Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Munni

Pages: 1 [2] 3 4 ... 9
16
আল্লাহতায়ালা মানুষের হেদায়েতের জন্য শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পর্যায়ক্রমে ২৩ বছর ধরে নাজিল করেছেন কোরআনে কারিম। কোরআনের বিধি-বিধান পালন করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ। কোরআন একটি নিখুঁত, নির্ভুল ও পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থার নাম। এটা বিশ্ব মানবতার মুক্তির এক মহাস্মারকও বটে। ৬১০ খ্রিস্টাব্দের ২৭ রমজান কদরের রাতে হেরা পর্বতের গুহায় কোরআনে কারিম নাজিল হওয়া শুরু হয়। পবিত্র কোরআন নাজিল হতে সময় লাগে ২২ বছর ৫ মাস ১৪ দিন।

বর্তমানে আমরা যেভাবে গ্রন্থাকারে কোরআনে কারিম দেখি শুরুতে কিন্তু কোরআন এমন ছিল না- এটা পাঠকমাত্র সবাই অবগত।

এ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন বর্ণমালার ঐতিহাসিক, দুর্লভ ও প্রাচীন লক্ষাধিক কোরআন শরিফের কপির সন্ধান পাওয়া গেছে। বিশ্বের অনেক মুসলিম পণ্ডিত প্রাচীনতম কোরআন শরিফের পাণ্ডুলিপির সঙ্গে পরিচিত নন। অথচ প্রাচীনতম কোরআন শরিফের অনেক পাণ্ডুলিপি পশ্চিমাদের হাতে রয়েছে। তারা এ সব কপিগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

আজ থাকছে তেমন ঐতিহাসিক ও দুর্লভ কিছু কোরআনের পান্ডুলিপির আবিষ্কার, সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ সম্পর্কে আলোচনা।

বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীনতম কোরআন
ইংল্যান্ডের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীতে বিশ্বের প্রাচীনতম কোরআন শরিফের বেশ কয়েকটি পৃষ্ঠার সন্ধান পাওয়া গেছে। উদ্ধারকৃত এসব পৃষ্ঠা প্রায় ১৩৭০ বছর পূর্বের। কোরআন শরিফের প্রাচীন পৃষ্ঠাগুলো দীর্ঘদিন ধরে বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীতে অজ্ঞাত অবস্থায় সংরক্ষিত ছিল। উদ্ধারকৃত পৃষ্ঠার বয়স জানতে রেডিওকার্বন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।

রেডিওকার্বন করার জন্য কোরআন শরিফের পৃষ্ঠাগুলো অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে গবেষকরা গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন, উদ্ধারকৃত এ কোরআনের পৃষ্ঠাগুলো দুম্বা অথবা ছাগলের চামড়ায় লিখিত এবং এগুলো ৫৬৮ থেকে ৬৪৫ সালের মধ্যকার যেকোনো সময়ে লেখা হয়েছে।

চীনা ভাষায় অনুদিত হস্তলিখিত কোরআন শরিফ
চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় শিয় অধ্যুষিত ‘গানসু’ শহরের মুসলিম আলেমরা চীনা ভাষায় অনুদিত প্রাচীনতম কোরআন শরিফের সন্ধান পেয়েছেন। ঐতিহাসিকদের ধারণা, অনুদিত এ কোরআন শরিফটি ১৯১২ সালের দিকে লেখা হয়েছে।

ইয়েমেনে ২০০ হিজরির হস্তলিখিত কোরআন শরিফ
ইয়েমেনের ‘আজ জালেয়’ শহরের এক যুবক সেদেশের প্রাচীনতম কোরআন শরিফ সংগ্রহ করেছেন। উদ্ধারকৃত কোরআন শরিফটি ২০০ হিজরির অন্তর্গত। এটি ইয়েমেনের ‘আজ-জালেয়’ শহরের দক্ষিণাঞ্চলের একটি দুর্গম গুহা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এই কোরআন শরিফটি ক্রয় করার জন্য ওই যুবককে এক কোটি ২০ লাখ রিয়ালের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা বিক্রি করতে অস্বীকার করেন।

কাজারের কোরআন শরিফ
‘মুসহাফে কাজর’ নামে প্রসিদ্ধ এক খণ্ড প্রাচীন কোরআন শরিফের সন্ধান পাওয়া গেছে। ওই কোরআন শরিফের প্রথম ৮টি পৃষ্ঠা সম্পূর্ণরূপে স্বর্ণের কারুকাজ সম্বলিত।

Source:www.banglanews24.com

17
. প্রতিদিন ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ পাঠ করলে আমলনামায় ১০০০ সওয়াব লেখা হয় এবং ১০০০ গোনাহ মাফ করা হয়। -সহিহ মুসলিম

২. ‘আলহামদুলিল্লাহ’ মিজানের পাল্লাকে ভারী করে এবং এটা সর্বোত্তম দোয়া। -তিরমিজি ও ইবনে মাজা

৩. ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ সর্বোত্তম জিকির। -তিরমিজি ও ইবনে মাজা

৪. ‘সুবহানাল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ, ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর‘- এই কালেমাগুলো আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন, পৃথিবীর সমস্ত জিনিসের চইতে আমার নিকট অধিক প্রিয় (এ কালেমাগুলো)। -সহিহ মুসলিম

৫. যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহি’ প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে। তার সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ (সগিরা) গোনাহ থাকলেও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। -সহিহ বোখারি ও মুসলিম

৬. নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহি সুবহানাল্লিল আজিম’ এই কালেমাগুলো জিহ্বায় উচ্চারণে খুব সহজ, মিজানের পাল্লায় ভারী, দয়াময় আল্লাহর নিকটও অতি প্রিয়। -সহিহ বোখারি ও মুসলিম

৭. যে ব্যক্তি ‘সুবহান আল্লাহিল আজিমি- ওয়াবি হামদিহি’ পাঠ করবে প্রতিবার তার জন্য জান্নাতে একটি করে (জান্নাতি) খেজুর গাছ রোপন করা হবে। -তিরমিজি

৮. নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসে ইরশাদ করেছেন, ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধনসমূহের মধ্যে একটি গুপ্তধন। -সহিহ বোখারি ও মুসলিম

৯. হজরত রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘সুবহানাল্লাহ ওয়ালহামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুউ-ওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ’- এই কালেমাগুলো হচ্ছে- অবশিষ্ট নেক আমলসমূহ। -আহমাদ

১০. হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরূদ পাঠ করবে; আল্লাহতায়ালা তার প্রতি দশবার রহমত বর্ষণ করবেন। আরও বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি আমার প্রতি সকালে দশবার এবং বিকেলে দশবার দরূদ পাঠ করবে- সে কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত পাবে।


Source:www.banglanews24.com

18
হেপাটাইটিস সম্পর্কে কমবেশি সবাই জানি। লিভারের সঙ্গে সম্পৃক্ত এ রোগটি সাধারণত ভাইরাসজনিত কারণে হয়।

ল্যাটিন ভাষায় লিভারকে বলা হয় হেপাট। লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি হলে তাকে বলা হয় হেপাটাইটিস। লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি হলে বেশকিছু শারীরিক লক্ষণ দেখা দেয়। ভাইরাস ছাড়াও বিভিন্ন কারণে- ব্যাকটেরিয়া, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও গলব্লাডারের অসুস্থতা থেকে হেপাটাইটিস হতে পারে।

পাঁচ হেপাটাইটিস ভাইরাস

হেপাটাইটিস ভাইরাসের পাঁচটি ভাগ রয়েছে। হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই।

হেপাটাইটিস এ - খাদ্য ও পানীয় যদি কোনোভাবে মলমূত্রের সংস্পর্শে আসে, তবে হেপাটাইটিস এ ছড়ায়। সাধারণত শিশুরা এতে বেশি আক্রান্ত হয়।

হেপাটাইটিস ই -  এ এর মতো প্রায় একই কারণেই ছড়ায়। তবে এ ভাইরাসের ক্ষতি করার ক্ষমতা কম। প্রেগন্যান্সিতে ভাইরাসটি ক্ষতিকারক।
   
হেপাটাইটিস বি - যেকোনো বয়সেই হতে পারে। গর্ভকালীন সময়ে মায়ের শরীরে এ ভাইরাস থাকলে তা শিশুর শরীরেও প্রবেশ করে। ফলে জন্মের পর শিশু বিভিন্ন রোগে ভুগতে পারে। এ ভাইরাসের জিন লিভারের কোষের জিনের সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে যায় যে লিভারের কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলতে পারে।
হেপাটাইটিস সি – এর সাধারণত কোনো উপসর্গ চোখে পড়ে না। তবে দীর্ঘদিন অবস্থানের পর এটি সিরোসিস তৈরি করে। যার ফলে লিভার ক্যানসার, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।

হেপাটাইটস ডি – হেপাটাইটিস ডি এক কথায় বি ভাইরাসের সহযোগী। যা বি ভাইরাসের মতো সমান ক্ষতিকর।

সাবধানতা
হেপাটাইটিস নিয়ে খুব বেশি চিন্তার কিছু নেই। হালকা সহজপাচ্য খাবার খাওয়া, হালকা ব্যায়াম করা, অ্যালকোহল ও মাদক সেবন থেকে বিরত থাকা প্রাথমিক পরামর্শ।

হেপাটাইটিসি এ তে ব্যক্তিগত সাবধানত‍া জরুরি। বিশুদ্ধ খাবার ও পানীয় জলের সুব্যবস্থা রাখতে হবে। হেপাটাইটিস বি, সি, বা ডি হলে বেশিরভাগই সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে ভাইরাস লিভারে সুপ্ত অবস্থায় থেকে যায়। যা পরে সক্রিয় হয়ে ওঠে। হেপাটাইটিস বি দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে। যার ফলে লিভার ক্যানসার ও সিরোসিস হতে পারে।

সবরকম হেপাটাইটিস ভাইরাসে প্রথম অবস্থায় রোগের লক্ষণ প্রায় একই রকম। দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব, চোখ হলুদ হওয়া, পেটে ব্যথা, জ্বর ইত্যাদি দেখা দেয়। হেপাটাইটিস বি এর ক্ষেত্রে কিছু বাড়তি লক্ষণ থাকে। বিভিন্ন সন্ধিতে ব্যথা ও ত্বকে চাক চাক দেখা দেওয়া। হেপাটাইটিস বি এড়াতে বিশুদ্ধ পানি পান ও হাত পায়ের পরিচ্ছন্নতা জরুরি।

স্বামী-স্ত্রীর যেকোনো একজনের এ রোগ থাকলে অন্যজনকে অবশ্যই ভ্যাকসিন নিতে হবে। বাড়িতে কারও হেপাটাইটিস বি পজিটিভ থাকলে তার ব্রাশ, নেইলকাটার ও রেজার আলাদা রাখতে হবে। নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন ও প্রয়োজনীয় টীকা নিন।


Source:www.banglanews24.com

19
Food / সাতকরা দিয়ে গরুর মাংস
« on: July 23, 2016, 04:29:02 PM »
উপকরণ : গরুর মাংস (২ কেজি), আদাকুচি (পরিমাণ মতো), রসুনকুচি (পরিমাণ মতো), গোটা রসুন (১-২টা), ধনে (পরিমাণ মতো), মরিচ গুঁড়া (স্বাদ অনুযায়ী), জিরা গুঁড়া (প্রয়োজন মতো), সরিষার তেল (পরিমাণ মতো), গরম মসলা পরিমাণ মতো।

প্রণালী: সবকিছু একসঙ্গে নিয়ে ভালো করে মেখে হাত ধোয়া পানি দিয়ে প্রেশার কুকারে বসাতে হবে। প্রেশার কুকারের চারটা সিটি হলে নামিয়ে নিতে হবে। এরপর কড়াইয়ে ঢেলে তেল বের হওয়া পর্যন্ত কষাতে হবে। একটু পোড়া পোড়া ও নরম হয়ে গেলে সাতকরা কেটে দিয়ে দিতে হবে। তারপর সামান্য পানি দিয়ে আবারও কষাতে হবে। সাতকরা নরম হয়ে গেলে একেবারে শুকনা করে নামাতে হবে।

নামানোর পর মাংসের ওপরে পেঁয়াজের রিং দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

Source:  www.banglanews24.com

20
হজরত আবু আইয়ুব আনসারি রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে রমজানের রোজা এবং শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখল সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল (পুরস্কারের দিক থেকে)।’ –সহিহ মুসলিম

উপরোক্ত হাদিস প্রসঙ্গে আন নাসাঈ তার ‘সুবুল উস সালাম’ গ্রন্থে বলেছেন, যদি রমজানের ৩০টি রোজার সঙ্গে শাওয়ালের ছয়টি রোজা যুক্ত হয়, তাহলে মোট রোজার সংখ্যা হয় ৩৬টি। শরিয়ত অনুযায়ী প্রতিটি পুণ্যের জন্য ১০ গুণ পুরস্কারের কথা উল্লেখ রয়েছে। তাহলে ৩৬টি রোজা ১০ গুণ পুরস্কারে পরিণত করলে তা ৩৬০টি রোজার সমতুল্য হবে। অর্থাৎ সারা বছরের রোজার সমতুল্য হবে। বছরের বাকি পাঁচ দিন রোজা রাখা হারাম। 

কোনো কোনো আলেম বলেন, রমজানের শেষে শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখতে হবে, এমন কথা নেই একনাগাড়ে। আবার কেউ কেউ মনে করেন, শাওয়াল মাসেই ছয়টি রোজা একনাগাড়ে রাখতে হবে এমন কথা নেই। শেষোক্ত মতামতটিই অধিক গ্রহণযোগ্য।

অনেকেই প্রশ্ন করেন, যদি শাওয়াল মাসে সময় পাওয়া না যায়, তাহলে ভাঙতি রোজা পূর্ণ না করে আগে শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখার অনুমতি ইসলামে আছে কি-না। শুরুতে বর্ণিত হাদিসটিতে ‘সুম্মা’ শব্দের প্রয়োগই এ প্রশ্নের জবাব বলে মন্তব্য করেন শায়খ আল মুনাজ্জিদ। সুম্মা অর্থ অতঃপর। অর্থাৎ কেউ রমজানের রোজা পূর্ণ করল, অতঃপর শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারা বছর ধরেই রোজা করল। এখানে ধারাবাহিকতার কথাই বলা হয়েছে।

কাজেই হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত অনুযায়ী রমজান মাসে কারো রোজা ভাঙতি হলে শাওয়াল মাসে সেই ভাঙতি রোজা আগে পূর্ণ করতে হবে। পরে শাওয়ালের ছয়টি রোজা করতে হবে। রোজা কাজা করার যথাযথ ও অনুমোদিত ওজর যার রয়েছে, তাকে অবশ্যই কাজা রোজা করতে হবে আগে। কেননা রমজানের রোজা হলো ইসলামের একটি স্তম্ভ। আর শাওয়ালের ছয়টি রোজা হলো- নফল। যে এই নফল পালন করল না, সে তিরস্কৃত হবে না। কেননা এটা ফরজ ইবাদত নয়।

রমজানের পর শাওয়াল মাসের মধ্যে ছয়টি রোজা রাখার নেক আমলটা বিরাট ফজিলতসম্পন্ন ও তা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব। শাওয়ালের নফল রোজাগুলো ছুটে না যায় এবং কোনো ব্যস্ততাই যেন মানুষকে অধিক সওয়াব অর্জনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

শাওয়ালের ঐচ্ছিক রোজা মাসের শুরু থেকে শেষ সময় পর্যন্ত পালন করা যাবে। ধারাবাহিক ও অধারাবাহিক, যেভাবেই হোক না কেন, রোজাদার অবশ্যই এর সওয়াবের অধিকারী হবেন।

তবে যার ওপর রমজানের রোজা কাজা আছে, সেই ব্যক্তি আগে কাজা আদায় করবে, তারপর শাওয়ালের ঐচ্ছিক রোজা পালনে ব্রতী হবে। কারণ, ওয়াজিব আদায়ের দায়িত্ব পালন নফল আদায়ের চেয়ে অধিক গুরুত্ব রাখে। কেননা হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে মাহে রমজানের পূর্ণ রোজা রাখবে, আর যার ওপর কাজা রয়ে গেছে সে তো রোজা পুরা করেছে বলে গণ্য হবে না, যতক্ষণ ওই রোজাগুলো কাজা আদায় না করে।’ –আল মুগনি: ৪/৪৪০

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ফরজের আগে-পরে সুন্নত ও নফল প্রবর্তন করেছেন। যেমন- ফরজ নামাজের পূর্বাপর সুন্নতগুলো এবং মাহে রমজানের আগে শাবানের ঐচ্ছিক রোজা আর পরে শাওয়ালের নফল রোজা। এই নফল ইবাদতগুলো ফরজের ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলোর ক্ষতিপূরণ করে।

Source:www.banglanews24.com

21
Informative post.

22
Thanks for sharing.

23


Sajek (সাজেক) is a a remote hilly area that is located at Rangamati district (রাঙামাটি জেলা), but you have to go there through the Khagrachhori district (খাগড়াছড়ি জেলা). Once upon a time this place was a risky place for the security reason and only few adventurous people could have dared to travel this region. But now a days the situation has changed. Bangladesh army has established their camp over their along with BGB. That's why the security has improved over there and lot of tourists are going there during their vacation.

26
Agriculture / Re: Anthrax disease
« on: October 19, 2014, 03:57:13 PM »
আশার কথা : আশার কথা হচ্ছে Bacillus anthracis জীবাণু ধ্বংসের খুব কার্যকরী একটি প্রোটিন আলফা ডিফেনসিন (Alpha defensin) শনাক্ত করতে পেরেছেন জার্মানির ম্যাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউটের গবেষকরা। নিউট্রিফিল যেসব প্রোটিন উৎপন্ন করে Alpha defensin তার মধ্যে একটি। এ নিয়ে গবেষণা চলছে, অদূর ভবিষ্যতে হয়তো অ্যানথ্রাক্সের কার্যকর ওষুধ বাজারে আসবে। গুটিবসন্তের মতো ঘাতক ব্যাধি অ্যানথ্রাক্সও একদিন হারিয়ে যাবে পৃথিবী থেকে, সে দিন হয়তো খুব কাছেই।

প্রতিকার: ক. গবাদিপশুকে নিয়মিত বছরে একবার অ্যানথ্রাক্স রোগের টিকা দিতে হবে;
খ. পশুর ঘর সবসময় পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে;
গ. মৃত পশুর দেহ, গোবর, লালা, প্রস্রাব, রক্ত ইত্যাদিসহ গভীর গর্তে পুঁতে অথবা পুড়িয়ে ফেলতে হবে;
ঘ. কোনো পশু আক্রান্ত হলে তাকে পৃথক করে চিকিৎসা দিতে হবে;
ঙ. মৃত পশুর চামড়া ছাড়ানো যাবে না;
চ. নদী-নালার পানি ও নিচু এলাকার ঘাস খাওয়ানো যাবে না।
ছ. অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত পশুর মাংস কোনো অবস্থাতেই খাওয়া যাবে না।

অ্যানথ্রাক্স রোগে মানুষ আক্রান্ত হবার লক্ষণসমূহ : অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত গবাদিপশু যারা জবাই করেন, মাংস কাটেন, মাংস ধোয়ামোছা করেন, চামড়া ছাড়ান এবং খান প্রত্যেকেই এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। অ্যানথ্র্যাক্স একটি ব্যাকটেরিয়া (ব্যাসিলাস অ্যানথ্র্যাসিস) জনিত সংক্রামক রোগ। রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা দিতে হয়, না হলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

কিভাবে ছড়ায় : আক্রান্ত পশুর (গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ) লোম, চামড়া, মাংস রোগ ছড়ানোর উৎস হিসেবে গণ্য করা। এ জন্য রোগে আক্রান্ত পশুর খামারি, লোম উত্তোলনকারী এবং কসাইরা প্রথমে আক্রান্ত হয়ে থাকে। কখনোই রোগাক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায় না। তবে আক্রান্ত পশুর মাংস ও রক্তের সংস্পর্শে এ রোগ ছড়াতে পারে। তাই রোগাক্রান্ত পশু জবাই বা খাদ্য হিসেবে গ্রহণের অনুপযোগী।

লক্ষণ কি : সাধারণত জীবাণু শরীরে প্রবেশের দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে থাকে। সর্বপ্রথম ত্বকেই এ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়, আক্রান্ত স্থান চুলকায় এবং লাল বর্ণের হয়ে থাকে, যা প্রাথমিকভাবে পোকার কামড় মনে হতে পারে। এটি শুকিয়ে লালচে কালো বর্ণের আকার ধারণ করে এবং খসে পড়ে। ক্ষতটির কেন্দ্র শুকনা এবং কালো, তার চারদিকে উঁচু এবং লাল বর্ণের হয়ে থাকে।

লক্ষণসমূহ: ক. আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে জ্বর উঠবে;
খ. চামড়ায় প্রথমে লালচে দাগ হবে এবং আক্রান্ত স্থান চুলকাবে;
গ. পরবর্তীতে আক্রান্ত স্থানে প্রায় দেড় দুই ইঞ্চি পরিমাণে ফোসকা উঠবে, ফোসকার মাঝখানে পচনের মত কালচে হবে;
ঘ. ফোসকার স্থানে পরে ব্যথামুক্ত ঘা হবে। আক্রান্ত ব্যক্তি সঠিকভাবে চিকিৎসা না নিলে মারা যেতে পারে।

জটিলতা : ত্বকে লক্ষণ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা গ্রহণ করলে এটি সহজে নিরাময়যোগ্য রোগ কিন্তু পরবর্তীতে শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়লে এ রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে। ব্যাকটেরিয়াজনিত প্রদাহের কারণে, উঁচু মাত্রার জ্বর, ফুসফুসের সংক্রমণের কারণে তীব্র শ্বাসকষ্ট এবং পরিপাকতন্ত্রের জটিলতার কারণে মৃত্যু হয়ে থাকে।

রোগের ধরন : অ্যানথ্রাক্স জীবাণু মানুষের দেহের বিভিন্ন অঙ্গ আক্রান্ত করতে পারে এবং আক্রান্ত অঙ্গ অনুযায়ী রোগের ধরনও বিভিন্ন রকম হয়। যেমন :

১। ত্বকের (cuteneous) অ্যানথ্রাক্স : অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত পশু অথবা এনথ্রাক্স স্পোর দ্বারা দূষিত পশুর পশম, চুল বা চামড়ার সংস্পর্শে এলে অ্যানথ্রাক্স স্পোর মানুষের ত্বকের অতিসূক্ষ্ম ক্ষত দিয়েও প্রবেশ করতে পারে। এ অবস্থায় সাধারণত ১ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ত্বকের ক্ষত তৈরি হয়। ক্ষত দুই হাতে মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তবে ঘাড় এবং মাথাও আক্রান্ত হতে পারে। ত্বকে ধীরে ধীরে ঘা তৈরি হয় যা ২-৩ সেমি আয়তনের হয়ে থাকে এবং ঘা এর চারদিকের ত্বক একটু উঁচু হয়ে থাকে। ক্ষতে চুলকানি থাকে তবে ব্যথা থাকে না।

শ্বসনতন্ত্রির (inhalational) অ্যানথ্রাক্স : অ্যানথ্রাক্স জীবাণুর স্পোর যদি শ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। শুরুর দিকে হালকা জ্বর, খুশখুশে কাশি এবং বুকে অল্প ব্যথা হয়। পরবর্তীতে তীব্র জ্বর, শ্বাসকষ্ট, শরীর নীল হয়ে যাওয়া, শরীর বেশি ঘেমে যাওয়া, কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া, বুকে ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়।

মুখবিবরীয় (oropharyngeal) অ্যানথ্রাক্স : অ্যানথ্রাক্স স্পোর খেলে এ অবস্থা দেখা দেয়। গলাব্যথা, খাবার গিলতে অসুবিধা হওয়া এর লক্ষণ। এক্ষেত্রে মুখের তালু বা মুখবিবরে (pharynx) ক্ষত দেখা দেয়।

পরিপাকতন্ত্রের (Intestinal) অ্যানথ্রাক্স : এটাও অ্যানথ্রাক্স স্পোর খেলে দেখা দেয়। বমি অথবা বমিবমি ভাব, অস্বস্তি, পেটব্যথা, রক্তবমি, বারবার রক্তযুক্ত পায়খানা হওয়ার সঙ্গে জ্বর হয়।

রোগের পরিণতি : বেশির ভাগ এনথ্রাক্স ত্বকের এনথ্রাক্স, যা চিকিৎসা করলে, এমনকি চিকিৎসা না করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভালো হয়ে যায়। অন্যান্য ধরনের এনথ্রাক্সের পরিণতি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খারাপ। এর মধ্যে সেপটিসেমিক এনথ্রাক্স এবং অ্যানথ্রাক্স মেনিনজাইটিস এ মৃত্যুহার খুবই বেশি। শ্বসনতন্ত্রের অ্যানথ্রাক্স চিকিৎসা করলেও মৃত্যুহার প্রায় ৪৫%। পরিপাকতন্ত্রের অ্যানথ্রাক্স নির্ণয় করা খুব কঠিন এবং এতে মৃত্যহার ২০-৬০%।

রোগ নির্ণয় : ত্বকের অ্যানথ্রাক্স রোগীর গবাদিপশুর সংস্পর্শে আসার ইতিহাস এবং ক্ষতের ধরন দেখেই বোঝা যায়। নিশ্চিত হওয়ার জন্য ক্ষত থেকে রস নিয়ে নির্দিষ্ট উপায়ে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে পরীক্ষা করলে জীবাণু দেখা যায়। শ্বাসতন্ত্রের রোগ সন্দেহ করলে বুকের এক্স-রে, সিটি স্ক্যান করা হয়। সেপটিসেমিক অ্যানথ্রাক্স নির্ণয় করার জন্য ব্লাড কালচার করা হয়। মেইনজাইটিস সন্দেহ হলে লাম্বার পাংকচার করে সেরিব্রোস্পাইনাল রস পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া ELISA নামক পরীক্ষাও এ রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।

চিকিৎসা : ত্বকের সংক্রমণের ক্ষেত্রে রোগীকে বহিঃবিভাগেই চিকিৎসা দেওয়া যায়। অন্যান্য ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তির মাধ্যমে চিকিৎসা দিতে হবে। বিভিন্ন রকমের এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে অ্যানথ্রাক্স রোগের চিকিৎসায় পেনিসিলিনকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। কুইনোলন গ্রুপের এন্টিবায়োটিক যেমন : সিপ্রোফ্লক্সাসিন, লেভোফ্লক্সাসিন, গ্যাটিফ্লক্সাসিন, ডক্সিসাইক্লিন, এমক্সিসিলিন, এম্পিসিলিন, ক্লোরামফেনিকল ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

প্রতিরোধ : ১. রোগাক্রান্ত পশুকে প্রথমেই আলাদা জায়গায় রাখতে হবে।
২. রোগাক্রান্ত পশুকে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।
৩. মৃত পশুকে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।
৪. রোগাক্রান্ত পশুকে জবাই করে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।
৫. রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে যতদ্রুত সম্ভব চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।
অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে খামারিদের করণীয়

অ্যানথ্রাক্স সাধারণত দু’রকমের হয়ে থাকে। এর একটি হলো তীব্র প্রকৃতির এবং অপরটি অতি তীব্র প্রকৃতির। তীব্র প্রকৃতির রোগে আক্রান্ত প্রাণি প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত জীবিত থাকে। জ্বর (১০৪-১০৭০ ফারেনহাইট), ক্ষুধামন্দা, নিস্তেজতা, অগভীর ও দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস এবং হৃদপিন্ডের গতি বৃদ্ধি, পেট ফাপা, দেহের কাঁপুনি, চোখের রক্তাভ পর্দা, রক্ত মিশ্রিত পাতলা মলত্যাগ ইত্যাদি উপসর্গ প্রকাশ পায়। গর্ভবতী গাভীর গর্ভপাত ঘটে। অনেক সময় নাক, মুখ, প্রস্রাব ও মলদ্বারা রক্ত ক্ষরণও হয়। দুগ্ধবতী গাভী দুধ দেয়া কমিয়ে দেয় ও দুধ হলুদ এবং রক্তমিশ্রিত দেখায়। পাকাস্ত্রে আক্রান্তের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও ডিসেন্ট্রি দেখা দেয়। চিকিত্সা করা না হলে ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে প্রাণির মৃত্যু ঘটে। অতি তীব্র প্রকৃতির রোগ হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো উপসর্গ প্রকাশের আগেই আক্রান্ত প্রাণির মৃত্যু ঘটে। তবে অনেক সময় ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়। ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার সময় পাওয়া গেলে জ্বর, পেশীর কস্পন, শ্বাসকষ্ট, মিউকোসায় রক্ত সঞ্চায়ন ইত্যাদি উপসর্গ থাকে। শেষ পর্যন্ত খিচুনি দিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যে পশুর মৃত্যু ঘটে। মৃত পশুর স্বাভাবিক ছিদ্র দিয়ে বিশেষ করে যোনিমুখ, মলদ্বারা, নাসারন্ধ্র, মুখ ইত্যাদি দিয়ে কালচে রক্ত বের হয়। মৃত্যুর আগে দেহে জ্বর থাকে । প্রধানত তৃণভোজী প্রাণি এ রোগে আক্রান্ত হয়।

অ্যানথ্রাক্স রোগের চিকিত্সায় এন্টিসিরাম ও এন্টিবায়োটিক ওষুধ ভালো কাজ করে। এন্টিসিরাম পাওয়া গেলে ১০০-২৫০ মি. লিটার হিসেবে প্রতিটি আক্রান্ত গরুকে নিয়মিত সিরায় ইনজেকশন দিতে হবে। তবে এ রোগে পেনিসিলিন বা অক্সিটেট্রাসাইক্লিন চিকিত্সায় অধিক সুফল পাওয়া যায়। প্রতিকেজি দৌহিক ওজনের জন্য পেনিসিলিন সাধারণত ১০০০০ ইউনিট হিসেবে দিনে দু’বার মাংসে ইনজেকশন দিতে হয়। প্রতি আক্রান্ত গরুকে দিনে ৮-১০ মি. গ্রাম/কেজি দৈহিক ওজনে স্ট্রেপ্টোমাইসিন দু’দিন মাংসপেশিতে ইনজেকশন দিয়ে পেনিসিলিনের চেয়ে বেশি সুফল পাওয়া গেছে।

টিকা প্রয়োগ আক্রান্ত প্রাণিকে চিকিত্সা ও সুস্থ প্রাণিকে টিকার ব্যবস্থা করতে হবে। ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান এ রোগ প্রতিরোধক টিকা প্রস্তুত করে। এ টিকার মাত্রা হলো, গরু-মহিষ ও ঘোড়ার ক্ষেত্রে ১ মিলিমিটার এবং মেষ, ছাগল ও শুকরের ক্ষেত্রে ০.৫ মিলিমিটার। টিকা প্রয়োগের সময় টিকার বোতল প্রথমে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। পরে জীবাণুমুক্ত সিরিঞ্জের নির্দিষ্ট মাত্রার টিকা নিয়ে প্রাণির ঘাড়ের চামড়ার নিচে ইনজেকশন দিতে হবে। আবদ্ধ বোতলে মাটির মধ্যে এ স্পোর ৬০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকার তথ্য রয়েছে। এ রোগের স্পোর সৃষ্টির আগেই মৃত প্রাণির গোয়াল ঘরকে গরম ১০ শতাংশ সোডিয়াম হাইড্রো অক্সাইড দিয়ে ধুলে জীবাণুর মৃত্যু ঘটে। তবে স্পোর সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলে ঘন জীবাণুনাশক পদার্থ যেমন—৫ শতাংশ লাইসোল দুদিন বা ফরমালিন বা সোডিয়াম হাইড্রো অক্সাইড ৫-১০ শতাংশ অথবা পারঅ্যাসিটিক অ্যাসিড ৩ শতাংশে জীবাণুর স্পোরের বিরুদ্ধে কার্যকর। চামড়া ও পশম গামারেডিয়েশন জুতা ও প্লাস্টিকের ব্যাগ ইথাইলিন অক্সাইডে এবং দূষিত কাপড়-চোপড় ১০ শতাংশ ফরমালিনে চুবিয়ে জীবাণুমুক্ত করা যায়। এ রোগে মৃত প্রাণিকে ২ মিটার গভীর গর্তে পর্যাপ্ত কলিচুন সহযোগে মাটি চাপা দিয়ে রাখতে হবে। আক্রান্ত মৃত পশুকে মাটিতে পুঁতে ফেলার সময় পশুর নাক, মুখ, পায়ুপথ ও মলদ্বার তুলা বা কাপড় দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে। আক্রান্ত গরুর গোয়াল ঘর কাপড় কাচার সোডা বা ব্লিচিং পাউডার বা পটাশিয়াম-পার ম্যাঙ্গানেট দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। আক্রান্ত প্রাণিকে ভ্যাকসিন দেয়া হলে আবার ভ্যাকসিন দেয়ার প্রয়োজন নেই। তবে সুস্থ প্রাণি ভ্যাকসিন দেয়া থেকে বাদ পড়লে প্রাণিকে অবশ্যই ভ্যাকসিন দিতে হবে। গুরুত্বের সঙ্গে মনে রাখতে হবে, যেসব প্রাণি এরই মধ্যে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে সেসব প্রাণিকে ভ্যাকসিন দিয়ে কোনো লাভ হবে না। অর্থাত্ এ রোগে প্রাণি যখনই আক্রান্ত হোক না কেন সেক্ষেত্রে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে কোনো লাভ হবে না। আক্রান্ত প্রাণিকে অবশ্যই সুস্থ প্রাণি ও মানুষের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে হবে। এছাড়া স্থানীয় প্রাণিসম্পদ চিকিত্কদের পরামর্শ অনুযায়ী নিতে হবে।

27
Agriculture / Anthrax disease
« on: October 19, 2014, 03:56:13 PM »
অ্যানথ্রাক্স গবাদিপশুর একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। গবাদিপশু থেকে এ রোগে মানুষেও ছড়ায়। এ রোগের জীবাণু দ্বারা সংক্রামিত খাদ্য খেয়ে বিশেষ করে বর্ষাকালে নদী-নালার পানি ও জলাবদ্ধ জায়গার ঘাস খেয়ে গবাদিপশু অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত হয়।

রাতে গোয়াল ঘরে সুস্খ গরু রেখে এসে সকালে গিয়ে যদি দেখা যায় গরু মরে চিৎ হয়ে পড়ে আছে তাহলে যেসব রোগে মারা যেতে পারে বলে মনে করা হয় অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগ তার মধ্যে অন্যতম। রোগের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে গরু মারা যায়। অনেক সময় লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পরপরই গরু মারা যেতে পারে। চিকিৎসার কোনো সুযোগই পাওয়া যায় না। এমনই ঘাতক ব্যাধি অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগ। সম্প্রতি সিরাজগঞ্জ এবং পাবনার কয়েকটি থানায় এ রোগটি দেখা দিয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে অনেক গরু, মারাও গেছে বেশ কিছু। সিরাজগঞ্জ বা পাবনায়ই যে এ রোগ প্রথম দেখা দিয়েছে তা নয়। অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগের ইতিহাস অনেক পুরনো। খ্রিষ্টপূর্ব ১৪৯১ সালেও মিসরে এ রোগের প্রাদুর্ভাব ছিল বলে জানা যায়। শুধু মিসর নয়, গ্রিস, রোম এমনকি ভারতবর্ষেও এ রোগের প্রাদুর্ভাব ছিল। সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুতে ইউরোপে এ রোগ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল। ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে আমেরিকায় ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ার রেকর্ড রয়েছে। এমনকি মাত্র তিন দশক আগে ১৯৭৮-৮০ সালে জিম্বাবুয়েতে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে শুধু পশু নয়, প্রায় দশ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়, মারা যায় প্রায় ১৫১ জন।

যেসব প্রাণীর এ রোগ হয়: মূলত গরু এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। তবে ছাগল, ভেড়া, ঘোড়া, মহিষ, জেব্রা, জিরাফ, হরিণ, শূকর, হাতি এবং বানরও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। প্রাণী থেকে মানুষে এ রোগ ছড়ায় বলে একে জ্যুনোটিক ডিজিজও (zoonotic disease) বলে। তাই ভয়ের কারণ একটু বেশি।

কিভাবে ছড়ায় : মৃত বা আক্রান্ত পশুর লালা বা রক্তের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়। তা ছাড়া চুল, উল বা অন্যান্য বর্জের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। মৃত পশু পচে গলে মাটিতে মিশে গেলেও হাড় যদি থাকে তবে তা থেকেও ছড়াতে পারে। এ রোগের জীবাণু প্রচণ্ড প্রতিকূল পরিবেশেও বছরের পর বছর বেঁচে থাকতে পারে। কখনো এক দশকও। কোথাও একবার এ রোগ দেখা দিলে তা পরবর্তী সময়ে আবারো দেখা দিতে পারে। ট্যানারি বর্জ্যরে সঠিক ও সুষ্ঠু নিষ্কাশন এ জন্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। অ্যানথ্রাক্সে মৃত গরুর চামড়া ট্যানারিতে গেলে তা থেকে জীবাণু চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ভয়াবহ অবস্খার সৃষ্টি হওয়া খুব অস্বাভাবিক নয়।

রোগটি কেন এত মারাত্মক : এ রোগের জন্য দায়ী ব্যাসিলাস অ্যাথ্রাসিস (Bacillus anthracis) নামের এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়া। এই ব্যাক্টেরিয়া বিশেষ ধরনের কিছু টক্সিন বা বিষাণু তৈরি করতে পারে। এ টক্সিন প্রাণীদেহে প্রবেশের দুই থেকে চার ঘন্টার মধ্যে প্রাণীদেহের নিউট্রোফিলকে দুর্বল করে ফেলে। নিউট্রোফিল হচ্ছে এক ধরনের শ্বেতকণিকা যা বাইরের জীবাণুর আক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে। টক্সিন নিউট্রোফিলের ফিলামেন্ট তৈরিতে বাধা দেয়, ফলে নিউট্রোফিল চলৎ-শক্তি হারিয়ে ফেলে। সংক্রমণের স্খানে যেতে পারে না, ব্যাক্টেরিয়াকে ধ্বংসও করতে পারে না।

নিউট্রোফিল নিষ্ক্রিয় হওয়ায় ব্যাক্টেরিয়া বাধাহীনভাবে দ্রুত দেহে ছড়িয়ে পড়ে এবং রোগ তৈরি করে মৃত্যু ঘটায়।
রোগের লক্ষণ : লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগেই সাধারণত গরু মারা যায়। তবে লক্ষণ হিসেবে কখনো কখনো গরুর খিঁচুনি, কাঁপুনি দেখা দেয়। শরীরের তাপমাত্রা খুব বেড়ে যায়। তাপমাত্রা প্রায় ১০৫-১০৭ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে। গরু ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে, শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকে। চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে গরু মারা যায়। মারা গেলে নাক, মুখ, কান, মলদ্বার দিয়ে কালচে লাল রঙের রক্ত বের হয়। এ রোগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে গরু মারা যাওয়ার পরও রক্ত কখনো জমাট বাঁধে না।

লক্ষণসমূহ: ক. অত্যাধিক জ্বর হয় (১০৩-১০৭ ফাঃ);
খ. শ্বাসকষ্ট এবং দাঁত কটকট করে;
গ. শরীরের লোম খাড়া হয়ে উঠে;
ঘ. আক্রান্ত পশু মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে;
ঙ. পশুকে কিছুটা উত্তেজিত দেখায়;
চ. পশু নিস্তেজ হয়ে শুয়ে পড়ে;
ছ. খিঁচুনি হয় ও অবশেষে পশু মারা যায়;
জ. মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে বা পরে পশুর নাক, মুখ, মলদ্বার ইত্যাদি দিয়ে কালো রক্ত নির্গত হয়;
ঝ. অনেক সময় লক্ষণসমূহ প্রকাশের আগেই পশুর মৃত্যু ঘটে।

রোগ নির্ণয় : রোগের লক্ষণ দেখে সহজেই রোগ নির্ণয় করা যায়। তাছাড়া রক্ত পরীক্ষা করলে ছোট দণ্ডের মতো ব্যাক্টেরিয়া দেখতে পাওয়া যায়। এ রোগে মৃত গরুর ময়নাতদন্ত করা হয় না। তবে ভুলক্রমে ময়নাতদন্ত করে ফেললে দেখা যায় প্লীহা বড় হয়ে গেছে।

চিকিৎসা : সাধারণত চিকিৎসা করার কোনো সুযোগ পাওয়া যায় না, তার আগেই আক্রান্ত গরু মারা যায়। যদি কখনো আক্রান্ত গরু পাওয়া যায় তবে উচ্চমাত্রার পেনিসিলিন, স্ট্রেপটোমাইসিন, টেট্রাসাইক্লিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা যেতে পারে। ভ্যাকসিন দেয়াই এ রোগ প্রতিরোধের একমাত্র উপায়। লাইভ এবং কিলড উভয় ধরনের ভ্যাকসিনই পাওয়া যায়। চামড়ার নিচে এ ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। ভ্যাকসিন প্রয়োগের ১০-১৫ দিনের মধ্যেই গরুর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। আক্রান্ত গরুতে আগে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়ে থাকলে নতুন করে ভ্যাকসিন দেয়ার প্রয়োজন হয় না।

প্রতিরোধে যা করণীয় : খুবই ভয়ানক আর ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এ রোগ প্রতিরোধে বিশেষভাবে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। এ জন্য নিচের নির্দেশনাগুলো মেনে চলা জরুরি।

১. অ্যানথ্রাক্স রোগে মৃত পশুর ময়নাতদন্ত করা একেবারেই অনুচিত। রোগের লক্ষণ এবং রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই এ রোগ সম্বìেধ শতভাগ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। ময়নাতদন্তে কাটাছেঁড়া করার জন্য যে ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্খা গ্রহণ করা প্রয়োজন দেশের কোনো ল্যাবরেটরিতেই সে ধরনের ব্যবস্খা নেই। কাটাছেঁড়া করতে গিয়ে পশুর রক্ত, বর্জ্য চার দিকে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আশঙ্কা রয়েছে যারা কাটাছেঁড়া করবেন তাদেরই এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার।

২. পশুর মৃতদেহ ভাগাড়, নদী, জলাশয়, জঙ্গল বা পরিত্যক্ত জায়গায় ফেলা যাবে না। এতে শেয়াল, কুকুর, শকুনসহ মৃতদেহ ভক্ষণকারী অন্যান্য প্রাণী সেগুলো খাবে এবং রোগজীবাণু চার দিকে ছড়িয়ে যাবে। সেই সাথে বাতাস, পানির মাধ্যমেও গোটা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

৩. মৃতদেহ লোকালয় থেকে দূরে জনমানবহীন নির্জন জায়গায় আট-দশ ফুট গর্ত খুঁড়ে মাটি চাপা দেয়ার ব্যবস্খা করতে হবে। প্রথমে গর্তে কিছু চুন ছড়িয়ে দিতে হবে। মৃতদেহ রেখে আবার কিছু চুন প্রয়োগ করে মাটি চাপা দিতে হবে। কুকুর, শেয়াল যেন মাটি খুঁড়ে মৃতদেহ বের করে নিয়ে যেতে না পারে সে জন্য গর্তের ওপর পাথর দিয়ে রাখা ভালো। গর্তের চার পাশে কাঁটা দিয়ে রাখলে কুকুর, শেয়াল কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

৪. বাড়ি থেকে মৃতদেহ বহন করে নেয়ার সময় বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্খা গ্রহণ করা প্রয়োজন। অ্যানথ্রাক্সে মৃত পশুর নাক, মুখ, কান, মলদ্বার দিয়ে রক্ত বের হয়ে থাকে। এ রক্ত আবার জমাট বাঁধা থাকে না। ফলে আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যেতে পারে। তাতে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই মৃত পশুর নাক, মুখ, কান, মলদ্বারে তুলা বা কাপড় গুঁজে ভ্যান বা বহনকারী বাহনে উঠাতে হবে। ভ্যান বা অন্য কোনো বাহনে পলিথিন বা অন্য কিছু এমনভাবে দিয়ে নিতে হবে যাতে দুর্ঘটনাবশত লালা বা রক্ত পড়লেও যেন ভ্যান বা বাহনে না লাগে। যারা মৃতদেহ বহন করবে তাদের অবশ্যই দস্তানাসহ বিশেষ ধরনের পোশাক পরা প্রয়োজন।

৫. মৃত পশুর চামড়া ছাড়ানো যাবে না।

৬. আক্রান্ত গরু জবাই করা যাবে না। গোশত না খাওয়াই উত্তম।

৭. আক্রান্ত বা মৃত গরুর গোয়ালঘর ব্লিচিং পাউডার, কাপড় কাচার সোডা বা পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দিয়ে যত্নের সাথে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। আক্রান্ত গরু সুস্খ গরু থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে রাখতে হবে। কারণ আক্রান্ত গরু থেকে জীবাণু সুস্খ গরুতে ছড়াতে পারে। এসব নির্দেশনা সঠিকভাবে মেনে চললে রোগের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।

28
Skin / Re: To remove spot form face
« on: October 19, 2014, 03:45:27 PM »
Informative post.......

29
Common Forum / রং পাল্টানো ফুল!
« on: October 19, 2014, 03:40:16 PM »
একটি সাদা গোলাপকে যদি লাল বানিয়ে দেওয়া যায় তাহলে কেমন হবে? কিংবা যদি একটা সাদা ডেইজি রং পাল্টে হয়ে যায় গোলাপি?

ফুলের রং কিন্তু তুমি নিজেই পালটে দিতে পারো। সাদা ফুলকে পছন্দমতো রঙে রাঙিয়ে তুলতে পারো। এটা কিন্তু কোনো জাদু না, বিজ্ঞানের খেলা। আর এই খেলার মাধ্যমে আমরা শুধু ফুলের রংই পাল্টাবো না, একটা বিষয় শিখব, জানব।

ফুলের রং পাল্টানোর পরীক্ষাটার জন্য তোমার লাগবে ডাঁটাসহ একটা সাদা ফুল, ফুলদানি/বোতল, হালকা গরম পানি এবং খাবার রং।

প্রথমেই একটা ফুলদানির ২/৩ ভাগ হালকা গরম পানি দিয়ে পূর্ণ করো। এবার এতে মিশিয়ে দাও ১৫-২০ ফোঁটা খাবার রং। এখন একটা ডাঁটাসহ ফুল ডাল থেকে কেটে ফুলদানিতে রেখে দাও।

এভাবে অনেকক্ষণ রাখার পর দেখবে সাদা ফুলটা রং পাল্টাতে শুরু করেছে। ফুলটার রং পাল্টাতে ৬ ঘণ্টা বা তার কিছু বেশি সময় লাগতে পারে। ততক্ষণ তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে। এরপর দেখবে তোমার সাদা ফুলটা রঙিন হয়ে উঠেছে!

বলতে পারো কেন এমন হলো?
গাছের ভেতর আসলে জাইলেম ভেসেল নামে এক ধরনের টিস্যু থাকে। জাইলেম ভেসেল শেকড় থেকে গাছের বিভিন্ন অংশে পানি পরিবহন করে। এরপর ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ায় সবুজ পাতা খাদ্য তৈরি করে। জাইলেম ভেসেল তোমার ফুলের ডাঁটাতেও আছে। তাই তুমি যখন রঙিন পানিতে ফুলটা রাখলে, তখন জাইলেম ভেসেল সেই রঙিন পানি শুষে নিয়ে ফুলের কাছে পৌঁছে দিল। তাই ফুলের পাপড়িও রঙিন হয়ে গেলো। এই পরীক্ষার মাধ্যমে তুমি চাইলে যেকোনো সাদা ফুলকেই পছন্দমতো রঙে রাঙাতে পারো। -



See more at: http://www.banglanews24.com

30
Real Estate / Re: Smallest homes in the world, Position :03
« on: October 18, 2014, 01:25:07 PM »
Nice post.

Pages: 1 [2] 3 4 ... 9