Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md Asraful Alam

Pages: 1 2 [3]
32
►মনে করুন আপনি যে ফোল্ডার লক করবেন তার নাম Love এবং এটি রয়েছে E ড্রাইভে,তার মানে এর path E:\love

►ফোল্ডারটি লক করার জন্য ডেস্কটপে নোটপ্যাড ওপেন করুন start > all programes > accessories > notepad

►নোটপ্যাড ওপেন হলে লিখুন- ren love love.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}

►নোটপ্যাডটি lock.bat নামে সেভ করুন।

►এবার আরেকটি নোটপ্যাড ওপেন করে লিখুন ren love.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D} love

► দ্বিতীয় নোটপ্যাডটি key.bat নামে সেভ করুন

 

►তৈরীকৃত lock.bat ও key.bat ব্যাচ ফাইল দুটি E ড্রাইভে নিয়ে আসুন।  এখন lock.bat ফাইলে ক্লীক করলেই ফোল্ডারটি লক হয়ে যাবে।আর ফোল্ডারটি আনলক করতে key.bat ফাইলে ক্লীক করুন

33
Attachment এর ছবিটি দেখুন


35
Price starts from 8000TK only !!!! :O

Very Lucrative
Good Configured (Hi-Speed)
Compatible Contents (MS Office+ Email+ Internet Browsing+ Audio + Video etc)
Wifi and GSM SIM enabled and 3G Supported
daffodilPC Branded
Beautiful Color (white / Black)
Touch Screen
USB, WEBCAM, Blutooth
Latest Android Version
Lots more featured
Very Attractive Price

Grab yours
______________________________________
Brand : daffodilPC Tab

Model : L001-18 Display 7",Builtin 2G,RAM 512MB Storage  8 GB, WiFi, Webcam

Warranty : One Year Limited

Unit Price : BDT. 15,000.00
______________________________________
Brand : daffodilPC Tab

Model : L002-1B Display 8",Builtin 3G, Telechips TCC8803, 1.2GHz, RAM 512 MB, Storage  8GB, WiFi, Bluetooth, Webcam

Warranty : One Year Limited

Unit Price : BDT. 30,000.00
______________________________________
Brand : daffodilPC Tab

Model : L001-12 Display 7", RAM 512 MB, Storage:4 GB, WiFi, Webcam

Warranty : One Year Limited

Unit Price: BDT. 8,000.00
______________________________________


36
●●● জীবনের শেষ বক্তৃতায় র‌্যান্ডি ●●●

র‌্যানডল্ফ ফ্রেডরিক। যাকে সবাই চেনেন র‌্যান্ডি পাউশ নামে। র‌্যান্ডির জন্ম ১৯৬০ সালের ২৩ অক্টোবর। তিনি কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

র‌্যান্ডি শিক্ষকতা করছিলেন। তবে হুট করেই তার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে তার শরীরে মৃত্যুব্যাধী ক্যান্সার ধরা পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুকে পরাজয় করার জন্য চিকিৎসা শুরু করেন র‌্যান্ডি। কিন্তু সবকিছু পেছনে ফেলে মৃত্যুই তার নিয়তি হয়ে যায়।

ডাক্তার ২০০৭ সালের আগস্ট মাসে র‌্যান্ডিকে জানিয়ে দেন, সময় বেশি নেই। তবে র‌্যান্ডি তখন শিক্ষকতা নিয়েই ব্যস্ত। নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচার সিরিজ আয়োজন হতে যাচ্ছে। র‌্যান্ডিকে সেখানে বক্তৃতা দিতে হবে। র‌্যান্ডি গভীর ভাবনায় পড়ে যান বক্তৃতায় বিষয়বস্তু নিয়ে।

অবশেষে তিনি তার জীবনের শেষ বক্তৃতা দেওয়ার বিষয় নির্ধারন করেন শৈশবের স্বপ্ন পূরণ নিয়ে। ইতিহাসে ‘দ্য লাস্ট লেকচার’ নামে র‌্যান্ডির সেই বক্তৃতা বিখ্যাত। মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়েও এ মানুষটি ছিলেন অবিচল। মৃত্যুভয় তার ছিল না। বরং জীবনের প্রতিটি সময়কে উপভোগ্য করে তুলতে সক্ষম ছিলেন সাহসী র‌্যান্ডি।

কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির সম্মেলনকক্ষে ২০০৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ৪০০ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সামনে বক্তৃতা দেন র‌্যান্ডি। অবাক বিস্ময়ে সেদিন সবাই তাকিয়ে ছিলেন র‌্যান্ডির দিকে। গভীর মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন তার বক্তৃতা।

র‌্যান্ডি পাউশ ২০০৮ সালের ২৫ জুলাই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। কিন্তু মরেও তিনি অমর হয়ে রইলেন শত শত তরুণের হৃদয়ে। মৃত্যুকে জয় করতে পেরেছিলেন র‌্যান্ডি পাউশ।

--------------------------------------------------

উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য অনুযায়ী ‘লাস্ট লেকচার’ আয়োজনে আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে কেউ যদি মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে এমন লেকচার বা বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ পায় তার জন্য বিষয়টি আরো অন্যরকম। আমি ঠিক এমনই একটি জায়গায় আজ দাঁড়িয়ে।

আমি ক্যান্সারে আক্রান্ত। দীর্ঘ চিকিৎসার পর চিকিৎসকরা আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন খুব বেশিদিন আর বাঁচবো না। আমার এ বিষয়টি মোটেও পছন্দ হচ্ছে না। আমার তিনটি সন্তান আছে। কিন্তু তারপরও এই বাস্তবতায় আমার কিছুই করার নেই। আমাকে মরতে হচ্ছে।

যাইহোক। আজ এখানে মৃত্যু নিয়ে কথা বলবো না। বলবো জীবন নিয়ে। কীভাবে আমরা বাঁচবো। বিশেষ করে আমাদের শৈশবের স্বপ্ন নিয়ে। সেই সঙ্গে কিভাবে সেই স্বপ্নের ছোঁয়া পাওয়া যায়।

ছোটবেলার ছবিগুলো দেখলেই আমি আবিষ্কার করি, আমি কখনো হাসি ছাড়া ছিলাম না। প্রতিটি ছবিতে হাসছি। স্বপ্ন দেখছি। আমার অসাধারণ শৈশব ছিল।

টিভির সামনে বসে যখন আমরা দেখতে পাই চাঁদে মানুষ গিয়েছে তখন স্বপ্ন নিয়ে কোনো সন্দেহই থাকে না। সবকিছুই সম্ভব। এই আত্মবিশ্বাসটা আমাদের কখনোই হারানো উচিত না।

আমি ছোটবেলায় স্বপ্ন দেখতাম, জাতীয় ফুটবল লিগে খেলবো। এটি হলো, আমার একমাত্র স্বপ্ন যা আমি পূরণ করতে পারিনি। আমরা যখন কোনো স্বপ্ন পূরণ করতে পারি না, তখন সেটা পাওয়ার জন্য অবিরামভাবে চেষ্টা করে যাই। আমিও সেই কাজটি করেছি। দীর্ঘ সময় ধরে ফুটবল খেলেছি।

ফুটবল স্কুলের অনুশীলনে যাওয়ার পর কোচ আমাকে প্রচন্ড পরিশ্রম করাতো। বারবার ভুল ধরতো এবং ধমক দিত। আমারও মন খারাপ হতো। একদিন সহকারী কোচ এসে আমাকে বললেন, ‘তিনি তোমাকে প্রচুর খাটায়; তাই না?’ আমি বললাম, হ্যা। তখন সহকারী কোচ বললেন, ‘তার মানে তিনি তোমাকে পছন্দ করেন। যিনি বারবার তোমার ভুল ধরবে এবং তা সংশোধন করে দেওয়ার চেষ্টা করবে তিনিই তোমার ভালো চান।’

বিষয়টি আসলেই সত্যি।

এবার আসি দ্বিতীয় স্বপ্নে। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন বাবা-মার সঙ্গে ক্যালিফোর্নিয়ার ডিসনিল্যান্ডে যেতাম। সেখানে আমি এতো আনন্দ পেতাম যে মনে মনে ঠিক করেছিলাম, যখন বড় হবো তখন এমনই একটি ডিসনিল্যান্ড আমিও তৈরি করবো।

এরপর পড়াশোনা করলাম। গ্র্যাজুয়েট হলাম। আমি জুনিয়র শিক্ষকও হলাম। আমি কাজ শুরু করলাম ভার্চুয়াল রিয়েলিটি নিয়ে। গবেষণা চলতে থাকলো। সফলও হলাম। ভার্চুয়াল ভাবে আমি ডিসনিল্যান্ড ঠিকই বানালাম।

আমার স্বপ্ন সফল হলো। তবে সত্যি কথা বলতে কি, ছোটবেলার স্বপ্ন পূরণ হওয়ার জন্য প্রয়োজন ভালো বাবা-মা। যা আমার ছিল। আমার বাবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। আর আমার মা ছিলেন চমৎকার মানুষ। তার সঙ্গে ছিল আমার আত্মিক সম্পর্ক। যখন আমি পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে ঘরে ফিরি। আমার মা সবার সঙ্গে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। বলছেন, ‘এ হলো আমার ছেলে। সে ডক্টর। তবে মানুষকে সাহায্য করতে পারবে এমন ডক্টর না।’

আমি তখন মাকে নিয়ে বলতে থাকি, পিএইচডির জন্য কী পরিমাণ কষ্ট আমাকে করতে হয়েছে। মা আমাকে তখন চুপ করিয়ে বলেন, ‘একটা কথা মনে রেখ; এই বয়সে তোমার বাবা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।’

আমার বাবা-মার একটা মজার বিষয় ছিল, তারা আমাকে ঘরের দেয়ালে ছবি আঁকতে দিতেন। কেন দিতেন জানি না। তবে আমি যখন দেয়ালে ছবি আঁকতাম তখন তারা আমাকে কিছুই বলতেন না। ঘরের দেয়াল ভরা ছিল আমার আঁকা ছবি।

কেন দিতেন জানি না। হয়ত ভাবতেন, আমার প্রতিভা বিকাশ যদি দেয়ালে হয় তাতে কোনো আপত্তি নেই। তাই প্রতিটি মানুষকে প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে।

প্রতিটি মানুষকে বাঘের মতো হতে হবে। বাঘের মতো শক্তি থাকতে হবে। সবসময় কৌতুহলী হতে হবে। সবসময় হাসি-আনন্দের ভেতর সময় কাটাতে হবে।

আমি খুব তাড়াতাড়িই মারা যাচ্ছি। আমি এখনো হাসি-আনন্দের মধ্যে সময় কাটাচ্ছি। সামনেও কাটাবো। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত হেসে যাবো।

যদি নিজের স্বপ্নগুলোকে পেতে চাও তবে সব সময় সত্যি কথা বলতে হবে। দ্বিতীয়ত হচ্ছে, ক্ষমা চেতে শেখো। ক্ষমা চাওয়া খুব কঠিন কিছু না। কয়েকটি বাক্য বলতে হবে। ‘আমি দুঃখিত। এটি আমার ভুল ছিল। কীভাবে আমি সঠিকভাবে করতে পারি?’ এই সামান্য কয়েকটি লাইন আমরা বলতে পারি না।

সবশেষ হচ্ছে, প্রতিটি মানুষকে বিশ্বাস করা উচিত। প্রতিটি মানুষকে তার কাজের জন্য সময় দেওয়া প্রয়োজন। তাহলে সঠিক কাজ বের হয়ে আসবে।

আরেকটি বিষয় আমি বলতে চাই। সেটা হলো, অন্যের নামে অভিযোগ করে কখনো কোনো সমস্যার সমাধান হয় না। তোমাদের কি মনে হয়? অন্যের ভুল-ত্রুটি খুঁজে তারপর অভিযোগ করে সময় নষ্ট করা প্রয়োজন; নাকি নিজের কাজটা সঠিকভাবে করে সমস্যা সমাধান করা প্রয়োজন? সুতরাং অভিযোগের পেছনে না ছুটে কাজ করো।

পরিশেষে হলো, আমি কেন এবিষয়ে কথা বলছি? কেন এ বক্তৃতা?

আসলে আমি বোঝাতে চেয়েছি কীভাবে জীবনটাকে যাপন করতে হবে। কীভাবে কাজ করলে স্বপ্ন নিজ থেকে তোমাদের কাছে চলে আসবে। সেটাই বোঝাতে চেয়েছি। যদি তুমি সঠিকভাবে নিজের কাজ করতে পারো তবেই স্বপ্ন তোমার কাছে আসবে।

হয়ত এখানে কেউ কেউ আজকে বক্তৃতায় লাভবান হবে। তবে সত্যিকথা বলতে কী, আজকে এখানে উপস্থিত ৪০০ বেশির মানুষের জন্য দেইনি। দিয়েছি মাত্র তিনজনের জন্য। তারা হলো আমার তিন সন্তান।

ধন্যবাদ।


Collected

37
Common Forum / Lets know what is bluetooth
« on: May 28, 2012, 10:41:51 AM »
ব্লুটুথ (ইংরেজি ভাষায়: Bluetooth) ক্ষুদ্র পাল্লার জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রোটোকল। এটি ১-১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ওয়্যারলেস যোগাযোগের একটি পদ্ধতি। ব্লুটুথ-এর কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে। ব্লুটুথ ২.৪৫ গিগাহার্টজ-এ কাজ করে। ৯০০ খ্রীস্টাব্দের পরবর্তী সময়ের ডেনমার্কের রাজা Herald Bluetooth-এর নামানুসারে এই প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে। ব্লুটুথ ১.০-এর তথ্য আদান-প্রদান-এর সর্বোচ্চ গতি ছিল সেকেন্ডে ১ মেগাবিট। বর্তমানে ব্লুটুথ ২.০-এর সর্বোচ্চ গতি হল সেকেন্ডে ৩ মেগাবিট।
ব্লুটুথ প্রোটোকল বাস্তবায়নকারী যন্ত্রাংশ বা ডিভাইসগুলি দ্বিমুখী সংযোগ স্থাপন করে কাজ করে। বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। এই প্রযুক্তিতে খুব কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। এটি ক্ষুদ্র পাল্লার বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।

কিভাবে কাজ করে
ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে কম ক্ষমতা বিশিষ্ট বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো হয়। এই যোগাযোগ ব্যাবস্থায় ২.৪৫ গিগাহার্ট্‌জ (প্রকৃতপক্ষে ২.৪০২ থেকে ২.৪৮০ গিগাহার্ট্‌জ-এর মধ্যে)-এর কম্পাংক ব্যাবহৃত হয়। শিল্প, বিজ্ঞান এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাবহৃত যন্ত্রের জন্য উপরিউক্ত কম্পাংকের সীমাটি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল যে ব্লুটুথ অন্যান্য তরঙ্গ নির্ভর যন্ত্রের কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করে কিনা? উত্তর হল "না"। কারণ ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা থাকে মাত্র ১ মিলিওয়াট, যেখানে সেল ফোন ৩ ওয়াট পর্যন্ত সিগন্যাল প্রেরণ করে। অর্থাৎ ব্লুটুথের নিম্ন ক্ষমতার সিগন্যাল উচ্চ ক্ষমতার সিগন্যালে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে না।
ব্লুটুথ একসাথে ৮টি যন্ত্রের মধ্যে যোগাযোগ সাধন করতে পারে।তবে প্রত্যেকটি যন্ত্রকে ১০ মিটার ব্যাসার্ধের একই বৃত্তের মধ্যে অবস্থিত হতে হয়, কারণ ব্লুটুথ প্রযুক্তি চারিদিকে সর্বোচ্চ ১০ মিটার পর্যন্ত ক্রিয়াশীল থাকে।এখন প্রশ্ন যে, A যন্ত্রের সাথে B যন্ত্রের যোগাযোগের সময় কাছাকাছি অবস্থিত অপর দুটি যন্ত্র C ও D-এর মধ্যের ব্লুটুথ যোগাযোগ ব্যাবস্থা বাধাগ্রস্থ হয় কিনা?(কেননা দুই যন্ত্রযুগলই একই কম্পাঙ্কের ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যাবহার করছে)উত্তর হল "না"। কারণ এই সমস্যা সমাধানের জন্য ব্লুটুথ একটি পদ্ধতি ব্যাবহার করে যা কিনা "spread-spectrum frequency hopping" নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে একই সময়ে একাধিক যন্ত্রযুগল একই কম্পাঙ্ক ব্যাবহার করে না।ফলে একে অপরের যোগাযোগ ব্যাবস্থাতে বাধার সৃষ্টি করে না। এ পদ্ধতিতে কোন একটা যন্ত্র নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে অবস্থিত কম্পাঙ্ক হতে ৭৯ টি পৃথক পৃথক কম্পাঙ্ক এলোমেলোভাবে গ্রহণ করে ও একের পর এক পরিবর্তন করে। ব্লুটুথের ক্ষেত্রে, ট্রান্সমিটার প্রতি সেকেন্ডে ১৬০০ বার কম্পাঙ্ক পরিবর্তন করে।ফলে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন যন্ত্রযুগলের মধ্যে একই সময়ে একই কম্পাঙ্ক-এর তথ্য প্রেরণ অসম্ভব বললেই চলে।

38
আপনার কম্পিউটার ছেলে না মেয়ে?  ;D
জানতে হলে আপনাদের খুব সহজ কয়েকটি কাজ করতে হবে। তাহলে ঝটপট করে ফেলুনঃ-
*নোটপ্যাড ওপেন করুন। (আবার বইলেন না যে নোটপ্যাড কি?? হা হা হা)
*এবার নিচের কোডটি ঝটপট লিখে ফেলুন তো দেখি-
CreateObject("SAPI.SpVoice").Speak"i love you & i want to marry you"
*সবশেষে নিচের ছবির মত সেভ করুন computer gender.vbs নামে।
*এবার আমাদের সেভ করা ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন। কি দেখলেন??
যদি কোন মেয়েকন্ঠ আপনাকে I Love You & I want to Marry You- এই কথাটি বলে তাহলে আপনার কম্পিউটার মেয়ে।
আর যদি কোন কোন ছেলেকন্ঠ এই কথাটি বলে,তাহলে বুঝবেন আপনার কম্পিউটার ছেলে।ঝটপট জানান কার কি কম্পিউটার
সংগ্রহঃ techtunes

39
দৈনন্দিন আচার-অভ্যাসের মধ্যে কিছু কিছু এমন কাজ আছে যা ক্ষতিকর। একটু চেষ্টা করলেই স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর এসব বদভ্যাস থেকে মুক্ত হতে পারি আমরা। দেখে নিন এই অভ্যাসগুলো আপনার মধ্যে আছে কি না

১. দেরিতে ঘুম থেকে উঠার কারণে বা অন্য ব্যস্ততার কারণে সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রায়শই মুখ ধুয়ে জামা-জুতো পরে আমাদের ছুটতে হয় কর্মেক্ষেত্রে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সকালে নাশতা খাওয়ার কথা বেমালুম ভুলে যেতে হয়। কিন্তু এ কথাটা ভুলে গেলে চলবে না- সকালের নাশতাটা হচ্ছে সারাদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোজন। চেষ্টা করুন পর্যাপ্ত পুষ্টি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার দিয়ে সকালের নাশতাটা একটু ভালোমতো করে নিতে। এরপর দিনের বাকি সময়টুকুতে নির্দিষ্ট সময় পরপর ৪ থেকে ৫ বার ছোট পরিসরের কিন্তু পুষ্টিকর খাবার নিন। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর যে কোনও স্ন্যাক্সও চলতে পারে।

২. অনেকেই কফির সঙ্গে মাখনসমৃদ্ধ ক্রিমার খান। এর সঙ্গে থাকে দুধের অন্যান্য উপাদান আর সুগন্ধিযুক্ত চিনির সিরাপ। এই পানীয়টি দিনে এক বা দুই কাপ হলে ঠিক আছে। কিন্তু এর বেশি হলেই এ থেকে যোগ হওয়া বাড়তি ক্যালরি আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। মুটিয়ে যাওয়াসহ নানা স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় পড়তে পারেন এর ফলে। তাই সবচে ভালো হয় যদি ক্রিম কফিপ্রেমীরা দৈনিক কফি গ্রহণের মাত্রাটা দুই কাপের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন। পানীয়ের প্রয়োজনে যতটুকু সম্ভব পানি গ্রহণ করুন।

৩. দ্রুত খাওয়া শেষ করতে চাওয়া আজকাল প্রায় সবার মধ্যেই সংক্রমিত হয়ে গেছে। এভাবে গাপুস-গুপুস কায়দায় খাবার গ্রহণ করার বদভ্যাসটি এই মুহূর্তে ত্যাগ করুন। বিশেষ করে লাঞ্চের সময় পেরিয়ে যাওয়ার লগ্নে খাবার খেতে গিয়ে এই কাজটা বেশি হয়। এতে শাসনালিতে সমস্যাসহ দম আটকে তাৎণিক মৃত্যুও ঘটতে পারে। ‘ধর মুরগি কর জবাই’ ধরনের তাড়াহুড়ায় খাবার না খেয়ে হয়ে ধীর-স্থিরভাবে খাবারকে উপভোগ করে খেতে হবে।

৪. বেমানান ও বেসাইজের জুতো পরিধান করাও আপনার স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এ কারণে আপনার দৈনন্দিন হাঁটচলার সহজ স্বাভাবিক ভঙ্গিটি বদলে যেতে পারে যা আপনার জন্য হবে কষ্টকর আর অন্যদের চোখে হতে পারে হাস্যকর। মেয়েদের হাইহিল পরার ক্ষেত্রে বলা যায়, হয়তো আপনি ব্যথা অনুভব করছেন না, তারপরও দীর্ঘণ হাইহিল পরে থাকার কুপ্রভাব আপনার পা ও শরীরের ওপর পড়বেই। তাই যতটা সম্ভব বেখাপ্পা আর কিম্ভূত সাইজের এবং উঁচু হিলের বদলে আরামদায়ক এবং ফ্যাট হিলের জুতো বা স্যান্ডেল পায়ে দিন। এতে চলাফেরায় অহেতুক শারীরিক ঝুঁকি নেওয়া থেকে নিরাপদ থাকবেন আপনি।

৫. অনেকেই আলসেমির ফাঁদে রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে দাঁত মাজার মতো দরকারি কাজটাকে অবহেলা করেন। অবহেলাজনিত এই বদভ্যাসের দায় আপনাকে শোধ করতে হয় দাঁতে প্লাক সৃষ্টি, দাঁত ও মুখের নানাবিধ অসুখসহ পেটের পীড়া এবং গলার নানান অসুখ বাধানোর মাধ্যমে। এর সঙ্গে উপরি পাওনা হিসেবে আপনাকে মনে রাখতে হবে রাতে দাঁত না মাজার ফলে দাঁত ও মাড়িতে আস্তানা গাড়া দন্তমল ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার অভয়ারণ্য তৈরি করবে আপনার মুখে। বিষয়টি সমগ্র মানবদেহের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধায় আপনার শিশুকেও রাতে দাঁত মাজার ব্যাপারে অভ্যস্ত করে তুলুন।

৬. পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব আপনার ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। কীভাবে? ঘুমের স্বল্পতা আপনার পরিপাক ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলার কারণে অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণের অভ্যাস গড়ে উঠতে পারে। আর ভুলে গেলে চলবে না ওবেসিটি বা স্থূলতা রোগের মূল কারণগুলোর একটি হচ্ছে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস। দৈনিক অল্প ঘুমোনোদের অনেকেই আবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে একটানা দীর্ঘক্ষণ মরার মতো পড়ে পড়ে ঘুমান। এটাও মোটুত্বের কারণ হতে পারে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় ঘুমান

৭. উল্টো দিকে পিঠ বাঁকিয়ে আড়মোড়া ভাঙার কায়দায় কসরত করে অনেকেই পিঠের ব্যথা দূর করে থাকেন। এতে ক্ষতির কিছু নেই। তবে ক্ষতি হতে পারে যদি আপনি ঘুম ওঠার পরপরই এই কসরতটি করতে যান। বিশ্রামে থাকা মাংশপেশিতে হঠাৎ করেই চাপ ও সংকোচনের ফলে ক্ষণস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা দেখা দিতে পারে শরীরে। এ অবস্থার শিকার হতে না চাইলে ঘুম থেকে উঠেই পিঠ বাঁকানোর কসরত ত্যাগ করতে হবে আপনাকে। বিছানা ছাড়ার পর প্রাকৃতিক কাজ সারার পর দাঁত মাজা ও মুখ ধোয়ার কাজগুলো সারুন। তারপর চা-বা কফি পান করুন। এবার চাইলে আপনি পিঠ বাঁকিয়ে বা ডানে-বাঁয়ে শরীর টান (স্ট্রেচিং) করে নিন- কোনও সমস্যা নেই।

৮. চাপ অনুভূত হওয়ার পরেও মূত্রত্যাগে অহেতুক বিলম্ব করবেন না। প্রস্রাবের বেগ দীর্ঘণ চেপে রাখলে আপনার মূত্রথলির জন্য তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দেখা দেবে। তাই চাপ অনুভূত হওয়ার পর তা থেকে মুক্ত হতে অহেতুক বিলম্ব করবেন না। চেষ্টা করুন মূত্রথলির জন্য অস্বস্তিকর অতিরিক্ত মশলাদার খাদ্য, চকোলেট, মদ, কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত পানীয় (কার্বোনেটেড বেভারেজ), ক্যাফেইযুক্ত পানীয় (চা-কফি) বর্জন করে চলতে।

৯. আপনার ঝোলা ব্যাগ (সাইড ব্যাগ), হ্যান্ডব্যাগ বা ল্যাপটপবাহী ব্যাগটি প্রতিদিন একই দিকের কাঁধে বহন করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে কাঁধ, পিঠ বা হাত ব্যথার শিকার হতে পারেন আপনি। তাই হাঁটাচলার ক্ষেত্রে কাঁধ বা হাতে ঝোলানো ব্যাগটি ডান-বাম ও সামনে পেছনে স্থান পরিবর্তন করে নিন নির্দিষ্ট সময় পরপর। এর ফলে অহেতুক কাঁধ-হাত-পিট ব্যথার কষ্ট থেকে রেহাই মিলবে।

১০. ধূমপান এমনিতেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। যারা ধূমপান করেন, তাদের জন্য উপদেশই বলুন আর সৎ পরামর্শই বলুন, ‘এই মুহূর্তে ধূমপান ত্যাগ করুন’ কথাটি অনেক পুরনো হয়ে গেছে। তারপরেও পুরনো সেই অনুরোধ আবারও : প্লিজ, ধূমপান ছেড়ে দিন। কারণ এটি স্বাস্থ্যের জন্য সবদিক দিয়েই ক্ষতিকর। তবে এর বাইরে ধূমপায়ীদের দুটি গ্রুপ আছেন যারা নিজেদের বিরুদ্ধে এই ক্ষতিকর কাজটিও আরও মারাত্মক করে তোলেন। এদের একটি পক্ষ শুয়ে শুয়ে ধূমপান করেন আর অপরটি সকালে বিছানা ছেড়েই খালি পেটে সিগারেট ধরান। এই খালি পেটে সিগারেট ধরানোদের মধ্যে একদল আছেন যারা সকালে প্রাকৃতিক কাজ সারার সময়ে টয়লেটে ঢুকেন হাতে একটি জ্বলন্ত সিগারেট নিয়ে। দয়া করে শুয়ে শুয়ে ধূমপান, খালি পেটে ধূমপান এবং শৌচাগারে ঢুকে ধূমপানের কুঅভ্যাসটি অন্তত ছেড়ে দিন ধূমপায়ীরা। কারণ সাধারণভাবে ধূমপান করার চেয়ে এই কায়দার ধূমপায়ীরা অনেক বেশি ক্ষতির শিকার হয়ে থাকেন।

তথ্যসূত্র : এনডিটিভি ও অন্যান্য সূত্র

40
Common Forum / Take our DIU to high
« on: April 27, 2012, 04:42:27 PM »
Akhoni.com has arranged Digital Mind 2012: Inter-University Digital Marketing Competition.

Go to this link and vote for our beloved DIU.

https://www.facebook.com/questions/355292744516485/

41
প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় আর কত দিন নষ্ট করবে আমাদের দেশের এই কচি শিশুদের মেধা ???
আর কতদিন ? ছোটবেলা থেকে যে কি পড়াশুনা করে এসেছি তা এখন বুঝতে পারছি। হায়! দুঃখ একটাই যে দেশের গুণীজনরা বুঝতে পারছে না। আসলে তারা বুঝতে পারছে না নাকি বুঝেও না বোঝার চেষ্টা করতে তা বুঝে উঠতে পারছি না। মাতৃভাষা বাংলার কথাই ধরি, ছোটবেলা থেকে আমরা সবাই সমাস, সন্ধি এইসব পরে আসছি কিন্তু কতজন ছাত্রছাত্রী তা ঠিকমত পড়ে বা বুঝে এসেছে। প্রতি শ্রেণীতেই এগুলো পড়াতাম কিন্তু কিছুই মনে থাকতো না কিংবা কিছুই বুঝতাম না। ভাবতাম আমি হয়তো গবেট টাইপের ছাত্র তাই কিছু পারি না। কিন্তু না অনেকের সাথেই আলাপ করে দেখলাম যে, না, শুধু আমার না, বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীর একই অবস্থা।
আমাদের যদি প্রতি শ্রেনীতে একগাদা ব্যাকরণ না দিয়ে প্রতি শ্রেনীতে যদি ব্যাকরণের একটি একটি করে বিষয় বুঝানো হয় তাহলে সবাই ভালমত বিষয়গুলো আয়ত্ত করতে পারতো। এমনই অবস্থা ইংরেজী ক্ষেত্রেও। অংকের কথা না হয় বাদ-ই দিলাম। শুধু শুধুই ছাত্রছাত্রীদের মাঝে গণিতভীতি চাপিয়ে দেয়া হয়।
এখন একটু অন্য বিষয়ে আসি। "হিসাববিজ্ঞান" খুবই মজার একটি বিষয়। দেখেছি অনেকেই হিসাববিজ্ঞান খুব পারে কিন্তু আসল বেপারই কেউ বলতে পারে না। কাউকে যদি কোন একটি লেনদেনের ডেবিট-ক্রেডিট নির্ণয় করতে দেয়া হয় তাহলে কোনটা ডেবিট আর কোনটা ক্রেডিট তা তো নির্ণয় করতে পারে কিন্তু কেন ডেবিট হল আর কেন ক্রেডিট হল তা অনেকেই ব্যাখ্যা করতে পারে না। তাহলে এই বিদ্যার লাভ কি হল ???
এভাবেই মুখস্ত করে ভাল ফলাফল নিয়ে পাশ করে কি লাভ ???
যখন শুনলাম যে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হতে যাচ্ছে তখন তা জেনে খুব ভাল লেগেছিল যে যাক এইবার মনে হয় কিছুটা পরিবর্তন আসবে কিন্তু না, আমি হতাশ।
ভেবেছিলাম মুখস্ত বিদ্যা ছেড়ে হয়তো সবাই এবার তাদের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাবে কিন্তু না, কয়েকদিনের মধ্যেই বাজারে গাইড বই এসে গেল আর আগের মতই সবাই সেই মুখস্ত বিদ্যার হাল চালানো শুরু করল।
এর ফলাফল কি জানেন ? সবাই এসে সমস্যার সম্মুখিন হয় যখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে।
সারা জীবনতো মুখস্ত বিদ্যার হাল চালিয়ে এসেছে, যখন পরীক্ষায় কোন কনসেপচুয়াল প্রশ্ন করা হয় তখনই সবার মাঝে হায়-হুতাশ শুরু করে দেয়।
এইসবকে কি বিদ্যা বলে বিবেচিত করা যায় ???

42
BBA Discussion Forum / Re: Job Opportunity at Banglalink
« on: October 21, 2011, 07:16:56 PM »
Dear Sir
Assalamualaikum
If there any part time job opportunity for 1year students,please share.

43
Thanks a lot
It's really helpful

44
BBA Discussion Forum / partnership deed
« on: June 14, 2011, 05:28:13 PM »
I need a complete sample of partnership deed
help me

Pages: 1 2 [3]