Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Kanij Nahar Deepa

Pages: 1 2 3 [4]
46
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর, তাই ধূমপানের মতো মারাত্মক অভ্যাস থেকে বাঁচার জন্য এ যাবৎকাল চেষ্টারও কমতি হয়নি। কিন্তু ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর এর বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া কাটিয়ে তুলতেও নানা উপায় অবলম্বন করে ধোঁয়া সেবনকারীরা।সবচেয়ে বড় প্রতিক্রিয়া হিসেবে অনেকের ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর স্বাস্থ্য মোটা হয়ে যায়। মেদ বেড়ে যায়। কিন্তু এ অভ্যাস ছাড়ার সাথে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্পর্ক বা কারণ কি তা নিয়ে এখনও কোনো যথার্থ উত্তর পাওয়া যায়নি।চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মধ্যেও এ নিয়ে অনেক চেষ্টা, জল্পনা কল্পনা করা হয়েছে এবং হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এর কারণ মোটামুটি স্পষ্ট হয়েছে বলে দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা।ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর এটা সবাই জানলেও এই অভ্যাসটা ছেড়ে দেওয়া এত সহজ নয়। অনেকের মনে ভয়, ধূমপান ছেড়ে দিলে যদি ওজন বেড়ে যায়! বাস্তবিকই আতঙ্কটা অযৌক্তিক নয়।এ সমীক্ষায় দেখা যায়, ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর ৮০ শতাংশ মানুষের ওজন বেড়ে যায় গড়ে ৭ কিলোগ্রাম। এটা অনেক বেশি এবং হতাশাব্যঞ্জক।ধূমপানের রেশ কাটিয়ে তুলতে সিগারেটের বদলে চকলেট ও আইসক্রিমের দিকে হাত বাড়ায় অনেক প্রাক্তন ধূমপায়ী। আবার অনেকে পান খাওয়া শুরু করেন। সাধারণত এমনটিই করা হয়। আসলে কিন্তু বিষয়টি সব সময় তা নয়।দেখা গেছে, প্রাক্তন ধূমপায়ীদের মধ্যে যাদের খাদ্যাভ্যাসে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি বা মিষ্টিপ্রীতি বাড়েনি, তাদের অনেকেও মেদ বৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা পাননি। আসলে ব্যাপারটি অন্য জায়গায়। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ফলে মানবদেহের অন্ত্রের গতিপ্রকৃতি ও প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন ঘটার ফলেই এমনটি হতে পারে।
শুধু ক্যালরি দায়ী নয়
ওজন বেড়ে যাওয়ার জন্য শুধু ক্যালরি দায়ী নয়। সুইজারল্যান্ডের একদল গবেষক এমনটিই মনে করেন। তাদের মতে, ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ফলে আন্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন ঘটে। এ কারণে মানুষের ওজন বৃদ্ধি পায়। জুরিখ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এ ব্যাপারে একটি সমীক্ষা চালিয়েছেন।ওই সমীক্ষীয় ধূমপায়ী, অধূমপায়ী এবং যারা সদ্য ধূমপান ছেড়েছেন তারা অংশগ্রহণ করেন। নয় সপ্তাহ ধরে অংশগ্রহণকারীদের মল, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এতে দেখা গেছে, ধূমপায়ী ও অধূমপায়ীদের অন্ত্রাশয়ে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু যারা সদ্য ধূমপান ছেড়েছেন তাদের অন্ত্রে হঠাৎ কিছু ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার ঘটতে দেখা যায়। যাদের বৈজ্ঞানিক নাম হলো প্রোটেও ব্যাকটেরিয়া ও ব্যাকটেরোইডেটেস। এ ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আধিক্য স্থূলাকৃতির মানুষের অন্ত্রে লক্ষ করা যায়। তবে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর এসব ব্যাকটেরিয়ার ফলে ৮০ শতাংশ মানুষের ওজন বেড়ে যায় গড়ে ৭ কিলোগ্রাম।
দায়ী ব্যাকটেরিয়া
ওই সমীক্ষায় দেখা যায়, এসব ব্যাকটেরিয়ার কারণে আগের চেয়ে বেশি খাওয়া দাওয়া না করলেও ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর অনেক মানুষ মোটা হয়ে যান।সমীক্ষাটির প্রধান গেয়ারহার্ড রগার বলেন, “আমাদের পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই নবাগত ব্যাকটেরিয়ারা অন্তত ছয় মাস ধরে অন্ত্রে ঘাঁটি গেড়ে বসে। এই অবস্থাটা কতদিন থাকে এবং ব্যাকটেরিয়াগুলি আবার চলে যায় কিনা, তা অবশ্য আমরা এখনও জানতে পারিনি।”রগার জানান, অন্ত্রের কিছু ব্যাকটেরিয়া খাবার থেকে দক্ষতার সাথে শক্তি ব্যবহার করতে এবং মেদকোষে জমাতে পারে। এর ফলে মানুষের পেট ও নিতম্ব ভারি হয়ে যায়।
লস অ্যাঞ্জেলেস-এর কেডার্স সিনাই মেডিকেল সেন্টারের গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যে, কোনো মানুষের মোটা হওয়ার ধাঁচ আছে কিনা, তা অনেকটা নির্ভর করে আন্ত্রিক ব্যাকটেরিয়ার ওপর।
গবেষকরা এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন, এইসব করিতকর্মা ও মেদবর্ধক ব্যাকটেরিয়াকে দূর করা যায় কীভাবে। কারণ ‌আগে থেকেই স্থূলাকায় মানুষের বেলায় নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রে যেভাবে কাজ করে থাকে তাতে তাদের শারীরিক অবয়ব আরো বেড়ে যায়।

47
 অনেক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া মানুষের ফুসফুস, অন্ত্র কিংবা প্রজননতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এসব সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য বিজ্ঞানীরা নানা ধরণের ভ্যাক্সিন উদ্ভাবন করে চলেছেন। ফুসফুসের কথাই ধরা যাক। ফুসফুসে যদি সংক্রমণ হয় তবে এটি প্রতিরোধে ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করা হয়। এই ভ্যাক্সিন রোগীর ফুসফুসে প্রয়োগ করা হয় স্প্রে করার মাধ্যমে। এই ক্ষেত্রে সমস্যা যেটি দেখা দেয়, ফুসফুস এই স্প্রের সাথে থাকা ভ্যাক্সিনকে ক্ষতিকারক বলে ধরে নেয়। ফুসফুস এই স্প্রের মাধ্যমে দেয়া ভ্যাক্সিনকে তার কাছে আসতে প্রতিহত করে। ফলে ভ্যাক্সিনটি তার কার্যকারিতা হারায়।

এজন্য MITর গবেষকরা এমন এক ধরণের ন্যানো-পার্টিক্যাল তৈরি করেছেন যেটা ভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা আরো বাড়িয়ে দেবে। এটি শুধু ফুসফুস সংক্রমণেই নয়, অন্ত্র কিংবা প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণের কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা করছেন গবেষকরা। এছাড়া ন্যানো-পার্টিক্যাল যুক্ত ভ্যাক্সিনের সুবিধা হচ্ছে, শরীরের যে অংশটি সংক্রমিত হয়েছে, ভ্য্যাক্সিনটি তার থেকে বেশ দূরে শরীরের অন্য কোন স্থানে প্রয়োগ করা হলেও কাজ করতে সক্ষম হবে। MITর materials science and engineering and biological engineering এর অধ্যাপক ও গবেষকদলের প্রধান ড্যারেল আরভিন বলেন, “এধরণের ভ্যাক্সিন মানুষের শ্বসন বা শ্বাস প্রশ্বাসজনিত রোগ যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা কিংবা প্রজননতন্ত্রের রোগ এইচআইভি/এইডস, হারপিস সিম্প্লেক্স ভাইরাস কিংবা হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস প্রতিরোধেও ভালো কাজ করতে সক্ষম হবে।‘ আরভিন ক্যান্সার নিয়েও গবেষণা করছেন ও তিনি আশা করছেন নতুন এই প্রকল্প ক্যান্সারসহ অন্যান্য ভয়াবহ রোগ প্রতিরোধে ভ্যাক্সিন উদ্ভাবনে সাহায্য করবে।

আরভিন ও তার দল ২ বছর আগে এই বিশেষ ধরণের ন্যানো-পার্টিক্যাল তৈরি করেন। ভ্যাক্সিন যে প্রোটিন খণ্ড বা ফ্র্যাগমেন্ট দিয়ে গঠিত সেগুলোকে লিপিড দিয়ে তৈরি গোলকাকার বুদবুদ আকৃতির কাঠামোর ভেতরে রাখা হয়। আর এরা একটি আরেকটির সাথে রাসায়নিকভাবে একে অন্যের সাথে লেগে থাকে। এর ফলে পার্টিক্যালগুলো দেহের ভেতরে অনেক বেশি সময় ধরে অবস্থান করতে পারে। যেমন ইঁদুরের উপর চালানো এক গবেষণাত দেখা গিয়েছে, ন্যানো-পার্টিক্যাল দিয়ে আবদ্ধ এইচ আই ভি কিংবা ক্যান্সার এন্টিজেন ইঁদুরের দেহ অনেক দ্রুত শোষণ করে নিচ্ছে। কিন্তু সাধারণ ভ্যাক্সিন, যেগুলো ফুসফুস কিংবা ত্বকের নিচ দিয়ে প্রয়োগ করা হয়, সেগুলো অনেক ধীরে কাজ করছে।

এছাড়া দেখা গেল, এই ন্যানো-পার্টিক্যালযুক্ত ভ্যাক্সিন খুব দ্রুতই ইঁদুরের ফুসফুসে থাকা ভাইরাসগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, নতুন ধরণের এই ভ্যাক্সিন প্রয়োগের ফলে ইঁদুরগুলোর দেহের ওজন খুব বেশি হ্রাস পায় নি। আর ন্যানো-ক্যাপসুলের মাধ্যমে দেয়া ভ্যাক্সিন ভাইরাসের পুরো সংক্রমণ ব্যবস্থা নষ্ট করে দেয়।

নতুন এই ন্যানো-পার্টিক্যালগুলো ক্যান্সার প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। এই ন্যানো পার্টিক্যালগুলো শরীরে সৃষ্ট ক্যান্সার কোষগুলোকে ধ্বংস করতে শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে উদ্দীপিত করে। এই গবেষণাটিও ইঁদুরের উপর চালানো হয় সফলভাবে। তবে গবেষকরা বলছেন, মানুষের উপর এই নতুন ভ্যাক্সিনের প্রয়োগ শুরু করার জন্য আরো গবেষণার দরকার আছে। পুরো গবেষণাটি the National Cancer Institute, the Ragon Institute, the Bill and Melinda Gates Foundation, the U.S. Department of Defense and the National Institutes of Health কর্তৃক পরিনাপত্রচালিত হচ্ছে।

আর গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে Science Translational Medicineএর ২৫ সেপ্টেম্বর সংখ্যায়।

48
শিরোনামটি দেখে একটু হোঁচট খেলেন! ভাবছেন, সারা পৃথিবীর বড় বড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, বৈজ্ঞানিকরা আজ পর্যন্ত যে রোগের চিকিৎসা খোঁজার জন্যে হিমশিম খাচ্ছেন, সেই ক্যান্সার রোগ থেকে বাঁচতে সাহায্য করবে মশলা!

হ্যাঁ, মশলাই আপনাকে বাঁচাতে পারে ক্যান্সার থেকে। মজার ব্যাপার হলো- সব মশলাই মজুত রয়েছে আমাদের রান্নাঘরে। এক কথায় সেই সব মশলা ম্যাজিক ড্রাগের মতোই কাজ করে। ভাবছেন তো কী এই সব মশলা যার কথা আপনি জানেন না! ঠিক আছে জেনে নিন সেই মশলাগুলোর নাম।

হলুদ
হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন নামটা। হলুদই কিন্তু সেই জাদু মশলা যা ক্যান্সারের সঙ্গে লড়তে আপনার শরীরকে সাহায্য করে। এতে রয়েছে শক্তিশালী কারকিউমিন পলিফেনল। অনেকদিনের গবেষণার পর প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, কারকিউমিন ক্যান্সার সেলের গ্রোথকে নিয়ন্ত্রণ করে। কারকিউমিন শরীরে অ্যাপপটোসিস তৈরি করে যা শরীরে ক্যান্সারের জন্ম দেওয়া ক্ষতিকারক সেল মেরে ফেলতে সাহায্য করে। মেলানোমা, ব্রেস্ট ক্যান্সার, ব্রেন টিউমার, প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার এবং লিউকেমিয়ার মতো ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে হলুদ।

মৌরি
খাওয়ার পরে মুখসুদ্ধি হিসেবে প্রত্যেক গৃহস্থ বাড়িতেই মজুত থাকে মৌরি। কিন্তু ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধে এই মৌরিই যে এক শক্তিশালী যোদ্ধা তা কি জানতেন? মৌরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইটো-নিউট্রিয়েন্টস এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যানসার প্রতিরোধে খুবই উপকারী। মৌরিতে রয়েছে অ্যানেটহোল যা ক্যান্সার সেলের আক্রমণমূলক কার্যকলাপ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

জাফরান
জাফরানে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক এক কার্যকরি উপাদান, ক্রোসেটিন (প্রাকৃতিক ক্যারোটিনয়েড ডাইকার্বোক্সিলিক অ্যাসিড)।

এটি শুধু যে ক্যান্সারের বৃদ্ধি রোধ করে তা নয়, ক্রোসেটিন ক্যান্সারাস টিউমারের আকার কমাতেও সাহায্য করে ম্যাজিকের মতোই।

জিরা
হ্যাঁ, এই খুদ্র মশলাটিও ক্যান্সারের মতো ক্ষতিকারক রোগের সঙ্গে লড়াইতে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ জিরায় রয়েছে থাইমোকুইনান নামক এক যৌগ যা প্রস্টেট ক্যান্সারের জন্যে দায়ী সেলের শরীরে ছড়িয়ে পড়া আটকায়।

দারুচিনি
সারা দিনে মাত্র এক চা-চামচ দারুচিনিগুঁড়ো। আর ক্যান্সারের মারণ থাবা থেকে আপনি থাকবেন শত হাত দূরে। সকালের চায়েই হোক অথবা স্যালাডে সিজনিং হিসেবে, আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন আয়রন ও ক্যালশিয়াম সমৃদ্ধ দারুচিনি।

অরিগ্যানো
এই যোদ্ধা আমাদের প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহৃত না হলেও এখন যে কোনও ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে পাওয়া যায়। অরিগ্যানোয় রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল কম্পাউন্ড। এতে মজুদ ফাইটো কেমিক্যাল, কারসেটিন শরীরে ম্যালিগনেন্ট ক্যান্সার সেল তৈরি হওয়া রোধ করে।

নাগা মরিচ
শরীরে ক্যান্সার সেলের ছড়িয়ে পড়া রোধ তো করেই। তাছাড়া, লিউকেমিয়ার টিউমার সেলের আকার কম করতেও সাহায্য করে নাগা মরিচ। তবে রান্নায় খুব বেশি পরিমাণে নাগা মরিচ না খাওয়াই ভাল। অতিরিক্ত ঝাল হওয়ার ফলে শরীর গরম হয়ে যেতে পারে।

আদা
প্রতিদিনের রান্নায় কোনো না কোনো খাবারে আদা থাকবেই। কিন্তু জানেন কি শুধু খাবারে স্বাদ বাড়ানোর জন্যেই নয়, ক্যান্সার থেকে বাঁচার জন্যেও আদা সমান উপকারী? রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি মেটাবলিজিম বাড়ায় এবং ক্যান্সার সেল ধ্বংস করতেও সমান উপযোগী।

সূত্র: টাইমস অব ইনডিয়া

49
প্রতিদিনই মানুষের মাথা থেকে গড়ে ১০০টি চুল ঝরে পড়ে যায়। এটা স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। চুলপড়া ব্যাপারটি তখনই দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায় যখন মাথার চুল স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঝরতে থাকে।

চুলপড়ার পেছনে নানা ধরনের কারণ থাকে। যেমন দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা, হরমোনের সমস্যা, ধুলাময়লা ইত্যাদি। আরেকটি কারণে চুল পড়ে যায় আর তা হলো সঠিক পুষ্টির অভাব। খাদ্যাভ্যাস সুনিয়ন্ত্রিত না হলে চুলপড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনার খাদ্যতালিকায় কিছু খাবার নিয়মিতভাবে থাকলে চুলপড়ার পরিমাণ কমে যেতে পারে অনেকখানি। আসুন জেনে নিই এমন কিছু খাবার সম্পর্কে।

মাছ :
চুলের গঠনের মূল উপাদান হলো প্রোটিন। তাই চুলপড়া রোধে আমিষজাতীয় খাবার সাহায্য করবে এটা খুবই স্বাভাবিক! আমিষের উত্‍স হিসেবে বিভিন্ন ধরনের মাছ অতুলনীয়! আমিষজাতীয় খাবারের মধ্যে মাংসও রয়েছে। তবে মাংসে উপকারী উপাদানের পাশাপাশি অপকারী উপদানের উপস্থিতিও রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে।

যেমন কোলেস্টেরল, চর্বি ইত্যাদি। কিন্তু মাছে সে তুলনায় উপকারটাই বেশি। এছাড়া সামুদ্রিক মাছে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যা চুলের জন্য খুবই উপকারী। এটা চুলপড়া রোধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে এবং চুলকে করে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

ডিম ও দুগ্ধজাত খাবার :
ডিম এবং লো ফ্যাটের দুগ্ধজাত খাবারে রয়েছে আমিষ, প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও বি। এসব উপাদান চুলের জন্য খুবই উপকারী। চুলপড়া হ্রাস তো করেই সেই সাথে চুলের গোড়াকে করে শক্ত ও মজবুত।

বীজজাতীয় খাবার :

বীজজাতীয় খাবার ও বীজের তেল যেমন সয়াবিন, সূর্যমুখীর তেল, জলপাইয়ের তেল, শিমের বিচি ইত্যাদিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই যা চুলের জন্য খুবই উপকারী। এসব খাবারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা চুলপড়া রোধে সহায়তা করে এবং মাথার ত্বকের খেয়াল রাখে। এছাড়া চুলপাকা রোধেও সাহায্য করে এ ধরনের খাবার।

শস্যজাতীয় খাবার :
শস্যজাতীয় খাবার যেমন গম, ভুট্টা, ডাল ইত্যাদি খাবারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৭, যা চুলপড়া হ্রাস করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এছাড়া মাথার ত্বককে রাখে রোগমুক্ত। চুলপাকা রোধেও এসব খাবার সাহায্য করে।

চিংড়িমাছ :
চুলের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো জিংক, যা চিংড়িতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত জিংক গ্রহণ চুলপড়ার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু আপনি যদি পরিমিত পরিমাণে জিংক গ্রহণ করেন তাহলে তা চুলপড়া রোধে সহায়কের ভূমিকা পালন করে। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জিংকের প্রত্যহিক চাহিদা ১১ মিলিগ্রাম। এই পরিমাণ জিংক গ্রহণ করলে তা চুলের জন্য সুফল বয়ে আনবে। কারণ চুলের ঘনত্বের পেছনে জিংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বাদাম :
চিনাবাদাম, কাঠবাদাম এবং আখরোট চুলের জন্য খুবই উপকারী। এসব বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এসব উপাদান নতুন চুল গজাতে খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখে। চুলপড়া এবং চুলপাকা রোধেও এসব উপাদান উপকারী।

ভিটামিন সি যুক্ত ফল :
যদি চুলপড়া রোধে ফলের সহায়তা নিতে চান তাহলে অবশ্য প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে এমন ফল বেছে নিন। যেমন কামরাঙ্গা, কমলা, মালটা, স্ট্রবেরি, লেবু ইত্যাদি। এমনকি খেতে পারেন কাঁচা মরিচও! ভিটামিন সি হলো অতি উচ্চ মানের এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা কিনা ত্বক ও চুলের জন্য খুবই উপকারী। ভিটামিন সি চুলপড়া হ্রাস করে এবং চুল করে তোলে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ঝলমলে। এছাড়া চুলের জন্য আরেকটি উপকারী উপাদান আয়রন যা শোষিত হতে ভিটামিন সি সাহায্য করে।

গাজর :
গাজর চোখ ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী এটা আমরা সবাই জানি। গাজর কিন্তু চুলের জন্যও খুব উপকারী। গাজর মাথার ত্বককে দেয় সুরক্ষার পরত। মাথার ত্বকের কোষগুলোকে পুনর্গঠন করতে সাহায্য করে গাজর। এতে চুলপড়া যেমন হ্রাস হয় তেমনি নতুন চুলও গজায়। চুল ঝলমলে উজ্জ্বল করে তুলতেও গাজরের জুড়ি নেই! Ref: বিডি হেরাল্ড ডটকম

50
আজকের বদলে যাওয়া লাইফস্টাইলের সঙ্গে স্ট্রেস ও টেনশনের সঙ্গে হাত ধরাধরি করে যে অসুখটি বেশি করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে তার কেতাবি পরিচয় হাইপারটেনশন। ডাক নাম উচ্চ রক্তচাপ। ১২০/৮০-কে সাধারণত নর্মাল প্রেশার বলা হয়। কিন্তু সমস্যার ঘনঘটা দেখা দিতে শুরু করে যখন তা ছাড়িয়ে চলে যায় ১৪০/৯০-এর কোঠা! আগে খুব একটা পাত্তা না দিলেও যেই প্রেশার মাপার যন্ত্রে এই রিডিং নজরে এল, অমনি ছুটলেন ডাক্তারের কাছে। প্রেসক্রিপশনে এল বেশ কয়েকটা ভারী ভারী ওষুধের নাম। কিন্তু এই সবই অনায়াসে এড়াতে পারেন যদি মেনে চলে কয়েকটি সহজ উপায়। সারা জীবন তা হলে হাই প্রেশারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।

এক্সারসাইজ:

নিয়মিত এক্সারসাইজ ম্যাজিকের মতো কাজ করে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যাঁদের এখনও এই সুখী রোগটি চেপে ধরেনি তাঁদের এর থেকে শত হাত দূরে রাখতে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যাঁরা নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন তাঁদের অক্সিজেন ইনটেকের ক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। পাশাপাশি হার্টের কার্যকরি ক্ষমতাও অনেক বেড়ে যায়।

টই দইয়ে কেল্লাফতে :

না, না তার মধ্যে আবার মনের সুখে চিনি আর নুন মেশাবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবে। বরং প্রতিদিন নিয়ম করে ১২০ গ্রাম টক দই খান। এতে মজুত ক্যালশিয়াম ব্লাড ভেসল ভালো রাখে। ফলে প্রেশারও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

কলা :

অনেকেই কলা খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু বিশ্বাস করুন কড়া কড়া ওষুধ খাওয়ার থেকে রোজ একটা করে কলা খেলে বেশি সুস্থ থাকবেন। এতে রয়েছে পটাশিয়াম যা শরীরে ফ্লুয়িড ব্যালেন্স মেন্টেন করতে সাহায্য করে। আর আপনার হাই প্রেশারের ‘হ’-ও আপনার ধারেকাছে আসবে না।

নুন দিন বাদ:

নুন কিন্তু উচ্চরক্তচাপ হওয়ার পিছনে অন্যতম ভিলেন। তাই কাঁচা নুন না খাওয়াই ভালো। তবে এখানেই লিস্ট শেষ হচ্ছে না। যে কোনও রকম ফাস্ট ফুড, বিস্কুট, প্যাকড ফুডেও প্রচুর পরিমাণে নুন থাকে। তাই এই সব খাবার যতটা সম্ভব কম খান।

ওজন নিয়ন্ত্রণে আনুন:
বাড়তি ওজন মানেই হার্টের উপর বাড়তি চাপ। ফল উচ্চরক্তচাপ। তাই সব সময়ে চেষ্টা করুন ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার। এর জন্যে নিয়মিত এক্সারসাইজের পাশাপাশি নির্দিষ্ট ডায়েট মেনে চলুন।

স্মোকিং কে বিদায় জানান :

আপনার হৃদয় তো হৃদয় দিয়ে দিনরাত খেটে চলেছে একমাত্র আপনারই জন্যে। তাহলে আপনারও তো তার প্রতি কিছু দায়িত্ব থেকেই যায়! সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চাইলে আগে বিদায় জানান সিগারেটকে। সিগারেটে মজুত নিকোটিন শরীরে অ্যাড্রেনালিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে বেড়ে যায় আপনার হার্ট বিট। অকারণে কেন হার্টের উপর চাপ সৃষ্টি করবেন?

কাজের বাড়িতে চাপ ঘাড় থেকে নামান :


কর্মক্ষেত্রে সপ্তাহে ৪০ ঘন্টার বেশি সময় কাটালে উচ্চরক্ত চাপের আশঙ্কাও আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। প্রয়োজনের থেকে অতিরিক্ত কাজ করার মানে এই নয় যে আপনি সুপার এফিশিয়েন্ট। আমাদের শরীর খুবই ওবিডিয়েন্ট। কিন্তু তার মানে এই নয় যে অকারণে তার উপর চাপ বাড়াতেই থাকবেন। যত চাপ বাড়াবেন, তত তাড়াতাড়ি তার বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

কফিকে সি অফ করে আসুন:

কফি খেলে বেশ চনমনে লাগে। ঠিক। আর এর জন্যে দিনে ৪-৫ কাপ কফি খেয়ে ফেলেন! কিন্তু জানেন কি এই অতিরিক্ত মাত্রয় কফি-পান আস্তে আস্তে আপনাকে ঠেলে দিচ্ছে হাই প্রেশারের দিকে? দিনে ১০ থেকে ১২ গ্লাস জল খান, এক্সারসাইজ করুন দেখবেন এমনই চনমনে থাকছেন। আলাদা করে কফির হাত ধরতে হবে না।


Ref: বিডি হেরাল্ড ডটকম

51
ওজন কমানোর জন্য দিনরাত ঘাম ঝরাচ্ছেন। হাঁটছেন, দৌড়াচ্ছেন কিংবা জিম করছেন প্রতিদিন, আর ব্যায়াম করে এসেই এক বোতল কোক খেয়ে নিচ্ছেন ঢকঢক করে। তাহলে আর ওজন কমবে কি করে? ব্যায়ামের পর পর কিছু খাবার খেলে শরীরের ক্ষতি হয়। অনেকেই না জেনে ব্যায়াম করে এসেই এটা ওটা খেয়ে ফেলে। ফলে ওজন তো কমেই না উল্টো বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। আসুন জেনে নেয়া যাক ব্যায়ামের পরে কি কি খাবার খাওয়া অনুচিত তার তালিকা।

অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার
লবন যুক্ত পপকর্ন, সল্টেড বিস্কুট, লবণ দেয়া বাদাম কিংবা বুট ভাজি ইত্যাদি খাবার ব্যায়ামের পর পর খাওয়া উচিত নয়।

ব্যায়াম করলে ঘামের সাথে প্রচুর পরিমাণে পানি ও পটাসিয়াম বের হয়ে যায় শরীর থেকে। এই পটাসিয়ামের অভাব পূরণের জন্য অনেকেই অতিরিক্ত লবণ যুক্ত খাবার খেয়ে থাকেন। কিন্তু এটা একেবারেই অনুচিত। পটাসিয়ামের অভাব দূর করতে পুষ্টিকর খাবার খান। বিশেষ করে কলায় প্রচুর পটাসিয়াম আছে। তাই ব্যায়াম করার পর ক্ষুদা লাগলে কলা ও কিছু শুকনো ফল খেয়ে নিন। শরীরের শক্তি ফিরে পাবেন।

অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার
কোমল পানীয়, পিনাট বাটার, চিনি দিয়ে চা, চিনিযুক্ত জেলি/জ্যাম, হানি রোস্টেড বাদাম, মিষ্টি দই বা যেকোন অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার ব্যায়ামের পর পর খাওয়া উচিত না।

ওজন কমাতে চাইলে চিনিযুক্ত খাবার পরিহার করতে হয়। অনেকেই যেই ভুলটা করে থাকে সবসময় তা হলো ব্যায়ামের পর পরই তৃষ্ণা পেলে কোমল পানীয় কিংবা এনার্জি ড্রিংক খেয়ে নেন। কিন্তু কোমল পানীয়তে অতিরিক্ত চিনি থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তৃষ্ণা পেলে কোমল পানীয় না খেয়ে পানি অথবা চিনি ছাড়া আইস চা খান।

ব্যায়ামের পর যে খাবার গুলো খাওয়া অনুচিত!ফ্যাটযুক্ত খাবার
অনেকেই ব্যায়াম করেই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, আলুর চিপ্স, সামুসা, সিঙ্গারা, পনির, বার্গার, পিৎজা, বিরিয়ানি, পোলাও ইত্যাদি খাবার খেয়ে ফেলেন। কিন্তু ওজন কমাতে চাইলে ব্যায়াম করেই অতিরিক্ত ফ্যাট যুক্ত খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। ব্যায়াম করার পর যে কোনো ধরণের ফাস্ট ফুড, ফ্যাট যুক্ত খাবার অথবা তেলে ভাজা পোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন। ব্যায়াম করার পর এ ধরণের খাবার খাওয়ার প্রতি ঝোঁক থাকলে মেদ কমার বদলে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল বেড়ে গিয়ে হার্টের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

কেক/পেস্ট্রি
মাফিন, কেক, পেস্ট্রি, ক্রিম রোল, ডোনাট ইত্যাদি খাবার গুলো খেতে খুবই সুস্বাদু। এধরণের খাবার গুলো খেলে পেটে থাকেও অনেকক্ষন। আর ব্যায়াম করার পর প্রচন্ড ক্ষুধা লাগলে এগুলো খেতেও বেশ ভালো লাগে।
ব্যায়াম করার পর শরীরের হারানো গ্লাইকোজেন পূরন করার জন্য কার্বোহাইড্রেটের বেশ চাহিদা থাকে। কেক কিংবা পেস্ট্রি জাতীয় খাবারগুলোতে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট আছে, কিন্তু এগুলোর পুষ্টি উপাদান খুবই কম। তাই এধরনের খাবার এড়িয়ে লাল আটার রুটি কিংবা লাল চালের ভাত খেয়ে কার্বোহাইড্রেটের অভাব পূরন করা উচিত।

কাঁচা সবজি
অনেকে আবার ব্যায়াম করে ওজন কমানোর পাশাপাশি ডায়েটও করে থাকেন। ব্যায়াম করলে শরীরের প্রায় বেশিরভাগ ক্যালরী পুড়ে যায়। তাই শরীরে শক্তি যোগানোর জন্য ব্যায়ামের পর দরকার আদর্শ খাবার। ব্যায়ামের পর ক্যালোরী, ভিটামিন, প্রোটিনযুক্ত সুষম খাবার দরকার শরীরের জন্য। যারা ডায়েটে শুধু মাত্র সালাদ বা কাঁচা শাক সবজি রাখে তাদের শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালোরীর চাহিদা পূরণ হয় না। তাই ব্যায়ামের পর শুধুমাত্র কাঁচা সবজি না খেয়ে সামান্য তেল দিয়ে রান্না সবজি, মুরগির মাংস ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। তা না হলে শরীর দূর্বল হয়ে যাবে।

Ref: বিডি হেরাল্ড ডটকম

52
রোজ রোজ অফিস করে স্কিনের তো কবেই বারোটা বেজে গেছে। আগের সেই সুন্দর উজ্জ্বল ত্বক হারিয়ে গেছে। ভাবছেন কী করে ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলবেন? বেশি কিছু করতে হবে না খালি নিয়মিত এই সহজ ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো ফলো করুন, একমাস পরে নিজেই বুঝতে পারবেন তফাৎটা।

লেবুর রস
সব থেকে সহজ নিরাপদ ব্লিচিং এজেন্টের মধ্যে লেবুর রস একটা। রোদে পুড়ে যাওয়া স্কিন বা ডার্ক স্কিনকে উজ্জ্বল করতে এর জুড়ি নেই। লেবুর মধ্যে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। এটা অ্যান্টি অক্সিডেন্টের কাজ করে আর এর ফলে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। আধখানা লেবুর রস নিয়ে মুখে আর হাতে লাগান। আধ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।
তবে মনে রাখবেন এই সময় ঘরের বাইরে যাবেন না বা রোদ লাগাবেন না।

এছাড়াও এক চামচ হলুদ গুঁড়ো, টমেটোর রস আর তিন চামচ লেবুর রস একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে একটা প্যাক বানান। ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। তাৎক্ষিণক পার্থক্য অনুভব করুন।

দুধ
দুধে ল্যাক্টিক অ্যাসিড থাকে। আর এই ল্যাক্টিক স্কিনের ডার্ক রং হালকা করে। কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে মুখে লাগান। সারা রাত রেখে দিন, সকালে উঠে হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। প্রতিদিন করলে খুব ভালো ফল পাবেন।

টক দই
যেহেতু দই দুধের থেকেই তৈরি হয় তাই এতেও ল্যাক্টিক অ্যাসিড থাকে। আর আগেই বলেছি এটা খুব ভালো ব্লিচিং এজেন্ট।

দু চামচ টক দই, অটমিল আর একটু লেবুর রস দিয়ে একটা প্যাক বানান। ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়া যদি একটু করে দুধের সর লাগাতে পারেন, স্কিন একই সঙ্গে আর্দ্র আর সতেজ থাকবে।

কমলা লেবু
অরেঞ্জ জুস-ও খুব ভালো ব্লিচিং এজেন্ট। কমলা লেবু না পাওয়া গেলে ড্রায়েড অরেঞ্জ পিল, যা সহজেই যে কোন কসমেটিকের দোকানে পাবেন, তাই দিয়ে কাজ চালাতে পারেন। অরেঞ্জ পিল আর টক দই দিয়ে প্যাক বানান। ২০ থেকে ২৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে দিন। রং তো ফরসা হবেই সঙ্গে মুখে যদি কালো স্পট থাকে তাও হালকা হয়ে যাবে।

মধু
এমনি লাগাতে পারেন বা মধুর সঙ্গে দু ফোঁটা লেবুর রস আর দু ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। মধু ত্বকের ওপর থেকে ডেড সেলস তুলে ফেলতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক আরও উজ্জ্বল লাগে। এছাড়াও মধুর মধ্যে অনেক এনজাইম থাকে যা ত্বককে নরম আর উজ্জ্বল করে।
তবে যাঁদের সেনসিটিভ স্কিন তাঁরা আগে হাতে লাগিয়ে দেখে নিন আপনার স্কিন কেমন রিঅ্যাক্ট করে। তারপর মুখে লাগান।

মধু, লেবুর রস, মিল্ক পাউডার আর আমন্ড বাদাম (ভিজিয়ে রেখে বেটে নিন) সব একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে লাগাতে পারেন।

অ্যালোভেরা জেল
অ্যালোভেরা (ঘৃতকুমারী) জেল রং ফরসা করতে খুবই সাহায্য করে। ঘরে যদি অ্যালোভেরা থাকে তাহলে একটুখানি অ্যালোভেরা পাতা কেটে নিন। গাঢ় জেলির মত দেখতে স্বচ্ছ যে বস্তুটা বেরোবে, তাই মুখে লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। আজকাল দোকানেও অ্যালোভেরা জেল পাওয়া যায়। তাও ব্যবহার করতে পারেন।

Ref:দ্যা বাংলাদেশ হেরাল্ড | বাংলার ২৪ ঘণ্টা

53
বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদের বিজয় রথ এগিয়ে চলেছে। এবারের সাফল্য এসেছে একজন তরুণ নারী বিজ্ঞানীর হাত ধরে। আয়েশা আরেফিন টুম্পা ন্যানো-প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করেছেন কৃত্রিম মানব ফুসফুস। যে কারণে বিষয়টি আরো বেশি আনন্দের। কারণ, বাংলাদেশ দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই দেশগুলোর মাঝে একটি যেখানে নারী বিজ্ঞানীদের সংখ্যা অনেক কম। অনেক মেয়েরই স্বপ্ন থাকে বিজ্ঞানী হবার। কিন্তু সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা আর অনেক ক্ষেত্রে প্রচলিত অনেক কুসংস্কার মেয়েদের এই স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এত বাঁধা-বিপত্তির মাঝেও অনেক মেয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের স্বপ্নের পথে।

২০১১ সালে আমেরিকার আলামস ন্যাশনাল ল্যাবেরটরির গবেষক ক্রিস ডেটার বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংক্রান্ত এক কাজে এসে এরকমই এক সম্ভাবনাময় জিনবিজ্ঞানী আয়েশা আরেফিনের দেখা পান। ডেটার ও তাঁর সহকর্মী ল্যান্স গ্রিনের একান্ত সহযোগিতার ফলেই আয়েশা লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবেরটরিতে উচ্চতর পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ পান। আয়েশা তার যুক্তরাষ্ট্রের জীবনের প্রথম দিন গুলোতে ডেটারের বাড়িতেই থাকতেন। আয়েশা আরেফিন, যার ডাক নাম টুম্পা বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব নিউ মেক্সিকোতে ন্যানো-সায়েন্সের উপর ডক্টরেট করছেন। একই সাথে লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবেরটরিতে চলছে তাঁর গবেষণা।

আয়েশা তাঁর ক্যারিয়ার শুরু করেন লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবেরটরির বায়ো-সিকিউরিটি বিভাগে। এরপরেই ঐ ল্যাবের ভারতীয় গবেষক প্রখ্যাত টক্সিকোলজিস্ট রাশি আইয়ার আয়েশাকে অপ্টোজেনিক্স সঙ্ক্রান্ত গবেষণা কাজের জন্য নিয়োগ দেন। অপ্টোজেনিকস হচ্ছে জিন-বিদ্যা ও প্রোটিন প্রকৌশল(ইঞ্জিনিয়ারিং) এর মাধ্যমে জীবন্ত টিস্যুর মাঝে ঘটতে থাকা বিভিন্ন স্নায়বিক কাজ (neuron activity) নিয়ন্ত্রণ করা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও কৃত্রিম টিস্যু বা কলা তৈরি করা সম্ভব।

আয়েশা ও রাশি আয়ারের দলের অন্যান্য সদস্যরা বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট বিষক্রিয়া, রোগ ও কৃত্রিম অংগ সংস্থাপনের জন্য সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন। তাঁরা একটি কৃত্রিম মানব ফুসফুস তৈরি করেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, Chronic Obstructive Pulmonary Disease এর সময় ফুসফুসের কোষগুলো কিভাবে কাজ করে তা জানা ও এর প্রতিষেধক উদ্ভাবন করা।। এটি হচ্ছে তৃতীয় সর্বোচ্চ ভয়াবহ রোগ যাতে আমেরিকার অনেক মানুষ মৃত্যুবরণ করে। আয়েশা একই সাথে বিভিন্ন স্নায়বিক ব্যাধি ও মস্তিষ্কে রক্ত-ক্ষরণ নিয়েও গবেষণা করছেন।

বাংলাদেশী বিজ্ঞানী আয়েশা আরেফিন টুম্পা ভবিষ্যতে দেশে ফিরে এসে মানুষের জন্য কাজ করতে আগ্রহী। দেশে থাকাকালীন সময়ে তিনি নির্যাতিত নারীদের পুনর্বাসনের জন্য কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি এইচ আই ভি/এইডস নিয়ে পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেও কাজ করেছেন। তাঁর ইচ্ছা দেশে এসে নিজের বাড়িতে একটি স্কুল খোলার। যেখানে যে কোন শিশু বিজ্ঞান ও গণিত পড়ার সুযোগ পাবে।

আয়েশা আন্তরিকভাবেই বিশ্বাস করেন ভাগ্য ও আশেপাশের কিছু মানুষের সহযোগিতা ছাড়া তাঁর এই সাফল্য আসতো না। তিনি বলেন, “ আমি আমার গবেষণাগারের, এর মানুষগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি আনন্দিত যে ব্যতিক্রম কিছু করার সুযোগ পেয়েছি”।

তিনি আরো বলেন লস আলামসে কর্মরত অন্য অনেক দেশের গবেষক বিশেষ করে মন্টেনিগ্রোর গবেষক Momo Vuyisich তাঁর জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

 Ref:দ্যা বাংলাদেশ হেরাল্ড | বাংলার ২৪ ঘণ্টা

54
ওজন কমানো বা মেদহীন পেটের জন্য বর্তমান সময়ে আমরা অনেক কিছুই করি। সাধারণত আমরা জানি পরিমিত খাদ্য, কিছু ব্যায়াম ইত্যাদি উপকারে আসে। তবে কিছু খাদ্য আছে যেগুলো পেটের মেদ কমাতে খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আমাদের অতিপরিচিত খাবার যেগুলো নিয়মিত খেলে পেটের মেদ হ্রাস তরান্বিত হয়। আসুন এরকই কয়েকটি খাবার সম্বন্ধে জেনে নিই।

অ্যালমন্ড বাদাম
সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর এই বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অত্যাবশ্যকীয় প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ই (একটি শক্তিশালী এন্টিঅক্সিডেন্ট)। এর ম্যাগনেসিয়াম পেশি সুগঠিত করে এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখে। গবেষণায় দেখো গেছে অ্যালমন্ড বাদাম পেটের পেশিগুলোয় চর্বি শোষণ কমিয়ে দেয় এবং আগের চর্বিগুলোকে দূর করে। প্রতিদিন ৮-১০ টি করে অ্যালমন্ড বাদাম খেলে আপনি এই উপকারটি পেতে পারেন।

ডিম
আপনি যদি কোন সুবিধাজনক প্রোটিনের উৎস খুজে না পান, তাহলে ডিম হতে পারে আপনার সেই উৎসটি। অনেকদিন ধরে চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মানুষ প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ডিম খান সারাদিন তাদের তুলনামূলক কম খিদে পায়। এটি আপনাকে অন্যান্য ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত রাখবে। প্রতিদিন সকালে একটি ডিম খেলেই যথেষ্ট।

সয়াবিন বা সয়া প্রোটিন
সয়াবিন থেকে যেমন ভোজ্য তেল তৈরী হয়, তেমনি সয়াবিন এমনি খেতেও খুবই সুস্বাদু। মেদ কমাতে এবং শরীর ঠিক রাখতে এখন সারা বিশ্বে সয়াবিনের জয়জয়কার চলছে। আমাদের দেশেও সয়াবিন, সয়া প্রোটিন, সয়া নাগেটস্‌ ইত্যাদি বিভিন্ন নামে বাজারে পাওয়া যায়। প্রতিদিন প্রায় ২৫ গ্রামের মতো সয়া প্রোটিন খেয়ে নিজেই তফাৎটা দেখে নিন।
আপেল
২০০৩ সালের নিউট্রিশন জার্নালে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, যেসব মহিলা প্রতিদিন ৩টি করে আপেল তিন মাস খেয়েছেন তাদের ওজন তুলনামূলক অনেক বেশি পরিমাণ কমেছে। আপেলে পানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় আপনাকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। এতে কোয়ারসেটিন নামক একটি উপাদান আছে যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে।

দই
আমাদের শরীরে প্রচুর ক্যালসিয়াম প্রয়োজন। ক্যালসিয়ামের জন্য আমাদের দুগ্ধ জাতীয় খাবার খেতে হয়। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব অবিসিটি এর মতে, যারা ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণের জন্য বেশি পরিমাণ দই খেয়ে থাকেন তাদের ওজন এবং পেটেরমেদ কমার হার অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি।

55
Beauty Tips / চোখের নিচে কালি
« on: July 31, 2013, 02:25:56 PM »
অনেকেরই দুই চোখের নিচের অংশটুকু কালচে হয়ে থাকে। কারও বা হয়তো একটু ফুলেও থাকে। মুখের বাকি অংশের রঙের সঙ্গে এটি বেমানান দেখায়। এটি ঢাকতে অনেকে বাধ্য হয়ে প্রসাধনী, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তবে যা-ই হোক, চোখের নিচে কালো হয়ে গেলে কেবল সৌন্দর্যহানিই ঘটে না, ক্লান্ত ও অবসাদগ্রস্তও দেখায়।
কারণ
বয়সের ছাপ: আমাদের চোখের নিচের ত্বকটি সবচেয়ে বেশি পাতলা। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তা আরও পাতলা হয়ে উজ্জ্বলতা হারায়। বংশগতভাবে অনেকের এই সমস্যা থাকে।
ঘুমের ঘাটতি: পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল, সূর্যরশ্মির প্রভাব এবং মানসিক চাপ, অ্যালার্জি, ঠান্ডা বা সর্দি লাগা এই সমস্যার জন্য দায়ী।
প্রসাধন: চোখ কচলানো, চোখে বেশি প্রসাধনী ব্যবহার ও প্রসাধনী না উঠিয়ে ঘুমাতে যাওয়াও দায়ী হতে পারে।
পরামর্শ
সুস্থ জীবনধারা: রাত জাগার অভ্যাস ত্যাগ করুন। সন্ধ্যার পর কফি বা অ্যালকোহল খাবেন না। রাতে প্রচুর লবণযুক্ত খাবারও খাবেন না। ঘুমানোর সময় একটু উঁচু বালিশ ব্যবহার করুন।
সূর্যরশ্মি: চোখের প্রসাধনী ভালো করে ধুয়ে তবেই ঘুমাতে যাবেন। রোদে বেরোনোর সময় কালো চশমা ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
নাকের ড্রপ: ঠান্ডা-সর্দি হলে রাতে শোয়ার সময় স্যালাইন দিয়ে নাক পরিষ্কার করুন বা নাকে ড্রপ-স্প্রে ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।

56
Pharmacy / অকালে কপালে ভাঁজ!
« on: July 31, 2013, 01:48:11 PM »
কপালে বা চোখের পাশে ভাঁজ পড়া বয়স বাড়ার একটি স্বাভাবিক লক্ষণ। কিন্তু কারও কারও অপেক্ষাকৃত কম বয়সেই অনেক ভাঁজ পড়ে, কেউ আবার অনেক বয়সেও টান টান ত্বকের অধিকারী হয়ে থাকেন। এই পার্থক্য কেন হয়? বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকের ভেতরে ডার্মিস স্তর পাতলা হতে থাকে। কোলাজেন ও অন্যান্য ফাইবারের পরিমাণও কমে যায়। এতে ত্বক ঢিলে হয়ে আসে, ভাঁজ পড়তে শুরু করে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের শুষ্কতাও বাড়ে, আর এটিও ভাঁজের জন্য কিছুটা দায়ী। কিছু বিষয় ত্বকের এই বুড়িয়ে যাওয়া ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে। যেমন অতিরিক্ত রোদে বা সূর্যালোকে কাজ করা, ধূমপান, পরিবেশদূষণ ও পারিবারিক ইতিহাস। ধূমপান ত্বকের কোলাজেনকে ধ্বংস করে। ত্বকের অকাল ভাঁজের চিকিৎসায় রেটিনয়েড ক্রিম থেকে শুরু করে বটুলিনাম টক্সিন, লেজার, কেমিক্যাল পিলিংসহ নানা পদ্ধতি ব্যবহূত হয়। কিন্তু এর কোনোটাই স্থায়ী সমাধান নয় এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুলও বটে। আর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোটাই গ্রহণ করা যাবে না। দিনের বেলা বেরোতে হলে অবশ্যই ত্বকে সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন। ধূমপান পরিহার করুন। খাদ্যের তালিকায় প্রচুর ভিটামিন এ, সি, ই এবং বি-৩ যুক্ত খাবার রাখুন। ত্বকের শুষ্কতা এড়াতে প্রচুর পানি পান করুন।

Ref: Prothom Alo

57
যাঁদের পেপটিক আলসার বা গ্যাস্ট্রিক আছে বা যাঁরা বুক জ্বালাপোড়ায় ভুগছেন, তাঁরা কি রোজা রাখতে পারবেন? দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার ফলে পেপটিক আলসারজনিত জটিলতা কি বেড়ে যেতে পারে?
সাধারণত অভুক্ত অবস্থায় পাকস্থলীতে অ্যাসিড এবং পেপটিক রস কম নিঃসৃত হয়, কিন্তু খাবারের গন্ধ বা খাদ্যচিন্তা এগুলোর নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। তবে রমজান মাসে খাদ্য গ্রহণের সময়সূচির আকস্মিক পরিবর্তন, ঘুমের ব্যাঘাত, পানি না খাওয়া ও অতিরিক্ত তেল মসলাযুক্ত খাবার আপনার বুক জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দিতে পারে। এ থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে খানিকটা বাড়তি সচেতনতা।
 ধূমপান, অ্যালকোহল পরিত্যাগ করার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়।
 আঁশযুক্ত শর্করা যেমন লাল আটা, ঢেঁকি ছাঁটা চাল, শাকসবজি খান, তবে সঙ্গে প্রচুর পানি খাবেন নতুবা অন্ত্রে বায়ু তৈরির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।
 চিড়া, দই, ছোলা, আলু উপকারী।
 চর্বিবিহীন মাংস উপকারী।
 ডুবো তেলে ভাজা যেকোনো খাবার আপনার বিপদ ডেকে আনতে পারে।
 ইফতার ও সেহিরতে ফল খাবেন। বিশেষ করে কলা ও খেজুর অত্যন্ত উপকারী। তবে ফলের রস বুক জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দিতে পারে।
 পানিশূন্যতা এড়াতে ইফতার থেকে রাতে শোয়ার আগ পর্যন্ত ১০-১২ গ্লাস ও সেহিরতে দু-তিন গ্লাস পানি পান করুন। পাশাপাশি বিভিন্ন শরবত খেতে পারেন। চা-কফি প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে। তাই এগুলো কম পান করুন, বিশেষ করে সেহিরতে তো নয়ই।
 কোনো খাবার একসঙ্গে বেশি খাবেন না। সেহিরর পরিমাণ হবে আপনার দুপুরের খাবারের পরিমাণ, রাতের খাবারের পরিমাণ একই থাকবে। ইফতার বা সেহির খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়বেন না বা ব্যায়াম করবেন না।
 ওজন যেন না বেড়ে যায়।
 যাঁরা আগে থেকেই পেপটিক আলসারে ভুগছেন তাঁরা পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা অব্যাহত রাখুন। বিশেষ করে সেহিরতে অবশ্যই অ্যান্টি-আলসার ওষুধ খাবেন।
 ব্যথার ওষুধ এড়িয়ে চলুন।
ওপরে নিয়মগুলো সঠিকভাবে মেনে চলে বুক জ্বালাপোড়া এবং আলসার নিয়ন্ত্রণে রেখে নির্বিঘ্নে রোজা রাখুন। ভালো থাকুন।
Ref: Prothom alo

58
Pharmacy / New teeth grown from urine
« on: July 30, 2013, 11:08:48 AM »
The results, published in Cell Regeneration Journal, showed that urine could be used as a source of stem cells that in turn could be grown into tiny tooth-like structures.The team from China hopes the technique could be developed into a way of replacing lost teeth.
Other stem cell researchers caution that that goal faces many challenges.Teams of researchers around the world are looking for ways of growing new teeth to replace those lost with age and poor dental hygiene.
Stem cells - the master cells which can grow into any type of tissue - are a popular area of research.
The group at the Guangzhou Institutes of Biomedicine and Health used urine as the starting point.Cells which are normally passed from the body, such as those from the lining of the body's waterworks, are harvested in the laboratory. These collected cells are then coaxed into becoming stem cells.A mix of these cells and other material from a mouse was implanted into the animals.
The researchers said that after three weeks the bundle of cells started to resemble a tooth: "The tooth-like structure contained dental pulp, dentin, enamel space and enamel organ."However, the "teeth" were not as hard as natural teeth.
This piece of research is not immediately going to lead to new options for the dentist, but the researchers say it could lead to further studies towards "the final dream of total regeneration of human teeth for clinical therapy".

59
 ছবি দেখে মনে হতে পারে চিকিৎসক হয়তো একজন বালিকাকে সেবা দিচ্ছেন। কিন্তু এমন ধারণা ভুল। বরং এই বালিকা সাধারণ কোনো জীবিত বালিকাও নয়। ৫০০ বছর আগে মারা যাওয়া পেরুর বিস্ময়কর ইনকা সম্প্রদায়ের ১৫ বছর বয়সী বালিকা ‘ল্য দোঞ্চেলা’।

এতোকাল আগের বালিকাকে এ রকম জীবন্ত মনে হওয়া অস্বাভাবিক ব্যাপার বটে, কিন্তু কীভাবে সম্ভব?

ইতিহাস বলছে, শিশু-কিশোরদেরকে সৃষ্টিকর্তাদের উদ্দেশে বলি দেওয়ার রেওয়াজ ছিল ইনকাদের। তারপর মারা যাওয়া শিশুদের স্রষ্টারই সম্মানে মমি করে রাখা হতো।

‘ল্য দোঞ্চেলা’ নামের এই বালিকার মমিটিকে ১৯৯৯ সালে বিস্ময়কর মাচুপিচু নগরীর লুলাইকো আগ্নেয়গিরির ৬,৭৩৯ মিটার (২২,১১০ ফুট) উঁচুতে আবিষ্কার করেন একজন আর্জেন্টাইন-পেরুভিয়ান অভিযাত্রী।

বিজ্ঞানী ও গবেষকরা বলেন, ল্য দোঞ্চেলার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এখনও অক্ষত রয়ে গেছে এবং মনে হচ্ছে সে কেবল কয়েকসপ্তাহ আগে মারা গেছে। তার অক্ষত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় যে কোনো ঔষুধ বা নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ‍তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে, চুল পরীক্ষা করেই তার মৃত্যুর সময় নির্ণয় করেন গবেষকরা।

ইতিহাস মতে, সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশে বলি দেওয়া শিশুদের হত্যার আগে সুষম খাবার খাইয়ে মোটা-তাজা করা হতো এবং সমাধিস্থলে পৌঁছানোর আগে শিশুদের ভীতি ও ব্যথা নাশক উন্মাদক পানীয় পান করানো হতো, তারপর তাদের হত্যা করা হতো।

গবেষকরা বলেন, সাম্রাজ্যবাদে বিশ্বাসী ইনকারা সামাজিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ধর্মবিশ্বাসের আড়ালে অপেক্ষাকৃত নিম্নশ্রেণীর সন্তানদের প্রতি এ ধরনের নির্মম আচরণ করতো।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৫৮ ঘণ্টা, জুলাই ২৭, ২০১৩
সম্পাদনা: হুসাইন আজাদ, নিউজরুম এডিটর-eic@banglanews24.com

Pages: 1 2 3 [4]