Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - yousuf miah

Pages: 1 ... 5 6 [7] 8 9 ... 12
91
Islam & Science / Re: Short Biography of Prophet Hazard Muhammad (S)
« on: September 02, 2015, 10:41:40 AM »
Thank you for your informative post...............Jajakallahu khairan..........

92
Various Sura & Dua / Some beneficial blessings
« on: September 02, 2015, 10:09:54 AM »
দুনিয়ার বুকে মানুষের উপকার হয় ও বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়- এমন অনেক দোয়া পবিত্র কোরআনে কারিম ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। দোয়াগুলো খুবই ছোট তাই সহজে মুখস্থ করা যায়। পাঠকদের জন্য সহজে আমলযোগ্য কয়েকটি ছোট ছোট দোয়া পেশ করা হল—

সব ধরনের অনিষ্টতা থেকে হেফাজতের দোয়া:  হজরত উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, প্রত্যেহ সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার করে এই দোয়াটি পাঠ করলে কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।

দোয়া : বিসমিল্লাহিল্লাজী লা ইয়াদুররু মায়াসমিহি শাইয়ুন ফিল আরদি, ওয়ালা ফিস-সামায়ি ওয়া হুয়াস সামিউল আলীম।

অর্থ : আল্লাহর নামে, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ। -তিরমিজি  ও আবু দাউদ

কোনো সম্প্রদায় থেকে ক্ষতির আশংকা হলে দোয়া : হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) যখন কোনো সম্প্রদায় দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশংকা করতেন তখন বলতেন—

দোয়া : আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফী নুহুরিহীম, ওয়া নাউজুবিকা মিন শুরুরিহীম।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা তোমাকেই তাদের মুখোমুখি করছি এবং তাদের অনিষ্টতা থেকে তোমারই কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। -আবু দাউদ ও নাসাই

রোগী দেখার দোয়া : হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো বিপদগ্রস্ত বা রোগী দেখে এই দোয়া পাঠ করে সে কখনও এমন বিপদ কিংবা ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় না।

দোয়া : আলহামদুলিল্লাহিল্লাজী আফিনী মিম্মাবতালাকা বিহী, ওয়া ফাদ্দিলনী আলা কাছিরীম-মিম্মান খালাকা তাফদিলা।

অর্থ : ‘সমস্ত প্রসংসা আল্লাহর জন্য যিনি তোমাকে যে ব্যাধিতে আক্রান্ত করেছেন তা থেকে আমাকে নিরাপদে রেখেছেন এবং তার বহু সংখ্যক সৃষ্টির ওপর আমাকে মর্যাদা দান করেছেন।’ –তিরমিজি

বিপদ-মসিবতের সময় পাঠ করার দোয়া : হজরত উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, মানুষের ওপর কোনো বিপদ এলে সে যদি এই দোয়া পাঠ করে- আল্লাহতায়ালা তাকে তার বিপদের প্রতিদান দেন এবং সে যা কিছু হারিয়েছে তার বদলে তার চেয়ে উত্তম কিছু দান করেন।

দোয়া : ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আল্লাহুম্মা আজিরনী ফী মুসিবাতী ওয়া আখলিফ-লী খাইরাম মিনহা।

অর্থ : আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমাদেরকে তারই দিকে ফিরে যেতে হবে। হে আল্লাহ! বিপদে আমাকে সওয়াব দান করুন এবং যা হারিয়েছি তার বদলে তার চেয়ে ভালো কিছু দান করুন। -সহিহ মুসলিম

বিপদের সময় পাঠ করার দোয়া: হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বিপদের সময় এই দোয়াটি পাঠ করতেন—

দোয়া : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালীমুল হাকীম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল আরশিল আজীম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি- ওয়া রাব্বুল আরশিল কারীম।

অর্থ : আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি পরম সহিষ্ণু ও মহাজ্ঞানী। আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি মহান আরশের প্রভু। আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি আকাশমন্ডলী, জমিন ও মহাসম্মানিত আরশের প্রভু। -সহিহ বোখারি ও মুসলিম

ঋণ মুক্তির দোয়া : হজরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, এক চুক্তিবদ্ধ দাস তার কাছে এসে বলে, আমি আমার চুক্তির অর্থ পরিশোধে অপারগ হয়ে পড়েছি। আপনি আমাকে সাহায্য করুন। তিনি বলেন, আমি তোমাকে এমন একটি বাক্য শিখিয়ে দিব যা আমাকে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) শিখিয়েছিলেন। যদি তোমার ওপর পর্বত পরিমাণ দেনাও থাকে তবে আল্লাহতায়ালা তোমাকে তা পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিবেন। তিনি বলেন, তুমি পাঠ করবে—

দোয়া : আল্লাহুম্মাকফিনী বিহালালিকা আন হারামিকা, ওয়া আগনিনী বিফাদলীকা আম্মান সিওয়াক।

অর্থ : হে আল্লাহ! তোমার হালাল দ্বারা আমাকে তোমার হারাম থেকে দূরে রাখ এবং তোমার দয়ায় তুমি ভিন্ন অপরের মুখাপেক্ষি হওয়া থেকে স্বনির্ভর কর। -তিরমিজি ও বায়হাকি

93
Quran / How can you perform Quran in Ramadan
« on: June 18, 2015, 12:23:12 PM »
রমজান মাস হল এবাদাতের মাস,  যারা আজো একবারও কুরআন খতম করতে পারেন নাই তারা হেলায় সুযোগ হারাবেন না। আমরা কতো টাইম ওয়াইস্ট করি হেলেয়-অবহেলায়। একটু টাইম সচেতন হলে এই টাইমই আমাকে অনেক কিছু দিতে পারবে। আজ দেখাব কিভাবে খুব সহজে-অল্প সময়ে কুরআন খতম করতে পারেন।
যা যা লাগবে
যেভাবে শুরু করবেন।

প্রথমে অজু করে আসেন।

 “বিসমিল্লাহ” বলে শুরু করেন।

ইয়া মালিক কিভাবে এই ৬১১ পৃষ্ঠা শেষ করবেন।

নো প্রবলেম।



আমরা ৬১১ পৃষ্ঠার যে হিসাব দিলাম এটা প্রায় সব কুরানের copyএর same নাও হতে পারে বাকি ৬০০ এর কম হবে না একটাও। তাই স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে ৬০০ পৃষ্ঠা নিলাম।

এই ৬০০ পৃষ্ঠা আমার শেষ করতে ভয় লাগছে বাট যদি কিছু টিপস অবলম্বন করি তাইলে এটা অনেক সহজ। এই ৬০০ পৃষ্ঠাকে আমরা ৩০ দিয়ে ভাগ করি। কারন ৩০ দিনে রমজান মাস। তাইলে প্রতিদিনে কত আসে?

মাত্র ২০ পৃষ্ঠা তাই না !

এই ২০ পৃষ্ঠাটাও আমার জন্য কঠিন। এখন ভাগ করেন ৫ দিয়ে।

৫ দিয়ে কেন ভাগ দিবো ? কারন রমজান মাসে সবাই মুটামুটি ৫ ওয়াক্তি নামাজ পড়ে। এই নামাজের ওয়াক্ত অনুযায়ী ৫ দিয়ে ভাগ দিলাম।

উত্তর কি আসে ? ৪ তাই না !

এর মানে আপনি যদি প্রতি নামাজের আগে বা পরে ৪ পৃষ্ঠা করে পড়েন তাইলে আপনার এক মাসে একবার কুরআন খতম করতে তেমন বেগ পোহাইতে হবে না। হিসাবটা দেখেন ২০*৫*৪=৬০০ পৃষ্ঠা।

এর মানে আপনি Easily কুরআন খতম করতে পারছেন। আর যারা আমার মতো এত lazy না, যারা আরো ফাস্ট,মানে “ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস” তারা প্রতি নামাজের আগে ৪ পৃষ্ঠা আর পরে ৪ পৃষ্ঠা করে পড়লে এক মাসে ২ বার খতম করতে পারেন। আর যারা তেরাবির নামজের এক রাকাতও মিস দেন না তারা তো ৩ বার খতম করতে পারেন

আর যারা আরো ভাল তারা ৪ বার পারেন। কিভাবে জানেন ?
তারা শেষের ১০ দিনে তাহাজ্জুদের নামেজ পড়ে আরো একবার খতম করতে পারেন। {বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটা মসজিদে শেষের ১০ দিনে তাহাজ্জুদের সময় এক খতম করা হয়। আপনি সেখানে শরিক হতে পারেন ...


94
হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, যখন মানুষের অন্তিমকাল উপস্থিত হয় এবং রূহ বের হবার সময় ঘনিয়ে আসে, তখন চারজন ফেরেশতা তার কাছে উপস্থিত হয়। সর্বপ্রথম এক ফেরেশতা উপস্থিত হয়ে বলবেন “আসসালামু আলাইকুম” হে অমুক! আমি তোমার খাদ্য সংস্থানের কাজে নিযুক্ত ছিলাম। কিন্তু এখন পৃথিবীর পূর্ব থেক পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত অন্বেষণ করেও তোমার জন্য এক দানা খাদ্য সংগ্রহ করতে পারলাম না। সুতরাং বুঝলাম তোমার মৃত্যু ঘনিয়ে এসেছে হয়ত এখনই তোমাকে মরণ সুধা পান করতে হবে। পৃথিবীতে তুমি আর বেশীক্ষণ থাকবে না।

অত:পর দ্বিতীয় ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা! আমি তোমার পানীয় সরবরাহের জন্য নিযুক্ত ছিলাম, কিন্তু এখন তোমার জন্য পৃথিবীর সবৃত্র অন্বেষণ করেও এক ফোঁটা পানি সংগ্রহ করতে পারলাম না। সুতরাং আমি বিদায় হলাম।
অত:পর তৃতীয় ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা! আমি তোমার পদযুগলের তত্ত্বাবধানে নিযুক্ত ছিলাম, কিন্তু পৃথিবীর সর্বত্র ঘুরেও তোমার জন্য একটি মাত্র পদক্ষেপের স্থান পেলাম না। সুতরাং আমি বিদায় নিচ্ছি।

চতুর্থ ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহ বান্দা! আমি তোমার শ্বাস-প্রস্বাস চালু রাখার কাজে নিযুক্ত ছিলাম। কিন্তু আজ পৃথিবীর এমন কোন জায়গা খুঁজে পেলাম না  যেখানে গিয়ে তুমি মাত্র এক পলকের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করতে পার। সুতরাং আমি বিদায় নিচ্ছি।

অত:পর কেরামান কাতেবীন ফেরশতাদ্বয় এসে সালাম করে বলবেন, হে আল্লাহর বান্দা! আমরা তোমার পাপ-পূণ্য লেখার কাজে নিযুক্ত ছিলাম। কিন্তু এখন দুনিয়ার সব জায়গা সন্ধান করেও আর কোন পাপ-পূণ্য খুঁজে পেলাম না। সুতরাং আমরা বিদায় নিচ্ছি। এই বলে তারা এক টুকরা কালো লিপি বের করে দিয়ে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা! এর দিকে লক্ষ্য কর। সে দিকে লক্ষ্য করামাত্র তার সর্বাঙ্গে ঘর্মস্রোত প্রবাহিত হবে এবং কেউ যেন ঐ লিপি পড়তে না পারে এজন্য সে ডানে বামে বার বার দেখতে থাকবে। অত:পর কেরাম কাতেবীন প্রস্থান করবেন। তখনই মালাকুল মউত তার ডান পাশে রহমতের ফেরেশতা এবং বাম পাশে আযাবের ফেরেশতা নিয়ে আগমন করবেন। তাদের মধ্যে কেউ আত্মাকে খুব জোরে টানাটানি করবেন, আবার কেউ অতি শান্তির সাথে আত্মা বের করে আনবেন। কন্ঠ পর্যন্ত আত্মা পৌঁছলে স্বয়ং যমদূত তা কবজ করবেন।

95
শিরোনামে বিষয়টি খুবই একটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মুসলমানকেই এ বিষয় বিস্তারীত জেনে রাখা খুবই দরকার। কারণ প্রত্যেক মুসলমানই রাসূল (সা.) এর কবর কে রওজা বলে থাকে। কিন্তু কেন বলে তা অনেকেই জানে না। আসুন আজকে এ বিষয়ে জেনে নিই।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দাফনস্থল বা কবরকে রওজা বলা হয়। কারণ হল, রওজা শব্দের অর্থ বাগান। এখানে রওজা বা বাগান দ্বারা উদ্দেশ্য, ‘জান্নাতের একটি বাগান।’ যেহেতু তাঁর কবরটি জান্নাতের নেয়ামতে ভরপুর একটি পবিত্র বাগান। তাই এ অর্থে তাঁর কবরকে ‘রওজায়ে আতহার’ (পবিত্র বাগান), রওজা শরিফ ইত্যাদি বলা হয়। সহীহ বুখারী ১/১৮৬; সহীহ মুসলিম ১/২০১; কবরকে রওযা বলা : জামে তিরমিযী ২/৭৩; (কবরে নিষিদ্ধ কার্যাবলি ) সহীহ বুখারী ১/১৮৬; সহীহ মুসলিম ১/২০১; জামে তিরমিযী ১/৭৩)।

96
‘বোবা ধরা’ সারা বিশ্বের সকল সমাজে প্রচলিত অতি প্রাচীন এবং অতি প্রাকৃতিক ঘটনা। একে ঘুম বিশেষজ্ঞগণ চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় “স্লিপিং প্যারালাইসিস” (Sleeping Paralysis) বলে আখ্যায়িত করে থাকেন। আর এর কারণ হচ্ছে বর্তমান চিকিৎসাবিজ্ঞান সেক্যুলার নাস্তিক্যবাদে বিশ্বাসী এবং ধর্মীয় বিশ্বাস ও অতিপ্রাকৃতিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ বিবর্জিত। তাই তারা এই প্রাচীন এবং বর্তমানেও সংঘটিত ও অভিজ্ঞতালব্ধ বিষয়টিকে (বোবা ধরা) নিজেদের মতো করেই ব্যাখ্যা করে থাকেন। তারা যেমন বলেন “বোবায় ধরা” একটা মানসিক ব্যাধি, তেমনি এর কারণ দর্শিয়ে (তাদের মতে) বলেন, এটা মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, অনিয়মিত ঘুম ইত্যাদি কারণে হয়।

যখন কাউকে বোবায় ধরে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ যখন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন, ঐ সকল বিশেষজ্ঞগণ এর চিকিৎসায় ঘুমের পিল এবং আরও কিছু মনোরোগ, শ্বাস-প্রশ্বাস ও স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালনের ওষুধ দিয়েই ক্ষান্ত হন। সম্ভব হলে নিজের তত্বাবধানে রেখে নিয়মিত চেক-আপও করেন। কিন্তু তারপরও যখন কোনো সুচিকিৎসা দিতে পারেন না, তখন বলেন, এটা “প্যারানরমাল” (Paranormal), “সুপার-ন্যাচার‍্যাল” (Supernatural) বা “অদ্ভূদ রোগবিশেষ”!! যদিও বোবায় ধরা কোন মানসিক রোগ নয়।

মুলতঃ এর ব্যাখ্যা ইসলাম অত্যন্ত ভালভাবেই দিতে পারে। এর জন্য আসুন জেনে নিই, ইসলামী দর্শন এ বিষয়টিকে কিভাবে ব্যাখ্যা করে।

আপনারা জানেন, পৃথিবীতে সৃষ্টিকুলের মধ্যে যেমন দৃশ্যমান মানবজাতি এবং জীব-জন্তু রয়েছে, তেমনি রয়েছে অদৃশ্যমান জ্বীনজাতি ও ফেরেশতাকুল। জ্বীন সম্প্রদায়ের মধ্যেও মানুষের মতো বোবার অস্তিত্ব আছে। সেইসব বোবা জ্বীনদের মধ্য থেকে কতিপয় জ্বীন যখন মানব সমাজে চলে আসে বা বিচরণ করে, তারা অন্যান্য স্বাভাবিক জ্বীনের মতো মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারে না, আর পারে না অন্যান্য জ্বীনদের সাথেও তাদের মতামত আদান-প্রদান করতে। তাই তারা কখনও কখনও তাদের ইচ্ছেমত মানুষকে বিরক্ত করে। অন্য সময় পারে না বলে ঘুমের সময়টাকেই তারা বেছে নেয়।

কখনও কখনও এই সব বোবা জ্বীন তাদের পছন্দমত মানুষের কাছে আসে এবং ঘুমের মধ্যে তার উপর ভর করে। পছন্দমত বলছি এ কারণে, যেহেতু তারা দুনিয়ার সকল মানুষকেই ধরে না। ফলে অনেক মানুষই বলে থাকে যে, “আমাকে তো কখনই বোবায় ধরে না?” যাই হোক, বোবা জ্বীনরা কখনও দুষ্টামী করেই কারও উপর ভর করে, আবার কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে ভয় দেখানোর জন্য কিংবা বিরক্ত হয়েই তার উপর ভর করে। তবে ঠিক কি কারণে তারা এমনটি করে, তা জানা সম্ভব হয় না এ কারণে যে, তারা বোবা (হাজারবার জিজ্ঞেস করলেও এরা আপনাকে উত্তর দিতে পারবে না)। তাই শুধু অনুমান করা যায় মাত্র। এমনও ঘটেছে যে, সারা জীবনে কোনো কোনো মানুষকে মাত্র একবার বোবায় ধরে, আবার কেউ কেউ বহুবার তাকে বোবায় ধরেছে বলেও স্বীকার করে। এর সঠিক কারণ জানা যায় না যে, কেন কারো ক্ষেত্রে কম আর কারো ক্ষেত্রে বেশি পরিমাণে ঘটে থাকে? আল্লাহ পাক এবং তাঁর রসূলই এর অধিক ভাল জানেন।

► বোবায় ধরলে কী কী অভিজ্ঞতা হতে পারে?
————————————–
এখানে একটি বিষয় ব্যাখ্যা করা দরকার, তা হলো অনেকের এমন হয়, বোবায় যে ধরেছে, এটা বুঝার পূর্বে তারা অনেক দুঃস্বপ্ন দেখতে থাকেন। তারপর দুঃস্বপ্নের এক পর্যায়ে তারা বুঝতে পারেন, তাদের পুরো শরীরের উপর বা কোনো বিশেষ অঙ্গের (যেমনঃ মাথা, বুক, হাত ইত্যাদি) উপর কেউ ভর করে আছে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কারও (জ্বীনের) লোমশ হাতের কথাও অনেকে বলে থাকেন। এক এক জনের অভিজ্ঞতা এক এক রকম। যাই হোক, দুঃস্বপ্ন দেখতে থাকার কারণ হলো, ঐসব বোবা জ্বীন স্বল্প সময়ের জন্য মানুষের স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং তারা সাধারণত দুঃস্বপ্নের মধ্য দিয়ে মানুষকে নিতেই পছন্দ করে যেন ঐ সকল মানুষ স্বপ্নের এক পর্যায়ে আকস্মিক ঘুম ভেঙ্গে উঠে অসহনীয় এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি অনুভব করে। তাই এটা বোবা জ্বীনদের মানুষের শরীরের নড়াচড়া করতে না দেয়ার পাশাপাশি আরেকটি কূট-কৌশল।

এটা সচরাচর প্রায় সবার ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে যে, এই পরিস্থিতিতে বোবায় ধরা ব্যক্তি নিজের হাত-পা বা দেহের কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নাড়াতে পারে না (চোখের কর্নিয়া ব্যতীত)। এর কারণ খুঁজে দেখা গেছে, বোবা জ্বীনদের এক বিশেষ ক্ষমতা থাকে, যাকে বলা হয় “ব্লাড বেন্ডিং (Blood Bending)”। এ ক্ষমতার দ্বারা তারা মানুষের রক্তের চলাচল পথকে এবং রক্তকণিকাকে স্বল্প সময়ের জন্য নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে। আর রক্তের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলেই, দেহের বিভিন্ন স্থানে তারা রক্ততঞ্চন ঘটাতে পারে, ফলে সারা শরীর বা শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহ নড়াচড়া করা সম্ভব হয় না। এবং তারা যে সময়টুকু মানুষের উপর ভর করে থাকে, এর চলে যাওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত এ বিশেষ ক্ষমতার প্রয়োগ তারা দেখাতে পারে। এর আরেকটা কারণ হচ্ছে, তারা চায় না, তাদের অদ্ভূদ আকৃতি-প্রকৃতি বা চেহারা কোন মানব দেখুক। আবার ইচ্ছা করলে তারা অদৃশ্যভাবেও মানুষের উপর ভর করতে পারে।

তবে হ্যাঁ, বোবা ধরলে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শ্বাস-প্রশ্বাস বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহ নড়াচড়ায় ব্যাঘাত ঘটলেও মারা যাওয়ার আশংকা নেই। এ পর্যন্ত কোন জ্বীন ঘুমের মধ্যে কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছে বা মেরে ফেলেছে বলে শোনা যায় না। আল্লাহ পাক এ বিষয়টি মানুষ এবং জ্বীন সম্প্রদায়ের মধ্যে ভারসাম্য বিধান করে দিয়েছেন। বোবা জ্বীনের কারণে বা বোবায় ধরলে যদি অসংখ্য মানুষ মারা যেত, তাহলে তা মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকিসরূপ হয়ে দাঁড়াত। আবার জ্বীনজাতি দৃশ্যমান হলে, মানুষ তাদেরকে হত্যা করা বা সহজে বশ করার কোনো না কোনো উপায় বের করে ফেলত। এ জন্যই তারা অদৃশ্যমান। এ বিষয়টির ব্যাখ্যা করতে অনেক লেখা-লেখির প্রয়োজন বিধায় এখানে আর আলোচনা অন্য দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করছি না।

► বোবায় ধরা যে জ্বীন দ্বারা সংঘটিত ঘটনা, তার যৌক্তিক প্রমাণঃ
————————————–
বোবায় ধরা যে জ্বীন দ্বারা ঘটিত একটি ঘটনা (বিজ্ঞান তার ব্যাখ্যা করতে পারুক না না-ই পারুক) তা বুঝা যায়, কোন দরূদ শরীফ বা সূরা ইত্যাদি পড়লে বোবায় ধরার প্রভাবটা আর থাকে না এবং মুহূর্তের মধ্যেই চলে যায়। অনেকের ক্ষেত্রে সাথে সাথে চলে যায়, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দোয়া-কালাম পাঠ শুরু করার কিছুক্ষণ পর চলে যায়। এরপর অনেক ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত ব্যাক্তি উঠে বসে, আবার অনেকেই ঘামতে থাকে, অনেকে আবার ভয়ে হাঁপাতে থাকে। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমরা যদি বিশ্বাস করি যে, আমরা আশরাফুল মাখলুকাত, ওরা আমাদের কিছুই করতে পারবে না এবং এক আল্লাহর উপর নির্ভর করি, তাহলে এরকম ঘটনা আমাদের জন্য কোন ব্যাপারই না।

এমনও দেখা গেছে যে, অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বিছানায় শয়ন করার দু’-এক মিনিটের মধ্যেই (অর্থাৎ, তখনও সে সম্পূর্ণ সচেতন) তার উপর কোনো কিছু এসে ভর করেছে। অর্থাৎ, বৈজ্ঞানিক পরিভাষা স্লিপিং প্যারালাইসিস, যা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে গেলে ঘটতে পারে, এমন যুক্তি এ ক্ষেত্রে অচল হয়ে যায়। আর হ্যাঁ, এ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক বোবা জ্বীনকে দেখে ফেলার সম্ভাবনাই তুলনামূলক বেশি, কেননা পুরোপুরি ঘুমিয়ে যায় নি এমন ব্যক্তির উপরে blood bending করা জ্বীনের জন্য দুষ্করই বটে।

আবার এমনও দেখা গেছে যে, অভিজ্ঞতাপ্রাপ্তব্যক্তি পুরোপুরি উপুড় হয়ে শয়ন করে নি, বরং এককাত হয়ে ডান বা বাম দিকে হয়ে শুয়ে আছে, এই অবস্থায়ও বোবা এসে ভর করে। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রেও বিজ্ঞানের অথর্ব পরিভাষা স্লিপিং প্যারালাইসিস, যার মূল যুক্তিই হচ্ছে, ঘুমন্ত ব্যক্তি লম্বালম্বিভাবে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকে বলে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে রক্ত জমাট বেঁধে যায়, তাই ঐ অনুভূতি হয়, এমন যুক্তি নিতান্তই খোঁড়া ও অচল।

এছাড়াও কোনো কোনো অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বীকারোক্তিতে জানা গেছে, বোবায় ধরার (জ্বীন আসার) আগে বা (জ্বীন চলে যাওয়ার) পরে তারা যদি আধো-ঘুমন্ত অবস্থায় থাকেন, তবে ঘরে শব্দ শুনতে পান। অর্থাৎ বোবা ধরার আগে, জানালা দিয়ে কোনো কিছু আসার শব্দ আর চলে যাওয়ার পর একইভাবে জানালা দিয়ে কোনো কিছু চলে যাওয়ার শব্দ শুনে থাকেন। তবে এই অভিজ্ঞতা সবাই লাভ করেন না। আর এই শব্দও বৈজ্ঞানিক যুক্তি স্লিপিং প্যারালাইসিসকে সমর্থন করে না, বরং কোনো অতিপ্রাকৃতিক কিছুর অস্তিত্বই স্বীকার করে।

বোবা ধরার সময়, বা চলে যাওয়ার মুহূর্তে কেউ কেউ উক্ত বোবা জ্বীনকে দেখে ফেলতে পারেন। এমন হয়েছে যে, জ্বীনের আকৃতি-প্রকৃতি পরিষ্কার বুঝা যায় নি, শুধু কালো বিকট এক আকৃতির অস্তিত্ব উপলব্ধি করা গিয়েছে। আবার এমনও হয়েছে যে, জ্বীনটি তার আসল রূপ বা কোনো কুৎসিত চেহারা নিয়ে অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দেখা দিয়েই উধাও হয়ে গিয়েছে। তবে জ্বীন দেখা দিয়েছে, এমন ঘটনা দুর্লভ।

► বোবায় ধরলে যা যা করা উচিত, তার মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে
————————————–
১) দরূদ শরীফ পড়তে থাকা।
২) আল্লাহর কালাম অর্থাৎ কুরআনুল কারীমের যে কোন সূরা থেকে আয়াতে পাক পাঠ করতে থাকা। সূরা বাকারা, ইখলাস অথবা ইয়াসীনের আয়াতসমূহ পাঠ করা যেতে পারে।
৩) আয়াতুল কুরসী পাঠ করতে থাকা। এটি অত্যন্ত কার্যকরী।
৪) হুযুরে পাক (সঃ) অথবা কোন নবী বা ওলীর উছিলায় ঐ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাবার জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা।

এছাড়াও যাদের পক্ষে সম্ভব হয়, নিজে কোন বিজ্ঞ আলেম ব্যক্তির শরণাপন্ন হয়ে তাঁর থেকে এতদভিন্ন কোন নির্দিষ্ট আয়াতে পাক বা দোয়া জেনে নিতে পারেন।

► বোবায় ধরা থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্তি চাইলে করণীয়
————————————–
১) ঘুমানোর আগে অযু করে শোয়া।
২) পুরোপুরি উপুড় হয়ে না শোয়া।
৩) ডান কাত হয়ে শোয়া।
৪) কারও উপুড় হয়ে শোয়ার অভ্যাস সহজে না গেলে, কাঁথা, চাদর বা কম্বল দ্বারা মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢেকে তারপর উপুড় হয়ে শোয়া। তবে ৩ নং আমলটিই অধিকতর শ্রেয় এবং সুন্নত সম্মত।
৪) ঘুমের দোয়াসমূহ পড়ে তারপর ঘুমানো। কি দোয়া পড়ছেন, তার অর্থ জানা থাকলে ভাল। ঘুমের একটি সহজ এবং অধিক পঠিতব্য দোয়া হচ্ছে,

“আল্লাহুম্মা বি-ইস্‌মিকা আমূওতু ওয়া আহ্‌ইয়া।”
অর্থঃ হে আল্লাহ ! তোমারই নামে মৃত্যুবরণ করি, আবার তোমারই নামে জীবন ধারন করি।

৫) দুঃস্বপ্ন দেখে আকস্মাৎ জেগে উঠলে বাম দিকে ফিরে তিনবার “আউযুবিল্লাহি মিনাশ্‌ শাইত্বনির্‌ রাজীম” বলে তিন বার থুথু দেয়া। থুথু দিলে পাশের জায়গা ভিজে যাবার আশংকা থাকলে থুথুর মত করে ফুঁ দেয়া।
৬) শোবার সময় দশ বার করে “লা- হাওলা ওয়ালা- কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ্‌” পাঠ করা।
৬) দুঃস্বপ্ন বা বোবায় ধরার কাহিনী কোনটাই কাউকে না বলা। আর প্রকাশ করলে এমন কারও কাছেই তা করা উচিত যিনি এর সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেন এবং প্রতিকার বাতলে দিতে পারেন।
৭) ঘরে লেবু রাখা, কেননা যে ঘরে লেবু থাকে জ্বীন সেখানে প্রবেশ করে না।

সুত্রঃ কোরআন ও বিজ্ঞান

97
ঢাকা: একজন মুসলমানের প্রতিটি কাজই ইবাদতের শামিল। যে কাজের সঙ্গে বাহ্যত ইসলামের কোনো সম্পৃক্ততা নেই, সেই কাজও কোরান-সুন্নাহর নীতি অনুসারে করলে তা ইবাদত হয়ে যায়। মানুষ বেঁচে থাকার জন্যই খাবার গ্রহণ ও পান করে। তবে এর যে ইসলামি নির্দেশনা ও শিষ্টাচার রয়েছে, তা মেনে করলে এটাও সওয়াবের কারণ হয়ে যায়। কীভাবে খাবার গ্রহণ করবে, পানীয় পান করবে, সেই নির্দেশনা বিস্তারিতভাবে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।

কোরানের ভাষ্য অনুযায়ী খাবার-দাবারের ক্ষেত্রে ইসলামের প্রধান নির্দেশনা হলো, খাও, পান কর কিন্তু অপচয় করবে না। হাদিসে অপচয়কারীকে শয়তানের ভাই বলা হয়েছে। আর অপচয়টা খাবার-দাবারের ক্ষেত্রেই বেশি হয়। খাবার শুরু করতে হবে বিসমিল্লাহ বলে। ডান হাত দিয়ে নিজের সামনের অংশ থেকে খাবার গ্রহণ করা সুন্নত। খাবারের শুরুতে রাসুল (সা.) নিজেও বিসমিল্লাহ বলার প্রতি গুরুত্ব দিতেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও উৎসাহ দিতেন। কারণ আল্লাহর নাম স্মরণ করার মধ্যে খাবার গ্রহণকারীদের জন্য বিরাট কল্যাণ রয়েছে। এভাবে খাবার এবং খাবার গ্রহণকারী উভয়ে শয়তানের অনিষ্ট ও অকল্যাণ থেকে নিরাপদ থাকে।

খাবার গ্রহণের সময় তা হালাল কি-না সে বিষয়টির প্রতি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। সন্দেহ আছে, এমন কোনো খাবার গ্রহণ করা যাবে না। কোনো খাবার বা পানীতে হারামের সামান্য সংমিশ্রণ থাকলেও তা থেকে বিরত থাকতে হবে। খাবার খেতে হবে দস্তরখানা বিছিয়ে। খাবারের পাত্র ছেটে পরিষ্কার করে খাওয়া সুন্নত। কোনো খাবারের দোষ ধরা যাবে না। খাওয়ার সময় আল্লাহর নেয়ামতের কথা স্মরণ করতে হবে। খাওয়ার সময় মনে মনে নিয়ত করতে হবে, আমি খাবার খাচ্ছি শরীর সুস্থ রাখার জন্য, যাতে আল্লাহর ইবাদত যথাযথভাবে করতে পারি। খাওয়ার আগে-পরে দোয়া পড়তে হবে। রিজিকদাতা একমাত্র আল্লাহ, সেটা অন্তরে থাকতে হবে। এমনভাবে পেটপুরে খাওয়া যাবে না, যা অসুস্থ করে দেয় অথবা যার কারণে অলসতা চলে আসে। এ জন্য ইসলামের নির্দেশনা হলো পেটের একটি অংশ খালি রেখেই খাবার খেতে হবে। যখন ইসলামি রীতিনীতি মেনে খাবার গ্রহণ করবে, তখনই তা হবে একজন মুসলমানের খাবার।


(ঢাকাটাইমস/১৬ফেব্রুয়ারি/জেবি)

98
Internet / Shortcuts Key note on Facebook
« on: August 12, 2014, 10:57:13 AM »



দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। বিটিআরসির হিসেব অনুযায়ী মে ২০১৪ পর্যন্ত আমাদের দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ কোটি ৮৯ লাখ। এর মধ্যে অধিকাংশই কমবেশী ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন।

এই বিপুলসংখ্যক ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য আমাদের আজকের আয়োজন ফেসবুক Shortcuts key, এর মাধ্যমে আপনারা খুব সহজেই ফেসবুকে দরকারী বিষয়গুলি বের করে নিতে পারবেন, সাথে সাথে আপনার মূল্যবান সময়ও বেচে যাবে। চলুন জেনে নিই ফেসবুকের কিছু Shortcuts Key।

 

 
   

Shortcuts Key
Firefox এর জন্যে    Google Chrome এর জন্যে

News Feed দেখার জন্য
   

Shift+Alt+1
   

Alt+1

নিজের Profile দেখার জন্য
   

Shift+Alt+2
   

Alt+2

Friend Requests এর pop-up দেখার জন্য
   

Shift+Alt+3
   

Alt+3

Messages এর pop-up দেখার জন্য
   

Shift+Alt+4
   

Alt+4

Notifications এর pop-up দেখার জন্য
   

Shift+Alt+5
   

Alt+5

Account Settings দেখার জন্য
   

Shift+Alt+6
   

Alt+6

Privacy Settings দেখার জন্য।
   

Shift+Alt+7
   

Alt+7

Facebook এর Profile দেখার জন্য
   

Shift+Alt+8
   

Alt+8

latest terms of service agreement
   

Shift+Alt+9
   

Alt+9

Search করার জন্য
   

Shift+Alt+?
   

Alt+?

নতুন Message লিখার জন্য
   

Shift+Alt+M
   

Alt+M

 

ভালো লেগে থাকলে শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানিয়ে দিন।

99
সৌদি আরবের এক ধনাঢ্য ব্যক্তি গরীব সেবার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি হাইল শহরে তার বাড়ির বাইরে ক্ষুধার্তদের জন্য একটি বিশাল ফ্রিজ রেখে দিয়েছেন। সেটি সবসময় রান্না করা খাবারে ভর্তি থাকে। তার দেখাদেখি প্রতিবেশীরাও এখানে খাবার রেখে দেন বলে গালফ নিউজের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে। গালফ নিউজে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যেসব লোক অভাবী কিন্তু লজ্জায় কারো কাছে হাত পাততে পারেন না তাদের জন্যই তিনি এই ব্যবস্থা নিয়েছেন। তবে প্রতিবেদনে ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি। দানশীল ব্যক্তির এই ঘটনা নিয়ে টুইট করেছেন সৌদি আলেম শেখ মোহাম্মদ আল আরেফ।

তিনি বলেন, ‘দানশীলতার জন্য হেইলের বাসিন্দাদের সুনাম রয়েছে। সেখানকার এক লোক তার বাড়ির বাইরে ফ্রিজভর্তি খাবার রেখে দিয়েছেন দরিদ্রদের জন্য। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে তিনি মানবসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।’ তার এই বিবৃতি ইতিমধ্যে পাঁচ হাজারেরও বেশি বার রিটুইট হয়েছে। আর টুইটারে তার অনুসারীর সংখ্যা হচ্ছে ৮৬ লাখ। এদিকে হেইল বাসিন্দার এই দরিদ্রসেবার ঘটনা সৌদি সোসাল মিডিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকে মসজিদ এবং বাড়ির বাইরে আরো বেশি খাবার ভর্তি ফ্রিজ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

100
আব্দুল্লাহ্ ইব্নে ইউসুফ (রা.) ও আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন জানাবত (ফরজ) গোসলের মত গোসল করে সালাতের জন্য আগমণ করে, সে যেন একটি উট কুরবানী করল। যে ব্যক্তি দ্বিতীয় পর্যায়ে আগমণ করে, সে যেন একটি গাভী কুরবানী করল। যে ব্যক্তি তৃতীয় পর্যায়ে যে আগমণ করে, সে যেন একটি শিং বিশিষ্ট দুম্বা কুরবানী করল। চতুর্থ পর্যায়ে যে আগমণ করে সে যেন একটি মুরগী কুরবানী করল। পঞ্চম পর্যায়ে যে আগমণ করল সে যেন একটি ডিম কুরবানী করল। পরে ইমাম যখন খুতবা প্রদানের জন্য বের হয় তখন ফেরেশতাগণ জিকির শোনার জন্য হাজির হয়ে থাকেন।

আবু নুআইম (রাহ.) ও আবু হুরায়ারা (রা.) থেকে বর্ণিত, জুমার দিন হজরত ওমর ইব্নে খাত্তাব (রা.) খুতবা দিচ্ছিলেন, এমন সময় এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করেন। হজরত ওমর (রা.) তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, সালাতে সময় মত আসতে তোমরা কেন বাধাগ্রস্ত হও? তিনি বললেন, আজান শোনার সাথে সাথেই তো আমি অজু করছি। তখন হজরত ওমর (রা.) বললেন, তোমরা কি নবি করিম (সা.) কে এ কথা বলতে শোননি যে, যখন তোমাদের কেউ জুমার সালাতে রওয়ানা হয়, তখন সে যেন গোসল করে নেয়।

জুমার দিনের বৈশিষ্ট্য : ইসলামি শরিয়তের বিধানে জুমার দিনের মাহাত্ম্য সীমাহীন। এই দিন মানব জাতির আদি পিতা- হজরত আদম (আ.) এর দেহের বিভিন্ন অংশ সংযোজিত বা জমা করা হয়েছিল বলেই দিনটির নাম জুমা রাখা হয়েছে। জুমার দিনকে আল্লাহ্পাক সীমাহীন বরকত দ্বারা সমৃদ্ধ করেছেন। এটি সপ্তাহের সেরা দিন। হাদিস শরিফের বর্ণনা অনুযায়ী এই বরকতময় দিনটি আল্লাহ্পাক বিশেষভাবে উম্মতে মুহাম্মদিকে (সা.) দান করেছেন।

নবি করিম (সা.) ইরশাদ করেন, সর্বাপেক্ষা উত্তম ও বরকতময় দিন হচ্ছে জুমার দিন। এই পবিত্র দিনে হজরত আদম (আ.) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং এই দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়। (মুসলিম শরিফ)

জুমার সমগ্র দিনটিই অপেক্ষার : হাদিস শরিফের বর্ণনা অনুযায়ী আল্লাহ্পাক জুমা দিবসের মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত লুকিয়ে রেখেছেন, যে সময়টাতে দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। আল্লাহ্র রাসূল (সা.) বলেন, জুমার সমগ্র দিবসটির মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত লুকিয়ে আছে যে সময়টাতে কোন বান্দা যদি নামাজরত থাকে বা- তাসবিহ্-তাহলিল কিংবা দোয়ায় মশগুল থাকে তবে আল্লাহ্পাক তাঁর আকুতি অবশ্যই কবুল করে থাকেন। এই হাদিসের মর্ম অনুযায়ী বুঝা যায় যে, জুমার দিন সবটুকুই অপেক্ষার। আল্লাহ নিকট দোয়া কবুল করানোর জন্য দিনভরই প্রস্ত্ততি থাকতে হবে।

বিশেষ সেই মূল্যবান মুহূর্তটি কখন- এ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ আলেমগণের বিভিন্ন মন্তব্য রয়েছে। কেউ বলেছেন, ফজরের সময় থেকে সূর্যোদয় সর্যন্ত এই মুহূর্তটি রয়েছে। কারো মতে জুমার সময় শুরু থেকে খুতবা ও জুমার নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত এই সময়টি হতে পারে। কারো মতে জুমার দিন আসরের সময় থেকে সূর্যাস্তের সময় পর্যন্ত এই সময় হতে পারে। এই ধরনের আরও কিছু বক্তব্য পাওয়া যায়।

হাদিস শরিফে জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, জুমা তোমাদের পারস্পরিক দেখা সাক্ষাত ও সাপ্তাহিক ঈদের দিন। তাই এই দিনটি রোজার জন্য নির্ধারিত করা সমীচীন নয়। জুমার আগের রাত্রিটিও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। হাদিস শরিফে বলা হয়েছে, জুমার পূর্ববর্তী রাতে বনি আদমের সমস্ত আমল মহান আল্লাহ্র দরবারে পেশ করা হয়। (বুখারি, আহমদ)

জুমার দিনের ফজর নামজ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, যারা এই নামাজের জামাতে শরীক হন আল্লাহ্পাক তাদের সকল গোনাহ্ মাফ করেন এবং অফুরন্ত নিয়ামতের ভাগী করেন। একমাত্র সম্পর্ক ছিন্নকারীদের ছাড়া। অর্থাৎ ঐ হতভাগ্যদের কোন আকুতি জুমার দিনের ফজরের শুভক্ষণেও আল্লাহ্র নিকট কবুল হয় না।(বুখারি)

হাদিস শরিফে আরও বর্ণিত হয়েছে যে, জুমার দিন ফজরের নামাজ জামাতের সাথে আদায়কারীর মত সৌভাগ্যবান আর কেউ হতে পারে না। কারণ, বান্দা যখন এই নামাজের পর হাত তোলে মুনাজাত করে তখন মহান আল্লাহ্পাক কোন অবস্থাতেই তা ফিরিয়ে দেন না। (বাইহাকি শরিফ)

জুমার দিনে কোরান তেলাওয়াত : জুমার দিন ফজর থেকে মাগরীবের মধ্যবর্তী সময়ে পবিত্র কোরানের সূরা ইয়াছিন, সূরা হুদ, সূরা কাহাফ এবং সূরা দোখান তেলাওয়াত কর, এই সূরাগুলিতে বর্ণিত বিষয়বস্ত্ত- অনুধাবন ও চিন্তাভাবনা করার বিশেষ ফজিলতের কথা হাদিস শরিফের বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে। বাইহাকি শরিফে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, জুমার দিন সূরা হুদ পাঠ করো। অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, তার জন্য এক জুমা থেকে অন্য জুমা পর্যন্ত বিশেষ নূরের বাতি জ্বালানো হবে। তিবরানি শরিফের এক বর্ণনায় রয়েছে যে, যে ব্যক্তি জুমার দিনে বা রাতে সূরা দোখান তেলাওয়াত করে, আল্লাহ্পাক তার জন্য জান্নাতে একটা বিশেষ মহল নির্মাণ করেন।

জুমার দিনে ও রাতে দরূদ শরিফ পাঠের ফজিলত : জুমার দিনে ও রাতে বেশি করে দরূদ শরিফ পাঠ করার বিশেষ ফজিলতের কথা বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ্ (সা.) ইরশাদ করেছেন, জুমার দিনে ও রাতে আমার প্রতি বেশি করে দরূদ শরিফ পাঠ করো। যে ব্যক্তি এরূপ দরূদ শরিফ পাঠ করবে, হাশরের ময়দানে আমি তার জন্য আল্লাহ সামনে সাক্ষ্য প্রদান করব এবং সুপারিশ করব। (বাইহাকি শরিফ)
নবি করিম (সা.) -এর সুসংবাদের ভিত্তিতেই সাহাবায়ে কেরামের যুগ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আবেদ-জাহেদ বান্দাগণ জুমা দিবসে সর্বাধিক দরূদ শরিফ পড়ে আসছেন। অত্যধিক দরূদ পঠিত হয় বলেই জুমার দিনকে ইয়াওমুজ্জাহারা অর্থাৎ ফুলেল দিবস এবং জুমার রাতকে লাইলাতুজ জাহরা বা ফুলেল রজনী নামে অভিহিত করা হয়। দুনিয়ার জীবনে হেদায়তের পথ প্রদর্শক এবং আখেরাতের চিরস্থায়ী শান্তি ও মুক্তির ঠিকানা জান্নাতের জিম্মাদার হজরত নবি করিম (সা.) -এর প্রতি দরূদ শরিফ ও সালাম পেশ করতে থাকা প্রত্যেক মুমিন নর-নারীদের জন্য পরম সৌভাগ্যের বিষয়। বিশেষ সময় ও দিনক্ষণের প্রতি লক্ষ্য রেখে দরূদ শরিফ বেশি করে পড়ার চেষ্টা করা সবারই একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য।

জুমার নামাজে হাজিরা ও খুতবা শ্রবণ : মুমিনের সাপ্তাহিক ঈদ সমাবেশ জুমার নামাজে আগেভাগে হাজির হওয়া এবং মনোযোগসহকারে জুমার বয়ান ও খুতবা শ্রবণ করার বিশেষ গুরুত্ব ও ফজিলতের কথা বলা হয়েছে। হাদিসের বর্ণনায় আছে যে, জুমার জামাতের সময় মসজিদের দ্বারদেশে রহমতের ফেরেশতাগণ অবস্থান গ্রহণ করে কে কখন হাজির হচ্ছে তা লক্ষ্য করেন। যারা নিতান্ত বিনয়, নম্রতা ও বিশেষ মনোযোগর সাথে জুমার হাজিরা দেন তাদের নাম রহমতপ্রাপ্ত বান্দাদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করে রাখেন। আল্লাহ্ তায়ালার পক্ষ থেকে শান্তির একটি আবাহ সৃষ্টি হয়। তাতে ইবাদতে মনোনিবেশ বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। হজরত নবি করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, জুমার দিন শয়তান বাজারগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং লোকজনকে কাজে কর্মে ব্যস্ত করে তোলে। আর ফেরেশতাগণ মসজিদের দরজায় উপস্থিত হয়ে হাজিরা লিপিবব্ধ করতে থাকেন মুসল্লিগণের পর্যায়ক্রমে উপস্থিতি। যারা খুতবা শুরু হওয়ার পরে এসে তাড়াহুড়া করে সামনে আসতে চেষ্টা করে, হাদিস শরিফে তাদের প্রতি কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করা হয়েছে। ইমাম তিরমিযি কর্তৃক বর্ণিত হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি জুমার জামাতে পরে এসে লোকজনের কাঁধ ডিঙ্গিয়ে সামনের দিকে স্থান নিতে চেষ্টা করে সে যেন নিজের জন্য জাহান্নামে যাওয়ার একটি সেতু নির্মাণ করলো।

ইমাম আহমদ (র.) বর্ণনা করেন যে, একদা রাসূল (সা.) জুমার খুতবা দিচ্ছিলেন, এ সময় এক ব্যক্তিকে উপবিষ্ট লোকদের কাঁধ ডিঙ্গিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হতে দেখে অত্যন্ত বিরক্তির সঙ্গে বললেন, ওহে! বসে পড় দেরিতে এসেছ এবং অন্যদের কষ্ট দিচ্ছ।

খুতবা শ্রবণের গুরুত্ব : পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, যখন জুমার দিন নামাজের জন্য আহবান জানানো হয় (অর্থাৎ আজান দেওয়া হয়) তখন দ্রুততার সাথে আল্লাহ্র জিকির (অর্থাৎ জুমার খুত্বা) শ্রবণের প্রতি ধাবিত হও। আর ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ কর। (সূরা জুমাআ) জুমার দিনে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অর্জনের লক্ষ্যে গোসল করা এবং সাধ্যমত উত্তম পোষাক পরিধান করারও হুকুম দেওয়া হয়েছে। জীবন জীবিকার ধান্দায় যাতে জুমার প্রস্ত্ততি ও খুত্বা শ্রবণে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়, সে দিকটির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়েছে যে, জুমার গুরুত্বের প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রতি ঝুকে পড়ো না। উত্তম রিযিকদাতা হচ্ছেন মহান আল্লাহ্।

উপরে আলোচিত পবিত্র কোরানের আয়াত এবং ও হাদিস প্রমাণ করে যে, জুমার দিন এবং এ পবিত্র দিনের ইবাদত বন্দেগীর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান ও জীবন জীবিকার দোহাই দিয়ে এই দিনের গুরুত্ব বিনষ্ট করা কোন ঈমানদার ব্যক্তির কাজ হতে পারে না। আল্লাহ আমাদের সবাইকে পবিত্র জুমার দিনের গুরুত্ব ও মর্যাদা অনুধাবন করার এবং আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

101
Psychological Disorder / Tips to get rid of depression
« on: April 22, 2014, 04:48:23 PM »
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন পৃথিবীতে এমন কোনো ওষুধ নেই যা আপনাকে বিষন্নতা থেকে মুক্তি দেবে। ওষুধ হয়ত সাময়িক সময়ের জন্য আপনার মানসিক অবসাদ কমিয়ে রাখবে কিন্তু কখনোই অবসাদ বা বিষন্নতা থেকে মুক্তি দেবে না। বরং জীবনের সামান্য কিছু পরিবর্তন আপনার মানসিকতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে, যা বিষন্নতা প্রতিরোধে সহায়ক হবে।


১. পর্যাপ্ত ঘুম

একটি রাত খারাপ কাটানোর জন্য ঘুম না হওয়াটাই যথেষ্ট। গবেষকরা বলছেন, সার্কাডিয়ান রিদমের সঙ্গে বিষন্নতা বা ডিপ্রেশনের যোগ আছে। এই সার্কাডিয়ান রিদম (একে মস্তষ্কে বা মানুষের শরীরের প্রাকৃতিক ঘড়িও বলা যায়) মস্তিষ্কে মেলাটিন হরমোনের নিঃসরণ ঘটায় যা মানুষকে ঘুমাতে সাহায্য করে। এবং সম্পূরক হিসেবে ব্যবহার করে হালকা থেরাপির মাধ্যমে বিষন্নতা প্রতিরোধে সহায়তা করে।
চরম বিষন্নতার সঙ্গে আপনার লেনদেন থাকলে এবং এ থেকে মুক্ত হতে চাইলে পর্যাপ্ত ঘুম আপনার বিষন্নতা প্রতিরোধে প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে।


২. শরীরচর্চা

আপনি হয়ত আগেই শুনেছেন নিয়মিত শরীরচর্চা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কিন্তু শোনা পর্যন্তই শেষ। যারা নিয়মিত শরীর চর্চা করেন না তাদের জন্য বলছি, নিয়মিত শরীর চর্চা শুধু শরীরের জন্যই না বরং মেজাজ ঠিক রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এজন্য আপনাকে ম্যারাথনে দৌড়াতে হবে বা ভারি কোনো কিছু করতে হবে এমন নয়।
সম্প্রতি বিষন্ন ব্যক্তিদের শরীর চর্চার জন্য তাদের বাইসাইকেল চালাতে দেওয়া হয়। পরে গবেষণায় উঠে এসেছে যারা বাইসাইকেল চালিয়েছে মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে তাদের আচরণ ও শরীরে মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী হরমোন করটিসলের মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।


৩ রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা

শুধুমাত্র একঘণ্টা দেরিতে সকালের নাস্তা খাওয়ার জন্য আপনার নিজেকে কি কখনো বিপর্যস্ত মনে হয়েছে? অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, শরীরে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া মন তিরিক্ষি হয়ে যাওয়ার এক তরফা কারণ।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে বিষন্নতার ক্ষেত্রে চিনি ‍বা শর্করার অভাব চিন্তার চেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। গবেষকরা ৬টি দেশের ডাটা পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, চিনি শোষণ বা শর্করা কমে যাওয়া এবং বিষন্নতার মাত্রার ভেতরে একটি উল্লেখযোগ্য আন্তঃসম্পর্ক রয়েছে।

বিষন্নতা ‍কিংবা বিকেলের অবসাদ যেটাই দূর করতে চান না কেন রক্তে চিনি বা শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে হবে। কাজেই প্রতিদিন নিয়মিতভাবে প্রোটিনযুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে হবে।


৪. স্বাস্থ্যসম্মত খাবার

আপনি কি আপনার খাবারের তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ মাছ রাখেন? গবেষণায় দেখা গেছে মাছের মধ্যে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বিষন্নতা কমাতে সহায়তা করে। তিসি বীজ আর ‍আখরোট ওমেগা-৩ এর একটি ভালো উৎস। সব ধরনের মাছ, বিশেষ করে স্যামন ও ‍অন্যান্য লোনাপানির মাছ এবং মিষ্টি পানির মাছের মধ্যে রুই মাছে বেশি পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাট পাওয়া যায়।

৫. জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ

যদি আপনি নিয়মিত খাদ্যগ্রহণ করেন, পর্যাপ্ত ঘুমান এবং নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন তাহলে এমন কিছুই নেই যা আপনার মনকে বিষিয়ে তুলতে পারে বা বিষন্ন করতে পারে।
জাপান কমিউনিটিতে বয়োবৃদ্ধ মানুষের ওপর চালানো এক গবেষণায় দেখা যায় যে, গবেষকরা তাদের জীবন ধারণ সম্পর্কে জানতে রি-কল রীতি ব্যবহার করেন। তারা দেখেন যে সব লোক পরিমিত খ্যাদ্য, নিয়মিত এক্সারসাইজ, এবং তাদের জীবনের ছোট ছোট চাওয়া-পাওয়া পূরণ করতে পেরেছেন তাদের জীবনে কোনো বিষণ্নতার ইতিহাস নেই। এমন একটি উপায় বা কাজ খুঁজে বের করুন যা আপনাকে আনন্দ দেবে, আপনার মন ভালো রাখবে এবং আপনাকে বিষন্নতার ঝুঁকিমুক্ত রাখবে।

102
Fruit / Infinitely filled with raw mango
« on: April 22, 2014, 04:36:52 PM »
আম যদিও আমাদের জাতীয় ফল নয়, তবে অবশ্যই প্রিয় ফল। এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না, যে আম খেতে পছন্দ করে না। আম কাঁচা অথবা পাকা যেভাবেই খাওয়া হোক তা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অনেক ক্ষেত্রে পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমের গুণ আরও বেশি। কাঁচা আমের গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে সত্যিই অবাক হতে হয়।

জেনে নিন কাঁচা আমের উপকারিতা:
আমাদের শরীরের রক্ত পরিস্কার রাখে
কাঁচা আম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে
ক্যারোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ কাঁচা আম চোখ ভালো রাখে
বিটা ক্যারোটিন থাকায় হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে
পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করে
কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় রক্তসল্পতা সমস্যা সমাধানে বেশ উপকারী
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় গরমে ঠাণ্ডা জতীয় রোগ প্রতিরোধ
কিডনির সমস্যা প্রতিরোধ সাহায্য করে
লিভার ভালো রাখে
নিঃশ্বাসের সমস্যা, জ্বরের সমস্যা উপশম করে
অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে
ত্বক উজ্জ্বল করে
দাঁতের রোগ প্রতিরোধ করে
ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় কোষ্টকাঠিন্য দূর করে
এছাড়া ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।


এখন কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। এমন কি পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন সি বেশি পরিমাণে থাকে। বেশি বেশি কাঁচা আম খেয়ে, শরীরের বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করুন।

103
helpful information.............

104
Al hamdulillah............valuable post

105
effective post.......thanks

Pages: 1 ... 5 6 [7] 8 9 ... 12