Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Shamim Ansary

Pages: [1] 2 3 ... 96
1
Building a path for tomorrow: Bangladesh Key Budget Proposals 2020

2
বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যাসংক্রান্ত খবর ১৪ জুন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তাছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমেও তা ফলাও করে প্রকাশিত হয়। ঐদিন সুশান্তের বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করার পাশাপাশি অ্যান্টি ডিপ্রেশন ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন উদ্ধার করা হয়। নায়ক সুশান্তর আত্মহত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই ফেইসবুকে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন। আবার অনেকেই হয়েছেন বিমোহিত। কারণ প্রিয় নায়কের অস্বাভাবিক মৃত্যু, মন থেকে যা মেনে নেওয়া যায় না। সুশান্তের বাসা থেকে তার লাশসহ অ্যান্টি ডিপ্রেশন ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন উদ্ধারের মাধ্যমে ধরে নেওয়া যায় যে এটি একটি আত্মহত্যা। শুধু বলিউড তারকা সুশান্তই নন, বরং পত্রিকার পাতা খুললে প্রায়ই চোখে পড়ে আত্মহত্যাসংক্রান্ত খবরাখবর। আমাদের দেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন জনগণের আত্মহত্যাসংক্রান্ত খবরাখবর প্রায়ই চোখে পড়ে। বলা বাহুল্য, আত্মহত্যা হচ্ছে মানবজীবনের এক চরম অসহায়ত্ব, ক্ষণিকের আবেগে একটি মহামূল্যবান জীবনের চির অবসান ঘটানো, যা কোনো কিছুর বিনিময়েই ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। আত্মহত্যার মাধ্যমে নিজের মূল্যবান জীবনকে যেমন একদিকে শেষ করে দেওয়া হয়, তেমনি অন্যদিকে একটি সম্ভাবনারও চির অবসান ঘটে। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, অতি প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন দেশে ‘আত্মহত্যা’ নামক এই মহাপাপ সংঘটিত হয়ে আসছে। যদিও এটিকে কোনো সমাজই কখনো ভালো চোখে দেখেনি এবং দেখবেও না। এক ব্যক্তির আত্মহত্যা করার পেছনে সাধারণত বিষণ্নতা বা Depression, আর্থিক, সামাজিক, পারিবারিক সমস্যা কিংবা নিতান্ত ব্যক্তিগত মনোকষ্ট, বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া (দীর্ঘদিন ধরে ব্যর্থতা, গ্লানি বা হতাশা এবং নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি, অনাগত ভবিষ্যত্ সম্পর্কে উদ্বেগ, নিঃসঙ্গতা, কর্মব্যস্ততাহীন দিন যাপন ইত্যাদি মানব মস্তিষ্ককে সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত করে), পারসোন্যালিটি ডিসঅর্ডার, এনজাইটি ডিসঅর্ডার, অ্যালকোহল ব্যবহারজনিত ডিসঅর্ডার ইত্যাদি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) পরিসংখ্যানমতে, বিশ্বে প্রায় ১২১ মিলিয়ন মানুষ মাত্রাতিরিক্ত বিষণ্নতার শিকার। WHO-র বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, ২০২০ সালের মধ্যে হূদেরাগের পরেই বিষণ্নতা মানব সমাজের বিপন্নতার দ্বিতীয় কারণ হিসেবে প্রতীয়মান হবে। WHO-র জরিপ অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে বার্ষিক আত্মহত্যার হার ১১ দশমিক ৪ শতাংশ। জরিপে দেখা যায়, শুধু ২০১২ সালে সারা বিশ্বে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ৮ লক্ষ ৪ হাজার। প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একটি করে আত্মহত্যা সংঘটিত হচ্ছে। তবে ১৫-২৯ বছর বয়সিদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। আর বাংলাদেশে বার্ষিক আত্মহত্যার সংখ্যা গড়ে ১০ হাজার ২২০টি, যার মধ্যে ৫৮ থেকে ৭৩ শতাংশ আত্মহত্যাকারীই নারী। খোঁজ নিলে দেখা যাবে, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষার্থীই হতাশা, মানসিক অশান্তি ও মানসিক অস্থিরতায় ভুগছে। তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহারসহ সংগত নানা কারণে পূর্বের তুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ অবস্থা যেন অধিক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রেমে ব্যর্থতাসহ বিভিন্ন কারণে হতাশা, মানসিক অশান্তি ও মানসিক অস্থিরতার কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ ধরনের প্রবণতা বেড়েই চলেছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা, আত্মহত্যা চেষ্টার প্রবণতা বেড়ে চলাসহ অনেক শিক্ষার্থী মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতায় ভুগলেও অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই নেই কোনো পেশাদার পরামর্শক বা কাউন্সিলর। কোনো শিক্ষার্থী যদি আত্মহত্যা করে বা আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে, তবে তা হবে সমাজ, দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জার একটি বিষয়। কারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তাদের পরিবারসহ সমাজ, দেশ ও জাতি ভালো অনেক কিছু আশা করে। একজন শিক্ষার্থীকে স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আসতে তার অভিভাবকসহ ঐ শিক্ষার্থীকে অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা ও সংগ্রাম করতে হয়। পাড়ি দিতে হয় অনেক দুর্গম ও বন্ধুর পথ। এ বিষয়গুলো প্রত্যেক শিক্ষার্থীরই উপলব্ধি করা প্রয়োজন। তাদের স্মরণ রাখা উচিত, অনেক আশা-ভরসা নিয়ে তাদের বাবা-মা বা অভিভাবকেরা তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া শেখাতে পাঠান।

মানুষের জীবনে সমস্যা আসে এবং সমস্যা আসবেই—এটিই স্বাভাবিক। তার মানে এই নয় যে জীবনে সমস্যা এলে বা সমস্যায় পড়লে আত্মহত্যা করে জীবনকে শেষ করে দিতে হবে। বরং জীবনে সমস্যা এলে সবাইকে আবেগনির্ভর না হয়ে সুস্থ মস্তিষ্কে ও বাস্তবতার আলোকে সেই সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে কোনো মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া। যখন কেউ আত্মহত্যা করে বা আত্মহত্যার চেষ্টা করে, তখন ধরে নেওয়া হয় যে এটি তার মানসিক অস্থিরতা বা আবেগ দ্বারা তাড়িত হওয়ার ফলাফল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আত্মহত্যার পেছনের কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে পারিবারিক বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হওয়া, সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটা, পরীক্ষায় আশানুরূপ ফলাফল লাভ করতে না পারা, অপরিসীম অর্থকষ্ট, ধর্ষণ, যৌন, শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন-নিপীড়ন, মাদকাসক্তিসংক্রান্ত সমস্যা, নানা ধরনের মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি। এসবের পাশাপাশি রয়েছে প্রিয় কোনো নেতা, অভিনেতা, শিল্পী, খেলোয়াড়ের আকস্মিক মৃত্যুর খবর; কর্মস্থল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহকর্মী বা সহপাঠীদের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হওয়া, দীর্ঘদিনের বেকারত্ব বা হঠাত্ চাকরিচ্যুতি বা চাকরিতে পদাবনতি ঘটা; ‘এ পৃথিবীতে কেউ আমাকে চায় না’, ‘এ পৃথিবীতে বেঁচে থেকে আমার কোনো লাভ নেই’—এজাতীয় বদ্ধমূল চিন্তাভাবনা ইত্যাদি। এসব চিন্তার কারণে মনের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া প্রচণ্ড রকমের হতাশা ও ক্ষোভের কারণে মানুষ তার নিজের প্রতি আস্থা ও সম্মানবোধ হারিয়ে ফেলে। আর তখন থেকেই সে সবার কাছ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করে এবং একসময় আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। আবার কিছু ব্যর্থতাও মানুষকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দেয়। পরিবারের সব সদস্যের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে না পারা, দীর্ঘদিনেও ঋণমুক্তির উপায় খুঁজে না পাওয়া ইত্যাদি। এছাড়া প্রেমে ব্যর্থতাসহ প্রেমিক-প্রেমিকার ইচ্ছাপূরণের জন্য জেদের বশবর্তী হয়েও অনেক তরুণ-তরুণীকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে দেখা যায়। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে। বলা বাহুল্য, আত্মহত্যাজনিত মৃত্যুর অধিকাংশই প্রতিরোধযোগ্য। অধিকাংশ ব্যক্তিই আত্মহত্যার সময় কোনো-না-কোনো গুরুতর মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, শারীরিক ও মানসিক যেকোনো অসুস্থতায় যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা লাভের সুযোগ আত্মহত্যার প্রবণতা কমায়। পাশাপাশি আত্মহত্যা প্রতিরোধে কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলোকে প্রোটেকটিভ ফ্যাক্টর বা রক্ষাকারী বিষয় বলা হয়। যেমন জীবনের খারাপ সময়গুলোতে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা জন্মানো, নিজের প্রতি শ্রদ্ধা ও আত্মবিশ্বাস জন্মানো, সমস্যা সমাধানের কার্যকর দক্ষতা বাড়ানো, প্রয়োজনে অন্যের কাছ থেকে ইতিবাচক সহায়তা লাভের চেষ্টা করা ইত্যাদি। তাছাড়া সামাজিক ও ধর্মীয় রীতিনীতি, অনুশাসন, ভালো বন্ধু, প্রতিবেশী ও সহকর্মীর সঙ্গে সামাজিক সুসম্পর্ক প্রভৃতি আত্মহত্যার প্রবণতা হ্রাসে সহায়তা করে। এছাড়া সুষম খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত নিদ্রা, নিয়মিত শরীরচর্চা, ধূমপান ও মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকা তথা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং শারীরিক ও মানসিক যেকোনো অসুস্থতায় যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা লাভের সুযোগ আত্মহত্যার প্রবণতা কমায়। সুতরাং, শিক্ষার্থীদের হতাশা ও মানসিক অশান্তি থেকে উত্তরণের জন্য দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দ্রুত পেশাদার কাউন্সিলর নিয়োগ করা প্রয়োজন। আর তা সম্ভব হলে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার চেষ্টা চালানো কিংবা আত্মহত্যা করার প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা যায়। সর্বোপরি, আত্মহত্যার বিভিন্ন নেতিবাচক দিক তুলে ধরে নিয়মিতভাবে তা প্রচার-প্রচারণারও ব্যবস্থা করা আবশ্যক। শিক্ষার্থীসহ সবাইকে জীবনের গুরুত্ব ও মূল্য সম্পর্কে বুঝতে হবে। সবাইকে বুঝতে হবে যে জীবন একটাই এবং তা মহামূল্যবান। জীবন একবার হারালে তা আর কোনো কিছুর বিনিময়েই ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। এবং জীবনটাকে যদি সুন্দরভাবে সাজানো যায়, তাহলে জীবনকে সুন্দরভাবে উপভোগও করা যায়। তাই আসুন, আমরা সবাই আত্মহত্যার চিন্তা ও আত্মহত্যার পথ পরিহার করে এখন থেকেই আমাদের জীবনটাকে ভালোভাবে ভালোবাসতে শিখি।


ড. কুদরাত-ই-খুদা বাবু, সহযোগী অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

source: https://www.ittefaq.com.bd/print-edition/opinion/161085/%E0%A6%86%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A7%9F-%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87

3
This situation is a warning to HEIs to be proactive and keep themselves always ready to face and strongly tackle such pandemic with prior managed initiatives
   
Reputation of HEIs will depend on how they handle the international students after this situation 
   
Online teaching-learning opportunity and platform needs to be strengthened and emphasized. Universities should charge less for online education and include collaborative learning into their virtual courses.
   
Cross govt. initiatives and action need to be taken to decide the International students' tuition fees soon after the pandemic situation. Waiver for international students may need to be extended.
   
Universities’ ability to communicate well with students and parents and to offer reassuring messages may be of critical importance
   
Universities should focus on introducing more flexible admissions processes and strengthening their communications strategies to mitigate any potential damage from the coronavirus crisis 
   
Graduating on time culture needs to be implemented to get rid of any session mismatch
   
Govt. and Universities need to invest more on R&D on human health and tackling natural pandemic like COVID 19   
   
The coronavirus crisis helped to understand more that international students add value to universities and the whole economy.
   
Universities rethinking patterns on this crisis management plan is vital because, in the coming days we may face more severe situations (Hope ALLAH will save us from all odds, In Sha ALLAH). In this case, we need to think about it, considering long term plans so that we may get prepared for ourselves to resume the operation properly..
   
We also need to think about our international students as it needs to be considered by us that greater numbers of students will face growing uncertainty about their travel plans (case of international student). Major areas are:  travel restrictions; university closures; flight cancellations; difficulties with obtaining scholarship interviews, visa applications, or language tests; exam cancellations or postponements; and health concerns.
   
University needs to search out on how students feel about changes in educational delivery and the rise of online learning.
   
As DIU is working on COVID 19, it will add more to our acceptability, internationally (responding to this global health emergency).

4


একটি জাতির বিবেক হলো তার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। আর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকা মানে হলো জাতির বিবেক ঘুমিয়ে থাকা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অন্য দিকগুলো এড়িয়ে যাওয়া, যা তথ্য ও প্রযুক্তির এই যুগে এসে কোনো অবস্থাতেই কাম্য নয়। এভাবে বিশ্ববিদ্যালয় অনেক দিন বন্ধ থাকলে শিক্ষার মান অনেক কমে যেতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে জাতীয় জীবনে। রাষ্ট্র ব্যর্থ হতে পারে দক্ষ মানবশক্তি তৈরিতে।

এখন প্রশ্ন হলো, প্রযুক্তির এই স্রোতোধারায় ডিজিটাল বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান পদ্ধতি অব্যাহত রাখতে কর্তৃপক্ষের করণীয় কী হতে পারে? তার একমাত্র সমাধান হলো অনলাইনে পাঠদান, যা ইউরোপ ও আমেরিকার প্রতিটি দেশে সব সময়ই করে থাকে। অনলাইনে জ্ঞান অর্জন বরঞ্চ শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজ লিখব আমার নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে।

এবার আসুন কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখা যেতে পারে।

প্রথমত, আমরা সবাই জানি যে গুগল প্লে–স্টোরে অনেকগুলো ভিডিও কনফারেন্স অ্যাপস রয়েছে। যেখানে প্রায় এক শ জন বা তার অধিক শিক্ষার্থী একই সঙ্গে অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারেন। রুটিন অনুসারে নির্দিষ্ট সময়ে সম্মানিত শিক্ষকেরা অনলাইন ক্লাসে আসতে পারেন। সব শিক্ষার্থী একই সময়ে ভিডিও কনফারেন্সে ক্লাসে যোগ দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সম্মানিত শিক্ষকদের লেকচার শোনার মনোযোগ বাড়াতে পারে বলে আমার মনে হয়। যেহেতু প্রায় শিক্ষার্থী হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন সেহেতু ক্লাসে অংশগ্রহণের সংখ্যাও হতে পারে বেশি। হ্যাঁ, অনেকে বলবে, তাহলে প্রয়োজনীয় বই পাবে কোথায়? একেবারে সহজ উত্তর, সম্মানিত শিক্ষকেরা ওনাদের লেকচার ও বই ই-বুকের মতো করে বা ফাইল আকারে সব শিক্ষার্থীকে মেইল করে দিতে পারেন বা নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টালে পোস্ট করে দেবেন। অথবা ফেসবুক গ্রুপে দিয়ে দেবেন। আর না হয় ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে দিয়ে দিতে পারেন। শিক্ষার্থীরা ডাউনলোড করে পড়ে নিতে পারবেন। একেবারে সহজ উপায়।

ইউরোপ ও আমেরিকাতে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশির ভাগ শিক্ষা উপকরণ ও সহায়ক বই অনলাইনেই পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বই কেনার টাকাও বেঁচে যায় এবং সহজে ঘরে বসে সব উপকরণ পেয়ে যায়। অনেক শিক্ষার্থী এই নিয়মের বিপক্ষে গিয়ে বলতে পারে আমরা ইন্টারনেট কিনব! কারণ হিসেবে বলতে পারে, আর্থিক অসচ্ছলতা। এই ক্ষেত্রে মোবাইল কোম্পানিগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য কম মূল্যে বান্ডেল প্যাকেজ দিতে পারে। যেহেতু প্রায় শিক্ষার্থীর হাতে এনড্রয়েড সেট রয়েছে, সেহেতু কেউ এই শিক্ষার প্ল্যাটফর্ম থেকে বঞ্চিত হবে বলে আমার মনে হয় না। কিন্তু স্কুল শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন বিষয়। তাদের অনেকের মোবাইল সেট নেই বা দরিদ্র্যের কারণে সম্ভব না–ও হতে পারে। তাদের জন্য সরকারের বিটিভির মাধ্যমে পাঠদানই যথেষ্ট বলে মনে হয়।

অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের তো প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস/ল্যাব আছে এইটা কীভাবে নেওয়া সম্ভব! আমি বলব যে এখন যেহেতু মানবিক বিপর্যয়, ল্যাবে যাওয়া সম্ভব নয়, সেহেতু এখন থিউরিটিক্যাল বিষয়গুলো আগে শেষ করে নেওয়া অথবা একেবারে দুই সেমিস্টারের থিউরিটিক্যাল বিষয়গুলো একসঙ্গে শেষ করে নেওয়াটা ভালো হতে পারে। পরের সেমিস্টারে যখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তখন ওই সেমিস্টারকে শুধু ল্যাব ক্লাস বানিয়ে নিতে পারেন। এতে আমার মনে হয় শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি পেতে পারে।প্রতীকী ছবিএবার আসি দ্বিতীয় ধারায়, তা হলো সেমিস্টার শেষে পরীক্ষা পদ্ধতি কেমন হওয়া চাই? আমি এই ক্ষেত্রে জার্মানিতে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা পদ্ধতির কথাই বলতে পারি। এই করোনাময় সেমিস্টারে বিভিন্ন উপায়ে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। প্রথমত, শিক্ষকেরা প্রতিদিন ভিডিও কনফারেন্সে ১০–১৫ মিনিট করে ওনার সিলেবাসকে ভাগ করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে এককভাবে বা গ্রুপ করে প্রেজেন্টেশন নিতে পারেন এবং তা রেকর্ড করতে পারেন। শিক্ষার্থীদের প্রেজেন্টেশনের তথ্য–উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে নম্বর দিতে পারেন। তারপর, রিসার্চ পেপার বা টার্ম পেপারের জন্য অফার করতে পারেন এবং তার ওপর ভিত্তি করে নম্বর বণ্টন করে দিতে পারেন। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা যেন প্লেজিয়ারিজমের দিকে না ঝোঁকে, সে জন্য অবশ্যই তাদের সতর্ক করে দিতে পারেন। পরীক্ষা পদ্ধতিতে সিলিবাসের পাঠ্যবইয়ের ওপর এমসিকিউ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা যেতে পারে ভিডিও কনফারেন্সে একসঙ্গে। এ ক্ষেত্রে সময় দিতে হবে খুবই কম। এ ক্ষেত্রে মোবাইল ও ল্যাপটপের ক্যামেরা যেন নড়াচড়া না করে, সে বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া যেতে পারে। লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষকেরা একটি নির্দিষ্ট সময়ে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা নিতে পারেন। কিন্তু সময় থাকবে খুব কম আর প্রশ্ন এমনভাবে করতে হবে যাতে সরাসরি বই থেকে উত্তর পাওয়া দেওয়া না যায়। শিক্ষার্থীদের যাতে নিজের অবলোকনের ওপর ভিত্তি করে উত্তর দিতে হয়। এতে শিক্ষার্থীর মেধা ও বিচক্ষণতার প্রসার ঘটতে পারে। প্রশ্নের মান যেন ৩-৫ নম্বরের বেশি না হয়, সেটাও ভেবে দেখা যেতে পারে। এবং তা খুব কম সময়ের মধ্যে ছবি তুলে বা স্ক্যান করে নির্দিষ্ট পোর্টালে আপলোড দিতে পারে বা ই–মেইল করে দিতে পারে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে। সবশেষে অনলাইনে ভাইভা নেওয়ার মাধ্যমে সেমিস্টার শেষ করতে পারেন। প্রতিটি ধাপে নির্দিষ্ট নম্বর বণ্টনের মাধ্যমে।

আমাদের দেশে যেহেতু পরীক্ষার ফি, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিস্টার ফি দিতে হয়, সেহেতু এগুলো কীভাবে আদায় করা সম্ভব? এই ক্ষেত্রে ফি–সমূহ অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নেওয়া সম্ভব। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যেহেতু শুধু পরীক্ষার ফি ও অন্যান্য ফি দিতে হয় সে ক্ষেত্রে বিকাশ, নগদ বা অন্যান্য যত পেমেন্ট সিস্টেম আছে, তা অনুসরণ করা যেতে পারে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা, এখন যেহেতু মানুষের আয়রোজগার নেই বললে চলে সেহেতু টিউশন ফি কমানোর বিষয়ে মানবিক হওয়া যেতে পারে।

সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীদের হাতে ই-বুক ও শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়ার জন্য দেশের বা দেশের বাইরের বিভিন্ন লাইব্রেরির সঙ্গে চুক্তি করতে পারে যেন আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনলাইন রিসোর্স পড়তে পারেন। যেই সুবিধাটি জার্মানিতে আমরা নিজেরাও পাই। চাইলে অন্যান্য অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি থেকে অনলাইনে ঘুরে আসতে পারি।

পৃথিবী প্রযুক্তিতে অনেক দূর এগিয়ে গেছে, যা কল্পনাতীত। শুধু কোভিড-১৯ ভাইরাসের কাছে পৃথিবী স্থিমিত হয়ে আছে। কিন্তু অন্যান্য প্রযুক্তির সহায়তায় জ্ঞানের প্রসারতার দিকটি চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে আমাদের।

লেখাটি আমার একান্ত মতামত, সম্মানিত শিক্ষকেরা তাঁদের মতো করো শিক্ষাদান ও পরীক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। বাংলাদেশের সব শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা। ঘরে থাকুন, নিরাপদে ও সুস্থ থাকুন।


*লেখক: শিক্ষার্থী, ফিলিপস ইউনিভার্সিটি, জার্মানি।


Source: https://www.prothomalo.com/international/article/1654228/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A7%80%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87

5
The coronavirus disease (COVID-19) outbreak is upending life for families around the world. As schools and childcare centres close, many parents are finding themselves stuck at home for most of the day juggling childcare, full-time work and other competing responsibilities. Figuring out “What’s for dinner?” can be yet another daily challenge.

  To make things even harder, panic buying and disruptions to food supply systems mean some foods can now be difficult to find. And for many people, unemployment and lost income are making food shopping an additional financial challenge.

  While many parents are understandably looking to ready meals and processed foods as a quick and low-cost way to feed the family, there are convenient, affordable and healthy alternatives. Here are five ways to help feed your children a varied, nutritious diet that will support their growth and development, all while building healthy eating habits.

5 healthy eating tips

1. Keep up fruit and vegetable intake

Purchasing, storing and cooking fresh vegetables can be challenging in a lockdown, especially when parents are advised to limit trips outside of the home. But wherever possible, it’s important to ensure children are still getting plenty of fruit and vegetables in their diet.

Whenever it is possible to get hold of fresh produce, do so. As well as being eaten fresh, fruits and vegetables can be frozen where possible and will retain most of their nutrients and flavor. Using fresh vegetables to cook large batches of soups, stews or other dishes will make them last longer and provide meal options for a few days. These can also be frozen where possible and then quickly reheated.

2. Swap in healthy dried or canned alternatives when fresh produce is not available

Fresh produce is almost always the best option, but when it is not available there are plenty of healthy alternatives that are easy to store and prepare.

Canned beans and chickpeas, which provide an abundance of nutrients, can be stored for months or even years, and can be included in meals in many ways. Canned oily fish such as sardines, mackerel and salmon are rich in protein, omega 3 fatty acids and a range of vitamins and minerals. These can be used cold in sandwiches, salads or pasta dishes, or cooked as part of a warm meal.

Canned vegetables, such as tomatoes, do tend to contain lower quantities of vitamins than fresh produce, but they are a great fallback option when fresh produce or frozen vegetables are hard to come by.

  Dried goods like dried beans, pulses and grains such as lentils, split peas, rice, couscous or quinoa are also nutritious, long-lasting options that are tasty, affordable and filling. Rolled oats cooked with milk or water can serve as an excellent breakfast option, and can be spiced up with yoghurt, chopped fruits or raisins.

3. Build up a stock of healthy snacks

Children often need to eat a snack or two during the day to keep them going. Rather than giving kids sweets or salty snacks, opt for healthier options like nuts, cheese, yoghurt (preferably unsweetened), chopped or dried fruits, boiled eggs, or other locally available healthy options. These foods are nutritious, more filling, and help build healthy eating habits that last a lifetime.

4. Limit highly processed foods

While using fresh produce may not always be possible, try to limit the amount of highly processed foods in your shopping basket. Ready-to-eat meals, packaged snacks and desserts are often high in saturated fat, sugars and salt. If you do purchase processed foods, look at the label and try to choose healthier options containing less of these substances. Try to also avoid sugary drinks and instead drink lots of water. Adding fruits or vegetables like lemon, lime, cucumber slices or berries to water is a great way to add an extra twist of flavor.

5. Make cooking and eating a fun and meaningful part of your family routine

Cooking and eating together is a great way to create healthy routines, strengthen family bonds and have fun. Wherever you can, involve your children in food preparation – small children can help with washing or sorting food items while older children can take on more complex tasks and help to set the table.

  Try as much as possible to stick to fixed mealtimes as a family. Such structures and routine can help reduce anxiety for children in these stressful situations.

Advice for breastfeeding children

Breastmilk remains a great food for children between 6-24 months. Women with COVID-19 can continue to breastfeed if they wish to do so. They should, however, practice respiratory hygiene during feeding, wearing a mask where available; wash their hands before and after touching the baby; and routinely clean and disinfect surfaces they have touched. If too unwell to breastfeed due to the virus or other complications, mothers should be supported to safely provide newborns with breastmilk in any way possible.


Source: https://www.unicef.org/coronavirus/easy-affordable-and-healthy-eating-tips-during-coronavirus-disease-covid-19-outbreak

6
In early 2000, a five-year-old online bookseller called Amazon.com sold $672 million in convertible bonds to shore up its financial position. One month later, the dot-com bubble burst. More than half of all digital start-ups went out of business over the next few years—including lots of Amazon’s then-rivals in e-commerce. Had the bubble burst just a few weeks earlier, one of the most successful companies ever might have fallen victim to that recession.

Recessions—defined as two consecutive quarters of negative economic growth—can be caused by economic shocks (such as a spike in oil prices), financial panics (like the one that preceded the Great Recession), rapid changes in economic expectations (the so-called “animal spirits” described by John Maynard Keynes; this is what caused the dot-com bubble to burst), or some combination of the three. Most firms suffer during a recession, primarily because demand (and revenue) falls and uncertainty about the future increases. But research shows that there are ways to mitigate the damage.

In their 2010 HBR article “Roaring Out of Recession,” Ranjay Gulati, Nitin Nohria, and Franz Wohlgezogen found that during the recessions of 1980, 1990, and 2000, 17% of the 4,700 public companies they studied fared particularly badly: They went bankrupt, went private, or were acquired. But just as striking, 9% of the companies didn’t simply recover in the three years after a recession—they flourished, outperforming competitors by at least 10% in sales and profits growth. A more recent analysis by Bain using data from the Great Recession reinforced that finding. The top 10% of companies in Bain’s analysis saw their earnings climb steadily throughout the period and continue to rise afterward. A third study, by McKinsey, found similar results.

The difference maker was preparation. Among the companies that stagnated in the aftermath of the Great Recession, “few made contingency plans or thought through alternative scenarios,” according to the Bain report. “When the downturn hit, they switched to survival mode, making deep cuts and reacting defensively.” Many of the companies that merely limp through a recession are slower to recover and never really catch up.

Decentralized firms were better able to adjust to changing conditions.

How should a company prepare in advance of a recession and what moves should it make when one hits? Research and case studies examining the Great Recession shed light on those questions. In some cases, they cement conventional wisdom; in others, they challenge it. Some of the most interesting findings deal with four areas: debt, decision making, workforce management, and digital transformation. The underlying message across all areas is that recessions are a high-pressure exercise in change management, and to navigate one successfully, a company needs to be flexible and ready to adjust.

Deleverage Before a Downturn

Rebecca Henderson (of Harvard Business School) likes to remind her students, “Rule one is: Don’t crash the company.” That means, first and foremost, don’t run out of money. Because a recession usually brings lower sales and therefore less cash to fund operations, surviving a downturn requires deft financial management. If Amazon hadn’t raised all that money prior to the dot-com bust, its options would have been much more limited. Instead, it was able to absorb losses in its investments in other start-ups and also launch Amazon Marketplace, its platform for third-party sellers, later that year. It further expanded during and after the recession into new segments (kitchens, travel, and apparel) and markets (Canada).

Companies with high levels of debt are especially vulnerable during a recession, studies show. In a 2017 study, Xavier Giroud (of MIT’s Sloan School of Management) and Holger Mueller (of NYU’s Stern School of Business) looked at the relationship between business closures and associated unemployment and falling housing prices in various U.S. counties. Overall, the more housing prices declined, the more consumer demand fell, driving increased business closures and higher unemployment. But the researchers found that this effect was most pronounced among companies with the highest levels of debt. They divided up companies on the basis of whether they became more or less leveraged in the run-up to the recession, as measured by the change in their debt-to-assets ratio. The vast majority of businesses that shuttered because of falling demand were highly leveraged.

This article also appears in:

“The more debt you have, the more cash you need to make your interest and principal payment,” Mueller explains. When a recession hits and less cash is coming in the door, “it puts you at risk of defaulting.” To keep up with payments, companies with more debt are forced to cut costs more aggressively, often through layoffs. These deep cuts can impair their productivity and ability to fund new investments. Leverage effectively limits companies’ options, forcing their hand and leaving them little room to act opportunistically.

The extent to which high levels of debt pose a risk during a recession depends on various factors. Shai Bernstein (of the Stanford Graduate School of Business), Josh Lerner (of Harvard Business School), and Filippo Mezzanotti (of Northwestern University’s Kellogg School of Management) have found that companies owned by private equity firms—which often require the companies they finance to take on debt—fared better during the Great Recession than similarly leveraged non-PE-owned firms. Companies with lots of debt struggle in part because access to capital slows to a trickle during a downturn. PE-backed firms emerged in better shape, the study suggests, because their owners were able to help them raise capital when they needed it. Issuing equity is another way companies can avoid the burden of debt obligations. “If you issue equity in the run-up to a recession,” Mueller says, “the problem of defaulting will be less pronounced.”

The reality, of course, is that many companies have some level of debt going into a recession. Mueller’s study found that the average debt-to-assets ratio among firms that had increased debt levels in the run-up to the Great Recession was 38.3%. Among the group that had deleveraged, it was 19.5%. Although there’s no magic number, modest levels of debt aren’t necessarily a problem, research shows. Nonetheless, Mueller suggests that if a company thinks a recession is coming, it should consider deleveraging. McKinsey’s recent recession research supports this: Firms that emerged in better shape from the Great Recession had reduced their leverage more dramatically from 2007 to 2011 than had less successful ones.

When it comes to deleveraging, it helps to start early, says McKinsey’s Mihir Mysore. That means reducing debt levels before it’s clear the economy is in recession. “You need to take a hard look at your portfolio,” Mysore advises, because shedding assets can be a way to reduce leverage without necessarily cutting core aspects of operations.

Focus on Decision Making

A company’s performance during and after a recession depends not just on the decisions it makes but also on who makes them. In a 2017 study, Raffaella Sadun (of Harvard Business School), Philippe Aghion (of Collège de France), Nicholas Bloom and Brian Lucking (of Stanford), and John Van Reenen (of MIT) examined how organizational structure affects a company’s ability to navigate downturns. On the one hand, “the need to make tough decisions may favor centralized firms,” the researchers write, because they have a better picture of the organization as a whole and their incentives are typically more closely aligned with company performance. On the other hand, decentralized firms may be better positioned to weather macro shocks “because the value of local information increases.”

The researchers relied on data from the World Management Survey of manufacturers, which includes questions on how much autonomy a plant manager has to make investments, introduce new products, make sales and marketing decisions, and hire employees. Companies in which plant managers had little discretion were considered highly centralized; those in which they had a lot of discretion were scored as less so. The researchers also examined results from a similar survey run by the U.S. Census and matched them with company reports of sales, employment levels, profits, and other performance measures. And they gathered data on which industries were hardest hit by the Great Recession. “Decentralization was associated with relatively better performance for firms or establishments facing the toughest environment during the crisis,” the researchers report. They also found that the benefits of decentralization faded as economic conditions improved—a sign that delegation has particular value during uncertain times.

Why did decentralization help? “The recession introduced a lot of uncertainty and turbulence,” says Sadun. Because decentralized firms delegated decision making further down the hierarchy, they were better able to adapt to changing conditions. For example, they were more aggressive in adjusting their product offerings in response to changes in demand. “One [piece of] advice would be [to] really think carefully about your organizational structure because that’s one way you cope with uncertainty,” says Sadun.

Of course, organizational structure isn’t easy to adjust quickly in preparation for a recession, but that doesn’t mean companies can’t learn from these findings. “What decentralization does,” says Sadun, “is match decisions with expertise.” She says companies can fall into the trap of hoarding decision rights during a downturn. But the uncertainty of a recession necessitates experimentation, which requires that decisions be made throughout the organization. Even if companies decide not to decentralize, they can try to do a better job of gathering input from employees at all levels when making key decisions. “Recessions offer opportunities for change,” notes Sadun.

Look Beyond Layoffs

Some layoffs are inevitable in a downturn; during the Great Recession, 2.1 million Americans were laid off in 2009 alone. However, the companies that emerged from the crisis in the strongest shape relied less on layoffs to cut costs and leaned more on operational improvements, Ranjay Gulati and his colleagues found in their study of public companies.

That’s because layoffs aren’t just harmful to workers; they’re costly for companies, too. Hiring and training are expensive, so companies prefer not to have to rehire when the economy picks back up, particularly if they think the downturn will be brief. Layoffs can also hurt morale, dampening productivity at a time when companies can ill afford it.

Fortunately, layoffs aren’t the only way to cut labor costs. Companies should consider hour reductions, furloughs, and performance pay. After the stock market crash in 2000, Honeywell laid off nearly 20% of its workforce and then struggled to recover in the downturn that followed. So when the Great Recession hit, in 2008, the company took a different approach, as Sandra J. Sucher and Shalene Gupta describe in their 2018 HBR article, “Layoffs That Don’t Break Your Company.” “Honeywell furloughed employees for one to five weeks, providing unpaid or partially compensated leaves, depending on local labor regulations,” Sucher and Gupta wrote. That saved an estimated 20,000 jobs. Honeywell emerged from the Great Recession in better shape than it did the 2000 recession in terms of sales, net income, and cash flow, despite the fact that the 2008 downturn was much more severe.

Firms invest in IT during recessions because their opportunity cost is lower.

In some parts of the world, policy makers encourage shorter hours as an alternative to layoffs. Many countries and more than half the states in the U.S. have some sort of “short-time” compensation program, whereby workers whose hours are reduced receive partial unemployment compensation. In France, 4% of workers and 1% of firms took advantage of short-time work programs in 2009, and the program paid off for both workers and companies. In a 2018 discussion paper for the European think tank Centre for Economic Policy Research, Pierre Cahuc, Francis Kramarz, and Sandra Nevoux found that companies that took advantage of the short-time work program laid off fewer workers and were more likely to survive during the Great Recession. The effect was most significant among the companies most severely hit by the recession and those with the highest levels of debt. According to the researchers, the short-time work approach allowed vulnerable companies to hold on to more of their workforce. Absent the subsidies, they most likely would have had to lay off more employees, making it more difficult to recover after the recession or causing them to go out of business altogether. The researchers estimate that for every five workers on short-time work, one job was saved. And they estimate that the cost per job saved was less than that of comparable programs; since the alternative was paying unemployment, the program actually saved the French government money.

One appealing thing about both furloughs and short-time work is that, as with layoffs, companies have discretion over which workers are affected. By contrast, across-the-board pay cuts or hiring freezes that fail to consider employee productivity can backfire, damaging morale and driving away the most productive employees. Similarly, hiring freezes affect every department indiscriminately, without weighing the value of various potential hires.

Performance pay—compensation based on some measure of productivity or business outcome—is another way to control labor costs without hurting productivity. There is a long-running debate about performance pay, for executives and frontline workers, and plenty of evidence for and against the management tool on both sides. But a recent study by Christos Makridis (of the White House Council of Economic Advisers) and Maury Gittleman (of the U.S. Bureau of Labor Statistics) documents an important fact. Using responses to the National Compensation Survey from 2004 to 2014, the study shows that U.S. companies rely on performance pay more frequently during economic downturns. Although they can’t say whether this strategy works out for companies, they show that a given job is more likely to come with performance pay when times are tough. They hypothesize that this is because performance pay makes companies more flexible by aligning workers’ incentives with changing conditions.
Invest in Technology

It’s tempting to think of a recession as a time to batten down the hatches and play it safe. However, downturns actually appear to encourage the adoption of new technologies. In a 2018 paper, Brad Hershbein (of the Upjohn Institute for Employment Research) and Lisa B. Kahn (of the University of Rochester) compared more than 100 million online job listings posted from 2007 to 2015 with economic data to see how the Great Recession affected the types of skills employers were looking for. They found that the U.S. cities hardest hit by the recession saw a greater demand for higher-order skills—including computer-related skills. The boost in demand was partly due to employers’ taking advantage of high unemployment to be choosier, as suggested by Alicia Sasser Modestino (of Northeastern), Daniel Shoag (of Harvard Kennedy School and Case Western Reserve), and Joshua Ballance (of the New England Public Policy Center). Their study found that the demand for tech skills returns to more normal levels once the labor market improves.

But companies weren’t only being choosier, Hershbein and Kahn found; they were becoming more digital, too. In those hard-hit areas of the United States, companies also increased their investment in information technology, driving the surge in IT skill requirements in their job postings.

Why do companies invest in technology during a recession when money is tight? Economists theorize that it’s because their opportunity cost is lower than it would be in good times. When the economy is in great shape, a company has every incentive to produce as much as it can; if it diverts resources to invest in new technologies, it may be leaving money on the table. But when fewer people are willing to buy what you’re selling, operations need not be kept humming at maximum capacity, which frees up operating budget to fund IT initiatives without dampening sales. For that reason, adopting technology costs less, in a sense, during a recession.

That’s fine in theory, but other reasons may make more practical sense to managers. Technology can make your business more transparent, more flexible, and more efficient. According to Katy George, a senior partner at McKinsey, the first reason to prioritize digital transformation ahead of or during a downturn is that improved analytics can help management better understand the business, how the recession is affecting it, and where there’s potential for operational improvements.

The second reason is that digital technology can help cut costs. Companies should prioritize “self-funding” transformation projects that pay off quickly, George says, such as automating tasks or adopting data-driven decision making. The third reason is that IT investments make companies more agile and therefore better able to handle the uncertainty and rapid change that come with a recession. In manufacturing, “we are finally seeing uptake now in the adoption of digital and advanced analytics,” she says. It used to be that a manufacturer could be the cheapest in the market or could stay nimble—but not both. Flexibility came with serious costs. However, digital technologies “create much more flexibility around product changes, volume changes, etc., as well as around movement of your supply chain around the world.”

That, in George’s view, is one way the next recession might be different from past ones. Companies that have already made an investment in digital technology, analytics, and agile business practices may be better able to understand the threat they face and respond more quickly. As we’ve seen, recessions can create wide and long-standing performance gaps between companies. Research has found that digital technology can do the same. Companies that have neglected digital transformation may find that the next recession makes those gaps insurmountable.

A version of this article appeared in the May–June 2019 issue (pp.98–105) of Harvard Business Review.



Source: https://hbr.org/2019/05/how-to-survive-a-recession-and-thrive-afterward

7
Proper nutrition and hydration are vital. People who eat a well-balanced diet tend to be healthier with stronger immune systems and lower risk of chronic illnesses and infectious diseases. So you should eat a variety of fresh and unprocessed foods every day to get the vitamins, minerals, dietary fibre, protein and antioxidants your body needs. Drink enough water. Avoid sugar, fat and salt to significantly lower your risk of overweight, obesity, heart disease, stroke, diabetes and certain types of cancer.
Eat fresh and unprocessed foods every day

Eat fruits, vegetables, legumes (e.g. lentils, beans), nuts and whole grains (e.g. unprocessed maize, millet, oats, wheat, brown rice or starchy tubers or roots such as potato, yam, taro or cassava), and foods from animal sources (e.g. meat, fish, eggs and milk).

Daily, eat: 2 cups of fruit (4 servings), 2.5 cups of vegetables (5 servings), 180 g of grains, and 160 g of meat and beans (red meat can be eaten 1−2 times per week, and poultry 2−3 times per week).

For snacks, choose raw vegetables and fresh fruit rather than foods that are high in sugar, fat or salt.

Do not overcook vegetables and fruit as this can lead to the loss of important vitamins.

When using canned or dried vegetables and fruit, choose varieties without added salt or sugar.
Drink enough water every day

Water is essential for life. It transports nutrients and compounds in blood, regulates your body temperature, gets rid of waste, and lubricates and cushions joints.

Drink 8–10 cups of water every day.

Water is the best choice, but you can also consume other drinks, fruits and vegetables that contain water, for example lemon juice (diluted in water and unsweetened), tea and coffee. But be careful not to consume too much caffeine, and avoid sweetened fruit juices, syrups, fruit juice concentrates, fizzy and still drinks as they all contain sugar.

Eat moderate amounts of fat and oil

Consume unsaturated fats (e.g. found in fish, avocado, nuts, olive oil, soy, canola, sunflower and corn oils) rather than saturated fats (e.g. found in fatty meat, butter, palm and coconut oils, cream, cheese, ghee and lard).

Choose white meat (e.g. poultry) and fish, which are generally low in fat, rather than red meat.

Avoid processed meats because they are high in fat and salt.

Where possible, opt for low-fat or reduced-fat versions of milk and dairy products.

Avoid industrially produced trans fats. These are often found in processed food, fast food, snack food, fried food, frozen pizza, pies, cookies, margarines and spreads.

Eat less salt and sugar

When cooking and preparing food, limit the amount of salt and high-sodium condiments (e.g. soy sauce and fish sauce).

Limit your daily salt intake to less than 5 g (approximately 1 teaspoon), and use iodized salt.

Avoid foods (e.g. snacks) that are high in salt and sugar.

Limit your intake of soft drinks or sodas and other drinks that are high in sugar (e.g. fruit juices, fruit juice concentrates and syrups, flavoured milks and yogurt drinks).

Choose fresh fruits instead of sweet snacks such as cookies, cakes and chocolate.

Avoid eating out

Eat at home to reduce your rate of contact with other people and lower your chance of being exposed to COVID-19. We recommend maintaining a distance of at least 1 metre between yourself and anyone who is coughing or sneezing. That is not always possible in crowded social settings like restaurants and cafes. Droplets from infected people may land on surfaces and people’s hands (e.g. customers and staff), and with lots of people coming and going, you cannot tell if hands are being washed regularly enough, and surfaces are being cleaned and disinfected fast enough.

Counselling and psychosocial support

While proper nutrition and hydration improve health and immunity, they are not magic bullets. People living with chronic illnesses who have suspected or confirmed COVID-19 may need support with their mental health and diet to ensure they keep in good health. Seek counselling and psychosocial support from appropriately trained health care professionals and also community-based lay and peer counsellors.


Source: http://www.emro.who.int/nutrition/nutrition-infocus/nutrition-advice-for-adults-during-the-covid-19-outbreak.html

8
Kara Landau, founder of Uplift Food​ and author of the Good Mood Food Guide and Prebiotic Manual, says that whilst this global health crisis brings uncertainty to many aspects of our lives, there’s one things that remains certain – our diets can help get us through this.

“One thing I know for certain is that what we eat does play a role in both how we feel and in our immune health.​

“Given the connection between dietary factors, inflammation, and mood, it makes sense to try and minimize any potential nutritional deficiencies that could lead to an increase in inflammation within the body.”​

The gut health specialist who attended NutraIngredients’ Probiota conference earlier this year says that as the founder of a small startup company she understands the anxiety this situation can bring.

“It can lead anyone to experience feelings anywhere between deep concern to paralysing anxiety.”​

She points out there are foods rich in specific nutrients that are known to help alleviate and prevent anxiety and depression, reduce inflammation in the body, and ultimately help to build the immune system.

Prebiotics​

As the nutrition adviser and media representative for the Global Prebiotic Association, it’s not surprising that Landau points to prebiotics as a key dietary component for improving mental health.

She says: “With the gut-brain connection having a wealth of research to support its important role in our mental health, including our understanding that poor gut health can lead to the release of inflammatory molecules in the body, and depression and anxiety being known to be conditions not only from a chemical imbalance but also of inflammation within the body.​

“Together with the knowledge that the immune system is predominantly found within the gut - It is with reasonable understanding that the key fuel source for the diverse bacteria within the gut, also known as prebiotics, would play a vital piece in the story for both positive mental wellbeing together with strengthening your immune system.”​

She points out that the specific bacteria type that are typically targeted by prebiotics are Lactobacilli​ and bifidobacteria​, with positive changes in bifidobacteria ​the most commonly seen. What's more, the prebiotics that are fermented by the bacteria in the colon lead to the production of beneficial short chain fatty acids (SCFAs) that have direct, and indirect, health benefits.

She outlines some of the key sources of gut health boosting prebiotic fibres.

“Although many of the densest sources of prebiotics are often found in less commonly consumed foods such as chicory root and dandelion greens, there are more easily incorporated foods that you can weave into your diets in situations such as we find ourselves in now, including roasting and then cooling potatoes or pasta, overnight oats or raw oats used in energy balls, incorporating onion and garlic into dishes, consuming legume based pastas, as well as blending in green banana flour or a prebiotic supplement into a smoothie.”​

Antioxidants and polyphenols​

Antioxidants and polyphenols are the ‘powerhouses’ that not only reduce inflammation in the body but also play a supportive role in many of the body's 'wellbeing systems', and more recently some have even been shown to support gut health via their own prebiotic activity, says Landau.

“If you are house-bound and do not feel it is possible to continue to purchase fresh deep coloured fruits and vegetables for any reason, additional options to attain these nutrients include Vitamin E and selenium rich nuts and seeds such as sunflower seeds, almonds, brazil nuts, as well as other healthy fat rich foods such as avocado and extra virgin olive oil. ​

“I would advise to continue consuming deep coloured fruits and vegetables - and just because there are no frozen fruits or vegetable options left at the grocery store does not mean you can not purchase fresh berries or vegetables, place them in the freezer, and add into a smoothie or dish when you are ready to use them.” ​

Magnesium

“Often referred to as the calming mineral, Magnesium assists with the conversion of 5 hydroxytryptophan into serotonin, one of the forms you find tryptophan in within the body whilst serotonin is being produced.​

“Many people these days are unknowingly deficient in magnesium which has the potential to negatively affect your ability to boost your mood naturally through increased serotonin production.​

“For this reason, ensuring that you consume adequate dietary sources of magnesium is essential to promoting a positive mood.”​

 Landau points out that some key food sources of magnesium include: whole-grains such as oats and wheat-bran, broccoli, raspberries, nuts and seeds, natural nut or seed butters are dense sources that are often easy to incorporate into the diet, beans, bananas, and cocoa / dark chocolate.

Vitamin D

It’s unsurprising that vitamin D – the happy vitamin absorbed from sunshine - would appear on the list of mental health stabilising nutrients.

“Research has continually been uncovering how important a role Vitamin D plays in the maintenance of optimal physical and mental health.​

“Although the exact mechanisms of action are still being uncovered, what can be understood is that Vitamin D deficiency appears to be associated with a number of inflammatory conditions, including Type II Diabetes, Arthritis and even Cardiovascular Disease.” ​

She adds that in a study of almost 12600​ people over a four year period, it was found that higher blood levels of Vitamin D were associated with significantly decreased risk of depression, and in particular, this association was found to be strongest in those people whom had had a previous history of depression.

“Although sunlight is often our best option for Vitamin D, for those that are not in areas that permit this at this time, some easily accessible food options include: canned fish and eggs, and although offering the not quite as well absorbed Vitamin D2 plant based version of Vitamin D, high vitamin D mushrooms are an option for those who follow a vegan diet.”​
Omega-3’s

Omega 3 is well understood as playing a beneficial role in reducing inflammation within the body and there are three different types of omega 3’s that are commonly focused on: DHA, EPA and ALA.

Landau explains: “DHA - docosahexaenoic acids - are long chain fatty acids that make up part of the cell membranes of our brains cells, and play a role in the transmission of chemical signals from cell to cell therefore is usually promoted for heart health. ​

“EPA- Eicosapentaenoic acid - is also a long chain fatty acid which helps to reduce inflammation and therefore is associated with improving your mood.​

“DHA and EPA can be found in fatty, cold-water fish such as salmon, tuna, herring, sardines, mackerel and halibut. They are also found in vegan micro-algae sources from which are thought to be where they actually originate in the food system, to begin with. ​

“ALA is found in hemp seeds, sacha inchi seeds, flaxseeds, chia seeds, walnuts, pumpkin seeds, and some dark green leafy vegetables, including kale and spinach. Only a very small percentage of ALA is converted into EPA (around 6%), which can then be converted into DHA (around 3.8%). Therefore ALA is not as potent for mood elevation or heart health as EPA and DHA coming from the alternative sources.” ​

Source: https://www.nutraingredients.com/Article/2020/03/19/COVID-19-How-to-use-diet-and-supplements-to-maintain-immunity-and-sanity

9
করোনার লক্ষণ নিয়ে দুই সপ্তাহ ভোগার পর অবশেষে সেরে ওঠার কথা জানিয়েছেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রাওলিং।

গতকাল টুইটারে তিনি জানান, গত দু’সপ্তাহ আগে কোভিড-১৯ এর লক্ষণ তার শরীরে দেখা দিয়েছিল (যদিও তিনি কোনো পরীক্ষা করাননি)। এখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ।

৫৪ বছর বয়সী এই লেখিকা আরও জানান, কুইন্স হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের পোস্ট করা ভিডিও দেখে শ্বাসকষ্ট থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সবাইকে সেই ভিডিও দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন।

ওই চিকিৎসককে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আপনার ভিডিওগুলো দেখে আমি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেছি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এ ধরনের পোস্ট করার জন্য। আপনারাও দেখুন এই পোস্ট। দেখান পরিবারের সব সদস্য, চেনা পরিচিতদের। নিরাপদে থাকুন সবাই। সুস্থ থাকুন।’


Source: https://www.thedailystar.net/bangla/anandadhara/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-142972

10

    Examine the readiness and choose the most relevant tools.

Decide on the use high-technology and low-technology solutions based on the reliability of local power supplies, internet connectivity, and digital skills of teachers and students. This could range through integrated digital learning platforms, video lessons, MOOCs, to broadcasting through radios and TVs.

    Ensure inclusion of the distance learning programmes.

Implement measures to ensure that students including those with disabilities or from low-income backgrounds have access to distance learning programmes, if only a limited number of them have access to digital devices. Consider temporarily decentralizing such devices from computer labs to families and support them with internet connectivity.

    Protect data privacy and data security.

Assess data security when uploading data or educational resources to web spaces, as well as when sharing them with other organizations or individuals. Ensure that the use of applications and platforms does not violate students’ data privacy.

    Prioritize solutions to address psychosocial challenges before teaching.

Mobilize available tools to connect schools, parents, teachers and students with each other. Create communities to ensure regular human interactions, enable social caring measures, and address possible psychosocial challenges that students may face when they are isolated.

    Plan the study schedule of the distance learning programmes.

Organize discussions with stakeholders to examine the possible duration of school closures and decide whether the distance learning programme should focus on teaching new knowledge or enhance students’ knowledge of prior lessons. Plan the schedule depending on the situation of the affected zones, level of studies, needs of students needs, and availability of parents. Choose the appropriate learning methodologies based on the status of school closures and home-based quarantines. Avoid learning methodologies that require face-to-face communication.

    Provide support to teachers and parents on the use of digital tools.

Organize brief training or orientation sessions for teachers and parents as well, if monitoring and facilitation are needed. Help teachers to prepare the basic settings such as solutions to the use of internet data if they are required to provide live streaming of lessons.

    Blend appropriate approaches and limit the number of applications and platforms.

Blend tools or media that are available for most students, both for synchronous communication and lessons, and for asynchronous learning. Avoid overloading students and parents by asking them to download and test too many applications or platforms.

    Develop distance learning rules and monitor students’ learning process.

Define the rules with parents and students on distance learning. Design formative questions, tests, or exercises to monitor closely students’ learning process. Try to use tools to support submission of students’ feedback and avoid overloading parents by requesting them to scan and send students’ feedback.

    Define the duration of distance learning units based on students’ self-regulation skills.

Keep a coherent timing according to the level of the students’ self-regulation and metacognitive abilities especially for livestreaming classes. Preferably, the unit for primary school students should not be more than 20 minutes, and no longer than 40 minutes for secondary school students.

    Create communities and enhance connection.

Create communities of teachers, parents and school managers to address sense of loneliness or helplessness, facilitate sharing of experience and discussion on coping strategies when facing learning difficulties.[/size]

Source: https://en.unesco.org/news/covid-19-10-recommendations-plan-distance-learning-solutions


11
Covid-19 Patient Tracker

12

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা নীতিনির্ধারকদের কাছে একটি বার্তা খুব স্পষ্ট করে পৌঁছে দিয়েছেন। সেটা হচ্ছে, যদি কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাহলে সামাজিক দূরত্বের নিদান যেভাবেই হোক পুরোপুরি বাস্তবায়ন করুন।

বিশ্বের বহু সরকার তা বাস্তবায়নও করছে। ভারতে সরকার ১৩০ কোটি জনগণকে তিন সপ্তাহের জন্য ঘরে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। এর ফলে লাখ লাখ মানুষ কোথাও না কোথাও আটকা পড়েছে। বহু মানুষের ঘরবাড়িই নেই। কর্মহীন বহু মানুষের পেটে ক্ষুধার জ্বালা শুরু হয়েছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারের এহেন পদক্ষেপে আর্থসামাজিক সংকট তৈরির অভিযোগ এনে অধিকারকর্মীরা সরকারের সমালোচনা করছেন।

অতি দ্রুত সংক্রমণশীল রোগটির রাশ টেনে ধরতে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ একযোগে কোনো না কোনো মাত্রায় চলাচল নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়েছেন।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নেতৃত্ব নিজ নিজ দেশের প্রাত্যহিকতার চাকা থামাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে এসব দেশের একটা গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ চিত্র যেন উঠে আসছে। নিম্ন ও মধ্যআয়ের দেশগুলোর সরকার চীন, দক্ষিণ কোরিয়া বা জার্মানির মতো দেশে যেসব নীতি সফল হয়েছে তা নিজেদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে আদৌ কাজ করবে কিনা সে বিষয়ে ক্রমেই সন্দিহান হয়ে উঠছে। জনমিতিক পার্থক্য, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সামর্থ্য এবং সাংস্কৃতিক পরিপ্রেক্ষিতের ভিন্নতা এখানে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সামাজিক দূরত্বের নীতি এসব দেশের অর্থনীতির জন্য বিরাট ধাক্কা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আর এ কারণেই এসব দেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই নীতির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। রোগ ব্যবস্থাপনা মডেলিং (disease modelling) বিষয়ে আমাদের কিছু পর্যবেক্ষণ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ওয়াকার ও তাঁর সহযোগীদের তৈরি মডেলটি অন্যতম উদাহরণ। আমাদের পর্যবেক্ষণ ও যাচাইয়ের ওপর ভিত্তি করে বলতে পারি যে, এসব মডেলিং একদিকে গভীরভাবে, অন্যদিকে সুস্পষ্টভাবে এমন সব সূচকের ওপর নির্ভর করে তৈরি হয়েছে যা প্রধানত সচ্ছল দেশগুলোর জন্য প্রযোজ্য। সূচকগুলোর মধ্যে রয়েছে বয়সভিত্তিক জনসংখ্যার অনুপাত, বিচ্ছিন্নকরণের ক্ষেত্রে পারিবারিক সামর্থ্য, রোগ পরীক্ষার সুবিধাদি বাড়ানো, জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং সামাজিক সহায়তা প্রদানের সামর্থ্য।

এখনো পর্যন্ত আমরা এমন ধরনের কোনো রোগ ব্যবস্থাপনা মডেলিং দেখিনি যেখানে দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার সাব সাহারা অঞ্চলের কম বয়সী জনগোষ্ঠী, বিশ্বের বিভিন্ন মহানগরের চরম জনঘনত্ব, বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে মেলামেশার রীতি, অভিবাসনের বিপরীত ¯্রােত, অথবা বিদ্যমান অন্যান্য স্বাস্থ্যগত বিষয়াদি প্রধান সূচক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এসব দেশে জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা নেই। দেশের অধিকাংশ মানুষের জন্য জীবন রক্ষাকারী সেবা প্রদানের সামর্থ্যও এসব দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার নেই। বিশ্বের দুই প্রান্তের দুটি দেশের উদাহরণ দিলেই বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে: বাংলাদেশের সাড়ে ষোলো কোটি মানুষের জন্য ভেন্টিলেটর রয়েছে ৫০০টি, অন্যদিকে ৪৮ লাখের কিছু বেশি জনসংখ্যার দেশ লাইবেরিয়ার আছে তিনটি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনার উল্টো ফল দেখে রীতিমতো বিস্মিত। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বাংলাদেশে সরকার যখন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়ে অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করল তখন জীবিকার জন্য শহরে থাকা মানুষ বাড়িভাড়াসহ আনুষঙ্গিক খরচ থেকে বাঁচতে গ্রামের পথে যাত্রা ছুটতে শুরু করেন। জাতীয় ছুটি শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আনুমানিক প্রায় এক কোটি শহরবাসী ঢাকা ছাড়েন। একই ধরনের ঘটনা কেনিয়া ও অন্যান্য দেশেও ঘটেছে। ফলে প্রশ্ন ওঠে যে, রোগতাত্ত্বিক মডেলগুলো গড়ে তোলার সময় এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল কিনা যে, এ ধরনের নীতির প্রয়োগ বা পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে সামাজিক সংক্রমণের আশঙ্কা হ্রাসের পরিবর্তে আরও অনেক বেড়ে যেতে পারে? এসব দেশের মানুষ, সমাজ এবং আর্থিক ও সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে যাঁরা ওয়াকিবহাল তাঁরা খুব ভালোভাবে জানবেন এ ধরনের পদক্ষেপের ফলে ঠিক এটাই ঘটার ছিল।

বিষয়টি এমন নয় যে, বিদ্যমান রোগ ব্যবস্থাপনা মডেলে স্বল্প সংখ্যক মানুষের বিচ্ছিন্ন কিছু পরিস্থিতি উপেক্ষা করা হয়েছে। বস্তুত, বিশ্বের ১২০ কোটি মানুষ যাঁরা কার্যত বস্তিতে বাস করেন তাঁদেরকে হিসেবের বাইরে রেখে এসব মডেল প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব বস্তির মূলগত বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে, এগুলো প্রচণ্ড- ঘনবসতিপূর্ণ ও পর্যাপ্ত পানি ও পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থাবিহীন। এর অর্থই হচ্ছে, কোনো ধরনের বিচ্ছিন্নকরণ অথবা কোয়ারেন্টিন এখানে অসম্ভব। এ ধরনের পদক্ষেপ এখানে ব্যর্থ হতে বাধ্য। কোনো কোনো বস্তিতে জনঘনত্ব প্রতি বর্গমাইলে আট লাখ। নিউইয়র্ক সিটির সঙ্গে তুলনা করলে আরও স্পষ্ট হবে বিষয়টা, যেখানে প্রতি বর্গমাইলে ২৭ হাজার মানুষের বাস। ভাইরাসটির সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এসব নীতি যদি গলদযুক্ত বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে এদের প্রয়োগের ফলে একেকটি দেশকে যে বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হলো তার আর কোনো অর্থ থাকবে না। এতে করে এটাই প্রতীয়মান হবে যে, একদিকে এই সব পদক্ষেপ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে, অন্যদিকে এর ফলে দেশগুলোকে অযথা বিপুল আর্থিক ক্ষতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। ফলে অবধারিত সেই প্রশ্নটি উঠে যায় - বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবা নির্দেশনার দায়িত্বে মহলটি ঝুঁকিগুলোর ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাঁদের পরামর্শগুলোর প্রয়োজনীয় হালনাগাদ করছেন তো?

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বিষয়ে মাত্রাতিরিক্ত পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি উপার্জন হারানো মানুষের জন্য জরুরি খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তাকে অত্যাবশ্যকীয় ও জীবন রক্ষাকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনায় আনা উচিত ছিল বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবা মহলের। বিশ্বের ৬৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষ চরম দরিদ্র অবস্থায় দিনাতিপাত করা সত্ত্বেও কোভিড-১৯ সংক্রমণ মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই বাস্তবতাকে প্রায় আমলেই নেওয়া হয়নি। এর ফলে চরম খাদ্যাভাব সামাজিক দূরত্বের নীতি বাস্তবায়নের অব্যবহিত এবং পূর্বানুমিত ফলাফল। আরও ভেবে দেখার বিষয় হচ্ছে, উপযুক্ত নীতি ও কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে চরম খাদ্যাভাব এড়ানো সম্ভব।

পরিশেষে সবচেয়ে জরুরি কথাটি বলতে চাই। বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবা মহলের এখনই উচিত হবে সার্বিক পরিস্থিতির পুনর্মূল্যায়ন করার মাধ্যমে স্বল্প সম্পদের দেশ ও জনগোষ্ঠীর জন্য সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এমন সব সমাধান ও পরামর্শ হাজির করা গরিব মানুষের জীবিকা অর্জনের পথে যা অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে না। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে হাত ধোয়া একটি উপায় যার ওপর এখনো পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে আমরা মনে করি। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস চর্চার বিষয়টি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার শ্বাসক্রিয়ার মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণ হ্রাসের লক্ষ্যে প্রদত্ত নির্দেশনায় ইতিমধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টির সফল পরীক্ষামূলক বাস্তবায়ন হয়েছে বাংলাদেশে। যেসব এলাকায় বা জনগোষ্ঠীতে হাঁচি কাশির সময় টিস্যু বা কনুই দিয়ে নাকমুখ ঢাকার চল নেই সেখানকার স্কুলগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস চর্চার পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নে যথেষ্ট উৎসাহব্যঞ্জক ফলাফল পাওয়া গেছে। এই চর্চার দ্রুত প্রসারে বিনিয়োগ করা হলে তা ইতিবাচক ফলাফল আনবে বলে মনে করি। বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া ও মিয়ানমারসহ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশে বিদ্যমান কারখানাগুলোতে বিপুল পরিমাণে মাস্ক উৎপাদন সম্ভব। এর ফলে কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে সংকটে পড়ে বন্ধ রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের দ্রুত কাজে ফেরানোও সম্ভব হবে। এতে করে সংক্রমণ রোধে পূর্ব এশিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচলিত মাস্কের ব্যবহারকে আরও ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। ভারত এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বাড়িতে তৈরি মাস্ক ব্যবহারের বিষয়টি ইতিমধ্যে বিবেচনায় নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বজুড়ে নানা ধরনের ব্যয়সাশ্রয়ী উদ্ভাবনমূলক সমাধানের কথা শোনা যাচ্ছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য ঘরে থাকার সময়টাতে কীভাবে শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখা যায় সে ব্যাপারে নানাজনের কাছ থেকে নতুন ধরনের চমৎকার সব পরামর্শ ও সমাধান পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবা মহলের সেদিকে খুব একটা লক্ষ নেই। তাঁরা ভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতের জন্য তৈরি কিছু সমাধানের দিকেই দৃষ্টি নিবদ্ধ করে বসে আছেন এবং চাইছেন অন্যরাও যেন এগুলো একই পরিমাণ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেন।

যে কথা অস্বীকার করার উপায় নেই তা হচ্ছে, কার্যকর সামাজিক দূরত্ব, সংক্রমণ পরীক্ষার ব্যাপক প্রসার এবং জরুরি সেবা সহজলভ্য করা ব্যতিরেকে কোভিড-১৯ প্রতিরোধের সঠিক কৌশল নির্ণয় রোগ তাত্ত্বিকদের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু বাস্তবে আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জাতীয় নেতৃত্বকে ঠিক এই পরিস্থিতিই মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এসব দেশের জাতীয় নেতৃত্বের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন যাতে তাঁরা পরিস্থিতির নির্মেদ ও যথাযথ মূল্যায়ন করতে ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমর্থ হন। এই সমর্থন তাঁদের ততটাই দরকার যতটা অবস্থাপন্ন দেশগুলোর নেতৃত্ব পেয়ে থাকেন। বিশ্বব্যাপী এই সংক্রমণ থেকে উদ্ধার পাওয়ার একটি সুযোগ আমাদের সামনে রয়েছে। সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে ও সমতার মাধ্যমে চেষ্টা করতে হবে আমাদের। যৌথ সেই প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা আরও বেশি সংখ্যক প্রাণ বাঁচাতে সমর্থ হব।

*আসিফ সালেহ্: ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক

*রিচার্ড এ. ক্যাশ: বাংলাদেশে ডায়রিয়ায় সৃষ্ট পানিশূন্যতা রোধে মুখে খাওয়ার স্যালাইন উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। বর্তমানে হার্ভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর অধীনে গ্লোবাল হেলথ অ্যান্ড পপুলেশন বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জেমস পি. গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর ভিজিটিং প্রফেসর।
মূল ইংরেজি লেখাটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সেন্টার ফর গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট-এর ব্লগে ছাপা হয়েছে।


Source: https://www.prothomalo.com/opinion/article/1649224/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%AE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A6-%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B2

13
করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নিউইয়র্কে। মৃতদেহের মর্যাদাপূর্ণ ব্যবস্থাপনা কী করে হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে কর্তৃপক্ষ। এখন তারা ভাবছে, নগরের যে পার্কগুলো রয়েছে, সেগুলোকেই অস্থায়ী সমাধিক্ষেত্রে রূপান্তর করবে। কাউন্সিলম্যান মার্ক লেভিন সোমবার এই পরিকল্পনার কথা জানিয়ে একটি টুইট করেছেন।

টুইট বার্তায় লেভিন লিখেছেন, ইতালিতে মৃতদেহগুলো রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। সামরিক বাহিনী গির্জা থেকে, রাস্তা থেকে লাশ সংগ্রহ করেছে। এই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে জন্যই নিউইয়র্ক সিটি পার্কগুলোকে অস্থায়ী সমাধিক্ষেত্রে রূপান্তর করার চিন্তা করা হচ্ছে। যদিও এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর। পার্কে সুড়ঙ্গের মতো খুঁড়ে সারিবদ্ধভাবে ১০টি কফিন রাখার ব্যবস্থা করা হতে পারে।

লেভিন লিখেছেন, অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পূর্ণাঙ্গ মর্যাদায় যেন মৃতদেহগুলোর সৎকার করা যায়, সে জন্যই এই ব্যবস্থা। যদিও অনেকের পক্ষেই এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর হবে।

সিটি কাউন্সিলের স্বাস্থ্য কমিটির সভাপতি লেভিন আরও বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হলো—ইতালির মতো মৃতদেহের দৃশ্যগুলো এড়ানো।

তবে ঠিক কবে নাগাদ এই পার্কগুলোকে সমাধিক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে, সেই দিনক্ষণ বলেননি লেভিন। এর মধ্যে যদি মৃতের হার যথেষ্ট কমিয়ে আনা যায়, তাহলে এই পরিকল্পনা থেকে হয়তো সরে আসবে কর্তৃপক্ষ।

নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের স্বাস্থ্য কমিটির সভাপতি মার্ক লেভিন। ছবি: নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলসিটি মেয়র ডি ব্লাজিওর এক মুখপাত্র ই-মেইলে বলেন, ‘আমরা খুবই নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। তবে এক্ষুনি কিছু করার পরিকল্পনা আমাদের নেই।’

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয় ৬৭ হাজার ৮২০ জন। মারা গেছে ৩ হাজার ১২৮ জন।

পার্ককে সমাধিক্ষেত্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা আসে ফিউনেরাল হোমগুলো ভরে যাওয়ায়। মৃতদেহ সমাহিত করার আগের প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করা হয় ফিউনেরাল হোমে। এখন ফিউনেরাল হোমেও ঠাঁই নেই। কিছু পরিবার অপেক্ষায় থেকে ফিরে গেছে। এ জন্যই গত মাসে ম্যানহাটানের বেলভিউ হাসপাতালে একটি বিশাল অস্থায়ী মর্গ নির্মাণ করা হয়।

গত ৩১ মার্চ নিউইয়র্কের ব্রুকলিন হাসপাতাল সেন্টারের বাইরে কিছু শ্রমিককে কোল্ডস্টোরেজ ট্রাকে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের লাশ রাখতে দেখা গেছে। এই ছবি গণমাধ্যমে এলে সারা দুনিয়ার মানুষ দেখতে পায়। এরই প্রেক্ষাপটে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজছিল কর্তৃপক্ষ।

নিউইয়র্ক সিটি মেয়র ডি ব্লাজিও। ছবি: রয়টার্সব্লাজিও ব্রুকলিনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যদি সবাই মিলে সংকট কাটিয়ে উঠতে পারি, তখন প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে যথাযথ ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেব। সেই সক্ষমতা আমাদের আছে।’

ব্লাজিও ব্রঙ্কসের হার্ট দ্বীপের কথা উল্লেখ করেন। সেখানকার লং আইল্যান্ড সাউন্ডে প্রায় ১০ লাখ নিউইয়র্কার সমাহিত হয়েছেন। ওই জায়গাটি তাঁরা ঐতিহাসিকভাবে ব্যবহার করছেন বলেও জানান।

এরই মধ্যে নগরের পার্ক বিভাগে হার্ট দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ স্থানান্তর করতে এবং ব্রঙ্কসের লং আইল্যান্ড সাউন্ডের তীরে জায়গা বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর পক্ষে সিটি কাউন্সিল ভোটও দিয়েছে।


Source: https://www.prothomalo.com/northamerica/article/1649270/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87

14
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, যদিও তাদের রুচি কমে গেছে, চিড়িয়াখানার বিড়াল গোত্রীয় এই প্রাণীরা ভালোই আছে। তারা আগের মতোই উজ্জ্বল, সতর্ক এবং যাঁরা তাদের দেখাশোনা করছেন, তাঁদের ডাকে সাড়া দিচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, কীভাবে এই বড় বিড়াল গোত্রীয় প্রাণীগুলো আক্রান্ত হলো, বলা যাচ্ছে না। কারণ, বিভিন্ন জাতের প্রাণী নতুন এই সংক্রমণে বিভিন্নভাবে সাড়া দিচ্ছে। আক্রান্ত বাঘকে গভীর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং দ্রুতই সেরে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, সেখানকারই একজন কর্মী ভাইরাসের বাহক ছিলেন। যদিও তাঁর মধ্যে কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। ওই কর্মীই আক্রান্ত বাঘের দেখাশোনা করতেন। ব্রংস জু ১৬ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত যে কাউকে পোষা প্রাণীসহ যেকোনো প্রাণীর সংস্পর্শে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ইউএসডিএ।



Source: https://www.prothomalo.com/international/article/1649060/%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%98%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A3

15
বিশ্ব যখন করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্টাসহ নানাভাবে এটি মোকাবিলা করছে, তখন ভিন্ন একটি বিষয়ের প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন জাতিসংঘের মহাসিচব আন্তোনিও গুতেরেস। সেটি হলো, এই দুর্যোগের সময় নারীর প্রতি পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা হু হু করে বাড়ছে। যেখানে তাদের সবচেয়ে নিরাপদে থাকার কথা এই সময়ে, সেটি নারীদের জন্য বিভীষিকাময় হয়ে ওঠছে। করোনাভাইরাস মোকাবিলা কৌশলে এটিও যুক্ত করতে রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মহাসচিব এ আহ্বান জানিয়েছেন বলে আজ সোমবার বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে। একাধিক ভাষায় সেই ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব এই দুর্যোগকালে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিতে বিবদমান পক্ষগুলোর প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, গত কয়েক সপ্তাহে অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপ বেড়েছে। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা। সরকারগুলো করোনাভাইরাস মোকাবিলায় জাতীয় যে পরিকল্পনা নিচ্ছে, তাতে নারীর প্রতি পারিবারিক সহিংতা রোধের বিষয়টিও যেন থাকে।

জাতিসংঘের মহাসচিব ওষুধের দোকান ও মুদিদোকানগুলোতে জরুরি সতর্ক ব্যবস্থা চালুর ওপর জোর দেন, নারীরা যেন তাদের নির্যাতকদের এড়িয়ে রাষ্ট্রের কাছে জরুরি সেবা চাইতে পারেন। তিনি বলেন, 'করোনা মোকাবিলায় আমরা যেমন ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি, যেভাবে কাজ করলে আমরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে শুরু করে মানুষের বাড়ি পর্যন্ত সর্বত্র সহিংসতা ঠেকাতে পারব। বিশ্বব্যাপী ঘরে ঘরে শান্তির জন্য এটা আমাদের করতেই হবে।'


Source: https://www.prothomalo.com/international/article/1649062/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A7%81-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%9B%E0%A7%87

Pages: [1] 2 3 ... 96