Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - asalam

Pages: [1]
আয়াতুল কুরসির ফজিলত
আবু হুরাইরাহ (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে রমজানের জাকাতের প্রহরী নিযুক্ত করেন। আমার কাছে এক আগমনকারী এসে ওই মাল থেকে কিছু কিছু করে উঠিয়ে নিয়ে সে তার চাদরে জমা করতে থাকে। আমি তাকে ধরে ফেলি এবং বলি, তোমাকে আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে নিয়ে যাব। সে বলল, আমাকে ছেড়ে দিন। আমি খুবই অভাবী লোক। তখন আমি তাকে ছেড়ে দেই। সকালে রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তোমার রাতের বন্দী কী করেছিল? আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! সে তার ভীষণ অভাবের অভিযোগ করায় তার প্রতি আমার দয়া হয়, তাই আমি তাকে ছেড়ে দেই। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে। সে আবার আসবে। আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কথায় বুঝলাম যে, সে সত্যিই আবার আসবে। আমি পাহারা দিতে থাকলাম। সে খাদ্য উঠাতে থাকল। আমি আবার তাকে ধরে ফেলে বললাম, তোমাকে আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে নিয়ে যাব। সে আবার ওই কথাই বলল, আমাকে ছেড়ে দিন, আমি খুবই অভাবী। তার প্রতি আমার দয়া হলো। কাজেই তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে আমাকে রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, হে আবু হুরায়রা! তোমার রাতের বন্দীটি কী করেছে? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে অভাবের অভিযোগ করায় আমি তাকে দয়া করে ছেড়ে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে। সে আবার আসবে। আমি আবার তৃতীয় রাতে পাহারা দেই। অতঃপর সে এসে খাদ্য উঠাতে থাকল। আমি তাকে বলি : এটাই তৃতীয়বার এবং এবারই শেষ। তুমি বারবার বলছ যে, আর আসবে না, অথচ আবার আসছ। সুতরাং তোমাকে আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে নিয়ে যাব। তখন সে বলল, আমাকে ছেড়ে দিন। আমি আপনাকে এমন কতগুলো কথা শিখিয়ে দিচ্ছি যার মাধ্যমে আল্লাহ আপনার উপকার সাধন করবেন। আমি বললাম, ঐগুলো কি? সে বলল, 'যখন আপনি বিছানায় শয়ন করবেন তখন আয়াতুল কুরসি শেষ পর্যন্ত পড়বেন। এতে মহান আল্লাহ আপনার রক্ষক হবেন এবং সকাল পর্যন্ত আপনার সামনে কোনো শয়তান আসতে পারবে না।' তারা ভালো জিনিসের খুবই লোভী। অতঃপর (আবু হুরায়রা থেকে এ কথাগুলো শোনার পর) নবী করিম (সা.) বললেন, সে চরম মিথ্যাবাদী হলেও এটা সত্যই বলেছে। হে আবু হুরায়রা! তুমি তিন রাতে কার সঙ্গে কথা বলেছ তা কি জান? আমি বললাম, না। তিনি (সা.) বললেন, সে শয়দান। [সূত্র : সহি বোখারি, ফাতহুল বারী হা/২৩১১]
Md.Abdus Salam
ID. 111-34-145
Nutrition & Food Engineering
Daffodil International University

Nutrition and Food Engineering / Carrot nutrition facts
« on: February 15, 2014, 07:54:41 PM »
Carrot nutrition facts

Carrots contain antioxidants called carotenoids, which are red, yellow or orange-colored compounds found in plants. Beta-carotene, one of approximately 500 types of carotenoids, is the well-known antioxidant component in carrots.
All carotenoids are important, as a diet rich in them may reduce the risk of developing several types of cancers, including bladder, cervix, colon prostate, larynx and esophageal.
Several studies (such as this one focusing on lung cancer, published in the American Journal of Epidemiology) have found that a diet high in carotenoids can lead to a reduced risk of cancer.
In the book ‘150 Healthiest Foods on Earth,’ author Johnny Bowden, a Ph.D. in nutrition, dedicates an entire chapter on carrots. He says in the book that although carrots are best-known for their beta-carotene, they also contain alpha-carotene, which might be equally as protective against diseases, if not more so, than beta-carotene.
Indeed, one study by Japanese biochemists suggested that alpha-carotene was 10 times more powerful than beta-carotene in inhibiting tumor growth.
Alpha- and beta-carotene convert in the body to Vitamin A, hence the reason why a single serving of carrots supplies 200 percent of the FDA’s suggested daily amount of Vitamin A.

Importance of Nutrition and Food Engineering

The science of Food and Human Nutrition explores the links between diet and health. By understanding how individual food components are digested, absorbed and utilised, their effects on the human body can be manipulated to improve health. Food and Human Nutrition also studies the factors that influence consumer food choices, for example, how consumers respond to food marketing and their impact on health.

This degree programme encourages students to develop an informed interest in the science of food, consumer behaviour, human nutrition and health.

Students will study the impact of nutrition on health and disease from the cell and molecular level through to people and populations, as well as the impact of food composition on its nutritional value, quality and consumer acceptance. They will learn to improve food quality and health through the development and use of functional foods and natural products. The importance of sustainable food production and how food producers, retailers and consumers respond to global food issues are also key topics in the course.

Nutritionists excel in research, planning, dietary consultancy and marketing in the food manufacturing and retailing, sports and healthcare industries.

Md. Abdus Salam
Id. 111-34-145
Dept of Nutrition and Food Engineering.

Nutrition and Food Engineering / Daily Health Tips
« on: June 26, 2013, 01:39:00 PM »

    Eat A Healthy Breakfast

        According to Mark Andon, PhD, and technical director of Nutrition Quaker and Tropicana, research shows that eating a healthy breakfast is associated with successful long-term weight loss. Staff at the Mayo Clinic note additional benefits, including better concentration, productivity, problem-solving skills, hand-eye coordination and creativity. But just what is a healthy breakfast? The Mayo Clinic suggests that the foundation of a healthy breakfast includes whole grains (such as whole-grain rolls, bagels and cereal), low-fat protein (such as hard-boiled eggs and peanut butter), low-fat dairy (for example, skim milk, low-fat yogurt and low-fat cheeses) and fruits and vegetables.

        Many people associate daily exercise with improved physical health; however, daily exercise can also produce mental health benefits. According to mental health expert Dr. Daniel Landers, there is a strong relationship between exercise and improved mental health, particularly with respect to anxiety and depression. Also, it is not necessary to exercise for long periods of time. According to a study conducted by researchers at Duke University, 60 percent of individuals who had been depressed and started exercising for 30 minutes three times a week overcame their depression without the use of antidepressant medication. Remember, exercising can be as simple as taking the stairs at work rather than the elevator or walking to lunch.
Get A Good Night of Sleep

        According to the Division of Sleep Medicine at Harvard Medical School, different stages of sleep are critical to memory formation. When our bodies are tired, our neurons do not fire optimally, and we are more likely to experience problems focusing. Of course, a good night's sleep has physical benefits as well. According to a study conducted at the University of British Columbia, people who sleep less than five hours a night are 39 percent more likely to develop heart disease than those who sleep seven to eight hours a night. While getting seven to eight hours of sleep a night can be difficult, Jayson Kroner at Body has some tips: Cut your caffeine intake, sleep less during the day, supplement melatonin, avoiding heavy meals before bed and make sure all of the lights are out when you lie down to sleep.
Md. Abdus Salam
Id. 111-34-145
Dept of Nutrition and Food Engineering.

যে খাবারে মগজ খোলে

বেশির ভাগ বি-ভিটামিন এবং ফলিক অ্যাসিড গ্রহণের ফলে আপনার মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্র বিশেষ লাভবান হয়।

ভিটামিন বি১ (থায়ামিন): সুস্থ মস্তিষ্ক ও স্নায়ুকোষগুলোর জন্য এই ভিটামিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সম্পূর্ণ খাদ্যশস্য এবং খাদ্যশস্য থেকে তৈরি খাবার যেমন রুটি, ভাত ও পেস্তায় এই ভিটামিন থাকে।

ভিটামিন বি৫ (প্যানটোথেনিক অ্যাসিড): এটা কো-এনজাইম গঠন করে, যা স্নায়ুর উদ্দীপনা প্রেরণে সাহায্য করে। এই ভিটামিন আপনি পেতে পারেন মাংস, মাছ, সম্পূর্ণ খাদ্যশস্য, শিম বা মটরশুঁটি, দুধ, শাকসবজি ও ফল থেকে।

ভিটামিন বি৬ (পাইরিডক্সিন): এই ভিটামিন ট্রিপটোফ্যানকে সেরোটোনিনে রূপান্তর করে। সেরোটোনিন হলো মস্তিষ্কের রাসায়নিক উপাদান। এই ভিটামিন বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যে পাওয়া যায়। যেমন মুরগির মাংস, মাছ, লিভার ও কিডনি। সম্পূর্ণ খাদ্যশস্য, বাদাম ও শিম থেকেও আপনি এই ভিটামিন পেতে পারেন।
ভিটামিন বি১২ (সায়ানোকোবেলামিন): এটা রক্তের লোহিত কণিকার পরিপক্বতায় সাহায্য করে, প্রোটিন গঠনে সাহায্য করে এবং স্নায়ুকোষগুলোকে রক্ষণাবেক্ষণ করে। ডিম, মাংস, মাছ, দুধ এবং দুধজাত খাবার থেকে আপনি এই ভিটামিন পেতে পারেন।

ফলিক অ্যাসিড: মস্তিষ্কের ফ্যাটি অ্যাসিডের বিপাকক্রিয়ায় এই ভিটামিন অপরিহার্য। ফলিক অ্যাসিড বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যে পাওয়া যায় যেমন—কলা, কমলার রস, খাদ্যশস্য থেকে প্রস্তুতকৃত খাবার, লেবু, স্ট্রবেরি, ফুটি বা তরমুজ, শাকযুক্ত সবজি, শিম, মটরশুঁটি ইত্যাদি। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ফলিক অ্যাসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ফলিক অ্যাসিডের মাত্রা কম থাকলে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্কের স্নায়ুজনিত সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

স্নায়ুকে ক্ষয় করবেন না: স্নায়ুগুলোর কাজ সঠিকভাবে পালন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে কিছু মিনারেল বা খনিজ উপাদান। আপনার স্নায়ু যদি ক্ষয় হতে থাকে, তা হলে আপনার মস্তিষ্ক তথা সারা শরীর অকেজো হয়ে পড়বে। তাই স্নায়ুর ক্ষয় রোধ করতে এবং স্নায়ুগুলোকে উজ্জীবিত করতে আপনাকে নিচের মিনারেলগুলো গ্রহণ করতে হবে: ম্যাগনেশিয়াম: এটা পাওয়া যায় সম্পূর্ণ খাদ্যশস্য, শিম বা মটর-জাতীয় বীজ, বাদাম এবং সবুজ শাকসবজিতে।
পটাশিয়াম: এটা পাওয়া যায় খুবানি, আভোকাদো, কলা, খরমুজ, মোসম্বি লেবু, কমলা, শুকনো খেজুর বা আলুবোখারা, স্ট্রবেরি, আলু, মাংস, মাছ প্রভৃতি খাবারে।

ক্যালসিয়াম: এটা পাওয়া যায় দুধ ও দুধজাত খাদ্য যেমন পনির ও দই; শিম, ফুলকপি, বিট, ভক্ষণীয় কাঁটাযুক্ত মাছ ইত্যাদি খাবারে।
মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে খাবার খান: আপনার মস্তিষ্ক সচল রাখতে অবিরাম জ্বালানি প্রয়োজন। আর এ জন্য দিনে দুবার বা তিনবার বড় ধরনের খাবারের বদলে বারবার অল্প করে খাবার খাবেন। পানি পান করবেন প্রচুর পরিমাণে। আপনার মস্তিষ্কের কাজের জন্য প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। মানসিক চাপে আপনার মস্তিষ্ক পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই যখনই আপনি ক্লান্ত থাকবেন, দুশ্চিন্তায় থাকবেন কিংবা চাপের মধ্যে থাকবেন তখন অতিরিক্ত পানি পান করবেন। কফি এবং কোলা সীমিত পরিমাণ গ্রহণ করবেন। কারণ, এসব পানীয়তে ক্যাফিন থাকে, যা মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

Md.Abdus Salam
Id. 111-34-145
Department of Nutrition & Food Engineering.

গরুর দুধ বনাম মায়ের দুধ
গরুর দুধ সব মানুষের জন্য পুষ্টি জোগানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে। এটি তেমন এক খাদ্য, যাতে আছে প্রোটিন বা আমিষের উচ্চমান আর ক্যালসিয়াম ফসফরাসের মতো খনিজ পদার্থে পূর্ণ। তবু বৈজ্ঞানিক বিবেচনায় ইনফ্যান্ট বা শিশুর প্রথম বছরে গাভির খাঁটি দুধ খাওয়ানো পরিহার করা শ্রেয়।

এক বছরের কম বয়সী শিশুর খাবার নির্দিষ্ট করতে পুষ্টিবিজ্ঞানীরা কিছু স্লোগানে ভর করে জনগণের কাছে যে বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন, পর পর সাজানো হলে তা এ রকমই দাঁড়াবে−

১. বুকের দুধ শিশুর জীবনে শ্রেষ্ঠ সূচনা,
২. ছয় মাস পর্যন্ত শিশুর জন্য শুধু মায়ের দুধ,
৩. ছয় মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার, যথা−খিচুড়ি খাওয়ানো শুরু করা,
৪. গাভির দুধ বাছুরের জন্য, মানবশিশুর জন্য মায়ের দুধ।
অর্থাৎ শিশুর প্রথম বছরে গরুর দুধ মানবশিশুর জন্য আর আদর্শ খাদ্য নয়। প্রথম বছর শিশু গরুর দুধ খাবে না, খাবে মায়ের দুধ; সঙ্গে ছয় মাস বয়স থেকে স্বাভাবিক খাবার।

গরুর দুধ বনাম মায়ের দুধ
খাদ্যশক্তি বিচারে গরুর দুধ ও মায়ের দুধে সমতা থাকলেও পুষ্টিগুণ বিচারে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য।

    গরুর দুধে শ্বেতসার বা ল্যাকটোজের মান প্রতি ডেসিলিটার ৪.৭ গ্রাম, মায়ের দুধে যা ৭.১ গ্রাম। মায়ের দুধের এ ল্যাকটোজ অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ করে নবজাত ও অল্পবয়সী শিশুর দেহ-অস্থি মজবুত করতে সহায়তা করে; সাহায্য করে গ্যালাকটোলিপিড তৈরির মাধ্যমে মস্তিষ্ককোষের বৃদ্ধি ও বিকাশ সাধনে। শিশু হয় বুদ্ধিমান ও স্বাস্থ্যবান।
    গরুর দুধে আমিষ বা প্রোটিনের পরিমাণ খুব বেশি, যা প্রতি ডেসিলিটারে ৩.১ গ্রাম। এতে আছে ক্যাসিনের আধিক্য। আছে বিটা ল্যাকটোগ্লোবিনের উপস্থিতি। ফলে গরুর দুধ পানরত শিশু অ্যাকজিমা, আন্ত্রিক প্রদাহ ও মলে রক্তক্ষরণের সমস্যায় ভোগে। মায়ের দুধে প্রোটিন প্রতি ডেসিলিটারে ১.০৬ গ্রাম, শিশুর প্রয়োজনমতোই স্বাভাবিক।
    গরুর দুধে চর্বি আছে প্রতি ডেসিলিটারে ৩.৮ গ্রাম, পরিমাণে তা মায়ের দুধের চেয়ে কম। আর নেই অতিজরুরি ফ্যাটি এসিড, যা শিশুর মস্তিষ্কের বৃদ্ধি বিকাশের জন্য একান্ত জরুরি।
    গরুর দুধে সোডিয়ামের মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ০.৭৭ গ্রাম, যা মায়ের দুধের চার গুণেরও বেশি। ক্যালসিয়াম ০.৪ গুণ, পটাশিয়াম ৩ গুণ ও ফসফরাস প্রায় সাড়ে ৬ গুণেরও বেশি। শুধু প্রয়োজনীয় জিংক ছাড়া অন্যান্য খনিজ পদার্থ, যেমন ম্যাগনেশিয়াম প্রভৃতি আছে বেশি মাত্রায়। এক বছরের কম বয়সী শিশুকে গরুর দুধ খাওয়ানো হলে এই অতিরিক্ত মাত্রার আমিষ ও খনিজ পদার্থ নিষ্কাশনে কিডনি বহু বিপত্তির সম্মুখীন হয়। গরুর দুধে অল্পবয়সী শিশুতে শোষিত হওয়ার মতো আয়রন কম পরিমাণে থাকে। ফলে এ বয়সে গরুর দুধ পানরত শিশু রক্তস্বল্পতার শিকার হয়।
    গরুর দুধে কমবয়সী শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় ‘এ’ ও ‘সি’ ভিটামিন আছে কম মাত্রায়, আর কম মাত্রায় আছে ভিটামিন ‘ই’। শিশুকে মায়ের দুধ না দিলে গরুর দুধে নির্ভরশীল শিশুর ভিটামিনের স্বল্পতাজনিত অসুখ, যেমন রাতকানা, স্কার্ভি প্রভৃতি হতে পারে।
    মায়ের দুধে শিশুর জন্য রোগপ্রতিরোধক যে শক্তিকাঠামো মজুদ আছে, যেমন ইমিউনোগ্লোবিউলিন ও লিউকোমাইট, ম্যাকোনেজ, নিউট্রোফিল, যা নেই গরুর দুধে। তাই গরুর দুধ পানে নির্ভরশীল শিশু সহজে রোগে আক্রান্ত হয়।
Md.Abdus Salam
ID. 111-34-145

Common Forum / আদা
« on: June 20, 2013, 01:45:54 PM »
 ঠান্ডায় আদা ভীষণ উপকারী। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট, যা শরীরের রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে। জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা ও মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।

বমি বমি ভাব দূর করতে এর ভূমিকা অপরিহার্য। তাই বমি বমি ভাব হলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। এতে মুখের স্বাদ বৃদ্ধি পায়।

অসটিও আর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস—এই অসুখগুলোয় সারা শরীরের প্রায় প্রতিটি হাড়ের জয়েন্টে প্রচুর ব্যথা হয়। এই ব্যথা দূর করে আদা। তবে রান্না করার চেয়ে কাঁচা আদার পুষ্টিগুণ বেশি।

মাইগ্রেনের ব্যথা ও ডায়াবেটিসজনিত কিডনির জটিলতা দূর করে আদা। গর্ভবতী মায়েদের সকালবেলা, বিশেষ করে গর্ভধারণের প্রথম দিকে সকালবেলা শরীর খারাপ লাগে। কাঁচা আদা দূর করবে এ সমস্যা।

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস দাঁতের মাড়িকে শক্ত করে, দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা জীবাণুকে ধ্বংস করে।

দেহের কোথাও ক্ষতস্থান থাকলে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে আদা। এতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি এজেন্ট, যা যেকোনো কাটাছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত ভালো করে।
 ঠান্ডায় টনসিলাইটিস, মাথাব্যথা, টাইফয়েড জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হওয়া, বসন্তকে দূরে ঠেলে দেয় আদা। ওভারির ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আদা।
Md. Abdus Salam
Id. 111-34-145

Common Forum/Request/Suggestions / teeth-health
« on: June 20, 2013, 01:37:20 PM »

  আসুন জেনে নেওয়া যাক, কেমন করে রক্ষা করবেন মুখ ও দাঁতের সৌন্দর্য। নিয়মিত ব্রাশ করলেই কি দাঁত সুস্থ, সুন্দর রাখা যায়? দাঁত ব্রাশের সঙ্গে আছে আরও কিছু টুকিটাকি যত্ন।

কোমল পানীয় নয়: কোমল পানীয় দাঁতে খুব সহজেই দাগ ফেলে দেয়। আর দাঁতের সুরক্ষা দেয় যে এনামেল, তারও ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।

স্ট্র ব্যবহার: কোমল পানীয়, এনার্জি ড্রিঙ্ক, কিংবা কৃত্রিম জুসে থাকে সাইট্রিক ও ফসফরিক অ্যাসিড। এগুলো দ্রুত ক্ষয় করে এনামেল। স্ট্র ব্যবহারে ক্ষতি কিছুটা এড়ানো যায়।

ভিটামিন সি: কমলা, লেবু, জাম্বুরা ইত্যাদি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। ভিটামিন সি বেশি খেলে ভালো থাকবে মাড়ি।

বেশি করে আপেল আর গাজর: আপেলকে বলা হয় প্রাকৃতিক টুথব্রাশ। খাবার শেষে একটি আপেল খেতে পারেন। গাজরেও আছে দাঁত পরিষ্কারের প্রাকৃতিক ক্ষমতা।

সবুজ চা (গ্রিন টি): সবুজ চায়ে থাকে পলিফেনল, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। উপাদান দুটি দাঁতের গায়ে দন্তমল (প্ল্যাক) জমতে বাধা দেয়। এছাড়া গ্রিন টি মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও সহায়ক।

Md. Abdus Salam
ID= 111-34-145

Common Forum / Junk food effect on children
« on: June 17, 2013, 01:01:32 PM »
Junk food is the foods that contain high levels of saturated fats, salt, or sugar, and little or no fruit, vegetables, or dietary fiber and and are considered to have little or health benefits.
Common Junk food include:
    salted snack foods like chips, candy, gum, most sweet desserts, fried fast food and carbonated beverages (sodas) as well as alcoholic beverages.
   The most common is obesity. Which led to mental  stress and other emotional disturbances.
1) Excess sugar can led Diabetes.
2) Fats and saturated fats can cause High blood cholesterol level.
3) Excessive sodium can led High bloob pressure.
4) different Preservatives & color can led Cancer.

Md. Abdus Salam
Id: 111-34-145

Pages: [1]