Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. Abul Bashar

Pages: [1] 2 3 ... 8
1

ভিটামিন ডির স্বল্পতা এবং এর সঙ্গে কোভিড-১৯–এর সম্পর্ক
ভিটামিন ডি আমাদের হাড় ও মাংসপেশির উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট সূর্যের আলোয় এসেই আমরা আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি তৈরি করে নিতে পারি। দৈনন্দিন খাবারের মধ্যেও পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি রয়েছে। যেমন: তেলযুক্ত মাছ, ডিম, লিভার ইত্যাদি। কিন্তু যাঁরা এসব খেতে পান না বা বাইরে নিয়মিত সূর্যের আলোয় যেতে পারেন না, যাঁদের কোনো ধরনের ক্রনিক অসুখ (যেমন: ক্যানসার, ফুসফুসের অসুখ) আছে, যাঁরা সিগারেট খান, যাঁরা স্থূল এবং কোনো ধরনের শারীরিক পরিশ্রম করেন না, তাঁদের রক্তে ভিটামিন ডির পরিমাণ সঠিক মাত্রার চেয়ে কম থাকতে পারে।

আপনারা নিশ্চয়ই এর মধ্যেই জেনেছেন যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুঝুঁকির তালিকায় সবচেয়ে ওপরে রয়েছেন ‘বয়স্ক’ মানুষ। কিন্তু কেন তাঁদের এ রকম হচ্ছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কোমরবিডিটি আরেকটা কারণ। যেমন: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও বেশি ওজন।


আরমান রহমানআরমান রহমান
ভিটামিন ডি আমাদের হাড় ও মাংসপেশির উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট সূর্যের আলোয় এসেই আমরা আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি তৈরি করে নিতে পারি। দৈনন্দিন খাবারের মধ্যেও পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি রয়েছে। যেমন: তেলযুক্ত মাছ, ডিম, লিভার ইত্যাদি। কিন্তু যাঁরা এসব খেতে পান না বা বাইরে নিয়মিত সূর্যের আলোয় যেতে পারেন না, যাঁদের কোনো ধরনের ক্রনিক অসুখ (যেমন: ক্যানসার, ফুসফুসের অসুখ) আছে, যাঁরা সিগারেট খান, যাঁরা স্থূল এবং কোনো ধরনের শারীরিক পরিশ্রম করেন না, তাঁদের রক্তে ভিটামিন ডির পরিমাণ সঠিক মাত্রার চেয়ে কম থাকতে পারে।

আপনারা নিশ্চয়ই এর মধ্যেই জেনেছেন যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুঝুঁকির তালিকায় সবচেয়ে ওপরে রয়েছেন ‘বয়স্ক’ মানুষ। কিন্তু কেন তাঁদের এ রকম হচ্ছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কোমরবিডিটি আরেকটা কারণ। যেমন: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও বেশি ওজন।

করোনায় আক্রান্ত বয়স্ক মানুষদের দ্রুত শারীরিক অবনতির কারণ খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এর সঙ্গে ভিটামিন ডির স্বল্পতার একটা যোগসাজশ থাকতে পারে। এর মূল কারণ, তাঁরা ধারণা করছেন, ভিটামিন ডির সঙ্গে শরীরের ইমিউন সিস্টেমের কানেকশন। আমাদের শরীরে ইমিউন সিস্টেম তার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে দুই ধরনের বন্দোবস্তের মাধ্যমে। এক হচ্ছে প্রো-ইনফ্লামেটরি ইমিউন সিস্টেম, আরেকটা হচ্ছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ইমিউন সিস্টেম। এই প্রো-ইনফ্লামেটরি ইমিউন সিস্টেমের কাজ হচ্ছে আমাদের ব্যাকটেরিয়া–ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখা। এর জন্য তারা শরীরে পরিমিত পরিমাণে ইনফ্লামেশন তৈরি করে এবং এর মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া–ভাইরাসকে শরীর থেকে দূর করে দেয়। আমাদের শরীরে অসুখের যে সিম্পটম আমরা দেখি, যেমন: জ্বর, ব্যথা—এগুলো এই সীমিত ইনফ্লামেশনের জন্যই তৈরি হয়। কিন্তু এই প্রো-ইনফ্লামেটরি ইমিউন সিস্টেম পাগলা ঘোড়ার মতো। একে কন্ট্রোলে রাখতেই আমাদের শরীরে তৈরি হয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ইমিউন সিস্টেম। এই দুইয়ের ব্যালেন্সই আমাদের সুস্থ–স্বাভাবিক জীবন পার করতে সাহায্য করে।

কিন্তু দেখা গেছে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শরীরে এই প্রো-ইনফ্লামেটরি ইমিউন সিস্টেম বেশি শক্তি অর্জন করতে থাকে, তার ফলে বয়স্ক মানুষের শরীরে একধরনের লো লেভেল ইনফ্লামেশন চলতেই থাকে। এর থেকেই নানা ধরনের ক্রনিক অসুখ সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে যদি ইনফেকশন হয়, তাহলে একজন অল্পবয়স্ক মানুষের শরীর যেমন সফল ইমিউন রিয়াক্সন তৈরি করে, একজন বয়স্ক মানুষ সে রকম কার্যকর ইমিউন রিয়াক্সন তৈরি করতে পারে না। এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, ভিটামিন ডি একটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ডি পরীক্ষিতভাবে প্রো-ইনফ্লামেটরি সাইটোকাইন উৎপাদনে বাধা দেয়, অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি সাইটোকাইন উৎপাদনে সাহায্য করে। করোনায় আক্রান্ত রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতির অন্যতম প্রধান একটি কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত প্রো-ইনফ্লামেটরি সাইটোকাইন তৈরি হাওয়া (এটিকে সাইটোকাইন স্টর্ম বলে), ভিটামিন ডি এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন।

প্রায় ১৯ হাজার বয়স্ক মানুষের ওপর চালানো এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যদি বয়স্ক মানুষের রক্তে ভিটামিন ডির পরিমাণ কম থাকে, তাহলে তাঁদের শ্বাসযন্ত্রের তীব্র সংক্রমণের (বুকে ইনফেকশন) পরিমাণ বেড়ে যায়। একাধিক কেস-কন্ট্রোল স্টাডিতে দেখানো হয়েছে, সেসব রোগীর রক্তে ভিটামিন ডির পরিমাণ কম আছে, তাদের যদি ভিটামিন ডি ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়, তাহলে তাদের বুকে ইনফেকশনের মাত্রা এবং অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের পরিমাণ কমে আসে।

সাম্প্রতিক করা এটি বড় ধরনের সমীক্ষা, যেখানে ১৫টি দেশের ১১ হাজার মানুষের ওপর করা পরীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য–উপাত্ত এক করা হয়েছে, সেখানে দেখা গেছে, ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট মানুষকে সর্দি, জ্বর এবং শ্বাসযন্ত্রের তীব্র সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। বিশেষ করে যাদের ভিটামিন ডির স্বল্পতা ছিল, এই সাপ্লিমেন্ট তাদের ক্ষেত্রে বুকে ইনফেকশন হওয়ার চান্স শতকরা ৬০ ভাগ থেকে ৩০ ভাগে নামিয়ে নিয়ে এসেছিল। ২০১৯ সালে আরেকটি সমীক্ষায় ২১ হাজার পেশেন্টের ওপর করা পরীক্ষায় দেখানো হয়েছে, যাদের রক্তে ভিটামিন ডির পরিমাণ কম থাকে, তাদের সর্দি–জ্বর থেকে নিউমোনিয়া হওয়ার চান্স ৬৪ শতাংশ বেশি থাকে। এই পরীক্ষাগুলোয় স্পষ্টই প্রমাণিত হয়েছে, ভিটামিন ডি একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে শ্বাসযন্ত্রের তীব্র সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। করোনায় আক্রান্ত একজন বয়স্ক রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতির মূল কারণ হচ্ছে এই শ্বাসযন্ত্রের তীব্র সংক্রমণ (একিউট রেসপিরেটরি ইনফেকশন)।

বিশ্বের সব দেশেই বয়স্ক মানুষের শরীরে ভিটামিন ডির স্বল্পতা পাওয়া যায়। শীতের দেশে এই স্বল্পতার পরিমাণ আরও বেশি, এখানে বয়স্ক মানুষের রক্তে শীতকালে ভিটামিন ডির মাত্রা গ্রীষ্মকালের থেকে কমে আসে। এর মূল কারণ সূর্যের আলো। যেমন আয়ারল্যান্ডে প্রাপ্তবয়স্কদের (৫৫+) মধ্যে প্রতি আট জনে একজন ভিটামিন ডির স্বল্পতায় ভোগে, কিন্তু যদি বয়স্ক মানুষ (৭০–এর ওপরে) ধরা হয়, তাহলে শীতকালে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রতি পাঁচ জনে একজন। সে জন্য এ দেশে যাদের ভিটামিন ডির স্বল্পতা আছে, তাদের প্রতিদিন ৪০০ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে বলা হয়েছে। ৫৫ বছরের ওপরে যাঁদের স্বল্পতা আছে, তাঁদের ৬০০ থেকে ৮০০ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে বলা হয়েছে।

আশঙ্কার কথা হচ্ছে, বাংলাদেশে ষাটোর্ধ্ব মানুষের রক্তে ভিটামিন ডির পরিমাণ কত, তা জানার জন্য কোনো স্টাডি আমার চোখে পড়েনি। উপরন্তু, গত বছর বারডেমে প্রায় ৮০০ ও পুরুষ ও নারীর ওপর পরিচালিত এক নিরীক্ষায় দেখা যায়, ৮৬ শতাংশ মানুষের রক্তে ভিটামিন ডির পরিমাণ গৃহীত মাত্রার চেয়ে কম। করোনার এই মহামারির সময় বয়স্ক নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের ডাক্তার–বিজ্ঞানীদের এই ব্যাপারে নজর দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

(লেখক: আরমান রহমান, এমবিবিএস, এমপিএইচ, পিএইচডি, ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড থেকে)

2
করোনায় চিকিৎসায় যেসব ঘরোয়া পদ্ধতির কথা বললেন ড. বিজন কুমার শীল

 প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে কিছু পদ্ধতির কথা জানিয়েছেন অণুজীববিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল। তিনি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের র‌্যাপিড ডট ব্লট কিট উদ্ভাবন দলের প্রধান বিজ্ঞানী। ছাগলের মড়ক ঠেকানোর জন্য পিপিআর ভ্যাকসিন, ডেঙ্গুর কুইক টেস্ট পদ্ধতি, সার্স ভাইরাসের কুইক টেস্ট পদ্ধতিও আবিষ্কার করেছিলেন ড. বিজন কুমার শীল। সার্স ভাইরাস প্রতিরোধে সিঙ্গাপুর সরকারের একজন বিজ্ঞানী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। করোনা থেকে বাঁচতে তিনি কয়েকটি সহজ পদ্ধতি অনুসরণের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো: 

প্রথমত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিধি বিধান মেনে চলতে হবে। ভিটামিন ‘সি’ জাতীয় খাবার পেয়ারা, লেবু, আমলকি অথবা ভিটামিন ‘সি’ ট্যাবলেট খেতে হবে। সম্ভব হলে প্রতিদিন রাতে একটি জিঙ্ক ট্যাবলেট খাবেন। ভিটামিন ‘সি’ এবং জিংক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সতেজ, সজীব রাখে এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
 
আক্রান্ত হলে গলাব্যথা, শুকনো কফ ছাড়া কাশি কাশি হবে কিন্তু কফ বের হবে না। এটা করোনা আক্রান্ত হওয়ার প্রথম লক্ষণ। অন্য ইনফ্লুয়েঞ্জাতে আক্রান্তদের হাঁচি, সর্দি ও নাক দিয়ে পানি পড়ে। তবে করোনা শুকনো কাশি দিয়ে শুরু হয়।
এক্ষেত্রে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে হালকা রং চা বারবার পান করা, গরম পানি দিয়ে গারগেল করা। এর চেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে আদা, লবঙ্গ ও একটা গোলমরিচ পানি মিশিয়ে গরম করে তার সঙ্গে সামান্য মধু বা চিনি দিয়ে চায়ের সঙ্গে পান করা কিংবা অথবা গারগেল করা।
এর ফলে গলায় যে ভাইরাসগুলো থাকে সেগুলো মারা যায়। এছাড়াও গলায় গরম লাগার ফলে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। রং চায়ের মধ্যে এন্টিসেপ্টিক গুনাগুণও রয়েছে। বারবার শুকনো কাশির ফলে গলার টিস্যু ফেটে যেতে পারে। চা এই ইনফেকশন রোধ করে।

জ্বর হোক বা না হোক এই মুহূর্তে সবার উচিত সকালে ঘুম থেকে উঠে, দুপুরে এবং সন্ধ্যায় গারগেল করা। এর ফলে শরীরে যদি ভাইরাস ঢোকেও তাহলে সেটা আর বাড়তে পারবে না। এটা শুধু করোনা না আরও অনেক ইনফেকশনকে রোধ করতে পারে। কেউ যদি এটা প্রতিদিন করতে পারে, তাহলে তার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

পেটের সমস্যা দেখা দিলে নিমপাতা বেটে সবুজ রসের সঙ্গে এক চামচ হলুদের গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকালে এবং রাতে খেলে তার পেটের ইনফেকশন কমে যাবে। এ সময় এমন রোগীকে এন্টিবায়োটিক খাওয়ালে অনেক সমস্যা হয়।

করোনা শরীরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই আক্রমণ করে না। সময় নিয়ে ধীরে ধীরে শরীরের মধ্যে বাড়তে থাকে। বাইরে যারা এখনো কাজ করতে বাধ্য তারা বাসায় ফিরে গরম পানি পান করতে পারেন। হালকা রং চা পান করা যেতে পারে। নাক ও মুখ দিয়ে গরম পানির ভাপ নেওয়া, পানির মধ্যে এক ফোঁটা মেন্থল দিলে আরও ভালো হয়।

3
Internet / The reason Zoom calls drain your energy
« on: April 22, 2020, 07:33:21 PM »
The reason Zoom calls drain your energy

 Video chat is helping us stay employed and connected. But what makes it so tiring - and how can we reduce ‘Zoom fatigue’?


Your screen freezes. There’s a weird echo. A dozen heads stare at you. There are the work huddles, the one-on-one meetings and then, once you’re done for the day, the hangouts with friends and family.

Since the Covid-19 pandemic hit, we’re on video calls more than ever before – and many are finding it exhausting.

But what, exactly, is tiring us out? BBC Worklife spoke to Gianpiero Petriglieri, an associate professor at Insead, who explores sustainable learning and development in the workplace, and Marissa Shuffler, an associate professor at Clemson University, who studies workplace wellbeing and teamwork effectiveness, to hear their views.

Is video chat harder? What’s different compared to face-to-face communication?

Being on a video call requires more focus than a face-to-face chat, says Petriglieri. Video chats mean we need to work harder to process non-verbal cues like facial expressions, the tone and pitch of the voice, and body language; paying more attention to these consumes a lot of energy. “Our minds are together when our bodies feel we're not. That dissonance, which causes people to have conflicting feelings, is exhausting. You cannot relax into the conversation naturally,” he says.

    Delays on phone or conferencing systems of 1.2 seconds made people perceive the responder as less friendly or focused

Silence is another challenge, he adds. “Silence creates a natural rhythm in a real-life conversation. However, when it happens in a video call, you became anxious about the technology.” It also makes people uncomfortable. One 2014 study by German academics showed that delays on phone or conferencing systems shaped our views of people negatively: even delays of 1.2 seconds made people perceive the responder as less friendly or focused.

An added factor, says Shuffler, is that if we are physically on camera, we are very aware of being watched. “When you're on a video conference, you know everybody's looking at you; you are on stage, so there comes the social pressure and feeling like you need to perform. Being performative is nerve-wracking and more stressful.” It’s also very hard for people not to look at their own face if they can see it on screen, or not to be conscious of how they behave in front of the camera.

How are the current circumstances contributing?

Yet if video chats come with extra stressors, our Zoom fatigue can’t be attributed solely to that. Our current circumstances – whether lockdown, quarantine, working from home or otherwise – are also feeding in.

Petriglieri believes that fact we feel forced into these calls may be a contributory factor. “The video call is our reminder of the people we have lost temporarily. It is the distress that every time you see someone online, such as your colleagues, that reminds you we should really be in the workplace together,” he says. “What I'm finding is, we’re all exhausted; It doesn't matter whether they are introverts or extroverts. We are experiencing the same disruption of the familiar context during the pandemic.”

Then there’s the fact that aspects of our lives that used to be separate – work, friends, family – are all now happening in the same space. The self-complexity theory posits that individuals have multiple aspects – context-dependent social roles, relationships, activities and goals – and we find the variety healthy, says Petriglieri. When these aspects are reduced, we become more vulnerable to negative feelings.

    Imagine if you go to a bar, and in the same bar you talk with your professors, meet your parents or date someone, isn’t it weird? That’s what we’re doing now – Gianpiero Petriglieri

“Most of our social roles happen in different places, but now the context has collapsed,” says Petriglieri. “Imagine if you go to a bar, and in the same bar you talk with your professors, meet your parents or date someone, isn’t it weird? That's what we're doing now… We are confined in our own space, in the context of a very anxiety-provoking crisis, and our only space for interaction is a computer window.”

Shuffler says a lack of downtime after we’ve fulfilled work and family commitments may be another factor in our tiredness, while some of us may be putting higher expectations on ourselves due to worries over the economy, furloughs and job losses. “There's also that heightened sense of ‘I need to be performing at my top level in a situation’… Some of us are kind of over-performing to secure our jobs.”

But when I’m Zooming my friends, for example, shouldn’t that relax me?

Lots of us are doing big group chats for the first time, whether it’s cooking and eating a virtual Easter dinner, attending a university catch-up or holding a birthday party for a friend. If the call is meant to be fun, why might it feel tiring?

Part of it, says Shuffler, is whether you’re joining in because you want to or because you feel you ought to – like a virtual happy hour with colleagues from work. If you see it as an obligation, that means more time that you’re ‘on’ as opposed to getting a break. A proper chat with friends will feel more social and there will be less ‘Zoom fatigue’ from conversations where you’ve had a chance to be yourself.

    It doesn't matter whether you call it a virtual happy hour, it's a meeting, because mostly we are used to using these tools for work – Gianpiero Petriglieri

Big group calls can feel particularly performative, Petriglieri warns. People like watching television because you can allow your mind to wander – but a large video call “is like you're watching television and television is watching you”. Large group chats can also feel depersonalising, he adds, because your power as an individual is diminished. And despite the branding, it may not feel like leisure time. “It doesn't matter whether you call it a virtual happy hour, it's a meeting, because mostly we are used to using these tools for work.”

So how can we alleviate Zoom fatigue?

Both experts suggest limiting video calls to those that are necessary. Turning on the camera should be optional and in general there should be more understanding that cameras do not always have to be on throughout each meeting. Having your screen off to the side, instead of straight ahead, could also help your concentration, particularly in group meetings, says Petriglieri. It makes you feel like you’re in an adjoining room, so may be less tiring.

In some cases it’s worth considering if video chats are really the most efficient option. When it comes to work, Shuffler suggests shared files with clear notes can be a better option that avoids information overload. She also suggests taking time during meetings to catch up before diving into business. “Spend some time to actually check into people's wellbeing,” she urges. “It’s a way to reconnect us with the world, and to maintain trust and reduce fatigue and concern.”

Building transition periods in between video meetings can also help refresh us – try stretching, having a drink or doing a bit of exercise, our experts say. Boundaries and transitions are important; we need to create buffers which allow us to put one identity aside and then go to another as we move between work and private personas.

And maybe, says Petriglieri, if you want to reach out, go old-school. “Write a letter to someone instead of meeting them on Zoom. Tell them you really care about them.”



Source: BBC

4

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকদের সাফল্য
মানুষ ফিরে পাবে হারানো দৃষ্টিশক্তি

বয়স বাড়তে শুরু করলে চোখের দৃষ্টি কমতে শুরু করে। অনেক সময় মানুষ পুরোপুরি দৃষ্টিহীন হয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা ক্ষীণদৃষ্টি ও দৃষ্টিহীনদের জন্য আশার আলো দেখাচ্ছেন। তাঁরা এমন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন যাতে বয়সের সঙ্গে সৃষ্টি হওয়া ক্ষীণদৃষ্টি আবার পূর্ণ দৃষ্টি হিসেবে ফিরে পাওয়া সম্ভব। তাঁরা এ ক্ষেত্রে স্টেম সেল বা ভ্রূণ কোষের বিকল্প হিসেবে ত্বকের বিশেষ কোষ ব্যবহার করেছেন। তাই এতে নৈতিকতার কোনো প্রশ্ন উঠবে না। এ ছাড়া চোখ প্রতিস্থাপনের পদ্ধতিটি হবে সাশ্রয়ী।

ওয়ার্ল্ড অ্যাট লার্জ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকেরা ইতিমধ্যে ইঁদুরের ওপর তাদের উদ্ভাবিত পদ্ধতি প্রয়োগ করে সফলও হয়েছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) কাছ থেকে পদ্ধতিটি মানুষের ক্ষেত্রে পরীক্ষার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। গবেষকদের আশা, আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে তাদের উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে লাখো মানুষ দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবেন। বিষয়টি তাদের জন্য রোমাঞ্চকর হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের সেন্টার ফর রেটিনা ইনোভেশনের গবেষকেরা ম্যাকুলার ডিজেনারেশন নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে যুগান্তকারী এ আবিষ্কার করেছেন। তাঁরা বলছেন, বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত ম্যাকুলার অবক্ষয় (ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বা এমডি) সমস্যায় ভোগেন লাখো মানুষ। চোখের ম্যাকুলার ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাওয়াকে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বলা হয়। ম্যাকুলা হলো চোখের পেছনে রেটিনার একটা ছোট্ট জায়গা যা দিয়ে আমরা সূক্ষ্ম জিনিসও পরিষ্কার দেখতে পাই। তাঁদের দাবি, তারা যে পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করেছেন তা ক্ষীণ দৃষ্টি সমস্যা দূর করে চক্ষুবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।

গবেষণা সংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ‘নেচার’ সাময়িকীতে। তাতে গবেষকেরা বলেছেন, তাঁরা স্টেম সেল বা ভ্রূণ কোষের বিকল্প হিসেবে ত্বকের ফাইব্রোব্লাস্ট কোষ থেকে ফার্মাকোলজিক্যাল-রূপান্তর প্রক্রিয়ায় প্রতিস্থাপনযোগ্য ফোটোরিসেপ্টর তৈরি করেছেন। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যাতে নৈতিক ও আইনি বিধিনিষেধ নেই। এ ছাড়া প্রক্রিয়াটি দ্রুত এবং সাশ্রয়ী। তাদের ম্যাকুলার ডিজেনারেশন গবেষণাটি সামগ্রিকভাবে বয়স বাড়ানোর বিষয়টি বোঝার ক্ষেত্রে দারুণ ফলপ্রদ হয়েছে।

গবেষণা নিবন্ধের লেখক সাই চাভালা বলেছেন, জীবনযাপনের প্রক্রিয়ায় সময়ের সঙ্গে ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। যেমন কোনো সিডিতে যদি দাগ পড়ে তবে তা লেজারের জন্য তথ্য পড়া কঠিন করে দেয়, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএর ক্ষেত্রে আরএনএ একই সমস্যায় পড়ে। ফটোরিসেপ্টর হলো চোখের নিউরন যা আলোর প্রতিক্রিয়াতে ভিজ্যুয়াল সার্কিটকে ঘুরিয়ে দেয় যা আমাদের দৃষ্টি রাখতে সক্ষম করে। এ ফটোরিসেপ্টর নষ্ট হলে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বা চোখের অন্য রোগ হয় যাতে অপরিবর্তনীয় অন্ধত্ব সৃষ্টি করে। নতুন গবেষণায় ফাইব্রোব্লাস্টস কোষকে রাসায়নিকভাবে কাজে লাগিয়ে ফোটোরিসেপ্টারের মতো কোষ তৈরি করা গেছে। এ কোষ ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করে দৃষ্টি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

গবেষক চাভালা বলেন, স্টেম সেল বা ভ্রূণ কোষভিত্তিক কৌশলগুলো অত্যন্ত জটিল এবং সময়সাপেক্ষ। তাঁরা যেটা উদ্ভাবন করেছেন সেটি যুগান্তকারী, কারণ এতে খুব কম সময় লাগে। তাদের রূপান্তরিত ফটোরিসেপ্টর ১৪টি অন্ধ ইঁদুরের শরীরে প্রতিস্থাপন করে দৃষ্টি ফেরানোর পরীক্ষা করা হয়। এতে আশাব্যঞ্জক ফল পেয়েছেন তাঁরা।

গবেষক চাভালা আরও বলেন, তাঁদের এ আবিষ্কার ভবিষ্যতে চোখের চিকিৎসার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে আশাবাদী তিনি।


5
Coronavirus: Plasma treatment to be trialled

The UK is gearing up to use the blood of coronavirus survivors to treat hospital patients ill with the disease.

NHS Blood and Transplant is asking some people who recovered from Covid-19 to donate blood so they can potentially assess the therapy in trials.

The hope is that the antibodies they have built up will help to clear the virus in others.

The US has already started a major project to study this, involving more than 1,500 hospitals.
When a person has Covid-19, their immune system responds by creating antibodies, which attack the virus.

Over time these build up and can be found in the plasma, the liquid portion of the blood.

NHSBT is now approaching patients who have recovered from Covid-19 to see if plasma from them can be given to people who are currently ill with the virus.

A statement from the organisation said: "We envisage that this will be initially used in trials as a possible treatment for Covid-19.

"If fully approved, the trials will investigate whether convalescent plasma transfusions could improve a Covid-19 patient's speed of recovery and chances of survival.

"All clinical trials have to follow a rigorous approval process to protect patients and to ensure robust results are generated. We are working closely with the government and all relevant bodies to move through the approvals process as quickly as possible."

6
How to make the right decisions under pressure

 There’s no roadmap for dealing with Covid-19. But even if we don’t know what decisions to make, there is a body of evidence on how best to make them.
A

As you read this, people all over the world are making life-and-death decisions in the battle with the Covid-19 coronavirus. While patients flood into hospitals, doctors and nurses are deciding whom to treat and how; officials are deciding where to target resources as health systems scramble to cope with demand; scientists are deciding how to advise governments and which lines of research to pursue; and politicians are deciding which restrictions to impose on the public and how to cope with the economic fallout.

This virus is new, and it moves fast. The gravest of decisions are being made under conditions of high uncertainty and not enough time. There is no guidebook for dealing with Covid-19, no tried and tested rules for dealing with a pandemic on this scale. While no outsider should confidently advise on which decisions to make, there is an established body of evidence on how to make them.

    While no outsider should confidently advise on which decisions to make, there is an established body of evidence on how to make them

To learn more about it, I spoke to psychologists who have studied and collaborated with decision-makers in unpredictable and often dangerous environments: police officers, military commanders, emergency responders, polar explorers and mountaineers.

Laurence Alison, professor of forensic psychology at the University of Liverpool, has worked closely with the police and other emergency services for three decades. What advice would he give those thrust into the decision-making frontline by this pandemic?

“The first thing I’d tell them is that they’re likely to experience a feeling of hopelessness – of being a bit lost and not knowing where to start,” he says. In new and extreme situations, decision-makers can get irritated and angry because it feels like they’re being asked to do the impossible. “It’s important to know those emotions are normal – just recognising that can make them less stressful.”

Pause, then think

Perhaps the biggest challenge faced by a decision-maker is when to make decisions. Make them too slowly and events overtake you; too quickly and you risk acting rashly.

“In stressful situations people often behave as if they’re under time pressure, even when they’re not,” says Professor Emma Barrett of The University of Manchester, who specialises in the psychology of extreme environments. Her collaborator Dr Nathan Smith agrees: “We’ve interviewed people who are experienced at coping in all sorts of extreme environments and asked them how they make decisions when a military operation goes wrong or there’s an avalanche at high altitude. Nearly all of them said that often you’ve got more time than you think – time to take a step back and just reflect for a few moments, so that your emotions aren’t driving the decision.”

Barrett recalls the Kegworth air disaster from 1989, when a passenger flight crashed on to a motorway embankment in Leicestershire in the UK. After it became clear that one of the two engines was malfunctioning, the pilot moved quickly to shut it down, but mistakenly switched off the only functioning engine. "He took a quick decision in response to danger cues when in fact he had a bit more time to establish which engine was faulty," says Barrett.

Related to this is the tendency for people in highly stressful situations to focus their attention so tightly on the decision in front of them that they miss vital new information, a phenomenon called ‘cognitive tunnelling’. The pilot of Air France 447, which crashed into the Atlantic Ocean in 2009, had become so fixated on levelling the wings of the aeroplane during turbulence that he failed to notice the aeroplane going into a dangerously steep ascent. This stalled the engines, sending the plane into a dive. Even as the alarm system blared ‘STALL’, the pilot did not comprehend what was happening.

The ‘least worst decision’

There is also the opposite problem, when the decision-maker does too much ruminating and fails to act. Alison has coined the term ‘decision inertia’ to describe how people run into a psychological roadblock when all options look bad.

“The key issue when things go badly wrong usually isn’t that someone made the wrong decision, it’s that they did not take one,” he says. The police and military often find themselves faced with a set of options which all look terrible, and when that happens, “it’s normal not to want to pick one at all”.

    Good decision-makers judge when further delay will end up costing more than any decision they take

Decision-makers can become paralysed, fixating on the regret they will feel should a decision have appalling consequences. A common reaction is to make repeated requests for more information, past the point at which more information can help them choose. Good decision-makers, says Alison, judge when further delay will end up costing more than any decision they take. They are skilled at taking the ‘least worst decision’ – at accepting, as he puts it, that “whatever you do is going to be wrong”.

Nathan Smith cites the excruciating decision taken by mountaineer Simon Yates, as recounted in the film Touching The Void, to cut the rope on his injured climbing partner Joe Simpson, even though he was aware that Simpson would probably die as a result. Yates had concluded that if he avoided the decision, both men would perish. (Simpson survived.)

Safeguard your team

Senior decision-makers have to set an example to their teams. Barrett notes that negative emotions, much like viruses, are contagious. “Even if you’re feeling anxious yourself, as a leader, you can role-model what a non-anxious person would do,” says Barrett.

Under pressure, leaders should pay special attention to the emotional state of team members. Smith recalls that the explorer Ernest Shackleton, during his escape from Antarctica, noticed that the evident despair felt by certain individuals among his crew was spreading to the others. He took the decision to have those individuals share his tent, effectively quarantining them from the rest of the crew in order to maintain morale.

Pressure can put personal relationships under strain, and it can also lead people to avoid confrontation altogether. In crisis situations, the imperative to pull together sometimes leads the group to reach consensus on decisions before other options have been fully explored; leaders should encourage team members to tell them when they’re wrong and to deliver bad news when necessary.

Smith, who has been working with NHS decision-makers, notes that in high pressure situations, communication generally needs to be “short, sharp and clear”, sometimes to the point of abrasiveness. He told me that less experienced staff, like junior doctors, can find that quite hard, and senior staff should prepare them for it.

‘Focus on the goal’

Plans, drills and guidelines are essential, and so is a degree of adaptability. Alison advises decision-makers to “focus on the goal, not the decision”.

He cites the example set by the American police officer Stephen Redfearn, one of the first on the scene at a mass shooting in a cinema in Aurora, Colorado, in 2012. When Redfearn arrived he saw severely wounded movie-goers, some of them children. It was against policy to transport injured people in police cars, but the ambulances were having trouble getting to the cinema. Redfearn knew that unless he did something, some of the wounded would die. He took what he later described as a “crazy and unorthodox” decision, ferrying injured children in his car to local hospitals. What Redfearn did was “brave and creative and right”, says Alison; he kept his eye on the goal of saving lives. Alison notes that staff on the ground, who often have better information than superiors about unfolding events, should be empowered to improvise.

Redfearn, who now helps trains first responders in emergencies, has revealed that the Aurora incident extracted a steep emotional toll from him. The agony of the decisions he took that night – whom to save, whom to leave behind? – took years to recede. Once this crisis is over, let’s try and remember that those who have taken the most consequential decisions on our behalf will carry a heavy weight for a long time to come.







Source: BBC online version

7
Coronavirus: How to protect your mental health

Coronavirus has plunged the world into uncertainty and the constant news about the pandemic can feel relentless. All of this is taking its toll on people's mental health, particularly those already living with conditions like anxiety and OCD. So how can we protect our mental health?

Being concerned about the news is understandable, but for many people it can make existing mental health problems worse.

When the World Health Organization released advice on protecting your mental health during the coronavirus outbreak, it was broadly welcomed.

As Anxiety UK's Nicky Lidbetter explains, the fear of being out of control and unable to tolerate uncertainty are common characteristics of many anxiety disorders. So it's understandable that many individuals with pre-existing anxiety are facing challenges at the moment.

"A lot of anxiety is rooted in worrying about the unknown and waiting for something to happen - coronavirus is that on a macro scale," agrees Rosie Weatherley, spokesperson for mental health charity Mind.

So how can we protect our mental health?
Limit the news and be careful what you read

Reading lots of news about coronavirus has led to panic attacks for Nick, a father-of-two from Kent, who lives with anxiety.

"When I'm feeling anxious my thoughts can spiral out of control and I start thinking about catastrophic outcomes," he says. Nick is worried about his parents and other older people he knows.

"Usually when I suffer I can walk away from a situation. This is out of my control," he says.

Having long periods away from news websites and social media has helped him to manage his anxiety. He has also found support helplines, run by mental health charities such as AnxietyUK, useful.

    Limit the amount of time you spend reading or watching things which aren't making you feel better. Perhaps decide on a specific time to check in with the news
    There is a lot of misinformation swirling around - stay informed by sticking to trusted sources of information such as government and NHS websites

Have breaks from social media and mute things which are triggering

Alison, 24, from Manchester, has health anxiety and feels compelled to stay informed and research the subject. But at the same time she knows social media can be a trigger.

"A month ago I was clicking on hashtags and seeing all this unverified conspiracy rubbish and it would make me really anxious and I would feel really hopeless and cry," she says.

Now she is careful about which accounts she tunes into and is avoiding clicking on coronavirus hashtags. She is also trying hard to have time away from social media, watching TV or reading books instead.

    Mute key words which might be triggering on Twitter and unfollow or mute accounts
    Mute WhatsApp groups and hide Facebook posts and feeds if you find them too overwhelming

Wash your hands - but not excessively

OCD Action has seen an increase in support requests from people whose fears have become focused on the coronavirus pandemic.

For people with OCD and some types of anxiety, being constantly told to wash your hands can be especially difficult to hear.
For Lily Bailey, author of Because We Are Bad, a book about living with OCD, fear of contamination was one aspect of her obsessive compulsive disorder. She says the advice about hand washing can be a huge trigger for people who have recovered.

"It's really difficult because I now have to do some of the behaviours that I've been avoiding," says Bailey. "I'm sticking to the advice really rigidly but it's hard, considering that for me, soap and sanitiser used to be something comparable to an addiction."

Charity OCD Action says the issue to look out for is the function - for example, is the washing being carried out for the recommended amount of time to reduce the risk of spreading of the virus - or is it being done ritualistically in a specific order to feel "just right"?
Bailey points out that for a lot of people with OCD, getting better means being able to leave the house - so self-isolating can present another challenge.

"If we're forced to stay at home, we have lots of time on our hands, and boredom can make OCD worse," she says.
Stay connected with people

Staying in touch with those you care about will help to maintain good mental health during long periods of self-isolation.

"Agree regular check-in times and feel connected to the people around you," says Weatherley.

Strike a balance between having a routine and making sure each day has some variety.

For some people it might end up actually feeling like quite a productive or restful period. You could work through your to-do list or read a book you'd been meaning to get to.

Avoid burnout

With weeks and months of the coronavirus pandemic ahead, it is important to have down time. Mind recommends continuing to access nature and sunlight wherever possible. Do exercise, eat well and stay hydrated.

AnxietyUK suggests practising the "Apple" technique to deal with anxiety and worries.

    Acknowledge: Notice and acknowledge the uncertainty as it comes to mind.
    Pause: Don't react as you normally do. Don't react at all. Pause and breathe.
    Pull back: Tell yourself this is just the worry talking, and this apparent need for certainty is not helpful and not necessary. It is only a thought or feeling. Don't believe everything you think. Thoughts are not statements or facts.
    Let go: Let go of the thought or feeling. It will pass. You don't have to respond to them. You might imagine them floating away in a bubble or cloud.
    Explore: Explore the present moment, because right now, in this moment, all is well. Notice your breathing and the sensations of your breathing. Notice the ground beneath you. Look around and notice what you see, what you hear, what you can touch, what you can smell. Right now. Then shift your focus of attention to something else - on what you need to do, on what you were doing before you noticed the worry, or do something else - mindfully with your full attention.

8
Coronavirus: Huawei urges UK not to make 5G U-turn after pandemic

Chinese telecoms company Huawei has said that disrupting its involvement in the rollout of 5G would do Britain "a disservice".

In January, the UK government approved a limited role for Huawei in building the country's new data networks.

But in March, a backbench rebellion within the Conservative party signalled efforts to overturn the move.

In an open letter, the firm also said it was focused on keeping the UK connected during the Covid-19 crisis.

But the pandemic may increase pressure on the government to take a tougher line on the company.
'Slow lane'

In the letter, Huawei's UK chief Victor Zhang says home data use has increased by at least 50% since the virus first hit the UK, placing "significant pressure" on telecoms systems.

Huawei says it has been working with partners like BT, Vodafone and EE to deal with the growth and has also set up three new warehouses around the country to ensure spare parts stay in supply.

Mr Zhang also says the current crisis has highlighted how many people, especially in rural communities, are "stuck in a digital slow lane". And he warns that excluding Huawei from a future role in 5G would be a mistake.

"There are those who choose to continue to attack us without presenting any evidence," he writes.

"Disrupting our involvement in the 5G rollout would do Britain a disservice."

The government has banned Huawei from the most sensitive parts of the UK's mobile networks, and limited it to 35% of the periphery, which includes its radio masts.

But critics argue it is a security risk to allow the Chinese company to play any role at all because of fears it could be used by Beijing to spy on or even sabotage communications.

In early March, 38 Conservatives MPs rebelled on the issue, a larger number than expected. That points to a potential upset when the Telecoms Infrastructure Bill comes before Parliament, which is planned to happen later in the year.

The coronavirus crisis highlights the tension between economic and national security issues that makes the topic so contentious.

On one side is the need for greater connectivity to boost economic growth. Supporters of Huawei's role argue that excluding it would both slow down and raise the cost of delivering faster and more reliable networks.

On the other side is anger directed at China from some quarters because of its perceived mishandling of the initial Covid-19 outbreak, as well as the wider concerns over growing dependence on its technologies and companies.

Unnamed ministers and senior officials were recently quoted as saying there would have to be a "reckoning" once the current crisis is over.

Part of that could involve a reversal of January's decision - a concern which may explain the decision to write the letter.

On 4 April a group of 15 Conservative MPs called for a rethink on relations with China in their own letter to the Prime Minister, written a day before he was admitted to hospital.

"Over time, we have allowed ourselves to grow dependent on China and have failed to take a strategic view of Britain's long-term economic, technical and security needs," the group wrote. Among the signatories were Iain Duncan Smith, David Davis and Bob Seely.

It is understood that Huawei waited until the Prime Minister was out of hospital before releasing its letter.

9

করোনাভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধ: মোবাইল গতিবিধি এবং নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ


যাতায়াত তথ্যগুলো ইতিহাসের যেকোন সময়ের চেয়ে এখন বেশি নিখুঁতভাবে পাওয়া সম্ভব--মূলত টেলিকম সার্ভিসগুলোর কাছ থেকে। প্রতীকী ছবিযাতায়াত তথ্যগুলো ইতিহাসের যেকোন সময়ের চেয়ে এখন বেশি নিখুঁতভাবে পাওয়া সম্ভব--মূলত টেলিকম সার্ভিসগুলোর কাছ থেকে। প্রতীকী ছবিকরোনাভাইরাস কী করে ছড়াবে, কার মাধ্যমে ছড়াতে পারবে, সঠিকভাবে গণনা করার জন্য বিশ্বে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০টি করে পরিসংখ্যানের নতুন মডেল তৈরি হচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে, জনসাধারণের জানমালের রক্ষার নীতিমালা শুধু একটি কম্পিউটার সিমুলেশন দিয়ে সম্ভব নয়। দরকার পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য, উপযুক্ত প্রমাণ এবং প্রয়োগকৌশলের স্বচ্ছতা। এত অল্প সময়ে আমরা এই উপকরণগুলো কী করে পাব?

উত্তরটি খুব সোজা। আমাদের মুঠোফোনের মধ্যেই আছে সবচেয়ে সহজ সমাধান। আমাদের মুঠোফোন কী করে কাজ করে? মোবাইল কোম্পানিগুলো সারা দেশের আনাচকানাচে হাজার হাজার টাওয়ার তৈরি করে রেখেছে। আপনি যখন সিম কার্ড ব্যবহার করে ফোন করেন, তখন কলটি নিকটস্থ টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, ভ্রমণ করার সময়ে কী হয়? তখন আপনার কলটি ফুটবলের পাস দেওয়ার মতো এক টাওয়ার থেকে আরেক টাওয়ারে স্থানান্তরিত হয়। প্রতিটি মোবাইল কোম্পানি প্রতি মুহূর্তে এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করে থাকে। প্রশ্ন হচ্ছে, মোবাইল কী করে কাজ করে, তার সঙ্গে করোনাভাইরাসের কী সম্পর্ক? কয়েক সপ্তাহ আগে যখন অফিস, আদালত, গার্মেন্টস ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল, তখন সাধারণ মানুষের দেশের বাড়ি যাওয়ার ঢল নেমেছিল। আমরা জেনেছি যে ব্যাপারটা ক্ষতিকর। কারণ, তাদের মাঝে কারও যদি করোনাভাইরাস থেকে থাকে, তা এখন অনায়াসে ছড়িয়ে যাবে পুরো বাংলাদেশে। ঢাকা বহির্গামী মানুষগুলোর গতিবিধির মাত্রা কিন্তু খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব তাদের মোবাইল ফোনের এক টাওয়ার থেকে অন্য টাওয়ারে যাওয়ার নমুনায়।
এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্যান্য গতিবিধিও নির্ণয় করা সম্ভব। যেমন করোনাভাইরাস আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি যদি নিয়মিত দূর-দূরান্তে যাতায়াত করে থাকেন, তাহলে সেই এলাকাগুলোকে অনতিবিলম্বে শনাক্ত করে ঝুঁকিমুক্ত করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। দূরপাল্লার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে নিকটস্থ হাসপাতালে বা ব্যাংকে যাতায়াতেও ভাইরাস ছড়াতে পারে।

রোগ ছড়ানোতে বিভিন্ন দূরত্বের বা মাত্রার যাতায়াত যেমন সমান ভূমিকা রাখে না, তেমনি সব এলাকার গুরুত্ব এবং ভূমিকাও কিন্তু সমান নয়। বহু এলাকার সঙ্গে যাতায়াত যোগাযোগ আছে এমন এলাকাগুলো স্বভাবতই বেশি ঝুঁকিতে থাকবে, কারণ বিভিন্ন উৎস থেকে ভাইরাস সেখানে পৌঁছাতে পারে। এভাবে, বিভিন্ন এলাকার সংক্রমণ ও তাদের মধ্যকার যাতায়াত তথ্য কাজে লাগিয়ে ভাইরাস ছড়ানোর ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি নির্ণয় করা সম্ভব। আর এই কাজে নেটওয়ার্ক সায়েন্স দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি কার বেশি, সেটাও নির্ণয় করা সম্ভব। ছোট্ট এক উদাহরণ দেখা যাক। ধরুন, আপনার পাড়ার মানুষজনের কাছে আপনি একটি তথ্য পৌঁছাতে চান। এলাকার একজন স্কুলশিক্ষক হয়তো সে ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারেন, কেননা ওই এলাকার প্রচুর মানুষের সঙ্গে হয়তো শিক্ষকের দেখা সাক্ষাৎ হয়ে থাকে, এবং তাতে আস্থার একটি সম্পর্ক আছে। আবার ধরুন, আপনি আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে দিতে চান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়তো এমন কেউ বিজ্ঞাপনটি শেয়ার করলেন, যাঁকে বিভিন্ন বয়সের, বিভিন্ন পেশার মানুষ ফলো করেন। বিজ্ঞান বলছে, সে ক্ষেত্রে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। লক্ষ করুন, দ্বিতীয় ব্যক্তির ভূমিকা কিন্তু শিক্ষকের থেকে ভিন্ন। শিক্ষক যেখানে একই এলাকার অভ্যন্তরে ভূমিকা রাখছিলেন, দ্বিতীয়জন বিভিন্ন এলাকা/বয়স/পেশাগোষ্ঠীর মাঝে তথ্য ছড়াতে সাহায্য করছেন। কারও পেশা, শিক্ষা, লিঙ্গ, লেখালেখির মান বা অন্য কোনো তথ্য না জেনেই, কেবল কে কার সঙ্গে অনলাইনে বা অফলাইনে যোগাযোগ রাখেন, সেই ‘নেটওয়ার্ক’ তথ্য থেকে গাণিতিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব কোনো ব্যক্তি কী ধরনের কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারেন।

নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে সমষ্টি বা এলাকাগত তথ্যও খুব সহজেই বের করা সম্ভব। আমরা জানি যে সিলেটে ১৩টি উপজেলা আছে। ধরে নিই যে প্রতিটি উপজেলা কেবল সীমান্ত সংযোগ আছে, এমন প্রতিবেশী উপজেলাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। শুধু এটুকু তথ্য থেকেই নির্ণয় করা সম্ভব যে সিলেট সদর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপজেলাগুলোর একটি, কেননা সদরের সঙ্গে ছয়টি উপজেলার সীমান্ত সংযোগ আছে। চিত্রে সবুজ বৃত্ত দিয়ে এ রকম গুরুত্বপূর্ণ উপজেলাগুলো দেখানো হয়েছে। উপজেলাগুলোর মধ্যকার বাণিজ্য যোগাযোগ বা রাস্তাঘাট কেমন আছে, সেই তথ্যও যদি আমাদের হাতে থাকে, এলাকাগুলোর আপেক্ষিক গুরুত্ব এবং ভূমিকা আরও নিখুঁতরূপে নির্ণয় করা সম্ভব।

করোনাভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধে বিভিন্ন উৎস থেকে আমরা সম্পূরক তথ্য পেতে পারি। যেমন, কোন এলাকায় প্রকোপ কী রকম, আদমশুমারি অনুযায়ী বয়সের বণ্টন কী রকম, বা আন্তঃএলাকা যোগাযোগ কী রকম। এই তথ্যগুলো একীভূত করে জরুরি নীতিমালা প্রণয়নে এ ধরনের নেটওয়ার্কভিত্তিক বিশ্লেষণ সহজ এবং দ্রুত সমাধান দিতে পারে। এটা কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কম্পিউটার সিমুলেশন নয়। বরং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সংগৃহীত তথ্যের সদ্ব্যবহার।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সরকার তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। তার মধ্যে একটি হলো কোন এলাকায় কত মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ দেখাচ্ছেন তা ফোনকল/খুদে বার্তা/অ্যাপের মতো বিভিন্ন উপায়ে জনসাধারণের কাছ থেকে জেনে মানচিত্রে দেখানোর চেষ্টা করা। সঙ্গে আইইসিডিআরের সংক্রমণ তথ্য তো আছেই। মানচিত্রে তথ্যগুলোর দিকে একনজর তাকালেই যেন বোঝা যায়, কোন এলাকায় কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তবে শনাক্তকৃত বা সন্দেহভাজন কয়জন একটি এলাকায় এখন আছেন, কেবল সেটুকু তথ্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় না ভাইরাস অন্যত্র ছড়ানোর গতিপ্রকৃতি ঠিক কী রকম হতে চলেছে। সে ক্ষেত্রে এর সঙ্গে যুক্ত করা যেতে পারে দ্বিতীয় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস থেকে পাওয়া তথ্য: যাতায়াত বা মবিলিটি।

দেশে এখন লকডাউন চলছে, যোগাযোগ স্বাভাবিকের চেয়ে সীমিত। তবু মানুষকে ব্যাংকে বা বাজারে যেতে হতে পারে, জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে যেতে হতে পারে, ফলে কিছু যাতায়াত থাকা অস্বাভাবিক নয়। দুজন মানুষ কাছাকাছি বা সংস্পর্শে এলে তাদের মাঝে করোনাভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা বেড়ে যায়। আমরা এলাকাভিত্তিক যোগাযোগ সামনে রেখে তেমনভাবে বলতে পারি, দুটি এলাকার মাঝে দৈনিক যত বেশি মানুষ যাওয়া-আসা করবে, এক এলাকা থেকে অন্যটিতে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কাও তত বেশি হবে। সেই ‘এলাকা’ হতে পারে থানা বা গ্রাম, হতে পারে মোবাইল সেবাদাতার একটি টাওয়ারের কভারেজ এলাকা।

একটি উদাহরণ দেওয়া যাক। ধরুন, সরকারি সংক্রমণ হিসাব এবং জনসাধারণের কাছ থেকে সংগৃহীত লক্ষণমাত্রার তথ্য থেকে আমরা জানলাম, A ও B এলাকায় সংক্রমণ বেশি ঘটেছে। প্রথম চিত্রে সেটি লাল রঙে দেখানো হয়েছে। বাকি এলাকাগুলো থেকে সে রকম কোনো তথ্য জানা গেল না, ফলে সেগুলোর আপাত কম ঝুঁকি সবুজ রঙে দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে, আন্তঃএলাকা যাতায়াত তথ্য আমাদের জানাতে পারে, সাম্প্রতিক সময়ে A, B ও C এলাকাগুলোর মাঝে বেশ যাতায়াত ঘটেছে (দ্বিতীয় চিত্রে গাঢ় দাগে দেখানো হয়েছে)। এই তথ্য থেকে আমরা আন্দাজ করতে পারি, C এলাকায় ভবিষ্যৎ সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি। ফলে C এলাকাকে দ্রুত সাবধান করে পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব, সেখানে আদৌ কোনো সংক্রমণের খবর পাওয়ার আগেই।

আর এই যাতায়াত তথ্যগুলো ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি নিখুঁতভাবে পাওয়া সম্ভব—মূলত টেলিকম সার্ভিসগুলোর কাছ থেকে। ওপরে যেমনটা বলা হলো, ঠিক কোন কোন সিম কার্ড একটি টাওয়ার থেকে সেবা নিচ্ছে এবং সেই ফোনগুলো ঠিক কোথায় আছে, সে তথ্য দারুণ দক্ষতার সঙ্গে মনিটর করা হয়, উন্নত মানের সেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে। ধরুন, আমার এলাকা থেকে আজ সর্বমোট ২০ জন মানুষ পাশের এলাকায় গেলেন এবং দিন শেষে ফিরে এলেন। মোবাইল ফোন সেবাদাতারা সেই তথ্য অতি দ্রুত জানাতে সক্ষম।

এভাবে পুরো দেশের বিভিন্ন এলাকার মধ্যকার যাতায়াত তথ্য একত্রে নিলে আমরা পেয়ে যাব একটি ‘নেটওয়ার্ক’। সেই নেটওয়ার্ক থেকে আমরা সহজেই হিসাব করতে পারি, কোন এলাকা ভাইরাস ছড়ানোতে ঠিক কতটুকু শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে সক্ষম, শনাক্তের মাত্রানির্বিশেষে কোন এলাকায় ঝুঁকি কী রকম এবং কোথায় পদক্ষেপ নেওয়া কেমন জরুরি। এর সঙ্গে শনাক্তকৃত/সন্দেহভাজন রোগীর তথ্য একীভূত করে ভাইরাসের ভবিষ্যৎ বিস্তার নির্ণয় করা সম্ভব। একই সঙ্গে সম্ভব তথ্যের শুদ্ধতা যাচাই করা, এমনকি অসম্পূর্ণ তথ্য থেকেও জ্ঞান আহরণ করা। যাতায়াতের তথ্য ব্যবহার করে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ নতুন নয়। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের বিস্তার নির্ণয়ে এই তথ্য কাজে লাগানো হয়ে না থাকলে জরুরি ভিত্তিতে তা আমলে নেওয়া যেতে পারে।

অতি–আধুনিক কিছু উদ্ভাবন, যেমন গ্রাফ সিগন্যাল প্রসেসিং, গ্রাফ নিউরাল নেটওয়ার্ক এবং স্ট্যাটিস্টিকাল নেটওয়ার্ক অ্যানালাইসিসের মতো প্রযুক্তিগুলো এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় যাতায়াত এবং লক্ষণমাত্রার তথ্য ব্যবহার করে এই প্রযুক্তিগুলো দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য জ্ঞান তৈরি করতে সক্ষম। ফলে এই জরুরি সময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে এগুলো দারুণ কাজে আসতে পারে। উপরোক্ত প্রযুক্তিগুলোর সদ্ব্যবহারের পাশাপাশি অপব্যবহারও সম্ভব। তাই দরকার যাতায়াত তথ্যের বিশ্লেষণ যথাযথ নীতিমালা দিয়ে নির্ধারণ করা। না হলে ব্যক্তিস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়াসহ নানা অপব্যবহার ঘটতে পারে, যা সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন।

এহসান হক: সহকারী অধ্যাপক, কম্পিউটারবিজ্ঞান, ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার, যুক্তরাষ্ট্র
রাইয়্যান আবদুল বাতেন: পিএইচডি শিক্ষার্থী, ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার, যুক্তরাষ্ট্র

10
Robots replace Japanese students at graduation amid coronavirus

Spring graduation ceremonies in Japan have been cancelled because of the coronavirus pandemic, but students at one school were able to attend remotely by controlling avatar robots while logged on at home.

The robots, dubbed "Newme" by developer ANA Holdings, were dressed in graduation caps and gowns for the ceremony at the Business Breakthrough University in Tokyo.

The robots' "faces" were tablets that displayed the faces of the graduates, who logged on at home and controlled the robots via their laptops.

One by one, the robots motored toward the podium to receive their diplomas. School staff clapped and said "congratulations!" as University President Kenichi Ohmae placed the diplomas on a rack mounted on the robot's midsection.

"I think this is truly a novel experience to receive a certificate in a public area while I am in a private space," Kazuki Tamura said via his computer avatar when receiving his master's degree diploma.

The university hopes its approach can be adopted by other schools looking to avoid mass gatherings.

Reflecting the human world, however, the school limited the ceremony to just four graduates so that the robots could practice social distancing amid the pandemic.

11
বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২ থেকে ৩ শতাংশ হতে পারে: বিশ্বব্যাংক


করোনাভাইরাসের প্রভাবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চলতি অর্থবছরে মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ হতে পারে বলে প্রাক্কলন করেছে বিশ্বব্যাংক।

আজ রোববার বিশ্বব্যাংক ওয়াশিংটন সদরদপ্তর থেকে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের ওপর এ প্রাক্কলন প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশের জিডিপি অর্থাৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গত অর্থবছরে ছিল ৮.২ শতাংশ।

এই বৈশ্বিক ঋণদান সংস্থার পূর্বাভাসে শুধু এ বছর নয়, আগামী অর্থবছরে তা আরও কমে দাঁড়াবে ১.২ থেকে ২.৯ শতাংশ।

২০২১-২০২২ অর্থবছরে একটু ঘুরে দাঁড়ালেও তা ৪ শতাংশে নিচেই থাকবে।

এ পূর্বাভাস এমন এক সময়ে আসলো যখন বাংলাদেশ ১০ বছরেরও বেশি সময় টানা ৭ শতাংশের প্রবৃদ্ধির কোঠা ছাড়িয়ে ৮ শতাংশের ঘর টপকে দ্রুতগতিতে ছুটতে শুরু করেছিল।

তবে সংস্থাটির প্রাক্কলন অনুযায়ী করোনাভাইরাসের ধাক্কায় দক্ষিণ এশিয়ার অন্য সাতটি দেশের অর্থনীতিতে বড় রকমের ধস নামতে পারে। এর মধ্যে পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানের জিডিপি বাড়বে না বরং সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

বিশ্বব্যাংক এক বিবৃতিতে বলেছে, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ক্রমবর্ধমান মানবিক ক্ষতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিণতির মধ্যে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য সরকারকে স্বাস্থ্যখাতে জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের জনগণ, বিশেষ করে দরিদ্রতম ও হতদরিদ্র মানুষকে রক্ষা করতে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

বিশ্বব্যাংক বলেছে দক্ষিণ এশিয়ায় আটটি দেশের প্রতিটি দেশ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেওয়া, বাণিজ্যিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়া এবং আর্থিক ও ব্যাংকিং খাতে আরও বেশি চাপের কারণে তীব্র অর্থনৈতিক মন্দার মুখোমুখি।

এই দ্রুত পরিবর্তনশীল ও অনিশ্চিত অবস্থা প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে পূর্বাভাস উপস্থাপন করা হয়েছে, ২০২০ সালে আঞ্চলিক বৃদ্ধি ১ দশমিক ৮ থেকে ২ দশমিক ৮ শতাংশের মধ্যে নেমে আসবে, যা ছয়মাস আগে প্রত্যাশিত ছিল ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। গত ৪০ বছরে মধ্যে এই অঞ্চলের সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স হবে।

দক্ষিণ এশিয়ার সরকারগুলোর জন্য অগ্রাধিকার হলো ভাইরাসটি ছড়ানো আটকে দেওয়া এবং তাদের লোকদের রক্ষা করা। বিশেষত, দরিদ্রতম যারা স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক দুরাবস্থার জন্য আরও খারাপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টভিগ শ্যাফার এ কথা বলেছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘কোভিড -১৯ সংকট এই জরুরি বার্তা দিচ্ছে যে উদ্ভাবনী পদক্ষেপ নিতে হবে এবং দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিগুলোকে সংকট শেষ হওয়ার পর ‘জাম্প স্টার্ট’ শুরু করতে হবে। এটি করতে ব্যর্থ হলে এ যাবৎ কালের অর্জন বিফল হতে পারে।

বিশ্বব্যাংক আরও বলেছে, এই মহামারির কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত হবে। বিশেষ করে, পোশাক খাতে তৈরি পণ্যের জন্য জাতীয় ও বিশ্বব্যাপী চাহিদা হ্রাস, বেকারত্ব সৃষ্টি ও দারিদ্র্যকে আরও গভীর করে তুলবে।

শহুরে দরিদ্ররা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং গ্রামীণ অঞ্চলে অতিরিক্ত দরিদ্রের সংখ্যা বেশি হবে। জাতীয় শাটডাউন ব্যক্তিগত ব্যবহারকে প্রভাবিত করবে। মাঝারি মেয়াদে প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার হওয়ার আশা করা হলেও, কোভিড-১৯ এর অভ্যন্তরীণ প্রাদুর্ভাব ও আর্থিক খাতের দুর্বলতা থেকে ক্ষতির ঝুঁকি রয়েই যাবে।

‘মহামারির প্রভাবের পরিমাণ সংকটের সময়কাল ও গৃহীত প্রশমন ব্যবস্থার উপর নির্ভর করবে,’ বলে মনে করেন বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মের্সি টেম্বন।

‘বাংলাদেশ সরকার জনস্বাস্থ্যের দিক-নির্দেশনা, উদ্দীপনা প্যাকেজ এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাড়িয়ে দিয়ে দ্রুত কাজ করেছে। সরকারকে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করার জন্য, এ মাসের গোড়ার দিকে বিশ্বব্যাংক ‘কোভিড -১৯’ প্রাদুর্ভাব শনাক্ত ও প্রতিরোধ করতে ১০ কোটি ডলার অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে।

‘আমরা মহামারি মোকাবেলায় ও পুনরুদ্ধার ত্বরান্বিত করতে এবং দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিস্থাপকতা তৈরিতে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ বলে যোগ করেন তিনি।

12
The world can be more safe with the initiatives from all giant tech what is ultimately calls the welfare for the mass people of the world.

13
করোনাভাইরাস: অ্যাপল এবং গুগলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি যে প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে মহামারি

আপনি সম্প্রতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোন মানুষের সংস্পর্শে এসে থাকলে আপনাকে সতর্ক করে দিতে পারবে এমন এক প্রযুক্তি তৈরির জন্য যৌথভাবে কাজ করছে অ্যাপল এবং গুগল ।

প্রাথমিকভাবে যেসব থার্ড পার্টি কনট্যাক্ট ট্রেসিং অ্যাপ এই মূহুর্তে আছে, সেগুলো যাতে ঠিকভাবে কাজ করে সেই ব্যবস্থা করে দেবে অ্যাপল এবং গুগল ।

কিন্তু তাদের আসল লক্ষ্য এমন এক প্রযুক্তি তৈরি করা যাতে কোন অ্যাপ ডাউনলোডের দরকারই হবে না।

অ্যাপল এবং গুগলের মনে করে, প্রাইভেসি বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে যাদের উদ্বেগ আছে, তাদের এই কৌশল সেই সমস্যার সমাধান করবে। কারণ যারা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করবেন তাদের নাম-পরিচয়ের কোন উল্লেখ কোথাও থাকবে না।

মূলত স্মার্টফোনের ব্লু-টুথ সিগন্যাল ব্যবহার করে জানা যাবে কোন করোনাভাইরাস আক্রান্ত মানুষের কাছে কেউ গিয়েছিল কিনা এবং যথেষ্ট দীর্ঘ সময় সেখানে ছিল কিনা যার ফলে তারও সংক্রমণ হয়ে থাকতে পারে।

পরে যদি পরীক্ষায় দেখা যায় যে কোন মানুষের কোভিড-নাইনটিন হয়েছে, তখন তার কাছাকাছি আসা অন্য মানুষদের স্মার্টফোনে সতর্কবার্তা পাঠিয়ে সেটি জানিয়ে দেয়া হবে।

তবে স্মার্টফোনে কোন জিপিএস লোকেশন ডাটা বা ব্যক্তিগত তথ্য রেকর্ড করা হবে না।
কিভাবে এই প্রযুক্তি কাজ করবে

ধরা যাক, জেনিফার এবং জনের দেখা হলো একটা পার্কে। তারা একে অপরকে চেনে না। দশ মিনিট তারা কথা-বার্তা বললো।

যেহেতু তারা কিছুটা সময় কাছাকাছি ছিল, তাদের দুজনের স্মার্টফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবেই একটি 'কী কোড' বিনিময় করলো।

কয়েকদিন পর দেখা গেল, জনের কোভিড-নাইনটিন টেস্টের ফল পজিটিভ এসেছে। জন তখন তার স্মার্টফোনের একটি অ্যাপে তা রিপোর্ট করলো। জনের সম্মতি নিয়ে স্মার্টফোন তখন এই তথ্যটি জানিয়ে দিল একটি সেন্ট্রাল ডাটাবেজে।

জেনিফারের স্মার্টফোন সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংযুক্ত হয়ে দেখলো সম্প্রতি তার সঙ্গে দেখা হয়েছে এমন এক লোকের কোভিড-নাইনটিন ধরা পড়েছে। তখন জেনিফারের স্মার্টফোনে একটি বার্তা এলো তাকে সতর্ক করে দিয়ে।
'ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ক্ষুন্ন হবে না'

অ্যাপল এবং গুগল এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের এই নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের চেষ্টায় ব্যবহারকারীদের "ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, স্বচ্ছতা এবং সম্মতি"কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। এই খাতের অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে মিলে তারা এই প্রযুক্তি তৈরি করার আশা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, এই নতুন উদ্যোগটি বিবেচনার জন্য তার প্রশাসনের কিছু সময় দরকার।

হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "এটা বেশ আগ্রহী হওয়ার মতো একটা বিষয়, কিন্তু বহু মানুষের উদ্বেগ আছ ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ব্যাপার নিয়ে।"

"আমাদের এই ব্যাপারটা ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখতে হবে এবং তারপর আমরা এ বিষয়ে আপনাদের শীঘ্রই জানাবো।"
এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডাটা প্রোটেকশন সুপারভাইজার এক বিবৃতিতে বলেন, "এই উদ্যোগটির ব্যাপারে আরও পর্যালোচনার দরকার হবে। তবে প্রাথমকিভাবে মনে হচ্ছে এরকম একটি প্রযুক্তিতে যা যা থাকা দরকার, এটিতে তা আছে। যেমন ব্যবহারকারীর অধিকার, ডাটা প্রোটেকশন এবং পুরো ইউরোপজুড়ে যাতে এটি কাজ করতে পারে, সেই বিষয়টি।

তবে অনেকে বলছেন, এই উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করবে যথেষ্ট মানুষকে ভাইরাসের জন্য পরীক্ষা করা হচ্ছে কিনা তার ওপর।

বিশ্বে যত স্মার্টফোন ব্যবহৃত হয় তার বেশিরভাগই চলে অ্যাপল বা গুগলের তৈরি করা অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে।

কিছু দেশ- যেমন সিঙ্গাপুর, ইসরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া এবং পোল্যান্ড ইতোমধ্যে এমন ধরণের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে যাতে লোকজনের স্মার্টফোনে সংক্রমণের ঝুঁকির ব্যাপারে সতর্কবার্তা পাঠানো যায়।

ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানি সহ অন্যকিছু দেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ তাদের নিজেদের উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কোন কোন এলাকার পৌর কর্তৃপক্ষ তাদের মতো করে থার্ড পার্টি অ্যাপের মাধ্যমে কাজ করছে।

গুগল এবং অ্যাপল চাইছে সমস্ত উদ্যোগকে একটা সিস্টেমে নিয়ে আসতে। ফলে কোন লোক যখন একটা স্মার্টফোন নিয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাবে, তখনও এই ব্যবস্থা কাজ করবে।

যদি তাদের এই উদ্যোগ সফল হয় তাহলে বিভিন্ন দেশে জারি করা লকডাউন এবং সীমান্তে কড়াকড়ি শিথিল করা সম্ভব হবে।

মে মাসের মাঝামাঝি নাগাদ এই দুই কোম্পানি মিলে একটা সফ্টওয়্যার বিল্ডিং ব্লক, যা পরিচিত 'অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং সফ্টওয়্যার' নামে, সেটি প্রকাশ করবে।

অন্যান্য অ্যাপগুলো তখন একই ভিত্তিতে চালানো সম্ভব হবে।

এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর যেসব তথ্য সংগৃহীত হবে, সেগুলো জমা থাকবে রিমোট কম্পিউটার সার্ভারে। কিন্তু একজন ব্যবহারকারীর প্রকৃত পরিচয় উদঘাটন করা সম্ভব হবে না।

আর কোন করোনাভাইরাস আক্রান্ত মানুষ কোন কোন মানুষের সংস্পর্শে এসেছিল তা জানার কাজটি হবে তার স্মার্টফোনে, কেন্দ্রীয়ভাবে নয়।

এরফলে কাউকে যখন ফোনে অ্যালার্ট পাঠিয়ে কোয়ারেনটিনে যেতে বলা হবে, তখন সেটি কেবল সেই লোকই জানবে, অন্যরা তা জানতে পারবে না।

অ্যাপল এবং গুগল বলছে, তাদের প্রযুক্তির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে, যারা অ্যাপ তৈরি করবে, আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড উভয় ধরণের অপারেটিং সিস্টেমেই তাদের অ্যাপ কাজ করবে। এখানে কোন সমস্যা হবে না।

আর এখন যেসব কনট্যাক্ট ট্রেসিং অ্যাপ আছে, তার তুলনায় নতুন প্রযুক্তিতে ব্যাটারি খরচ কম হবে বলেও তারা আশা করছে।

14
Internet / How coronavirus has transformed the way we communicate
« on: April 09, 2020, 09:19:39 PM »
How coronavirus has transformed the way we communicate

 Our relationship with voice and video chat is changing in the Covid-19 era. How should those who dislike phone and video chat handle the influx of calls?
S

Since the Covid-19 coronavirus crisis hit, I’ve been surprised at how many phone and video calls I've made and received. In the last week I’ve had scheduled FaceTime dates, video conferences and received spontaneous communications that go on for an hour or more, something I haven't done since I was a teenager.

I’m not alone. With hundreds of millions of people under lockdown around the world, telecommunication is going up. People I’ve spoken to have been connecting in new social ways, hosting virtual bachelorette parties, happy hours and reunions with friends who haven’t connected in decades. People have been hanging out on FaceTime while working on separate projects (almost as if they were in a coffee shop), or even gathering callers to pray together in a nightly video Novena.

But what’s driving this upsurge in calls and what’s the impact, particularly on those who aren’t comfortable chatting on the phone or over video? If you’re not a ‘phone person’, how should you handle the current rush to connect?

Saved by the screen

Under normal circumstances, we tend to turn to friends and family when there’s a sense of urgency or crisis, says Ami Rokach, a psychologist and expert in loneliness based outside Toronto. And since many of us are cut off from normal social interaction, we are opting for voice and video calls as the next best thing.

    Since we are having more meaningful, deeper conversations, we feel more connected to the person we are speaking to – Ami Rokach

The pandemic, he says, means that we all have something in common to talk about, which is leading to reconnections. “Even if you neglected to keep in touch with someone over the years, it’s almost certain that people will speak with you now if you pick up the phone and call. And since we are having more meaningful, deeper conversations, we feel more connected to the person we are speaking to.”

Yet while some people will be drawing comfort from the upsurge in calls, it could be troubling to others. Like other chronic texters, I've definitely felt anxiety about having to transition to speaking on the phone. I force myself to make calls for work but avoid them if I otherwise can. Now I find myself having several social calls a week, sometimes many in the same day.

“Phone anxiety is an offshoot of social anxiety disorder, which is one of the most common anxiety disorders,” says Jean Kim, a clinical assistant professor of psychiatry at George Washington University who has written about phone phobia. “It’s characterised by people feeling fear in social situations; they have a flood of automatic negative thoughts and are self-critical.” Some people get thrown by different social cues on the phone, she says, while for others being out of practice because of the ease of text and email can also lead to anxiety when using a less familiar form of communication.

Tara Nurin, a freelance journalist based in New Jersey, grew up chatting on the phone but then developed anxiety about calls as email and texting took over. “It grew out of the fact that I got scared of small talk. I dread conversations that are like: ‘So, how have you been?’ It grew and eventually stretched into a loathing of the phone.” Her reluctance to return calls annoys family and friends, she says, and she’s taken aback if someone calls out of the blue.

Now, however, she’s embracing video chatting, partly because it recreates an in-person experience and feels more like designated social time. “It’s a time where my friends and I are putting aside everything else and choosing to socially communicate with each other … Now that we can’t go anywhere, I’m super comfortable with it.” Could this help her with her relationship with phone calls in the future? It’s a definite possibility, she says.

    That we’re getting a lot more practise than usual could also help those who have previously shied away from phone or video chats

Kim says we might be experiencing a kind of inadvertent exposure therapy. “As people reality-test what they feared, they might find their friends like talking to them or nothing is different when they speak to their co-workers from home, and it can be therapeutic.”

That we’re getting a lot more practise than usual could also help those who have previously shied away from phone or video chats. Mikaela Levy, a doula who’s currently at home with her three kids and husband, says her 13-year-old son didn’t like talking to his grandparents on the phone because he didn’t know what to talk about. Now that he’s doing distance learning and video chatting with his friends, he’s become more comfortable with family catch ups.

Not everyone wants to pick up

But there are those who are starting to resent all the calls – or at least wish the new style of communication came with defined parameters.

Teresa Lynn Hasan-Kerr, an English teacher in Morocco, considers herself an introvert and hates talking on the phone or via video. She dislikes the awkward small talk, the drawn-out goodbyes, the pauses online when the wi-fi lags. Now that remote work is forcing her to take calls at home, she feels it’s intruding on her private life.

“There is a professional Teresa, and then the one who’s talking to her boyfriend and the one who talks to her best friend. I could be talking to my friend and then my boss calls with questions that need immediate answers, and it doesn’t quite allow for a mental transitioning.”

Video doesn’t make it any better. “I’m usually doing something silly like playing with my cat while I’m talking, and I don’t want to be observed.” And there’s added pressure created by the fact that everyone knows you’re at home, so “there’s no real excuse for not picking up”.

Although they may appreciate that friends want to check in, some are also struggling to balance the sheer number of calls coming their way. Denise Naughton, a producer and video consultant, says she’s experienced a drastic increase in phone and video communication, both for work and from friends and family. “My friends have respected the boundary, but now I'm finding the additional calls and video chats after work are wearing me down,” she says.

She’s decided to stick to business hours, and leave personal calls for the evening. “I still need to find the boundaries on the personal side so I can find my own time to refuel, which I do through time alone.”

Learning to adapt

Psychiatry professor Kim suggests one strategy for people having difficulty with many calls is to carve out specific times for activities such as phone and video chats. She also says that briefly discussing with family and friends when you will be able to talk in the future can prevent people from feeling neglected or irritated.

    The key is to be focused and organised as much as you can, and know and communicate your limits – Jean Kim

“It's OK just not to pick up the phone sometimes if you feel like you are too busy,” she says. “Time management is a tricky skill for many people. The key is to be focused and organised as much as you can, and know and communicate your limits.”

Even Hasan-Kerr says her relationship with calls might get better as she gets into a rhythm and etiquette is established around calls. “People might learn [that] for some people they need to send a text warning first.”

Rokach, meanwhile, hopes that once the situation returns to normal we’ll remember how we prioritised connecting with each other.

“Before corona[virus], we may have taken our social interactions for granted and been the kind of person who said: ‘I’m terrible at keeping in touch’. Suddenly, people are becoming aware of how important it is to stay in contact with their fellow humans. Whether it’s by phone or in person, I hope this will stick with us when we come out of the pandemic.”

15
Coronavirus: Will summer make a difference?

The idea warmer weather might stop the coronavirus seems to have faded as the virus has spread around the globe. But could new research contain a glimmer of hope?

It's too early to know for sure whether the new coronavirus is seasonal. To really know that, we'd have to watch how cases change in one place across the year.

But we can look at its spread in different climates across the world for clues.
What's the evidence?

There is some evidence coronavirus cases have particularly clustered around cooler, dryer regions.

One study indicated countries particularly affected by the virus - those where it was spreading undetected via community transmission - by 10 March had lower average temperatures than those with fewer cases.

Another paper looked at 100 Chinese cities with more than 40 cases of Covid-19 and suggested the higher the temperature and humidity, the lower the rate of transmission.

And another, not yet peer-reviewed, study suggested that although cases of the new coronavirus could be found all over the world, outbreaks had particularly clustered in "relatively cool and dry areas" - at least until 23 March.

But, as a group of researchers at the London School of Hygiene and Tropical Medicine pointed out, the virus has now spread to every World Health Organization region, "effectively spanning all climatic zones, from cold and dry to hot and humid regions".
Is there a north-south divide?

With lots of other viruses, including flu, a seasonal pattern is seen in the northern and southern hemispheres. But tropical regions close to the equator don't experience the same pattern.

And some of the hot and humid regions that have seen locally transmitted cases of the Covid-19 virus, such as Malaysia and the Democratic Republic of Congo, are close to the equator and so might not provide the best evidence for what will happen elsewhere.

But looking to the southern hemisphere, Australia and New Zealand - at the tail-end of their summer season when their first cases were seen - have had much fewer cases than many of their northern-hemisphere counterparts.

There are lots of other factors at play, such as global footfall and the density of the population.

And since the virus has gradually spread around the world - initially through global travel - at the same time as seasons have been changing, it's difficult to pinpoint the effect of climate specifically.
Are other coronaviruses seasonal?

There is some evidence other coronaviruses mainly circulate in the winter months, according to a team of researchers from University College London (UCL) and the London School of Hygiene and Tropical Medicine.

They asked almost 2,000 people for a weekly report on whether anyone in their household had symptoms of respiratory illness. And anyone with symptoms was asked to send in a swab for testing for a range of viruses.

From this, the researchers observed large peaks in coronavirus cases in the winter, around the same time as flu season. There were a small number of cases in the summer.

One of the study's authors, Ellen Fragaszy, at UCL said it was therefore "possible we will see a bit of a relief in cases over the summer". But we could not be sure this is how the new coronavirus would behave.

And the large number of cases and their spread across the world suggested we shouldn't be too hopeful of a summer respite.
Is this virus like other coronaviruses?

The new coronavirus, called Sars-Cov-2, which causes the Covid-19 disease, appears to spread in basically the same way as other coronaviruses.

But what makes it distinct is the how ill it makes you and the number of deaths it causes.

Dr Michael Head, at the University of Southampton, said the development and impact of the novel coronavirus was "clearly very different from the existing 'common cold' type coronaviruses".

"It remains to be seen as to whether Covid-19 cases will decline in response to environmental changes such as temperature and humidity," he said.

Pages: [1] 2 3 ... 8