Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - Md. Khairul Bashar

Pages: 1 [2] 3 4 ... 14
We don't always have class presentations but when we do we must make sure that the faculties are impressed, grades are secure, our teammates are proud and opponents are jealous. On top of that, it is mandatory to look 'presentable' in sarees or suits during a presentation. It is difficult to pull off a presentation, be it group or individual, and they often require all-nighters and stressful practice sessions but here we are, with a few tips and tricks to make your efforts count and your presentations stand out visually.

The choice of fonts might seem to be of little value but it dramatically changes what and how your audience perceives something. Use your own font instead of the default fonts on your computer. For instance, my team used Harry Potter fonts for an English class presentation on Harry Potter and yes, it was cool. Just make sure that you check the option for embedding the font or else it might not show up on a different computer.

High resolution images can make your presentation stand out. Look for professional quality images that are royalty-free using a free stock photo search engine such as or

Diagrams and shapes
Paragraphing and bullet lists can be monotonous. Use SmartArt function to create diagrams and flow charts in less time and deliver information better. Remember to choose the best type of chart for your data so you are presenting your information as clearly as possible.

Microsoft provides a range of PowerPoint templates, many of which are professionally designed. Even better, Microsoft's picture and text effects templates include visually attractive slides that combine graphics with simple or animated text. Do take care of the colour combination for your templates and text. Often presentations can appear dull and hazy on a projector if colours are used without thought.

To add value to PowerPoint's potential, use third party add-ins. For example, you can use LiveWeb to insert web pages into a PowerPoint slide and refresh the pages real-time during slide show, allowing you to make amazing PowerPoint presentations with real time information.

Use Multimedia
Often a video clip explains better to your audience what you have been trying to build up in the past 30 slides. Either you download a few videos from YouTube and sew them together to create your own or make a video all by yourself; Windows Movie Maker can do wonders to your work. PowerPoint allows you to either link to video/audio files externally or to embed the media directly in your presentation. Embedding will look much more professional than switching between windows. The steps to insert videos are very similar to those for inserting sound: Select Insert Menu > Movies and Sounds> Movie from File.

Alternatives to PowerPoint
PowerPoint is still the most widely used presentation tool, but if you think it is too commonplace or find its linear format too limiting, many alternatives can fill in for your presentation creation needs. These include Prezi which is a great tool for non-linear presentations. It has a unique zooming interface that gives your work some motion. This presentation software is definitely a popular choice but it's the best tool for those who need to constantly jump from one part of their presentation to another. Another great presentation tool is Powtoon. If you want to stir your audience with a great pitch, story and emotional hooks, Powtoon allows you to present using animated characters and introduce 'story telling' rather than narration of facts. You can even create short animated video clips using Powtoon which are great at engaging your audience.


একটা সময় ছিল যখন ঈদের ছুটি মানেই আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সময় কাটানো বা ঘোরাঘুরি। যুগ পাল্টেছে। এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে ঈদের ছুটি কাটাতে যাচ্ছে এদেশের মানুষ। এবারের ঈদে যারা বিনা ভিসায় দেশের বাইরে ঈদের ছুটি কাটাতে চান তাদের জন্য একটি তালিকা দেওয়া হলো। এ তালিকায় রয়েছে সেসব দেশের নাম ও দরকারী তথ্য যেখানে বিনা ভিসা বা অন অ্যারাইভেলে যাওয়া যায়। 

ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে:

•    এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা)
•    শ্রীলংকা (৩০ দিন) আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস)
•    মালাউই (৯০ দিন)
•    সেশেল (১ মাস)
•    আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন)
•    হাইতি (৩ মাস)
•    গ্রানাডা (৩ মাস)
•    সেন্ট কিট্স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস)
•    সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস)
•    টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন)
•    মন্টসের্রাট (৩ মাস)
•    ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন)
•    ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস)
•    কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন)
•    নাউরু (৩০ দিন)
•    পালাউ (৩০ দিন)
•    সামোয়া (৬০ দিন)
•    টুভালু (১ মাস)
•    নুউ (৩০ দিন)
•    ভানুয়াটু (৩০ দিন)
•    মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।

এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে:
•    এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার)
•    জর্জিয়া (৩ মাস)
•    লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
•    মালদ্বীপ(৩০ দিন)
•    মাকাউ (৩০ দিন)
•    নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
•    সিরিয়া (১৫ দিন)
•    পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
•    আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক)
•    মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ)
•    মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার)
•    টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ)
•    উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)।

তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন। আর আপনার কাছে ফিরতি টিকেট ও হোটেল বুকিং এর কাগজ অবশ্যই থাকতে হবে।

এ বিষয়ে কারও কোন সন্দেহ থাকলে Google-এ search দিয়েও যাচাই করে নিতে পারেন। সব দেশের অ্যাম্বেসির ই-ওয়েবসাইট আছে, সেখান থেকেও তথ্য যাচাই করে নিতে পারেন। ভিন্ন ভাষায় হলে Google Translator ব্যবহার করুন।


Journalism & Mass Communication / Iftar Recipe for the Bachelors
« on: July 12, 2014, 04:04:56 PM »
ব্যাচেলরের ইফতার মানেই যেন দোকানের একগাদা ভাজাভুজি। প্রতিদিন একই ধরনের ইফতারে খাবারের রুচিই চলে যায়। কিন্তু খুব সহজে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন একটু ভিন্ন কিছু। ব্যাচেলরদের কথা ভেবে সহজে তৈরি করা যায় এবং সুস্বাদু ও পুষ্টিকর কিছু ইফতার রেসিপি দিয়েছেন রান্না-বিশেষজ্ঞ নাজমুন নাহার।

ফল চিড়া
উপকরণ: লাল চাড়ি ১ কাপ, কাঠবাদাম ১ টেবিল চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল চামচ, খেজুর ২-৩টি, সবরি কলা ও আম কিউব করে কাটা ১ কাপ।
প্রস্তুতি: চিড়া ঝেড়ে তাতে কাঠবাদাম ও কিশমিশ দিয়ে চাল ধোয়ার মতো করে ধুয়ে নিয়ে নিন। কাঠবাদাম আলাদা রাখুন। খেজুর পানিতে ভিজিয়ে রেখে বিচি ফেলে দিন। আলাদা বাটিতে কলা ও আম-দুধ দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। একটা স্যুপের বাটিতে অর্ধেক চিড়া নিয়ে তাতে আম+কলা+দুধ ঢেলে নিন। শেষে কাঠবাদাম ও খেজুর ছোট ছোট করে কেটে ছেড়ে দিন।

ছোলার সালাদ
উপকরণ: ছোলা সেদ্ধ ১ কাপ, গাজর কিউব করে কাটা আধা কাপ, বরবটি কুঁচি আধা কাপ, ছোট একটা পেঁয়াজের কুঁচি, কাঁচা মরিচ ৩-৪টি, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণ মতো।
প্রস্তুতি: গাজর ও বরবটি সামান্য লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে, ভালো করে পানি ঝরিয়ে বাকি সব উপকরণের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করতে হবে ছোলার সালাদ।

আমের কিউব শরবত
উপকরণ: পানি একটি গ্লাসের ৪ ভাগের ৩ ভাগ, চিনি ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ (চাইলে বেশিও দেওয়া যাবে), আম ছোট ছোট কিউব করে কাটা আধা কাপ।
প্রস্তুতি: গ্লাসে পানি, চিনি ও লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে তার ওপর আমের ছোট ছোট কিউবগুলো দিয়ে দিতে হবে। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল আমের কিউব শরবত।

আনারসের শরবত
উপকরণ: আনারসের রস এক গ্লাসের ৩ ভাগের ২ ভাগ, পানি ৩ ভাগের ১ ভাগ, লেবুর রস ১ চা চামচ, চিনি ২ চা চামচ।
প্রস্তুতি: আনারস ছিলে খাবার পানিতে ধুয়ে ব্লেন্ডারে রস করে নিতে পারেন। কিংবা দুই ফালি করে কেটে চার টুকরো করে নিন, প্রতিটা টুকরো ভালো করে কাটা চামচ দিয়ে থেঁতলে রস বের করতে হবে। গ্লাসে রস ঢেলে তার সাথে একটু লেবুর রস, পরিমাণ মতো চিনি ও পানি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। ব্যাস তৈরি আনারসের শরবত।


Journalism & Mass Communication / Smart Fan !
« on: June 09, 2014, 04:57:11 PM »
তীব্র গরমে অতিষ্ঠ? নিশ্চয়ই ঘরের ফ্যানের গতিটা আরেকটু বাড়িয়ে দিতে আপনার মন চাইছে। আপনার ফ্যানটি যদি স্মার্টফ্যান হয়, সেক্ষেত্রে আপনার শরীরের অবস্থা বিবেচনা করে ফ্যানটি নিজেই তার গতি কমিয়ে বা বাড়িয়ে নিতে সক্ষম হবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকির বিগ অ্যাস সলিউশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে এমনই এক ‘স্মার্টফ্যান’।

কী আছে স্মার্টফ্যানে? ফ্যানের নির্মাতা একে বলছেন ‘হাইকু সিলিং ফ্যান উইথ সেন্সমি’। এতে আছে  বিল্ট-ইন ওয়াই-ফাই, মোশন ডিটেকশন, হিট ও হিউমিডিটি সেন্সর। স্মার্টফোনের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে এই ফ্যানটি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। স্মার্টফ্যানটির নির্মাতা জানিয়েছেন, এ সিলিং ফ্যানে যে বিশেষ ফিচারগুলো রয়েছে তা পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বেশি গরম থাকলে ফ্যান বেশি জোরে ঘুরবে আর আবহাওয়া ঠান্ডা হলে ফ্যান আস্তে ঘুরবে। ফ্যানে এলইডি বাতি লাগানোর সুবিধাও আছে। স্মার্টফ্যানের স্মার্ট প্রযুক্তিগুলো লোভনীয় হলেও এর দাম একটু বেশি। প্রযুক্তি-গবেষকেরা তাঁদের রিভিউতে বলছেন, হাইকু ফ্যানটির কমদামি মডেল বাজারে এলে ক্রেতা-বান্ধব হবে।

প্রায় এক হাজার ১০০ ডলার দামের এই স্মার্টফ্যান আগামী বছর নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে পাওয়া যেতে পারে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।



ম্যাডাম, সুন্দর ছবি বলে আপনি মনে হয় এই ছবিটা-ই বুঝিয়েছেন।

Cricket / Re: Clemon Indoor Uni Cricket Tournament 2014
« on: April 15, 2014, 04:38:22 PM »
Congratulations to DIU Cricket Team and best wishes for today's match against Dhaka University.

Journalism & Mass Communication / Happy Spring
« on: February 13, 2014, 01:42:31 PM »
In Bengali, Pohela stands for 'first' and 'Falgun' is eleventh month of the Bengali calendar. So, Pohela Falgun is the first day of Bengali month Falgun. The first of Falgun usually falls on 13 February of the Gregorian Calendar.

The day announces the coming of spring in the nature and human life. After a long period of winter of stillness, motionlessness, lifelessness, the nature comes back to life. New green leaves are born on the branches of trees and such a natural change makes people enthusiastic and lively. In winter, the nature becomes dead. You can hear only rustle of dry leaves all around the nature. But with the beginning of the month Falgun, first month of Bashonto (Spring), new buds are born on the trees and you can feel a smooth breeze. Pahela Falgun has turned to a great festival in Bangladesh and West Bengal and in the other Indian states, including Assam, Tripura, Jharkhand and Orrisa. Women are draped in yellow Saris and men wear yellow Panjabi. Different types of programs are held on the eve of this day. Colorful rally comes out to street welcoming the spring. Musical programs are organized at several places. Places all around the country puts on green. The yellow colors of the dresses of the people make the nature livelier.

Pahela Falgun is becoming a part and parcel in the tradition of Bangalees. People from all level of the society observes the day spontaneously making the as a sign of their culture.

Source: Wikipedia, TRIPBD

Journalism & Mass Communication / Re: Eid-festival in Bangladesh
« on: February 12, 2014, 11:53:40 AM »
The main theme of Eid-festival is same all over the world that is wearing new dresses, going to prayer, preparing delicious foods, going outside the home to celebrate the occasion with friends and family etc. You will get some differences in the style of dresses, taste of foods and few programs to celebrate the occasion. Thanks........

১৬ হাজার ২২২টি ছবির মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের আলোকচিত্রী কাজী রিয়াসাত আলভী। গত বছর শৌখিন আলোকচিত্রীদের জন্য ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল (এনজিসি) ও ক্যানন সিঙ্গাপুর আয়োজিত ‘এক্সপ্লোর টু ইনস্পায়ার’ প্রতিযোগিতার সেরা নির্বাচিত হয় রিয়াসাতের ‘প্লেয়িং ইন দ্য মাডিফিল্ড’ শিরোনামের আলোকচিত্র।

পুরস্কার হিসেবে কাজী রিয়াসাত আলভী পেয়েছেন ক্যাননের ইওএস ফাইভডি মার্ক থ্রি ডিএসএলআর ক্যামেরা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রানসিস্কোতে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক আয়োজিত আলোকচিত্র কর্মশলায় অংশগ্রহণের সুযোগ। বিশ্বখ্যাত সাময়িকী ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক-এর মার্চ, ২০১৪ সংখ্যায় রিয়াসাতের ছবিটি প্রকাশ পাবে।

গত সোমবার ঢাকার বিসিএস কম্পিউটার সিটিতে ক্যানন প্রিন্টার ও ক্যামেরার পরিবেশক জেএএন অ্যাসোসিয়েটস এক অনুষ্ঠানে রিয়াসাতের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ বলেন, ‘আমাদের এই তরুণেরা দেখিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ পিছিয়ে নেই।’ জেএএন অ্যাসোসিয়েটসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ এইচ কাফি বলেন, আলভীর এই বিজয় শুধু তাঁর বিজয় না, বরং সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের বিজয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিএস কম্পিউটার সিটির সভাপতি মুজিবুর রহমান, রায়ানস আইটির প্রধান নির্বাহী আহমেদ হাসানসহ অনেকে।


Journalism & Mass Communication / About Suchitra Sen
« on: January 27, 2014, 10:36:56 AM »
Personal life and education
Suchitra Sen was born in Pabna, in the present-day Pabna District of Bangladesh, on 6 April 1931. Her father Late Karunamoy Dasgupta was the headmaster of the local school, and her mother Indira Devi was a homemaker. She was their fifth child and third daughter. She received her formal education in Pabna.

Suchitra Sen married Dibanath Sen, son of wealthy Bengali industrialist Adinath Sen, in 1947 and had one daughter, Moon Moon Sen, who is a former actress. Her father-in-law Adinath Sen was supportive of her acting in films after her marriage. Her industrialist husband initially invested a lot in her career and gave her all possible support.

Suchitra Sen made a successful entry into Bengali films in 1952, and then a less successful transition to the Bollywood film industry. According to persistent but unconfirmed reports in the Bengali press, her marriage was strained by her success in the film industry.

Suchitra Sen made her debut in films with Shesh Kothaay in 1952, but it was never released. The following year saw her act opposite Uttam Kumar in Sharey Chuattor, a film by Nirmal Dey. It was a box-office hit and is remembered for launching Uttam-Suchitra as a leading pair. They went on to become the icons for Bengali dramas for more than 20 years, becoming almost a genre unto themselves.

She received a Best Actress Award for the film Devdas (1955), which was her first Hindi movie. Her Bengali melodramas and romances, especially with Uttam Kumar, made her the most famous Bengali actress ever. Her films ran through the 1960s and '70s. She continued to act in films even after her husband died, such as in the Hindi film Aandhi (1974). Aandhi was inspired by India's Prime Minister Indira Gandhi. Sen received a Filmfare Award nomination as Best Actress, while Sanjeev Kumar, who essayed the role of her husband, won the Filmfare as Best Actor.

One of her best known performances was in Deep Jwele Jaai (1959). She played Radha, a hospital nurse employed by a progressive psychiatrist, Pahadi Sanyal, who is expected to develop a personal relationship with male patients as part of their therapy. Sanyal diagnoses the hero, Basanta Choudhury, as having an unresolved Oedipal dilemma. He orders Radha to play the role though she is hesitant as in a similar case she had fallen in love with the patient. She finally agrees and bears up to Choudhury's violence, impersonates his mother, sings his poetic compositions and in the process falls in love again. In the end, even as she brings about his cure, she suffers a nervous breakdown. The film is noted for its partly lit close-ups of Sen, which set the tone of the film. Asit Sen remade the film in Hindi as Khamoshi (1969) with Waheeda Rehman in the Suchitra Sen role.

Suchitra Sen's other landmark film with Asit Sen was Uttar Falguni (1963). She plays the dual role of a courtesan, Pannabai, and her daughter Suparna, a lawyer. Critics note that she brought a great deal of poise, grace and dignity to the role of a fallen woman determined to see her daughter grow up in a good, clean environment.

Suchitra Sen's international success came in 1963, when she won the best actress award at the Moscow International Film Festival for the movie Saat Paake Bandha, becoming the first Indian actress to receive an international film award.

A film critic summed up Suchitra Sen's career and continuing legacy as "one half of one of Indian cinema's most popular and abiding screen pairs, Suchitra Sen redefined stardom in a way that few actors have done, combining understated sensuality, feminine charm and emotive force and a no-nonsense gravitas to carve out a persona that has never been matched, let alone surpassed in Indian cinema"

In retirement
Suchitra Sen refused Satyajit Ray's offer due to a scheduling problem. As a result, Ray never made the film based on the novel Devi Chaudhurani. She also refused Raj Kapoor's offer for a film under the RK banner.

Sen continued to act after her husband's death in 1970, but called it a day when Pronoy Pasha flopped, and retired from the screen in 1978 after a career of over 25 years to a life of quiet seclusion. She was to do a film project Nati Binodini, also starring Rajesh Khanna, but the film was shelved mid-way after shooting when she decided to quit acting.

She assiduously avoided the public gaze after her retirement and devoted her time to the Ramakrishna Mission. Suchitra Sen was a contender for the Dadasaheb Phalke Award in 2005, provided she was ready to accept it in person. Her refusal to go to New Delhi and personally accept it from the President of India deprived her of the award.

Suchitra Sen was admitted to the hospital on 24 December 2013 and was diagnosed with a lung infection. She was reported to have been recovering well in the first week of January. She died at 8.25 am on 17 January 2014, due to a heart attack.

Suchitra Sen's death has been condoled by many leaders, including the President of India Dr. Pranab Mukherjee, the Prime Minister Dr. Manmohan Singh, Prime Minister of Bangladesh, Sheikh Hasina, and BJP's Prime Ministerial candidate Narendra Modi. A gun salute was given before her cremation, as ordered by Mamata Banerjee, the Chief Minister of West Bengal.

Respecting her fierce desire for complete privacy, her last rites were performed at Kolkata's Kaioratola crematorium, barely five and half hours after she breathed her last, with her coffin reaching the crematorium in a flower decked hearse with dark-tinted windows. Despite being Bengal's greatest star, referred to as "Mahanayika", she had consciously chosen to step into oblivion and she remained an enigma till her last, although thousands of fans had converged at the crematorium to catch one last glimpse of their idol. Her entire medical treatment had also been done in seclusion and secrecy.

Source : wikipedia

Public Health / History of the Stethoscope
« on: January 26, 2014, 10:33:38 AM »
The word stethoscope is derived from the two Greek words, stethos (chest) and scopos (examination). Apart from listening to the heart and chest sounds, it is also used to hear bowel sounds and blood flow noises in arteries and veins.

Since mankind first began to study human physiology, and the physical characteristics associated with various ailments, it has been obvious that the heart plays a crucial role in our bodies. The sounds it makes, as well as the sounds that the surrounding organs, such as the lungs, make can be crucial indicators when examining a patient. The act of listening to these sounds, known as auscultation, has been refined using even more powerful tools to aid physicians in this crucial examination.

In the early 1800’s, and prior to the development of the stethoscope, physicians would often perform physical examinations using techniques such as percussion and immediate auscultation. In immediate auscultation, physicians placed their ear directly on the patient to observe internal sounds.
This technique suffered from several drawbacks, the foremost being that it required physical contact between the physician and the patient and proper placement of the ear. In addition, the sounds observed by the physician were not amplified in any way, creating the possibility of missing key sounds that might indicate potential illness. Finally, the act of performing immediate auscultation could be awkward for both the physician and patient.

To resolve the limitations of immediate auscultation, a French doctor named Rene Theophile Hyacinthe Laënnec (1781–1826) at the Necker-Enfants Malades Hospital in Paris invented the first stethoscope in 1816. During an examination of a patient, he was afforded few diagnostic clues from application of a hand to the chest or the commonly used percussion method. Reluctant to perform immediate auscultation on the young female patient, he used a rolled sheet of paper to create an aural tube and facilitate auscultation. He was excited to discover that the heart sounds were clearly audible, and this discovery later lead to the development of the first device specifically for this purpose.  The first stethoscope consisted of a wooden tube and was monaural. Similar to a hearing aid known as an ear trumpet, it allowed the physician to more comfortably perform auscultation.
It would not be until 1851 when the stethoscope had its next major improvement, which was to make the device bi-aural. Invented by Irish physician Arthur Leared, it was refined in 1852 by George Cammann for commercialization. Cammann also wrote a major treatise on diagnosis by auscultation, which the refined binaural stethoscope made possible. (4) Initially there was some concern that the bi-aural stethoscope could create hearing imbalances which might be problematic during examinations, but by the early 1900’s these concerns had largely subsided and the bi-aural stethoscope was a commonly used diagnostic instrument.

Throughout the 20th century many minor improvements were made to these iconic devices to reduce weight, improve acoustic quality, and filter out external noise to aid in the process of auscultation. Electronic versions of the stethoscope were introduced to further amplify sound. Stethoscopes are now available in a wide array of styles, with designs available for virtually every branch of medicine.

Despite all of the improvements and changes, the basic principle behind the stethoscope continues to remain the same; to provide physicians with the means to perform auscultation and identify specific sounds within the body.


সকালের নাস্তা দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হিসেবে ধরা হয়। সকালের ভালো নাস্তা সারাদিনের ভালো কাজের জন্য মনকে প্রফুল্ল রাখে, দিনের কাজের জন্য শরীরকে প্রস্তুত করে তোলে। সকালের নাস্তার গুরুত্ব এড়িয়ে গেলে শরীরের ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকেরা। সকালের নাস্তা নিয়ে যে সাধারন ভুল আমরা করে বসি তা এড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সকালে জুস নয়
সকালে উঠে ব্লেন্ডারে ফলের জুস তৈরি করতে যাচ্ছেন? গবেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে জুসের পরিবর্তে ফল খান এবং সঙ্গে এক গ্লাস পানি। জুস তৈরি করলে ফলের ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়।

সকালে পরিমাণমতো নাস্তা খান
সকালে একেবারে কম খেয়ে সারাদিন যা খুশি তাই খেলে শরীরের ওজন বেড়ে যেতে পারে। অনেকে ধারণা করেন, দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকার পর যা খুশি তাই খেলে ওজন বাড়ে না। কিন্তু গবেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে সকালের পরিমাণ মতো নাস্তা খাওয়ার।

সকালের চা এক কাপ
সকালে এক কাপ চা বা কফি পান করলে আপনার মেজাজ ভালো থাকবে। কিন্তু সকালে উঠে একাধিক কাপ চা কফি পানের অভ্যাস তৈরি হলে ঘুমের ব্যাঘাত হতে পারে আবার শরীরে তার খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।

সকালে বার্গার-স্যান্ডউইচ নয়
চকলেট, প্যানকেক, বার্গার, স্যান্ডউইচের মতো উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার সকালের নাস্তায় এড়িয়ে চলুন। উচ্চ ক্যালরির খাবারের পরিবর্তে শসা, ফল, বাদাম প্রভৃতি খেতে পারেন।

সকালের নাস্তা গুরুত্বহীন ভাবা ঠিক নয়
অনেকেই সকালের নাস্তাকে গুরুত্ব দেন না যা আসলে ঠিক নয়। রাতে খাবার ঠিকমতো খেলেও সকালের নাস্তা গুরুত্বপূর্ণ। সকালের কাজে বের হওয়ার তাড়া থাকলেও সকালের নাস্তা সেরে বের হওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। সকালে ঠিকমতো নাস্তা না হলে সারাদিন আলস্য ভর করতে পারে।

সকালের নাস্তায় ডিম ভাজা
সকালবেলা চিনিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়ার চেয়ে ডিমভাজি খাওয়ার পরামর্শ দেন গবেষকেরা। ভাজা ডিমে ট্রাইপটোফ্যান নামের এক ধরনের বিশেষ যৌগের উপস্থিতির কথা জানিয়েছেন গবেষকেরা যা মস্তিষ্কে ভালো অনুভূতির জন্ম দেয়। কলা ও বাদামেও এই যৌগটি রয়েছে। তাই সকালের নাস্তায় এই উপাদানগুলোযুক্ত হলে সারাদিন ভালো কাটতে পারে।


Nutrition and Food Engineering / Benefits of Tomatoes
« on: November 24, 2013, 12:52:09 PM »

শীতকালীন সবজির মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও উল্লেখযোগ্য হলো টমেটো। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর এই টমেটোর আছে নানা গুণ।

—টমেটো হচ্ছে একমাত্র সবজি যাতে চার রকমের ক্যারোটিনয়েড বা ভিটামিন ‘এ’ আছে বিপুল পরিমাণে। এই ক্যারোটিনয়েড বা ভিটামিন ‘এ’ ত্বক ও চোখের সুস্থতা এবং দেহের রোগপ্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে খুবই উপযোগী।

—টমেটোর লাইকোপিন প্রস্টেট ও অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার রোধে সাহায্য করে। এটি অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ৩১ শতাংশ কমাতে পারে।

—ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই—এই তিনটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এত বিপুল পরিমাণে একসঙ্গে অন্য কিছুতে নেই।

—পটাশিয়ামের খুবই ভালো উৎস টমেটো। এক কাপ টমেটোর জুসে প্রায় ৫৩৪ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম আছে। তবে এই জন্য কিডনি রোগীদের আবার বেশি টমেটো খাওয়া মানা।

—এক কাপ বা ১৮৯ গ্রাম টমেটোতে আছে ৩৮ শতাংশ ভিটামিন সি, ৩০ শতাংশ এ, ১৮ শতাংশ ভিটামিন কে, ১৩ শতাংশ পটাশিয়াম ও ১০ শতাংশ ম্যাঙ্গানিজ। এ ছাড়াও আছে ভিটামিন ই, লৌহ, ফলেট ও আঁশ। এত গুণের কারণে এই মৌসুমে প্রতিদিন সালাদের সঙ্গে টমেটো চাই।


Headache / Migraine in pregnancy
« on: November 18, 2013, 10:07:01 AM »
নারীর মাইগ্রেন বেশি হয়। মাসিকের আগে-পরে হরমোনের ওঠানামা, জন্মবিরতিকরণ বড়ি, কিছু বিশেষ খাবার-দাবার যেমন চকোলেট, পনির ইত্যাদি নারীদের মাইগ্রেনে আক্রান্ত হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে গর্ভধারণকালে এই নারীদের মাইগ্রেনের প্রকোপ অনেকটাই কমে আসে।

তার পরও যদি গর্ভাবস্থায় মাইগ্রেনে আক্রান্ত হয় তবে কিছু বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। কেননা এই সময় অনেক ওষুধ চাইলেও সেবন করা যাবে না। রক্তে শর্করাস্বল্পতা ও পানিশূন্যতা মাথাব্যথার পরিমাণ বাড়াবে। তাই এ সময় ঘন ঘন কম পরিমাণে আহার করতে হবে, প্রচুর পানি খেতে হবে এবং শর্করাজাতীয় খাদ্য অল্প পরিমাণে হলেও খেতে হবে। চাই প্রচুর বিশ্রাম।

ওষুধ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে, বিশেষ করে প্রথম তিন মাসে। প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ নিরাপদ। তবে অন্য সময় মাইগ্রেনে যেসব ওষুধ দেওয়া হয় যেমন: কোডিন, ট্রিপট্যান বা আরগোটঅ্যামাইন ইত্যাদি খাওয়া নিষেধ। শিথিলায়ন পদ্ধতি কাজে আসতে পারে। মানসিক চাপ কমান, হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন।


Journalism & Mass Communication / The Largest Cable Car of the Country
« on: November 17, 2013, 04:27:08 PM »
পৃথিবীর তৃতীয় সর্ববৃহৎ দীর্ঘ ২ কিলোমিটার লম্বা ক্যাবল কার স্থাপিত হল চট্রগ্রামের রাঙ্গুনিয়াতে। ক্যাবল কারে চড়ে উপর থেকে দেখা যাবে পাহাড়ে ঘেরা কৃত্রিম লেক এবং অ্যাভিয়ারি এন্ড রিক্রিয়েশন পার্ক(পাখি দের অভয়আশ্রম)।


    অ্যাভিয়ারি এন্ড রিক্রিয়েশন পার্ক চট্রগ্রামের রাঙ্গুনিয়াতে তৈরি করা হয়েছে।

    এটি একটি পাখি সংরক্ষণ শালা এবং পাখিদের অভয়আশ্রম।

    বিশাল বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকায় তৈরি কৃত এই পার্ক পৃথিবীতে বাংলাদেশ ছাড়া আর মাত্র ২টি দেশে রয়েছে।

    এখানে তৈরি করা দীর্ঘ ২ কিলোমিটার লম্বা ক্যাবল কার এশিয়াতে সর্ববৃহৎ।

    প্রথম এক মাস পার্কে প্রবেশ সম্পূর্ণ ফ্রি!

বিস্তারিতঃ দেশের এক মাত্র এবং এশিয়ার বিশাল এই ক্যাবল কার তৈরি করা হয়েছে চট্রগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার কোদালা বন বিটের সবুজ বনানী ঘিরে। এখানে একই সাথে স্থাপিত হয়েছে দেশের এক মাত্র পাখি শালা এবং বিনোদন কেন্দ্র যার নাম শেখ রাসেল অ্যাভিয়ারি এন্ড রিক্রিয়েশন পার্ক।

প্রাকৃতিক এবং বন্য প্রাণী সংরক্ষন, গবেষণা এবং বিনোদন এই বিষয় সমূহ মাথায় রেখেই রাঙ্গুনিয়াতে গড়ে তোলা হয়েছে এই বৃহৎ পার্ক। এখানে থাকবে দেশ বিদেশের হাজারো পাখির সংগ্রহ এবং দেশি বিলুপ্ত প্রায় পাখি সমূহের সংরক্ষণ এবং রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় রয়েছে বিস্তৃত পাহাড় রাশি এখানে এই সব পাহাড়কে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হয়েছে অ্যাভিয়ারি এন্ড রিক্রিয়েশন পার্ক। পার্কটি আয়তনে এশিয়ার বৃহৎ পাখি সংগ্রহ শালা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে একই সাথে এখানে তৈরি করা হয়েছে নান্দনিক কৃত্রিম লেক যেখানে পাখিরা বিচরণ করছে প্রাকৃতিক আবহে।

সম্পূর্ণ পার্ক এলাকা উপর থেকে দেখতে তৈরি করা হয়েছে এডভেঞ্চার সমৃদ্ধ সুদীর্ঘ ২ কিলোমিটার বিশাল ক্যাবল কার লাইন। পাহাড় থেকে টাওয়ার তৈরি করে সেখানেই তৈরি করা হয়েছে ক্যাবল কার স্টেশান যাত্রীরা এসব স্টেশান থেকে ক্যাবল কারে উঠা নামা করবেন।

আন্তর্জাতিক মানের এই পার্ক দেশী বিদেশী পর্যটক আকর্ষণের জন্য প্রস্তুত। এখানে রয়েছে উন্নত মানের হোটেল রেস্তরাঁ সহ সকল সুবিধা।

পার্কের প্রকল্প পরিচালক ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগীয় কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ বলেন, “পর্যটন, পাখি সংরক্ষণ এই দুই বিষয় মাথায় রেখে রাঙ্গুনিয়ার ৫’শ একরের উপর বিশাল বন ভূমি এবং পাহাড়ি অঞ্চল নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই পার্ক। বিশ্বে বাংলাদেশ ছাড়া কেবল মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া’তে এমন পার্ক রয়েছে।

সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে বাংলাদেশ বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই আধুনিক পার্ক তৈরি করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের প্রায় ৩০ কোটি টাকা অর্থায়ন করা হয়েছে।

বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে এই আধুনিক পার্কে প্রথম এক মাস প্রবেশ এবং ক্যাবল কারে ভ্রমণ সম্পূর্ণ ফ্রি। প্রকৃতি এবং পাখিদের জীব বৈচিত্র্য বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে এই ফ্রি প্রবেশের সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য পার্কটিতে বর্তমানে বেশ কিছু বিরল দেশী প্রজাতির বৃক্ষ লাগানো হয়েছে ফলে এখানে অবমুক্ত করা হাজার হাজার পাখি আপনার চিত্তকে বিমোহিত করবে এটা নিশ্চিত।


Pages: 1 [2] 3 4 ... 14