Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - ayasha.hamid12

Pages: [1] 2
1
‘স্ট্রেস’ একটি ছোট শব্দ। কিন্তু এই স্ট্রেস বা মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যায়নি এমন মানুষ একটাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। মানসিক চাপ কার নেই বলুন? কিন্তু সবাই এই স্ট্রেস বা মানসিক চাপ মোকাবিলা করতে পারেন না। আর এর প্রভাবে শরীরে দেখা যায় নানা রোগ। পরিবার, কর্মক্ষেত্র, সম্পর্ক নানা কারণে মানুষ মানসিক চাপে থাকে। সঠিক সময়ে এই মানসিক চাপ কমাতে না পারলে ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা। মেডিটেশন, ইয়োগা আপনাকে মানসিক প্রশান্তি দিলেও অনেক সময় তা করা হয়ে উঠে না।

১। সুগন্ধি মোমবাতি জ্বালানো: কর্মব্যস্ত দিনের পর বাসায় যখন ফিরবেন সুবাসিত মোমের গন্ধ আপনার মনকে উজ্জবিত করে দিবে। ঘরে কোনে সুগন্ধি মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখুন। আপনি চাইলে আপনার পছন্দের কোন ফুলের এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করতে পারেন। স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে অ্যারোমাথেরাপি অনেক বেশ কার্যকর।

২। সবুজ চা পান করুন: সবুজ চায়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান হরমোনের স্ট্রেস লেভেল কমিয়ে থাকে। যে গ্লুকোজের সাহায্য ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা শরীরে পরিবহন করছে সবুজ চা তা কমিয়ে স্ট্রেস হ্রাস করে থাকে। সারাদিনের ব্যস্ততার পর এক কাপ সবুজ চা পান করুন। এটি আপনার স্ট্রেস সেকেন্ডে দূর করে দিবে।

৩। ছোট একটি কৌশল অবলম্বন করুন: কোন মিটিং বা প্রেজেন্টেশনের আগে নার্ভাস মনে হলে কাঁধ দ্রুত ম্যাসাজ করে নিন। এটি আপনাকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিবে। সোজা দাঁড়ান হাত দুটো কানের কাছে নিয়ে যান তার সাথে নাক দিয়ে জোরে জোরে শ্বাস নিন। মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস ছেড়ে দিন। এবার হাত দুটি দিয়ে কানের কাছ থেকে ঝাড়া দিয়ে নামিয়ে রাখুন। এভাবে ৫ বার করুন। দেখবেন সেকেন্ডের মধ্যে আপনার স্ট্রেস অনেক কমে গেছে।

৪। কুসুম গরম পানি পান করুন: কসুম গরম পানি আপনার নার্ভকে শান্ত করতে সাহায্য করে থাকে। এটি আপনার হার্ট বিটকে কমিয়ে থাকে। যা স্ট্রেসে কারণে হার্ট অ্যাটাক রোধ করে থাকে।

৫। সিলিং এর দিকে তাকান: সিলিং এর দিকে তাকিয়ে থাকুন এবং সংখ্যা গণনা করুন। এটি আপনার  প্যারাসিমপ্যাথিক নার্ভকে উজ্জবিত করে থাকে, যা রক্ত চাপ কমিয়ে থাকে। ইচ্ছাকৃত সংখ্যা গণনা আপনার মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে থাকে।
অতিরিক্ত স্ট্রেস বা মানসিক চাপের কারণে হার্ট অ্যাটাক, স্টোকও হতে পারে। মানসিক চাপ বা স্ট্রেসের কারণে আমাদের দেহের কিছু হরমোন যেমন কর্টিসোল ওঅ্যাড্রিনালিন প্রচুর পরিমাণে নিঃসৃত হয়। যার কারণে রক্তচাপ বেড়ে যায়, বেড়ে যায় নাড়ির গতি এমনকি শ্বাস প্রশ্বাসেরও গতি বেড়ে যায়। তাই মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। যদি এই সমস্যা প্রায় দেখা দেয় তবে অতিসত্বর মানসিক ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

(Source: priyo.com)

2
সাফল্যের কোন বাঁধাধরা নিয়ম নেই। প্রত্যেকটি সফল মানুষের গল্পই একটু হলেও আলাদা। কিন্তু এত ভিন্নতার পরেও প্রতিটি সফল মানুষের ভেতরে একটি মিল থেকেই যায়। আর সেটা হচ্ছে ঝুঁকি নেওয়া। বলা হয়, যত বড় ঝুঁকি, তত বড় লাভ। আর সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে জীবনে প্রতিটি সফল মানুষই ঝুঁকি নিয়েছেন আর নির্দিষ্ট কিছু পথকে ধরে ঝুঁকিটা নিয়েছেন। ভাবছেন, ঝুঁকি নেওয়ারও কোন আলাদা নিয়ম আছে নাকি? সত্যি বলতে গেলে কিছুটা হলেও আছে! আর তাই আসুন জেনে নিই ঝুঁকি নেওয়ার সঠিক পন্থাটিকে।   

১. লক্ষ্যের দিকে মনযোগ সফলতা পেতে চাইলেই সেটা আসে না। আর তাই সফল হতে হবে এ চিন্তা ছেড়ে ঠিক কি করতে চান আপনি সেটার দিকে মনোনিবেশ করুন। নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান। একবার সেটা করে ফেলতে পারলে সফলতা আপনা-আপনিই চলে আসবে। এই যেমন স্টিভ জবসের কথাই ধরুন না! কোনরকম সফলতার ইচ্ছে ছিলনা তার। একমাত্র লক্ষ্য ছিল সবার হাতে প্রযুক্তিকে এনে দেওয়া। আর সেটা করে দেখিয়েছেনও তিনি। ফলে তাকে অনুসরন করে সফলতাও এসে দাড়িয়েছে খুব সহজেই। 

 ২. ধৈর্য্য রাখা ধৈর্য্য মানে এই নয় যে কিছু না করে সঠিক সময়ের জন্যে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকা। কাজ তো করতেই হবে। তবে তার সাথে সাথে কেন আপনার কাজের তক্ষুণি কোন ভালো ফলাফল হচ্ছেনা সেটা নিয়ে মাথা ঘামালেও চলবেনা। সফলতা আসবে। তবে তার জন্যে আপনার অপেক্ষা করতে হবে। সেইসাথে কোনরকম বাজে পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেও তক্ষুণি কোন সিদ্ধান্তে না আসবার মতন ধৈর্য্যও রাখতে হবে মনে।   

৩. বুদ্ধিমত্তায় বিশ্বাস রাখা প্রতিটি সফল মানুষই কিছু করার আগে এর ফলাফল কী হতে পারে সেটা ভেবে নেন। বিশ্বাস রাখেন নিজের ওপরে, নিজের বুদ্ধিমত্তার ওপরে। কারণ তারা জানেন, আর সবকিছু হাত থেকে চলে গেলেও নিজের মাথা নিজের কাছে থাকবে। আর সেইসাথে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতাও। আর তাই যেকোন কিছু করার আগে নিজের ওপর বিশ্বাস আর বুদ্ধিমত্তাকে জড়ো করার চেষ্টা করেন তারা।   

৪. ইতিবাচক ধারণা রাখা অনেকেই ঝুঁকি নেওয়ার সাথে নেতিবাচক একটা ধারণাকে জড়িয়ে ফেলেন। কিন্তু ঝুঁকি নিলে কি কেবল খারাপ কিছুই হতে পারে? হতে পারে অসম্ভব ভারো কোন ফলাফলও। আর তাই প্রস্তুত থাকুন ভালো কোন সম্ভাবনার জন্যেও। কে জানে, প্রস্তুতির অভাবেই হয়তো ভারোকিছুকে সময়মতন কাজে লাগাতে পারলেন না আপনি আর ঝুঁকিটাকে ব্যর্থ করে দিলেন। তাই প্রস্তুত থাকুন আগেভাগেই।   

৫. ঝুঁকিকে চিহ্নিত করা সফলেরা ঝুঁকি নেওয়ার আগে কয়েকটা ব্যাপার জেনে নেন। আর সেগুলো হচ্ছে, ঝুঁকিটা কাদের হাতে আর কারা সেটাকে নির্ধারণ করবে। ঝুঁকি যাদের হাতে, অর্থাত্, কর্মচারীদেরকে সঠিকভাবে চালানোর চেষ্টা করেন তিনি। সেই সাথে ঝুঁকির নির্ধারনকারী ক্রেতাদের মনকেও বোঝার চেষ্টা করেন। আর খুব বেশি জটিল না করে পুরো ব্যাপারটাকে অনেক বেশি সোজাসাপ্টা বুঝতে চান তারা। ফলে সরলভাবেই ঝুঁকি নিয়েও সেটাকে কমাতে পারেন তারা।   

তথ্যসূত্র- 5 risks highly successful people take ( business insider ) Successful People Take Risks (rhapsody strategies) - See more at: http://www.priyo.com/2015/Oct/14/174049-.html#sthash.mfDL4RYM.dpuf

3
পেঁপের সুমিষ্ট স্বাদ এবং উপকারিতার জন্য ক্রিস্টোফার কলম্বাস পেঁপেকে ‘দি ফ্রুট অফ দি এঞ্জেলস’ বলে অভিহিত করেছেন। আমাদের স্বাস্থ্য, ত্বক ও চুলের জন্য পেঁপে অনেক উপকারি। শুধুমাত্র পেঁপের ফলই না পেঁপে গাছের অন্যান্য অংশও অনেক উপকারি। যেমন- প্রোটিন বিপাকে পেঁপের এনজাইম ‘পাপাইন’ অনেক উপকারি, এই এনজাইম পেঁপে গাছ ও ফল থেকে নিষ্কাশিত হয় এবং ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং চুইংগাম তৈরির প্রধান উপাদানও এটি। পাপাইন ছাড়াও এতে ক্যারোটিন নামক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি ও ফ্লাভোনয়েড, বি ভিটামিন, ফলেট ও পেন্টোথেনিক এসিড, খনিজ উপাদান, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার আছে। পেঁপের কোমল মজ্জা অনেক শ্যাম্পু ও ক্রিম তৈরির মুল উপাদান। আসুন আজ আমরা জেনে নেই পেঁপের সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো।
ত্বকের ক্ষেত্রে পেঁপের উপকারিতা গুলো
১। ত্বকের পুষ্টি
পেঁপেতে ভিটামিন এ ও পাপাইন এনজাইম থাকে যা ত্বকের মরা চামড়া দূর করে স্কিন কে রিজুভিনেট করে এবং ত্বককে আদ্রতা প্রদান করে। আপনি যদি উজ্জ্বল ত্বক চান তাহলে পেঁপে ও মধুর মাস্ক ব্যবহার করুন।
·         একটি পেঁপের অর্ধেক অংশের সাথে ৩ চামচ মধু মিশিয়ে ভালোভাবে পেস্ট তৈরি করুন
·         আপনার মুখে ও ঘাড়ে আস্তে আস্তে লাগান
·         ২০ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন
২। ত্বকের খুঁত দূর করে
ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কাঁচা পেঁপে খুব ভালো করে থেঁতলে নিয়ে মুখে লাগিয়ে আধা ঘন্টা বা এক ঘন্টা রাখুন। এটা ব্রণের পাশাপাশি ত্বকের অন্য সমস্যা ও দূর করবে।
৩। অ্যান্টি এইজিং এজেন্ট
পেঁপে ত্বকের বয়স বৃদ্ধি রোধ করতে পারে। পেঁপে ম্যাশ করে দুধের সাথে মিশিয়ে মুখে লাগান। এটা স্কিন টোনার হিসেবে কাজ করে ত্বকের দাগ দূর করে ও ত্বককে টান টান করে।
চুলের ক্ষেত্রে পেঁপের উপকারিতা গুলো
১। চুল লম্বা করে
এক গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, পেঁপের পুষ্টি উপাদান চুল পরা বন্ধ করে। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন পেঁপে ফল খেলে চুল পাতলা হওয়া কমে যাবে।
২। খুশকি দূর করে
পেঁপের মাস্ক ব্যবহার করলে মাথার তালুর শুষ্কতা ও চামড়া উঠা দূর করে। একটি কাঁচা পেঁপের বীচি গুলো ফেলে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন, এর সাথে এক কাপ দই মিশিয়ে মাস্কটি চুলে ও মাথার তালুতে ভালোভাবে লাগান এবং ৩০ মিনিট রেখে দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৩। প্রাকৃতিক কন্ডিশনার
যেহেতু পেঁপেতে ভিটামিন, মিনারেল ও এনজাইম আছে তাই পেঁপে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করতে পারে যা আপনার চুলকে নরম ও মসৃণ করবে। পেঁপের সাথে কলা, দই ও নারিকেল তেল ভালোভাবে ব্লেন্ড করে চুলে লাগান। তারপর চুল তোয়ালে দিয়ে পেঁচিয়ে রাখুন বা শাওয়ার কেপ পরে থাকুন যাতে মাথার তালুতে তাপ লাগে। তারপর উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।পেঁপে পাতার রস ও কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে।
পেঁপের পেস্ট পা ফাটা দূর করতে পারে। পেঁপের খোসা শুধু মুখ না পা কেও ফর্সা করতে সাহায্য করে। পেঁপেতে প্রদাহ রোধী উপাদান ও ক্যান্সার  রোধী উপাদান আছে। পেঁপে কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করে। নিয়মিত পেঁপে খেলে ত্বক নরম ও কোমল হয়।
(Priyo.com)

4

আমেরিকার অত্যন্ত জনপ্রিয় অ্যাভিয়েশন ম্যাগাজিনে ডেবরা কোহেনের খুবই সফল একটি ক্যারিয়ার ছিল। কিন্তু ক্যারিয়ারের মাঝপথে হঠাৎ করেই চাকরি ছেড়ে দিলেন কোহেন। উদ্দেশ্য, চাকরির পেছনে না ছুটে বাড়িতে থেকে নিজের শিশুকন্যার আরো ভালোভাবে দেখশোনা করা। সন্তানের জন্য চাকরি ছেড়ে দেওয়া একজন মায়ের চ্যালেঞ্চগুলো কি কি, কোহেনের জবানিতে তা তুলে ধরেছে বিবিসি। সন্তানের ভালোর জন্য নিজের আকর্ষনীয় ক্যারিয়ার বিসর্জন দেওয়ায় কোহেনের মধ্যে কোনো হতাশা নেই। বরং নিজেকে খুবই গর্বিত মা দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমার সারা শরীরে শিহরণ খেলা করছিল! কারণ, এটা আমি করছি আমার সন্তানের জন্য।’ একই সাথে এ সিদ্ধান্তের চ্যালেঞ্জগুলোর কথাও জানালেন কোহেন। ’এটা ঠিক যে আমরা এখন এমন একটা পৃথিবীতে বাস করি, যেখানে একজনের আয় দিয়ে চলাটা খুবই কষ্টকর এবং অনেক সময় সেটা সমাজের চোখে দৃষ্টিকটুও। আপনি চাকরি-বাকরি বাদ দিয়ে বাড়িতে সন্তানের সেবা করছেন, এটা আধুনিক যুগে অনেকেই ভালোভাবে নিতে পারেন না। আমার স্বামী একজন শিক্ষক। তার একার আয় দিয়ে আমাদের দুইজনকে চালানো কষ্টকরই ছিল। সন্তানের কথা মাথায় রেখে আমার স্বামী আরেকটা চাকরি নিলেন। আলাদাভাবে কোচিং ও টিউশনি করানো শুরু করলেন। আমাদের একটিমাত্র গাড়ি ছিলো, বাইরে ডিনার করা বাদ দিলাম, বাড়তি কোনো খরচ করা থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখতে শুরু করলাম। মোটকথা জীবনে যতটুকু প্রয়োজন, শুধু ততটুকুই, এর বেশি নয়, এভাবে খরচ শিখে গেলাম। বাহ, আমাদের জীবনটা খুব ভালো চলছিল।’ একটা পর্যায়ে নিজেও কিছু একটা করতে উদ্যত হলেন কোহেন। তবে মূল উদ্দেশ্য মাথায় রেখেই। যাই করি না কেন, বাড়িতে থেকেই করতে হবে। উপার্জনের জন্য শিশু সন্তানকে বাড়িতে রেখে বাইরে যাওয়া যাবে না। কোহেন বাড়িতে থেকেই পরিচালনা করা যায়, এমন একটি ব্যবসা চালু করলেন। বলছিলেন, ‘আমার মেয়ে হচ্ছে আমার অনুপ্রেরণা। আমি খুবই গর্বিত ও কৃতজ্ঞ যে, আমি আমার মেয়ের জীবনের একটি একটি দিনও মিস করিনি।’ পরে আরেকটি কন্যা সন্তানের মা হন কোহেন। এখন তার বয়স ৪৮, থাকেন নিউইয়র্কে।

 যুক্তরাষ্ট্রের টেনিসি রাজ্যের অর্থ উপদেষ্টা ওয়েস ব্রাউনের মতে, এখন অনেক দম্পতির জন্যই বাড়িতে থেকে সন্তানের দেখাশোনাটা একটা স্বপ্ন। তারা একান্ত বাধ্য না হলে চাকরির জন্য সন্তানকে বিসর্জন দিতে চান না। তিনি বলেন, ‘কিন্তু এটা করতে গেলে দম্পতির যেকোনো একজনকে বাড়তি চাপ সামাল দিতে হবে। কারণ, একেতো দুইজনের আয় থেকে একজনের আয় কমে গেছে, আবার ওই একজনের ব্যয়ও আরো বেড়ে গেছে। পিউ রিচার্স সেন্টারের এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে প্রতি দশজন মায়ের মধ্যে একজন বাড়িতে সন্তানের সাথে থাকেন আর যুক্তরাষ্ট্রে এ সংখ্যা তিন। তবে সন্তানের জন্য বাড়িতে থাকা বাবাদের সংখ্যা এখনো আশানুরুপ নয়। সারা যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানের জন্য বাসায় থাকাদের মধ্যে মাত্র ১৬ শতাংশ পুরুষ। যদিও আস্তে আস্তে এ সংখ্যা সেখানে বাড়ছে। কোহেন বলেন, ‘যদি আপনি সন্তানের জন্য চাকরি ছাড়তে প্রস্তুত থাকেন, তাহলে আপনার এমন একজন সঙ্গী থাকতে হবে, যার আয় দিয়ে আপনারা তিনজন চলতে পারবেন। একই সাথে জীবনে কোনো এক সময় চাকরিতে পুনরায় যোগ দেওয়ার মনমানসিকতা থাকতে হবে। অপনার যোগ্যতাকে নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। প্রতিনিয়ত নিজের যোগ্যতা বাড়ান। কাজের বাইরে থাকা সত্বেও আপনার যোগ্যাতায় কোনো ঘটতি হয়নি, এটা নিশ্চিত রাখুন সবসময়। চাকরি ছাড়ার অন্তত ৬ থেকে ১২ মাস আগে থেকে প্রস্তুতি নিন। এই সময়ে কীভাবে অল্প অায়ে জীবন ধারণ করা যায়, তার সাথে মানিয়ে নিন। কীভাবে একজনের আয়ে তিনজন চলবেন, সেটা পরিকল্পনা করুন।’ 

শুধু ইউরোপ বা আমেরিকা নয়। একই বাস্তবতা আছে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেও। করপোরেট জীবনের লোভ সামলাতে না পেরে অনেক বাবা-মাই সন্তানকে বাসায় কাজের বুয়ার কাছে রেখে বা চাইল্ড কেয়ার সেন্টারে রেখে কাজে যাচ্ছেন। এ বছর বাংলাদেশের বেরকারী টেলিভিশন আরটিভির এক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, বাসায় কাজের বুয়ার কাছে সন্তানকে রেখে যাওয়া কতটা অনিরাপদ। এ প্রতিবেদনে একটি ভিডিও ক্লিপিংস দেখানো হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছে, বুয়া শিশু সন্তানটিতে জোরে জোরে বিছানায় ও চেয়ারে ফেলছে। শিশুটির উপর নির্যাতনের চিত্র ধরা পড়ে ওই ভিডিওতে। 
 (Priyo.com)

5
শরীর নিয়ে আমরা মাঝে মাঝে খুব দুশ্চিন্তায় থাকি কারণ ওজন বেড়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু সময়ও নেই জিমে যাওয়ার কর্ম ব্যস্ততার জন্য। আর ছুটির দিনে ইচ্ছেও কাজ করে না জিমে যাওয়ার। কিন্তু ফিট এবং সুস্থ থাকতে হলে শরীরের বাড়তি ওজন ঝড়িয়ে ফেলতেই হবে। কিন্তু ভাবছেন কিভাবে? তাহলে জেনে নিন কিছু নিয়ম যা পালন করলে প্রতিদিন অন্তত ৫০০ ক্যালরি পর্যন্ত ঝড়িয়ে ফেলতে আপনি সক্ষম হবেন।
1. ব্রেকফাস্ট , লাঞ্চ ও ডিনারে ফ্রুট সালাদ: আমরা যদি আমাদের ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ও ডিনারের প্রতিদিনের খাবারের মেন্যু পাল্টে কয়েক রকমের ফল মিলিয়ে তা দিয়ে সালাদ বানিয়ে খাই দেখবেন আপনার শরীর থেকে ৫০০ ক্যালরি ঝড়ে যাবে আপনি বুঝে উঠার আগেই।
2. সকালের নাস্তায় ডিম: ডিম খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি। এবং আমাদের সকালের নাস্তাই শুরু হয় ডিম দিয়ে। তাই সকালের নাস্তায় প্রতিদিন যারা ২ টি ডিম খেয়ে থাকেন তারা সারাদিনে অন্তত ৪০০ ক্যালরি কম খাবার খেয়ে থাকেন। এতে করেও ঝড়ে যায় ওজন।
3. কোমল পানীয় বর্জন করুন: কোমল পানীয় আমাদের ওজন অনেক বেশিই বাড়িয়ে ফেলে এবং এগুলো আমাদের শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর। কিন্তু এই অভ্যাসটি আপনি চাইলে খুব সহজেই বদলাতে পারেন পানীয় কোন ফল অথবা সবজি খেয়ে। যেমন কোমল পানীয়র বদলে খেতে পারেন শসা, লেবুর সরবত,স্ট্রবেরি, ডাবের পানি ইত্যাদি এগুলো একদমই ক্যালরি মুক্ত খাবার যা সহজেই খেতে পারেন আপনি।
4. টিভি দেখার সময় খাবেন না: আমরা অনেকেই খাওয়ার সময় টিভি দেখি। কিন্তু এই বাজে অভ্যাসটি আপনার ক্যালরি কমাতে তো সহায়তা করবেই না উল্টা আরও প্রায় ৩০০ ক্যালরি বাড়াবে। তাই খাওয়ার সময় টিভি না দেখে ডাইনিং টেবিলে বসে খান।
5. প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম: প্রতিদিন যদি আপনি বাসাতেই একটু সময় বের করে অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করেন তাহলে আপনার ৩০ মিনিটেই ৫০০ ক্যালরি ঝড়ে যায়। তাই প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন ফিট থাকার জন্য।
6. কিছু অন্য রকম কাজ: কিছু অন্য রকম কাজ যেমন দড়ি লাফ ১ থেকে ১০০ বার, কিংবা একটি জায়গায় দাড়িয়েই দৌড়ানো অথবা লাফানো এই কাজ গুলো করলে প্রতি মিনিটে আপনি ১০ ক্যালরি ঝেড়ে ফেলতে পারবেন। তাহলে চিন্তা করুন আরও বেশি সময় নিয়ে যদি আপনি এই কাজ গুলো করেন তাহলে কত ক্যালরি খরচ হবে।

তথ্যঃ ইন্ডিয়া টাইমস

6
বাঁধাকপি দিয়ে গরুর মাংস নিশ্চয়ই খেয়েছেন? আজ রইলো বাঁধাকপি দিয়ে মুরগির মাংসের একটি রেসিপি। না, ঝাল কারি নয়। বরং বাঁধাকপি দিয়ে মুরগির কোরমা রান্না করার দারুণ এক রেসিপি আজ নিয়ে এসেছেন শৌখিন রাঁধুনি সায়মা সুলতানা। পোলাওয়ের সাথে খুব ভালো লাগবে এই কোরমা। দারুণ লাগে পরোটা বা নানের সাথে খেতেও। চলুন জেনে নিই অসাধারণ রেসিপিটি।
উপকরণ

মুরগির মাংস ১ কেজি
বাঁধাকপি মিহি করে কুচি করা ৩ কাপ
পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
পেঁয়াজ বাটা ৩ টেবিল চামচ
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
জিরাবাটা ১চা চামচ
দারুচিনি ২ টি
এলাচ ৪ টি
তেজপাতা ২ টি
গরম মশলা পাউডার ১/২ চা চামচ
টক দই ১/২ কাপ
কাঁচা মরিচ বাটা ২ চা চামচ
পোস্ত দানা, কিসমিস ৭/৮ টি
জয়ত্রী ,জায়ফল বাটা মিলে ২ চা চামচ ( মিহি করে বেটে নিতে হবে )
লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
তেল হাফ কাপ
ঘি ১ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদমতো
পেঁয়াজ বেরেস্তা অল্প
প্রণালি

    -একটা প্যানে হাল্কা তেল দিয়ে বাঁধাকপি কুচিগুলোকে লাল করে ভেজে রাখুন।
    -এবার হাঁড়িতে তেল দিয়ে দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা দিয়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন।
    -পেঁয়াজ লাল করে ভাজা হলে এতে পেঁয়াজ বাটা, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরাবাটা টক দই, লবণ দিয়ে মশলা ভাল ভাবে কষিয়ে নিন।
    -এখন মাংসের সাথে কাঁচা মরিচ, পোস্ত দানা, কিসমিস, জয়ত্রি ,জায়ফল বাটা, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
    দিয়ে মাংস খুব ভালভাবে কষিয়ে নিন।
    -এখন ভেজে রাখা বাঁধাকপি এই মশলার সাথে মিশিয়ে নিন , সাথে হাফ কাপ গরম পানি দিয়ে দিন।
    -নাড়াচাড়া করে রান্না করুন । উপরে কয়েকটা কাঁচা মরিচ ফালি করে দিন। মৃদু আঁচে রান্না করুন মাংস নরম হবার আগ পর্যন্ত ।
    -নামানোর আগে পেয়াজ বেরেস্তা ও ঘি ( না দিলেও হবে ) ছিটিয়ে নিন।
    -পোলাও এর সাথে দারুন জুটি হয় এই কোরমা ।


7
মাইগ্রেনের ভুক্তভোগীরাই বোঝেন কী প্রচন্ড এর যন্ত্রণা আর এই কারণেই তারা চান খুব দ্রুতই দূর হয়ে যাক এই ব্যথা। মাত্র আধাঘন্টার মাঝে মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করার জন্য ব্যবহার করে দেখতে পারেন এই উপায়টি।

মাইগ্রেনের ব্যথা একবার শুরু হলে তা নষ্ট করে দিতে পারে পুরোটি দিন। শুধু তাই নয়, কারও কারও মাইগ্রেনের ব্যথা সাধারণ পেইনকিলারে দূর হতে চায় না। কী করবেন তারা? তাদের উপকারে আসতে পারে লবণ।
কি করে ব্যবহার করবেন লবণ?

মাইগ্রেনের ভুক্তভোগী হয়ে থাকলে আপনি নিশ্চয়ই এরই মাঝে মাইগ্রেন কমানোর অনেকগুলো উপায় পরখ করে দেখেছেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। মাইগ্রেনের ব্যথা একবার শুরু হলে কোনো রকম পেইন কিলারই কাজ করে না। পেইন কিলার আবার অনেকে পছন্দও করেন না, অথবা স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে পেইন কিলারের ব্যবহারে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু লবণের ব্যবহার কাজ করতে পারে আপনার ক্ষেত্রেও।

প্রথমেই জেনে রাখা দরকার, লবণ ব্যবহার করা উচিত নয় কার। মাইগ্রেনের ব্যাথা চলাকালীন সময়ে অনেকের রক্তচাপ বেড়ে যায়। লবণ ব্যবহারে তাদের রক্তচাপ আরও বেড়ে ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তারা মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে সেলেরির জুস পান করতে পারেন। কারণ এতে রয়েছে এমন সোডিয়াম যা রক্তচাপ বাড়ায় না আবার মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে।

লবণ ব্যবহার করে মাইগ্রেন কমাতে চাইলে অবশ্য সাধারণ মানের টেবিল সল্ট ব্যবহার না করে উচ্চ মানের লবণ ব্যবহার করতে হবে, যেমন হিমালায়ান ক্রিস্টাল সল্ট। এর বিশেষত্ব হলো এতে উপস্থিত ৮৪টি খনিজ উপাদান, ইলেক্ট্রোলাইট এবং মৌল। এই লবণ শুধু যে মাইগ্রেন কমায় তাই নয়, বরং শক্তিশালী করে তোলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে, বাড়ায় শক্তি, রক্তে সেরোটোনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রন করে, শরীরে অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য বজায় রাখে।

আর লবণ ব্যবহারের এই উপায়টি ভারি সহজ। এক গ্লাস লেবুর রস (অথবা আপনার পছন্দের কোনো ফলের জুস) এর মাঝে বেশি করে লবণ দিয়ে তৈরি করুন একটি মিশ্রণ আর তা পান করে ফেলুন। মাইগ্রেনের ব্যথা দূর হয়ে যাবে ম্যাজিকের মতো।

তবে অবশ্যই কী পান করছেন তার প্রতি লক্ষ্য রাখবেন। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের অবশ্যই লবণের এই মিশ্রণ পান করা উচিত নয়। এছারা যাদের আলসার বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারাও লেবু বা এমন অ্যাসিড ধরণের জুস পান করা থেকে বিরত থাকবেন।

(মূল: Jade Small, The Open Mind)

8
 অনেকের মুখেই আলসার হয়ে থাকে যা অনেক কষ্টদায়ক। বিশেষ করে ঠোঁট, জিভ, মুখের ভিতরে আলসার হয়ে থাকে। অনেক মানুষই তার জীবনে একবার এবং একাধিক বার আলসার সমস্যায় ভুগে থাকেন এটি খুব পরিচিত একটি সমস্যা, বিশেষ করে নারী ও প্রাপ্ত বয়স্কদের আলসার হয়ে থাকে এবং এই সমস্যাটি অনেক যন্ত্রনাদায়ক। এই সমস্যাটি হওয়ার কারণ যদিও সঠিক ভাবে জানা যায়নি তবে ধারনা করে হয়ে থাকে খুব বেশি দুশ্চিন্তা, দেহে হরমোন সমস্যা, পেটের সমস্যা ইত্যাদি কারণে মুখে আলসার সমস্যা হয়ে থাকে।

তবে এই সমস্যা দেখা দিলে কোন কিছু খেতে খুব কষ্ট হয়ে থাকে। মুখে খাবারের স্বাদ লাগেনা ও ঝাল জাতীয় কোন কিছু খেতেও খুব কষ্ট হয়ে থাকে। তবে মুখে আলসার সমস্যা দেখা দিলে ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। তবে এই সমস্যার সমাধান আপনি ঘরে বসেই করতে পারেন। জেনে রাখুন সমস্যার সমাধান সম্পর্কে।

১। লবন অথবা বেকিং সোডা কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। তারপর সেই পানি দিয়ে কুলি করুন ভালমত এবং এইভাবে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার কুলি করুন।

২। মুখের ভিতর অনেক সময় আলসার হয়ে থাকে ভিটামিন-সি এর কারণে। তাই প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি জাতীয় খাবার এবং কমলা বা কমলার জুস খান।

৩। প্রথমে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে কুলি করুন তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করুন এই কাজটি খুব দ্রুত মুখের আলসার সমস্যার সমাধান করে।

৪। তাজা নারিকেল দুধ দিয়ে প্রতিদিন ৩-৪ বার কুলি করুন, এই কাজটি মুখের আলসারের ব্যথা কমিয়ে দেবে ও মুখের ভিতরটা পরিষ্কার রাখবে।

৫। মুখের আলসার সমস্যায় চুইংগাম খাওয়া থাকে বিরত থাকুন কারণ চুইংগাম চাবানোর সময় মুখের ভেতরে কামড় লাগতে পারে।

৬। এই সমস্যায় চা ও কফি খাওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ।

৭। মুখের আলসার দূর করতে দুগ্ধ জাতীয় খাবার যেমন- দই, বাটারমিল্ক খেলে ভালো।

৮। সালফারযুক্ত খাবার যেমন- পেঁয়াজ, এটি মুখের আলসার এর জন্য ভালো। চাইলে সালাদে পেঁয়াজ দিয়ে খেতে পারেন।

৯। এই সমস্যায় মাছ ও মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। কারণ এই খাদ্য দেহে এসিডিটির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

১০। কোন শক্ত জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো এই সমস্যায়। এমন কোন খাবার খান যা চিবুতে সহজ।

১১। ঝাল, গরম ও এসিড জাতীয় খাবার এই সমস্যায় খাওয়া নিষেধ।

১২। এই সমস্যায় ব্রাশ করার জন্য ব্যবহার করুন খুব নরম বেবি ব্রাশ। যেকোন খাবারের পরেই ব্রাশ করে নিন বা ভালোমত কুলি করে নিন যেন খাবারের কণা মুখে না রয়ে যায়।

তথ্যঃ healthdigezt.com

9
গরমের দিনে সবজি কিনে এনে ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিলেই ঝামেলা শেষ। কিন্তু শীতে? এই শীতের সময়ে ফ্রিজে কিন্তু সবজি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। শসা, মূলা, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি সবজিগুলো অনেক ফ্রিজেই জমে বরফ হয়ে যায়। আবার সবজির রঙরূপও নষ্ট হয়ে যায় তাড়াতাড়ি । বলাই বাহুল্য যে সাথে পুষ্টিগুণ আর স্বাদও।

এই সমস্তই হয় তাপমাত্রার তারতম্যের জন্য। আবহাওয়া এমনিতেই ঠাণ্ডা থাকে। তাই ফ্রিজের ভেতরে অধিক ঠাণ্ডায় নষ্ট হয়ে যায় সবজি ও ফল। তাহলে কী করবেন? শীতের দিনে কীভাবে সবজি সংরক্ষণ করবেন? জেনে নিন।

   1. শীতের সবচাইতে দারুণ ব্যাপার হলো বেশিরভাগ শাকসবজিই ফ্রিজ ছাড়া সংরক্ষণ করা যায়। ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, সিম, বরবটি, গাজর, মূলা, শসা ইত্যাদি সবজি ফ্রিজ ছাড়াই রাখতে পারবেন আপনি।

    2.  এমনিতেই সবজি কিনে বেশিদিন ফ্রিজে রেখে খাওয়া অনুচিত। শীতের তাজা সবজি কিনে ফ্রিজের বাইরেই রাখুন। ২/৩ দিনের মাঝেই খেয়ে ফেলুন। এর মাঝে যদি শেষ করতে না পারেন, তাহলে ফ্রিজে রাখুন।

   3. ধনেপাতা জিনিসটা বাইরে রাখলে শুকিয়ে যায়। এক্ষেত্রে ধনে পাতা কিনে এনে মূলগুলো কাটবেন না। বরং মূল এক কাপ পানিতে ধনেপাতা ভিজিয়ে রাখুন, যেভাবে ফুলদানিতে ফুল রাখা          হয়। এভাবে অনেকদিন ফ্রেশ থাকবে। ফ্রিজে রাখতে চাইলে মূলগুলো ছেঁটে বক্সে ভরে তারপর ফ্রিজে রাখুন।

   4. কাঁচা মরিচের বোঁটা ফেলে প্লাস্টিকের বক্সে ভরে ফ্রিজে রাখুন, অনেক দিন খেতে পারবেন। বাইরে রাখতে চাইলে হালকা হলুদ গায়ে মেখে রাখুন। বেশিদিন তাজা থাকবে।

    5. টমেটো, মাশরুম, লেটুস ইত্যাদি সবজি ফ্রিজে রাখতে চাইলে কাগজের প্যাকেটে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন।

    6. শাক জিনিসটা ফ্রিজে না রাখাই ভালো। সম্ভব হলে প্রতিদিনেরটা প্রতিদিন কিনে খান। সেটা সম্ভব না হলে পানির ছিটা দিয়ে শাক বাইরে রাখুন। তবে একদিনের বেশি নয়।

    7. আলু, পিঁয়াজ, আদা, রসুন ইত্যাদি মাঝে মাঝে নরম রোদে মেলে দিন যদি বেশি কেনা হয়ে থাকে।


10
English / Workshop of Rosa Fagundes
« on: December 07, 2014, 01:11:03 PM »
I am really thankful to the Head, Ms Umme Kulsum for arranging the workshop on "How learning works: Brain based approach & best practices for teaching writing" facilitated by Ms Rosa Fagundes. On that day long workshop I personally learn many techniques which I can apply to my class. I hope I can make my students more involved in the learning process.

11
English / Short stories for ESL students
« on: December 04, 2014, 01:32:12 PM »


Hans Andersen, a life-long fisherman, had a dream. He wanted to sail around the world. And he did it. He got several sponsors who subsidized his trip. He bought a beautiful 40-foot yacht, with all the latest technical and safety gear, and had a pleasant voyage. Well, except for almost sinking while going around the tips of South America and Africa.

The voyage went so smoothly that, looking back on it, he felt it was too easy. He needed a new challenge. He decided to build his own boat. But that was nothing new. Several people had built their own boats and sailed them around the world. No, he needed a unique boat. Watching TV commercials one day, he got it—ice cream sticks! He would be the first man to sail around the world in a boat built exclusively of ice cream sticks.

He put out the word. Within three years, school children from all over Holland had sent Hans 15 million ice cream sticks. He used these sticks to build a 45-foot replica of a Viking ship. After all the sticks were glued together, Hans took his new boat out to sea on a one-week voyage. "It's magnificent, and totally sea-worthy," he proclaimed.

He plans to set sail in early 2008 with a crew of two. He will sail across the Atlantic to Canada, and then down to Florida and through the Panama Canal. Then he'll travel to Los Angeles, Honolulu, Tokyo, around the tip of Africa, and back to Holland. "If this trip succeeds," he joked, "my next goal will be to build a plane out of ice cream sticks and fly it around the world!"

12
Inspiring Quotes / Importance of Meditation
« on: December 01, 2014, 07:39:16 PM »
We meditate for various reasons. Peace of mind we all badly need. Therefore, when we meditate, either consciously or unconsciously we aim at peace of mind. Meditation gives us peace of mind without a tranquillizer. And unlike a tranquillizer, the peace of mind that we get from meditation does not fade away. It lasts for good in some corner of the inmost recesses of our aspiring heart.

How do we meditate silently? Just by not talking, just by not using outer words, we are not doing silent meditation. Silent meditation is totally different. When we start meditating in silence, right from the beginning we feel the bottom of a sea within us and without. The life of activity movement and restlessness is on the surface, but deep below, underneath our human life, there is poise and silence. So, either we shall imagine this sea of silence within us or we shall feel that we are nothing but a sea of poise itself.
Meditation is acceptance. It is the acceptance of life within us, without us and all around us. Acceptance of life is the beginning of human satisfaction. Transformation of life is the culmination of divine satisfaction.

When we meditate we expand, spreading our wings like a bird, trying to enter consciously into Infinity, Eternity and Immortality, welcoming them into our aspiring consciousness. We see, feel and grow into the entire universe of Light-Delight.

Real meditation we get from within or from a spiritual Master. We can never get it from books. From books we can get inspiration or an inner approach to the fulfilment of our outer life. But in order to have true meditation we have to go deep within or follow the guidance of a spiritual Master.----- Sri Chinmoy

13
Inspiration / The poem of Rumi
« on: December 01, 2014, 07:30:12 PM »
At the Twilight

At the twilight, a moon appeared in the sky;

Then it landed on earth to look at me.

Like a hawk stealing a bird at the time of prey;

That moon stole me and rushed back into the sky.

I looked at myself, I did not see me anymore;

For in that moon, my body turned as fine as soul.

The nine spheres disappeared in that moon;

The ship of my existence drowned in that sea.

 

14
Faculty Sections / Patience & Tips On How to Develop It
« on: December 01, 2014, 06:51:03 PM »
Patience is the ability to tolerate waiting, delay, or frustration without becoming agitated or upset. It's the ability to be able to control your emotions or impulses and proceed calmly when faced with difficulties. It comes from  Latin word pati which means to suffer, to endure, to bear.

Needless to say, patience does not come easily to most of us and it's probably harder now to be patient than historically it has ever been.

In today's world of 'instant everything', technological advancements and readily available credit have allowed us to obtain, experience, and consume practically anything we want - almost immediately.

Do we even need to be patient anymore?
Well, if we want to reach our goals, have successful relationships and achieve personal peace, the answer is a resounding yes!

Anything worthwhile and of importance cannot take place right away. It takes time, dedication and effort to achieve; so even in this day and age, patience is a virtue.
The Benefits of Developing Patience

    1. Reduces stress levels and makes you a happier, healthier person.
    When you learn and practice patience you don't get as angry, stressed or overwhelmed. You are more in control of your emotions and in a better position to deal with difficult situations with ease and poise.
    This promotes longevity and makes you a happier, healthier person.

   2. Results in better decision-making.
    When you're patient you take the time to assess the situation, see the big picture, and weigh any pros and cons. The chances of making a big mistake lessen because you avoid making it in haste. Taking the time to problem solve requires patience and deliberation.

    3. Helps develop understanding, empathy and compassion.
    You are automatically more understanding and compassionate with others when you yourself are patient. Patient people take the time to process what they go through and are able to determine what it takes to overcome obstacles so they are more understanding of others. This results in better, more fulfilling relationships with spouses, friends, children and bosses.

    4. Helps you understand and appreciate the process of growth.
    As mentioned earlier anything worthwhile takes time and effort to achieve. As the old saying goes "Rome wasn't built in a day." Planning, growth, evaluation and measurement all take time, and taking time takes patience.

     

Tips on How to Develop Patience

   1.  Take a day where you make patience your goal for the entire day.
    Make a concerted effort to take your time and think about everything you do, be mindful and live in the moment. At the end of the day, observe all the ways in which you've made smarter decisions, got along better with others and actually understood what took place. Learn to do it on a daily basis. Developing patience is much like physical exercise because it requires persistence and effort.

    2. Slow down.

    If you have the tendency to rush around and try to hurry things up, want things done immediately and can't wait for things to take their natural course, STOP. Take several deep breaths before you act or make a move. For example, if you're in a long lineup at the grocery store or in heavy traffic, make the decision to pause and not get worked up. Do some isometrics, listen to the radio, or just enjoy the view. Getting impatient won't make things move along any faster, so why get worked up for nothing?

   3. Practice delaying gratification.
    When you want to reach for that dessert, second drink, or buying your tenth pair of red shoes, stop and think about it first. Maybe you don't need or want any of them that badly after all. You can save yourself some money or added calories.

   4. Practice thinking before you speak.
    At times we blurt out the first thought that comes into our heads without considering the consequences. If we're patient, pause and go over what we want to say, we can avoid hurting or offending others.

Situations for which patience is a must:

a. Reaching most goals
b. Losing weight
c. Having a baby
d. Bodybuilding
e. Becoming a professional career person such as a doctor, lawyer, engineer
f.  Becoming a top athlete
g. Becoming a virtuoso in any musical field
h. The healing of any wounds or illnesses
i.  Getting over loss or tragedy
     

15
Humanities & Social Science / Live Your Life
« on: December 01, 2014, 05:31:45 PM »
To live in the moment, or now, means being conscious, aware and in the present with all of your senses. It means not dwelling on the past, nor being anxious or worrying about the future. When we concentrate our attention on the present we focus on the task at hand. We give our full attention to what we are doing and we let go of outcomes. Seizing each moment in life allows us to prolong its value and make it more meaningful. Rather than seeking quantity of time, when we live in the moment we enjoy and savor every minute. We don't sacrifice quality for quantity. Of course, this doesn't mean we don't need to plan, set goals or prepare for the future. We can do all of these things and still enjoy each moment as it unfolds. For instance, if we have set a goal to exercise each day, we would carry on with it while enjoying the actual process, or moment, of exercising (or at least be in the moment of it). When we train ourselves to live in each moment, we immerse ourselves in it and begin to discover its beauty and wonder. We learn focus and how to manage our energy. Professional athletes understand and employ this kind of focus very well. They know that accomplishment and success are a result of the skillful management and balancing of energy. To make every moment count we must embrace it. Everything we do and every person we come in contact with deserves our full attention. Even when resting we should savor the moment. It gives us the opportunity to recharge, renew and gain clarity. Quite often we put huge expectations on ourselves and our lives. We rush to do this, hurry up with that, without actually enjoying the process. What's the rush? Where do we think we're going? If we don't stop and think about where we're at, we're probably missing the point. Instead, when we appreciate each moment and garner the lessons from it, we live consciously, purposefully and responsibly. Likewise, when we live in the past and don't let go of painful experiences, perceived wrongs, or difficult times, we condemn ourselves to a present and future of the same. We cannot change the past. We can, however, come to terms with it, know that it's over, and move on. Living in the moment means letting go of the past and trusting in the future. When we are positive and optimistic in the present, we open the possibility of a positive and promising future. We owe it to ourselves to make every moment count - now!

Tips for Living in The Moment

    1. Train your mind to focus on the current activity.
    2. Engage in, and feel what you are doing. Enjoy the process.
    3. Learn relaxation techniques in order to be present in each moment.
    4. Take notice of your surroundings - sights, sounds, smells, ambiance.
    5. Listen attentively to the conversation of others, music, even silence.
   6.  Savor your food and drink. Taste each morsel.

 
Benefits of Living in The Moment

    ✓ You become more connected with your thoughts and feelings
    ✓ Are more connected to others
    ✓ Feel more gratitude and enjoyment of life
    ✓ If you live in the moment, it won't pass you by
    ✓ Feel more focused, peaceful and alive
    ✓ Feel less anxious and fearful
(collected)

Pages: [1] 2