Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - masud895

Pages: 1 2 3 [4] 5 6
46
IT Forum / How to make your computer run faster?
« on: August 19, 2013, 12:12:17 PM »
1.   Check your hard disk space. As a rule, you want to keep at least 15% of the hard disk space free to keep the computer running smoothly. Simply go to My Computer, right-click on Hard Drive, and go to Properties. There you'll see a pie chart of your free versus used space. If it’s mostly full, you'll want to start by removing unnecessary programs and files; it it’s not, you probably want to tackle the actual way your computer operates.

2.   Remove any programs you do not use. Go to Control Panel > Add or Remove Programs (or Uninstall a Program, depending on your operating system) to find a master list of programs installed on your computer. Some things will strike you as useless immediately, in which case you can remove them right away. Others won’t look familiar to you and may require you some research.

3.   It may help to see how often you use the program. If you right-click one of the column titles above your program list (ex. Name, Publisher, Size, Installed On, etc.), you should be able to add additional characteristics by which to judge your programs. For example, find Last Used On on the list of options and check it; a column displaying the last time you used each program will now appear and can also be used to sort your programs. Some programs will not have been used in years and may be candidates for deletion.
When in doubt, don't remove anything you don’t recognize; it may be critical to the function of your computer – and if you delete twelve different things only to discover that your computer no longer works properly, it will be very difficult to determine where exactly you went wrong.
Don't forget to empty your recycling bin.Prevent unnecessary programs from starting when the computer boots. The more programs try to run while your computer initializes, the slower everything will be. Revise your startup programs by altering your system configuration via MSConfig.

4.   Install an anti-virus program, spyware scanner, and an anti-malware. The fewer bugs, viruses, and bits of adware your computer has to manage, the more time it will have to devote to other processes. While you're at it, make a point of keeping Windows up-to-date; not only will this keep Windows itself in better shape, but some viruses ride in on Windows updates that are downloaded way after the fact (and therefore not monitored as closely).
5.   Run a Disk Cleanup. This can clean up hundreds of megabytes of temporary files – sometimes even gigabytes (if you have Windows XP, Vista, or 7). It will also open a window in which you can chose what to delete. Go to My Computer, right-click the Hard Drive and select Properties, and then click Disc Cleanup (within the General tab). Check all the boxes except for the game files and setup files.
6.   Run a Disk Defragment. This will reconfigure the way the hard drive stores information for maximum efficiency. Go to My Computer, right-click the Hard Drive and select Properties, then go to the Tools tab and click Defragment Now.

7.   Check for any disk errors. These will also slow your computer down. Go to My Computer, right-click the Hard Drive and select Properties, then go to the Tools tab and click Check Now under the Error-Checking area. When the dialogue box opens, check both boxes.If you get a window saying that Windows can't check the disk while it's in use, click on Schedule Disk Check and then OK. It will run on your next reboot.

8.   Turn off indexing. Go to My Computer, right-click the Hard Drive and select Properties, then unclick the box indicating that the drive should be indexed. Don't do this if you actually use any of the Windows Search functionality. The background indexing is what makes those searches fast and Windows is already very good about not getting in your way to do indexing while you're trying to do something else.

9.   Clear your Prefetch folder. Windows saves a file of the program you are using to make it start up faster. After years of use, this folder gets stuffed with irrelevant programs.

10.   Open Notepad and type:
del C:\Windows\Prefetch\*.* /Q
Rundll32.exe advapi32.dll, ProcessIdleTasks
(Copy and paste this text to ensure you don’t make any mistakes.)
Save as faster.bat (the .bat extension will run it as a batch file).
Run it! Simply double-click the file to initialize. In a few moments, the command prompt will      disappear and your programs should run more smoothly.

11.   Change Prefetch Parameters. This a dangerous task to complete unless you follow these steps exactly. If you're not sure about anything, don’t continue.
Go to Start > Run and type regedit to initialize the registry editor.
Go to HKEY_LOCAL_MACHINE>SYSTEM>CurrentControlSet>Control>Session Manager>Memory Management>Prefetch Parameters to access the parameters.
Double-click Enable Prefetcher. Once the new window pops up, there should be a small, editable text box with the number 3 in it. (Windows allows 4 options: 0, 1, 2 and 3.) 3, the default, fetches everything.
Change this to 2. Your PC will boot a lot faster and your PC performance shouldn't be affected.
Click OK and then close regedit.

12.  Add RAM to your computer. To see if you need more RAM, initialize the Windows Task Manager by pressing CTRL+ALT+DELETE. Under the Performance tab, find the area devoted to Physical Memory. If the Free amount hovers around zero but the computer is still slow, you may need to take your computer in to add RAM or even add more RAM yourself.

13. Restart your computer. The computer usually needs to reboot to implement changes.

14. Remove gadgets you don't use. All gadgets that are running slow down your computer.

15. Log off the users who do not want the computer. Switch user your account then if you see that many users are logged in, log them off.

47
মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে ছোটখাটো সমস্যা হয়ই। সমস্যা সমাধানে কেউ ছোটেন অভিজ্ঞদের কাছে, কেউ বা কেয়ার সেন্টারে। তবে একটু চেষ্টা করলে নিজেই নিজের মোবাইল ফোন ঠিক করা যায়। মোবাইল ফোনের সাধারণ কিছু সমস্যা ও সমাধান নিয়ে বিস্তারিত :
 
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
তথ্য সুরক্ষাসহ অনেক কারণেই পাসওয়ার্ড দিয়ে মোবাইল ফোন লক করে রাখেন অনেকে। পরবর্তী সময়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কোনো কাজ করার আগে পাসওয়ার্ড দিয়ে এটি সক্রিয় করতে হয়। নকিয়া ১১০০ এবং এ ধরনের মডেলের মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও এর তথ্যগুলো দেখতে এবং কল করতে পারবেন। এ জন্য প্রথমে Menu বাটনটি চাপতে হবে। এবার সিকিউরিটি কোড বা পাসওয়ার্ড চাইবে মোবাইল ফোনটি। এবার চাপতে হবে Back (Go to) বাটন। এখন আবার Unlock (Menu) চেপে দুই সেকেন্ড পর্যন্ত একটানা ধরে রাখুন। দুই সেকেন্ড পর স্ক্রিনে দেখা যাবে Now Press * নামের একটি কমান্ড। এটি মুহূর্তের মধ্যেই আবার মিলিয়ে যাবে। তাই এ পর্যায়ে একটু সতর্ক থেকে কমান্ডটি দেখার সঙ্গে সঙ্গেই Unlock (*) বাটন চাপতে হবে। দেখা যাবে, পাসওয়ার্ড ছাড়াই ফোনের লক খুলে গেছে
 
স্মার্টফোনের তথ্য ব্যাকআপ :
নকিয়ার সিমবিয়ান অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করলে এটি অনেক ধীরগতির হয়ে যায়। অনেক সময় ফোনের তথ্যগুলোও হারিয়ে যায়। আবার অনেকে এক ফোন থেকে অন্য ফোনেও তথ্য স্থানান্তর করতে চান। এ ক্ষেত্রে তথ্যের নিরাপত্তার জন্য কম্পিউটারে নকিয়া স্মার্টফোনের তথ্যগুলো ব্যাকআপ হিসেবে সেভ করে রাখতে পারেন। এ জন্য নকিয়া পিসি স্যুইট সফটওয়্যারটি কম্পিউটারে ইনস্টল করা থাকতে হবে। লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করতে হবে। থেকে বিনা মূল্যে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যায়। এবার মোবাইল ফোনটি ডেটা কেবল অথবা ব্লুটুথ সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। পিসি স্যুইট সফটওয়্যারটি Open করলে পাওয়া যাবে ব্যাকআপ অপশন। এখানে ক্লিক করলে ব্যাকআপ ও রিস্টোর নামের দুটি অপশন পাওয়া যাবে। এবার ব্যাকআপ লেখা বাটনে ক্লিক করে কোন কোন তথ্যের ব্যাকআপ নিতে চান এবং সেগুলো কোথায় সেভ করবেন, তা নির্বাচন করুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্মার্টফোনের তথ্যগুলো ব্যাকআপ হিসেবে কম্পিউটারে সেভ করা যাবে। একই পদ্ধতিতে তথ্যগুলো মোবাইল ফোনে আবার রিস্টোরও করা যাবে। এ জন্য ব্যাকআপ বাটনের বদলে চাপতে হবে রিস্টোর বাটন।
 
সিমবিয়ান স্মার্টফোন ফরম্যাট :
অনেক ব্যবহার, ভাইরাসের আক্রমণ, অতিরিক্ত সফটওয়্যার ইনস্টলসহ বেশ কিছু কারণে সিমবিয়ান অপারেটিং সিস্টেম-নির্ভর হ্যান্ডসেটগুলো ধীরগতির হয়ে যায়। অনেক সময় এটি কাজ করে না। সে ক্ষেত্রে হ্যান্ডসেটটি ফরম্যাট করে সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। কম্পিউটার ছাড়াও মোবাইল ফরম্যাট করার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য প্রথমে স্মার্টফোনটি বন্ধ করে নিতে হবে। এবার একসঙ্গে স্টার (*), তিন (৩) ও কলিং বাটন বা সবুজ বাটন চেপে ধরে রাখতে হবে। একসঙ্গে চেপে ধরে রাখতে না পারলে এটি কাজ করবে না। চেপে রাখার পর এর অন সুইচ চেপে মোবাইলটি চালু করতে হবে। সম্পূর্ণ চালু না হওয়া পর্যন্ত স্টার (*), তিন (৩) ও কলিং বাটন বা সবুজ চেপে ধরে রাখতে হবে। এতে স্মার্টফোনের সব তথ্য মুছে যাবে এবং হ্যান্ডসেটটি ফরম্যাটও হয়ে যাবে। এরপর এতে নতুন সেটের মতোই কাজের গতি পাওয়া যেতে পারে। তবে সব তথ্য মুছে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো ব্যাকআপ হিসেবে কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে নিয়ে রাখা যাবে।

মোবাইলে বাংলা দেখা :
মোবাইল ফোনে বিল্টইন-ভাবে বাংলা ফন্ট না থাকলে স্বাভাবিকভাবে বাংলা ওয়েবসাইট দেখা যায় না। তবে অপেরা ব্রাউজার ব্যবহার এবং কনফিগারেশন ঠিক করে যেকোনো বাংলা ইউনিকোড ওয়েবসাইট দেখার সুযোগ রয়েছে। প্রথমে লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করতে হবে। থেকে অপেরা ব্রাউজারটি ডাউনলোড করে নিতে হবে। এবার অপেরা চালু করে অ্যাড্রেস বারে টাইপ করতে হবে opera:config। এরপর ok বাটনটি চাপতে হবে। নতুন পেইজে Use bitmap fonts for complex scripts-এর সেটিংস পরিবর্তন করে YES করতে হবে। এরপর সেভ করে বেরিয়ে আসতে হবে। এবার মোবাইল ফোনে বাংলা ইউনিকোড সমর্থিত ওয়েবসাইটগুলো পড়তে পারবেন।

আইকনবিহীন ফোল্ডার তৈরি :
মোবাইল ফোনে ফোল্ডার বানানোর সময় সাধারণত একটি আইকন তৈরি হয়ে যায়। এ আইকনের ফলে বোঝা যায় ভেতরে কী ধরনের ফাইল রয়েছে। তবে ভেতরের ফাইলের প্রকৃতি বুঝতে দিতে না চাইলে আইকনবিহীন ফোল্ডারও তৈরি করা যাবে। এ জন্য প্রথমে তৈরি করুন একটি ফোল্ডার। এবার ওই ফোল্ডারে তথ্য বা ফাইলগুলো রাখুন। এবার ফোল্ডারে ফিরে এসে এর Rename অপশনের মাধ্যমে ফাইলের নামের শেষে .otb এক্সটেনশন যোগ করতে হবে। যেমন-Music নামে ফোল্ডার বানালে তার নাম হবে Music.otb। এবার দেখা যাবে ফোল্ডারের আইকনটি আর নেই। এবার ভেতরে কী কী ফাইল আছে, সেগুলোও তাই বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় নেই।
 
কিছু গোপন কোড :
মোবাইলের ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেনটিটি বা আইএমইআই নম্বর জানার জন্য চাপতে হবে *#০৬#, ফ্যাক্টরি সেটিং রিস্টোর করার জন্য *#৭৭৮০#, সফটওয়্যারের সংস্করণ দেখার জন্য *#0000#, ব্লটুথ ডিভাইসের ঠিকানা এবং অন্যান্য তথ্য জানার জন্য *#2820#, ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কিংয়ের ম্যাক অ্যাড্রেস দেখার জন্য *#62209526#, মোবাইলের সিরিয়াল নম্বর জানার জন্য *#৭৭৬০#, সব কল ডাইভার্ট করার জন্য **21*number# চেপে কল কি চাপতে হবে। স্যামসাং মোবাইলের জন্যও বেশ কিছু গোপন কোড রয়েছে। সফটওয়্যার সংস্করণ জানার জন্য *#9999#,, সিরিয়াল নম্বর জানতে *#0001#, ব্যাটারির অবস্থা জানতে *#9998*246# এবং ভাইব্রেশন পরীক্ষা করার জন্য #9998*842# ~ *#8999*842# বাটন চাপতে হবে।

মোবাইলে ফোল্ডার লুকিয়ে রাখা :
মোবাইল ফোনে সাধারণভাবে কোনো ফোল্ডার লুকিয়ে রাখা যায় না। ফাইল ম্যানেজার থেকে সব ধরনের ফোল্ডারই দেখা যায় মোবাইল মেমোরি থেকে। তবে একটু বুদ্ধি করে মোবাইলেই যেকোনো ফোল্ডার লুকিয়ে রাখা যায়। এ জন্য প্রথমে মোবাইল মেমোরিতে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন। ফোল্ডারের শেষে এঙ্টেনশন হিসেবে .jad ব্যবহার করতে হবে। যেমন_music নামে কোনো ফাইল তৈরি করলে ফাইলটির পুরো নাম হবে music.jad। এবার যে ফাইলগুলো লুকিয়ে রাখা প্রয়োজন, সেগুলো music.jad ফোল্ডারে ঢুকিয়ে নিতে হবে। এবার একই নামে একই রুটে আরো একটি ফোল্ডার তৈরি করতে হবে। যেহেতু আমরা আগে music নামে ফোল্ডার তৈরি করেছি, তাই নতুন ফোল্ডারটিও হবে music নামে। তবে এবার ফোল্ডারটি রিনেম করে এঙ্টেনশন হিসেবে .jar যুক্ত করতে হবে। পুরো ফাইলটির নাম হবে তাহলে music.jar। নতুন ফাইলটি তৈরি হওয়ার পর মোবাইল থেকে দেখা যাবে আগের ফোল্ডারটি উধাও হয়ে গেছে! আগের ফোল্ডারটি আর দেখা যাবে না। ফোল্ডার থেকে ফাইলগুলো দেখার জন্য মেমোরি কার্ড খুলে অথবা ডেটা কেব্ল্ দিয়ে কম্পিউটারের সঙ্গে ফোন সংযুক্ত করে ফোল্ডার থেকে ফাইলগুলো বের করা যাবে।
 

ভুলে গেলে মেমোরি কার্ড পাসওয়ার্ড :
মোবাইল ফোনে মেমোরি কার্ড সুবিধা থাকায় অনেকেই গোপনীয় তথ্যাবলি মেমোরি কার্ডেই সংরক্ষণ করে থাকেন। তবে নিরাপত্তার খাতিরে সেগুলোতে পাসওয়ার্ডও দিয়ে রাখেন অনেকে। তথ্যগুলো দেখার জন্য অবশ্যই পাসওয়ার্ডটি মনে রাখতে হয়। তবে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও বিকল্প উপায়ে তথ্য রিকাভার করার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য অবশ্য মোবাইলে এফএঙ্প্লোরার নামের একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকতে হবে। লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করতে হবে। থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে। সফটওয়্যার ইনস্টল শেষে চালু করুন। এরপর C:—-Szstem—-(mmcstore)file-টা Copy করে মেমোরি কার্ডে Paste করতে হবে। মেমোরি কার্ডে Copy করা mmcstore file-টির শেষে .txt এঙ্টেনশন যুক্ত করুন। তাহলে ফাইলের নামটি হবে mmcstore.txt। এরপর কম্পিউটারে ফাইলটি ব্লুটুথ, ডেটা কেব্ল্ বা অন্য কোনো মাধ্যমে পাঠান। এবার ফাইলটি কম্পিউটারে খুলে Text Document-এ দেখা যাবে, মেমোরি কার্ডের পাসওয়ার্ডটি দেওয়া রয়েছে।
 

মডেম হিসেবে মোবাইল ফোন :
ইন্টারনেট সমর্থক মোবাইল ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করারও সুযোগ রয়েছে। এ জন্য প্রতিটি মোবাইলের জন্য আলাদা সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়। নকিয়া মোবাইল মডেম হিসেবে ব্যবহার করতে নকিয়া পিসি স্যুট এবং স্যামসাং মোবাইল ব্যবহার করার জন্য স্যামসাং স্টুডিও সফটওয়্যার (লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করতে হবে। ইনস্টল করতে হয় কম্পিউটারে। সেটআপ শেষে সফটওয়্যার খুলে ডেটা কেব্ল্ অথবা ব্লুটুথ সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারের সঙ্গে মোবাইল ফোন সংযুক্ত করে নিতে হবে। এরপর নকিয়ার ক্ষেত্রে connect to the internet লেখা বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর One Touch Access নামের একটি বক্স আসবে, সেখানে প্রথমে Settings বাটনে ক্লিক করুন। এবার নিচে Next বাটনে ক্লিক করুন। Configure the connection manually লেখার বাঁ পাশে গোল চিহ্নটি মার্ক করুন। এবার নিচে Next বাটনে ক্লিক করুন। এবার অAccess Point লেখা খালি বঙ্ েইন্টারনেট অ্যাকসেস ঠিকানাটি লিখতে হবে ‘অ্যানড্রয়েড’। যেমন_গ্রামীণফোন ইন্টারনেটের জন্য gpinternet, বাংলালিংকের জন্য internet লিখতে হবে। User name ও Password-এর ঘরে কিছু লেখার প্রয়োজন নেই। এবার নিচে Finish বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর One Touch Access-এ গিয়ে Connect বাটনে ক্লিক করুন। ইন্টারনেটের সঙ্গে কম্পিউটারটি সংযুক্ত হয়ে যাবে।


Source :http://www.online-dhaka.com/122_1327_19682_0-tips-for-mobile-phone-dhaka-city.html

48
ক্রেডিট কার্ডে তথ্য সংরক্ষণের জন্য একটি চুম্বকীয় ফিতা ব্যবহার করা হয়। লেনদেনের ধরনকে আমূল বদলে দেওয়া ক্রেডিট কার্ডে ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ বা চুম্বকীয় ফিতা ব্যবহার করার প্রক্রিয়াটি পঞ্চাশের দশকে উদ্ভাবন করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি উদ্ভাবক রন কেলিন। প্রযুক্তি বিশ্বে তিনি ‘দ্য গ্র্যান্ডফাদার অব পসিবলিটিস’ নামে খ্যাতি পেয়েছেন।
সম্প্রতি ক্রেডিট কার্ড স্ট্রিপ তৈরি ও রন কেলিনকে নিয়ে হাফিংটন পোস্ট একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অসাধারণ এক উদ্ভাবন করেও তা থেকে মোটেও আর্থিকভাবে লাভ করতে পারেননি রন কেলিন। অসংখ্য ক্রেডিট কার্ডে ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ ব্যবহূত হলেও এর পেটেন্ট থেকে তিনি খুব কম অর্থই পেয়েছেন। কিন্তু উদ্ভাবক হিসেবে তিনি সফলতা আর অর্থ কামিয়েছেন মুরগির পুষ্টি ব্যবস্থার বিশেষ উন্নয়ন করে।
রন কেলিন তাঁর উদ্ভাবন সম্পর্কে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রেই ৬০ কোটির বেশি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহূত হচ্ছে। এত সংখ্যক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার সত্ত্বেও এ থেকে কোনো অর্থ পান না তিনি। তবে তাঁর উদ্ভাবন ক্রেডিট কার্ডকে বদলে দিয়েছিল বলেই জানান রন।
ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ উদ্ভাবন প্রসঙ্গে রন কেলিন জানিয়েছেন, তিনি যেসময় ক্রেডিট কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ উদ্ভাবন করেছিলেন সে সময় কেনাকাটার প্রক্রিয়াটি জটিল ছিল। তিনি কোরিয়া যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। যুদ্ধ শেষে দেশে ফিরে তিনি টেপ রেকর্ডারে ব্যবহূত তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহূত ফিতা ব্যবহার করে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়াটি উদ্ভাবন করেন।
রন কেলিন জানিয়েছেন, নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনের ফলে চুম্বকীয় ফিতার এ ক্রেডিট কার্ড বেশিদিন টিকবে না। তাঁর উদ্ভাবিত ক্রেডিট কার্ড পদ্ধতির ভবিষ্যত্ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেও এতদিন ধরে এ ক্রেডিট কার্ডের সফল ব্যবহারে খুশি তিনি।


Source:http://prothom-alo.com/detail/date/2013-07-05/news/365501

49
Dear Md.Wahiduzzaman

Please Communicate with me Admin Building 2nd floor Room No.303.I will try to solve Your Problem.

50
IT Forum / Connect your classic printers with Google Cloud Print
« on: June 22, 2013, 09:53:32 AM »
To connect your classic printer, enable the Google Cloud Print connector on any (non-Chrome OS) computer that is already connected to your printer and able to print. You'll need Google Chrome to be installed on the computer. If you're using Windows XP, make sure you also have the Windows XP Service Pack 3 (SP3) installed.

Once Google Chrome is installed, follow the steps below to enable the Google Cloud Print connector in Google Chrome.

Log in to your user account on the Windows, Mac, or Linux computer.
Open Google Chrome.
Click the Chrome menu  on the browser toolbar.
Select Settings.
Click the Show advanced settings link.
Scroll down to the “Google Cloud Print” section. Click Sign in to Google Cloud Print.
In the window that appears, sign in with your Google Account to enable the Google Cloud Print connector.
Select the printers you want to connect, and then click Add printer(s).
You'll see a confirmation that Google Cloud Print has been enabled. Click Manage your printers to learn more.
The printer is now associated with your Google Account and connected to Google Cloud Print. You can print to this printer using Google Cloud Print whenever you’re signed in with the same Google Account.

51
IT Forum / Google Cloud Print
« on: June 22, 2013, 09:49:28 AM »
Print anywhere, from any device.
Google Cloud Print is a new technology that connects your printers to the web. Using Google Cloud Print, you can make your home and work printers available to you and anyone you choose, from the applications you use every day. Google Cloud Print works on your phone, tablet, Chromebook, PC, and any other web-connected device you want to print from.

Print Anywhere:
Google Cloud Print works with all printers, but for the best printing experience we recommend that you use a Cloud Ready printer. You can connect a printer to your Google Cloud Print account in seconds, and immediately start printing to it.

Print Anything:
Any type of application, on any web-connected device, can use Google Cloud Print. For a list of apps that will allow you to print to Google Cloud Print at home, at work, or on the go, see here. We’ll be integrating with more applications in the future, so stay tuned.

Share Your Printers
Imagine sharing your printer with anyone you choose, as easily as you might share a Google Docs document. With Google Cloud Print, you can securely share printers with a single click, directly from your Google account. Managing printers and print jobs is equally easy.

52
Telecom Forum / Difference between 2G and 3G Technology
« on: June 13, 2013, 11:40:52 AM »
                         Cost: The license fee to be paid for 3G network is much higher as compared to 2G networks. The network construction and maintenance of 3G is much costlier than 2G networks. Also from the customers point of view the expenditure for 3G network will be excessively high if they make use of the various applications of 3G.
 
       Data Transmission:  The main difference between 2G and 3G networks is seen by the mobile users who download data and browse the Internet on the mobile phones. They find much faster download speeds, faster access to the data and applications in 3G networks as compared to 2G networks. 2G networks are less compatible with the functions of smart phone. The speed of data transmission in 2G network is less than 50,000 bits per sec while in 3G it can be more than 4 million bits per sec.
 
         Function: The main function of 2G technology is the transmission of information via voice signals while that of 3G technologies is data transfer via video conferencing, MMS etc.
 
·         Features: The features like mobile TV, video transfers and GPS systems are the additional features of 3G technology that are not available with 2G technologies.
 
·         Frequencies: 2G technology uses a broad range of frequencies in both upper and lower bands, under which the transmission depends on conditions such as weather. A drawback of 3G is that it is simply not available in certain regions.
 
         Implication: 3G technology offers a high level of security as compared to 2G technology because 3G networks permit validation measures when communicating with other devices.
 
         Making Calls: Calls can be made easily on both 2G and 3G networks with no real noticeable differences except that in 3G network video calls can also be made. The transmission of text messages and photos is available in both the networks but 2G networks have data limit and the speed of the data transmission is also very slow as compared to 3G.
 
         Speed:  The downloading and uploading speeds available in 2G technologies are up to 236 Kbps. While in 3G technology the downloading and uploading speeds are up to 21 Mbps and 5.7 Mbps respectively.

53
Use of PC / Differences between Windows 7 and Windows 8
« on: June 01, 2013, 10:43:50 AM »
সিকিউরিটি, ক্লাউড ও টাস্ক ম্যানেজার

উইন্ডোজ ৮-এ তুলনামূলকভাবে ছোটখাটো আরো কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। তবে সেগুলো ছোটখাটো হলেও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এসব ফিচার উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীদেরকে উইন্ডোজ ৮-এ আপগ্রেড করার জন্য অনুপ্রাণিত করবে। উইন্ডোজ ৮-এ ক্লাউড কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে, যা এক প্রলুব্ধকর ফিচার। মাইক্রোসফট সব সেটিং এবং কাস্টোমাইজেশন ক্লাউডে স্টোর করে। সুতরাং উইন্ডোজ ৮ মেশিনে লগঅন করে কাজ করা যাবে।

জি-মেইল থেকে ই-মেইল টেনে আনাসহ ক্লাউড সিস্টেমে অন্যান্য উপাদান যেমন ফেসবুকে ফটো ভিউ করা যায়। প্রতিটি উইন্ডোজ ৮ ডিভাইস ক্লাউডভিত্তিক স্টোরেজ স্কাইড্রাইভ (SkyDrive) অ্যাকাউন্ট এনাবল্ড। এটি ইন্টিগ্রেড করতে পারে উইন্ডোজ ফোনের সাথে। ফলে উইন্ডোজ ফোনে শুট করা ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্কাইড্রাইভ অ্যাকাউন্টে সেন্ড হয়। স্কাইড্রাইভ অ্যাকাউন্ট থাকলে ব্যবহারকারীরা যেকোনো জায়গা থেকে স্টোর করা রিসোর্সে ট্যাব করতে পারবেন। স্কাইড্রাইভের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্টোর করা যেকোনো জিনিস বৈধ অন্যান্য ব্যবহারকারীর সাথে শেয়ার করতে পারবেন।


উইন্ডোজ ৮-এ সমন্বিত করা হয়েছে ফিচার লক স্ক্রিন, যার মাধ্যমে ফটো পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। এর অর্থ হচ্ছে আপনি ছবি জুড়িয়ে দিতে পারবেন স্ক্রিন করার জন্য। গতানুগতিক ধারার উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীরা লকড কমপিউটারে অ্যাক্সেস পাওয়ার জন্য পাসওয়ার্ড টাইপ করেন। কিন্তু উইন্ডোজ ৮-এ যুক্ত করা হয়েছে পিকচার পাসওয়ার্ড। ফলে যখনই ব্যবহারকারী লগইন করে, তখনই উপস্থাপিত হয় পিকচার তথা ছবি দিয়ে এবং ডান দিকে পিকচারে স্পর্শ করে ডিভাইসকে আনলক করতে পারবেন।

সিকিউরিটির বিষয়টিকে মাথায় রেখে মাইক্রোসফট তার নতুন অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৮-এ অ্যান্টিভাইরাসকে প্রথমবারের মতো সমন্বিত করেছে মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনশিয়াল ফর্মে, যা অবস্থান করে সিকিউরিটি সেন্টারে ফায়ারওয়াল সফটওয়্যারের পাশে। এর ফলে সিকিউরিটি সফটওয়্যারের জন্য আর বাড়তি অর্থ খরচ করতে হবে না ব্যবহারকারীকে।

উইন্ডোজ ৭ ও ৮-এর মধ্যে আরেকটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য হলো টাস্ক ম্যানেজারকেন্দ্রিক। আপাতদৃষ্টিতে উইন্ডোজ ৭ হলো অপারেটিং সিস্টেমের শেষ ভার্সন, যেখানে ব্যবহার হচ্ছে এই সহায়ক ফিচার টাস্ক ম্যানেজার। নতুন টাস্ক ম্যানেজার অর্থাৎ উইন্ডোজ ৮-এর টাস্ক ম্যানেজার আরো সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি। এখানে শুধু টাস্ক এবং প্রসেস প্রদর্শিত হয় যেগুলো বর্তমানে রান হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে যেকোনো আইটেমকে থামানো যায় এক ক্লিকের মাধ্যমে। এর ফলে সিস্টেম রিসোর্স কিছুটা ফ্রি হয়। টাস্ক ম্যানেজারের আরো কিছু অ্যাডভান্স ফিচার আছে যেগুলোর অ্যাক্সেস করা যায় শুধু More Details-এ ক্লিক করে।


Source :http://www.tunerpage.com/archives/233036

54
Microsoft has issued a warning that a new piece of malware masquerading as a Google Chrome extension and Firefox add-on is making the rounds, threatening to hijack Facebook accounts
First detected in Brazil, Trojan:JS/Febipos.A attempts to keep itself updated, just like normal, legitimate browser extensions, Microsoft noted in a security bulletin late Friday.
Once downloaded, the Trojan monitors whether the infected computer is logged into a Facebook account and attempts to download a config file that will includes a list of commands for the browser extension. The malware can then perform a variety of Facebook actions, including liking a page, sharing, posting, joining a group, and chatting with the account holder's friends.
Some variants of the malware include commands to post provocative messages written in Portuguese that contain links to other Facebook pages. The number of likes and shares on one such page grew while malware experts at Microsoft were analyzing the Trojan, suggesting that the infections are continuing to occur.
Microsoft did not indicate how the malware installs itself or how many infections might have occurred.


Source: http://news.cnet.com/8301-1009_3-57584111-83/microsoft-warns-of-new-trojan-hijacking-facebook-accounts/

55
IT Forum / Detail info on SMS
« on: May 09, 2013, 11:32:00 AM »
এসএমএস গুলো ব্যাবহার করার জন্য কোম্পানিগুলো ইউনিক কিছু নাম্বার ব্যাবহার করে। এই নাম্বার গুলোকে বলে এসএমএস সর্টকোড। যেমন ১৬১১৫ বাব ১৬২২৯ বিভিন্ন নাম্বার এর হয়ে থাকে। এই সর্টকোড গুলো নিতে হয় বিটিআরসি (BTRC)  থেকে। এই সর্টকোড গুলো ইউনিক হওয়াতে কারো সাথে কারো মিলে না।

এসএমএস সার্ভিস সাধারণত দুই প্রকারের হয়।

এসএমএস পুল পুশ সার্ভিস

এসএমএস পুল পুশ সার্ভিস হল যেটা কাস্টমার নিজে সেন্ড করে কোম্পানিকে। সেন্ড করার সময় সাথে কিছু ওয়ার্ড ও সেন্ড করেন। এই ওয়ার্ড গুলকে বলে কী ওয়ার্ড। যেমন ধরেন, টেকটুইনস একটা ভোটইং সিস্টেম চালু করতে চান যাতে করে ঊনরা বুজতে চান কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তা  বেশি জনপ্রিয়। তো উনারা সবাইকে বললেন যদি পি এস পি কে ভোট দিতে চান তা হলে মোবাইল এর এসএমএস অপশন এ গিয়ে পি (P) লিখুন এবং ১৬১১৫ এ সেন্ড করে দিন। আর যদি এ এস পি ডট নেট হয় তা হলে এ (A) লিখে ১৬১১৫ এ সেন্ড করে দিন। এর যদি জাবা হয় তা হলে জে (J) লিখে ১৬১১৫ এ সেন্ড করে দিন । ধরি ১৬১১৫ শর্ট কোড টেকটুইনস এর। এই ভাবে করেই সবার ভোট এসএমএস পুল পুশ সার্ভিস এর মাধ্যমে সংগ্রহ করে ফেলা যাই।

এসএমএস পুশ  বা বাল্ক এসএমএস সার্ভিস 

এসএমএস পুশ সার্ভিস হল যদি টেকটুইনস নিজে আমাদের সবাইকে এসএমএস করে ইনফরম করেন যে, উনারা একটা ভোটইং সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছেন। আমরা যেন ভোট এ অংশ গ্রহন করি। এইযে উনারা আমাদের কে ইনফরম করলেন কোন একটা ইনফর্মেশন এইটা হল এস এম এস পুশ সার্ভিস। এখন তো আমরা প্রায় এই রকম এস এম এস পেয়েই থাকি বিভিন্ন কোম্পানি থেকে বিভিন্ন পন্নের বিজ্ঞাপন হিসাবে।

বাংলাদেশ এর প্রায় সব ব্যাংক ই এস এম এস সার্ভিস দিয়ে থাকে। ঊনরা ও এস এম এস পুল পুশ এবং এস এম এস পুশ সার্ভিস। দুইটাই দিয়ে থাকেন। আমি যে ব্যাংক এর সাথে হিসাব রাখি উনাদের পুল সার্ভিসতা এই রকম। যেমন, এ (A) লিখে এস এম এস করলে অ্যাকাউন্ট এর ব্যাল্যান্স দেখাই টি (T) লিখে এস এম এস করলে বিভিন্ন খরচ এর হিসাব দেখাই। আবার পুশ সার্ভিস এ ইনফরম করে যদি কোন টাকা উঠাই বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে খরচ করি। এই সার্ভিসকে উনারা বলেন এস এম এস ব্যাংকিং সার্ভিস। ব্যাংকটার নাম নাই বললাম কারণ আপনারা হয়তো এর মধ্যে বুজে ফেলছেন নামটা।


সুত্রঃ আপনার ডিল ডট কম

56
ডান পাশের কলামে Refine by Category অংশের লিংক গুলোতে ক্লিক করে আপনি সহজেই বিভিন্ন category যেমন শীর্ষ সংবাদ, সর্বশেষ সংবাদ, সারাবিশ্ব, খেলা, বিনোদন ও সম্পাদকীয় এর খবরগুলো দেখতে পাবেন।

কোন নির্দিষ্ট একটি পত্রিকার খবরের জন্য ডান পাশের কলামের Refine by Site অংশের লিংক গুলোতে ক্লিক করুন।

শীর্ষ সংবাদ: প্রতিটি পত্রিকার হোম পেজ অথবা প্রধান খবর থেকে এই খবরগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ: প্রতিটি পত্রিকার সর্বশেষ অথবা সাম্প্রতিক অংশ থেকে এই খবরগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে।

নিউজ সেভ: প্রথমে লগিন করে নিন তারপর আপনার দরকারী কোন খবরের detail page এ গিয়ে বাম পাশে সেভ বাটনে ক্লিক করে ঐ খবরটি সেভ করে রাখতে পারেন।

এই লিংকে ক্লিক করুন

http://unify24.com

57
Thanks sir Very good Post

58
IT Forum / Cloud Computing
« on: March 17, 2013, 03:37:31 PM »
ইন্টারনেট ও কম্পিউটিং এর সর্বত্র আজ ক্লাউড কম্পিউটিং প্রযুক্তির জয়জয়কার। ক্লাউড যেনো এক যাদুর কাঠি, যার ছোঁয়ায় নিমেষে সমাধান হয়ে যাবে সব সমস্যা! অবশ্য এক দিক থেকে চিন্তা করলে কথাটা কিছুটা সত্যিও বটে। ক্লাউড আজ সবখানে ছড়িয়ে আছে, সব প্রযুক্তির পেছনেই কাজ করছে।

আপনি কি আজকে কোনো ক্লাউড ব্যবহার করেছেন?
জবাবে যদি না বলেন, তাহলে কিন্তু ভুল হবে। সজ্ঞানে হোক, কিংবা না জেনে হোক, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রায় সবাইই দৈনন্দিন নানা কাজে ক্লাউড প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে আসছে। ইমেইল বলুন কিংবা অনলাইন কোনো সার্ভিসই বলুন, ক্লাউড কম্পিউটিং এর মাধ্যমেই দেয়া হচ্ছে বর্তমান ইন্টারনেটের নানা সেবা।

ক্লাউড – পুরানো নানা প্রযুক্তিরই নতুন সংকলন
তো, এই ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যাপারটা আসলে কী?
খটোমটো সংজ্ঞায় যাবার আগে সহজ সরল বাংলায় একটা জবাব দেই, ক্লাউড কম্পিউটিং হলো আর কিছুই না, নতুন বোতলে পুরানো মদ। অর্থাৎ পুরানো কিছু প্রযুক্তিকে নতুন করে ঢেলে সাজিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে ক্লাউডে।l বর্তমানের অধিকাংশ ক্লাউড আসলে খুব বড় আকারের ডেটা সেন্টার, যেখানে হাজার হাজার সার্ভার র্যাকে করে সাজানো থাকে, লাখ লাখ ডলার খরচ করে তাদের ঠান্ডা রাখতে হয়। কিন্তু এই হাজার হাজার সার্ভার দিয়ে অজস্র ক্লায়েন্টের জটিল সব সমস্যার সমাধান অনেক সহজে করা চলে।

ক্লাউড কম্পিউটিং মানে সার্ভিস বা হার্ডওয়ার ভাড়া নেয়া/আউটসোর্সিং
আমি যখন স্কুলে পড়তাম, তখন বাংলাদেশে একটা ব্যবসা খুব চালু ছিলো। নানা দোকানে সাইনবোর্ড টাঙানো থাকতো, “এখানে মাসুদ রানা ও তিন গোয়েন্দার বই ভাড়া দেয়া হয়”। ২টাকা করে ভাড়ায় বই নিয়ে পড়ে আবার ফেরত দিয়ে নতুন বই নিতে পারতাম, কিংবা হাতে টাকা বেশি থাকলে একাধিক বই নিতে পারতাম এক সাথে।

ক্লাউডের মূল আইডিয়াটাও তাই। ধরুন, আপনার জটিল একটা ভিডিও বা ফটো প্রসেসিং এর কাজ লাগবে। ঘরে আপনার পুরানো মেশিন, তাতে সেই কাজ করা যাবে না। আবার ওয়ান-টাইম এই কাজ করার জন্য বিশাল অংকের টাকা দিয়ে কম্পিউটার কেনারও মানে হয় না। সমাধান তাহলে কী? ভালো কম্পিউটার আছে, এমন কারো কাছ থেকে ঘণ্টা হিসাবে কম্পিউটার ভাড়া নেয়। এতে করে সবারই লাভ – আপনার কেবল যত ঘণ্টা লাগছে, তত ঘণ্টারই পয়সা দেয়া লাগবে, আর যার ঐ কম্পিউটার আছে, সেও দিনের অধিকাংশ সময় কম্পিউটারটা অব্যবহৃত অবস্থায় ফেলে না রেখে ভাড়ায় খাটিয়ে কিছু টাকা কামালো।

এইবার ব্যাপারটা বড় আকারে চিন্তা করেন। ধরেন, আপনার কোম্পানির ওয়েবসাইট বানাচ্ছেন, তাতে একটা ব্লগ চালাবেন। ব্লগের অধিকাংশ ব্লগার ও পাঠক বাংলাদেশে। ফলে বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত ব্লগে লোকজন থাকে, তার মধ্যএ সন্ধ্যা ৮টা হতে ১১টা পর্যন্ত খুব বেশি লোক, এতোই বেশি ভিজিটর যে আপনার সার্ভারে খুব চাপ পড়ে, লোড কমাতে ৩টা সার্ভার একসাথে চালাতে হয় সেসময়। কিন্তু রাত ১২টা হতে সকাল ৯টা পর্যন্ত লোড একেবারেই কম। তখন ১টা সার্ভারেই কাজ হয়ে যায়।

আপনি তাহলে কী করবেন? দুইটা অপশন (১) ৩টা সার্ভার ভাড়া করেন দিনরাত ২৪ ঘণ্টার জন্য, অথবা (২) যখন ভিজিটর বেশি, তখন ৩টা ভাড়া নেন, যখন ইউজার কম, তখন ১টা সার্ভার চালু রাখেন।

এইভাবে ভাড়া নিতে পারলে কিন্তু আপনার খরচ বেশ কমে যাচ্ছে, যখন আপনার দরকার নাই, তখন খামোখা পয়সা কেনো দিবেন? কাজেই আপনার লাভে লাভ!
উল্টা দিকে সার্ভার ভাড়া দেয়া কোম্পানিরও সুবিধা আছে। আপনি যে সময় ১টা সার্ভার ব্যবহার করছেন, ঐ সময়ে বাকি সার্ভারগুলা অন্য কাউকে ভাড়া দিতে পারছে। তাদের সিস্টেম বসে থাকছেনা অলসভাবে কখনোই।

এই যে “এখানে সুলভে সার্ভার ভাড়া দেয়া হয়”, এই আইডিয়াটাই ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূলমন্ত্র।

ক্লাউডের সংজ্ঞা
ক্লাউড কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বরং এটা একটা ব্যবসায়িক মডেল। অর্থাৎ ক্লাউড কম্পিউটিং এ বেশ কিছু নতুন পুরানো প্রযুক্তিকে একটি বিশেষভাবে বাজারজাত করা হয় বা ক্রেতার কাছে পৌছে দেয়া হয়। যেসব ক্রেতার অল্প সময়ের জন্য কম্পিউটার দরকার বা তথ্য রাখার জায়গা দরকার, কিন্তু এই অল্প সময়ের জন্য কম্পিউটার কেনার পেছনে অজস্র টাকা খরচের ইচ্ছা নাই, তারা ক্লাউডের মাধ্যমে ক্লাউড সেবাদাতাদের কাছ থেকে কম্পিউটার বা স্টোরেজ স্পেস ভাড়া নেন।

একটু খোলাসা করেই বলি, তার জন্য ক্লাউডের সংজ্ঞাটা দেখে নেয়া যাক -
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্স্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড্স এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর সংজ্ঞা নিম্নরূপ -
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও নানা এপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে -

(১) “যত চাই, ততই পাই” বা রিসোর্স স্কেলেবিলিটি – ছোট হোক, বড় হোক, ক্রেতার সব রকমের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যতো চাইবে, সেবাদাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

(২) “চাহিবা মাত্রই” বা অন-ডিমান্ড সেবা – ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা মত যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

(৩) পে-অ্যাজ-ইউ-গো – বাংলায় বলতে গেলে “ফেলো কড়ি, মাখো তেল” পেমেন্ট মডেল। অর্থাৎ ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, তার জন্যই কেবল পয়সা দিবে।

উপরের সংজ্ঞাটাকে আগের উদাহরণের সাপেক্ষেই দেখা যাক।
ক্রেতা হিসাবে আপনার কোনো কাজে ১টা সার্ভার লাগলেও ক্লাউড সার্ভিসদাতা সেটা দিতে পারতে হবে, আবার তার পরক্ষণেই যদি আপনার চাহিদা বেড়ে ১০০টা সার্ভার লাগে, তাও দিতে পারতে হবে। কোনো গাঁইগুই, কালকে দিবো, পরে আসেন, এরকম ধানাইপানাই চলবেনা।

আর আপনার সর্বোচ্চ চাহিদা ১০০টা সার্ভার হলে শুরুতেই কিন্তু ১০০টা সার্ভার রিজার্ভ করে রাখতে হবে না, শুরুতে ১টা লাগলে ১টাই ভাড়া নিবেন, যদি পরে বেশি লাগে তখন আরো কয়েকটা নিবেন, আবার চাহিদা কমে গেলে অব্যবহৃত সার্ভার ফেরত দিয়ে দিবেন।

আর পয়সা দেয়ার সময়ে গুণে গুণে ঘণ্টা হিসাবে যেই কয়টা সার্ভার ভাড়া নিয়েছিলেন, কেবল সেই কয়টারই টাকা দিবেন।

উপরের সংজ্ঞা মেনে সার্ভিস বিক্রি করে, এরকম যেকোনো সার্ভিসকেই তাই ক্লাউড বলা চলে। আবার উল্টা ভাবে বলা চলে, বড় একটা ডেটা সেন্টারে অজস্র সার্ভার বসিয়ে রাখলেই সেটা ক্লাউড হয় না, যদি উপরের ৩টি বৈশিষ্ট্যের এক বা একাধিক বৈশিষ্ট্য সেখানে না থাকে।

তাহলে এক বাক্যে ক্লাউডের সংজ্ঞাটা কী দাঁড়ালো?
কম্পিউটার ও ডেটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামতো চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

ও হ্যাঁ, ক্লাউড কম্পিউটিং এর নামে ক্লাউড বা মেঘ এলো কোথা থেকে? ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে ক্রেতারা সাধারণতঃ ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড সার্ভিস প্রোভাইডারের ক্লাউডের সাথে যুক্ত হন। নেটওয়ার্ক ডায়াগ্রাম আঁকার সময়ে ক্রেতা ও সার্ভারের মাঝের ইন্টারনেটের অংশটিকে অনেক আগে থেকেই মেঘের ছবি দিয়ে বোঝানো হতো। সেই থেকেই ক্লাউড কম্পিউটিং কথাটি এসেছে।

Source : http://www.techtunes.com.bd/computing/tune-id/193938

59
কম্পিউটারের বিভিন্ন তথ্য ও ডেটা নিয়ে ফাইল তৈরি হয়। ফাইল হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ হতে পারে। এ অসংখ্য ফাইলসমূহ স্থায়ীভাবে হার্ডডিস্কে সংরক্ষিত থাকে। হার্ডডিস্কে ফাইলসমূহ একটি নির্দিষ্ট রীতিতে নিয়মতান্ত্রিক তালিকায় বিন্যস্ত থাকে। এ নিয়মতান্ত্রিক সুবিন্যস্ত তালিকাই হচ্ছে ফাইল সিস্টেম। এই ফাইল সিস্টেম তৈরি হচ্ছে কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম এর ধারায়। একটি অপারেটিং সিস্টেমে বিভিন্ন টাইপের ফাইল সিস্টেম প্রয়োজন। একটি নতুন কেনা হার্ডডিস্ককে শুরুতেই পার্টিশন করা হয়। একটি নতুন হার্ডডিস্ককে যতগুলো প্রয়োজন ততগুলো পার্টিশনে বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি পার্টিশন একটি ডাটাসেটের মতো কাজ করে। উক্ত পার্টিশনকে অপারেটিং সিস্টেম ছোট ছোট সেগমেন্ট বিভক্ত করে। এক একটি সেগমেন্টকে ক্লাস্টার বলা হয়। ক্লাস্টারে বিভক্ত করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম একটি ডিরেক্টরি স্ট্রাকচার গঠন করে যা ফাইলসমূহ ধারণ করে। যখন কোন হার্ডডিস্ক পার্টিশন ফরম্যাট করা হয় তখন উক্ত পার্টিশনকে একটি নির্দিষ্ট ফাইল সিস্টেমে ফরম্যাট করা হয়। একটি হার্ডডিস্কে বিভিন্ন পার্টিশন ভিন্ন ভিন্ন ফাইল সিস্টেমসহ ফরম্যাট করা যায়। একাধিক ফাইল সিস্টেমসহ হার্ডডিস্ক পার্টিশন সম্ভব বিধায় একটি হার্ডডিস্কে একাধিক অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা সম্ভব হয়।

উইন্ডোজের ফাইল সিস্টেম সমূহ হচ্ছে:

FAT

FAT32

NTFS

 
FAT সিস্টেম

FAT এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে ফাইল এলোকেশন টেবিল (File Allocation Table)। এটি ১৬ বিট ফাইল সিস্টেমে বা FAT16 নামেও পরিচিত। এর ফাইল সিস্টেম যখন ২ গিগাবাইটের উপরের হার্ডডিস্ককে (যেমন ১০ গিগাবাইট, ২০ গিগাবাইট ইত্যাদি) FAT সিস্টেমে পার্টিশন করা হয় তখন সেটি সর্বোচ্চ ৬৫, ৫৩৫ পর্যন্ত ক্লাস্টার নাম্বার সাপোর্ট করে। হার্ডডিস্কের আকার বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্লাস্টার সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। তাই বিভিন্ন সাইজের হার্ডডিস্কের ক্লাস্টার সাইজ ও টেবিলের দুটো কপি ডিস্কের ভলিওম বুট স্ট্রাকচারের পরে সংরক্ষিত অবস্থায় থাকে। হার্ডডিস্কের জায়গার কিছুটা অপচয় হয়।

  FAT32 সিস্টেম

FAT সিস্টেমকে উন্নত করে FAT32 তৈরি করা হয়েছে। FAT32 সিস্টেমে পূর্বে FAT সিস্টেমের গিগাবাইট হার্ডডিস্ক সাপোর্টের সীমাবদ্ধতা নেই। এ ফাইল সিস্টেম এক একটি পার্টিশন ২ গিগাবাইটের উপরেও হার্ডডিস্ক সাপোর্ট করতে পারে। এর ফাইল সিস্টেম ৩২ বিট সম্পন্ন। একটি ২ টেরা বাইটের আকারের একক পার্টিশনেও সাপোর্ট করে। FAT32 সিস্টেমে ক্লাস্টারের নিষ্ক্রিয় অংশ বা স্ল্যাক স্পেস FAT16 এর তুলনায় কম হয়। ফলে হার্ডডিস্কে জায়গার অপচয় কমে যায়। FAT32 সিস্টেমে FAT টেবিলের ব্যাকআপ কপি ব্যবহার করা যায় এবং এই ফাইল সিস্টেম সীমাহীন রুট ডিরেক্টরি সাপোর্ট করে।

 NTFS সিস্টেম

New Technology File System বা NT File System এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে NTFS।  নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে NTFS একটি বহুল ব্যবহৃত ফাইল সিস্টেম। উইন্ডোজ এর জন্যই মূল্য NTFS ফাইল সিস্টেম তৈরি করা হয়। FAT সিস্টেমের চেয়ে দ্রুততর NTFS সিস্টেম। NTFS যে সব সুবিধা প্রদান করে যা FAT সিস্টেম দিতে পারে না। NTFS বিশেষ সিক্যুরিটি ফিচার (যেমন-ফাইল লেভেল সিকিউরিটি) প্রদান করে যা FAT পারে না। FAT এর মতো NTFS দীর্ঘ ফাইল নেম বজায় রাখতে পারে। এটি ২৫৬টি ইউনিকোড ক্যারেক্টার ব্যবহার করতে পারে। সকল বিদেশী ভাষার অক্ষরসমূহকে একটি একক ক্যারেক্টার সেটে অন্তর্ভূক্ত করার প্রক্রিয়াকে ইউনিকোড বলা হয়। NTFS ডসের ৮.৩ ক্যারেক্টার ফাইল নেমও বজায় রাখতে পারে।

60
IT Forum / Is your browser is safe on Internet?
« on: February 26, 2013, 12:18:43 PM »
ইন্টারনেটে বিভিন্ন সময় আমরা ব্রাউজার হাইজ্যাকিংয়ে শিকার হয়ে থাকি।যার ফলে কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে,গুরুত্বপূন্র্ ডাট চুরি হয়ে যেতে পারে,হ্যাকিংয়ের শংকা বেড়ে যায়।কিছু বিষয় খেয়াল করলে আপনি নিজেই বুঝতে পারেন আপনার ব্রাউজার হ্যাইজ্যাক হয়েছে কি না,যেমন-
 
১.ব্রাউজার চালু অবস্থায় ঘনঘন পপআপ উইন্ডো চালু হচ্ছে।
২.ব্রাউজার বন্ধ করার পরও কিছু সাইট সন্দেহজনকভাবে  চালু হচেছ।
৩.ব্রাউজার চালু করলে হোমপেজ হিসাবে নির্ধারিত সাইটের বদলে অন্য কোন সন্দেহজনক সাইট চালু হচ্ছে যা সর্ম্পকে আপনি মোটেও অবগত নন।
৪.ব্রাউজারের এ্যাড্রেসবারে কোন সাইটের ঠিকানা লিখলেই তা নির্দিষ্ট একটি সাইটে রিডাইরেক্ট হয়ে চলে যাচ্ছে।
ব্রাউজার হ্যাইজ্যাকের আশংকা কমাতে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন
১.ব্রাউজারে কোন সর্তকতা বার্তা আসলে তা না পড়েই ক্লীক করবেন না।
২.সন্দেহজনক ইমেইল খুলবেন না।বিশেষ করে অপরিচিত ইমেইল থেকে আসা অ্যাটাচ ফাইল খুলবেন না এবং ইমেইলের উত্তর দেবেন না।
৩.ভাইরাসের কারনে এই সমস্যা হতে পারে।তাই নিয়মিত হালনাগাদ এ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।
৪.উইন্ডোজের বিভিন্ন নিরাপত্তাজনিত ক্রটির কারনে এই সমস্যা হতে পারে।তাই উইন্ডোজের সিকিউরিটি প্যাচ হালনাগাদ করার চেষ্টা করুন।

Pages: 1 2 3 [4] 5 6