Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - rumman

Pages: 1 ... 4 5 [6] 7 8 ... 68
76
Animals and Pets / Threats to the popular of animals
« on: April 17, 2018, 09:57:23 AM »
নানা কারণে বিশ্বের অনেক প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অনেক প্রাণী আবার বিলুপ্তির পথে। সম্প্রতি এক গবেষণার ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা বলছেন, একটি প্রাণী নিজের অস্তিত্ব নিয়ে যে যে কারণে হুমকির মুখে থাকে, তার মধ্যে জনপ্রিয়তাও একটি। আর এই হুমকির মাত্রা প্রচলিত ধারণার চেয়ে অনেক বেশি।

গবেষণাটি যৌথভাবে করেছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা। তাঁদের গবেষণা প্রতিবেদনটি ছাপা হয়েছে ‘পিএলওএস’ সাময়িকীতে। গবেষণার অংশ হিসেবে তাঁরা অনলাইনে চারটি ভাষায় একটি জরিপ চালান।

জরিপের ফল বিশ্লেষণ করে প্রাণিবিজ্ঞানীরা দেখতে পান, বেশির ভাগ মানুষ জানেই না যে তাদের পছন্দের প্রাণীটি হুমকিতে রয়েছে। এমনকি তাঁরা মনে করেন, সংখ্যার দিক থেকে এসব প্রাণীর কোনো অভাব নেই। এমন মনোভাবের কারণ খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেন, নানা ধরনের বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডিং, সিনেমা কিংবা প্রদর্শনীতে জনপ্রিয় প্রাণীর ব্যবহার বেড়ে গেছে। এ ছাড়া ইন্টারনেট দুনিয়াতেও হরহামেশা এসব প্রাণী মানুষের চোখে পড়ে। এসব কারণে অনেকে মনে করেন, জনপ্রিয় প্রাণী পর্যাপ্ত আছে। পরোক্ষভাবে বলা যায়, এসব প্রাণীর সংরক্ষণের ব্যাপারে মানুষের মধ্যে তেমন সচেতনতা কাজ করে না।

উল্লেখ্য, জরিপে ১০টি প্রাণীকে জনপ্রিয় ধরা হয়। এগুলো হলো বাঘ, সিংহ, হাতি, জিরাফ, চিতা বাঘ, পাণ্ডা, চিতা, মেরু ভালুক, নেকড়ে ও গরিলা। সূত্র : বিবিসি।

Source: কালের কণ্ঠ ডেস্ক   ১৭ এপ্রিল, ২০১৮

77
Islam & Science / The work of rewarding good to others is rewarding
« on: April 12, 2018, 02:01:20 PM »

    মানুষ সামাজিক প্রাণী। একাকীত্বের তুলনায় দশজনকে সঙ্গে নিয়ে পথচলা তার ধর্ম। এই দশজনের মধ্যে সবার সঙ্গে সম্পর্কে এক রকম হয় না, তেমনি হয় না এক রকম মানসিকতাও।

    কিন্তু আন্তরিক প্রশান্তির জন্যে আবশ্যক হলো, সবার ব্যাপারে ইতিবাচক ধারণা রাখা। এমনকি যদি কারও থেকে অপরাধমূলক কাজ হয়ে যায়। তবে তার উচিত হলো দ্রুত পাপের পথ থেকে ফিরে আসা। আর সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে এমনটি ভাবা, হয়তো সে সেই অপরাধের দরুণ অনুতপ্ত ও তা থেকে ফিরে এসেছে।

    অন্যের ব্যাপারে এমন উত্তম ধারণার প্রতি তাকিদ দিয়ে হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘সুন্দর ধারণা সুন্দর ইবাদতের অংশ।’ –সুনানে আবু দাউদ: ৪৯৯৩

    ভালো ধারণার বিপরীতে মন্দ ধারণা থেকে তৈরি হতে পারে হাজারও ভুল। কেউ হয়তো কল্যাণকামীতার নিয়তে কোনো কথা বললো, মন্দ ধারণার দরুণ তা পরিণত হয় চাটুকারিতা কিংবা ছিদ্রান্বেষণে।

    ঠিক তেমনি একটা ভুলের সূত্র ধরে জমিয়ে রাখা হয় বিদ্বেষ কিংবা পরস্পর কাদা ছোঁড়াছুড়ির কোনো উপলক্ষ।

    আমাদের সমাজ মন্দ ধারণায় ছেঁয়ে আছে। মানবজীবন এই দোষে দূষিত হয়ে গেছে। অথচ ইসলাম তা সমর্থন করে না। বরং তা থেকে সাবধান করে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা অধিক ধারণা থেকে দূরে থাক। কারণ কোনো কোনো ধারণা পাপ। আর তোমরা একজন অন্যজনের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান করো না। আর একজন অন্যজনের গীবত করো না।’ -সূরা আল হুজুরাত: ১২

    কোরআনে কারিমের সতর্কতার পাশাপাশি হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সতর্ক করেছেন এ বিষয়ে।

    এ প্রসঙ্গে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা মন্দ ধারণা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা তা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।’ –সহিহ বোখারি: ৬০৬৪

    মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, ধারণা মানবিক বিষয়। ক্ষেত্রবিশেষ তা নিজের অজান্তে অন্তরে উদিত হয়। এমন অবস্থা থেকে বেঁচে থাকতে হবে।

    আর মনে এমন অবস্থা সৃষ্টি হলে তখন কী করণীয়- এ প্রসঙ্গেও ইসলাম পথ দেখিয়েছে। হাদিসে নববীতে ইরশাদ হচ্ছে, ‘তিনটি বস্তু আমার উম্মাতের সঙ্গে আবশ্যক হয়ে যাবে- ১. শুভ-অশুভের লক্ষণ, ২. হিংসা ও ৩. মন্দ ধারণা। এক ব্যক্তি জানতে চাইলো- ইয়া রাসূলাল্লাহ! এই বিষয়গুলোকে দূর করবে কোন বিষয়? তিনিউত্তরে বললেন, যখন হিংসা করবে, তখন আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে নাও। যখন মন্দ ধারণা হবে, সেটাকে (মনে) স্থান দেবে না। আর শুভ-অশুভের লক্ষণ মনে হলে সেস্থান থেকে সরে যাও।’

অর্থাৎ এই তিন দোষ থেকে মানুষের মুক্ত থাকা কঠিন। তন্মধ্যে অন্যতম হলো- অন্যের ব্যাপারে মন্দ ধারণা।

অন্যের প্রতি মন্দ ধারণার মতো কাজ থেকে পরিত্রাণের উপায় হলো- তা মনে স্থান না দেওয়া। যেখানে মন্দ ধারণাকে মনে স্থান দিতে নিষেধ করা হয়েছে, সেখানে এর বহিঃপ্রকাশ কতটা নিন্দিত ও মারাত্মক হতে পারে! এমন ধারণাকে দূরে সরিয়ে রাখা ও খামোকা মিথ্যে ভেবে ভুলে যাওয়া উচিত। একে মস্তিষ্কে স্থান দেওয়া যাবে না। তাহলেই তা থেকে মুক্ত থাকা যাবে।

Source:  মুফতি ফারহীন জান্নাত ইউসুফী, অতিথি লেখক, ইসলাম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

78

মহাশূন্যে অবস্থানকালে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে মানুষের দেহে। মহাকাশচারীদের উচ্চতা বাড়ে, পেশি ক্ষয় হয়, হাড়ের ঘনত্ব কমে, শক্তি কমে যায়। কিন্তু মহাশূন্যে মানুষের প্রজননতন্ত্র কী আচরণ করে অর্থাৎ শুক্রাণুর মধ্যে কী কী পরিবর্তন দেখা যায়, তা দেখতে এবার মহাশূন্যের উদ্দেশে শুক্রাণু পাঠিয়েছে নাসা।

স্পেসএক্স কম্পানির ড্রাগন কার্গো মহাকাশযানে করে গত ১ এপ্রিল ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে যাত্রা শুরু করে নাসার মাইক্রো-১১ মিশন। এ মিশনে হিমায়িত অবস্থায় মানুষ ও ষাঁড়ের শুক্রাণু পাঠানো হয়েছে। গতকাল বুধবার এ মিশন নিয়ে নাসার নিজস্ব ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘আমরা জানি না লম্বা সময়ে মহাকাশে থাকলে মানুষের প্রজননতন্ত্রে কী পরিবর্তন আসতে পারে। আর মহাকাশে নিয়ন্ত্রিত মাধ্যাকর্ষণের মাঝে প্রজনন সম্ভব কি না, তা বুঝতে প্রথম পদক্ষেপ হলো এই গবেষণা।’

নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, স্টেশনে অবস্থানকারী মহাকাশ বিজ্ঞানীরা পাঠানো শুক্রাণুকে ডিফ্রস্ট করবেন এবং একে রাসায়নিকভাবে সক্রিয় করে তুলবেন। এর পর মহাশূন্যে শুক্রাণুর চলন খুঁটিয়ে দেখবেন তাঁরা। সেটা ভিডিওতে ধরেও রাখবেন। পরে আবার ওই শুক্রাণুকে পৃথিবীতে ফেরত পাঠাবেন পরবর্তী পরীক্ষার জন্য।

তবে মহাকাশে শুক্রাণু পাঠানোর ঘটনা এটাই প্রথম নয়। নাসার স্পেস বায়োলজি প্রজেক্টের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী ফথি কারোইয়া জানিয়েছেন, ১৯৮৮ সালেও এ ধরনের পরীক্ষা চালানো হয়। তখন দেখা গেছে, মহাকর্ষ কমতে শুরু করলেই শুক্রাণুর গতি কমে যাচ্ছে। সূত্র : স্পেসডেইলি।

Source: কালের কণ্ঠ ডেস্ক   ১২ এপ্রিল, ২০১৮

79
Block / What is the amount of fat in the blood?
« on: April 11, 2018, 06:35:15 PM »

প্রতিটি মানুষের রক্তে নির্দিষ্ট মাত্রায় চর্বি থাকে। কিন্তু এই চর্বির পরিমাণ যখন বেড়ে যায় তখন বেড়ে যায় অনেক মারাত্মক রোগের ঝুঁকি। রক্তে অতিমাত্রার চর্বি করোনারি আর্টারি ডিজিজ বা হূদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। আসুন প্রথমে জেনে নেয়া যাক রক্তের চর্বির স্বাভাবিক মাত্রা কত। এটা আমরা লিপিড প্রফাইলের মাধ্যমে জানতে পারি। টোটাল কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা ধরা হয় ২২০ মি.গ্রাম/ডিএল পর্যন্ত বা 5.2 mmol/L আর ট্রাইগ্লিসারাইড 50-150 mg /dl পর্যন্ত স্বাভাবিক বা 2.3 mmol/HDL বা হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনকে বলা হয় ভালো কোলেস্টেরল, এটা বেশি থাকাই কাম্য। HDL 35mg /dl বা 0.9 mmol/L এর কম হলে সেটা ভালো নয়। এবারে আমরা জেনে নেবো কিভাবে আমরা রক্তে চর্বির পরিমাণ কমাতে পারি বা কম রাখতে পারি। প্রথমেই বলা যাক খাদ্যতালিকায় কী কী সংযোজন বা পরিহার করতে হবে।
           গরু ও খাসির গোশত খাওয়া কমিয়ে দিন। আর, হ্যাঁ, সেই সাথে অবশ্যই কলিজা জাতীয় খাবারও আপনাকে কম খেতে বা খাওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রচুর পরিমাণে মাছ খান। শাকসবজি ও ফল খান। দুধ বা দুধ থেকে উত্পন্ন খাদ্য যেমন- ঘি, পনির, মাখন, আইসক্রিম খাবেন না। ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে খাবেন, তার মানে শুধু ডিমের সাদা অংশ খেতে হবে। নারকেল বা নারকেল দেয়া খাবার পরিত্যাগ করুন।
খাবার তালিকা সংশোধনের সাথে সাথে হূদরোগ-এর ঝুঁকি বাড়ায় এমন কোনো অভ্যাস যেমন ধূমপান পরিহার করতে হবে। তাছাড়া উচ্চরক্তচাপ থাকলে তার জন্য সঠিক চিকিত্সা নেয়া জরুরি।
এরপর আসা যাক অ্যারোবিক এক্সারসাইজের কথায়। ব্যায়াম করার আগে চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ব্যায়াম করা স্বাভাবিকভাবেই প্রয়োজন।
         
এবার আসা যাক অ্যান্টি আক্সিডেন্ট ভিটামিনের কথায়। ভিটামিন এ, ই ও সি হচ্ছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভিটামিন। নানাভাবে এরা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় ও হূদরোগের ঝুঁকি কমায়। ভিটামিন এ রয়েছে রঙিন শাক সবজিতে। আর প্রতিদিন অন্তত ১৫ গ্রাম ভিটামিন এ আমাদের জন্য প্রয়োজন। তাই ভিটামিন সমৃদ্ধ প্রচুর পরিমাণ কাঁচা ও রান্নাকরা শাকসবজি, ফল গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। খুব দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, তারপরও রক্তে কোলেস্টেরল বা চর্বির পরিমাণ বেশি এ রকম অনেকেই আমাদের কারো না কারো পরিবারে আছেন। আর তাদেরকে তখন নানারকম ওষুধের মাধ্যমে রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।
৫০ বছর এর অধিক বয়সী অনেক মহিলার সার্জারি করে জরায়ু ফেলে দেয়া হয়। আবার সে সময় তারা এমনিতেই মেনোপজ বা রজঃনিবৃত্তি কালে চলে যান। এই সময় তারা যদি ইস্ট্রোজেন নেন তাহলে তারা হূদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারেন। কারণ ইস্ট্রোজেন বা হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি দেয়া হলে তা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। যেসব ওষুধ রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় তা চারটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। বাইল এসিড রেজিন, নায়াসিন, স্ট্যাটিন এবং ফিব্রিক এসিড থেকে প্রাপ্ত ওষুধ।
           
১. বাইল এসিড রেজিনকে প্রথম ধাপের ওষুধ বলা হয়। এই ওষুধ কোলেস্টেরল এবং বাইল এসিডের সাথে সংযুক্ত হয় অন্ত্রে এবং কোলেস্টেরলের শোষণ কমায়। এতে করে লিভার রক্ত থেকে বেশি পরিমাণ এলডিএল বা লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন শুষে নেয়। এতে করে ২৫-৩০ ভাগ এলডিএল কমে যেতে পারে। বাইল এসিড রেজিনের সুবিধা এই যে, এটা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায় এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। তবে এটা খেলে প্রচুর পরিমাণ পানি পান ও আশযুক্ত খাবার খাওয়া ভালো এবং এতে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।
২. নায়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড বি ভিটামিন। এটি ঠিক কিভাবে রক্তের চর্বির পরিমাণ কমায় তা জানা পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। জানা গেছে, লিভারের এলডিএল কোলেস্টেরল তৈরিতে এটা বাধা দেয়। এটি ১৫-২০ ভাগ এলডিএল কমাতে পারে। এবং ২০-৩৫ ভাগ এইচডিএল-এর পরিমাণ বাড়ায়। নায়াসিনের কর্মক্ষমতা ভালো কিন্তু কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। যেমন- মাথা ব্যথা, চুলকানি, মুখ চোখ ঝাঁঝাঁ করা ইত্যাদি। তবে নায়াসিন খাবার আগে ৩২৫ মি.গ্রাম অ্যাসপিরিন খেলে এগুলো কম হবে। নায়াসিন নেয়ার আগে এটাও পরীক্ষা করে দেখতে হবে যে, লিভার ঠিকমতো কাজ করছে কি না।
৩. স্ট্যাটিন বা এইচএমজি কো-এ রিডাকটেজ ইনহিবিটর-এর মধ্যে রয়েছে লোভাষ্ট্যাটিন, সিমভাস্ট্যান্টিন, প্রাভাস্ট্যাটিন, ফ্লুভাস্ট্যাটিন। নতুন আবিষ্কৃত অ্যাটরভ্যাস্টিন এবং সারভিস্ট্যাটিন। এগুলো লিভারে কাজ করে, এরা কোলেস্টেরল তৈরিতে বাধা দেয়। এতে করে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায়। স্ট্যাটিন নেয়ার আগেও লিভারের কার্যক্ষমতা দেখে নিতে হবে।
         
কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন- মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। তবে সবচেয়ে বড় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে মাংসপেশিতে ব্যথা। এই ওষুধ প্রতিদিন দিন সন্ধ্যায় একবার গ্রহণ করলেই হয়।
৪. ফিব্রিক এসিড থেকে উত্পন্ন জেমোফ্রিব্রেজিল সাধারণত ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ বেড়ে গেলে ব্যবহূত হয়। এটি ৩০-৬০ ভাগ ট্রাইগ্লিসারাইড কমায়। ১০-৩০ ভাগ পর্যন্ত এইচডিএল বাড়ায়। জেমোফ্রিব্রেজিল প্রায় সব রোগীদেরই সহ্য হয় তবে কারো কারো ডায়রিয়া, শরীরে ফুসকুড়ি ওঠা এসব হতে পারে। তা ছাড়া ডায়াবেটিস বেড়ে যেতে পারে। আগে পিত্তথলির অসুখ হয়েছে এমন রোগীর জন্য নয় এটি।
জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হূদরোগের হাত থেকে রেহাই পেতে রক্তে কোলেস্টেরলের মান বা চর্বির মাত্রা অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত রাখা প্রয়োজন। এবং মনে রাখা দরকার যে, সেটি করতে হলে প্রথমেই নজর দিতে হবে আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার দিকে। বর্জন করতে হবে অনেক কিছু আবার গ্রহণ করতেও হবে বাড়তি কিছু। আর লিপিড প্রফাইল করে জেনে নিতে হবে সব কোলেস্টেরলের মাত্রা।

           
Source: লেখক: সহযোগী অধ্যাপিকা, ফার্মাকোলজি অ্যান্ড থেরাপিউটিক্স ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ
চেম্বার: দি বেস্ট কেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
২০৯/২, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা

80

    কোরআনে কারিমে আল্লাহতায়ালা তার সাধারণ ও বিশেষ নেয়ামতগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামতকে স্মরণ করো। আল্লাহ ছাড়া কোনো স্রষ্টা আছে? তিনি তোমাদের আসমান ও জমিন থেকে রিজিক দান করেন। তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।’ -সূরা ফাতির: ৩

    আল্লাহর ইবাদত ও তার প্রতি কৃতজ্ঞতা আদায়ের দায়িত্ব পালন করতেই আল্লাহতায়ালা এসব নেয়ামত দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা ইরশাত করেন, ‘তোমাদের সব দানই আল্লাহর পক্ষ থেকে।’ -সূরা নাহল: ৫৩

    মানুষ অনেক নেয়ামতের কথা জানলেও অধিকাংশের কথা তার জানা থাকে না। অজান্তেই আল্লাহ মানুষকে বহু নেয়ামত দিয়ে থাকেন। অসংখ্য বিপদ ও সংকট থেকে তাকে রক্ষা করেন। তার ডানে-বামে ও পেছনে আল্লাহর ফেরেশতারা নিয়োজিত। তারা তাকে আল্লাহর নির্দেশে রক্ষা করে। মানুষের কোনো ইচ্ছা ছাড়াই শরীরের অনেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তার শরীর ও জীবনের উপকারার্থে কাজ করে যাচ্ছে।

    আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আর তোমাদের নিজেদের অভ্যন্তরে তোমরা কি চিন্তা করে দেখ না?’ -সূরা জারিয়াত: ২১

    কোরআনের অন্যত্র আল্লাহ বলেছেন, ‘আর তোমরা আল্লাহর নেয়ামতকে গণনা করতে চাইলে তা গুনে শেষ করতে পারবে না।’ -সূরা ইবরাহিম: ৩৪

    আল্লাহর আনুগত্য, ইবাদত, পৃথিবীকে সঠিকভাবে বিনির্মাণ ও সংশোধন করতে আল্লাহ এসব নেয়ামত দিয়ে মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। বিষয়টি কোরআনে বলা হয়েছে এভাবে, ‘আর এভাবেই তিনি তার নেয়ামতকে তোমাদের প্রতি পূর্ণ করে দেন যাতে তোমরা আত্মসমর্পণ করো।’ -সূরা নাহল: ৮১

    যে আল্লাহতায়ালার নেয়ামতগুলোকে তার সন্তোষ ও পছন্দের কাজে ব্যবহার করে, সেগুলোকে নিজের ভেতরে দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য সহায়ক বানায়, সৃষ্টির প্রতি সদাচরণ প্রদর্শন করে, তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে, সে ব্যক্তিই নেয়ামতের যথার্থ শোকর আদায় করল। আর যে আল্লাহর অসন্তোষ উদ্রেককারী কাজে সেগুলোকে ব্যবহার করে, সেক্ষেত্রে তার ওপর ন্যস্ত অন্যের অধিকার আদায় না করে সে নেয়ামতের অকৃজ্ঞতা করল।

    নেয়ামত মানুষকে যেন ধোঁকা না দেয়। তাকে অহংকারী করে না তোলো। এ নেয়ামত পেয়ে সে অন্যের চেয়ে শ্রেষ্ঠ শয়তান তাকে যেন এ কুমন্ত্রণা না দেয়। হজরত আয়েশা (রা.) হজরত মুআবিয়া (রা.) কে
    লেখেন, ‘অনুগ্রহকারীর প্রতি অনুগ্রহপ্রাপ্ত ব্যক্তির সবচেয়ে ছোট দায়িত্ব হলো প্রাপ্ত নেয়ামতটিকে গোনাহের পথে কাজে না লাগানো।’

    নেয়ামতের শোকর আদায়ের মর্যাদার চেয়ে বিপদে ও সংকটে ধৈর্য ধরার মর্যাদা এবং মুসলিম ব্যক্তির ওপর পতিত নানা দুর্ভোগ ও কষ্টের অবস্থায় আল্লাহর প্রশংসা করার মর্যাদা বেশি। এ স্তরের লোকদের সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশের জন্য ডাকা হবে। আল্লাহ আমাদের তার কৃতজ্ঞতা আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তোমরা আমাকে স্মরণ করো। আমি তোমাদের স্মরণ করব। আর আমার শোকর আদায় করো। আমার অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো না।’ -সূরা বাকারা: ১৫২

    হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তোমাদের যেসব নেয়ামত দিয়েছেন সেজন্য তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস।’ –তিরমিজি

    আল্লাহতায়ালার প্রতি ঈমান আনা সবচেয়ে বড় কৃতজ্ঞতা। এটাই রিসালাতের শোকর হবে, যা মানুষের জন্য আল্লাহ মুহাম্মাদ (সা.) কে রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছেন। এরপর অন্য সব নেয়ামতের শোকর আদায় করতে হবে। নেয়ামতের সবচেয়ে বড় অকৃতজ্ঞতা হলো- কোরআন ও সুন্নতের অস্বীকার করা। ইসলামকে অস্বীকার করে অন্য যে কোনো নেয়ামতের শোকর আদায় কোনো কাজে আসবে না।

    আল্লাহ কৃতজ্ঞ বান্দাদের নেয়ামত স্থায়ী, বৃদ্ধি ও বরকতময় করার ওয়াদা করেছেন। তিনি বলেন, ‘যদি তোমরা শোকর আদায় করো- আমি তোমাদের আরও বাড়িয়ে দেব। আর যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে আমার শাস্তি অতি কঠোর।’ -সূরা ইবরাহিম: ৭

    শোকরগুজার বান্দারা দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ লাভে ধন্য হবে। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনকারীদের অচিরেই প্রতিদান দেবেন।’ -সূরা আলে ইমরান: ১৪৪

    আল্লাহর শোকরকারী বান্দা দুনিয়া ও আখেরাতের শাস্তি ও অমঙ্গল থেকে রক্ষা পায়। কৃতজ্ঞতা নবী-রাসূল ও আল্লাহর মোমিন বান্দাদের আমল। ইসলামের শিক্ষা হলো- সব সময় কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও সঠিক পথে অবিচল থাকা


Source: মাহমুদা নওরিন, অতিথি লেখক, ইসলাম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

81
Story, Article & Poetry / 43 percent of people 'human'
« on: April 11, 2018, 09:11:17 AM »
মানবশরীরের পুরোটা নাকি ‘মানবিক’ নয়—সম্প্রতি এমনটা দাবি করেছেন এক দল বিজ্ঞানী। তাঁরা বলছেন, মানবশরীরে সর্বসাকল্যে যত জীবকোষ আছে, তার মাত্র ৪৩ শতাংশ মানবিক, অর্থাৎ মানুষের নিজস্ব। বাকি জীবকোষগুলো ‘আণুবীক্ষণিক ‘ঔপনিবেশিক’ (মাইক্রোস্কোপিক কলোনিস্ট)।

এই ‘আণুবীক্ষণিক ‘ঔপনিবেশিক’ বলতে মূলত পরজীবী অণুুজীবদের বোঝানো হয়েছে। বিষয়টিকে আরো খোলাসা করে বিজ্ঞানীরা বলছেন, যাদের নানা ধরনের রূপান্তরের ফলে অ্যালার্জি থেকে শুরু করে মানুষের বার্ধক্যজনিত অসুখ-বিসুখ হয়, তারাই এ ‘আণুবীক্ষণিক ‘ঔপনিবেশিক’। তার মানে এই নয় যে এগুলো শরীরের জন্য খারাপ।

ম্যাক্স প্লাংক ইউনিভার্সিটির ‘মাইক্রোবায়োমিন সায়েন্স’-এর অধ্যাপক রুথ লে বলেন, ‘এগুলো আপনার শরীরের জন্য অপরিহার্য। আপনার দেহ মানে কেবল আপনিই নন।’

মানুষ যত ভালো করেই হাত পরিষ্কার করুক না কেন, শরীরের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ছিদ্রের মাধ্যমে এসব অণুুজীব শরীরে প্রবেশ করবেই। এসব অণুজীবের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, আর্কিয়া ইত্যাদি।

‘ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া সান দিয়াগো’র অধ্যাপক রোব নাইট বলেন, ‘আপনি যতটা না মানবিক, তার চেয়ে বেশি অণুজীব।’ তিনি বলেন, ‘সাম্প্র্রতিক গবেষণা বলছে, গড়ে মানুষের শরীরের ৫৭ শতাংশই অণুজীবের দখলে।’ রোব নাইট জানান, ব্যক্তিভেদে এই হার এদিক-সেদিক হতে পারে, তবে পার্থক্যটা খুব বেশি নয়। সূত্র : বিবিসি

Source: কালের কণ্ঠ ডেস্ক  ,১১ এপ্রিল, ২০১৮

82
Food and Nutrition Science / What is the quality of watermelon seeds?
« on: April 05, 2018, 08:34:40 PM »
গরমের পরিচিত ফল তরমুজ। গ্রীষ্মের শুরু থেকেই বাজার ছেয়ে যায় তরমুজে। আর গরমে শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে যে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার তাও আমাদের সবার জানা। কিন্তু তরমুজ খাওয়ার সময় বীজ ফেলে দেওয়াই দস্তুর। কিন্তু জানেন কি, তরমুজের বীজের কত গুণ? মারণ ব্যাধি থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে তরমুজ বীজ।

গবেষকরা বলছেন, তরমুজের বীজে এমন এক রাসায়নিক থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর।  তাছাড়া তরমুজের বীজে থাকা একাধিক খনিজ গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষ উপকারী।

তরমুজের বীজে থাকা লাইসিন নামে উৎসেচক ডায়াবেটিস বা মধুমেহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিসে চমকে দেওয়ার মতো ফল দিতে পারে তরমুজের এই বীজ।

এছাড়া তরমুজের বীজে ক্যালোরির মাত্রা অত্যন্ত কম। এছাড়া তার মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও ফোলেট, যা গর্ভবতী নারীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

তবে এ সবই থাকে তরমুজের বীজের খোলের নীচে থাকা অভ্যন্তরীণ অংশে। ফলে তরমুজের বীজ চিবিয়ে খেলেই তার সম্পূর্ণ উপকার মেলা সম্ভব। কারণ, সাধারণত বীজের ওপরের কঠিন খোল হজম করতে পারে না প্রাণীর পরিপাকতন্ত্র।

83
Story, Article & Poetry / Look at the Atlantis!
« on: April 05, 2018, 08:08:26 PM »

পৌরাণিক উপকথার বর্ণনা অনুযায়ী ঐশ্বর্যশালী শহর ‘আটলান্টিস’ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দে গ্রিক দার্শনিক প্লেটো প্রথমবারের মতো ওই শহরের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, প্রায় ৯ হাজার বছর আগে হারকিউলিসের পিলারের পাদদেশে আটলান্টিস দ্বীপের অবস্থান ছিল।

সম্প্রতি এক দল বিজ্ঞানী হারিয়ে যাওয়া আটলান্টিসের সন্ধান দাবি করেছেন। ইন্টারনেট, স্যাটেলাইটের ছবি ও গুগল ম্যাপের ছবি পরীক্ষা করে হারিয়ে যাওয়া আটলান্টিসের অবস্থান জানা গেছে।

এ নিয়ে ইউটিউবে প্রকাশিত ভিডিও নিয়ে বেশ শোরগোল পড়েছে। তবে সেটি আদৌ আটলান্টিস শহর কি না, তা নিয়ে অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছে। আবার অনেকেই সেটিকে আটলান্টিস শহর হিসেবে বিশ্বাসও করছে।

বিখ্যাত অনুসন্ধানকারী ব্ল্যাক কাসিনস মনে করেন, আজোরেস দ্বীপের কাছাকাছি এলাকায় আটলান্টিসের ধ্বংসাবশেষ থাকতে পারে। সাগরের তলে বিশাল এলাকাজুড়েই নানা স্থাপনা ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। প্রায় ৪১৩ মাইল এলাকাজুড়ে এসব স্থাপনার সঙ্গে প্লেটোর বর্ণনার মিল আছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, ‘গুগুল আর্থের ছবিতে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে আশ্চর্য হওয়ার মতো সব দলিল

Source: কালের কণ্ঠ ডেস্ক   ৫ এপ্রিল, ২০১৮

84
Public Health / Know the Benefits Of Brinjal
« on: April 05, 2018, 07:45:23 PM »
বেগুন খুবই পরিচিত একটি সবজি। ভাজা, ভর্তা, মাছের ঝোল সবকিছুতেই বেগুনের জুড়ি নেই। কিন্তু আপনি জানেন কি কেন বেগুন খাবেন।

 কেন বেগুন খাবেন
১০০ গ্রাম বেগুনে রয়েছে ০.৮ গ্রাম খনিজ, ১.৩ গ্রাম আঁশ, ৪২ কিলোক্যালরি, ১.৮ গ্রাম আমিষ, ২.২ গ্রাম শর্করা, ২৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৯ মিলিগ্রাম আয়রন, ০.১২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি১, ০.০৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি২, ৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।

ম্যালেরিয়া
আপনি জানেন কি কচি বেগুন পুড়িয়ে, খালি পেটে একটু গুড় মিশিয়ে খেলে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ কমতে পারে। এছাড়া লিভারও ভালো রাখে।

রাতে ভালো ঘুম হয়
অনেকের বলতে শোনা যায় যে রাতে ভালো ঘুম হয় না। রাতে ভালো ঘুমের জন্য একটু বেগুন পুড়িয়ে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

গ্যাস্ট্রিকের উপকার
অনেকের গ্যাসের সমস্যা হয়। গ্যাসের সমস্যায় বেগুনপোড়ায় রোজ যদি একটু হিং ও রসুন মিশিয়ে খাওয়া যায় তাহলে গ্যাসের সমস্যা কমতে পারে।

রক্তে সুগার ও গ্লুকোজ
উচ্চমাত্রার আঁশযুক্ত সবজি হওয়ায় রক্তে সুগার ও গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে বেগুন। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় বেগুনপোড়া। তাছাঙা রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় বেগুন।

85
মহাবিশ্ব অসীম না সসীম, সেই বিতর্ক আলাদা থাক। তর্ক ভুলে মহাবিশ্বকে সসীম ধরা হলেও বর্তমানে এর আয়তন কত তা অজানা। অনেক বিজ্ঞানীর মতে, মহাবিশ্ব ক্রমবর্ধমান। এ কারণে তার সীমা বের করা সম্ভব নয়। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সময়ে তো একটা নির্দিষ্ট সীমা থাকে! সেই হিসাবে আয়তন বের করা যেতে পারে। আবার সবচেয়ে দূরের নক্ষত্রের অবস্থান ধরেও ন্যূনতম একটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

এই হিসাবে মহাবিশ্বের যে আয়তন, তাতে শেষ প্রান্তে যেতে ৯০০ কোটি বছর লেগে যাবে। তবে চলতে হবে আলোর গতিতে; অর্থাৎ সেকেন্ডে এক লাখ ৮৬ হাজার মাইল।

সম্প্রতি এই নক্ষত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে মহাকাশবিষয়ক মার্কিন গবেষণা সংস্থার (নাসা) ‘হাবল’ টেলিস্কোপ ব্যবহার করে। বর্তমানে এটিই এখন সবচেয়ে দূরের নক্ষত্র। এ বিষয়ে বিস্তারিত ছাপা হয়েছে ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ সাময়িকীতে।

বিজ্ঞানীরা এই নক্ষত্রের নাম দিয়েছেন ‘ইকারাস’। এটি গ্রিক পুরাণের একটি চরিত্রের নাম। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ ব্যবহার করেও এর আগে ১০ কোটি আলোকবর্ষের চেয়ে বেশি দূরের কোনো বস্তু দেখা সম্ভব ছিল না। কিন্তু এবার দেখা গেল কিভাবে? জবাবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে তাঁদের সহায়তা করেছে ‘গ্র্যাভিশনাল লেন্সিং’ পদ্ধতি। প্রথমে ‘হাবল’ টেলিস্কোপে একটি আলোকরশ্মি ধরা পড়ে। পরে সেই আলোকরশ্মির সূত্র ধরে দেখা মেলে ‘ইকারাস’-এর।

Source: কালের কণ্ঠ ডেস্ক   ৪ এপ্রিল, ২০১৮

86

মহাসাগরের উষ্ণ পানির প্রভাব অ্যান্টার্কটিকার বরফ নিচের দিক থেকে গলিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাচ্ছে। সেখানে পানির নিচের বরফ কী পরিমাণ গলছে, এ তথ্য জানতে নতুন এক গবেষণায় স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত নেওয়া হয়েছে। গবেষণাটি ‘নেচার জিওসায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাঁদের বিশ্লেষণে পানির নিচে লন্ডনের চেয়েও বড় আয়তনের একটি বরফ এলাকা পাওয়া গেছে। যেটি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে গলে যেতে পারে। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক হারে বরফ গলতে দেখা গেছে পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকায়।

গবেষকদলের প্রধান লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. হ্যান্স কনরাড বলেন, ‘আমাদের এই গবেষণা পরিষ্কার প্রমাণ করে যে বরফের নিচের অংশ গলে যাচ্ছে। কিছু এলাকার সন্ধান মিলেছে যেগুলো এর আগে আবিষ্কৃত হয়নি।’

জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ক্রমাগত বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে দিন দিন মানুষের ঝুঁকিও ব্যাপক হারে বাড়ছে। চলতি শতাব্দী শেষে শত শত মিলিয়ন মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।

এর আগের গবেষণা অনুযায়ী, অ্যান্টার্কটিকায় বরফ ‘বিপর্যয়ের’ কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা তিন মিটারের চেয়েও বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে।

Source: কালের কণ্ঠ ডেস্ক   ৪ এপ্রিল, ২০১৮

87

১. কফি খাওয়ার মাত্রা কমাতে হবে
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ক্যাফেইন রয়েছে এমন পানীয় বেশি মাত্রায় খেলে মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার ইচ্ছা বাড়তে থাকে। আর যেমনটা আপনাদের জানা আছে মিষ্টি মানেই অতিরিক্তি ক্যালরি। আর অতিরিক্তি ক্যালরি মানেই ওজন বৃদ্ধি পাওয়া।

২. প্রতিদিন ডাল খেতে হবে
এই ধরনের খাবার হল প্রোটিন সমৃদ্ধ। সুতরাং লাঞ্চে বা ডিনারে এক বাটি করে ডাল খেলে শরীরে প্রোটিনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকবে। আর পেট ভরা থাকলে বারে বারে অল্প অল্প করে খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমে যাবে। সেই সঙ্গে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমে ওজম বৃদ্ধির আশঙ্কাও হ্রাস পাবে।

৩. নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে
ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে প্রতিদিন অল্প-বিস্তর শরীরচর্চা করতেই হবে। না হলে কিন্তু ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা একেবারেই সম্ভব হবে না। তবে একান্তই যদি এক্সারসাইজ করার সময় করে উঠতে না পারেন, তাহলে নিয়মিত ৩০ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করবেন। এমনটা করলেও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সেই সঙ্গে মিলবে আরও অনেক উপকারিতাও।

৪. পুর্ণ শস্যজাতীয় খাবার বেশি করে খেতে হবে
প্রসেসড সিরিয়ালের পরিবর্তে খাওয়া শুরু করুন বাজরা, রাগি এবং জোয়ারের মতো খাবার। যত বেশি করে এমন ধরনের খাবার খাবেন, তত শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হবে। সেই সঙ্গে দেহের অন্দরে ফাইবারের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকবে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমবে। সেই সঙ্গে শরীরে ক্যালরি প্রবেশের মাত্রাও কমতে শুরু করবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা কমবে।

৫. খাওয়ার সময় টিভি দেখা চলবে না
একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে খাওয়ার সময় টিভি দেখলে নিজের অজান্তেই বেশি পরিমাণ খাবার খাওয়া হয়ে যায়। আর এমনটা হতে থাকলে ওজন বৃদ্ধি পেতে যে সময় লাগে না, তা বলাই বাহুল্য! প্রসঙ্গত, খেতে খেতে মোবাইল ঘাঁটলেও একই ঘটনা ঘটে। তাই বিষয়টি মাথায় রাখাও একান্ত প্রয়োজন।

৬. সবজি এবং ফল খেতে হবে
দিনে তিনবার নিয়ম করে সবজি খেতে হবে। সেই সঙ্গে যেন অবশ্যই থাকে দুটো করে ফল। এই নিয়ম মেনে চললে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি যেমন দূর হবে, তেমনি ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রাও বৃদ্ধি পাবে। ফলে শরীরের কর্মক্ষমতা তো বাড়বেই, সেই সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কাও আর থাকবে না।

৭. চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার একটা সহজ ফর্মুলা আছে। কী সেই ফর্মুলা? শারীরিক পরিশ্রমের সঙ্গে তাল রেখে যদি ক্যালরি গ্রহণ করা যায়, তাহলে ওজন বৃদ্ধির কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। তাই তো চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে। কারণ বেশি মাত্রায় চিনি খেলে শরীরে অকারণে ক্যালরির মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর ক্যালরির মাত্রা বাড়লে যে ওজন বাড়ারও সম্ভাবনা বাড়ে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না।

Source: সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

88
Environmental Science and Disaster Management / Sahara is growing
« on: April 03, 2018, 12:38:25 PM »



বিশ্বের ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার নেতিবাচক প্রভাব কতভাবে কত কিছুর ওপরই যে পড়ছে, তা নির্ণয় করতে গিয়ে বিজ্ঞানীদের একরকম হিমশিম খেতে হচ্ছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে প্রাণিকুলের অনেক সদস্যই বিলুপ্ত হয়ে গেছে, কেউ কেউ আবার বিলুপ্তির পথে। এর মধ্যে আবার এক দল গবেষক জানালেন, বিশ্ব উষ্ণায়নের কোপ পড়েছে সাহারা মরভূমির ওপরও।

গবেষকরা চুলচেরা হিসাব করে দেখেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে ১৯২০ সাল থেকে গত ৯৩ বছরে সাহারা মরভূমির ১০ শতাংশ বিস্তার ঘটেছে। আর পুরোটাই হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এই বিস্তার অব্যাহত থাকবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন গবেষকরা।

সম্প্রতি ‘জার্নাল অব ক্লাইমেট চেইঞ্জ’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, কেবল সাহারা নয়, পৃথিবীর অন্যান্য মরুভূমিরও বিস্তার ঘটে চলেছে। গবেষকদলের অন্যতম সদস্য ও সমুদ্রবিষয়ক বিজ্ঞানী সুমন্ত নিগম বলছেন, ‘আমাদের গবেষণার ফল পুরোটাই সাহারাভিত্তিক। তবে অন্যান্য মরুভূমির ক্ষেত্রেও হয়তো একই ঘটনা ঘটেছে।’ আফ্রিকায় ১৯২০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ওই সময়সীমায় বৃষ্টিপাত ক্রমাগত কমেছে এবং সাহারা মরুভূমির ১০ শতাংশ বিস্তার ঘটেছে।

Source: কালের কণ্ঠ ডেস্ক   ৩ এপ্রিল, ২০১৮

89
Mouth / Do whatever the hicca
« on: April 02, 2018, 04:49:19 PM »
হেঁচকি উঠলে অনেকে মনে করেন তার কথা কেউ মনে মনে ভাবছে। এমন অবস্থায় এক গ্লাস পানি খেয়ে নিতে বলা হয়। কখনো হঠাৎ চমকে দেবার চেষ্টা করা হয়। অথবা কেউ মাথায় আস্তে করে থাপ্পর মাড়েন। সাধারণত এভাবেই  হেঁচকি কমানোর চেষ্টা করে থাকি আমরা। তবে কিছু কিছু সময় আসে যখন হেঁচকি উঠলে লজ্জিত বা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে যেতে হয়। এরকম অবস্থায় যা করবেন:

১. গ্লাসে পানি নিন। দু’হাতের আঙুল দিয়ে কান বন্ধ করে স্ট্র দিয়ে ধীরে ধীরে পানি পান করুন। দেখবেন হেঁচকি কমে আসছে।

২. বোতল থেকে পানি খাবেন না। গ্লাসে পানি নিয়ে পরপর ১০ বার  ছোট ছোট চুমুক দিন। এভাবে তালে তালে পানি খেলে হেঁচকি কমে যাবে।

৩. মুখে হাত চাপা দিন। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন। এতে ফুসফুসে কার্বন-ডাই অক্সাইডের মাত্রা বাড়বে। এর ফলে হেঁচকি কমে যাবে।

৪. দু’হাতের আঙুল দিয়ে কান বন্ধ করে রাখুন। এতে স্নায়ুতন্ত্রে রিলাক্স করার সংকেত পৌঁছবে। ফলে মধ্যচ্ছদা প্রসারিত হবে। ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড এভাবে কান বন্ধ করে রাখুন। হেঁচকি কমে আসবে।

৫. বুক ভরে শ্বাস নিন। কিছুক্ষণ শ্বাস ধরে রাখুন। এতেও শরীরে কার্বন-ডাই অক্সাইডের মাত্রা বাড়বে। মধ্যচ্ছদা প্রসারিত হয়ে হেঁচকি কমে যাবে।

৬. কয়েক মিনিট জিভ বের করে রাখুন। এতে গ্লটিসের মুখ বড় হবে। শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতেও সুবিধা হবে, হেঁচকিও কমে যাবে।

90
Islam & Science / Islamic education to prevent depression
« on: April 02, 2018, 04:02:21 PM »

    জীবনযাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো- ‘মানসিক চাপ।’ মানসিক চাপ জীবনের একটি ধ্রুব বাস্তবতা। মানবজীবনে বিচিত্র ধরনের উত্থান-পতন রয়েছে, রয়েছে অসংলগ্নতা, দু:খ-কষ্ট, অপ্রাপ্তি ও বেদনা ইত্যাদি।

    এসব কিছু মানুষের ভেতরটাকে অস্থির ও বিষন্ন করে তোলে, অহেতুক বিরক্তির উদ্রেক ঘটায়। মানসিক চাপ ব্যক্তির ওপর তো বটেই পরিবেশের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলে।

    মানুষ যখন মানসিক চাপের সম্মুখিন হয়- তখন এক ধরনের নেতিবাচকতা তাকে পেয়ে বসে। নিজের সম্পর্কে বা নিজের দিকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে তাকাতে শুরু করে দেয়। যার ফলে আত্মবিশ্বাস নড়বড়ে হয়ে ওঠে, বিষন্নতা অবসাদ পেয়ে বসে। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মানসিক অবস্থার কুপ্রভাব ব্যক্তি আচরণের ওপর প্রভাব ফেলে। ফলে সে অশালীন ও অসংলগ্ন আচরণ করতে শুরু করে, অযথা উত্তেজিত হয়ে যায়।

    অতএব মানসিক চাপ কীভাবে প্রতিহত করা যায়, কী করে তা মোকাবেলা করা যায়; তা জানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    গবেষণায় দেখা গেছে, ধর্মীয় বোধ ও বিশ্বাস উত্তেজনা মোকাবেলায় মানুষকে হেফাজত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। আধুনিক চিকিৎসাবিদরা মানসিক কষ্ট বা মর্মযাতনা দূর করার জন্য ধর্মীয় মূল্যবোধগুলোকে ব্যক্তি মনে দৃঢ়ভাবে স্থাপনের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

    এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব লোক নিয়মিতভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতে যোগ দেয় সেসব লোকের সুস্থতার পরিমাণ যারা নিয়মিতভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতে যোগ দেয় না তাদের তুলনায় অনেক বেশি।

    এই গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত থেকে প্রমাণ হয় যে, শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে আধ্যাত্মিকতার শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে। আর ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচরণগুলোই প্রকৃত সুস্থতার কার্যকরী উপাদান।

    পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় এ বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। ওই সব আলোচনার সারমর্ম হলো- যাদের অন্তর ইমানের নূরে আলোকিত, তারা সমগ্র পৃথিবীতে সুন্দর, কল্যাণ আর ভালো ছাড়া অন্য কিছুই চোখে দেখেন না। তারা বিশ্বব্যবস্থাকে সবোর্ত্তম ব্যবস্থা বলে মনে করেন। তারা মহাপ্রজ্ঞাবান সেই স্রষ্টা ও প্রতিপালক খোদার প্রার্থনা করেন যিনি এই বিশ্ব সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি সুন্দর ও কল্যাণ ছাড়া তার সৃষ্টিকূলের জন্য অন্য কোনো কিছুই পছন্দ করেন না। এক্ষেত্রে যদি কোনো কিছুতে ঘাটতি থাকে কিংবা জটিলতা থাকে তাহলে

Source:  মাহফুজ আবেদ, অতিথি লেখক, ইসলাম, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম   

Pages: 1 ... 4 5 [6] 7 8 ... 68