Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Sultan Mahmud Sujon

Pages: 1 ... 100 101 [102]
1516
কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল।যারা রবি সিম ব্যবহর করেন তাদের জন্য আমার এ টিউন ।রবি মিস কল এলার্ট চালু করেছে।আপনার মোবাইল বন্ধ থাকলে বা নেটওয়ার্কের বাহিরে থাকলে কোন সমস্যা নেই। এই এলার্ট আপনার মোবাইল টি খোলার পর এসএমএস এর মাধ্যমে সকল ইনকামিং কল সম্পকে জানিয়ে দেবে। রবি মিস কল এলার্ট সেবাটির মাধ্যমে রবি গ্রাহকগণ যখন নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবে কিংবা তাদের মোবইল বন্ধ থাকবে তখন আপনকে কে ফোন করেছে কলগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন। তাহলে আর দেরি না করে সেবাটি চালু করে নিন।

কিভাবে সেবাটি চালু করবেনঃ

১ম, মেসেজ আপশনে যান reg লিখুন 8272 নাম্বারে পাঠান নিশ্চিত করন এস এম এস পাবেন।
২য়, মেনুর মাধ্যমে চালু করতে পারেন এজন্য *180*2*1# এ ডায়াল করুন এবং রেজিষ্টশন নির্বাচন করুন।
কিভাবে সেবাটি বাতিল করবেনঃ
১. আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে যান।
২. off লিখুন
৩. ৮২৭২ নম্বরে এসএমএস পাঠান।

অফটঃ
৮২৭২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে স্বাভাবিক এসএমএস চার্জ প্রযোজ্য।

যখন আপনি রবি মিস কল এলার্ট সেবাটির চালু করবেন, তখন আপনার মোবাইলফোন অনুযায়ী আউটগোয়িং কলের ক্ষেত্রে কল ডাইভার্টিং ফরওয়ার্ডিং এর বিভিন্ন বার্তা দেখতে পাবেন। এজন্য আপনার কোন কিছু করার প্রয়োজন নেই।দয়া করে আপনার মোবাইলফোনের ডাইভার্টিং ফরওয়ার্ডিং সেটিং পরিবর্তন করবেন না।সবাই ভালো থাকবেন............ধন্যবাদ

1517
আমদের জীবনে সেল ফোন এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ । কিন্তু মাঝে মাঝে আমরা অনেক বেশী ব্যস্ত থাকি । তখন কারও ফোন ধরার সময় হয় না বা ধরতে বিরক্ত লাগে। তাই বাধ্য হয়ে আপনি সেল ফোনটি বন্ধ করে দেন।পরে আপনার মিসকল এলার্টের সুবিধার্থে জানতে পারেন কে কে আপনাকে কল করেছিল।কিন্তু তখন যদি আপনার ফোনটি ওপেন রাখা জরুরী হয় তাহলে কি করবেন ?

উপায় আছে..আপনার ফোন ওপেন থাকবে..কিন্তু কেউ কল করলে জানবে বন্ধ এবং আপনি তাৎক্ষনিক এস এম এস এর মাধ্যমে জানতে পারবেন কে কল করতেছে ।

উপায়

1. আপনার মিসকল এলার্ট সার্ভিস চালু থাকতে হবে

2. Call divert option এ গিয়ে Divert all Voice Call - Active করুন 790 নম্বরে

এখন অন্য নম্বর দিয়ে আপনার নম্বরে কল করে চেষ্টা করুন ।

বি:দ্র: আমার এয়ারটেল দিয়ে এভাবে করেছি..আপনারা চেষ্টা করে দেখুন।

1518
কোয়ান্টাম মেথড: আমাদেরকে কোন পথে ডাকছে
১. ভূমিকা:

কাগজে কলমে বাংলাদেশ এখন একটি সেক্যুলার দেশ। আবার এ কথাও বলা হয়ে থাকে যে এটি ৮৮% মুসলমানের দেশ, এদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ। এই দুই সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী উপাধির মাঝে সমন্বয় সাধন করতে গেলে যে চিত্রটি ফুটে উঠে, তাই আসলে আমাদের দেশের বাস্তব অবস্থা।দেশকে সেক্যুলার করা সম্ভব হয়েছে সুদীর্ঘ সময় ধরে শুদ্ধ ইসলামিক জ্ঞানের চর্চা থেকে দেশের মানুষকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছিন্ন রাখার সুচিন্তিত পরিকল্পনা সফল হওয়ায়। অন্যদিকে, একইসাথে দেশের মানুষ তথাকথিত ধর্মভীরু হওয়ায় যে কোন ব্যবসা বা মতবাদ, তা ইসলামের সাথে যতটা সাংঘর্ষিকই হোক না কেন ইসলামিকভাবে প্যাকেট করে বাজারজাত করা হলে তাতে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হওয়া যায় নিশ্চিতভাবে। ফলশ্রুতিতে এখন শূন্য (ক্ষেত্রবিশেষে মাইনাস) জ্ঞান নিয়েও যে টপিক নিয়ে উদ্দাম আলোচনায় মত্ত হওয়া যায় তা হল ‘ইসলাম’। জেনে, বুঝে, দল নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে ইসলাম পালন করার চেষ্টা এখন নিতান্তই ক্ষুদ্র, ব্যক্তিগত উদ্যোগের মাঝে সীমাবদ্ধ। আর সেই সাথে যে কোন ধরণের বিভ্রান্ত মতবাদ প্রচার করার জন্য বাংলাদেশ এখন উত্তম Fishing Ground-এ পরিণত।

এমতাবস্থায় যখন দেখি খুব কাছের মানুষগুলো অনুরূপ কোন কৌশল/প্রচেষ্টার ফাঁদে পা দিয়ে ঈমান হারাচ্ছে(In the eye of Allah) ,অথচ তা উপলব্ধিও করতে পারছেনা, তখন যে প্রবল কষ্টের অনুভূতি হয়, তার তাড়না থেকেই এই লেখার অবতারণা।

একজন মুসলিম এই দুনিয়ায় তার ক্ষণস্থায়ী আবাসকালে সবকিছু হারাতে পারে – অর্থ, খ্যাতি, সন্তান,সংসার। কিন্তু যা কখনো হারায় না বা হারাতে পারে না, তা হল জীবনের উদ্দেশ্য। কি করছি, কেন করছি-এ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকালে, যে কোন পরিস্থিতিতেই সে অবিচল থাকতে পারে । এই অবিচলতা তাকে এনে দেয় অনাবিল মানসিক প্রশান্তি। ‘শান্তি’র এই বিষয়টি ইসলামের সাথে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। অপরপক্ষে যখন ঐশী জ্ঞানের পূর্ণাংগ চিত্রের সাথে সে সম্পূর্ণ ভাবে অপরিচিত থাকে, তখন নানা অতৃপ্তি, হাহাকার তাকে পেয়ে বসে। ‘শান্তি’র খোঁজে যে কোন কিছুকেই অবলম্বন করতে সে দ্বিধাবোধ করেনা। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের অবস্থাই এখন এমন। আমাদের মানসিক এই ক্রান্তিলগ্নে তাই শান্তি এবং সাফল্যের চাবিকাঠি নিয়ে উপস্থিত হয়েছে ‘কোয়ান্টাম মেডিটেশন’। আমাদের চারপাশের বহু ডুবন্ত মানুষ একে খড়কুঁটো ভেবে আঁকড়ে ধরছেন।

আসুন,ইসলামের দৃষ্টিতে এই পদ্ধতিটি একটু আলোচনা করি।

প্রসংগত উল্লেখ্য যে এই লেখাটিতে ব্যবহৃত কোয়ান্টাম মেথড সংক্রান্ত সকল তথ্য তাদের ওয়েবসাইট, লিফলেট এবং টেক্সটবুক (সাফল্যের চাবিকাঠি কোয়ান্টাম মেথড – মহাজাতক [1]) থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। বিস্তারিত উৎস ফুটনোটে দেয়া থাকবে ইনশাআল্লাহ।

২. কোয়ান্টাম মেথড কি:

 

তাদের ভাষ্যমতে এককথায় এটি science of living. আশ্রম ও খানকার চৌহদ্দি থেকে বের করে ধ্যানকে গণমানুষের আত্মউন্নয়ন ও ব্যক্তিত্বের বিকাশে প্রয়োগ করাই উনাদের উদ্দেশ্য।

৩. টেক্সটবুকটির বিস্তারিত পর্যালোচনা:

কোয়ান্টাম মেথড বলতে আসলে উনারা কি বুঝাচ্ছেন তা জানার উদ্দেশ্য আমরা ওয়েব সাইট থেকে প্রাপ্ত ‘সাফল্যের চাবিকাঠি কোয়ান্টাম মেথড- মহাজাতক’ বইটির বিভিন্ন অধ্যায়ের মূল বক্তব্যের উপর আলোকপাত করব। প্রথমেই দেখা যাক ভূমিকায় কি বলা হচ্ছে-

৩.১.মেডিটেশন: শৃঙ্খলা মুক্তির পথ:

আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে মানুষ অপার সম্ভাবনা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। কিন্তু ভ্রান্ত বিশ্বাস/ সংস্কার তথা মনোজাগতিক শিকল তাকে পরিণত করে কর্মবিমুখ, ব্যর্থ কাপুরুষে। অন্যদিকে মুক্তমানুষ বিশ্বাস হচ্ছে সকল সাফল্য, অর্জনের ভিত্তি। বিশ্বাসই রোগ নিরাময় করে, ব্যর্থতাকে সাফল্যে আর অশান্তিকে প্রশান্তিতে রূপান্তরিত করে। দৈনন্দিন জীবন বেশিরভাগ চিন্তাশীল মানুষের জন্যই যুগে যুগে ছিল এক ক্লান্তিকর বিড়ম্বনা। ভাত খাওয়া, গোসল করা, কাপড় পরা, সংসার করা, প্রার্থনা করা-র একঘেঁয়েমি থেকে মুক্তি চেয়েছেন তারা।

ভ্রান্ত ধারণা ও সংস্কারের শৃঙ্খল মুক্তির পথ হচ্ছে মেডিটেশন। তখন প্রতিবারের প্রার্থনাতেঁই আপনি পুলকিত হবেন, প্রতিটি সেজদাই পরিণত হবে মেরাজে। মেডিটেশনের মাধ্যমেই আপনি সংযোগ সাধন করতে পারেন আপনার ‘অন্তরের আমি’র সাথে, আপনার শক্তির মূল উৎসের সাথে [2]। মেডিটেশনের পথ ধরেই আপনি অতিক্রম করতে পারবেন আপনার জৈবিক অস্তিত্বের সীমাবদ্ধতা।

এরপর অধ্যায় ১,২ তে মন সকল শক্তির উৎস, চেতনা অবিনশ্বর, প্রাণ রহস্যের চাবিকাঠি যে বিশ্বাস তা এক নতুন বিশ্বদৃষ্টি উন্মোচন (যাতে সব কিছুকে ব্যাখ্যা করা যায় কোয়ান্টা ফিজিক্সের মাধ্যমে), বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব এবং নানা সফল ব্যক্তিদের (যার মাঝে রয়েছে বিশিষ্ট ব্যালে নর্তকী, আত্মস্বীকৃত নাস্তিক স্টিফেন হকিং) জীবন কণিকা থেকে প্রমাণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিস্তারিত উদাহরণ দেয়া হয়েছে বাংলাদেশে ফলিত মনোবিজ্ঞানের পথিকৃত এবং আত্মউন্নয়নে ধ্যান পদ্ধতির প্রবর্তক প্রফেসর এম.ইউ আহমেদের। তিনি ক্লিনিক্যালী মৃত্যুবরণ করার পরও পুনরায় জীবন লাভ করেন শুধু তাকে বাঁচতে হবে, তিনি ছাড়া দেশে নির্ভরযোগ্য মনোচিকিৎসক নেই……তার এই দৃঢ় বিশ্বাসের জোরে। [3]

অধ্যায় ৩-এ ব্রেনকে কম্পিঊটারের সাথে তুলনা করে সকল প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। অধ্যায় ৪ অনুযায়ী ব্রেনকে সুসংহতভাবে ব্যবহার করার নেপথ্যনায়ক হচ্ছে দৃষ্টিভঙ্গি। প্রোঅ্যাক্টিভ হতে উৎসাহিত করা হয়েছে পবিত্র বাইবেল এবং কোরআনে উল্লেখিত ইঊসুফ (আ.) এর কাহিনী থেকে!!!!

অধ্যায় ৫-এ ‘ধ্যানাবস্থার প্রথম পদক্ষেপ’ শিরোনামে ব্রেন ওয়েভ প্যাটার্ণ সারণী দেয়া হয়েছে যেখানে থিটা লেভেল সম্পর্কে বলা হয়েছে মেডিটেশনকালে সাধকরা এই স্তরে প্রবেশ করেই মহাচৈতন্যের (super consciousness) সাথে সংযোগ স্থাপন করতেন।এর পরবর্তী লেভেল-ডেল্টাতে দরবেশ ঋষিরা এই স্তরেও সজাগ থাকেন আবার মহাচৈতন্যে লীনও হতে পারেন। [4] এই মহাচৈতন্যের সংজ্ঞা বইটির কোথাও সুস্পষ্টভাবে দেয়া নেই।

মেডিটেশনের প্রথম ধাপ হচ্ছে ‘শিথিলায়ন’ যার মাধ্যমে ব্রেন ওয়েভকে আলফা লেভেলে নিয়ে মনের ধ্যানাবস্থা সৃষ্টি করা হয়। [5] তাদের ভাষ্য:

‘‘ ‘শিথিলায়ন’ পুরোপুরি আয়ত্ত হলেই আপনি মনের শক্তিবলয় নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি হাতে পাবেন। ধ্যানাবস্থায় মন হয় ত্রিকালদর্শী, চেতনা অতিক্রম করে সকল বস্তুগত সীমা। মনের এই ধ্যানাবস্থার শক্তিকে প্রয়োগ করেই প্রাচ্যের সাধক দরবেশ ঋষিরা একদিন আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। ইচ্ছা করেছেন – ঘটনা ঘটেছে। ইচ্ছা করেছেন – মানুষ রোগমুক্ত হয়েছে।আপনিও এ চাবিকাঠিকে কাজে লাগিয়ে অর্জন করতে পারেন অতিচেতনা। এই চাবিকাঠি দিয়েই দৃশ্যমান সব কিছুর পেছনে যে নেপথ্য স্পন্দন ও নিয়ম কাজ করছে তার সবটাকেই আপনি নিজের ও মানবতার কল্যাণে সক্রিয় করে তুলতে পারবেন।’’

এরপর অধ্যায় ৬ তে ‘শিথিলায়ন’ প্রক্রিয়া অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে। অধ্যায় ৭,৮ তে নানা আত্মবিনাশী প্রোগ্রাম যেমন নেতিবাচক চিন্তা, হতাশা, অনুশোচনা, রাগ, হীণমন্যতা ইত্যাদি মোকাবেলা করার অব্যর্থ কৌশল হিসেবে ‘শিথিলায়ন’ কে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

অধ্যায় ৯, ১০ তে আত্মবিকাশী প্রোগ্রাম হিসেবে অটোসাজেশন এবং মনছবি র বিবরণ দেয়া হয়েছে। অধ্যায় ১১,১২, ১৩ তে যথাক্রমে কল্পনাশক্তি, মনোযোগ বাড়ানোর কৌশল জানানো হয়েছে। অধ্যায় ১৪ তে কোয়ান্টা সংকেত, অধ্যায় ১৫ তে জাগৃতি এবং ঘুম নিয়ন্ত্রনের উপায়, অধ্যায় ১৬ তে স্বপ্নের সৃজনশীল প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে যেখানে ইস্তেখারা সালাতকে বর্ণনা করা হয়েছে স্বপ্নচর্চা ও এর সৃজনশীল প্রয়োগের একটি বিশেষ মাত্রা হিসেবে।

বই এর অধ্যায় ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১ গুলোতে যথাক্রমে ছাত্রজীবনে সফল হবার উপায়, কোয়ান্টাম নিরাময়, ওজন নিয়ন্ত্রনের উপায়, ড্রাগ এবং নেশা থেকে বিরত থাকার উপায় এবং সুস্বাস্থ্যের কোয়ান্টাম ভিত্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

এতক্ষণ ধরে বইটিতে ধ্যানের প্রথম ধাপের কথা বলা হয়েছে। পরবর্তীতে বাকি ধাপগুলোর ব্যাপারে শুধু আভাস দেয়া হয়েছে যাকে বলা হয়েছে অতিচেতনার পথে যাত্রা। এর পথ ধরেই কোয়ান্টাম গ্র্যাজুয়েটরা কমাণ্ড সেন্টার এবং প্রকৃতির সাথে একাত্মতার অনুভূতি লাভ করেন। নিচে আমরা বাছাই করা কিছু বিষয়ের উপর বিশেষভাবে আলোকপাত করব।

৩.২. মনছবি:

শিথিলায়ন প্রক্রিয়ায় মানুষের মাঝে এমন এক ক্ষমতা তৈরি হয় যার ফলে সে তার কল্পনা শক্তি দ্বারাই নিজের চাওয়া পাওয়া পূরণ করে ফেলতে পারে। নিচে বই এ উল্লেখিত একটি ঘটনা হুবহু তুলে ধরা হলঃ

    ‘‘এক ইঞ্জিনিয়ার।সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করার মনছবি দেখতে লাগল। ডিভি ভিসা পেয়ে গেল। ভিসা পাওয়ার পর মনছবি দেখতে লাগল সমমানের চাকরির, যাতে নিজের প্রকৌশল জ্ঞানকে কাজে লাগাতে পারেন। দেশে তিনি কাজ করতেন বিদেশি প্রতিষ্ঠানে। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার দেড় মাসের মধ্যে একই প্রতিষ্ঠানে আগের চেয়েও দায়িত্বপূর্ণ পদে চাকরি হয়ে গেল তার।’’ [6]

৩.৩. কোয়ান্টাম নিরাময়:

রোগের মূল কারণকে মানসিক আখ্যায়িত করে এখানে মেডিটেশনের মাধ্যমে সকল রোগ ব্যাধি উপশমের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মনছবি বা ইমেজ থেরাপি ছাড়াও রয়েছে ‘দেহের ভিতরে ভ্রমণ’ নামক পদ্ধতি যেখানে রোগীকে প্রথমে শিথিলায়ন করতে বলা হয়, তারপর শরীরের নানা অঙ্গের মধ্য দিয়ে কাল্পনিক ভ্রমণ করতে বলা হয়। এতে সে তার সমস্যার স্বরূপ সম্পর্কে অন্তদৃষ্টি লাভ করে এবং নিজেই কমান্ড সেন্টারের মাধ্যমে সমাধান করতে পারে। যেমন:

    একজন ক্যান্সারের রোগী তার ক্যান্সারের কোষগুলোকে কল্পনা করে সর্ষের দানারূপে।আর দেখে অসংখ্য ছোট ছোট পাখি ওই সর্ষে দানাগুলো খাচ্ছে। আর সর্ষের দানার পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমে আসছে। আস্তে আস্তে সর্ষের দানা নিঃশেষ হয়ে আসছে। সর্ষের দানাও শেষ, নিরাময়ও সম্পন্ন। [7]

শিথিলায়ন প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা সম্পর্কে এতে বলা হয়েছে ‘‘শিথিলায়নের মাধ্যমে ব্যথা উপশম করার জন্য আপনাকে সাধু সন্ন্যাসী বা ভিক্ষু হবার প্রয়োজন নেই। এজন্য নির্বাণ বা ফানাফিল্লাহর স্তরেও আপনাকে যেতে হবেনা। [8]

৩.৪. মাটির ব্যাংক:

মাটির ব্যাংকের কার্যকারিতার জ্বলন্ত উদাহরণে ভর্তি এ সংক্রান্ত লিফলেটটি। একটি মাত্র ঘটনা এখানে উল্লেখ করা হল-

    ‘‘ছেলের সামান্য জ্বর হয়েছে। সারাদিন ভালোই ছিল।তখন প্রায় রাত ১টা, বাসার সবাই ঘুমে। হঠাৎ গোঙ্গানির শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল। তাকিয়ে দেখি ওর পুরো শরীর মৃগী রোগীর মত খিঁচছে। বুকটা ধক করে উঠল। এই মধ্যরাতে কোথায় ডাক্তার পাব, কি করব ভাবছি আর আল্লাহকে ডাকছি। হঠাৎ চোখ পড়ল ড্রেসিং টেবিলের ওপর রাখা মাটির ব্যাংকে। তাড়াতাড়ি মশারির ভেতর থেকে বেরিয়ে মানিব্যাগ থেকে ৫০০ টাকার নোট ব্যাংকে রাখলাম। স্রষ্টার কি করূণা! মিনিট পাঁচেকের মধ্যে খিঁচুনি বন্ধ হল, সে ঘুমিয়ে পড়ল। পরদিন সকালে উঠে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করল যেন কিছুই হয়নি।’’ [9]

৩.৫. কোয়ান্টা সংকেত:

বইটির সংশ্লিষ্ট অংশে বলা হচ্ছে-

    ‘‘ কথিত আছে অলৌকিক শক্তিবলে ঋষিরা ইসম বা মন্ত্র উচ্চারণ করতেন আর যাদুর মত সব ঘটনা ঘটে যেত। যে কোন ঋষিরা মন্ত্র উচ্চারণের আগে বছরের পর বছর ইসম বা মন্ত্র জপ করতেন বা জিকির করতেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে আল্লাহ, ইয়াহু, ইয়া হক, ওম ইত্যাদি। ধর্মবহির্ভূত ধ্যানীরা নিজের পছন্দমত কোন শব্দ লক্ষ লক্ষবার উচ্চারণ করেন। তাদের বিশ্বাস এইভাবে অগণিতবার উচ্চারণের ফলে এই ধ্বনি এমন এক মনোদৈহিক স্পন্দন সৃষ্টিতে সহায়ক হয় যার ফলে সে তার মনোদৈহিক শক্তি পুরোপুরি একাগ্রভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়।’’ [10]

৩. ৬. কোয়ান্টা ভঙ্গি:

[11]

‘‘ আপনি মহামতি বুদ্ধসহ প্রাচীন ঋষিদের যে ভাস্কর্য দেখতে পান,তার বেশিরভাগই অভয়মুদ্রা করে সিদ্ধাসনে বসা। আর এই অভয়মুদ্রার আধুনিক নামই কোয়ান্টা ভঙ্গি।

কোয়ান্টা ভঙ্গির জ্যোতিষ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হল- হাতের বুড়া আঙ্গুলের ক্ষেত্র হল শুক্র বা ভেনাসের ক্ষেত্র । আর তর্জনীর ক্ষেত্র হচ্ছে বৃহস্পতির ক্ষেত্র।জ্যোতির্বিজ্ঞানে শুক্র ও বৃহস্পতি কল্যাণ ও সাফল্যের প্রতীকরূপে গণ্য। আর মধ্যমার ক্ষেত্র শনির ক্ষেত্র রূপে পরিচিত। শনি বিলম্ব ও বাধার প্রতীক। প্রাচীন ঋষিরা এ কারণেই ভেনাস ও জুপিটারের প্রবৃদ্ধিকেই সংযুক্ত করেছেন, এর সাথে শনির প্রভাবকে যুক্ত করতে চাননি।

কোয়ান্টা ভঙ্গি করে হাত সামনে এনে খেয়াল করলে দেখবেন হাতে আরবী আলিফ, লাম ও হে অর্থ্যাৎ আল্লাহু হয়ে আছে। অর্থ্যাৎ কোয়ান্টা ভঙ্গি করার সাথে সাথে আপনি প্রকারান্তরে স্রষ্টাকে স্মরণ করছেন।’’ [12]

৩.৭. কমান্ড সেন্টার:

কমান্ড সেন্টারকে একথায় বলা যায় মনের বাড়ির শক্তি ও কল্যাণ কেন্দ্র।মানব অস্তিত্বের যে অংশ স্থান কালে আবদ্ধ নয়, সে অংশ এই কমান্ড লেভেলে প্রকৃতির নেপথ্য নিয়ম ও স্পন্দনের সাথে সহজেই যোগাযোগ স্থাপন করে । যাকে তারা জীবনে কখনও দেখেননি, যার কথা জীবনে কখনও শোনেননি, শুধু তার নাম, বয়স ও ঠিকানা বলার সাথে সাথে তার এমন হুবহু বর্ণনা দিতে সক্ষম হন কোয়ান্টাম গ্র্যাজুয়েটরা যে প্রশ্নকর্তা নিজেই অবাক হয়ে যান। [13]

কমান্ড সেন্টারের প্রয়োগ:

    ‘‘ছেলে কোলকাতায় গিয়েছে, যাওয়ার পরে ২ দিন কোন খবর নেই।বাবা কোয়ান্টাম গ্র্যাজুয়েট, মাগরিবের নামাজ পড়ে মেডিটেশন কমান্ড সেন্টারে গিয়ে ছেলের বর্তমান অবস্থা দেখার চেষ্টা করতেই কোলকাতার একটি সিনেমা হলের গেট ভেসে এল।ছেলে সিনেমা হলের গেটে ঢুকছে। বাবা ছেলেকে তার উদ্বেগের কথা জানালেন। বললেন শিগগিরই ফোন করতে।’’ [14]

৩.৮. অন্তর্গুরু:

আধ্যাত্মিকতার পথে অগ্রসর হতে হলে একজন আলোকিত গুরুর কাছে বায়াত বা দীক্ষা প্রয়োজন। এছাড়া আধ্যাত্মিকতার সাধনা এক পিচ্ছিল পথ।যে কোন সময়ই পা পিছলে পাহাড় থেকে একেবারে গিরিখাতে পড়ে যেতে পারেন।

কমান্ড সেন্টার নির্মাণ করে সবকিছু ঠিক মত সাজানোর পর ধ্যানের বিশেষ স্তরে অন্তর্গুরুর আগমন ঘটে। অন্তর্গুরু প্রথমে সকল

1519
আজকে আপনাদের ১ মিলিয়ন সফটয়্যারের লাইসেন্স কী ফ্রি এক্কেবারে ফ্রি দিবো.... কি অবাক হচ্ছেন!!! আমরা অনেকেই যে কোন সফটয়্যার সহজের ডাউনলোড করতে পারি কিন্তু তার সিরিয়াল কী সহজে কি পাওয়া যায়... সিরিয়াল কী খোজা কি যে একটা জামেলার কাজ তা সবাই জানে। বেশিরভাগ সময় সিরিয়াল কী'র অভাবে সফটয়্যারগুলো কাজ করে না আশা করি আমার এই টিউনের মাধ্যমে সেই কষ্ট অনেকটাই কমিয়ে দেবে। তো আর দেরি কেন এক্ষুনি ডাউনলোড করুন। নোট পেডে সিরিয়াল কী'গুলো দেয়া আছে মাত্র 360 kb । ডাউনলোড করে রাখতে পারেন....

এছাড়া আরো কিছু ভালো সাইট আছে, যেগুলো থেকে Serial key, Cracks, Keygens সহজেই পেতে পারেন :-
♥ keygenguru.com
♥ thekeys.ws
♥ bestserials.com
♥ serials.be
♥ keygens.nl
♥ downloadserialcrack.com
♥ unlimitedserials.com
♥ youserials.com
♥ seriall.com
♥ ddlsite.com
ছোট্ট টিউন টি কেমন লাগল জানাবেন....।
সবাই অনেক ভালো থাকবেন... সেই কামনা সবসময় 

1520
সংরক্ষণ করে রাখুন কাজে লাগবে সারা জীবন


আপনাদের সাথে শেয়ার করছি নামাজের সংক্ষিপ্ত বর্ণানা নিয়ে আশা করি সকলের সারা জীবণ কাজে লাগবে। তাহলে আর বিলম্ব না করে এইটুকুকে সংরক্ষণ করে রাখি।

জায়নামাজেরদোয়াঃ

জায়নামাজে দাঁড়িয়ে নামাজ শুরুর পূর্বেই এই দোয়া পড়তে হয়,

বাংলা উচ্চারন-ইন্নি ওয়াজ্জাহ তু ওয়াজ্ হিয়া লিল্লাজি, ফাত্বরস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল্ আরদ্বঅ হানি-ফাওঁ ওয়ামা-আনা মিনাল মুশরিকী-ন।
অর্থ-নিশ্চই আমি তারই দিকে মুখ করলাম, যিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন এবং বাস্তবিকই আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই ।

এরপর নামাজের নিয়াত ও তাক্ বীরে তাহঃরীমা

নামাজের ইচ্ছা করাই হচ্ছে নামাজের নিয়াত করা। মুখে উচ্চারণ করা জরুরী নয়, তবে মুস্তাহাব।
সমস্ত নামাজেই ,নাওয়াইঃতু আন্ উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়া'লা

(২ রাকাত হলে) রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল
(৩ রাকাত হলে) ছালাছা রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল
(৪ রাকাত হলে) আর্ বায় রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল

(ওয়াক্তের নাম) ফাজ্ রি/ জ্জুহরি/আ'ছরি/মাগরিবি/ইশাই/জুমুয়া'তি
(কি নামাজ তার নাম) ফারদ্বুল্ল-হি/ওয়াজিবুল্ল-হি/সুন্নাতু রসূলিল্লাহি/নাফলি।
(সমস্ত নামাজেই) তায়া'লা মুতাওয়াজ্জিহান্ ইলা জিহাতিল্ কা'বাতিশ শারীফাতি আল্ল-হু আক্ বার।

বাংলায় নিয়াত করতে চাইলে বলতে হবে,
আমি আল্ল-হ্'র উদ্দেশ্যে ক্কেবল মুখী হয়ে,
ফজরের/জোহরের/আসরের/মাফরিবের/ঈশার/জুময়ার/বি'তরের/তারঅবি/তাহাজ্জুদের (অথবা যে নামাজ হয় তার নাম)
২ র'কাত/৩র'কাত/৪ র'কাত (যে কয় রাকাত নামাজ তার নাম)
ফরজ/ওয়াজিব/সুন্নাত/নফল নামাজ পড়ার নিয়াত করলাম, আল্ল-হু আকবার ।

তাকবীরেতাহরীমা-

আল্লাহু আক্ বার, অর্থ-আল্লাহ মহান ।
সানাঃ (হাত বাধার পর এই দোয়া পড়তে হয়)
উচ্চারণ : সুবহা-না কাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহাম্ দিকা ওয়াতাবারঅ কাস্ মুকা ওয়াতা’ আ-লা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলা-হা গাইরুক।
অর্থ-হে আল্লাহ ! আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং আপনার মহিমা বর্ণনা করছি। আপনার নাম বরকতময়, আপনার মাহাত্ম্য সর্বোচ্চ এবং আপনি ভিন্ন কেহই ইবাদতের যোগ্য নয় ।

তাআ’উজঃ

উচ্চারণ- আউযুবিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম ।
অর্থ-বিতশয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি ।

তাসমিয়াঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ।
অর্থ-পরম দাতা ও দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি ।

এরপর সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হয়, সূরা ফাতিহা তিলাওয়াতের পর পবিত্র কোর আনের যে কোন জায়গা থেকে তিলাওয়াত করতে হয় ।

রুকুরতাসবীহঃ

উচ্চারণ-সুবহা-না রব্ বি ইঃয়াল্ আ'জ্বীম। অর্থ-মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহাত্মতা ঘোষণা করছি ।

তাসমীঃ

(রুকু থেকে দাঁড়ানোর সময় পড়তে হয়) সামি আল্লা হুলিমান হামিদাহ,
অর্থ- প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ শোনেন ।

তাহমীদঃ

(রুকু থেকে দাঁড়িয়ে পড়তে হয়) রাব্বানা লাকাল হামদ । অর্থ-হে আমার প্রভু, সমস্ত প্রশংসা আপনারই ।

সিজদার তাসবীহঃ

উচ্চারণ-সুবহা-না রাব্বিয়াল আ'লা। অর্থ-আমার প্রতিপালক যিনি সর্বশ্রেষ্ট, তারই পবিত্রতা বর্ণনা করছি ।

দু'সিজদারমাঝখানেপড়ারদোয়াঃ

উচ্চারণ-আল্লাহু ম্মাগ ফিরলী ওয়ার হামনি ওয়ার যুক্কনী ।
অর্থ- হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে রহম করুন, আমাকে রিজিক দিন ।
হানীফি মাযহাবে এই দোয়া পড়া হয় না, কেউ যদি হানীফি মাযহাব এর হয়ে থাকেন তাহলে এই সময এক তসবী পড়তে যে সময় লাগে , সেই সময় পর্যন্ত বিরতি দিয়ে পুনঃরায় সেজদায় যাওয়া।

তাশাহুদবাআত্তাহিয়্যাতুঃ

উচ্চারণঃ আত্তাহিয়্যাতু লিল্লা-হি, ওয়াছ ছালা-ওয়াতু, ওয়াত-তাইয়্যিবা তু, আচ্ছালা মু আ'লাইকা, আইয়্যুহান নাবিয়্যু, ওয়ারাহ মাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ, আচ্ছালামু আলাইনা, ওয়া আ'লা ইবাদিল্লা হিছ-ছা লিহীন। আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু ।

অর্থঃ আমাদের সব সালাম শ্রদ্ধা, আমাদের সব নামাজ এবং সকল প্রকার পবিত্রতা একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার প্রতি সালাম, আপনার উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক । আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হযরত মুহাম্মদ (সঃ) আল্লাহর বান্দা এবং রাসুল ।

দরুদশরীফঃ

উচ্চারণ-আল্লহুম্মা ছাল্লি আ'লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ'লা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লাইতা আ'লা ইব্রহীমা ওয়া আ'লা আ-লি ইব্রহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজী-দ্ ।আল্লাহুম্মা বারিক্ আ'লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ'লা আ'লি মুহাম্মাদিন, কামা বা-রাকতা আ'লা ইব্রহীমা ওয়া আ'লা আ'লি ইব্রহীমা ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ ।

অর্থ-হে আল্লাহ, দয়া ও রহমত করুন হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এর প্রতি এবং তার বংশধরদের প্রতি, যেমন রহমত করেছেন হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও তার বংশধরদের উপর। নিশ্চই আপনি উত্তম গুনের আধার এবং মহান। হে আল্লাহ, বরকত নাযিল করুন হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এর প্রতি এবং তার বংশধরদের প্রতি, যেমন করেছেন হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও তার বংশধরদের উপর।নিশ্চই আপনি প্রশংসার যোগ্য ও সম্মানের অধিকারী ।

দোয়ায়েমাসূরাঃ

উচ্চারন-আল্লা-হুম্মা ইন্নী জ্বলামতু নাফসী জুলমান কাছীরও ওয়ালা ইয়াগফিরু যুনূবা ইল্লা আনতা ফাগ্ ফিরলী মাগফিরাতাম মিন ইনদিকা ওয়ার হামনী ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহীম।

অর্থ-হে মহান আল্লাহ, আমি আমার নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি (অর্থাৎ অনেক গুনাহ/পাপ করেছি) কিন্তু আপনি ব্যতীত অন্য কেহ গুনাহ মাফ করতে পারে না। অতএব হে আল্লাহ অনুগ্রহ পূর্বক আমার গুনাহ মাফ করে দিন এবং আমার প্রতি সদয় হোন; নিশ্চই আপনি অতি ক্ষমাশীল ও দয়ালু ।

দোয়ায়েকুনুতঃ

(বিতরের নামাজের পর ৩য় রাকায়াতে সূরা ফাতিহা ও অন্য কিরআত পড়ার পর এই দোয়া পড়তে হয় )।

উচ্চারণ-"আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতা'ঈনুকা ওয়া নাসতাগ ফিরুকা, ওয়া নু'মিনু বিকা ওয়া না তা ওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া নুছনি আলাইকাল খাই

1521
কমেন্ট করলে বেশি বেশি লেখতে ইচ্ছে করে

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে (এমএস ওয়ার্ড) কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় একই লেখায় বাংলা ও ইংরেজি দুটো ভাষা টাইপ করতে হয়। আপনি ইচ্ছে করলে এক ক্লিকে ফন্ট পরিবর্তন করতে পারেন। এ জন্য Tools/customize/ categories/fonts-এ যান এবং আপনি যে ফন্ট বেশি পরিবর্তন করে থাকেন ডান পাশ থেকে তা মাউসের সাহায্যে ড্রাগ করে মেনুবারে নিয়ে বক্সটি close করে দিন। মেনুবারে ফন্টটি এসে যাবে। এ জন্য Tools/customize/keyboard/categories/fonts-এ যান। এবার ফন্ট নির্বাচিত করুন এবং Press new shortcut key অপশনে আপনার পছন্দের শর্টকাট কি চাপুন, যেমন, Ctrl+5। এখন লেখার সময় এ শর্টকাট কি চাপলেই তা স্বয়ংক্রীয়ভাবে কাজ করবে।


1522
মুছে ফেলা ফাইল যে ভাবে ফিরে পাবেনমুছে ফেলা ফাইল যে ভাবে ফিরে পাবেন
যদি আপনার কম্পিউটারের জরুরি কোনো ফাইল মুছে ফেলা হয় (ডিলিট করা), তাহলে ভয়ের কোনো কারণ নেই। ইজি রিকভারি প্রো ৫.০ সফটওয়্যার দিয়ে খুব সহজেই সেই ফাইলগুলো ফিরিয়ে আনতে পারেন।
এ জন্য http://hotfile.com/dl/130799531/2ce30df/EasyRecovery_Pro_5_by_sultan_mahmud_sujon.zip.html ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে মাত্র ৩.৩ মেগাবাইটের সফটওয়্যারটি বিনা মূল্যে নামিয়ে (ডাউনলোড) নিতে পারেন। তারপর সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। ইনস্টল হওয়ার পর এটি খুলে Next-এ ক্লিক করুন। যে ড্রাইভ থেকে আপনার ফাইলগুলো ডিলিট হয়েছে, সেই ড্রাইভ নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো এলে আবার Next-এ ক্লিক করুন। এখন দেখবেন, বাঁ পাশে এই ড্রাইভ থেকে ডিলিট হওয়া সব ফাইল বা ফোল্ডার দেখা যাচ্ছে। যে ফোল্ডারের ফাইলগুলো ফিরিয়ে (রিকভার) আনতে চান, সেই ফোল্ডার নির্বাচন করুন। দেখবেন, ডান পাশে সেই ফোল্ডারের সব ফাইল দেখা যাচ্ছে। ফোল্ডারটির পাশের বক্সে টিক চিহ্ন দিন। দেখবেন, ডান পাশের সব ফাইলে টিক চিহ্ন চলে এসেছে। ফাইলগুলোসহ ফোল্ডারটি যে ড্রাইভে সেভ করতে চান, Destination-এ সেই ড্রাইভের নাম লিখে—যেমন, ডি ড্রাইভে সেভ করতে চাইলে D লিখে—Next-এ ক্লিক করুন। ডাটা রিকভারি সম্পন্ন হওয়ার পর Finish দিয়ে বেরিয়ে আসুন। মনে রাখবেন, যে ড্রাইভ থেকে ফাইলগুলো ডিলিট হয়েছিল, সেই ড্রাইভে সেভ করা যাবে না এবং সেই ড্রাইভের ফাইল সিস্টেম অবশ্যই FAT হতে হবে। কারণ, NTFS ফাইল সিস্টেম এই সফটওয়্যারটি সাপোর্ট করে না। কোনো ড্রাইভের ফাইল সিস্টেম কী, সেটা জানার জন্য ওই ড্রাইভে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে প্রোপার্টিজে গেলেই দেখতে পাবেন ওই ড্রাইভের ফাইল সিস্টেমের নাম। — সুলতান মাহমুদ সুজন

1523
English / CAMBRIDGE PRATICE TEST 6, Audio + Ebook - DIU
« on: September 24, 2011, 08:32:45 AM »
Cambridge IELTS 6 provides students with an excellent opportunity to familiarize themselves with IELTS and to practice examination techniques using authentic test material from Cambridge ESOL. This collection contains four complete tests for Academic candidates, plus extra Reading and Writing modules for General Training candidates. An introduction to these different modules is included in each book, together with an explanation of the scoring system used by Cambridge ESOL. A comprehensive section of answers and tape scripts makes the material ideal for students working partly or entirely on their own.




Download link:

http://hotfile.com/dl/130540792/8c68015/CAMBRIDGE_PRATICE_TEST_6_Sultan_Mahmud_Sujon_-DIU.rar.html

1524
ধরুন আপনি অনেকদিন আগে উইন্ডোজ ইন্সটল করেছে কিন্তু কতদিন আগে করে তা অবসসই ভুলে গেছেন। যাই তাছারা আমাদের সিস্টেম ইনফর্মেমশন দেখতে পাবেন এই সফটাওয়্যার এ। আমার কাছে অনেক কাজের জিনিস এটা কারন আমি ৬/৭ মাস পর উইন্ডোজ ঈন্সটল করি। আসল কথা তো আপনাদের বলা হয়নি সফটওয়্যার তা মাত্র ২৪৮ কেবি।
এই সফটওয়্যার যা যা দেখতে পাবেন |-
•   Windows NT Version
•   Build Number
•   Service Pack
•   Plus Version Number
•   Processor Type
•   Product Type
•   Installation Type
•   Expiration Date
•   Registered Organization
•   Registered Owner
•   Installation Date
•   Source Path
•   System Root
•   (And Many More)
তো আর দেরি কেন এখুনি ডাউনলোড করে নিন।
http://www.ziddu.com/download/10303973/WININFO.EXE.html

1525
English / If Your own idea please comment
« on: September 22, 2011, 10:45:53 AM »
If you want to improve the quality of education, what measures should be taken, you think?

Teachers to be more efficient
Students should always active in class & home
Nature should be taken from education?
Section of the IT system should be?
All of this
None of this
If Your own idea please comment

1526
ফটোসপ এর কিছু প্রয়োজনীয় শটকাট

আমরা ফটোসপ এর অনেক কাজ করে থাকি । কিন্তু অনেকে ফটোসপ এর শটকাট সমূহ জানিনা। আজ আমি আপনাদের ফটোসপ এর কাজ করার কিছু  শটকাট এর সাথে পরিচয় করে দিবো।

যারা নতুন ফটোসপ এ  কাজ শিখছে তাদের কাজে আসবে


প্রয়োজনীয় শটকাট সমূহ :

Path / Direct Selection Tool —–A
Brush / Pencil / Color Replacement Tool—– B
Crop Tool—– C
Default Colors——-D
Eraser Tool ——- E
Cycle Screen Modes——-F
Gradient / Paint Bucket Tool—— G
Hand Tool —— H
Eyedropper / Sampler / Measure Tool—– I
Spot Healing / Healing / Patch / Red Eye—— J
Slice Tool ——K
Lasso Tool——-L
Marquee Tool…——–M
Notes / Audio Annotation Tool ——-  N
Dodge / Burn / Sponge Tool ——-O
Pen / Freeform Pen Tool —— P
Standard / Quick Mask Mode —– Q
Blur / Sharpen / Smudge Tool…—– R
Clone / Pattern Stamp Tool —— S
Type Tool (Vertical / Horizontal) —– T
Shape Tool ——– U
Move Tool ——— V
Magic Wand Tool—- W
Switch Colors ——- X
History / Art History Brush Tool ——— Y
Zoom Tool ——— Z
Hand Tool (toggle) ——— Space
Zoom In (toggle)———Ctrl+Space
Zoom Out (toggle) ———Alt+Space
Cycle Path / Direct Selection Tools ———Shift+A
Cycle Brush / Pencil / Color Replacement ———Shift+B
Cycle Eraser Tools ——— Shift+E
Menubar (show / hide) ——— Shift+F
Toggle Gradient / Paint Bucket Tools ———Shift+G
Cycle Eyedropper / Sampler / Measure——— Shift+ I
Cycle Spot / Healing / Patch / Red Eye——— Shift+J
Toggle Slice / Slice Select Tools——— Shift+K
Cycle Lasso Tools———Shift+L
Toggle Rectangular / Elliptical Marquee———Shift+M
Toggle Notes / Audio Annotation Tools ———Shift+N
Cycle Dodge / Burn / Sponge Tools ———Shift+O
Toggle Pen / Freeform Pen Tools———Shift+P
Cycle Blur / Sharpen / Smudge Tools———Shift+R
Toggle Clone / Pattern Stamp Tools———Shift+S
Cycle Type Tools (Vertical / Horizontal)———Shift+T
Cycle Shape / Line Tools ———Shift+U
Toggle History / Art History Brush ———Shift+Y
Airbrush (Brush Tool)———Alt+Shift+P
Actual Pixel———Alt+Ctrl+0
Adjust Invert———Ctrl+I
Adjust Auto Level ——— Shift+Ctrl+L
Adjust Color Balance ——— Ctrl+B
Adjust Curve ——— Ctrl+M
Adjust Desaturation ——— Shift+Ctrl+U
Adjust Hue ——— Ctrl+U
Adjust Level———Ctrl+L
Close Document———Ctrl+W
CMYK Preview ———Ctrl+Y
Copy———Ctrl+C
Cut——— Ctrl+X
De select———Ctrl+D
Edit in Standard mode———Q
Exit———Ctrl+Q
Fade———Shift+Ctrl+F
Feather———Shift+Ctrl+D
Fit on screen———Ctrl+0
Free Transform———Ctrl+T
Gamut Warning———Shift+Ctrl+Y
Group with previous———Ctrl+G
Hide/Show Edge———Ctrl+*
Hide/Show path——— Shift+Ctrl+H
Hide/Show ruler———Ctrl+R
Inverse———Shift+Ctrl+I
Last Filter——— ctrl+F
Look Guides———Alt+Ctrl+;
Marge Down———Ctrl+E
Merge Visible——— Shift+Ctrl+E
New Document——— Ctrl+N
New Layer———Shift+Ctrl+N
Numeric Transform———Shift+Ctrl+T
Open Document———Ctrl+O
Page Setup———Shift+Ctrl+P
Pest———Ctrl+V
past info———Shift+Ctrl+V
Preference———Ctrl+K
Print——— Ctrll+P
save a copy document———Alt+Ctrl+S
Save as Document ———Shift+Ctrl+S
Save Document———Ctrl+S
Select All———Ctrl+A
Snap to Grid———Shift+Ctrl+”
Snap to Guides———Shift+Ctrl+;
Standard screen mode——— F
Undo———Ctrl+Z
Ungroup———Shift+Ctrl+Z
Zoom In———Ctrl+
Zoom Out———Ctrl-

1527
কম্পিউটারে বিশেষ করে যারা ডাটা এন্ট্রির কাজ করে এবং যারা প্রোগ্রামার তাদের দীর্ঘক্ষন ধরে কী-বোর্ড ব্যবহার করতে হয়। এতে তাদের হাত এর উপর প্রচুর চাপ পড়ে । একটু সঠিক ভাবে ব্যবহার করলে দেহের উপর কম চাপ পরবে। এর সাথে ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন , গর্ভবতিদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার এর ক্ষতি সর্ম্পকে আলোচনা করার চেস্টা করবো ।

   কী-বোর্ড এ হাতের ব্যবহার
   মেঝে থেকে কী-বোর্ড ২৮-৩২ ইঞ্চি উপরে রাখুন।
   কী-বোর্ড সমান জায়গায় বসান। আপনি যদি বেশি আরাম বোধ করেন তাহলে কী-বোর্ড এর স্ট্যান্ড দুটি খুলে দিন।
   কী-বোর্ড এ জরে চাপ না দিয়ে আলত ভাবে চাপ দেয়ার অভ্যাস করুন।
   হাত কোন কিছুর সাথে না লাগিইয়ে কী-বোর্ড ব্যবহার করার চেস্টা করুন।
   মেঝেতে পা না রেখে টেবিলে পাদানিতে পা রাখার চেস্টা করুন ।
   হাত সোজা করে কী-বোর্ড ব্যবহার করুন ।
   হাতে বেশি পরিমানে তেল বা তৈলাক্ত জিনিস লাগিয়ে কী-বোর্ড ব্যবহার করবেন না ।
   আস্তে করে মাউস ধরুন ।
   কী-বোর্ড এর পরিবর্তে মাউস বেশি ব্যবহার করার চেস্টা করুন।

ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন

যারা দীর্ঘক্ষন ধরে কম্পিউটার এ কাজ করে তাদের ডিপ্রেশ্ন , এলার্জি আরও অনেক ধরনের অসুবিধা দেখা যায়। এগুলোর জন্য বিজ্ঞানিরা ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন কে দায়ী করেছেন। এখন বড় কম্পানিরা রেডিয়েশন মুক্ত যন্ত্রপাতি তৈরী করার চেস্টা করছে। এজন্য কম্পিউটার কেনার সময় কম রেডিয়েশন হয় এমন সব যন্ত্রপাতি কেনা উচিত।
গর্ভবতিদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার এর ক্ষতি

গর্ভবতিদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করা উচিত না । বিজ্ঞানিরা গবেষনা করে দেখেছেন গর্ভবতিদের মধ্যে যারা ২০ ঘন্টার বেশি কম্পিউটার ব্যবহার করেছেন তাদের Micrariases , Pre – mature এবং Still born শিশু হয়েছে। কম্পিউটারের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রশ্নির জন্য এটা হয়ে থাকে। গর্ভবতি মহিলারা কম্পিউটার ব্যবহার করলে গর্ভ এর সন্তানের উপর চাপ পড়ে।
লেখাটি প্রথমে এখানে প্রকাশিত

1528
English / মজায় মজায় শিখি - Parts of speech
« on: September 21, 2011, 05:36:10 PM »
কেমন আছেন আপনারা সবাই?আজ আমি আপনাদের কে ইংরেজী শিখার কয়েকটি গুরুত্বপুর্ন বিষয় শিখাব। আর একটি কথা ,শিক্ষার কোন বয়স নেই এবং কোন কিছু শিখতে হলে লজ্জা এবং ভীতি কে দূরে ঠেলে দিতে হবে।

সুতরাং আপনিও যোগ দিন আমার সাথে ।
আপনাদের কে আমি শিখাব সবচাইতে গুরুত্বপুর্ন বিষয়  Parts of speech
আমি আপনাদের জন্য একটি ছড়া লিখেছি-


ছড়া


নয়নে যাহা পড়ে তাহাই Noun,
verb এর হল হাটাহুটা,
Pronoun এর বদলি খাটা;
Adverb এর রকম সকম।।
adjective দোষ-গুনে গায় গান,
Preposition এর অবস্থান;
যোগ-বিয়োগে conjunction,
সুখে -দূঃখে interjection।।


Noun:- নয়নে যাহা পড়ে তাহাই noun মানে হল আমাদের চারপাশে যা আছে তা সবকিছুই Noun.যেমন:-
father, mother, chair ,table,school ইত্যাদি
I live in Dhaka

Pronoun : Pronoun এর বদলি খাটা ,এর মানে হল noun এর পরিবর্তে যেটি বসে সেটি-ই হল pronoun.যেমনঃ
He,she,it, they ইত্যাদি
Rahim is a good boy. He plays cricket.
এখানে Rahim এর পরিবর্তে he বসেছে। তাই এটি হল pronoun.

Adjective :- Adjective এর দোষ গুনে গায় গান, মানে হল adjective দ্বারা কোন কিছুর দোষ-গুন ,অবস্থা, সঙ্খ্যা ,পরিমান ইত্যাদি বুঝায়।
যেমনঃ He is a good boy.
এখানে good হল adjective. এটি দ্বারা গুন বুঝানো হয়েছে।

Verb: Verb এর হল হাটাহুটা মানে হল- এটি দ্বারা কোন কিছুর কার্য সম্পাদন করা বুঝায়। যেমনঃ
I am writing in a blog

Adverb:Adverb এর রকম-সকম মানে হল- এটি দ্বারা কোন verb কিভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তা বুঝায়।যেমনঃ
I am writing slowly. এখানে slowly একটি adverb.

Preposition: pre mane পুর্বে , position মানে অবস্থান। অর্থাৎ, preposition মানে পুর্বে-অবস্থান।
এটি কোন কিছুর পুর্বে বসে সেই ওয়ার্ড এর অবস্থান নির্দেশ করে ।
যেমনঃ I am in Dhaka.

Conjunction: যোগ-বিয়োগে conjunction মানে হল- কোন শব্দ বা বাক্যের মধ্যে এটি সংযোগ ঘটায়।
যেমনঃ He is polite and brilliant.

Interjection:
এটি দ্বারা কোন কিছুর সুখ,দুঃখ, আনন্দ,বেদনা ইত্যাদি বুঝায়।যেমনঃ Hi ! how are you?
এখানে Hi wordটি interjection

1529
Images for protect yourself during an earthquake
[/size][/color]




















বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঘটনা একের পর এক ঘটে গেলেও তা আমাদের তেমন একটা সচেতন করতে পারেনি। যে দূর্যোগের কোন পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব নয় তার থেকে বাচতে হলে প্রয়োজন এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ। চলুন আমরা আমাদের জীবন-মরণ প্রশ্ন নিয়ে হেলাফেলা না করে একে মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত থাকি এবং সবাইকেপ্রস্তুত করে তুলি।
প্রতিরোধ (ভূমিকম্পের আগে করণীয়)

ঘরেরপ্রস্তুতি - আশ্চর্য মনে হলেও সত্যি যে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির মূল কারণ বিল্ডিং ধসে পড়া নয়। বরং আসবাব, ভঙ্গুর কাঠামো অথবা তৈজসপত্রের কারণেই বেশিরভাগ ক্ষতি হয়ে থাকে। জোরাল ভূমিকম্পের সময় মেঝের আগে-পিছে ঝাকুনি সেকেন্ডে কয়েক ফুট পর্যন্ত হতে পারে যার কারণে ঘর থেকে বের হওয়া দুস্কর হয়ে পড়ে এবং ঘরেরমাঝে ছুটন্ত বস্তুর আঘাতেই আঘাত পাওয়ার আশঙ্কা প্রবল থাকে। এর থেকে রক্ষা পেতে হলে -

    শেলফ ও আলমারিতে বড় ও ভারি মালপত্র নিচের দিকে রাখুন।
    ভঙ্গুর তৈজসপত্র যেমন বোতল, গ্লাস, কাপ, প্লেট ইত্যাদি বন্ধ ক্যাবিনেটে রাখুন।
    দেয়ালে ঝোলানো ভারি শো-পিস যেমন ছবির ফ্রেম, আয়না ইত্যাদি বিছানা, সোফা অথবা অন্য কোন বসার স্থান থেকে দূরে রাখুন।
    ত্রুটিযুক্ত বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং এবং গ্যাসের লাইন মেরামত করে নিন। এসব স্থান থেকে সহজে আগুন ধরতে পারে।
    দেয়ালে বা সিলিং এ ফাটল থাকলে মেরামত করে নিন; এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত নেয়ার দরকার হতে পারে।
    যেসব বিল্ডিং এখনো তৈরি হয়নি সেগুলো যথাযথ বিল্ডিং কোড মেনে তৈরি করুন।

 
ঘরে-বাইরে ভূমিকম্প হতে নিরাপদ স্থানসমূহ চিহ্নিত করুন -

     ভারি টেবিল বা মজবুত চৌকি বা খাটের নিচে।
     ভিতরের দিকের দেয়ালের পাশে (সীমানার দিকের দেয়াল ও জানালার কাছে থাকা বিপজ্জনক)।
     জানালা, ছবির ফ্রেম বা আয়না জাতীয় ভঙ্গুর কাঠামো এবং ঝাকুনিতে পড়ে যেতে পারে এমন ভারি আসবাব থেকে দূরে।
     ঘরের বাইরে খোলা এলাকা - যা কোন বিল্ডিং এবং বৈদ্যুতিক লাইন থেকে দূরে।

 
নিজে ও পরিবারের সবাই সচেতন হোন

    ভূমিকম্পের আগে, ভূমিকম্পের সময় ও এর পরে কি করণীয় সে বিষয়ে সচেতনতা।
    ভূমিকম্প হতে নিরাপদ স্থানগুলো চিহ্নিত করার যোগ্যতা যাচাই।
    ভূমিকম্পের সময় কি করতে হবে তার মহড়া।

 
শুধু নিজে নয়, অপরকেও এসব জানতে সাহায্য করুন

     পোস্টার, বিলবোর্ডের মাধ্যমে।
     ফেসবুক ও অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কে এই প্রবন্ধটি শেয়ার করার মাধ্যমে।
     স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে ঘরে ঘরে অথবা স্কুল-কলেজে প্রচারের মাধ্যমে।

 
মোকাবেলা (ভূমিকম্পের সময় করণীয়)

 

ভূমিকম্পের সময় চলাফেরা কঠিন ও বিপজ্জনক। তাই যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়া প্রয়োজন। দৌড়ে বের হওয়া তখনই উচিত হবে যখন আপনি বাড়ির গেট এর কাছে থাকবেন এবং বাইরে বিল্ডিং ও বৈদ্যুতিক লাইন থেকে দূরে যাওয়া খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্ভব। কাজেই, বাইরে বের হওয়া সম্ভব না হলে ঘরের নিরাপদ আশ্রয় ব্যবহার করা প্রয়োজন।

 

হামাগুড়ি - আশ্রয় ও ধরে রাখার পদ্ধতি।

ভেতরের দিকের দেয়ালের কাছে আশ্রয় নেয়া।

 
বাড়ির ভিতরে থাকলে 

     মাটিতে হামাগুড়ি দিয়ে বসে পড়ুন, ভারি টেবিল বা খাটের নিচে আশ্রয় নিন এবং খাট বা টেবিলের পায়া ধরে রাখুন যাতে করে ঝাকুনিতে তা সরতে না পারে।
     নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে না পারলে হাত দিয়ে মাথা ঢেকে ভেতরের দিকের কোন দেয়াল বা কোনায় বা কলামের গোড়ায় হামাগুড়ি দিয়ে বসে পড়ুন।
     পতনশীল ভারি আসবাব, ছবির ফ্রেম, আয়না, জানালা থেকে দূরে থাকুন।
     বিছানায় শোওয়া অবস্থায় থাকলে বিছানা থেকে বেশি দূরে যাবার চেষ্টা করবেননা। খাটের নিচে বা নিকটতম নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন।
     লিফট বা এলিভেটর ব্যবহার করবেননা।
     মনে রাখবেন, বিদ্যুত সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে যা কিনা আপনার চলাফেরাকেও ব্যাহত করতে পারে।

 
বাড়ির বাইরে বা গাড়িতে থাকলে

     বিল্ডিং, বৈদ্যুতিক লাইন, ল্যাম্পপোস্ট থেকে দূরে থাকুন।
    বড় ভূমিকম্পের পরেও কয়েক দফা মৃদু কম্পন হতে পারে। কাজেই ঝাকুনি শেষ হওয়ার পরেও কিছুক্ষণ বাইরে অপেক্ষা করুন।

 
ভেঙ্গে পড়া বাড়িতে আটকা পড়লে 

     আগুন জ্বালাবেননা। গ্যাস লাইন লিক করে থাকলে তা আগ্নিকান্ডের সূত্রপাত করতে পারে।
     ধীরে নড়াচড়া করুন।
     কাপড় বা রুমাল দিয়ে নাকমুখ ডেকে নিন ও উদ্ধারের অপেক্ষায় থাকুন।

 

 
প্রতিকার (ভূমিকম্পের পরে করণীয়)

      বড় ভূমিকম্পের পরবর্তী মৃদু কম্পনের জন্য প্রস্তুত থাকুন। এ ধরণের কম্পন মূল কম্পনের এক ঘন্টা থেকে এক মাসের মধ্যে যেকোন সময় হতে পারে।
     শেলফ, আলমারি খোলার সময় সাবধান থাকুন। মালপত্র সহজেই পড়ে যেতে পারে।
     ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থান থেকে দূরে থাকুন যদি না আপনার সাহায্য একান্ত প্রয়োজনীয় হয়।
     সমুদ্র এলাকার লোকজন সুনামি বা উচু জোয়ারের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
     আটকা পড়া বা আঘাতপ্রাপ্ত মানুষকে সাহায্য করুন।
     গ্যাসের গন্ধ বা নির্গমণের শব্দ পেলে জানালা খুলে দিন ও দ্রুত বের হয়ে যান। যথাশীঘ্র তা মেরামত করার ব্যবস্থা নিন।
     বিদ্যুতের স্পার্ক দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন, যাওয়ার পথে পানি থাকলে নিজে মেরামত না করে ইলেক্ট্রিশিয়ানের পরামর্শ নিন।

 

শেষ করার আগে বলতে চাই, এই তথ্য সবাইকে জানিয়ে দিন। যেকোন স্থানে শেয়ার করুন। আপনার সামান্য তথ্য শেয়ার হতে পারে অনেক মানুষের জীবন রক্ষার কারণ! ধন্যবাদ।ভালো থাকুন।

 https://www.facebook.com/DIUbest

[এই তথ্য মূলত http://www.fema.gov/hazard/earthquake/index.shtm
http://www.earthquakecountry.info/dropcoverholdon/ এ থেকে অনূদিত।

Pages: 1 ... 100 101 [102]