Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - saima rhemu

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 16
61
Thanks for sharing  :)

62
Thank you Mam  :)

63
সার্বক্ষণিক সজীব নিঃশ্বাসের জন্য আছে কত রকমের বিজ্ঞাপন। রয়েছে নানা টুথপেস্ট, দাঁতের মাজন, মাউথওয়াশ ইত্যাদি। কিন্তু সব সময় সজীব নিঃশ্বাস পেতে হলে নিজেকে রাখা চাই সুস্থ। দাঁত ও মুখগহ্বরের সুস্থতার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতাও দরকার।

যেমন যকৃৎ বা কিডনির সমস্যায় মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে, নিঃশ্বাস হতে পারে মন্দ। পান, জর্দা, সুপারি, ধূমপান ও অ্যালকোহলও খারাপ নিঃশ্বাসের জন্য দায়ী। মুখের শুষ্কতা মুখের খারাপ গন্ধের জন্য ক্ষতিকর। কিছু কিছু অ্যালকোহলযুক্ত মাউথওয়াশ মুখের শুষ্কতা বাড়িয়ে দিয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে।

সজীব নিঃশ্বাসের জন্য যা করতে পারেন:

-সজীব নিঃশ্বাসের জন্য প্রচুর পানি পান করুন,
-লালা নিঃসরণ বাড়াতে প্রয়োজনে চিনিবিহীন গাম বা লজেন্স চিবোন।
-প্রতিবার খাওয়ার পর ভালো করে কুলকুচা করুন।
-টুথব্রাশে দুই ফোঁটা চা-পাতার রস বা পুদিনার রস মিশিয়ে দেখুন, নিঃশ্বাস সজীব হবে।
-সবচেয়ে বড় কথা, নিজেকে সুস্থ রাখুন, পরিচ্ছন্ন থাকুন।
-সব সময় থাকুন প্রাণবন্ত ও সজীব।

64
ক্যারিয়ারের কারণে সন্তান না নেয়া বা কোন কারণে সন্তান হতে দেরি করা, কারণ যাই হোক না কেন আজকাল একটু বেশি বয়সে প্রথমবারের মত গর্ভধারণ করা খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। তবে হ্যাঁ, বেশি বয়সে প্রথম গর্ভধারণ করলে ঝুঁকিটা আর দশজনের চাইতে অনেক বেশী থাকে। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত হয়ে যাওয়া, সন্তানের বৃদ্ধি ঠিক মত না হওয়া, প্রসবে জটিলতা, মায়ের স্বাস্থ্যহানি সহ হরেক রকমের সমস্যা দেখা দেয়। এগুলো থেকে মুক্তি পাবার একটিই উপায়, আর তা হচ্ছে এই নিয়মগুলো মেনে চলা। পরামর্শগুলো স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের জন্যই। চলুন, জেনে নিই বিস্তারিত।

১) গর্ভবতী মা সকল রকমের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এড়িয়ে চলবেন। একই সাথে রিকশা বা মোটর সাইকেলের মত বাহনও অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন। এইসব বাহনের কারণে গর্ভপাত ঘটে যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এইসম্যে মাকে যতটা সম্ভব বেড রেস্টে থাকতে হবে এবং খুব বেশী দৌড় ঝাঁপ, পরিশ্রমের কাজ, ঝাঁকুনির রাস্তায় চলাফেরা করা পরিহার করতে হবে।

২) গর্ভাবস্থার শুরুতেই খুব ভালো একজন পুষ্টিবিদের সাথে পরামর্শ করে একটি খাদ্য তালিকা তৈরি করিয়ে নিন। আপনার কোন শারীরিক সমস্যা থাকলে পুষ্টিবিদকে সেটা জানান। তিনি এমন একটি খাদ্য তালিকা তৈরি করিয়ে দেবেন যেন মা ও শিশুর শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকে।
৩) অতি অবশ্যই নিয়মিত ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকুন। কোনক্রমেই এটা অবহেলা করবেন না।

৪) গর্ভধারণের ৬ মাস পেরিয়ে গেলেই প্রসবের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে রাখুন যেন একটা জরুরী সময়ে সব কিছু হাতের কাছে থাকে। বেশী বয়সে প্রথম গর্ভধারণে প্রি ম্যাচিউর ডেলিভারি অস্বাভাবিক কিছু নয়। যে হাসপাতালে ডেলিভারি করাবেন, তাঁদের সাথে কথা বলে রাখুন। ইমারজেন্সি আম্বুলেন্সের ফোন নম্বর হাতে কাছেই যোগাড় করে রাখুন। একটি ব্যাগে মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় সবকিছু সর্বদা গুছিয়ে হাতের কাছে রাখুন যেন খুঁজলেই পাওয়া যায়।

৫) বেশী বয়সে গর্ভধারণে স্বাভাবিক প্রসবের চাইতে সিজার করতেই বেশী দেখা যায়। তাই সেই অনুযায়ী আর্থিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে রাখুন।
৬) এই সময়ে স্বামী একটু বেশী খেয়াল রাখবেন স্ত্রীর। মনে রাখবেন, বয়সের কারণে তাঁর গর্ভধারণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। স্ত্রীর খাওয়া দাওয়া, চলাফেরা সব দিকেই লক্ষ রাখতে হবে আপনাকেই।

৭) স্ত্রীর যেন কোন রকম মানসিক চাপ না হয়, মনে কষ্ট না হয় সেদিকেও সামিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। গর্ভাবস্থায় মানসিক চাপ যে কোন মায়ের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।

৮) মা এই সময়ে প্রচুর ঘুমাবেন। ঘুম যেন যথাসম্ভব আরাম ও শান্তির হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।

৯) সঠিক ভাবে আপনার ওজন নিয়মিত বাড়ছে কিনা লক্ষ্য রাখবেন অবশ্যই। ওজন ঠিকমত বৃদ্ধি না পাবার অর্থ শিশুর বৃদ্ধি ঠিকমত হচ্ছে না।[/
i]

65
শরীর নিয়ে আমরা মাঝে মাঝে খুব দুশ্চিন্তায় থাকি কারণ ওজন বেড়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু সময়ও নেই জিমে যাওয়ার কর্ম ব্যস্ততার জন্য। আর ছুটির দিনে ইচ্ছেও কাজ করে না জিমে যাওয়ার। কিন্তু ফিট এবং সুস্থ থাকতে হলে শরীরের বাড়তি ওজন ঝড়িয়ে ফেলতেই হবে। কিন্তু ভাবছেন কিভাবে? তাহলে জেনে নিন কিছু নিয়ম যা পালন করলে প্রতিদিন অন্তত ৫০০ ক্যালরি পর্যন্ত ঝড়িয়ে ফেলতে আপনি সক্ষম হবেন।

ব্রেকফাস্ট , লাঞ্চ ও ডিনারে ফ্রুট সালাদ
আমরা যদি আমাদের ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ও ডিনারের প্রতিদিনের খাবারের মেন্যু পাল্টে কয়েক রকমের ফল মিলিয়ে তা দিয়ে সালাদ বানিয়ে খাই দেখবেন আপনার শরীর থেকে ৫০০ ক্যালরি ঝড়ে যাবে আপনি বুঝে উঠার আগেই।

সকালের নাস্তায় ডিম
ডিম খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি। এবং আমাদের সকালের নাস্তাই শুরু হয় ডিম দিয়ে। তাই সকালের নাস্তায় প্রতিদিন যারা ২ টি ডিম খেয়ে থাকেন তারা সারাদিনে অন্তত ৪০০ ক্যালরি কম খাবার খেয়ে থাকেন। এতে করেও ঝড়ে যায় ওজন।

কোমল পানীয় বর্জন করুন
কোমল পানীয় আমাদের ওজন অনেক বেশিই বাড়িয়ে ফেলে এবং এগুলো আমাদের শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর। কিন্তু এই অভ্যাসটি আপনি চাইলে খুব সহজেই বদলাতে পারেন পানীয় কোন ফল অথবা সবজি খেয়ে। যেমন কোমল পানীয়র বদলে খেতে পারেন শসা, লেবুর সরবত,স্ট্রবেরি, ডাবের পানি ইত্যাদি এগুলো একদমই ক্যালরি মুক্ত খাবার যা সহজেই খেতে পারেন আপনি।

টিভি দেখার সময় খাবেন না
আমরা অনেকেই খাওয়ার সময় টিভি দেখি। কিন্তু এই বাজে অভ্যাসটি আপনার ক্যালরি কমাতে তো সহায়তা করবেই না উল্টা আরও প্রায় ৩০০ ক্যালরি বাড়াবে। তাই খাওয়ার সময় টিভি না দেখে ডাইনিং টেবিলে বসে খান।

প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম
প্রতিদিন যদি আপনি বাসাতেই একটু সময় বের করে অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করেন তাহলে আপনার ৩০ মিনিটেই ৫০০ ক্যালরি ঝড়ে যায়। তাই প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন ফিট থাকার জন্য।

কিছু অন্য রকম কাজ
কিছু অন্য রকম কাজ যেমন দড়ি লাফ ১ থেকে ১০০ বার, কিংবা একটি জায়গায় দাড়িয়েই দৌড়ানো অথবা লাফানো এই কাজ গুলো করলে প্রতি মিনিটে আপনি ১০ ক্যালরি ঝেড়ে ফেলতে পারবেন। তাহলে চিন্তা করুন আরও বেশি সময় নিয়ে যদি আপনি এই কাজ গুলো করেন তাহলে কত ক্যালরি খরচ হবে।

66
স্বাস্থ্যের দিকে তাকিয়ে অনেকেই রঙ চা খান, অনেকেই আবার দুধ চা। তবে বেশির ভাগ মানুষই জানেন না, তার আসলে কোন ধরণের চা খাওয়া উচিত। আড্ডা কিংবা বাসায় সাধারণত তাৎক্ষণিক ইচ্ছার উপরই নির্ভর করে কোন ধরণের চা খাবেন।

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ১৬ জন নারীকে একবার রঙ চা, আরেকবার দুধ চা এবং একবার শুধু গরম পানি পান করতে দেন। তারপর প্রতিবারই আল্ট্রাসাউন্ড পদ্ধতিতে তাদের রক্তনালীর প্রসারণ মাপা হয়।

দেখা যায় যে, রঙ চা রক্তনালীর প্রসারণ ঘটায় যা উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রনের জন্য অত্যন্ত জরুরী। চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিন রক্তনালীর প্রসারণের জন্য দায়ী।

দুধের মধ্যে থাকে ক্যাসেইন নামক একটি পদার্থ যা চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিনকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে চায়ে দুধ মেশালে চায়ের রক্তনালী প্রসারণের ক্ষমতা একবারেই চলে যায়।

US Department of Agriculture এর গবেষকরা ইদুরের কোষের ওপর পরীক্ষা করে দেখেন যে, চায়ের প্রভাবে কোষগুলো থেকে সাধারণের তুলনায় ১৫ গুণ বেশি ইনসুলিন নির্গত হয় যা ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত জরুরী। কিন্তু চায়ে দুধ মেশালে এই ইনসুলিন নির্গমনের হার কমতে থাকে।

যদি ৫০ গ্রাম দুধ মেশানো হয়ে, তাহলে ইনসুলিন এর নির্গমন শতকরা ৯০% কমে যায়।

যারা ওজন নিয়ন্ত্রন করতে চান তারা দেখে নিতে পারেন কোন চায়ে কত ক্যালরি।

দুধ চিনি ছাড়া রঙ চা = ২ ক্যালরি
১ চামচ চিনিসহ রঙ চা = ১৬ ক্যালরি
১ চামচ চিনি ও দুধসহ চা = ২৬ ক্যালরি


সুতরাং রঙ চা উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রনে অত্যন্ত কার্যকরী। দুধ চা নয়।

67
মাথাব্যথা, হাতে পায়ের জয়েন্টে ব্যথা, মাংসপেশি আড়ষ্টতায় ব্যথা, ঘাড় ও কাধের ব্যথায় অনেকেই কাবু হয়ে পড়েন। এই ধরণের ব্যথাগুলো দীর্ঘ মেয়াদী হয়ে থাকে। একবার শুরু হলে সহজে পিছু ছাড়তে চায় না। আবার এইধরনের ব্যথার পেছনে এই ব্যস্ত যুগে ব্যয় করার মতো সময়ও হয়ে উঠে না। অনেকেই ব্যথানাশক ঔষধ খেয়ে এই ব্যথা কমিয়ে থাকেন। কিন্তু ব্যথানাশক ঔষধের রয়েছে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যা দেহের জন্য অনেক খারাপ।

তাই এই সকল শারীরিক ব্যথা দূর করতে প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করাই ভালো। ভাবছেন এই ব্যথা দূর করতে কী করা যায়? আজকে চলুন তবে দেখে নেয়া যাক এক ধরণের ব্যথানাশক চা তৈরির পদ্ধতি যা দূর করে দেবে শারীরিক দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা।

যা যা লাগবেঃ

– ২ কাপ পানি
– ২ চা চামচ চা পাতা
– ১ চা চামচ তাজা আদা কুচি
– ২ টি এলাচি (ছেঁচে নেয়া)
– ১/৪ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো
– ১/২ কাপ বাদাম দুধ (বাদাম দুধ না পেলে সাধারণ গরুর দুধ নিতে পারেন)
– ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো বা সামান্য কাঁচা হলুদ বাটা
– ২ চা চামচ মধু

চা তৈরির পদ্ধতিঃ

– চুলায় একটি পাত্রে দুই কাপ পানি গরম হতে দিন। পানি গরম হলে এতে আদা কুচি, হলুদ গুঁড়ো/বাটা, দারুচিনি ও এলাচি দিয়ে হালকা আঁচে ১০ মিনিট ফুটতে দিন।
– ১০ মিনিট ফুটে পানির রঙ হলদেটে হয়ে এলে এতে চা পাতা ছেড়ে দিয়ে ২ মিনিট ফুটিয়ে নিন।
– ওপর একটি পাত্রে দুধ ফুটিয়ে নিন।
– এবার চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম দুধ ঢেলে ঘন ঘন নেড়ে চায়ে মিশিয়ে নিন।
– কাপে চা ছেঁকে নিয়ে এতে মধু মেশান।
– গরম গরম পান করুন এই ব্যথানাশক চা প্রতিদিন ১ কাপ। এতে দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা দূর হবে।

73
স্কিপিং বা দড়ি লাফ অতি পরিচিত আর সহজ একটি ব্যায়াম। স্বাস্থ্য ফিট রাখতে, দ্রুত ওজন কমাতে, শরীরের ঘাম ঝরাতে দড়ি লাফের বিকল্প নেই, দড়ি লাফের জন্য কোন এক্সট্রা মেশিন বা অনেক বেশি স্পেস লাগেনা বলে খুব সহজেই এটি করা যায়। দড়ি লাফ বা স্কিপিং নিয়ে অনেক বেশি কৌতুহল আর প্রশ্নের শেষ নেই আমাদের,আজ তাই আমার আলোচনার বিষয় এই স্কিপিং। প্রতিদিন মাত্র ১৫- ২০ মিনিট স্কিপিং আপনার শরীরের জন্য অনেক ভালো একটা এক্সারসাইজ হতে পারে। ওজন দ্রুত কমাতে, ক্যালরি দ্রুত বার্ন করতে স্কিপিং অনেক উপকারি।কিছুক্ষন দড়িলাফে ২০০- ৫০০ ক্যালোরি বার্ন হয়। তবে আমরা যদি মনে করি,শুধু স্কিপিং আমাদের ওজন কমিয়ে আমাদের ফিট রাখবে,তাহলে ধারণা ভুল হবে,কেননা এক্সারসাইজ এর সাথে প্রোপার ডায়েট মেইন্টেইন অতি গুরুত্বপূর্ণ।

স্কিপিং করতে গেলে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে :

★ভালো মানের রোপ বা দড়ি ব্যবহার করতে হবে দড়িলাফের জন্য

★খালি পায়ে স্কিপিং করলে পায়ের তলায় ব্যথা হতে পারে। তাই যদি সম্ভব হয় স্পোর্টস সু/সু পড়ে স্কিপিং করবেন।

★স্কিপিং এর সময় ভালো ফিটিংস /স্পোর্টস ব্রা পরে নিতে হবে।

★প্রথমে স্লোলী স্কিপিং শুরু করতে হবে পরে আস্তে আস্তে গতি বাড়াতে হবে।

★সমান জায়গায় স্কিপিং করবেন, উচু-নিচু জায়গায় দড়ি লাফ রিস্কি হতে পারে

★ যদি সম্ভব হয় খোলা জায়গায় বা বেশি স্পেস নিয়ে স্কিপিং করা ভালো

★ ফ্লোরে কার্পেট বা শক্ত কিছু বিছিয়ে নিতে হবে দড়িলাফ দেওয়ার সময়।

★অধিক উচুতে লাফ দেওয়া যাবে না, এতে করে জয়েন্টে প্রব্লেম হতে পারে

★প্রতিবার লাফ দেওয়ার সময় হাঁটু কিছুটা বাঁকিয়ে নিতে হবে, না হয় হাটুতে প্রেসার পড়তে পারে এবং কিছু সময় থেমে থেমে দড়িলাফ দিতে হবে

★খেয়াল রাখতে হবে লাফ দেওয়ার সময় দড়ি যেনো পায়ে পেঁচিয়ে না যায়।

কিছু বিশেষ অবস্থায় কখনোই দড়ি লাফ করা যাবেনা। এতে উপকারের চেয়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
১. প্রেগনেন্সিতে
২. যাদের হাটু ব্যথা,পায়ের গোড়ালীতে ব্যথা,হাড়ে ক্ষয় বা এইজাতীয় কোন শারিরীক সমস্যা আছে
৩. যাদের ওজন অনেক বেশি
৪. পিরিয়ডের সময়
৫. কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগ যেমন : হার্ট ডিজিজ, হাপানী ইত্যাদি

যে কোন ব্যায়ামই শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। স্কিপিং অনেক সহজ একটা এক্সারসাইজ এবং খুব অল্প সময়ে অনেক ক্যালরি বার্ণ করতে এবং শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দড়ি লাফ অনেক উপকারি ভূমিকা পালন করে।

আজ এ পর্যন্তই। আশাকরি সবাই নিজের প্রতি সচেতন হবো।প্রপার ডায়েট আর এক্সারসাইজ এর মাধ্যমে নিজেকে ফিট রাখার চেষ্টা করবো।

74
যে কোনও মৌসুমেই নিজেকে সাজাতে কে না ভালবাসেন! আমরা সকলেই ভালবাসি রঙে-ছন্দে-আনন্দে নিজেদের সাজাতে। সুন্দর পোশাক-জুতা-হেয়ার স্টাইলের পাশাপাশি সতেজ উদার মন৷ কিন্তু দাঁতে যদি থাকে হলদে ছোপ ৷ তাহলে? অনুষ্ঠান পণ্ড। তাই রং ফিকে হয়ে যাওয়ার আগেই কিনে ফেলুন আপেল এবং চুইং গাম। হয়ে গেল সকল সমস্যার সমাধান।

আপেল

আপেলকে বলা হয়েছে ‘প্রকৃতির টুথব্রাশ’। অফিসে আপনি কাজে ব্যস্ত। লাঞ্চ করে আসার পর আপনার মনে হল একবার দাঁত মেজে এলে ভাল হয়। কিন্তু সময় নেই। কী করবেন। দাঁত বড় অপরিষ্কার ৷ তাকে সাদা ও ঝকঝকে করে তোলার জন্য একটা আপেল আপনাকে খেতেই হবে৷ দাঁত পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে ভাল কাজ দেবে এই ফলটি ৷ আশ্চর্যের কথা হল, চিজ খেলেও দাঁত পরিষ্কার থাকে। তবে চিজ আবার শরীরে মেদবৃ‌দ্ধি করে৷ দাঁতের সাদা রং অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য জল খাওয়া আবশ্যক৷ প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

চুইংগাম

একইসঙ্গে চিবোতে হবে চুইং গাম৷ চুইং গাম দাঁতের সাদা রংকে ফিকে হতে দেয় না। ঔজ্জ্বল্য বাড়িয়ে তোলে আগের থেকে অনেক বেশি। দাঁতের জোর বাড়ায়। ঝকঝকে তকতকে দাঁতের জন্য এটুকু তো করা যেতেই পারে। তবে হ্যাঁ, নতুন বছর শুরুতে আগে প্রতিজ্ঞা করুন যে সিগারেট ছেড়ে দেবেন, কফি খাবেন না, রেড ওয়াইন ছোঁবেন না। এসবই কিন্তু দাঁতের ক্ষয়কে বাড়িয়ে দেয়। একদিকে আপেল খাবেন আবার অন্যদিকে সিগারেটে সুখটানও দেবেন। দু’নৌকোয় পা দিয়ে চললে হবে না।

সুস্হ-সুন্দর-উজ্জ্বল-সাদা দাঁতের হাসিতে চমকে যাক আপনার চারপাশের পৃথিবী। দাঁত দিয়েই যেন আপনাকে চেনা যায়৷ কেবল আপনাকেই

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 16