Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: [1] 2 3 ... 25
1
Permanent Campus of DIU / Insect life.
« on: February 28, 2020, 11:51:28 PM »
ছোটবেলার কথা। টেলিভিশন না পেপার মনে নাই। কোনটাতে যেন প্রচার হতে দেখতাম - দেশের অন্ততঃ ২৫% এলাকাতে বনভূমি থাকতে হবে। না হলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য থাকবে না।
ভাবতেছিলাম ম্যাপ বের করে দেখি - বর্তমানে দেশের কত অংশে বনভূমি আছে?
গুগুলে লিখলাম Forest percentage in Bangladesh 2020.
উত্তর আসলো ১১.১% (জাতিসংঘ, এফ এ ও এর রিপোর্ট অনুযায়ী।)
সেখানে আরো লেখা আছে ৩৩% বনভূমির প্রয়োজনীয়তার কথা।
ছোটবেলায় যখন ঢাকার বাইরে যেতাম গাবতলী ও আমিন বাজার পার হলেই দুইপাশে দেখা যেত ক্ষেত খামার ও গাছপালা। আমরা সকাল ১১টায় গাবতলী থেকে রওনা দিয়ে ১টার আগেই আরিচা পৌছে যেতাম। পথে শুধু সাভারে স্মৃতি সৌধে আসলে বুঝা যেত কতদূর এসেছি। এছাড়াও দুইপাশে দেখা যেত শালবন। সেই শালবনে কয়েকবার পিকনিকেও গিয়েছি। সেগুলো এখন আর নাই।
এছাড়াও ঢাকার ভিতরেও ছিল অনেক মাঠ ও খালি জায়গা। যেখানে আমাদের মত ছোটরা খেলা ধুলা করতো। এখনও মনে আছে মোহাম্মাদপুরে যখন থাকতাম আসেপাশের কিছু রাস্তা এতো নির্জন ছিল যে দিনের বেলাতেও আমরা ছোটরা একাএকা হেটে যেতে ভয় পেতাম।
তখন বাসার জানালায় দাঁড়ালেই উপরে দেখা যেত বিশাল আকাশ। ঢাকার বাসাতে বসেই সারারাত শুনতাম ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক।
গাছপালা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ শুধু মনোমুগ্ধকর তাই নয়। আমাদের শারীরিক ও মানুষিক অবস্থাও এর সাথে উঠানামা করে।
এখন এই ঢাকা দেখি আর ভাবি।
আমরা বহু আগেই ঢাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছি।
পঙ্গপাল গাছপালা - শস্য সব খেয়ে ফেলে। পঙ্গপাল হল ভয়ংকর একটি প্রাণী। আগুন দেখলে এরা ঝাপিয়ে পড়ে। যদিও জানে যে এতে তাদের মৃত্যু অনিবার্য।
আমরা ঢাকার মানুষেরা প্রকৃৃতির কাছে পঙ্গপালের থেকেও অনেক ভয়ংকর রূপে দেখা দিয়েছি - তা কি আমরা জানি?

2
Textile Engineering / Insect life.
« on: February 28, 2020, 11:49:38 PM »
ছোটবেলার কথা। টেলিভিশন না পেপার মনে নাই। কোনটাতে যেন প্রচার হতে দেখতাম - দেশের অন্ততঃ ২৫% এলাকাতে বনভূমি থাকতে হবে। না হলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য থাকবে না।
ভাবতেছিলাম ম্যাপ বের করে দেখি - বর্তমানে দেশের কত অংশে বনভূমি আছে?
গুগুলে লিখলাম Forest percentage in Bangladesh 2020.
উত্তর আসলো ১১.১% (জাতিসংঘ, এফ এ ও এর রিপোর্ট অনুযায়ী।)
সেখানে আরো লেখা আছে ৩৩% বনভূমির প্রয়োজনীয়তার কথা।
ছোটবেলায় যখন ঢাকার বাইরে যেতাম গাবতলী ও আমিন বাজার পার হলেই দুইপাশে দেখা যেত ক্ষেত খামার ও গাছপালা। আমরা সকাল ১১টায় গাবতলী থেকে রওনা দিয়ে ১টার আগেই আরিচা পৌছে যেতাম। পথে শুধু সাভারে স্মৃতি সৌধে আসলে বুঝা যেত কতদূর এসেছি। এছাড়াও দুইপাশে দেখা যেত শালবন। সেই শালবনে কয়েকবার পিকনিকেও গিয়েছি। সেগুলো এখন আর নাই।
এছাড়াও ঢাকার ভিতরেও ছিল অনেক মাঠ ও খালি জায়গা। যেখানে আমাদের মত ছোটরা খেলা ধুলা করতো। এখনও মনে আছে মোহাম্মাদপুরে যখন থাকতাম আসেপাশের কিছু রাস্তা এতো নির্জন ছিল যে দিনের বেলাতেও আমরা ছোটরা একাএকা হেটে যেতে ভয় পেতাম।
তখন বাসার জানালায় দাঁড়ালেই উপরে দেখা যেত বিশাল আকাশ। ঢাকার বাসাতে বসেই সারারাত শুনতাম ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক।
গাছপালা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ শুধু মনোমুগ্ধকর তাই নয়। আমাদের শারীরিক ও মানুষিক অবস্থাও এর সাথে উঠানামা করে।
এখন এই ঢাকা দেখি আর ভাবি।
আমরা বহু আগেই ঢাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছি।
পঙ্গপাল গাছপালা - শস্য সব খেয়ে ফেলে। পঙ্গপাল হল ভয়ংকর একটি প্রাণী। আগুন দেখলে এরা ঝাপিয়ে পড়ে। যদিও জানে যে এতে তাদের মৃত্যু অনিবার্য।
আমরা ঢাকার মানুষেরা প্রকৃৃতির কাছে পঙ্গপালের থেকেও অনেক ভয়ংকর রূপে দেখা দিয়েছি - তা কি আমরা জানি?

3
Permanent Campus of DIU / Money - the necessary evil.
« on: February 26, 2020, 08:17:45 PM »
কাগজের টাকা।
জানে কত সততার সাথে মানুষ জীবন যাপন করে।
কাগজের টাকা জানে কত স্বার্থপর হতে পারে মানুষ।
কাগজের টাকা জানে কত কষ্টকর তাকে পাওয়া।
আবার সে জানে কত সহজে তাকে কতজন পেয়ে যায়।
কারো কাছে কাগজের টাকা মানে সহস্র বিন্দু বিন্দু ঘামের বিনিময়।
কারো কাছে উপহার আবার কারো কাছে জরিমানা।
কারো কাছে হাতখরচ আবার কারো কাছে জীবিকা।
কারো কাছে সঞ্চয় আবার কারো কাছে বেহিসেবি খরচ।
কেউ কুড়িয়ে পায়। কেউ গুণে চলে।
কেউ লুকিয়ে রাখে আবার কেউ তাকে নিয়ে বড়াই করে চলে।
কাগজের টাকা মানে কারো কাছে সচ্ছল জীবন।
কাগজের টাকার কাছে কখনো জীবন হেরে যায়।
কাগজের টাকা থাকে ঘরের আলমারিতে। কখনো রিক্সাচালকের গিটের মাঝে। ধরা থাকে তা মাছ ওয়ালার ভেজা হাতে। কখনো বা তার জায়গা হয় বিলাসি মানিব্যাগে। কখনোবা অস্ত্র তাকে পাহারা দেয়। কখনোবা বা সে পড়ে থাকে দান বাক্সে।
মেশিন গুণে চলে শত সহস্র টাকা। ভিক্ষুকের ঝুলিতে বসে দুলে চলে। পার হয়ে যায় পায়ে হাঁটা অনেকটা পথ।
ফ্লেক্সি করে কেউ কথা বলে চলে। কেউ বা রাস্তার ধারের চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে চলে।
কেউ অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকে পথের ধারে কখনোবা ওভারব্রিজে।
টাকা থাকে জীবাণুর মত সব জায়গায়। জীবাণুর মত সেও অদৃশ্য থাকে।
কেউ ঘুস দেয় টাকায়। কেউ মজুরী গুণে চলে টাকায়।
টাকা শুধু জানে কত অকৃত্রিম হতে পারে মানুষের ভালবাসা। টাকা জানে কত কুৎসিত হয় মানুষ।
টাকা চালু রাখে এই মানব সমাজ। কখনোবা স্থম্ভিত করে দেয় মানুষের বিবেক। কখনো কাউকে হাসায় আবার হয়তো কাঁদায়।
টাকা কখনো সচল করে। আবার কখনো অচল করে।
Money - The necessary evil.

4
Textile Engineering / Money - the necessary evil.
« on: February 26, 2020, 08:17:10 PM »
কাগজের টাকা।
জানে কত সততার সাথে মানুষ জীবন যাপন করে।
কাগজের টাকা জানে কত স্বার্থপর হতে পারে মানুষ।
কাগজের টাকা জানে কত কষ্টকর তাকে পাওয়া।
আবার সে জানে কত সহজে তাকে কতজন পেয়ে যায়।
কারো কাছে কাগজের টাকা মানে সহস্র বিন্দু বিন্দু ঘামের বিনিময়।
কারো কাছে উপহার আবার কারো কাছে জরিমানা।
কারো কাছে হাতখরচ আবার কারো কাছে জীবিকা।
কারো কাছে সঞ্চয় আবার কারো কাছে বেহিসেবি খরচ।
কেউ কুড়িয়ে পায়। কেউ গুণে চলে।
কেউ লুকিয়ে রাখে আবার কেউ তাকে নিয়ে বড়াই করে চলে।
কাগজের টাকা মানে কারো কাছে সচ্ছল জীবন।
কাগজের টাকার কাছে কখনো জীবন হেরে যায়।
কাগজের টাকা থাকে ঘরের আলমারিতে। কখনো রিক্সাচালকের গিটের মাঝে। ধরা থাকে তা মাছ ওয়ালার ভেজা হাতে। কখনো বা তার জায়গা হয় বিলাসি মানিব্যাগে। কখনোবা অস্ত্র তাকে পাহারা দেয়। কখনোবা বা সে পড়ে থাকে দান বাক্সে।
মেশিন গুণে চলে শত সহস্র টাকা। ভিক্ষুকের ঝুলিতে বসে দুলে চলে। পার হয়ে যায় পায়ে হাঁটা অনেকটা পথ।
ফ্লেক্সি করে কেউ কথা বলে চলে। কেউ বা রাস্তার ধারের চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে চলে।
কেউ অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকে পথের ধারে কখনোবা ওভারব্রিজে।
টাকা থাকে জীবাণুর মত সব জায়গায়। জীবাণুর মত সেও অদৃশ্য থাকে।
কেউ ঘুস দেয় টাকায়। কেউ মজুরী গুণে চলে টাকায়।
টাকা শুধু জানে কত অকৃত্রিম হতে পারে মানুষের ভালবাসা। টাকা জানে কত কুৎসিত হয় মানুষ।
টাকা চালু রাখে এই মানব সমাজ। কখনোবা স্থম্ভিত করে দেয় মানুষের বিবেক। কখনো কাউকে হাসায় আবার হয়তো কাঁদায়।
টাকা কখনো সচল করে। আবার কখনো অচল করে।
Money - The necessary evil.

5
Textile Engineering / সেকালের টেলিভিশন।
« on: January 28, 2020, 12:51:10 AM »
টিভির বিবর্তন নিয়ে ভাবতেছিলাম। আমাদের সময় একটাই চ্যানেল ছিল আমাদের দেশে। সেটি হল ৯ নাম্বার চ্যানেল। এইটাতে কেবলমাত্র বি টি ভি দেখতে পারতাম আমরা। অল্প কিছুদিন এর পাশাপাশি ৬ নাম্বার চ্যানেল চালু করা হল। এইটাও বি টি ভি। আমাদের ভাই বোনদের মধ্যে টি ভি দেখা নিয়ে ঝগড়া ঝাটি শুরু হল। একজন দেখবে ৯ নাম্বার চ্যানেল তো আরেকজন দেখবে ৬ নাম্বার।
আমাদের সময়টা ছিল কিছুটা ভিন্ন। দাদা - নানাদের মাঝে এমনও কেউ কেউ ছিল - যারা সাধারণ গান শোনাকেও গর্হিত কাজ বলে মনে করতেন। অনেক সময়ই বাসায় এমন দাদা - নানাদের উপস্থিতিতে টিভি বন্ধও রাখা হত।
টি ভি তখন ছিল ঢাউস একটি বড় বাক্সের মত। যার কাঠামোর অনেক অংশই কাঠের তৈরি থাকতো। টেলিভিশনের পিছনে কাঠের কভারের ফুটো দিয়ে কিছু বাল্ব জ্বলতে দেখা যেত। টিভি গুলোর পায়াও থাকতো। রুমের এক মাথায় টি ভি দাড়িয়ে থাকতো তার কাঠের চার পায়ে ভর দিয়ে। রিমোট কন্ট্রোল তখন ছিল না। শীতকালে লেপ কম্বল গায়ে দিয়ে আয়েস করে বসে টিভি দেখার সময় সাউন্ড বা আলো কমাতে বা বাড়াতে হলে - উঠতে ইচ্ছা হত না।
টি ভি তে সিগারেটের বিজ্ঞাপন দেখানো সাধারণ একটি ব্যাপার ছিল। ছিল না কোন সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ।
অনেকদিন কেবলমাত্র সাদা কালো টেলিভিশনই ছিল। অনেক পরে রঙ্গিন টেলিভিশন দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
কোন দেশে কত সালে টেলিভিশন চালু হয়েছে - এইটা দিয়ে দেশের অবস্থা ব্যাখ্যা করতেও দেখেছি।
তখনকার খবর পাঠকদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হত। এক নাগারে ২০ - ৩০ মিনিট কাগজের লেখা খবর পড়তে হত তাদের। এক পৃষ্ঠা পড়া হলে তা পাশে রেখে আবার নতুন পৃষ্ঠার খবর পড়া শুরু করতে দেখতাম।
বিজ্ঞাপন বা এড গুলো থাকতো লিখিত আকারে। যেন একটি ল্যান্ড স্কেপ কাগজের পোস্টার। এড চেঞ্জ হওয়ার সময় টুট করে একটি শব্দ হত।
তখনকার নাট্য অভিনেতা, গানের শিল্পী থেকে সবাইকেই অনেক দক্ষ হতে হত।
এখনকার তুলোনায় অনেক ধীর গতির অনুষ্ঠান হত। তার পরেও তখনকার টেলিভিশনের অনেক কিছু এখনও অতুলোনীয় মনে হয়।

6
টিভির বিবর্তন নিয়ে ভাবতেছিলাম। আমাদের সময় একটাই চ্যানেল ছিল আমাদের দেশে। সেটি হল ৯ নাম্বার চ্যানেল। এইটাতে কেবলমাত্র বি টি ভি দেখতে পারতাম আমরা। অল্প কিছুদিন এর পাশাপাশি ৬ নাম্বার চ্যানেল চালু করা হল। এইটাও বি টি ভি। আমাদের ভাই বোনদের মধ্যে টি ভি দেখা নিয়ে ঝগড়া ঝাটি শুরু হল। একজন দেখবে ৯ নাম্বার চ্যানেল তো আরেকজন দেখবে ৬ নাম্বার।
আমাদের সময়টা ছিল কিছুটা ভিন্ন। দাদা - নানাদের মাঝে এমনও কেউ কেউ ছিল - যারা সাধারণ গান শোনাকেও গর্হিত কাজ বলে মনে করতেন। অনেক সময়ই বাসায় এমন দাদা - নানাদের উপস্থিতিতে টিভি বন্ধও রাখা হত।
টি ভি তখন ছিল ঢাউস একটি বড় বাক্সের মত। যার কাঠামোর অনেক অংশই কাঠের তৈরি থাকতো। টেলিভিশনের পিছনে কাঠের কভারের ফুটো দিয়ে কিছু বাল্ব জ্বলতে দেখা যেত। টিভি গুলোর পায়াও থাকতো। রুমের এক মাথায় টি ভি দাড়িয়ে থাকতো তার কাঠের চার পায়ে ভর দিয়ে। রিমোট কন্ট্রোল তখন ছিল না। শীতকালে লেপ কম্বল গায়ে দিয়ে আয়েস করে বসে টিভি দেখার সময় সাউন্ড বা আলো কমাতে বা বাড়াতে হলে - উঠতে ইচ্ছা হত না।
টি ভি তে সিগারেটের বিজ্ঞাপন দেখানো সাধারণ একটি ব্যাপার ছিল। ছিল না কোন সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ।
অনেকদিন কেবলমাত্র সাদা কালো টেলিভিশনই ছিল। অনেক পরে রঙ্গিন টেলিভিশন দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
কোন দেশে কত সালে টেলিভিশন চালু হয়েছে - এইটা দিয়ে দেশের অবস্থা ব্যাখ্যা করতেও দেখেছি।
তখনকার খবর পাঠকদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হত। এক নাগারে ২০ - ৩০ মিনিট কাগজের লেখা খবর পড়তে হত তাদের। এক পৃষ্ঠা পড়া হলে তা পাশে রেখে আবার নতুন পৃষ্ঠার খবর পড়া শুরু করতে দেখতাম।
বিজ্ঞাপন বা এড গুলো থাকতো লিখিত আকারে। যেন একটি ল্যান্ড স্কেপ কাগজের পোস্টার। এড চেঞ্জ হওয়ার সময় টুট করে একটি শব্দ হত।
তখনকার নাট্য অভিনেতা, গানের শিল্পী থেকে সবাইকেই অনেক দক্ষ হতে হত।
এখনকার তুলোনায় অনেক ধীর গতির অনুষ্ঠান হত। তার পরেও তখনকার টেলিভিশনের অনেক কিছু এখনও অতুলোনীয় মনে হয়।

7
Textile Engineering / Generation gap.
« on: January 22, 2020, 11:44:58 PM »
আমাদের জেনারেশন আর বর্তমান কালের জেনারেশনের মাঝে হঠাৎ করে দুইটা পার্থক্য ভেবে বের করলাম।
১. আমাদের জেনারেশনের সবাই টিচারের বেতের মাইরের স্বাদ পেয়েছি। বেতের মার খায় নাই এইরকম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে হয়তো।
এই জেনারেশনের কেউ বেতের মার খায় না। এই জেনারেশনে বেতের মার খাইছে এই রকম হাজারে দুইএকটা পাওয়া যাবে।
 
২. আমাদের সবার নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জন্ম। সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।
এই জেনারেশনের সবার সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়েছে। নরমাল ডেলিভারীর মাধ্যমে জন্ম তা হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।

8
Permanent Campus of DIU / Generation gap.
« on: January 22, 2020, 11:42:56 PM »
আমাদের জেনারেশন আর বর্তমান কালের জেনারেশনের মাঝে হঠাৎ করে দুইটা পার্থক্য ভেবে বের করলাম।
১. আমাদের জেনারেশনের সবাই টিচারের বেতের মাইরের স্বাদ পেয়েছি। বেতের মার খায় নাই এইরকম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে হয়তো।
এই জেনারেশনের কেউ বেতের মার খায় না। এই জেনারেশনে বেতের মার খাইছে এই রকম হাজারে দুইএকটা পাওয়া যাবে।
 
২. আমাদের সবার নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জন্ম। সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।
এই জেনারেশনের সবার সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়েছে। নরমাল ডেলিভারীর মাধ্যমে জন্ম তা হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।

9
একটি লেখা লেখার জন্য রাত জেগে বসে থাকা। মন কত সহজে ভেবে চলে। কিন্তু তা লেখায় ফুটিয়ে তোলা ততো সহজ নয়। মন যুবকের ক্ষিপ্রতায় দৌড়ে চলে। আর লেখা যেন শিশুর হাটিহাটি পাপা চলতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়।
তাও ভালো যে - মানুষের মন কাঁচের মত স্বচ্ছ নয়। যদি একজন মানুষ অন্য মানুষের মনের ভেতরটা সরাসরি দেখতে পেত? একজনের মনের ভালো খারাপ সব কিছু বাইরে থেকেই বুঝে ফেললে মানুষের বিপদই ছিল। পরক্ষনেই মনে হল তাহলেই হয়তো মানুষের জীবনটা আরও সহজ হত।
মিথ্যা কথা কিংবা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়ার দিন শেষ হয়ে যেত। ভন্ড মানুষদের ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বের হতে হত পথে পথে।
শিশুর মন বেশী কিছু ভাবে না। কোন স্মৃতিই তার মনে স্থান করে নেয়নি। আর বৃদ্ধের মন যেন তাকে নিজেকে শাস্তি দিয়ে চলে প্রতি মুহূর্তে। কত মানুষ, কত নাম, কত স্মৃতি, কত বেদনা, কত তারিখ তার মনে ভার হয়ে আছে।
মন শুধু ওয়ান ওয়ে রোড। এখানে স্মৃতি শুধু জমা হয়। স্মৃতি বের হওয়ার কোন পথ নাই। স্মৃতি জমে জমে ভর্তি হয়ে চলে। ঠিক যেভাবে পুরানো বাসায় ফার্নিচার আর জিনিসপত্র দিয়ে ভর্তি হয়। সব কিছুই আছে বাসায় কিন্তু ঠিক সময়ে খুজে পাওয়া দুঃসাধ্য একটি ব্যাপার। জিনিস গুলো নিয়ে সময় কাটানো কোন ব্যাপারই নয়। চাইলে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটানো যায়।
কখনো কোন মূল্যবান স্মৃতি হারানো যায়। কোনটা বা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়।
বৃদ্ধ মন সব কিছু বুঝে। সব বেদনা সে অনুভব করতে পারে।তার এই সেন্সেটিভ মন নিয়ে সে সব সময় হৃদয়ে আঘাত পায়। বৃদ্ধের থাকে বিশাল স্মৃতি ভান্ডার।নিজের জন্য যেমন - অন্যের বেদনাও সে অনুভব করতে পারে। বৃদ্ধের কথার গুরুত্ব অনেক। কোনটা কখন কোথায় বলতে হবে - এতো বিবেচনা কেবলমাত্র বৃদ্ধদেরকেই করতে হয়।
বৃদ্ধদের মূল্য কেবলমাত্র থার্ড জেনারেশনের কাছে। সেকেন্ড জেনারেশনের কাছে সে কেবলমাত্র ঝামেলা বাড়ানোর মাধ্যম ছাড়া আর কিছু নয়।
বৃদ্ধ সবার কথা ভাবে। সবাইকে নিয়ে চলতে চায়। কিন্তু সেখানে কেউই বৃদ্ধের কথা ভাবে না। তাকে গা ঝাড়া দিয়ে দূরে পাঠাতে পারলেই যেন সবাই বেঁচে যায়।

10
একটি লেখা লেখার জন্য রাত জেগে বসে থাকা। মন কত সহজে ভেবে চলে। কিন্তু তা লেখায় ফুটিয়ে তোলা ততো সহজ নয়। মন যুবকের ক্ষিপ্রতায় দৌড়ে চলে। আর লেখা যেন শিশুর হাটিহাটি পাপা চলতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়।
তাও ভালো যে - মানুষের মন কাঁচের মত স্বচ্ছ নয়। যদি একজন মানুষ অন্য মানুষের মনের ভেতরটা সরাসরি দেখতে পেত? একজনের মনের ভালো খারাপ সব কিছু বাইরে থেকেই বুঝে ফেললে মানুষের বিপদই ছিল। পরক্ষনেই মনে হল তাহলেই হয়তো মানুষের জীবনটা আরও সহজ হত।
মিথ্যা কথা কিংবা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়ার দিন শেষ হয়ে যেত। ভন্ড মানুষদের ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বের হতে হত পথে পথে।
শিশুর মন বেশী কিছু ভাবে না। কোন স্মৃতিই তার মনে স্থান করে নেয়নি। আর বৃদ্ধের মন যেন তাকে নিজেকে শাস্তি দিয়ে চলে প্রতি মুহূর্তে। কত মানুষ, কত নাম, কত স্মৃতি, কত বেদনা, কত তারিখ তার মনে ভার হয়ে আছে।
মন শুধু ওয়ান ওয়ে রোড। এখানে স্মৃতি শুধু জমা হয়। স্মৃতি বের হওয়ার কোন পথ নাই। স্মৃতি জমে জমে ভর্তি হয়ে চলে। ঠিক যেভাবে পুরানো বাসায় ফার্নিচার আর জিনিসপত্র দিয়ে ভর্তি হয়। সব কিছুই আছে বাসায় কিন্তু ঠিক সময়ে খুজে পাওয়া দুঃসাধ্য একটি ব্যাপার। জিনিস গুলো নিয়ে সময় কাটানো কোন ব্যাপারই নয়। চাইলে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটানো যায়।
কখনো কোন মূল্যবান স্মৃতি হারানো যায়। কোনটা বা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়।
বৃদ্ধ মন সব কিছু বুঝে। সব বেদনা সে অনুভব করতে পারে।তার এই সেন্সেটিভ মন নিয়ে সে সব সময় হৃদয়ে আঘাত পায়। বৃদ্ধের থাকে বিশাল স্মৃতি ভান্ডার।নিজের জন্য যেমন - অন্যের বেদনাও সে অনুভব করতে পারে। বৃদ্ধের কথার গুরুত্ব অনেক। কোনটা কখন কোথায় বলতে হবে - এতো বিবেচনা কেবলমাত্র বৃদ্ধদেরকেই করতে হয়।
বৃদ্ধদের মূল্য কেবলমাত্র থার্ড জেনারেশনের কাছে। সেকেন্ড জেনারেশনের কাছে সে কেবলমাত্র ঝামেলা বাড়ানোর মাধ্যম ছাড়া আর কিছু নয়।
বৃদ্ধ সবার কথা ভাবে। সবাইকে নিয়ে চলতে চায়। কিন্তু সেখানে কেউই বৃদ্ধের কথা ভাবে না। তাকে গা ঝাড়া দিয়ে দূরে পাঠাতে পারলেই যেন সবাই বেঁচে যায়।

11
(আমার কবিতা লেখার প্রয়াস।)

আমি লুকাতে চাই। রাতের অন্ধকার থেকে আর দিনের আলো থেকে।
আমি লুকিয়ে ফেলতে চাই আমার কর্ম আর আমার কষ্ট গুলো।
আমি লুকাতে চাই আমার ভাবনা আর কল্পনা গুলো।
আমি পালাতে চাই দূর কোন দেশে। মাটির নীচে লুকাতে চাই আমার সব কর্ম। মাইকের জোড়ালো আওয়াজে ঢেকে যাক আমার আর্ত চিৎকার।
সকালে ক্লান্ত আমি - বিকালেও। যেন পৃথিবীর সব কৌতুক আমাকে নিয়েই লেখা। পেপারের ছবিগুলো যেন আমার দিকেই আঙ্গুলী নির্দেশ করে চলে। পাশ থেকে আসা গানের সুরগুলো যেন ব্যঙ্গ করে চলেছে আমাকে।
আমি আমার পরিচয় লুকাতে চাই। আমার চুল, আমার পরিচ্ছদ পালটে ফেলতে চাই। আমি চাই আমার কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করতে। লুকিয়ে ফেলতে চাই সেই সব কুড়িয়ে পাওয়া ভালোবাসা।
আমার হাতের ব্যাগ ফেলে দেই। আমার হাতঘড়ি ফেলে দেই ওই জলাধারে। চোখের কন্টাক্ট লেন্স খুলে ফেলে দেই - চুলায় গলে শেষ হয়ে যাক। জুতোটা ফেলে দেই পথে।
আমি ক্লান্ত পরিশ্রান্ত। আমি বাক বধির। অন্ধকারের নৃত্য আমার নিত্য কর্ম। কোথায় চলেছি আমি? ক্লান্ত পরিশ্রান্ত আমি ভুলে যাই আপনাকে।
স্ফুলিঙ্গ দিয়ে আগুনের শুরু। আর আগুন গ্রাস করে চলে সমগ্র কীর্তি।

12
(আমার কবিতা লেখার প্রয়াস।)

আমি লুকাতে চাই। রাতের অন্ধকার থেকে আর দিনের আলো থেকে।
আমি লুকিয়ে ফেলতে চাই আমার কর্ম আর আমার কষ্ট গুলো।
আমি লুকাতে চাই আমার ভাবনা আর কল্পনা গুলো।
আমি পালাতে চাই দূর কোন দেশে। মাটির নীচে লুকাতে চাই আমার সব কর্ম। মাইকের জোড়ালো আওয়াজে ঢেকে যাক আমার আর্ত চিৎকার।
সকালে ক্লান্ত আমি - বিকালেও। যেন পৃথিবীর সব কৌতুক আমাকে নিয়েই লেখা। পেপারের ছবিগুলো যেন আমার দিকেই আঙ্গুলী নির্দেশ করে চলে। পাশ থেকে আসা গানের সুরগুলো যেন ব্যঙ্গ করে চলেছে আমাকে।
আমি আমার পরিচয় লুকাতে চাই। আমার চুল, আমার পরিচ্ছদ পালটে ফেলতে চাই। আমি চাই আমার কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করতে। লুকিয়ে ফেলতে চাই সেই সব কুড়িয়ে পাওয়া ভালোবাসা।
আমার হাতের ব্যাগ ফেলে দেই। আমার হাতঘড়ি ফেলে দেই ওই জলাধারে। চোখের কন্টাক্ট লেন্স খুলে ফেলে দেই - চুলায় গলে শেষ হয়ে যাক। জুতোটা ফেলে দেই পথে।
আমি ক্লান্ত পরিশ্রান্ত। আমি বাক বধির। অন্ধকারের নৃত্য আমার নিত্য কর্ম। কোথায় চলেছি আমি? ক্লান্ত পরিশ্রান্ত আমি ভুলে যাই আপনাকে।
স্ফুলিঙ্গ দিয়ে আগুনের শুরু। আর আগুন গ্রাস করে চলে সমগ্র কীর্তি।

13
Permanent Campus of DIU / 'নাম' নিয়ে ভাবনা।
« on: January 04, 2020, 08:45:35 PM »
আমাদের স্টুডেন্ট লাইফে সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রশ্ন আসতো - "কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন" এই কথাটি কোন দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? উত্তরে আমরা লিখতাম - গ্রীনল্যান্ড। কেননা নামে গ্রীন বা সবুজ থাকলেও সেই দেশ পুরো বরফ আচ্ছাদিত থাকে সারা বছর।
নাম নিয়ে ভাবতেছিলাম। মানুষের নাম রাখা হয় জন্মের কিছু দিনের মধ্যেই। বাবা - মা অনেক আশা আকাংখা নিয়ে সন্তানের নাম রাখেন। অনেক সময় সুন্দর মানে থাকে নামের। কখনো বা কিছু নাম শুনলে মন জুড়িয়ে যায়। কিছু নামের উচ্চারন অনেক মধুর মনে হয়।
বড় হওয়ার পর সেই সন্তান কখনো নিজের নামের সার্থকতা দেখায়। কখনো বা তার নামই হয় সবার উপহাসের কারণ।
শুধু নাম শুনলেই অনেক সময়ই কোন একটি প্রতিচ্ছবি মানুষের মনে ফুটে উঠে। সামনাসামনি দেখার পর অনেক সময়ই সেইসব অনুমান মিলে না।
মানুষের বয়স যত বাড়ে; স্মৃতিতে তত একই নামের পরিচিত মানুষের সংখ্যাও বাড়ে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় একটি বাচ্চা ছেলে একটি নামের বড়জোর এক কি দুই জনকে চেনে। তাই নাম শুনলে তার পক্ষে খুব দ্রুত বোঝা সম্ভব - কার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষ একই নামে কম করে হলেও ৫ - ৬ জনকে চেনে। তাই ওই একই নাম শুনলে, কার কথা বলা হচ্ছে তা বুঝতে তার বেশী সময় লাগে। নাম আমাদের অনেক কিছু প্রকাশ করে। দেশ, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, ভাষা এই রকম অনেক কিছুই লুকায়িত থাকে নামের অন্তরালে।
কখনো কখনো মানুষ নিজের কর্ম দিয়ে নিজের নামকে বিখ্যাত করে তোলে। আবার কখনো কখনো কোন মানুষের কর্মের কারণে কোন কোন নাম কুখ্যাত হয়ে যায়।
নাম একটি অদ্ভুত জিনিস। কিছু নাম শুনলেই হয়তো অনেক স্মৃতি মনে ঝাপিয়ে পড়ে। আবার কিছু নাম শুনলে হয়তো বিতৃষ্ণা জাগে। কেননা আগে সেই নামের মানুষের সাথে হয়তো মন্দ কোন স্মৃতি জড়িয়ে আছে।

14
Textile Engineering / 'নাম' নিয়ে ভাবনা।
« on: January 04, 2020, 08:44:51 PM »
আমাদের স্টুডেন্ট লাইফে সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রশ্ন আসতো - "কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন" এই কথাটি কোন দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? উত্তরে আমরা লিখতাম - গ্রীনল্যান্ড। কেননা নামে গ্রীন বা সবুজ থাকলেও সেই দেশ পুরো বরফ আচ্ছাদিত থাকে সারা বছর।
নাম নিয়ে ভাবতেছিলাম। মানুষের নাম রাখা হয় জন্মের কিছু দিনের মধ্যেই। বাবা - মা অনেক আশা আকাংখা নিয়ে সন্তানের নাম রাখেন। অনেক সময় সুন্দর মানে থাকে নামের। কখনো বা কিছু নাম শুনলে মন জুড়িয়ে যায়। কিছু নামের উচ্চারন অনেক মধুর মনে হয়।
বড় হওয়ার পর সেই সন্তান কখনো নিজের নামের সার্থকতা দেখায়। কখনো বা তার নামই হয় সবার উপহাসের কারণ।
শুধু নাম শুনলেই অনেক সময়ই কোন একটি প্রতিচ্ছবি মানুষের মনে ফুটে উঠে। সামনাসামনি দেখার পর অনেক সময়ই সেইসব অনুমান মিলে না।
মানুষের বয়স যত বাড়ে; স্মৃতিতে তত একই নামের পরিচিত মানুষের সংখ্যাও বাড়ে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় একটি বাচ্চা ছেলে একটি নামের বড়জোর এক কি দুই জনকে চেনে। তাই নাম শুনলে তার পক্ষে খুব দ্রুত বোঝা সম্ভব - কার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষ একই নামে কম করে হলেও ৫ - ৬ জনকে চেনে। তাই ওই একই নাম শুনলে, কার কথা বলা হচ্ছে তা বুঝতে তার বেশী সময় লাগে। নাম আমাদের অনেক কিছু প্রকাশ করে। দেশ, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, ভাষা এই রকম অনেক কিছুই লুকায়িত থাকে নামের অন্তরালে।
কখনো কখনো মানুষ নিজের কর্ম দিয়ে নিজের নামকে বিখ্যাত করে তোলে। আবার কখনো কখনো কোন মানুষের কর্মের কারণে কোন কোন নাম কুখ্যাত হয়ে যায়।
নাম একটি অদ্ভুত জিনিস। কিছু নাম শুনলেই হয়তো অনেক স্মৃতি মনে ঝাপিয়ে পড়ে। আবার কিছু নাম শুনলে হয়তো বিতৃষ্ণা জাগে। কেননা আগে সেই নামের মানুষের সাথে হয়তো মন্দ কোন স্মৃতি জড়িয়ে আছে।

15
Permanent Campus of DIU / Magnificent soil.
« on: December 26, 2019, 09:27:42 PM »
মাটি হল হল কঠিন বস্তু। মাটিতে আছে জৈব উপাদান, অজৈব উপাদান। এছাড়াও এতে আছে কিছু পরিমান পানি ও বাতাস। মাটিতে থাকে নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, সহ আরো অনেক উপাদান। প্রানীর খাদ্য চক্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় আছে এই মাটি। মাটি ছাড়া প্রানীর খাদ্য - বিভিন্ন উদ্ভিদ - প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার।
কি আশ্চর্যজনক জিনিস এই মাটি। অদ্ভুত এর সহ্য ক্ষমতা। সব কিছুর শেষ ঠিকানা হল মাটি। মানুষের সব অত্যাচার যেন এই মাটির উপর।
বেলে মাটি পানি ধরে রাখতে পারে না। আবার এটেল মাটি অনেক পানি ধরে রাখে। মানুষের মধ্যে যেমন কিছু মনভোলা মানুষ থাকে - যা শুনতেছে সব এক কান দিয়ে ঢুকে আর এক কান দিয়ে বের হয়ে যায় - বেলে মাটি সেইরকম। আবার কিছু মানুষের ব্রেন থাকে এটেল মাটির মত - কিছুই ভুলে যায় না। আবার মাটির মানুষ আমরা তাকেই বলি - যে সব অপমান সহ্য করে নীরব থাকে।
বৃষ্টি হলে পানি মাটিতে পড়ে। আর মাটি সব কিছুকে লুকিয়ে ফেলে নিজের ভিতরে। প্রাণীর মৃত্যু হলে আস্তে আস্তে সে মাটিতে মিশে যায়। মাটি সব কিছুকে কোলে ধরে রাখে। ঘরবাড়ি গাছপালা রাস্তা ঘাট সব কিছুই মাটির উপর দাড়িয়ে থাকে। গাছপালা মাটি থেকে পুস্টি নেয়। আবার যখন কিছু ধ্বসে পড়ে - সে তখন মাটির সাথে মিশে যায়।
মাটি হল লুকিয়ে ফেলার অবলম্বন। আগে মানুষ ধন- সম্পদ মাটির নীচে লুকিয়ে রাখতো। মাটিতে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে পালিয়ে যেত। চোর মাটিতে সিঁদ কেটে চুরি করতো। কালে কালে কত দুষ্কর্ম যে মানুষ মাটির মাঝে লুকিয়ে ফেলেছে - কে তা বলবে?
নদী এককূল ভেঙ্গে আর এক কূল গড়ে। ভেঙ্গে যায় স্বপ্ন আবার গড়ে উঠে নতুন স্বপ্ন। কৃষকের সব স্বপ্ন থাকে এই মাটিকে ঘিরে। কুমোর মাটি দিয়ে বিভিন্ন জিনিস বানায়। মাটি দিয়ে ঘরও তৈরি করতো আমাদের দেশের মানুষ। ছিল জলাভূমি - মাটি ভরাট করে হয়ে গেল মাঠ - এখন সেখানে বহুতল ভবন। ব্যস্ত এই শহরের অনেক খানিই এইভাবেই গড়ে তোলা।
বর্তমানকালে মাটি কেবলমাত্র দখল করার জিনিস। কত মানুষ হতাহত হয়েছে। কত মানুষ নিঃস্ব হয়েছে - কে তা বলবে?
মাটি হল সব দূষণ লুকিয়ে ফেলার জায়গা।
মাটি সব অপমান সহ্য করে নিশ্চুপ থেকে যায়।
কিন্তু মাটিই হল আমাদের শেষ ঠিকানা।

Pages: [1] 2 3 ... 25