Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - rumman

Pages: [1] 2 3 ... 68
1
মহামারি করোনা পুরো বিশ্বকে ব্যস্ত করে রেখেছে, শুধু তাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায়। ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্র সব পর্যায়ে একটাই চিন্তা কীভাবে করোনা ঠেকানো যাবে।
আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবে কোটি কোটি মানুষ। কবে আবার মুক্ত বাতাসে মন ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারবে। প্রিয় বন্ধুকে রাস্তায় দেখলে নিশ্চিন্তে বুকে জড়িয়ে ধরবে। 

সবার এই আশা পূরণের চেষ্টা করে যাচ্ছেন বিশ্বের বহু গবেষক-প্রতিষ্ঠান। কিছু সফলতার কথাও আমরা জানি। করোনা সংক্রমণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পরীক্ষা করা ও সঠিক রিপোর্ট পাওয়া। আর যত দ্রুত এটা পাওয়া যাবে তা আক্রান্তের জন্য যেমন ভালো, তার চার পাশের মানুষের জন্য আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। 

দ্রুত টেস্ট ও পরীক্ষার ফল পাওয়া যাবে ১৫ মিনিটে ও খরচ হবে মাত্র ৫ মার্কিন ডলার বা ৪০০ টাকা।

সম্প্রতি মার্কিন দ্যা ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন Abbott (অ্যাবোট) নামে একটি প্রতিষ্ঠানের তৈরি র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট কিটের বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছে। যেখানে বলা হয়, যত বেশি টেস্টিং করা যাবে, তত দ্রুত রোগীদের চিহ্নিত করে রোগের থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। 

প্রতি মাসে প্রতিষ্ঠানটি  পাঁচ কোটি টেস্ট কিট তৈরি করতে পারবে। ফলে টেস্টিংয়ের সংখ্যা আরও বাড়বে এটি এলে।

অ্যাবোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, করোনা আক্রান্তের শরীরে উপসর্গ দেখা দেওয়ার সাতদিনের মধ্যে এই টেস্টিং কিটে টেস্ট করতে হবে। অনেকটা প্রেগেনন্সি টেস্টিং কিটের মতো এটি কাজ করবে। দাবি করেছে, এই বিশেষ কিট ব্যবহার করে মাত্র ১৫ মিনিটেই পজিটিভ স্যাম্পেলের ক্ষেত্রে ৯৭ শতাংশ সাফল্য মিলেছে, আর নেগেটিভ স্যাম্পেলের ক্ষেত্রে সাফল্য মিলেছে ৯৮.৫ শতাংশ।


Source: বাংলাদেশ সময়: ১১১১ ঘণ্টা, আগস্ট ২৯, ২০২০

2
কিডনি রোগীদের অনেক শারীরিক দুর্বলতা ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। বিশেষ করে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে পা ফুলে যায়।
অসহনীয় ব্যথায় পা নাড়ানোও কষ্টকর হয়ে যায়। 

বিশেষজ্ঞরা বলেন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণেই রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়ে। যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন পায়ের ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা :
•    প্রথমেই খাবার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। রান্নায় তেল মশলা কম দিন। এছাড়া বড় মাছ, রেড মিট, দুধ, বেকন, কলিজা, চিনি খাওয়া কমিয়ে দিন
•    পিনাট বাটার, ফল, শাকসবজি বেশি পরিমাণে খান। শস্যদানা, রুটি, আলু খেতে পারেন তবে পরিমিত
•    দুধ খেলে ফ্যাট ফ্রি
•   দুধ-চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি ও দুধ চায়ের পরিবর্তে গ্রিন টি পান করুন
•    ওজন অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে
•    খাদ্য তালিকায় কমলা, লেবু ও আঙুরের মতো ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল রাখুন
•   রাতে ঘুমানোর আগে ২ টেবিল চামচ আপেল সিডার ভিনেগার আধা কাপ পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে উপকার পাওয়া যায়
•   পায়ের নিচে বালিশ রেখে ঘুমালেও পায়ের ব্যথায় কিছুটা আরাম পাওয়া যায়
•    নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, হৃদরোগ থাকলে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যায়। ফলে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চলতে হবে। 

Source: বাংলাদেশ সময়: ১৭০৫ ঘণ্টা, আগষ্ট ২৭, ২০২০

3
সারা দুনিয়া ছেয়ে আছে করোনার কালো মেঘে। করোনা ছড়াচ্ছে আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। এই গুমোট পরিস্থিতির মধ্যে ব্যাপক আশার খবর দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের পথে যুগান্তকারী অগ্রগতির দাবি জানিয়েছেন তারা। কানাডার সানিব্রুক গবেষণা সংস্থা, টরেন্টো ইউনিভার্সিটি ও ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটির একদল বিজ্ঞানী ও গবেষক জানিয়েছেন, এরই মধ্যে তারা করোনা ভাইরাসের গঠনকাঠামো আলাদা করতে ও তার প্রতিলিপি তৈরিতে সক্ষম হয়েছেন। এই প্রতিলিপির মাধ্যমে বড় আকারে করোনা ভাইরাসের জীবতত্ত্ব বুঝে ওঠা যাবে। আর তা এ ভাইরাস শনাক্তকরণ, নিরাময়, প্রতিষেধক আবিষ্কারে ব্যাপক সহায়তা করবে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এক বিবৃতিতে ওই বিজ্ঞানীরা জানান, সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত কানাডার দুই রোগীর শরীর থেকে তারা এ ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে গবেষণা চালান। এবং এক পর্যায়ে করোনার গঠনকাঠামো চিহ্নিত ও এর প্রতিলিপি তৈরিতে সক্ষম হন।

গবেষক দলে থাকা ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটির এনএসইআরসি বিষয়ক পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো আরিঞ্জয় ব্যানার্জি বলেন, ‘আমরা কভিড-১৯ ভাইরাস সৃষ্টির নিয়ামক সার্স-কভ-২ ভাইরাসকে আলাদা করতে সক্ষম হয়েছি। এখন আমরা এ বিষয়ক তথ্যউপাত্ত অন্য গবেষকদের জানাবো। একটা টিমওয়ার্কের মধ্য দিয়ে কাজ এগোবে।’

‘এভাবে ল্যাবে এ ভাইরাসের যতো প্রতিলিপি তৈরি করা যাবে গবেষণা ততো এগোবে। করোনা মহামারীর প্রতিষেধক আবিষ্কারে আমাদের প্রধান বিষয়গুলো খুঁজে বের করতে হবে। এ মুহূর্তে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় কিছু করাটা জরুরি। দরকারি গবেষণার মধ্য দিয়ে এই নভেল ভাইরাসের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।’

এদিকে প্রাণঘাতী কভিড-১৯ ভাইরাসের প্রতিষেধক উদ্ভাবনে চীনের ৮টি সংস্থা ৫ ধরনের গবেষণা চালাচ্ছে। আগামী মাসের মধ্যে তারা খুব জরুরি প্রয়োজনে ও মেডিক্যাল ট্রায়ালের জন্য এক ধরনের প্রতিষেধক উদ্ভাবন করতে পারবে বলে আশা করছে।   

Source: বাংলাদেশ সময়: ১০১৫ ঘণ্টা, মার্চ ১৪, ২০২০

6
Allah: My belief / Allah forgives anyone when He forgives
« on: August 28, 2019, 11:21:55 AM »
ভুল-ত্রুটি ও ভালো-মন্দের মিশেলে মানুষের জীবন। কেউ ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু কারো ভুলে তার প্রতি  ক্রোধ দেখানো, রাগ ঝাড়া, জেদ-উত্তেজনা কিংবা উগ্র-কাতর হওয়া ভীষণ নিন্দনীয়। এসব মানুষকে ছোট করে। আমলনামা থেকে সওয়াব মুছে দেয়। বিপরীতে ক্ষমা মানুষের মান-মর্যাদা বাড়ায়। কাউকে ক্ষমা করে একজন সাধারণ মানুষও হয়ে ওঠতে পারেন অসাধারণ মানুষ। ক্ষমাশীল মানুষ সর্বোত্তম ব্যবহারকারী ও ধৈর্যশীল। যিনি উদারপ্রকৃতির, তিনিই ক্ষমাশীল। যাদের এ ধরনের গুণাগুণ রয়েছে, তারা আল্লাহ তাআলার বিশেষ নেয়ামতপ্রাপ্ত। ক্ষমাকারী ধৈর্যবান ও সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।

মহান আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। যে অন্যকে ক্ষমা করে তাকেও ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা সুসময়ে ও দুঃসময়ে ব্যয় করে এবং ক্রোধ সম্বরণ করে ও মানুষকে ক্ষমা করে। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৩৪)

জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে মানুষ অন্যের রূঢ় বা কটু কথাবার্তা কিংবা অশোভনীয় আচার-আচরণে কষ্ট পেয়ে থাকেন। ফলে একে অপরে মতবিরোধ তৈরি হয়। অনেক সময় মতবিরোধ ও মতানৈক্যকে কেন্দ্র করে পরস্পরের মধ্যে সংঘাত ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আল্লাহ তাআলা মানুষকে আদেশ দিয়েছেন, যেন একে-অপরকে ক্ষমা করে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘যদি তোমরা ভালো কিছু প্রকাশ করো কিংবা গোপন করো অথবা মন্দ ক্ষমা করে দাও, তবে নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, ক্ষমতাবান।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১৪৯)

ক্ষমাকারীকে আল্লাহ তাআলা বিশেষভাবে পুরস্কার দেবেন। পরস্পরের মধ্যে বিরোধ নিষ্পন্নকারীও আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কার পাবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর মন্দের প্রতিফল মন্দ। অতঃপর যে ক্ষমা করে দেয় এবং আপস নিষ্পত্তি করে, তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে রয়েছে। নিশ্চয় আল্লাহ জালিমদের পছন্দ করেন না।’ (সুরা শুরা, আয়াত: ৪০)

ক্ষমা করলে কারও মর্যাদা কমে না। বরং বহু গুণে ক্ষমাশীল ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন করেছেন, সদকা করলে সম্পদের ঘাটতি হয় না। যে ব্যক্তি ক্ষমা করে, আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। আর কেউ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিনীত হলে, তিনি তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন। (মুসলিম, হাদিস: ২৫৮৮)

উদারতা ও সহিষ্ণুতা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। কোমলতা ও হৃদয়ার্দ্রতা মুমিনদের বিশেষ একটি গুণ। আল্লাহর রাসুল (সা.) যখন সাহাবি মুয়াজ  (রা.) ও মুসা (রা.) কে ইয়ামেনে প্রেরণ করেন ও আদেশ দেন, ‘লোকদের প্রতি কোমলতা করবে, কঠোরতা করবে না, তাদের সুখবর দেবে, ঘৃণা সৃষ্টি করবে না। পরস্পর একমত হবে, মতভেদ করবে না।’ (বুখারি, হাদিস: ৩০৩৮)

পরিবারিক, সামাজিক ও জীবনের অন্যান্য পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ দেখা যাওয়া স্বাভাবিক। তবে এমন হলে, মুসলমান হিসেবে প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো অন্যকে ক্ষমা করে দেওয়া। পারস্পরিক ভুল-ত্রুটিগুলোকে শুধরে দেওয়া। এতে সম্পর্ক ও বন্ধন আরো মজবুত ও অটুট হয়। আল্লাহ সবাইকে ক্ষমাশীল হওয়ার তাওফিক দান করুক। আমিন।

Source: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

11
ক্যান্সার থেকে মুক্তি – ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।তার মতে, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-
১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।
২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।
৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।
উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।”

সূত্র: রেডিট

12
১- আল্লাহ তাআলার সাথে শিরক করা,

২- মানুষ হত্যা কর,

৩- যাদু করা (ভান, টোনা মেরে মানুষের ক্ষতি করা)

৪- নামাজ না পড়া,

৫- জাকাত আদায়ে অস্বিকার করা,

৬- কোন বৈধ কারণ ছাড়া রমজানের রোজা না রাখা,

৭- শক্তি ও সামর্থ থাকা সত্বেও হজ্ব না করা,

৮- পিতা মাতার অবাধ্য হওয়া,

৯- স্বজনদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা এবং আত্মীয়তা ছিন্ন করা,

১০- জিনা বা ব্যাভিচারে লিপ্ত হওয়া,

১১- সমকামিতা বা মহিলার পেছন পথে সংগম করা,

১২- সুদ খাওয়া,

১৩- এতিমের সম্পদ ভক্ষণ (ভোগ) করা,

১৪- আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রাসূল সাঃ এর উপর মিথ্যা আরোপ করা,

১৫- রাষ্ট্র প্রধান কতৃক প্রজাদের সম্পদ ও অধিকার আত্মসাত এবং প্রজাদের উপর অত্যাচার করা,

১৬- অহংকার,

১৭- মিথ্যা স্বাক্ষী দেয়া,

১৮- মদ পান করা,

১৯- জুয়া খেলা,

২০- সতি সাধবী মহিলার উপর মিথ্যা অপবাদ দেয়া,

২১- চুরি-ডাকাতি করা,

২২- মিথ্যা বলা, মিথ্যা কসম বা শপথ,

২৩- জুলুম বা অত্যাচার করা,

২৪- হারাম মাল ভক্ষণ এবং যে কোন ভাবে তা ব্যবহার করা,

২৫- আত্মহত্যা করা,

২৬- আল্লাহ প্রদত্ত ইসলামী বিধান বাদ দিয়ে মানব রচিত বিধানে বিচার কার্য সম্পাদন করা,

২৭- ঘুষ খাওয়া এবং ঘুষ নিয়ে কারো পক্ষে রায় দেয়া,

২৮- পোষাক পরিচ্ছেদ, চলা ফেরা ইত্যাদীতে নারী পুরুষের রূপ ধারণ করা কিংবা পুরুষ নারীর রূপ ধারণ করা

২৯- দু জনের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টির চেষ্টা এবং (দাইয়ূছ) যে নিজের পরিবারের অপকর্ম কে উদারমনা হয়ে সমর্থন করে

৩০- হারামকে হালাল করা (স্ত্রী কে তিন তালাক দেয়ার পর স্বামির জন্য ঐ স্ত্রী হারাম হয়ে যায়। কিন্তু ঐ মহিলার দ্বিতীয় কোথাও স্বাভাবিক বিয়ে হওয়ার পর যদি ঐ স্বামি তাকে তালাক দেয় তবে এই মহিলা তার প্রথম স্বামির জন্য হালাল হয়।পূণরায় বিয়ে করে তাকে গ্রহন করতে পারে। অথচ এখন দেখা যায় স্বামি স্ত্রীকে তালাক দেয়ার চুক্তি ভিত্তিক হিল্লা বিয়ে দেয়া হয় কিছু সময়ের জন্য। যখন চুক্তি মাফিক চুক্তি বিয়ের স্বামি মহিলাকে তালাক দেয়,প্রথম স্বামি পূণঃ বিয়ে পড়ে তাকে গ্রহন করে। এটা শরিয়ত সন্মত নয়। এখানে চুক্তি ভিত্তিক স্বামি হল হালাল কারী আর প্রথম স্বামি হল যার জন্য হালাল করা হয়েছে। এখানে উভয়েই এই কবিরা গুনায় সমান অংশিদার।)

৩১- প্রস্রাব থেকে পরিচ্ছন্ন না থাকা (এটা খৃষ্টান্দের একটি সংস্কৃতি)

৩২- চতুস্পদ প্রাণীর মুখে লোহা দিয়ে চিহ্ন দেয়া

৩৩- দুনিয়া হাসিলের উদ্দ্যেশ্যে দ্বিনী এলেম শিক্ষা করা এবং এলেম শিক্ষা করে তা প্রচার ও প্রকাশ না করে লুকিয়ে রাখা

৩৪- গচ্ছিত মাল বা আমানতের খেয়ানত করা,

৩৫- কারো উপর দয়া,অনুগ্রহ,দান বা উপকার করে খোঁটা দেয়া,

৩৬- তাক্বদীর বা ভাগ্য কে অস্বিকার করা,

৩৭- চুপি চুপি লুকিয়ে মানুষের গোপন কথা শ্রবণ করা,

৩৮- চোগলখোরি বা বিবাদ সৃষ্টির লক্ষ্যে এক জনের কথা অন্যের নিকট আদান প্রদান করা,

৩৯- কাউকে লানত বা গালিগালাজ করা,

৪০- অঙ্গীকার,ওয়াদা বা চুক্তি ভঙ্গ করা,

৪১- জ্যোতিষি গনক বা যাদুকরকে বিশ্বাস করা,

৪২- স্ত্রী স্বামীর অবাধ্য হওয়া,

৪৩- বিপদের সময় চিৎকার করে কান্নাকাটি করা,বুক বা মুখ চাবড়ানো,পরিধেয় পোষাক ছিঁড়ে ফেলে,মাথা ন্যড়া করা,চুল ছিঁড়ে ফেলা,নিজেদের জন্য ধ্বংশ ইত্যাদী ডেকে বিলাপ করা,

৪৪- বিদ্রোহ করা বা অতিরঞ্জিত করা,

৪৫- দুর্বল অধিনস্ত দাস দাসী, স্ত্রী কিংবা কোন প্রাণীর উপর হাত উঠানো বা প্রহার করা,

৪৬- প্রতিবেশী কে যেকোন ভাবে কষ্ট দেয়া বা গালি দেয়া

৪৭- স্বর্ণ কিংবা রৌপ্যের পাত্রে আহার বা পান করা এবং পুরূষ রেশমি কাপড় (সিল্ক) বা স্বর্ণ পরিধান করা

৪৮- আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে প্রাণী জবাই করা যেমন শয়তানের নামে যাদু করার জন্য,মূর্তির নামে,পীর সাহেবের নিয়তে ইত্যাদী,

৪৯- জেনে শুনে নিজ পিতাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে পিতা বলে মানা বা দাবী করা,

৫০- ঝগড়া বিবাদ,কারো সাথে নিজের ব্যাক্তিত্ত্ব প্রকাশ বা তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দ্যেশ্যে বিতর্কে লিপ্ত হওয়া

৫১- ধোকাবাজী করা ও ঠকানো এবং মাপে কম দেয়া (এটা খুব বেশি দেখা যায় আমাদের দেশের গোশ্ত বিক্রেতাদের মাঝে। এছাড়া অন্যরা ও করে থাকে।)

৫২- আল্লাহ তাআলার পাকড়াও ও হস্তক্ষেপ থেকে নিশ্চিন্ত ও নির্ভয় হওয়া,

৫৩- মৃত প্রাণীর গোস্ত এবং প্রাণীর রক্ত ও শুকরের গোস্ত খাওয়া,

৫৪- কোন ওজর (শরীয়ত স্বিকৃত সমস্যা) ছাড়া জুমার নামাজ বা জামাত ছেড়ে দিয়ে একাকী নামাজ আদায় করা

৫৫- আল্লাহ তাআলার রহমত ও অনুগ্রহ থেকে নৈরাশ হওয়া

৫৬- কোন মুসলমান কে কাফির বলা

৫৭- মুসলমানদের মধ্যে গোয়েন্দাগিরী ও তাদের গোপনীয়তা সম্পর্কে অবগত হওয়া (বিবাদ সৃষ্টির লক্ষ্যে)

৫৮- সাহাবাদের কাউকে গালি দেয়া,

৫৯- বিচারক কার্যে অনিয়ম করা,

৬০- বংশ নিয়ে একে অপরকে তিরস্কার বা ধিক্কার দেয়া বা হেয় প্রতিপন্ন করা,

৬১- মৃত ব্যাক্তির উপর চিৎকার করে আহাজারি করা, বুক চাবড়িরা, বুক চাবড়িয়ে জামা কাপড় ছিড়ে বিলাপ করা,

৬২- রাস্তার চিহ্ন বা মাইলফলক সরিয়ে ফেলা (মিটিয়ে দেয়া)

৬৩- কোন অসৎকাজ প্রতিষ্ঠা কিংবা মানুষকে পথভ্রষ্টতার দিকে আহবান করা,

৬৪- মহিলারা নিজের চুলের সাথে নকল চুল মিলানো এবং চেহারার লোম ইত্যাদী উঠানো সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য,

৬৫- কোন ধাতব বা ধারাল বস্তু অন্যের দিকে উঁচু করা বা আঘাতের লক্ষ্যে নিশানা বানানো,

৬৬- পবিত্র হারাম শরিফে (মক্কায়) বা হারামের সিমানার মধ্যে অন্যায় অত্যাচারে লিপ্ত হওয়া।

হে আল্লাহ্ তুমি আমাদেরকে কবীরা গুনা থেকে হেফাজত কর। আমিন।।

13
Islam & Science / False is not the act of believing
« on: April 03, 2019, 11:34:21 AM »

মিথ্যা বলা অশোভনীয় ও অত্যন্ত ঘৃণিত কাজ। চারিত্রিক স্খলনের কারণে অনেকে মিথ্যায় জড়িয়ে যায়। মনুষ্যত্ববোধ ও রুচিশীলতা লোপ পেলেও অনেকে মিথ্যার বেসাতি তৈরি করে। কিন্তু সুস্থ ও সঠিক মন-মস্তিষ্ক কোনোক্রমেই মিথ্যা সমর্থন দিতে পারে না।

মিথ্যা ভয়াবহ গুনাহ। মিথ্যা থেকে বেঁচে থাকতে ইসলাম দৃঢ়ভাবে সতর্ক করেছে। ইসলামে মিথ্যার সামান্যতম আশ্রয় বা সুযোগ নেই। কোরআন ও হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণিত যে, এটা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম ও গর্হিত। মিথ্যাবাদীর পরিণাম দুনিয়া ও আখেরাতে খুবই নিন্দনীয়। তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি ক্ষেত্রে ও মৌলিক স্বার্থে মিথ্যা বলার অবকাশ দেওয়া হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘মিথ্যা তো তারাই বানায়, যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের ওপর ঈমান রাখে না। বস্তুত তারাই মিথ্যুক।’ (সুরা নাহাল, আয়াত: ১০৫)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘মুনাফেকদের নিদর্শন তিনটি : কথা বলার সময় মিথ্যা বলা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা এবং আমানতের খেয়ানত করা।’ (বুখারি, হাদিস নং : ৩৩, মুসলিম, হাদিস নং : ৫৯)

মুসলিম মনীষীরা বলেছেন, সবচেয়ে বড় মিথ্যা হলো আল্লাহ ও তার রাসুল (সা.) এর ওপর মিথ্যারোপ করা। এর শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ। কেউ কেউ এ জাতীয় মিথ্যুককে কাফের পর্যন্ত বলেছেন। আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘আর তোমাদের জিহ্বা দ্বারা বানানো মিথ্যার ওপর নির্ভর করে বলো না যে, এটা হালাল এবং এটা হারাম, আল্লাহর ওপর মিথ্যা রটানোর জন্য। নিশ্চয় যারা আল্লাহর নামে মিথ্যা রটায়, তারা সফল হবে না।’ (সুরা নাহাল, আয়াত : ১১৬)

আলী (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা আমার ওপর মিথ্যা বলবে না, যে আমার ওপর মিথ্যা বলবে, সে যেন জাহান্নামে প্রবেশ করে।’ (বুখারি, হাদিস নং : ১০৬)

ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, ‘এর অর্থ হচ্ছে যে রাসূল সা. এর ওপর মিথ্যা বলবে সে যেন নিজ স্থায়ী ঠিকানা জাহান্নাম বানিয়ে নেয়।’ (তারিকুল হিজরাতাইন : ১৬৯)

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনরা! তোমরা আল্লাহর জন্য ন্যায়ের সঙ্গে সাক্ষ্যদানকারী হিসেবে সদা দণ্ডায়মান হও। কোনো কওমের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে কোনোভাবে প্ররোচিত না করে যে, তোমরা ইনসাফ করবে না। তোমরা ইনসাফ করো, তা তাকওয়ার নিকটতর।’ (সুরা মায়েদা, আয়াত : ৮)

হাফস ইবন আসেম থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেনে, ‘ব্যক্তির মিথ্যুক হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনবে তাই বলবে।’ (মুসলিম : ৫)

ইমাম নববি (রহ.) বলেন, ‘এ সব হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়, যা যা শোনা যায় তার সব কিছু বলা নিষেধ। কারণ, প্রতিনিয়ত সত্য-মিথ্যা অনেক কিছুই শোনা যায়, অতএব যে ব্যক্তি সব কিছু বলে বেড়াবে—তার দ্বারা মিথ্যা প্রচারিত হওয়াই স্বাভাবিক, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক থাকবে না। আর এটাই হচ্ছে মিথ্যা, মিথ্যার জন্য ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোনো দখল নেই। হ্যাঁ, গোনাহগার হওয়ার ইচ্ছা শর্ত। আল্লাই ভাল জানেন।’ (শরহু মুসলিম : ১/৭৫)

মিথ্যা বলার অনুমতি রয়েছে যেসব কারণে
এক. যুদ্ধে মিথ্যা বলা বৈধ।
দুই. দু’পক্ষের মাঝে সমঝোতা করার জন্য মিথ্যা বলা বৈধ।
তিন. স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসা ও মিল তৈরির করার জন্যও মিথ্যা বলা বৈধ।

উম্মে কুলসুম (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.) কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি দুই জনের মাঝে সমঝোতা করার জন্য ভালো কথার আদান-প্রদানকালে মিথ্যা বলে—সে মিথ্যুক নয়।’ (বুখারি, হাদিস নং : ২৫৪৬; মুসলিম, হাদিস নং : ২৬০৫)

আসমা বিনতে ইয়াজিদ বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তিন জায়গা ব্যতীত মিথ্যা বলা বৈধ নয়। স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য মিথ্যা বলা, যুদ্ধে মিথ্যা বলা এবং দু’জনের মাঝে সমঝোতা করার জন্য মিথ্যা বলা বৈধ। (তিরমিজি, হাদিস নং : ১৯৩৯; সহিহ আল-জামে : ৭৭২৩)

Source: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

14
মেঘের গর্জন ও বজ্রপাত প্রকৃতির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মহান আল্লাহ তাআলা প্রকৃতির এ নিয়ম নির্ধারণ করে দিয়েছেন। বজ্র-নিনাদের মাধ্যমে প্রকৃতি মহান আল্লাহর একচ্ছত্র আধিপত্য, তাঁর পরিপূর্ণতা ও মহিমা বর্ণনা করে থাকে। এছাড়াও মেঘমালা সৃষ্টি ও বৃষ্টিপাত ঘটানোর দায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতারা মেঘের গর্জনের সৃষ্ট আতঙ্কে আরো বেশি আল্লাহর মহিমা ও গুণকীর্তন করেন।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তার (আল্লাহর) সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করে বজ্রধ্বনি এবং ফেরেশতারাও, সভয়ে (তাঁর তাসবিহ পাঠ করে)। তিনি বজ্রপাত করেন এবং যাকে ইচ্ছা তা দিয়ে আঘাত করেন। তার পরও তারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতণ্ডা করে। অথচ তিনি মহাশক্তিশালী।’ (সুরা রাদ, আয়াত : ১৩)

বজ্রপাতের কারণে প্রলয়ঙ্করী শব্দ হয়। বজ্রপাত কখনো কারো প্রাণ কেড়ে নেয়। আবার কখনো কারো কোনো ক্ষতি হয় না। এসব আল্লাহর নিরঙ্কুশ অস্তিত্বের প্রমাণ বহন করে।

বৃষ্টি আল্লাহর রহমতের নিদর্শন। কিন্তু কখনো আবার বৃষ্টি আজাবেও রূপ নিতে পারে। বৃষ্টির কারণে ও প্রাকৃতিক বৈরিতার কারণে অনেকে কষ্টে পড়তে পারেন।  নানা ধরনের অসুবিধাও তৈরি হতে পারে। আয়েশা (রা.) বলেন, যখন আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হতো এবং ঝোড়ো বাতাস বইত—তখন রাসুল (সা.) এর চেহারায় চিন্তার রেখা ফুটে উঠত। এই অবস্থা দেখে তিনি এদিক-সেদিক পায়চারি করতে থাকতেন এবং এ দোয়া পড়তে থাকতেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরা মা-ফিহা ওয়া খাইরা মা-উরসিলাত বিহি, ওয়া আউজুবিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা-ফিহা ওয়া শাররি মা-উরসিলাত বিহি।’ অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এ বৃষ্টির মাধ্যমে প্রেরিত সমূহ কল্যাণ প্রার্থনা করছি, আর এ বৃষ্টির মাধ্যমে প্রেরিত সমূহ বিপদাপদ থেকে পরিত্রাণ চাই।’ এরপর যখন বৃষ্টি হতো তখন মহানবী (সা.) শান্ত হতেন।

আয়েশা (রা.) আরো বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছি যে লোকজন মেঘ দেখলে বৃষ্টির আশায় আনন্দিত হয়ে থাকে, আর আপনি তা দেখে চিন্তিত হয়ে পড়েন?’ এর জবাবে রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমি এ ভেবে শঙ্কিত হই যে বৃষ্টি আমার উম্মতের ওপর আজাব হিসেবে পতিত হয় কি না। কেননা আগের উম্মতদের ওপর এ পদ্ধতিতে (বৃষ্টি বর্ষণের আকারে) আজাব পতিত হয়েছিল।’ (মুসলিম, হাদিস নং : ৮৯৯)

তাই ঈমানদারদের উচিত, আকাশে বৃষ্টির ভাব দেখলে উল্লিখিত দোয়া পাঠ করা।

অন্যদিকে বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে মহানবী (সা.) একটি বিশেষ দোয়া পড়তেন। এ দোয়া পাঠ করা হলে ইনশাল্লাহ বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের আওয়াজ শুনতেন তখন এ দোয়া পড়তেন, ‘আল্লাহুম্মা লা-তাক্বতুলনা বিগাজাবিকা ওয়া লা-তুহলিকনা বিআজা-বিকা ওয়া আ-ফিনা-ক্ববলা জা-লিকা।’ অর্থাৎ হে আল্লাহ, আপনি আমাকে আপনার গজব দিয়ে হত্যা করে দেবেন না এবং আপনার আজাব দিয়ে ধ্বংস করে দেবেন না। এসবের আগেই আপনি আমাকে পরিত্রাণ দিন। (তিরমিজি, হাদিস নং : ৩৪৫০)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুল (সা.) বজ্রপাতের শব্দ শুনলেই পড়তেন, ‘সুবহানাল্লাজি ইয়ুসাব্বিহুর রা‘অদু বিহামদিহি।’ অন্য রেওয়ায়েতে আছে, ইবনে আবি জাকারিয়া থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি বজ্রের আওয়াজ শুনে এ দোয়া পড়বে, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’, সে বজ্রে আঘাতপ্রাপ্ত হবে না। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ২৯২১৩)

Source:  ইসলাম ডেস্ক| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

15
Namaj/Salat / Salat is the best worship of the believers
« on: April 02, 2019, 01:09:10 PM »
ইসলামের মৌলিক স্তম্ভগুলোর মধ্যে নামাজ অন্যতম। যে পাঁচটি ভিত্তির উপর ইসলাম দাঁড়িয়ে আছে এর মধ্যে সালাত দ্বিতীয়। মুল স্তম্ভ বা বুনিয়াদ ছাড়া তার ভিত্তি কল্পনা করা যায় না। তেমনিভাবে নামাজ ছাড়া ইসলামের মৌলিকত্ব অসম্ভব। ঈমানের পর ইসলামে নামাজের চেয়ে গুরুত্ব অন্য কোনো ইবাদতে প্রদান করা হয়নি। কোরআন শরিফে ৮৩ বার নামাজের আলোচনা এসেছে। নামাজ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে নবী! আমার বান্দাদের মধ্যে যারা মুমিন তাদের বলুন, নামাজ কায়েম করতে।’ (সুরা ইবরাহিম, আয়াত: ৩১)

আল্লাহ তাআলা আরো ইরশাদ করেন, ‘তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১১০)
তিনি আরো ইরশাদ করেন, ‘তোমরা রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ৪৩)

আলোচ্য আয়াতে জামাতে নামাজ আদায়ের ওপর ব্যাপক গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। সাহাবেকেরাম নামাজ ত্যাগকারীকে কাফির মনে করতেন। আর জামাত ত্যাগকারীদের মনে করতেন মুনাফিক।

আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.)-কে এ কথা বলতে শুনেছি, “আচ্ছা তোমরা বল তো, যদি কারোর বাড়ির দরজার সামনে একটি নদী থাকে, যাতে সে প্রতিদিন পাঁচবার করে গোসল করে, তাহলে তার শরীরে কি কোনো ময়লা অবশিষ্ট থেকে যাবে?” সাহাবীগণ বললেন, ‘(না,) কোনো ময়লা অবশিষ্ট থাকবে না।’ তিনি বললেন, “পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের উদাহরণও সেইরূপ। এর দ্বারা আল্লাহ পাপরাশি নিশ্চিহ্ন করে দেন।’ (বুখারি, হাদিস নং: ৫২৬)

আল্লাহ তাআলা কোরআনে আরো ইরশাদ করেন, ‘আমাকে স্মরণ করো আমি তোমাকে স্মরণ রাখবো।’ (সুরা বাকারাহ, আয়াত: ১৫২)

আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ৪৫)

আল্লামা শানকিতি বলেন, ধৈৰ্য্যের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করা সুস্পষ্ট বিষয়। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করলে এক সময় তার উপর আল্লাহ্‌র রহমত নেমে আসবে এবং সে সফলকাম হবে। কিন্তু নামাজের মাধ্যমে কীভাবে সাহায্য প্রার্থনা করবে? এর উত্তর হচ্ছে, সালাতের মাধ্যমে অন্যায় অশ্লীল কাজ থেকে মুক্তি লাভ করা যায়। আল্লাহ্‌ বলেন, ‘নিশ্চয় নামাজ অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে দূরে রাখে।’ (সুরা আনকাবুত, আয়াত : ৪৫)

রাসুল (সা.) যখন কোনো সমস্যায় পড়তেন বা চিন্তাগ্রস্ত হতেন তখনই তিনি সালাতে দাঁড়িয়ে যেতেন।’ (মুসনাদে আহমাদ: ৫/৩৮৮)

সুতরাং যে কোনো বিপদাপদে ও সমস্যায় পড়লে আল্লাহর সাহায্য ও অনুগ্রহের প্রত্যাশায় নামাজে মগ্ন হওয়া চাই। পাশাপাশি পারিপার্শ্বিকভাবেও চেষ্টা-কোশেশ করতে হবে। এতে আল্লাহর সাহায্য ও সহযোগিতা মিলবে সহজে। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন।

Source:  মেহেদি হাসান সাকিফ, অতিথি লেখক, ইসলাম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Pages: [1] 2 3 ... 68