Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Sultan Mahmud Sujon

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 102
31
এখন থেকে আগামী দুই-তিন সপ্তাহ দেশের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক সময়। এর মধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে সামাজিকভাবে নতুন করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা আছে। গতকাল পর্যন্ত যারা আক্রান্ত দেশ থেকে এসেছেন তাদের মাধ্যমে ছড়ালেও সর্বোচ্চ আগামী ২১ দিনের মধ্যেই তা প্রকাশ পাবে।

ভাইরোলজির ভাষায় যাকে ‘পিক টাইম’ বলা হয়। এ সময় সংক্রমিত হতে পারে অসংখ্য মানুষ। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এমন আশঙ্কা করছেন দেশের ভাইরোলজি বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, যেসব দেশে ভাইরাসটি সামাজিকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে সেই দেশগুলো থেকে আসা যাত্রীদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে রাখা হলে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। তবে এখনও যদি ছড়িয়ে পড়া দেশ থেকে আসা যাত্রীদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে আনা হয় তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ আয়ের উন্নত প্রযুক্তির রাষ্ট্রগুলো সব সুযোগ-সুবিধা থাকার পরও নতুন করোনাভাইরাসে মহামারী ঠেকাতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতার মূল কারণ, ওই দেশগুলোর নীতিনির্ধারকরা প্রকৃত পরিস্থিতি অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা সময়ের কাজ সময়ে করতে পারেনি। এসব দেশের প্রতিটিতেই ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়েছিল আক্রান্ত দেশ থেকে আসা দু-একজন ব্যক্তির মাধ্যমে।

ভাইরোলজির দৃষ্টিকোণ থেকে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যেসব দেশে ভাইরাসটির ব্যাপক সংক্রমণ ঘটেছে সেসব দেশে প্রথম ২ থেকে ৩ সপ্তাহ হাতেগোনা কয়েকজনের দেহে এটি শনাক্ত হয়। একটা পর্যায়ে সেই সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকে।

এর কারণ, প্রথমে দেশে প্রবেশ করা সেই দু-একজন ব্যক্তি তাদের পরিবার থেকে শুরু করে যত মানুষের সংস্পর্শে গিয়েছেন, তাদের অনেকের দেহেই ভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে। এই ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণগুলো প্রকাশ হতে সাধারণত ১ থেকে ২ সপ্তাহ সময় প্রয়োজন হয়। তাছাড়া সাধারণ সর্দি-কাশি বা ফ্লুর সঙ্গে এর উপসর্গগুলোর মিল থাকায় পরীক্ষা না করে, শুধু শারীরিক লক্ষণ দেখে এটি আলাদা করা সম্ভব হয় না।

এ প্রসঙ্গে প্রখ্যাত ভাইরোলজিস্ট এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক সময়। আমাদের হিসাব মতে, এই সময়ে দেশে নতুন করোনাভাইরাসের পিক টাইম হবে।

যা হওয়ার এই সময়ে হয়ে যাবে। তিনি বলেন, যেসব সতর্কতা এখন নেয়া হচ্ছে এগুলো আরও আগেই নেয়া দরকার ছিল। পিক টাইম হলে আরেকটি ডিজাস্টার ঘটবে। সেটা চিকিৎসক ও সেবাদানকারীদের ক্ষেত্রে। কারণ তাদের হাতে পর্যাপ্ত পার্সনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট (পিপিই) নেই।

ফলে যারা চিকিৎসা ও সেবা দেবেন তারা ব্যাপকভাবে ভাইরাসটি দ্বারা সংক্রমিত হতে পারেন। অধ্যাপক নজরুল বলেন, আমরা এ ধরনের ঝুঁকি থেকে অনেকাংশই নিরাপদে থাকতে পারতাম যদি সামাজিকভাবে ছড়িয়ে পড়া দেশগুলো থেকে আসা যাত্রীদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে নিতে পারতাম। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রভাবশালীদের জন্য সেটি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

দেশে পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এর প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। বর্তমানে সেই সংখ্যা ২০ জন, যাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। অর্থাৎ ইতালি থেকে আসা ১৪২ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়ে দেয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই দেশের প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

এখন পর্যন্ত যে ২০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে তাদের সবাই কোভিড-১৯ এর মহামারী আক্রান্ত দেশ থেকে আসা বা তাদের পরিবারের সদস্য। অথচ শুরুতেই ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা যাত্রীদের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোয়ারেন্টিনে রাখলে দেশ মহামারীর হুমকিতে পড়ত না।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যে দেখা গেছে, গত দুই মাসে সমুদ্র, সড়ক ও আকাশপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৭৪২ জন। যাদের বেশির ভাগই কোভিড-১৯ এর মহামারী চলছে, এমন দেশ থেকে এসেছেন। সতর্কতার জন্য দেশের প্রবেশপথগুলোতে এসব যাত্রীর স্ক্রিনিং করা হয়।

তবে সংক্রমণের লক্ষণ প্রকাশ পেতে এক থেকে দুই সপ্তাহ সময় লাগায় স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের মধ্যে কেউ যে ভাইরাসটির বাহক তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ফলে বাহকরা দেশে ফিরে বিভিন্ন মানুষের সংস্পর্শে এসে নিজের অজান্তেই ভাইরাসটি ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য কোভিড-১৯ এর মহামারী প্রতিরোধ করার কাজটি দুরূহ হয়ে গেলেও অসম্ভব নয়। তবে এর দায়িত্ব নিতে হবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। একটি অধিদফতর বা মন্ত্রণালয়ের পক্ষে এ ধরনের বৈশ্বিক মহামারী (প্যানডেমিক) প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।

এর জন্য দরকার প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ। পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সচেতনতা, বেসরকারি খাতের শীর্ষ পর্যায়ের সক্রিয় সহযোগিতা। এই তিন ধরনের মানুষদের সমন্বয় না হলে এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব হয়ে পড়বে।

এ প্রসঙ্গে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, দেশের সম্ভাব্য মহামারী প্রতিরোধে অবিলম্বে^ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কোভিড-১৯ এর একটি জাতীয় রেসপন্স টিম গঠন করতে হবে। যার প্রতিটি কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে সরাসরি পরিচালিত হবে।

জাতীয় রেসপন্স টিমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কর্মরত বিশেষজ্ঞদের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে সম্পৃক্ত করে স্বাধীনভাবে মতামত প্রদানের সুযোগ দিতে হবে। সারা দেশে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা সব ব্যক্তিকে বাধ্যতামূলকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে নিতে হবে।

জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ভাড়া নিয়ে সেগুলোকে সাময়িক কোয়ারেন্টিন সেন্টারে পরিণত করতে হবে। প্রয়োজনে শৃঙ্খলা নিশ্চিতে সর্বস্তরে সেনাবাহিনীকে সম্পৃক্ত করতে হবে। যেসব সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ানদের জন্য এখনও পিপিই (পারসন্যাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট) পাঠানো হয়নি, সেখানে দ্রুত সরবরাহ করতে হবে। কোভিড-১৯ নিয়ে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ সব ধরনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের গুজব প্রতিহতে নজরদারি বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।


Source: https://www.jugantor.com/todays-paper/first-page/291253/%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A6%AC-%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%95-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A7%A8%E0%A7%A7-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8

32


করোনাভাইরাস কী?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে করোনাভাইরাস সি-ফুডের সঙ্গে যুক্ত। করোনাভাইরাস খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে। উট, বিড়াল এবং বাদুড়সহ অনেক প্রাণীর শরীরেই এই ভাইরাস প্রবেশ করতে সক্ষম। আর এই সব প্রাণী থেকেই ওই বিরল ভাইরাসে মানুষও সংক্রামিত হতে পারে। তবে এই ভাইরাস এক মানুষ থেকে অন্য মানুষে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

করোনাভাইরাসের লক্ষণ?

ঠাণ্ডা, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাস নিতে অসুবিধা, জ্বর, এগুলিই ওই ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষণ। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জেরে নিউমোনিয়া হতে পারে এবং এই ভাইরাস কিডনিরও ক্ষতি করে।

করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা

প্রথমত, এই ভাইরাসটি যেখানে ছড়াচ্ছে সেখানে যাওয়া এড়ানো উচিত। আর আপনি যদি একান্তই এমন জায়গার কাছাকাছি থাকেন তবে এই ভাইরাস থেকে বাঁচতে আপনি নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলি অবলম্বন করতে পারেন-

১. আপনার হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। যদি কোনও সাবান না থাকে তবে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

২. আপনার নাক এবং মুখ ভালোভাবে ঢেকে রাখুন।

৩. অসুস্থ ব্যক্তিদের থেকে যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রাখুন। তাদের ব্যবহৃত বাসন ব্যবহার করবেন না এবং তাদের স্পর্শ করবেন না। এর ফলে রোগী এবং আপনি দুজনেই সুরক্ষিত থাকবেন।

৪. ঘর পরিষ্কার রাখুন এবং বাইরে থেকে আসা জিনিসগুলিকেও পরিষ্কার করে ঘরে আনুন।

৫. নন-ভেজ বিশেষত সামুদ্রিক খাদ্য খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। কেননা এই ভাইরাস সি-ফুড থেকেই ছড়ায়।

করোনাভাইরাসের চিকিৎসা

এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে কোনও ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। বিজ্ঞানীরা এই ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য ভ্যাকসিন তৈরির জন্যে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

(ড. আরিফা আকরাম, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরোটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার, ঢাকার ভাইরোলজি বিভাগের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)



Source: https://www.bd-journal.com/international/104597/%E0%A6%AD%E0%A7%9F%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F

33
জাদুঘর ও গ্যালারি
সংস্কৃতিমনাদের জন্য জাদুঘর ও গ্যালারিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের সংগ্রহগুলো পোস্ট করছে। যেমন গত শনিবার যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটনের গডস হাউস টাওয়ারে আয়োজিত একটি প্রদর্শনী অনলাইনে উদ্বোধন করা হয়। ওই গ্যালারির পরিচালক ড্যানিয়েল ক্রো বলেন, ‘প্রদর্শনীর ভেন্যু সাময়িকভাবে স্থগিত হয়ে যাওয়ায় আমরা আসলেই খুব মর্মাহত হই। আশা করছি, এখন শুধু স্থানীয়রাই নয়, সারা বিশ্বের লোকেরাই এই প্রদর্শনী দেখতে পারবে।’

শরীরচর্চাকেন্দ্র
করোনাভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে মানুষ শরীরচর্চাকেন্দ্রে যাচ্ছে না। তাই কিছু কিছু শরীরচর্চাকেন্দ্র তাদের ক্লাসগুলো এখন অনলাইনে নেওয়া শুরু করেছে। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে সরাসরি ক্লাস নেওয়া হচ্ছে অথবা প্রশিক্ষণের ভিডিও আপ করে দেওয়া হচ্ছে। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের ফিটনেস ব্র্যান্ড বেরিস, ক্রসফিটসহ আরও অনেক দেশের শরীরচর্চাকেন্দ্র এখন অনলাইনে দেখে দেখে ঘরে বসে শরীরচর্চা করতে উৎসাহিত করছে।

বইয়ের ক্লাব
করোনার আতঙ্কে বই সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্লাব এখন অনলাইনে পাঠচক্রের আয়োজন করছে। যেমন ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে আগ্রহীদের বই পড়ার তালিকা দেওয়া হচ্ছে।

রান্নাবান্না
কাঁচাবাজার বা সুপারমার্কেটে খাদ্যঘাটতি দেখা দেওয়ায় ভোজনরসিক ব্যক্তিরা অনলাইনে বেশ সৃজনশীলতা দেখাচ্ছে। বিকল্প উপকরণ কিংবা ঘরে থাকা সীমিত উপকরণ দিয়ে কীভাবে মজা করে রান্না করা সম্ভব, সেই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বাড়িতে কী করে ফলমূল ও শাকসবজি উৎপাদন করা যায়, এর পরামর্শ সংবলিত নতুন করে ভিডিও বের করা হচ্ছে এ সময়ে।

পোষা প্রাণীর যত্নআত্তি
কোভিড-১৯ নিয়ে চলমান আতঙ্কের সময়ে আগামী এপ্রিল মাসের শেষ পর্যন্ত পশুচিকিৎসকদের সঙ্গে বিনা মূল্যে ভিডিও অ্যাপয়েন্টমেন্ট করার সুযোগ করে দিচ্ছে ফাস্টভেট অ্যাপ।

দূর থেকেই সামাজিকতা
কোভিড-১৯ আতঙ্কে সামাজিকতা রক্ষা দুরূহ হয়ে ওঠায় দূর থেকে সামাজিকতা পালনের উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপ। যেমন অনলাইনেই সান্ধ্য ভোজনের আয়োজন করা হচ্ছে। এতে সত্যিকারের ভোজনটা না হলেও গল্পসল্পটা তো থাকছে।


Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1646006/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A4%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F

34
উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়াতেও কোভিড-১৯ ছড়ায় না—ভুল

নতুন করোনাভাইরাস উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় সংক্রমিত হয় না বলে একটি তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে উচ্চারিত হতে শোনা যায়। তথ্যটি ভুল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এখন পর্যন্ত উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়াসহ সব ধরনের পরিবেশ এবং এলাকায় করোনাভাইরাসের সংক্রমিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। জলবায়ু ও আবহাওয়া যেমনই হোক, সতর্ক থাকুন। কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে এমন এলাকা ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকুন। মনে রাখবেন, কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষিত থাকার সবচেয়ে ভালো পথ হচ্ছে একটু পরপরই সাবান-পানি বা অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড রাব বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা। একই সঙ্গে হাত দিয়ে নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।


তুষার ও ঠান্ডা আবহাওয়া করোনাভাইরাসকে মারতে পারে না—ভুল

করোনাভাইরাস বা অন্য কোনো রোগ প্রতিরোধে ঠান্ডা আবহাওয়া কার্যকর—এমনটি ভাবার কোনো কারণই নেই। কারণ, বাইরের তাপমাত্রা যা-ই হোক না কেন, মানুষের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৯৭-৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট) মধ্যেই থাকে।

গরম পানিতে গোসল করোনাভাইরাস রোধে কার্যকর—ভুল
নতুন করোনাভাইরাস থেকে প্রতিরোধের উপায় হিসেবে অনেকে গরম পানিতে গোসলের কথা বলছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গরম পানিতে গোসলের মাধ্যমে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকা যাবে না। কারণ, বাইরের তাপমাত্রা যা-ই হোক না কেন, মানুষের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৯৭-৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট) থাকে। মনে রাখবেন, কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষিত থাকার সবচেয়ে ভালো পথ হচ্ছে একটু পরপরই সাবান-পানি বা অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড রাব বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা। এর মাধ্যমেই আপনার হাতে থাকা জীবাণু অপসারিত হবে। একই সঙ্গে হাত দিয়ে নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।

মশার মাধ্যমে নতুন করোনাভাইরাস ছড়ায়—ভুল
সামনে বর্ষা মৌসুম আসছে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। এই অবস্থায় মশার মাধ্যমে নতুন করোনাভাইরাস ছড়ায় কি না, তা নিয়ে নানা জল্পনা আছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মশার মাধ্যমে নতুন করোনাভাইরাস ছড়ানোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। নতুন এই ভাইরাস শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ভাইরাস। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির সময় তাদের শ্বাসতন্ত্র থেকে নির্গত ড্রপলেট বা লালার বিন্দু বা নাক ঝাড়ার সময় নির্গত জলকণার মাধ্যমে ছড়ায়। নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে একটু পরপর হাত পরিষ্কার করুন এবং হাত দিয়ে নাক-চোখ-মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। একই সঙ্গে হাঁচি-কাশি রয়েছে—এমন ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।


নতুন করোনাভাইরাস মারতে হ্যান্ড ড্রায়ার কার্যকর—ভুল

হ্যান্ড ড্রায়ার দিয়ে হাত শুষ্ক করার মাধ্যমে নতুন করোনাভাইরাসকে মারা যায় না। কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষিত থাকার সবচেয়ে ভালো পথ হচ্ছে একটু পরপরই সাবান-পানি বা অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড রাব বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা। হাত ধোয়ার পরপরই টিস্যু পেপার বা উষ্ণ বাতাস বা হ্যান্ড ড্রায়ার দিয়ে হাত শুকিয়ে নিন। একই সঙ্গে হাত দিয়ে নাক-চোখ-মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।


অতিবেগুনি রশ্মিতে করোনাভাইরাস মরে—প্রমাণ নেই
অতিবেগুনি রশ্মিতে করোনাভাইরাস মরে কি না, তার চেয়েও বড় কথা হচ্ছে, এ রশ্মি থেকে ত্বকের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যায়—পুরোপুরি ঠিক নয়
কারও শরীরে জ্বর থাকলে, তা থার্মাল স্ক্যানারে ধরা পড়বে। নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায়, তার একটি হলো জ্বর। তবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জ্বর হয় না। এমন লক্ষণ প্রকাশ পেতে ২ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। তাই জ্বর নেই, কিন্তু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত—এমন ব্যক্তিকে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে শনাক্ত করা যায় না।

সারা শরীরে অ্যালকোহল বা ক্লোরিন ছিটিয়ে কি করোনামুক্ত থাকা যায়—ভুল
এককথায় উত্তর, ‘না’। পশ্চিমা দেশে এ ধরনের কিছু বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, যে ভাইরাস এরই মধ্যে শরীরে প্রবেশ করেছে, তাকে মারতে সারা শরীরে অ্যালকোহল বা ক্লোরিন বা ব্লিচিং ছড়িয়ে কোনো লাভ নেই। এ ধরনের রাসায়নিকের সংস্পর্শ চোখ ও মুখের ত্বক ও ঝিল্লি (মিউকাস মেমব্রেন) ক্ষতি করে। এ দুটি রাসায়নিকই ঘরদোর পরিষ্কারের কাজে লাগে। তবে ব্যবহারের আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ পরামর্শ মেনে ব্যবহার করতে হবে।

নিউমোনিয়ার ভ্যাকসিন করোনা থেকে সুরক্ষা দেবে—ভুল
না। নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন বা হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি ভ্যাকসিনসহ নিউমোনিয়ার ভ্যাকসিন শুধু নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধেই কার্যকর। এগুলো নতুন করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা দেবে না। এই ভাইরাস একেবারেই নতুন এবং আগেরগুলোর চেয়ে আলাদা যে এর প্রতিরোধে একেবারে নতুন ভ্যাকসিনেরই প্রয়োজন। বিভিন্ন দেশের গবেষকেরা করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছেন, যেখানে সহায়তা দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিদ্যমান ভ্যাকসিনগুলো কোভিড-১৯–এর বিরুদ্ধে কার্যকর না হলেও শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা রোধে বিদ্যমান ভ্যাকসিন যেকোনো মানুষেরই গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

লবণ-পানি বা স্যালাইন দিয়ে নিয়মিত নাক ধুলে কি সুরক্ষিত থাকা সম্ভব—ভুল
না। লবণ-পানি বা স্যালাইন দিয়ে নিয়মিত নাক পরিষ্কার করে নতুন করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকা যায়—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ ঠান্ডাজনিত অসুস্থতায় এ কৌশল কাজে লাগে। শ্বাসপ্রশ্বাসের কোনো সমস্যার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর নয়।

রসুন বা এমন কিছু করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা দিতে পারে—ভুল
রসুন স্বাস্থ্যকর খাবার এবং এর রয়েছে অণুজীবনাশক ক্ষমতা। একইভাবে থানকুনি বা তুলসীপাতাও স্বাস্থ্যকর এবং এগুলোর নানা ঔষধি গুণ রয়েছে। কিন্তু এর কোনোটিরই করোনাপ্রতিরোধী কোনো ক্ষমতা নেই। এমন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

নতুন করোনাভাইরাসে শুধু বয়স্ক ব্যক্তিরা আক্রান্ত হন—ভুল
নতুন করোনাভাইরাস সব বয়সী মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে। বয়স্ক মানুষ বিশেষত যাদের অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যা আগে থেকেই রয়েছে, তাদের ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি। সব বয়সী ব্যক্তিদের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এ ক্ষেত্রে নিয়মিত হাত ধোয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাস সম্পর্কিত সু-অভ্যাসের ওপর জোর দিচ্ছে সংস্থাটি।

নতুন করোনাভাইরাস প্রতিরোধ এবং এর চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর—ভুল
অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না। এটি শুধু ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। নতুন করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ একটি ভাইরাস। তাই এর প্রতিরোধ বা চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অনেক রোগীকে হয়তো অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। মনে রাখতে হবে, সেগুলো করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য নয়, বরং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ যেন না ঘটে, সেজন্য দেওয়া হচ্ছে।

নতুন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বা এর চিকিৎসায় কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ আছে—ভুল
নতুন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বা এর চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ নেই। তবে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে প্রকাশিত বিভিন্ন উপসর্গ অনুযায়ী তাকে চিকিৎসাসেবা দিতে হবে। যাদের অবস্থা গুরুতর হবে, তাদের বিশেষ পরিচর্যার আওতায় নিতে হবে। এর ভ্যাকসিন ও চিকিৎসার জন্য সুনির্দিষ্ট ওষুধ তৈরিতে গবেষণা চলছে। এ–সম্পর্কিত গবেষণার গতি বাড়াতে বিভিন্ন দেশে কাজ করে চলা গবেষক ও সংস্থাগুলোকে সহায়তা দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ আবিষ্কৃত হলে তার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হবে আগে।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)

Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1646018/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%9F%E0%A6%BE

35
Personal Management Skills / Best Tips to Improve Yourself
« on: March 16, 2020, 04:58:55 PM »

36
Employability Skills / Interviews: How to Follow Up
« on: March 16, 2020, 04:58:01 PM »

37
Employability Skills / Do's & Don'ts for Job Seekers
« on: March 16, 2020, 04:57:27 PM »

39
Teamwork Skills / Soft Skill List Info graphics
« on: March 16, 2020, 04:53:17 PM »

40
Teamwork Skills / 35 Phrases That Will Improve Your Resume
« on: March 16, 2020, 04:52:06 PM »

41
Teamwork Skills / Types of Interpersonal Skills
« on: March 16, 2020, 04:50:08 PM »

42
Teamwork Skills / The 7 Essential Elements of Communication Skills
« on: March 16, 2020, 04:48:53 PM »

43
Teamwork Skills / The 3 Steps to a 5 Year Plan
« on: March 16, 2020, 04:47:36 PM »

44
Teamwork Skills / The 7 Cs of Effective Communication
« on: March 16, 2020, 04:46:30 PM »

45
Teamwork Skills / How Do I Decide on a Career Path?
« on: March 16, 2020, 04:44:24 PM »

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 102