Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - tnasrin

Pages: 1 ... 3 4 [5]
62
thanks for sharing.....

63

ওজন কমাতে নিয়ম মেনে পরিমাণমতো ভাত খেতে পারেন। মডেল: দয়িতা। ছবি: খালেদ সরকারধোঁয়া ওঠা এক প্লেট ভাত নিমেষেই মন ভালো করে দেয় ভেতো বাঙালির। তিন বেলা খাবারের দুই বেলাতে অনেকে ভাত খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু ওজন বেড়ে যাওয়ায় ইদানীং উপেক্ষা করছেন এই খাবারটিকে। কিন্তু ওজন তো কমে না। কী দরকার ভাত খাওয়া বন্ধ করার? ভাত খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এই বিষয়ে পরামর্শ দিলেন ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন্নাহার আলো।
আখতারুন্নাহার বলেন, ‘ওজন কমানোর জন্য শুরুতেই আমরা ভাতটাকে বাদ দিয়ে দিই। কিন্তু ভাত খাওয়া তো আমাদের অনেক দিনের অভ্যাস। তার জন্য মন টানবেই। দুপুরে আমরা ভাত না খেয়ে এটা-ওটা নানা জিনিস খেয়ে পেট ভরাই। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে সেই খাবারগুলোতে অতিরিক্ত তেল থাকে, তাই ওজন কমার বিপরীতে বেড়ে যেতে পারে।’ তাঁর মতে, পরিমাণমতো ভাত দুপুরে ও রাতে খেয়ে নিলে পেটের সঙ্গে সঙ্গে মনও ভরবে। ভাজাপোড়া-জাতীয় খাবারের দিকে আকর্ষণ থাকবে না। থাকবে না ওজন বাড়ার আশঙ্কাও।
সকাল-দুপুর-রাত—তিন বেলা না হোক, দুই বেলা তো ভাত আমরা খেতেই পারি। অবশ্যই তা নিয়ম মেনে। দুই বেলা ভাত খেয়েও কীভাবে আমরা আমাদের ওজনটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারব, তা নিয়ে নানা পরামর্শ দিয়েছেন আখতারুন্নাহার। প্রথমেই ভাতটাকে একটা মাপের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। সেটা হতে পারে এক কাপ কিংবা দেড় কাপ। যেটুকু ভাত খাবেন, ঠিক সমপরিমাণ কাঁচা সবজির সালাদ খেতে হবে। এই সালাদে থাকতে পারে শসা, টমেটো, বাঁধাকপি, গাজর ইত্যাদি। খুব সামান্য লবণ। মনে রাখতে হবে, সালাদে তেল দেওয়া যাবে না। আরেকটা কথা মাথায় রাখতে হবে, আমরা ভাত দিয়ে তরকারি খাব না, তরকারি দিয়ে ভাত খাব। সেই হিসাবে খাওয়ার শুরুতে যদি আমরা পাতে ভাত নেওয়ার বদলে তরকারি নিই, সেটা হবে একটা ভালো উদ্যোগ। সালাদ কিংবা সবজির তরকারি বেশি করে নিয়ে পরে ধীরে ধীরে প্লেটে ভাত তুললাম। কিন্তু সেটাও খুব অল্প করে। এতে দেখবেন ভাত খাওয়ার পরিমাণ কমে গেছে অনেকখানি। ভাতের সঙ্গে খেতে হবে ডাল। মাছ বা মাংস—যেকোনো একটা খাওয়া যায়। সালাদ, ডাল ইত্যাদি আপনার ভাত খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেবে। খেতে বসে অজান্তে বেশি যেন খেয়ে না ফেলেন, সেটা নিয়ন্ত্রণ করবে।
মনে রাখতে হবে, ভাত যদি খেতেই হয়, তবে রাইস কুকারে রান্না করা ভাত বা বসাভাত খাওয়া যাবে না মোটেও। বাদ দিতে হবে ভাতের সঙ্গে কোনো আলুভর্তা বা আলুর তরকারি। এর বদলে তাজা সবজি ও শাক খেতে হবে বেশি পরিমাণে। একটা কাজ ইচ্ছা করলেই করতে পারেন আপনি, তা হলো ভাতের টেবিলে বসেই পান করে নিন এক গ্লাস পানি। এরপর এক বাটি সালাদ। দেখবেন, ভাতের খিদেটা কমে গেছে।
প্লেটভর্তি ভাতের বদলে এক চামচ ভাতই তখন মনোযোগ পাবে আপনার। আবার নিজেকে দুই কাপ ভাত থেকে দেড় কাপ এবং এরপর এক কাপ, এ রকম গণ্ডির মধ্যে বেঁধে ফেললে দেখবেন, ওজন আর বাড়ছে না। ওজন কমানোর জন্য ‘আমি তো ভাত খাই না’, তারপরও এমন মোটা হচ্ছি কেন? এমন প্রশ্ন যাঁরা করেন, তাঁরা একটু ভেবে দেখুন তো, ভাত বন্ধ করলেও প্রক্রিয়াজাত কিংবা তেলে ভাজা খাবার কি বন্ধ করেছেন আপনি? ডায়েটে ভাত বন্ধ নয়, বন্ধ করলে করতে হবে প্রক্রিয়াজাত-তেলে ভাজা খাবার ও কোমল পানীয়। দেখবেন, শরীরের স্থূলভাব কমে যাবে এমনিতেই।
আর যারা আমরা নিয়মিত পরিমাণমতো ভাত খাচ্ছি, তারা মনে রাখব, খাওয়ার পরপরই বিছানায় যাওয়া যাবে না। হোক সেটা দুপুরের ছোট্ট তন্দ্রা। দুপুর ও রাতে ভাত খাওয়ার আধা ঘণ্টা পর ২০ থেকে ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করে নিতে হবে।
খাবারের চেয়ে ব্যায়াম এবং শারীরিক পরিশ্রম দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাই সচেতন হওয়া যায় সেদিক থেকেও। আমরা আমাদের পছন্দমতো ভাত খেলাম ঠিকই, কিন্তু যেটুকু জায়গায় রিকশার বদলে হেঁটে যাওয়া যায়, সেখানে হেঁটে গেলে এবং টুকটাক ঘরের কাজ শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে সাহায্য করবে।

65

এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের একটি মাধ্যম পেনড্রাইভ। অনেক সময় পেনড্রাইভে থাকা জায়গার পরিমাণ সঠিক দেখায় না। অর্থাৎ পেনড্রাইভের ধারণক্ষমতা হয়তো ৮ গিগাবাইট, কিন্তু দেখাচ্ছে ৭.৭৫ বা ৭.৭৯ গিগাবাইট। অপারেটিং সিস্টেম, পেনড্রাইভ কোন ফাইল সিস্টেমে রয়েছে এবং সিস্টেম মেমোরির ওপর নির্ভর করে এমনটা হয়ে থাকে।
তবে বুটিস নামের ছোট্ট একটি প্রোগ্রাম পেনড্রাইভের পার্টিশনগুলোকে এক করে সঠিক আকার নির্ধারণ করতে সহায়তা করে। এটি http://goo.gl/NMbguu ওয়েব ঠিকানা থেকে নামিয়ে নিন।
যেভাবে কাজটি করবেন
প্রোগ্রামটি বহনযোগ্য (পোর্টেবল) হওয়ায় ইনস্টল করার ঝামেলা নেই। তাই নামিয়ে নিয়ে দুই ক্লিকে চালু করুন। কম্পিউটারের ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভ লাগিয়ে নিন। পেনড্রাইভে দরকারি কোনো ফাইল থাকলে আগেই অন্য কোথাও সরিয়ে নিন। বুটিসের Physical Disk ট্যাবের Destination Disk-এর নিচের তালিকা থেকে আপনার পেনড্রাইভ দেখিয়ে দিন। কাজটি সাবধানে করুন। কারণ, ভুলে হার্ডডিস্ক সিলেক্ট হয়ে গেলে সমস্যা হতে পারে।
এবার নিচের Parts Manage বোতাম চাপুন। এখানে পেনড্রাইভের সব পার্টিশন দেখাবে। এখানে শুরুর পার্টিশন নির্বাচন করে নিচের Re-Partitioning বোতামে আবার ক্লিক করুন। Removable disk repartitioning ডায়ালগ বক্স চালু হলে এখানের Disk Mode এর USB-HDD mode (Single Partition) নির্বাচন করুন। File system এ FAT 32 নির্বাচন করুন। Vol Label এর ঘরে যেকোনো নাম দিন। Start LBA ঘরে 1 লিখে Reserved Secs ঘরে 32 লিখে এবার ওকে করুন।
এবার রি-পার্টিশন এবং সব পার্টিশনের তথ্য (ডেটা মুছে ফেলার আগে একটি সতর্কতামূলক বার্তা আসবে। এখানে OK করুন। কিছুক্ষণ পর Congratulations! Formatting was successful! বার্তা দেখিয়ে কাজটি সম্পন্ন হবে। এখানে OK চেপে কম্পিউটারে গিয়ে পেনড্রাইভের জায়গা দেখুন। পেনড্রাইভের অতিরিক্ত জায়গা মুছে গিয়ে সঠিক আকার পাবেন। জায়গা না বাড়লে বুঝতে হবে এটি সিস্টেম মেমোরিতে রয়ে গেছে বা নির্মাতা এটুকু জায়গাই বরাদ্দ রেখেছে।

66


আমরা অনেক সময়েই খাবার কয়েকদিনের জন্য রান্না করি এবং পরে সেটা গরম করে খাই। আবার অনেক সময় দেখা যায় রান্না করা খাবার খাওয়ার পর যদি থেকে যায় সেটা ফ্রিজে রেখে দেয়া হয় পরে গরম করে খাওয়ার জন্য যেন খাবার অপচয় না হয়। এতে কিছু খাবারের কার্যকারিতা পরিবর্তন হয়ে যায় এবং খাবারের পুষ্টিগুণ হারায় এবং অনেক সময় অনেক খাবার বিষাক্তও হয়ে যায়। যদিও সব ধরনের খাবারে এই ঝুঁকি না থাকে না কিছু খাবারে এমন ঝুঁকি থাকে যে খাবার গুলো পুনরায় গরম করে খেলে পুরো পরিবারই স্বাস্থ্য ঝুঁকির মাঝে পড়তে পারে।
যেসব খাবারগুলো পুনরায় গরম করে খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে সেগুলো এখানে উল্লেখ করা হলো-
মুরগি
পুনরায় গরম করে খাওয়া খাবারের মাঝে মুরগি হচ্ছে সবচেয়ে প্রচলিত। কম বেশি আমরা সকলেই এটা করি। তবে জেনে অবাক হবেন যে এটাই সবচেয়ে বিপদজনক। পুনরায় গরম করলে এতে থাকা উচ্চ মাত্রার প্রোটিনের কার্যকারিতার পরিবর্তন হয় এবং তা অনেক সময় হজমের সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই মুরগি রান্নার পর কখনো পুনরায় সেটা উচ্চ তাপমাত্রায় গরম করা উচিত নয় কারন এতে অন্য যেকোনো মাংসের চেয়ে বেশি প্রোটিন থাকে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় যদি খেতেই হয় গরম না করে খাওয়া, ফ্রিজে থাকলে খাওয়ার বেশ কিছুক্ষণ আগে বের করে রাখলে তা যখন স্বাভাবিক তাপমত্রায় আসবে তখন খেতে পারেন। আর যদি গরম করতেই হয় খুব কম তাপমাত্রায় একটু সময় নিয়ে গরম করুন।
ডিম
ডিম হচ্ছে এমন একটি খাবার যা উচ্চ তাপের সংস্পর্শে এলে বিষাক্ত হয়ে যায়। তাই স্ক্র্যাম্বল এগ বা সেদ্ধ ডিম পুনরায় গরম করা কখনই উচিত নয়। কারন তা খেলে আমাদের হঠাৎ করেই পেট খারাপ হতে পারে।
আলু
উচ্চ পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এই সবজিটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। কিন্তু এটি যখন পুনরায় গরম করা হয় তখন আলুর বেশির ভাগ পুষ্টিগুণ হারানোর সাথে সাথে বিষাক্ত হয়ে উঠে।তাই রান্নার সাথে সাথেই আলু খেতে হবে বা পরে খেলে তা ঠাণ্ডা অবস্থায় খেতে হবে তাহলেই এর শর্করা প্রতিরোধক গুনাগুন জন্য দীর্ঘস্থায়ী পরিতৃপ্তি লাভ করা সম্ভব হবে। আলু দিয়ে কোন কিছু যদি কয়েকদিনের জন্য রান্না করা হয় তাহলে চেষ্টা করুন আলু পরে যোগ করার।
মাশরুম
মাশরুম দিয়ে কিছু রান্না করলে সাথে সাথেই খেয়ে শেষ করে ফেলতে হবে আর যদি কিছু থেকেই যায় পরে খেতে হলে ভালো হয় ঠাণ্ডা অবস্থায় খাওয়া। এটিও যদি পুনরায় গরম করা হয় তাহলে মুরগির মতো প্রোটিনের কার্যকারিতার পরিবর্তন হয় এবং অনেক সময় স্বাদেরও পরিবর্তন আসে। তখন এটি বিভিন্ন ধরনের হজমের সমস্যার সৃষ্টি করে সেই সাথে স্বাস্থ্য উপকারিতাও হারায়।
পালং শাক
পালং শাকও পুনরায় গরম করা বিপদজনক। উচ্চ মাত্রার নাইট্রেট সমৃদ্ধ পালং শাক রান্নার পর পুনরায় যখন গরম করা হয় তখন তা পুরোপুরি নাইট্রেটে পরিনত হয় যা খেলে দেহে ক্যান্সার সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। তাই পালং শাক খেলে তাজা এবং রান্নার সাথে সাথেই খেয়ে ফেলতে হবে।
বিট
এই সবজিটিতেও রয়েছে পালং শাকের মতো নাইট্রেট যা পুনরায় গরম করা অত্যন্ত বিপদজনক। তবে এর মানে এই না যে পরের দিন এটা আর খাওয়া যাবে না শুধু মাত্র গরম না করে খেলেই হবে।
সেলারি/ধনেপাতা
এটিও রান্নার পর পুনরায় আর গরম করা উচিত নয় কারন এতে থাকা নাইট্রেটের শতকরা হারের জন্য। তবে যেহেতু স্যুপ বা এই ধরনের রান্নাতেই সাধারণত সেলারি ব্যবহার করা হয় তাই যদি পরে গরম করতেই হয় তাহলে সেই রান্না করা খাবার গুলো থেকে সেলারি ফেলে দিয়ে পুনরায় গরম করে খেতে পারেন।
শালগম
উচ্চ মাত্রার নাইট্রেট থাকে শালগমেও। তাই এটিও পুনরায় গরম করা উচিত নয়, পরে খেতে হলে ঠাণ্ডা খাওয়াই উত্তম।
তাই এখন থেকে যেকোনো খাবার সংরক্ষনের উদ্দেশে রান্না করে ফ্রিজে রাখার সময় এবং তা পুনরায় গরম করার সময় একবার ভেবে নেবেন। আর যদি এখানে উল্লেখিত খাবার গুলো তার মাঝে রয়েই যায় তাহলে হজমের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে পুনরায় গরম না করেই খেতে হবে।
লেখিকা
শওকত আরা সাঈদা(লোপা)
জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ
এক্স ডায়েটিশিয়ান,পারসোনা হেল্থ
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান(স্নাতকোত্তর)(এমপিএইচ)
সূত্রঃ প্রিয় লাইফ ও নিউট্রি লাভার

67
“হার্ট নিয়ে ২৫টি ভ্রান্ত-বিশ্বাস”
আসুন আমরা দূর করি হার্টের স্বাস্থ্য নিয়ে কিছু ভুল ধারণা।
1. মিথ্যাঃ হার্টে সমস্যা থাকলে ব্যায়াম করা উচিত নয়।
সত্যিঃ বরং ব্যায়াম দ্বিতীয় অ্যাটাক এর সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
2. মিথ্যাঃ ৪০ এর আগে কোলেস্টেরল বেশী হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই।
সত্যিঃ কোলেস্টেরল বৃদ্ধি খাদ্যাভাস এর সঙ্গে যথেষ্ট সম্পর্ক যুক্ত। খাদ্যাভাস ঠিক না থাকলে কম বয়সেই আপনার কোলেস্টেরল বাড়তে পারে।
3. মিথ্যাঃ চিকন লোকদের কোলেস্টেরল থাকেনা।
সত্যিঃ যদিও কম তেল-চর্বি খেলে মোটা হওয়ার ও কোলেস্টেরল বাড়ার সম্ভাবনা বেশী। কিন্তু বংশগত কারণে চিকন লোকদেরও কোলেস্টেরল থাকতে পারে। সুতরাং বংশে ইতিহাস থাকলে আপনার কোলেস্টেরল টাও নিয়মিত পরীক্ষা করবেন।
4. মিথ্যাঃ যদি আপনি কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ খান, তাহলে আপনি যা খুশী খেতে পারেন।
সত্যিঃ শরীরে কোলেস্টেরল এর উৎস দুটি-১) আমাদের লিভার যা তৈরী করে ২) আমরা যা খাদ্য হিসেবে খাই। কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ শুধু লিভার এ কোলেস্টেরল তৈরী হওয়াকে নিয়ন্ত্রন করে। আপনি যদি খাদ্যের সঙ্গে কোলেস্টেরল গ্রহণ করতে থাকেন, ওষুধ ও তখন আর ঠিকভাবে কাজ করবে না।
5. মিথ্যাঃ আমার যদি কোলেস্টেরল বা প্রেশার বেশী থাকতো আমি নিজেই টের পেতাম। তাই শুধু শুধু মাপানোর প্রয়োজন নেই।
সত্যিঃ কোলেস্টেরল বা প্রেশার কে বলা হয় “সাইলেন্ট কিলার” বা নীরব ঘাতক। কারণ এদের কোন বাহ্যিক লক্ষন থাকেনা।
6. মিথ্যাঃ বৃদ্ধ বয়সে প্রেশার একটু বেশী থাকা স্বাভাবিক। এতে হার্ট নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।
সত্যিঃ হ্যা, এটা সত্যি যে বৃদ্ধ বয়সে প্রেশার একটু বেশী ই থাকে। বয়সের সাথে সাথে রক্তনালীর দেয়াল গুলো শক্ত হয়ে চাপা হয়ে গেলে, রক্ত তখন রক্ত নালীর দেয়ালে বেশী চাপ প্রয়োগ করে, ফলে প্রেশার বেড়ে যায়। হার্ট কে তখন এই নালীর ভিতর দিয়ে রক্ত পাঠাতে আরো বেশী জোরে পাম্প করতে হয়। ফলে হার্ট দূর্বল হয়ে পরে।
7. মিথ্যাঃ ডায়বেটিস এর সঙ্গে হার্টের রোগের সম্পর্ক নেই।
সত্যিঃ ডায়বেটিস রোগীদের হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুকি সাধারণের থেকে ২-৪ গুন বেশী।
8. মিথ্যাঃ ডায়বেটিস থাকলে, ঠিকমতো ডায়বেটিসের ওষুধ খেলে হার্ট নিয়ে আর চিন্তার কিছু নেই।
সত্যিঃ সুগার বেশী থাকলে তা যদি ওষুধ খেয়ে নিয়ন্ত্রন করা যায় তা তাহলে চিকন রক্ত নালীর গুলোর জন্য ভালো সংবাদ। সুগার নিয়ন্ত্রনে থাকলে তাই হাই সুগার থেকে যেসব কিডনী বা চোখের রোগ হয়, তা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। কিন্তু বড় রক্তনালী গুলোর (যে গুলো হার্টের সঙ্গে যুক্ত) সুগারের চাইতে ব্লাড প্রেশার ও কোলেস্টেরল এর সাথে বেশী সম্পর্কযুক্ত। তাই ব্লাড প্রেশার ও কোলেস্টেরল ঠিক না থাকলে, শুধু সুগার নিয়ন্ত্রন করেই হার্টের রোগের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হওয়া যাবেনা।
9. মিথ্যাঃ ধূমপান করলে ক্যান্সার হয়, হার্টের রোগ নয়।
সত্যিঃ ধূমপায়ীদের হার্ট অ্যাটাক এর লক্ষন অধূমপায়ীদের ত্তুলনায় দ্বিগুন। ধূমপান রক্ত নালী সরুকরণে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে।
10. মিথ্যাঃ অনেক বছর ধরে ধূমপান করলে ধূমপান ছাড়লে হার্টের আর কোন উন্নতি হবেন, তাই ছেড়ে লাভ নেই।
সত্যিঃ ধূমপান ছাড়ার এক বছরের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক এর ঝুকি ৫০% কমে যায়। পনের বছর পরে এই ঝুকি অধূমপায়ীর সমান হয়ে যায়।
11. মিথ্যাঃ হার্টের রোগ শুধু পুরুষদেরই হয়।
সত্যিঃ ৬৫ এর উপর বয়সে হার্ট অ্যাটাক এর ঝুকি নারী ও পুরুষের প্রায় সমান।
12. মিথ্যাঃ কম বয়সী মহিলাদের হার্টের অ্যাটাক হয়না।
সত্যিঃ আপনি যদি স্থুলকায়া হন, ডায়বেটিস বা প্রেশারের রুগী হন, কম বয়সেও আপনার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
13. মিথ্যাঃ হার্ট এর রোগের লক্ষন নারী-পুরুষের ক্ষেত্রে একই রকম।
সত্যিঃ হার্টে সমস্যা থাকলে পুরুষেরা সাধারণত বুকে ব্যথা অনুভব করেন আর নারীরা অনুভব করেন ক্লান্তি, দূর্বলতা, ঘুমের সমস্যা ও শ্বাসকষ্ট।
14. মিথ্যাঃ হার্টের রোগ হলে তেল যত কম সম্ভব খাওয়া উচিত, পারলে না খাওয়া উচিত।
সত্যিঃ এটা সত্যি যে হার্টের রোগে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স ফ্যাট যত কম সম্ভব খাওয়া উচিত। কিন্তু অন্য তেল যেমন ভেজিটেবল ওয়েল বা ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যুক্ত মাছের তেল বরং উপকারী। গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে, সপ্তাহে দুবার স্যামন মাছ খেলে হার্ট অ্যাটাক এর ঝুকি কমে।
15. মিথ্যাঃ মাইল্ড হার্ট অ্যাটাক হলে চিন্তার কিছু নয়। এতে কোন বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন নেই।
সত্যিঃ এটি আসলে হতে পারে আপনার আসল হার্ট অ্যাটাক এর পূর্বলক্ষন। সুতরাং সতর্ক হন।
16. মিথ্যাঃ এঞ্জিওপ্লাস্ট করালে হার্ট ভালো হয়ে যায়।
সত্যিঃ এটি কোন ধরণের চিকিৎসা নয়, হার্টে ব্লক আছে কিনা তা দেখার একটা পরীক্ষা মাত্র।
17. মিথ্যাঃ রিং পরালে অথবা বাইপাস করালে হার্ট ভালো হয়ে যায়।
সত্যিঃ এসব প্রকৃয়ার হার্টের অপসারন যোগ্য ব্লক গুলো ছুটানো হয়। অনেক সময় ই অনেক ব্লক থাকলে বড় গুলো সারিয়ে ছোট গুলো রেখে দেওয়া হয়। যদি জীবন যাত্রায় পরিবর্তন না আনেন (যেমন, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ব্যায়াম করা, ধূমপান ত্যাগ করা ইত্যাদি), তাহলে আবার ব্লক হতে পারে।
18. মিথ্যাঃ ব্লকের ফলে প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়া নালীগুলো পুরোপুরি ব্লক হয়ে গেলেই হার্ট অ্যাটাক হয়।
সত্যিঃ সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে অন্তত ৩০% ক্ষেত্রে, ছোট ছোট ব্লক গুলোর হঠাত ভেঙ্গে যাওয়ার মাধ্যমে হার্ট অ্যাটাক হয়। হঠাত ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে রক্ত জমাট বেধে নালী পুরো বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে হার্ট অ্যাটাক হয়।
19. মিথ্যাঃ আমার হার্টের সমস্যা থাকলে ডাক্তার আমাকে টেস্ট করতে বলতো।
সত্যিঃ অন্য কোন রোগ নিয়ে ডাক্তার এর কাছে গেলে সে আপনার হার্ট নিয়ে চিন্তিত নাও হতে পারেন, অথবা আপনি আপনার মাঝে মাঝে বুকে মৃদু ব্যথার কথা বলতে ভুলে যেতেই পারেন। ভালো হলো, একটা বয়সের পর এমনিতেই একজন হার্টের ডাক্তার এর পরামর্শ নিয়ে টেস্ট করিয়ে ফেলতে।
20. মিথ্যাঃ হার্টের রোগ আমার বংশে আছে, তাই কোন ভাবেই তা ঠেকানো সম্ভব নয়।
সত্যিঃ ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাবার ও ধূমপান ত্যাগের মাধ্যমে হার্টের রোগের ঝুকি অনেক কমানো যায়।
21. মিথ্যাঃ একবার হার্টের রোগ হয়ে গেলো, কোনভাবেই আর হার্টের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়।
সত্যিঃ ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাবার ও ধূমপান ত্যাগের মাধ্যমে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নয়ন সম্ভব।
22. মিথ্যাঃ হার্ট অ্যাটাক হতে পারে এমন রোগীর এর লক্ষন হলো বুকে ব্যথা যা অ্যাটাক এর মাত্র এক সপ্তাহ আগে দেখা দেয়। অর্থাৎ যখন আমার সময় আসবে, হার্ট অ্যাটাক হবে, এক্ষেত্রে আমার কিছু করার নেই।
সত্যিঃ হার্ট এর রোগীর দীর্ঘমেয়াদি বুকে ব্যথা থাকতে পারে অথবা কোন পূর্ব ব্যথা ছাড়াই হঠাত অ্যাটাক হতে পারে। হার্ট অ্যাটাক আসলে দীর্ঘদিন ধরে হার্টে জমে ওঠা ব্লকের ফলাফল। তাই সবসময় ই নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করুন, আপনার হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সময় হয়তো কখনোই আসবে না।
23. মিথ্যাঃ তীব্র বুকে ব্যথা না হলে এটি হার্ট অ্যাটাক না।
সত্যিঃ হালকা ব্যথার সঙ্গে দম বন্ধ ভাব, শ্বাসকষ্ট, ঘাম, বমি, মাথাব্যথা থাকতে পারে। বর্তমান যুগে হার্ট অ্যাটাক বুঝতে পেরে সঠিক সময়ে ডাক্তারের কাছে যেতে পারলে ৯৫% ক্ষেত্রেই রোগীকে বাচানো যায়।
24. মিথ্যাঃ আমার খুব দ্রুত হার্ট বিট হচ্ছে। আমার নিশ্চই হার্ট অ্যাটাক হতে যাচ্ছে।
সত্যিঃ বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই দ্রুত হার্ট বিট নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। কারো কারো ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিক ভাবেই বেশী থাকে, কেউ আবার উত্তেজিত হলে বেড়ে যায়, এর সঙ্গে হার্টের আটাকের সম্পর্ক নেই।
25. মিথ্যাঃ হার্ট অ্যাটাক হওয়া আর হার্ট ফেইল করা একই জিনিস।
সত্যিঃ হার্ট অ্যাটাক হলে হার্ট বিট বন্ধে হয়ে যায়, কিন্তু হার্ট ফেইল করলে হার্ট কাজ করা বন্ধ করেনা, এটা শুধু ঠিকমত রক্ত পাম্প করতে পারেনা। হার্ট অ্যাটাক ও ফেইলিওর এর চিকিৎসা ভিন্ন ও লক্ষন ও ভিন্ন। তাই লক্ষন জানা জরুরী। হার্ট ফেইল এর লক্ষন হলো, শ্বাস-কষ্ট, হাতে পায়ে পানি আসা এবং কাশি ও কফ।


68
rakhe allah mare ke.......

69
thanks for sharing us....

70
Public Health / Negative effect of sugar
« on: February 09, 2014, 12:02:07 PM »
Negative effect of sugar   
 Sugar is derived from sucrose. Our country consumes about 2-3 pounds of sugar each week!
Our body becomes addicted to the sweetness so much that it can become a danger to our bodies!
    Sugar can “attack” our white blood cells which are our bodies defense system against diseases.The white blood cells are formally known as phagocytes.
    Two teaspoons of sugar can take away our phagocytes strength by 25%!
    Eating larger portions of sugar can make our immune system 100% helpless, the effect lastingfor about 4-5 hours. We call that a “sugar rush.”
            This type of eating is a trap for a cold, sometimes even cancer.

Pages: 1 ... 3 4 [5]