Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - shahalam1984

Pages: 1 [2] 3 4 5
16
২০৩২ সালে পৃথিবী ধ্বংসের সম্ভাবনা কতটুকু?

২০৩২ সালনাগাদ বিশালাকৃতির একটি গ্রহাণু পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে বলে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা এখনই এ বিষয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।
সম্প্রতি ইউক্রেনের গবেষকেরা  ‘২০১৩টিভি ১৩৫’ নামের এই গ্রহাণুটির সন্ধান পেয়েছেন। আগামী ১৯ বছরের মধ্যে পৃথিবীর কক্ষপথে চলে আসতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তাঁরা। গবেষকেরা বলছেন, এ বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর জন্য বিপজ্জনক গ্রহাণুটি কক্ষপথ অতিক্রম করেছে। তবে এটি আবার ২০৩২ সালের ২৬ আগস্ট পৃথিবীর কক্ষপথের কাছে চলে আসবে। ক্রিমিন অ্যাস্ট্রো-ফিজিক্যাল অবজারভেটরির খোঁজ পাওয়া এ গ্রহাণুটিকে পৃথিবীর জন্য দ্বিতীয় বিপজ্জনক বস্তু হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। খ্রিষ্টান সায়েন্স মনিটরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নাসার গবেষকেরা হিসাব করে দেখেছেন, বিশালাকার এ গ্রহাণুটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়লে যে ধ্বংসযজ্ঞ তৈরি হবে, তা দুই হাজার ৫০০ পারমাণবিক বোমার সমান। এক হাজার ৪৪০ ফুট প্রশস্ত গ্রহাণুটি আঘাত হানলে পৃথিবীর ১০ লাখ বর্গমাইল এলাকা হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে কি এই গ্রহাণু আমাদের আতঙ্কিত করার জন্য যথেষ্ট? গবেষকেরা এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, ‘২০১৩টিভি ১৩৫’ নামের গ্রহাণুটির পৃথিবীতে আঘাত হানার আশঙ্কা খুবই কম। ৪৯ হাজার বারের মধ্যে মাত্র একবার এটি পৃথিবীতে আঘাত করতে পারে। সম্ভাব্যতার বিবেচনায় পৃথিবীতে গ্রহাণুটির আঘাত হানার আশঙ্কা ০.০০২ শতাংশ।

নাসার নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট প্রোগ্রাম বা এনইওপি বিভাগের পরিচালক ডন ইয়োম্যানস জানিয়েছেন, বিশালাকার এ গ্রহাণুটি পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। অন্ধকার আকাশে আলোহীন কোনো বস্তু নির্ণয় করা কঠিন হলেও এনইওপি ধারণা করছে, গ্রহাণুটি ২০০ থেকে ৮০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। নাসার এনইওপি বিভাগ ১৯৯৫ সাল থেকে পৃথিবীর জন্য হুমকি হয়ে থাকা গ্রহাণু নিয়ে গবেষণা করছে।

নাসার গবেষকেরা এর মধ্যে ‘টোরিনো স্কেল’ নামে পৃথিবীর জন্য হুমকি হয়ে থাকা গ্রহাণুর ভয়াবহতা পরিমাপের একটি মাপকাঠি তৈরি করেছেন। এই স্কেলে ভয়াবহতার মাত্রা অনুযায়ী শূন্য থেকে ১০ পর্যন্ত রেটিং দেওয়া হয়। শূন্য স্তরে কোনো আশঙ্কা বা ঝুঁকি থাকে না আর টোরিনো স্কেলে ঝুঁকির মাত্রা ১০ হলে পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াবে।

গবেষকেরা এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ৩৩৪টি গ্রহাণু শনাক্ত ও পরীক্ষা করে দেখেছেন। এসব গ্রহাণুর পর্যবেক্ষণ শেষে গবেষকেরা টোরিনো স্কেলে শূন্য মাত্রায় দেখিয়েছেন। এখন পর্যন্ত টোরিনো স্কেলে মাত্র দুটি গ্রহাণুকে ১ স্কেলে রেটিং দিয়েছেন গবেষকেরা। এর মধ্যে একটি ছিল ২০০৭ সালের ১১ নভেম্বর আবিষ্কৃত ‘২০০৭ ভিকে১৮৪’। দীর্ঘদিন এ গ্রহাণুটি পর্যবেক্ষণ শেষে তাঁরা জানিয়েছেন, ২০৪৮ সালের ৩ জুন এটি পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা হচ্ছে ০.০৫৫ শতাংশ মাত্র। সম্প্রতি আবিষ্কৃত ‘২০১৩টিভি ১৩৫’ গ্রহাণুটিকেও নাসার গবেষকেরা টোরিনো স্কেলে ১ রেটিং দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তাঁরা বলছেন, টোরিনো স্কেলে বিপদের মাত্রা ১ হলেও এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এর ঝুঁকির মাত্রা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। টেলিস্কোপের সাহায্যে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হলে টোরিনো স্কেলে ঝুঁকির মাত্রা শূন্যতে নেমে আসবে।


Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/57006/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A9%E0%A7%A8_%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%80_%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%81

17
সাগরে কৃষ্ণগহ্বর?

শক্ত প্রমাণ না মিললেও বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, মহাসাগরেও রয়েছে কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্ব। এবার কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবি থেকে তার কিছুটা প্রমাণ মিলল। ছবি বিশ্লেষণ করে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে কয়েকটি মহাসাগরীয় ঘূর্ণির খোঁজ পেয়েছেন ইটিজেড জুরিখের অধ্যাপক জর্জ হলার এবং মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফ্রান্সিসকো বেরন-ভেরা। গাণিতিক সূত্রের মাধ্যমে তাঁরা দেখেছেন খোঁজ পাওয়া কয়েকটি ঘূর্ণির প্রকৃতি কৃষ্ণগহ্বরের মতো। জর্জ-ফ্রান্সিসকোর দাবি, দক্ষিণের মহাসাগরীয় স্রোত থেকে ‘পথভ্রষ্ট’ হয়ে এই ঘূর্ণির উৎপত্তি। পথভ্রষ্ট এই স্রোত ক্রমেই মূল স্রোতবরাবর ধীরে ধীরে পাক খেতে শুরু করে। অবশ্য এই পাক খাওয়া শুরু করতে কয়েক দিন লাগতে পারে। পাক খাওয়া এই স্রোতের মধ্যে শীতল স্রোতের পাশাপাশি উষ্ণ স্রোতও মিশে থাকে। নিউ সায়েন্টিস্ট


Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/55206/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%87_%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%97%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0


18
পৃথিবীর গঠন নিয়ে নতুন তথ্য


সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি বা সম্ভাব্য প্রাণের উপস্থিতি থাকা মঙ্গল গ্রহ নিয়ে মানুষের কৌতূহলের অন্ত নেই। কিন্তু আমাদের নিজ গ্রহ পৃথিবী সম্পর্কেই আমরা কতটা জানি? বিশেষ করে, পৃথিবীর অন্তস্তল কীভাবে গঠিত, তা আজও রহস্যময়।
তবে বিজ্ঞানীরা এবার এমন একটি গবেষণা চালিয়েছেন, যা পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগের গঠনকাঠামো সম্পর্কে অনেক নতুন ধারণা হাজির করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী এই পরীক্ষা চালিয়েছেন। এই গবেষণার ফল নেচার জিওসায়েন্সেস সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
ফরাসি ঔপন্যাসিক জুল ভার্নের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিভিত্তিক উপন্যাস অ্যা জার্নি টু দ্য সেন্টার অব আর্থ-এর কথা মনে আছে? গবেষকদের মতে, আপনি যদি জুল ভার্নের ওই ভ্রমণকে অনুসরণ করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে পৌঁছানোর সেই ভ্রমণের প্রায় অর্ধেক পথ (প্রথম তিন হাজার কিলোমিটার) অতিক্রম করা পর্যন্ত আপনি একটি রাসায়নিকের অস্তিত খুঁজে পাবেন, যার বেশির ভাগই তিনটি উপাদানে গঠিত। এগুলো হচ্ছে অক্সিজেন, সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম। পৃথিবীকে মুড়িয়ে রাখা এই ‘সিরামিক’ আবরণের ৯০ শতাংশেরও বেশি এই তিন উপাদানের সমষ্টি। এই আবরণকে অনেকটা কেন্দ্রস্থলের চারপাশ থেকে ঘিরে রাখা শিলাখণ্ডে নির্মিত একটি কম্বল বলা চলে। আবরণের খনিজগুলো হচ্ছে পৃথিবীর পাথুরে অংশ। কিন্তু যখনই আপনি আরও গভীরে যাবেন, তখন হঠাৎ করেই পরিস্থিতি ব্যাপকভাবে বদলে যাবে।

বাকি অর্ধেকের বেশি পথ ভ্রমণ করা বাকি থাকতেই আপনাকে পাথুরে আবরণ থেকে ধাতব কেন্দ্রস্থল অংশে প্রবেশের সময় একটি সীমানা পার হতে হবে। এটার উপরিভাগের দিকে তরল। তার পরই শুরু হবে কঠিন স্তর, যা একেবারে পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল পর্যন্ত বিরাজমান। বাকি অর্ধেক পথে রাসায়নিকও পরিবর্তিত হবে। কেন্দ্রীয়ভাগের প্রায় প্রতিটি অংশই গঠিত লোহা দিয়ে। আর পাথুরে আবরণ ও ধাতব কেন্দ্রস্থলের মাঝে যে সীমানা রয়েছে, সেটা জটিল একটা স্থান। পদার্থের বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে, ধাতব তরল কেন্দ্রস্থলকে সাগরের পানি আর পাথুরে আবরণকে সাগরের তলদেশের সঙ্গে তুলনা করা যায়। বিবিসি


Source : http://www.prothom-alo.com/technology/article/55213/%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0_%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8_%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87_%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8_%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF

19
স্কাইপে আসছে থ্রিডি ভিডিও কল সুবিধা

ভিডিও কল করার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যুক্ত করছে স্কাইপ। থ্রিডি প্রযুক্তির ভিডিও কল করার প্রযুক্তি পরীক্ষা করেছে মাইক্রোসফটের অধীন এ প্রতিষ্ঠানটি। দ্রুতগতির ইন্টারনেট, থ্রিডি ক্যামেরা ও থ্রিডি-স্ক্রিনের সাহায্যেই কেবল এ ধরনের ভিডিও কল করা যাবে।
বিবিসির এক খবরে বলা হয়েছে, স্কাইপে থ্রিডি ভিডিও কল সুবিধা যুক্ত হতে আরও কিছুদিন দেরি হতে পারে। থ্রিডি ভিডিও কল পরীক্ষা চালানো হলেও এ ধরনের পণ্যের অপ্রতুলতার কারণেই সুবিধাটি চালু হতে দেরি হবে।
মাইক্রোসফটের কর্মকর্তা মার্ক গিলেট জানিয়েছেন, পরীক্ষাগারে স্কাইপ ব্যবহার করে থ্রিডি ভিডিও কল করার সুবিধা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। কিন্তু থ্রিডি ধারণ করতে পারে এমন পণ্য বাজারে কম। থ্রিডি ভিডিও কল করার জন্য যে প্রযুক্তি ও ক্যামেরার প্রয়োজন হবে তা বাজারে না থাকায় মাইক্রোসফট এ ধরনের নতুন পণ্য তৈরিতে উদ্যোগ নিচ্ছে।
এদিকে, ১০ বছর পূর্ণ করে ১১ বছরে পা দিয়েছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনা মূল্যে কথা বলার জনপ্রিয় সেবা স্কাইপ। বিনা মূল্যে ভিডিও কল করা, ভয়েস কল ও এসএমএস পাঠানোর সুবিধাযুক্ত স্কাইপ যাত্রা শুরুর পর থেকেই ব্যবহারকারীদের কাছে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন ৩০ কোটি ব্যবহারকারী ২০০ কোটি মিনিট কথা বলেন স্কাইপ ব্যবহারের মাধ্যমে। স্কাইপ টেকনোলজিসের তৈরি স্কাইপ সফটওয়্যারটি ২০১১ সালে বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট ৮৫০ কোটি ডলারের বিনিময়ে কিনে নিয়েছে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, স্কাইপে থ্রিডি ভিডিও কল করার সুবিধা চালু হলে ভবিষ্যতে আরও জনপ্রিয় হবে স্কাইপ।


Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/42989/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AA%E0%A7%87_%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%9B%E0%A7%87_%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF_%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%93_%E0%A6%95%E0%A6%B2_%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE

20
Proper authority should take proper steps......

21
yea buddy....hope so..

22
গাড়ি চলে সূর্যের আলোয়

সূর্যের আলো গাড়ির শক্তি জোগাবে। গাড়ির ছাদে আর ঢাকনায় লাগানো থাকবে সৌরপ্যানেল। এ সৌরপ্যানেলগুলো সূর্য থেকে শক্তি সংগ্রহ করে ব্যাটারিতে সঞ্চয় করে রাখবে। ১৬ সেপ্টেম্বর সৌরশক্তিনির্ভর একটি গাড়ি পরীক্ষা করে দেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা। খবর রয়টার্সের।
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের গবেষকেরা ‘প্রাকটিক্যাল’ নামের সৌরশক্তিনির্ভর গাড়িটি তৈরি করেছেন। সৌরশক্তিনির্ভর গাড়ি পরীক্ষামূলকভাবে চালিয়ে সাফল্য পেয়েছেন গবেষকেরা।
গবেষকদের দাবি, কয়েক বছরের মধ্যেই এ ধরনের গাড়ি বাজারে চলে আসবে। সাধারণ গাড়ির মতোই দেখতে হবে সৌরশক্তিচালিত এ গাড়ি।


Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/48150/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF_%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC

23
হাইপারলুপে আধঘণ্টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম!


কল্পনা করা বেশ কঠিনই বটে, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম মাত্র আধঘণ্টায়! অবশ্য নিকটভবিষ্যতে ‘হাইপারলুপ’ নামের যোগাযোগ ব্যবস্থা যদি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় তবে এর চেয়েও কম সময়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছানো যাবে।

আজ ১২ আগস্ট ‘হাইপারলুপ’ নামের এমন একটি নতুন যোগাযোগ ব্যবস্থার নকশা উন্মোচন করবেন স্পেস এক্স এবং টেসলা মোটরসের প্রধান নির্বাহী এলন মাস্ক। এক খবরে জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট।

এলন মাস্কের দাবি, হাইপারলুপ হবে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির যোগাযোগ প্রযুক্তি। সৌরশক্তিনির্ভর এ যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঘণ্টায় ৬০০ মাইলেরও বেশি গতিতে যোগাযোগ করা যাবে অথচ এ যোগাযোগ প্রযুক্তি হবে প্লেন বা ট্রেনের চেয়ে সাশ্রয়ী। স্টেশন থেকে দ্রুতগতির হাইপারলুপ প্রযুক্তির যানে চেপে দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

হাইপারলুপ প্রযুক্তির যানের নকশা বা এ যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু জানাননি মহাকাশযান ও বৈদ্যুতিক গাড়ির উদ্যোক্তা এলন মাস্ক। ২০১২ সাল থেকে তিনি এ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন।

 

হাইপারলুপ

হাইপারলুপ প্রযুক্তি মার্কিন ব্যাংকগুলোর অর্থ লেনদেনের একটি পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহূত হয়। এলন মাস্কের মতে হাইপারলুপ হবে শব্দের চেয়ে দ্রুতগতির কনকর্ড বিমান, দ্রুতগতির ট্রেন ও এয়ার হকির নকশার সমন্বিত রূপ। এটি এমন  একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা হবে, যার মাধ্যমে একটি টিউব কয়েকটি দেশ অথবা শহরজুড়ে থাকবে। টিউবের ভেতর থাকবে ক্যাপসুল। টিউব ব্যবস্থার মধ্যে কোনো বায়ু থাকবে না। ফলে থাকবে না কোনো প্রকার ঘর্ষণ শক্তি। এই দ্রুতগতির ক্যাপসুলে চড়ে ঘণ্টায় ৬০০ মাইল বেগে ভ্রমণ করা যাবে। হাইপারলুপ ব্যবস্থায় ঘণ্টায় দুই লাখ মানুষের ভ্রমণের সুযোগ থাকবে। আর নিউইয়র্ক থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে যেতে সময় লাগবে মাত্র ৪৫ মিনিট এবং নিউইয়র্ক থেকে বেইজিং যেতে লাগবে ২ ঘণ্টা।

 

হাইপারলুপের সম্ভাবনা

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট গিজমোডো জানিয়েছে, দ্রুতগতির হাইপারলুপ যোগাযোগ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী নন এলন মাস্ক। তিনি এখন ব্যস্ত রয়েছেন তাঁর মহাকাশ ভ্রমণ প্রকল্প ‘স্পেস এক্স’ নিয়ে। মঙ্গল অভিযানের জন্য মহাকাশযান তৈরি এবং মহাকাশ ভ্রমণের জন্য বিশেষ নভোযান তৈরি করছে স্পেস এক্স। টেসলা মটরসের ব্যবসা দেখাশোনার ব্যস্ততাও বেড়েছে তাঁর। এসব ব্যস্ততার জন্য খুব শিগগিরই হাইপারলুপ নিয়ে কাজ করা হবে না তাঁর।

মাস্ক আশা করছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রকৌশলীরা হাইপারলুপ প্রকল্পের মতো দ্রুতগতির যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এগিয়ে আসবেন।


Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/37492/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%87_%E0%A6%86%E0%A6%A7%E0%A6%98%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE

24
চোখের ইশারায় চলবে গ্যালাক্সি এস-৫

১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাযুক্ত স্মার্টফোন গ্যালাক্সি এস-৪ এর পর আগামী বছরের জানুয়ারির দিকে ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাযুক্ত এস-৫ বাজারে আনতে পারে স্যামসাং। স্মার্টফোনের সবগুলো ফিচার ছাড়াও নতুন ফিচার হিসেবে এই ফোনে যুক্ত হতে পারে আই স্ক্যানিং সেন্সর। যার ফলে চোখের ইশারা দিয়েই চালানো যাবে এই স্মার্টফোনটি।
আজ শুক্রবার টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়, গ্যালাক্সি এস-৫ এর যিনি ব্যবহারকারী শুধু তিনিই চোখের ইশারায় ফোনটি লক বা আনলক করে রাখতে পারবেন। এই ফোনটি শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর চোখের ইশারাই স্ক্যান করে রাখবে। আর তাই অন্য কেউ বা ফোনটি হারিয়ে গেলে কেউ সেটা ব্যবহার করতে পারবে না। এর আগে আইফোন তাদের ৫-এস ফোনটিতে সিকিউরিটি হিসেবে আঙুলের ছাপের অপশন রেখেছিল।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস-৫ এর উদ্বোধন ঘোষণা করা হতে পারে। তবে ২০১৪ সালেই যে তা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে—সে বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা হয়নি ওই প্রতিবেদনে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস-৫ মুঠোফোনটিতে ৬৪ বিট এইট-কোর এক্সাইনোস ৫৪৩০ প্রসেসর থাকবে। এ ছাড়া অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশনযুক্ত ১৬ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা থাকবে এই ফোনে। কম আলো বা অন্ধকারেও এই ক্যামেরা বেশ কাজে দেবে।
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস-৫ মুঠোফোনটি নিয়ে ইতিমধ্যে বেশকিছু গুজবও শুরু হয়ে গেছে। কেউ কেউ বলছে, এই স্মার্টফোনটি পানি ও ধুলা নিরোধক হবে এবং এটিতে বাঁকানো ও অভঙ্গুর স্ক্রিন থাকবে। তবে স্যামসাং এই স্মার্টফোনটির বাইরের অংশের জন্য ধাতুর তৈরি ঢাকনার প্যাটেন্ট করেছে।
সম্প্রতি গ্যালাক্সি রাউন্ড নামে বিশ্বের প্রথম বাঁকানো স্ক্রিনের স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে স্যামসাং।


Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/55993/%E0%A6%9A%E0%A7%8B%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F_%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87_%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF_%E0%A6%8F%E0%A6%B8_%E0%A7%AB

25
পার্টিশন ছাড়াই নতুন ড্রাইভ

নতুন ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার দেখা যায় ড্রাইভ থাকে মাত্র একটি বা দুটি। তাই অনেক সময় প্রয়োজন পড়তে পারে একাধিক ড্রাইভের। আসুন তৈরি করি একাধিক ড্রাইভ কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই এবং আমাদের প্রয়োজন মিটিয়ে নিই।

প্রথমে My Computer-এ ডান বাটন ক্লিক করে Manage-এযান। এবার Disk Management-এ ক্লিক করুন। যে ড্রাইভকে ভেঙে একাধিক ড্রাইভ করতে চান সেই ড্রাইভে ডান বাটন ক্লিক করে Shrink Volume-এ ক্লিক করুন। কী আকারের ড্রাইভ বানাতে চান তা লিখুন। এবার New volume-এ ক্লিক করুন। এরপর Next-এ ক্লিক করে ড্রাইভ লেটার দিন। ড্রাইভের নাম পরিবর্তন করতে চাইলে তা লিখুন এবং Next-এ ক্লিক করুন। দেখুন আপনার ড্রাইভ তৈরি হয়ে গেছে।


Source:  http://www.prothom-alo.com/technology/article/53491/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%A8_%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%87_%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8_%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD

26
উইন্ডোজ থেকে ল্যানে ইন্টারনেট

ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে একটি মডেম ব্যবহার করে নিজের কম্পিউটার ছাড়াও অন্যদের সঙ্গে ল্যানের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ ভাগাভাগি বা শেয়ার করা যাবে। প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে Control Panel, সেখান থেকে Network and Sharing Center উইন্ডোতে যেতে হবে। বাম পাশের মেনু থেকে Change advanced sharing settings ক্লিক করলে Public (current profile) নেটওয়ার্ক প্রোফাইল আসবে। এখানে Turn on network discovery এবং Turn on file and printer sharing অপশন দুটির রেডিও বাটনে ক্লিক করে সেভ করতে হবে।

Change adapter settings ক্লিক করলে কম্পিউটারের সব নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) দেখা যাবে। সেখান থেকে মডেম সংযোগে ব্যবহূত নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টার কার্ডটি নির্বাচন করার পর ডান ক্লিক করে এর Properties-এ যেতে হবে। এরপর Sharing ট্যাবে ক্লিক করে Allow other network users to connect through this computer’s Internet Connection অপশনটিতে টিক দিয়ে এনাবল করতে হবে। পপ-আপ উইন্ডো এলে ওকে করুন। এর নিচে Home networking connection মেনু থেকে কম্পিউটারের যে নেটওয়ার্ক কার্ড দিয়ে আপনি অন্যদের সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ শেয়ার করবেন (সাধারণত লোকাল এরিয়া কানেকশন), সেটি নির্বাচন করে ওকে করুন। উইন্ডোজ কনফিগারেশনের কাজ শেষ।

এবার প্রয়োজনীয় দৈর্ঘ্যের একটি ক্রসওভার UTP বা STP ইথারনেট কেব্ল নেটওয়ার্ক পোর্টে প্রবেশ করিয়ে কম্পিউটারগুলো যুক্ত করতে হবে। এভাবে পিসিগুলো ল্যানে সংযুক্ত হলে নেটওয়ার্ক কার্ডগুলোতে সাধারণত স্বয়ংস্ক্রিয়ভাবে আইপি ঠিকানা (এপিআইপিএ) বসে যাবে।


Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/58750/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%8B%E0%A6%9C_%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87_%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87_%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F

27
স্মার্টফোনে দ্রুত চার্জ দেওয়া

স্মার্টফোন কাজে-কর্মে স্মার্ট হলেও বেশ কিছু দিক দিয়ে বেশ সেকেলে। ফোন চার্জ করতে সময় বেশি নেওয়া অন্যতম একটা অসুবিধা।কিছু নিয়ম মেনে স্মার্টফোন দ্রুত চার্জ করে নেওয়া যাবে। দ্রুত চার্জ করতে চাইলে যা যা করা যায়—

l ফোন চার্জ করার সময় অযথা কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। পুরোপুরি চার্জ না হওয়া পর্যন্ত কোনো কাজ করবেন না।

l দ্রুত চার্জ করাতে হলে ফোনটি বন্ধ করে চার্জ করুন। ব্যাটারির অপচয় কম হবে, দ্রুত চার্জ হবে।

l যদি ফোন বন্ধ করে চার্জ দিতে না চান, তবে ফোনের Airplane Mode চালু করে নিন। এটি মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং ওয়াই-ফাই থেকে ফোনকে বিচ্ছিন্ন রেখে ব্যাটারির অযথা শক্তি কমাবে না।

l কাজ করতে গিয়ে ফোনের ব্যাটারি গরম হতে পারে। উচ্চ তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাটারির কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়। তাই ব্যাটারি ঠান্ডা করে চার্জ করে নিতে হবে।

l কম্পিউটারে ইউএসবি কেবেলর সাহায্যে ফোনে চার্জ না দেওয়াই ভালো। এতে চার্জ ধীরে হয়। যদি একান্তই সরাসরি চার্জার দিয়ে চার্জ দিতে না পারেন, তাহলে ইউএসবি কেব্ল ব্যবহার করা যেতে পারে।

l লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে অন্তত একবার ব্যাটারিকে পুরো চার্জ করে তা নিঃশেষ করে নিয়ে আবার ১০০ শতাংশ চার্জ করে নিতে হবে।

l ফোন চার্জ করার আগে এর পর্দার সময় (স্ক্রিন টাইমআউট) এবং রিংটোনের শব্দ কমিয়ে নিন। ভাইব্রেশনও বন্ধ করে নিন।

l ফেসবুক ব্যবহারের সময় check-in ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে জিপিএস সেবা চালু করে এবং অনেক চার্জ খরচ করে।

l অভ্যন্তরে চলা অ্যাপস বন্ধ রেখে চার্জ করে নিলে অযথা চার্জ অপচয় না হয়ে দ্রুত চার্জ সম্পন্ন হবে।


Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/57389/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%87_%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4_%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C_%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE

28
IT Forum / Be careful receiving call from +92, #90, #09
« on: October 28, 2013, 12:15:12 PM »
Dear,

Now we need to be very careful. whn u get a call from these number, that means all data in your sim will be copied to hacker or someone u dont know..... to know more follow the link.


http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=6af76d3089652fb25dc3a42d39650a9e

29
Travel / Visit / Tour / Re: World Heritage
« on: October 28, 2013, 12:03:20 PM »
You are most welcome.....  :D

30
Google is always best. And they dont stop creating innovative idea and they also follow up for bugs in their soft...... i think google will be always best...... :)

Pages: 1 [2] 3 4 5