Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - yousuf miah

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 12
31
Pain / Polyurethane may be from chikungunya!
« on: July 03, 2017, 02:07:51 PM »
প্রায় প্রতিদিনই আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীদের চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে এখন এবং এর পাশাপাশি এটাও শোনা যাচ্ছে যে, যারাই আক্রান্ত হয়েছেন তাদের জয়েন্টের তীব্র ব্যথার কারণে তারা হাতের আঙ্গুল নাড়াতে পারছেন না বা সোজা হয়ে হাঁটতেও পারছেন না। এর কারণ হচ্ছে চিকুনগুনিয়ার সাথে সাথে আরেকটি নতুন রোগ তৈরি হয় শরীরে, আর তা হল পলিআরথ্রাইটিস! আজকের ফিচারে আমরা পলি আরথ্রাইটিস সম্পর্কে জানবো।

চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত রোগ। যা হয়ে থাকে আলফা ভাইরাস এর গণ সিঙ্গেল স্ট্রেন্ডেড আরএনএ ভাইরাস দ্বারা। মশার কামড়ের দ্বারা মানুষ এই (CHIKV) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। তানজানিয়ার দক্ষিণ প্রদেশে (মেকন্ডি প্লাটোতে) এই রোগের প্রাদুর্ভাবের সময় ১৯৫২-১৯৫৩ সালে  এই ভাইরাসটিকে প্রথম একজন রোগীর সিরাম থেকে পৃথক করা হয়। মেকন্ডির জনগণ এর ভাষা হচ্ছে বান্টু ভাষা। বান্টু ভাষায় চিকুনগুনিয়ার অর্থ ‘যা নুয়ে বা বাঁকা হয়ে আসে’। চিকুনগুনিয়া হলে জয়েন্টে ব্যথা হয় বলে মানুষকে বাঁকা হয়ে হাঁটতে দেখা যায়। দীর্ঘমেয়াদী জয়েন্টের ব্যথা ইনফ্লামেটরি আরথ্রাইটিসের লক্ষণ। যখন ৫ বা তার চেয়েও বেশি জয়েন্ট আরথ্রাইটিসে আক্রান্ত হয় তখন তাকে পলিআরথ্রাইটিস বলে। যেহেতু পলি আরথ্রাইটিস হওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকে তাই ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে লক্ষণেরও ভিন্নতা দেখা যায়।

পলিআরথ্রাইটিস তীব্রভাবে হয় বা দীর্ঘমেয়াদে থাকতে পারে, ৬ মাসের বেশি সময় এটি থাকতে  পারে। অনেক ভাইরাসজনিত সংক্রমণের কারণেই হতে পারে পলিআরথ্রাইটিস। নির্দিষ্ট ধরণের অটোইমিউন ডিজিজ যেমন- রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস, লুপাস বা সিজোগ্রিন সিন্ড্রোমকে প্রকাশ করে এটি।  সাধারণত এটি ভালো হয়ে যায় এবং পুনরায় হয় না। পলি আরথ্রাইটিস হওয়ার কারণগুলো হচ্ছে – ক্যান্সার, স্টিলস ডিজিজ, গেটে বাত, সারকয়ডোসিস, হুইপলস ডিজিজ, লুপাস, চিকুনগুনিয়া, রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস, রোজ রিভার ভাইরাস, পারভোভাইরাস ইত্যাদি।

পলিআরথ্রাইটিস শনাক্ত করার উপায়

যদি আপনার জয়েন্টে ব্যথা হওয়ার পাশাপাশি ফুলেও যায় তাহলে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন। যদি আপনার শরীরের অন্তত ৫ টি জয়েন্টে আরথ্রাইটিসের লক্ষণ দেখা যায় তাহলে চিকিৎসক একে পলিআরথ্রাইটিস হিসেবেই চিহ্নিত করবেন। তিনি আপনার শারীরিক পরীক্ষা করে দেখবেন এবং আপনার চিকিৎসার ইতিহাসও জানতে চাইবেন। তিনি রক্ত পরীক্ষা করতে বলবেন এবং জয়েন্টের এক্সরে বা আল্ট্রাসাউন্ড ও করতে দিতে পারেন। তিনি আপনার প্রতিসম ও অপ্রতিসম ব্যথার ধরন জানতে চাইবেন ও লক্ষ্য করবেন। যদি শরীরের উভয় পাশেই আরথ্রাইটিসের লক্ষণ দেখা যায় তাহলে তাকে প্রতিসম ব্যথা বলে যেমন- রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিসের ক্ষেত্রে উভয় হাতে ব্যথা হতে পারে। সোরিয়াটিক আরথ্রাইটিসের ক্ষেত্রে অপ্রতিসম লক্ষণ প্রকাশ পায় যেমন – তাদের এক হাঁটুতে ব্যথা হতে দেখা যায়। এছাড়াও আপনার শরীরে কোন র‍্যাশ আছে কিনা, ত্বকে কোন দানা আছে কিনা, গলা ব্যথা আছে কিনা, লিম্ফনোড ফুলে গেছে কিনা, শরীরের নীচের অংশে ফুলে গেছে কিনা এগুলো জিজ্ঞেস করবেন। এই লক্ষণগুলো চিকুনগুনিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায়।

কীভাবে নিরাময় লাভ করা যায় পলিআরথ্রাইটিস থেকে

ইনফ্লামেশন ও উপসর্গ কমানো পলিআরথ্রাইটিসের চিকিৎসার অন্তর্গত। ব্যথা কমানোর জন্য চিকিৎসক ননস্টেরয়ডাল অ্যান্টিইনফ্লামেটরি ড্রাগ, করটিকোস্টেরয়েড ঔষধ,  হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন, ডিজিজ মডিফাইং অ্যান্টিরিউমেটিক ড্রাগ, অ্যান্টি টিএনএফ ড্রাগ গ্রহণের নির্দেশনা দিতে পারেন।

ঘরোয়া প্রতিকার

পলিআরথ্রাইটিসের লক্ষণগুলোর নিরাময়ে সাহায্য করতে পারে স্ট্রেচিং, সাঁতার কাটা বা অন্য কোন ব্যায়াম। উষ্ণ জলে গোসল করা এবং উষ্ণ ভাপ নেয়া আরথ্রাইটিসের ব্যথা মোকাবেলা করতে সাহায্য করে।

সূত্র: দ্যা রিউমাটোলজিস্ট ও হেলথ লাইন

32
Eyes / The 7 scenes that cool the eyes
« on: June 17, 2017, 11:08:26 AM »
আমাদের শহুরে জীবনে চারদিকেই অস্থিরতা ও ব্যস্ততা। তাই মন হয়ে ওঠে অস্থির, চোখ  হয়ে পড়ে ক্লান্ত। কিছু দৃশ্য চোখকে শীতল করতে পারে এবং মেজাজ ভালো করে দিতে পারে  মুহূর্তেই। হ্যাঁ, মন ভালো করে দেয়ার মত এমন কিছু দৃশ্যের কথাই জানবো এবং ছবি দেখবো আজকের ফিচারে।

১। সূর্যাস্ত

দিনের সবচেয়ে শান্তিকর দৃশ্য সূর্য অস্ত যাওয়ার দৃশ্য। এই দৃশ্যটির সাথে দেখা যায় পাখিদের নীড়ে  ফেরা এবং ব্যস্ততম একটি দিনের পরিসমাপ্তি। তাই চেষ্টা করুন সূর্য অস্ত যাওয়ার দৃশ্য উপভোগ করার।

২। পানি

সবচেয়ে শীতল অনুভূতি দিতে পারে পানির দৃশ্য। এ কারণেই মানুষ বৃষ্টি ভালোবাসে। এই শহুরে জীবনে ঝর্ণার কাছে যাওয়া সম্ভব হয় না। ঘরে সাজিয়ে রাখার মত এমন অনেক কৃত্রিম ঝর্ণা পাওয়া যায়। সে রকম একটি ঝর্ণা রাখতে পারেন আপনার ঘরে।

৩। শিশুর হাসি

আপনি বাচ্চাদের পছন্দ করেন বা নাই করেন কিন্তু একটি শিশুর হাসি দেখলে অবশ্যই আপনার ভালো লাগবে। হাসি মুখের শিশুর ছবি রাখতে পারেন আপনার ঘরে।

৪। ফুল গাছ

সবুজ গাছপালা বিশেষ করে ফুলের গাছ মনকে প্রশান্ত করতে পারে। যদি আপনার বাড়িতে বাগান করার জায়গা না থাকে তাহলে টবে গাছ লাগাতে পারেন।

৫। মেঘের দৃশ্য

ছোট বেলায় মেঘের দৃশ্য আপনাকে কল্পনা প্রবণ করে তুলতো? তাহলে এখনো মেঘের দিকে তাকিয়ে দেখুনতো, মেঘের ভেলার দিকে তাকয়ে থাকতে থাকতে কখন যে আপনার অনেকটুকু সময় কেটে যাবে তা বুঝতেও পারবেন না।

৬। তারা

আকাশের তারা রোমান্টিক অনুভূতি দেয়ার পাশাপাশি আপনার চোখকেও শীতল করবে। মাঝে মাঝে রাতের আকাশের তারাদের দেখুন।

৭। অ্যাকুরিয়াম

হ্যাঁ অ্যাকুরিয়ামের ভেতরে রঙিন মাছেদের চলাচল দেখে আপনার মন স্থির হবে এবং স্ট্রেস কমবে। বাসায় রাখতে পারেন একটি ছোট অ্যাকুরিয়াম।

সূত্র: দ্যা হেলথ সাইট

33
Cold / Flu / Some ways to reduce the chikungunya sufferings
« on: June 17, 2017, 10:56:42 AM »
বর্তমানে অনেককেই চিকুনগুনিয়ায় ভুগতে দেখা যাচ্ছে। চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এডিস অ্যালবোপিক্টাস এবং এডিস ইজিপ্টি মশার মাধ্যমে ছড়ায় এই  রোগ।

ভাইরাসবাহী মশা কামড় দেয়ার ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ প্রকাশ পায়। লক্ষণ হিসেবে জ্বর, জয়েন্টে ব্যথা, জয়েন্ট ফুলে যাওয়া, মাথাব্যথা, পেশীতে ব্যথা, ত্বকে র‍্যাশ হওয়া, বমি এবং ক্লান্তি দেখা দেয়। এই সবগুলো লক্ষণের মধ্যে সবচেয়ে লক্ষণীয় এবং যন্ত্রণাদায়ক হচ্ছে জয়েন্টে ব্যথা হওয়া। এই ব্যথা একমাস পর্যন্ত থাকতে পারে। চিকুনগুনিয়ার লক্ষণগুলোকে বিশেষ করে জয়েন্টের ব্যথাকে কার্যকরীভাবে কমানো যায় কিছু ঘরোয়া উপাদানের মাধ্যমে। চলুন তাহলে জেনে নিই চিকুনগুনিয়ার ঘরোয়া প্রতিকারের বিষয়ে। 

১। ঠান্ডা চাপ

চিকুনগুনিয়ার কারণে সৃষ্ট জয়েন্টের ব্যথা এবং ইনফ্লামেশন কমানোর একটি ভালো উপায় হচ্ছে বরফের সেঁক দেয়া। ব্যথার স্থানে বরফ লাগালে সেখানে উপস্থিত স্নায়ুর প্রান্তে অবসতা সৃষ্টি হয় এবং ঐ স্থানের রক্ত চলাচল কমে যায়। এর ফলে ব্যথা এবং ফোলা কমে। কয়েকটি বরফের টুকরোকে ছোট করে চূর্ণ করে একটি পাতলা তোয়ালের মধ্যে পেঁচিয়ে নিয়ে ব্যথার স্থানে ৩ থেকে ৫ মিনিট রাখুন। দিনে কয়েক বার এর পুনরাবৃত্তি করুন।

২। ম্যাসাজ

চিকুনগুনিয়ার জয়েন্টের ব্যথা কমানোর আরেকটি সহজ উপায় হচ্ছে ম্যাসাজ করা। ম্যাসাজের ফলে পেশী রিলেক্স হবে এবং ফোলা ও শক্ত হয়ে যাওয়া কমবে। এর জন্য অলিভ অয়েল,  নারিকেল তেল, তিলের তেল বা সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। তেল সামান্য গরম করে ব্যথার স্থানে মাখিয়ে আলতো চাপ দিয়ে ম্যাসাজ করতে থাকুন। দিনে কয়েকবার এটি করতে  পারেন।

৩। হলুদ

চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ দূর করার আরেকটি উপায় হছে হলুদের ব্যবহার। হলুদের কারকিউমিন শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিইনফ্লামেটরি এজেন্ট যা ব্যথা মোকাবেলা করতে সাহায্য করে। ১ গ্লাস দুধে আধা চামচ হলুদ মিশিয়ে পান করতে পারেন।

৪। ডাবের পানি

চিকুনগুনিয়ায় ভুগলে শরীর দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ডাবের পানি কার্বোহাইড্রেটের ভালো উৎস, তাই এটি আপনার এনার্জি বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। এছাড়াও যকৃতকে ডিটক্সিফাই করার মাধ্যমে চিকুনগুনিয়া থেকে নিরাময় লাভ করতে সাহায্য করবে ডাবের পানি। ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধেও সাহায্য করবে ডাবের পানি। দিনে ৩ থেকে ৪ বার ডাবের পানি পান করুন।

৫। বিশ্রাম

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের মতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিলে এই ভাইরাস জনিত সমস্যা দ্রুত আরোগ্য লাভ করা যায়, ইনফ্লামেশন ও ব্যথা কমে এবং শরীর পর্যাপ্ত সময় পায় নিরাময়ের জন্য।

সূত্র: টপ টেন হোম রেমেডি

34
Life Style / Do not know where you should head?
« on: June 13, 2017, 12:12:46 PM »
মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া বা অনিদ্রাজনিত সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। এর পিছনে কিন্তু থাকতে পারে ভুল দিকে শোওয়ার অভ্যাস। না, কোনও কুসংস্কার নয়, এর পিছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ।

আমাদের পৃথিবী একটা আস্ত ম্যাগনেটিক ফিল্ড, সেকথা আমরা জানি। আর সেটাই এক্ষেত্রে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এই চুম্বকের প্রভাব পড়তে পারে আমাদের শরীরের রক্ত চলাচলে। বলা হয়, ৫-৬ ঘণ্টা যদি উত্তর দিকে মাথা করে শুয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে আপনার মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে মস্তিষ্কে ক্ষতি হতে পারে। অকারণে অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহের ফলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যহত হতে পারে। ব্রেন ড্যামেজের সম্ভাবনা তৈরি হয়। এই রক্তপ্রবাহের জন্যই মাঝরাতে জেগে যেতে পারেন আপনি।

আসলে, উত্তর দিকে মাথা করে শুলে পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ডের সঙ্গে একই সারিতে থাকে আমাদের শরীর। যদিও পশ্চিমি দেশে চিকিৎসকেরা এই থিওরিতে বিশ্বাস করেন না, তবে তাঁরাও বলেন, এইভাবে শোওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

নতুন বার্তা/এমআর             

35
Fruit / For 8 reasons, eat pineapple iftar in Ramadan
« on: June 07, 2017, 10:01:14 AM »
এই গরম আর লম্বা দিনে ইফতারে চাই পুষ্টি ও স্বাস্থ্যকর খাবার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইফতারে ভাজাপোড়া কমিয়ে বেশি বেশি ফল রাখাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

তাই রমজান মাসজুড়ে পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হবে বিভিন্ন ফলের পুষ্টিগুণ। আজ জানুন রসালো আনারস সম্পর্কে। এটা যে কেবল জ্বরের পথ্য তাই নয়, ইফতারেও জোগাতে পারে প্রচুর ভিটামিন আর খনিজ।
এবার জেনে নিন, যে কারণে ইফতারিতে আনারস খাবেন:-
১. আরথ্রাইটিস সামলাতে :

পুরনো আমল থেকেই হাড়ের সংযোগস্থল ও পেশির যন্ত্রণা উপশমে আনারস খাওয়ার প্রচল রয়েছে। বিশেষ করে আরথ্রাইটিসের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের ব্যাপক উপকার মিলবে আনারসে।

এতে আছে এক বিরল প্রোটেওলিটিক উৎসেচক, যার নাম ব্রোমেলাইন। জটিল প্রোটিনগুলোকে ভাঙতে প্রাথমিক সহায়তা দেয় এই এনজাইম। বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রমাণ মিলেছে, প্রদাহ নিরাময় ও আরথ্রাইটিসে দেখভালের কাজ করে ব্রোমেলাইন।
২. রোগ প্রতিরোধ :

এক বসায় আপনি যতটুকু আনারস খেতে পারবেন, তাতে প্রতিদিনের প্রয়োজন মিটিয়েও ৩০ শতাংশ বাড়তি ভিটামিন সি মিলবে। অ্যাসকর্বিক এসিডের অন্যতম সেরা উৎস হিসাবে বিবেচিত হয় আনারস।

এর ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বাড়ায়। রক্তের শ্বেত কণিকার কার্যক্রম ত্বরাণ্বিত করে। আনারসে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে দারুণ কাজের।
৩. টিস্যু ও কোষের স্বাস্থ্য :

ভিটামিন সি এর সাধারণ এক বৈশিষ্ট্য হলো কোলাজেন তৈরিতে ভূমিকা রাখা। আনারস এ কাজে খুব ভালো। রক্তবাহী শিরার অভ্যন্তরীন দেয়াল, ত্বক, প্রত্যঙ্গ এবং হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন এই কোলাজেন। আনারসের ভিটামিন সি অতি উচ্চমানের। ক্ষত সারাতে এটি খুব দ্রুত ক্রিয়াশীল হয়। যেকোনো সংক্রমণ ও অসুস্থতায় দেহের ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু ও কোষগুলোকে রক্ষায় শক্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
৪. ক্যান্সার ঠেকাতে :

আনারসে আরো আছে ভিটামিন এ, বেটা ক্যারোটিন, ব্রোমেলাইন, বিভিন্ন ধরনের ফ্লেভোনয়েড উপাদান এবং উচ্চমাত্রার ম্যাঙ্গানিজ। এসব উপাদান সুপারোজাইড ডিসমুটেস নামের এক শক্তিশালী উৎসেচক সৃষ্টির অংশ হয়ে ওঠে। ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদানকে দেহ থেকে বের করে দিতে তৎপর থাকে এটি।
৫. হজম :

অন্যান্য ফলের মতো আনারসও ভক্ষণোযোগ্য ফাইবারে পরিপূর্ণ। তবে আনারস অনন্য। খাওয়া যায় এবং খাওয়া যায় না- এই উভয় ধরনের ফাইবার রয়েছে আনারসে। কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, অস্বস্তিকর পেটের পীড়া, অ্যাথেরোসক্লেরোসিস কিংবা রক্ত জমাট বাঁধার মতো স্বাস্থ্যগত বিষয়ে এই ফল খুবই উপকারী।
৬. সর্দি ও জ্বর :

শ্বাসযন্ত্র ও সাইনাসে কফ ও মিউকাস তৈরিতে বাধা দেয় আনারসের ব্রোমেলাইন। এ কারণে সর্দি ও জ্বরের অতি জরুরি পথ্য হিসাবে বহুল প্রচলিত ফল এটি। কারো ঘরে জ্বর হয়েছে তো আনারস নিতে ভুল হয় না।
৭. হাড়ের স্বাস্থ্য :

ক্যালসিয়ামের ধারক হিসাবে আনারস নামকরা কিছু নয়। তবে এতে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ম্যাঙ্গানিজ। হাড়ের সুগঠনে এটি অতি জরুরি এক খনিজ। ক্ষতিগ্রস্ত হাড় মেরামতেও কার্যকর। আর ম্যাঙ্গানিজসমৃদ্ধ ফলের মধ্যে রীতিমতো বিখ্যাত আনারস।
৮. মুখের স্বাস্থ্য :

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ছাড়াও আনারসে রয়েছে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট এজেন্ট। এটি মাড়িকে শক্ত করে। দাঁতকে ধরে রাখে মাড়ির সঙ্গে। দাঁত ও চুল পড়ে যাওয়া কিংবা ত্বকের টান টান ভাব নষ্ট হওয়া ঠেকাতে বেশ কাজের এই অ্যাস্ট্রিনজেন্ট এজেন্ট। দাঁত পড়ে গেলে বা মাড়ির ব্যথা উপশমে আনারস এক অসাধারণ ফল।
Medical Advice BD

36
Food and Nutrition Science / Iftar nutritious fruit guavaa
« on: June 06, 2017, 09:43:18 AM »
স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রতিদিনের ইফতারে ফল রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ভাজাপোড়া এড়িয়ে বিভিন্ন ফলমুলের সাথে রাখতে পারেন পেয়ারা। গবেষণা বলছে, প্রতিদিন একটি মাত্র পেয়ারা খেলে আপনার নানা শারীরিক সমস্যা অতি সহজেই দূর হবে। কারণ এতে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ‘সি’ ও লাইকোপেন—যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। জেনে নিন পেয়ারার নানা পুষ্টিগুণ-

    পেয়ারার পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
    পেয়ারায় রয়েছে ভিটামিন এ। দিনে ১টি পেয়ারা খেলেও দৃষ্টিশক্তির উন্নতি সম্ভব।
    পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এতে হজমের সমস্যার সমাধান হয়। পেয়ারা রক্তের চিনির মাত্রা কমাতেও বিশেষভাবে কার্যকরী।
    পেয়ারার ভিটামিন সি চুল পড়া রোধে বিশেষভাবে কার্যকরী। এছাড়াও প্রতিদিন মাত্র ১টি পেয়ারা খেলে নতুন চুল গজাতেও সহায়তা করে।
    পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম যা অনেক কঠিন পরিশ্রমের পরেও মাংসপেশি শিথিল রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও নার্ভ রিলাক্স করে।
    পেয়ারার প্রায় ৮১% পানি। সুতরাং পেয়ারা খেলে দেহ পানি শূন্যতার হাত থেকে রক্ষা পায়, ত্বক সুস্থ থাকে। পেয়ারার ভিটামিন সি ত্বকের কোলাজেন টিস্যুর সুরক্ষাতেও কাজ করে। 
    পেয়ারা আমাদের মস্তিষ্ক সুরক্ষায় কাজ করে। পেয়ারার ভিটামিন মস্তিস্কের নার্ভ রিলাক্স করতে সহায়তা করে। এতে মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

37
Food Habit / What to do to eliminate fatigue in this period
« on: May 30, 2017, 10:08:23 AM »
কয়েক বছর ধরে রমজান মাসের দিনগুলো বেশ বড়। আমাদের দেশে এ সময়টায় এখন অনেক গরম পড়ে। গরমে বেশ কষ্ট হয় রোজাদারদের। তারপরও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে রোজাদাররা এই কষ্ট হাসিমুখে সহ্য করেন। রমজান মাসে রোজাদাররা ক্লান্তিতে বেশি ভোগেন।

অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকার কারণে সাধারণত ক্লান্তি ভাব চলে আসে। পানীয় পান কম করার কারণেও ক্লান্তি ভাব দেখা দেয়। ক্লান্তি ভাব আসাটা এ সময়ে স্বাভাবিক। বিশেষ করে রোজার শুরুর দিনগুলোতে এ সমস্যা বেশি হয়। কিছু পরামর্শ মেনে চললে ক্লান্তি ভাব কিছুটা কমানো যায়।

প্রথমে খাবারের বিষয়ে আসা যাক। অনেকে সেহরি না খেয়েই রোজা রাখেন। সেহরি খাওয়া সুন্নত। সেহরি খেলে শরীরে অনেকক্ষণ শক্তি থাকে, ক্লান্তি ভাব কম হয়। অনেকে রাতের মাঝামাঝি সেহরি খান। এটাও ঠিক নয়। সেহরি খেতে হবে একেবারে শেষ সময়ে। সেহরিতে খুব তেল, মসলাযুক্ত খাবার না খেয়ে হালকা খাবার খান। আঁশজাতীয় খাবার বেশি করে খান। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।

আমরা সাধারণত যেভাবে ইফতার করি, সেটিও ত্রুটিপূর্ণ। আমরা একবারে বসেই পেটভর্তি না হওয়া পর্যন্ত খেতে থাকি। এতে পেটে রক্ত চলাচল বেড়ে যায় এবং মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে যায়। তখন ক্লান্ত লাগে। এটা না করে প্রথমে হালকা কিছু দিয়ে ইফতার করে মাগরিবের নামাজ পড়ার পর বাকি খাবার খেলে ক্লান্তি ভাব কম লাগে। প্রথম ইফতারিতে খেজুর ও পানীয় বেশি করে পান করুন। মাগরিবের নামাজ পড়ে অন্যান্য খাবার খেতে পারেন।

ইফতারির পর থেকে যতক্ষণ জেগে থাকবেন, পানি পান করতে হবে এবং পানীয় জাতীয় খাবার বেশি করে খেতে হবে। এতে ক্লান্তি ভাব কমে যাবে।

অনেকে ইফতারি করার পরপর ঘুমিয়ে যান। এটা না করলে ভালো। এর পরিবর্তে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে পারেন। আবার অনেকে না ঘুমিয়ে একবারে সেহরির সময় খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান। এটাও করা যাবে না। অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।


ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

38
আজকাল হৃদরোগে একটি অতি পরিচিত সমস্যা যা থেকে নিস্তার পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে কোনও ব্যক্তির ‘সিভিয়ার মেন্টাল ইলনেস’ (এসএমআই) থাকলে তার হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে ৫৩% থেকে ৭৮% পর্যন্ত।

সম্প্রতি এমনই এক সমীক্ষার কথা জানিয়েছে লন্ডনের কিংগস কলেজ। ৩০ লাখেরএ বেশি মানুষ, কোনও না কোনও ভাবে মানসিক রোগাক্রান্ত, বলে জানিয়েছে এই প্রতিষ্ঠান। তাদের রিপোর্টে আরও বলা হয় যে, এই ধরনের মানুষের মৃত্যুর হারও সাধারণের তুলনায় বেশি। অর্থাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সাধারণ মানুষের তুলনায় প্রায় ৮৫% বেশি মানুষের মৃত্যু হয় যারা এসএমআই আক্রান্ত। 

লন্ডনের কিংগস কলেজের রিপোর্ট অনুযায়ী ‘সিভিয়ার মেন্টাল ইলনেস’-এর আওতায় পড়ে নীচের এই মানসিক ব্যাধিগুলি—
• স্কিৎজোফ্রেনিয়া
• বাইপোলার ডিসঅর্ডার
• ডিপ্রেশন
১৬টি দেশের ৯২জনকে নিয়ে পরীক্ষা চালায় কিংগস কলেজ। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও সুইডেন ছিল সেই তালিকায়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যে রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়, তাতে জানা যায় যে এসএমআই আক্রান্ত মানুষ ১০ থেকে ১৫ বছর কম বাঁচেন সাধারণ হৃদরোগাক্রান্তদের তুলনায় ।
২৪/এস কে

39
Ramadan and Fasting / Get ready for Ramadan now
« on: May 18, 2017, 09:38:03 AM »
রহমত বরকত মাগফেরাতের মাস রমজান। আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ এক নেয়ামত স্বরূপ বান্দার জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার এই মাহে রমজান। আর মাত্র ১০দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র রমজান মাসের রোজা। এ মাসেই মানুষ রোজা পালন ও ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জনে মশগুল থাকবে।

মুসলিম উম্মাহ দৈনন্দিন জীবনের আত্মকেন্দ্রীক যাবতীয় গুণাবলী অর্জন ও আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভ করতে দিনের বেলায় মাসব্যাপী রমজানের রোজা পালন এবং রাতে নামাজ ও আল্লাহ স্মরণে নিয়োজিত থাকে।

রোজা পালনের মাধ্যমে মানুষ শারীরিক ও আত্মিকভাবে পূতঃপবিত্র হয়ে ওঠে। তাই রমজানের আগেই মুসলিম উম্মাহকে চারিত্রিক ও নৈতিক উৎকর্ষ সাধনে প্রস্তুতি নেয়া জরুরি।

কুরআন নাজিলের মাস রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্যের আগমণী বার্তা মানুষের মাঝে সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, সভা-সমাবেশ তথা মসজিদের জুমআর বয়ানের মাধ্যমে পৌঁছে দেয়াও ঈমানি দায়িত্ব।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাস পাওয়ার আশায় দুই মাস আগে অর্থাৎ রজব মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন এবং এভাবে দোয়া করতেন যে, ‘হে আল্লাহ! আপনি রজব ও শাবান মাসে আমাদের বরকত দান করুন এবং আমাদেরকে রমজানে পৌঁছে দিন।’

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণে শাবান মাসের বেশি বেশি রোজা রাখতেন। অন্যদেরকেও রোজা রেখে নিজেদেরকে রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

রমজান মাস যেহেতু মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত বরকত এবং নাজাতের মাস। তাই রমাজনের আগেই দুনিয়ার যাবতীয় খারাবি থেকে নিজেকে তথা সমাজকে মুক্ত রাখা; রহমত বরকত মাগফেরাত ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা একান্ত জরুরি।

রমজানের প্রস্তুতিতে রোজার আগেই পেছনের কাজা নামাজ আদায় করে নেয়া। আগের ভাংতি রোজা থাকলে তা আদায় করে নেয়া এবং রমজানের ইবাদত-বন্দেগির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে পরিবারের যাবতীয় কাজসমূহকে গুছিয়ে নেয়াও জরুরি।

যারা ব্যবসা বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত রমজান মাসে অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি না করে সবার জন্য সহনশীল হওয়াও জরুরি। কেননা অতিরিক্ত মুনাফা লাভের রমজানের দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি করা রোজাদারের হক নষ্ট করার শামিল।

যারা তারাবিহ নামাজ খতমে কুরআনের মাধ্যমে আদায় করবেন; তাদেরকেও রমজানের আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। যেহেতু রোজার পর পরই ঈদ; তাই রমজানের পূর্বেই ঈদের কেনা-কাটারে কাজ সম্পন্ন করা ফেলা উত্তম। ফলে রমজানের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কেনা-কাটায় সময় নষ্ট হবে না।

যারা ইজতেমায়িভাবে ইফতারের আয়োজন করবেন তারাও রমজানের আগেও বাজার সদাইয়ের কাজের ব্যাপারে প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ফেলা উচিত।

হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, যখন রমজান সমাগত তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পবিত্র রমজানের ইবাদত-বন্দেগির জন্য প্রস্তুতি গ্রহণে কোমর বেঁধে লেগে যেতেন।

পরিশেষে...
সমাজের সর্বস্তরে রমজানকে বরণ করতে তথা রমজানের ব্যাপারে সচেতনা তৈরি করতে এবং রমজানের যথাযথ প্রস্তুতি নিতে বিশ্ব মুসলিমের নিকট রমজানের আগমনী বার্তা পৌছিয়ে দেয়া ঈমানের অপরিহার্য দাবি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজানের আগেই রোজা ও ইবাদত-বন্দেগি করে তাঁর নৈকট্য অর্জনের জন্য পরিপূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণের তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/জেআইএম

40
Security Organizations / Hack may be on your Gmail account!
« on: May 08, 2017, 09:57:32 AM »
অনাকাঙিক্ষত মেইলে সাড়া দিলেই হ্যাক হবে আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্ট। সারা বিশ্বে এমন ১০০ জনের জি-মেইল অ্যাকাউন্টে হামলা হয়েছে। ১০০ কোটি জি-মেইল অ্যাকাউন্টে হামলা হতে পারে, বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এমন খবর জানায়।

বুধবার দিনগত মধ্যরাত থেকে জি-মেইল ব্যবহারকীদের ইনবক্সে পৌঁছে যাচ্ছে একটি মেইল। যেখানে ব্যবহারকারীকে মেইল খুলে একটি গুগল ডকস ফাইল চেক করতে বলা হচ্ছে। মূলত এই গুগল ডকস ফাইলটিই  'ফিশিং অ্যাটাক'। ফাইলটি ওপেন করলেই হ্যাকারদের ফাঁদে আপনার পা দেওয়া হয়ে গেল।
 
গুগল ডকস ফাইলটি ক্লিক করলে খুলে যাবে একটি গুগল পেজ, যেখানে আপনার সব অ্যাকাউন্টের তালিকা রয়েছে। এবার যে কোনো একটি অ্যাকাউন্ট বেছে নিয়ে 'গুগল ডকস' বলে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে বলা হবে।
 
১০০ কোটি জি-মেইল অ্যাকাউন্টে হামলা
যা 'Allow'  অপশনে ক্লিক করলেই ছদ্মবেশী গুগল ডকস অ্যাপ আপনার ই-মেলের অ্যাকসেস পেয়ে যাবে। এতে খুব সহজেই ই-মেইলের সব তথ্য চলে যাবে সাইবার অপরাধীদের কাছে।
 
অবশ্য এ বিষয়ে গুগল কর্তৃপক্ষ এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, গুগল ডকসের মতো ফিশিং অ্যাটাকটি বন্ধ করতে কাজ চলছে। এ ধরনের মেইলে সাড়া না দিতে সবাইকে সাবধান করে দেওয়া হচ্ছে।

গো নিউজ:নিউজ ডেস্ক

41
Ramadan and Fasting / Sha'ban month's sacramental worship
« on: May 08, 2017, 09:44:59 AM »
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাবান মাসকে তাঁর নিজের মাস হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি শাবান মাসে রোজা পালনের অনেক গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণনা করেছেন। শাবান এমনই ফজিলতপূর্ণ মাস; যে মাসে আল্লাহ তাআলা তাঁর রহমত ও বরকতের মাধ্যমে বান্দার সব চাহিদা পূরণ করেন। আর যে ব্যক্তি এ মাসে প্রবেশ করবে, সে আল্লাহর রহমতের অন্তর্ভূক্ত হবে।

শাবান মাসের ইবাদাত-বন্দেগির মধ্যে রোজার গুরুত্ব বেশি হওয়ায় প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মাসে বেশি বেশি রোজা রাখতেন। শাবানের ০১ তারিখ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত রোজা পালনের বিশেষ ফজিলতের কথা বিভিন্ন হাদিসে ও উম্মাহুতুল মুমিনিনগণের বক্তব্যে পাওয়া যায়।

>> হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোজা রাখতে থাকতেন, যাতে আমরা বলতাম যে, তিনি (এ মাসে) আর রোজা ছাড়বেন না; আবার তিনি রোজা ভাঙ্গতে শুরু করতেন, যাতে আমরা বলতাম যে, তিনি (এ মাসে) আর রোজা রাখবেন না।

আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রমজান মাস ছাড়া আর কখনো পূর্ণ মাস রোজা রাখতে দেখিনি। আর তাঁকে শাবান মাস ব্যতিত কোনো মাসে এতো বেশি রোজা রাখতেও দেখিনি।

অপর বর্ণনায় এসেছে, তিনি (আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ শাবানের পূর্ণমাসই রোজা রাখতেন। তিনি শাবানের রোজা রাখতেন তবে অল্প কিছু দিন (রাখতেন না)। (বুখারি, মুসলিম, মুসনাদে আহমাদ, বাইহাকি, আবু দাউদ, মিশকাত)

>> হজরত উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদা আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ মাসে (শাবান) বেশি বেশি রোজা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করলাম। তিনি উত্তরে বললেন, ‘লোকেরা রজব ও রমজান এ দুই মাসের গুরুত্ব বেশি দেয় এবং রোজাও রাখে। কিন্তু মধ্যবর্তী এ মাসটিকে উপেক্ষা করে চলে। অথচ এ মাসেই বান্দার আমলসমূহ আল্লাহর দরবারে উপস্থিত করা হয়।

আর আমার কামনা হলো- আমার আমলসমূহ আল্লাহর দরবারে উপস্থাপন করার সময় আমি রোজা অবস্থায় থাকি। এ কারণেই আমি শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখি। (নাসাঈ, আবু দাউদ)

>> হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘১৫ শাবানের রাত (১৪ তারিখ দিবাগত রাত) যখন আসে, সে রাতে তোমরা তা ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাও এবং পরদিন রোজা রাখ।’ (ইবনে মাজাহ)

>> প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘শাবান হচ্ছে আমার মাস, যে কেউ এ মাসে আমাকে সাহায্য করবে আল্লাহ তাআলা তার ওপর বিশেষ রহমত ও বরকত নাজিল করবেন। আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহায্য করা বলতে তাঁর সুন্নতের ওপর আমল করাকেই বুঝান হয়েছে।

তিনি শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা পালনের পাশাপাশি ইসতেগফার ও দরুদ শরিফ পাঠের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘হিজরি বছরের তিনটি মাস তথা রজব, শাবান ও রমজান; এ তিনটি মাসেই অধিক ইস্তেগফার ও দরুদ শরিফ পাঠের সুপারিশ করা হয়েছে। অবশ্য তম্মধ্যে শাবান মাসের ওপর বেশি তাগিদ দেয়া হয়েছে।

পরিশেষে...

মুহাদ্দিসিনে কেরামদের একটি মতামত দিয়ে শেষ করতে চাই- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সম্মানিত স্ত্রীগণের মধ্য থেকে যাদের রমজানের রোজা ছুটে যেতো। সে রোজাগুলো তারা সারা বছর কাজা করার সুযোগ পেতেন না এবং শাবান মাসেই ভাংতি রোজাগুলো কাজা করতেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদের সঙ্গে রোজা রেখেই মাসটি অতিবাহিত করতেন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা পালন করে রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

 ধর্ম ডেস্ক :jagonews24

42
Food Habit / This will help to dispel the disappointment of the meal 8
« on: March 01, 2017, 10:30:58 AM »
তাশাকে নীরব ঘাতক বলা হয়। এটি আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি শরীরের ওপরে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এটি একটি মানসিক অবস্থা যা আমাদের মন খারাপ করে এবং প্রতিদিনের কাজে আগ্রহ হারায়। বিভিন্ন কারণে একজন মানুষ ডিপ্রেশন বা হতাশায় ভুগতে পারেন।  হতাশা এমন একটি জিনিস যা মানুষকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়।  লো বা হাই ব্লাড প্রেশার, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এমনকি ডায়াবেটিসও হতে পারে দীর্ঘদিন স্ট্রেস থাকার কারণে। তাই হতাশাকে বাড়তে না দিয়ে এটি প্রতিরোধ করা উচিত। কিছু খাবার আছে যা হতাশা কমাতে সাহায্য করে। 

১। টমেটো

হতাশা দূর করতে টমেটো বেশ কার্যকরী একটি খাবার। এর ফলিক অ্যাসিড এবং আলফা লিপোক অ্যাসিড হতাশা দূর করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা হতাশায় ভুগে থাকেন তাদের নিয়মিত টমেটো খাওয়া হতাশা দূর করতে সাহায্য করে।

২। কাজুবাদাম

কাজুবাদাম জিঙ্কের অন্যতম উৎস। এক আউন্স কাজুবাদামে ১১% আরডিএ (RDA) পরিমাণ জিঙ্ক রয়েছে। অর্থাৎ জিঙ্কের দৈনিক চাহিদার ১১ শতাংশ দিতে পারে এক আউন্স কাজুবাদাম। শরীরে জিঙ্কের অভাব দেখা দিলে হতাশা, উদ্বেগ দেখা দেয়। আমাদের শরীর জিঙ্ক সংরক্ষণ করে রাখে না, তাই প্রতিদিন অল্প পরিমাণের হলেও জিঙ্ক খাওয়া উচিত। এটি আমাদের দুশ্চিন্তা দূর করে মন ভাল করে দেয়।

৩। মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণ বিটা ক্যারটিন এবং ভিটামিন বি৬ রয়েছে যা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এটি হতাশা দূর করতেও বেশ কার্যকর।

৪। পেঁয়াজ এবং রসুন

অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সবজি ক্যান্সার প্রতিরোধ করার পাশাপাশি আপনার মুড পরিবর্তন করতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেঁয়াজ এবং রসুন রাখুন।

৫। অ্যাভাকাডো

অ্যাভাকাডো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন, ভিটামিন বি, সি,ই এবং কে রয়েছে যা রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

৬।  ডার্ক চকলেট

ডার্ক চকলেট মন ভালো করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। ডার্ক চকলেটে থাকা পলিফেনল মানসিক অবস্থা উন্নত করে। এছাড়া এটা রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে। খুব বেশি স্ট্রেস অথবা মন খারাপের সময় এক টুকরো ডার্ক চকলেট খান। আর দেখুন নিমিষে মন ভাল হয়ে গেছে।

৭। আপেল

মনোবিজ্ঞানী দূরে রাখতে চাইলে প্রতিদিন একটি করে আপেল খাওয়ার অভ্যাস করুন। বেরি, আপেলে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা সেলুলার স্তরে ইনফ্লামেশন মেরামত করে থাকে। দ্রবণীয় আঁশ হওয়ার এটি রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।  ছোটখাটো ক্ষুধা মেটাতে একটি আপেল খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৮। পালংশাক

উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ এই পালং শাক ক্লান্ত বিষণ্ণতা দূর করে থাকে। এছাড়া এই শাক ভিটামিন এ, বি, সি এবং আয়রনের চমৎকার উৎস। সেই সাথে এতে থাকা প্রোটিন দেহের শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করে।

সূত্র: বোল্ড স্কাই

43
Body Fitness / Quick way to reduce body temperature
« on: February 28, 2017, 02:22:06 PM »
বিভিন্ন কারণে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আপনার চারপাশের পরিবেশ এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্রীষ্মের ঠা ঠা রোদের কারণেও দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আপনি কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন তার দ্বারাও বৃদ্ধি পেতে পারে আপনার দেহের তাপমাত্রা। মসলাযুক্ত খাবার, অ্যালকোহল, ক্যাফেইন ইত্যাদি খাবারগুলো অভ্যন্তরীণভাবে দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে। কিছু ঔষধ অথবা অসুস্থতার কারণেও বৃদ্ধি পেতে পারে আপনার দেহের তাপমাত্রা।

মানুষের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হচ্ছে ৩৬.৫-৩৭.৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেট বা ৯৭.৭-৯৯.৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট। বাহ্যিক আবহাওয়ার অবস্থা যাই থাকুক না কেন শরীরের নিয়মিত কাজগুলো সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য দেহের অভ্যন্তরীণ তাপ ঠিক রাখা প্রয়োজন। শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া কোন রোগ নয় কিন্তু একে হালকা ভাবেও নেয়া ঠিক নয়। কারণ এটি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা না হলে হিটস্ট্রোক হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকলে তা দুর্বলতা, অলসতা, মাথা ঘোরানো, মাথাব্যথা, বমি বমিভাব, পেশীর সংকোচন, অত্যধিক ঘাম হয় এবং হৃদস্পন্দন দ্রুত  হয়।  এছাড়াও প্রায়ই ডিহাইড্রেশনের সমস্যাও দেখা যেতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা কমানোর উপায় নিয়েই আজকের এই ফিচার। 

১। ঠান্ডা পানি

দেহের তাপ কমতে সাহায্য করে ঠান্ডা পানি। আপনার দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে দেখলেই এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করে নিন। ১৫ মিনিট পর পর ঠান্ডা পানি চুমুক দিয়ে খান। এটি ডিহাইড্রেশন হওয়া প্রতিরোধ করবে। এছাড়াও ঠান্ডা পানি পূর্ণ বালতিতে পা ভিজিয়ে রাখুন ১৫-২০ মিনিট যাবৎ। এর ফলে শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমবে।

২। মধু এবং দুধ

শরীরের তাপ কমাতে চমৎকারভাবে কাজ করে মধু ও ঠান্ডা দুধ। এজন্য ১ গ্লাস ঠান্ডা দুধের সাথে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে কার্যকরী ফল পাবেন।

৩। চন্দন ও পানি

চন্দনের গুঁড়া পানি বা ঠান্ডা দুধের সাথে মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট আপনার কপালে ও চিবুকে লাগান। ত্বককে তাৎক্ষণিকভাবে ঠান্ডা করার এবং অত্যধিক তাপমাত্রা কমাবার এটা পরীক্ষিত একটি কৌশল। এই মিশ্রণের সাথে কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মিশিয়ে নিলে আরো ভালো ফল পাওয়া যায়।

৪। ঘোল

আয়ুরবেদ মতে, শরীরের তাপমাত্রা কমানোর কার্যকরী প্রতিকার হচ্ছে ঘোল। এছাড়াও অত্যধিক ঘামের কারণে শরীর থেকে যে ভিটামিন ও মিনারেল বের হয়ে যায় তা পূরণ করতেও সাহায্য করে ঘোল। গরমের সময়ে সকালে ১ গ্লাস ঘোল পান করলে সারাদিন শরীর ঠান্ডা থাকবে।

৫। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবজি ও ফল দেহের তাপমাত্রা কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। গরমের সময় অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ভাবে শরীরের তাপ বৃদ্ধি পায়। সেই সময় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবজি ও ফল খেলে শরীরের তাপমাত্রা কমতে সাহায্য করে।

সূত্র :  টপ টেন হোম রেমেডিস

44
Pain / The food is pain drugs
« on: February 28, 2017, 09:38:06 AM »
আমাদের প্রতিদিনকার জীবনযাপনে চলতে ফিরতে নানা কারণে ব্যথা লাগতেই পারে। এমনটা হলেই আমরা সাধারণত যেসব পেইনকিলার বা ব্যাথানাশক ওষুধ সেবন করি তা আমাদের শরীর ও মস্তিষ্কে নানা বিরুপ প্রভাব ফেলে। নিয়মিত পেইনকিলার সেবন করলে আমাদের ফুসফুস, পাকস্থলি, অন্ত্র, লিভার, মাংসপেশি, কিডনি সহ শরীরের একাধিক অঙ্গ তাদের কর্মক্ষমতা হারাতে শুরু করে। ফলে দেখা দেয় নানা জটিল রোগ। 

আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে এমন কিছু ঘরোয়া পেইনকিলার নিয়ে আলোচনা করা হল যেসব ওষুধের কোনও সাইড এফেক্ট না থাকায় শরীরের ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কাও থাকে না। 

 
১। হলুদ-

ব্যথা কমাতে এই মশলাটির কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। কারণ কি জানেন? হলুদে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ইনফ্লমেটরি উপাদান, যা যন্ত্রণা কমানোর পাশাপাশি ফোলা ভাব কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। 
প্রসঙ্গত, বাজার চলতি একাধিক জনপ্রিয় পেইনকিলার থেকে কোনও অংশে কম কাজে আসে না এই ঘরোয়া ওষুধটি। তাই এবার থেকে শরীরের কোথাও চোট-আঘাত লাগলে এক গ্লাস দুধে হলুদ মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। দেখবেন আনেক আরাম পাবেন। 

২। আদা-

অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকায় যন্ত্রণা কমাতে আদা দারুণ কাজে দেয়। বিশেষত, আর্থ্রারাইটিস, পাকস্থলির যন্ত্রণা, চেস্ট পেন, পিরিয়ডের যন্ত্রণা এবং মাংসপেশির ব্যথা কমাতে আদার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। যে জায়গায় যন্ত্রণা হচ্ছে সেখানে অল্প করে আদা বেটে লাগিয়ে দিন অথবা আদা চা খেলেই হাতেনাতে ফল পাবেন। 
 
৩। পুদিনা পাতা-

মাংসপেশিতে যন্ত্রণা হচ্ছে বা দাঁতের যন্ত্রণায় মাঝে মাঝেই কাবু হয়ে পড়েন? চিন্তা নেই এবার থেকে এমনটা হলেই এক মুঠো পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন। অল্প সময়ের মধ্যেই দেখবেন কষ্ট কমে যাবে। প্রসঙ্গত, মাথা যন্ত্রণা, স্নায়ুর ব্যাথা এবং এমনকী পেটের নানা গোলযোগ সারাতেও এটি দারুণ কাজে দেয়। 

৪। লবণ-

গোসল করার সময় ১০-১৫ চামচ লবণ পানিতে মিশিয়ে দিন। তরপর সেই পানিতে কম করে ১৫ মিনিট শুয়ে থাকুন। এমনটা করলে দেখবেন প্রদাহ বা যন্ত্রণা কমতে শুরু করবে। লবণ দেহকোষকে তরতাজা করে তোলে। ফলে যন্ত্রণার প্রকোপ কমে যায়। 

৫। সোয়াবিন-

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা অনুসারে আর্থ্রাইটিস, বিশেষত অস্টিওআর্থ্রারাইটিসের যন্ত্রণা কমাতে সোয়া প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সোয়াতে ইসোফ্লেবোনস নামে একটি অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকে, যা প্রদাহ কমায়। তাই আপনি যদি আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন সোয়া মিল্ক। 

৬। ঝাল মরিচ-

খাবারে অর্ধেক চামচ ঝাল মরিচ মিশিয়ে সেই খাবার খেয়ে ফেলুন। অল্প সময়ের মধ্যেই যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমে যাবে। আসলে মরিচে কেপসাইসিন নামে একটি উপাদান থাকে, যা ব্যথা কমায়। 

 


বিডি-প্রতিদিন/

45
Cold / Flu / Fever virus in domestic remedy really works
« on: February 01, 2017, 01:09:48 PM »
তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তনের কারণে সিজনাল ইনফেকশন হয়। একটি সাধারণ সিজনাল ইনফেকশন হচ্ছে ভাইরাস জ্বর। অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের পূর্বে কিছু প্রাকৃতিক উপায় ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলো সহজলভ্য এবং ভাইরাস জ্বর নিরাময়ে অনেক কার্যকরী।

১। ধনেপাতা

ধনেপাতার বীজে ভিটামিন এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকে যা ইমিউন সিস্টেমকে উদ্দীপিত হতে সাহায্য করে। এতে অ্যান্টিবায়োটিক যৌগ এবং ক্ষমতাশালী এসেনশিয়াল অয়েল থাকে যা ভাইরাসের ইনফেকশন দূর করতে প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে কাজ করে। একটি পাত্রে ১ গ্লাস পানি এবং ১ টেবিলচামচ ধনে বীজ নিন। এই মিশ্রণটি গরম করুন। তারপর এটিকে ঠান্ডা হতে দিন এবং ছেঁকে নিন। এবার এর মধ্যে সামান্য দুধ ও চিনি মেশান। চায়ের মত পান করুন। এই পানীয়টি ভাইরাস জ্বরের উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে।

২। তুলসি পাতা

ভাইরাস জ্বরের উপসর্গ কমানোর জন্য সবচেয়ে কার্যকরী এবং ব্যপক ব্যবহৃত প্রাকৃতিক প্রতিকারটি হচ্ছে তুলসি পাতা। ব্যাকটেরিয়া রোধী, ছত্রাকরোধী, জীবাণুরোধী, এবং অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান থাকায় তুলসি পাতা ভাইরাস জ্বরের শক্তিশালী প্রতিকার। এছাড়াও তুলসি পাতা আপনার ইমিউনিটির উন্নতিতে সাহায্য করে। ১ লিটার পানিতে ২০ টির মত পরিষ্কার ও তাজা তুলসি পাতা এবং আধা চামচ লবঙ্গ গুঁড়া মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। মিশ্রণটির পানির পরিমাণ অর্ধেকে কমে যাওয়া পর্যন্ত ফুটাতে থাকুন। প্রতি ২ ঘন্টা পর পর এই পানীয়টি পান করুন। 

৩। ভাতের মাড়

অতি প্রাচীন কাল থেকেই প্রাকৃতিকভাবে ভাইরাস জ্বর নিরাময়ের জন্য ভাতের মাড় ব্যবহার হয়ে আসছে। এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিকারটি মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং ইমিউন সিস্টেমকেও উদ্দীপিত হতে সাহায্য করে। এটি একটি পুষ্টিকর পানীয় হিসেবেও কাজ করে, বিশেষ করে ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য।  ১ কাপ চালে ১ বা আধাকাপ পানি দিয়ে তাপ দিন। চালগুলো যখন অর্ধেক রান্না হবে তখন পানিটুকু ছেঁকে নিন। এবার এই তরলের সাথে ১ চিমটি লবণ মিশিয়ে উষ্ণ থাকা অবস্থায় পান করুন ভাইরাস জ্বরের উপসর্গ কমাতে।

৪। শুষ্ক আদার মিশ্রণ

স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী আদা। এতে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ব্যথানাশক উপাদান থাকে যা ভাইরাস জ্বরের উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে। ভাইরাস জ্বরে আক্রান্তদের শুকনো আদার সাথে মধু মিশিয়ে খেতে পরামর্শ দেয়া হয়।  ১ কাপ পানিতে ২ টুকরো শুকনো আদা দিয়ে ফুটিয়ে নিন।

৫। মেথির পানি

ঔষধি যৌগ যেমন ডাইওসজেনিন, স্যাপোনিন এবং অ্যাল্কালয়েড থাকে মেথিতে। এছাড়াও ভাইরাস সংক্রমণের সাথে সম্পর্কিত উপসর্গ এবং জ্বর কমাতে সাহায্য করে মেথিতে থাকা বিভিন্ন ধরনের যৌগ। ১ টেবিলচামচ মেথিবীজ আধাকাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। সকালে দ্রবণটি ছেঁকে নিয়ে কিছুক্ষণ পর পর পান করুন। মেথি বীজের গুঁড়াও খেতে পারেন।

 সূত্র:  দ্যা হেলথ সাইট

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 12