Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - diljeb

Pages: 1 ... 9 10 [11]
Present yourself / 10 Interviewing Rules
« on: December 06, 2013, 12:25:00 PM »
In the current job market, you'd better have your act together, or you won't stand a chance against the competition. Check yourself on these 10 basic points before you go on that all-important interview.

1. Do Your Research

Researching the company before the interview and learning as much as possible about its services, products, customers and competition will give you an edge in understanding and addressing the company's needs. The more you know about the company and what it stands for, the better chance you have of selling yourself in the interview. You also should find out about the company's culture to gain insight into your potential happiness on the job.

2. Look Sharp

Select what to wear to the interview. Depending on the industry and position, get out your best interview clothes and check them over for spots and wrinkles. Even if the company has a casual environment, you don't want to look like you slept in your outfit. Above all, dress for confidence. If you feel good, others will respond to you accordingly.

3. Be Prepared

Bring along a folder containing extra copies of your resume, a copy of your references and paper to take notes. You should also have questions prepared to ask at the end of the interview. For extra assurance, print a copy of Monster's handy interview take-along checklist.

4. Be on Time

Never arrive late to an interview. Allow extra time to arrive early in the vicinity, allowing for factors like getting lost. Enter the building 10 to 15 minutes before the interview.

5. Show Enthusiasm

A firm handshake and plenty of eye contact demonstrate confidence. Speak distinctly in a confident voice, even though you may feel shaky.

6. Listen

One of the most neglected interview skills is listening. Make sure you are not only listening, but also reading between the lines. Sometimes what is not said is just as important as what is said.

7. Answer the Question Asked

Candidates often don't think about whether they are actually answering the questions their interviewers ask. Make sure you understand what is being asked, and get further clarification if you are unsure.

8. Give Specific Examples

One specific example of your background is worth 50 vague stories. Prepare your stories before the interview. Give examples that highlight your successes and uniqueness. Your past behavior can indicate your future performance.

9. Ask Questions

Many interviewees don't ask questions and miss the opportunity to find out valuable information. The questions you ask indicate your interest in the company or job.

10. Follow Up

Whether it's through email or regular mail, the interview follow-up is one more chance to remind the interviewer of all the valuable traits you bring to the job and company. Don't miss this last chance to market yourself.

It is important to appear confident and cool for the interview. One way to do that is to be prepared to the best of your ability. There is no way to predict what an interview holds, but by following these important rules you will feel less anxious and will be ready to positively present yourself.

 নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং আকর্ষণীয় রাষ্ট্রনায়কদের একজন, যিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের অবসান ঘটিয়ে বহু বর্ণভিত্তিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব, প্রখর রসবোধ, তিক্ততা ভুলে বৈরি প্রতিপক্ষের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেয়ার মত উদারতা এবং বর্ণাঢ্য ও নাটকীয় জীবন কাহিনী মিলিয়ে নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন এক জীবন্ত কিংবদন্তি।

বর্ণবাদের অবসানের পর ১৯৯৪ সালের ১০ মে নতুন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন নেলসন ম্যান্ডেলা। এর মাত্র এক দশক আগেও সংখ্যালঘু শ্বেতাঙ্গ শাসিত দক্ষিণ আফ্রিকায় এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ছিল এক অকল্পনীয় ঘটনা।

এই পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন নেলসন ম্যান্ডেলা। শুধু দক্ষিণ আফ্রিকায় নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায়ও তিনি ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৩ সালে তাঁকে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।

তরুণ বিপ্লবী
১৯১৮ সালে নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম। তার বাবা ছিলেন ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের থেম্বো রাজকীয় পরিবারের কাউন্সিলর। বাবা নাম রেখেছিলেন রোলিহ্লাহলা ডালিভুঙ্গা মানডেলা। স্কুলের এক শিক্ষক তার ইংরেজী নাম রাখলেন নেলসন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার আপামর মানুষের কাছে তিনি ছিলেন ‘মাদিবা’।

তরুণ বয়সে নেলসন ম্যান্ডেলা চলে আসেন জোহানেসবার্গে, সেখানে তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের যুব শাখার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে পড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে।

একই সঙ্গে তিনি কাজ শুরু করেন একজন আইনজীবী হিসেবেও। আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের আরেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা অলিভার টাম্বোর সঙ্গে মিলে তিনি তার অফিস খোলেন জোহানেসবার্গে।

১৯৬০ সালে শার্পভিলে কৃষ্ণাঙ্গ বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের গুলিতে ৬৯ জন নিহত হলে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন তীব্র হয়ে উঠে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে আদৌ আর লাভ হবে কিনা সে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

এ সময় এক বক্তৃতায় নেলসন ম্যান্ডেলা বলেছিলেন, সরকার যখন নিরস্ত্র এবং প্রতিরোধবিহীন মানুষের ওপর পাশবিক আক্রমণ চালাচ্ছে, তখন সরকারের সঙ্গে শান্তি এবং আলোচনার কথা বলা নিস্ফল।

এএনসি সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করলে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নেলসন ম্যান্ডেলাকে গ্রেপ্তার করা হয়, বিচারে তার যাবজ্জীবন সাজা হয়। শুরু হয় দক্ষিণ আফ্রিকার কুখ্যাত রুবেন দ্বীপে তার দীর্ঘ কারাজীবন।

২৭ বছর পর মুক্তি
কিন্তু নেলসন ম্যান্ডেলা এবং এএনসির শীর্ষ নেতাদের কারাবন্দি করলেও দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ টাউনশিপগুলোতে বর্ণবাদবিরোধী লড়াই অব্যাহত থাকে। পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান শ’ শ’ কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ।

নেলসন মানডেলার মুক্তির জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপও বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি মুক্তি পান।

সেদিন কারাগারের সামনে দেয়া বক্তৃতায় নেলসন ম্যান্ডেলা তার সমর্থকদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন সেই কথা, যা তিনি তাঁর বিচারের সময় আদালতে বলেছিলেন।

মান্ডেলা বলেন, এমন এক দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন দেখেন তিনি, যেখানে সব জাতি, সব বর্ণের মানুষ সমান সুযোগ নিয়ে এক সঙ্গে থাকতে পারবে।

তিনি বলেন, ‘এটা এমন এক আদর্শ, যেটির আশায় আমি বেঁচে থাকতে চাই। কিন্তু যদি দরকার হয়, এই আদর্শের জন্য আমি মরতেও প্রস্তুত।’

পুরনো দক্ষিণ আফ্রিকাকে পেছনে ফেলে নতুন আফ্রিকা গড়ার কাজটা সহজ ছিল না। কিন্তু নেলসন ম্যান্ডেলা অতীতের তিক্ততার প্রতিশোধ নেয়ার পরিবর্তে তার সাবেক শ্বেতাঙ্গ নিপীড়কদের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিলেন। শুরু হলো এক নতুন দক্ষিণ আফ্রিকার পথ চলা।

মুক্তির পর দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী সরকারের সঙ্গে নতুন এক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আলোচনা শুরু হয়, যেখানে সব বর্ণ এবং সব জাতির সমানাধিকার থাকবে। এর পথ ধরেই ১৯৯৪ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন নেলসন ম্যান্ডেলা।

রাজনৈতিক জীবনের মতো, নেলসন ম্যান্ডেলার ব্যক্তিগত জীবনও ছিল ঘাত-প্রতিঘাতে ভরা। ১৯৯৪ সালে তিনি প্রথমবারের মত বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার প্রথম স্ত্রী ইভলিন মেস। কিন্তু এই বিয়ে বেশিদিন টিকেনি।

দ্বিতীয় স্ত্রী এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা উইনি ম্যান্ডেলার সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তটি ছিল তার জীবনের কঠিনতম সিদ্ধান্তগুলোর একটি। ৮০তম জন্মদিবসে তিনি তৃতীয়বার বিয়ে করেন মোজাম্বিকের সাবেক ফার্স্ট লেডি গ্রাসা মার্শেলকে।

বিশ্ব শান্তির প্রতীক
অবসরে যাওয়ার পরও নেলসন ম্যান্ডেলার ব্যস্ততা থামেনি, স্বাধীনতা এবং বিশ্ব শান্তির এক আইকন বা প্রতীকে পরিণত হয়েছেন তিনি। সুতরাং তার ডাক পড়তে থাকে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে।

তার এক ছেলে মারা গিয়েছিলেন এইডসে। এ ঘটনার পর তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় এইডস প্রতিরোধ এবং এর চিকিৎসা নিয়ে সোচ্চার হন।

বাকি জীবনের বেশিরভাগ সময় তিনি দারিদ্র দূরীকরণ এবং এইডস নিরাময়ের লক্ষ্যে প্রচারণায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।

নেলসন ম্যান্ডেলাকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তাকে কিভাবে মনে রাখলে খুশী হবেন তিনি? তার উত্তর ছিল, ‘আমি চাই আমার সম্পর্কে এ রকম কথাই বলা হোক, এখানে এমন এক মানুষ শায়িত আছেন, যিনি পৃথিবীতে তার কর্তব্য সম্পাদন করেছেন। আমি চাই এটুকুই বলা হোক আমার সম্পর্কে।’


একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে 'আইসিসি স্প্রিট অফ দ্যা ক্রিকেট' অ্যাওয়ার্ডের জন্য নমিনেশন পেয়েছে ফারহাদ রেজা !
গতবছর শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে বাউন্ডারি লাইনের পাশ থেকে নাসির জামশেদের বাতাসে ভাসা শ্যট কে তালুবন্ধি করেন অলরাউন্ডার রেজা ।
আম্পায়ার বুঝে উঠতে পারেননি ওটা ছক্কা না আউট ! তাই তিনি ৩য় আম্পায়রকে জানানোর চেষ্টা করেন ; কিন্তু ৩য় আম্পায়ারকে জানানোর আগেই রেজা স্বীকার করে নেন যে বল ধরার সময় বাউন্ডারি লাইনের সাথে তার শরীর লেগে ছিল ।
এ কারনে নমনি হিসেবে শ্রীলংকান মাহেলা জয়াবর্ধনের পাশে নাম উঠেছে ফারহাদ রেজার ।


Politics / some Motivational Quotes
« on: December 04, 2013, 10:55:37 AM »
* Be kind whenever possible. It is always possible. (Dalai Lama)

* Our greatest weakness lies in giving up. The most certain way to succeed is always to try just one more time. (Thomas A. Edison)

* The will to win, the desire to succeed, the urge to reach your full potential... these are the keys that will unlock the door to personal
    excellence. (Confucius)

* You are never too old to set another goal or to dream a new dream. (C. S. Lewis)

* Things do not happen. Things are made to happen. (John F. Kennedy)

* The secret of getting ahead is getting started. (Mark Twain)

* If you want to conquer fear, don't sit home and think about it. Go out and get busy. (Dale Carnegie)

* A goal is a dream with a deadline. (Napoleon Hill)

* What you do today can improve all your tomorrows. (Ralph Marston)

* Do your work with your whole heart, and you will succeed - there's so little competition. (Elbert Hubbard)

* When you fail you learn from the mistakes you made and it motivates you to work even harder. (Natalie Gulbis)

*Set your goals high, and don't stop till you get there. (Bo Jackson)


Story, Article & Poetry / History l ইতিহাস
« on: December 04, 2013, 09:40:47 AM »
রহস্যময় জলদানবের ইতিহাস:

ড. রবার্ট রাইসন রহস্যময় জলদানব নিয়ে তার অভিযান চালিয়ে যেতে থাকলেন। ১৯৭২ সালে তিনি আরও সূক্ষ্ম কিছু যন্ত্রপাতি নিয়ে হ্রদে অভিযান চালালেন। আগস্টের আট তারিখে তার দলের সদস্যরা নৌকায় অপেক্ষা করছিল। রাত একটার দিকে পর্যবেক্ষণে এক বিচিত্র প্রাণীর অস্তিত্ব ধরা পড়ে, যার রয়েছে বিরাট আকারের ডানা। লম্বায় সেই ডানা ছয় ফুটের মতো। ড. রাইনসের মতে, আজ থেকে সাত কোটি বছর আগে পৃথিবীতে এরকম প্রাণ ছিল। জাপানের টেলিভিশনের একদল কর্মী বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে পানির নিচে অভিযান চালালো। এটি ডুবোজাহাজে করে নেমেছিল। ৯৫০ ফুট নিচে একটি গভীর গুহা আবিষ্কার করলো তারা। তাদের ধারণা, ওই গৃহটি ছিল সেই জলদানবের আশ্রয়স্থল। এর পরের বছর অভিযানে দলটি একটি প্রামাণ্য ছবি তুলল। তাতে দেখা গেল, বারো ফুট লম্বা লাল-খয়েরি রংয়ের একটি প্রাণী। তার মাথা দেখা যাচ্ছিল না। গলা ছিল ধনুকের মতো বাঁকা, আট ফুট লম্বা। অনেক প্রাণীবিজ্ঞানীর মতে, লকনেসের হ্রদের রহস্যময় প্রাণীটি হলো প্রাগৈতিহাসিক আমলের মৎস্যভোজী সরীসৃপ। এই জাতীয় প্রাণীর অস্তিত্ব সাত কোটি বছর আগে পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল বলে সবার ধারণা ছিল। অনেকের মতে, ১০-১৫ হাজার বছর আগে বরফ যুগ শেষ হওয়ার সময় বরফ গলা পানির স্রোতে এই জাতীয় কিছু প্রাণী অন্য স্থান থেকে এই হ্রদে ভেসে চলে আসে। এ রহস্যময় প্রাণীটি নিয়ে অনেক রকম বর্ণনা করা হয়েছে। অনেকেই বলেছেন, এটা হাতির মতো মোটা। কেউ বলেছেন, ত্রিশ ফুট লম্বা, পিঠে চারটি কুঁজ। কেউ বলেছেন, মাথা সাপের মতো। প্রাচীন ইতিহাসে এ ধরনের কিছু জলদানবের বিবরণ পাওয়া যায়। আইসল্যান্ডের বিভিন্ন কাহিনীতে রহস্যময় সামুদ্রিক প্রাণীর কথা আছে। আগোপোগো নামের এক সামুদ্রিক প্রাণীর কথা শোনা যায়। পাথরের গায়ে রেড ইন্ডিয়ানরা এই লম্বা গলার প্রাণীটির ছবি এঁকেছে। কানাডার ভেনকুভারের সমুদ্রবিজ্ঞানী পল লি ব্লন্ড রহস্যময় বা অজানা প্রাণীদের নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছেন। তিনি তথ্য পেয়েছেন, ১৯১২ থেকে ১৯০৩ পর্যন্ত আলাস্কা ও অরিজেনের মাঝখানের এলাকায় তেত্রিশটি অদ্ভুত প্রাণী দেখা গেছে। জলদানবের যেসব বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে তা হলো : লম্বা গলা, অনেক কুঁজ, মাছের মতো ডানা, হলুদ পেট, বাইন বা সাপ জাতীয মাছের মতো, ভোঁদড় জাতীয়, সামুদ্রিক ঘোড়ার মতো, সামুদ্রিক চতুষ্পদ সরীসৃপ যেমন কুমিরের মতো এবং কচ্ছপের পূর্বসূরীয় জাতের। অধ্যাপক পল লি ব্লন্ড আরও কিছু রহস্যময় সামুদ্রিক প্রাণীর বিবরণ সংরক্ষণ করলেন। তার এটি ছিল, একশ’ ফুট উচ্চতার ধুসর সবুজ প্রাণী। তার পিঠে ছিল কড মাছের মতো পাখা, যা এক ফুট মোটা। ওয়াশিংটনের জেনেরোস স্পিটে একটি রহস্যময় প্রাণী দেখা যায়। তার বিবরণে বলা হয়েছে, অদ্ভুত প্রাণীটির দেহে খয়েরি রংয়ে উজ্জ্বল কমলার মিশ্রণ রয়েছে। ছয় ফুট লম্বা গলা, পিঠে তিনটি কুঁজ এবং দীর্ঘ কেশর ছিল তার। ১৯৮৪ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকৌশলী জিন থমসন মাছ ধরতে বেরিয়েছিলেন। ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঁচ মাইল দূরে। হঠাৎ জিন দেখলেন, তার ২০০ ফুট দূরে হঠাৎ একটি প্রাণী ভেসে উঠেছে। জিন সেই প্রাণীটির বর্ণনা দিচ্ছেন, ২০ ফুট লম্বা ও দুই ফুট চওড়া হবে প্রাণীটি। সাদা তামাটে রংয়ের গলা এবং তার লম্বা লম্বা কানগুলো দোল খাচ্ছিল। লাজুক ও কৌতূহলী এই প্রাণীটি আমাকে দেখে অবাক হয়েছে বলে মনে হলো। তারপর সে চলে যেতে চাইল। কয়েকবার মাথা ঝাঁকিয়ে সাঁতার কেটে চলে গেল ওটা। সাঁতার কাটার সময় তার দেহ মোচড় খাচ্ছিল। প্রত্যেক শতাব্দীতেই এখানে-সেখানে বিভিন্ন জলদানবের খবর পাওয়া গেছে। ১৭৩৪ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে নরওয়ের এক ধর্মপ্রচারক পালতোলা জাহাজে করে গ্রিনল্যান্ডে যাচ্ছিলেন। তার নাম হাসন এগেড। তিনি সে সময় সমুদ্রে একটি অদ্ভুত এবং ভয়ানক জীব দেখেছিলেন। পানি থেকে উঠে প্রাণীটির গলা জাহাজে পড়েছিল। তিমি মাছের মতো ফোয়ারা তুলেছিল। দু’পাশে ছিল বড় ডানা। ১৯৩৩ সালে হিউ গ্রে নামক ব্যক্তি রবিবার গির্জা থেকে ফেরার সময় অতিকায় জলদানব নেসির দেখা পান। ছবি তোলের প্রাণীটির লেজের দিকের অংশের। ছবিসহ ঘটনা প্রকাশিত হয় ডেইলি স্কেচ ও ডেইলি রেকর্ড নামক দুটি সংবাদপত্রে। এরপর ১৯৪৭ পর্যন্ত নানা গবেষণা থেকে প্রচার হলো নেসির শরীর বিষয়ে নানা বর্ণনা। যার সারবস্তু হলো সাপের মতো লম্বা গলা, পিঠে বড়সড় কুঁজ এবং থ্যাবড়া মাথা। তাকে নিয়ে ছবি আঁকা, কার্টুন ছড়া, গল্প, কৌতুক প্রভৃতিও হলো। এমনকি ১৮৪৮ এ নেসিকে নিয়ে পোস্টকার্ডও প্রকাশিত হলো। ১৯৫১ সালে বন বিভাগের কর্মী মি. এল স্টুয়ার্ড নেসিকে পানি ছিটাতে ছিটাতে বহুক্ষণ ভেসে থাকতে দেখেছেন। তার বর্ণনায়, লম্বা গলার উপর মাথাটা অবিকল ভেড়ার মতো। পিঠে কয়েকটি কুঁজ এবং সব মিলিয়ে লম্বা প্রায় ১৫ মিটার। এরকম করে বিশ্বজুড়ে অসংখ্য জলদানব দেখার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে সময়ে নানান মানুষের দ্বারা। কে জানে হয়তো সত্যি সত্যি কোনো একদিন জলদানবের দেখা মিলবে।


Story, Article & Poetry / History l ইতিহাস
« on: December 04, 2013, 09:32:55 AM »
নিউটন এর জীবনে কিছু মজার ঘটনা!

২০০৫ সনে রয়েল সোসাইটি বিজ্ঞানের ইতিহাসে কার প্রভাব সবচেয়ে বেশী এ প্রশ্ন নিয়ে একটি ভোটাভুটির আয়োজন করে। ভোটের ফলাফলে দেখা যায়, এক্ষেত্রে নিউটন আইনস্টাইনের চেয়েও অধিক প্রভাবশালী।স্যার আইজাক নিউটনের জন্ম ৪ জানুয়ারী, ১৬৪৩ জন্মলগ্ন থেকে তিনি ছিলেন রুগ্ন প্রকৃতির এক বালক। অথচ স্কুলে দুষ্টমিতে সেরা ছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও শিক্ষকগণ মুগ্ধ ছিল তাঁর অসাধারণ জ্ঞান-প্রতিভায়। মূলত নিউটনের আগ্রহ ছিল গণিত ও বলবিজ্ঞানের উপর।তিনি ছিলেন একাধারে পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রাকৃতিক দার্শনিক, আলকেমিস্ট।

ঘটনা- ১

একদিনের এক মজার ঘটনা। ছোট্র নিউটন লক্ষ্য করলেন, স্কুলের অধ্যক্ষের শ্যালক প্রায়ই স্কুলে আসতে দেরি করতেন। চিন্তা করতে করতে হঠাৎ তাঁর মাথায় বুদ্ধি আসলো। সেই মুহূর্তে নিউটন বলে ওঠলেন, স্যার আপনার জন্য একটা ঘড়ি তৈরি করে দিচ্ছি যা দিয়ে ঠিক সময়ে স্কুলে আসতে পারবেন। কিন্তু নিউটন ঘড়িটা তৈরি করলেন কিভাবে? তিনি যে ঘড়িটা তৈরি করলেন সেই ঘড়ির উপরে থাকতো পানির পাত্র। প্রতিদিন নির্দিষ্ট ফোঁটা ফোঁটা পানি ঘড়ির কাঁটার উপরে পড়ত। এর ফলে ঘড়ির কাঁটা আপন গতিতে এগিয়ে চলতো সামনের দিকে। এভাবে সময় গণনা করা হতো!

ঘটনা- ২

একবার নিউটন তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে বাসায় নিমন্ত্রণ করলেন। তারপর যথারীতি ভুলে গেলেন। কিন্তু বন্ধুটি দুপুরে সময়মতো নিউটনের বাসায় এসে দেখেন তিনি নেই। টেবিলে ঠিকই খাবার সাজানো রয়েছে। বন্ধুটি ভাবলেন, নিউটন হয়তো জরুরী কোন কাজে বাসার বাইরে গিয়েছেন, খবর দেয়ার সুযোগ পায়নি। তাই বন্ধুটি দেরী না করে টেবিলে ঢাকা খাবার খেয়ে নিয়ে নিউটনের বিছানায় দিব্যি ঘুম দিলেন। এদিকে নিউটন বাসায় ফিরে দেখলেন তাঁর বন্ধুটি বিছানায় ঘুমাচ্ছে। নিউটন কিছুটা অবাক হয়ে ভাবলেন, তবে কি তিনি ভুল করে নিজের বাসায় না এসে বন্ধুর বাসায় চলে এলেন? কিন্তু টেবিলে ঢাকা খাবার দেখে পরক্ষণেই বুঝলেন তিনি নিজের বাসাতেই আছেন। বন্ধুটি খাবারের পর খালি পাত্রগুলো আবার তেমনই সাজিয়ে রেখেছিলেন। নিউটন খেতে গিয়ে দেখলেন সব খালি। তখন তিনি ভাবলেন যে তিনি নিশ্চয়ই ভুলে গিয়েছেন যে তিনি আগেই খাবার খেয়ে বেরিয়েছিলেন। তাই নিশ্চিন্ত মনে তিনি কাজে ডুবে গেলেন।


বিজ্ঞানী ও সাধকগণ কখনো কখনো এমন আত্মমগ্নতায় বিভোর হন যেনো সবকিছুই ভুলে যান সেই সাধনার মুহূর্তে। এমনিভাবে নিউটন কোন নতুন বৈজ্ঞানিক ভাবনায় ডুবে থাকতেন। আরও একদিনের ঘটনা। একজন লোক তাঁর বাড়িতে এসে একটা প্রিজম (তিনকোণা কাঁচ) দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এর দাম কত হতে পারে। সেই ব্যক্তি নিউটনের কাছে এই প্রিজমটি বিক্রির জন্যই এসেছিল। এ সময় নিউটন প্রিজমের বৈজ্ঞানিক গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে বললেন, এর প্রকৃত মূল্য নির্ণয় করা তাঁর সাধ্যের বাইরে। ফলে লোকটি বেশি দাম চাইল। নিউটন সেই দামেই প্রিজমটি কিনে ফেললেন। তোমরা জেনে অবাক হবে, পরবর্তীকালে এই প্রিজম থেকে তিনি উদ্ভাবন করেন বর্ণতত্ত্ব (The theory of color)

১৬৪৭ সালে নিউটনের Philosophiac Naturalis pricipia Mathmatica প্রকাশিত হয়।১৬৮৪-১৬৮৬ সালে তিনি লেখেন তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘প্রিন্সপিয়া’।১৬৮৭ সালে স্যার আইজাক নিউটন মহাবিশ্বের যে কোন ‌দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষন বলকে একটি সূত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করেন। এটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। ১৭০৩ সালে নিউটন পেলেন এক অভূতপূর্ব সম্মান। তিনি রয়াল সোসাইটির সভাপতি। আমৃত্যু তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। মৃত্যুর কিছুকাল পূর্বে তিনি বলেছিলেন:

“আমি জানিনা বিশ্বের কাছে আমি কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে আমার নিজেকে মনে হয় এক ছোট বালক যে কেবল সমুদ্র উপত্যকায় খেলা করছে এবং একটি ক্ষুদ্র নুড়ি বা ক্ষুদ্রতর এবং খুব সাধারণ পাথর সন্ধান করছে, অথচ সত্যের মহাসমুদ্র তার সম্মুখে পড়ে রয়েছে যা অনাবিষ্কৃতই রয়ে গেল। ”

১৭২৭ খ্রিস্টাব্দের ২০ মার্চ তারিখে ৮৫ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাকে লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে-তে সমাধিস্থ করা হয়।


সফল নেতৃত্ব বিকাশের ৮টি সূত্র
কালের কণ্ঠ অনলাইন
শেয়ার - মন্তব্য (1) - প্রিন্ট


নেতৃত্ব একটি শিল্প। পৃথিবীতে এই শিল্পের কুশলীর অভাব প্রচণ্ড। নেতৃত্বের সংকটে একটি জাতি ধ্বংসের মুখোমুখি হয়। প্রকৃত নেতৃত্ব তখনই গড়ে ওঠে যখন কতগুলো নির্দিষ্ট বিষয় একযোগে কাজ করে এবং সফলতা অর্জিত হয়। নেতা ভুল করে বসলে সবই পণ্ড হয়। আমরা স্বভাবতই কিছু কর্মকাণ্ডকে নেতৃত্ব বলে থাকি যেমন- একক আধিপত্য, ভালবক্তা, যে কোনো ধরনের পরামর্শদানে সক্ষমতা অথবা কোনো সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার সক্ষমতা। কিন্তু সত্যিই কি তাই?  নেতা কখনোই মানুষকে উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত দেন না। নেতৃত্ব কখনোই জনবিচ্ছিন্নতা নয়। নেতৃত্ব কখনোই জনশূন্য জায়গায় বেঁচে থাকতে পারে না। নেতৃত্ব কখনোই দাম্ভিকতা নয়। নেতৃত্ব কখনোই নেতা সম্পর্কিত বিষয় নয়।
কিন্তু সম্প্রতি আমরা কি দেখছি, নেতা বলতে আমরা বুঝি এমন মানুষকে যারা সব সময় ইগোসেন্ট্রিক কথা-বার্তা বলেন। তাদেরকে আমরা দেখি দেয়ালের ওইপারে। তাদেরকে আমরা শুনি নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে। প্রকৃতপক্ষে তাদের কাজ মানুষের সমস্যা সমাধান করা, খারাপের দিকে ঠেলে দেয়া নয়; এই সত্যিটিই অনেক নেতার অভিধানে নেই।
ইতিহাসের পাতায় যে নেতারা স্বর্ণাক্ষরে লিখিত আছেন, তারা নিবিড়ভাবে মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তারা তাদের কাজের ক্ষেত্রে যত্নশীল ছিলেন। তারা কখনোই অশুভর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে ভয় পাননি। তারা ভয় পান নিজস্ব সীমাবদ্ধতাকে আর তাই তাদের প্রতিটি মুহূর্তই কাটে কৌতুহলী এবং নতুন কিছু জানার প্রক্রিয়ায় মধ্য দিয়ে।
প্রকৃত নেতা কখনোই কে সঠিক সে বিষয়ে আগ্রহ দেখান না তাদের আগ্রহের জায়গা হলো কোনটি সঠিক। তারা শুধু সিদ্ধান্তে বাধা প্রদান করেই ক্ষান্ত হন না- নতুন উপায় সন্ধানও করে থাকেন। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রকৃত নেতৃত্ব কখনোই তার আশপাশের মানুষদের এড়িয়ে যান না। প্রত্যেকের সাথে কথা-বার্তা বলে, আলোচনা করে, সংলাপ করে অথবা প্রয়োজনে বিতর্কেও যান কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে। তারা খুব ভালো করেই জানেন, সবার কথা শুনে, উপলদ্ধি করে কাজ করাকেই সফল নেতৃত্ব বলে।
রাজনৈতিক নেতৃত্ব, ব্যবসায়িক নেতৃত্ব অথবা যেকোনো ধরনের নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সত্যিকারের সূত্রগুলো কিন্তু একই। আর নিজের মধ্যে এইরকম নেতৃত্বগুণ গড়তে চাইলে ৮টি বিষয় নিবিড়ভাবে মেনে চলতে হবে।
১. প্লাটফর্ম নয় মানুষই হলো নেতৃত্বের মূল :
আমরা সব সময়ই বলে থাকি একটা ভালো প্লাটফর্ম থাকলে নেতৃত্ব দেখানো সুযোগ থাকতো। যারা কিনা এই প্লাটফর্মের আফসোস করে সময় নষ্ট করছেন তাদের বলছি, আপনি কখনোই একটি প্লাটফর্মকে নেতৃত্ব দেবেন না আপনি নেতৃত্ব দেবেন মানুষকে। প্রকৃত নেতৃত্বের জন্য এটা খুব সহজ বিষয়। তারা লক্ষ্য রাখেন মানুষের ওপরে কখনোই বস্তু বা প্লাটফর্ম নয়। তারা খুব ভালো করেই জানেন, মেধাবী কর্মী এবং একটি চমৎকার সংস্কৃতি ছাড়া যে কোনো ভালো কৌশলই ব্যর্থ হতে পারে। প্রকৃত নেতৃত্ব বোঝেন প্লাটফর্ম কখনোই সমস্যা সমাধান করতে পারে না, মানুষ তা পারে। নেতৃত্বের তখনই জয় হয় যখন মানুষ জয়ী হয়।
২. চিন্তার সীমাবদ্ধতা নয়, প্রয়োজন উদ্ভাবন :
একজন দক্ষ নেতা কখনোই কিছু নির্ধারিত ধারণার মধ্যে আটকে থাকতে পারেন না। তারা কখনো আদিকালের কিছু ছকে বাঁধা নিয়ম মেনে কোনো সিদ্ধান্ত নেন না। তারা প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য যৌক্তিক ও সমসাময়িক সমস্যার কথা মাথায় রেখে তাদের কার্যপ্রণালী সাজান। তারা তাদের প্রতিটি কাজের জন্য পাশাপাশি আরও কয়েকটি সম্পূরক চিন্তা মাথায় রেখে কাজের রূপরেখা তৈরি করে থাকেন। আর তাই ভালো নেতৃত্বের জন্য সীমাবদ্ধতা একটি বড় বাধা। তাদের কাজের ও মুক্তচিন্তা লালনের চর্চাই প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্য বয়ে আনে।
৩. সর্বব্যাপিতা: এ ব্যাপারে সত্যি কোনো সন্দেহ নাই নেতৃত্বে কমান্ড করা ও শৃঙ্খলিত নিয়মের মধ্য দিয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু একটা বিষয় আমাদের জানা উচিত- নেতৃত্ব কখনোই একটি স্কেল নয়। একটি ধরা-বাধা নিয়ম নয়। মানুষ যন্ত্র নয় যে যা হুকুম হবে তাই করবে। নেতৃত্ব মানুষকে অন্ধকারে আচ্ছন্ন করে রাখে না, আলোকিত করে। ভালো-খারাপ বিবেচনা করে কাজ করতে সহযোগীতা করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নেতৃত্বকে ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিছু প্রতিষ্ঠান নেতৃত্বকে তাদের মতো করে ব্যবহার করে। একটা রুটিন কাজের মধ্যে বেঁধে দেয়। এইভাবেই তারা একটি সম্ভাবনাকে ভুল পথে নিয়ে যায়। আর তাই ভালো নেতৃত্বের জন্য সর্বব্যাপিতা খুবই জরুরি।
৪. ভালো শ্রোতা হতে হবে: প্রতিদিন আপনার কাছে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ, অনুযোগ, ব্যক্তিগত কথাবার্তা, পারিবারিক সমস্যা নিয়ে অনেকেই আসতে পারে। আপনি যদি প্রকৃত নেতা হতে চান তবে প্রত্যেকের সমস্যাই আপনি মনোযোগ সহকারে শুনবেন। তাদের আবেগময় বিষয়গুলোতে সমবেদনা জানাবেন। আপনার কর্মীদের দুঃখের কথা শোনার সময়ে আপনার মুখের অবয়বও সমবেদনাময় থাকবে। মোট কথা, আপনাকে একজন দক্ষ শ্রোতা হতে হবে। আপনার অধীনস্তকে কখনোই বুঝতে দেবেন না আপনি তার বস। সব সময় তার সাথে সহকর্মীর মতো আচরণ করবেন। আপনি তাদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করবেন। আর এইভাবেই আপনি তাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠবেন। আর তাই নেতৃত্বের একটি বড় শর্ত ভালো শ্রোতা হওয়া।
৫. দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা : একজন প্রকৃত নেতা কখনোই অন্যের প্রশংসা করতে দ্বিধা করবেন না। এবং নিজের ভুল স্বীকার করতেও ভয় পান না। তারা সব সময় তাদের ভুল স্বীকারের জন্য প্রস্তুত থাকেন এবং ভুল থেকে কিছু শিখে নেন। কোনো মানুষই ভুলের উর্ধ্বে নন। আমরা সব সময় ভালোকে প্রশংসার সাথে গ্রহণ করি। কিন্তু কখনোই সাহসকে প্রশংসা করি না যখন তা ব্যর্থ হয়। অনেক নেতা আছে যারা কিনা স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দায়িত্বশীলতা সব সময় এড়িয়ে চলেন। তাদের উদ্দেশ্য করে বলছি, অনেক ক্ষেত্রেই ভালো নেতার কাছ থেকে পারফেক্ট কাজ আশা করা হয় না। আশা করা হয় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা। প্রকৃত নেতৃত্ব গড়ে উঠার পেছনে এই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দায়িত্বশীলতার বিরাট অবদান। কারণ এই বিষয়গুলো যার মধ্যে আছে তিনি সবার কাছে বিশ্বাসী এবং সৎ যোগ্য নেতা হিসেবে জায়গা করে নেন।
৬. আপসহীনতা : এই রাস্তায় যাবো নাকি ওই রাস্তায় যাবো এমন সিদ্ধান্তে যাওয়াটা খুব জরুরি নয় ভালো নেতৃত্বের কাছে। একটি রাস্তা বেছে নেয়ার চেয়ে দুটি রাস্তা বুঝে নেয়াটাই হলো প্রকৃত নেতৃত্বের দক্ষতা। একটি কাজ আপনাকে কিছুটা এগিয়ে দিতে পারে কখনোই সম্পূর্ণ পথটা দেখিয়ে দেবে না। আপনাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে আপসহীনভাবে। একজন প্রকৃত নেতা কখনোই তার কাজের ব্যাপারে আপস করবে না। তার নৈতিক মূলবোধের মধ্যে থেকে জয়যাত্রা চালিয়ে যাবে। এই রকম কোনো ইতিহাস নেই যেখানে কোনো নেতা মহানুভবতা দেখিয়ে জয়ের রাস্তা থেকে সরে গেছে।
৭. ঝুঁকি গ্রহণের মানসিকতা: একজন সফল নেতা অনেক কঠিন সময় পেরিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যান। এক্ষেত্রে হার না মানার মানসিকতাই তাকে জয়ী করে তোলে। সফল নেতৃত্বের হাত ধরেই সমাজ তার গতানুগতিক ব্যবস্থা ভেঙে প্রগতিশীলতার দিকে এগিয়ে যায়। নেতা শুধু নিজেই ত্যাগ স্বীকার করেন না। অন্যকেও ত্যাগের মহিমায় দীক্ষিত করে থাকেন। ঝুঁকি এড়িয়ে যাওয়া পক্ষান্তরে সম্ভাবনাকে হাতছাড়া করার নামান্তর। গৃহীত ঝুঁকিতে প্রাপ্ত সাফল্যই সফল নেতৃত্বের মাপকাঠি।
৮. লক্ষ্য বিন্যস্তকরণ : একটি বৃহৎ সাফল্য ধাপে ধাপে অর্জিত বিভিন্ন সাফল্যের সমন্বিত রূপ। সফল নেতৃত্বের জন্য সঠিক সময়ে সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ এবং লক্ষ্য অর্জনের ধারাবাহিকতা ও সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। শুধু তাই নয়, একজন প্রকৃত নেতা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতার বদলে সহযোগীতার সৃষ্টি করে। ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যের সমন্বয় সাধনের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে প্রকৃত নেতৃত্ব। প্রতিষ্ঠানের লক্ষ উদ্দেশ্য ও কৌশল এবং ব্যক্তির লক্ষ, উদ্দেশ্য ও কৌশলের যোগসূত্রই একজন নেতাকে সফল করে তোলে।


Making a Business Plan / The Eight Key Elements Of A Business Plan
« on: December 02, 2013, 12:27:11 PM »
The Eight Key Elements of a Successful Business Plan and How to Make Them Work for You

If you don't plan for growth . . .

Now I know what you are thinking. You are thinking that you and other entrepreneurs you know have never developed a business plan and you are doing "ok" - right?

Well, here is the big secret - you can always do better. I know for me -- "ok" simply is not good enough!

And if you don't plan for growth you may grow, but chances are good you will not be able to sustain it. Planning for growth is essential. According to Price-Waterhouse-Coopers, two-thirds of CEO's of fast growth organizations develop some type of business plan.

It is actually the exercise of drafting the business plan that is important -- sometimes more important than the plan itself.

Writing a business plan forces you to focus on the important and essential elements of your business. It makes you think through your next steps and specific strategies and tactics.

But most importantly it forces you to face the facts. Because the most important element in success is this:

A good entrepreneur/executive has the ability to face the facts!

This does not mean when the facts suit you -- it means all the facts all the time.

I know so many entrepreneurs and business owners who make excuses for all the failures within their business. Sadly so many of those failures could have been avoided with the construction of a business plan.

The Eight Key Elements Of A Business Plan

1) Executive Summary: Within the overall outline of the business plan, the executive summary will follow the title page. The summary should tell the reader what you want. This is very important. Clearly state what you're asking for in the summary.

The statement should be kept short and businesslike. It should be kept to a ½ of a page to 1 full-page depending on how complicated the use of funds may be. Within that space, you'll need to provide a synopsis of your entire business plan.

2) Market Analysis: This section should illustrate your knowledge about the particular industry your business is in.

A market analysis forces the entrepreneur to become familiar with all aspects of the market so that the target market can be defined and the company can be positioned in order to collect its share of sales. A market analysis also enables the entrepreneur to establish pricing, distribution and marketing strategies that will allow the company to become profitable within a competitive environment. In addition, it gives one an indication of the growth potential within the industry, and this will allow you to develop your own estimates for the future.

Begin your market analysis by defining the market in terms of size, structure, growth prospects, trends and sales potential.

3) Company Description: This section should include a high level look at how all of the different elements of your business fit together. The company description should include information about the nature of your business as well as the crucial factors that you believe will make your business a success.

4) Organization and Management: This section includes your company's organizational structure, details about the ownership of your company, descriptions of your management team and qualifications of your panel of experts or board of directors.

5) Marketing and Sales Strategies: This is the lifeblood of your business. Marketing creates customers and customers generate sales. In this section, define your marketing strategies. Start with strategies, tactics and channels that you have used to create your greatest successes. Next, branch out to others that may be working for your competitors. Remember that this section will be constantly updated based on your results.

6) Service and/or Product Line: In this section describe your service and product. What is it that you are actually selling? Make sure to emphasize the benefits (not the features). Establish your unique selling proposition. This means you have to show not only how your product is different but also why it is better.

7) Funding Requirements: In this section state the amount of funding you will need to start or expand your business. Include best and worst case scenarios. Be realistic.

8) Financials: Develop the financials AFTER you have analyzed the market and set clear objectives. You should include three to five years of historical data.

A good business plan is never meant to be written once. And a good businessperson understands that this plan evolves as your business evolves and as your environment changes, as marketing campaigns exceed expectations or fail to meet your assumptions.

Re-visit your plan at least quarterly, monthly is best.

And remember you do not have to go through it alone. Bring your plan to lunch with a mentor or colleague. Ask questions and present data accurately.

Once you start this process you will find yourself looking forward to reviewing and updating your plan.


BBA Discussion Forum / Uttara Campus
« on: November 12, 2011, 07:28:07 PM »
Dear Members and Guests,

All the students and Faculty Members of Uttara Campus are cordially requested to post their idea, suggestions and complain about Uttara Campus, we will be concern about your opinions   

BBA Discussion Forum / Re: DIU Teacher Students Class Feedback System
« on: November 12, 2011, 07:16:55 PM »
Dear Shamima, If you have any specific complain about any Faculty or any matter please feel free to contact me. The information you will provide us may be helpful for ensuring the quality education of this University.The matter will be treated as confidential. Thanking you, Kazi md. Diljeb Kabir, Administrative Officer

Pages: 1 ... 9 10 [11]