Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - mshahadat

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 16
61
BCS Cadre / Re: How do you take preparation for BCS exam?
« on: July 14, 2015, 11:45:56 AM »
Most necessary book lists for BCS exam.

62
nice and informative post.

64
Career Opportunity / Bangladesh Bank Job circular.
« on: July 14, 2015, 11:35:12 AM »

Plz see attached file and the following link.
https://www.bb.org.bd/aboutus/career/20150702gm_medical.pdf

67
Govt. should take more care regarding the matter and give proper payment for teachers.

68
But it is not effective in reality.

69
Everybody should follow the law

70
This s real hero of Bangladesh. feel proud for him.......................

বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ড. আতিউর রহমান। শ্রদ্ধেয় এ মানুষটির জীবনের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস অনেকেরই জানা। তারপরও এখনো যাদের জানা হয়নি, তাদের জন্য অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমানের নিজের ভাষায় লিখেছেন তার জীবন কথা।

আমার জন্ম জামালপুর জেলার এক অজপাড়াগাঁয়ে। ১৪ কিলোমিটার দূরের শহরে যেতে হতো পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে। পুরো গ্রামের মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস ছিলেন আমার চাচা মফিজউদ্দিন। আমার বাবা একজন অতি দরিদ্র ভূমিহীন কৃষক। আমরা পাঁচ ভাই, তিন বোন। কোনরকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো আমাদের।

আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিলো মোটামুটি। কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই দেননি। দাদার বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে একটা ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-মা থাকতাম। মা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশ পেয়েছিলেন। তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয়। চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই জমিতে বহু কষ্টে বাবা যা ফলাতেন, তাতে বছরে ৫/৬ মাসের খাবার জুটতো। দারিদ্র্য কী জিনিস, তা আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছি- খাবার নেই, পরনের কাপড় নেই; কী এক অবস্থা !

আমার মা সামান্য লেখাপড়া জানতেন। তাঁর কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি। তারপর বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই অভাব যে, আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম, তখন আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলো না। বড় ভাই আরো আগে স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন। আমাকেও লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো।

আমাদের একটা গাভী আর কয়েকটা খাসি ছিল। আমি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওগুলো মাঠে চরাতাম। বিকেল বেলা গাভীর দুধ নিয়ে বাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম। এভাবে দুই ভাই মিলে যা আয় করতাম, তাতে কোনরকমে দিন কাটছিল। কিছুদিন চলার পর দুধ বিক্রির আয় থেকে সঞ্চিত আট টাকা দিয়ে আমি পান-বিড়ির দোকান দেই। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে বসতাম। পড়াশোনা তো বন্ধই, আদৌ করবো- সেই স্বপ্নও ছিল না !

এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ স্কুল মাঠে নাটক হবে। স্পষ্ট মনে আছে, তখন আমার গায়ে দেওয়ার মতো কোন জামা নেই। খালি গা আর লুঙ্গি পরে আমি ভাইয়ের সঙ্গে নাটক দেখতে চলেছি। স্কুলে পৌঁছে আমি তো বিস্ময়ে হতবাক ! চারদিকে এত আনন্দময় চমৎকার পরিবেশ ! আমার মনে হলো, আমিও তো আর সবার মতোই হতে পারতাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, আমাকে আবার স্কুলে ফিরে আসতে হবে।

নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম, আমি কি আবার স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি বা করুণ চাহনি দেখেই হোক কিংবা অন্য কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো। তিনি বললেন, ঠিক আছে কাল হেডস্যারের সঙ্গে আলাপ করবো।

পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে গেলাম। বড় ভাই আমাকে হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন। আমি বাইরে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি, ভাই বলছেন আমাকে যেন বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগটুকু দেওয়া হয়। কিন্তু হেডস্যার অবজ্ঞার ভঙ্গিতে বললেন, সবাইকে দিয়ে কি লেখাপড়া হয় ! স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল। যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম, স্যারের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল। তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগাড় করলেন। পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি। বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে তিন মাসের ছুটি দিতে হবে। আমি আর এখানে থাকবো না। কারণ ঘরে খাবার নেই, পরনে কাপড় নেই- আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে।

মা বললেন, কোথায় যাবি ? বললাম, আমার এককালের সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের ফার্স্টবয় মোজাম্মেলের বাড়িতে যাবো। ওর মায়ের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। যে ক’দিন কথা বলেছি, তাতে করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছে। আমার বিশ্বাস, আমাকে উনি ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।

দুরু দুরু মনে মোজাম্মেলের বাড়ি গেলাম। সবকিছু খুলে বলতেই খালাম্মা সানন্দে রাজি হলেন। আমার খাবার আর আশ্রয় জুটলো; শুরু হলো নতুন জীবন। নতুন করে পড়াশোনা শুরু করলাম। প্রতিক্ষণেই হেডস্যারের সেই অবজ্ঞাসূচক কথা মনে পড়ে যায়, জেদ কাজ করে মনে; আরো ভালো করে পড়াশোনা করি।

যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু হলো। আমি এক-একটি পরীক্ষা শেষ করছি আর ক্রমেই যেন উজ্জীবিত হচ্ছি। আমার আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যাচ্ছে। ফল প্রকাশের দিন আমি স্কুলে গিয়ে প্রথম সারিতে বসলাম। হেডস্যার ফলাফল নিয়ে এলেন। আমি লক্ষ্য করলাম, পড়তে গিয়ে তিনি কেমন যেন দ্বিধান্বিত। আড়চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন। তারপর ফল ঘোষণা করলেন। আমি প্রথম হয়েছি ! খবর শুনে বড় ভাই আনন্দে কেঁদে ফেললেন। শুধু আমি নির্বিকার- যেন এটাই হওয়ার কথা ছিল।

বাড়ি ফেরার পথে সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। আমি আর আমার ভাই গর্বিত ভঙ্গিতে হেঁটে আসছি। আর পিছনে এক দল ছেলেমেয়ে আমাকে নিয়ে হৈ চৈ করছে, স্লোগান দিচ্ছে। সারা গাঁয়ে সাড়া পড়ে গেল ! আমার নিরক্ষর বাবা, যাঁর কাছে ফার্স্ট আর লাস্ট একই কথা- তিনিও আনন্দে আত্মহারা; শুধু এইটুকু বুঝলেন যে, ছেলে বিশেষ কিছু একটা করেছে। যখন শুনলেন আমি ওপরের কাসে উঠেছি, নতুন বই লাগবে, পরদিনই ঘরের খাসিটা হাটে নিয়ে গিয়ে ১২ টাকায় বিক্রি করে দিলেন। তারপর আমাকে সঙ্গে নিয়ে জামালপুর গেলেন। সেখানকার নবনূর লাইব্রেরি থেকে নতুন বই কিনলাম।

আমার জীবনযাত্রা এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আমি রোজ স্কুলে যাই। অবসরে সংসারের কাজ করি। ইতোমধ্যে স্যারদের সুনজরে পড়ে গেছি। ফয়েজ মৌলভী স্যার আমাকে তাঁর সন্তানের মতো দেখাশুনা করতে লাগলেন। সবার আদর, যত্ন, স্নেহে আমি ফার্স্ট হয়েই পঞ্চম শ্রেণীতে উঠলাম। এতদিনে গ্রামের একমাত্র মেট্রিক পাস মফিজউদ্দিন চাচা আমার খোঁজ নিলেন। তাঁর বাড়িতে আমার আশ্রয় জুটলো।

প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে আমি দিঘপাইত জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হই। চাচা ওই স্কুলের শিক্ষক। অন্য শিক্ষকরাও আমার সংগ্রামের কথা জানতেন। তাই সবার বাড়তি আদর-ভালোবাসা পেতাম।

আমি যখন সপ্তম শ্রেণী পেরিয়ে অষ্টম শ্রেণীতে উঠবো, তখন চাচা একদিন কোত্থেকে যেন একটা বিজ্ঞাপন কেটে নিয়ে এসে আমাকে দেখালেন। ওইটা ছিল ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞাপন। যথাসময়ে ফরম পুরণ করে পাঠালাম। এখানে বলা দরকার, আমার নাম ছিল আতাউর রহমান। কিন্তু ক্যাডেট কলেজের ভর্তি ফরমে স্কুলের হেডস্যার আমার নাম আতিউর রহমান লিখে চাচাকে বলেছিলেন, এই ছেলে একদিন অনেক বড় কিছু হবে। দেশে অনেক আতাউর আছে। ওর নামটা একটু আলাদা হওয়া দরকার; তাই আতিউর করে দিলাম।

আমি রাত জেগে পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নিলাম। নির্ধারিত দিনে চাচার সঙ্গে পরীক্ষা দিতে রওনা হলাম। ওই আমার জীবনে প্রথম ময়মনসিংহ যাওয়া। গিয়ে সবকিছু দেখে তো চক্ষু চড়কগাছ ! এত এত ছেলের মধ্যে আমিই কেবল পায়জামা আর স্পঞ্জ পরে এসেছি ! আমার মনে হলো, না আসাটাই ভালো ছিল। অহেতুক কষ্ট করলাম। যাই হোক পরীক্ষা দিলাম; ভাবলাম হবে না। কিন্তু দুই মাস পর চিঠি পেলাম, আমি নির্বাচিত হয়েছি। এখন চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যেতে হবে।

সবাই খুব খুশি; কেবল আমিই হতাশ। আমার একটা প্যান্ট নেই, যেটা পরে যাবো। শেষে স্কুলের কেরানি কানাই লাল বিশ্বাসের ফুলপ্যান্টটা ধার করলাম। আর একটা শার্ট যোগাড় হলো। আমি আর চাচা অচেনা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হলাম। চাচা শিখিয়ে দিলেন, মৌখিক পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমি যেন দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলি: ম্যা আই কাম ইন স্যার? ঠিকমতোই বললাম। তবে এত উচ্চস্বরে বললাম যে, উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠলো।

পরীক্ষকদের একজন মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ এম. ডাব্লিউ. পিট আমাকে আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে সবকিছু আঁচ করে ফেললেন। পরম স্নেহে তিনি আমাকে বসালেন। মুহূর্তের মধ্যে তিনি আমার খুব আপন হয়ে গেলেন। আমার মনে হলো, তিনি থাকলে আমার কোন ভয় নেই। পিট স্যার আমার লিখিত পরীক্ষার খাতায় চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর অন্য পরীক্ষকদের সঙ্গে ইংরেজিতে কী-সব আলাপ করলেন। আমি সবটা না বুঝলেও আঁচ করতে পারলাম যে, আমাকে তাঁদের পছন্দ হয়েছে। তবে তাঁরা কিছুই বললেন না। পরদিন ঢাকা শহর ঘুরে দেখে বাড়ি ফিরে এলাম। যথারীতি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করলাম। কারণ আমি ধরেই নিয়েছি, আমার চান্স হবে না।

হঠাৎ তিন মাস পর চিঠি এলো। আমি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছি। মাসে ১৫০ টাকা বেতন লাগবে। এর মধ্যে ১০০ টাকা বৃত্তি দেওয়া হবে, বাকি ৫০ টাকা আমার পরিবারকে যোগান দিতে হবে। চিঠি পড়ে মন ভেঙে গেল। যেখানে আমার পরিবারের তিনবেলা খাওয়ার নিশ্চয়তা নেই, আমি চাচার বাড়িতে মানুষ হচ্ছি, সেখানে প্রতিমাসে ৫০ টাকা বেতন যোগানোর কথা চিন্তাও করা যায় না !

এই যখন অবস্থা, তখন প্রথমবারের মতো আমার দাদা সরব হলেন। এত বছর পর নাতির (আমার) খোঁজ নিলেন। আমাকে অন্য চাচাদের কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, তোমরা থাকতে নাতি আমার এত ভালো সুযোগ পেয়েও পড়তে পারবে না ? কিন্তু তাঁদের অবস্থাও খুব বেশি ভালো ছিল না। তাঁরা বললেন, একবার না হয় ৫০ টাকা যোগাড় করে দেবো, কিন্তু প্রতি মাসে তো সম্ভব নয়। দাদাও বিষয়টা বুঝলেন।

আমি আর কোন আশার আলো দেখতে না পেয়ে সেই ফয়েজ মৌলভী স্যারের কাছে গেলাম। তিনি বললেন, আমি থাকতে কোন চিন্তা করবে না। পরদিন আরো দুইজন সহকর্মী আর আমাকে নিয়ে তিনি হাটে গেলেন। সেখানে গামছা পেতে দোকানে দোকানে ঘুরলেন। সবাইকে বিস্তারিত বলে সাহায্য চাইলেন। সবাই সাধ্য মতো আট আনা, চার আনা, এক টাকা, দুই টাকা দিলেন। সব মিলিয়ে ১৫০ টাকা হলো। আর চাচারা দিলেন ৫০ টাকা। এই সামান্য টাকা সম্বল করে আমি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হলাম। যাতায়াত খরচ বাদ দিয়ে আমি ১৫০ টাকায় তিন মাসের বেতন পরিশোধ করলাম। শুরু হলো অন্য এক জীবন।

প্রথম দিনেই এম. ডাব্লিউ. পিট স্যার আমাকে দেখতে এলেন। আমি সবকিছু খুলে বললাম। আরো জানালাম যে, যেহেতু আমার আর বেতন দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাই তিন মাস পর ক্যাডেট কলেজ ছেড়ে চলে যেতে হবে। সব শুনে স্যার আমার বিষয়টা বোর্ড মিটিঙে তুললেন এবং পুরো ১৫০ টাকাই বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিলেন। সেই থেকে আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এস.এস.সি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে পঞ্চম স্থান অধিকার করলাম এবং আরো অনেক সাফল্যের মুকুট যোগ হলো।

আমার জীবনটা সাধারণ মানুষের অনুদানে ভরপুর। পরবর্তীকালে আমি আমার এলাকায় স্কুল করেছি, কলেজ করেছি। যখন যাকে যতটা পারি, সাধ্যমতো সাহায্য সহযোগিতাও করি। কিন্তু সেই যে হাট থেকে তোলা ১৫০ টাকা; সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি। আমার সমগ্র জীবন উৎসর্গ করলেও সেই ঋণ শোধ হবে না!

sources: http://www.bdlive24.com/home/details/58611

71
IT Forum / বদলে যাচ্ছে পাসওয়ার্ড
« on: September 03, 2014, 09:53:00 AM »
অনেকেই ই-মেইল অ্যাকাউন্ট বা সামাজিক যোগাযোগ সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে পাসওয়ার্ড হিসেবে সহজ কোনো সংখ্যা বা কি-ওয়ার্ড [যেমন মোবাইল নম্বর, নিজের নাম] ব্যবহার করেন। অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড মনে রাখার জন্য অধিকাংশ সময়ই অনলাইন ব্যবহারকারীরা খুব সহজ কোনো পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকেন। সাধারণ ব্যবহারকারীরা তাদের অ্যাকাউন্টে সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ড হিসেবে নিজের নামের সঙ্গে ১২৩৪ সংখ্যা কিংবা সেলফোন নম্বর ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এমন পাসওয়ার্ড হ্যাকারদের পক্ষে অনুমান করা খুবই সহজ, যা কেবল দুর্বল পাসওয়ার্ডকেই ইঙ্গিত করে।

তবে পাসওয়ার্ড যত সহজ, তা তত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ পাসওয়ার্ড যত সহজ হবে, তা হ্যাক করা ততটাই সহজ।সম্প্রতি মাত্র ৩০ দিনের মধ্যে রাশিয়ার হ্যাকাররা প্রায় ১২ লাখ ই-মেইল ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে, যাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই হ্যাকিং সম্ভব হয়েছে দুর্বল পাসওয়ার্ডের কারণে। অনলাইনে যে কোনো সাইটে অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে প্রয়োজন ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড। এ অ্যাকাউন্টে থাকতে পারে নিজের অতি প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য। তবে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তায় যে পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হচ্ছে, তা আসলে কতটা নিরাপদ! এখানে মূল সমস্যা পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা। তবে এ ধরনের ঝামেলা থেকে ব্যবহারকারীদের মুক্তি দিতে বদলে যাচ্ছে পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ধারণা। আসছে নতুন পদ্ধতির পাসওয়ার্ড। অনলাইনে ই-মেইল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তায় গবেষণা সংস্থা গার্টনার কর্মকর্তা ড. অ্যান্ট অ্যালেন একটি সহজ পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন। এ পদ্ধতির নাম দিয়েছেন তিনি 'ফেসিয়াল রিকগনিশন' বা 'অথেন্টিকেশন বাই সেলফি'। এ পদ্ধতিকে বিশ্লেষকরা নতুন প্রজন্মের পাসওয়ার্ড হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বর্তমান সময়ের প্রায় সব প্রযুক্তি ডিভাইসেই মাইক্রোফেন, ক্যামেরা এবং ওয়েবক্যাম ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। এ পদ্ধতির মাধ্যমে যেখানে ব্যবহারকারী শুধু নিজ ডিভাইসের দিকে তাকিয়ে ছবি তোলার মাধ্যমে নিজেই হতে পারেন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড। এ ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ডকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে ছবির পাশাপাশি কণ্ঠস্বরও ব্যবহার করা যেতে পারে। যেখানে ব্যবহারকারী প্রথমে গোপন পিন, ছবি এবং পরবর্তী সময়ে নির্দিষ্ট কোনো শব্দ কণ্ঠে উচ্চারণ করে অ্যাকাউন্ট এবং নিজ প্রযুক্তি ডিভাইসে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে। এটি হবে তিন স্তরবিশিষ্ট পাসওয়ার্ড। ফলে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যে পদ্ধতিটি যে কোনো ধরনের পাসওয়ার্ডের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। ইতিমধ্যে স্যামসাং এবং অ্যাপল তাদের স্মার্টফোনে কণ্ঠ নিয়ন্ত্রিত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেছেন। ফলে গার্টনার কর্মকর্তা উদ্ভাবিত পাসওয়ার্ডটিকে বলা যায় অ্যাপলের 'সিরি'র পরবর্তী ধাপের পাসওয়ার্ড।

বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
এ পদ্ধতিতে ব্যবহারকারীরা নিজ ফোনে নিজের ছবি তোলা অর্থাৎ সেলফির মতো করেই ছবি তুলবেন। আর এ ছবিই হবে অনলাইন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে আরেক ধরনের পাসওয়ার্ড নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে, যার নাম ডিজিটাল পোর্ট্রেট। এ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যবহারকারী নিজের সেলফি তুলবেন। এরপর ছবির মধ্যে গোপনে ব্যবহারকারী কিছু চিহ্ন সংযুক্ত করবেন। পরে অ্যাকাউন্ট ওপেন করার সময় ছবির নির্দিষ্ট স্থানে সেসব গোপন চিহ্ন সঠিক জায়গায় বসিয়ে লগইন করতে হবে।

কণ্ঠ হবে পাসওয়ার্ড
দ্রুতই ব্যাংকিং সহায়তা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পেঁৗছে দিতে আসছে মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা। এরই মধ্যে কিছু ব্যাংক মোবাইল ফোনে ব্যাংকিং সুবিধা চালুও করেছে। তবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছাড়াই ফোনে অ্যাকাউন্টের টাকা লেনদেন করা নিরাপদ হবে না। তাই স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের মতো ডিভাইসে এমন অ্যাকাউন্টে লগইন করার ক্ষেত্রে কণ্ঠ নিয়ন্ত্রিত পাসওয়ার্ড ব্যবস্থা সহায়ক হতে পারে। এ পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী তার অ্যাকাউন্টে পাসওয়ার্ড হিসেবে কিছু নির্দিষ্ট কি_ওয়ার্ড বেছে নেবেন এবং তা স্ব-শব্দে উচ্চারণ করবেন। এ সময় ডিভাইসটি আগে সংরক্ষিত কণ্ঠস্বরের সঙ্গে মিলিয়ে অ্যাকাউন্টে প্রবেশের অনুমতি জানাবে।

ফিঙ্গার পাসওয়ার্ড
স্মার্টফোন কিংবা ল্যাপটপ নির্মিত হচ্ছে স্পর্শকাতর পর্দা। যেখানে অনলাইন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যায় হাতের আঙুলের স্পর্শ। ডিভাইসের পর্দায় স্পর্শ করে নিজ হাতের নির্দিষ্ট আঙুলের স্পর্শের ছবি নিয়ে তৈরি করা হবে পাসওয়ার্ড এবং পরে লগইনের সময় এ স্পর্শের মাধ্যমেই অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে হবে।

http://www.samakal.net/2014/09/02/83038

72
Applying Law is not always possible to get parents proper right rather we need to change our own mentality. We should do our best for our parents the way they did for us in our childhood. 

73
Fresh Graduate / 20 Interview Questions You Should Be Prepared To Answer
« on: August 10, 2014, 03:20:16 PM »
“Work for Personality, Productivity and Potentiality.”


Right person for the job is the aim of an interview. Whereas, questions and answers evaluate the candidates to set them for a future wok by adopting 3-P model for each one’s: Personality, Productivity and Potentiality. So, before an interview you must have to prepare yourself with a possible set of questions and that can give you the confident to face any type of questions.

 
According to researchers:

“As a candidate, you always want to talk about your benefits and features, as if you were a product. After all, you are "selling" your skills and abilities!”

 
Here are the 20 possible interview questions you can try out to increase your confidence level:

Give an introduction of yourself within five minutes.
    Why do you want to work for this mentioned position?
    Please give a brief concept for our company operations.
    If experienced, why have you left your earlier position? If not experienced, as a fresher what is your view towards, knowledge is more important that experience?
    What kinds of core facilities are important for you to work with?
    How do you define your strong points and drawbacks?
    Think global and act local. So, how are you going to adopt yourself according to this perception within our company, if you are selected?
    What is more important to you, leadership or tem player? How you define these terms in urgency of work?
    If your family needs you urgently or somebody is sick while you are doing an important task, how are you going to manage the situation?
    What makes you in trouble for professions?
    Tell me your objective as a professional and personnel.
    How can you define your excellence?
    If your supervisor is asking you to do a job while you are in off duty, will you agree to do that?
    How do you work with, face the challenges or just escape it for better chance?
    Tell the top five best ways to handle corporate clients.
    If you are selected, what is best service you can provide for us?
    Define personality in terms of adaptation.
    In terms of stress management, how do you do that for yourself?
    If selected, do you like to make a bond with us for 3 years?
    Why do you think that you are the candidate we are looking for?

http://www.prothom-alojobs.com/index.php?NoParameter&Theme=article_zone_new&Script=articleviewdetails_new&ArticleID=98

74
Success / Success Gains more Responsibilities
« on: August 10, 2014, 03:06:05 PM »
We often envy our supervisors for their success. We ignore their sheer hard effort at work and count them as just fortunate. However what we overlook is that success brings more responsibilities and requires enhanced fidelity at work; ignoring this fact we always desire to have a easier trade-off for success. Running an organization or supervising the team players is no child play.

Getting the maximum output from the mainstream workforce or tactfully outwitting an obstacle in a project : both require an earnest commitment to work. Majority of us have the perception of viewing success as just an increment in our annual remuneration; though there is nothing wrong with the incentive but one should be aware of the added work pressure to follow.

Attaining success may be difficult but sustaining the accomplishment is even harder. Each person should have their own career objective and anticipation. Just working to earn a livelihood can be monotonous but if you build it into a passion and work hard to get your dreams accomplished then success would come sooner than latter. However  don’t be disappointed by minor setbacks as they are inevitable foundations for success.

Compare the job description of an ordinary office employee and the General Manager of the same enterprise;  there is a significant and perceptible added  responsibility added  to the latter. As we climb up the hierarchy  it adds more commitment and dedication to work. A CEO’s business decision can either earn ample revenue  or cause the company to run into bankruptcy. Even  the employee can relocate into a different organization in cases of bankruptcy but a CEO does not have that option.

 Starting from supervising departmental cohesion to conflict management – all sectors need to be coordinated earnestly. These responsibilities seems easy but performing it effectively is easier said than done. Therefore it is worthwhile to realize before stepping into a senior hierarchy whether one is prepare to take in the additional responsibilities. Even before giving us promotion , our employers scrutinize our skills and accomplishments before deliberating a decision- these milestones reflects our performances and predicts our fidelity of work after success.

 Let us now focus on what tactics we can apply to handle these added responsibilities.

Sharing work
Bearing the entire responsibility of a project could be listless. Though your priorities could be best understood by you but rather than spending  prolonged  hours on details , share the guidelines  with your subordinates  or colleagues and ask them to give you a hand in your office chore. This would buy you extra time  to latter scrutinize the details before final submission . This approach also makes you affable o your colleagues and produce a better wok.

Brainstorming for decision making
To err is human ; therefore we are all prone to taking a wrong business decision most of the time. However the odds can be reduced if the mainstream of your workforce  supports your decision making. Before taking a vital business decision you can call for a board room meeting – to discuss the pros and cons of your proposal. Through such brainstorming session, a drawback of your proposal can be brought under your attention that previously you had carelessly overlooked. If it is a cohesive vote then your decision is any likely to go wrong.

 
Finally never make a decision in haste. A decision taken in haste lacks careful considerations and are most likely to go wrong.

So next time you earn for success just remind yourself of the added responsibilities that would follow you.

http://www.prothom-alojobs.com/index.php?NoParameter&Theme=article_zone_new&Script=articleviewdetails_new&ArticleID=104

75
Success / 20 Ways to Impress Your Boss
« on: August 10, 2014, 03:02:43 PM »
Authority of an employee is the key factor within a job environment. Without impressing your higher authority called as boss, either you cannot be able have a promotion or even cannot expect a good job environment.

Here are the 20 magical ways to keep you alive as well as well going through a job life by impressing your boss:

Boss is always right
Do not argue with boss and let me know feel like he is always right. Whenever he is wrong tell him personally in a friendly manner.

 
Think but don’t act
Thinking must be evaluated as corporate but the action with boss should be appointed as like his direction.

 
High concentration
High concentration and effective thinking on the business of your company and with your boss direction, helps to keep your boss eyes on you.

 
Call your boss as a ‘Mentor’
Treating and calling your boss as a mentor assures your boss to rely on your work. Every boss wants to be a mentor. If you are the one who made him to feel that, you are firmly impressive.

 
Win your boss by work
Lot of good words cannot bring anything good if your work is not impressive. Always make sure that you have done it. Then, even if your boss do something wrong which may recover with your tasks, you are going to win him or her professionally.

 
Loyalty is a turning point
Loyalty is very important to impress the boss. Boss is always looking forward for a team member, on whom he/she can rely on with honesty as well as loyalty by work.

 
Be expressive but confident
Always express your accomplishments as well as the problems regarding work. Sometimes be suggestive too but all must be appeared in a confident way.

 
Keep your boss safe
Never let your boss to fall in a false position with higher authority in because of you. Whereas, try to be supportive in every cases of your boss need.

Make him to feel like ‘Mr. Dependable’
Depend on your boss and let him to understand it. Share your thoughts and ideas with him that will help your boss to feel himself ‘Mr. Dependable’.

 
Ask less do more
Do not ask for assistant and try to be less problematic. Do your job properly and try to solve the problems as much as possible by your own.

 
Keep yourself always as an updated version
Boss the team player who is technically solves and can generate ideas and information’s. To meet this demand you must absorb technical and informational knowledge’s.

 
Right attitude in right time
Attitude is another key factor that helps your boss to evaluate you. Resourceful and horizontal attitude helps to be impressive.

 
Let him to believe that you are always on duty
Tell your boss that you are always available for him even when you are in off duty. Efficiency in work is a key indication here.

 
Be personal but act professional
Professional act and friendly communication with your boss meets these criteria to be impressive to your boss.

Keep in touch always
Keep abreast of industry and company trends by reading trade journals and attending professional association events. This information to your boss proves that you are always in touch.


Be a good listener
Boss ideas and directions must be listened carefully to adopt the work efficiency.

 
Prove you as well organized and punctual
Be sure that you are present in right time to meet the boss direction. In addition, plan your next day before you leave work. Rank your tasks by urgency and importance and make a point of doing at least the top two items on your list. Here you have to be well dressed up too.

 
Refresh yourself from mess up
Try to solve your negative points towards duties as early as possible and keep yourself always positive.

 
Don’t assume just act according
Whatever task is given to you, do those as direction. Do not assume by your own against the direction.


Act as team player, better employee and meet the deadline
Boss likes a team player rather than an individual performer. Better employee carries the trademark of efficiency in work with extensive interpersonal skills. Team achievement will be performance measurement criteria by meeting the deadline of given tasks.

http://www.prothom-alojobs.com/index.php?NoParameter&Theme=article_zone_new&Script=articleviewdetails_new&ArticleID=112

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 16