Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Anuz

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 124
62
Wow..........great achievement.
Feeling proud to be a part of DIU and this achievement.
 :) :) :)

63
Oh......my God.
Serious issue.

66
Its a good practice at DIU. It creates better relationship between students and teacher and students are getting more facilities.

67
Research and Publication / Re: Scientific Method
« on: February 27, 2020, 12:38:39 AM »
Sir, thanks for sharing the latest information in our research activities. We want to know details from you.

68
ডায়াবেটিস রোগীদের ডায়েটের দিকে বেশি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কারণ, গ্লুকোজের মাত্রা ওঠানামা করার জন্য তাদের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সুতরাং, তাদের বুদ্ধি করে খাদ্য চয়ন করা উচিত যা, তাদের শরীরে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে, পর্যাপ্ত শক্তি প্রদান করতে এবং প্রদাহ হ্রাস করতে সহায়তা করে। মাশরুম হল সেই স্বাস্থ্যকর খাবারগুলির মধ্যে একটি যা, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হ্রাস করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। এনিয়ে একটি গবেষণা অনুযায়ী, হোয়াইট বাটন মাশরুম একটি প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে এবং অন্ত্রে ব্যাকটিরিয়ার গঠন পরিবর্তন করতে সহায়তা করে - যা লিভারে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করে। এই গবেষণাটি ইঁদুরের উপর পরিচালিত হয়েছিল এবং তাদের প্রতিদিন প্রায় ৩ আউন্স করে মাশরুম খাওয়ানো হত। এটি থেকে পাওয়া গেছে যে, মাশরুম প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে এবং প্রিভোটেলা নামক একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর ব্যাকটিরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে যা, সাকসিনেট এবং প্রোপিওনেটের মতো অ্যাসিড উৎপাদন করে। এই অ্যাসিডগুলি গ্লুকোজ উৎপাদনের জন্য দায়ী জিনকে পরিবর্তন করতে সহায়তা করে। যাইহোক, এনিয়ে আরও গবেষণা চলছে।

ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে মাশরুমের স্বাস্থ্য উপকারিতা
মাশরুম একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। এটি দিয়ে গ্রিল বা রোস্ট করা যেতে পারে। বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাশরুম পাওয়া যায় তবে, সাদা, পোর্টোবেলো মাশরুম বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস পরিচালনার জন্য বিবেচিত হয়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মাশরুম কেন অপরিহার্য বলে বিবেচিত হয়?তার কারণ এখানে দেওয়া হল-

১) শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে
মাশরুম সেলেনিউম্ সমৃদ্ধ যা, একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। যেমন আমরা জানি যে, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস শরীরে ইনসুলিন প্রতিরোধের কারণ হয়ে থাকে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের দিকে পরিচালিত করে। সুতরাং, মাশরুম গ্রহণ ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করে এবং রক্তের গ্লুকোজ হ্রাস করে পরিস্থিতি রোধ করতে সহায়তা করে।

২) পলিস্যাকারাইড

মাশরুমে পাওয়া এই সক্রিয় যৌগতে অ্যান্টি-ডায়াবেটিক প্রভাব রয়েছে। এটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস প্রতিরোধ করে এর জটিলতাগুলি হ্রাস করে।

৩) লো কার্ব ৪
মাশরুমে ক্যালোরি কম এবং দ্রবণীয় ফাইবার (বিটা-গ্লুক্যান) বেশি থাকে। এটি সেরা স্বাস্থ্যকর খাবার যা, যেকোনও খাবারের সাথে খাওয়া যেতে পারে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মাশরুম স্যুপ রেসিপি
উপকরণ
ক) ২০০ গ্রাম বাটন মাশরুম
খ) ২ কাপ জল
গ) স্বাদমতো নুন
ঘ) ১ কাপ কম ফ্যাটযুক্ত দুধ
ঙ) ২ টেবিল চামচ গমের আটা
চ) ১০ গ্রাম মাখন / অলিভ অয়েল বা পছন্দসই তেল
ছ) ২-৩ পিস কাটা পেঁয়াজ

পদ্ধতি

ক) মাশরুমগুলি ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন এবং কেটে নিন।
খ) একটি গরম প্যানে, মাখন, পেঁয়াজ এবং মাশরুম দিন।
গ) ১ মিনিট ভালভাবে মিশ্রিত করুন।
ঘ) জল এবং গমের আটা দিন এবং মিশ্রণটি ৫-৬ মিনিট ফোটান।
ঙ) এরপর, মিশ্রণটি সরান এবং পুরোপুরি ঠান্ডা করুন।
চ) দুধের সাথে মাশরুম ভালভাবে ব্লেন্ড করুন, যতক্ষণ না পর্যন্ত মিহি হয়।
ছ) একই প্যানে মিশ্রণটি ঢালুন, লবণ এবং ১ কাপ জল দিন এবং এটি ৩-৪ মিনিট হতে দিন।
জ) মিশ্রণটি নাড়তে থাকুন।
ঝ) এরপর, গরম গরম স্যুপ পরিবেশন করুন।

69
Smart city, smart life.

70
Important. Thanks for sharing.

72
ohh.........very sad

74
Informative one........

75
কলার মোচা কমবেশি আমরা সবাই খেয়েছি। তবে এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমাদের অনেকের জানা নেই। অনেক রোগের ওষুধ এই কলার মোচা। কলার মোচা ভর্তা মুখরোচক একটি খাবার। ফল হিসেবে কলার যেমন পুষ্টিগুণ রয়েছে, তেমনি কলার মোচাতেও রয়েছে নানান পুষ্টিগুণ। পুষ্টিবিষয়ক একটি প্রতিবেদন থেকে কলার ফুল বা মোচার ঔষধি গুণের কথা জানা গেছে।

১. কলাতে যেসব পুষ্টি উপাদান থাকে, তার সবই আছে কলার মোচায়। পাশাপাশি মোচাতে আরও থাকে মেন্থলের নির্যাস, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট । এ ছাড়া এটি ভিটামিন বি সিক্স, সি ও আঁশ সমৃদ্ধ। আরও আছে ভিটামিন ই, প্রোটিন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান, যা শরীরের জন্য উপকারী।

২. কলার ফুল রজঃকালীন ব্যথা কমায় এবং প্রোজেস্টেরন উৎপাদন বৃদ্ধি করে রক্ত স্বল্পতা হ্রাস করে।

৩. কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফোলা ভাব এবং ‘পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম (পিসিওএস) নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৪. এতে আছে ম্যাগনেশিয়াম যা উদ্বেগ ও হতাশা কমায়। মন ভালো রাখে।

৫. কলার মোচায় আছে ফেনলিক অ্যাসিড এবং অন্যান্য ‘বায়োঅ্যাক্টিভ’, যা রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৬. কলার ফুল বা মোচায় রয়েছে প্রাকৃতিক ‘গ্যালাক্টাগাগ’ যা স্তন্যদানকারী মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করে।

৭. মোচায় রয়েছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই কলার মোচা অকালে বৃদ্ধ হওয়া ও বয়সের ছাপ পড়া ধীর করে ও বলিরেখা কমায়।

৮. কলার মোচায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উন্মুক্ত ‘রেডিকল’য়ের বিরুদ্ধে কাজ করে। জারণ ক্ষয় প্রতিহত করে, হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 124