Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Karim Sarker(Sohel)

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 35
46
Latest Technology / Re: আসছে নতুন আইপ্যাড
« on: November 27, 2016, 01:01:04 PM »
ছবিতে দেখুন

47
Latest Technology / আসছে নতুন আইপ্যাড
« on: November 27, 2016, 12:58:49 PM »
আগামী বছরের শুরুতে তিনটি নতুন মডেলের আইপ্যাড বাজারে আনতে পারে মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারক্লেইসের বিশ্লেষকেদের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে প্রযুক্তি-বিষয়ক ওয়েবসাইট অ্যাপল ইনসাইডার।

বিশ্লেষকেরা বলেন, আগামী বছরের মার্চ মাসে নতুন আইপ্যাড বাজারে আসতে পারে। তিনটি মডেলের মধ্যে দুটি মডেল হবে বর্তমানে বাজারে থাকা আইপ্যাডের হালনাগাদ সংস্করণ এবং একটি হবে সম্পূর্ণ নতুন মডেল।


বাজার বিশ্লেষকেদের মতে, নতুন আইপ্যাড হিসেবে ১০ দশমিক ৯ ইঞ্চি মাপের একটি নতুন মডেল আনতে পারে অ্যাপল। এ ছাড়া ৯ দশমিক ৭ ইঞ্চি মাপের আইপ্যাড প্রো থেকে ‘প্রো’ কথাটি বাদ দিয়ে একটি মডেল আসতে পারে। এ মডেলের দাম এবার কিছু কমাতে পারে অ্যাপল। আইপ্যাড মিনির পাশাপাশি নতুন এই আইপ্যাড বিক্রি হবে।


১২ দশমিক ৯ ইঞ্চি মাপের আইপ্যাড প্রো মডেলটির একটি হালনাগাদ সংস্করণ আনতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।


বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ১০ দশমিক ৯ ইঞ্চি মডেলের আইপ্যাডে ডিসপ্লে প্যানেল ভবিষ্যতের আইফোনের ডিসপ্লে সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। অবশ্য এ বিষয়ে অ্যাপল কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। তবে অ্যাপলের কাছে ডিসপ্লে সরবরাহকারী শার্পের প্রেসিডেন্ট টাই জেং-ইয়ু বলেছেন, আইফোনে ওএলইডি প্যানেল ব্যবহৃত হবে।

Collected---

48
রোবটিক হোটেল, টাইফুনচালিত টারবাইনের মতো নানা উন্নত প্রযুক্তির কারণে বিশ্বে ইতিমধ্যে সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তির দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম জাপান। ডিজিটাল উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে অবস্থান আরও শক্ত করতে যাচ্ছে দেশটি। বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার তৈরির পরিকল্পনা করছে জাপান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপান এমন একটি যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে, যা ব্যবহার করে দেশটির বিজ্ঞানীরা চালকবিহীন গাড়ি, রোবট ও ওষুধশিল্পে আরও উন্নতি করতে পারবে।

সুপার কম্পিউটারের ক্ষেত্রে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পেছনে ফেলতে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে জাপান সরকার।
জাপানের এই সুপার কম্পিউটার সেকেন্ডে ১৩০ কোয়াড্রিলিয়ন হিসাব সম্পন্ন করতে পারবে। অর্থাৎ, এর গতি হবে ১৩০ পেটাফ্লপস। (১ পেটাফ্লপ = ১ হাজার টেরাফ্লপ বা ১০ লাখ গিগাফ্লপ)।

বর্তমানে সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটারের খেতাব চীনের সানওয়ে তাইহুলাইটের। এর গতি প্রতি সেকেন্ডে ৯৩ পেটাফ্লপ।

গতির বিচারে শীর্ষ ১০ সুপার কম্পিউটারের দুটি চীনে, চারটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। বাকি চারটির মধ্যে জাপান, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও সৌদি আরবে একটি করে আছে।

জাপানের সুপার কম্পিউটার আগামী বছর দেশটির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড ইন্ডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে স্থাপন করা হবে।

গবেষকেরা আশা করছেন, এই সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নতি করা যাবে।

অবশ্য, এই সুপার কম্পিউটার তৈরিতে কোন প্রতিষ্ঠান কাজ করবে, তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। বর্তমানে কম্পিউটার তৈরিতে দরপত্র গ্রহণ করছে দেশটি।

Collected ----

49
মানুষ সামাজিক জীবন। সামাজিক পরিমণ্ডলে সবার মাঝে বেড়ে ওঠা মানুষের সহজাত প্রকৃতি। সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোনো মানুষ বাস করতে পারে না। আর সমাজে বসবাস করতে যেয়ে মানুষ পারস্পরিক লেনদেন ও নানা জিনিসের আদান-প্রদান করে থাকে। একজনের প্রয়োজনে অন্যজন লাগে। একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক সৃষ্টি করতে হয়, রাখতে হয়। মানুষের সামাজিক এই জীবনাচারের মধ্যে তার মানবিক প্রকৃতি ফুটে ওঠে। সমাজ দর্পণে ভেসে ওঠে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তার আচার-আচরণ সম্পর্কে অবগত হয় সমাজের প্রতিটি সদস্য। মানুষের আপন সত্তাকে পরিচিতি করে তোলার উপযুক্ত ক্ষেত্র এটাই।

মানবচরিত্রের দু’টি দিক রয়েছে- ভালো ও মন্দ। মানুষের মধ্যে যার যে স্বভাবটি প্রাধান্য পায়, সে সেভাবেই খ্যাতি লাভ করে। যাদের চরিত্রে উত্তম গুণাবলীর সমাবেশ ঘটে সে হয়- স্মরণীয় ও বরণীয়। আর যার চরিত্র মন্দ দোষে দুষ্ট হয় সে হয় ধিকৃত ও পরিত্যাজ্য। মানুষ তার আচার-আচরণের মাধ্যমে স্থান করে নেয় সবার অন্তরে। তার কৃত আচরণ মৃত্যুপরবর্তী সময়েও তাকে তুলে আনে মানুষের স্মৃতিতে। এজন্য অনন্তকালের জন্য মানব মনে স্থান করে নিতে প্রয়োজন উত্তম আচরণ ও সুন্দর ব্যবহার।

কোমলতা উত্তম আচরণের অনন্য বৈশিষ্ট্য। স্বভাবে যে কোমল, আচরণে যে মার্জিত, সে হয় সবার কাছে সমানভাবে স্বীকৃত। স্বভাবের কোমলতা মানুষকে মহীয়ান করে। নম্র ও কোমল আচরণের মনুষকে সবাই ভালোবাসে, সমীহ করে। কোমল আচরণের দ্বারা মানুষের চারিত্রিক মাধুর্যতা প্রকাশ পায়।

শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম মানুষের আচরণ মার্জিত ও ভদ্রোচিত হওয়ার প্রতি জোরালো তাগিদ প্রদান করেছে। মানুষের সীমাবদ্ধতা ও অপারগতার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে ইসলাম মানুষকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

মানবতার মহান পথ-প্রদর্শক নবী হজরত মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে কোমল ও মার্জিত আচরণ করে এর শিক্ষা দিয়েছেন উম্মতকে। তার চারিত্রিক মাধুর্যের কথা প্রবাদতুল্য। তার চরিত্রের অন্যতম বিশেষ ভূষণ ছিল কোমলতা। 

মানবতার শ্রেষ্ঠ আসনে আসীন হওয়া সত্ত্বেও তিনি তার কথা, কাজ, ইশারা-ইঙ্গিত তথা আচরণের মাধ্যমে এমন কিছু প্রকাশ করেননি যাতে তার বড়ত্ব প্রকাশ পায়। বরং নম্র, ভদ্র, মার্জিত, কোমল ও মায়াবী স্বভাবের দ্বারা তিনি সবার অন্তর জয় করে নেন।

তিনি নিজেই তার চরিত্রের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমি প্রেরিত হয়েছি চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে।’

এ জন্য বাস্তব জীবনে চারিত্রিক শ্রেষ্ঠত্বের প্রয়োগ ঘটিয়ে তিনি মানবতাকে শিক্ষা দিয়েছেন চারিত্রিক উৎকর্ষ কী, চরিত্রের বঞ্চিত ধারা কোনটি? চারিত্রিক কোমলতার উদাহরণে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বর্ণিল জীবন ভরপুর। তার পবিত্র জীবনী পর্যালোচনা করলে অসংখ্য ঘটনার দ্বারা এ কথার প্রমাণ মেলে।

হজরত আনাস (রা.) দীর্ঘ ১০ বছর পর্যন্ত নবীজীর খাদেম ছিলেন। তার মুখের ভাষ্য হচ্ছে, ‘এই সুদীর্ঘ সময়ে কোনোদিন তিনি আমাকে অনুযোগের স্বরে এ কথা বলেননি যে, হে আনাস! তুমি এ কাজটি কেন করেছো বা কেন করোনি?’

সবচেয়ে কাছে থেকে দেখা খাদেমের কথা থেকেই তার মহান চরিত্রের কোমলতার পরিধি কিছুটা নির্ণিত হয়। পরিবার থেকে সমাজ পর্যন্ত সবাই তার কোমল আচরণে ছিল সন্তুষ্ট। তার কোমল আচরণের কারণে কর্কশ, বর্বর, অসভ্য, মরুবাসী আরব জাতির পাথরের মতো শক্ত হৃদয় মোমের ন্যায় গলে গিয়েছিল। তার মহান চরিত্র শোভায় আসক্ত হয়ে ইসলামের আদর্শের কাছে মাথা নত করেছিল তারা।

শেষ নবী হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শের সৈনিক সাহাবায়ে কেরাম প্রত্যেকেই ছিলেন এই চরিত্রের অধিকারী। ফলে ইসলাম দুর্বার গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। আর ইসলাম ছড়ানোর পেছনে মূখ্য ভূমিকা পালন করে রাসূলের চারিত্রিক উদারতা ও কোমল স্বভাব, কোনো অবস্থাতেই তলোয়ারের জোর নয়।

Collected ---

50
ইসলামের মূল উৎস কোরআনে কারিম এবং হাদিস পরধর্মের মানুষকে আপনের চেয়েও বেশি শ্রদ্ধা ও সম্মান করার কথা বলেছে। ইতিহাস সাক্ষী, আমরা দেখেছি শেষ নবী হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আপনজনের অনেকেই ছিল ইসলামের কট্টর দুশমন। তথাপি নবী করিম (সা.) তাদের প্রতি নির্যাতন তো দূরের কথা, তাদের প্রতি মৌখিক অভিযোগও উত্থাপন করেননি। বরং কোনো বিরোধী যখন অসুস্থ হতো, তখন হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) তাকে দেখতে যেতেন।

হজরত রাসূলে কারিম (সা.)-এর এমন আন্তরিকতায় ওই বিরোধীরাও ধীরে ধীরে ইসলামের পতাকাতলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। এই যখন মুসলমানের নবীর চরিত্র, তাহলে তারা কীভাবে মন্দিরে হামলা করতে পারে?

একজন প্রকৃত মুসলমানের পক্ষে মন্দির ভাঙ্গা তো দূরের কথা মন্দির ভাঙ্গার চিন্তা করাও সম্ভব নয়। কারণ, ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘যারা মানুষকে সাম্প্রদায়িকতার দিকে ডাকে, সাম্প্রদায়িকতার জন্য যুদ্ধ করে, সংগ্রাম করে এবং জীবন উৎসর্গ করে তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।’ -সুনানে আবু দাউদ : ৫১২৩
 
সাম্প্রদায়িকতার ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে পবিত্র কোরআন। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘ধর্মের ব্যাপারে জোরজবরদস্তি নেই। ভ্রান্ত মত ও পথকে সঠিক মত ও পথ থেকে ছাঁটাই করে আলাদা করে দেওয়া হয়েছে।’ -সূরা বাকারা :২৫৬

সুতরাং ‘তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য, আমাদের ধর্ম আমাদের জন্য।’ -সূরা কাফিরুন : ৫

একে অন্যের ধর্ম পালন করতে গিয়ে কেউ কোনোরূপ সীমা লঙ্ঘন কিংবা বাড়াবাড়ি করবে না। অন্য কেউ যদি ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করেও ফেলে তবে ভুলেও যেন কোনো ইমানদার এ ধরনের হীন ও জঘন্য কাজের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত না করে। এ বিষয়টিই নসিহতস্বরূপ মুমিনদের উদ্দেশে আল্লাহতায়ালা বলছেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যেসব দেবদেবীর পূজা-উপাসনা করে, তোমরা তাদের গালি দিও না। যাতে করে তারা শিরক থেকে আরো অগ্রসর হয়ে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকে গালি দিয়ে না বসে।’ -সূরা আনআম: ১০৮

যেখানে অন্য ধর্মের দেবতাকে গালি দেওয়া নিষিদ্ধ সেখানে মন্দির ভাঙচুর ও মানুষ হত্যা কীভাবে বৈধ হতে পারে? একজন প্রকৃত মুসলমান কখনোই ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতিতে আঘাত আসে এমন কোনো কাজ করতে পারে না।

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো মুসলমান যদি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ক্ষুন্ন করে কিংবা তাদের ওপর জুলুম করে, তবে কেয়ামতের দিন আমি মুহাম্মদ ওই মুসলমানের বিরুদ্ধে আল্লাহর আদালতে লড়াই করব।’ –সুনানে আবু দাউদ : ৩০৫২

তিনি (সা.) আরও বলেছেন, ‘অন্যায়ভাবে কোনো অমুসলিমকে হত্যাকারী জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। অথচ চল্লিশ বছরের রাস্তার দূরত্ব থেকেই ওই ঘ্রাণ পাওয়া যাবে।’ –সহিহ বোখারি : ৩১৬৬

অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করবে আল্লাহতায়ালা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।’ -সুনানে নাসাঈ : ৪৭৪৭

রাসূলুল্লাহ (সা.) ও খোলাফায়ে রাশেদিনের চিরাচরিত নিয়ম ছিল, যখন কোনো সেনাবাহিনী প্রেরণ করার প্রয়োজন হতো, তখন যুদ্ধ সম্পর্কিত বিভিন্ন নসিহত, দিকনির্দেশনার পাশাপাশি একথা অবশ্যই বলে দিতেন যে, ‘যুদ্ধকালীন সময়ে বা যুদ্ধের পর কোনো মন্দির-গীর্জা-উপাসনালয় ভেঙে ফেলবে না।’ -মুসান্নাফ আবি শায়বা : ৩৩৮০৪

51
ছবিতে দেখুন

52
Islam / ইসরাইলের সবচেয়ে বড় মসজিদ
« on: November 26, 2016, 09:03:06 PM »
বর্তমান বিশ্বের একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলের অ্যাকর একটি প্রাচীন নগরী। ভূমধ্যসাগর উপকূলের এ নগরীর প্রাচীন অংশের দেয়ালের অভ্যন্তরে একটি বিখ্যাত মসজিদ রয়েছে। এর নাম মসজিদ আল জাজ্জার।

মসজিদটির অবস্থান আল জাজ্জার স্ট্রিটে। মসজিদ আল জাজ্জার ওসমানীয় (অটোমান) স্থাপত্যের এক অনুপম নিদর্শন। এতে বাইজান্টাইনীয় ও পারসিক ঘরানার স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে।

১৮ শতকের শেষ দিকে অ্যাকরে ওসমানীয় (তুর্কি) গভর্নর আহমেদ আল জাজ্জারের প্রকল্প ছিল এ মসজিদ। ১৭৮১ সালে মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ হয়। মসজিদ আল জাজ্জারের গম্বুজ ও মিনার সৌন্দর্যমণ্ডিত। অ্যাকরের উচ্চ স্থাপনাগুলোর একটি এ মসজিদ।

আদিতে মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছিল মসজিদ আল আনোয়ার (আলোর বড় মসজিদ)। শ্বেত মসজিদ নামেও এটি পরিচিত। এর রুপালি-সাদা গম্বুজটি অনেক দূর থেকেও সাদাটে আভা ছড়াত যা মানুষের দৃষ্টিগোচর হতো। এ কারণেই এ নাম।

বর্তমানে গম্বুজের রঙ সবুজ করা হয়েছে। মসজিদের মিনারে রয়েছে ১২৪ ধাপের সিঁড়ি। মসজিদের আঙিনায় রয়েছে একটি সমাধি সৌধ এবং ছোট গোরস্থান। এখানে জাজ্জার পাশা ও তার উত্তরসূরি সোলায়মান পাশা এবং তাদের স্বজনদের কবর রয়েছে। পূর্ব জেরুজালেমের মসজিদগুলো বাদ দিলে এটি ইসরাইলের সবচেয়ে বড় মসজিদ।

Collected

53
শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে আল্লাহতায়ালার ঘোষণা, ‘হে নবী! নিশ্চয়ই আপনি সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী।’ - সূরা কলম: ৪

আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন বিশ্ব নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করেছেন, সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী বলে। আল্লাহ তাকে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উৎস ও সর্বোত্তম স্থান থেকে বাছাই করেছেন। তাকে শ্রেষ্ঠ গুণাবলি ও উত্তম চরিত্র দিয়ে পবিত্র করেছেন, অন্তরকে বিকশিত করেছেন, নিষ্পাপ বানিয়েছেন। সবক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন অসাধারণ।

নবী করিম (সা.)-তার নবুওয়তি জীবনে মানুষকে উল্লেখিত গুণের আলোকে গড়ে তুলতে কাজ করেছেন। কারণ, ইসলাম মনে চরিত্রবান মানুষ সে পুরুষ হোক কিংবা নারী হোক, ধনী হোক কিংবা গরিব হোক তাকে দিয়ে কখনও ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ তথা মানব সভ্যতার কোনো ক্ষতিসাধিত হয় না, হতে পারে না। সে সর্বদা মানব কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখে।

কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে, আজকের সমাজে চারিত্রিক উন্নতির ব্যাপারটিকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। বিত্তবৈভব আর সম্পদের উন্নতিই সমাজ উন্নয়নের মাপকাঠি হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। চারিত্রিক উন্নয়নের বিষয়টি পাঠ্যবইয়ের পাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

প্রকৃত বিষয় হলো- আজকের সমাজে যত অসঙ্গতি, অন্যায়, অবিচার চলছে তার মূলে রয়েছে মানুষের চারিত্রিক দুর্বলতা। যে মানুষটির চরিত্রে কলুষতা রয়েছে তাকে দিয়েই সমাজে নিকৃষ্ট কাজগুলো সম্পাদিত হয়। নিষ্কলুষ মানুষের মাধ্যমে কখনও এমনটি ঘটে না।

একজন সম্মানিত শিক্ষকের প্রতি ছাত্রদের শ্রদ্ধা থাকবে, ভক্তি থাকবে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেখানে দেখি ছাত্রদের হাতে শিক্ষকের লাঞ্ছিত হওয়ার লজ্জাজনক ঘটনা। অন্যদিকে বাবা-মার প্রতি সন্তানদের অকুণ্ঠ শ্রদ্ধা-ভালোবাসা থাকারই কথা। সেখানে সন্তানের হাতে বাবা-মার নৃশংস হত্যার ঘটনায় আমরা আতংকিত হই; বিমর্ষ হই। এ ঘটনাগুলোর সূত্রপাত কিন্তু একদিনে ঘটেনি। মানব সমাজের চারিত্রিক অবক্ষয় আর নৈতিক বিপর্যয়ই মূলত এর জন্য দায়ী।

উল্লিখিত ঘটনাগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় আমরা আমাদের সন্তানদের চরিত্রবান হিসেবে গড়ে তুলতে যত্নবান হইনি। আমাদের বহু ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। এজন্যই তো মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) চরিত্রবান মানুষের প্রশংসায় বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে চরিত্রবান মানুষই সর্বোত্তম।’ –কানজুল উম্মাল

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) আর ইরশাদ করেছেন, উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে মানুষ অবিরাম নামাজি এবং রোজাদারের মর্যাদা পেয়ে থাকেন। -সুনানে আবু দাউদ

একজন চরিত্রবান মানুষ সর্বদা অন্য মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকেন। ছোটদের স্নেহ করেন আর জ্ঞানী-গুণীদের সম্মান করেন। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কখনও তিনি বিরূপ আচরণ করেন না। আমরা যদি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবনী সামনে রাখি তাহলে সেখানে দেখতে পাব জীবনের পরতে পরতে চারিত্রিক উৎকর্ষের এক সমুজ্জল নমুনা তিনি।

তাইতো আমরা হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) কে দেখতে পাই সমাজের সত্য, ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠাকারী একজন মূর্তপ্রতীক হিসেবে। তাকে আমরা দেখি সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত, বঞ্চিত, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ত্রাণকর্তা হিসেবে।

আমরা প্রিয়নবী (সা.) কে আরও দেখতে পাই লাঞ্ছিত, অবহেলিত নারী সমাজের মুক্তির দূত হিসেবে। বাবা-মার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার শিক্ষা আমরা রাসূল (সা.)-এর পবিত্র জীবন থেকেই পাই।

আজকের ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যে অন্যায়, অবিচার, বৈষম্য, নারী নির্যাতন, হত্যা, গুম ও মাদকের ব্যাপকতা ঝেঁকে বসেছে, সেখান থেকে সমাজকে প্রকৃত উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে হলে সমাজের প্রতিটি মানুষকে সৎ চরিত্রবান হতে হবে। আমাদের আগামী প্রজন্মকে চরিত্রবান নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সৎ চরিত্রবানরাই পারে একটি আদর্শ সুন্দর আলোকিত সমাজ উপহার দিতে।

Collected -

54
বিভিন্ন পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দাবী করা হয়, কানাডায় বসবাসরত মুসলমানদের সংখ্যা ১৫ লাখের বেশি। যা কানাডার মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫.২ ভাগ। অবশ্য সম্প্রতি বছরগুলোতে তাদের সংখ্যা আরও বেড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, আগামী ২০৩০ সালে দেশটিতে মুসলমানদের সংখ্যা বেড়ে ৩০ লাখে দাঁড়াবে।

কানাডায় কোনো সাম্প্রদায়িক হানাহানি নেই। সেখানে কোনো ধর্মকে খাটো করে দেখা হয় না। সেই কানাডার একটি বেসরকারি টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ প্রথমবারের মতো হিজাবধারী এক মুসলিম নারীকে টেলিভিশনে অনুষ্ঠান উপস্থাপনা ও সঞ্চালনার সুযোগ দিয়ে এক সহিষ্ণুতার বার্তা দিলো।

কানাডার মাটিতে হিজাব মাথায় টেলিভিশনে অনুষ্ঠান সঞ্চালনাকারী ওই নারী সাংবাদিকের নাম জিনেলা মাসা (Ginella Massa)। হিজাব মাথায় অনুষ্ঠান উপস্থাপনের সুযোগ পেয়ে ২৯ বছর বয়সী ওই নারী ভীষণ খুশি। তিনি এ কথা টুইটারে জানিয়েছেন নিজেই। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

জিনেলা মাসা টুইটারে লিখেছেন, ‘অবশেষে স্বপ্ন পূরণ। এর আগে হিজাব পরে কেউ টেলিভিশনে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেননি। আমার জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।’

হিজাবধারী এই উপস্থাপিকা বর্তমানে কানাডার টরেন্টোর ‘সিটি নিউজ’  (CityNews) টেলিভিশনে কর্মরত। গত সপ্তাহে চ্যানেলের সম্পাদক ও মালিক আচমকাই তাকে এ অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব দেন।

প্রথমে অবাক হলেও শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) তিনি সফলভাবে একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। সাম্প্রতিক খবরের বিশ্লেষণ নিয়ে ওই অনুষ্ঠানটি তিনি দক্ষতার সঙ্গেই পরিচালনা করেছেন। তারপর থেকেই শুভেচ্ছা বার্তা পাচ্ছেন মাসা।

মজার বিষয় হলো, তার উপস্থাপিত অনুষ্ঠানটির রেটিং শেষদিকে বেড়ে যায়। এমন সাফল্যের প্রেক্ষিতে টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ তাকে অনুষ্ঠানটি চালিয়ে যেতে বলেছেন।

২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, দেশের প্রথম হিজাব পরিহিত টেলিভিশন সাংবাদিক হিসেবে ওই খবরের চ্যানেলে যোগ দিয়েছিলেন জিনেলা। মাত্র এক বছররে মধ্যেই ফের নতুন ইতিহাস গড়লেন তিনি।

মাসা তার অর্জনকে ব্যক্তিগত কর্মজীবনের অগ্রগতির পাশাপাশি মুসলিম নারীদের সফলতা হিসেবে দেখছেন। তার মতে, কোনো মুসলিম নারীর জন্য তার নীতি-আদর্শ রক্ষা করে সাংবাদিকতার মতো চাকরি যে কঠিন নয়- এটা প্রমাণ হয়েছে। আমি নারী, আমি হিজাবি, সাংবাদিকতা আমার পেশা হতে পারে না- এমন ধারণা মনে করা বোকামী।

হিজাব ইসলামের প্রতীক, এর একটি একটি শক্তিশালী ইমেজ রয়েছে। সেটা আন্তরিকভাবে বহন করলে- মিডিয়াতে অবশ্যই এর ইতিবাচক ইমেজ দেখা যাবে। এটা মুসলমানদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই চেতনাকেই মাসা তারা সফলতার মূলমন্ত্র বলে মনে করেন।

Collected ---

55
মানুষকে ধোঁকা দেওয়া ও প্রতারণার ক্ষেত্রে ক্রোধ তথা রাগ হচ্ছে- অভিশপ্ত শয়তানের অস্ত্র। শয়তান মানুষকে ক্রোধের বশবর্তী করে বিচ্যুতির ফাঁদে ফেলে বিপথগামীতার দিকে নিয়ে যায়। রাগ বা ক্রোধ মানবজীবনে সবচেয়ে ভয়ানক শত্রু। মানুষ যখন রাগান্বিত হয় তখন তার মস্তিষ্ক স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে না, তার স্বাভাবিক জ্ঞান লোপ পায়; ফলে সে যে কোনো অঘটনে নিজেকে জড়িয়ে ফেলতে পারে। রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখার নিমিত্তে মনস্তাত্বিকবিদরা নানাবিধ উপায়ের কথা বলেছেন।

কিন্তু আজ আমরা পবিত্র কোরআনের দৃষ্টিতে রাগ নিবারণের কার্যকর পন্থা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে রাগ নিবারণের উপায়ের পদ্ধতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। সেগুলো হলো-

এক. অন্যের ভুল-ভ্রান্তিকে মার্জনার দৃষ্টিতে দেখা। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘ (তারা সফল মানুষ) যারা অন্যায় ও পাপকর্ম থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখে এবং যখন ক্রোধান্বিত হয় তখন আত্মসংবরণ (তাদেরকে ক্ষমা করে দেয়) করে।’ –সূরা আশ শুরা: ৩৭
 
দুই. তাকওয়া ও পরহেজগারিতা। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে তাদেরকে তাকওয়া ও পরহেজগারি হিসেবে অভিহিত করেছেন; যারা ক্রোধকে দমন করতে পারে। অন্যভাবে বলা যেতে পারে যে, ক্রোধ দমনের সক্ষমতাই তাকওয়া ও পরহেজগারিতার পরিচয়।

পবিত্র কোরআনের ভাষায়, ‘আর তোমাদের প্রতিপালকের মার্জনা ও বেহেশতের দিকে দ্রুত ধাবিত হও, যার বিস্তৃতি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সমান; যা তাকওয়াধারীদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল অবস্থায় (আল্লাহর পথে) ব্যয় করে, ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল। আর সৎকর্মশীলদের আল্লাহ ভালোবাসেন। -সূরা আল ইমরান : ১৩৩-১৩৪

আমরা প্রত্যক্ষ করি যে, মানুষ যখন জীবন চলার পথে কোনো বাধা কিংবা বিপত্তির শিকার হয়- তখন যদি সে ধৈর্য অবলম্বন না করে তাহলে ক্রোধের বশবর্তী হতে পারে।

তিন. ‘আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’ (আমি অভিশপ্ত শয়তানের হাত থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি) বেশি বেশি পাঠ করা। নিশ্চয়ই অভিশপ্ত শয়তান মানুষের অন্তরে ক্রোধের আগুন প্রজ্বলিত করে। কাজেই ক্রোধের আগুন থেকে বাঁচার অন্যতম কার্যকর পন্থা হচ্ছে, আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করা। যাতে শয়তানের প্ররোচনা হতে নিরাপদ থাকা যায়।

চার. ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম’ পাঠ করা। হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম’- পাঠের মাধ্যমে ক্রোধ নির্বাপিত হয়।

পাঁচ. অধিক দরুদ শরিফ পাঠ করা। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি দরুদ শরিফ পাঠ মানুষের আত্মাকে প্রশান্ত এবং ক্রোধকে নিবারণ করে।

ছয়. সিজদা করা। রাগ ও ক্রোধ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার অন্যতম উপায় হচ্ছে, মানুষ যখন রাগান্বিত হয়, তখন তার উচিত সিজদাবনত হওয়া। কেননা সিজদা ক্রোধের আগুনকে নির্বাপিত করে। এ সম্পর্কে ইসলামি স্কলাররা বলেন, ক্রোধ হচ্ছে অগ্নিস্ফুলিঙ্গের ন্যায়। যা মানুষের মন ও মানসিকতার ওপর (নেতিবাচক) প্রভাব ফেলে। এ অবস্থাতে দেখা যায়, ক্রোধান্বিত ব্যক্তির চোখ রক্তবর্ণ হয়ে যায়। কাজেই যদি কারও মধ্যে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়- তাহলে তার উচিত সেজদাবনত হওয়া। যে ক্রোধান্বিত অবস্থায় সেজদাবনত হবে, আল্লাহতায়ালা তাকে শয়তানের প্রজ্বলিত আগুন থেকে রক্ষা করবেন এবং তার অন্তরে প্রশান্তি সৃষ্টি হবে।

সাত. অবস্থার পরিবর্তন সাধন। বলা হয়, যদি কেউ বসা অবস্থায় ক্রোধান্বিত হয় তাহলে উঠে দাঁড়াবে। যদি দাঁড়ানো অবস্থায় ক্রোধের শিকার হয়- তাহলে বসে যাবে কিংবা নিজের স্থান পরিবর্তন করবে। এক্ষেত্রে কিছুটা হাটাহাটি করার কথাও বলা হয়েছে। অবস্থার এমন পরিবর্তনের মানুষের ক্রোধের আগুন প্রশমিত হয়।

আট. অজু কিংবা গোসল করা। ক্রোধের আগুন নিবারণের জন্য হাত-পা ধৌত করা অর্থাৎ অজুর আমল ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। কাজেই অজু কিংবা গোসল এক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর প্রভাব ফেলে। এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘যখন তোমাদের মধ্যে কেউ ক্রোধান্বিত হও; তখন অজু কিংবা গোসল করবে। কেননা ক্রোধ হচ্ছে- অগ্নি। আর পানি অগ্নিকে নির্বাপিত করে দেওয়া।

Collected ---

56
Food Habit / Re: ডিম সালাদে এত পুষ্টি!
« on: November 26, 2016, 07:42:47 PM »
Very interesting

57
Food Habit / পার্টি উইথ বিফ
« on: November 26, 2016, 07:32:28 PM »
শীত আসি আসি করছে...হিমেল হাওয়ায় বন্ধুদের নিয়ে পার্টি তো হবেই। সঙ্গে থাকতে হবে মজার মজার খাবার তাইতো? এবারের পার্টি টা না হয় গরুর মাংসের ভিন্ন কিছু আইটেম দিয়ে হোক। জেনে নিন দারুণ মজার দুটি রেসিপি:

গরুর মাংস স্টেক

উপকরণ:
•    হাড় ছাড়া গরুর মাংস ৫০০ গ্রাম
•    আদা পেস্ট আধা চা চামচ,
•    হট টমেটো সস ১/২ কাপ, গোল মরিচ গুঁড়া সামান্য
•    রসুন পেস্ট আধা চা চামচ,
•    জিরার গুঁড়া সামান্য স্টেক স্পাইস পরিমাণ মতো,
•    ওলিভ অয়েল ২ টেবিল চামচ, লবণ ও মরিচ-স্বাদ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী
মাংস পছন্দ মতো কেটে ধুয়ে নিন। একটি পাত্রে সব উপকরণ নিয়ে ভালোভাবে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার স্টেকগুলো মসলা মেখে মেরিনেট করে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। গ্রিলে স্টেক দিয়ে মাঝারি তাপমাত্রায় গ্রিল করুন। ওভেনেও গ্রিল করে নিতে পারেন।
লক্ষ্য রাখবেন স্টেক যেন খুব শক্ত না হয়ে যায়। এরপর স্টেকের ওপর গ্রেভি দিয়ে আপনার পছন্দমতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার স্টেক।

টক-ঝাল-মিষ্টি-গরুর মাংস

উপকরণ:

•    গরুর মাংস মাংস ৫০০ গ্রাম
•    রসুন কুচি ১টেবিল চামচ
•    পেঁয়াজ স্প্রিং আধা কাপ
•    আদা জুলিয়ান সাইজে কাটা ১টেবিল চামচ
•    ক্যাপসিকাম লাল, সবুজ, হলুদ ১কাপ
•    কর্নফ্লাওয়ার ১টেবিল চামচ
•    তেল আধা কাপ
•    ওয়েস্টার সস ২টেবিল চামচ
•    সয়া সস ১টেবিল চামচ
•    লবণ ও মরিচ গুঁড়া স্বাদ মতো
•    চিনি সামান্য।

পদ্ধতি
১ম ধাপ: গরুর মাংস পাতলা করে কেটে তেল ও রসুন দিয়ে আধাঘণ্টা মেরিনেট করে রাখুন।
ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে মাংসের টুকরোগুলো ভেজে তুলুন।

২য় ধাপ: ফ্রাইপ্যান থেকে কিছুটা তেল তুলে রাখুন। এবার রসুন দিয়ে বাদামি হলে পেঁয়াজ, আদা কুচিসহ সব মশলা দিন, ক্যাপসিকাম ও ভেজে রাখা গরুর মাংস যোগ করুন।

৩য় ও শেষ ধাপ: সব ধরনের সস দিয়ে মাংস আরও ১০ মিনিট রান্না করুন। সবশেষে একটু পানিতে কর্নফ্লাওয়ার গুলে দিয়ে দিন। নামানোর আগে কয়েকটি কাঁচা মরিচ, লবণ এবং সামান্য চিনি দিয়ে চেক করে নিন।

পরোটা, নান বা লুচির সঙ্গে সালাদসহ পরিবেশন করুন।

Collected ---

58
Health Tips / পায়ের সৌন্দর্যও কম নয়
« on: November 26, 2016, 07:30:10 PM »
আমরা অনেকেই স্লিম হওয়া মানে শুধু পেটের মেদ কমানোর কথাই বুঝি। আসলে বিষয়টি কি তাই? অনেকেই জানতে চান শরীরের তুলনায় পা দুটো বিশেষ করে কোমরের নিচ থেকে হাটু পর্যন্ত অনেক বেশি মোটা। যে কারণে শাড়ি পরলে হয়তো দেখতে বেশ লাগে, তবে ওয়ের্স্টান ড্রেস পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। এই সমস্যা কিন্তু শুধু পোশাকের জন্য না।

পা বেশি মোটা হয়ে গেলে আমাদের হাঁটতেও কষ্ট হয়। ধীরে ধীরে এজন্য আমরা আরও অলস হয়ে যাই আর ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, স্থুলতার মতো রোগগুলো এসে আমাদের শরীরে ঘরবাঁধে।  তাহলে কীভাবে পেতে পারি মেদহীন কোমর-হিপ-উরু? তেমন কিছুই করতে হবে না বন্ধুরা। শুধুমাত্র নিচের ব্যায়ামগুলো নিয়মিত করুন।

আর ব্যায়াম করার জন্য কিছুটা প্রস্তুতি নিয়ে নিলেই ভালো। যেমন আরামদায়ক পোশাক পরে নিতে হবে, একটি নির্দিষ্ট জায়গা, যদি সম্ভব হয় সফট মিউজিক আর সময়টাও নির্দিষ্ট করে নিন। 

যা করবেন:

আন্ডার লেগ লিফট
এক পাশ করে মাটির ওপর শুয়ে পড়ুন। মাথার নিচে পাতলা বালিশ রাখতে পারেন। একটা পা একদম সোজা করে মাটির ওপর রাখুন অন্য পা ওপরে তোলার চেষ্টা করুন। ৩০ সেকেন্ডের মতো এই পজিশনে থেকে স্টার্টিং পজিশনে ফিরে আসুন। এটি ১০ থেকে ২০ বার করুন। একটা সেট হয়ে গেলে ৩০ সেকেন্ডের বিশ্রাম নিয়ে সাইড পরিবর্তন করুন। একইভাবে অন্য সাইডে করুন।

আপার লেগ লিফট
শুয়ে একটি পা ওপরের দিকে তোলার চেষ্টা করুন। আরেকটা যেন মাটির ওপরেই থাকে। যতটা সম্ভব পা বাইরের দিকে স্ট্রেচ করার চেষ্টা করুন। ৩০ সেকেন্ড এই পজিশনে থেকে স্টার্টিং পজিশনে ফিরে আসুন। এক্সারসাইজটি ১৫-২০ বার করুন। এবার ৩০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিয়ে সাইড পরিবর্তন করে একই ভাবে করুন।

পেলভিক ব্রিজ
সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন। দু’কাঁধের মধ্যে যতটা দূরত্ব ততটাই যেন আপনার দুই পায়ের মধ্যে থাকে। এবার আস্তে আস্তে হিপ মাটি থেকে ওপরে তোলার চেষ্টা করুন। দশ গুণে আগের পজিশনে ফিরে আসুন। ১০ থেকে ১৫ বার করুন।

ওয়াল সিট
দেয়ালের দিকে পিঠ করে দাঁড়ান। এবার যেভাবে চেয়ারে বসেন সেইভাবে পা ভাঁজ করুন। যতক্ষণ সম্ভব এই পজিশনে থাকার চেষ্টা করুন। তারপর উঠে দাঁড়ান।

নিয়মিত মাত্র আধা ঘণ্টার এই ব্যায়ামগুলোই আমাদের পায়ের বাড়তি মেদ কমিয়ে স্লিম আর আকর্ষণীয় শেপে এনে দেবে, তাও আবার কয়েকদিনের মধ্যেই।

Collected---

59
শীত আসছে। সবাই এ সময় ত্বকের একটু বাড়তি যত্ন নিয়ে থাকেন। তবে পায়ের গোড়ালির দিকে নজর একটু কমই থাকে। এ সময় অনেকের পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়। যাঁরা এ বিড়ম্বনায় পড়তে চান না, তাঁরা একটু বাড়তি যত্ন নিতে পারেন।

শুষ্ক মৌসুম আর আর্দ্রতার ঘাটতিতে এ সমস্যা হয়। পা ফাটলে পায়ের গোড়ালিতে যন্ত্রণা হতে থাকে। পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে তা সারাতে ঘরোয়া কিছু সমাধান নিজেই করতে পারেন। পা ফাটা সারানোর উপায়গুলো জেনে নিন:

মোমবাতির মোম: মোমবাতির মোমের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে তা ফাটা স্থানে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। এতে পা ফাটা সেরে যাবে।

গ্লিসারিন ও গোলাপজল: গোলাপজলের সঙ্গে কিছুটা গ্লিসারিন মিশান। এই মিশ্রণ পায়ের গোড়ালিতে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। এতে পা ফাটা ও ব্যথা কমবে।

তিলের তেল: পা ফাটা সমস্যা সমাধানে তিলের তেল দারুণ কার্যকর। পায়ে তিলের তেল মাখলে পা ফাটা দূর হয়।

ভ্যাসলিন ও লেবুর রস: ভ্যাসলিনের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে তা ফাটা স্থানে মালিশ করুন। এতে ওই মিশ্রণ সেখানে শোষণ হয় বলে পা ফাটা দ্রুত সেরে যায়।
মধু-পানি: এক কাপ মধু আধা বালতি গরম পানিতে মিশিয়ে এতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এতে পা ফাটা দূর হবে।

Collected ---

60
Thank you sir

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 35