Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: [1] 2 3 ... 25
1
Textile Engineering / Days in corona.
« on: May 14, 2020, 10:39:28 PM »
কোভিডের কারণে সপ্তাহে এক দুইবার বের হওয়া হয়। দরকারী জিনিস কিনতে। আমাদের বাসার কাছেই উত্তরার বিডিআর বাজার। বাজারে ঢোকা অনেক আগেই বাদ দিয়েছি। যা কেনার তা বাজারের বাইরে ভ্যান গাড়ী থেকেই কিনে ফেলি। বাজারের বাইরের দৃশ্য পুরো পালটে গিয়েছে। আগে এইখানে থাকতো ফল ওয়ালারা। সবাই বাজার শেষে বের হয়ে খুশি মনে ফলমূল কিনত। মনে কিছুটা আতঙ্ক জাগে দেশ ও বিশ্বের অবস্থা নিয়ে। এইখানে এখন অভাবী মানুষেরা অপেক্ষায় থাকে। কখন কেউ বাজার করে বের হবে এর জন্য। আর তার কাছে সাহায্য চাইবে। আজকে এদেরকে একটু খেয়াল করে দেখালাম। আসল অভাবীরা রাস্তার দূরের ফুটপাথে বসে থাকে। দুই একজনের লজ্জা ও বিনয়ের সাথে সাহায্য চাওয়া দেখলেই বোঝা যায় এদের আগে কখনও অন্যের কাছে সাহায্য চাইতে হয়নি আর চায়ওনি।
আবার দেখি কেউ বাজার করে বের হয়েছে। সাহায্য চাইতে চাইতে তার পিছনে চলেছে দুই তিন জন দরিদ্র মানুষ।
বাজারের পাশের রাস্তায় ন্যায্য মুল্যে জিনিস বিক্রি করতে একটি ট্রাক আসে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন চাল ডাল তেল বিক্রি করে তারা। শুনে মনে হল বাজার বা দোকানের থেকে বড়জোর সব মিলিয়ে ২০০ - ৩০০ টাকা কম পড়ে তাদের। রাস্তাটা আরেক মাথায় আমাদের বাসা। প্রতিদিন দেখি কোন সকাল থেকে মানুষজন দাঁড়িয়ে আছে সিরিয়াল দিয়ে ওই ন্যায্য মুল্যের ট্রাকের অপেক্ষায়। কি রোদ কি বৃষ্টি।
বাজারের বাইরে রিক্সা ওয়ালাদের রিক্সা নিয়ে সিরিয়াল দিয়ে দাড়িয়ে থাকতে দেখি। আগের মত যাত্রীদের জন্য ডাকাডাকি নাই। যাত্রী পেলে ভাড়া নিয়ে দর কষাকষি ছাড়াই নীরবে গন্তব্যে যাত্রা শুরু করে। কেউ কেউ হয়তো সদয় হয়ে নির্দিষ্ট ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে দিচ্ছে।     
মন বলে অজানা আশংকার কথা। কোথায় যাচ্ছে পৃথিবী? অভাবী মানুষ দেখলে মনে হয় জীবনে কোন যুদ্ধ অবস্থা দেখি নাই। কিংবা কোন দুর্ভিক্ষ দেখি নাই। এখন কেন যেন অজানা আশংকায় মন ছেয়ে যায়।
দোয়া করি আল্লাহ যেন আমাদের প্রতি সদয় হোন ও ক্ষমা করে দেন। দৃঢ় মনোবল ও বিশ্বাসের সাথে যেন আমরা এই পরীক্ষা পার হতে পারি।

(আমার ফেসবুক পোস্ট থেকে নেয়া।)

2
Permanent Campus of DIU / Days in corona.
« on: May 14, 2020, 10:38:00 PM »
কোভিডের কারণে সপ্তাহে এক দুইবার বের হওয়া হয়। দরকারী জিনিস কিনতে। আমাদের বাসার কাছেই উত্তরার বিডিআর বাজার। বাজারে ঢোকা অনেক আগেই বাদ দিয়েছি। যা কেনার তা বাজারের বাইরে ভ্যান গাড়ী থেকেই কিনে ফেলি। বাজারের বাইরের দৃশ্য পুরো পালটে গিয়েছে। আগে এইখানে থাকতো ফল ওয়ালারা। সবাই বাজার শেষে বের হয়ে খুশি মনে ফলমূল কিনত। মনে কিছুটা আতঙ্ক জাগে দেশ ও বিশ্বের অবস্থা নিয়ে। এইখানে এখন অভাবী মানুষেরা অপেক্ষায় থাকে। কখন কেউ বাজার করে বের হবে এর জন্য। আর তার কাছে সাহায্য চাইবে। আজকে এদেরকে একটু খেয়াল করে দেখালাম। আসল অভাবীরা রাস্তার দূরের ফুটপাথে বসে থাকে। দুই একজনের লজ্জা ও বিনয়ের সাথে সাহায্য চাওয়া দেখলেই বোঝা যায় এদের আগে কখনও অন্যের কাছে সাহায্য চাইতে হয়নি আর চায়ওনি।
আবার দেখি কেউ বাজার করে বের হয়েছে। সাহায্য চাইতে চাইতে তার পিছনে চলেছে দুই তিন জন দরিদ্র মানুষ। 
বাজারের পাশের রাস্তায় ন্যায্য মুল্যে জিনিস বিক্রি করতে একটি ট্রাক আসে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন চাল ডাল তেল বিক্রি করে তারা। শুনে মনে হল বাজার বা দোকানের থেকে বড়জোর সব মিলিয়ে ২০০ - ৩০০ টাকা কম পড়ে তাদের। রাস্তাটা আরেক মাথায় আমাদের বাসা। প্রতিদিন দেখি কোন সকাল থেকে মানুষজন দাঁড়িয়ে আছে সিরিয়াল দিয়ে ওই ন্যায্য মুল্যের ট্রাকের অপেক্ষায়। কি রোদ কি বৃষ্টি।
বাজারের বাইরে রিক্সা ওয়ালাদের রিক্সা নিয়ে সিরিয়াল দিয়ে দাড়িয়ে থাকতে দেখি। আগের মত যাত্রীদের জন্য ডাকাডাকি নাই। যাত্রী পেলে ভাড়া নিয়ে দর কষাকষি ছাড়াই নীরবে গন্তব্যে যাত্রা শুরু করে। কেউ কেউ হয়তো সদয় হয়ে নির্দিষ্ট ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে দিচ্ছে।     
মন বলে অজানা আশংকার কথা। কোথায় যাচ্ছে পৃথিবী? অভাবী মানুষ দেখলে মনে হয় জীবনে কোন যুদ্ধ অবস্থা দেখি নাই। কিংবা কোন দুর্ভিক্ষ দেখি নাই। এখন কেন যেন অজানা আশংকায় মন ছেয়ে যায়।
দোয়া করি আল্লাহ যেন আমাদের প্রতি সদয় হোন ও ক্ষমা করে দেন। দৃঢ় মনোবল ও বিশ্বাসের সাথে যেন আমরা এই পরীক্ষা পার হতে পারি।

(আমার ফেসবুক পোস্ট থেকে নেয়া।)

3
Textile Engineering / করোনায় করণীয়।
« on: May 12, 2020, 12:46:58 AM »
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে স্কুল কলেজ অফিস মার্কেট সব বন্ধ। এর ফলে অর্থ বা টাকা হাত বদল হচ্ছে না। কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য টাকার লেনদেন বেড়েছে।
(মানুষ বর্তমানে খাদ্য সামগ্রী বেশী কেনাকাটা করতেছে। এক দিনেই কয়েক মাসের খাদ্য সামগ্রী বাজার করে রাখতেছে।)
প্রশ্নাতীত ভাবে করোনার কারণে সব থেকে ভোগান্তিতে আছে যাদের দৈনিক ইনকাম ছিল যেমন রিক্সাওয়ালা, দিনমজুর - এদের।
টাকার এই হাত বদল কমে যাওয়াকেও অর্থনৈতিক মন্দা বলা যেতে পারে। সব খবরে মনে হইতেছে এই অর্থনৈতিক মন্দা থাকবে কমপক্ষে জুন মাস পর্যন্ত।
এই অবস্থায় অবশ্যই বিলাসী জীবন বাদ দিতে হবে। খাদ্য, ঔষধ ও সাবান এই রকম অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী ছাড়া খরচ যতদূর সম্ভব কমাতে হবে। এই বিলাস সামগ্রী বাদ দিলে যে টাকা বেঁচে যাবে - তা হত দরিদ্র মানুষদের সাহায্যে দেয়া যেতে পারে।
আরেকটি অত্যাবশ্যকীয় খরচ বা ব্যয় সবারই করতে হবে বলে আমার মনে হয়। তা হল অধস্তনদের বেতন বা মজুরী পরিশোধ করা। কেননা কেউ আপনার অধস্তন হতে পারে কিন্তু দিন বা মাস শেষে সেই আপনার পাওনাদার।
যতটুকু জানি আমাদের ইসলাম ধর্মে ঋণ যত দ্রুত সম্ভব পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগে তার মজুরি পরিশোধ করে ফেলতে।
এছাড়াও ঋণ শোধ না করে কেউ মৃত্যুবরণ করলে তাকে পরকালে হিসাব দিতে হবে। এই করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় আমরা কেউই কি জানি আমরা কে কে আক্রান্ত হব না? ধনী-গরীব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত,  মালিক-অধস্তন - কোন বাছ বিচার ছাড়াই মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছে।
এর বাইরে যদি পাওনাদারই ক্ষোভ নিয়ে মৃত্যুবরণ করে তাহলে এর দায় ইহকাল ও পরকালে পুরাপুরি ঋণী ব্যক্তির উপর বর্তাবে।
এই বেতন বা মজুরী শোধ করে দেয়া মানে টাকার হাত বদল হওয়া। মজুরী গ্রহীতাও আবার তার সব ব্যয় এই মজুরী থেকে নির্বাহ করবে। অর্থাৎ টাকার হাত বদল কিছুটা বাড়বে। এর ফলে অর্থনীতি কিছুটা সচল হবে।
আমাদের মনে রাখতে হবে যে - খাদ্য সামগ্রীর দুষ্প্রাপ্যতা দুর্ভিক্ষের কারণ নয়। অর্থের অসম বন্টন ও দুর্নীতির কারণেই মানুষ না খেয়ে থাকে।
আমরা সবাই এখন আমাদের স্বাস্থ্যগত ব্যাপার গুলো নিয়ে অনেক সচেতন। কিন্তু এই অর্থ গত ব্যাপারগুলো খেয়াল না করলে সামনে আমাদের জন্য ভোগান্তি অপেক্ষা করতেছে।


(আমার ফেসবুক পোস্ট ০৯ - ০৪ - ২০২০)

4
Permanent Campus of DIU / করোনায় করণীয়।
« on: May 12, 2020, 12:46:12 AM »
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে স্কুল কলেজ অফিস মার্কেট সব বন্ধ। এর ফলে অর্থ বা টাকা হাত বদল হচ্ছে না। কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য টাকার লেনদেন বেড়েছে।
(মানুষ বর্তমানে খাদ্য সামগ্রী বেশী কেনাকাটা করতেছে। এক দিনেই কয়েক মাসের খাদ্য সামগ্রী বাজার করে রাখতেছে।)
প্রশ্নাতীত ভাবে করোনার কারণে সব থেকে ভোগান্তিতে আছে যাদের দৈনিক ইনকাম ছিল যেমন রিক্সাওয়ালা, দিনমজুর - এদের।
টাকার এই হাত বদল কমে যাওয়াকেও অর্থনৈতিক মন্দা বলা যেতে পারে। সব খবরে মনে হইতেছে এই অর্থনৈতিক মন্দা থাকবে কমপক্ষে জুন মাস পর্যন্ত।
এই অবস্থায় অবশ্যই বিলাসী জীবন বাদ দিতে হবে। খাদ্য, ঔষধ ও সাবান এই রকম অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী ছাড়া খরচ যতদূর সম্ভব কমাতে হবে। এই বিলাস সামগ্রী বাদ দিলে যে টাকা বেঁচে যাবে - তা হত দরিদ্র মানুষদের সাহায্যে দেয়া যেতে পারে।
আরেকটি অত্যাবশ্যকীয় খরচ বা ব্যয় সবারই করতে হবে বলে আমার মনে হয়। তা হল অধস্তনদের বেতন বা মজুরী পরিশোধ করা। কেননা কেউ আপনার অধস্তন হতে পারে কিন্তু দিন বা মাস শেষে সেই আপনার পাওনাদার।
যতটুকু জানি আমাদের ইসলাম ধর্মে ঋণ যত দ্রুত সম্ভব পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগে তার মজুরি পরিশোধ করে ফেলতে।
এছাড়াও ঋণ শোধ না করে কেউ মৃত্যুবরণ করলে তাকে পরকালে হিসাব দিতে হবে। এই করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় আমরা কেউই কি জানি আমরা কে কে আক্রান্ত হব না? ধনী-গরীব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত,  মালিক-অধস্তন - কোন বাছ বিচার ছাড়াই মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছে।
এর বাইরে যদি পাওনাদারই ক্ষোভ নিয়ে মৃত্যুবরণ করে তাহলে এর দায় ইহকাল ও পরকালে পুরাপুরি ঋণী ব্যক্তির উপর বর্তাবে।
এই বেতন বা মজুরী শোধ করে দেয়া মানে টাকার হাত বদল হওয়া। মজুরী গ্রহীতাও আবার তার সব ব্যয় এই মজুরী থেকে নির্বাহ করবে। অর্থাৎ টাকার হাত বদল কিছুটা বাড়বে। এর ফলে অর্থনীতি কিছুটা সচল হবে।
আমাদের মনে রাখতে হবে যে - খাদ্য সামগ্রীর দুষ্প্রাপ্যতা দুর্ভিক্ষের কারণ নয়। অর্থের অসম বন্টন ও দুর্নীতির কারণেই মানুষ না খেয়ে থাকে।
আমরা সবাই এখন আমাদের স্বাস্থ্যগত ব্যাপার গুলো নিয়ে অনেক সচেতন। কিন্তু এই অর্থ গত ব্যাপারগুলো খেয়াল না করলে সামনে আমাদের জন্য ভোগান্তি অপেক্ষা করতেছে।


(আমার ফেসবুক পোস্ট ০৯ - ০৪ - ২০২০)

5
আমাদের বাসার সামনের রাস্তা ১৩ নাম্বার রোড। তারপর একটি এপার্টমেন্ট বিল্ডিং। তার সাথে পিছনে পিঠ দিয়ে আরেকটি এপার্টমেন্ট বিল্ডিং। এরপর ১৪ নাম্বার রোড। এই ১৪ নাম্বার রোডের সাথেই কুয়েত - বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালের পিছনের দিক।
আমরা থাকি হাসপাতালের দুইটি রাস্তা ও দুইটি এপার্টমেন্ট বিল্ডিঙয়ের দক্ষিণে। অনেক আগে থেকেই ওইদিকের রাস্তায় চলাচল বাদ দিয়েছিলাম। দরকার পড়লে অনেক ঘুড়ে চলাচল করেছি।
কুয়েত - বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে আগে বেশ কয়েকবার গিয়েছিও। অরথোপেডিক ডাক্তার দেখানো ছাড়াও কয়েবার গিয়েছি। হাসপাতালটি আগে কেউ চিনতো না। ফেসবুকে অনেকেই এই হাসপাতালের কথা শেয়ার করতেন। সেটি হল এইটা একটি সরকারী হাসপাতাল। মাত্র ১০ টাকার টিকেটের বিনিময়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানো যায়।
কয়েক বছর হল হাসপাতালটি চালু হলেও এই হাসপাতালের বিল্ডিংটি ২০ - ৩০ বছরের পুরানো। আমরা ২০০১ থেকে এই জায়গায় বসবাস করি। তার আগে থেকেই এই হাসপাতালের বিল্ডিং তৈরি হয়ে ছিল। অনেক দিন পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল। মাঝে মাঝে বেসরকারী হাসপাতাল হিসেবেও চালু করার চেষ্টা করা হয়। হাসপাতালটির অনেক খোলা জায়গা আছে। প্রায় ঠিক মাঝখানে সুউচ্চ বিল্ডিং অবস্থিত। নীচের তলা অনেক সুপরিসর। অনেক বড় বড় ও দুষ্প্রাপ্য গাছ আছে বাউন্ডারির ভিতরে।
এই হাসপাতালটি কেউ চিনতো না। কিন্তু করোনা ভাইরাস আক্রান্তের চিকিৎসার জন্য এইটির নাম ও অবস্থান এখন দেশের সবাই জেনে গেছে।

হাসপাতালটিতে প্রথম থেকেই করোনা রুগীর চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু এর আসেপাশের বাসার কেউ করোনাতে আক্রান্ত হয়েছে - এমন খবর শুনি নাই। আমাদের এলাকাতেও কারো আক্রান্ত হওয়ার খবর এখনো শুনি নাই।

6
আমাদের বাসার সামনের রাস্তা ১৩ নাম্বার রোড। তারপর একটি এপার্টমেন্ট বিল্ডিং। তার সাথে পিছনে পিঠ দিয়ে আরেকটি এপার্টমেন্ট বিল্ডিং। এরপর ১৪ নাম্বার রোড। এই ১৪ নাম্বার রোডের সাথেই কুয়েত - বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালের পিছনের দিক।
আমরা থাকি হাসপাতালের দুইটি রাস্তা ও দুইটি এপার্টমেন্ট বিল্ডিঙয়ের দক্ষিণে। অনেক আগে থেকেই ওইদিকের রাস্তায় চলাচল বাদ দিয়েছিলাম। দরকার পড়লে অনেক ঘুড়ে চলাচল করেছি।
কুয়েত - বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে আগে বেশ কয়েকবার গিয়েছিও। অরথোপেডিক ডাক্তার দেখানো ছাড়াও কয়েবার গিয়েছি। হাসপাতালটি আগে কেউ চিনতো না। ফেসবুকে অনেকেই এই হাসপাতালের কথা শেয়ার করতেন। সেটি হল এইটা একটি সরকারী হাসপাতাল। মাত্র ১০ টাকার টিকেটের বিনিময়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানো যায়।
কয়েক বছর হল হাসপাতালটি চালু হলেও এই হাসপাতালের বিল্ডিংটি ২০ - ৩০ বছরের পুরানো। আমরা ২০০১ থেকে এই জায়গায় বসবাস করি। তার আগে থেকেই এই হাসপাতালের বিল্ডিং তৈরি হয়ে ছিল। অনেক দিন পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল। মাঝে মাঝে বেসরকারী হাসপাতাল হিসেবেও চালু করার চেষ্টা করা হয়। হাসপাতালটির অনেক খোলা জায়গা আছে। প্রায় ঠিক মাঝখানে সুউচ্চ বিল্ডিং অবস্থিত। নীচের তলা অনেক সুপরিসর। অনেক বড় বড় ও দুষ্প্রাপ্য গাছ আছে বাউন্ডারির ভিতরে।
এই হাসপাতালটি কেউ চিনতো না। কিন্তু করোনা ভাইরাস আক্রান্তের চিকিৎসার জন্য এইটির নাম ও অবস্থান এখন দেশের সবাই জেনে গেছে।

হাসপাতালটিতে প্রথম থেকেই করোনা রুগীর চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু এর আসেপাশের বাসার কেউ করোনাতে আক্রান্ত হয়েছে - এমন খবর শুনি নাই। আমাদের এলাকাতেও কারো আক্রান্ত হওয়ার খবর এখনো শুনি নাই।

7
Permanent Campus of DIU / Insect life.
« on: February 28, 2020, 11:51:28 PM »
ছোটবেলার কথা। টেলিভিশন না পেপার মনে নাই। কোনটাতে যেন প্রচার হতে দেখতাম - দেশের অন্ততঃ ২৫% এলাকাতে বনভূমি থাকতে হবে। না হলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য থাকবে না।
ভাবতেছিলাম ম্যাপ বের করে দেখি - বর্তমানে দেশের কত অংশে বনভূমি আছে?
গুগুলে লিখলাম Forest percentage in Bangladesh 2020.
উত্তর আসলো ১১.১% (জাতিসংঘ, এফ এ ও এর রিপোর্ট অনুযায়ী।)
সেখানে আরো লেখা আছে ৩৩% বনভূমির প্রয়োজনীয়তার কথা।
ছোটবেলায় যখন ঢাকার বাইরে যেতাম গাবতলী ও আমিন বাজার পার হলেই দুইপাশে দেখা যেত ক্ষেত খামার ও গাছপালা। আমরা সকাল ১১টায় গাবতলী থেকে রওনা দিয়ে ১টার আগেই আরিচা পৌছে যেতাম। পথে শুধু সাভারে স্মৃতি সৌধে আসলে বুঝা যেত কতদূর এসেছি। এছাড়াও দুইপাশে দেখা যেত শালবন। সেই শালবনে কয়েকবার পিকনিকেও গিয়েছি। সেগুলো এখন আর নাই।
এছাড়াও ঢাকার ভিতরেও ছিল অনেক মাঠ ও খালি জায়গা। যেখানে আমাদের মত ছোটরা খেলা ধুলা করতো। এখনও মনে আছে মোহাম্মাদপুরে যখন থাকতাম আসেপাশের কিছু রাস্তা এতো নির্জন ছিল যে দিনের বেলাতেও আমরা ছোটরা একাএকা হেটে যেতে ভয় পেতাম।
তখন বাসার জানালায় দাঁড়ালেই উপরে দেখা যেত বিশাল আকাশ। ঢাকার বাসাতে বসেই সারারাত শুনতাম ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক।
গাছপালা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ শুধু মনোমুগ্ধকর তাই নয়। আমাদের শারীরিক ও মানুষিক অবস্থাও এর সাথে উঠানামা করে।
এখন এই ঢাকা দেখি আর ভাবি।
আমরা বহু আগেই ঢাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছি।
পঙ্গপাল গাছপালা - শস্য সব খেয়ে ফেলে। পঙ্গপাল হল ভয়ংকর একটি প্রাণী। আগুন দেখলে এরা ঝাপিয়ে পড়ে। যদিও জানে যে এতে তাদের মৃত্যু অনিবার্য।
আমরা ঢাকার মানুষেরা প্রকৃৃতির কাছে পঙ্গপালের থেকেও অনেক ভয়ংকর রূপে দেখা দিয়েছি - তা কি আমরা জানি?

8
Textile Engineering / Insect life.
« on: February 28, 2020, 11:49:38 PM »
ছোটবেলার কথা। টেলিভিশন না পেপার মনে নাই। কোনটাতে যেন প্রচার হতে দেখতাম - দেশের অন্ততঃ ২৫% এলাকাতে বনভূমি থাকতে হবে। না হলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য থাকবে না।
ভাবতেছিলাম ম্যাপ বের করে দেখি - বর্তমানে দেশের কত অংশে বনভূমি আছে?
গুগুলে লিখলাম Forest percentage in Bangladesh 2020.
উত্তর আসলো ১১.১% (জাতিসংঘ, এফ এ ও এর রিপোর্ট অনুযায়ী।)
সেখানে আরো লেখা আছে ৩৩% বনভূমির প্রয়োজনীয়তার কথা।
ছোটবেলায় যখন ঢাকার বাইরে যেতাম গাবতলী ও আমিন বাজার পার হলেই দুইপাশে দেখা যেত ক্ষেত খামার ও গাছপালা। আমরা সকাল ১১টায় গাবতলী থেকে রওনা দিয়ে ১টার আগেই আরিচা পৌছে যেতাম। পথে শুধু সাভারে স্মৃতি সৌধে আসলে বুঝা যেত কতদূর এসেছি। এছাড়াও দুইপাশে দেখা যেত শালবন। সেই শালবনে কয়েকবার পিকনিকেও গিয়েছি। সেগুলো এখন আর নাই।
এছাড়াও ঢাকার ভিতরেও ছিল অনেক মাঠ ও খালি জায়গা। যেখানে আমাদের মত ছোটরা খেলা ধুলা করতো। এখনও মনে আছে মোহাম্মাদপুরে যখন থাকতাম আসেপাশের কিছু রাস্তা এতো নির্জন ছিল যে দিনের বেলাতেও আমরা ছোটরা একাএকা হেটে যেতে ভয় পেতাম।
তখন বাসার জানালায় দাঁড়ালেই উপরে দেখা যেত বিশাল আকাশ। ঢাকার বাসাতে বসেই সারারাত শুনতাম ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক।
গাছপালা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ শুধু মনোমুগ্ধকর তাই নয়। আমাদের শারীরিক ও মানুষিক অবস্থাও এর সাথে উঠানামা করে।
এখন এই ঢাকা দেখি আর ভাবি।
আমরা বহু আগেই ঢাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছি।
পঙ্গপাল গাছপালা - শস্য সব খেয়ে ফেলে। পঙ্গপাল হল ভয়ংকর একটি প্রাণী। আগুন দেখলে এরা ঝাপিয়ে পড়ে। যদিও জানে যে এতে তাদের মৃত্যু অনিবার্য।
আমরা ঢাকার মানুষেরা প্রকৃৃতির কাছে পঙ্গপালের থেকেও অনেক ভয়ংকর রূপে দেখা দিয়েছি - তা কি আমরা জানি?

9
Permanent Campus of DIU / Money - the necessary evil.
« on: February 26, 2020, 08:17:45 PM »
কাগজের টাকা।
জানে কত সততার সাথে মানুষ জীবন যাপন করে।
কাগজের টাকা জানে কত স্বার্থপর হতে পারে মানুষ।
কাগজের টাকা জানে কত কষ্টকর তাকে পাওয়া।
আবার সে জানে কত সহজে তাকে কতজন পেয়ে যায়।
কারো কাছে কাগজের টাকা মানে সহস্র বিন্দু বিন্দু ঘামের বিনিময়।
কারো কাছে উপহার আবার কারো কাছে জরিমানা।
কারো কাছে হাতখরচ আবার কারো কাছে জীবিকা।
কারো কাছে সঞ্চয় আবার কারো কাছে বেহিসেবি খরচ।
কেউ কুড়িয়ে পায়। কেউ গুণে চলে।
কেউ লুকিয়ে রাখে আবার কেউ তাকে নিয়ে বড়াই করে চলে।
কাগজের টাকা মানে কারো কাছে সচ্ছল জীবন।
কাগজের টাকার কাছে কখনো জীবন হেরে যায়।
কাগজের টাকা থাকে ঘরের আলমারিতে। কখনো রিক্সাচালকের গিটের মাঝে। ধরা থাকে তা মাছ ওয়ালার ভেজা হাতে। কখনো বা তার জায়গা হয় বিলাসি মানিব্যাগে। কখনোবা অস্ত্র তাকে পাহারা দেয়। কখনোবা বা সে পড়ে থাকে দান বাক্সে।
মেশিন গুণে চলে শত সহস্র টাকা। ভিক্ষুকের ঝুলিতে বসে দুলে চলে। পার হয়ে যায় পায়ে হাঁটা অনেকটা পথ।
ফ্লেক্সি করে কেউ কথা বলে চলে। কেউ বা রাস্তার ধারের চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে চলে।
কেউ অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকে পথের ধারে কখনোবা ওভারব্রিজে।
টাকা থাকে জীবাণুর মত সব জায়গায়। জীবাণুর মত সেও অদৃশ্য থাকে।
কেউ ঘুস দেয় টাকায়। কেউ মজুরী গুণে চলে টাকায়।
টাকা শুধু জানে কত অকৃত্রিম হতে পারে মানুষের ভালবাসা। টাকা জানে কত কুৎসিত হয় মানুষ।
টাকা চালু রাখে এই মানব সমাজ। কখনোবা স্থম্ভিত করে দেয় মানুষের বিবেক। কখনো কাউকে হাসায় আবার হয়তো কাঁদায়।
টাকা কখনো সচল করে। আবার কখনো অচল করে।
Money - The necessary evil.

10
Textile Engineering / Money - the necessary evil.
« on: February 26, 2020, 08:17:10 PM »
কাগজের টাকা।
জানে কত সততার সাথে মানুষ জীবন যাপন করে।
কাগজের টাকা জানে কত স্বার্থপর হতে পারে মানুষ।
কাগজের টাকা জানে কত কষ্টকর তাকে পাওয়া।
আবার সে জানে কত সহজে তাকে কতজন পেয়ে যায়।
কারো কাছে কাগজের টাকা মানে সহস্র বিন্দু বিন্দু ঘামের বিনিময়।
কারো কাছে উপহার আবার কারো কাছে জরিমানা।
কারো কাছে হাতখরচ আবার কারো কাছে জীবিকা।
কারো কাছে সঞ্চয় আবার কারো কাছে বেহিসেবি খরচ।
কেউ কুড়িয়ে পায়। কেউ গুণে চলে।
কেউ লুকিয়ে রাখে আবার কেউ তাকে নিয়ে বড়াই করে চলে।
কাগজের টাকা মানে কারো কাছে সচ্ছল জীবন।
কাগজের টাকার কাছে কখনো জীবন হেরে যায়।
কাগজের টাকা থাকে ঘরের আলমারিতে। কখনো রিক্সাচালকের গিটের মাঝে। ধরা থাকে তা মাছ ওয়ালার ভেজা হাতে। কখনো বা তার জায়গা হয় বিলাসি মানিব্যাগে। কখনোবা অস্ত্র তাকে পাহারা দেয়। কখনোবা বা সে পড়ে থাকে দান বাক্সে।
মেশিন গুণে চলে শত সহস্র টাকা। ভিক্ষুকের ঝুলিতে বসে দুলে চলে। পার হয়ে যায় পায়ে হাঁটা অনেকটা পথ।
ফ্লেক্সি করে কেউ কথা বলে চলে। কেউ বা রাস্তার ধারের চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে চলে।
কেউ অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকে পথের ধারে কখনোবা ওভারব্রিজে।
টাকা থাকে জীবাণুর মত সব জায়গায়। জীবাণুর মত সেও অদৃশ্য থাকে।
কেউ ঘুস দেয় টাকায়। কেউ মজুরী গুণে চলে টাকায়।
টাকা শুধু জানে কত অকৃত্রিম হতে পারে মানুষের ভালবাসা। টাকা জানে কত কুৎসিত হয় মানুষ।
টাকা চালু রাখে এই মানব সমাজ। কখনোবা স্থম্ভিত করে দেয় মানুষের বিবেক। কখনো কাউকে হাসায় আবার হয়তো কাঁদায়।
টাকা কখনো সচল করে। আবার কখনো অচল করে।
Money - The necessary evil.

11
Textile Engineering / সেকালের টেলিভিশন।
« on: January 28, 2020, 12:51:10 AM »
টিভির বিবর্তন নিয়ে ভাবতেছিলাম। আমাদের সময় একটাই চ্যানেল ছিল আমাদের দেশে। সেটি হল ৯ নাম্বার চ্যানেল। এইটাতে কেবলমাত্র বি টি ভি দেখতে পারতাম আমরা। অল্প কিছুদিন এর পাশাপাশি ৬ নাম্বার চ্যানেল চালু করা হল। এইটাও বি টি ভি। আমাদের ভাই বোনদের মধ্যে টি ভি দেখা নিয়ে ঝগড়া ঝাটি শুরু হল। একজন দেখবে ৯ নাম্বার চ্যানেল তো আরেকজন দেখবে ৬ নাম্বার।
আমাদের সময়টা ছিল কিছুটা ভিন্ন। দাদা - নানাদের মাঝে এমনও কেউ কেউ ছিল - যারা সাধারণ গান শোনাকেও গর্হিত কাজ বলে মনে করতেন। অনেক সময়ই বাসায় এমন দাদা - নানাদের উপস্থিতিতে টিভি বন্ধও রাখা হত।
টি ভি তখন ছিল ঢাউস একটি বড় বাক্সের মত। যার কাঠামোর অনেক অংশই কাঠের তৈরি থাকতো। টেলিভিশনের পিছনে কাঠের কভারের ফুটো দিয়ে কিছু বাল্ব জ্বলতে দেখা যেত। টিভি গুলোর পায়াও থাকতো। রুমের এক মাথায় টি ভি দাড়িয়ে থাকতো তার কাঠের চার পায়ে ভর দিয়ে। রিমোট কন্ট্রোল তখন ছিল না। শীতকালে লেপ কম্বল গায়ে দিয়ে আয়েস করে বসে টিভি দেখার সময় সাউন্ড বা আলো কমাতে বা বাড়াতে হলে - উঠতে ইচ্ছা হত না।
টি ভি তে সিগারেটের বিজ্ঞাপন দেখানো সাধারণ একটি ব্যাপার ছিল। ছিল না কোন সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ।
অনেকদিন কেবলমাত্র সাদা কালো টেলিভিশনই ছিল। অনেক পরে রঙ্গিন টেলিভিশন দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
কোন দেশে কত সালে টেলিভিশন চালু হয়েছে - এইটা দিয়ে দেশের অবস্থা ব্যাখ্যা করতেও দেখেছি।
তখনকার খবর পাঠকদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হত। এক নাগারে ২০ - ৩০ মিনিট কাগজের লেখা খবর পড়তে হত তাদের। এক পৃষ্ঠা পড়া হলে তা পাশে রেখে আবার নতুন পৃষ্ঠার খবর পড়া শুরু করতে দেখতাম।
বিজ্ঞাপন বা এড গুলো থাকতো লিখিত আকারে। যেন একটি ল্যান্ড স্কেপ কাগজের পোস্টার। এড চেঞ্জ হওয়ার সময় টুট করে একটি শব্দ হত।
তখনকার নাট্য অভিনেতা, গানের শিল্পী থেকে সবাইকেই অনেক দক্ষ হতে হত।
এখনকার তুলোনায় অনেক ধীর গতির অনুষ্ঠান হত। তার পরেও তখনকার টেলিভিশনের অনেক কিছু এখনও অতুলোনীয় মনে হয়।

12
টিভির বিবর্তন নিয়ে ভাবতেছিলাম। আমাদের সময় একটাই চ্যানেল ছিল আমাদের দেশে। সেটি হল ৯ নাম্বার চ্যানেল। এইটাতে কেবলমাত্র বি টি ভি দেখতে পারতাম আমরা। অল্প কিছুদিন এর পাশাপাশি ৬ নাম্বার চ্যানেল চালু করা হল। এইটাও বি টি ভি। আমাদের ভাই বোনদের মধ্যে টি ভি দেখা নিয়ে ঝগড়া ঝাটি শুরু হল। একজন দেখবে ৯ নাম্বার চ্যানেল তো আরেকজন দেখবে ৬ নাম্বার।
আমাদের সময়টা ছিল কিছুটা ভিন্ন। দাদা - নানাদের মাঝে এমনও কেউ কেউ ছিল - যারা সাধারণ গান শোনাকেও গর্হিত কাজ বলে মনে করতেন। অনেক সময়ই বাসায় এমন দাদা - নানাদের উপস্থিতিতে টিভি বন্ধও রাখা হত।
টি ভি তখন ছিল ঢাউস একটি বড় বাক্সের মত। যার কাঠামোর অনেক অংশই কাঠের তৈরি থাকতো। টেলিভিশনের পিছনে কাঠের কভারের ফুটো দিয়ে কিছু বাল্ব জ্বলতে দেখা যেত। টিভি গুলোর পায়াও থাকতো। রুমের এক মাথায় টি ভি দাড়িয়ে থাকতো তার কাঠের চার পায়ে ভর দিয়ে। রিমোট কন্ট্রোল তখন ছিল না। শীতকালে লেপ কম্বল গায়ে দিয়ে আয়েস করে বসে টিভি দেখার সময় সাউন্ড বা আলো কমাতে বা বাড়াতে হলে - উঠতে ইচ্ছা হত না।
টি ভি তে সিগারেটের বিজ্ঞাপন দেখানো সাধারণ একটি ব্যাপার ছিল। ছিল না কোন সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ।
অনেকদিন কেবলমাত্র সাদা কালো টেলিভিশনই ছিল। অনেক পরে রঙ্গিন টেলিভিশন দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
কোন দেশে কত সালে টেলিভিশন চালু হয়েছে - এইটা দিয়ে দেশের অবস্থা ব্যাখ্যা করতেও দেখেছি।
তখনকার খবর পাঠকদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হত। এক নাগারে ২০ - ৩০ মিনিট কাগজের লেখা খবর পড়তে হত তাদের। এক পৃষ্ঠা পড়া হলে তা পাশে রেখে আবার নতুন পৃষ্ঠার খবর পড়া শুরু করতে দেখতাম।
বিজ্ঞাপন বা এড গুলো থাকতো লিখিত আকারে। যেন একটি ল্যান্ড স্কেপ কাগজের পোস্টার। এড চেঞ্জ হওয়ার সময় টুট করে একটি শব্দ হত।
তখনকার নাট্য অভিনেতা, গানের শিল্পী থেকে সবাইকেই অনেক দক্ষ হতে হত।
এখনকার তুলোনায় অনেক ধীর গতির অনুষ্ঠান হত। তার পরেও তখনকার টেলিভিশনের অনেক কিছু এখনও অতুলোনীয় মনে হয়।

13
Textile Engineering / Generation gap.
« on: January 22, 2020, 11:44:58 PM »
আমাদের জেনারেশন আর বর্তমান কালের জেনারেশনের মাঝে হঠাৎ করে দুইটা পার্থক্য ভেবে বের করলাম।
১. আমাদের জেনারেশনের সবাই টিচারের বেতের মাইরের স্বাদ পেয়েছি। বেতের মার খায় নাই এইরকম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে হয়তো।
এই জেনারেশনের কেউ বেতের মার খায় না। এই জেনারেশনে বেতের মার খাইছে এই রকম হাজারে দুইএকটা পাওয়া যাবে।
 
২. আমাদের সবার নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জন্ম। সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।
এই জেনারেশনের সবার সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়েছে। নরমাল ডেলিভারীর মাধ্যমে জন্ম তা হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।

14
Permanent Campus of DIU / Generation gap.
« on: January 22, 2020, 11:42:56 PM »
আমাদের জেনারেশন আর বর্তমান কালের জেনারেশনের মাঝে হঠাৎ করে দুইটা পার্থক্য ভেবে বের করলাম।
১. আমাদের জেনারেশনের সবাই টিচারের বেতের মাইরের স্বাদ পেয়েছি। বেতের মার খায় নাই এইরকম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে হয়তো।
এই জেনারেশনের কেউ বেতের মার খায় না। এই জেনারেশনে বেতের মার খাইছে এই রকম হাজারে দুইএকটা পাওয়া যাবে।
 
২. আমাদের সবার নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জন্ম। সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।
এই জেনারেশনের সবার সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়েছে। নরমাল ডেলিভারীর মাধ্যমে জন্ম তা হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।

15
একটি লেখা লেখার জন্য রাত জেগে বসে থাকা। মন কত সহজে ভেবে চলে। কিন্তু তা লেখায় ফুটিয়ে তোলা ততো সহজ নয়। মন যুবকের ক্ষিপ্রতায় দৌড়ে চলে। আর লেখা যেন শিশুর হাটিহাটি পাপা চলতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়।
তাও ভালো যে - মানুষের মন কাঁচের মত স্বচ্ছ নয়। যদি একজন মানুষ অন্য মানুষের মনের ভেতরটা সরাসরি দেখতে পেত? একজনের মনের ভালো খারাপ সব কিছু বাইরে থেকেই বুঝে ফেললে মানুষের বিপদই ছিল। পরক্ষনেই মনে হল তাহলেই হয়তো মানুষের জীবনটা আরও সহজ হত।
মিথ্যা কথা কিংবা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়ার দিন শেষ হয়ে যেত। ভন্ড মানুষদের ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বের হতে হত পথে পথে।
শিশুর মন বেশী কিছু ভাবে না। কোন স্মৃতিই তার মনে স্থান করে নেয়নি। আর বৃদ্ধের মন যেন তাকে নিজেকে শাস্তি দিয়ে চলে প্রতি মুহূর্তে। কত মানুষ, কত নাম, কত স্মৃতি, কত বেদনা, কত তারিখ তার মনে ভার হয়ে আছে।
মন শুধু ওয়ান ওয়ে রোড। এখানে স্মৃতি শুধু জমা হয়। স্মৃতি বের হওয়ার কোন পথ নাই। স্মৃতি জমে জমে ভর্তি হয়ে চলে। ঠিক যেভাবে পুরানো বাসায় ফার্নিচার আর জিনিসপত্র দিয়ে ভর্তি হয়। সব কিছুই আছে বাসায় কিন্তু ঠিক সময়ে খুজে পাওয়া দুঃসাধ্য একটি ব্যাপার। জিনিস গুলো নিয়ে সময় কাটানো কোন ব্যাপারই নয়। চাইলে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটানো যায়।
কখনো কোন মূল্যবান স্মৃতি হারানো যায়। কোনটা বা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়।
বৃদ্ধ মন সব কিছু বুঝে। সব বেদনা সে অনুভব করতে পারে।তার এই সেন্সেটিভ মন নিয়ে সে সব সময় হৃদয়ে আঘাত পায়। বৃদ্ধের থাকে বিশাল স্মৃতি ভান্ডার।নিজের জন্য যেমন - অন্যের বেদনাও সে অনুভব করতে পারে। বৃদ্ধের কথার গুরুত্ব অনেক। কোনটা কখন কোথায় বলতে হবে - এতো বিবেচনা কেবলমাত্র বৃদ্ধদেরকেই করতে হয়।
বৃদ্ধদের মূল্য কেবলমাত্র থার্ড জেনারেশনের কাছে। সেকেন্ড জেনারেশনের কাছে সে কেবলমাত্র ঝামেলা বাড়ানোর মাধ্যম ছাড়া আর কিছু নয়।
বৃদ্ধ সবার কথা ভাবে। সবাইকে নিয়ে চলতে চায়। কিন্তু সেখানে কেউই বৃদ্ধের কথা ভাবে না। তাকে গা ঝাড়া দিয়ে দূরে পাঠাতে পারলেই যেন সবাই বেঁচে যায়।

Pages: [1] 2 3 ... 25