Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Topics - Ferdousi Begum

Pages: 1 ... 6 7 [8]
Law / Fundamental Rights
« on: May 28, 2013, 02:25:28 PM »
What is a right?
Right means a claim of some interests adverted by an individual or a group of individuals which has either moral or legal basis and which is essential for the development of the society. In a sense, right is not created by law. It originates itself as an obvious result of mutual interaction between man and society.
What are human rights?
Human rights are those of legal and moral rights which can be claimed by any person for the very reason that is a human being. These rights origin by birth and applicable to all people throughout the world irrespective of their race, color, sex, language or political or other opinion. These are therefore those rights that are inherent in human person and without which they cannot live as human beings.
What are fundamental rights?   
The term fundamental right is a technical one, for when certain human rights are written down in a constitution and protected by constitutional guarantees they are called fundamental rights. They are called fundamental rights in that sense that they are placed in the supreme or fundamental law of the land which has a supreme authority over all other laws of the land. Article 26 to 47 of the  constitution of Bangladesh confers a number of substantive fundamental rights on every citizen of Bangladesh e.g. the right to freedom of expression, assembly, association, movement and profession etc.

Fundamental Rights in the Constitution of Bangladesh
18 fundamental rights have been enumerated in the constitution commencing from Article 27 to 44. All of these rights are civil and political rights. These 18 fundamental rights may be firstly divided into two groups:
a. Rights granted to all persons-citizen and non citizen alike. These are six rights enumerated in Articles 32, 33, 34, 35, 41 and 44 of the constitution.
b. Rights granted to citizens of Bangladesh only, these are 12 rights enumerated in Articles 27, 28, 29, 30, 31, 36, 37, 38, 39, 40, 42 and 43.

Classification of Fundamental Rights
The Fundamental Rights enumerated in the Bangladesh Constitution may be classified into the following three groups:

A. Absolute Rights:
 1.        Equality before law, (Art. 27).
 2.        Discrimination on grounds of religion etc (Art.28).
 3.        Equity of opportunity in public employment (Art.29).
 4.        Prohibition of foreign titles etc (Art.30).
 5.        Safe guards as to arrest and detention (Art.33).
 6.        Prohibition of forced labour (Art.34).
 7.        Protection in respect of trial and punishment (Art.35).
 8.        Enforcement of Fundamental Rights (Art.44).

B. Rights on which reasonable restriction can be imposed:
 1.        Freedom of movement (Art.36).
 2.        Freedom of Assembly (Art.37).
 3.        Freedom of Association (Art.38).
 4.        Freedom of thought and conscience and of speech (Art.39).
 5.        Freedom of religion (Art. 40)
 6.        Protection of home and correspondence.

C. Fundamental rights which has been practically left to the legislature
1. Right to protection of law (Art.31)
2. Protection of right to life and personal liberty (Art.32)
 3. Right to lawful profession, occupation or business (Art.40)
 4. Protection of property right (Art.42)

Law / Complete Justice
« on: May 27, 2013, 01:58:47 PM »
পৃথিবীর যে সকল দেশে সাংবিধানিক শ্রেষ্ঠত্ব (constitutional supremacy) স্বীকৃত সে সকল দেশের সংবিধান দ্বারা রাষ্ট্রের প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব ও ক্ষমতার সীমারেখা নির্ধারিত থাকে। অনুরুপভাবে,আমাদের সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের গঠন, ক্ষমতা, এখতিয়ার ইত্যাদি বিষয়ে আলোকপাত করা আছে। সংবিধান অনুযায়ী হাইকোর্টকে আদি, আপীল,নিন্ম আদালত সমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রন মূলক ক্ষমতা সহ কোর্ট অব রেকর্ড হিসাবে এর অবমাননার জন্য যে কোন ব্যক্তিকে শাস্তি প্রদানের ও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। একই উপায়ে, শেষ appellate court হিসাবে আপীল বিভাগকে তার নিয়মিত দায়িত্বের পাশাপাশি কোন বিবাদমান বিষয়ে সম্পূর্ন ন্যায়বিচারের নিশ্চায়তা প্রদানার্থে তার অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকার প্রদানপূর্বক যে কোন আদেশ বা রায় প্রদানের বৈধতা প্রদান করেছে।

Complete justice কি?
Complete justice এর exact কোন সংঙ্গা দেওয়া কঠিন। তবে, আইনাঙ্গনে ‘Complete Justice’ প্রত্যয়টি কোন আইন কাঠামোতে বিদ্যমান কারিগরি(technical) ত্রুটি সংশোধনীর মাধ্যমে কোন মামলায় বিবদমান পক্ষকে পরিপূর্ণ রূপে বিচার প্রদানকে বোঝায়। বিচারপতি মোস্তফা কামাল একটি মামালায় বলেছিলেন,Complete justice প্রত্যয়টির ব্যাবহার একেক মামালায় একেকভাবে পরিলক্ষিত হয়- কখনো এটি আইনানুসারে বিচার, কখনো বা বিবেকবোধ থেকে নিসৃত স্বছতার ভিত্তিতে বিচার, কখনো বা এটির মাধ্যমে মামলার মেরিটের ভিত্তিতে ছোটখাট ত্রুটিসমূহ দূর করে সঠিক এবং ন্যায়ানুগ বিচার সম্পন্ন করাকে বোঝানো হয়।তবে, এর ব্যাবহার প্রত্যেকটি মামালায় ভিন্নরুপ পরিগ্রহ করে। ভারতীয় একটি মামালায় Complete justice-কে বলা হয়েছে-“ The phrase ‘complete justice…is the word of width couched with elasticity to meet myriad situations created by human ingunuity or cause or result of operation of staute law or law declared....under the constitution and cannot be cribbed or cabined within any limitaions or phraseology”. অর্থাৎ, আইন প্রনয়নের সময় বিদ্যমান ত্রুটি থেকে বা প্রায়োগিক কোন বিষয়ের ত্রুটি থেকে সৃষ্ট কোন জটিলতা দূরীকরনের মাধ্যমে কোন মামলার কাংখিত ফল আনয়নের প্রক্রিয়াই হল চূড়ান্ত ন্যায়বিচার(Complete justice) সাধন।

সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদে বর্নিত Complete justice-এর প্রকৃতি কেমন?
সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, কোন মামলায় বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করনার্থে আদালতের যেকোন আদেশ দেবার ক্ষমতা থাকবে। মূলতঃ সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদ আপীল বিভাগকে সম্পূর্ণ ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য অসীম ক্ষমতায় ক্ষমতায়িত করেছে। Art. 104 empowes the appellate division to pass any such “decree or order as may be necesary for doing complete justice between the parties.” আপীল বিভাগকে এরুপ ক্ষমতা দেবার কারণ হচ্ছে,ক) আপীল বিভাগ দেশের আইন কাঠামোতে বিদ্যমান সর্বোচ্চ appellate forum.; খ) মামলায় বিদ্যমান কোন টেকনিক্যাল ত্রুটির কারনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পাবে না এমনটি কাম্য হতে পারে না; গ) আপীল বিভাগ দেশের সর্বোচ্চ আপীল আদালত বিধায় অনেক বিষয়ের বাস্তবায়নের জন্য যেন নির্বাহী বিভাগের মুখাপেক্ষী হয়ে না থাকতে হয়- এ জন্য আইন প্রনেতাগন আপীল বিভাগকে এরুপ যুক্তিসঙ্গত ক্ষমতায় ক্ষমতায়িত করেছে। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই সর্বোচ্চ বিচারাদালের বা ক্ষেত্রবিশেষ সুপ্রীম constitutional court –এর হতে এরুপ ক্ষমতা প্রদান করা হয়। উদাহরণ স্বরুপ, আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে এরুপ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আমাদের সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগকে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তা হল-
ক। আদালতের সম্মুখে কোন ব্যক্তির হাজিরা নিশ্চিত করার আদেশ প্রদান করা;
খ। কোন দলিল যা কিনা অন্য কোন ব্যক্তির দখলে আছে তার উদ্ধার এবং আদালতের সামনে হাজির করার আদেশ প্রদান করা; এবং
গ। কোন বিষয়ে আদালত যদি মনে করেন যে, উক্ত মামলায় কোন পক্ষ আইনগত ত্রুটির কারনে বা অন্য কোন কারনে ন্যায় বিচার প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত হয়েছেন, তাহলে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করনার্থে যেমন সঙ্গত মনে হয় আদালত তেমন “আদেশ, ডিক্রি বা রায় ঘোষণা করতে পারেন।
তবে মনে রাখতে হবে, সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত complete justice এর ক্ষমতা শুধুমাত্র আপীল বিভাগের হাতেই বিদ্যমান, অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না।

বাংলাদেশ সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদ এর অধীন সম্পূর্ণ ন্যায়বিচার করা (doing complete justice) আপীল আদালতের অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা(inherent power):
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদকে বলা হয় আপীল আদালতকে অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা প্রয়োগকারী সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ যা কোন আইন দ্বারা সীমীত করা বা খাট করা যাবে না। তবে, এই অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা শুধুমাত্র আপীল আদালতেরই রয়েছে; অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের এই ক্ষমতা নেই। অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা আদালতের এমন এক ক্ষমতা যা আদালতের সাথে built in. উল্লেখ্য, আদালতের এই অর্ন্তনিহিত ক্ষমতার ধারণাটি এসেছে প্রাচীন ইংল্যান্ডের বিচার কাঠামো থেকে; প্রাচীন ইংল্যান্ডের কমন ল’ কোর্ট যখন কোন বিষয়ে প্রচলিত আইনি ব্যাবস্থার মধ্যে থেকে যথাযথ প্রতিকার দিতে পারতো না তখন নিয়মিত আদালতের পাশাপাশি ইকুয়টি আদালত প্রচলিত আইনের এসকল ত্রুটি বা অসমম্পূর্ণতা মাথায় রেখে পরিপূর্ণ ন্যায় বিচারের সার্থে সঙ্গতিপূর্ণ যে কোন আদেশ দিতে পারতেন। প্রাচীন ইংলিশ আইনের এ সকল মূলনীতি সমূহ পরবর্তীতে আমাদের বিধিবদ্ধ আইনে অবস্থান করে নেয়। দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১৫১ ধারা, ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ৫৬১-এ ধারা সহ, চুক্তি আইন, সুনিদৃষ্ট প্রতিকার আইন, ট্রাষ্ট আইনের অনেক ধারা সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ আইন সমূহে আদালতের ন্যায়বিচার মূলক নিজবিবেচনাধীন ক্ষমতা (discretionary) প্রয়োগের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
তবে, অন্যান্য আইনে যাই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ক্ষমতার স্বরুপ ও ব্যাপ্তি অন্যান্য আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা থেকে সপূর্ণ ভিন্ন ও ব্যাপক। আপীল বিভাগ বাংলাদেশ বিদ্যমান আইনী ব্যাবস্থায় সর্বোচ্চ আপীল আদালত যার ফলে এই আদালতকে সংবিধান প্রদত্ত যে অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে তার মাধ্যমে কোন মামলায় সুষ্ঠু ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে আপীল বিভাগ যে কোন আদেশ, রায় বা ডিক্রি প্রদান করতে পারেন। প্রশ্ন উঠতে পারে এরুপ ন্যায়ানুগ আদেশ প্রদানার্থে আপীল বিভাগ কি বিদ্যমান কোন আইন বা তার বিধান কে এড়িয়ে যেতে পারে? এ প্রশ্নের উত্তর একটু পরে দিচ্ছি।

সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা(inherent power) প্রয়োগকালে আপীল বিভাগ কি বিদ্যমান আইনের কোন বিধান ভঙ্গ করতে পারে?
আমাদের দেশের উচ্চ আদালতে উপরোল্লিখিত বিষয়ে তেমন নির্দেশনা বা বিতর্ক ভারতের আদালতসমূহে এমনকি সুপ্রিম কোর্টে ও বিভিন্নতর সিদ্ধান্ত পরিলক্ষিত হয় । Prem Chand vs Excise Commr. U.P. (1963) মামলায় এই প্রথম প্রশ্ন প্রথম উত্থাপিত হয় যে, ভারতীয় সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে (আমাদের দেশের ১০৪ ধারার অনুরুপ) বর্ণিত complete justice নিশ্চিত করার জন্য আদালত কি মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত সংবিধানের কোন বিধানকে ignore করতে পারে কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে আদালত বলেন,
“ কমপ্লিট জাস্টিস করার জন্য আদালতের ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে শুধু সংবিধানের কোন বিধানই নয় বরং বিধিবদ্ধ আইনের কোন বিধানকেও খর্ব করা যাবে না।“
পরবর্তীতে প্রেমচাঁদ মামলার এত সিদ্ধান্ত A.R. Antulay case (1998) মামলায় গৃহীত হয়।
যাইহোক, Delhi Judicial Service Commission case(1991) মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট প্রেমচাঁদ মামলা থেকে ভিন্নধর্মী আরেকটি স্বতন্ত্র সিদ্ধান্তে উপনীত হন; এ মামলায় আদালত এ বলেন,
“ কোন মামলায় ন্যায় বিচার নিশ্চিত করনার্থে আদালতের অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা প্রয়োগের যে অধিকার বিদ্যমান আছে সেটি সংবিধান প্রদত্ত একটি অধিকার সুতরাং, কোন সাধারণ পার্লামেন্টারি আইন দ্বারা সংবিধানের এই ক্ষমতা সীমিত করা যাবে না।“
পরবর্তীতে, দেল্লী জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মামলায় গৃহীত এই সিদ্ধান্ত Union Carbide Corp. vs Union of India (1991) মামলায় অনুসৃত হয়।
উপরেবর্ণিত ভিন্নধর্মী দুই সিদ্ধানের বাইরে এই দুই ধরনের সিদ্ধান্তকে একত্রিত করে আরেকটি মত যা harmonious view হিসাবে পরিচিত, লক্ষ্য করা যায়। ভারতের সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশন মামলায় (১৯৯৮) আদালত এই মতকে সমর্থন করে বলেন,
“এটা সত্য যে, সাংবিধানিক ক্ষমতা সাধারন আইন দ্বারা সীমিত করা যায় না কিন্তু তার মানে এই নয় যে সংবিধানের এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত ক্ষমতাকে প্রয়োগ করার জন্য অন্যান্য আইনে বর্ণিত সু-স্পষ্ট বিধি-কে ভঙ্গ করার জন্য প্রদান করা হয়েছে।“
সুতরাং, ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের ভাষ্য অনুযায়ী এখন বর্তমান অবস্থা হচ্ছে- কোন মামলায় কোন পরিস্থিতিতে সংবিধানে বর্ণিত অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে তা নির্দ্ধারিত হবে প্রত্যেকটি ভিন্ন ভিন্ন মামলার প্রেক্ষিতে। তবে, শুধুমাত্র অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করার জন্য কোন আইনের সু-স্পষ্ট বিধানকে যাতে ভঙ্গ করা না হয় আদালত এবিষয়ে সবিশেষ গুরুত্ব প্রদান করবেন।[M.C. Mehta vs Kamal Nath (2000)]

সর্ব-ভারতে সংবিধানের ১৪২ ধারা (আমাদের দেশের ১০৪ ধারা) ও আদালতের অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও এ বিষয়ে জুরিস্প্রুডেন্স ডেভেলপ করলেও আমাদের দেশে এ বিষয়ে তেমন উচ্চ আদালতের সিদ্ধন্তের মাধ্যমে আলোচনা তেমন একটা পরিলক্ষিত হয় না। কারণ বুঝি না; এত সুন্দর একটা বিধান, আদালতের অসীম ক্ষমতা ব্যাবহারের কি চমৎকার সুযোগ, তার পরেও কেন যানি ???????? যাইহোক,বাংলাদেশে Nazir Uddhin vs Hameeda Banu,45 DLR (AD) 38, মামলায় আদালতের অবস্থান হচ্ছে,” আদালত সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা প্রয়োগের সূত্র ধরে এমন কোন সিদ্ধান্ত নিবেন না যাতে কোন আইনের সু-স্পষ্ট বিধান লংঘিত হয়।“ আদালত এই মামলায় অরো বলেন যে, “court of first instance হিসাবে নিন্ম আদালত যা করতে পারেন না উচ্চ আদালত হিসাবে আপীল বিভাগ ও সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদকে আমন্ত্রন জানিয়ে তা করতে পারেন না।“
উচ্চ আদালতের এমন সিদ্ধান্তকে আমার কাছে গতানুগতিক মনে হয়েছে কারণ-
ক) সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত একটি আসাধারণ ক্ষমতা (extra ordinary and special power), সুতরাং একে সাধারণ চিরাচরিত ব্যাখ্যা দেওয়া এই অনুচ্ছেদের মূল spirit অনুধাবনে ব্যার্থতার নামান্তর বৈ কিছু-ই নয়;(এটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত মত);
খ) সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের মূলে যদি আমরা যাই তাহলে দেখা যাবে, আদালত কে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে উদ্ভূত বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবেলায়; অর্থাৎ আইন প্রনয়নের সময় আইন প্রনেতাদের ভবিষ্যতে কি ঘটবে এমন সব কিছু মাথায় থাকা সম্ভব নয় কারণ, মানুষের চিন্তাশক্তির একটা সীমা আছে। আর এই বিষয়ের বিবেচনায়ই আদালতকে অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা ও সু-বিবেচনা মূলক ক্ষমতা নামে একটা ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যাতে ন্যায় বিচার নিশ্চিত হয়। এমতবস্থায়, আইনের সাধারণ ব্যাখ্যার মাধ্যমে আদালতের ক্ষমতা সীমিত করার মানে ন্যায় বিচারের পথকেও সংকীর্ণ করে দেওয়া, যা আমার কাছে কেমন যেন অগ্রহণযোগ্য মনে হয়;
গ) আদালত এবং বিচারকদের বলা হয় দুনিয়াতে সৃষ্টিকর্তার প্রতিনিধি অর্থাৎ বিচারকেরা আইন এবং বিবেক বুদ্ধি দিয়ে ন্যায় বিচার করবেন যার কারনে তারা সৃষ্টি কর্তার কাছে জবাবদিহি করবেন। কোন ক্ষতিগ্রস্থ বিচার প্রার্থীর ক্ষতি সম্পর্কে অবগত হয়েও শুধুমাত্র আইনী বিধানের অপ্রতুলতা বা অসংলগ্নতার দরুন তাকে বিচার দেওয়া যাবে না এটা ন্যায় বিচারের মূল স্পিরিটের সাথে অনুগামী নয়।
এছাড়া, আরো অনেক কারনে মনে হয়, আদালতের অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা প্রয়োগে আইনের মাধ্যমে বা উচ্চ আদালতের কোন সিদ্ধান্তের মধ্যমে সীমারেখা নিরূপণ করা অগ্রহণযোগ্য। উল্লেখ্য, তাহলে অনেকে বলতে পারেন, এটি কি আইনসভার আইনকে পাশ কাটিয়ে জাজ-মেড ল বা বিচারক তৈরি আইনের মত সিদ্ধান্তের মধ্যে যাবে না? উত্তর –না। কারণ, সুপ্রীম কোর্টকে সংবিধান ব্যাখ্যার অধিকার প্রদান করা হয়েছে। সুতরাং, সংবিধানের আভিভাবক হিসাবে এর রক্ষা ও জনগণের অধিকার সমুন্নত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ব্যাখ্যা দেওয়ার দায়িত্ব ও বটে সুপ্রীম কোর্টের।

১০৪ অনুচ্ছেদের প্রয়োগ ঘটিয়ে আপীল বিভাগ কি কি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
এতক্ষন আলোচনার পর একথা বলা অপ্রাসঙ্গিক যে, সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের অধীন সুপ্রীম কোর্টের কি কি ক্ষমতা রয়েছে...এক কথায়, ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য যে আদেশ দেওয়া প্রয়োজন, আপীল বিভাগ তা-ই দিতে পারেন। তার পরেও নজিরের আলোকে কিছু উদাহারণ দেওয়া যেতে পারে-
১, রিভিশনাল অথরিটি সম্পন্ন কোর্টে মামলা ফেরৎ পাঠানো; ২, ন্যায় বিচারের স্বার্থে যে কোন দলিল বা তদন্ত রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো; ৩, procedural law এর যে কোন টেকনিক্যাল ত্রুটি সংশোধন পূর্বক মামলা নিস্পত্তি; ৪, হাইকোর্ট বা ট্রাইব্যুনাল কতৃক অপর্যাপ্ত দন্ডকে বৃদ্ধি করে শাস্তির মেয়াদ বাড়ানো।
আরো অনেক আছে...।মোদ্দাকথা, সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদ আপীল বিভাগের হাতে ন্যায় বিচার সাধনার্থে একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র যার সুষ্ঠু ব্যাবহার ন্যায় বিচারের পথকে সুগম করতে পারে।

Law / Violation case
« on: May 27, 2013, 01:55:29 PM »
ঘটনাঃ ধরুন, আপনি আপনার প্রতিবেশির সাথে জমি জমা সংক্রান্ত একটি বিষয়ে বিরোধের প্রেক্ষিতে দুই পক্ষের মধ্যে চলমান মামলার এক পর্যায়ে আদালতের কাছে এই মর্মে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছিলেন যে,যেহেতু আপনি জমির দখলে আছেন এবং আপনার কাছে জমির কাগজ পত্রাদি ও রয়েছে সুতরাং মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জমির ভোগ দখলে যাতে আপনার প্রতিবেশী- বিবাদী কোনরুপ হস্তক্ষেপ না করতে পারে সেইমর্মে তাকে আদেশ দেওয়া হোক। আদালত দুই পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে আপনার পক্ষে আস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করলেন এবং বিবাদীকে এই মর্মে নির্দেশ দিলেন যে, তিনি যেন পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আপনার ভোগ দখলে বাঁধা না দেয়।
কিন্তু আদেশ দেওয়ার সপ্তাহান্ত না পেরুতেই বিবাদী তার ছেলেদের নিয়ে উক্ত তর্কিত ভূমিতে প্রবেশ করতঃ গাছের ফল ও ডালপালা কেটে নিয়ে গিয়েছে; শুধু তাই নয় আপনাকে এই মর্মে শাসিয়েছে যে, আপনি যদি তিন দিনের মধ্যে জমি ছেড়ে না দেন তাহলে আপনাকে দেখে নেওয়া হবে। অর্থাৎ তিনি আদালতের নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করেছেন।

আলোচ্য বিষয়ঃ আমি এখানে দেওয়ানী মামলার প্রতিকার পর্যায়ে আলোচনার সূত্র ধরে দেওয়ানী আদালতের ক্ষমতা, দায়িত্ব ও আইনগতভাবে কিভাবে পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ সে বিষয়ে আলোকপাত করব।

আপনার দেওয়ানী প্রতিকারঃ আপনি এখানে আপনার নিযুক্ত আইনজীবীর মাধ্যমে উক্ত বিবাদীর বিরুদ্ধে ভায়োলেশন কেইস করতে পারবেন। অর্থাৎ, দেওয়ানী আদালতের আদেশ, নিষেধাজ্ঞা, রায় বা ডিক্রি ভঙ্গের বিরুদ্ধে আদালতের মাধ্যমে বিবাদীর বিরুদ্ধে যে প্রতিকার তার জন্যই ভায়োলেশন মামলা।
ভায়োলেশন মামলায় আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ছয় মাসের দেওয়ানী কারাদন্ডের আদেশ সহ অর্থদণ্ড দিতে পারেন।

ভায়োলেশন মামলার প্রকৃতিঃ এই মামলার অধীনে আদালতের ক্ষমতাকে Quasi Criminal বা প্রায় ফৌজদারি প্রকৃতির ক্ষমতা বলা হয়। অর্থাৎ ভায়লেশন কেইসে আসামীকে মূল দন্ড হিসাবে কারাদন্ডের আদেশ দিতে হলে সচরাচর দেওয়ানী মামলায় অনুসৃত নিয়মের বাইরে ও আপনাকে আরো কিছু নিয়ম মানতে হবে যা অনেকটা ফৌজদারী আদালতের বিচারিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

ভায়োলেশন মামলায় আদালতের অনুসৃত পদ্ধতিঃ
১। ভায়োলেশন মামলায় দেওয়ানী আদালত এমন ভাবে ইস্যু ফ্রেম করবেন যাতে ফৌজদারী মামলায় চার্জের সব উপাদানগুলো সেখানে নিহিত থাকে। (অর্থাৎ ইস্যু ফ্রেমিংয়ের সাথে ঘটনার Time, Place, Manner ইত্যাদি তুলে ধরতে হবে)। এরুপ পন্থায় ইস্যু ফ্রেম করার উদ্দেশ্য এই যে, বিবাদী যাতে নিজেকে ডিফেন্ড করা থেকে কোনরুপ বঞ্চিত না হয় কারণ এটি এখন দেওয়ানী মামলার রুপ থেকে ফৌজদারী মামলায় রুপ পরিগ্রহ করছে ; (9 DLR 444) এবং 17 MLR (HCD) 2012. P.166
২। মনে রাখতে হবে যে, দেওয়ানী আদালত এখন আই মামলার বিচার করলেও মামলার প্রকৃতি এখন আর দেওয়ানী নয়। সুতরাং, বিবাদী যে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করেছে এটা বাদী-দরখাস্তকারীকেই তা প্রমাণ করতে হবে। অর্থাৎ বার্ডেন অব প্রুফ বাদী-দরখাস্তকারীর উপর। বাদীকে এখানে দেখাতে হবে যে, নিষেধাজ্ঞার আদেশ সম্পর্কে বিবাদী- ইনজাংশনভঙ্গকারী ওয়াকিবহাল ছিলেন এবং তিনি জ্ঞানতঃ আদালতের এই নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করেছেন। (45 DLR 718)

এবার এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের একটি রিপোর্টেড কেইসের বর্ণনা দিব। G.M., P.B.S., Mymensingh-1, Muktagacha-1 Vs. Abdullah Hel Kafi (2012) HCD. ঘটনায় প্রকাশ, এই মামলার মূল বাদী আঃ হইল কাফির কাছে পল্লী বিদ্যুত সমিতি, ময়মনসিংহ-১ কিছু বিল বাকী বলে দাবী করার প্রেক্ষিতে বাদী সেটি অস্বীকার করে উক্ত বকেয়া সংক্রান্ত কাগজ বাতিলের দাবীতে Cancellation মামলা করেন এবং প্রেয়ার পরশনে এই মর্মে আস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দাবী করেন যাতে মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তার বৈদ্যুতিক লাইন কেটে না দেয়। আদালত বাদীর পক্ষে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন করেন। বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী বিবাদী পল্লী বিদ্যুত সমিতির জিএম আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিদ্যুতের লাইন কেটে দেয় ফলে প্রকৃতঃ আদালতের আদেশ অমান্য করে। বাদী তার প্রেক্ষিতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ভায়োলেশন মামলা করে। অন্য দিকে বিবাদী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন যে, সে প্রকৃত অর্থে আদালতের নিষেধাজ্ঞার আদেশ সম্পর্কে কিছু জানতেন না; জানলে তিনি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করতেন না। তাছাড়া, বাদী বা অন্য কেউ তাকে এই বিষয়ে কোন নোটিশ প্রদান করেন নি। যাই হোক, নিন্ম আদালত সমূহ যথাক্রমে সহকারী জজ বিবাদীকে ১৫ দিনের দেওয়ানী কারাদন্ডের আদেশ দেন। বিবাদী আপীল করলে তৎকালীন সাব-অর্ডিনেট জাজ (বর্তমানে) যুগ্ম জেলা জজ ও আপীল খারিজ পূর্বক সহকারী জজের রায় বহাল রাখেন। পরবর্তীতে মূল বিবাদী ও বর্তমান আপীলকারী পল্লী বিদ্যুতের জি এম হাইকোর্টে আপীল দায়ের করেন। হাইকোর্ট চূড়ান্ত শুনানিঅন্তে আদালতের এখতিয়ার নিয়ে কোন প্রশ্ন না তুললেও কিছু পদ্ধতিগত ত্রুটির দরুন বিজ্ঞ সহকারী জজ ও যুগ্ম জেলা জজের আদেশ রহিত পূর্বক বিবাদী-পিটিশনার (জিএম) কে অত্র মামলা থেকে অব্যহতি দেন। আদলতের মূল ফাইন্ডিংস গুলো হলঃ
• বাদী বিবাদীকে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে কোন নোটিশ দেন নি অর্থাৎ বিবাদী এ ব্যাপারে কিছুই জানতেন না;
• মামলা প্রমানের দায় বাদীর উপর থাকলেও বাদী এক্ষেত্রে কোন ভূমিকাই পালন করেন নি বরং বিবাদীই প্রমাণ করতে চেয়েছেন যে তিনি নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে অজ্ঞ ছিলেন;
• বাদী শুধুমাত্র নিজেকে ছাড়া অন্য কোন সাক্ষী প্রমাণ বা দলিল হাজির করেন নি যা সাক্ষীর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করে;
• বিজ্ঞ নিন্ম আদালত মামলার প্রকৃতি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন, আদালত সমূহ ফৌজদারী মামলার মূলনীতি সমূহ না মেনে আসামীকে দেওয়ানি কারাদন্ডের আদেশ দেয়েছেন যা টেনাবল নয়। ইত্যাদি।

সুতরাং, এটা স্পষ্ট যে, “ Very often the court has to make an order commanding a person to do something or restraint him in some way. If he disobeys, the court has one weapon in its armoury which it can use. It can punish him for contempt, either by fine or by imprisonment. It is quasi criminal offence as mentioned earlier. So, it must be proved beyond reasonable doubt.” Per Anwarul Haque in G.M., P.B.S., Mymensingh-1, Muktagacha-1 Vs. Abdullah Hel Kafi 17 MLR (2012) HCD (Para 17)

Law / procedure for easy disposal of civil suits
« on: May 27, 2013, 01:50:21 PM »
২০১২ সালে (Act No.36)দ্বারা Civil procedure Code-এ কিছু সংশোধনী এসেছে । সংশোধণী গুলোর মূল কথা গুলো আমি এখানে পোষ্ট করে দিচ্ছি----তারপরে ও আগ্রহীরা মূল আইনটি আবশ্য-ই পড়ে নিবেন।
The parliament of Bangladesh, by amending CPC through the Act No. 36 of 2012, makes procedure for easy disposal of civil suits in the earliest possible time. The changes imparted by the amendment of CPC may be tinted as hereunder:
1. Compulsory mediation ( U/S- 89 A);
2. Summons may even be served through courier service, e-mail, fax message (U/O-V);
3. Pleadings not to be amended after trail is commenced (O-vi,R.17)
4. Shorter time has been fixed for submission of written statement (U/O. viii)
5. Amendment in relation to time for plaintiff ‘to apply for service of fresh summons’
6. Amendment in relation to framing of issue (U/O-xiv)

Amendment in relation to mediation (U/S- 89 A)
After the submission of the written statement, the court shall, by adjourning the hearing, mediate in order to settle the dispute. So, here the use of ‘shall’ instead of ‘may’ makes the court bound to refer the case for mediation. And within ten (10) days from the date of reference, the parties shall inform the court whom they have appointed as mediator and if the parties fail to appoint the mediator during that time, the court shall appoint a mediator from the panel of mediators and the mediation process shall have to be completed within 60(sixty) days from the date on which the court is so informed, or the mediator is appointed. The court, however, has right to extend the said period of sixty (60) days to another more thirty (30) days in an appropriate case.

After the mediator has submitted the report of mediation to the court, if it happens that the result of such mediation is compromise of the dispute, the term of such compromise shall be reduced into writing in the form of an agreement bearing signatures of the parties and of the witnesses. And the court, shall, within seven (7) days from the date of receiving of the said report, pass an order or a decree.

It is worth mentioning here that, the mediation process as described in the Code of civil procedure shall have its application on appeal as well. By inserting a new provision namely S. 89(D), now the appellate court is also directed to take initiative for making the amicable settlement of dispute through mediation.

Different modes of service of summons ( U/O-v)
When a suit is instituted, the practice is that the summons is served by the court officer to give opportunity the defendant to appear before the court to establish his case and defend himself. The changes brought by the amendment regarding service of summons, however, in bold marks are as follows-
a) After the institution of the suit, the summons shall have to be issued by the court officer to the defendant within five working days from the date of filing the suit. The failure of which shall render the court officer liable for misconduct;
b) Now it is even possible to serve the summons to the defendant even by courier service as enlisted by the concerned district judge. Not only it, the summons are now possible to be served through fax massage or e-mail service in addition to the usual serving system;
c) After the summons is received by the serving court officer or concerned courier service agent, it shall be served within thirty (30) days from the date of receipt thereof;
d) in addition to the usual mode of service, the court may, even on the application of the plaintiff, permit him(plaintiff) to effect service of summons on the defendant;
e) when the defendant, after tendering the summons on him, refuses to receive it or to sign an acknowledgement of service or evades the receipt of the summons, the court shall re-issue the same; and after compliance of the procedure strictly as discussed here above, the court shall proceed for causing it to be publicly served through newspaper circulation;
f) Now it is upon the subjective satisfaction of the court to deem when the summons has been duly served. In other words, if the court is satisfied that the summons has been duly served, it shall be deemed that the summons has been served duly.

Amendment of pleadings not to be allowed after the commencement of trial (O-vi,R.17)
Previously, the court could, at any stage, of the proceeding allow either party to alter or amend his pleadings, but now the court shall not allow it to happen after trial has actually commenced, unless the court is of the opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial. The court is now also entitled to order payment of compensation to the other party, if it is satisfied that the application for amendment of pleadings has been made to delay the proceeding.

Amendment in relation to service of written statement (U/O. viii)
After the service of summons, the defendant is to present the written statement to support his case within 30 days. The court , however, is authorized to extend that period to 30 more days(but shall not exceed 60 days altogether), if it finds any reasonable cause for doing so. If the defendant fails to file written statement by the said 60 days, the court shall dispose of the case ex-parte.
Amendment in relation to time for plaintiff to apply for service of fresh summons
When after the service of the summons, it returns to the court unserved, but the plaintiff fails to apply for the issue of a fresh summons for a period of one month (previously three months) from the date of the return made to the court, the court shall make an order for its dismissal after considering various aspects and being satisfied that the suit should be dismissed.

Amendment in relation to framing of issue (U/O-xiv)
Where the court is of the opinion that the issue cannot be correctly framed without the examination of some other persons, previously the court might adjourn the framing of the issue to a future day, but now the court may adjourn the framing of the issues to a day not later than fifteen days.

Law / Language of the Court
« on: May 27, 2013, 01:47:09 PM »
বাংলার অনুভূতি (expression)কখনো ইংরেজীতে কিংবা ইংরেজী'র ভাব কখনো বাংলায় পরিপূর্নরূপে প্রকাশ করা যায় না। প্রশ্ন বা বিতর্ক হচ্ছে উচ্চ আদালতের ভাষা কি হবে? যারা বাংলা ভাষা প্রয়োগের পক্ষে তারা বলেন-- বাংলা এবং বাংলা ই হবে আদালতের একমাত্র ব্যবহার্য ভাষা। যে ভা ষায় বিচার প্রার্থী তার বিচার আশা করেন তা যদি বাংলা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় দেওয়া হয় তা হলে সে পরিপূর্ণভাবে বিচার পেল কিনা সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ থেকে যায়। কারণ, আমাদের দেশের অধিকাংশ লোকজন এখনো অশিক্ষিত; তার উপরে আদালতে ব্যবহার্য ভাষা অনেকটা দূর্ভেদ্য- সহজ ভাষায়, এই ভাষার আত্তীকরণ করা আইন জানা লোক ছাড়া অন্যদের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন, এমন কি শিক্ষিত লোকদের জন্য ও। একটি উদাহরণ দেয়া যাক,কিছুদিন আগে 'বাংলাদেশ আইন সমিত' আয়োজিত একটি সেমিনারে গিয়েছিলাম,প্রবন্ধ উপস্থাপক দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক জনাব মিজানুর রহমান খান এক জজ সাহেব কে উল্লেখ করে জানালেন, কোন এক মামলায় আসামীকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছিল কিন্তু আদালতে রায়ের বিবরণ পঠিত হয়েছিল ইংরেজী ভাষায়। ফাঁসির রায় তা কে শোনানোর পর সে বলেছিল কেন,কি রায় এবং কেন তা কে দেওয়া হল সেতা কিছুই বুঝলনা। আদালত আসামীর কথা শুনেই তভম্ভ হয়ে গেলেন এবং বুঝলেন ঘটনাতো সত্য-ই, প্রত্যেকের অধিকার আছে নিজ মামলার রায় সম্পর্কে অভিহিত হবার।তাকে বোঝানোর পর। যা হো ক, নিন্ম আদালতে এখন মোটামুটি বাংলা প্রচলন আছে কিন্তু সমস্যা আছে উচ্চ আদালত নিয়ে-সেখানে বাংলার প্রবেশাধিকার অনেকটা সীমিত। যদি ও আদালতের কথা বার্তা বা সাধারণ কার্যক্রম বাংলা তে চলে বলে জেনেছি বা দেখেছি। শুধুমাত্র রায় বা মামালার পেপার বুক তৈরী সহ অন্যান্য কাজগুলি চলে ইংরেজীতে। যারা উচ্চ আদালতে ইংরেজি চালানোর পক্ষে তাদের যুক্তি হল,উচ্চ আদালত এমন এক আদলত যার রায় গুলোর বিচারিক মূল্য অনেক অর্থাৎ এই আদালতের রায় সমূহের শুধু মাত্র যে domestic value আছে এমন নয় বরং আন্তর্জাতিক ভাবে এই রায় সমূহ প্রায়শঃ অন্যান্য দেশের উচ্চ আদালত দ্বারা ব্যবহৃত হতে পারে। এমতবস্থায় রায় সমূহ বাংলায় প্রদান করা হলেতা অনেকাংশে বিচারিক মূল্য হারাতে পারে। অধিকন্তু, এমন অনেক মামলা পাওয়া যাবে যেখানে কোন পক্ষ হয়তবা বিদেশী; এরুপ পরিস্থিতিতে রায় বাংলাতে দেওয়া হলে পক্ষদের অনেক ক্লেশের মুখোমুখি হতে হবে। শুধু তা-ই নয় এমনিতে আমরা ইংরেজিতে বেশ পিছিয়ে আছি তার উপরে উচ্চ আদালতে বাংলার অবাধ ব্যবহার আমাদের ইংরেজি চর্চাকে আরো নিরুৎসাহিত করবে।
১৯৮৭ সালে সর্বস্তরে বাংলা ব্যবহারের আইন থাকা সত্ত্বে ও বাস্তবতার নিরিখে উচ্চ আদালতে বাংলার প্রচলন কতখানি উপযোগী?এমন প্রশ্নের উত্তর আমার আজানা---

Law / For the students of Legal System
« on: May 27, 2013, 01:43:51 PM »
একই বিষয়ে, একই সাথে, একই পক্ষবৃন্দের মধ্যে দেওয়ানী ও ফৌজদারী উভয় মামলা যুগপৎ ভাবে চলতে পারে কিনা?

পারিবারিক বিষয়, ব্যাবসা সম্পর্কিত বিষয় বা দ্বি- পাক্ষীয় চুক্তির বন্দোবস্ত ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রায়শঃ-ই একটি দেওয়ানী ও একটি ফৌজদারী মামলার ‘Cause of action’ বা মামলা করার কারণ উত্থিত হতে পারে। হতে পারে, কোন ব্যক্তি একই সাথে দেওয়ানী আদালতে দলিল বাতিলের জন্য মামলা করেছেন সেই সাথে একই বিবাদীর বিরুদ্ধে প্রতারণা বা জালিয়াতির অভি্যোগে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে ইচ্ছা পোষণ করছেন; বা এরুপ হতে পারে যে, যেহেতু মামলার এক পক্ষ অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়ের করেছেন সুতরাং মামলা বিলম্বিত করার প্রয়াসে বা অপর পক্ষেকে শায়েস্তা করার মানসে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়েরে করেন বা করতে প্রলুব্ধ হন। সুতরাং, এ ক্ষেত্রে প্রশ্ন হল-
• একই সঙ্গে, একই সময়ে, একই পক্ষবৃন্দের মধ্যে, একই বিষয়ে যুগপৎ ভাবে একটি দেওয়ানী ও একটি ফৌজদারী মামলা চলতে পারে কিনা?
• যদি দুটি মামলা একই সাথে চলতে আইনি কোন বাঁধা না থাকে তাহলে প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের দিক থেকে কোন আদালতের কার্যক্রম ও ব্যাবহারিক প্রেক্ষাপটে ফলাফল অগ্রগামিতা পাবে?

একই সঙ্গে একই পক্ষবৃন্দের মধ্যে একই বিষয়ে যুগপৎ ভাবে একটি দেওয়ানী ও একটি ফৌজদারী মামলা চলতে পারে কিনা?

এর উত্তরে প্রথমেই যেটা বলতে হবে সেটা হল, দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলার প্রকৃতি ও প্রতিকারের ধরণ ভিন্ন। দেওয়ানী মামলা সমূহ মূলতঃ অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ভর যেখানে আদালত মামলার কোন পক্ষকে অন্য পক্ষের প্রাপ্য অধিকার বাস্তবায়নের আদেশ দিবেন- সেটা হতে পারে ক্ষতি পূরণের মাধ্যমে বা মামলার মূল বিষয় ন্যায্য পাওনাদার বা অপর পক্ষকে অর্পনের মাধ্যমে।

অন্য দিকে ফৌজদারী মামলার প্রধান উদ্দেশ্য হল অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করনের মাধ্যমে সমাজের শৃংখলা বজায় রাখা বা দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যে, অনযায় করলে সমাজের অন্য সদস্যের ও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে। ফৌজদারী বিচার ব্যাবস্থার মূল কথা সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ ও শৃংখলা (Well-being and Order) আনয়ন।

সুতরাং, ঘটনা ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা পূর্বক যদি এটা মনে হয় যে, একই বিষয়ের উপর দেওয়ানী ও ফৌজদারী এই দুটি ভিন্ন মামলা করার কারণ বর্তমান তাহলে উক্ত মামলা দায়েরে আইনত কোন বাঁধা নেই। একই বিষয়ের উপর একই সাথে একটি দেওয়ানী ও একটি ফৌজদারী মামলা চলতে পারে কিনা এ প্রশ্নের উত্তরে Khandkar Mahatabuddhin Ahamed & Others Vs. State, 1 MLR (1996) (AD) 411-412 মামলায় আদালত হ্যাঁ সূচক উত্তর প্রদান করেন এবং বলেন, একটি বিষয়ের উপর দেওয়ানী এবং ফৌজদারী উভয় মামলা একই সঙ্গে চলতে পারে। যেমন- আত্নসাৎকৃত অর্থ উত্তোলনের জন্য পক্ষ- যেমন দেওয়ানী আদালতে মামলা চালাতে পারবে তেমনি Criminal breach of trust এর জন্য আসামির বিরুদ্ধে ফৌজদারী আদালতের আশ্রয় ও গ্রহণ করতে পারবে।

সুতরাং, একই বিষয়ের উপর একই সাথে একটি দেওয়ানি ও একটি ফৌফদারী মামলা চলতে কোন আইনি বাঁধা নেই তবে আদালত ঘটনা, পারিপার্শ্বিকতা বিশ্লেষণে কোথাও ফৌজদারী মামলাটি স্থগিতের আদেশ দেন বা কোথাও দুটি মামলা একই সাথে চলতে দেখা যায়। এবার হাইকোর্ট ও আপীল বিভাগের কিছু রিপোর্টেড মামলা থেকে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করব- ---

Noor Alam Vs. The State, 7 BCR (HCD) P. 165 এই মামলায় ‘ক’, ‘খ’-এর নামে একটি চেক ইস্যু করে যা ডিজঅনার হয় ফলে ‘খ’- ‘ক’ এর বিরুদ্ধে নেগোশিয়েবল ইন্সস্ট্রুমেন্ট এ্যাক্টের ১৩৮ ধারার অধীনে চেক ডিজঅনারের মামলা করেন। পরবর্তীতে এই ফৌজদারি মামলা দায়েরের পর ‘ক’ (যার ইস্যুকৃত চেক ডিজঅনার হয়েছিল), ‘খ’-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী আদালতে তাদের মধ্যাকার চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেন। উল্লেখ্য, উক্ত চুক্তির ভিত্তিতে ‘ক’। ‘খ’-কে চেকের মাধ্যমে টাকা প্রদান করতে চেয়েছিলেন।

দেওয়ানী মামলা দায়েরের পর ‘ক’ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৪ ধারার অধীনে উক্ত চেক ডিজঅনারের মামলা স্থগিতের প্রার্থনা করেন এই যুক্তিতে যে, উক্ত টাইটেল স্যুট নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফৌজদারী মামলাটি স্থগিত থাকা উচিৎ। কিন্তু চূড়ান্ত বিচারে আপীল বিভাগ(আপীল স্তরে গিয়ে) দুটি মামলা পৃথকভাবে কিন্তু একই সময়ে চলতে পারে বলে মত দেন। আদালত তার রায়ে বলেন,
"এখানে উক্ত ফৌজদারী ও দেওয়ানী মামলাদ্বয় দুটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট থেকে উদ্ভূত হয়েছে; একটি চুক্তির বৈধতা সম্পর্কিত এবং অন্যটি চেকের মাধ্যমে প্রদেয় টাকা না পাবার ফলে নালিশকারীর ক্ষতিগ্রস্থ হবার প্রেক্ষাপটে যা অপরাধ মূলক আইনের সু- নিদৃষ্ট ধারায় বিচারযোগ্য। দুটি মামলার প্রেক্ষাপট ভিন্ন বিধায় আলাদা আলাদা বিচার একই সময়ে চলতে আইন বাঁধা দিতে পারে না। "

Siddiqur Rahman Vs. A M Harunur Rashid, 3 BLT (AD) 64 এই মামলায় ‘ক’, ‘খ’-এর বিরুদ্ধে একটি ঘোষনামূলক মামলা তৎসহ ১.২৭ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য দেওয়ানী মামলা করলেন। ‘খ’(আগের দেওয়ানী মামলার বিবাদী) পরবর্তিতে ‘ক’ এর বিরুদ্ধে ফৌজদারী আদালতে দন্ড বিধির ৪০৮/৪২০(Criminal breach of Trust by Servant/ Cheating) ধারার অধীনে মামলা করলেন। আসামী পক্ষ পরবর্তিতে ফৌজদারী আদালতে এই মর্মে প্রার্থনা করলেন যে, যেহেতু পক্ষ বৃন্দের মধ্যে একটি দেওয়ানী মামলা বিদ্যমান সুতরাং উক্ত দেওয়ানী মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফৌজদারী মামলাটি স্থগিত রাখা হোক। হাইকোর্ট মামালাটি ৬ মাসের জন্য স্থগিত রাখার আদেশ দেন; কিন্তু আপীল বিভাগ বিদ্যামান ঘটনা, পরি স্থিতি ও উভয় মামলার প্রকৃতি বিশ্লেষন শেষে হাইকোর্টের উক্ত সিদ্ধান্তকে স্থগিত রেখে মামলাটি পুনরায় চালানোর জন্য নির্দেশ দিলেন।

কিন্তু কিছু মামলায় একই বিষয়ের উপর আদালত ভিন্ন ভিন্ন মামলা দায়েরে বাঁধা না দিলেও দেওয়ানী মামলা পেন্ডিং থাকা কালীন সময়ে ফৌজদারী মামালা কার্যবিধির ৩৪৪ ধারার অধীনে সাময়িক ভাবে স্থগিতের আদেশ দেন। এ সম্পর্কিত উল্লেখযোগ্য কিছু মামলা হল—

Zakir Hossain Vs. State 73 DLR (AD) 102 এই মামলায় ‘ক’, ‘খ’-এর বিরুদ্ধে কিছু দলিলের ভিত্তিতে জমির সস্ত্ব ফেরৎ পাবার জন্য টাইটেল স্যুট দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলার বিবাদী ‘খ’ বাদী ‘ক’-এর বিরুদ্ধে উক্ত দলিল জাল ও পুরাতন তারিখ (Ante-dated) উল্লেখকৃত মর্মে ফৌজদারী আদালতে একটি সি আর মামলা দায়ের করেন। উক্ত ফৌজদারি মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তি,যিনি এ সম্পর্কিত দেওয়ানী মামলার বাদী ছিলেন, আদালতের কাছে এ মর্মে প্রার্থনা করেন যে, যেহেতু দেওয়ানী আদালতে এ সম্পর্কিত একটি টাইটেল স্যুট বিদ্যমান সুতরাং আদালত এই ফৌজদারী মামলাটি স্থগিতের আদেশ প্রাদান করেন। আদালত আসামির আদেশ মঞ্জুর করেন এবং ফৌজদারী মামলাটি নিদৃষ্ট সময়ের জন্য স্থগিতের আদেশ দেন।

এবার প্রসঙ্গ ক্রমে কিছু বিষয়েরঅবতারণা করব—
একটি ফৌজদারী মামলা কখন স্থগিত করা যায়?

মামলায় স্বাক্ষীর অনুপস্থিতি, বা একই বিষয়ের উপর দেওয়ানী এবং ফৌজদারী মামলা দায়ের সহ বিবিধ কারণে আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কার্যবিধির ৩৪৪ ধারার অধীনে মামলার কার্যক্রম সাময়িক ভাবে স্থগিত রাখতে পারেন। অবশ্য কার্যবিধির ২৪৯ ধারার অধীনেও আদালতের এরুপ ক্ষমতা রয়েছে তবে এখনকার বিষয়ের সাথে অ-প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় তা এখানে আলোচনা করা হল না।

দেওয়ানী মামলা চলমান অবস্থায় ফৌজদারী মামলা স্থগিতের নিয়ম

বিচারপতি M.A. Wahab তাঁর The Code of Criminal Procedure গ্রন্থে বলেছেন, যখন একই বিষয়ের উপর দেওয়ানী মামলা চালু থাকে তখন ফৌজদারী মামলাটি স্থগিত রাখতেই হবে- এমন ধরা বাঁধা কোন নিয়ম নেই। Bashir Uddhin Vs. Osman Gani, 22 DLR (1970) 502 মামলায় বলা হয়েছে, দেওয়ানী মামলা চালু থাকা অবস্থায় ফৌজদারী মামলা স্থগিত রাখা উচিৎ হবে কিনা এটা প্রত্যেকটি ঘটনা, পরিস্থিতি ও মামলার প্রকৃতি অনুযায়ী (Facts, circumstances and Nature of the allegation) নির্ধারিত হবে। এই মামলায় আরো বলা হয়, স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট পক্ষদের শুধুমাত্র ইচ্ছার উপর (Fancy desire) ফৌজদারী মামলা অনিদৃষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা যায় না। অন্য এক মামলায় আরো স্থির হয় যে, দেওয়ানী মামলা চালু কালীন অবস্থায় ফৌজদারী আদালতে বিচারাধীন মামলা স্থগিতের ক্ষমতা আদালতের একান্ত সু-বিবেচনা মূলক ক্ষমতা; এটিকে কোন ব্যক্তি অধিকার হিসাবে দাবী করতে পারেন না। আদালত তাঁর অর্ন্তনিহিত ক্ষমতা বলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে এরুপ মামলা নিদৃষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত করতে পারেন।

কখন দেওয়ানী মামলা পেন্ডিং থাকা অবস্থায় একটি ফৌজদারী মামলা স্থগিত রাখা যেতে পারে?

Dhirendra Chandra Chakrabarti Vs. Nani Gopal Chakrabarti, 13 DLR 215 মামলায় আদালত স্থির করেন যে, যদি কোথাও এমন দেখা যায় যে, দেওয়ানী মামলার সিদ্ধান্ত প্রত্যক্ষ ও কার্যকরীভাবে ফৌজদারী মামলায় বিবদমান আসামীর দোষ বা নির্দোষিতা প্রমাণে ভূমিকা রাখতে পারে সেক্ষেত্রে বাস্তবিক প্রেক্ষাপটে ফৌজদারী মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়। যেখানে আদালতের কাছে এটি প্রতীয়মান হয় যে, দেওয়ানী মামলা নিস্পত্তির আগে ফৌজদারী মামলা চালু রাখলে আসামী তাঁর নিজের ডিফেন্সের ক্ষেত্রে ক্ষতির (prejudice) মুখোমুখি হতে পারে বা দুটি আদালতে বিপরীতমুখী দুটি ভিন্ন সিদ্ধান্ত হবার আশঙ্কা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ফৌজদারী আদালত তার অধীনে মামলাটি স্থগিতের আদেশ দিবেন।

Zakir Hossain Vs. State, 43 DLR (AD) 102 মামলায় এজাহার দায়েরের পূর্বেই দেওয়ানী মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এবং দেওয়ানী মামলা এমন পর্যায়ে ছিল যে, তর্কিত দলিলাদি এখন ও দেওয়ানী আদালতের প্রদর্শণ বা নিরীক্ষার জন্য উপস্থাপন করা হয় নি। এমতবস্থায়,দেওয়ানি আদালতকে সাহায্য করার জন্য ও মামলার ঘটনা, পরিস্থিতি ও ফৌজদারী মামলার প্রকৃতি বিবেচনায় আদালত উক্ত ফৌজদারী মামলা স্থগিতের আদেশ দেন।

Md. Hanif Vs. The State and another (2012) Law guardian (First issue-2013)-p.119 এই মামলার ঘটনায় প্রকাশ এই যে, বায়না পত্রের ভিত্তিতে দুজন ব্যক্তির মধ্যে সম্পাদিত একটি চুক্তির বাস্তবায়নের জন্য দেওয়ানি আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়; পরবর্তীতে উক্ত বায়না পত্র জালিয়াতি করে সৃষ্ট মর্মে এক পক্ষ অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির অধীনে জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন। হাইকোর্ট বিভাগ এই মামলার সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনক্রমে ফৌজদারী মামলাটি এক বছরের জন্য স্থগিত রাখার আদেশ দেন।

কখন সাধারণত ফৌজদারী মামলা স্থগিতের আদেশ দেওয়া হয় না?

কখন সাধারণত ফৌজদারী মামলা স্থগিতের আদেশ দেন না এমন প্রশ্নের জবাবে Khalilur Rahman Vs. Md. Idrish, 20 DLR (1968) 674 মামলায় আদালত ধার্য্য করেন যে, কার্যবিধির ৩৪৪ ধারার অধীনে শুধুমাত্র দেওয়ানী মামলা চালু আছে এই যুক্তিতে ফৌজদারী মামলা হঠাৎ এবং অনিদৃষ্ট কালের জন্য স্থগিত করা যাবে না (Sine die postponement not allowed). যেক্ষেত্রে দেওয়ানী মামলা নিস্পত্তিতে যথেষ্ট সময় লাগবে বলে প্রতীয়মান হয় বা দেওয়ানী মামলার মাধ্যমে মামলার সকল প্রশ্ন নিস্পত্তি করা যাবে না অর্থাৎ দেওয়ানী মামলা থেকে ফৌজদারী মামলাটি প্রকৃতিগত দিক থেকে অনেক বিষয়ে ভিন্নতর এমন পরিস্থিতিতে ফৌজদারী আদালত তার অধীনে বিচারাধীন মামলা স্থগিত করতে পারেন। উল্লেখ্য, অনিদৃষ্টকালের জন্য ফৌজদারী মামলা স্থগিত রাখা হলে তা একদিকে যেমন নালিশকারীর স্বার্থ বিরোধী তেমনি তা আইনের নীতি বিরুদ্ধ (against the policy of law) বলে গণ্য হবে। (38 DLR 132)

একই বিষয়ে দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা চালুর ক্ষেত্রে কোন মামলাটি অগ্রগামী বা বেশি গুরুত্বপূর্ণ (Precedence over one another)?

প্রশ্ন উঠতে পারে একই বিষয়ের উপর একটি দেওয়ানী ও একটি ফৌজদারী মামলা চালু থাকা কালীন অবস্থায় মামলা স্থগিতের ক্ষেত্রে বা মামলার প্রসিডিংয়ের ক্ষেত্রে কোনটি বেশি গুরুত্ব পাবে? এ ক্ষেত্রে A.B. Siddiqur Rahman Vs. A.M. Harunur Rashid & Others, 3 BLT (AD) 64 মামলায় আদালতের মত হচ্ছে, ফৌজদারী মামলাটি বেশি গুরুত্ব পাবে। আদালতের মতে,
“The principle governing the stay of proceeding of civil suit vis-à-vis criminal cases is that the criminal matters should be given precedence.”

কিন্তু বাস্তবিক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা চলমান থাকা কালীন ফৌজদারী মামলা স্থগিত রাখা হয়; দেওয়ানী মামলা নয়। সুতরাং, গুরুত্ব উপলব্ধিতে এটা অনেকাংশে প্রতীয়মান হতে পারে যে, The Civil Courts get the upper hand than the criminal Courts. অন্যদিকে, PLD (1965) (Lah) 676 এই মামলায় স্থির হয় যে, কোন বিষয়ে যদি এরুপ প্রতীয়মান হয় যে, বিবদমান বিষয়টির প্রকৃতি এমন যে, বিবদমান ইস্যুটি ফৌজদারী আদালত থেকে দেওয়ানী আদালতে অধিক যথার্থতার সাথে নিষ্পত্তি করা যায়, সেক্ষেত্রে পক্ষদেরকে ফৌজদারী আদালতে যাবার বিষয়ে উৎসাহিত করা উচিৎ নয়। অর্থাৎ, এখানে দেওয়ানি আদালতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

Law / workers' compensation for injury by accident
« on: May 16, 2013, 10:52:15 AM »
কারখানায় কাজ করা অবস্থায় কোনো শ্রমিক দুর্ঘটনার শিকার হলে, আহত কিংবা নিহত শ্রমিকদের অধিকার রয়েছে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার। সব শ্রমিকই শ্রম আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাওয়ার হকদার। ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজায় ভবনধসে শত শত পোশাকশ্রমিক যে দুর্ঘটনার শিকার হলেন, তাঁরাও এর বাইরে নন।
শ্রম আইন অনুযায়ী কোনো দুর্ঘটনার কারণে শ্রমিকের ক্ষতি হলে মালিক ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবেন। দুর্ঘটনায় কোনো শ্রমিকের মৃত্যু ঘটলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাঁর পরিবার পাবে এক লাখ টাকা। কোনো শ্রমিক স্থায়ী পঙ্গুত্ব বরণ করলে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা পাবেন। যদি কোনো শ্রমিকের অস্থায়ী অক্ষমতা ঘটে, তাহলে মাসিক হিসাবে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে, যার মেয়াদ হবে সুস্থ হওয়ার সময় পর্যন্ত কিংবা এক বছর। এ ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হবে প্রথম দুই মাসের জন্য মাসিক মজুরির সমান এবং পরবর্তী মাস থেকে মাসিক মজুরির অর্ধেক। যদি কোনো শ্রমিক পেশাগত কারণে অসুস্থ হন তাহলে অসুস্থ থাকাকালীন অবস্থায় মাসিক মজুরির অর্ধেক হারে প্রদান করতে হবে, তবে তা দুই বছরের বেশি সময়ের জন্য দেওয়া যাবে না।

শ্রম আদালতে চাওয়া যাবে ক্ষতিপূরণ
মালিককে ক্ষতিপূরণ অর্থ দিয়ে পরিশোধ করতে হবে এবং মালিক তা না দিলে শ্রম আদালতের মাধ্যমে তাঁকে পরিশোধ করতে বাধ্য করা যাবে। ক্ষতিপূরণের দাবি নিয়ে কোনো আহত শ্রমিক বা নিহত শ্রমিকের উত্তরাধিকারীরা শ্রম আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। কোনো ক্ষতিপূরণের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সেই মালিকের কাছে একটি নোটিশ পাঠাবেন। নোটিশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে মালিককে নির্ধারিত ফরমে শ্রমিকের মৃত্যুর কারণ, পরিস্থিতি ও তিনি ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য কি না, তা উল্লেখ করে আদালতের কাছে জমা দেবেন। যদি তিনি মনে করেন যে ক্ষতিপূরণ দিতে তিনি বাধ্য, তবে নোটিশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে তা জমা দেবেন। শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ আদালতে জমা দিতে আদালত আদেশ দেবেন। শ্রমিক কিংবা শ্রমিকের প্রতিনিধিরা এই টাকা আদালত থেকে গ্রহণ করবেন। কোনো মালিক যদি নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ প্রদান না করেন, তাহলে আদালত নোটিশ প্রদান করবেন ও নির্ধারিত টাকার অতিরিক্ত টাকা প্রদানের আদেশ দিতে পারেন। আইন অনুযায়ী কোনো কারখানা দুর্ঘটনার কারণে কোনো শ্রমিকের মৃত্যু ঘটলে দুর্ঘটনা ঘটার সাত দিনের মধ্যে শ্রম আদালতে মৃত্যুর কারণ ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা বর্ণনা করে প্রতিবেদন দাখিল করার বাধ্যবাধকতা আছে।

চিকিৎসা দিতে মালিক বাধ্য
কোনো শ্রমিক যদি কোনো দুর্ঘটনার শিকার হন ও তা সম্পর্কে নোটিশ প্রদান করেন তখন মালিক নোটিশ জারির তিন দিনের মধ্যে বিনা খরচে কোনো নিবন্ধিত চিকিৎসক দ্বারা শ্রমিককে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাবেন। এ ছাড়া চিকিৎসাও করাবেন। শ্রমিকের দুর্ঘটনা বা অসুস্থতা গুরুতর হলে, শ্রমিক যেখানে অবস্থান করছেন মালিক সেখানে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করবেন। কোনো মালিক অথবা আঘাতপ্রাপ্ত শ্রমিক কোনো নিবন্ধিত চিকিৎসকের দেওয়া রিপোর্টে যদি সন্তুষ্ট না হন, তাহলে আবার মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক পদমর্যাদার কোনো চিকিৎসা-বিশেষজ্ঞের কাছে প্রেরণ করতে পারেন।

Law / Rights of women worker in the labour law
« on: May 16, 2013, 10:48:30 AM »
শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী একজন মা শ্রমিককে দিতে হবে তাঁর প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা। মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ যাবতীয় বেতন-ভাতা পাওয়ার অধিকার রয়েছে মা শ্রমিকের। শুধু তা-ই নয়, সন্তান আছে এমন নারী শ্রমিকের শিশুদের জন্য আলাদা শিশুকক্ষ থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে আইনে। এমনকি কাজের ফাঁকে শিশুদের পরিচর্যা করার সুযোগও আইনে নিশ্চিত করা হয়েছে।

মাতৃত্বকালীন কী সুবিধা পাবেন
সন্তান জন্মের পরবর্তী আট সপ্তাহ পর্যন্ত কোনো মা শ্রমিককে দিয়ে কারখানায় কাজ করানো যাবে না। কোনো নারী শ্রমিক যদি মালিককে জানিয়ে থাকেন যে ১০ সপ্তাহের মধ্যে সন্তান প্রসবের সম্ভাবনা আছে অথবা ১০ সপ্তাহের মধ্যে সন্তান প্রসব করেছেন, তাহলে নারী শ্রমিককে কাজে নিয়োগ করতে পারবেন না। চিকিৎসকের প্রত্যয়নপত্র প্রদান করে নারী শ্রমিক সন্তান প্রসবের সম্ভাব্য তারিখের পূর্ববর্তী আট সপ্তাহ আগে ও সন্তান প্রসবের পরবর্তী আট সপ্তাহের জন্য প্রসূতিকল্যাণ সুবিধা পাবেন। মালিক এই সুবিধা প্রদান করতে বাধ্য থাকবেন। তবে শর্ত থাকে যে কোনো নারী যদি মালিকের অধীনে ছয় মাস কাজ না করে থাকেন, তাহলে এ সুবিধা পাবেন না।

কীভাবে সুবিধা দাবি করবেন
আট সপ্তাহের মধ্যে সন্তান প্রসবের সম্ভাবনা আছে—এ মর্মে মালিককে লিখিত বা মৌখিকভাবে নোটিশ দিতে হবে। এ নোটিশ প্রদানের পরদিন থেকে সন্তান প্রসবের পর আট সপ্তাহ পর্যন্ত ছুটি পাবেন। শুরুতে নারী শ্রমিক এ নোটিশ না দিয়ে থাকলে সন্তান প্রসবের সাত দিনের মধ্যে নোটিশ প্রদান করে বিষয়টি মালিককে জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে সন্তান প্রসবের তারিখ থেকে পরবর্তী আট সপ্তাহ পর্যন্ত ছুটি পাবেন। যদি নারী শ্রমিক সন্তান হওয়ার পর সন্তান জন্মদানের প্রমাণ পেশ করেন, তাহলে মালিক সন্তান প্রসবের পূর্ববর্তী আট সপ্তাহের জন্য প্রদেয় প্রসূতি সুবিধাসহ পরবর্তী আট সপ্তাহের মধ্যে অবশিষ্ট মেয়াদের সুবিধাও প্রদান করবেন। তবে কোনো প্রমাণ কোনো মা শ্রমিক সন্তান প্রসবের তিন মাসের মধ্যে না জানালে তিনি এই সুবিধা পাবেন না। প্রসূতিকল্যাণ সুবিধার অন্তর্ভুক্ত কোনো মা শ্রমিক প্রসবকালে অথবা পরবর্তী আট সপ্তাহের মধ্যে মারা গেলে যে ব্যক্তি শিশুর তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তাঁকে একই সুবিধা প্রদান করতে হবে। যদি শিশুটি জীবিত না থাকে, তাহলে নারী শ্রমিকটির মনোনীত ব্যক্তিকে অথবা তাঁর আইনগত প্রতিনিধিকে সুবিধা প্রদান করতে হবে। মাতৃত্বকালীন ছুটির জন্য আবেদন করার সময় মা শ্রমিক তাঁর মনোনীত ব্যক্তি (নমিনি) নির্ধারণ করে যাবেন।
যদি কোনো মা শ্রমিক সন্তান প্রসবের পূর্ববর্তী ছয় মাস এবং সন্তান প্রসবের পরবর্তী আট সপ্তাহ মেয়াদের মধ্যে চাকরি অবসানের জন্য মালিক কোনো নোটিশ প্রদান করেন এবং এ নোটিশের বা আদেশের যদি যথেষ্ট কারণ না থাকে, কোনো মা শ্রমিককে সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

কারখানায় থাকতে হবে শিশুকক্ষ
যদি কোনো কারখানায় ৪০ বা তার বেশি নারী শ্রমিক নিয়োজিত থাকেন, তাহলে ছয় বছরের কম বয়সী সন্তানদের জন্য এক বা একাধিক শিশুকক্ষের ব্যবস্থা থাকতে হবে। শিশু কক্ষগুলোর যথেষ্ট আলো ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। কক্ষটি শিশুদের পরিচর্যার জন্য অভিজ্ঞ বা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মহিলার তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে। সেখানে মায়েরা যেন সহজে যেতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। কারখানার এমন অংশে কক্ষ স্থাপন করতে হবে, যেখান থেকে বিরক্তিকর ধোঁয়া, ধুলাবালু বা গন্ধ নির্গত হবে না। কক্ষের দেয়ালে ও ছাদে উপযুক্ত তাপ এবং পানি প্রতিরোধক বস্তু থাকতে হবে। প্রত্যেক শিশুর জন্য বিছানাসহ একটি খাট বা দোলনা থাকবে। প্রত্যেক মা যখন শিশুকে দুধ পান করাবেন বা পরিচর্যা করবেন, তখন তাঁর ব্যবহারের জন্য অন্তত একটি চেয়ার বা আসন থাকতে হবে। এ ছাড়া শিশুদের জন্য যথেষ্ট ও উপযুক্ত খেলনার ব্যবস্থা করতে হবে।

Law / Legal Aid in Bangladesh
« on: May 15, 2013, 05:08:47 PM »
আইনের সহায়তা কম-বেশি সবারই দরকার হয়। কিন্তু সহায়তা নেওয়ার আগে প্রথমই ভাবনায় আসে আর্থিক দিকটির কথা। তাই তো সরকার চালু করেছে বিনা মূল্যে আইনি সহায়তা সেবা। এ জন্য ২০০০ সালে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন ২০০০’। এ আইনের আওতায় প্রণীত হয়েছে বিধিমালা। প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা। প্রতিটি জেলায় রয়েছে এর জেলা কমিটি। বর্তমানে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়েও আইনি সহায়তা কমিটি রয়েছে। আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত ব্যক্তি, যারা সত্যিকার অর্থে দরিদ্র বা সহায়-সম্বলহীন, তারাই কেবল এ সহায়তা পাওয়ার যোগ্য। এ সেবা পেতে রয়েছে নির্ধারিত পদ্ধতি। এ পদ্ধতিগুলো মেনেই এ সেবা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে।

কারা আইনি সহায়তা পাবেন:
 যেকোনো অসচ্ছল ব্যক্তি, যাঁর বার্ষিক গড় আয় ৫০ হাজার টাকার ঊর্ধ্বে নয়
 কর্মক্ষম নন, আংশিক কর্মক্ষম বা কর্মহীন মুক্তিযোদ্ধা, যাঁর বার্ষিক গড় আয় ৭৫ হাজার টাকার বেশি নয়
 বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন এমন ব্যক্তি, ভিজিডি কার্ডধারী দুস্থ মা
 পাচারের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত নারী বা শিশু, দুর্বৃত্ত দ্বারা অ্যাসিডদগ্ধ নারী বা শিশু
 অসচ্ছল বিধবা, স্বামী-পরিত্যক্তা ও দুস্থ নারী
 উপার্জনে অক্ষম ও সহায়-সম্বলহীন প্রতিবন্ধী
 আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অক্ষম ব্যক্তি
 বিনা বিচারে আটক ব্যক্তি, যিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অক্ষম
 আদালত কর্তৃক ঘোষিত ‘অসচ্ছল’ ব্যক্তি
 জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সুপারিশকৃত ‘অসচ্ছল’ ব্যক্তি

যেসব মামলায় আইনি সহায়তা দেওয়া হয়:
দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়। সাধারণত স্ত্রীর বিনা অনুমতিতে স্বামী বিয়ে করলে, স্বামী শারীরিক নির্যাতন করলে, যৌতুক দাবি বা যৌতুকের জন্য নির্যাতন, অ্যাসিড নিক্ষেপ, পাচার, অপহরণ, ধর্ষণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক আটক বা গ্রেপ্তারসংক্রান্ত যেকোনো ফৌজদারি মামলায় আইনি সহায়তা দেওয়া হয়। এ ছাড়া দেওয়ানি মামলার মধ্যে সন্তানের অভিভাবকত্ব, ভরণপোষণ, দেনমোহর আদায়, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার, দলিল বাতিল, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, সম্পত্তি বণ্টন বা বাঁটোয়ারা, ঘোষণামূলক মামলা ও চুক্তিসংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে বিনা মূল্যে আইনি সহায়তা দেওয়া হয়।

কীভাবে আবেদন করবেন, কোথায় করবেন:
প্রতিটি জেলা আদালতে আইনগত সহায়তা কার্যালয় রয়েছে। সেখান থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করে সরাসরি আবেদন করা যাবে। জেলখানায় অবস্থিত কারা কর্মকর্তা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের কার্যালয়েও আবেদনপত্র পাওয়া যাবে। এ ছাড়া প্রতিটি জেলা আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) অথবা জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা ও উপজেলা কার্যালয়েও আবেদন ফরম পাওয়া যায়। এই আবেদন ফরম পূরণ করে জেলা আইনগত সহায়তা কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। এ আবেদন যাচাইয়ের পর আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী নিয়োগের মাধ্যমে সরকারি আইনি সহায়তা দেওয়া হয়।

লেখক: মো.জসিম উদ্দিন,সহকারী পরিচালক,জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা

Law / Weather Alert Signal
« on: May 14, 2013, 11:58:46 AM »
আবহাওয়ায় বিপদ সংকেতের এর অর্থ:

১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত :- এর অর্থ বঙ্গোপসাগরের কোন একটা অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বইছে এবং সেখানে ঝড় সৃষ্টি হতে পারে৷(একটি লাল পতাকা )

২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত :- সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে৷

৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত :- এর অর্থ বন্দর দমকা হাওয়ার সম্মুখীন ৷(দুইটি লাল পতাকা)

৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত :- এর অর্থ বন্দর ঝড়ের সম্মুখীন হচ্ছে, তবে বিপদের আশঙ্কা এমন নয় যে চরম নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷

৫ নম্বর বিপদ সংকেত :- এর অর্থ হচ্ছে অল্প বা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে (মংলা বন্দরের বেলায় পূর্ব দিক দিয়ে)৷

৬ নম্বর বিপদ সংকেত :- এর অর্থ হচ্ছে অল্প বা মাঝারী ধরনের ঝড় হবে এবং আবহাওয়া দুযোগপূর্ণ থাকবে৷ ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷ (মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে)৷

৭নং বিপদ সংকেত :- এর অর্থ অল্প অথবা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড় হবে এবং এজন্য আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঘূর্ণিঝড়টি সমুদ্রবন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷(তিনটি লাল পতাকা)৷

৮ নং মহাবিপদ সংকেত :- এর অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় হবে এবং বন্দরের আবহাওয়া খুবই দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে (মংলা বন্দরের বেলায় পূর্ব দিক দিয়ে)৷

৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত :- এর অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে (মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে)৷

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত :- এর অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঘূর্ণিঝড়টির বন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷

১১ নম্বর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত :- এর অর্থ ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাথে সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েগিয়েছে এবং স্থানীয় অধিকর্তার বিবেচনায় চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে৷

রিমান্ড বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা : ব্লাস্ট বনাম বাংলাদেশ মামলায় বিচারপতি মো. হামিদুল হক ও বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ ২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল কাউকে গ্রেফতার ও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করেন। এই নির্দেশনাই ঐতিহাসিক ৫৫ ডিএলআর নামে পরিচিত। হাইকোর্টের এ নির্দেশনার বিরুদ্ধে সরকার আপিল করলে আপিল বিভাগ তা খারিজ করে দেয়। আপিল বিভাগেও হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকে।
রায়ে বলা হয়:

১. আটকাদেশ দেয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না।
২. কাউকে গ্রেফতারের সময় পুলিশ তার পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য থাকবে।
৩. অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির আত্মীয় বা কাছের কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের বিষয়টি অবহিত করতে হবে।
৪. গ্রেফতারের কারণ একটি পৃথক নথিতে পুলিশকে লিখতে হবে।
৫. গ্রেফতারের ৩ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃতকে কারণ জানাতে হবে।
৬. বাসা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্যস্থান থেকে গ্রেফতারকৃতর নিকটাত্মীয়কে এক ঘণ্টার মধ্যে টেলিফোন বা বিশেষ বার্তাবাহক মারফত বিষয়টি জানাতে হবে।
৭. গ্রেফতারকৃতকে তার পছন্দসই আইনজীবী ও নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে পরামর্শ করতে দিতে হবে।
৮. জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আইনজীবী বা পরিচিত কারও উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।
৯. কারাগারে জিজ্ঞাসাবাদে প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে সর্বোচ্চ তিন দিন পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে উপযুক্ত কারণ থাকতে হবে।
১০. জিজ্ঞাসাবাদের আগে ও পরে ডাক্তার দেখাতে হবে।

Law / Semester break
« on: May 14, 2013, 11:26:25 AM »
From tommorrow, we have to start the classes of the new semester. Right now I feel myself happy. (I really feel myself bored without my students.) In every semester, some of them will not come to join in the first class. Cause, they are homesick. For my students, "just come soon."

Law / How to present yourself before the audience?
« on: April 15, 2013, 01:40:07 PM »
This is mainly for our students as they have to give a presentation in every semester. Keep in mind that, when you are presenting in front of an audience, you are performing as an actor on a stage. Appropriate dress for the occasion is a factor that counts. It represents the desired image to your audience. Look pleasant, enthusiastic, and confident. Remain calm and relax. Don’t feel nervous. Speak slowly, enunciate clearly, and show appropriate emotion and feeling relating to your topic. Speak to the person farthest away from you to ensure your voice is loud enough to project to the back of the room. If a microphone is available, adjust and adapt your voice accordingly. Know your material thoroughly. Put what you have to say in a logical sequence. Ensure your speech will be captivating to your audience as well as worth their time and attention. Practice and rehearse your speech at home or where you can be at ease and comfortable, in front of a mirror, your family, friends or colleagues. Know what your strong and weak points are. Emphasize your strong points during your presentation. Don’t get upset while answering questions. If you do not know anything, never act that you know it. You may not know everything. That is natural. Have patience. Go ahead. Time is a major factor; don’t waste your time by unnecessary means. Finishing a thing within time is also important. Be aware that your lecture is not boring. Try to put it in a natural way with variety.

Law / Difference between article and section in Law
« on: April 07, 2013, 04:19:17 PM »
When any fundamentally important document is drafted which may be a grundnorm (Fundamental norm to support all other legal norms) of that system, then generally it is differentiated from the ordinary municipal laws by referring to its clauses as articles rather than sections, such as United Nations Charter, International Conventions, Constitution of a country etc. from where other laws or rules originate.

Not necessarily that a Constitution has always articles but no sections. Article is used to convey an impression that they are more elaborate and conventional in expression in olden times.In modern times most of the Act prefer to use 'Section',which is more simple and direct.

Illustration: Think of the ways a book is often broken down or divided into smaller portions. A single book may have a handful or more of chapters. Each chapter may have tens or hundreds of paragraphs. Each paragraph may have tens of lines. Each line may have several words. Each word has anywhere from one to tens of letters. One of the easiest books to use to illustrate this would be the bible; it can be divided by testament, book, chapter and verse.
Even more on point, think of the way an outline looks. At the top of the page and the furthest to the left is roman numeral I. With my outlines, I then use a capitalized A placed below and to the right of the Roman numeral I. Then, below and to the right of the A comes an Arabic 1. Then below and to the right comes a lower case a. Finally, lower case Roman numerals are used.
With regard to the Constitution of the United States of America, it can be broken down by article, then section, then paragraph, then clause. For example, if you wish to find the section that empowers the House of Representatives the sole power of impeachment, you would go to Article I, section 2, paragraph 5, clause 2.

Law / United States presidential election of 2012
« on: March 08, 2012, 04:00:46 PM »
The United States presidential election of 2012 is to be held on Tuesday, November 6, 2012. It will be the 57th quadrennial presidential election in which presidential electors, who will actually elect the President and the Vice President of the United States on December 17, 2012, will be chosen. Incumbent President Barack Obama is running for a second and final term during this election.
As specified in the Constitution, the 2012 presidential election will coincide with the United States Senate elections where one-third of the Senators will face re-election (33 this time), and the United States House of Representatives elections (which occurs every two years) to elect the members for the 113th Congress. Eleven gubernatorial elections and many elections for state legislatures will also take place at the same time.
In 2008, Barack Obama defeated Republican John McCain in the presidential election, while the Democrats had net gains in both chambers of the U.S. Congress, maintaining their majorities. The major theme during the 2008 campaign was the American public's general desire of change and reform from both Washington and the policies of outgoing Republican President George W. Bush, who was term limited out of office. The economy and other domestic policies were also dominant issues, especially during the last months of the campaign after the onset of the 2008 economic crisis.
During Obama's presidency, he signed two pieces of economic stimulus - the American Recovery and Reinvestment Act in February 2009 and the Tax Relief, Unemployment Insurance Reauthorization, and Job Creation Act of 2010 in December 2010. As President, Obama also signed the Patient Protection and Affordable Care Act, the Dodd–Frank Wall Street Reform and Consumer Protection Act, and the Don't Ask, Don't Tell Repeal Act of 2010. Obama signed New START, an arms control treaty with Russia, began to gradually withdraw troops from Iraq, began to increase troops in Afghanistan, and enforced the United Nations-sanctioned no-fly zone over Libya. And on May 1, 2011, President Obama ordered the military operation that resulted in the death of Osama bin Laden in Pakistan.
The Democrats did not fare as well in the 2010 midterm elections, suffering major defeats in many national and state level elections, with many seats switching to Republican control. The Republicans also recaptured the majority in the House of Representatives. Candidates and voters in 2010 focused on the worsening national economic conditions and the economic policies of the Obama Administration and Congressional Democrats. The passage of the controversial Patient Protection and Affordable Care Act also contributed to the low approval ratings of Congress, particularly Democrats, as well as concerns over tax rates and record deficits.The fiscally-focused and quasi-libertarian Tea Party movement became a vocal force in mobilizing voters in 2010 for Republican candidates nationwide.
Polling in 2011 found that Americans were still increasingly frustrated with the U.S. government as a whole, and the Republican Party shared in those high disapproval ratings. In particular, although the majority of Americans felt Obama did not have a successful plan to bring jobs, they trusted Congress even less to create them. The debt-ceiling crisis further eroded public support for Obama, and especially both congressional Republicans and the Tea Party movement.
The 2010 Census changed the Electoral College vote apportionment for the Presidential elections from 2012 to 2020 in the states listed below and mapped right.
States won by Democrats in 2000, 2004, and 2008
•   Illinois −1
•   Massachusetts −1
•   Michigan −1
•   New Jersey −1
•   New York −2
•   Pennsylvania −1
•   Washington +1   
States won by Republicans in 2000, 2004, and 2008
•   Arizona +1
•   Georgia +1
•   Louisiana −1
•   Missouri −1
•   South Carolina +1
•   Texas +4
•   Utah +1   Remaining states
•   Florida +2
•   Iowa −1
•   Nevada +1
•   Ohio −2
Eight states (Arizona, Florida, Georgia, Nevada, South Carolina, Texas, Utah and Washington) gained votes, due to reapportionment based on the 2010 Census. Similarly ten states (Illinois, Iowa, Louisiana, Massachusetts, Michigan, Missouri, New Jersey, New York, Ohio and Pennsylvania) lost votes.
In the political climate of 2011, this would give the Democratic Party a net loss of six electoral votes in states won by Al Gore, John Kerry and Barack Obama in the past three presidential elections, rendering the party a national total of 242. Conversely, the Republican Party will achieve a net gain of six electoral votes in states won by George W. Bush and John McCain in the past three presidential elections, rendering the GOP a national total of 181. Votes allocated to remaining states (i.e., those where the majority voted for both Democratic and Republican candidates during the last three presidential elections) remain unchanged from the national total of 115.
In 2011, several states enacted new laws that the Democratic Party attacked as attempts to improve the Republican Party's presidential prospects. Florida, Georgia, Ohio, Tennessee and West Virginia made their early voting periods shorter. Florida and Iowa barred all ex-felons from voting. Kansas, South Carolina, Tennessee, Texas and Wisconsin began requiring voters to identify themselves with government-issued IDs before they could cast their ballots. Barack Obama, the NAACP, and the Democratic Party fought against many of the new state laws, and Bill Clinton denounced it, saying, "There has never been in my lifetime, since we got rid of the poll tax and all the Jim Crow burdens on voting, the determined effort to limit the franchise that we see today".[14] He said the moves would effectively disenfranchise core voter blocs that trend liberal, college students, Blacks, and Latinos. Rolling Stone magazine criticized the American Legislative Exchange Council for lobbying in states to bring about these laws. The Obama campaign fought against the Ohio law, pushing for a petition and statewide referendum to repeal it in time for the 2012 election.
Pennsylvania proposed a new plan that would change its representation in the Electoral College from a winner-take-all model to a district-by-district model. The Governorship and both houses of its congress were Republican-controlled, and the move was seen as an affront to Obama's re-election.
Each party hosts candidates who go through a nomination process to determine the presidential nominee for that party. The nomination process consists of primaries and caucuses, held by the 50 states, Guam, Puerto Rico, Washington, D.C., U.S. Virgin Islands, American Samoa, and the Northern Mariana Islands. The winner of each of these primary elections usually receives delegates proportional to the percentage of the popular vote that candidate received in each states. In many Republican primaries, all the state's delegates are awarded to the winning candidate. In the Democratic Party, high-ranking party members known as super delegates each receive one vote in the convention. Whichever candidate has the majority of the delegates at the end of the primary elections is designated the presumptive nominee until he or she is formally nominated and endorsed for the presidency by his or her political party. This is done by the aforementioned delegates for each party at their respective party's national convention.

Pages: 1 ... 6 7 [8]