Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Jannatul Ferdous

Pages: [1] 2 3 ... 17
1

জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস অ্যান্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ১০: মিক্স ফ্রুট ককটেল

যেকোনো ধরনের কাঁচা বা পাকা ফল শরীরের জন্য উপকারী। একেক ফলের রয়েছে একেক রকম স্বাদ ও পুষ্টিগুণ। বিভিন্ন রকমের ফল একসঙ্গে মিলিয়েও স্বাদে আনা যেতে পারে বৈচিত্র্য। ইফতারের পানীয়তে আজ রাখতে পারেন মিক্স ফ্রুট ককটেল। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস অ্যান্ড ডেসার্টসের আজকের পর্বে জেনে নিই কীভাবে তৈরি করা যায় সুস্বাদু ও পুষ্টিকর মিক্স ফ্রুট ককটেল।


মিক্স ফ্রুট ককটেল তৈরির উপকরণ
টক দই ১ কাপ
মিক্স ফ্রুট পরিমাণমতো
পুদিনাপাতা পরিমাণমতো
জিরোক্যাল ২ স্যাশে
মিক্স ফ্রুট ককটেল তৈরির পদ্ধতি
জুসার মিক্সারে আপনার পছন্দমতো কয়েক রকমের ফল যেমন তরমুজ, আনারস, আপেল, পেয়ারা ইত্যাদি পরিমাণমতো দিন। এর ভেতরে টক দই, পুদিনাপাতা ও জিরোক্যাল দিয়ে দিন। এবার ভালোভাবে ব্লেন্ড করে মিশিয়ে নিন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মিক্স ফ্রুট ককটেল।

এবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন। চাইলে ওপরে একটু পুদিনাপাতার কুচি ছড়িতে দিতে পারেন। ইফতারে উপভোগ করুন মিক্স ফ্রুট ককটেল।

2

জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস অ্যান্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৯: খেজুরের বার


খেজুর আমাদের অতিপরিচিত এবং অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি ফল। খেজুরকে বলা হয় প্রাকৃতিক শক্তির উৎস। সুস্বাদু এই ফলটিতে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার ১১ ভাগই পূরণ করে খেজুর। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস অ্যান্ড ডেসার্টসের আজকের পর্বে আমরা বানাব মিষ্টি খাবার খেজুরের বার।

খেজুরের বার তৈরির উপকরণ

কাঁচা নারকেলের শাঁস ২৫ গ্রাম
আঁটি ছাড়া খেজুরকুচি ২০০ গ্রাম
ক্যাশিউ নাট/কাজুবাদাম ৫০ গ্রাম
কাঠবাদামের কুচি ৫০ গ্রাম
পেস্তা বাদাম ২৫ গ্রাম
জিরোক্যাল ২ স্যাশে
লো-ফ্যাট ঘি ১ টেবিল চামচ

খেজুরের বার তৈরির পদ্ধতি

চুলায় কড়াই দিয়ে গরম করুন। এবার লো-ফ্যাট ঘি দিয়ে গরম করে নিন। ঘি গলে গেলে তাতে কাঠবাদামের কুচি দিয়ে ভাজুন। এরপর পেস্তা বাদামকুচি দিন। একটু ভেজে নিয়ে তাতে খেজুরকুচি দিন। কাঁচা নারকেলের শাঁস দিয়ে আর একটু ভেজে নিন। এর ভেতরে জিরোক্যাল দিয়ে দিন। এবার অল্প আঁচে ভালোভাবে ভেজে আঠালো মিশ্রণের মতো করুন। এবার মিশ্রণটি একটি বাটিতে ঢেলে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হয়ে জমে গেলে বারের মতো কেটে পরিবেশন করুন।

তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খেজুরের বার। মজার এই খাবারটি তৈরি করে পরিবারের আপনজনদের চমকে দিন ও উপভোগ করুন।

3

জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৮: ম্যাংগো স্মুথি


জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৮: ম্যাংগো স্মুথিইফতারের পানীয়তে আজকে রাখতে পারেন সুস্বাদু ম্যাংগো স্মুথি। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টসের আজকের পর্বে চলুন জেনে নিই কীভাবে তৈরি করা যায় ম্যাংগো স্মুথি।

ম্যাংগো স্মুথি তৈরির উপকরণ:গুঁড়া দুধ- ১০ গ্রামপাকা আমের জুস-১ কাপস্ট্রবেরি জ্যাম- ২ চামচজিরোক্যাল- ২ স্যাশেম্যাংগো স্মুথি তৈরির পদ্ধতি:জুসার মিক্সারে সব উপকরণ যেমন আমের জুস, গুঁড়া দুধ, স্ট্রবেরি জ্যাম ও জিরোক্যাল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। ব্যস, মুহূর্তেই তৈরি হয়ে গেলো ম্যাংগো স্মুথি। এবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন।

4
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৭: পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল

ইংরেজিতে পিয়ার বা বাংলায় নাশপাতি ফলটি আমাদের খুব পরিচিত। নাশপাতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, বি ২, ই, ফলিক অ্যাসিড ও নিয়াসিন নামের পুষ্টিকর উপাদান। ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, কপার, আয়রনসহ অন্যান্য মিনারেলেরও উৎকৃষ্ট উৎস নাশপাতি। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস এর আজকের পর্বে আমরা নাশপাতি দিয়েই একটি মজার ডেসার্ট বানাবো যার নাম পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল। চলুন জেনে নিই কীভাবে বানাতে হয় পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল।


পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল তৈরির উপকরণ:

নাশপাতি- ১ টি

ক্র্যাম্বেল- ২০ গ্রাম

সাগু জুস- ৫০ গ্রাম

লো-ফ্যাট চকোলেট- ১৫ গ্রাম

জিরোক্যাল- ২ স্যাশে

পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল তৈরির পদ্ধতি:

চুলায় একটি পাত্রে অল্প পানি গরম করুন। এবার খোসা ছাড়ানো নাশপাতিটি পানিতে দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। পানিতে জিরোক্যাল মিশিয়ে দিন তাহলে সেদ্ধ করার সময় নাশপাতিটি মিষ্টি হবে। চুলায় কিছুক্ষণ ঢেকে রেখে নাশপাতির পানি শুকিয়ে ফেলুন এবং নাশপাতিটি ঠান্ডা হতে দিন।

এবার পরিবেশন করার প্লেটে প্রথমে সাগু জুস দিন। তার উপরে সেদ্ধ করা নাশপাতিটি রাখুন। চারপাশে ক্র্যাম্বেল ছড়িয়ে দিন। এবার নাশপাতির উপরে লো-ফ্যাট চকোলেট ঢেলে দিন। তৈরি হয়ে গেলো সুস্বাদু ডেসার্ট পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল। অতিথি আপ্যায়নে কিংবা পরিবারের সবার সাথে উপভোগ করতে পারেন মিষ্টি এই খাবারটি।

5

জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৬: কলা পেঁপে দই শরবত

 
কলা, পেঁপে এবং দই এই তিনটি খাবারই অত্যন্ত সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। কলাতে আছে প্রচুর পরিমাণপটাশিয়াম যা আমাদের শরীরের মাংসপেশির কাজে বিশেষ করে হৃদযন্ত্র এবং শ্বাসযন্ত্রের পেশির কাজেসাহায্য করে। আর পুষ্টিগুণ বিবেচনায় পেঁপের তুলনা হয় না। প্রচুর পরিমাণ আঁশ, ভিটামিন সি, ভিটামিনএ, প্যাপিন এনজাইম ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে পেঁপেতে। আর টক দইয়ে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম,ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া। তাই, জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ডডেসার্টস এর আজকের পর্বে আমরা বানাবো কলা, পেঁপে, দই শরবত।

কলা পেঁপে দই শরবত বানানোর উপকরণ: দই- ৩ টেবিল চামচপেঁপে- ১ কাপকলা- ১ টিজিরোক্যাল- ২ স্যাশে

কলা-পেঁপে-দই শরবত বানানোর পদ্ধতি:জুসার মিক্সারে সব উপকরণ যেমন দই, কলা, পেঁপে ও জিরোক্যাল দিয়ে দিন। ভালোভাবে ব্লেন্ড করেমিশিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর কলা-পেঁপে-দই শরবত।


 এবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন এবং ইফতারে পরিবারের সবার সঙ্গে উপভোগ করুন এই শরবত।

6

জিরোক্যাল ড্রিংকস অ্যান্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব–৫: সাগু ফ্রুট কাস্টার্ড

সাগুদানা আমাদের খুব পরিচিত একটি খাবার। সাগুপামগাছের কাণ্ডের মাঝের স্পঞ্জের মতো অংশকে জ্বাল দিয়ে শুকিয়ে তৈরি হয় সাগুদানা। সাগুদানা আঠালো, তাই ছোট শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য, অম্বল, ডায়রিয়া ইত্যাদি পেটজনিত অসুখের প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে খাওয়ানো হয়। আর বড়দের জন্যও তৈরি করা যায় মজাদার খাবার।

জিরোক্যাল ড্রিংকস অ্যান্ড ডেসার্টস এর আজকের পর্বে আমরা জানব কীভাবে বানাতে হয় সাগু ফ্রুট কাস্টার্ড।


সাগু ফ্রুট কাস্টার্ড তৈরির উপকরণ
সাগুদানা সিকি কাপ, তরল দুধ ১ কাপ, নারিকেলের দুধ আধা কাপ, ভ্যানিলা কাস্টার্ড পাউডার ২ টেবিল চামচ, জিরোক্যাল ২ স্যাশে, কর্নফ্লাওয়ার পরিমাণমতো ও মিক্স ফ্রুট আধা কাপ।

সাগু ফ্রুট কাস্টার্ড তৈরির পদ্ধতি
চুলায় একটি পাত্রে দুধ গরম করে নিন। এবার দুধের মধ্যে কর্নফ্লাওয়ার গুলে দিয়ে দিন। এরপর আগে থেকে সেদ্ধ করে রাখা সাগুদানা দুধে মিশিয়ে নিন। জিরোক্যাল দিয়ে ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। এবার এই মিশ্রণের মধ্যে মিক্স ফ্রুট দিয়ে দিন। একটু ফুটে উঠলে নারিকেলের দুধ মিশিয়ে দিন। ঘন মিশ্রণের মতো হলে বাটিতে ঢেলে নিন।

পরিবেশনের সময় ওপরে অল্প কিছু মিক্স ফ্রুট ছড়িয়ে দিন। তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু ও পুষ্টিকর সাগু ফ্রুট কাস্টার্ড।

7

জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৪: নিউট্রেলা মিল্ক শেক




আজকের ইফতারের পানীয়তে পরিবারের সবার সাথে উপভোগ করতে পারেন নিউট্রেলা মিল্ক শেক। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস এর এই পর্বে চলুন দেখে নিই কীভাবে বানানো যায় নিউট্রেলা মিল্ক শেক।


নিউট্রেলা মিল্ক শেক বানানোর উপকরণ:

আইসক্রিম- ১ টেবিল চামচ

গুড়া দুধ- ১০ গ্রাম

মধু- ২ চা চামচ

লো-ফ্যাট নিউট্রেলা- ২ চা চামচ

লো-ফ্যাট ক্রিম- ১০০ মিলি

জিরোক্যাল- ২ স্যাশে

নিউট্রেলা মিল্ক শেক বানানোর পদ্ধতি:

প্রথমে একটি জুসার মিক্সারে সব উপকরণ যেমন আইসক্রিম, লো-ফ্যাট ক্রিম, মধু, গুঁড়া দুধ, লো-ফ্যাট

নিউট্রেলা ও জিরোক্যাল দিয়ে দিন। এবার ভালোভাবে ব্লেন্ড করে মিশিয়ে নিন।

নিমিষেই তৈরি হয়ে গেলো নিউট্রেলা মিল্ক শেক। এবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন। সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর

পানীয়তেই পরিপূর্ণ হোক আপনার ইফতার।

8

জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৩: মাহালাবিয়া
 

মাহালাবিয়া মধ্যপ্রাচ্যের, বিশেষ করে আরব দেশের একটি ডেসার্ট বা মিষ্টি রেসিপি। ইফতারে বা ঈদে এই ডেসার্টটি বানিয়ে অতিথি আপ্যায়ন এবং পরিবারের সাথে উপভোগ করতে পারেন। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস এর এই পর্বে আমরা জানবো কীভাবে বানাতে হয় মাহালাবিয়া।

মাহালাবিয়া বানানোর উপকরণঃ

তরল দুধ- ২৫০ মিলি
জিরোক্যাল- ২ স্যাশে
লো-ফ্যাট হুপিং ক্রিম- ২৫০ গ্রাম
ভ্যানিলা এসেন্স- ৫ গ্রাম
কর্ণ ফ্লাওয়ার- ১৫ গ্রাম
কাজু বাদাম- পরিমাণমতো
পেস্তা বাদাম- পরিমাণমতো
কাঠ বাদাম- পরিমাণমতো

মাহালাবিয়া বানানোর পদ্ধতিঃ

একটি নন-স্টিকি প্যানে বা কড়াইয়ে তরল দুধ অল্প আঁচে গরম করুন। এবার এর ভেতরে লো-ফ্যাট হুপিং ক্রিম এবং জিরোক্যাল দিয়ে দিন। অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। দুধ ফুটে এলে এর ভেতরে কর্ণ ফ্লাওয়ার গুলে দিয়ে দিন। এবার ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে নিন। সব উপাদান খুব ভালোভাবে মিশিয়ে অল্প আঁচে বার বার নাড়তে হবে এবং ঘন মিশ্রণ এর মতো করে ফেলতে হবে।

তৈরি হয়ে গেলো মাহালাবিয়া। এবার বাটিতে ঢেলে নিয়ে তার উপরে কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ও কাঠ বাদাম ছড়িয়ে ঠান্ডা করতে হবে। ঠান্ডা হয়ে জমে গেলে পরিবেশন করুন সুস্বাদু মাহালাবিয়া।

9
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০২: মিল্ক সেক

সারাদিনের রোজার ক্লান্তি ও পানির ঘাটতি দূর করতে ইফতারে শরবত বা পানীয় একটি অপরিহার্য উপাদান। পানীয়কে আরও একটু পুষ্টিকর করতে মিল্ক শেক হতে পারে অত্যন্ত উপাদেয়। আজকের জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস এ আমরা দেখবো কীভাবে বানানো যায় সুস্বাদু মিল্ক শেক।


মিল্ক শেক তৈরি করার উপকরণ

আইসক্রিম- ১ টেবিল চামচ
গুঁড়া দুধ- ১০ গ্রাম
লো-ফ্যাট ক্রিম- ১০০ মিলি
বিস্কিট- ৪ পিস
জিরোক্যাল- ২ স্যাশে
মিল্ক সেক বানানোর পদ্ধতিঃ
একটি জুসার মিক্সারে এসব উপকরণ (বিস্কিট, গুঁড়া দুধ, লো-ফ্যাট ক্রিম, আইসক্রিম ও জিরোক্যাল) দিয়ে ভালোভাবে কিছুক্ষণ মিশিয়ে নিন। এবার পরিবেশনের জন্য গ্লাসে মিল্ক শেকটি ঢেলে নিয়ে উপরে একটি বিস্কিট দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

তৈরি হয়ে গেল মজাদার ও স্বাস্থ্যকর মিল্ক শেক। ইফতারে মিল্ক শেকটি বানিয়ে পরিবারের সবার সঙ্গে উপভোগ করুন।

10
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০১: বেলজিয়াম ক্র্যাপস

বৈশাখ মাসের গরমেই আজ শুরু হয়েছে প্রথম রোজা। সারাদিন রোজা রেখে ইফতারে একটু মিষ্টি  হলেই হতে পারে মনের শান্তি ও স্বাদের তৃপ্তি। সব বয়সের মানুষ এবং ডায়াবেটিক রোগীদের কথা চিন্তা করেই মিষ্টি রেসিপি "বেলজিয়াম ক্র্যাপস" বানানো হয়েছে জিরোক্যাল দিয়ে। চলুন দেখে নেওয়া যাক কীভাবে বানানো যায় এই রেসিপি।

"বেলজিয়াম ক্র্যাপস" বানানোর উপকরণঃ

• তরল দুধ- ৫০০ মিলি
• জিরোক্যাল - ২ স্যাশে
• ডিমের সাদা অংশ- ৪ টি
• লবণ- পরিমানমতো
• ময়দা- ২০০ গ্রাম
• স্ট্রবেরি জেলি- ১ চা চামচ
• পুদিনা পাতা- পরিমানমতো
• মিক্সড ফল- পরিমানমতো
• ঘি (লো ফ্যাট)- ১ চা চামচ

কীভাবে বানাবেনঃ
একটি পাত্রে ময়দা ও তরল দুধ মেশাতে হবে। তার মধ্যে একে একে দিয়ে দিতে হবে ডিমের সাদা অংশ, লো-ফ্যাট ঘি ও জিরোক্যাল। উপকরণগুলো ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে পাতলা পেস্ট এর মতো করে নিতে হবে। এবার একটি প্যান বা কড়াই চুলোয় গরম করে নিয়ে তাতে ঘি লেপে নিতে হবে। গরম প্যানে মিশ্রণটি দিয়ে অল্প আঁচে ১০ মিনিট রাখতে হবে। এবার মিশ্রণটি শুকিয়ে প্যানকেক এর মতো হলে চামচ দিয়ে পেঁচিয়ে প্লেটে তুলে নিতে হবে।

এবার পরিবেশনের সময় মিক্স ফল, পুদিনা পাতা ও স্ট্রবেরি জেলি ছড়িয়ে দিতে হবে।

চটজলদি হয়ে গেলো সুস্বাদু ডেসার্ট "বেলজিয়াম ক্র্যাপস"। সহজেই বানিয়ে নিয়ে ইফতারে প্রিয়জনদের সাথে উপভোগ করুন মজার এই রেসিপিটি।

11
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রায় ৯০ শতাংশ করোনায় সংক্রমিত রোগী হাসপাতালের চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে ওঠে।
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার যেমন বাড়ছে, তেমনি এর থেকে সুস্থ হওয়ার হারও আশাব্যঞ্জক। অনেক রোগী এরই মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে। কেউ দ্রুত সুস্থ হচ্ছে, কেউ একটু দেরিতে। অসুস্থতার এই সময়ে রোগীদের দৃশ্যত পরিবার ও সমাজবিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকতে হচ্ছে। কারও কারও হাসপাতালেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমিত রোগী ও তাদের স্বজনদের মনে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, এভাবে আর কত দিন? আবার কবে জীবন স্বাভাবিক হবে?


গবেষণা বলছে, অধিকাংশ রোগী ১৪ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রায় ৯০ শতাংশ করোনায় সংক্রমিত রোগী হাসপাতালের চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে রোগী কত দিন পর আবার সবার সঙ্গে আগের মতো মিশতে পারবে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিডিসির কিছু নির্দেশনা রয়েছে। এই নির্দেশনা অনুসারে, একজন করোনায় সংক্রমিত রোগী তখনই নিজেকে সম্পূর্ণ সুস্থ মনে করবে যখন—

*৭২ ঘণ্টা বা ৩ দিনের মধ্যে জ্বর আসবে না (জ্বরের ওষুধ গ্রহণ না করেই)

*শ্বাসতন্ত্রের কোনো সমস্যা বা জটিলতা নেই (যেমন শ্বাসকষ্ট, কাশি)

*প্রথম উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর থেকে অন্তত ৭ দিন পেরিয়ে গেলে

*২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নেওয়া দুটি নমুনা পরীক্ষায়ই করোনা নেগেটিভ এলে।

ওপরের বিষয়গুলো মিলে গেলে রোগী হাসপাতাল থেকে বাড়ি যেতে পারবে।

তবে যেসব রোগীর শুরু থেকেই তেমন কোনো উপসর্গ থাকে না, তাদের নিয়ে সমস্যাটা হয়। সাধারণত মৃদু উপসর্গ থাকায় তাদের বাড়িতে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। তারা তখনই আইসোলেশন থেকে বের হবে যখন—

করোনা পজিটিভ হওয়ার দিন থেকে অন্তত ৭ দিন পেরিয়ে গেছে এবং এর মধ্যে নতুন করে কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। তবে এই সময় পর আইসোলেশন থেকে বেরিয়ে এলেও আরও কিছুদিন তাকে সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে। অর্থাৎ, অন্যদের থেকে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরে থাকতে হবে, মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

 অধ্যাপক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

12
একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে ৬ ঘন্টার কম সময় ঘুমালে শরীরের একাধিক ক্ষতি হয়। আর এমনটা চলতে থাকলে এক সময়ে গিয়ে আয়ু কমতে শুরু করে। তাই তো কম ঘুমনোর অভ্যাস ছাড়ুন, না হলে কিন্তু বেজায় বিপদ!

কম ঘুমালে যা হয়: সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে দীর্ঘ সময় ধরে ৬ ঘণ্টা বা তার কম সময় ঘুমালে ডায়াবেটিস, উচ্চ র'ক্তচাপ, ওবেসিটি এবং কোলেস্টেরল বৃদ্ধির মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশ'ঙ্কা প্রায় দিগুণ বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের মতো ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশ'ঙ্কাও থাকে। অন্যদিকে যারা প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান, তাদের মধ্যে এমন রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে খুব একটা দেখা যায় না। সেই সঙ্গে হঠাৎ মৃ'ত্যুর আশ'ঙ্কাও এদের বাকিদের তুলনায় কম থাকে।

হার্টের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে:
চিকিৎসকদের মতে, জীবনযাত্রা বা অন্য নানা কারণে যাদের এমনিতেই হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে, তারা যদি কম সময় ঘুমান, তাহলে এই সম্ভবনা আরও বেড়ে যায়। কারণ ঘুমের পরিধি যত কমতে থাকে, তত হার্টের কর্মক্ষমতা কমতে শুরু করে। ফলে হার্টের রোগ তো হয়ই, সেই সঙ্গে মস্তিষ্কে র'ক্ত সরবরাহ ঠিক মতো না হওয়ার কারণে নানাবিধ ব্রেন ডিজিজ হওয়ার আশ'ঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। সম্প্রতি আ'মেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের তত্ত্বাবধানে ১৩৪৪ জন প্রাপ্ত বয়স্কের উপর একটি পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। তাতে সবাইকে এক রাত্রি “স্লিপ লাইব্রেরি”তে কা'টানোর অনুরোধ করা হয়। সারা রাত প্রত্যেকের ঘুমের প্যাটার্ন লক্ষ করার পর গবেষকরা জানতে পেরেছিলেন, পরীক্ষায় যারা অংশ নিয়েছিলেন তাদের মধ্যে প্রায় ৩৯.২ শতাংশেরই ওজন বেশি। সেই সঙ্গে কোলেস্টরল এবং উচ্চ র'ক্তচাপের মতো সমস্যাও রয়েছে। কারণ তাদের প্রত্যেকেরই রাতের বেলা ঠিক মতো ঘুম হয় না। এবার বুঝতে পারছেন তো শরীরে সুস্থ রাখতে ঘুম হল একটি প্রয়োজনীয় অ'স্ত্র, যাকে হারনো মানে মৃ'ত্যু নিশ্চিত!
তাহলে উপায়:

যে কেরেই হোক দৈনিক ৭-৮ ঘন্টার কম ঘুমনো কোনও ভাবেই চলবে না। তাই তো রাত জেগে ফেসবুক বা সোসাল মিডিয়ায় ঘোরাঘুরি বন্ধ করতে হবে। এক সমীক্ষা বলছে, ফোন ঘাটার চক্করেই বেশিরভাগের ঘুমাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। এদিকে অফিস যাওয়ার চক্করে সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হয়। ফলে ঘুমের কোটা কমতে শুরু করে। সেই কারণেই রাত ১১ টার পর ফোনকে টাটা বাইবাই বলে ঘুমনোর চেষ্টা চালাতে হবে। তা না হলে বিপদ!

13
মুখে দুর্গন্ধের মতো বিব্রতকর বিষয় আর নেই। অনেকে এই সমস্যায় ভুগলেও কোনও সমাধান খুঁজে পান না। এমনকি কারও কাছে সমস্যাটির কথা বলতেও পারেন না। তবে কয়েকটি বিষয় জানা থাকলে নিজেই এই সমস্যার সমাধান করা যায়। চলুন দেখে নেয়া যাক মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে কী' করবেন-

দারুচিনি ও লবঙ্গ

এক কাপ বিশুদ্ধ পানি নিন। তাতে ১০ থেকে ১৫ ফোঁটা দারুচিনি ও লবঙ্গ তেল যু'ক্ত করুন। এগুলো ভালো'ভাবে মিশিয়ে মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করুন। এই মিশ্রণ আপনার মুখের দুর্গন্ধ তাড়াতে পারে।

দিনে দুই বেলা ব্রাশ করুন

দিনে দুই বেলা ব্রাশ করা দাঁতের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও দুই বেলা দাঁত ব্রাশ জরুরি। যদি এরপরও মুখে দুর্গন্ধ হয়, তাহলে বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে পারেন। এটি মুখ থেকে এসিডিটি দূর করবে এবং ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমিয়ে দেবে।

লবণপানি

যারা বেশি ঝামেলায় যেতে চান না, তারা হালকা গরম পানিতে এক চামচ লবণ মিশিয়ে তা দিয়ে কুলি করতে পারেন। এতে মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে।

প্রচুর পানি পান করুন

পানি শূন্যতায় ভুগলেও মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার আশ'ঙ্কা থাকে। প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি পান করুন। এটি আপনাকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করবে এবং মুখের বাজে গন্ধ দূর করবে।

নিম

যাদের মাড়ি থেকে র'ক্ত বের হয় বা যারা মুখের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে দূরে থাকতে চান, তারা নিমের দাঁতন ব্যবহার করতে পারেন। বহুকাল আগে থেকেই মুখের সুরক্ষায় প্রাকৃতিক প্রতিষেধক হিসেবে নিম ব্যবহার হয়ে আসছে। নিম দাঁতের গোড়া শক্ত করে।

চা খান

চায়ের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এটি মুখের দুর্গন্ধের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মে'রে ফেলতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এর মধ্যে রয়েছে পলিফেন। এটি মুখের সালফার উপাদানকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়।

দন্ত্য চিকিৎসকের কাছে যান

মাড়ির রোগ থেকে কখনও কখনও মুখে দুর্গন্ধ হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এছাড়া শরীরের ভেতরকার সমস্যার জন্যও মুখে দুর্গন্ধ হয়। তাই গন্ধ কোনোভাবেই না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

14
এখন শীতকাল চলছে। আমাদের দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে হিমেল হাওয়া। এই শীতের সময় ত্বকের সমস্যাটি সবার কমবেশী রয়েছে। অনেকে শুকনো ত্বক পছন্দ করেন না তবে বেশিরভাগ মানুষ শীতের সময় সমস্যাটি এড়াতে ব্যর্থ হয়। শুষ্ক ত্বকের পিছনে মূল কারণ হলো আবহাওয়ার পরিবর্তন। এরপর অন্যান্য কারণগু'লি যেমন টোনার, রাসায়নিক সাবান, রুম হিটার এবং ব্লোয়ার ইত্যাদির ব্যবহার। সাধারণ এই পাঁচটি ঘরোয়া প্রতিকারগুলো শুষ্ক ত্বকের সমস্যা থেকে দূরে রাখবে:

দারুচিনি এবং মধু ফেস মাস্ক :

মধু আপনার ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে এবং দারুচিনি ময়লা বের করে দেয়। আপনার যা দরকার তা হলো ২ টেবিল চামচ মধু + ১/২ চা চামচ দারুচিনির গুঁড়ো। এগু'লি মিশিয়ে একটি নরম ব্রাশ দিয়ে আপনার মুখে লাগান। এটি ১৫-২০ মিনিটের জন্য রাখু'ন এবং মৃদু ম্যাসেজ দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফল পেতে প্রতি ৪-৫ দিন পরপর এটি করুন।

নারকেল তেল ম্যাসেজ :

আপনার ত্বকে ফ্যাটি অ্যাসিডের অভাব থেকে শুষ্ক ভাবের কারণ। আপনার ত্বকের হা'রানো ফ্যাটি অ্যাসিডগু'লি পূরণ করার সর্বোত্তম উৎস হলো নারকেল তেল। আপনার যা দরকার তা হলো ১ টেবিল চামচ নারকেল তেল। রাতে, আপনার মুখটি পুরোপুরি ধুয়ে ৫ মিনিটের জন্য তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। নারকেল তেল আপনার ত্বকে শোষিত করবে এবং আপনার ত্বককে মসৃণ ও স্বাস্থ্যকর করবে।

অ্যালো'ভেরা :

অ্যালো'ভেরা কী' করতে পারে তা আম'রা প্রত্যেকেই জানি। ত্বকের প্রদাহ কমানো ও ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে অ্যালো'ভেরার ভূমিকা অ'পরীসীম। জে'লটি বের করার জন্য আপনার যা দরকার তা হলো একটি তা'জা পাতা, রাতে জে'লটির মুখ আপনার মুখে লাগিয়ে রেখে দিন। ভালো ফলাফল পেতে প্রতি রাতে এটি দিন।

গ্লিসারিন :

গ্লিসারিনে উপস্থিত হিউমে্যাক্ট্যান্টস এবং ইমোলিয়েন্ট আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজের কাজ করে। আপনার যা দরকার তা হলো গ্লিসারিন ১ চা চামচ। শুকনো জায়গায় ম্যাসাজ করে কয়েক ঘণ্টা রেখে দিন এবং পরে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্কতা এড়াতে প্রতিদিন কমপক্ষে একবার ব্যাবহার করুন।

মিল্ক পাউডার ফেস প্যাক :

দুধে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে এবং একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। ২ চা চামচ দুধের গুঁড়া + এক চিমটি হলুদের গুঁড়া + ১ চা চামচ মধু এবং কিছু পানি নিন। এগু'লি সবগু'লি মিশিয়ে আপনার শুষ্ক ত্বকে লাগানোর জন্য একটি ভালো টেক্সচারযু'ক্ত পেস্ট তৈরি করুন। এটি লাগিয়ে স্বাভাবিকভাবে শুকাতে দিন এবং পরে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্ক ত্বকের চিকিত্সার জন্য সপ্তাহে কমপক্ষে দুবার এটি করুন।

15
ওজন কমানোর জন্য ম'রিয়া, কিন্তু কোনভাবেই ওজন কমাতে পাড়ছেন না। এরকম মানুষের সংখ্যা নেহায়েত কম না। আবার কঠিন কঠিন ডায়েট পরিকল্পনাও কাজে দিচ্ছে না, এমন মানুষের অভাব নেই। তাই মজাদার খাবার খেয়েই ওজন কমানোর চেষ্টা এবার কাজে লাগতে পারে।
ওজন কমানোর সময়ে সবথেকে বেশি সমস্যা হল পেটের মেদ কমানোর ক্ষেত্রে। পেটের মেদ যেন কিছুতেই কমতে চায় না। আর সবথেকে তাড়াতাড়ি মেদ জমে যায় এই পেটেই। সারাদিন জিম আর যোগব্যায়াম করে চলে পেটের মেদ কমানোর প্রচেষ্টা। কিন্তু আপনার ঘরেই রয়েছে এমন এক পানীয়, যা খেলে মাত্র ১০ দিনেই কমে যাবে পেটের মেদ।

আমাদের প্রত্যেকের বাড়িতেই আদা এবং জিরা থাকে। খাবারের স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শরীরেরও অনেক উপকার করে আদা। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে তাড়াতাডি খাবার হ'জম করার জন্য ব্যবহার করা হয় আদা। জিরারও উপকারী গুণাগুণ অনেক। কোলেস্টেরলের মাত্রা কম রাখে এবং অ'তিরিক্ত ওজন বৃদ্ধিও আ'ট'কায়। এবার সেই আদা আর জিরা দিয়ে তৈরি পানীয় দিয়েই মাত্র ১০ দিনে কমিয়ে ফেলতে পারবেন পেটের মেদ।

আসুন জেনে নেয়া যাক কী'ভাবে এই যাদুকরী পানীয় তৈরি করে নেয়া যাবে-

এক চামক জিরা এবং এক টুকরো আদা ৫০০ মিলিলিটার জলে দিয়ে ভালো করে ফোটান। যতক্ষণ না জলটা অর্ধেক হয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ। আপনি চাইলে স্বাদের জন্য তাতে দারুচিনি এবং লেবুর রসও ব্যবহার করতে পারেন। টানা ১০ দিন এই পানীয় পান করুন। নিজের চোখেই ফলাফল দেখতে পাবেন।

Pages: [1] 2 3 ... 17