Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Anuz

Pages: 1 ... 38 39 [40] 41 42 ... 47
586
মিয়ানমারের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট থিন কিউ শপথ নিয়েছেন। ৫০ বছরের বেশি সময় পর মিয়ানমার প্রথম বেসামরিক প্রেসিডেন্ট পেল। আজ বুধবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশটির সাধারণ নির্বাচনে জয়ী ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) সমর্থিত প্রেসিডেন্ট থিন কিউয়ের হাতে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়। সেনা-সমর্থিত বিদায়ী প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনের কাছ থেকে ক্ষমতা নেন তিনি।
মিয়ানমারের গণতন্ত্রে ফেরার লক্ষ্যে থেইন সেইন তাঁর পাঁচ বছরের শাসনামলে বড় ধরনের সংস্কার-কার্যক্রম শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় দেশটিতে ক্ষমতার পালাবদল হলো।
এনএলডির জয়ের পর মিয়ানমারে বেসামরিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। আজ নতুন প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তা পূর্ণতা পেল।
গত বছরের নভেম্বরে মিয়ানমারে ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচন হয়। এতে এনএলডি বিপুল বিজয় অর্জন করে। কিন্তু দলটির নেত্রী অং সান সু চি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। তবে সু চির মনোনীত প্রার্থী থিন কিউ সহজেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
সু চির ঘনিষ্ঠ ও অনুগত হিসেবে নতুন প্রেসিডেন্টের পরিচিতি রয়েছে। তাই কার্যত দলের পাশাপাশি তিনিই দেশ চালাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। সু চি নিজেও তেমনটাই আভাস দিয়েছেন।

587
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ব্যাটসম্যানদের র‍্যাঙ্কিংয়ের ২০ তম স্থানে ছিলেন সাব্বির রহমান। বিশ্বকাপে তাঁর দারুণ পারফরম্যান্সে তিনি ৪ ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ১৬ তম স্থানে। বিশ্বকাপে ৭টি ম্যাচ খেলে ২৪.৫০ গড়ে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ১৪৭ রান। এই মুহূর্তে আইসিসির টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবার ওপরে আছেন সাব্বিরই।


সাব্বিরের রেটিং পয়েন্ট ৬৩২। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাঁর রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে ৫৮। ব্যাটসম্যানদের র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রথম ১০০ জনের মধ্যে আছেন সাকিব আল হাসান (২৭), তামিম ইকবাল (৩৫), মাহমুদউল্লাহ (৬১) ও মুশফিকুর রহিম (৭৩)।

588
Football / মেসির আরেকটি মাইলফলক
« on: March 30, 2016, 12:56:56 PM »
ম্যাচের তখনো মিনিট তিনেক বাকি। তিনি ঘেমে নেয়ে একশা। প্রতিটা মুহূর্ত নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার সাক্ষী হয়ে আছে ঘামে ভেজা জার্সি। বাহুতে ঢিলে হয়ে যাওয়া অধিনায়কের ব্যান্ডটা টেনে তুললেন। ​কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন বড় করে ‘সি’ লেখা ব্যান্ডটার দিকে। লিওনেল মেসি এমন ভালোবাসা নিয়ে তাকান শুধু আন্তোনেলা রোকুজ্জোর সঙ্গে। এমন স্নেহময় দৃষ্টি পায় কেবল তাঁর দুই সন্তান।


জাতীয় দলের হয়ে তাঁর শিরোপা না জেতা নিয়ে কম তো আর লেখা হলো না। এ যেন এক অমীমাংসিত রহস্য। জটিল এক ধাঁধা। পরপর দুই বছর বড় দুটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেও শিরোপা জিততে না পারার দায় পুরোটাই নিতে হয় তাঁকে। বাকিদের পুঞ্জীভূত ব্যর্থতার ভারও। বইতে হয় পুরো জাতির প্রত্যাশা। সে​ই ভার বয়ে নিতে নিতেই মেসি আজ একটা মাইলফলক ছুঁয়ে ফেললেন। জাতীয় দলের হয়ে ৫০তম গোল।

বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ২৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে করা গোলে ফিফটি করে ফেললেন অনেকের মতেই সর্বকালের সেরা এই ফুটবলার। দলও জিত​ল ২-০ গোলে। উঠে এল পয়েন্ট টেবিলের তিনে। সব মিলে মেসির জন্য দারুণ তৃপ্তির এক রাত গেল করদোবায়। আর্জেন্টিনার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটিও নিশ্বাস দূরত্বে। ৫৬ গোল নিয়ে সবার ওপরে বাতিস্তুতা। বাতিগোল অবশ্য ম্যাচ খেলেছিলেন ৭৮টি, সেখানে আজ ছিল মেসির ১০৭তম ম্যাচ। যদিও আর্জেন্টিনার হয়ে পুরোদস্তুর ফরোয়ার্ডের ভূমিকা মেসি খুব কমই পেয়েছেন।

এখন তো আরও বেশি করে গোলদাতার চেয়ে গোল-কারিগরের ভূমিকায়। তবে এবার শুরু থেকেই বাছাই পর্বে যেন অন্য এক মেসিকে দেখা যাচ্ছে। নেইমার-সুয়ারেজ আসার পর বার্সেলোনায় অনেকটা চাপ কমেছে তাঁর ওপর। সেই সুযোগে পাওয়া বাড়তি প্রাণশক্তিটা যেন আর্জেন্টিনাকেই দিচ্ছেন। ক্লাবের জার্সি গায়ে তাঁর সেই বিখ্যাত সলো রান, একাই বল নিয়ে টানা ড্রিবল করে এঁকেবেঁকে যাওয়ার দৃশ্যটা কমে এসেছে। কিন্তু চিলি ম্যাচের পর আজ বলিভিয়ার বিপক্ষে একাধিকবার দেখা গেল সেই শিল্পিত দৌড়।

আজ যেন মেসি একটু বেশিই উদ্দীপ্ত ছিলেন। বক্সে তিনবার হেড করার জন্য লাফিয়েছেন, এও তো মেসির জন্য বিরল। তিনটি দুর্দান্ত ফ্রি কিক। তিনটিতেই গোল হতে পারত। কিন্তু বাকি সব খেলোয়াড়ের তুলনায় ‘বেমানান’ অবিশ্বাস্য সেভগুলো করলেন বলিভিয়া গোলরক্ষক। না হলে হয়তো হ্যাটট্রিকটাও হয়ে যেত!

তা না হোক। মেসি এখন এসবের থোড়াই হিসেব করেন। হ্যাটট্রিক, জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড—এসবে তাঁর মোটেও আগ্রহ নেই। তাঁর আগ্রহের, আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রে আছে যেটি, সেই আরাধ্য ট্রফি জেতার সুযোগ আবারও এ বছর পাচ্ছেন। ২০১৬ কোপা আমেরিকায়। আর ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপ তো আছেই।

দেখা যাক এবার...।

589
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোতে ৬টি নতুন বিভাগ চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে একাডেমিক কাউন্সিলের ৮৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

কলেজ পর্যায়ের বিষয়গুলো হলো- ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ, মিউজিক, অ্যারোনটিক্যাল অ্যান্ড অ্যাভিয়েশন সায়েন্স এবং অ্যাভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট এ ৫টি বিষয়ে অনার্স এবং থিয়েটার স্টাডিজে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা। একাডেমিক কাউন্সিলে বিষয়গুলো সর্ম্পকিত রেগুলেশনস ও সিলেবাস অনুমোদন করা হয়।

একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় অটিস্টিক শিক্ষার্থীদের বিশেষ অবস্থা বিবেচনা করে তাদের জন্য পরীক্ষার নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত আরো সময় বরাদ্দের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

চাহিদা অনুযায়ী আরো বিভাগ চালু করার প্রয়োনীয়তা তুলে ধরে ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘আমাদের জাতীয় চাহিদা ও উন্নয়ন ভাবনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আরো নতুন নতুন বিভাগ ও বিষয় চালু করতে হবে, যাতে করে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার শেষে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন- প্রফেসর নোমান উর রশীদ, প্রফেসর আবু বক্কর ছিদ্দিক, প্রফেসর মাহফুজা খানম, প্রফেসর ড. মশিউর রহমান, প্রফেসর ফজলুল হক, প্রফেসর আবদুল মতিন, প্রফেসর স্বপন কুমার ঢালী, প্রফেসর খোন্দকার অলিউল ইসলাম, প্রফেসর ক্য থিং অং, প্রফেসর মো. আব্দুর রশীদ, প্রফেসর আবু হায়দার আহমেদ নাছের, প্রফেসর স ম ইমানুল হাকিম, প্রফেসর জাফর আহমদ, প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মোবাশ্বেরা খানম, ড. শামসুদ্দীন ইলিয়াস, ড. নাসির উদ্দিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জনাব বদরুজ্জামান ও রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন প্রমুখ।

590
আবেদনের শেষ সময়: ১৭ এপ্রিল ২০১৬।

পদের নাম: এসিসস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার

পদসংখ্যা: ৪৬৪টি

591

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ মধ্যরাত থেকে মূল পাতায় বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য ডুডলটি প্রকাশ করে গুগল। লাল-সবুজে গুগল লেখা এবং মধ্যে গোল বৃত্তে সেতুর ছবি ছিল তাতে। ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশিদের জন্য ডুডল প্রকাশ করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। সেও ছিল স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করেই।

ফেসবুকেও ছিল একই রকম আয়োজন। সব বাংলাদেশির নিউজফিডের শুরুতে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানানো হয়। বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের ছবি এবং তার নিচেই সব বাংলাদেশির সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বার্তা লেখা ছিল।

592
ম্যাচে নামার আগে দুই দল দুই রকম মেজাজে। সুপার টেনের তিন ম্যাচেই জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছিল উৎসবের মেজাজে। আফগানিস্তানের সেখানে চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা—কিছু একটা করে দেখাতে হবে! তিন ম্যাচেই হেরে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচটাতে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করতে চেয়েছিল আফগানরা। সেটাই করে দেখালেন নজিবউল্লাহ-হামজারা, নাগপুরে কাল রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে ক্যারিবীয়দের হারিয়ে দিয়েছেন ৬ রানে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের ছোট্ট ইতিহাসে এরই মধ্যে অনেক রূপকথার জন্ম দিয়েছে আফগানিস্তান। কিন্তু আফগান-রূপকথার সঙ্গে ক্রিকেট-বিশ্বকে পরিচয় করিয়ে দিতে, তাদের উন্নতির বার্তাটা আরও ছড়িয়ে দিতে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে কিছু করতে হতো। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কী দুর্দান্তভাবেই না সেটি করে দেখাল স্টানিকজাইয়ের দল!
পুঁজিটা খুব বড় ছিল না। গেইল নেই, কিন্তু ফ্লেচার-ব্রাভো-স্যামিদের সামনেও ১২৪ আর কোনো লক্ষ্য হলো! সেটিকেই কেমন ‘এভারেস্টসম’ বানিয়ে দিলেন আফগান বোলাররা, ক্যারিবীয়দের আটকে দিয়েছেন ১১৭ রানে। আমির হামজা সবচেয়ে বেশি ‘কিপ্টেমি’ করেছেন, ৪ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ৯ রান, উইকেট একটি। সঙ্গে অন্য বোলারদেরও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা দাঁড়িয়েছিল ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানদের। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে এসেছে মাত্র ৩৪ রান। এর মধ্যে আবার শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা আন্দ্রে ফ্লেচারও ব্যথা পেয়ে উঠে গেছেন।
চতুর্থ উইকেটে ৪১ রানের জুটি গড়ে দিনেশ রামদিন ও ডোয়াইন ব্রাভো চেষ্টা করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসকে পথে ফেরানোর। তবে দুজনই ব্যাট করেছেন ওয়ানডে গতিতে। তার চেয়েও বড় অপরাধ—থিতু হয়ে আউট হয়ে গেছেন। রামদিন করেছেন ২৪ বলে ১৮ রান, ব্রাভো ২৯ বলে ২৮। নবম ব্যাটসম্যান কার্লোস ব্রাফেটের ৮ বলে ১৩ রানের ইনিংসটা শেষ ওভারে শুধু রোমাঞ্চই ছড়িয়েছে, জয় আর এনে দিতে পারেনি।
এর আগে আফগানদের ব্যাটিংয়ে শুরুটা অবশ্য প্রত্যাশিত হয়নি। টুর্নামেন্টজুড়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা ওপেনার মোহাম্মদ শেহজাদের ২৪ রানের ইনিংসে প্রতিশ্রুতি ছিল, কিন্তু সেটিকে দুর্দান্ত কিছুতে পরিণতি দিতে পারেননি। ১৪ ওভার পর্যন্ত রান আসছিল ওভারপ্রতি চারের একটু ওপরে। শেষ পর্যন্ত আফগানদের ইনিংসে যে ১২৩ রান হয়েছে, তাতে সবচেয়ে বড় অবদান নজিবউল্লাহ জাদরানের। ৪০ বলে ৪৮ রানের জন্য ম্যাচসেরাও হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
নজিবউল্লাহর তৃপ্তি আরও বাড়বে এ কারণেই যে তাঁর ইনিংসেই এই প্রথম কোনো সত্যিকারের ‘বড়’ দলকে হারাল আফগানিস্তান। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ? দুর্দান্ত খেলছিল দলটি, সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের পর মেতেও উঠেছিল উৎসবে। সেটি একটু তেতো করে দিলেন আফগানরা।

593
*বাংলাদেশ দল নিয়ে কী ভাবছেন?
নেহরা: সবাই জানে বাংলাদেশ বেশ ভালো খেলছে। ওরা যেভাবে এগোচ্ছে, এটা আসলে বিশ্ব ক্রিকেটের জন্যই ভালো। এশিয়া কাপে আমাদের সঙ্গে ফাইনাল খেলেছিল ওরা। সেখানে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের মতো দলকে হারিয়েছে। তা ছাড়া এই সংস্করণের ক্রিকেটে কোনো দলকেই হালকাভাবে নেওয়া যায় না। ২-৩-৪ বছর ধরে বাংলাদেশ যেভাবে উন্নতি করছে, এককথায় অসাধারণ। বাংলাদেশকে হারাতে হলে আমাদের সামর্থ্যের পুরোটা মাঠে দেখাতে হবে।
*তাসকিন ও সানির নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ দলে কেমন প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন?
নেহরা: ২০ ওভারের ক্রিকেটে যেকোনো দলই যে কাউকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। এক-দুজন বোলার এখানে হয়তো খুব বেশি প্রভাব ফেলে না। অবশ্যই তাসকিন আহমেদ ওদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ একজন বোলার ছিল। কিন্তু একই সময়ে মুস্তাফিজুর রহমান ফিরে এসেছে। সাইড স্ট্রেইন থাকায় মাঝে ২-৩টি ম্যাচে ও খেলতে পারেনি। আল আমিন আছে। সব মিলিয়ে বোলিংয়ে গভীরতা অনেক। সাকিব আল হাসানও বেশ ভালো একজন অলরাউন্ডার। আমি মনে করি না এক-দুজন খেলোয়াড় না থাকায় ওদের দল দুর্বল হয়ে পড়েছে।

*অন্য বাঁহাতি পেসারদের তুলনায় মুস্তাফিজুরের বিশেষত্ব কী?
নেহরা: ও বেশ ভালো ফর্মে আছে, বিশেষ করে এই ফরম্যাটে। কী দুর্দান্ত স্লোয়ারই না করে! প্রকৃতিপ্রদত্ত স্লোয়ার বল করার ক্ষমতা ওর। বোলিং অ্যাকশনও বেশ ভালো। মুস্তাফিজের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল, বিশেষ করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে। আরেকটা ভালো দিক হচ্ছে, আইপিএলে ও আমার দলে। আমিও ওর কাছ থেকে অনেক সাহায্য পাব।
*বাংলাদেশের সেমিতে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন?

নেহরা: যেমন ফরম্যাট, তাতে টানা দুটি ম্যাচে হার অনেক কঠিন করে ফেলেছে বিষয়টিকে। সেমিফাইনালে উঠতে বাকি দুটি ম্যাচেই জিততে হবে ওদের। অন্য সমীকরণগুলোও মিলতে হবে। কিন্তু আগে যা বলছিলাম, শুধু আমি না, দলের কেউই বাংলাদেশকে হালকাভাবে নিচ্ছে না। সবাই দেখেছে গত ২-৩ বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেট কেমন উন্নতি করেছে। একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচেরই অপেক্ষা করছি।

594
ম্যাচের আগেই অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ বলেছিলেন, ‘ওদের ব্যাটিং তো ভয়ংকর, বিশেষ করে বিরাট কোহলি।’ ওদের মানে ভারত। সেই ভারতের ব্যাটিং নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্মিথ কেন আলাদা করে কোহলির নামটা বলেছিলেন, ম্যাচ শেষে মনে হয় তা বুঝে গেছেন সবাই। মোহালির আইএস বিন্দ্রা স্টেডিয়ামে কাল ভারত তো আসলে শুধু নামেই অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ ছিল। খেললেন তো কোহলিই। ৫১ বলে অপরাজিত ৮২ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। স্কোরকার্ড বলছে, ১৬০ রান করেও অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেটে হেরেছে ভারতের কাছে। কিন্তু আসলে তো হারটা কোহলির কাছেই!

কোহলির ব্যাটে ভর করে পাওয়া এই দুর্দান্ত জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও পৌঁছে গেছে ভারত। শেষ চারে ৩১ মার্চ মুম্বাইয়ে ধোনির দলের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
জিতলে সেমিফাইনাল, হারলে এখানেই শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পথচলা। কঠিন এই ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা হলো অবিশ্বাস্য রকমের ভালো। প্রথম ৪ ওভারেই ৫৩। শুরুর তাণ্ডবটা চালিয়েছেন মূলত উসমান খাজা। ১৬ বলে ২৬, প্রথম ২৪ রানই বাউন্ডারি থেকে! দলের ৫৪ রানে খাজা ফিরে যাওয়ার পর হঠাৎই নিজেদের গুটিয়ে নেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানরা। সে কারণেই ২২ বলে যেখানে প্রথম ৫০ হয়েছিল, সেখানে পরের ৫০ রান আসে ৫৬ বলে। ৭.৩ ওভারের পর টানা ৩১ বল কোনো বাউন্ডারি মারতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। অ্যারন ফিঞ্চ এক প্রান্ত থেকে চেষ্টা করছিলেন রানরেট বাড়ানোর। কিন্তু ৩৪ বলে ৪৩ রান করার পর তাঁকেও ফিরে যেতে হলো হার্দিক পান্ডিয়ার বলে শিখর ধাওয়ানকে ক্যাচ দিয়ে। শুরুটা যদি কালবৈশাখীর তাণ্ডব হয়, শেষটা স্রেফ দমকা বাতাস। সপ্তম উইকেটে শেন ওয়াটসন ও পিটার নেভিল জুটি ৫ বলে ১৫ তোলায় ৬ উইকেটে ১৬০ রানে শেষ হয় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।
তাড়া করতে নেমে ৪৯ রানেই ৩ উইকেট হারিয়েছিল ভারত। কিন্তু যুবরাজ সিংয়ের সঙ্গে ৪৫ রানের জুটি গড়ে সেই ধাক্কা সামাল দেন কোহলি। তখনো অবশ্য কোহলি বিধ্বংসী রূপে দেখা দেননি। দলের ৯৪ রানে যুবরাজ যখন আউট হন, কোহলি ৩০ বলে ৩৫ রানে ব্যাট করছেন। কিন্তু অধিনায়ক ধোনিকে সঙ্গী হিসেবে পেয়ে যেন ব্যাটটাও তলোয়ার হয়ে উঠল তাঁর। ধোনির সঙ্গে মাত্র ৩১ বলে ৬৭ রানের জুটি গড়লেন, যাতে কোহলির ব্যাট থেকেই এল ২১ বলে ৪৭ রান।

ফলাফল, যুবরাজ আউট হওয়ার পরও যে ম্যাচ দুদিকেই দুলছিল, সেটি ভারত জিতল ৫ বল হাতে রেখে!

595
ভারতীয় ক্রিকেটারদের লাফালাফি শেষে দুদলের খেলোয়াড়দের হাত মেলানো-টেলানো সারা। প্রায় সবাই বেরিয়ে গেছেন। সাকিব আর তামিম তখনো মাঠের মাঝখানে। সাকিব উত্তেজিতভাবে কিছু একটা যেন বললেন। তারপর দুজনই কোমরে হাত দিয়ে নিথর হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেন কিছুক্ষণ। তারপর শরীরটা টানতে টানতে ড্রেসিংরুমে ফেরা।
ফেরার সময় উল্টো দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকা হরভজন সিংয়ের দিকে চোখ পড়ল তামিমের। পিঠে টোকা দিয়ে তাঁর সঙ্গে হাত মেলালেন। হরভজন হাত ছাড়িয়ে জড়িয়ে ধরলেন তামিমকে। কিছুক্ষণ ধরেই থাকলেন।
এই ম্যাচে এত সব নাটক ছাপিয়ে ওই দৃশ্যটাই কি শেষ পর্যন্ত অমর ছবি হয়ে গেল! এমন এক ম্যাচ, যাতে আসলে বিজয়ের আনন্দে ভেসে যেতেও বিজয়ীর মনে বিজিতের জন্য একটু কষ্ট ছুঁয়ে যায়!
টি-টোয়েন্টি মানে নাটক। টি-টোয়েন্টি মানে শেষ ওভারের নখ কামড়ানো উত্তেজনা। এই বিশ্বকাপ তো তাহলে টি-টোয়েন্টি নামের ‘কলঙ্ক’! শেষ হওয়ার অনেক আগেই শেষ হয়ে যাচ্ছে ম্যাচের পর ম্যাচ। অবশেষে বেঙ্গালুরুর উন্মাতাল গ্যালারির সামনে টি-টোয়েন্টি দেখা দিল আপন মহিমায়। কিন্তু বাংলাদেশের জন্য এটা কি আর সেই বৃহত্তর ছবি দেখার ম্যাচ!
এই ম্যাচ হৃদয় ভেঙে দেওয়া এক দুঃখের নাম। হাতের মুঠোয় নিয়েও জয়টাকে ছুড়ে ফেলার ম্যাচ। এমনই অবিশ্বাস্যভাবে যে, দুঃখ শব্দটা এখানে ‘শোক’ হয়ে যেতে চায়। ২০১২ এশিয়া কাপের সেই ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২ রানে হারার পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মুশফিক-সাকিবরা। কাল কান্নাকাটি কিছু হয়ে থাকলে তা আড়ালেই হলো। সেই কান্না পিছু তাড়া করার কথা অনেক দিন। মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর শয়নে-স্বপনে নিশ্চিতভাবেই ফিরে ফিরে আসবে শেষ তিন বলের ওই দুঃস্বপ্ন।
শেষ ওভারে ১১ রান চাই। প্রথম তিন বলেই হয়ে গেল ৯। শেষ তিন বলে ২ রান, বাকি সব সমীকরণ মুছে দিয়ে ম্যাচ তখন একটা সম্ভাবনা নিয়েই দাঁড়িয়ে—বাংলাদেশই জিতছে। হার্দিক পান্ডিয়াকে পরপর দুটি চার মেরে সেই জয়ের আগাম উল্লাসটাও যেন করে ফেললেন মুশফিকুর রহিম!
তাতেই কি সর্বনাশটা হলো! আবেগের ঢেউ এলোমেলো করে দিল এমনিতে মুশফিকের নিষ্কম্প মনকে! একটা সিঙ্গেল নিলেই যেখানে স্কোর সমান হয়ে যায়, আসলে শেষ হয়ে যায় ম্যাচও—তিনি কিনা উড়িয়ে মারতে গেলেন। ডিপ মিড উইকেটে ওই ক্যাচটা আসলে দুঃস্বপ্নের সূচনা, কেই-বা তা ভাবতে পেরেছিল! বাংলাদেশই তো জিতছে! স্ট্রাইকে চলে গেছেন মাহমুদউল্লাহ। ২ বলে ২ রান তো হচ্ছেই। মুশফিকের ভুল কি আর মাহমুদউল্লাহ করবেন!
ফুল টস পেয়ে মাহমুদউল্লাহর যুক্তি-বুদ্ধিও সব গুলিয়ে গেল। মুশফিকের মতো তাঁরও একই পরিণতি। শেষ বলে রান আউটে ম্যাচটা ‘টাই’ও হলো না। ৩ বলে ২ রান চাই, আর সেই তিন বলেই তিন উইকেট! না, টি-টোয়েন্টি এমন কিছু আর দেখেছে বলে মনে হয় না।

596
কাল রাতটা বিছানায় এপাশ-ওপাশ করেই কাটিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট-প্রেমীরা। তীরে এসে তরি ডোবার দুঃখটা সবার কাছে কেমন ছিল সেটা নতুন করে বলার কিছু নেই। কিন্তু বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে যাঁরা দেশের হয়ে লড়ছিলেন, তাঁদের জন্য রাতটা কেমন ছিল, সেটা একবার ভাবুন। শেষ তিন বলে ঐতিহাসিক এক জয় হাতের মুঠো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার দুঃখবোধ তাদের কারওর চেয়েই কম ছিল না, বরং অনেক বেশিই ছিল।

মুশফিকুর রহিমের দারুণ দুটি বাউন্ডারি জয়ের বন্দরে প্রায় পৌঁছে দিয়েছিল বাংলাদেশকে। কিন্তু ক্ষণিকের ভুলে সেই মুশফিকই আউট হয়ে বিপদ ডেকে আনেন দলের জন্য। মুশফিক যে শটটি খেলতে চেয়েছিলেন নিজের খেলোয়াড়ি জীবনে এমন শট অনেকবারই খেলেছেন। কিন্তু কাল সত্যিকার অর্থেই ভাগ্য তাঁর সঙ্গে ছিল না। ভাগ্য সঙ্গে ছিল না মাহমুদউল্লাহরও। নয়তো অমন লোভনীয় ফুলটসটা তিনি সীমানা ছাড়া করতে পারলেন না কেন!
হৃদয় ভেঙে দেওয়া এই হারের পর থেকেই মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর ওই দুটো শট নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। বাংলাদেশ দলের অন্দরমহলেও চলছে বিশ্লেষণ, আত্মসমালোচনা। নিজের ফেসবুক পেজেও মুশফিকের আত্মোপলব্ধি, ‘এভাবে আউট হওয়া আমার উচিত হয়নি...।’ হারটাও নিজের কাঁধেই নিচ্ছেন দেশের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান, ‘হয়তো আমার জন্যই দল হেরে গেছে। সে ক্ষেত্রে দেশবাসীর কাছে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’
জয়ের এত কাছে এসেও ম্যাচটা হেরে যাওয়ায় দেশের মানুষের দুঃখটাও অনুভব করছেন মুশফিক, ‘আমি জানি গতকালের হারটি আপনাদের জন্য অনেক বেদনাদায়ক ছিল।’
সব শেষে মুশফিক সবাইকে মনে করিয়ে দিয়েছেন, দেশের প্রতি ক্রিকেটারদের দায়িত্ববোধের কথাও, ‘দলের সকলেই প্রতিটি ম্যাচে নিজেকে উজাড় করে দিয়ে খেলে তাই আমার ও দলের সবার জন্যই পরাজয়টা কষ্টকর ছিল।’

597
আগামী এপ্রিল মাস থেকে নতুন পদ্ধতিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ-প্রক্রিয়া শুরু হবে। নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হবে অনলাইনে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করতে মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের সঙ্গে চুক্তি করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। গতকাল রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিয়াসউদ্দিন আহমেদ ও এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান এ এম এম আজহার এই চুক্তিতে সই করেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, এখন থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে অনলাইনে এনটিআরসিএ বরাবর আবেদন করবেন। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলের মেধাতালিকার ভিত্তিতে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগ দেবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি কেবল নিয়োগপত্র ইস্যু করবে।
সম্প্রতি সরকার শিক্ষক নিয়োগে পরিচালনা কমিটির একচ্ছত্র ক্ষমতা খর্ব করে কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা নিয়ে মেধাতালিকা করে সেখান থেকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। এই প্রক্রিয়ায় এনটিআরসিএ প্রতিবছর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়ে চাহিদা অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক জাতীয়, বিভাগ, জেলা ও উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রম করে ফল ঘোষণা করবে। পরে এই মেধা তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হবে। নিয়োগের সময় প্রথমে উপজেলায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে জেলার তালিকা থেকে নিয়োগ করা হবে। তাতেও প্রার্থী না পাওয়া গেলে বিভাগীয় তালিকাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

598
দেশের প্রথম নিউরোসার্জন অধ্যাপক রশিদ উদ্দিন আহমদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান।রোববার (২০ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ শোকবাণী জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে তার শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।অধ্যাপক ডা. রশিদ উদ্দিন আহমদ শনিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটে মহাখালীর মেট্রোপলিটন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৯ বছর।এদিন সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে রশিদ উদ্দিন আহমদের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

599
Cricket / কাঁদলেন মাশরাফি!
« on: March 20, 2016, 03:35:38 PM »
বেঙ্গালুরু থেকে: সংবাদ সম্মেলন শেষে বের হয়ে অঝরে কাঁদলেন টাইগার দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির অন্যায় সিদ্ধান্তে স্কোয়াড থেকে ছিটকে পড়েছেন দুই প্রিয় সতীর্থ আরাফাত সানি ও তাসকিন আহমেদ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টেনের বাকি ম্যাচগুলোতে বাজির ঘোড়া তাসকি আহমেদ ও তুরুপের দুই আর‍াফাত সানিকে ছাড়াই খেলতে হবে মাশরাফি বাহিনীকে।

রোরবার (২০ মার্চ) বেঙ্গালুরুর চিন্বাস্বামী স্টেডিয়ামে ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলন যখন মাশরাফি এলেন তখনই তাকে দেখে বোঝা যাচ্ছিলা যে মানসিকভাবে কতটা বিমর্ষ হয়ে পড়েছেন টাইগার দলপতি।

তার চোখ বেয়ে যেকোন সময়ই ঝরে পড়বে অশ্রুধারা। শেষ পর্যন্ত হলোও তাই। সংবাদ সম্মেলনে অনেক কষ্টে চেপে রাখা কান্না ঝরলো বাইরে গিয়ে।

সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফিকে প্রশ্ন করা হয়, তাসকিন ও সানি না থাকাটা দলের জন্য কত বড় ধাক্কা? উত্তরে মাশরাফি বলেন, তাসকিন ও আরাফাত আইসিসি’র নিষেধাক্কায় দল থেকে ছিটকে পড়ায় আমরা সত্যিই বিমর্ষ। এটা টিম বাংলাদেশের জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। আইসিসির এমন সিদ্ধান্ত সত্যিই হতাশাজনক।

মাশরাফি একটি বিষয় কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না যে, তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন কীভাবে ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে! আরাফাত সানির বোলিং নিয়ে তার শঙ্কা থাকলেও টাইগার পেসার তাসকিনের বোলিং নিয়ে এতটুকু সন্দেহ পোষণ করছেন না খোদ নড়াইল এক্সপ্রেস।

‘হতে পারে আরাফাত সানির বোলিং ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু তাসকিনেরটা কোনভাবেই নয়’- মন্তব্য মাশরাফির।

টাইগার দলপতি আরও বলেন, ওদের দুই জন ছাড়া মাঠে নামলে আমরা অনেক কিছু মিস করবো। আমাদের ছন্দই যেন হারিয়ে গেল।

তাসকিন প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অধিনায়ক বলেন, ‘ওর প্রথম ওভারই আমাদের পরের ওভারগুলো ঠিক করে দেয় যে, আমরা কীভাবে পরের ওভারগুলোতে বল করবো।

এদিকে তাসকিনের বদলি হিসেবে দলে ডাক পেয়েছেন শুভাগত হোম আর আরাফাত সানির বদলি হিসেবে সাকলাইন সজীব।

তাসকিন ও সানির অবর্তমানে এই দুই টাইগার সদস্য অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কতটুকু ভালো করত পারবেন? গণমাধ্যম কর্মীদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন, নিঃসন্দেহে সাকলাইন ও শুভাগত ভালো, কিন্তু দেশ থেকে এসেই বিশ্বকাপের মতো এত বড় আসরে খেলা একটু কঠিনই হবে। তাছাড়া কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর ব্যাপার তো আছেই।

পেসার তাসকিন আহমেদ ও স্পিনার আরাফাত সানির নিষেধাজ্ঞার পর বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন সাকলাই সজীব ও শুভাগত হোম।

অন্যদিকে, আইসিসি’র খাম খেয়ালিপনায় দুই টাইগার বোলার ছিটকে যাওয়ায় ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সেরে না উঠলেও আগামী ম্যাচে বল হাতে নামতে হচ্ছে বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে।

পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সংবাদ সম্মলনে মাশরাফি জানালেন, ও (মুস্তাফিজ) যদি ২০ ভাগও ফিট থাকে তাহলে আগামী ম্যাচে ওকে মাঠে নামতে হবে। কেননা আমাদের আর কোন পথ খোলা নেই।

এদিকে আইসিসির এমন সিদ্ধান্তের অনেকটা মৌন প্রতিবাদ জানিয়ে, সংবাদ সম্মলনেই মাশরাফি বললেন, আমরা ন্যায় বিচার চাই।

উল্লেখ্য, গেল ৯ মার্চ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তাসকিন ও আরাফাত সানির বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মাঠের আম্পায়াররা। ১২ মার্চ আরাফাত সানি এবং ১৪ মার্চ চেন্নাইয়ে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন তাসকিন আহমেদ। ১৯ মার্চ তাদের বোলিং অ্যাকশনকে অবৈধ ঘোষণা করে আইসিসি।

600
Jokes / ফাইভের মধ্যে ফোর
« on: March 20, 2016, 03:24:45 PM »
প্রথম বন্ধু: ফাইভের মধ্যে ফোর লেখা কীভাবে সম্ভব?
দ্বিতীয় বন্ধু: জানি না। কীভাবে?
প্রথম বন্ধু: F(IV)E

Pages: 1 ... 38 39 [40] 41 42 ... 47