Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - sharifmajumdar

Pages: 1 [2] 3 4 ... 7
16
সকলেই জীবনে সফলতা লাভ করতে চায়। কিন্তু সেই সফলতার জন্য নিজের মাঝে কি কি গুনাগুণ থাকা উচিত সে ব্যাপারটা অনেকেরই অজানা থাকে। এইখানে একজন কর্মক্ষেত্রে / জীবনে সফল মানুষের কিছু গুন বা যোগ্যতা তুলে ধরা হলো যা থেকে আমরা নিজেদের ভুলগুলো শুধরে নিতে পারিঃ

০১. শোনার যোগ্যতাঃ কারো কোন কথা ভালো মতো শুনুন। নিজে কিছু বলার আগে ভালোভাবে শুনে নিন। ভালোমতো শুনার যোগ্যতাটা একটা বড় গুন। মনে রাখবেন সৃষ্টিকর্তা একটা মুখ এবং দুটো কান দিয়েছেন। দুটো কানতো আর খামোখা দেয়নি।

০২. মানসিক দৃঢ়তাঃ একজন সফল মানুষ জানে কিভাবে “না” বলতে হয় এবং কখন নির্দ্বিধায় তা করতে হয়। একজন সফল মানুষই পারে বাস্তবমুখী কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে।

০৩. অতীতের ভুলের প্রতি কম মনোযোগী হোনঃ ভুল আমরা কমবেশী সবাই করি। একজন নিখুঁত মানুষ খুঁজে পাওয়াটা দায়। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করুন কিন্তু অতীত নিয়ে পড়ে থাকবেন না। কারণ, যা চলে যায় তা কখনো আর ফিরে আসে না।

০৪. অন্যজনের দৃষ্টিকোন থেকে দেখুনঃ একজন সফল মানুষ সবসময় একটা বিষয়কে অন্যজন কিভাবে ভাবছে তা নিয়ে চিন্তা করে। সুতরাং একটি বিষয়কে বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে দেখুন।

০৫. চ্যালেঞ্জ গ্রহন করার মানসিকতাঃ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গুন হলো সর্বদা “নতুন কিছু করার” মানসিকতা। সবসময় নতুন কিছু কে কিংবা নতুন কোন আইডিয়া কে গ্রহণ করুন। এটাকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিন। ভুলেও আপনার ভিতরকার হেরে যাওয়ার ভয়টাকে বের হয়ে আসতে দিবেন না। তাহলেই নতুন কিছু সফলভাবে করতে পারবেন।

০৬. কখন থামতে হবে শিখুনঃ কোন একটা পরিস্থিতি কে সর্বদা যাচাই করুন। সেই পরিস্থিতি থেকে আপনার সফলতা কিংবা ব্যর্থতা কতটুকু তা নির্ধারণ করুন। যে কাজে সফলতা ক্ষীণ সেই কাজের পেছনে লেগে না থেকে তা ছেড়ে দিন কিংবা আগানোর পদ্ধতি পরিবর্তন করুন। যদি সফল হওয়ার আশা দেখতে পান তাহলে আগান না হলে অন্য পথের কথা ভাবুন।

০৭. সর্বদা ইতিবাচক চিন্তা করুনঃ সফল ব্যক্তিরা সর্বদা নিঃসংশয় থাকে এবং ইতিবাচক চিন্তা করে। তারা বিশ্বাস করে তারা যা কিছুই করুক না কেন সদা পরিশ্রমের মাধ্যমে সহফলতা নিয়ে আসবেই। এবং নিয়ে আসেও।

০৮. সর্বদা সুযোগ খুঁজতে থাকুনঃ কথায় আছে কার ভাগ্য কখন কোন দিক দিয়ে খুলে যায় তা কেউ বলতে পারে না। তাই সদা চোখ-কান খোলা রাখুন এবং সুযোগ খুঁজতে থাকুন নিজের উন্নতির। একজন সফল মানুষ নিজেই নিজেকে বলতে থাকে “আমি জানি আমি পারবো, আমি পারবোই” এবং তা তারা পারেও।

০৯. চিন্তা করুন এবং স্বপ্নটা একটু বড় দেখুনঃ স্বপ্নটাকে একটু বড় করে দেখতে শিখুন। আপনার স্বপ্নই আপনাকে আপনার সফলতার দিকে পরিচালিত করবে। চিন্তা করুন। ভাবুন। প্ল্যান করুন। একজন সফল ব্যাক্তির ডিকশনারীতে “পারবো না” “নাই” “হবেনা” এই শব্দগুলো খুঁজে পাবেন না।


source: সামুওয়্যারইনব্লগ

17
দুর্ঘটনায় চোয়ালটা ভেঙে গেছে? অথবা এক কান হারিয়ে খুব মনঃকষ্টে আছেন? এমন দুশ্চিন্তা থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে সেই দিন হয়তো শেষ হতে চলেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) প্রিন্টারের সাহায্যে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তৈরি করেছেন। এভাবে তৈরি হাড়, মাংসপেশি পশুর দেহে প্রতিস্থাপনের পর আসল অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতোই দিব্যি কাজ করছে। মানবদেহের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে প্রতিস্থাপনের জন্যও এগুলো ব্যবহারের আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।
যুগান্তকারী এ গবেষণা চালিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ওয়াক ফরেস্ট ব্যাপ্টিস্ট মেডিকেল সেন্টারের একদল গবেষক। গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী নেচার বায়োটেকনোলজিতে।
ক্ষতিগ্রস্ত চোয়াল, কান বা হৃৎপিণ্ডের ক্ষতিগ্রস্ত মাংসপেশি সারিয়ে তুলতে নিখুঁতভাবে স্বতন্ত্র মানবকোষ ব্যবহারের বিষয়টি খুবই কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু তা দীর্ঘদিন বাঁচিয়ে রাখার বিষয়টিই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, টিস্যুর আকার দশমিক ২ মিলিমিটারের কম হলেই সেগুলো অক্সিজেন ও পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করতে পারে না।
এ সমস্যা গবেষক দলটি নতুন পদ্ধতি বের করেছে, যার নাম ইন্টিগ্রেটেড টিস্যু অ্যান্ড অর্গান প্রিন্টিং সিস্টেম বা আইটপ। এ পদ্ধতিতে থ্রিডি প্রিন্টারগুলোর সাহায্যে তৈরি টিস্যুতে সহজেই পুষ্টি উপাদান প্রবেশ করতে পারে।
গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক অ্যান্থনি আটালা বলছেন, এখন মানবদেহের জন্যও এমন টিস্যু তৈরি করা যেতে পারে।
প্রতিস্থাপিত টিস্যুগুলো মানবদেহের টিস্যুর সমান শক্ত। কিন্তু এগুলো কতটা দীর্ঘস্থায়ী হয়, সেটা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন গবেষকেরা।

source: prothom-alo

18
Art / Science Inspired Exhibition
« on: February 11, 2016, 06:05:05 PM »
ফলিত পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী হলেও আরিফ আহমেদের আগ্রহ মহাবিশ্বের নানান খুঁটিনাটি বিষয়াদি নিয়ে।এদেশে থ্রি-ডি অ্যানিমেশন প্রশিক্ষণের অন্যতম পথিকৃৎও বলা হয় তাকে।রাতের আকাশে কতশত ফোঁটা ফোঁটা তারাদের বাস।সূর্যের চাইতেও কয়েক’শ গুণ বড় কোন কোন তারা।উল্কা,ছায়াপথ আর নক্ষত্রপুঞ্জের বসত বাড়ি ঐ মহাকাশ।তাহলে মহাবিশ্বের পরিধি ঠিক শেষ কোথায়?
রাতের পর রাত আকাশের ঐ মিটিমিটি তারার সাথে আমরা কত কথা বলেছি আর ভেবেছি!একদিন আমরা তারাদের কাছে যাব।সীমানা পেড়িয়ে অসীমের পথে। কিন্তু যাওয়া হয় নি আমাদের কারও।
আরিফ আহমেদ সুযোগ করে দিয়েছেন তারাদের কাছাকাছি যাবার।তাই তাঁর আঁকা বৈচিত্রময় মহাজাগতিক বিষয় নিয়েই D'FuGlee GaLaria এর চিত্র প্রদর্শনী।

19
মাঝেমধ্যেই আমরা পিসি সংক্রান্ত বিভিন্ন ঝামেলার কারণে আমাদের মূল্যবান ডাটা কম্পিউটার থেকে হারিয়ে ফেলি।উইন্ডোজ রি-ইন্সটল বা কোনো ফাইল ভুল করে ডিলিট করে দেয়ার মাধ্যমেও আমরা হারিয়ে থাকি আমাদের ডাটা। অনেক সময় ভাইরাসের কারণেও এমনটি ঘটে থাকে। তখন মাথায় হাত দেয়া ছাড়া অন্য কিছু করা থাকে না। তবে যারা এডভান্স ইউজার তারা এমন সমস্যাকে এখন আর সমস্যাই মনে করেন না। আমি নিজেও একবার ডাটা হারিয়ে ভয়ানক বিপদে পরে গিয়েছিলাম। পরে সন্ধান পাই Eassos PartitionGuru Pro সফটওয়্যারটির। এটি একটি অসাধারণ সফটওয়্যার। কাজে না লাগালে আপনি বুঝতে পারবেন না এটি আপনার জন্য কত মূল্যবান।

hard disk recovery
Memory card recovery
Photo recovery
Deleted files recovery
hard disk bad sector recovery ‍আরো অনেক কিছু...
Backup partition to image file or restore partition from image file;
Clone partition to another partition by file or copy by sectors;
Clone the entire hard drive to another disk by file or by sectors;
Clone virtual disk and its partitions.


অনেক সময় মাল্টিপ্লান বা আইডিবিতে কম্টিউটার সার্ভিসিং করে যারা তারা ও  এই সফটওয়ার ব্যবহার করে থাকে।এটায় আপনি ডাটা উদ্ধারের জন্য তিনটি অপশন পাবেন।

ডিলিটেড ফাইল রিকভারি,
কমপ্লিট রিকভারি
পার্টিশন রিকভারি।
তাহলেই আপনি সহজেই নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কোন অপশনটি কোন কাজ করে। ডিলিটেড রিকভারি দিয়ে আপনি ডিলিট করা ফাইল উদ্ধার করতে পারবেন। কমপ্লিট রিকভারি দিয়ে হার্ডডিস্কের পুরো বা নির্দিষ্ট একটি পার্টিশনের সবগুলো ফাইল উদ্ধার করতে পারবেন। পার্টিশন রিকভারি দিয়ে পারবেন হারিয়ে যাওয়া পার্টিশন উদ্ধার করতে।


source: techtunes.com.bd

20
ICT / Neumob Wants To Increase Mobile App Speeds In Southeast Asia
« on: February 11, 2016, 05:35:19 PM »
Millions of people in Southeast Asia are going online for the first time through their smartphones. The region’s “mobile-first” approach makes it especially attractive for e-commerce, social network, and gaming companies—when their apps work, that is. Unfortunately, users are often frustrated by slow connection speeds. Neumob, a service that decreases load times for mobile apps, wants to help developers there.

The Sunnyvale, California-based company, which has raised $10.8 million so far from investors like Accel Partners, has added new servers in Malaysia and Vietnam to its global network . While Neumob makes a consumer app for Android (an iOS version is coming soon), its Southeast Asia launch focuses on its business-to-business app acceleration software development kit, says founder and chief executive officer Jeff Kim.

“We’re excited about the implications for consumers, however—many should see their apps loading significantly faster soon after launch, as we’re in a number of talks with Southeast Asian and global app developers to speed up their apps in Asia and around the world.”

Neumob’s POP network covers 46 metropolitan areas, with about half of its servers divided between Europe and North America. The company also added a server in Taipei, Taiwan, as part of its expansion plans for the rest of Asia, and its already has points of presence in Jakarta, Singapore, and Mumbai.

The startup claims that its main product, Neumob Accelerator, enables apps to run two to ten times faster no matter what network they are on, which hopefully translates into better app performance and higher revenue and user retention rates.

Developers sometimes use their website’s CDNs (content delivery networks) to boost the speed of their mobile apps, but because those are built for desktop use, they are often ineffective for sending data to individual devices. Neumob’s technology increases app speeds by focusing instead on latency issues in the “mobile mile” between the Internet and device. Kim says its mobile-first strategy is what sets Neumob apart from competitors like Akamai, CloudFlare, and Fastly, which focus on desktop CDNs.

Since many people in Southeast Asia don’t own a PC and rely on their smartphones to go online, slow loading apps are a major pain—if they even load at all.

“We’re working with many customers in which the problem isn’t merely app abandonment or slow performance. Their apps simply don’t function in Southeast Asia,” says Kim. “One customer of ours has an app in which end-users take photos and upload them. The uploads fail, due to slow networks and inefficient routing.”

“Another example we’re seeing is financial trading apps, in which financial trades fail because the underlying prices have changed,” he adds. “Beyond performance, the functionality simply doesn’t work, which gives app developers huge headaches and lost revenues.”

After tackling Malaysia, Neumob plans to focus on India, Vietnam, and Indonesia in the future.

“Malaysia was a natural first choice for us—the country’s mobile penetration rate has just exploded over the last couple years,” says Kim. “There are over 10 million smartphone users in Malaysia alone, and so the market for mobile apps is enormous.”

source: techcrunch.com

21
এমন অনেক খাবার আছে যেগুলো আমরা সবসময় খেতে পছন্দ করি। কিন্তু আপনি জানেন কি? খেতে ভালো লাগলেও এই খাবারগুলো ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী। এগুলির বেশিরভাগই প্রক্রিয়াজাত মাংস কিংবা বিভিন্ন ধরনের খাবার। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দুই টুকরার কম (প্রায় ৫০ গ্রাম) প্রক্রিয়াজাতকৃত মাংস খেলেই অন্ত্রের ক্যানসার বৃদ্ধির আশংকা বেড়ে যায় ১৮ শতাংশ। যদিও পরিমাণটা খুবই কম। এসব খাবার খাওয়ার ফলেই শরীরে ঢুকছে বিষ। কেননা দীর্ঘদিনের জন্য খাবার সংরক্ষণ করে রাখতে এগুলোতে এমন সব প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা বহুগুণে বাড়িয়ে দিচ্ছে ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা। 

কাজেই জেনে নিন ক্যান্সারকে আমন্ত্রণ জানায় কোন খাবারগুলো-

মাইক্রোওয়েভ পপকর্ণ
অনেক কম্পানির মাইক্রোওয়েভ পপকর্ণগুলো ব্যাগে করে বিক্রি হয়। এগুলো খাওয়ার ফলে শরীরে ঢুকতে পারে পারফ্লুওরুকট্যানোইক অ্যাসিড। যা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

ক্যান্সারকে আমন্ত্রণ জানায় যেসব খাবারক্যানড ফুড
ক্যানড ফুডে বাইফেনল-এ রয়েছে, যা মস্তিষ্কের ভেতর জিনের কার্যকারিতা নষ্ট করতে সাহায্য করে। কাজেই ক্যান্সারের ঝুঁকি এড়াতে এসব খাবার থেকে দূরে থাকুন।

ক্যান্সারকে আমন্ত্রণ জানায় যেসব খাবারপ্রসেসড মিট
মাংসকে নানা রকমভাবে প্রসেস করে হটডগ, সসেজ, বেকন, বার্গার প্রভৃতি বিভিন্ন রকমের স্ন্যাকস তৈরি হচ্ছে। আর এসব খাবারকে সুস্বাদু করতে ব্যবহৃত হচ্ছে নানা ধরনের প্রিজারভেটিভ। যা শরীরে ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

ক্যান্সারকে আমন্ত্রণ জানায় যেসব খাবারচাষ করা মাছ
ঘেরে চাষ করা মাছে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি। এতে বেশি পরিমাণে রাসায়নিক, কীটনাশক ও ওষুধ প্রয়োগ করা হয়, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক।

ক্যান্সারকে আমন্ত্রণ জানায় যেসব খাবারপটেটো চিপস
আজকাল ছোটদের পাশাপাশি বড়রাও কিন্তু চিপস খেতে ভালোবাসেন। এটাও কিন্তু শরীরে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে ভূমিকা রাখে। কেননা প্রচণ্ড তাপমাত্রায় চিপস যখন ভাজা হয়, তখন তৈরি হয় অ্যাক্রিলামাইড, যা পাওয়া যায় সিগারেটেও। ফলে সিগারেট ও চিপস দুটোই শরীরের ক্ষতি করে, যা ক্যান্সার ঝুঁকি বাড়ায়।

ক্যান্সারকে আমন্ত্রণ জানায় যেসব খাবারময়দা
ক্যান্সারের ঝুঁড়ি বাড়ায় ময়দাও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রসেসড যেসব ময়দা দেখতে যত ধবধবে সাদা, বিপদ সেখানেই। খুব সাদা করার জন্য ব্যবহার করা হয় ক্লোরিন। যা আপনার রক্তে দ্রুত শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দেবে। আর এই শর্করা ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

ক্যান্সারকে আমন্ত্রণ জানায় যেসব খাবারচিনি
অতিরিক্ত চিনি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। খুব চিনি খাওয়ার ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়, যা প্রকান্তরে শরীরে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ায়।

ক্যান্সারকে আমন্ত্রণ জানায় যেসব খাবারসুইটনার
বিভিন্ন প্রসেসড ফুডে এখন কৃত্রিম সুইটনার অ্যাসপারটেম মেশানো থাকে, যা পরিপাকের সময় অ্যাসপারটেম টক্সিক উপাদান ডিকেপি-তে ভেঙে যায়। ফলে ব্রেন টিউমার হতে পারে।

ক্যান্সারকে আমন্ত্রণ জানায় যেসব খাবারঅ্যালকোহল
অতিরিক্ত কোন কিছুই পান করা কখনই ঠিক নয়। পরিমিত সীমার মধ্যে মদ্যপান শরীরের কোনও ক্ষতি না করলেও অতিরিক্ত মদ্যপান আপনার কোলন, রেকটাম, মুখ, খাদ্যনালীতে ক্যান্সার এমনকি ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

ক্যান্সারকে আমন্ত্রণ জানায় যেসব খাবারসোডা
সোডা ওয়াটারে সুগারের পাশাপাশি কখনও কখনও সুইটনারও মেশানো থাকে। এগুলো ক্যান্সারে সৃষি।টতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া অনেক সময় এতে কৃত্রিম রং ও ফ্লেভারও মেশানো থাকে যা ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী।

সূত্র: জিনিউজ।

22
সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে নিজের রিলেশনশিপ নিয়ে ফেসবুকে যারা নিয়মিত স্ট্যাটাস আপডেট করেন, তারা আসলে রিলেশনশিপ নিয়ে ইনসিকিউরিটিতে ভোগেন। অন্যদিকে জিম সেশন ও সুষম খাবার খাওয়ার ব্যাপারে নিয়মিত স্ট্যাটাস আপডেট করার পেছনে কাজ করে ইগো।

লন্ডনের ব্রুনেল ইউনিভার্সিটি থেকে পরিচালিত এক রিসার্চে দেখা গেছে, ইনসিকিউরিটিতে ভোগেন, এমন মানুষই অন্যের এটেনশন পাওয়ার জন্যে রোজ রোজ এ সংক্রান্ত স্ট্যাটাস আপডেট করে থাকেন। অন্যের লাইক ও এটেনশন পাওয়ার মাধ্যমে নিজের ইনসিকিউরিটি ভুলে থাকার চেষ্টা করেন এ ধরনের মানুষ। তেমনি দাম্ভিক মানুষ নিজের অর্জন ও প্রাপ্তির ব্যাপারে নিয়মিত পোস্ট করেন। অন্যের লাইক, কমেন্ট ও এপ্রিসিয়েশন তাকে নিজের সম্পর্কে উঁচু ধারণা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

‘লাইক’ দেয়ার মাধ্যমে অন্যের ইগো ও ইনসিকিউরিটি বৈধতা দেয়া—এটা কি ভালো? যারা এসব স্ট্যাটাসে ‘লাইক’ দেয়, তারা কি ব্যাপারগুলো পছন্দ করে বলে লাইক দেয় নাকি লাইক দেয় তাদেরকে সাপোর্ট করতে? ফেসবুকের সাইকোলজি বুঝতে যে গবেষণাটি করা হয়েছে তার পেছনে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে।

এর আগে পরিচালিত বিতর্কিত এক পরীক্ষায় দেখা গেছে নিউজ ফিড নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ফেসবুক-ব্যবহারকারীদের মুড নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এই পরীক্ষায় নির্দিষ্ট ধরনের পজিটিভ অথবা নেগেটিভ আপডেট পাওয়া থেকে ছয় লাখ ৮৯ হাজারেরও বেশি ফেসবুক-ব্যবহারকারীর নিউজ ফিড নিয়ন্ত্রণ করে তথ্য বিজ্ঞানীরা। দেখা গেল নিউজ ফিডের আপডেট ব্যবহারকারীদের মুড ও পোস্ট নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

ফলাফল প্রকাশ করা হলে অনেকেই ক্ষেপে গিয়ে তাদের আবেগের অপব্যবহারের জন্যে ফেসবুকের সমালোচনা করে। কারণ তাদের মতে এভাবে কারো সাইকোলজি যাচাই করা সম্ভব না। ব্যবহারকারীদের মধ্যে কেউ কেউ আগে থেকেই খারাপ মুডে থাকতে পারে। আর তাহলে এই পরীক্ষার কোনো মূল্য থাকে না।

তবে অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে, ব্যবহারকারীদের ওপর প্রভাববিস্তারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কতটা শক্তিশালী—পরীক্ষাটি দিয়ে তা বোঝা যায়। কাছের মানুষের সর্বশেষ খবর জানার জন্যে প্রায় নয়শ’ ৩৬ মিলিয়ন ব্যবহারকারী প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও লগ ইন করে থাকে। শুধু তাই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অন্যান্য মাধ্যম ছাপিয়ে প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে। মানুষ কী দেখবে, কী ভাববে—সব নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেছে। ফেসবুক এখন পৃথিবীর সবচাইতে শক্তিশালী মিডিয়া, সেই সাথে সবচাইতে প্রভাবশালী নিয়ন্ত্রকও।

কথা হলো, ফেসবুকে কে ঠিক কোন উদ্দেশ্য নিয়ে কী স্ট্যাটাস আপডেট দিচ্ছে সেটা জানা জরুরি কেন। ফেসবুকে ব্যবহারকারীরা বন্ধুদের কোনো পজিটিভ আপডেট দেখলে নিজের সিচুয়েশনের সাথে সেটা মেলাতে চেষ্টা করেন। এই তুলনার ফলাফল প্রায় সবসময়ই নেগেটিভ। ব্যাপারটা অনেকটা ‘অন্য পারের ঘাস বেশি সবুজ’ টাইপের।

যেকোন ধরনের স্ট্যাটাস আপডেটের পেছনে মূল উদ্দেশ্য থাকে নির্দিষ্ট রিয়েকশন পাওয়া। রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস আপডেট পড়ে অন্যকে বেশি সুখি মনে হতে পারে। তবে সেটা নিজের রিলেশনশিপের সাথে তুলনা করার আগে মনে রাখতে হবে পোস্ট করার ব্যাপারে সব মানুষই সিলেক্টিভ। প্রত্যেকের পোস্টের পেছনেই কোনো না কোনো উদ্দেশ্য থাকে। পুরো ব্যাপারটা যত না আক্ষরিক, তার চেয়ে আরো বেশি গভীর। ইনসিকিউরিটি কিংবা অহমিকা থেকে হয়ত কেউ শো অফ করছে, আর আপনি না বুঝেই ভাবছেন ‘আহা তারা কতই না সুখি!’

ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্যে ফেসবুকের এই দিকটা বেশ ক্ষতিকর হলেও, মানুষের মন কিভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে সবচেয়ে উপযুক্ত ধারণা দিতে পারে ফেসবুক। একটা খুব সাধারণ স্ট্যাটাস আপডেট, আপাত দৃষ্টিতে তার হয়ত কোনো মূল্য নেই। গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে সেটাই হয়ে উঠতে পারে মানুষের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে সত্যিকার ধারণা লাভের উপায়। কারণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব সহজেই নিজের মিথ্যা ব্যক্তিত্ব উপস্থাপন করা সম্ভব।

গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে ফেসবুকের তথ্য বিবরণী থেকে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব যত গভীরভাবে বোঝা সম্ভব, অতটা তার পরিবার, বন্ধু কিংবা পার্টনারের কাছ থেকেও জানা সম্ভব না। আর এই জ্ঞানটা কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই মানুষকে প্রভাবিত করা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে তথ্য সংগ্রহ করে কনজিউমারের চাহিদা সম্পর্কে এমন সব ধারণা পাওয়া সম্ভব যা অন্য কোনো রিসার্চ দিতে পারবে না। শুধু সাইকোলজিক্যাল রিসার্চ নয়, পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এসব ডেটা এনালাইসিস।


source: banglanews24.com

23
Life Style / মনোযোগে মনোযোগী হন
« on: February 03, 2016, 09:42:50 PM »
আপনি মনোযোগী? মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন? কতক্ষণ পারেন? সহজেই মনোযোগী হতে পারেন? নাকি চেষ্টা করতে হয়?

সুমির পড়ার বই দেখলেই হাই ওঠে। ঘুম পায়। মন বসে না। সিনেমা কী দেখবে আজ বিকেলে সেটি ভাবনায় চলে আসে। কিন্তু গল্পের বই পড়ায় গভীর মনোযোগী সে।

আবার তার ছোটবোন অপরাজিতা দিনে অনায়াসে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পড়ার বই নিয়ে কাটিয়ে দেয়। টিভির দিকে মোটেও মনোযোগী নয় সে।

ভিন্ন ভিন্ন মানুষের মনোযোগের মাত্রা ভিন্ন হবে এটিই স্বাভাবিক। এটি ব্যক্তির পছন্দ, রুচি, পরিবেশ, প্রতিবেশ ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।

মানুষ কীভাবে মনোযোগ ধরে রাখে? মনোযোগ ধরে রাখতে পরিবেশ একটি বড় নিয়ামক। পারিপার্শ্বিকতা বড় ভূমিকা পালন করে। যেমন, আপনার চারপাশের অবস্থা শান্ত, আপনার মনোযোগ বাড়বে। সেইসঙ্গে অতীত অভিজ্ঞতা, জেনেটিক গঠন ও ইচ্ছাশক্তি মনোযোগ ধরে রাখতে ভূমিকা পালন করে।

প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার ক্ষেত্রে বার বার নিজেকে মনোযোগী করতে ব্রতী হয়েছে এবং নিজের মনোযোগের দিকে নিজেই দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, তাদের মনোসংযোগ ক্ষমতা ক্রমান্বয়ে বেড়েছে।

এলোমেলো ভাবনা কখনও কখনও আপনার মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয়, কখনও নতুন কোনো সৃষ্টিমূলক চিন্তাকে উস্কে দেয়। এসব তো গেলো সুফল।

আর এর উল্টো দিকে রয়েছে কর্মচাঞ্চল্য কমে যাওয়া থেকে ‍শুরু করে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। আপনি যদি সব সময় মনোযোগ হরিয়ে ফেলেন তবে সমূহ বিপদ। কাজের ফাঁকে মনোযোগ হারিয়ে ফেলার কারণ হলো, আমরা আমাদের মনোসংযোগে পর্যাপ্ত মনোযোগ দেই না। তাই অন্যমনস্কতা আমাদের গ্রাস করে।

আমরা যদি প্রতি মুহূর্তে নিজের মনোযোগ পর্যবেক্ষণ করি, তবে আমাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে অন্যমনস্কতা আর আমাদের গ্রাস করবে না। কারণ, অন্যমনস্কতা জানান দিয়ে-ঢাক-ঢোল পিটিয়ে আসে না।

এটি অসতর্ক মুহূর্তে বেনোজলের মতো ঢুকে পড়ে আপনার মননে। এমনটি বহুবার যখন আমরা অন্যমনস্ক হই তখন ধরা পড়ে। তাই নিজের মনোযোগের উপর সতর্ক ও প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

এর জন্য প্রয়োজন মনোসংযোগ। যতো বেশি মনোসংযোগ বাড়াবেন ততো অভিজ্ঞ হয়ে উঠবেন এই প্রক্রিয়ায়।

ফিরে আসি সুমি আর অপরাজিতার কথায়। অপরাজিতা দিনে অনেক বেশি সময় পড়ার বই পড়তে পারে। কারণ, সুমির তুলনায় মনোযোগে তার মনোসংযোগ বেশি। মনোযোগ বাড়ানোর ফলে পর্যায়ক্রমে অন্যমনস্কতা কমে আসবে।

আমরা মানুষ। রোবট নই। মন এলোমেলো হবেই। কিন্তু মনের লাগামটা ধরার পথও রয়েছে।

ডা. সানজিদা শাহরিয়া
বিভাগীয় প্রধান ও প্রফেসর অব এনাটমি এবং কাউন্সিলর

24
বিষণ্নতায় ভুগছেন? মনে হচ্ছে কোথাও কেউ নেই? জীবনের ভারে আপনি ক্লান্ত?

এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে কিছু সহজ উপায় মেনে চলতে পারেন। দেখবেন, নিজেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিষণ্নতার জাল ছিঁড়ে বেরিয়ে এসেছেন। দেখে নিন চটজলদি।

ব্যায়াম
ব্যায়াম আমাদের মাংসপেশি শিথিল করে, স্ট্রেস কমায় ও মন ভালো রাখবার হরমোন নির্গত করে। বিষণ্নতা প্রতিরোধে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন বা হাঁটুন। গড়ে প্রতি ১০ মিনিট হাঁটার পরবর্তী দুই ঘণ্টা মুড ভালো রাখে বলে গবেষণায় প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ঘুম
ঘুম কম হলে মেজাজ খিটমিটে হয়, ফলে বিষণ্নতা মনকে প্রভাবিত করে। রাতে অন্তত সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমান। এর কম ঘুমালে আপনার বিষণ্ণতা প্রতিরোধে আপনি নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। যদি নয় ঘণ্টার বেশি ঘুমান বা ঘুম কাতুরে হয়ে থাকেন, তবে ব্যায়াম বাড়ান।

বিএমআই
মোটা না হলেও আপনি নিজে থেকেই বছরে একবার বিএমআই পরিমাপ করান। মুটিয়ে যাওয়া কেবল সৌন্দর্যহানী নয়, এটি বিশাল একটি স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বটে। বিএমআই দেখে আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্য কতটুকু ঝুঁকিতে রয়েছে তা জেনে নেওয়া এবং কী ধরনের চিকিৎসা প্রয়োজন তা নির্ধারণ করা দরকার।

কোমরের মাপ
চর্বি কোমরে জমা হয়। এটি তো তবু দৃশ্যমান। কিন্তু অদৃশ্য চর্বি পরতে পরতে আপনার বিভিন্ন অরগানে যেমন- হৃদপিণ্ড, লিভারে জমা হয়। যদি আপনি নারী হন এবং কোমরের মাপ ৩৫ ইঞ্চি বা ৮০ সেন্টিমিটারের বেশি হয় তবে আপনি ঝুঁকিতে রয়েছেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে ৪০ ইঞ্চি বা ১০২ সেন্টিমিটারের বেশি হলে ঝুঁকিপূর্ণ। বছরে অন্তত একবার কোমরের মাপ দেখুন।

অন্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি
যদি আপনার অন্য স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে যেমন- থাইরয়েড, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস তবে চিকিৎসা নিন।

রক্ত পরীক্ষা
কী কী রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে সেটি আপনার বর্তমান লক্ষণের উপর নির্ভরশীল।

সুষম খাদ্য
উচ্চ আঁশ ও কম চর্বিযুক্ত খাদ্য বিষণ্নতা প্রতিরোধ করে। ফল, শাক সবজি, আঁশযুক্ত শস্য দানা, সামুদ্রিক মাছ, ভিটামিন বি ও ডি, ক্রোমিয়াম ইত্যাদি সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে।

সামাজিক জীবনকে ‘হ্যাঁ’
নিঃসঙ্গতার ঘেরাটোপ থেকে বের হয়ে আসুন। বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান। হাসুন। বিশ্বস্ত বন্ধুকে বলুন ‘আমি বিষণ্ণ’। নিজেকে সময় দিন।

স্ট্রেস
স্ট্রেসের কারণ খুঁজে বের করে অর্ধচন্দ্র দিয়ে বিদায় করুন। তা না হলে প্রয়োজনে বিকল্প উপায় বেছে নিন। মেডিটেশন বা যোগ ব্যায়াম করুন।

ইতিবাচক মনোভাব
ইতিবাচক মনোভাব রাখুন। হতাশার নীল চশমা জোর করে হলেও খুলে ফেলুন। ধরুন বস বাড়তি কাজ চাপালেন, ভাবুন বস আমাকে বিশ্বাস করে এবং আমি যোগ্য বলেই কাজটি দিয়েছেন। আসুন, বিষণ্ণতার ছোবল থেকে বেরিয়ে এসে হেসে বাঁচি।

source: banglanews24.com

25
মূলত কণ্ঠস্বর শুনে আমরা নির্ধারণ করে থাকি যে, সে ব্যক্তি আনন্দে আছেন, কিংবা বিষণ্ন-বিরক্ত-উদ্বিগ্ন নাকি আসলেই কেমন রয়েছেন। কেবল অন্যের বেলায় নয়; নতুন একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে- আমরা নিজেদের ক্ষেত্রেও একইভাবে বিচার করে থাকি।

এ জন্য গবেষকরা একটি ডিজিটাল অডিও প্লাটফর্ম নির্মাণ করেছেন। যেখানে গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ‘সাউন্ড হাইপার’ শোনানো হয়। অর্থাৎ ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবে কথা বলেন, কিন্তু সেই কথা বিভিন্ন আবেগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তাদের কানে আসে।

বক্তার মূল বক্তব্য ওঠা-নামাসহ নানা বিষয়ে পরিবর্তন এনে অনেক বেশি ইতিবাচক, আত্মবিশ্বাসী এবং উত্তেজিত শোনানো হয়। এতে দেখা যায়, যখন তারা পরিবর্তিত কণ্ঠস্বর শোনেন- তাদের মানসিক অবস্থা আবেগের সেই স্তরে পৌঁছে যায়। স্বর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন মানসিক অবস্থা দেখা দেয়। তাই তো গবেষকদের বক্তব্য, সাধারণভাবে প্রফুল্ল থাকতে কণ্ঠস্বরে আনন্দ ধরে রাখুন।

গবেষণার প্রধান গবেষক ফ্রান্সের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সায়েন্টিফিক রিসার্চার (সিএনআরএস) জাঁ-জুলিয়ান অ্যাকোটোরিয়া বলেন, ‘ভোকাল ইমোশন’র পেছনের কৌশল সম্পর্কে এখনও বিশেষ কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

‘অতীতের গবেষণায় দেখা যায়, মানুষ তাদের আবেগ ব্যবস্থাপনা এবং নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। যেমন- অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ না করা। আমরা জানতে চেয়েছিলাম নিজেদের আবেগ পরিবর্তনের বিষয় মানুষ কতটা সচেতন’।

গবেষণাকালে, অংশগ্রহণকারীদের ছোট গল্প পড়তে দেওয়া হয়। উচ্চস্বরে পড়ার সময় তারা হেডসেট’র মাধ্যমে তাদের পরিবর্তিত কণ্ঠস্বর শুনতে পান। এতে দেখা যায়, কণ্ঠস্বরে যে পরিবর্তন করা হয়েছে- সে বিষয়ে একেবারেই অসচেতন তারা। এমনকি এ স্বর শোনার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আবেগ এবং মানসিক অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে, সে বিষয়টি পর্যন্ত তারা ধরতে পারেনি।

এর অর্থ দাঁড়ায়, মানুষ কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সব সময় তাদের কণ্ঠস্বর নিয়ন্ত্রণ করে না।

গবেষণার প্রসঙ্গে সুইডেন ল্যান্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক পিটার জনসন বলেন, এই কাজটি করায় অনেক ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যারা ‘মুড ডিজঅর্ডার’ রোগে ভোগেন তাদের চিকিৎসায় নতুন দরজা খুলে গেছে।

source: banglanews24.com

26
অধিকাংশ ক্ষেত্রে একবার কারণ জ‍ানা গেলে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই সুস্থতা পাওয়া যায়। যখন আক্রান্ত পুরুষটির দেহ খুব স্বল্প বা আদৌও টেসটোসটেরন তৈরি করে না, তখন টেসটোসটেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (Testosterone Replacement Therapy- TRT) দেওয়া হয়। যা রক্তে নির্দিষ্ট মাত্রার টেসটোসটেরনের ভারসাম্য বজায় রেখে রোগের লক্ষণ কমায়। ৪০ এর দশকের শেষের দিকে টেসটোসটেরনকে বলা হতো অ্যান্টিএজিং ওয়ান্ডার ড্রাগ।

টেসটোসটেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির ঝুঁকি
•    দীর্ঘদিন টেসটোসটেরন ব্যবহার করলে স্তনের আকার বৃদ্ধি, প্রোস্টেটের আকার বৃদ্ধি, বয়স্কদের প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
•    দেহে পানি আসে, বিশেষ করে যেসব রোগীদের আগে হার্ট, কিডনি বা লিভারের রোগ আছে তাদের দেহে দ্রুত পানি আসতে পারে।
•    যেসব পুরুষের স্তন ক্যানসার আছে তারা টেসটোসটেরন থেরাপি নেবেন না।
•    যদি আপনার টেসটোসটেরন থেরাপি শুরু করার পর শ্বাসকষ্ট বিশেষ করে ঘুমের সময় হয়, পুরুষাঙ্গের ঘনঘন বা দীর্ঘ সময় উত্থান ঘটে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

সর্তকতা
•    চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আসল কারণ না জেনে টেসটোসটেরন কমে যাওয়ার জন্য ওষ‍ুধ খাওয়া বা হরমোন নেওয়া বিপদজনক।
•    নারী ও শিশুদের থেকে ওষুধ দূরে রাখুন। কারণ এসব তাদের জন্য নিষিদ্ধ।

আশার আলো
যদি টেসটোসটেরন কমে যাওয়ার কারণ চিকিৎসাযোগ্য হয়, যেমন স্লিপ অ্যাপনিয়া হয়, তাহলে ঘুমের সমস্যার সমাধান করলেই যথেষ্ট। টেসটোসটেরন বাড়ানোর জন্য কোনো ওষুধ খাওয়ার দরকার নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শুধু জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন করাই যথেষ্ট। যেমন, স্থুলতা।

ওজন কমে গেলেই স্বাভাবিক যৌন জীবনের পুনঃরুদ্ধার ঘটবে। কিন্তু যদি কোনো কারণ খুঁজে না পাওয়া যায় বা চিকিৎসা ফলপ্রসূ না হয় তখন চিকিৎসক সর্তকতার সঙ্গে বিবেচনা করে হরমোনাল চিকিৎসাও দিতে পারেন।

হরমোনাল থেরাপির পরিবর্তন আসতে কিছুটা সময় লাগে। ২ থেকে ৩ মাস ধৈর্য ধরুন। বারবার রক্ত পরীক্ষা আপনাকে বলে দেবে আশানুরূপ হারে রক্তে টেসটোসটেরনের মাত্রা বাড়ছে কিনা।

টেসটোসটেরন সাপ্লিমেন্টেশন ব্যবহারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
•    একনি, ব্রন, তৈলাক্ত ত্বক।
•    হেমাটোক্রিট বেড়ে যাওয়া। শিরা থেকে রক্ত নেওয়ার সময় দেখা যাবে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে গেছে।
•    স্লিপ অ্যাপনিয়া বেড়ে যাওয়া।
•    প্রোস্টেট ক্যানসার রোগীদের রোগের তীব্রতা বাড়তে পারে।
•    চুল পড়ে যাওয়া বা পাতলা হওয়া (টেসটোসটেরন বাড়া বা কমা দুটিই চুলের উপর প্রভাব ফেলে)।
•    শুক্রাণু তৈরি/স্পারম্যাটোজেনেসিস কমিয়ে দিয়ে বন্ধ্যাত্ব করতে পারে।
•    ফ্লুক্সিমেসটেরন ও মিথাইলটেসটোসটেরন হলো টেসটোসটেরনের ওষুধের দুটি কৃত্রিম জাতক। নিরাপদ না হওয়ায় যা আজ চিকিৎসকেরা আর ব্যবহার করেন না।

রক্তে টেসটোসটেরন কম পুরুষের একটি শারীরিক অবস্থা।
চিকিৎসক যখন একজন পুরুষকে জানান, তার মুড অফ, যৌন আগ্রহ হ্রাস, যৌন ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণ টেসটোসটেরন কম, তখন পুরুষটি কেমন বোধ করবেন? এ রোগ নির্ণয়ই কিন্তু তাকে নতুন দুশ্চিন্তা বা দ্বিধা দ্বন্দ্বের মধ্যে ফেলে দিতে পারে। রোগী ভয় পেতে পারেন যে এটা আক্ষরিক অর্থেই তার পৌরুষের জন্য ক্ষতিকর। আশার কথা হলো, এই রোগ খুব সহজেই ভালো হয়ে যায়, যদি রোগের উৎপত্তির চিকিৎসাযোগ্য আসল কারণটি ঠিকমত খুঁজে বের করা যায়।

টেসটোসটেরন কমে যাওয়ার কারণ
শুক্রাশয়ের নিজস্ব কোনো সমস্যা থেকে টেসটোসটেরন কমে যেতে পারে যা শুক্রাশয়কে প্রভাবিত করে যেমন হাইপোথ্যালামাস ও পিটুইটারি গ্রন্থিজনিত রোগ।

•    জন্মগত কারণ: শুক্রাশয় মাতৃ গর্ভকালীন শিশুদের পেটে থাকে। শিশুর জন্মের কিছু দিন বা জন্মের পরপরই এটা অণ্ডকোষে নেমে আসে। যদি না নামে তবে একে ক্রিপটরকিডিজম বলে। এছাড়া আরও আছে প্রিন্যাটাল ডাইইথাইল স্টিলবেসট্রল সিনড্রম।
•    জেনেটিক কারণ: ক্লিনফেল্টার সিনড্রম, হিমোক্রোমাটোসিস, কালম্যান সিনড্রম, প্র্যাডার উইলি সিনড্রম, মায়োটনিক ডিসট্রফি ইত্যাদি।
•    শৈশবে মাম্পস্ এর সংক্রামণ।
•    কেমোথেরাপি।
•    শুক্রাশয়ে আঘাত/ক্যানসার।
•    কাসট্রেশন (শুক্রাশয় কেটে ফেলে দেওয়া)।
•    গ্রানুলোম্যাটোস রোগ যেমন: টিবি, কুষ্ঠ।
•    ডিডিটি (কীটনাশক দিয়ে সংরক্ষিত শুটকি বা রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করে চাষ করা সবজি এসব খেলে টেসটোসটেরন কমে যায়।
•    ডায়াবেটিস।
•    সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগ।
•    সিকেল সেল অ্যানিমিয়া।
•    লিভার/কিডনি ফেইলিওর।
•    পরিবর্তিত থাইরয়েড ফাংশান।
•    রক্তে উচ্চ মাত্রার প্রলেকটিন লেভেল।
•    পিটুইটারি টিউমার, ইমিউন ও ইনফ্লামেটরি পিটুইটারিজনিত রোগ, যেমন সারকয়ডোসিস, ফাংগাল ইনফেকশন, অটোইমিউন ডিজিজ।
•    অপুষ্টি।
•    অ্যানোরেক্সিয়া নারভোসা।
•    বার্ধক্য।
•    পুরুষের মোনোপোজ বা অ্যান্ড্রোপোস।
•    রেডিয়েশন।
•    ভাইরাল ইনফেকশন, যেমন এইডস।
•    শারীরিক বা মানসিক চাপ/ স্ট্রেস।
•    স্থুলতা।
•    স্লিপ অ্যাপনিয়া/ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা ও শ্বাস আটকে যাওয়া।
•    হরমোনের সমস্যা।
•    উচ্চ কলেস্টরল।
•    কিডনিজনিত সমস্যা।
•    ওষুধ সেবন: করটিকোস্ট্রেরয়েড, মরফিন, প্রেডনিসোন, কিটোকোনাজল (খুশকি নাশক শ্যাম্পু), ইথানল, সিমিটিডিন (এসিডিটির ওষুধ), (SSR-Type) বিষণ্নতার ওষুধ, স্পাইরোনোল্যাকটোন (উচ্চরক্তচাপের ওষুধ) ইত্যাদি।
•    মেটাবলিক সিনড্রম।

source: banglanews24.com

27
নতুন একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, মাত্র এক মাস প্রশিক্ষণে নতুন একটি কম্পিউটার গেম বয়োবৃদ্ধদের স্মৃতি ফেরাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।
পরিকল্পনা, দৈনন্দিন জীবনযাপন ও স্বনির্ভরভাবে বাঁচতে যে ধরনের স্মৃতি দরকার হয় - বয়োবৃদ্ধের তা ফিরিয়ে আনতে এই কম্পিউটার গেম কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বৃদ্ধ ব্যক্তি, যিনি ‘কগনিটিভ-ট্রেনিং’ গেম খেলেছেন, তার ক্ষয়িঞ্চু অবস্থার তুলনায় স্মৃতি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তির সমবয়সী একাধিক জনের সঙ্গে তুলনা করে এ ফলাফল নির্ধারণ করা হয়।

কানাডার টরেন্টোতে অবস্থিত দ্যা রটম্যান রিসার্চ ইনস্টিটিউট বেক্রেস্ট হেলথ সায়েন্সেস এ গবেষণা চালায়।

‘প্রোসপেক্টিভ মেমোরি’ অর্থাৎ, মনে রাখার ক্ষমতা ও লক্ষ্যে অনড় থাকা, পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনযাপনের পরিকল্পনা করা- যা বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কমে আসে।
গবেষকরা দাবি করেন, প্রতিদিন যেসব মানসিক সমস্যার কথা রোগীরা জানান, তার ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ স্মৃতি সংক্রান্ত।

গবেষণাটিতে ‘ট্রেন ফর ট্রান্সফার’ পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কম্পিউটার গেমটিতে ব্যক্তিকে দৈনন্দিন জীবন সাপেক্ষে ‘প্রোসপেক্টিভ মেমোরি’ ব্যবহার করে সমাধানে যেতে হয়।

বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। ফলে তাদের সাহায্য করার উপায় খুঁজে বের করা খুবই দরকার, যেন তারা স্বনির্ভরভাবে বাঁচতে পারে। বলেন, গবেষণায় নেতৃত্বদানকারী বিশেষজ্ঞ মেলবোর্নের দ্যা অস্ট্রেলিয়ান ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সাইকোলজি বিভাগের রিসার্চ ফেলো ডা. নাথান রোজ।

গবেষকদের মতে, সবচেয়ে উত্তেজনাদায়ক বিষয় হলো- ল্যাবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার ফলে ব্যক্তি জীবনে এর প্রভাব পড়ে। পরীক্ষা করে দেখা যায়, গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তির উন্নতি।

খেলোয়াড়কে বিভিন্ন ধরনের কাজ মনে রাখতে হয় গেম খেলার সময়। ওষুধ খাওয়া, সময়মতো ওভেন থেকে রাতের খাবার বের করা ইত্যাদি। এতে অংশ নেওয়া ৬০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী ৫৯ জন স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি এক মাসের মধ্যে ২৪টি স্তর শেষ করেন।

মূলত সমস্যায় পড়তে হয়, খেলোয়াড়কে কি কি করতে হবে এটা বোঝাতে, বলেন গবেষকরা।

source: banglanews24.com

28
অনেক সময় আমাদের অজানা সত্বে হার্ডডিস্ক ফরমেট হয়ে যায়, অথবা অনেক সময় ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে ফাইল মুছে যেতে পারে বা হার্ডডিস্ক ফরমেট বা পার্টিশন করতে হতে পারে৤ কিন্তু সবারই হার্ডডিস্কে অনেক গুরুত্বপূর্ন ফাইল বা তথ্য থাকে যা মুছে গেলে অনেক ক্ষতির সম্মুখিন হতে হয়৤ তােই আমি আজ আপনাদের একটি দারুন রিকভারি সফটওয়ারের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব৤ এই সফটওয়ারটি আপনার ফরমেট হয়ে যাওয়া হার্ডডিস্কের সকল ফাইল ফিরিয়ে এনে দিতে পারে নিখুতভাবে৤ রিকভারি দেয়ার জন্য অনেক সফটওয়ার রয়েছে৤ কিন্তু সব সফটওয়ার ঠিকমত কাজ করেনা৤ বিভিন্ন সফটওয়ার দিয়ে রিকভারি করার পরেও ফাইলগুলো চলেনা বা কাজ করেনা৤ কিন্তু এই সফটওয়ারটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে আপনার সকল ফাইল ফিরিয়ে দিবে এবং সব ফাইল ভালভাবে কাজ করবে৤ সফটওয়ারটির নাম হচ্ছে Stellar Phoenix Windows Data Recovery. সফটওয়ারটির ডাউনলোট লিংক এবং লাইসেন্স নিচে দিয়ে দিলাম ৤ আমি নিজে এই সফওয়ার ব্যবহার করে রিকভারি করেছি এবং আমার সব ফাইল সুরক্ষিত আছে এবং ঠিকঠাকমত কাজ করে৤ তাই সফটওয়ারটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম৤

Instruction: *প্রথমে সফটওয়ারটি ওপেন করুন৤

*তারপর  Recovery অপশন থেকে Drive recovery সিলেক্ট করুন

*তারপর এডভান্স Recovery অপশন থেকে NTFS সিলেক্ট করে রিকভারি দিন৤

আশা করি সফটওয়ারটি ব্যবহার করে উপকৃত হবেন৤

http://files.downloadnow.com/s/software/14/48/43/13/StellarPhoenixWindowsDataRecovery-Professional.exe?token=1446312124_c34ddd62796717471c9dc98e8e24084c&fileName=StellarPhoenixWindowsDataRecovery-Professional.exe
LICENSE

User Name – http://Www.IamBidyuT.CoM
Key – 9DC5-4C00-DD18-52BF-A7E5-E955-C42C

source: techtunes.com.bd

29
কৌতুক অভিনেতা থেকে তিনি এখন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আসীন। কিন্তু পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন মানুষকে হাসানো। ধ্যানজ্ঞান বলতে শুধু এটাই। সারদিনের কারিকুড়ি ছিল কৌতুক নিয়েই। হঠাৎ করেই বদলে গেল জীবনের প্রেক্ষাপট। পাঠক বলছি গুয়াতেমালার কৌতুক অভিনেতা জিমি মোরালেসের কথা। এইতো সেদিনের কথা কৌতুকের মাধ্যমে মঞ্চের সামনের উপস্থিত দর্শকদের হাসিয়ে তাদের হৃদয় জয় করে নিতেন। হঠাৎ করেই ২০১১ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ। আর এসেই যেন বলা চলে- এলেন, দেখলেন, জয় করলেন। আর রাজনীতির মাঠেই এত অল্প দিনের পদচারণা হলেও তিনি মোট ৬৭ দশমিক ৫ ভাগ ভোট পেয়েছেন।
২০১১ সালে জেমস আর্নেন্তো মোরালেস কাবরেরা আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জিমি মোরালেস’ নামটি গ্রহণ করেন৷ আর এ নামে মিক্সকো শহরের মেয়র নির্বাচনের প্রার্থীও হয়েছিলেন৷গত ৩ সেপ্টেম্বর  ওট্টো পেরেস মলিনা প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর তাঁকে দলের প্রার্থী করতে চায় ডানপন্থি দল ন্যাশনাল কনভারজেন্স ফ্রন্ট (এফসিএন)৷ তিনিও রাজী হয়ে গেলেন। যদিও তিনি নির্বাচনে জয়লাভ করবেন কিনা তা নিয়ে অনেকে সন্দিহান ছিলেন। আবার অনেকে এও ভেবেছিলেন সাবেক ফার্স্টলেডি সান্দ্রা তরসকেই এ নির্বাচনে জয়ী হবেন। কিন্তু সব শঙ্কা দূর করেই বিজয়ের হাসি হাসলেন জিমি মোরালেস। আর তার বিপরিতে জিনি দাঁড়িয়েছেন সান্দ্রা তোরেস দুই পর্ব মিলিয়ে পেয়েছেন মাত্র ৩২ দশমিক ৫ ভাগ ভোট৷ যদিও মোরলেসের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ দেশ থেকে দুর্নীতিকে হটানো।

30
পেট ফুলে থাকা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হচ্ছে বদহজমের লক্ষণ। অন্য কারণ ছাড়াও দৈনন্দিন জীবনের কিছু অভ্যাস এই সমস্যার জন্য দায়ী। খাদ্যভ্যাস সহ অন্যান্য অভ্যাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয় যদি দৈনন্দিন জীবন যাপনের ধারায় অসাবধান থাকা হয়।

মনে রাখতে হবে যে হজমতন্ত্রের সমস্যা বিভিন্ন ভাবে স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং সেই সাথে দেহের শক্তির মাত্রা কমতে পারে যদি খাবারের বা অভ্যাসের ভুলগুলো চিহ্নিত করা না যায়। এসব কারণগুলো সমাধান না করলে গ্যাস এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার সমাধান হবে না।
তাই দেরি না করে হজমতন্ত্রের জন্য একটি সুস্থ অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। এজন্য ক্ষতিকর অভ্যাস গুলো আমাদের জেনে নেয়া প্রয়োজন।

যথেষ্ট পরিমান খাদ্যআঁশ গ্রহন না করা
আভ্যন্তরীণ অন্ত্রের চলাচলকে গতিশীল করতে আঁশ জাতীয় খাবার গ্রহন করা খুবই প্রয়োজনীয় কারন এসব খাবারের অভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। তাই আঁশ জাতীয় খাবার গ্রহণের পরিমান বাড়াতে হবে।

রাতে দেরি করে খাওয়া
এই অভ্যাসটির কারনে বুকজ্বলা এবং অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে। কারণ দেরি করে খাওয়ার সাথে সাথেই ঘুমাতে যেতে হয়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন।

পেটে বাতাস ঢুকলে
যদি খুব দ্রুত খাবার খাওয়া হয় তাহলে সেই খাবারের সাথে কিছুটা বাতাসও পেটে ঢুকে যায়। এটি বদ হজমের অন্যতম প্রধান কারন। তাই খাবার দ্রুত না খেয়ে ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেতে হবে।

একসাথে অনেক বেশি খাওয়া
ভাল হজমের জন্য একসাথে অনেক বেশি খাওয়া ঠিক নয়। সেই পরিমাণ খাবার যদি একসাথে না খেয়ে কয়েক বারে খাওয়া হয় তাহলে তা হজমতন্ত্রের জন্য বেশ ভালো হয়।

সোডা বা গ্যাস ড্রিঙ্কস
এসব গ্যাস ড্রিঙ্কসের প্রভাব হজমতন্ত্রের উপর দুই ভাবে পড়ে। এসব সোডা বা গ্যাস ড্রিঙ্কস পান করার পর পেট ফোলা ভাব দেখা দেয় এবং সেই সাথে অ্যাসিডিটিও দেখা দেয়। তাই সোডা বা গ্যাস ড্রিঙ্কস না খেয়ে ঘরে তৈরি ফলের জুস খান।

খাবার সাথে পানীয় গ্রহণ
অনেকেরই অভ্যাস আছে যেকোনো ভারী খাবার খাওয়ার সাথেই হজমের সুবিধা হবে ভেবে গ্যাস ড্রিঙ্কস এমনকি চা খাওয়া। এর ফল প্রকৃত পক্ষে বিপরীতই হয়ে থাকে। পেটে গ্যাসের সৃষ্টি হয়।

চুইংগাম
চুইংগাম চিবানোর সাথে সাথে কিছুটা বাতাস পেটের ভেতরেও ঢুকে যায়। এর ফলে পেটে গ্যাস হয় এবং ঢেঁকুর আসে।

অ্যালকোহল
হজমক্রিয়ার উপর অ্যালকোহল ভয়ঙ্কর খারাপ প্রভাব ফেলে। এর ফলে ডায়রিয়া হয় এমনকি পেটে আলসারও হতে পারে।
প্রাকৃতিক কাজ সময় মত না সারা

অনেকের অভ্যাস থাকে আটকে রাখা। এটা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এটা হজমক্রিয়ার সমস্যা তো করেই সেই সাথে অন্যান্য শারীরিক সমস্যারও কারন হয়ে দাড়ায়।

ধূমপান করা
ধূমপান বদহজমের অন্যতম একটি কারন। এর ফলে অ্যাসিডিটি তো হয়ই পেটে আলসারও হতে পারে। এছাড়া ধূমপান হজমতন্ত্রের উপর বিভিন্ন ভাবেই প্রভাব ফেলে।


source: priyo.com

Pages: 1 [2] 3 4 ... 7