Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Jannatul Ferdous

Pages: [1] 2 3 ... 8
1
Skin / ত্বক চর্চায় লেবু
« on: August 26, 2020, 03:35:28 PM »
‘পুকুরধারে লেবুর তলে

থোকায় থোকায় জোনাক জ্বলে

ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না একলা জেগে রই...।’

যতীন্দ্রমোহন বাগচীর ‘কাজলা দিদি’, মোহাম্মদ নাসির আলীর ‘লেবুমামার সপ্তকাণ্ড’, নিজের পাতে দুপুরের খিচুড়ির সঙ্গে টাটকা লেবু—লিখতে বসে সবই এল। লেবুর মোহনীয় ঘ্রাণে আকুল হওয়ার দৃশ্যটা বোধ করি বাঙালি পরিবারের খাবার টেবিলে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। লেবুর ব্যবহার আছে রূপচর্চায়ও। জেনে নেওয়া যাক বিশেষজ্ঞ মতামত।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল বলেন, সৌন্দর্যচর্চায় লেবুর সর্বোৎকৃষ্ট উপকার পেতে হলে লেবু খেতে হবে। অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে লেবুর অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। ফলে কোষের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া–বিক্রিয়ায় (কোষের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত) স্বাভাবিক নিয়মে যে ক্ষতি হওয়ার, তা অনেকটাই কম হয়। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতেও সহায়তা করে। তবে লেবুর রসমিশ্রিত প্যাক ত্বকে ব্যবহারের পর কারও কারও ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে দেখা যায়, কারও কারও অ্যালার্জিজনিত সমস্যা ও প্রদাহ হতে পারে। তাই এ ধরনের প্যাক ব্যবহার করতে চাইলেও কিছু বিষয়ে সতর্কতা আবশ্যক।

ত্বক ও চুলের যত্নে লেবু উপকারী, জানালেন হার্বস আয়ুর্বেদিক স্কিন কেয়ার ক্লিনিকের আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ আফরিন মৌসুমী। তিনি বললেন, মনে রাখতে হবে, লেবুর রস সাইট্রিক অ্যাসিড। তাই এর ব্যবহার না জেনে যেকোনো ধরনের ত্বকে সরাসরি প্রয়োগ করা উচিত নয়। হিতে বিপরীত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ত্বক লাল হয়ে যেতে পারে। বলিরেখাও পড়তে পারে। ত্বকের ধরন বুঝে নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে ত্বক হয়ে উঠবে সুন্দর।

প্যাক হিসেবে পাতিলেবু ব্যবহার করাই ভালো। তবে এ লেবু সারা বছর পাওয়া যায় না। তাই অন্য লেবুও কাজে লাগাতে পারেন। আফরিন মৌসুমী জানালেন রূপচর্চায় লেবুর সঠিক ব্যবহার।

2
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০১: বেলজিয়াম ক্র্যাপস

বৈশাখ মাসের গরমেই আজ শুরু হয়েছে প্রথম রোজা। সারাদিন রোজা রেখে ইফতারে একটু মিষ্টি  হলেই হতে পারে মনের শান্তি ও স্বাদের তৃপ্তি। সব বয়সের মানুষ এবং ডায়াবেটিক রোগীদের কথা চিন্তা করেই মিষ্টি রেসিপি "বেলজিয়াম ক্র্যাপস" বানানো হয়েছে জিরোক্যাল দিয়ে। চলুন দেখে নেওয়া যাক কীভাবে বানানো যায় এই রেসিপি।

"বেলজিয়াম ক্র্যাপস" বানানোর উপকরণঃ

• তরল দুধ- ৫০০ মিলি
• জিরোক্যাল - ২ স্যাশে
• ডিমের সাদা অংশ- ৪ টি
• লবণ- পরিমানমতো
• ময়দা- ২০০ গ্রাম
• স্ট্রবেরি জেলি- ১ চা চামচ
• পুদিনা পাতা- পরিমানমতো
• মিক্সড ফল- পরিমানমতো
• ঘি (লো ফ্যাট)- ১ চা চামচ

কীভাবে বানাবেনঃ
একটি পাত্রে ময়দা ও তরল দুধ মেশাতে হবে। তার মধ্যে একে একে দিয়ে দিতে হবে ডিমের সাদা অংশ, লো-ফ্যাট ঘি ও জিরোক্যাল। উপকরণগুলো ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে পাতলা পেস্ট এর মতো করে নিতে হবে। এবার একটি প্যান বা কড়াই চুলোয় গরম করে নিয়ে তাতে ঘি লেপে নিতে হবে। গরম প্যানে মিশ্রণটি দিয়ে অল্প আঁচে ১০ মিনিট রাখতে হবে। এবার মিশ্রণটি শুকিয়ে প্যানকেক এর মতো হলে চামচ দিয়ে পেঁচিয়ে প্লেটে তুলে নিতে হবে।

এবার পরিবেশনের সময় মিক্স ফল, পুদিনা পাতা ও স্ট্রবেরি জেলি ছড়িয়ে দিতে হবে।

চটজলদি হয়ে গেলো সুস্বাদু ডেসার্ট "বেলজিয়াম ক্র্যাপস"। সহজেই বানিয়ে নিয়ে ইফতারে প্রিয়জনদের সাথে উপভোগ করুন মজার এই রেসিপিটি।

3
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রায় ৯০ শতাংশ করোনায় সংক্রমিত রোগী হাসপাতালের চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে ওঠে।
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার যেমন বাড়ছে, তেমনি এর থেকে সুস্থ হওয়ার হারও আশাব্যঞ্জক। অনেক রোগী এরই মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে। কেউ দ্রুত সুস্থ হচ্ছে, কেউ একটু দেরিতে। অসুস্থতার এই সময়ে রোগীদের দৃশ্যত পরিবার ও সমাজবিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকতে হচ্ছে। কারও কারও হাসপাতালেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমিত রোগী ও তাদের স্বজনদের মনে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, এভাবে আর কত দিন? আবার কবে জীবন স্বাভাবিক হবে?


গবেষণা বলছে, অধিকাংশ রোগী ১৪ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রায় ৯০ শতাংশ করোনায় সংক্রমিত রোগী হাসপাতালের চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে রোগী কত দিন পর আবার সবার সঙ্গে আগের মতো মিশতে পারবে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিডিসির কিছু নির্দেশনা রয়েছে। এই নির্দেশনা অনুসারে, একজন করোনায় সংক্রমিত রোগী তখনই নিজেকে সম্পূর্ণ সুস্থ মনে করবে যখন—

*৭২ ঘণ্টা বা ৩ দিনের মধ্যে জ্বর আসবে না (জ্বরের ওষুধ গ্রহণ না করেই)

*শ্বাসতন্ত্রের কোনো সমস্যা বা জটিলতা নেই (যেমন শ্বাসকষ্ট, কাশি)

*প্রথম উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর থেকে অন্তত ৭ দিন পেরিয়ে গেলে

*২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নেওয়া দুটি নমুনা পরীক্ষায়ই করোনা নেগেটিভ এলে।

ওপরের বিষয়গুলো মিলে গেলে রোগী হাসপাতাল থেকে বাড়ি যেতে পারবে।

তবে যেসব রোগীর শুরু থেকেই তেমন কোনো উপসর্গ থাকে না, তাদের নিয়ে সমস্যাটা হয়। সাধারণত মৃদু উপসর্গ থাকায় তাদের বাড়িতে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। তারা তখনই আইসোলেশন থেকে বের হবে যখন—

করোনা পজিটিভ হওয়ার দিন থেকে অন্তত ৭ দিন পেরিয়ে গেছে এবং এর মধ্যে নতুন করে কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। তবে এই সময় পর আইসোলেশন থেকে বেরিয়ে এলেও আরও কিছুদিন তাকে সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে। অর্থাৎ, অন্যদের থেকে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরে থাকতে হবে, মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

 অধ্যাপক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

4
একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে ৬ ঘন্টার কম সময় ঘুমালে শরীরের একাধিক ক্ষতি হয়। আর এমনটা চলতে থাকলে এক সময়ে গিয়ে আয়ু কমতে শুরু করে। তাই তো কম ঘুমনোর অভ্যাস ছাড়ুন, না হলে কিন্তু বেজায় বিপদ!

কম ঘুমালে যা হয়: সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে দীর্ঘ সময় ধরে ৬ ঘণ্টা বা তার কম সময় ঘুমালে ডায়াবেটিস, উচ্চ র'ক্তচাপ, ওবেসিটি এবং কোলেস্টেরল বৃদ্ধির মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশ'ঙ্কা প্রায় দিগুণ বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের মতো ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশ'ঙ্কাও থাকে। অন্যদিকে যারা প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান, তাদের মধ্যে এমন রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে খুব একটা দেখা যায় না। সেই সঙ্গে হঠাৎ মৃ'ত্যুর আশ'ঙ্কাও এদের বাকিদের তুলনায় কম থাকে।

হার্টের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে:
চিকিৎসকদের মতে, জীবনযাত্রা বা অন্য নানা কারণে যাদের এমনিতেই হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে, তারা যদি কম সময় ঘুমান, তাহলে এই সম্ভবনা আরও বেড়ে যায়। কারণ ঘুমের পরিধি যত কমতে থাকে, তত হার্টের কর্মক্ষমতা কমতে শুরু করে। ফলে হার্টের রোগ তো হয়ই, সেই সঙ্গে মস্তিষ্কে র'ক্ত সরবরাহ ঠিক মতো না হওয়ার কারণে নানাবিধ ব্রেন ডিজিজ হওয়ার আশ'ঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। সম্প্রতি আ'মেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের তত্ত্বাবধানে ১৩৪৪ জন প্রাপ্ত বয়স্কের উপর একটি পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। তাতে সবাইকে এক রাত্রি “স্লিপ লাইব্রেরি”তে কা'টানোর অনুরোধ করা হয়। সারা রাত প্রত্যেকের ঘুমের প্যাটার্ন লক্ষ করার পর গবেষকরা জানতে পেরেছিলেন, পরীক্ষায় যারা অংশ নিয়েছিলেন তাদের মধ্যে প্রায় ৩৯.২ শতাংশেরই ওজন বেশি। সেই সঙ্গে কোলেস্টরল এবং উচ্চ র'ক্তচাপের মতো সমস্যাও রয়েছে। কারণ তাদের প্রত্যেকেরই রাতের বেলা ঠিক মতো ঘুম হয় না। এবার বুঝতে পারছেন তো শরীরে সুস্থ রাখতে ঘুম হল একটি প্রয়োজনীয় অ'স্ত্র, যাকে হারনো মানে মৃ'ত্যু নিশ্চিত!
তাহলে উপায়:

যে কেরেই হোক দৈনিক ৭-৮ ঘন্টার কম ঘুমনো কোনও ভাবেই চলবে না। তাই তো রাত জেগে ফেসবুক বা সোসাল মিডিয়ায় ঘোরাঘুরি বন্ধ করতে হবে। এক সমীক্ষা বলছে, ফোন ঘাটার চক্করেই বেশিরভাগের ঘুমাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। এদিকে অফিস যাওয়ার চক্করে সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হয়। ফলে ঘুমের কোটা কমতে শুরু করে। সেই কারণেই রাত ১১ টার পর ফোনকে টাটা বাইবাই বলে ঘুমনোর চেষ্টা চালাতে হবে। তা না হলে বিপদ!

5
মুখে দুর্গন্ধের মতো বিব্রতকর বিষয় আর নেই। অনেকে এই সমস্যায় ভুগলেও কোনও সমাধান খুঁজে পান না। এমনকি কারও কাছে সমস্যাটির কথা বলতেও পারেন না। তবে কয়েকটি বিষয় জানা থাকলে নিজেই এই সমস্যার সমাধান করা যায়। চলুন দেখে নেয়া যাক মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে কী' করবেন-

দারুচিনি ও লবঙ্গ

এক কাপ বিশুদ্ধ পানি নিন। তাতে ১০ থেকে ১৫ ফোঁটা দারুচিনি ও লবঙ্গ তেল যু'ক্ত করুন। এগুলো ভালো'ভাবে মিশিয়ে মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করুন। এই মিশ্রণ আপনার মুখের দুর্গন্ধ তাড়াতে পারে।

দিনে দুই বেলা ব্রাশ করুন

দিনে দুই বেলা ব্রাশ করা দাঁতের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও দুই বেলা দাঁত ব্রাশ জরুরি। যদি এরপরও মুখে দুর্গন্ধ হয়, তাহলে বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে পারেন। এটি মুখ থেকে এসিডিটি দূর করবে এবং ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমিয়ে দেবে।

লবণপানি

যারা বেশি ঝামেলায় যেতে চান না, তারা হালকা গরম পানিতে এক চামচ লবণ মিশিয়ে তা দিয়ে কুলি করতে পারেন। এতে মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে।

প্রচুর পানি পান করুন

পানি শূন্যতায় ভুগলেও মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার আশ'ঙ্কা থাকে। প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি পান করুন। এটি আপনাকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করবে এবং মুখের বাজে গন্ধ দূর করবে।

নিম

যাদের মাড়ি থেকে র'ক্ত বের হয় বা যারা মুখের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে দূরে থাকতে চান, তারা নিমের দাঁতন ব্যবহার করতে পারেন। বহুকাল আগে থেকেই মুখের সুরক্ষায় প্রাকৃতিক প্রতিষেধক হিসেবে নিম ব্যবহার হয়ে আসছে। নিম দাঁতের গোড়া শক্ত করে।

চা খান

চায়ের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এটি মুখের দুর্গন্ধের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মে'রে ফেলতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এর মধ্যে রয়েছে পলিফেন। এটি মুখের সালফার উপাদানকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়।

দন্ত্য চিকিৎসকের কাছে যান

মাড়ির রোগ থেকে কখনও কখনও মুখে দুর্গন্ধ হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এছাড়া শরীরের ভেতরকার সমস্যার জন্যও মুখে দুর্গন্ধ হয়। তাই গন্ধ কোনোভাবেই না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

6
এখন শীতকাল চলছে। আমাদের দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে হিমেল হাওয়া। এই শীতের সময় ত্বকের সমস্যাটি সবার কমবেশী রয়েছে। অনেকে শুকনো ত্বক পছন্দ করেন না তবে বেশিরভাগ মানুষ শীতের সময় সমস্যাটি এড়াতে ব্যর্থ হয়। শুষ্ক ত্বকের পিছনে মূল কারণ হলো আবহাওয়ার পরিবর্তন। এরপর অন্যান্য কারণগু'লি যেমন টোনার, রাসায়নিক সাবান, রুম হিটার এবং ব্লোয়ার ইত্যাদির ব্যবহার। সাধারণ এই পাঁচটি ঘরোয়া প্রতিকারগুলো শুষ্ক ত্বকের সমস্যা থেকে দূরে রাখবে:

দারুচিনি এবং মধু ফেস মাস্ক :

মধু আপনার ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে এবং দারুচিনি ময়লা বের করে দেয়। আপনার যা দরকার তা হলো ২ টেবিল চামচ মধু + ১/২ চা চামচ দারুচিনির গুঁড়ো। এগু'লি মিশিয়ে একটি নরম ব্রাশ দিয়ে আপনার মুখে লাগান। এটি ১৫-২০ মিনিটের জন্য রাখু'ন এবং মৃদু ম্যাসেজ দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফল পেতে প্রতি ৪-৫ দিন পরপর এটি করুন।

নারকেল তেল ম্যাসেজ :

আপনার ত্বকে ফ্যাটি অ্যাসিডের অভাব থেকে শুষ্ক ভাবের কারণ। আপনার ত্বকের হা'রানো ফ্যাটি অ্যাসিডগু'লি পূরণ করার সর্বোত্তম উৎস হলো নারকেল তেল। আপনার যা দরকার তা হলো ১ টেবিল চামচ নারকেল তেল। রাতে, আপনার মুখটি পুরোপুরি ধুয়ে ৫ মিনিটের জন্য তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। নারকেল তেল আপনার ত্বকে শোষিত করবে এবং আপনার ত্বককে মসৃণ ও স্বাস্থ্যকর করবে।

অ্যালো'ভেরা :

অ্যালো'ভেরা কী' করতে পারে তা আম'রা প্রত্যেকেই জানি। ত্বকের প্রদাহ কমানো ও ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে অ্যালো'ভেরার ভূমিকা অ'পরীসীম। জে'লটি বের করার জন্য আপনার যা দরকার তা হলো একটি তা'জা পাতা, রাতে জে'লটির মুখ আপনার মুখে লাগিয়ে রেখে দিন। ভালো ফলাফল পেতে প্রতি রাতে এটি দিন।

গ্লিসারিন :

গ্লিসারিনে উপস্থিত হিউমে্যাক্ট্যান্টস এবং ইমোলিয়েন্ট আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজের কাজ করে। আপনার যা দরকার তা হলো গ্লিসারিন ১ চা চামচ। শুকনো জায়গায় ম্যাসাজ করে কয়েক ঘণ্টা রেখে দিন এবং পরে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্কতা এড়াতে প্রতিদিন কমপক্ষে একবার ব্যাবহার করুন।

মিল্ক পাউডার ফেস প্যাক :

দুধে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে এবং একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। ২ চা চামচ দুধের গুঁড়া + এক চিমটি হলুদের গুঁড়া + ১ চা চামচ মধু এবং কিছু পানি নিন। এগু'লি সবগু'লি মিশিয়ে আপনার শুষ্ক ত্বকে লাগানোর জন্য একটি ভালো টেক্সচারযু'ক্ত পেস্ট তৈরি করুন। এটি লাগিয়ে স্বাভাবিকভাবে শুকাতে দিন এবং পরে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্ক ত্বকের চিকিত্সার জন্য সপ্তাহে কমপক্ষে দুবার এটি করুন।

7
ওজন কমানোর জন্য ম'রিয়া, কিন্তু কোনভাবেই ওজন কমাতে পাড়ছেন না। এরকম মানুষের সংখ্যা নেহায়েত কম না। আবার কঠিন কঠিন ডায়েট পরিকল্পনাও কাজে দিচ্ছে না, এমন মানুষের অভাব নেই। তাই মজাদার খাবার খেয়েই ওজন কমানোর চেষ্টা এবার কাজে লাগতে পারে।
ওজন কমানোর সময়ে সবথেকে বেশি সমস্যা হল পেটের মেদ কমানোর ক্ষেত্রে। পেটের মেদ যেন কিছুতেই কমতে চায় না। আর সবথেকে তাড়াতাড়ি মেদ জমে যায় এই পেটেই। সারাদিন জিম আর যোগব্যায়াম করে চলে পেটের মেদ কমানোর প্রচেষ্টা। কিন্তু আপনার ঘরেই রয়েছে এমন এক পানীয়, যা খেলে মাত্র ১০ দিনেই কমে যাবে পেটের মেদ।

আমাদের প্রত্যেকের বাড়িতেই আদা এবং জিরা থাকে। খাবারের স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শরীরেরও অনেক উপকার করে আদা। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে তাড়াতাডি খাবার হ'জম করার জন্য ব্যবহার করা হয় আদা। জিরারও উপকারী গুণাগুণ অনেক। কোলেস্টেরলের মাত্রা কম রাখে এবং অ'তিরিক্ত ওজন বৃদ্ধিও আ'ট'কায়। এবার সেই আদা আর জিরা দিয়ে তৈরি পানীয় দিয়েই মাত্র ১০ দিনে কমিয়ে ফেলতে পারবেন পেটের মেদ।

আসুন জেনে নেয়া যাক কী'ভাবে এই যাদুকরী পানীয় তৈরি করে নেয়া যাবে-

এক চামক জিরা এবং এক টুকরো আদা ৫০০ মিলিলিটার জলে দিয়ে ভালো করে ফোটান। যতক্ষণ না জলটা অর্ধেক হয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ। আপনি চাইলে স্বাদের জন্য তাতে দারুচিনি এবং লেবুর রসও ব্যবহার করতে পারেন। টানা ১০ দিন এই পানীয় পান করুন। নিজের চোখেই ফলাফল দেখতে পাবেন।

8
ত্বকের সেবাসিয়াস গ্রন্থি থেকে সেবাম নামের একধরনের তৈলাক্ত পদার্থ নিঃসৃত হয়। এই গ্রন্থির নালির মুখ বন্ধ হয়ে গেলে সেবাম নিঃসরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং তা জমে ফুলে ওঠে, যা ব্রণ নামে পরিচিত। প্রায়ই ব্রণের চারপাশে প্রদাহ হয় এবং লাল হয়ে যায়। জীবাণুর সংক্রমণ হলে এতে পুঁজ হয়। সংক্রমণ সেরে গেলেও মুখে দাগ থেকে যেতে পারে।

ব্রণ কেন হয়


সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত না হলেও হজমের সমস্যা, অ্যালকোহল, বয়ঃসন্ধিকালে হরমোনের প্রভাবে ব্রণ হয়। বংশগত কারণও অন্যতম। প্রোপাইনি ব্যাকটেরিয়াম একনিস নামের একধরনের জীবাণু এর জন্য দায়ী হতে পারে।

ব্রণের প্রকারভেদ

১. ট্রপিক্যাল একনি অতিরিক্ত গরম এবং আর্দ্রতায় পিঠে, ঊরুতে বেশি হয়ে থাকে।

২. প্রিমেন্সট্রুয়াল একনি নারীদের মাসিকের সপ্তাহখানেক আগে ওঠে।

৩. একনি কসমেটিকার কোনো কোনো প্রসাধনী লাগাতার ব্যবহারের কারণে হতে পারে।

৪. মুখ বারবার সাবান দিয়ে ধুলেও (দৈনিক ১ থেকে ২ বারের বেশি) ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যায়। একে একনি ডিটারজিনেকস বলে।

৫. স্টেরয়েড একনি স্টেরয়েড ওষুধ সেবন বা ব্যবহারে দেখা দেয়।

ব্রণ হলে কী করবেন

• দিনে দু-তিনবার হালকা সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুতে হবে। বাইরে থেকে এসেই মুখ ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়া হালকা গরম পানির স্টিম নিতে পারেন।

• তেল ছাড়া ওয়াটার বেসড মেকআপ ব্যবহার করুন।

• মাথা খুশকিমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন।

• পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন এবং আলাদা তোয়ালে ব্যবহার করুন।

• রাতে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। মানসিক চাপমুক্ত থাকতে হবে। প্রচুর পরিমাণে ফল, সবজি খান ও পানি পান করুন।

• কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে হবে। প্রোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

ব্রণ হলে যা করবেন না

• রোদ এড়িয়ে চলুন।

• তেলযুক্ত ক্রিম বা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না।

• ব্রণে হাত লাগাবেন না, খুঁটবেন না।

• চুলে এমনভাবে তেল দেবেন না, যাতে মুখটাও তেলতেলে হয়ে যায়।

• তেলযুক্ত বা ফাস্টফুড খাবার ও উচ্চ শর্করাযুক্ত খাবার পরিহার করুন।

 আগামীকাল পড়ুন: সন্তান প্রসবের পর ব্যায়াম

সহকারী অধ্যাপক (চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগ), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

প্রশ্ন-উত্তর

প্রশ্ন: আমার বয়স ৬৮ বছর। আগে অনেকক্ষণ হাঁটলে ক্লান্তিবোধ করতাম। ইদানীং হাঁটতে গেলে বুকে-পিঠে ও হাতে চাপ অনুভব করি। ইকো করে দেখা গেল, ইজেকশন ফাংশন কম। আমাকে এনজিওগ্রাম করাতে বলা হয়েছে। কিন্তু অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে পারছি না।

উত্তর: মনে হচ্ছে, আপনার হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত চলাচল কমে গেছে, যা রক্তনালির ব্লকের কারণেই হয়ে থাকে। এনজিওগ্রাম করে স্টেন্টিং করা আধুনিকতম চিকিৎসা। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এবং দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদ্‌রোগ বিভাগে অনেক কম খরচে এনজিওগ্রাম করা যায়। কোনো কারণে করা না গেলে এক্সটেনসিভ মেডিকেল থেরাপির জন্য হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ওষুধ সেবন ও জীবনযাপনের ধরনে পরিবর্তন এনে ভালো থাকতে পারবেন।

ডা. রাশেদুল হাসান, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

9
Skin / শীতের ধুলাশায়
« on: December 08, 2019, 11:16:57 AM »
শীত মানেই শুষ্কতা। এই সময় ত্বক যেমন আর্দ্রতা হারায়, তেমনি চারপাশের পরিবেশও শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই ধুলাবালুর পরিমাণও বেড়ে যায়। শীতের কুয়াশার সঙ্গে যোগ হয় ধুলা। চারদিকে যেন ধুলাশা। এই ধুলাবালির সঙ্গে অ্যালার্জেন মিশে থাকে। এই সময় অ্যালার্জি সৃষ্টি করে এমন অনেক উপাদান আমাদের শ্বাসনালির ভেতর ঢুকে যেতে পারে বা ত্বকের সংস্পর্শে আসে। তাই শীতের সময় অ্যালার্জির প্রকোপ বেড়ে যায়। আবার কারও থাকে কোল্ড অ্যালার্জি। কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি অল্প মাত্রায় অসুবিধা করে, আবার কারও ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে।

ঠান্ডা বাতাস, সিগারেটের ধোঁয়া, সুগন্ধি, তীব্র গন্ধ, পুরোনো পত্রিকা বা বই–খাতার ধুলা যাতে মাইট থাকে, ফুলের রেণু, মোল্ড ইত্যাদির কারণে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি বা অ্যাজমা, সর্দি ইত্যাদি দেখা দেয়। এসবকে অ্যালার্জেন বলা হয়। প্রচণ্ড শীতও অনেকের জন্য অ্যালার্জেন হিসেবে কাজ করে এবং অ্যালার্জি হতে পারে।


কোল্ড অ্যালার্জি থেকে বাঁচার উপায়

ঠান্ডা বাতাস থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য একধরনের মুখোশ (ফিল্টার মাস্ক) বা মুখবন্ধনী ব্যবহার করা যেতে পারে। ফলে ব্যবহারকারীরা উত্তপ্ত নিশ্বাস গ্রহণ করতে পারেন। শীতপ্রধান দেশে সাধারণত শীতকালীন এই মাস্ক বা মুখোশ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। উপসর্গ নিরসনে ওষুধ নেওয়া যেতে পারে।

বিছানা ও আসবাবে অ্যালার্জি

এই সময়ে বিছানার চাদর, বালিশের কভার, বালিশ, লেপ, তোশক, ম্যাট্রেস, কম্বল, মশারিতে ধুলাবালি, জীবাণু ও ঘরোয়া জীবাণু মাইট ডাস্ট বেশি জমে। ডাস্ট মাইটের বিষ্ঠা অনেকের শরীরে অ্যালার্জি আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে বিছানার চাদর, বালিশের কভার, লেপের কভার, মশারি ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এ ছাড়া ঘরের চারপাশে পরিষ্কার রাখলে অ্যালার্জেন থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। রোদের আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মিতে ডাস্ট মাইট মরে যায়, তাই এসব জিনিসপত্র নিয়মিত রোদে শুকাতে দিতে পারেন। বাসাবাড়িতে বিভিন্ন আসবাবের ফাঁকে ফাঁকে ধুলাবালি ও ডাস্ট মাইট থাকে। অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে যা নিয়মিত ঝাড়া-মোছা করা প্রয়োজন।

ছত্রাক থেকেও হতে পারে অ্যালার্জি

বায়ুবাহিত ছত্রাকের কারণে অ্যাজমা বা হাঁপানি হতে পারে। মাথার খুশকির অন্যতম কারণ ছত্রাক, সেই খুশকি থেকেও অ্যালার্জি হতে পারে।

কার্পেট, ম্যাট থেকে অ্যালার্জি

ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলতে এবং শীতের সময় ঘর উষ্ণ রাখতে মেঝেতে নামীদামি কার্পেট ও ম্যাট বিছিয়ে রাখেন অনেকে। কিন্তু এই কার্পেট ও ম্যাটে প্রতিদিন প্রচুর ধুলাবালি ও ময়লা জমে। এই ময়লা থেকে জন্ম নেওয়া ডাস্ট মাইট বিশেষ করে শিশুরা ম্যাটে ও কার্পেটে বসে থাকে, খেলাধুলা করে, যে কারণে তারা অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হয়। তাই ডাস্ট মাইট দূর করতে হলে নিয়মিত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বা ঝাঁট দিয়ে পরিষ্কার করা দরকার।

পোষা প্রাণী থেকে

অনেকেই বাসাবাড়িতে বিড়াল, কুকুর, ভেড়া, ছাগল, ময়না, টিয়া, ঘুঘুসহ নানান জাতীয় পশুপাখি পুষে থাকেন। এই পোষা প্রাণীদের শরীরে প্রতিদিন প্রচুর ডাস্ট মাইট জন্মে এবং তাদের শরীরের লোম থেকে অ্যালার্জি সৃষ্টি হয়। তা ছাড়া পশুপাখির মলমূত্র ও লালা থেকেও সৃষ্টি হয় অ্যালার্জি। পশুপাখিদের প্রতিদিন না হলেও দু-এক দিন পরপরই গোসল করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। গোসলে যদি সাবান ব্যবহার করা যায়, তাহলে অনেক ভালো হয়। পশুপাখি যখন মলমূত্র ত্যাগ করে, তখন তা যেন পাত্রে করে, এই অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পশুপাখি যে জায়গায় থাকে, সেই জায়গাটা প্রতিদিন পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন।

এ ছাড়া শিশুদের খেলনা, জুতা, ফ্যান, এসি, ঝাড়বাতি ও বিভিন্ন শোপিসে ধুলোবালি জমে জন্ম নেয় অ্যালার্জি। এসব শখের জিনিস ভালোভাবে এক দিন পরপর পরিষ্কার করা অত্যন্ত প্রয়োজন।


ডা. গোবিন্দ চন্দ্র রায়, সহযোগী অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতাল

10
আপনার সন্তানকে নিশ্চয়ই আপনি নিজের চাইতেও বেশি ভালোবাসেন। প্রত্যেকেই চান তার সন্তান বেড়ে উঠুক একজন সফল এবং ভালো মানুষ হিসেবে। আর তাই নিজের সন্তানের দেখাশোনার কোনো ত্রুটি রাখতে চান না কেউ। আপনার আদরের সন্তানকে প্রতিদিন কিছু বিশেষ কথা জানানো জরুরী। বিশেষ সেই কথাগুলো আপনার সন্তানের মনে ঢুকিয়ে দিলে জীবনের চলার পথে যেকোনো সমস্যার মোলাবেলা সহজেই করতে পারবে সে। জেনে নিন ৭টি কথা সম্পর্কে যেগুলো প্রতিদিনই একবার করে বলা উচিত সন্তানকে।
১) আপনার সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে বলুন ‘তোমার উপর আমার বিশ্বাস আছে। তাকে বিশ্বাস করে ছোট খাটো কিছু দায়িত্ব পালন করতে দিন। তাহলে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং সে আপনাকে আরো বেশি ভালোবাসবে।

২) সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে হলেও বলুন সে যেন হাল ছেড়ে না দেয়। প্রতিটি কাজেই তাকে উৎসাহ দিন এবং হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দিতে মানা করুন। তাকে বলুন ধৈর্য ধরে এগিয়ে গেলেই সাফল্যের দেখা পাবে সে।

৩) কোনো কিছু না পারলে তাকে বকাঝকা না করে আরো বেশি অনুশীলন করতে বলুন। তাকে সবসময়েই এটা বলুন যে বার বার অনুশীলন করলেই সে ‘পারফেক্ট’ হতে পারবে।

৪) প্রতিটি ‘এক্সপার্ট’ মানুষই একসময়ে আনাড়ি ছিলো। এই কথাটি আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই বুঝিয়ে বলুন। এতে সে যে কোনো কাজে সাহস পাবে।

৫) ব্যর্থতা কোনো অপরাধ নয় এটা আপনার সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন। আপনার সন্তান কখনো ব্যর্থ হলে তাকে বকাঝকা না করে ব্যর্থতা কে ভুলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে বলুন।

৬) মাঝে মাঝে খারাপ সময় আসে জীবনের । খারাপ সময় থেকে শিক্ষা নিয়ে ভালো সময়ে সেটাকে কাজে লাগানোর জন্য সন্তানকে উৎসাহিত করুন নিয়মিত
আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই জানিয়ে দিন তাকে আপনি কত ভালোবাসেন।

৭) পরিবার হলো সবচাইতে নিরাপদ যায়গা এবং পরিবার আপনার সন্তানকে কতটা ভালোবাসে সেকথা তাকে জানিয়ে দিন। এতে সে নিজেকে নিরাপদ ভাববে এবং পরিবারের প্রতিও সে ভালোবাসা দেখাবে।

11
BCS Cadre / BCS preparation
« on: April 10, 2019, 11:54:02 AM »
প্রশ্ন :হ্যামলেট নাটকটির রচয়িতা.?
উত্তর : শেক্সপিয়ার
প্রশ্ন :দুধে কোন ধরনের এসিড থাকে?
উত্তর :ল্যাক্টিক।
প্রশ্ন :দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন কে?
উত্তর : আব্রাহাম লিংকন।
প্রশ্ন :ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার নাম কী?
উত্তর :মোসাদ।
প্রশ্ন :বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি কে?
উত্তর : চন্দ্রাবতী।
প্রশ্ন :আটত্রিশতম উত্তর অক্ষরেখা কোন
দুটি দেশকে চিহ্নিত করে?
উত্তর :উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
প্রশ্ন : জাতীয় জন্মনিবন্ধন দিবস কবে পালিত হয়?
উত্তর : ৩ জুলাই।
প্রশ্ন : 'বীরবল' কোন লেখকের ছদ্মনাম?
উত্তর :প্রমথ চৌধুরী।
প্রশ্ন : বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের কৃতিত্ব কার?
উত্তর :বিদ্যাসাগরের।
প্রশ্ন : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনকাব্যকে অনুবিশ্ব বলা হয়?
উত্তর :মানসী।
প্রশ্ন : বাংলাদেশে প্রথম উপজাতীয় রাষ্ট্রদূত কে?
উত্তর : শরদিন্দু শেখর চাকমা।
প্রশ্ন : মারি বার্গাস কোন দেশের লেখক?
উত্তর :স্প্যানিশ।
প্রশ্ন : ওয়েবসাইট 'উইকিলিস'-এর
প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ কোন দেশের নাগরিক?
উত্তর : অস্ট্রেলিয়ার।
প্রশ্ন : নেলসন ম্যান্ডেলার পুরো নাম কী?
উত্তর : নেলসন রোলিহলাহা ম্যান্ডেলা।
প্রশ্ন : রাজা শশাঙ্কের রাজধানী ছিল.?
উত্তর :কর্নসুবর্ণ।
প্রশ্ন :'গুলিস্তা' নামের মাসিক পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন কে?
উত্তর:এস. ওযাজেদ আলী
প্রশ্ন :ইরানের পুরনো নাম কী?
উত্তর : পারস্য।
প্রশ্ন : কোন দেশের প্রেসিডেন্ট পদটি প্রতীকী?
উত্তর:ফিলিস্তিন।
প্রশ্ন : ফিফার প্রেসিডেন্ট সেপ ব্লাটার কোন দেশের নাগরিক?
উত্তর :সুইজারল্যান্ড।
প্রশ্ন : অস্ট্রেলিয়ার আইনসভার নাম কী?
উত্তর :পার্লামেন্ট অব দ্য কমনওয়েলথ।
প্রশ্ন : লিটল বাংলাদেশ কোথায় অবস্থিত?
উত্তর :যুক্তরাষ্ট্রের লস
অ্যাঞ্জেলেসে।
প্রশ্ন : আফগানিস্তানের আইনসভার নিম্নকক্ষের নাম কী?
উত্তর : ওলেসি জিরগা।
প্রশ্ন :বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক কে?
উত্তর :রাষ্ট্রপতি।
প্রশ্ন : ওমান ও পারস্য উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত.?
উত্তর :হরমুজ প্রণালী।
প্রশ্ন :বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা কতটি?
উত্তর :১০টি।
প্রশ্ন :'চলিষ্ণু অভিধান' বলে পরিচিত ছিলেন.?
উত্তর :ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
প্রশ্ন :হাড় ও দাঁত শক্ত করে.?
উত্তর :ক্যালসিয়াম।
প্রশ্ন :'সারপ্লাস ভ্যালু অব লেবার' তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
উত্তর :কার্ল মাকর্স।
প্রশ্ন :জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন.?
উত্তর :ট্রিগভ্যালি

12

রক্তশূন্যতা কীভাবে বুঝবেন
রক্তের প্রধান দুটি উপাদান হলো রক্তকোষ ও রক্তরস। লোহিত রক্তকণিকায় থাকে হিমোগ্লোবিন নামের রঞ্জক পদার্থ, যা দেহের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে। তাই হিমোগ্লোবিন কমে গেলে সারা শরীরে দেখা দেয় বিরূপ প্রতিক্রিয়া। আর রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার নাম হলো অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা।

কেন হয় অ্যানিমিয়া?

RFL Gas Stoveনানা কারণে রক্তশূন্যতা হতে পারে। রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরির কাঁচামাল আয়রন কমে গেলে আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা হতে পারে। এ ছাড়া ভিটামিন বি ও ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি, দীর্ঘমেয়াদি রোগ (যেমন কিডনি বিকল), দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ (যেমন যক্ষ্মা), ক্যানসার, থাইরয়েডের সমস্যা, অস্থিমজ্জায় সমস্যা, সময়ের আগে রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়া, রক্তক্ষরণ ইত্যাদি হতে পারে রক্তশূন্যতার কারণ। তবে সব ধরনের কারণের মধ্যে আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে এর হার বেশি। এতে বিরূপ প্রভাব পড়ে শিশুর ওপর, মাতৃমৃত্যুর হারও যায় বেড়ে।

কেন আয়রনের ঘাটতি?

প্রধান কারণ অপুষ্টি। খাদ্যে পর্যাপ্ত আয়রন না থাকলে বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের আয়রনের ঘাটতি হয়। আরেকটি কারণ নারীদের অতিরিক্ত মাসিকে রক্তক্ষরণ। অন্য কোনো কারণে দীর্ঘমেয়াদি রক্তক্ষরণ থাকতে পারে, যেমন পেপটিক আলসার, কৃমি, পাইলস, অন্ত্রে বা পাকস্থলীতে ক্যানসার, দীর্ঘদিন ব্যথানাশক সেবন ইত্যাদি।

কীভাবে বুঝবেন?

চোখ-মুখ ফ্যাকাশে মনে হওয়া, দুর্বলতা, ক্লান্তি, অবসাদ, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, মুখে-ঠোঁটে ঘা ইত্যাদি রক্তশূন্যতার সাধারণ লক্ষণ। রক্তশূন্যতার মাত্রা তীব্র হলে শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ লাগা এমনকি হার্ট ফেইলিউরও হতে পারে। রক্তশূন্যতা সন্দেহ করা হলে রক্তের একটি কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট করা জরুরি। এটি দেখে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ও লোহিত কণিকার পরিমাণ, আকার, রঞ্জক পদার্থের ঘনত্ব ও মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক আরবিসি ইনডেক্স দেখে রক্তশূন্যতার কারণ অনুমান করতে পারেন। তবে প্রকৃত কারণ শনাক্ত করার জন্য পরে অন্যান্য পরীক্ষারও প্রয়োজন হয়।

চিকিৎসা কী?

রক্তশূন্যতা হলে আয়রন বড়ি কিনে খেলেই হলো—এ ধারণা ঠিক নয়। রক্তশূন্যতার চিকিৎসার মূল বিষয় কারণটি খুঁজে বের করা। যেমন পেপটিক আলসার, পাইলস বা ক্যানসার শনাক্ত করা বা কেন মাসিকে বেশি রক্তক্ষরণ হচ্ছে, তা খোঁজা। রোগীকে আয়রনের ঘাটতি পূরণে মুখে বড়ি দেওয়া হবে, না শিরাপথে আয়রন দেওয়া হবে, তা রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন।

আগামীকাল পড়ুন: অপরিণত শিশুর জন্ম

প্রশ্ন-উত্তর

প্রশ্ন: মাসিক অনিয়মিত, শুরু হতেও বিলম্ব হয়। আবার একবার শুরু হলে একটানা এক-দুই মাস পর্যন্ত চলতে থাকে। সমাধান দিলে উপকৃত হব।

উত্তর: নানা কারণে মাসিকের সমস্যা হতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনের সমস্যা, জরায়ু বা ডিম্বাশয়ে কোনো টিউমার, ফাইব্রয়েড বা সিস্ট থাকতে পারে। আপনি একজন গাইনি বিশেষজ্ঞর পরামর্শে হরমোন পরীক্ষা ও আলট্রাসনোগ্রাম করে নিশ্চিত হয়ে নিন।

ডা. শামিমা ইয়াসমিন, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

13
হাঁচি–কাশি সারছেই না, শ্বাসকষ্ট, অল্পতেই খুক খুক করা, ত্বকে চুলকানি, র‌্যাশ—অ্যালার্জির সমস্যা কখনো কখনো খুবই কষ্ট দেয়। অ্যালার্জির সমস্যা এড়াতে একটি বড় সমাধান হলো, যে বস্তুতে অ্যালার্জি হয় বা অ্যালার্জেনগুলো এড়িয়ে চলা। অ্যালার্জি কিছুতেই যখন সারছে না, তখন একটু ভাবুন, আশপাশেই কি লুকিয়ে আছে আপনার শত্রু?

বাড়িতে অ্যালার্জির গোপন শত্রু
হাঁচি–কাশি সারছেই না, শ্বাসকষ্ট, অল্পতেই খুক খুক করা, ত্বকে চুলকানি, র‌্যাশ—অ্যালার্জির সমস্যা কখনো কখনো খুবই কষ্ট দেয়। অ্যালার্জির সমস্যা এড়াতে একটি বড় সমাধান হলো, যে বস্তুতে অ্যালার্জি হয় বা অ্যালার্জেনগুলো এড়িয়ে চলা। অ্যালার্জি কিছুতেই যখন সারছে না, তখন একটু ভাবুন, আশপাশেই কি লুকিয়ে আছে আপনার শত্রু?

বিছানাপত্র: বিছানার চাদর, বালিশের কভার, বালিশ, লেপ, তোশক, মেট্রেস, কাঁথা-কম্বল—এগুলোতে থাকে ধুলাবালু ও ডাস্ট মাইট (এক জাতের খুব ছোট পোকা)। বিছানার ধুলাবালি আর ডাস্ট মাইট থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার বিছানার চাদর, বালিশের কভার, লেপের কভার ধুয়ে দিতে হবে। মাঝেমধ্যে লেপ, কাঁথা, কম্বল রোদে দিতে হবে। তোশক, মেট্রেসও রোদে দেওয়া উচিত। রোদের অতিবেগুনি রশ্মিতে ডাস্ট মাইট দূর হয়।

RFL Gas Stoveআসবাব: চেয়ার, টেবিল, সোফা, খাট, আলমারি, ওয়ার্ডরোব ইত্যাদির ওপরে ও ফাঁকে ফাঁকে ধুলাবালু ও ডাস্ট মাইট থাকে। আর্দ্র জায়গা হলে ছত্রাকও জন্মায়। এগুলো প্রতিদিনই ঝাড়া–মোছা করতে হবে। বদ্ধ বা ভ্যাপসা ঘর হলে মাঝেমধ্যে এগুলো বাইরে বা ছাদে রোদে দেওয়া ভালো।

কার্পেট, ম্যাট: ঘরের মেঝেতে বিছানো কার্পেট ও ম্যাট প্রচুর ধুলা ও ডাস্ট মাইট জমা হওয়ার উৎকৃষ্ট স্থান। নিয়মিত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। যাদের অ্যালার্জি আছে, তাদের বাড়িতে বরং কার্পেট না থাকাই ভালো। মেঝেতে কার্পেট বা ম্যাটা না থাকলে প্রতিদিনই ঘর ঝাড়ু দিয়ে ঘরের মেঝে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হবে।

দরজা–জানালা: দরজা, জানালা ও দরজা-জানালার পর্দায় জমে থাকে ধুলাবালু, মাকড়সার জাল, ডাস্ট মাইট নিয়মিত ঝেড়ে, মুছে, ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।

রান্নাঘর: আর্দ্র রান্নাঘরে বাসা বাঁধতে পারে ছত্রাক। কাজ শেষে রান্নাঘর ঝেড়ে মুছে পরিষ্কার করে শুকনো রাখতে হবে। রান্নাঘরের ধোঁয়া বাইরে বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। যথেষ্ট আলো–বাতাস থাকা চাই রান্নাঘরে।

বই–পুস্তক: টেবিলে, বইয়ের তাকে বা আলমারিতে রাখা বই দীর্ঘদিন নাড়াচাড়া না করলে এগুলোতে ধুলা জমে, ডাস্ট মাইট বাসা বাঁধে। বই যত্ন করে শুধু তুলে না রেখে নিয়মিত নাড়াচাড়া করতে হবে, পড়তে হবে। তাহলে পরিষ্কার থাকবে।

শিশুর খেলনা: শিশুর নরম খেলনা, যেগুলোর ওপরে কাপড়ের আবরণ বা প্রাণীর লোমের মতো থাকে, সেগুলোতে ধুলা ও ডাস্ট মাইট জমে থাকে। ধোয়া যায়, এমন খেলনাগুলো পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। অন্যগুলো ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করে দিতে হবে।

পোষা প্রাণী: বিড়াল, কুকুর, খরগোশ ইত্যাদি প্রাণীর লোম থেকে অ্যালার্জি হয়। পাখি বা প্রাণীর মলমূত্রও হতে পারে অ্যালার্জির কারণ। পশুপাখি পুষলে তাকে নিয়মিত গোসল করানো, তার থাকার জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার করা ও মলমূত্র সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করা উচিত।

অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ, কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ।

 আগামীকাল পড়ুন: বয়ঃসন্ধিতে কিশোরীর খাবার

প্রশ্ন-উত্তর

প্রশ্ন: বয়স ৩৯। মাঝেমধ্যে ঠোঁটে জ্বরঠোসা ওঠে, জিব জ্বলে ও মুখ তেতো থাকে। কী করণীয়?

উত্তর: ভাইরাস আক্রমণে জ্বরঠোসা উঠতে পারে। সাধারণত রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে এমনটা হয়। দীর্ঘমেয়াদি কোনো রোগ বা সংক্রমণ আছে কি না, পরীক্ষা করুন। রক্তশূন্যতা ও ভিটামিনের অভাবও হতে পারে।

ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

14
সব ধরনের চাকরি শুরু করার প্রথম ধাপ সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করা। শুরুর এই ধাপে আপনি যত ভালো করবেন, চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা আপনার ততই বেড়ে যাবে। সাক্ষাৎকার দেওয়ার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম না থাকলেও কিছু অলিখিত বিষয় রয়েছে, যেগুলো আপনাকে অতিক্রম করতে হবে ভালোভাবে। বিভিন্ন অফিসে সাক্ষাৎকারের সময় আপনাকে বিভিন্ন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। কাজেই আপনার এক পরিস্থিতির অভিজ্ঞতাকে সবকিছু ভাববেন না। যাঁরা একেবারে নতুন তাঁরাই বেশি সমস্যায় পড়বেন সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে। তাই সব পরিস্থিতিতে ১২টি সাধারণ নিয়ম মেনে চলুন।

১.     প্রথমেই প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস। এটিই আপনাকে সফলতা অর্জনে অনেক এগিয়ে দেবে। নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত অফিসে ঠিক সময়মতো উপস্থিত হওয়ার চেষ্টা করুন। রাস্তায় জ্যাম থাকবেই, তাই হাতে সময় নিয়ে একটু আগেই পৌঁছে যান।

RFL Gas Stove২.     যে প্রতিষ্ঠানে চাকরির আবেদন করেছেন, সে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিন।

৩.    পোশাক হওয়া চাই মার্জিত। অফিশিয়াল পোশাক পরে সাক্ষাৎকার দিতে যান। পোশাক আপনার ব্যক্তিত্ব এবং কাজ করার ক্ষমতাকে কিছুটা হলেও প্রকাশ করে।

৪.    আপনার মুঠোফোনটি সাক্ষাৎকারকক্ষে ঢোকার আগে সাইলেন্ট অথবা বন্ধ করে নিন। প্রশ্নের উত্তর যথাসম্ভব সহজ, সরল ও সংক্ষিপ্তভাবে দিন।

৫.    কোনো প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে সরাসরি বলুন যে উত্তরটি আপনি জানেন না। জানি জানি ভাব করে সময় নষ্ট করবেন না।

৬.    সাক্ষাৎকারের সময় যেমন নার্ভাস হওয়া যাবে না, তেমনি ওভার স্মার্টনেস দেখানোও ঠিক হবে না। আপনাকে বাংলায় প্রশ্ন করা হলে ইংরেজিতে উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই। উপযুক্ত ভাষায় কথা বলুন।

৭.     সাক্ষাৎকারের সময় আপনাকে পেশাগত ভাষায় কথা বলতে হবে। খেয়াল রাখবেন, আপনার অনুপযুক্ত শব্দ চয়ন যেন প্রশ্নকর্তাদের বিব্রত না করে। তাহলে তাৎক্ষণিকভাবেই আপনার সাক্ষাৎকার শেষ হয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে আপনার স্বপ্ন।

৮.    সাক্ষাৎকারের শুরু থেকেই প্রশ্নকর্তা আপনাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বেশ কিছু তথ্য দিতে পারেন। যদি সেগুলো আপনি না শোনেন, তাহলে বড় কোনো সুযোগ হারাতে পারেন।

৯.    প্রশ্নকর্তা যখন জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনার কোনো প্রশ্ন আছে কিনা?’ তখন বেশির ভাগ প্রার্থী উত্তর দেন, ‘না’। এটি না করে আপনার মনে কোনো প্রশ্ন এলে পরিস্থিতি বুঝে তা করে ফেলুন। এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন, কোম্পানিটি আপনার জন্য সঠিক জায়গা হবে কি না।

১০.  চাকরিটি আপনার খুব জরুরি হতে পারে। কিন্তু সাক্ষাৎকারের সময় ‘প্লিজ আমাকে চাকরিটা দিন’ ধরনের মরিয়া ভাব দেখাবেন না। এটা আপনার আত্মবিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

১১.   সাক্ষাৎকারের সময় ধীরস্থির ও দৃঢ়সংকল্প থাকুন। আপনি জানেন চাকরিটা পাওয়ার যোগ্যতা আপনার আছে, প্রশ্নকর্তাকেও সেটা বুঝতে দিন।

১২.   কাজটা কি আপনি পারবেন? এ ধরনের প্রশ্ন করা হলে ‘আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব’ এ ধরনের জবাব দেওয়াই উত্তম। সাক্ষাৎ শেষে বাইরে আসার সময় উপযুক্ত সম্ভাষণ করে কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসুন।

—লিংকডিন ও বিভিন্ন ক্যারিয়ার–বিষয়ক ওয়েবসাইট অবলম্বনে

15
Body Fitness / রোজ তিনটা করে খেজুর
« on: March 28, 2019, 12:59:21 PM »
রোজ তিনটা করে খেজুর খান। চালিয়ে যান এক সপ্তাহ। তারপর আরও কয়েকটা দিন। অভ্যাস হয়ে গেল তো? এটা আর ছাড়বেন না। ফলটা কী?

আপনি যদি দিনে তিনটা করে খেজুর এক সপ্তাহ খান, তাহলে সাত দিনে আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হারিয়ে যাবে। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়বে। খাবারের রুচি বাড়বে। আর বাড়াবে আপনার হজমক্ষমতাও। শরীর অবশকারী যেকোনো ধরনের রোগে খেজুর হলো মোক্ষম দাওয়াই।

এ ছাড়া অন্ত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের বিশ্বস্ত ও সেরা সৈনিকের নাম খেজুর। খেজুর কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের এক গবেষণায় জানা যায়, নিয়মিত খেজুর খেলে কোলন স্বাস্থ্য ভালো থাকে। খেজুর উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো কোলন ক্যানসারের জন্য দায়ী কোষগুলোকে মেরে ফেলে। সূত্র: এনডিটিভি অবলম্বনে

Pages: [1] 2 3 ... 8