Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Anuz

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 124
46
Faculty Sections / Re: The Most Useful Websites on the Internet
« on: March 06, 2020, 11:14:20 PM »
Nice to know it.

48
I think it will be fruitful if anyone can manage.

50
Serious issue. Need to be careful.

51
নোংরা ব্যাংক নোট থেকে করোনা ভাইরাস ছড়াতে পারে বলে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ২০২০ সালের ৩ মার্চ সোমবার দিবাগত রাতে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাটির পক্ষ থেকে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে লোকজনের প্রতি নোটের বিকল্প ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিকল্প বলতে নোটের বদলে ‘কন্টাক্টলেস পেমেন্ট’-এর কথা বলা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন মুখপাত্র বলেছেন, সংক্রমণ এড়াতে লোকজনের উচিত যেখানে সম্ভব যোগাযোগহীন প্রযুক্তি বা কন্টাক্টলেস টেকনোলজি ব্যবহার করা।

ব্যাংক নোট স্পর্শ করার পর লোকজনকে হাত ধোয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। কেননা, এসব নোটে কয়েক দিন পর্যন্ত মানব দেহে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মতো উপাদান থাকতে পারে। যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক অব ইংল্যান্ড’ও নোটগুলো ‘ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস বহন করতে পারে’ বলে স্বীকার করেছে। তাদের তরফে লোকজনকে নিয়মিত হাত ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে দিনে দুই বার স্মার্টফোনের স্ক্রিন পরিষ্কারের অনুরোধ করা হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকের কার্ডগুলোও মুছে রাখার অনুরোধ জানিয়েছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। এতে করে কার্ডগুলোতে জমে থাকা জীবাণু মেরে ফেলা সহজ হবে।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত ব্যাংক নোটের জীবাণু নাশে উদ্যোগী হয়। আক্রান্ত রোগীদের আলাদা রাখার পাশাপাশি ব্যবহৃত ব্যাংক নোটগুলোও বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়। জীবাণু নাশের জন্য অতি বেগুনী আলো বা উচ্চ তাপমাত্রা ব্যবহার করে ১৪ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের পর এসব নোট ফের বাইরে ছাড়া হয়। ৩ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৬০টি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী এ ভাইরাস। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। চীনের পর সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। ইতালি ও ইরানের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। যুক্তরাষ্ট্রেও অন্তত ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। আর বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৮৬ হাজার মানুষ। আক্রান্ত ও মৃতদের বেশিরভাগই চীনের নাগরিক। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস গোটা বিশ্বে যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাসখানেক আগে তারা ঠিক এই আশঙ্কাই প্রকাশ করেছিল। তখন তারা জানিয়েছিল, অপেক্ষাকৃত গরিব দেশগুলিতে ভাইরাস ছড়িয়ে গেলে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। এখন দৃশ্যত পরিস্থিতি সেদিকেই মোড় নিচ্ছে। আর এটা ঠেকানো না গেলে সামনে অপেক্ষা করছে আরও বড় দুঃসময়!

এদিকে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন দেশে বদলে যেতে শুরু করেছে মানুষের অভিবাদন জানানোর অভ্যাস। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্কে কর্মস্থল, বাড়ি ও প্রার্থনার জায়গায় মানুষ করমর্দন, আলিঙ্গন ও গালে চুমু দেওয়ার মতো অভ্যাস বাদ দিচ্ছে। এর বদলে সরাসরি দৃষ্টি বা হাত দিয়ে ইশারায় অভিবাদন জানানো শুরু হয়েছে। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে মানুষকে করমর্দন না করতে বলা হচ্ছে। এ বিষয়ক একটি নির্দেশনায় বলা হচ্ছে, করমর্দনের বদলে নিজেদের দুই হাত একত্রিত করে অভিবাদন জানাতে। মাইক ও লাউড স্পিকারে বলা হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গং শো ভঙ্গি দেখিয়ে অভিবাদন জানানোর জন্য। এই রীতি অনুসারে, বিপরীত হাতে তালুতে মুষ্ঠি রাখা হয়।

ফ্রান্সে দৈনিক পত্রিকায় পাতায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বলা হচ্ছে গালে চুমু ও কাজে সাধারণ আনুষ্ঠানিকতা করকমর্দনের বদলে কীভাবে প্রতিদিন অভিবাদন জানানো যাবে। শিষ্টাচার বিশেষজ্ঞ ফিলিপ লিখটফুসের বক্তব্য গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হচ্ছে। তিনি বলছেন, করমর্দন মধ্যযুগে শুরু হওয়া অভিবাদনের ধরণ। সাধারণভাবে মানুষের চোখে তাকানোই অভিবাদনের জন্য তা যথেষ্ট। ব্রাজিলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাগরিকদের লাতিন আমেরিকার পানীয় পানের সময় ধাতব স্ট্র একে অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি না করার পরামর্শ দিয়েছেন। জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোর্স্ট সিহফার দেশটির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ম্যার্কেল করমর্দন করতে হাত বাড়ালে তিনি হেসে নিজের হাত দুটো নিজের কাছেই রাখেন। এ সময় চ্যান্সেলরও হেসে উঠেন। আসন গ্রহণের আগে ম্যার্কেল তার হাত আকাশের দিকে উঁচু করে নেন।

ইরানে করোনা ভাইরাসে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে সচেতনতামূলক একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এতে পাঁচ বন্ধুকে দেখা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে তিন জনের হাত পকেটে রাখা এবং দুই জনের মুখে মাস্ক পরা। তারা অভিবাদন জানাতে একে অন্যের পায়ে টুকাটুকি করছে। লেবাননেও এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা গেছে মুখে চুমুর ভঙ্গি করে সংগীতশিল্পী রাগেব আলামা ও কৌতুক অভিনেতা মাইকেল আবু স্লেইমান একে অন্যের পায়ে টুকাটুকি করছেন।

52
ডায়াবেটিস একটি ঘরোয়া রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন কারণে ডায়াবেটিকস হতে পারে। বয়স, লিঙ্গ, দৈহিক স্থূলতা, রোগের পারিবারিক ইতিহাস, শারীরিক শ্রম, খাদ্যাভ্যাস (বিশেষত চিনি খাওয়া) অন্যান্য সংশ্লিষ্ট রোগের উপস্থিতি, বর্ণ, ওষুধ সেবনসহ বিভিন্ন কারণে ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ‘হু’-এর মতে, ৬৫ শতাংশ মানুষই বুঝতে পারে না ডায়াবেটিসের উপসর্গ। আর তাতেই বাড়ে সমস্যা। দেরি করে রোগ নির্ণয় করলে রোগ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে।তবে চিকিৎসকদের মতে, সতর্কতাই এ ধরনের সমস্যা সমাধানের প্রধান উপায়। ডায়াবেটিস আক্রমণের আগে এর কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। এসব লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।

আসুন জেনে নিই যেসব লক্ষণে বুঝবে শরীরে ডায়াবেটিস বাসা বেঁধেছে-

১. রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়লে তাকে শরীর থেকে বার করে দেয়ার জন্য কিডনির ওপর চাপ পড়ে। তাই ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। আবার অতিরিক্ত প্রস্রাবের কারণে শরীরের পানি বেরিয়ে তেষ্টাও পায় প্রবল।

২. ডায়াবেটিস হলে শরীরের কোনো প্রদাহ সহজে শুকোতে চায় না। এমন হলে সচেতন হোন।

৩. চোখে ঝাপসা দেখলেও সচেতন হোন। ডায়াবেটিস প্রভাব পড়ে চোখেও পড়ে।

৪. অল্পতেই দুর্বল হয়ে পড়া। রক্তে শর্করা বাড়লে দুর্বল হয়ে পড়া খুব স্বাভাবিক। তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য শর্করা পরীক্ষা করে নিন।

৫. হঠাৎ অনেকটা ওজন কমে গেলে বা অত্যধিক বেড়ে গেলেও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করিয়ে রাখুন।

৬. হাত-পা কিংবা হাত-পায়ের কোনো আঙুল কি অবশ হয়ে পড়ছে? এমন হলে দ্রুত সতর্ক হোন। রক্তে শর্করা বাড়ার এটি অন্যতম লক্ষণ।

৭. শরীরের ঘা সহজে শুকোতে না চাইলেও সচেতন হোন।

53
বিশ্বের ৮০ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস (কভিড-১৯)। বিশ্বে করোনাভাইরাসে ৮০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আর তিন হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের টিকা এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। এই রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র পথ হচ্ছে জানা ও প্রতেরোধ করা। তবে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কাউকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত করা যায়নি। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস এখন একটি আতঙ্কের নাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জরুরি অবস্থা জারি করেছে। প্রাণঘাতী এই রোগ থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন বিষয় জানতে সবাই এখন গুগল সার্চ করছে। কিন্তু গুগলের তথ্যে অসংখ্যা ভুলের ছড়াছড়ি রয়েছে।
তাই এই সংকটময় সময়ে ইন্টারনেটে যে দশটি বিষয় লিখে সার্চ করবেন না।

আসুন জেনে নিই এমন ১০ বিষয় সম্পর্কে-

১. করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কোনো স্পেশাল মাস্ক নেই। তাই এ রকম বিজ্ঞাপন দেখলে এসব থেকে দূরে থাকুন।

২. করোনাভারাসের আকার এত ছোট যে এন৯৫ কিংবা সার্জিক্যাল মাস্ক যেটিই হোক– এর ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে। তাই অনলাইনে এ রকম বিষয় থেকে দূরে থাকুন।

৩. করোনাভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক নেই। তাই অনলাইন থেকে করোনা প্রতিষেধক এ রকম কোনো মেডিসিন ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।

৪. র্যা ন্ডমলি অনলাইনে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত কিছু সার্চ করবেন না।

৫. করোনাভাইরাসের এখনও কোনো ‘টেস্ট কিট’ বের হয়নি। তাই ভুয়া করোনাভাইরাস টেস্ট কিট থেকে দূরে থাকুন।

৬. হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা টিকটকসহ যে কোনো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরে বিশ্বাস করবেন না।

৭. করোনাভাইরাস সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে ইউটিউব থেকে পরামর্শ নেবেন না।

৮. করোনাভাইরাসের উপসর্গ কেমন হবে এ রকম কিওয়ার্ড দিয়ে অনলাইনে সার্চ করবেন না।

৯. যাচাই ছাড়া কোনো আর্টিক্যাল বা ভিডিও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। এ ছাড়া ফিশিং ইমেইলের ফাঁদে পা দেবেন না।

54
বাসে ট্রামে একটা লেখা প্রায়ই দেখা যায়, ‘‌গোপনে নেশা ছাড়ান’‌‌। আর ক’‌দিন বাদে যদি দেখেন লেখা আছে ‘‌গোপনে মোবাইলের নেশা ছাড়ান’‌, অবাক হবেন?‌ হবেন না প্লিজ। কারণ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মোবাইলের নেশা আসলে বেশ কিছু নিষিদ্ধ নেশার ওষুধের মতোই কাজ করে আমাদের শরীরে, মস্তিষ্কে। বুদ্ধ্যাঙ্ক বা ‘‌আইকিউ লেভেল’‌ নিয়ে কম বেশি কথা সকলেই বলি। সেই ‘‌আইকিউ লেভেল’‌–এ সরাসরি প্রভাব ফেলে এই মোবাইলের ব্যবহার। মোবাইলের আলোর জন্য আমাদের মস্তিষ্কের ধূসর থকথকে পদার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এই সমস্যা আরও ভয়ঙ্করভাবে দেখা দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে। সকালে চোখ খোলা থেকে রাতে ঘুমোতে যাওয়া অবধি বারবার আমরা এই যন্ত্রের দিকে মন দিই। রাস্তায় চলতে চলতে, কারও সঙ্গে কথা বলছি মুখোমুখি, খেতে বসে, টয়লেটে গিয়ে–‌কোনও সময়েই এই যন্ত্রটিকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারি না। মুঠোফোনে বিভোর আমরা।

গবেষণা করার সময়ে হেইডলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জার্মান গবেষক মোট ৪৮ জনের মস্তিষ্কের এমআরআই রিপোর্ট দেখেন। তাঁদের মধ্যে ২২ জন মোবাইল ফোনে আসক্ত ছিলেন। দেখা গিয়েছে, তাঁদের মস্তিষ্কের ধূসর থকথকে পদার্থের ঘনত্বে প্রভাব পড়েছে। সেই প্রভাব এতটাই যে, ওই ২২ জনের দৃষ্টিশক্তি, কথা বলা, আবেগ সবকিছুরই ক্ষমতা বাকিদের চেয়ে কমে গেছে।

আপনি কি জানেন কেন আপনি মোবাইল ফোন দেখলে খুশি হন?‌ কেন নোটিফিকেশন এলে বাকি সবকিছু ছেড়ে ওতেই মন দেন?‌ আপনি নেশার কোনও ওষুধ খেলে বা কোনও নেশা করলে সাধারণত আপনার স্নায়ু দ্রুত গতিতে চলে। যেটাকে অনেকেই চলতি কথায় বলেন, ‘‌হাই’‌ হয়ে গেছেন। এই ‘‌‌হাই’‌ হয়ে যাওয়া বা স্নায়ুর দ্রুত গতিতে চলা, এগুলো সবই কিন্তু হয় মোবাইলের নোটিফিকেশন থেকেও। কারণ এ সময় আপনার শরীর ডোপামিনের মতো হরমোন তৈরি করতে থাকে। সেটা আপনার স্নায়ুকে শিথিল করে দেয় অনেকটাই। নেশা করলে যেমন অনেক সময়েই আপনি কী বলছেন , কী করছেন সে খেয়াল থাকে না বা অনেকেরই সে জ্ঞানই চলে যায়, তেমনই এই মোবাইলের নেশাতেও অনেক সময়েই আপনি কোথায় আছেন, কী করছেন, কার সঙ্গে কথা বলছেন, দেখবেন সে খেয়াল থাকছে না আপনার। শুধু ঘাড় গুঁজে টুকটুক করে চলেন।

কিন্তু কিছু তো উপায় বের করতে হবে, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে।

বেশ কিছু মোবাইল কেনার সময়েই দেখবেন, তাতে ‘‌ইনবিল্ট’‌ কিছু ‘‌ফিচার’‌ থাকে, তাতে সারাদিনে কতটা ব্যবহার করলেন ফোনটি, সেটার হিসেব রাখতে পারবেন। চেষ্টা করাই যায় সেটার দিকে নজর রেখে ব্যবহারের সময়টা কমিয়ে দিতে।
‘‌সোশ্যাল মিডিয়া’‌–র ‘‌অ্যাপগুলো’‌–র বদলে কিছু সুস্থ অ্যাপ ডাউনলোড করে ফেলতে পারেন। ফলে নিজেকে ফিট রাখলে, রোজ হাঁটলে বা ক্যালোরি ঝরালে আপনারই ভালো লাগবে। শুধু ঘাড় গুঁজে বসে বসে মোবাইল ঘাঁটবেন না সেক্ষেত্রে আর। 
ফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিতে পারেন। খুবই কষ্ট হয়তো হবে প্রথম দিকে। কিন্তু খুব একটা সমস্যা হবে আর পরের দিকে।

ফোনের আলো বা ‘‌ব্রাইটনেস’‌ কমিয়ে দিতে পারেন। তাহলে আর অত বেশিবার ফোনের দিকে চোখ যাবে না। আপনার নেশা কাটাতে সুবিধাই হবে।

এতকিছুর পরেও যদি আপনার ফোনের আসক্তি না কমে, আপনি চাইলে এলাহাবাদে গিয়ে দেখতেই পারেন। কারণ সত্যিই সেখানে ইতিমধ্যেই মোবাইলের নেশা কাটানোর জন্য ‘‌রিহ্যাব’‌ খোলা হয়েছে চারটি হাসপাতালে।

58
Informative news. Nice to know.

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 124