Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Sharmina Hoque

Pages: [1]
1
করোনাভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকতে লকডাউনে সবাই আছেন ঘরে। ঘরে থাকায় করোনা থেকে নিরাপদ থাকা গেলেও মৌসুমের কারণে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ডেঙ্গুতে।

ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায়।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমান গতকাল বুধবার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ঘরে থাকা মানে ডেঙ্গু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

তিনি জানান, ঘরে মশা নিধনে ব্যবস্থা না নিলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ডেঙ্গু ও কোভিড-১৯, দুটি রোগেরই সাধারণ লক্ষণ জ্বর।

তিনি বলেন, ‘আমাদের খুবই সাবধান হতে হবে। যদি আমরা জ্বরের কারণ বুঝতে না পারি তাহলে ভুল চিকিৎসা হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এ বছর ডেঙ্গু রোগী ইতিমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হতে শুরু করেছেন এবং সামনে এটা আরও বাড়তে পারে।’

সচেতনতার বিষয়ে ডা. জাহিদ বলেন, ‘ঘর পরিষ্কার রাখতে হবে এবং কোথাও যেন পানি জমে থাকতে না পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। করোনাভাইরাসের এই সমস্যার মধ্যে ডেঙ্গু আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা সম্পর্কে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’

জাহিদ জানান, গত বছর দেশে সবচেয়ে খারাপ ডেঙ্গু পরিস্থিতি দেখা গেছে এবং কর্তৃপক্ষের উচিত সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি এড়াতে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া।

গত বছর মোট এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন। যার মধ্যে ৪৯ হাজার ৫৪৪ জন ছিলেন ঢাকার বাইরে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ডেঙ্গুতে গত বছর মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৭৯।

ডা. জাহিদ পরামর্শ দেন, দরজা ও জানালায় মশা আটকানোর নেট লাগাতে এবং বিছানায় মশারি টানাতে। যদি কেউ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় তাহলে তাকে মশারির নিচে রাখতে হবে যাতে তার মাধ্যমে এডিস মশা সুস্থদের মধ্যে ভাইরাস ছড়াতে না পারে।

Source: https://www.thedailystar.net/bangla/%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a6%96%e0%a6%ac%e0%a6%b0/%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-144601

2
করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের সহায়তায় দেশের ৬৯টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত আছে। আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস-সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান।

আজকের এ ব্রিফিংয়ের পর প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘জনগণ একটু বিভ্রান্তিতে ছিল। আজ সকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেকে এই অ্যাডভাইস করা হয় যেন আমরা চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়টি জানাই। এ ঘোষণা দিলে সবাই আসবে।’

এনামুর রহমান বলেন, ‘আজ আমাদের বলা হয়েছে, পরবর্তীতে যদি সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ে, তবে তখন আমাদের হাসপাতালগুলো ব্যবহার করা হবে। আমরা বলেছি ওকে।’

প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক
আজ করোনাভাইরাস-সংক্রান্ত ব্রিফিং চলাকালে যুক্ত হন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। তাঁর সঙ্গে থাকা প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান এবং বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমসিএ) সভাপতি মবিন খান এ সময় কথা বলেন।


ব্রিফিংয়ে মবিন খান বলেন, ‘করোনাভাইরাসের ফলে সৃষ্ট এই দুর্যোগে আমরা জাতির পাশে আছি। আমাদের অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত ৬৯টি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। সেখানে করোনাসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দেওয়া হবে।’

মবিন খান বলেন, এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে প্রায় ২০ হাজার চিকিৎসক ও নার্স রয়েছেন। তাঁরা সব সময় প্রস্তুত রয়েছেন। এসব হাসপাতালের প্রতিটিতে ৩০০ থেকে ৭০০ শয্যা রয়েছে।

মবিন খান আরও বলেন, ‘করোনায় চিকিৎসাসেবা দিতে আমরা কিছু হাসপাতাল ডেডিকেটেড করে এসেছি। প্রয়োজনে আরও বাড়াব। আমাদের সব ডাক্তার ও নার্স প্রস্তুত আছেন।’

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও একজন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২১।


Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1649736/%E2%80%98%E0%A7%A8%E0%A7%AA-%E0%A6%98%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A7%AC%E0%A7%AF-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E2%80%99?fbclid=IwAR2bnPyN9D4c3NdniPIkcFVm-u_gjshXPj2aEjko0ZCSLjLIgLvuKkkRuio

3

করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে মানুষ সামাজিক দূরত্বের নিয়ম ঠিকঠাক মানছে কি না, তা দেখাতে নতুন টুল বা প্রোগ্রাম উন্মুক্ত করছে ফেসবুক। ব্যবহারকারীর অবস্থানগত তথ্য বিশ্লেষণ করবে ফেসবুকের এ টুল। সোমবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাদের তৈরি ‘ডিজিজ প্রিভেনশন ম্যাপস’ তৈরি হচ্ছে ‘ডেটা ফর গুড’ কর্মসূচির আওতায়। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ কীভাবে চলাফেরা করছে, তা এ ম্যাপ থেকে দেখা যাবে। সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের তৈরি ম্যাপ ও অন্যান্য তথ্য জনস্বার্থ নিয়ে কাজ করা কর্মকর্তাসহ নীতিনির্ধারকেরা কাজে লাগাতে পারবেন। এতে কোন এলাকায় করোনাভাইরাস বেশি ছড়াচ্ছে, তা জানা যাবে।

ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী তাদের জিজ প্রিভেনশন ম্যাপসে থাকবে কো-লোকেশন ডেটা নামের ফিচার, যাতে এক এলাকার মানুষ অন্য কোথাও সংস্পর্শে আসছে কি না, তার পূর্বাভাস দেখা যাবে। এ ছাড়া মানুষের ঘোরাফেরার সীমানার ট্রেন্ড, বিভিন্ন এলাকায় মানুষের সামাজিক সংযুক্ত থাকার সূচক প্রভৃতি ফিচার থাকবে। তবে এতে নির্দিষ্ট ব্যক্তির চলাচলের ধরন দেখানো হবে না।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা মনে করি ফেসবুকসহ অন্যান্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো মহামারির সময় আরও উদ্ভাবনী পদ্ধতি খুঁজে বের করতে পারে। তবে এ সময় যাতে প্রাইভেসি লঙ্ঘন না হয়, তারও খেয়াল রাখতে হবে।

ফেসবুকে ব্যক্তির অবস্থানগত তথ্য জানতে না দেওয়ার সুযোগও রয়েছে। এ তথ্য শেয়ার করা হবে কি না, তা ব্যবহারকারী নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তবে, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা অন্যান্য ফিচার ব্যবহার করে ব্যক্তির চলাফেরার বিষয়টি ধরতে পারে।

ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, তাদের এ উদ্যোগ ভালোভাবে এগোলে এটি আরও বিস্তৃত আকারে আসতে পারে। চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে এটি শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি চালু হবে।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলছেন, ব্যক্তিগত পর্যায়ে মানুষ কেন নিয়মকানুন মানছে না, সে তথ্য দেওয়ার পরিবর্তে ওই এলাকায় প্রবণতাগুলো তুলে ধরবে তাদের টুল।

বোস্টন চিলড্রেনস হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ জন ব্রাউনস্টেইন বলেছেন, ‘এ ধরনের কোম্পানিগুলোর কাছে মানুষের বিস্তারিত তথ্য আছে। তারা তথ্য ব্যবহার করে সামাজিক সংযোগ বা তাদের নেটওয়ার্কের মধ্যে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে জানাতে পারে। আশা করছি, তারা বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য–সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহীতাদের জন্য এ তথ্য তারা জানাবে।’

অবশ্য শুধু ফেসবুক নয়, একই ধরনের ম্যাপ তৈরিতে কাজ করছে গুগল। মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকেও চ্যাটবটসহ অন্যান্য টুল তৈরি করা হচ্ছে।

Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1649265/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E2%80%99-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87?fbclid=IwAR0eN62RiLbNJc9GYEROzH0dquaZcqv1VIYWLo_WaCb29mtjcmIVse_3tT4

4
If you're not practicing these practical tips for grocery shopping, opening doors and signing your name when you're out in public, now's a good time to start.

Even though you spend most of your day indoors while quarantined at home, chances are you still leave the house to run errands and get fresh air, setting you on a collision course with other people outside your household -- and a gathering of germs. You're all practicing social distancing and thoroughly washing your hands, and many of you might be wearing homemade face masks, but there are more precautions to take, too, as the US surpasses 320,000 confirmed cases of COVID-19, and there are over 1 million reported cases worldwide.

Remember, the highly contagious new strain of coronavirus can be passed along on by those who appear asymptomatic.

Here are smart, sound tips to follow when you do need to leave the house to run essential errands. And here's the current understanding of coronavirus when it comes to food delivery and mail, such as Amazon packages.

What's this about wearing face masks in public?
On Friday, the CDC reversed its position on who should and shouldn't wear face masks in public. Prior to this latest announcement, the CDC and other health experts maintained that there was no need for the general public to wear a face covering in public.

However, the rapid spread of COVID-19, the disease caused by the new coronavirus, has caused the US authority on infectious disease to change course. The institute now recommends that people who reside in areas with high transmission rates, and those who are going to places where they can't maintain social distancing (e.g., six feet of space between you another person who isn't a household member) drape their nose and mouth with cloth or another type of breathable fabric, including face masks you make at home.

The CDC considers this a voluntary health measure, and a recommendation. While it isn't law, there is a strong grassroots movement that has circulated homemade face mask patterns and tips for weeks, for personal use and for donation to hospitals and other healthcare facilities.

There's certainly nothing wrong with wearing a homemade face mask as long as you're also washing your hands and practicing social distancing, especially from high-risk groups like senior citizens and people with compromised immune systems. Just be aware that homemade face masks might be better at blocking large particles like sneezes and coughs, rather than the small particles that N95 respirator masks (reserved for health care workers) can block.

Moral of the story:  If you feel well and don't have symptoms, wearing a homemade face mask in crowded public settings is recommended by the CDC. Most importantly, keep your distance and wash your hands.

If you're still pressing buttons for walk signs with your fingertips, stop. Any time you have to open a door, push a button, pull a lever or digitally sign for something, use a different body part instead. You have plenty.

For example, I'll often tap out a PIN code or make a selection on a digital screen with my knuckle instead of the pad of my finger. I'll push open a door with my shoulder, hip or foot instead of my hands.

You can usually flip on a light switch or sink faucet with your elbow or wrist, and you can wrap the sleeve of your sweater or jacket around the handle of any doors you have to physically pull open. It's easy enough to toss your clothing into the wash later rather than expose your skin now, especially if the chances you'll use your hands to touch food items is high (e.g., you're opening the door to a restaurant to oder takeout).
Distance, distance, distance
Did we mention distance? Social distancing can mean anything from hunkering down at home and refraining from seeing outside friends and family in person to keeping a boundary between you and others when you do go out.

The practice of keeping 6 feet away from those outside your home group extends to waiting in line at the grocery store, going on walks (you can momentarily walk in the bike lane if you're careful about looking out for street traffic) and picking up food to go.

Some states are enforcing social distancing in grocery stores and some businesses are doing that themselves. But if you need to keep more distance between you and someone else while on a walk or when reaching for an item at the store, take a step back and wait or politely ask the person to give you more clearance ("Oh, I'm trying to keep my distance from everyone.

Set aside your reusable tote bags
Increasingly, store policy excludes you from bringing outside tote bags and other bags into grocery stores -- or at least, using them in the bagging area. If you want to lessen your environmental impact, reuse the store's fresh bags at home.

The stores I shop at continue to make baskets and carts available, and only some offer sanitary wipes. Others have assigned gloved staff to wipe down carts and baskets for you with disinfectant, before you shop.

Regardless, it's a good idea to thoroughly wash your hands before you leave home to protect others, bring your own sanitary wipes if you have them and the store doesn't offer that option and be sure to wash your hands when you get home. Really, we can't stress that enough.

Don't sort through produce with your bare hands
At a time when face masks are increasingly common in stores and shoppers will give you the side eye for rummaging through lemons looking for the best one, here's a little advice: Don't poke the bear.

When sorting through food, use a glove or stick your hand inside a fresh, store-supplied bag and use the outside like a glove to pick up and inspect the garlic and bananas you want, so as not to touch every item with your bare hands. It'll make others feel more comfortable, and is just as likely to inspire them to follow suit.
Whatever you do, touching's off limits
Look, if they don't live in your household, don't touch. Most of us are observing this dictum by now, but on the off-chance you see a friend or family member, resist the urge to hug, tap elbows or get anywhere closer than 6 feet. Air huge if you have to. Blow a kiss (minus the actual exhalation). We have 13 clever and satisfying ways to safely greet someone that keeps you and loved ones safe.

Wash your hands every time you get 'home' -- seriously
Along with social distancing, washing your hands thoroughly is one of your best defenses against acquiring coronavirus. Give your hands a thorough scrub each time you get back. 20 seconds is the going recommendation, which may seem like ages, but if you wash slowly, it's easy to do.

I count five long seconds (one-one-thousand) of soaping each hand, in between the fingers and up to the wrists, then count another five seconds for washing each hand thoroughly to get the soap (and any dead germs) off. I often wash the soap dispenser pump and faucet handles, too.

That helps me feel safe enough to adjust my contacts, blow my nose and pick that nagging something or other out of my teeth in the comfort of my own space.

Stop handling cash
While it's believed that the highest risk of acquiring coronavirus comes from person-to-person transmission, we do know that shared surfaces can harbor the virus. Play it safe by setting the cash aside for now and relying more on contactless payments.

A large number of payment terminals accept Google Pay, Apple Pay, Samsung Pay and credit cards with the contactless logo on them. And remember, if a digital signature is required, you can use your knuckle instead of your index finger. For a physical signature, start packing your own pen.

Source: https://www.cnet.com/how-to/coronavirus-tips-13-ways-to-help-keep-yourself-safe-when-you-leave-the-house/

5
করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে বা এমন সন্দেহ হলে প্রথমেই আক্রান্ত ব্যক্তিকে আশপাশের লোকজন থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে হবে, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞ ও ডাক্তাররা।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রথম লক্ষণ হলো জ্বর এবং শুকনো কাশি। আপনার এরকম লক্ষণ দেখা দিলেই 'সেল্ফ-আইসোলেশনে' চলে যান - অর্থাৎ নিজেকে অন্যদের সংস্পর্শ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে ফেলুন।

এর উদ্দেশ্য হলো যাতে আপনার বাসা, পরিবার, কর্মস্থল, বা সামাজিক পরিমন্ডলে অন্য যে মানুষেরা আছেন - তাদের মধ্যে ভাইরাস ছড়াতে না পারে।

প্রশ্ন হলো: কি ভাবে এই সেল্ফ আইসোলেন করতে হবে?

ঘরে থাকুন
এক নম্বর: আপনাকে ঘরে থাকতে হবে।

কর্মস্থলে, স্কুলে বা লোকসমাগম হয় এমন যে কোন প্রকাশ্য স্থানে যাওয়া বন্ধ করে দিন।

কোন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট - অর্থাৎ বাস, ট্রেন, ট্রাম, ট্যাক্সি বা রিকশা যাই হোক না কেন।

কেমন ঘরে থাকতে হবে?

এমন একটা ঘরে থাকুন যাতে জানালা আছে, ভালোভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে।

বাসার অন্য লোকদের থেকে আলাদা থাকুন। আপনাকে কেউ যেন 'দেখতে না আসে' তা নিশ্চিত করুন।

আপনার যদি বাজার-হাট করতে হয়, বা কোন ওষুধ বা অন্য কিছু কিনতে হয় - তাহলে অন্য কারো সাহায্য নিন। আপনার বন্ধু, পরিবারের কোন সদস্য বা ডেলিভারি-ম্যান এটা করতে পারে।

যারা আপনার জন্য খাবার বা জিনিসপত্র নিয়ে আসবে, তাদের বলুন আপনার ঘরের দরজার বাইরে সেগুলো রেখে যেতে।

বাড়ির অন্যদের কী করতে হবে?
ধরুন, আপনি এমন একটি বাড়িতে আছেন যেখানে একটি 'কমন রান্নাঘর' আছে যা সবাই ব্যবহার করেন।

এ ক্ষেত্রে যার করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিয়েছে তার এমন সময় সেই রান্নাঘরটি ব্যবহার করা উচিত যখন অন্য কেউ সেখানে নেই।
তার উচিত হবে রান্নাঘর থেকে খাবার নিয়ে নিজের ঘরে গিয়ে খাওয়া।

ঘরের মেঝে, টেবিল চেয়ারের উপরিভাগ - এমন 'সারফেস'গুলো প্রতিদিন তরল সাবান বা অন্য কোনো ক্লিনিং প্রোডাক্ট দিয়ে পরিষ্কার করুন।

যদি নিজেকে সম্পূর্ণ আলাদা করা সম্ভব না হয় তাহলে কী করবেন?
যদি এমন হয় যে আপনি নিজেকে পরিবারের অন্য সদস্য বা ফ্ল্যাটের অন্য বাসিন্দাদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করতে পারছেন না, সে ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ হলো একে অপরের সংস্পর্শে আসা যতটা সম্ভব সীমিত করুন।

যদি সম্ভব হয়, বাসার অন্য লোকদের থেকে কমপক্ষে ২ মিটার বা ৬ ফুট দূরে থাকুন।

ঘুমানোর সময় একা ঘুমান।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ যাদের জন্য বেশি বিপজ্জনক হতে পারে - যেমন বয়স্ক মানুষেরা - তাদের থেকে দূরে থাকুন।

বাড়িতে কেউ আইসোলেশনে থাকলে অন্যদের কী করতে হবে?
আইসোলেশনে থাকা কোন ব্যক্তির সাথে যারা এক বাড়িতে বসবাস করছেন, তাদের জন্য পরামর্শ হলো: তাদের ঘন ঘন হাত ধুতে হবে।

হাত ধোয়ার নিয়ম হলো, সাবান ও পানি ব্যবহার করে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে - বিশেষ করে সংক্রমিত কারো সংস্পর্শে আসার পর।

কোন কোন জিনিস 'শেয়ার' করা যাবে না

আপনার বাড়িতে কেউ আইসোলেশনে থাকলে কোন তোয়ালে, টুথপেস্ট, সাবান, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার বা এরকম কোন টয়লেট্রিজ সবাই মিলে ব্যবহার করা উচিৎ নয়।

আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তির আলাদা একটি বাথরুম ব্যবহার করা উচিৎ। তা সম্ভব না হলে নিয়ম করুন যে যিনি আইসোলেশনে আছে - তিনি বাথরুম ব্যবহার করবেন সবার শেষে, এবং ব্যবহারের পর সম্ভব হলে সেটি ভালোভাবে পরিষ্কার করবেন।

যিনি আইসোলেশনে আছেন তার ফেলা বা সংস্পর্শে আসা সব রকম আবর্জনা একটি বিনব্যাগে ভরে তা আবার আরেকটি ব্যাগে ভরুন।

যদি তার করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিশ্চিত হয় - তাহলে এই আবর্জনা কীভাবে ফেলতে হবে, সে ব্যাপারে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Link: https://www.bbc.com/bengali/news-51872568?at_campaign=64&at_medium=custom7&at_custom2=facebook_page&at_custom3=BBC+Bangla&at_custom4=E00FDF3C-6543-11EA-9358-AF00C38169F1&at_custom1=%5Bpost+type%5D&fbclid=IwAR3JS6m01hVR33WPsA69mZwtIoJLI6VvIWhRNabGW48d_EcMg2Ukf87342k

6
দু'হাজার চার সালে বিবিসি বাংলা একটি 'শ্রোতা জরিপ'-এর আয়োজন করে। বিষয়টি ছিলো - সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি কে? তিরিশ দিনের ওপর চালানো জরিপে শ্রোতাদের ভোটে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ ২০জনের জীবন নিয়ে বিবিসি বাংলায় বেতার অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয় ২০০৪-এর ২৬শে মার্চ থেকে ১৫ই এপ্রিল পর্যন্ত।

বিবিসি বাংলার সেই জরিপে শ্রোতাদের মনোনীত শীর্ষ কুড়িজন বাঙালির তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে আসেন বেগম রোকেয়া। আজ তাঁর জীবন-কথা।

বাঙালির আধুনিক যুগের ইতিহাসে যে নারীর নাম গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় সেই নাম হচ্ছে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন - বেগম রোকেয়া।

বাঙালি সমাজ যখন ধর্মীয় প্রতিবন্ধকতা আর সামাজিক কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ছিল, সেই সময় বেগম রোকেয়া বাংলার মুসলিম নারী সমাজে শিক্ষার আলো নিয়ে এসেছিলেন। বাঙালি মুসলমান নারী জাগরণের তিনি ছিলেন অন্যতম একজন পথিকৃৎ।

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ১৮৮০ সালের ৯ই ডিসেম্বর রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে এক অভিজাত পরিবারে।

মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে তাঁর পরিবার ছিল খুবই রক্ষণশীল। সেসময় তাঁদের পরিবারে মেয়েদের লেখাপড়া শেখানোর কোন চল ছিল না।

আর তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় ঘরের বাইরে গিয়ে মেয়েদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভেরও কোন সুযোগ ছিল না।

Link: https://www.bbc.com/bengali/news-50716431?at_custom2=facebook_page&at_custom3=BBC+Bangla&at_medium=custom7&at_campaign=64&at_custom1=%5Bpost+type%5D&at_custom4=7296C088-640D-11EA-BDB1-05D0C28169F1&fbclid=IwAR3kau7xrpXrvkBSdqK4OzYCx5TxLu65m4iNLAqdQPeMmdSBh-cnzk5S8CI

7
সঞ্চয় মানেই ভবিষ্যতের ভাবনা। বিন্দু বিন্দু করেই সিন্ধু তৈরি হয়। তাই অল্প অল্প করে সঞ্চয় করার অভ্যাস তৈরি করুন। যাঁরা চাকরি করছেন তাঁদের জন্য সঞ্চয় করা সহজ। এ ছাড়া যাঁরা ব্যবসা করেন, ফ্রিল্যান্সিং করেন তাঁদেরও সঞ্চয় করা উচিত। সঞ্চয় আসলে সবার জন্যই। এটি সবাইকে নিরাপদ করতে পারে। তাই সঞ্চয়ের জন্য কখনই ‘করি-করছি-করব’ ভেবে সময় নষ্ট করবেন না। কম করে টাকা খরচ করলেই শুধু টাকা বাড়ে না। টাকা বাড়ার জন্য সঠিকভাবে সঞ্চয় করতে হয়।

যা করতে পারেন
১. জীবনযাপনের ধরন পরিবর্তন করুন। হ্যাঁ, সঞ্চয়ের জন্য জীবনযাপনের ধরন পরিবর্তন করা খুবই জরুরি। নইলে আপনি সঞ্চয় করতে পারবেন না। মনে রাখবেন, যখন আপনি চাকরি করছেন তখন আপনার কর্মপরিকল্পনা অন্যদের চেয়ে আলাদা। এটাকে দীর্ঘদিনের জন্য চালিয়ে নিতে আপনার আগের জীবনযাপন খুব একটা কাজ করবে না। আগের মতো চললে প্রচুর খরচ হতে থাকবে এবং মাস শেষে আপনার হাতে প্রায় কিছুই থাকবে না।

২. নিজের জন্য খরচ করুন। হাতে টাকা আছে বলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু কিনে অযথাই টাকা নষ্ট করবেন না। বরং এমনভাবে খরচ করুন যাতে সেই খরচ ভবিষ্যতের জন্য আপনাকে সহায়তা করে।

৩. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয়ের জন্য প্রথমে ভেবে নিন আপনি কীভাবে সঞ্চয় করতে চান, কত দিনের জন্য সঞ্চয় করবেন, কত টাকা করে সঞ্চয় করবেন। আপনার পাওয়া বেতনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তারপর ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে খোঁজ নিন। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে ভুলবেন না। প্রকৃত অবস্থার খোঁজ নিন নিজে।

৪. আপনি যে অফিসে চাকরি শুরু করেছেন সে অফিসের সঙ্গে কোনো না কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যাংক যুক্ত আছে। প্রথমে সেসব প্রতিষ্ঠানের খোঁজ করুন। আপনি যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন তার সঙ্গে কোনো ব্যাংকের বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যদি চুক্তি না থাকে, তাহলে পছন্দসই ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খোঁজ করে তাদের সেবাগুলো ভালোভাবে দেখে নিন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ গ্রহণ করুন কোন সেবাটি আপনি নেবেন সে ব্যাপারে।

৫. জরুরি সময়ের জন্য প্রতি মাসে কিছু করে টাকা জমান। এই টাকা আপনার ব্যাংকে রাখা টাকার বাইরে রাখুন। খুব জরুরি প্রয়োজনেই শুধু এই টাকা খরচ করুন। এতে ব্যাংকে রাখা টাকায় হাত দিতে হবে না।

৬. প্রতি মাসের বাজেট তৈরি করুন। মাসের প্রথম দিন থেকে এ বাজেট অনুসরণ করুন। বাজেটের বাইরে প্রয়োজন না হলে টাকা খরচ করবেন না।

৭. প্রথমে এক বছর বা দুই বছর এ রকম স্বল্পকালীন সঞ্চয়ের পরিকল্পনা করুন। স্বল্পকালীন এ সঞ্চয় আপনাকে এককালীন বেশ ভালো পরিমাণ টাকা দেবে। সেই টাকা একসঙ্গে করে দীর্ঘ মেয়াদে সঞ্চয়ের চিন্তা করতে পারেন। কিন্তু স্বল্পকালীন সঞ্চয় বন্ধ করবেন না।

৮. আমাদের দেশে যৌথ সঞ্চয়ের প্রবণতা রয়েছে। যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন সেখানে আপনার সমমানসিকতার সহকর্মীদের একত্রিত করে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয় করতে থাকুন। প্রতিষ্ঠানের বাইরে এভাবে আপনার বন্ধুদের সঙ্গেও সঞ্চয় করতে পারেন।

৯. বিশ্বের ধনীদের অন্যতম ওয়ারেন বাফেট বলেছিলেন, ‘আপনার সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখবেন না।’ এ কথাকে মেনে বিভিন্নভাবে সঞ্চয় করুন। বিভিন্নভাবে সঞ্চয় মানে কিন্তু একাধিক ব্যাংকে টাকা জমানো নয়। প্রতি মাসে আপনার মূল সঞ্চয়ের বাইরেও কিছু টাকা রেখে দিন আপনার কাছে। এ টাকা খরচ করবেন না।

১০. অবজ্ঞা না করে খুচরো পয়সা সঞ্চয়ের অভ্যাস করুন। একটা সময় পর দেখবেন আপনার জমানো খুচরো পয়সা আপনাকে অনেক সাহায্য করবে।

বিন্দু বিন্দু করে সিন্ধু করতে চাইলে দেরি না করে আজকে থেকেই শুরু করুন।

8
মেয়েটির বয়স মাত্র ছয় বছর। কিন্তু এই বয়সেই সে একটি পাঁচতলা বাড়ির মালিক। বাড়িটির দাম প্রায় ৮০ লাখ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬৭ কোটি টাকার কিছু বেশি। পুরো অর্থই সে জোগাড় করেছে নিজের উপার্জন থেকে। বলা হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ইউটিউব তারকা বোরামের কথা।

ইউটিউবে বোরামের দুটি চ্যানেল রয়েছে। একটিতে বাজারে আসা নতুন নতুন খেলনার রিভিউ পোস্ট করে সে। এই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার ১ কোটি ৩৬ লাখ। অপরটি ভিডিও ব্লগ। এটির সাবস্ক্রাইবার ১ কোটি ৭৬ লাখ। দুই চ্যানেল মিলিয়ে বোরামের অনুসারী তিন কোটির বেশি। দক্ষিণ কোরিয়ার শিশুরা এখন একনামে চেনে তাকে। ইউটিউবে তার সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিওটি দেখা হয়েছে ৩৭ কোটি ৬০ লাখ বার। ওই ভিডিওতে প্লাস্টিকের খেলনা রান্নাঘরে ইনস্ট্যান্ট নুডলস বানাতে দেখা যায় তাকে। ক্যামেরার সামনে বোরামের খুব আগ্রহ নিয়ে নুডলস খাওয়া শুধু শিশুদের নয়, বড়দেরও মন কেড়েছে।

সম্প্রতি বোরাম ইউটিউব থেকে হওয়া আয় দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের নামী এলাকা গ্যাংনামে একটি বাড়ি কিনেছে। এ নিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে সংবাদও প্রচারিত হয়েছে। সিউলের একটি আবাসন কোম্পানির নথি ঘেঁটে দেখা যায়, বোরামের নামে কেনা গ্যাংনামের বাড়িটির দাম ৯৫০ কোটি কোরীয় ওয়ান (৮০ লাখ মার্কিন ডলার)। এই অর্থের উৎস ইউটিউব চ্যানেল থেকে বোরামের আয় বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউটিউবে শিশুদের রাতারাতি তারকা বনে যাওয়া অবশ্য নতুন নয়। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস-এর তথ্যমতে, গত বছর ইউটিউবে শীর্ষ আয়কারী রায়ান কাজির বয়স মাত্র সাত বছর। যুক্তরাষ্ট্রের এই শিশু রায়ান টয়সরিভিউ নামের ইউটিউব চ্যানেল থেকে গত বছর ২ কোটি ২০ লাখ ডলার আয় করে। তার সাবস্ক্রাইবার ২ কোটি ৮ লাখ।

9
Life Style / কী খেলে রুচি বাড়বে?
« on: August 18, 2018, 01:24:52 PM »
মুখে মোটেও রুচি নেই, কিছুই খেতে ইচ্ছে করে না। কী খেলে রুচি বাড়বে? এমন প্রশ্ন অনেকের। নানা কারণে অরুচি হয় আমাদের। গ্যাসের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, যকৃৎ বা কিডনি রোগ, জ্বরের বা সংক্রমণের পর, নানা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়, এমনকি মানসিক চাপ বা বিষণ্নতার কারণেও রুচি কমে যায়। গর্ভাবস্থায় ও বাড়ন্ত শিশুদের খাবারে অনীহা দেখা যায়। খাবারে রুচি বাড়ানোর জন্য কিছু কৌশল:

• খাওয়ার শুরুতে বা মাঝখানে পানি পান করবেন না।

• খাবারের স্বাদ, রং, গন্ধ মানুষের রুচিকে প্রভাবিত করে। তাই খাবার আকর্ষণীয় করে পরিবেশন করুন।
• প্রতিদিন কিছু হালকা ব্যায়াম করুন বা হাঁটুন। বিপাকক্রিয়া বাড়বে ও খিদেও বাড়বে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বেশি করে আঁশযুক্ত খাবার খান।

• রোগবালাই, জ্বর সংক্রমণের পর কিছুদিন অরুচি থাকে। এ সময় পুষ্টিকর খাবার বেছে নিন। স্যুপ, ফলমূল, ফলের রস, মিল্কশেক, আমিষ ইত্যাদি খান।

• গ্যাসের সমস্যা না থাকলে খাবারে রুচি বাড়াতে নানা ধরনের মসলা যোগ করা যায়। যেমন: গোলমরিচ, এলাচি, আদা, রসুন, ভিনেগার, লেবুর রস, নানা পদের আচার দিয়ে খাবার খেতে পারেন। এগুলো রুচিবর্ধক। কিন্তু গ্যাসের সমস্যা হলে একটু কম মসলা দিয়ে সহজপাচ্য খাবার খান।

• ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, চিপস জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এগুলো রুচি কমিয়ে দেয় ও অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে।

• অতিরিক্ত চা, কফি, ধূমপান খিদে কমিয়ে দেয়। দুগ্ধজাত খাবার, যেমন: পনির, দই ইত্যাদি রুচি বাড়ায়।

• রুচি বাড়াতে কাঁচা আমলকী বা শুকনো আমলকীর গুঁড়ো পানিতে মিশিয়ে, আদাকুচি বা আদার রস গরম পানি বা চায়ের সঙ্গে, পুদিনাপাতা, এলাচিগুঁড়া বা চিনি দিয়ে খেতে পারেন। ডালিমের রস, কমলা বা মালটা, লেবু রুচি বাড়ায়। খাদ্যে ব্রকলি, টমেটো, ধনেপাতা যোগ করুন।

অরুচি দীর্ঘস্থায়ী হলে, ওজন হ্রাস, জ্বর, দুর্বলতা ইত্যাদি থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।

https://www.prothomalo.com/life-style/article/1554085/%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%9A%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%AC%E0%A7%87

10
ব্যস্ত জীবনে মানুষের জলখাবারের অনেকাংশই এখন কেক, চিকেন নাগেট আর পাউরুটি-বানের দখলে। এই খাবারগুলো ‘অতি প্রক্রিয়াজাত’ খাবারের তালিকায় পড়ে। ফ্রান্সের গবেষকেরা বলছেন, এসব খাবারের সঙ্গে ক্যানসারের কোনো না কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে। ১ লাখ ৫ হাজার মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন তাঁরা। অংশগ্রহণকারীদের অধিকাংশই মধ্যবয়সী নারী। গবেষকেরা জরিপে অংশগ্রহণকারীদের পাঁচ বছর ধরে পর্যবেক্ষণ করেছেন।

গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, খাদ্যতালিকায় অতি প্রক্রিয়াজাত খাবারের উপস্থিতি যত বেশি, ক্যানসারের ঝুঁকিও তত বেশি।

ফ্রান্সের সরবোন প্যারিস সিটি ইউনিভার্সিটির গবেষক দলটি মানুষের খাদ্যাভ্যাসের ওপর ওই জরিপটি চালায়। গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে গত বুধবার প্রকাশিত হয়েছে।

অতি প্রক্রিয়াজাত খাবার কোনগুলো
এ তালিকায় সবার আগে রয়েছে ব্যাপক হারে প্রস্তুত ও বাজারজাত করা পাউরুটি ও বান। রয়েছে চকলেট বার ও মিষ্টান্ন। মিষ্টি অথবা মসলাদার স্ন্যাক্স, সোডা ও মিষ্টি পানীয়, মিটবল, হাঁস-মুরগি ও মাছের নাগেট, ইনস্ট্যান্ট নুডলস ও স্যুপ, হিমায়িত অথবা দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষিত প্রস্তুতকৃত খাবার এবং চিনি, তেল ও চর্বি দিয়ে তৈরি খাবারও রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগেই জানিয়েছে, প্রক্রিয়াজাত মাংস কিছুটা হলেও ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়া ধূমপানের পর স্থূলতাকে ক্যানসারের সবচেয়ে বড় প্রতিরোধযোগ্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। এ ক্ষেত্রে পরিমিত খাদ্যাভ্যাস ক্যানসারের ঝুঁকি থেকে বাঁচার সবচেয়ে সহজ উপায়।

গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল
ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, খাদ্যতালিকায় অতি প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিমাণ যদি ১০ শতাংশ বাড়ে, তাহলে ক্যানসার আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার হার ১২ শতাংশ বাড়ে। গড়ে ১৮ শতাংশ মানুষ অতি প্রক্রিয়াজাত খাবারের ওপর নির্ভরশীল। আর বছরে গড়ে ১০ হাজার মানুষের ৭৯ জনের দেহে ক্যানসার ধরা পড়ে।

নিবন্ধটির উপসংহারে গবেষকেরা বলেছেন, অতি প্রক্রিয়াজাত খাবারের ওপর নির্ভরশীলতা যে দ্রুত হারে বাড়ছে, তাতে আগামী দশকে ক্যানসার রোগীর সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়ে যাবে। তবে এ ব্যাপারে আরও বড় পরিসরে গবেষণা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন তাঁরা।

সতর্কসংকেত
যুক্তরাজ্যের কুয়াড্রাম ইনস্টিটিউটের ইয়ান জনসন বলেছেন, অতি প্রক্রিয়াজাত খাবারের যে সংজ্ঞা ব্যবহার করেছেন গবেষকেরা, তার পরিসর অনেক বড়। কাজেই এই গবেষণায় অতি প্রক্রিয়াজাত খাবারের সঙ্গে ক্যানসারের কার্যকরী সংযোগের বিষয়টি স্পষ্ট নয়।


http://www.prothomalo.com/life-style/article/1432251/%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9D%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%95%E0%A6%BF%E2%80%99

11
গর্ভাবস্থায় হবু মায়েদের অন্যতম একটি সমস্যা হলো ঘুমের সমস্যা। গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তন ও শারীরিক নানা সমস্যার জন্য স্বাভাবিকভাবেই ঘুম ঠিক মতো হয় না। আর এসবের সাথে রয়েছে হবু মায়ের মানসিক দুশ্চিন্তা, অনাগত শিশুর আগমন নিয়ে উত্তেজিত থাকা, ক্রমাগত বাথরুমে যাওয়া আসা এবং আরও আনুশাংগিক সব সমস্যা। আর এতো সব কিছু মিলিয়ে প্রেগন্যান্ট অবস্থায় প্রতি ১০ জনের প্রায় ৮জন মহিলায় গর্ভাবস্থায় ঘুমের সমস্যায় ভোগেন।

গর্ভাবস্থায় ঘুমের সমস্যা
ঘুম ভালো না হলে শরীর এবং মন কোনটাই ভালো থাকে না। ঘুমের যেসব ওষুধ প্রচলিত আছে গর্ভাবস্থায় সেসবের ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রেই নিরাপদ নয়। আপনার গর্ভাবস্থার সময়ের উপর নির্ভর করে মর্নিং সিকনেস, দুঃস্বপ্ন বা লেগ ক্র্যাম্প সবকিছুই আপনার ঘুমকে প্রভাবিত করে। প্রজেসটেরণ, ইস্ট্রজেন, মেলাটোনিন, গর্ভাবস্থায় মহিলাদের শরীরের অনেক সাহায্য করে তবে এর মধ্যে হারিয়ে যায় হবু মায়েদের ঘুম!  প্রজেসটেরণ হরমোন মসৃণ পেশীকে শিথিল করে। তার ফলে নাক বন্ধ হয়ে যায়, বুকে ব্যথা করে এবং একাধিক বার বাথরুম যেতে হয়। তবে এটার কারণে মানুষ স্বপ্ন কম দেখে ও ঘুম খুব তাড়াতাড়ি চলে আসে! অন্যদিকে ইস্ট্রজেন রক্তনালী বিস্তৃত করে! এর জন্য রাতে ঘুমনোর সময় শ্বাসকষ্ট হয় এবং পা ফুলে। তাতে ঘুম আরও কমে যায়।


তবে আশার কথা হলো গর্ভাবস্থায় ঘুমের সমস্যা আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলে কাটিয়ে উঠতে পারেন। আমাদের ট্রাইমেস্টার অনুযায়ী গাইড গর্ভাবস্থায় আপনার ঘুমের সমস্যা কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

গর্ভাবস্থার প্রথমে দিকে সারাদিনই ঘুম ঘুম ভাব থাকে। শরীরে  প্রজেসটেরণ হরমোন এর  বৃদ্ধিই এর কারণ। গর্ভাবস্থায় এ হরমোন খুবই এ গুরুত্বপূর্ণ। এ হরমোনটির কারণে যেমন সব সময় ঘুম আসে তেমনি এটিই আবার আপনার রাতের ঘুম নষ্টও করে ফলে সারাদিন আরও বেশী ক্লান্ত লাগে।

এই সময়ে এমনটি লাগার আরও একটি কারণ হোল- আপনার শরীরের বিপাকীয় পরিবর্তন। ভ্রুনের বৃদ্ধির জন্য এসময় অনেক বেশী শক্তি খরচ হয় যা আপনার শরীরকে ক্লান্ত করে দেয়।

প্রথম ট্রাইমেস্টার এ ঘুমের সমস্যার কারণ-
ঘন ঘন বাথরুম এ যাওয়ার প্রয়োজন- প্রেগন্যান্ট অবস্থায় শরীরে বর্ধিত প্রজেস্টেরন বারবার প্রস্রাব হওয়ার অন্যতম কারণ। প্লাস কিডনি এই সময় স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৫০% রক্ত ফিল্টার করে যার মানে হচ্ছে আরও বেশি প্রস্রাবের চাপ হওয়া। তাছাড়া গর্ভাবস্থায় ক্রমবর্ধমান জরায়ু আপনার মূত্রাশয়ের সাথে এতো বেশি লেগে থাকে যার কারণে বারবার বাথরুম অনুভূত হয়। এর কারণে গর্ভাবস্থায় ঘুমের সমস্যা হয়।

শুয়ে কমফোর্টেবল ফিল না করা- প্রেগন্যান্ট মহিলাদের অন্যতম বড় সমস্যা হল ঘুমাতে এসে বিছানায় আরাম না পাওয়া। এর কারণ হিসেবে আপনার শরীরের পরিবর্তন, স্তনের পরিবর্তন, মানসিকভাবে অস্থির থাকা ইত্যাদিকে দায়ী করা যায়। বিশেষ করে আপনার যদি উপুড় হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস থাকে তাহলে এ সময় এভাবে ঘুমানো আপনার জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে ।

সমাধানঃ
ঘুমের রুটিন তৈরি করুন- গর্ভাবস্থায় ঘুমের রুটিন তৈরি করুন। দিনে অন্তত একবার বা দুইবার হালকা ঘুমিয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন। তবে তা দুপুর ২ টা থেকে ৪ টার মদ্ধে হলে ভাল। নয়তো রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। একবারে বেশী ঘুমানোর চাইতে চেষ্টা করুন দুইবার কম সময় করে ঘুমানোর।

সন্ধ্যার পর পানি কম খান- সারাদিন বেশি করে পানি খেতে হবে। সন্ধ্যার পর পানি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে। ফলে বার বার প্রস্রাব হবে না এবং গর্ভবতী স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুমাতে পারবেন। আপনার যদি চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকে তবে তা শুধুমাত্র সকালের দিকে খাওয়ার চেষ্টা করুন। চা বা কফি অতিরিক্ত প্রস্রাব এর কারণ। এগুলো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে। ফলে ভালো ঘুম হয় না।

হাতের কাছে কিছু খাবার রাখুন- সারাদিন যাই খান রাতে অবশ্যই আপনার খুব কাছে হালকা কিন্তু হেলদি এমন কিছু খাবার মজুদ করে রাখুন। যেমন ফ্রেশ ফলমূল, চিজ, সিদ্ধ ডিম, হেলদি স্ন্যাকস, সামান্য কিছু টোষ্ট সাথে বাটার। ক্ষিধা পেলে এগুলো কিছুটা খেয়ে শুয়ে পরুন দেখবেন পরবর্তীতে আরামে ঘুমাতে পারছেন।

ব্যায়াম করুন প্রতিদিন- বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিদিন ৩০ মিনিট হালকা সাধারন ব্যায়াম সঠিক সময়ে ঘুমাতে সাহায্য করে। তবে খেয়াল রাখা উচিৎ, গর্ভবতী মায়েরা যাতে কোন ধরনের ভারী ব্যায়াম না করেন। প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করলে তা আরামদায়ক ও গভীর ঘুম আনতে সহায়তা করবে। গর্ভবতী মা ইয়োগা করলে তা অন্যান্য উপকারের পাশাপাশি গর্ভাবস্থায় ঘুমের সমস্যা মোকাবেলায় ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে। ব্যায়াম সাধারানত সকালে বা বিকেলে করা উচিত। সন্ধ্যার পর করলে তা ইনসমনিয়ার কারণ হতে পারে।

দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টার এ ঘুমের সমস্যার কারণ-
বুক জ্বালা পোড়া করা- গর্ভাবস্থায় শরীরে হরমোনের তারতম্যর কারণে বুক জ্বালা পোড়া হতে পারে। বলতে গেলে গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালা পোড়া অন্যতম সাধারণ সমস্যা। প্রেগন্যান্সি হরমোনের কারণে Lower esophagel sphincter শিথিল হয়ে যাই যার ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড গলনালির দিকে বের হয়ে আসে। এছারাও জরায়ুর বৃদ্ধির ফলে অনেক সময় পাকস্থলীতে চাপ সৃষ্টি হয়ে পাকস্থলীর অ্যাসিড উপরের দিকে উঠে আসতে পারে যার ফলে বুক জ্বালা পোড়া করে।

লেগ ক্রাম্পস– প্রেগন্যান্ট মহিলারা বারবার ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে যে সমস্যা ফেস করে থাকেন সেটা হল লেগ ক্রাম্পস বা পায়ে ভীষণ অস্বস্তিকর ব্যথা অনুভূত হওয়া। মূলত এটা পায়ে রক্তসঞ্চালন জনিত সমস্যা ও প্রেগন্যান্ট অবস্থায় শরীরের অতিরিক্ত ওয়জন জনিত কারণে হয়ে থাকে। যদিও এই সমস্যা দিনেও দেখা দেই তবে সবচেয়ে বেশি হয় এটা রাতে আর যার কারণে গর্ভবতী মহিলা ঘুম না হওয়া ও বারবার ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া নিয়ে ভোগেন।

দুঃস্বপ্ন দেখা- গর্ভাবস্থায় মানসিক পরিবর্তন ঘটে। এসময় মনের ভেতরে অজানা আশংকা বা ভয় তৈরী হয়। এই কারণেও ঠিকমত ঘুম হয়না।  অনেকেই এ সময় অনেক দুঃস্বপ্ন দেখেন যা ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি করে।
সমাধানঃ
খাওয়ার পরপরই না শোওয়া- গর্ভাবস্থায় খাদ্য পরিপাক হতে অনেক সময় লাগে। তাই এ সময় খাওয়ার পর অন্তত চার ঘণ্টা না শোওয়াই ভালো। এতে পাকস্থলী থেকে নির্গত এসিড নিচের দিকেই থাকে। বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা থাকলে সকালে বেশী খেয়ে রাতে কম খেলে এ অবস্থার উন্নতি হতে পারে।

ভাজা পোড়া খাবার পরিহার করুন-  ভাজা পোড়া খাবার পরিহার করুন এবং বেশি মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

চা-কফি পান নিয়ন্ত্রন করুন-  চকলেট, চা, কফি বর্জন করতে হবে। এগুলো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে। ফলে ভাল ঘুম হয়না। খেলেও সকালের দিকে খাওয়া যেতে পারে। সন্ধ্যার পর খাওয়া একবারেই অনুচিত।

ব্যায়াম করন প্রতিদিন- বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিদিন ৩০ মিনিট হালকা সাধারন ব্যায়াম সঠিক সময়ে ঘুমাতে সাহায্য করে। তবে খেয়াল রাখা উচিৎ, গর্ভবতী মায়েরা যাতে কোন ধরনের ভারী ব্যায়াম না করেন। প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করলে তা আরামদায়ক ও গভীর ঘুম আনতে সহায়তা করবে। গর্ভবতী মা ইয়োগা করলে তা অন্যান্য উপকারের পাশাপাশি গর্ভাবস্থায় ঘুমের সমস্যা  সমাধানে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে।

 

তৃতীয় ট্রাইমেস্টার এ ঘুমের সমস্যার কারণ- 
ব্যাক পেইন- গর্ভাবস্থায় হরমোনের তারতম্যের কারণে এবং ওজন বৃদ্ধির কারণে ব্যাক পেইনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। গর্ভাবস্থার একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্তও কখনও কখনও থাকে ব্যাক পেইন। ৬০ ভাগ মহিলার ক্ষেত্রেই ব্যাক পেইন এর কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

ঘন ঘন প্রস্রাব- জরায়ু আকারে বড় হওয়া এবং বাচ্চার নিচের দিকে নেমে যাওয়ার কারণে এ সময় আবার মুত্রথলির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। তাই বার বার প্রস্রাব এর সমস্যা এসময় আবার দেখা দেয়।

শ্বাস প্রশ্বাস এ সমস্যা- গর্ভাবস্থার ১৬ সপ্তাহ পার হয়ে যাবার পর অনেকক্ষণ চিত হয়ে শুয়ে থাকলে আপনার জ্ঞান হারানোর মতো অনুভূতি হতে পারে, কারণ গর্ভস্থ শিশুটির সকল চাপ তখন রক্তনালীগুলোর ওপর পড়ে। এ সময় আপনার নাসারন্দ্রহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে যার কারণে নাক ডাকার সমস্যা দেখা দেয়।

রেস্টলেস লেগ সিনড্রোম (RLS) – প্রায় ২০ ভাগ মায়েদের একধরনের অদ্ভুত অনুভূতি হয় যখন তাদের মনে হয় তাদের পায়ের ভেতন পিঁপড়া হাঁটছে। সাধারণ আয়রন এর স্বল্পতার কারণে এমনটা হয় এবং এসব ক্ষেত্রে রাতে ঘুমানোটা অসম্ভব হয়ে ওঠে । 

সমাধানঃ
ব্যায়াম- ব্যাক পেইন দূর করার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হল ব্যায়াম। নিজের পেশীকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি শরীরের সর্বস্তরের সুস্থতা খুব সহজেই শিশুকে বহন করার শক্তি যোগায়। তখন ওজন বৃদ্ধির পরও আপনি খুব সহজেই এবং আরামে শিশুকে বহন করতে পারবেন। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য শ্রেষ্ঠ ব্যায়াম হল হাঁটা, সাতার কাটা এবং আসতে আসতে সাইকেল চালান। আপনি আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে আপনার জন্য যে ব্যায়ামটি ভাল হয়, সে ব্যায়ামটি করা শুরু করেন।

বাম কাত হয়ে শোওয়া– বাম কাত হয়ে শোয়াটা আপনার বাচ্চার জন্যও ভালো কারণ এতে করে পুষ্টি ও রক্ত প্ল্যাসেন্টা দিয়ে সহজেই বাচ্চার কাছে পৌঁছাতে পারে। আপনার কিডনিও বর্জ্য ও অতিরিক্ত ফ্লুইড আপনার শরীর থেকে বের করে দেয়ার জন্য কাজ করতে পারে। এর ফলে আপনার হাত-পা-গোড়ালি ফুলে যাবার (oedema) সম্ভাবনাও কম থাকে।হাঁটু ভাজ করে বাম কাতে শুয়ে পড়ুন এবং দুই হাঁটুর মাঝখানে নরম বালিশ রাখুন। এতে করে আপনার হিপ ও পেলভিস-এর পেশীর ওপর চাপ কম পড়বে।  পেটের নিচে লম্বা বালিশ দিতে পারলে পিঠের দিকে টান কমায়। রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে যদি খেয়াল করেন যে আপনি চিত হয়ে ঘুমাচ্ছেন, তাহলে সাথে সাথেই বাম কাতে ফিরে যেতে পারেন। ঘুমানোর সময় পাশে আরেকটা বালিশ দিয়ে নিতে পারেন যার কারণে আপনি ঘুমের মধ্যে খুব বেশি নড়তে পারবেন না।যদি বাম কাতে লম্বা সময় শুয়ে থাকার কারণে আপনার হিপে চাপ পড়ে, তাহলে আপনার ম্যাট্রেসের ওপর দেয়ার জন্য একটা নরম ফোম কিনে নিতে পারেন। এতে আপনি আরাম পাবেন আর বাতাস সঞ্চালনও সহায়ক হবে। ডিপার্টমেন্টাল স্টোর বা অনলাইনেও আপনি মাপ মত ফোম ম্যাট্রেস পাবেন।

গর্ভাবস্থার শেষ দিকে যদি বিছানায় শুয়ে আরাম নাই পান, তাহলে আরামদায়ক আর্মচেয়ারে কিংবা সোফায় এক কাতে শুয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করতে পারেন। সমাধান হিসেবে এটা যে সবসময় কার্যকরী হয় তা নয়, তবে ডাক্তার আপনাকে চেষ্টা করে দেখতে বলতে পারেন।

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহন করুন – ক্যালসিয়াম, আয়রণ ও ভিটামিন গ্রহণ করা উচিত গর্ভাবস্থায়। ফলে হাত পায়ের ব্যথা কমে আসে এবং খিল ধরা বন্ধ হয়। তবে প্রথম তিন মাসে আয়রণ ও ক্যালসিয়াম দেওয়া উচিত নয়।

গর্ভাবস্থায় ঘুমের সমস্যা বড় একটি সমস্যা। ভালো ঘুম না হলে খুব খারাপ লাগে। তখন কোন কিছুই আর ভালো লাগেনা। তাই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন। গর্ভাবস্থায় ঘুমের সমস্যা সমাধানের জন্য উপরেরগুলো ছাড়াও আরও কিছু টিপস অবলম্বন করে দেখতে পারেন-

রাতের রুটিনঃ রাতের খাবার শেষ করার পর কিছু কাজের জন্য আলাদাভাবে রুটিন তৈরী করুন। নিজেকে আনন্দিত ও ব্যস্ত রাখতে পছন্দ অনু্যায়ী লেখালেখি, গান কিংবা সৃজনশীল কাজে সময় দিন। এটি আপনার ঘুম আনতে অবশ্যই সহায়তা করবে।

টিভি/কম্পিউটার ও মোবাইল থেকে বিরতিঃ ঘুমাতে যাবার অন্তত এক ঘন্টা আগে আপনার টিভি, কম্পিউটার সুইচ অফ করুন। এসব ডিভাইস থেকে একটুখানি বিরতির পর ঘুমোতে যান।

বালিশের ব্যবহারঃ ঘুমানোর ক্ষেত্রে মায়ের আরাম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন। তাই, আপনার যত খুশি বালিশ ব্যবহার করুন। পায়ের নিচে, পিঠে বালিশ আপনার গর্ভকালীন ব্যথা থেকে দিতে পারে কিছুটা স্বস্তি ও আরামের ঘুম। বালিশের অবস্থান এমনভাবে রাখতে হবে যেন তা শুধু মাথা নয়, মায়ের পেট ও পা কেও সমানভাবে আরাম দিতে পারে। এ সময়ের জন্য উপযুক্ত বালিশ কিনতে পাওয়া যায় বা বানিয়ে নেওয়া যায়। তা সম্ভব না হলে পর্যাপ্ত বালিশের সাপোর্ট থাকা জরুরী।

ঠান্ডা পরিবেশঃ ঘুমোনোর সময় আপনার শোবার ঘর ঠান্ডা রাখতে চেষ্টা করুন। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা যায় যে, শোবার ঘরের তাপমাত্রা ১৬ থেকে ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াস হলে তা ভালো ঘুমের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

হালকা মাসাজঃ ঘুমের আগে শরীরে ম্যাসাজ করলে কিংবা পেটে বডি অয়েল (অবশ্যই গর্ভকালীন সময়ের উপযোগী) ম্যাসেজ মায়ের আরামদায়ক ঘুম আনতে ভালো ভূমিকা রাখবে।

কথা বলুনঃ গর্ভাবস্থায় অনেক কিছুই একজন মায়ের মনে আসতে পারে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা তাঁর রাতের ঘুম নষ্ট হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই নিজের ভাবনা-চিন্তা সব আপনার সঙ্গী কিংবা মা-বাবা কিংবা বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন। এতে আপনার দুশ্চিন্তা কমবে, ঘুমও ভালো হবে।

এরপরেও কাজ না হলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। গর্ভাবস্থায় ঘুমের সমস্যা একটি বড় সমস্যা। তাই এক্ষেত্রে মা নিজে এবং তাঁর কাছের সব মানুষকে ঘুমের ব্যপারে খেয়াল রাখতে হবে। শিশু গর্ভে থাকা অবস্থায় একজন মায়ের ও শিশুর শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। একজন গর্ভবতী যদি ভালোভাবে ঘুমোতে না পারেন তবে এটি তাঁর ভবিষ্যৎ মাতৃত্বের জন্য নিজেকে তৈরীর ক্ষেত্রে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে। সুস্থ মা-ই সুস্থ শিশুর জন্ম দেয়। সুতরাং সচেতনতা প্রয়োজন।

http://myfairylandbd.com/%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE/

Pages: [1]