যায় বলে ধারণা করা হয়। রোসেটার অভিযানের উদ্দেশ্য হচ্ছে ধূমকেতু নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে সৌরজগৎ সৃষ্টির প্রাথমিক দিনগুলো নিয়ে অনুসন্ধান চালানো। ফিলের গবেষণাকাজ আপাতত স্থগিত রয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সাতটি নিবন্ধে সিক্সটিসেভেনপিতে রোসেটার প্রথম দুই মাসের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, ধূমকেতুটির ভর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) ভরের তুলনায় প্রায় ১০ কোটি গুণ বেশি। ওই ধূমকেতুতে রয়েছে বালিয়াড়ি ও ঢেউয়ের চিহ্ন। আরও আছে বরফ এবং বিপুল পরিমাণ হাইড্রোকার্বন।
ধূমকেতুটির পৃষ্ঠে আরও কার্বনসমৃদ্ধ উপাদান পাওয়া যাবে বলে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন। আর সেখানে সাধারণ হাইড্রোকার্বনের অস্তিত্ব পাওয়ার ফলে সেগুলোর উৎস নিয়ে নতুন কৌতূহল তৈরি হয়েছে। জৈব উপাদানগুলো কীভাবে সৃষ্টি হলো এবং সৌরজগতের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ল, তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা। প্রথমে তাঁদের খুঁজে বের করতে হবে, কালের বিবর্তনে ধূমকেতুটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। সিক্সটিসেভেনপি এখন সূর্যের দিকে ধাবমান।
ধূমকেতুটির শরীর থেকে নিঃসৃত বিভিন্ন গ্যাসে ইতিমধ্যে নানাবিধ বৈচিত্র্য খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। রোসেটার বিজ্ঞানী এবং যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের সাউথওয়েস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষক মার্থা হ্যাসিং বলেন, বিভিন্ন ঋতুতে রোসেটার পরিবর্তন সম্পর্কেও পরে জানা যাবে। আর এই গবেষণার মাধ্যমে ধূমকেতুর গঠন ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে নতুন ধারণা অর্জন করা সম্ভব হবে।
একই প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানী স্টিফেন ফুসেলিয়ের বলেন, আগে তাঁরা শিখেছেন, ধূমকেতুগুলো মূলত পানির বরফে তৈরি। কিন্তু এই ধূমকেতুর সামনের অংশে পানির বাষ্পের চেয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডের উপস্থিতিই বেশি দেখা যাচ্ছে।
এখন এটা স্পষ্ট যে ধূমকেতুটি কেবল বরফের বড় একটি পিণ্ড নয়, এটির আরও অনেক বেশি জটিল। কারণ, এতে রয়েছে অনেক ধূলিকণা এবং পাথুরে উপাদান। ধূমকেতুটি থেকে নিঃসৃত ধূলি ও গ্যাসের অনুপাত (৪ অনুপাত ১) স্পষ্ট এবং সেখানকার দুর্গম খাড়া কাঠামোগুলো বেশ শক্ত উপাদানে তৈরি।
সব মিলিয়ে, ধূমকেতুটির ভেতরের অংশ বিজ্ঞানীদের আগের ধারণার চেয়ে বেশি নরম ও সচ্ছিদ্র বলে মনে হচ্ছে। সিক্সটিসেভেনপি সূর্যের দিকে এগিয়ে যাবে এবং রোসেটাও এটিকে অনুসরণ করতে থাকবে। হাঁসের মতো গঠনের ধূমকেতুটি সূর্যের কাছাকাছি গিয়ে গতিপথ পাল্টাবে। এটি আগামী ১৩ আগস্ট সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি (১৮ কোটি ৬০ লাখ কিলোমিটার দূরে) অবস্থানে থাকবে।

EEE / আলোর গতি কমানো সম্ভব!
« on: January 28, 2015, 01:29:56 PM »
আলোর গতি কমানো সম্ভব হয়েছে বলে স্কটল্যান্ডের একদল বিজ্ঞানী দাবি করছেন। তাঁরা আলোর চলার পথে একটি বিশেষ আবরণের মাধ্যমে ফোটন সরবরাহ করেন। এতে ফোটনগুলোর আকৃতি পরিবর্তিত হয়ে যায় এবং আলো নিজস্ব গতির চেয়ে কম গতিতে চলাচল করে। মুক্ত স্থানে ফিরে যাওয়ার পরও এসব ফোটনের তুলনামূলক ধীরগতি অব্যাহত থাকে।
ফোটন হচ্ছে আলোর একেকটি পৃথক কণা। এই পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনায় নিলে অালো সম্পর্কে বিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যেতে পারে। গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় এবং হেরিয়ট-ওয়াট বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী আড়াই বছর আগে ওই গবেষণা চালান। এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন সায়েন্স এক্সপ্রেস সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
আলো মুক্ত অবস্থায় সেকেেণ্ড ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৮২ মাইল গতিতে চলাচল করে। এই গতিকে ধ্রুব বা পরম ধরা হয়। পানি বা কাচের মতো বস্তুর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় আলোর গতি কমে গেলেও মুক্ত অবস্থায় যাওয়ার পরই তা আগের গতি ফিরে পায়। এখন পর্যন্ত এমনটাই ঘটেছে। কিন্তু নতুন গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, আলোর গতি কিছুটা কমিয়ে তা আরও ধীর করে দেওয়া সম্ভব।
গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পরীক্ষাগারে বিজ্ঞানী জ্যাকুলিন রোমেরো, দানিয়েল গিওভান্নিনি ও তাঁদের সহযোগীরা ফোটনের একটি গতিপথ তৈরি করেন। পরে তাঁরা ফোটনগুলো দুই ভাগ করে নেন। একটিতে ফোটনগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় রাখা হয়। অপরটিতে সেগুলো বিশেষ আবরণ বা মুখোশের মধ্যে রাখা হয়, যা ফোটনকে নিজ আকৃতি পাল্টে আলোর চেয়ে ধীরগতিতে চলতে বাধ্য করে। রোমেরো বলেন, মুখোশ পরানো ফোটনগুলো প্রায় এক মিটার লম্বা একটি গতিপথে রাখা হয়। তারপর কিছুটা সময় নিয়ে আকারবিহীন সব ফোটনকে গতিপথজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দেওয়া হয়। তারপর নির্দিষ্ট আকারের ফোটনগুলোর সঙ্গে তাদের আগের অবস্থার সঙ্গে তুলনা করা হয়; নির্ণয় করা হয় সময়ের ব্যবধানও।
যদি একই গতিতে সেগুলো চলাচল করত, তাহলে এই গবেষণায় নতুন কিছুই পাওয়া যেত না। কিন্তু গতির লড়াইয়ে নতুন আকারের ফোটনগুলো দ্বিতীয় হয়েছে। এই ব্যবধান খুব সামান্য। কিন্তু কেবল মুখোশকেই ফোটনের গতি হ্রাসের একমাত্র কারণ বলার সুযোগ নেই। কারণ, মুক্ত অবস্থানে যাওয়ার পরও ফোটনগুলোর ধীরগতি বহাল থাকে।
আলো নিজ গতির চেয়ে কম গতিতে চলাচল করবে—সবার আগে কে এমন ধারণা করেছিলেন? হেরিয়ট-ওয়াট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দানিয়েল ফাচ্চিও এবং গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইলস প্যাজেটের আলাপচারিতায় প্রসঙ্গটি প্রথম এসেছিল। প্যাজেট বলেন, আলোর গতি কমানোর ব্যাপারে মুখোশের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আসলে সফটওয়্যার-নিয়ন্ত্রিত একধরনের তরল স্ফটিক যন্ত্র। এটি আলোর দীপ্তির নকশা তৈরি করে। এতে গতি কমে যায়। কিন্তু সেই নকশা একবার আরোপ করা হয়ে গেলে আলো মুখোশের আওতার বাইরে চলে যাওয়ার পরও ধীরগতি বজায় থাকে।
কিন্তু ফোটন যদি একটি অতি ক্ষুদ্র কণা হয়ে থাকে, এটির ওপর কোনো নকশা আরোপ করা কীভাবে সম্ভব? কারণ, ফোটন একটি অদ্ভুত জিনিস এবং কোয়ান্টামের অসাধারণ এক ক্ষেত্রকে ধারণ করে, সেখানে আমাদের পৃথিবীর অনেক নিয়মই ঠিকমতো খাটে না। পদার্থবিদেরা যাকে বলেন ‘তরঙ্গ-কণা দ্বৈত’, সেটা ফোটনের মাধ্যমেই প্রতিফলিত হয়। ফোটন কণাগুলো একইসঙ্গে তরঙ্গ এবং কণার মতো আচরণ করতে পারে। তাই দুটি কণার মতো তাদের কোনো গতিপথে চলতে দেওয়া হলে তাদের একটি আকার পরিবর্তন করে তরঙ্গ হয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
ব্যাপারটা জটিল মনে হচ্ছে? আসলেই তা-ই। গিওভান্নিনি বলেন, ব্যাপারটা আসলে অনেক, অনেক মজার। বিজ্ঞানের এক বড় ও মৌলিক প্রশ্ন থেকেই এই গবেষণার সূত্রপাত হয়েছিল।

Departments / ডিম যদি সেদ্ধ না হয়!
« on: January 28, 2015, 01:28:24 PM »
একটি পাত্রে পানির মধ্যে মুরগির ডিম রেখে চুলোয় জ্বাল দিয়েই যাচ্ছেন। কিন্তু ডিম আর সেদ্ধ হচ্ছে না! কেমন লাগে? বিজ্ঞানীরা কিন্তু সহজ উপায়েই ডিম সেদ্ধ না হওয়ার পদ্ধতিটি বের করে ফেলেছেন। বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, তাঁদের এই উদ্ভাবন চিকিৎসাক্ষেত্রে বড় ধরনের কাজে আসবে। বিশেষ করে ক্যানসারের চিকিৎসার খরচ কমে যাবে। এ ছাড়া ডিম সেদ্ধ হওয়া ঠেকানোর এ পদ্ধতিটি প্রোটিনসংশ্লিষ্ট বায়োটেকনোলজির গবেষণার গতি ত্বরান্বিত করবে। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে পিটিআই।
যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার রসায়নবিদেরা যৌথভাবে গবেষণা করে ডিমের সাদা অংশ সেদ্ধ হয়ে যাওয়া ঠেকানোর পদ্ধতি উদ্ভাবন করার দাবি করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, আরভিনের রসায়নের অধ্যাপক জর্জ ওয়েসিস বলেন, ‘হ্যাঁ, সত্যিই আমরা ডিম সেদ্ধ ঠেকানোর পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছি।
‘কেমবায়োকেম’ নামের একটি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা-সংক্রান্ত নিবন্ধ।
গবেষক ওয়েসিস বলেন, ‘আমাদের গবেষণাপত্রে, আমরা একটি যন্ত্রের বর্ণনা করেছি যার সাহায্যে ডিমের প্রোটিন আলাদা করে আবার তা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যায়। ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ২০ মিনিট ডিম সেদ্ধ করে আমরা তাতে মূল প্রোটিনযুক্ত করে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে পেরেছি। এই প্রোটিনটির নাম লাইসোজোম।’
গবেষকেরা অবশ্য ডিমপ্রেমীদের আশার কথা শুনিয়ে বলছেন, ডিম প্রসেসিং নিয়ে তাঁদের আগ্রহ কম। তাঁদের উদ্ভাবিত প্রক্রিয়াটি কতটা শক্তিশালী তা বোঝাতেই এই পরীক্ষা করা হয়েছে। মূলত এই পদ্ধতিটি প্রোটিন তৈরির গবেষণা ও শিল্পের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে। প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি সহজ হওয়ায় এতে ক্যানসার চিকিৎসার খরচ কমে যাবে।

রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে সার্চ ইঞ্জিন গুগলের ব্যবস্থা গুগল স্ট্রিট ভিউ। এর মাধ্যমে স্মার্টফোনের সাহায্যে ছবি দেখে সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে নির্দিষ্ট জায়গা। শিগগিরই দেশের অন্যান্য জেলা স্ট্রিট ভিউয়ের আওতায় আসতে পারে।

বর্তমানে বিশ্বে ৫০টি দেশে গুগল স্ট্রিট ভিউ সুবিধা দিচ্ছে গুগল। এ তালিকায় বাংলাদেশের নাম যুক্ত হয়েছে। ২০০৭ সালের ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের এ সুবিধা প্রথম চালু করে গুগল।

স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে বসে যে কেউ এখন ( ঠিকানায় গিয়ে ঢাকা ও চট্রগ্রামের নির্দিষ্ট স্থানগুলোর ছবিও দেখতে পারবেন।

গুগল স্ট্রিট ভিউ এমন একটি প্রযুক্তি সুবিধা, যার মাধ্যমে গুগল ম্যাপস এবং গুগল আর্থে প্যানারোমিক ভিউতে ছবি দেখার পাশাপাশি বিশ্বের যে কোনো নির্দিষ্ট রাস্তার পূর্ণাঙ্গ চিত্র দেখা যায়। মূলত গুগলের একটি গাড়ি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাস্তায় গিয়ে প্যানোরোমা সুবিধা ব্যবহার করে ওই স্থানের ছবি তোলে। ওই গাড়িটিতে রয়েছে নয়টি ক্যামেরা, যেগুলোর সাহায্যে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউতে ছবি তোলা যায়। সঙ্গে থাকে বিশেষ লেজার ও জিপিএস সুবিধা, যেটি ছবি তোলার সঙ্গে সঙ্গে যেখান থেকে ছবি তোলা হলো সেখান থেকে ছবি তোলার স্থানটির দূরত্ব কতটুকু সেটি নির্ধারণ করে দেয়। নির্দিষ্ট একটি এলাকার ছবি তোলা শেষে ছবি ওই স্থানের তথ্য সংগ্রহ, একাধিক মান নির্বাচন শেষে যুক্ত হয় গুগল ম্যাপসে। গুগলের স্ট্রিট ভিউ ব্যবহারের সুবিধার্থে স্মার্টফোনের জন্য বিশেষ অ্যাপসও রয়েছে। যার মাধ্যমে এ সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন ব্যবহারকারীরা।

গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার উত্তরা থেকে যাত্রা শুরু করে গুগলের স্ট্রিট ভিউ গাড়ি। গুগল ম্যাপে বাংলাদেশের পথঘাট, আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান ও বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের অবস্থান ও ছবি তুলে ধরা হয় এ সেবার মাধ্যমে।

যে উপকারে লাগবে
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, গুগল স্ট্রিট ভিউর বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন বাংলাদেশের মানুষের নানা প্রয়োজন মেটাবে। এতে বাংলাদেশে পর্যটকদের সংখ্যাও বাড়বে বলেও আশাবাদী অনেকেই। স্ট্রিট ভিউর ছবিগুলো বাংলাদেশের ব্যস্ত রাস্তাকে নতুন আঙ্গিকে দেখার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটককেও আকৃষ্ট করবে। এ ছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকদের গুগল ম্যাপসর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখায় স্ট্রিট ভিউ।

গুগল ম্যাপে পরবর্তী সময় বাংলাদেশের ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরামিক ছবি শেয়ার করা হবে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া এই প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা কঠোরভাবে অনুসরণ করবে। পাশাপাশি স্ট্রিট ভিউতে থাকা ব্যক্তি বা গাড়ির নম্বর কেউ দেখাতে না চাইলে তা ঝাপসা করার একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার গুগল। কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ করলে, গুগল তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে।

EEE / Too much texting bad for your spine
« on: January 21, 2015, 02:52:40 PM »
Simple texting on smartphone can exert nearly 23 kg of pressure on your spine depending on the angle at which you are texting, an alarming research has revealed.

“Loss of the natural curve of the cervical spine leads to incrementally increased stresses about the cervical spine,” wrote study author Kenneth K Hansraj, a New York-based spinal and orthopaedic surgeon.

Your spine is at its happiest when your ears fall on the same plane as your shoulders and your shoulder blades are retracted.

“Without these adjustments, you put added stress on your spine,” Hansraj added.

During the study, Hansraj calculated how stressful varying degrees of curvature would be on a person’s spine. At zero degrees of tilt, the resting pressure is equal to the weight of the person’s head - roughly 4.5 kg-5.5 kg. But for each 15 degrees of tilt, the pressure increases. At 15 degrees, a person feels 12 kg of pressure; at 30 degrees, it ups to 18 kg. At 60 degrees, a person should feel roughly 27 kg of force on the spine. People use mobile devices for roughly two to four hours a day, meaning our necks stay bent for 700 to 1,400 hours in a given year.

“High school students are even worse as they may hit 5,000 hours before they graduate,” Hansraj added.

While it is nearly impossible to avoid the technologies that cause these issues, individuals should make an effort to look at their phones with a neutral spine and to avoid spending hours each day hunched over, the author suggested.
People should stop holding their phones by their waists and surgeons should help minimise post-surgery complications by keeping patient behaviours in mind, Hansraj concluded.

ইউটিউবে ‘আইফোন ড্রপটেস্ট’ লিখে খুঁজলে শত শত ভিডিও পাওয়া যাবে। এই ভিডিওগুলোতে দেখা যাবে একজন উপস্থাপক বিভিন্ন উচ্চতা থেকে নির্বিকার ভঙ্গিতে সদ্য কেনা আইফোন ফেলে দিচ্ছেন! উদ্দেশ্য, কত উচ্চতা পর্যন্ত আইফোন তুলে ফেলে দিলে অক্ষত থাকে, তা বের করা। এর কোনটায় কোমর, কোনটায় বুক পর্যন্ত উচ্চতায় তুলতে দেখে গেছে। কিন্তু যদি সেই উচ্চতা হয় এক লাখ ফুট?

সম্প্রতি আরবান আর্মোর গিয়ার নামে স্মার্টফোনের খাপ তৈরির প্রতিষ্ঠান এমন অদ্ভুত কাজটি করে দেখিয়েছে। গরম বাতাস ভর্তি বেলুনে করে আইফোন ৬ পাঠানো হয়েছিল মহাশূন্যে। ভিডিও ধারণ করার জন্য দুটি গোপ্রো ক্যামেরা, অবস্থান নির্ণয়ের জন্য গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) এবং একটি অতিরিক্ত ফোন ছিল সঙ্গে। আইফোন ৬-এর মোড়ক ছিল আরবান আর্মোর তৈরি। বেলুন ফেটে যাওয়ার আগে বায়ুমণন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তর পর্যন্ত উঠতে দেখা যায় স্মার্টফোনটিকে। প্রচণ্ড গতিতে পতন ঠেকাতে একটি প্যারাস্যুট সঙ্গে থাকলেও সবকিছুসহ স্মার্টফোনটি বেশ গতিতেই মাটিতে আছড়ে পড়ে। তা ছাড়া, প্রায় মাইনাস ৬২ ডিগ্রি তাপমাত্রা, ঘণ্টায় ৭০ মাইল বেগের বাতাস এবং প্রতি মিনিটে ১৫০ বার ঘূর্ণন সহ্য করতে হয়েছে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় ব্যাটারি অকেজো হয়ে পড়লেও চার্জ দেওয়ার পরে সম্পূর্ণ সচল দেখা যায় এই আইফোন ৬। প্রতিষ্ঠানটির প্রচারের জন্য করা হলেও এমন অদ্ভুত ড্রপটেস্ট এর আগে আর দেখা যায়নি।

পিঁপড়া যে কৌশলে দল বেঁধে হেঁটে চলে, তা অনুসরণ করে আমরা সবাই যদি গাড়ি চালাই—যানজট অনেক কমে যাবে। ভারতের একদল বিজ্ঞানী এমনটাই দাবি করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল পাবলিক রেডিওতে (এনপিআর) এ খবর প্রচারিত হয়েছে। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষক অপূর্ব নাগর বলেন, পিঁপড়াদের চলাচলে জট না লাগার তিনটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, তারা অহংকার দেখানোর লক্ষ্যে অন্যদের পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে না। দ্বিতীয়ত, ছোটখাটো সংঘর্ষ হলে তারা সেগুলো উপেক্ষা করে এবং জটলা না পাকিয়ে হাঁটা অব্যাহত রাখে। আর তৃতীয়ত, চলার পথে নিজেদের সংখ্যা বেশি হলে পিঁপড়ারা শৃঙ্খলা অনুসরণের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়। তারা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সরলরেখায় দ্রুত চলতে শুরু করে এবং নিরবচ্ছিন্ন গতি বজায় রাখে। অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে আচমকা লাফ দিয়ে রাস্তা পার হওয়ার জন্যও তারা প্রস্তুত থাকে। এসব কৌশল বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, পিঁপড়ার দলের এগিয়ে চলার ধরনের সঙ্গে মানুষচালিত মোটরগাড়ির চেয়ে কম্পিউটারচালিত গাড়ির চলার মিল বেশি। একটি গাণিতিক সূত্রের Ü(ফর্মুলা) মাধ্যমে প্রাণীটির দলবদ্ধ চলাচলের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারবেন বলে আশাবাদী অপূর্ব নাগর। এতে রাস্তায় চলাচলের ইতিবাচক কৌশল অবলম্বনের ব্যাপারে মানুষ উপকৃত হতে পারে।
পিঁপড়ার চলাচল বিশ্লেষণ করে অপূর্ব ইতিমধ্যেই একটি নমুনা বা মডেল তৈরি করেছেন। তবে এটি মানুষের জন্য কতটা কাজে লাগবে তা অস্পষ্ট। কারণ মোটরগাড়িগুলো পিঁপড়ার মতো একে অপরকে অনুসরণ করে দীর্ঘ যাত্রায় যাওয়ার জন্য ঠিক উপযোগী নয়। এ ব্যাপারে একটি গবেষণা প্রতিবেদন ফিজিক্যাল রিভিউ ই সাময়িকীতে প্রকাশিত হবে।

EEE / Exercise could buy you extra years of healthy life
« on: January 21, 2015, 02:35:11 PM »
Debunking the common assumption that ageing results in one becoming progressively frail, researchers have found that physical activity could help extend the strength and health of youth. The study of amateur older cyclists found that many possessed levels of physiological function that would place them at a much younger age bracket compared with the general population. With similar levels of exercise, the researchers found little physical difference between people aged 79 and those aged 55.

"Inevitably, our bodies will experience some decline with age, but staying physically active can buy you extra years of function compared to sedentary people," said Norman Lazarus from King's College London in Britain.

"A sedentary lifestyle causes physiological problems at any age. Hence, the confusion as to how much the decline in bodily functions is due to the natural ageing process and how much is due to the combined effects of ageing and inactivity," lead author Ross Pollock added.

The study recruited 84 male and 41 female cycling enthusiasts aged 55 to 79 to explore how the ageing process affects the human body, and whether specific physiological markers can be used to determine age. Men and women had to be able to cycle 100 km in under 6.5 hours and 60 km in 5.5 hours, respectively, to be included in the study. Smokers, heavy drinkers and those with high blood pressure or other health conditions were excluded from the study. The researchers found that people of different ages could have similar levels of function such as muscle strength, lung power and exercise capacity.

EEE / Follow smart tips to beat jet lag
« on: January 21, 2015, 02:33:09 PM »
All of a sudden, you're wide awake in the middle of the night but you can barely stay awake for dinner. Yes, jet lag can nearly ruin a trip and totally throw you off but one can make it less terrible by following a few simple steps. Sleep researchers have found ways to make jet lag less complicated.

Here are a few ways to beat jet lag, or at least make it more tolerable:

* Make sure you're well-rested before travelling: You are probably going to lose some sleep while travelling, so you may as well start off in a good place. No reason to add extra sleep deprivation on top of jet lag. And how do you know if you're sleep-deprived in the first place? If you regularly fall asleep within five minutes of lying down, that's a sign of sleep deprivation.

*For longer trips, adjust your body's clock a bit ahead of time: If you're planning to be in your new time zone for a while, you can start the adjustment process before you even leave home. Start going to bed and getting up a little later or earlier depending on which direction you are travelling. Shift your light exposure accordingly, too. Seek out bright light when it would be daytime at your destination. Avoid it when it would be night-time there

* Drink plenty of water on the plane: Jet lag is not the only reason people feel terrible after flying - the jet itself can take a toll. That's why researchers recommend drinking plenty of water before and during your flight , walking around during flights to improve circulation and possibly taking an aspirin the day before and the day of your journey (which should also improve circulation).

* Adjust your eating and exercising, too: Some research has shown in mice that eating causes changes in insulin levels, which in turn influence the body's timekeeping. So try to adjust your meals to wherever you are. The same goes for exercise.

* Melatonin might help: Travelling from west to east makes it more likely that you are going to have trouble falling asleep at night because your body does not think it's bedtime yet. If that's the case, consider taking a melatonin supplement right before bed.

* Be careful with caffeine: Although you may be tempted to guzzle coffee or soda to stay alert, consuming caffeine later in the day may keep you up at night.

Pages: [1] 2 3 4